সোমবার, জুলাই ১৩, ২০২০
শনাক্ত দেড় হাজারের বেশি, মৃত্যু ২৮ জনের
৩০মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশে গেল ২৪ ঘণ্টায় আরও ১ হাজার ৭৬৪ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া এই সময়ের মধ্যে মারা গেছেন ২৮ জন। করোনাভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে (৩০ মে) দুপুরে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বুলেটিনে অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর থেকে আজ (৩০ মে) আমরা ১২ সপ্তাহ পার করলাম। এখন ৫০টি ল্যাবে দেশ করোনা ভাইরাসের পরীক্ষা চলছে। তিনি আরও বলেন, গেল ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৯ হাজার ৯৮৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৭৬৪ জনের। এছাড়া এই সময়ের মধ্যে মারা গেছেন ২৮ জন। তিনি আরও বলেন, দেশে গেল ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৩৬০ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৯ হাজার ৩৭৫ জন। এর আগে শুক্রবার দেশে ২ হাজার ৫২৩ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত ও ২১ জনের মৃত্যুর তথ্য দেয় অধিদপ্তর। করোনার এই পরিস্থিতির মধ্যেই রোববার (৩১ মে) থেকে খুলে যাচ্ছে সব অফিস-আদালত। এছাড়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবে গণপরিবহনও। অন্যদিকে বিশ্বে ৬০ লাখ ৪৫ হাজার ৩২৮ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে ৩ লাখ ৬৭ হাজার ১১১ জন মারা গেছেন অন্যদিকে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ২৬ লাখ ৭০ হাজার ৬২৭ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৩০ লাখ ৭ হাজার ৫৯০ জনের মধ্যে ৫৩ হাজার ৭৫৪ জনের অবস্থা গুরুতর।
৩০তম স্প্যানে দৃশ্যমান পদ্মা সেতুর ৪.৫ কিলোমিটার
৩০মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশব্যাপী করোনাভাইরাস সংক্রমণের মধ্যেও এগিয়ে চলেছে স্বপ্নের পদ্মা সেতু নির্মাণের কাজ। শনিবার সকালে সেতুর ৩০তম স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে ৬.১৫ কিলোমিটার পদ্মাসেতুর ৪.৫ কিলোমিটার দৃশ্যমান হয়েছে। পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান মো. আব্দুল কাদের জানান, শনিবার সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে সেতুর জাজিরা প্রান্তের ২৬ ও ২৭ নম্বর খুঁটির ওপর স্প্যানটি বসানো হয়। পদ্মা সেতুর ২৬ ও ২৭ নম্বর খুঁটি এলাকায় শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি ফেরি রুটের চ্যানেল এলাকায় ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, এ কারণেই এই দুটি খুঁটি নির্মাণে বিলম্ব হয়। ড্রেজিং করে পাশ দিয়ে চ্যানেল করে দিয়ে তবেই খুঁটি দুটি তৈরি করা হয়। মধ্য জুনে আরও একটি স্প্যান বসানো হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগামী ২০ জুন সেতুর ৩১তম স্প্যান বসনোর সিডিউল ঘোষণা করা হয়েছে। এটি বসবে ২৫ ও ২৬ নম্বর খুঁটিতে। নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, সেতুর ৩১তম স্প্যানটি স্থাপনের মধ্য দিয়ে পদ্মা সেতুটির সরাসরি জাজিরা প্রান্ত থেকে মাওয়ার অংশ স্পর্শ করবে এবং জাজিরার অংশে আর কোনো স্প্যান বাকী থাকছে না। আর মাওয়ার অংশে স্প্যান বসানো বাকি থাকছে ১০টি। তবেই সেতুর পূর্ণ অংশ অর্থ্যাৎ ৬.১৫ কিলোমিটার দৃশ্যমান হবে। প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে কাজ শুরু হওয়া ৬.১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটি দ্বিতল হবে। যার ওপর দিয়ে সড়কপথ ও নিচের অংশে থাকবে রেলপথ। মূলসেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদী শাসনের কাজ করছে চীনের সিনো হাইড্রো করপোরেশন।
ঢাকা-বরিশালসহ দক্ষিণ অঞ্চলের ৩৪টি জেলায় রবিবার থেকে লঞ্চ চলাচল শুরু
