সোমবার, এপ্রিল ৬, ২০২০
শেখ হাসিনায় আস্থা ৮৬ শতাংশ মানুষের
২৬জানুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর দেশের ৮৬ শতাংশ মানুষের আস্থা আছে বলে রিসার্চ ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি প্রতিষ্ঠানের জরিপে উঠে এসেছে। একইসঙ্গে দেশের প্রধান দুই দল তথা ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ডে ৮৫ শতাংশ ও বিএনপির ওপর ৬ শতাংশ মানুষ সন্তুষ্ট বলেও ওই জরিপে বলা হয়। আজ রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে- রিসার্চ ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি বেসরকারি সংস্থার জরিপে এমন তথ্য তথ্য উঠে এসেছে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের প্রথম এক বছরের কার্যক্রম শীর্ষক এ জরিপ মোবাইল ফোনে কলের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। প্রতিবেদনে জানানো হয়, দেশব্যাপী দৈবচয়ন পদ্ধতিতে মোবাইল কলের মাধ্যমে করা এ জরিপে অংশ নেন ২ হাজার ২৬৬ জন। যদিও মোবাইল কল করা হয় ৮ হাজার ৩৯ জনকে। এর মধ্যে কল ধরেন ৫ হাজার ৪২৯ জন। যারা কল ধরেন তাদের মধ্যে ৪১ দশমিক ৭ শতাংশ মতামত দেন। জরিপের তথ্য তুলে ধরে প্রতিবেদনে বলা হয়, মতামতদাতাদের মধ্যে ৮০ শতাংশই আওয়ামী লীগের বর্তমান মেয়াদের সরকারের প্রথম এক বছরকে আগের তুলনায় ভালো বলে উল্লেখ করেছেন। ৮৫ শতাংশ উত্তরদাতা সন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার পরিচালনায়। তবে অসন্তোষ প্রকাশ করেন ৩ শতাংশ। অপরদিকে, জরিপে অংশ নেয়া ৬৫ শতাংশ উত্তরদাতা বর্তমানে বিএনপির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে কোনো আলোচনাই করতে চাননি। ২৫ শতাংশ উত্তরদাতা বিএনপির কার্যক্রম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ৬ শতাংশ উত্তরদাতা প্রকাশ করেন সন্তোষ। জরিপ চালানো সংস্থাটি মনে করছে, রাজনীতিতে বিএনপি গুরুত্ব হারাচ্ছে। জাতীয় পার্টির ব্যাপারেও উত্তরদাতাদের মধ্যে আগ্রহ কম পরিলক্ষিত হয়েছে। এমতাবস্থায় জরিপে অংশ নেয়া ৪৮ শতাংশ উত্তরদাতা দেশে একটি শক্তিশালী বিরোধী দল থাকার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন। তবে দরকার নেই বলে মতামত দেন ৩২ শতাংশ উত্তরদাতা। ২০ শতাংশ এ বিষয়ে মতামত দেননি। সংবাদ সম্মেলনে জরিপের ফলাফল উপস্থাপন করেন অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী গবেষক অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাৎ মিল্টন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- রিসার্চ ইন্টারন্যাশনালের চিফ কো-অর্ডিনেটিং অফিসার ও গবেষক কাজী আহমেদ পারভেজ, প্রকল্প সমন্বয়কারী মোহাম্মদ মোফাজ্জল হুসাইন প্রমুখ।
মুচলেকায় জামিন পেলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস
২৬জানুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন পেয়েছেন গ্রামীণ কমিউনিকেশনসের চেয়ারম্যান নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শ্রম আইনের ১০ নিয়ম লঙ্ঘন করা মামলায় আদালত তাকে এই জামিন দেন। পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন পেয়েছেন গ্রামীণ কমিউনিকেশনসের চেয়ারম্যান নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শ্রম আইনের ১০ নিয়ম লঙ্ঘন করা মামলায় আদালত তাকে এই জামিন দেন। এর আগে ১৩ জানুয়ারি ড. ইউনূসসহ তার প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ কমিউনিকেশনস আরও তিনজনকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য এ সমন জারি করেন আদালত। গত ৫ জানুয়ারি শ্রম আইনের ১০টি নিয়ম লঙ্ঘন করায় ড. ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে মামলা করেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের শ্রম পরিদর্শক (সাধারণ) তরিকুল ইসলাম। মামলার বিবাদীরা হলেন গ্রামীণ কমিউনিকেশনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজনীন সুলতানা, পরিচালক আ. হাই খান ও উপ-মহাব্যবস্থাপক (জিএম) গৌরি শংকর।
বিভিন্ন রুটে ট্রেন চলাচলের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
