বুধবার, নভেম্বর ১৩, ২০১৯
শেষ হয়েছে পদ্মা সেতুর পাইল বসানোর কাজ
১৫জুলাই২০১৯,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অবশেষে শেষ হয়েছে পদ্মা সেতুর পাইল বাসানোর কাজ। গতকাল রোববার রাত ৮টায় পাইল বসানোর কাজ শেষ হয়। এর মধ্য দিয়ে প্রায় সাড়ে তিন বছরের বেশি সময় ধরে ২৯৪টি পাইল বসানো হলো। এর আগে ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে পাইল বসানোর কাজটি শুরু হয়েছিল। পদ্মা সেতুর প্রকল্পের সহকারী প্রকৌশলী হুমায়ন কবির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পাইল বসানোর কাজটি শুরু হয়ে রাত ৮টায় কাজ শেষ হয়। মূল সেতুর ২৬ নম্বর খুঁটির (পিলার) ৭ নম্বর পাইলের টপ সেকশনের পাইল স্থাপন রোববার সাড়ে ১১টায় শুরু হয়। এর আগে গত শনিবার সেতুর সর্বশেষ পাইলটি বসানোর কথা থাকলেও বৈরি আবহাওয়ার কারণে তা সম্ভব হয়নি। এদিকে সেতুর পাইল বসানোর কাজ শেষ হওয়ায় প্রকল্প এলাকায় সংশ্লিষ্টদের মাঝে এখন আনন্দের জোয়ার বইছে। ৩ মিটার পরিধির একেকটি পাইল নদীর ১২০ মিটার পর্যন্ত তলদেশে গিয়েছে। এক লাখ ৪০ হাজার ঘনমিটার পানি প্রতি সেকেন্ডে প্রবাহিত হয়ে থাকে পদ্মা নদী দিয়ে। খরস্রোতা নদীতে যাতে পাইলের ওপর পিলার একশত বছরের বেশি সময় টিকে থাকে-এমনভাবে নদীতে পাইল ড্রাইভ করা হয়েছে। চীন থেকে আসা স্টিল প্লেট দিয়ে পাইল তৈরি করা হয়েছে মাওয়া কন্সট্রাকশন ইয়ার্ডে। গত বছরের শেষ দিকে নকশা পুনর্বিন্যাস করার পর দ্রুতগতিতে পদ্মার বুকে বসতে থাকে একের পর এক পাইল। জানা গেছে, মূল সেতুর নির্মাতা চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কোম্পানিকে পাইল বসানোর কাজ করতে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু চলতি বছরের ৩১ জুলাই পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের ১৬ দিন আগে পাইল বসানোর কাজ শেষ হলো। নির্মাণ কাজের শুরুতে ২৬৪টি পাইলের ওপর ৪২টি পিলার তৈরির নকশা করা হয়। কিন্তু নদীর গভীর তলদেশে কাদামাটির স্তর ও গঠনগত বৈচিত্র থাকায় নতুন নকশা করতে হয়। এ নকশায় ১ ও ৪২ নম্বর পিলারের ১৬টি করে মোট ৩২টি পাইল করা হয়। আর ২২টি পিলারে সাতটি করে মোট পাইল ১৫৪টি এবং ১৮টি পিলারে ছয়টি করে মোট ১০৮টি পাইল রাখা হয়। সব মিলিয়ে ৪২টি পিলারে পাইল রাখা হয় ২৯৪টি। এদিকে ২৯৪টি পাইলের পাশাপাশি এর মধ্যেই ৩০টি পিলার তৈরির কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। সেতুর মোট ৪২টি পিলারের ওপর বসানো হবে ৪১টি স্প্যান। এর মধ্যে কয়েক ভাগে ১৪টি স্প্যান বসানোর মাধ্যমে বর্তমানে পদ্মা সেতুর ২ হাজার ১০০ মিটার দৃশ্যমান হয়েছে।
হঠাৎ ২৬ পুলিশ সুপারকে বদলি
১৫জুলাই২০১৯,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ পুলিশের পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ২৬ কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। বদলির এই তালিকায় বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক প্রলয় কুমার জোয়ারদার রয়েছেন। তাকে ঢাকার পাশে নরসিংদীতে বদলি করা হয়েছে। রবিবার (১৪ জুলাই) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে উপ-সচিব ধনঞ্জয় কুমার দাস স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্যে জানানো হয়। ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়ার আগামী মাসের মাঝামাঝি সময়ে অবসরে যাওয়ার কথা রয়েছে। তার যাওয়ার আগে ডিএমপিতে এক সঙ্গে বড় রদবদলের ঘটনা ঘটল। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখিত বদলি হওয়া পুলিশ সুপাররা হলেন- ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে পুলিশ সুপার লক্ষ্মীপুর জেলায়, পুলিশের বিশেষ শাখার পুলিশ সুপার মিজানুর রহমানকে পুলিশ সুপার সুনামগঞ্জ জেলায়, পুলিশ সদর দফতরের সহকারী পুলিশ মহাপরিদর্শক ফারুক আহমেদকে পুলিশ সুপার মৌলভীবাজার জেলায়, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার লিটন কুমার সাহাকে পুলিশ সুপার নাটোর জেলায়, আনোয়ার হোসেন খানকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা থেকে পুলিশ সদর দফতরের সহকারী পুলিশ মহাপরিদর্শকে, মোহাম্মাদ শাহ জালালকে মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার থেকে পুলিশ সদর দফতরের সহকারী পুলিশ মহাপরিদর্শকে। জাকির হোসেন খান ফরিদপুর জেলা পুলিশ সুপার থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার, মো. সাজ্জাদ রহমান সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার, জয়দেব চৌধুরী নেত্রকোনা জেলা পুলিশ সুপার থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার, আ. স. ম. মাহাতাব উদ্দিন লক্ষীপুর জেলা পুলিশ সুপার থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার, মো. বরকতুল্লাহ্য খান সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার থেকে ঢাকা হাইওয়ে পুলিশ সুপার, সাইফুল্লাহ আল মামুন নাটর জেলা পুলিশ সুপার থেকে ঢাকা জেলা রেলওয়ে পুলিশ সুপার, সুব্রত কুমার হালদার মাদারীপুর জেলা পুলিশ সুপার থেকে রংপুর রেঞ্জের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক। মিরাজ উদ্দিন আহমেদ নরসিংদী পুলিশ সুপার থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার, মো. আনিসুর রহমান পুলিশ সদর দফতরের এআইজি থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার, আব্দুর রহিম শাহ স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) পুলিশ সুপার থেকে টাঙ্গাইল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের পুলিশ সুপার, ফারহাত আহমেদ স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) পুলিশ সুপার থেকে নোয়াখালী পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের পুলিশ সুপার, মো. সাইফুল্লাহ বিন আনোয়ার স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) পুলিশ সুপার থেকে পুলিশ সদর দফকরের সহকারী পুলিশ মহাপরিদর্শক, মাসুদ আহ্মমেদ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার থেকে অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) পুলিশ সুপার। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আনিসুর রহমানকে পুলিশ সুপার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায়, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ পুলিশ কমিশনার আকবর আলী মুন্সীকে পুলিশ সুপার নেত্রকোনা জেলায়, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার এস এম মুরাদ আলিকে পুলিশ সুপার মেহেরপুর জেলায়, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার প্রলয় কুমার জোয়ারদারকে পুলিশ সুপার নরসিংদী জেলায়। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার মাহবুব হাসানকে পুলিশ সুপার মাদারীপুর জেলায়, মেহেরপুর জেলার পুলিশ সুপার মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে পুলিশ সুপার সাতক্ষীরা জেলায় বদলি করা হয়েছে। এর আগে গত ১৩ জুন ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের ডিসি বিপ্লব কুমার সরকারসহ ২১ জন পুলিশ সুপারবে বদলি করা হয়েছিল। তার এক মাসের মধ্যে আরও ২৬ জনের বদলির আদেশ হল।
এরশাদের বাসভবনে ঢুকতে পারেননি বিদিশা
১৫জুলাই২০১৯,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: টানা ১০দিন ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) লাইফ সাপোর্টে থাকার পর রোববার মৃত্যুবরণ করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি জেনারেল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। তার মৃত্যু সংবাদ পেয়ে রোববার রাতেই ভারতের আজমীর শরীফ থেকে ঢাকায় আসেন সাবেক স্ত্রী বিদিশা। এরপর সোমবার সকালে সোয়া সাতটার দিকে তিনি এরশাদের বারিধারা প্রেসিডেন্ট পার্কর বাসভবনে সন্তান এরিককে দেখতে গেলে তাকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। বিদিশা জানান, প্রেসিডেন্ট পার্কর নিরাপত্তাকর্মী ও দলের কিছু কর্মী তার সাথে এমন আচরণ করেছে। তিনি তাদের কাছে জানতে চান, আমি কি তবে আমার সন্তানকে দেখতে পারবো না? তিনি বলেন, আমার ছেলে এরিকের অবস্থা ভাল না। আমি কিছুই চাই না। আমার সন্তানকে দেখতে চাই। সে ভালো নেই। সে একা রয়েছে। কান্নাকাটি করছে। তার সাথে দেখা করতে দেন। এমন অনুরোধ করার পরও তারা বিদিশাকে ঢুকতে দেননি। এদিকে বিদিশা এরশাদ আজ (সোমবার) বিকাল সাড়ে তিনটায় গুলশান -১-এ বিদিশা ফাউণ্ডেশনের অফিসে সংবাদ সম্মেলন করবেন।-আলোকিত বাংলাদেশ
৮ আগস্ট থেকে গার্মেন্টস ছুটি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