৩০মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় দুই মাস বন্ধ খাকার পর রবিবার থেকে দেশের দক্ষিণ অঞ্চলে ঢাকা-বরিশালসহ ৩৪টি জেলায় লঞ্চ ও স্টিমার চলাচল শুরু হতে যাচ্ছে। ঢাকার সদরঘাট এলাকায় দীর্ঘদিন অলস পড়ে থাকা লঞ্চ ও বিআইডব্লিউটিএর স্টিমারগুলো পরিষ্কার করে চলাচলের জন্য প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। গ্রীন লাইন ওয়াটার সার্ভিস ঢাকার লালকুঠি এলাকা থেকে রবিবার সকাল ৮টায় ঢাকা থেকে বরিশালের উদ্দেশে রওনা হবে। এরপর ঢাকা থেকে চাঁদপুর ও শরীয়তপুরগামী সকল লঞ্চ চলাচল শুরু হবে। বিকাল ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী ও পিরোজপুরের উদ্দেশে লঞ্চগুলো ঢাকা ত্যাগ করবে। এছাড়া সন্ধ্যা ৬টায় সরকারি স্টিমার মধূমতি বাদামতলী ঘাট থেকে বরিশাল, মোড়লগঞ্জ ও খুলনার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ন পরিচালক একেএম আরিফ উদ্দিন জানান, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী লঞ্চ মালিক ও নৌ পরিবহন মন্ত্রাণালয় এবং বিআইডাব্লুউটিএ যৌথভাবে লঞ্চ ও স্টিমার চালু করবে। এছাড়া ঢাকা, বরিশাল, চাঁদপুর, শরীয়তপুর, মুলাদী, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, ভান্ডারিয়া, খুলনা ও মোড়লগঞ্জসহ ৩৪টি নৌরুটে নিয়মিত যাত্রী সেবায় নৌযান চলাচল করবে বলেও জানান তিনি। এম ভি পারাবত লঞ্চ কোম্পানির মালিক শহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, করোনা মোকাবিলা ও এর বিন্তার রোধে যাত্রীদের দূরত্ব বজায় রাখার লক্ষ্যে ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অর্ধেক যাত্রী বহন করার জন্য লঞ্চের মাষ্টার ও ষ্টাফদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তবে ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়ে এখনও লঞ্চ মালিক ও নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেনি বলেও জানান তিনি।
করোনা: ১৯ হাজার কোটি টাকার ৪ প্রকল্প উঠছে একনেকে
৩০মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলমান করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা ও দেশ থেকে করোনাভাইরাস নির্মূলে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে যাচ্ছে সরকার। এ উদ্দেশে চারটি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হচ্ছে। শিগগির একনেকে উঠছে এ চার প্রকল্প। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, যে চারটি প্রকল্প একনেকে উঠতে যাচ্ছে তার মধ্যে দুটি সরাসরি করোনা রোগীর চিকিৎসায় ভূমিকা রাখবে। অন্য দুটি প্রকল্প দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। ফলে চারটি প্রকল্পই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে করোনা সংকট মোকাবিলায় ভূমিকা রাখবে। প্রকল্প চারটির মোট প্রস্তাবিত ব্যয় ১৮ হাজার ৭২০ কোটি টাকা। পরিকল্পনা সচিব মো. নূরুল আমিন সাংবাদিকদের জানান, জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে আগামী মঙ্গলবার (২ জুন) প্রকল্পগুলো উপস্থাপন করা হবে। গণভবন থেকে একনেকের ভার্চুয়াল সভায় সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা। করোনা ভাইরাস বিপর্যয়ে দেশের অর্থনীতি ও স্বাস্থ্যখাত। একদিকে নিম্ন আয়ের মানুষ ঘরবন্দি, অন্যদিকে হাসপাতালে বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা। তাই এ থেকে মুক্তি পেতে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে চারটি প্রকল্প অনুমোদন পেতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যেই সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির মধ্যেও একনেকে ওঠার বিশেষ অনুমোদন পেয়েছে প্রকল্পগুলো। সভায় করোনা সংকট মোকাবিলা সংক্রান্ত প্রকল্প ছাড়াও অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগেরও বেশকিছু প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হবে। রোববার (৩১ মে) একনেক বৈঠকে প্রকল্প উপস্থাপনের জন্য তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। জানা গেছে, দীর্ঘ আড়াই মাসেরও বেশি সময় পর এ একনেক বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আর ভার্চুয়াল একনেক সভা এটিই হবে প্রথম। মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল ১০টায় শুরু হবে এ সভা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও অর্থমন্ত্রী ও পরিকল্পনামন্ত্রী গণভবন থেকে সভায় অংশ নেবেন। বাকিরা সবাই সভায় অংশ নেবেন এনইসি সম্মেলন কক্ষ থেকে। পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, কোভিড-১৯ রেসপন্স অ্যান্ড ইমার্জেন্সি অ্যাসিসট্যান্স প্রকল্প এ একনেক সভায় উপস্থাপন করা হবে। প্রকল্পের আওতায় করোনা মোকাবিলায় সাড়ে তিন হাজার চিকিৎসক ও নার্সকে আধুনিক প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। প্রশিক্ষণের তালিকায় আছেন স্টাফরাও। পাশাপাশি যেসব হাসপাতালে করোনা চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে, সেগুলোতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভেন্টিলেটর স্থাপন করা হবে। ১৭টি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১৭টি আইসোলেশন সেন্টার ও ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটসহ ১৯টি ল্যাবরেটরি আপগ্রেড করা হবে। প্রকল্পটির মোট ব্যয় এক হাজার ২২৭ কোটি টাকা। এরমধ্যে ১০ কোটি ডলার দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। বাকি অর্থ সরকারি কোষাগার থেকে দেয়া হবে। এছাড়া কোভিড-১৯ ইমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড প্যানডেমিক রেসপন্স' নামে এক হাজার ৩৬৫ কোটি টাকার আরেকটি প্রকল্প উপস্থাপন করা হবে একনেকে। এই প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে ৮৫০ কোটি টাকা আসছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ঋণ থেকে। বাকি টাকা সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় হবে। এ প্রকল্পের আওতায় দেশের ১৭টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা ইউনিট দিয়ে সজ্জিত করা, অন্তত ১৯টি পরীক্ষাগারের সক্ষমতা ও গুণগত মানকে কোভিড-১৯ মাইক্রোবায়োালজিক্যাল ডায়াগনস্টিক সুবিধা দিয়ে উন্নত করা হবে। এছাড়া স্বাস্থ্যখাতের কমপক্ষে তিন হাজার ৫০০ জন কর্মীকে আধুনিক দক্ষতা এবং জ্ঞানের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সেইসঙ্গে পিসিআর মেশিন, পিসিআর ল্যাব, আইসিইউ, পিপিই ও মাস্ক কেনার কাজে এই প্রকল্পের টাকা খরচ করা হবে। এ ছাড়া, মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পটি সরকারের বিশেষ বিবেচনায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। সপ্তম পর্যায়ে প্রকল্প পেতে যাচ্ছে। নতুন করে প্রকল্পের মোট ব্যয় হবে তিন হাজার ১২৮ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। জুন ২০২০ থেকে ডিসেম্বর ২০২৪ মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। জেলা ও উপজেলা শিক্ষাকেন্দ্র, দারুল আরকাম মাদ্রাসা এবং রিসোর্স সেন্টারের কাযর্ক্রম চলমান রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় দেশের ৬৪টি জেলা, ৫০৫টি উপজেলা, থানা ও জোনে কাজ চলমান। ৩২ হাজার প্রাক-প্রাথমিক, ৪১ হাজার কোরআন শিক্ষা এবং ৭৬৮টি বয়স্ক কেন্দ্রসহ মোট ৭৩ হাজার ৭৬৮টি শিক্ষা কেন্দ্রের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা দেয়া হচ্ছে। বর্তমানে শিক্ষকদের মাসে সাড়ে চার হাজার টাকা বেতন দেয়া হচ্ছে। সামনে তা বাড়িয়ে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা করা হবে। প্রাক-প্রাথমিক, সহজ কোরআন শিক্ষা ও বয়স্ক শিক্ষা স্তরসহ মোট এক কোটি ১৮ লাখ ৯৩ হাজার ৯৫০ জনকে শিক্ষা দান করা হচ্ছে। আগ্রহী আলেমদের জন্য দ্বীন-দাওয়াত ভিত্তিক কর্মসংস্থান এবং সাক্ষরতার হার আরও বৃদ্ধিতে নতুনভাবে প্রকল্পটি অনুমোদন করা হবে। এদিকে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক কোটি ৪০ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য 'প্রাথমিক উপবৃত্তি (তৃতীয় পর্যায়)' প্রকল্পটির সংশোধনী বাস্তবায়নে সরকারি তহবিল থেকে ব্যয় হবে ১৩ হাজার কোটি টাকা। প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের বকেয়া অর্থ পরিশোধে জরুরি বিবেচনায় প্রকল্পটি একনেক সভায় উঠছে। প্রকল্পের আওতায় প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত উপবৃত্তির টাকা পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে। সেইসঙ্গে এবারই প্রথম জুতা, জামা ও স্কুল ব্যাগ কিনতে সব শ্রেণির প্রত্যেকের জন্য এককালীন এক হাজার টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। এই চারটি প্রকল্পই করোনা সংকট হটাতে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এবার মারা গেলেন সুন্দরবন কুরিয়ারের প্রতিষ্ঠাতা
৩০মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজির বোর্ড অব ট্রাস্টিজ (বিওটি) চেয়ারম্যান ও সুন্দরবন কুরিয়ারের প্রতিষ্ঠাতা মো. ইমামুল কবীর শান্ত। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। শনিবার সকাল ৭টার দিকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) মারা যান তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ পরিচালক লিলি ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস (প্রাঃ) লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান পুলক বলেন, সকাল ৮টায় আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার ভেন্টিলেশন ব্যবস্থা খুলে দিয়ে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি কোভিডের লক্ষণ-উপসর্গ থাকায় তাকে প্রথমে ল্যাবএইড ও পরবর্তীতে হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। ২৭ মে রাত ১০টায় তাকে সিএমএইচে ভর্তি করা হয়।
রোববার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ
২৯মে,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী রোববার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে। সে দিন সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ ফলাফল ঘোষণা করবেন। এরপর দুপুরে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ফেইসবুক লাইভে ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরবেন। শুক্রবার বিকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফলাফল প্রাসঙ্গিক ডকুমেন্ট গণমাধ্যমে মেইল করা হবে। ফেসবুক মেসেঞ্জারেও দেওয়া হবে। ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার জন্য বিটিভির মাধ্যমে ভিডিও ফুটেজ প্রেরণ করা হবে। করোনার মহামারির কারণে স্বাস্থ্য ঝুঁকি বিবেচনায় গণমাধ্যম কর্মীদেরকে ব্রিফিংয়ের স্থানে না আসার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, চলতি বছর ৩ ফেব্রুয়ারি এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়ে শেষ হয় ৫ মার্চ। নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষা শেষ হওয়ার দুই মাসের মধ্যে ফল ঘোষণা করার কথা। কিন্তু করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফল প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি।
বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করেই ছুটি না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে: কাদের
