৬৩ হাজার ৬০৪ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন
অনলাইন ডেস্ক: চলতি বছরের পবিত্র হজ পালন করতে আজ পর্যন্ত ১৭৮টি হজ ফ্লাইটে ৬৩ হাজার ৬০৪ জন হজ যাত্রী মক্কা ও মদিনায় পৌঁছেছেন। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২০ আগস্ট ২০১৮ সালের পবিত্র হজ পালিত হবে বলে ঢাকার হজ অফিসের কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান। তিনি বলেন, প্রতিদিন ১০টি করে হজ ফ্লাইটে প্রায় চার হাজার হজ যাত্রী সৌদি আরবে গমন করেন । হজ যাত্রীরা মক্কায় পৌঁছালে কাউন্সিলর (হজ) মুহাম্মাদ মাকসুদুর রহমান ও মক্কাস্থ মৌসুমী হজ অফিসারসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত থেকে হজ যাত্রীদের স্বাগত জানান। খবর বাসস’র রোববার পর্যন্ত ১৮৮টি হজ ফ্লাইটে সর্বমোট ৬৭ হাজার ৬০৪ জন হজ যাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছবেন বলে হজ কর্মকর্তা জানান। হজ যাত্রীদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনার হজ যাত্রী হচ্ছেন ৩ হাজার ২২৬ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীর সংখ্যা হচ্ছে ৬০ হাজার ৩৭৮ জন। ১৭৮টি হজ ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিচালিত ৮৭ টি এবং সৌদি এয়ারলাইন্স পরিচালিত হজ ফ্লাইট হচ্ছে ৯১টি। আগামী ১৫ আগস্ট পর্যন্ত হজ ফ্লাইট পরিচালিত হবে। গত ১৪ জুলাই প্রথম হজ ফ্লাইট শুরু হয়। এছাড়া হজ যাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে আগামী ২৭ আগস্ট এবং সর্বশেষ ফিরতি হজ ফ্লাইট হবে ২৫ সপ্টেম্বর। সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এ বছর মোট ১ লাখ ২৬ হাজার ৭৯৮ জন হজ যাত্রী সৌদি আরব যাচ্ছেন। সাইফুল ইসলাম বলেন, শনিবার সৌদি আরবে হজ প্রশাসনিক দলের দলনেতা এবং ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে হজ প্রশাসনিক দলের একটি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মক্কা ও মদিনার হজ ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এদিকে, সৌদি আরবে ২৮ জুলাই পর্যন্ত মক্কায় ৮জন হজ যাত্রী ইন্তেকাল করেছেন বলে হজ অফিস সূত্রে জানা যায়।
রাজশাহী- বরিশাল ও সিলেট সিটিতে ভোট ৩০ জুলাই প্রস্তুতি সম্পন্ন
অনলাইন ডেস্ক: রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে সোমবার (৩০ জুলাই)। সকাল ৮টায় শুরু হয়ে এ ভোটগ্রহণ চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটাররা যাতে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) ইতোমধ্যে এর সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। তিন সিটির প্রতিটি কেন্দ্রে ইতোমধ্যে ব্যালট পেপার, ব্যালট বাক্সসহ নির্বাচনী সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হয়েছে। নির্বাচনের দিন ভোট দেয়ার সুবিধার্থে সংশ্লিষ্ট এলাকায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচনে ভোটাররা যাতে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন এজন্য কমিশন সব কিছু করবে উল্লেখ করে ইসি সচিবালয়ের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বাসসকে বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে এসে ভোট দিতে পারেন তা নিশ্চিত করা হবে। নির্বাচনে কোন ধরনের অনিয়ম বা নির্বাচনী কর্মকর্তাদের যেকোন ধরনের শৈথিল্য বরদাস্ত করা হবে না বলেও তিনি জানান। সচিব জানান, গাজীপুরের মতো এই তিন সিটিতেও ভোট গ্রহণ পরিস্থিতির তথ্য তাৎক্ষণিক জানার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে দু’ঘণ্টা পরপর প্রয়োজনীয় সার্বিক তথ্য কমিশন সচিবালয়কে জানাবেন। কোনো কেন্দ্রে জাল ভোট বা সিল মারার ঘটনা ঘটলে বা তথ্য পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে কমিশন। ভোট কেন্দ্রে কোনো অঘটন বা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে তা তাৎক্ষণিকভাবে কর্মকর্তারা এসএমএসের মাধ্যমে কমিশনকে জানাবেন। এক্ষেত্রে কমিশন ঢাকায় বসে এসব এসএমএসের তথ্য অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। হেলালুদ্দীন জানান, ভোটের দিন প্রতিটি কেন্দ্রে ভোট