১৪জুলাই২০১৯,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে যাতে যানজট তৈরি না হয় সেজন্য আগামী ৮ আগস্ট থেকে পর্যায়ক্রমে গার্মেন্টস ছুটি দেয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিজেএমইএ ও বিকেএমইএ বিষয়টি সমন্বয় করবে। আমরা বিশেষভাবে মনিটরিং করবো। বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। আজ রোববার দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঈদুল আজহা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ঈদের আগে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধ করার ব্যাপারেও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ঈদের আগে কোনো শ্রমিক ছাঁটাই করা যাবে না। শ্রমিকদের বেতন ভাতা ও ব্যবসার স্বার্থে আগামী ৯ ও ১০ আগস্ট ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায় ব্যাংক খোলা রাখার বিষয়ে আমরা অনুরোধ করেছি। তিনি বলেন, ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে বাস, ট্রেন এবং নৌপথে যাতে অতিরিক্ত যাত্রী নিতে না পারে সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পর্যবেক্ষণ করবে। সড়কপথে ফায়ার সার্ভিসের টিম থাকবে। কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে তারা কাজ করবেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ঈদকে সামনে রেখে কোথাও কোনো নাশকতার আশঙ্কা নেই। দেশবাসী যাতে ঈদ নির্বিঘ্নে উদযাপন করতে পারে সেজন্য সারাদেশে নিরাপত্তা পর্যাপ্ত থাকবে। বিশেষ করে ডিপ্লোমেটিক এলাকায় বেশি নিরাপত্তা থাকবে। ঈদকে সামনে রেখে কোথাও কোনো নাশকতার আশঙ্কা নেই।
অবৈধ রিকশা উচ্ছেদে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে: সাঈদ খোকন
১৪জুলাই২০১৯,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেছেন, নগরীতে কোনো অবৈধ রিকশা চলবে না। রাজধানীর প্রধান দুটি সড়কসহ তিনটি রুটে রিকশা বন্ধের পূর্বঘোষিত সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে। অনতিবিলম্বে অবৈধ রিকশা উচ্ছেদে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। রোববার (১৪ জুলাই) নগর ভবন সভাকক্ষে আয়োজিত রিকশা মালিক, প্রতিনিধি ও রিকশাচালকদের সঙ্গে আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এটি ছিল অবৈধ রিকশা, লেগুনা, ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ফুটপাতের অবৈধ দখল উচ্ছেদ সংক্রান্ত ২য় সভা। সভায় মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, শহরের যানজট নিরসনের দায়িত্ব আমাদের একার নয়। এ দায়িত্ব নগরীর সবার। যেসব সড়কে রিকশা বন্ধ করা হয়েছে সেসব সড়কে রিকশা চলাচল করলে জনগণের দুর্ভোগ বাড়ে। যানজটের সৃষ্টি হয়। এ কারণে ভেতরের রাস্তায় রিকশা চলাচল করবে।
বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে ৩ সমঝোতা-নথি সই
১৪জুলাই২০১৯,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে দুটি সমঝোতা স্মারক ও একটি নথি সই হয়েছে। রোববার (১৪ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কার্যালয়ে তার সঙ্গে সফররত দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী লি নাক-ইয়োনের একান্ত ও দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর এ সমঝোতা স্মারক ও নথি সই হয়। বিনিয়োগ বৃদ্ধি, সংস্কৃতি বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে এ সমঝোতা স্মারক সই হয়। সহযোগিতার জন্য একটি সমঝোতা হয়েছে বাংলাদেশের ফরেন সার্ভিস একাডেমি ও দক্ষিণ কোরিয়ার ন্যাশনাল ডিপ্লোম্যাটিক একাডেমির মধ্যে। বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার ট্রেড ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন এজেন্সির সঙ্গে সমঝোতা হয়েছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা)। আর সংস্কৃতি বিনিময়ে নথি সই করেছে দুই দেশের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এর আগে লি নাক-ইয়োন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যান। তিনি কার্যালয়ের টাইগার গেটে পৌঁছালে তাকে ফুলের তোড়া দিয়ে স্বাগত জানান শেখ হাসিনা।
পশুবহনকারী যানবাহনের সামনে গন্তব্যের নাম থাকবে:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
১৪জুলাই২০১৯,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:সড়ক বা নৌ পথে কোরবানির পশুবহনকারী যানবাহনের সামনের অংশে গন্তব্যের নাম দেয়া থাকবে। নির্দিষ্ট গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত সড়ক পথে বা নৌ পথে সেই ট্রাক বা পরিবহনকে থামানো হবে না। চাঁদাবজি বন্ধে এবার এই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে সাংবাদিকদের জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।রোববার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঈদ উল আযহা উপলক্ষে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভা শেষে এ কথা বলেন তিনি। একই সঙ্গে পথে বা হাটে কেউ কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি বা নিরাপত্তা সংকটের কারণে পুলিশের ৯৯৯ এর সহায়তা নিতে বিশেষভাবে অনুরোধ করেন মন্ত্রী।