২৯মে,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জীবনের পাশাপাশি জীবিকার গতি সচল রাখতে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করেই সাধারণ ছুটি না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি বলেন, করোনা সংক্রমণ রোধে সরকার মার্চের শেষ সপ্তাহে সাধারণ ছুটি ঘোষণার পাশাপাশি গণপরিবহন বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মৃত্যু ও সংক্রমণ উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছালেও সার্বিক দিক বিবেচনা করে লকডাউন শিথিল করা হচ্ছে। জনগণের জীবনের পাশাপাশি জীবিকার গতি সচল রাখতে শেখ হাসিনার সরকার বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে সাধারণ ছুটি না বাড়ানোর এবং গণপরিবহন চালুর বিষয়ে শর্তসাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শুক্রবার (২৯ মে) বিকালে গণপরিবহন চালুর বিষয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সঙ্গে পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের এক মতবিনিময় সভার উদ্বোধনী বক্তব্যে এসব কথা বলেন। শুক্রবার বিকাল তিটায় রাজধানীর বনানীতে বিআরটিএর অফিসে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সভায় সংসদ ভবনস্থ সরকারি বাসভবন থেকে ওবায়দুল কাদের ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত হন। সূচনা বক্তব্যে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী গণপরিবহন চালু করতে স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে মালিক-শ্রমিকদের ১২ দফা নির্দেশনা প্রদান করেন। পরিবহন মালিক শ্রমিকদের উদ্দেশ ওবায়দুল কাদের বলেন, লাখ লাখ শ্রমিক, মালিকের জীবনের সঙ্গে পরিবহনের একটি সম্পর্ক রয়েছে। শেখ হাসিনা একজন মানবিক মানুষ, তার মানবিকতা ও দেশের মানুষের প্রতি ভালোবাসা প্রশ্নাতীত। অনুরোধ করবো,আপনারা যারা পরিবহন ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, তারা চলমান সংকট মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত নেবেন। তিনি বলেন, গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসাবেন না। সামান্য ভুল বড় ধরনের বিপদ ডেকে আনতে পারে। আপনারা কিছু শর্ত বা নীতিমালা ঠিক করুন, কীভাবে যাত্রী সেবা দেয়া যায় এবং পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা যায়। ওবায়দুল কাদের বলেন, গণপরিবহন সংক্রমণের জন্য ভয়ানক হতে পারে। এখানে শ্রমিক, চালক, যাত্রী, পথচারি অনেকেই সংশ্লিষ্ট। একজন গাড়িতে উঠলে চেইন রিএকশনে অনেককে সংক্রমিত করতে পারে। তাই ঢালাওভাবে নয়, নিয়ন্ত্রিত উপায়ে সীমিত পরিসরে যাত্রী সেবা প্রদানে আপনারা প্রতিপালনীয় শর্তগুলো ঠিক করুন। শুধু ঠিক করলেই হবে না, কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। এর পাশাপাশি দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে সেদিকেও নজর রাখতে হবে। করোনার মৃত্যুর মিছিলের পাশাপাশি দুর্ঘটনায় মৃত্যুর মিছিল দেশেরে মানুষ দেখতে চায় না। তিনি বলেন, শুরুতে আমি কয়েকটি বিষয় আপনাদের নজরে আনতে চাই। তা হলো, স্বাস্থ্যবিধি, সামাজিক দুরত্ব ও শারিরীক দুরত্ব কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। বাস টার্মিনালে কোনভাবেই ভীড় করা যাবে না। ৩ ফুট দুরত্ব বজায় রেখে যাত্রীরা গাড়ির লাইনে দাঁড়াবেন এবং টিকেট কাটবেন। মন্ত্রী বলেন, স্টেশনে পর্যাপ্ত হাত ধোয়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে। বাসে কোন যাত্রী দাঁড়িয়ে যেতে পারবে না। বাসের সকল সিটে যাত্রী নেয়া যাবে না। ২৫- ৩০ শতাংশ সিট খালি রাখতে হবে। পরিবারের সদস্য হলে পাশের সিটে বসানো যাবে অন্যথায় নয়। যাত্রী, চালক, সহকারী,কাউন্টারের কর্মি সকলের জন্য মাস্ক পরিধান বাধ্যতামূলক। ট্রিপের শুরুতে এবং শেষে বাধ্যতামূলকভাবে গাড়ির অভ্যন্তরভাগসহ পুরো গাড়ীতে জীবানুনাশক স্প্রে করতে হবে জানিয়ে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, যাত্রী উঠানামার সময় শারিরীক দুরত্ব নিশ্চিত করতে হবে। চালক, কন্ডাক্টদের ডিউটি একটানা দেয়া যাবে না। তাদের নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কোয়ারিন্টিন বা রেস্ট দিতে হবে। তিনি বলেন, মহাসড়কে চলাচলের ক্ষেত্রে পথিমধ্যে থামানো, চা বিরতি এভয়েড করতে পারলে ভাল। কারণ সংক্রমন কোথা থেকে হবে তা কেউই জানে না। যাত্রীদের হাতব্যাগ, মালামাল জীবানুনাশক দিয়ে স্প্রে