কার্যক্রমের গতি-প্রকৃতি, ভোটার, প্রার্থী-কর্মী-সমর্থকদের গতিবিধি এবং সর্বোপরি নির্বাচনী কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনসহ সব কিছু সাধারণ পোশাকে ঘুরে ঘুরে পর্যবেক্ষণ করবেন ইসির নীরব পর্যবেক্ষকরা। প্রতি তিনটি ওয়ার্ডের জন্য একজন করে ইসির নিজস্ব পর্যবেক্ষক মোতায়েন করা হয়েছে। ভোটে কোনো ধরনের অনিয়ম দেখলে তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ, রিটার্নিং কর্মকর্তাকে অবহিত করা এবং প্রয়োজনে তারা কমিশনকেও ঘটনার তথ্য জানাবেন। এছাড়াও নির্বাচনের নিরাপত্তায় ভোটগ্রহণের দুই দিন আগে থেকে তিন সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ডে র‌্যাবের একটি টিম এবং প্রতি দুটি ওয়ার্ডে এক প্লাটুন করে ১৫ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এরা নির্বাচনের পরদিন পর্যন্ত এলাকায় দায়িত্ব পালন করবেন। আরও ৪ প্লাটুন করে বিজিবি রিজার্ভ রাখা হয়েছে বলেও তিনি জানান। আচরণবিধি দেখভাল করতে নির্বাচনী এলাকায় নির্বাহী ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোতায়েন করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৪ জুন থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত ২৪ দিন ১০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তিন সিটিতে আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে। ১০ জুলাই থেকে ১ আগস্ট এই ২৩ দিন ১০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তিন সিটিতে আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করবে। এছাড়া নির্বাচনের দুই দিন আগে থেকে পরদিন পর্যন্ত আচরণ বিধি প্রতিপালন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রতি সিটিতে ২০ জন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং আজ থেকে পরবর্তী চার দিন রাজশাহী ও বরিশালে ১০ জন করে এবং সিলেটে ৯ জন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত থাকবে। নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনে ৩ লাখ ১৮ হাজার ১৩৮ জন ভোটার রয়েছে। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮৫ জন ও নারী ভোটার ১ লাখ ৬২ হাজার ৫৩ জন। বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে ২ লাখ ৪২ হাজার ৬৬৬ জন ভোটার রয়েছে। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ২১ হাজার ৪৩৬ জন ও নারী ভোটার ১ লাখ ২০ হাজার ৭৩০ জন। সিলেট সিটি কর্পোরেশনে ৩ লাখ ২১ হাজার ৭৩২ জন ভোটার রয়েছে। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭১ হাজার ৪৪৪ জন ও নারী ভোটার ১ লাখ ৫০ হাজার ২৮৮ জন। কমিশন সূত্র জানায়, তিন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হবে। এ নির্বাচনে ভোটের আগের দু’দিন থেকে ভোটের পরদিন পর্যন্ত মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি মোতায়েন থাকছে। প্রতিটি সাধারণ ওয়ার্ডে পুলিশ, এপিবিএন ও ব্যাটালিয়ন আনসারের সমন্বয়ে একটি করে মোবাইল ফোর্স এবং প্রতি তিন ওয়ার্ডের জন্য একটি স্ট্রাইকিং ফোর্স থাকবে। গুরুত্বপূর্ণ ভোট কেন্দ্র পাহারায় ২৪ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে। বাকি সাধারণ ভোট কেন্দ্রে ২২ জন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে চারজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন (নৌকা), বিএনপির মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর মো. শফিকুল ইসলাম (হাতপাখা) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মুরাদ মোর্শেদ (হাতী)। বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে ছয়জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদেক আবদুল্লাহ (নৌকা), বিএনপির মো. মজিবুর রহমান সরোয়ার (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর ওবায়দুর রহমান মাহবুব (হাতপাখা), বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির আবুল কালাম আজাদ (কাস্তে), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের মনীষা চক্রবর্তী (মই) ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. ইকবাল হোসেন (লাঙ্গল)। সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে সাতজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বদর উদ্দীন আহম্মদ কামরান (নৌকা), বিএনপির আরিফুল হক চৌধুরী (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর ডা. মো. মোয়াজ্জেম হোসেন খান (হাতপাখা), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের-বাসদ মো. আবু জাফর (মই) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী এহসান মাহবুব জোবায়ের (টেবিল ঘড়ি), মো. এহসানুল হক তাহের (হরিণ) ও মো. বদরুজ্জামান সেলিম (বাস)। তিন সিটিতে ৫৩০ জন কাউন্সিলর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। রাজশাহী সিটিতে ৩০টি সাধারণ ও ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড রয়েছে। এখানে ১৩৮টি ভোট কেন্দ্র ও ১ হাজার ২৬টি ভোট কক্ষ রয়েছে। বরিশাল সিটিতে ৩০টি সাধারণ ও ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড রয়েছে। এখানে ১২৩টি ভোট কেন্দ্র ও ৭৫০টি ভোট কক্ষ রয়েছে এবং সিলেট সিটিতে ২৭টি সাধারণ ও ৯টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড রয়েছে। এখানে ১৩৪টি ভোট কেন্দ্র ও ৯২৬টি ভোট কক্ষ রয়েছে। সচিব জানান, আসন্ন তিন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বরিশালে ১০টি, রাজশাহীতে দুইটি ও সিলেটে দুইটি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা হবে। রাজশাহী সিটিতে সৈয়দ আমিরুল ইসলাম, বরিশালে মুজিবুর রহমান ও সিলেটে মো. আলিমুজ্জামন রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন।
২৯ জুলাই ডাক দিবস পালনের উদ্যোগ
অনলাইন ডেস্ক: ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের গৌরবোজ্জ্বল দিন হিসেবে ২৯ জুলাই জাতীয় ডাক দিবস পালনের উদ্যোগ নেয়া হবে। রোববার সচিবালয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ এবং ফিলাটেলিক এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এর উদ্যোগে ডাক টিকিট দিবস ২০১৮ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। ২০০৩ সাল থেকে ফিলাটেলিক এসোসিয়েশন ২৯ জুলাই ডাক টিকিট দিবস পালন করে আসছে। মোস্তাফা জব্বার বলেন, ১৯৭১ সালের ২৯ জুলাই ভারতীয় নাগরিক বিমান মল্লিকের ডিজাইন করা ৮টি ডাকটিকিট মুজিব নগর সরকার, কলকাতায় বাংলাদেশ মিশন ও লন্ডন থেকে প্রকাশিত হয়। স্বাধীন বাংলাদেশের অস্তিত্ব সত্য প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেবে মুজিব নগর সরকার কূটনৈতিক প্রক্রিয়া হিসেবে স্বাধীনতার স্বপক্ষে বিশ্ব জনমত গড়ে তোলার জন্য এ উদ্যোগ গ্রহণ করে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধ আমাদের গৌরবের বিষয়। ১৯৭১ সালে মুজিব নগর সরকার ৮টি ডাকটিকিট প্রকাশ করে বিহির্বিশ্বে স্বাধীন বাংলার অস্তিত্ব প্রকাশ করেছে। ডিজাইনার বিমান মল্লিকের অবদান চির অম্লান হয়ে থাকবে। মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী মুজিব নগর সরকারের প্রকাশিত ৮টি ডাক টিকিট ইতিহাসের অংশ হিসেবে আবারও প্রকাশ করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, স্বাধীনতার এ গুরুত্বপূর্ণ অংশটি নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে। মন্ত্রী ২৯ জুলাই ডাকটিকিট দিবস উদযাপন উপলক্ষে ডাক অধিদপ্তর প্রকাশিত পাঁচ টাকা মূল্যমানের একটি স্মারক ডাকটিকিট, দশ টাকা মূল্যমানের একটি উদ্বোধনী খাম ও পাঁচ টাকা মূল্যমানের ডাটা কার্ড অবমুক্ত করেন। এ বিষয়ে একটি বিশেষ সিলমোহর ব্যবহার করা হয়েছে। স্মারক ডাকটিকিট, উদ্বোধনী খাম ও ডাটা কার্ড রোববার থেকে ঢাকা জিপিও এর ফিলাটেলিক ব্যুরো থেকে বিক্রি করা হচ্ছে। পরবর্তীতে অন্যান্য জিপিও ও প্রধান ডাকঘরসহ দেশের সকল ডাকঘর থেকে এ স্মারক ডাকটিকিট বিক্রি করা হবে। উদ্বোধনী খামে ব্যবহারের জন্য চারটি জিপিওতে বিশেষ সিলমোহরের ব্যবস্থা আছে। অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার, ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সুশান্ত কুমার মন্ডল এবং ফিলাটেলিক এসোসিয়েশনের পক্ষে আনোয়ার হোসেন মল্লিক বক্তব্য রাখেন। অালোকিত বাংলাদেশ