২৬জানুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: উত্তরের দুই জেলা পাবনা-রাজশাহীর মধ্যে চলাচলকারী আন্তনগর পাবনা এক্সপ্রেস ট্রেনের সেবা ঢালারচর পর্যন্ত বর্ধিত করে ঢালারচর এক্সপ্রেস ও ঢাকা-জামালপুর-ঢাকা (ভায়া বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব) রুটে নতুন ট্রেন জামালপুর এক্সপ্রেস, উদয়ন ও পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনের রেক নতুন কোচ দ্বারা প্রতিস্থাপন ও ফরিদপুর এক্সপ্রেস ট্রেনের সেবা রাজবাড়ী এক্সপ্রেস নামে ভাঙ্গা পর্যন্ত বর্ধিতকরণের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ রোববার সকাল ১১টার দিকে গণভবনে বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধনকালে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এসব কিছুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি। একইসঙ্গে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ডিজিটাল আর্থিক সেবা প্রদানের জন্য মোবাইল অ্যাপস ভিত্তিক পল্লী লেনদেন কার্যক্রম; এলজিইডি কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন গুরুত্বপূর্ণ ৯টি ব্রিজ নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলায় ১৫ হাজার মিটার চেইনেজে তিতাস নদীর ওপর ৫৭৫ মিটার দীর্ঘ পিসি গার্ডার সেতু এবং মানিকগঞ্জ জেলার সদর উপজেলাধীন মানিকগঞ্জ-সিঙ্গাইর আরএইচডি রাস্তায় কালিগঙ্গা নদীর ওপর ৪৫৬ মিটার পিসি গার্ডার সেতু উদ্বোধন করেন। এছাড়া চট্টগ্রাম ওয়াসার চট্টগ্রাম পানি সরবরাহ উন্নয়ন ও স্যানিটেশন প্রকল্পের (১ম সংশোধিত) আওতায় নির্মিত শেখ রাসেল পানি শোধনাগারএর উদ্বোধন। খুলনা ওয়াসার খুলনা পানি সরবরাহ প্রকল্প এর আওতায় নবনির্মিত বঙ্গবন্ধু ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট ও বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্রের ১২ ঘণ্টা অনুষ্ঠান সম্প্রচার কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, সারাদেশের যেসকল স্থানে ট্রেন চলাচলে ঝুকি রয়েছে, লাইন সমস্যা রয়েছে সেগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত ঠিক করতে হবে। লাইন সমস্যার কারণে বিভিন্ন সময়ে দুর্ঘটনাগুলো ঘটছে। এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। জানা গেছে, ১ হাজার ৭৩৭ কোটি টাকা ব্যয়ে গত বছরের শেষের দিকে পাবনা হয়ে ঢালারচর পর্যন্ত ৭৮ দশমিক ৮ কিলোমিটার রেলপথের নির্মাণকাজ শেষ হয়। পরে ১৩ নভেম্বর পরীক্ষামূলক ট্রেন চলাচল চালু করা হয়। অপেক্ষা ছিল আনুষ্ঠানিকতার। ট্রেনটি সকাল ৭.২৫ মিনিটে ঢালারচর থেকে ছেড়ে ১১.১০ মিনিটে রাজশাহী পৌঁছাবে। ফিরতি পথে রাজশাহী থেকে বিকেল ৪.২৫ মিনিটে ছেড়ে রাত ৮.১০ মিনিটে ঢালারচর পৌঁছাবে। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রহমান প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে পাবনায় রেল লাইন করার সিদ্ধান্ত নেন। পাবনায় রেলপথের জন্য ওই সময় জমি অধিগ্রহণ করা হয়। এরপর দীর্ঘদিন প্রকল্পটিতে কোনো অগ্রগতি হয়নি। পরে ২০১৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পাবনায় এক জনসভায় এই রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রেলপথের নকশার পরিবর্তন করে এটি পাবনার ত্রিমোহনী এলাকা ঢালার চর পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়। অপরদিকে, ঢাকা-জামালপুর-ঢাকা (ভায়া বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব) রুটে জামালপুর এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে ছাড়বে সকাল সাড়ে ১০টায়। জামালপুর পৌঁছাবে বিকাল ৪টা ৫ মিনিটে এবং জামালপুর ছাড়বে বিকাল পৌনে ছয়টার সময়। ঢাকা পৌঁছাবে রাত সাড়ে ১১টায়। ট্রেনের বিরতি স্টেশনের নামসমূহ: বিমানবন্দর, জয়দেবপুর, টাঙ্গাইল, বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব, ভূঞাপুর, হেমনগর, অ্যাড. মতিউর রহমান, তারাকান্দি, সরিষাবাড়ি। জামালপুর এক্সপ্রেসে এসি চেয়ার ১১০টি ও শোভন চেয়ার ৫১০টিসহ সর্বমোট ৬২০টি আসনের ব্যবস্থা থাকবে। সাপ্তাহিক বন্ধের দিন হবে রবিবার। ট্রেনটিতে যাত্রী সুবিধা সম্বলিত প্রতিটি কোচ স্টেইনলেস স্টিলের তৈরি। প্রতিবন্ধী যাত্রিদের হুইল চেয়ারসহ চলাচলের সুবিধার্থে থাকছে মেইন ও টয়লেটের প্রশস্ত দরজা এবং নির্ধারিত আসনের সুবিধা। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কোচে রয়েছে পরিবেশ বান্ধব বায়ো-টয়লেট এবং আধুনিক ও উন্নত মানের রুফ মাউন্টেড এয়ার কন্ডিশনার ইউনিট সম্বলিত শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। জামালপুর থেকে ঢাকা পর্যন্ত রেলপথে জামালপুর এক্সপ্রেস ট্রেনটি চালু হলো প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আগ্রহে। তারাকান্দি-বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব-টাঙ্গাইল হয়ে নতুন রুটে ঢাকা-জামালপুরের মধ্যে আন্তঃনগর এ ট্রেনটি পরিচালনার মাধ্যমে বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের একটি বৃহৎ জনগোষ্ঠীর রাজধানীসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ সৃষ্টি হবে। কৃষি ক্ষেত্রেও অভূতপূর্ব উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। নতুন এই ট্রেনে ব্যবহৃত মিটারগেজ কোচগুলো এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) আর্থায়নে বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য মিটারগেজ ও ব্রডগেজ প্যাসেঞ্জার ক্যারেজ সংগ্রহ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ইন্দোনেশিয়ার পিটি ইনকা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।
স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি মুজিব ভক্তরা কখনও পরাজিত হতে পারে না: নাসিম
২৫জানুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, ১৪ দলের মুখপাত্র ও খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, মুজিব বর্ষে সিটি নির্বাচনে নৌকার বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না। স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি মুজিব ভক্তরা কখনও পরাজিত হতে পারে না। শনিবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত দলীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় প্রধান অতিথির সুচনা বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে নিরপেক্ষ নির্বাচনের নজির রয়েছে। চাপাইনবাবগঞ্জ ও বগুড়ার দুপচাচিয়ায় দুইটি পৌর নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী বিজয়ী হয়েছে। আসলে হারলে কারচুপি আর জিতলে নিরপেক্ষ নির্বাচন এটাই বিএনপির অভ্যাস ও চিরাচরিত অভিযোগ। সিটি নির্বাচন স্থানীয় সরকারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নির্বাচন। এ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ ও বিএনপিসহ অন্যান্য দলের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে উৎসব মুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। যেহেতেু বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিজ্ঞানসম্মত পদ্দতি ইভিএমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে সেহেতু জাতীয় পর্যায় কিছু কিছু এলাকা এ পদ্ধতিতে নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিএনপি অনেকস্থানে বিজয় লাভ করেছে। অথচ সিটি নির্বাচনে তারা ইভিএম পদ্ধতির বিরোধীতা করছেন। আসলে তারা নির্বাচনেই আগেই পরাজিত হয়ে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার ষড়যন্ত্র করছে। এ সভায় আগামী ফেব্রুয়ারি মাস থেকে দলের তৃমুলের সম্মেলন সম্পন্ন করা সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ জন্য জেলার সিনিয়র নেতাদের সমন্বয়ে ৮টি টীম গঠন করা হয়েছে। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল লতিফ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জেলা আওয়ামী লীগের (ভারপ্রাপ্ত) সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক হাবিবে মিল্লাত মুন্না এমপি, তানভীর ইমাম এমপি, সাবেক এমপি ম.ম আমজাদ হোসেন মিলন, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আবু ইউসুফ সুর্য, অ্যাডভোকেট কেএম হোসেন আলী হাসান, অ্যাডভোকেট বিমল কুমার দাস, হাজী ইসহাক আলী, অ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান, পৌর মেয়র সৈয়দ আব্দুর রউফ মুক্তাসহ কার্যনির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ ও শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ গাম্বিয়ার বিচারমন্ত্রীর