করতে হবে। ভাড়া নির্ধারণের জন্য বিআরটিএর একটি কমিটি রয়েছে। সে কমিটি আপনাদের সাথে আলোচনা করে যুক্তিসঙ্গত ভাড়া চূড়ান্ত করবে। ওবায়দুল কাদের বলেন, আমি আশা করব, আপনারা এমন সিদ্ধান্ত নেবেন এবং বাস্তবায়ন করবেন যেন গণপরিবহ সংক্রমনের উর্বরক্ষেত্র হতে না পারে। এমনিতেই জনগণ উদ্বিগ্ন। আপনারা জনগণের উদ্বেগকে কমিয়ে আনতে সাহায্য করবেন। তিনি বলেন, অতীতে দেশ ও জাতির নানান সংকটে পরিবাহন খাত সাহসী এবং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এখনও আমরা একটি পরীক্ষার মুখোমুখি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণপরিবহন সীমিত পর্যায়ে পরিচালনার যে সাহসী সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, তা আপনাদের উপর দৃঢ় আস্থার বহিঃপ্রকাশ। আপনারা তার আস্থার প্রতি সন্মান রাখবেন। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, টার্মিনালে চালক, সহকারী ও শ্রমিকদের কাউন্সেলিং করুন, প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেবেন গাড়ি চালুর আগে। পুুলিশ প্রশাসন, বিআরটিএ ও মন্ত্রণালয় আপনাদের সহযোগিতা দেবে। পাশাপাশি নিয়ম অমান্য করলেও শাস্তির বিধান থাকবে জনস্বার্থে। বিআরটিএর মোবাইল কোর্ট সক্রিয় থাকবে। তিনি বলেন, গণপরিবহন একটি সেবামূলক খাত। জাতির এ সংকটকালে আপনারা জাতির সেবক হোন। পরিবহনসমূহ যাতে সংক্রমণ কেন্দ্রে পরিণত না হয়, সে বিষয়ে সজাগ থাকুন। সরকার গৃহীত কার্যক্রমে সহযোগিতা করুন। ইনশাআল্লাহ আমরা সফলকাম হব। প্রধানমন্ত্রী জীবিকার কথা ভেবে যে সুযোগ দিয়েছেন।আশাকরি আপনারা তার সদ্ব্যবহার করবেন।
দেশে আরও ২৩ জনের মৃত্যু
২৯মে,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহামারি আকার ধারণ করা করোনা ভাইরাসে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৩ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৫৮২ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হিসেবে একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত হয়েছেন ২ হাজার ৫২৩ জন। এতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৪২ হাজার ৮৪৪। শুক্রবার (২৯ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস বিষয়ক নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। বুলেটিন পড়েন অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (মহাপরিচালকের দায়িত্বপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। তিনি জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় ১২ হাজার ৯৮২টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১১ হাজার ৩০১টি নমুনা। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো দুই লাখ ৮৭ হাজার ৬৭টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় করোনার উপস্থিতি পাওয়া গেছে আরও দুই হাজার ৫২৩ জনের দেহে, যা একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড। ডা. নাসিমা জানান, টানা দ্বিতীয় দিনের মতো শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দুই হাজার ছাড়াল। ফলে দেশে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৪২ হাজার ৮৪৪ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে আরও ২৩ জনের। ফলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৫৮২ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ৫৯০ জন। এ নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল নয় হাজার ১৫ জনে। তিনি জানান, নতুন করে যারা মারা গেছেন, তাদের ১৯ জন পুরুষ, চারজন নারী। এদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ১০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের নয়জন, রংপুর বিভাগের দুজন, সিলেট বিভাগের একজন এবং বরিশাল বিভাগের একজন রয়েছেন। বয়সের দিক থেকে ১১ থেকে ২০ বছরের একজন, ২১ থেকে ৩০ বছরের