২৪ ঘণ্টার মধ্যে মশা নিধনে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ
১৪জুলাই২০১৯,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক ,ঢাকা,নিউজ একাত্তর ডট কম:রাজধানীতে এডিস মশা নিধনে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এছাড়া ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোধে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা ২২ জুলাইয়ের মধ্যে দুই সিটি করপোরেশনসহ বিবাদীদের জানাতে বলা হয়েছে।রোববার বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো. সোহরাওয়ারদির সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত রুলসহ এই আদেশ দেন।রুলে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে। এক সপ্তাহের মধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই মেয়র, দুই প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, স্বাস্থ্যসচিব, এলজিআরডি সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে এর জবাব দিতে বলা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর ৩১ দফা নির্দেশনা
১৪জুলাই২০১৯,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক ,নিউজ একাত্তর ডট কম:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জেলা প্রশাসকদের করণীয় হিসেবে ৩১ দফা নির্দেশনা প্রদান করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ তাঁর তেজগাঁওস্থ কার্যালয়ে জেলাপ্রশাসক সম্মেলন-২০১৯ এর উদ্বোধণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এই নির্দেশনা প্রদান করেন। সরকারের মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ পাঁচদিন ব্যাপী এই সম্মেলনের আয়োজক। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাগুলো হচ্ছে- (১) সরকারি সেবা গ্রহণে সাধারণ মানুষ যাতে কোনভাবেই হয়রানী বা বঞ্চনার শিকার না হন, সেদিকে অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে। (২) জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও সাম্প্রদায়িকতা দূর করে সর্বক্ষেত্রে শান্তি-শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে আপনাদের আরও সতর্কতার সঙ্গে এবং কঠোরভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। (৩) যুব সমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখতে প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। (৪) গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, সম্ভাবনাময় স্থানীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের বিকাশ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দারিদ্র্যবিমোচনে আপনাদের ব্রতী হতে হবে। (৫) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নয়ন ও বিকাশে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দিতে হবে। দৈনন্দিন প্রয়োজনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান ব্যবহারে জেলার সাধারণ জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। (৬) তৃণমূল পর্যায়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে একাত্ম হয়ে কাজ করতে হবে। (৭) শিক্ষার সকল স্তরে নারীশিক্ষার হার বৃদ্ধি, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয় ত্যাগের হার হ্রাস এবং ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার পদক্ষেপ নিতে হবে। (৮) ভূমি প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সরকারি ভূমি রক্ষায় সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। (৯) কৃষি-উৎপাদন বৃদ্ধিতে সার, বীজ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ইত্যাদির সরবরাহ নির্বিঘ করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ নিতে হবে। ১০) ভেজাল খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন, পরিবহন ও বাজারজাতকরণ প্রতিরোধে ব্যাপক গণসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে এবং এ ধরনের অনৈতিক কর্মকা- কঠোর হস্তে দমন করতে হবে। (১১) দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণে কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে। (১২) পরিবেশ রক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং এই সংক্রান্ত আইন ও বিধি-বিধানের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। (১৩) প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বিপর্যয় প্রশমনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২ এবং এ সংক্রান্ত স্থায়ী নির্দেশনাবলি অনুসারে সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। (১৪) সাধারণ মানুষকে সহজে সুবিচার প্রদান ও আদালতে মামলার জট কমাতে গ্রাম আদালতগুলিকে কার্যকর করতে হবে। (১৫) জেলা প্রশাসকগণ জেলাপর্যায়ে বিভিন্ন কমিটির প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সকল কমিটিকে সক্রিয়, গতিশীল ও ফলপ্রসূ করতে হবে। (১৬) দপ্তরসমূহের বিদ্যমান সেবাসমূহ তৃণমূলে পৌঁছানোর লক্ষ্যে তথ্য মেলা, সেবা সপ্তাহ পালনসহ ইত্যাদি কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। (১৭) শিল্পাঞ্চলে শান্তি রক্ষা, পণ্য-পরিবহন ও আমদানি-রপ্তানি নির্বিঘ করা এবং চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, পেশিশক্তি ও সন্ত্রাস নির্মূল করার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। (১৮) বাজার-ব্যবস্থার সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণের প্রতি গুরুত্বারোপ করতে হবে। ভোক্তা-অধিকারকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির যে কোনো অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করতে হবে। (১৯) নারী ও শিশু নির্যাতন এবং পাচার, যৌতুক, ইভটিজিং এবং বাল্যবিবাহের মত সামাজিক ব্যাধি থেকে মুক্তির জন্য আপনাদের দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে। (২০) নারীর প্রতি সহিংসতা, নিপীড়ন ও বৈষম্যমূলক আচরণ বন্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। (২১) শিশু-কিশোরদের পুষ্টিচাহিদা পূরণ এবং তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের লক্ষ্যে শিক্ষা, ক্রীড়া, বিনোদন ও সৃজনশীল সাংস্কৃতিক কর্মকা-ের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। শিশু-কিশোরদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, সংস্কৃতিবোধ ও বিজ্ঞানমনস্কতা জাগিয়ে তুলতে হবে। (২২) প্রতিবন্ধী, অটিস্টিক ও পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর কল্যাণে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। (২৩) পার্বত্য জেলাসমূহের উন্নয়ন ত্বরান্বিতকরণের পাশাপাশি এ অঞ্চলের ভূ-প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য, বনাঞ্চল, নদী-জলাশয়, প্রাণিসম্পদ এবং গিরিশৃঙ্গগুলির সৌন্দর্য সংরক্ষণ করতে হবে। এছাড়া, পর্যটনশিল্প, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এবং কুটিরশিল্পের বিকাশে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করতে হবে। (২৪) ২০২০ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী কেন্দ্রীয় পর্যায় হতে তৃণমূল পর্যন্ত উদ্যাপনের লক্ষ্যে আপনাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। (২৫) ২০২১ সালে বঙ্গবন্ধুর আজীবন লালিত স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করতে হবে। (২৬) বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। জেলা,উপজেলা, ইউনিয়ন পর্যায়ে এই ব্যবস্থা নিতে হবে। (২৭) কোন ঢালাও পরিকল্পনা নয়, জেলার চাহিদানুযায়ী এবং তার প্রকৃতি ও পরিবেশ বিবেচনায় নিয়ে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। (২৮) স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করতে হবে। ক্ষমতার বিকেন্দ্রিকরণ, জনগণের চাহিদা এবং উন্নত জীবন নিশ্চিত করার বিষয়ে বিশেষভাবে লক্ষ্য রেখে প্রকল্প ও উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। (২৯) প্রকৃতি ও পরিবেশ বজায় রেখে খেলাধূলার বিকাশে প্রত্যেক উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। (৩০) মানুষের চিত্ত বিনোদনের ব্যবস্থা করতে হবে এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা সহ সংখ্যালঘু নৃগোষ্ঠী, হিজড়া এবং বেদে সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে মনযোগী হতে হবে। (৩১) গৃহহারা, ভূমিহীন এবং ভিক্ষুকদের পুণর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। সূত্র : বাসস

জাতীয় পাতার আরো খবর