২৫জানুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকার ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন গাম্বিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল ও বিচারমন্ত্রী আবুবকর মারি তামবাদু। গতকাল শুক্রবার ভয়েস অব আমেরিকার কাছে এ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। গত বৃহস্পতিবার রাখাইনে রোহিঙ্গা গণহত্যা বন্ধ এবং এ জাতিগোষ্ঠীর সুরক্ষার জন্য মিয়ানমারকে চার দফা নির্দেশনা বাস্তবায়নের আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালত (আইসিজে)। রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে গাম্বিয়ার করা মামলার শুনানিতে দেশটির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আইসিজে এ আদেশ শোনায়। মামলায় গাম্বিয়া মিয়ানমারের বিরুদ্ধে ১৯৮৪ সালের আন্তর্জাতিক জেনোসাইড কনভেনশন ভঙ্গের অভিযোগ এনেছে। এরপরই এক প্রতিক্রিয়ায় গাম্বিয়ার বিচারমন্ত্রী আবুবকর মারি তামবাদু বলেন, আমার এবং গাম্বিয়ার দেশবাসীর পক্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। এই পুরো প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে আমাদের সমর্থন দিয়েছেন তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।' বিচারমন্ত্রী আরও বলেন, 'শুধু আমাদেরকেই না রোহিঙ্গা শরণার্থীদের যেভাবে বাংলাদেশ সহায়তা দিয়েছে তার জন্যও আমরা কৃতজ্ঞ। আমরা আশা করি এই সহায়তা অব্যাহত থাকবে এবং আমরা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জীবনে পরিবর্তন আনতে পারব।' আফ্রিকার ক্ষুদ্র রাষ্ট্র গাম্বিয়ার এই বিচারমন্ত্রীই আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে এক অনুষ্ঠানে তিনি মন্তব্য করেছিলেন রুয়ান্ডার গণহত্যার সঙ্গে তিনি রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর নৃশংসতার মিল খুঁজে পাচ্ছেন। কাজেই মিয়ানমারকে আদালতে নেওয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই। রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মিয়ানমারকে দোষী সাব্যস্ত করতে আবুবকর মারি তামবাদু ও গাম্বিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মামাদু তাঙ্গারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।- আলোকিত বাংলাদেশ
এবার দক্ষিণে হবে দ্বিতীয় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র
২৫জানুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সরকার দ্বিতীয় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ নিয়ে ভাবছে। ইতোমধ্যে দ্বিতীয় কেন্দ্র নির্মাণের প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ শুরু হয়েছে। দ্বিতীয় কেন্দ্রের স্থান, সেখানকার পরিবেশ, প্রতিবেশ, অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ভূমি, বিগত প্রায় একশ বছরের ভূমিকম্পের তথ্যসহ নানা তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। দ্বিতীয় কেন্দ্রটি নিয়ে আলোচনা শুরু হলেও প্রকল্পটি একেবারেই প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। রূপপুরে নির্মাণ করা হচ্ছে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। এ কেন্দ্রের দুটি ইউনিট প্রায় ২ হাজার মেগাওয়াট। পর্যায়ক্রমে ২০২২ ও ২০২৩ সালে উৎপাদনে আসার কথা রয়েছে। প্রকল্পটির কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। এ অবস্থায় দ্বিতীয় আরেকটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ নিয়ে ভাবছে সরকার। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান ও সিনিয়র সচিব মো. আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলা হয়। বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ অনেক সময়সাপেক্ষ বিষয়। দীর্ঘ সময় পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। প্রথম প্রকল্প সফলভাবে শেষ করে দ্বিতীয় প্রকল্প নিয়ে কাজ করব। তবে দ্বিতীয় প্রকল্পের প্রাথমিক অবস্থা স্থান নির্ধারণ পর্যায়ে রয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, দ্বিতীয় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দেশের দক্ষিণাঞ্চলে স্থাপনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহ রয়েছে। তার আগ্রহের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি জায়গায় ভূমি নির্বাচনের প্রাথমিক কাজ চলছে। কয়টি জায়গায় ভূমি দেখা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রায় পাঁচটি স্থানের বিষয়ে প্রাক-সমীক্ষা চলছে। এগুলো অবশ্য চূড়ান্ত নয়। আনোয়ার হোসেন বলেন, মোট পাঁচটি জায়গার বিষয়ে পরিবেশ, প্রতিবেশ, অর্থনৈতিক ও অন্যান্য সমীক্ষা করা হচ্ছে। সব দক্ষিণাঞ্চলে, বিশেষ করে বরিশাল, বরগুনা ও পটুয়াখালীর দিকে। সচিব বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জমিটিও অনেক বছর আগে নির্বাচিত করে রাখা। দ্বিতীয় কেন্দ্রটির জমি আমরা চাই রেডি করে রাখতে। তবে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র সফলভাবে উৎপাদনে গেলে দ্বিতীয় কেন্দ্র এগিয়ে নেওয়া হবে। সচিব বলেন, ইতোমধ্যে আমাদের অনেক দক্ষ লোকবল তৈরি হবে। তখন সেই লোকবল দ্বিতীয় কেন্দ্রটি নির্মাণে অনেকটা সহায়ক হবে। উল্লেখ্য, ২০১০ সালের দিকে বিদ্যুৎ সংকট থাকায় সরকার দ্রুত বিদ্যুৎ উৎপাদনের দিকে নজর দেয়। প্রাথমকিভাবে ব্যয়বহুল তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করে বিদ্যুৎ সংকট সামাল দেওয়া হয়। পরে গ্যাস ও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দিকে এগিয়ে যায়। কিন্তু বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ খরচ আরও কমিয়ে আনতে ঝুঁকিপূর্ণ জেনেও উচ্চপ্রযুক্তির পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি করে সরকার। পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে ঝুঁকির প্রশ্ন এলে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি সর্বোচ্চ সতর্কতার মধ্যে দিয়ে সর্ব্বোচ্চ প্রযুক্তিনির্ভর করে নির্মাণ করা হচ্ছে। জানা যায়, বিশ্বের ৩০টি দেশে ৪৪৯ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে। ২০২৫ সালের মধ্যে উৎপাদনে আসবে নতুন ১৭৩ বিদ্যুৎকেন্দ্র। চলমান এসব প্রকল্পের মধ্যে নতুন দেশ হিসেবে পারমাণবিক বিদ্যুৎজগতে প্রবেশ করবে ৩০টি দেশ।
আসছে আরেকটি শৈত্যপ্রবাহ
২৫জানুয়ারী,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী মাসের শেষ সপ্তাহে দেশের উপর দিয়ে মৌসুমের শেষ শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এ শৈত্যপ্রবাহের আগে দুই থেকে তিন দিন বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে। আজ শনিবার সকালে আবহাওয়াবিদ আরিফ হোসেন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, জানুয়ারি মাসের শেষের দিকে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টির পর ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহের দিকে আরেকটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। চলতি শীত মৌসুমে এটাই হতে পারে শেষ শৈত্যপ্রবাহ। এরপর তাপমাত্রা বাড়তে থাকবে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আজ শনিবার সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ার ৬ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। ঐ সময়ে শ্রীমঙ্গলে ৭ ডিগ্রি, ডিমলায় ৭ দশমিক ২ ডিগ্রি, তেঁতুলিয়ায় ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি এবং রাজধানীতে ছিল ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল শুক্রবারের তুলনায় শীতের প্রকোপ একটু বেশি ছিল। বর্তমানে বয়ে যাওয়া শৈত্যপ্রবাহ আরও দুইদিন অব্যাহত থাকতে পারে। পূর্বাভাসে বলা হয়, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও মাঝারী থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, উপমহাদেশীয় উচ্চ চাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।- একুশে টেলিভিশন
বঙ্গবন্ধুর নাম কেউ কখনো মুছে ফেলতে পারবে না:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