একজন, ত্রিশোর্ধ্ব দুজন, চল্লিশোর্ধ্ব পাঁচজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব পাঁচজন, ষাটোর্ধ্ব ছয়জন, সত্তরোর্ধ্ব দুজন এবং ৮১ থেকে ৯০ বছর বয়সী একজন রয়েছেন। বুলেটিনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ২২ দশমিক ৩৩ শতাংশ। এখন পর্যন্ত শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ২১ দশমিক ০৪ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩৬ শতাংশ। ডা. নাসিমা করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে স্বাস্থ্য অধিদফতর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ-নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানান বুলেটিনে। এদিকে মহামারী করোনাভাইরাসে প্রাণহানি ও আক্রান্তের হিসাব রাখা বিশ্বখ্যাত জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যানুযায়ী, আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় সকাল পর্যন্ত বিশ্বে এখন পর্যন্ত করোনায় ৫৯ লাখে দাঁড়িয়েছে। মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে তিন লাখ ৬২ হাজার। তবে ২৬ লাখের মতো রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন। প্রসঙ্গত, গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে উৎপত্তি হওয়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৩টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। দেশে প্রথম কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হন ৮ মার্চ এবং এ রোগে আক্রান্ত প্রথম রোগীর মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ। গত ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারী ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ বিমান
২৯মে,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী কার্যক্রমের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের বহন করতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাবাহী বিমান -বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট চাটার্ড করল জাতিসংঘ সদরদফতর। এই চাটার্ড ফ্লাইটে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীগণ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে নিযুক্ত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের মিনুসকা মিশনে যোগ দিবেন। নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অমূল্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী পরিবহনে দেশটির নিজস্ব বিমান চাটার্ড করল জাতিসংঘ। এটি একটি মাইলফলক। জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন জাতিসংঘ সদরদফতরের সাথে বিমান চাটার্ড সংক্রান্ত এই চুক্তি স্বাক্ষর, সার্বিক সমন্বয় ও নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করে। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকালে বিমান বাংলাদেশ এয়ালাইন্সের চাটার্ড ফ্লাইটটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনীর ১৭৯ জন শান্তিরক্ষীকে নিয়ে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের রাজধানী বাঙ্গুইয়ের উদ্দেশ্যে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে। এই কন্টিনজেন্টের মধ্যে রয়েছে আর্মড ইউটিলিটি হেলিকপ্টার ইউনিট এর ১২৫ জন সদস্য, কুইক রিঅ্যাকশন ফোর্স কোম্পানীর অগ্রবর্তীদলের ২০ জন সদস্য এবং কোভিট-১৯ এর কারণে আটকে পড়া মিনুসকা মিশনের ৩৪ জন শান্তিরক্ষী। বর্তমানে ৬ হাজার ৫৪৩ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী বিশ্বের ০৯টি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত রয়েছেন, যার মধ্যে ১ হাজার ৬১ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের মিনুসকা মিশনে দায়িত্ব পালন করছেন। জাতিসংঘের এই শান্তিরক্ষা মিশনটি ২০১৪ সালের ১০ এপ্রিল কাজ শুরু করে।

জাতীয় পাতার আরো খবর