একনেকে ৯ প্রকল্পের অনুমোদন
অনলাইন ডেস্ক: ৭ হাজার ৫৩৯ কোটি ১৩ লাখ টাকা ব্যয়ে মোট ৯টি প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ৬ হাজার ৭৫১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা, বাস্তবায়নকারী সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ২৫৮ কোটি ৫৭ লাখ এবং বৈদেশিক সহায়তার যোগান পাওয়া যাবে ৫২৮ কোটি ৯০ লাখ টাকা। রোববার (২৯ জুলাই) রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠকশেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল সাংবাদিকদের প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত ব্রিফ করেন। তিনি বলেন, এখন থেকে ফাইবার অপটিক লাইন ব্যবহারের ক্ষেত্রে যেন উইন উইন পরিস্থিতি তৈরি হয়, সেদিকে নজর দেওয়া হবে। অর্থাৎ অপটিক্যাল ফাইবার লাইন ব্যবহার করে টেলিকমিউনিকেশন নিয়ে যারা কাজ করছেন তারাও যেমন লাভবান হবেন, আবার সরকারও যেন লাভবান হয়, সেজন্য রেলপথ মন্ত্রণালয়কে সংশ্লিষ্ট সব সুবিধাভোগীদের নিয়ে বৈঠক করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, উপজেলাভিত্তিক অবকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে ‘উপজেলা শহর (নন-মিউনিসিপ্যাল) মাস্টার প্ল্যান প্রনয়ন ও মৌলিক অবকাঠমো উন্নয়ন’ নামের একটি বৃহৎ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, উপজেলা শহরে মৌলিক অবকাঠামো উন্নয়নসহ শহরবাসীর জীবন যাত্রার মান বৃদ্ধি ও পরিবেশের উন্নয়নের বিষয়গুলো বিবেচনা করে অপরিহার্য অবকাঠামোর উন্নয়ন করা হবে। মৌলিক নাগরিক সুবিধা অর্থাৎ সড়ক, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, স্যানিটেশন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন হবে। প্রকল্পটি মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা। স্থানীয় সরকার বিভাগ চলতি বছরের জুলাই থেকে ২০২২ সালের জুন মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। অনুমোদিত অন্য প্রকল্পসমূহ হচ্ছে-সরকারি কলেজসমূহে বিজ্ঞান শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ২ হাজার ৫১১ কোটি ৫১ লাখ টাকা। ঢাকার বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ১৯৪ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। বিআইডব্লিউটিসির জন্য ৩৫টি বাণিজ্যিক ও ৮টি সহায়ক জলযান সংগ্রহ এবং ২টি নতুন স্লিপওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৩১৯ কোটি ৭১ লাখ টাকা। বাংলাদেশ রেলওয়ের ৫৭৫ কিলোমিটার সেকেন্ডারি লাইনে অপটিক্যাল ফাইবার ভিত্তিক টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন এবং চালুকরণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৬৮ কোটি ৭২ লাখ টাকা। এছাড়া অন্য প্রকল্পসমূহ হলো-গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন (রাস্তা ও ড্রেন) প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৬৬০ কোটি ৮২ লাখ টাকা। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের আওতাধীন পরিচ্ছন্ন কর্মী নিবাস নির্মাণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ২৩১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। অবকাঠামোগত দক্ষতা উন্নয়ন ও তথ্যের মাধ্যমে দুঃস্থ জনগোষ্ঠির সহনশীলতা বৃদ্ধি (প্রভাতি) প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৫৭ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। নর্দান ইলকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানী লিমিটেড এলকায় ৫ লাখ স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট মিটার স্থাপন প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৪১৪ কোটি ৮৩ লাখ টাকা।
প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে
অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওয়ানডে ক্রিকেট সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জয়ের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। শনিবার সেন্ট কিটস’র ব্যাসেটরিতে ওযারনার পার্ক স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৮ রানে পরাজিত করে। আজ এক বার্তায় শেখ হাসিনা এই জয়ের জন্য দলের সকল খেলোয়ার, কোচ, জাতীয় দলের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানান। প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ দলের জয়ের এই ধারা অব্যাহত থাকবে।—বাসস
বিএনপি নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়
অনলাইন ডেস্ক :কোনো নির্বাচনে পরাজয়ের সম্ভাবনা থাকলেই বিএনপি মিথ্যাচার করে সেই নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ। রোববার (২৯ জুলাই) সকালে কুষ্টিয়া শহরে নিজ বাসভবনে দৌলতপুর কৃষি ব্যাংক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার আগে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিএনপি নেতাকর্মীদের সিটি করপোরেশন এলাকা থেকে আটক করছে। এটা প্রমাণ করে যে সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না- বিএনপির এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে হানিফ বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যখন কোনো সন্ত্রাসীকে আটক করছে, তখন তো বিএনপি নেতাকর্মীরা তাদের সঙ্গে থাকেন না যে তারা বলতে পারবেন, সিটি করপোরেশন নাকি সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে থেকে তাদের আটক করা হয়েছে। তিনি বলেন, যাদের বিরুদ্ধে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে, তাদের সবাইকে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করানো হবে। সেটা নির্বাচনকালীন হোক বা নির্বাচন পরবর্তী সময়ে হোক। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী, মিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামারুল আরেফিনসহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সিটি নির্বাচন,তিন সিটিতে বিজিবি মোতায়েন
অনলাইন ডেস্ক :তিন সিটিতে শনিবার মধ্যরাতে শেষ হয়েছে নির্বাচনী প্রচারণা। এখন শুধু ভোটের অপেক্ষা। রোববার সকাল থেকেই এ তিন সিটিতে সুনসান নীরবতা বিরাজ করছে। টানা কদিনের জমজমাট প্রচারণা শেষে সবই যেন থমকে আছে ৩০ জুলাইয়ের নির্বাচনের জন্য। তবে কৌশলী প্রচারণা চালাচ্ছেন প্রার্থীরা। তিন সিটিতে মোট ১৭ জন মেয়র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ৮ লাখ ৮২ হাজার ৩৬ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে নগর পিতা নির্বাচিত করবেন। রাসিক রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে লড়ছেন দুই সাবেক মেয়রসহ ৫ প্রার্থী। এছাড়া সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৬০ এবং সংরক্ষিত নারী কাাউন্সিলর পদে রয়েছেন ৫২ জন প্রার্থী। এই নগরীর মোট ভোটার ৩ লাখ ১৮ হাজার ১৩৮ জন। এর মধ্যে এক লাখ ৫৬ হাজার ৮৫ জন পুরুষ এবং এক লাখ ৬২ হাজার ৫৩ জন নারী। ১৩৮টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ১১৪টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এরই মধ্যে নির্বাচনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। এদিকে নির্বাচন উপলক্ষে নগরীতে ১৫ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন রয়েছে। আরও চার প্লাটুন স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র (সদর) ইফতেখায়ের আলম জানান, ভোটের নগরীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এরইমধ্যে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকধারী পুলিশও মোতায়েন রয়েছে। দায়িত্বপালন করছেন অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও। তিনি আরও বলেন, ভোটের আগে ও পরে তিন দিন পুরো নগরী নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেয়া হবে। এরই অংশ হিসেবে নগরীর নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। ভোটকেন্দ্র ঘিরেও থাকছে তিন স্তরের নিরাপত্তা। আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা নেই। এ নিয়ে ভোটারদের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ওই নগর পুলিশ কর্মকর্তা। সিসিক সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ১৩৪টি কেন্দ্রে ৩ লাখ ২১ হাজার ৭৩২ ভোটার তাদের ভোট প্রদান করবেন। এবার নির্বাচনে মেয়র পদে ছয়জন, সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৬২ জন ও সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৩৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জানা গেছে, সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ১৪ প্লাটুন বিজিবি, র্যাবের ২৭টি টিম কাজ করছে। ১৩৪টি ভোট কেন্দ্রের প্রতিটিতে ২২ জন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে ৭ জন পুলিশ, ১২ জন আনসার সদস্য আগ্নেয়াস্ত্রসহ আনসার বাহিনীর একজন প্লাটুন কমান্ডার ও একজন এপিসি এবং একজন ব্যাটলিয়ান আনসার সদস্য থাকবেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র সমূহে ২ জন করে অতিরিক্ত ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্য অস্ত্রসহ থাকবেন। এছাড়া ৯টি স্ট্রাইকিং ফোর্স, মোবাইল টিম ৯টি, ৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ৯ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নির্বাচনের আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকবেন। সিসিক নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে ১৩৪টি ভোট কেন্দ্রে ২৯৪৮ জন পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। বিসিসি বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে ৬ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৯৪ জন এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এবার ২ লাখ ৪২ হাজার ১৬৬ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ২১ হাজার ৪৩৬ জন এবং নারী ভোটার রয়েছেন ১ লাখ ২০ হাজার ৭৩০ জন। নগরীতে ১২৩টি কেন্দ্রের ৭৫০টি বুথে বিরামহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। এরমধ্যে ৪টি ওয়ার্ডের ১টি কেন্দ্রে ৭৮টি বুথে ভোট গ্রহণ করা হবে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম পদ্ধতিতে। বিসিসি নির্বাচনে ১২৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫০টি অধিক গুরুত্বপূর্ন (ঝুঁকিপূর্ণ) ও ৬২টি গুরুত্বপূর্ণ এবং ১১টি কেন্দ্রকে সাধারণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশের বিশেষ শাখা। অধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশ, এপিবিএন এবং আনসার মিলিয়ে ১৪ জন সশস্ত্রসহ মোট ২৪ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ ও সাধারণ কেন্দ্রে ১২ জন সশস্ত্র পুলিশ, এপিবিএন ও আনসারসহ মোট ২২ জন সদস্য দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন। কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন ছাড়ও পুলিশের একাধিক দলকে টহল দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি রিজার্ভ এবং স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। নির্বাচনকালীন যেকোনো অপ্রীতিকর ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিচারের জন্য ১০ জন নির্বাহী এবং ১০ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়া ১৯ প্লাটুন বিজিবি ছাড়াও র্যাবের ৩৫টি টহল দল ও সাদা পোশাকধারীসহ প্রায় সাড়ে ৩শ সদস্য কেন্দ্রের বাইরে নির্বাচনী এলাকায় দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন।
টেলিফোনে কঠিন সম্পর্কেরও বরফ গলে: কাদের
অনলাইন ডেস্ক: টেলিফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে কঠিন সম্পর্কেরও বরফ গলে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। রোববার বেলা ১২ পর সচিবালয়ের নিজ দফতলে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, তিন সিটি নির্বাচন ভাল হবে। আর বিএনপি না মানলে নির্বাচন ভাল হবে না। বিএনপির রাজনৈতিক সংস্কৃতি হলো না মানার সংস্কৃতি। তারা আইন মানে না, আদালত মানে না, বিচার মানে না। তাদের কথা হলো-মানিনা-মানবো না। তিনি বলেন, বিএনপির সঙ্গে সংলাপের সুযোগ ও সময় নেই। টেলিফোনে কথা হতে পারে। ফোনে যোগাযোগ করেও অনেক কঠিন সম্পর্কের বরফ গলে। শীর্ষ নিউজ

জাতীয় পাতার আরো খবর