২৪জানুয়ারী,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে আমরা যে প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছি অর্থনৈতিকভাবে শক্ত অবস্থানে আছি। আমাদের সকল অর্জনের সুফল যেন একেবারে তৃণমূল পর্যায়ের মানুষ পায়, গ্রামের মানুষ যেন পায়। মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করাটাই আমাদের মূল লক্ষ্য। আমরা সে লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি,এবং এ লক্ষ্য নিয়ে আওয়ামী লীগ কাজ করে যাবে। এটাই আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য। শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় নিজ বাসভবনে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নবগঠিত কমিটির প্রথম সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগের প্রত্যেকটি নেতাকর্মীকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অদর্শ নিয়ে চলার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই বাংলাদেশকে আমরা জাতির পিতার ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলব, এটাই আমাদের লক্ষ্য। বঙ্গবন্ধুর নাম কেউ কখনো মুছে ফেলতে পারবে না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরো বলেন, আমরা সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রেখেছি। এর আগে দুপুর ১টায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান শেখ হাসিনা। এ সময় তিনি কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। সশস্ত্র বাহীনির একটি দল এসময় গার্ড অব অনার প্রদান করে। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বঙ্গবন্ধু, পরিবারের নিহত সদস্য ও শহীদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে ফাতহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে দলীয় প্রধান হিসাবে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান শেখ হাসিনা। এ সময় নবগঠিত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মাহবুব উল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, শাজাহান খান, মতিয়া চৌধুরী, কাজী জাফর উল্লাহ, সাহারা খাতুনসহ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ, জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে বেলা ১১টা ১০ মিনিটে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা কমপ্লেক্স মাঠে নির্মিত হেলিপ্যাডে অবতরণ করে শেখ হাসিনাকে বহনকারী হেলিকপ্টার। হেলিপ্যাডে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ তাকে স্বাগত জানান। পরে বেলা ১১টা ২০ মিনিটে হেলিপ্যাড থেকে সড়কপথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। পরে বঙ্গবন্ধু ভবনে অবস্থান করেন তিনি। তারপরে জুম্মার নামাজের পর বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধ কমপ্লেক্স মসজিদের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
দেশ দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে
২৪জানুয়ারী,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেছেন, কিছুদিন আগেও দেশের মানুষকে বিদেশে অপমানিত হতে হতো। বলা হতো, ভিক্ষুকের জাতি। অথচ আজ দেশ দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিগত দশ বছরে দেশে একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। শুক্রবার সকালে কুমিল্লায় বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোরের (বিএনসিসি) ১০ দিনব্যাপি স্পেশাল মোটিভেশনাল ক্লাস-রেজিমেন্ট ক্যাম্পিংয়ের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ জোবেদা খাতুন পারুল। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ময়নামতি রেজিমেন্টের কমান্ডার লেফটেনেন্ট কর্নেল সালাহ উদ্দিন আল মুরাদ। ক্যাম্পিংয়ে কুমিল্লা, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, সিলেট, সুনামগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের ১০০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্যাডেটরা অংশগ্রহণ করেন।