রবিবার, নভেম্বর ১৮, ২০১৮
সোয়া কোটি গবাদি পশু কোরবানিযোগ্য
অনলাইন ডেস্ক: গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া মিলিয়ে দেশে এখন এক কোটি ১৬ লাখ কোরবানিযোগ্য গবাদি পশু রয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার। প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় রবিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, কোরবানিযোগ্য এসব গবাদিপশুর মধ্যে ৪৪ লাখ ৫৭ হাজার গরু ও মহিষ এবং ৭১ লাখ ছাগল ও ভেড়া রয়েছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের হিসাবে, সারা বছরে দেশে প্রায় দুই কোটি ৩১ লাখ ১৩ হাজার গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া জবাই হয়। এর অর্ধেকই জবাই হয় কোরবানির ঈদের সময়। গত বছর ঈদের আগে দেশে কোরবানিযোগ্য গবাদিপশু ছিল এক কোটি চার লাখ ২২ হাজার। সরকার গত কয়েক বছর ধরে বলে আসছে, দেশি গরু-ছাগলেই কোরবানির মওসুমের চাহিদা মেটানোর সক্ষমতা বাংলাদেশের তৈরি হয়েছে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে সরকার এবার কোরবানির ঈদের ছুটি রেখেছে ২১ থেকে ২৩ আগস্ট। অর্থাৎ, ১২ আগস্ট জিলহজ মাসের চাঁদ উঠলে ২২ আগস্ট বাংলাদেশের মুসলমানরা কোরবানির ঈদ উদযাপন করবে। প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঈদ সামনে রেখে সম্প্রতি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিবের সভাপতিত্বে কোরবানির হাটে ভেটেরিনারি সেবাসংক্রান্ত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এবারের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করা হয়। সভায় জানানো হয়, কোরবানির পশুর প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য প্রতিটি ছোট হাটে একটি এবং বড় হাটে দুটি করে এবং ঢাকার গাবতলী হাটে চারটি মেডিকেল টিম থাকবে। প্রতিটি টিমে একজন ভেটেরিনারি সার্জন, একজন টেকনিক্যাল কর্মী (ভেটেরিনারি ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট বা উপজেলা প্রাণিসম্পদ সহকারী (ইউএলএ) এবং শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন করে ইন্টার্ন ভেটেরিনারি সার্জন থাকবেন। গত বছর সারাদেশে দুই হাজার ৩৬২টি কোরবানির হাটে এক হাজার ১৯৩টি মেডিকেল টিম কাজ করে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গবাদিপশুর খামারগুলোতে স্বাস্থ্যহানিকর রাসায়নিক দ্রব্যের’ ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে এবারও পদক্ষেপ নেবে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। প্রাণিস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর স্টেরয়েড ও হরমোন জাতীয় ওষুধের বিক্রি, সরবরাহ, নিয়ন্ত্রণ, সীমান্তবর্তী এলাকায় এসব দ্রব্য চোরাইপথে প্রবেশ বন্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদারকি ছাড়াও জেলা ও উপজেলা প্রশাসন পদক্ষেপ নেবে। নির্দিষ্ট স্থানে কোরবানি করা, পশুবর্জ্য যত্রতত্র না ফেলা এবং কোরবানির আগে-পরে ঢাকা মহানগরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সহযোগিতায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ব্যবস্থা নেবে বলেও জানানো হয় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।
তাজউদ্দীনের ৯৩তম জন্মবার্ষিকী আজ
অনলাইন ডেস্ক: জাতীয় নেতা, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদের ৯৩তম জন্মবার্ষিকী সোমবার। তিনি গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার দরদরিয়া (দারদরিয়া) গ্রামে ১৯২৫ সালের ২৩ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মৌলভী মো. ইয়াসিন খান ও মায়ের নাম মেহেরুন্নেছা খানম। তাজউদ্দীন আহমদ বাংলাদেশের রাজনীতিতে মেধা, দক্ষতা, যোগ্যতা, সততা ও আদর্শের অনন্য এক প্রতীক। মুসলিম লীগের কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে তার সক্রিয় রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। ১৯৬৪ সালে তিনি আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ৬৬ সালে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ক্ষমতা দখলকারী ঘাতকচক্র সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে। সেদিন তাজউদ্দীন আহমদকে গৃহবন্দি করা হয়। পরে তাকে জেলখানায় বন্দি করে রাখা হয়। একই বছরের ৩ নভেম্বর কারাগারে আটক অবস্থায় ঘাতকচক্র তাজউদ্দীনসহ আরও তিন জাতীয় নেতাকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করে। দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মাধ্যমে তাজউদ্দীন আহমদের জন্মবার্ষিকী পালন করবে কাপাসিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ। এদিকে, তাজউদ্দীন আহমদের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে বিকেলে তাজউদ্দীন আহমদ: কর্ম ও জীবন শীর্ষক সপ্তাহব্যাপী (২৩-৩০ জুলাই) প্রদর্শনী শুরু হতে যাচ্ছে। পাশাপাশি থাকছে মেধাবী ও গণমনস্ক এই নেতার রাজনৈতিক ব্যক্তি সত্তা নিয়ে আলোচনা, তার স্বকণ্ঠের ভাষণ, ভাষণ থেকে পাঠ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আলোচনা করবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম। তাজউদ্দীন আহমদের ভাষণ থেকে পাঠ করবেন আবৃত্তিশিল্পী সৈয়দ শহীদুল ইসলাম নাজু। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করবে ইউনিভার্সিটি অব লিবারাল আর্টস (ইউল্যাব) ও ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা। উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর তাজউদ্দীন আহমদের স্ত্রী জোহরা তাজউদ্দিন মারা যান। তিনি আমৃত্যু আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ছিলেন। ১৯৭৮-৮১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব নিয়ে দলকে সুসংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন জোহরা তাজ। এই দম্পতির তিন সন্তানের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ সাবেক স্বরাষ্ট্র পতিমন্ত্রী তানজীম আহমেদ সোহেল তাজ। আর এক মেয়ে সিমিন হোসেন রিমি আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি, আরেক মেয়ে শারমিন আহমদ লেখালেখির সঙ্গে জড়িত।
দুর্যোগ সহনশীল ফসলের জাত উদ্ভাবনে রাষ্ট্রপতির গুরুত্বারোপ
অনলাইন ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি এম আবদুল হামিদ কৃষিতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবেলায় জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং দুর্যোগ সহনশীল ফসলের বিভিন্ন জাত উদ্ভাবনে অগ্রাধিকার দিতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। রোববার (২২ জুলাই) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ৫৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি বলেন, আপনাদেরকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা এবং ফসলের বিভিন্ন জাত উদ্ভাবনে যুৎসই কৌশল নির্ধারণ করতে হবে। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব বর্তমানের এক বাস্তবতা। এজন্য কৃষিতে আমাদের অর্জিত সাফল্য ধরে রাখার পাশাপাশি একে এগিয়ে নিতে হলে জলবায়ু পরিবর্তনে সৃষ্ট সমস্যা সমাধানে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। হামিদ বলেন, ‘হাওড় এলাকার কৃষকরা বছরে একটি মাত্র ফসলের ওপর নির্ভরশীল। তাদের এই এক ফসলি নির্ভরশীলতা কমিয়ে আনতে কৃষিবিদ ও কৃষি সম্প্রসারণ বিদসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। কৃষির সাফল্য অব্যাহত রাখতে উৎপাদন বৃদ্ধির সঙ্গে কৃষি পণ্যের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তিও নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের দেশে মৌসুমী ফল ও কৃষিপণ্য সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হয়ে যায়। এসব পণ্য সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে সরকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।’ তিনি বর্তমান সরকারের কৃষি নীতিমালার সুষ্ঠু বাস্তবায়নে দক্ষ কৃষিবিদ ও কৃষি বিজ্ঞানী তৈরিতে আরো যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতি ও বাকৃবি’র আচার্য ১৯৬১ সালের ১৮ আগস্ট প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন গবেষণা ও একাডেমিক কর্মকা-ের প্রশংসা করে বলেন, ‘আধুনিক বিশ্বায়ন ও জ্ঞান অর্থনীতির তীব্র প্রতিযোগিতার এই যুগে একটি বিশ্ববিদ্যালয়কে আপন বৈশিষ্ট্যে টিকে থাকতে হলে তার স্থানিক, জাতিক ও বৈশ্বিক অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে। এটি প্রাতিষ্ঠানিক উপযোগিতা, মান ও আন্তর্জাতিক চরিত্র নিশ্চিত করার মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট করা সম্ভব। আমি জেনে আনন্দিত যে উচ্চতর কৃষি শিক্ষার পথিকৃৎ ও প্রধান বিদ্যাপীট হিসেবে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় তার লক্ষ্যের প্রতি অবিচল থেকে শিক্ষা ও গবেষণায় বিশেষ যত্নবান।’ বাংলাদেশ আজ বিশ্বে একটি বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে যাচ্ছে—একথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ সমুন্নত রেখে দেশের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে অসামান্য উন্নয়ন করে চলছে। এর ধারাবাহিকতায় রূপকল্প-২০২১ ও রূপকল্প-২০৪১ অনুসরণ করে বাংলাদেশ উন্নয়নের মহাসড়কে তার অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখেছে। রাষ্ট্রপতি হাওড় ও চর উন্নয়ন ইন্সটিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত প্রযুক্তি মেলা পরিদর্শন করেন। বাকৃবি’র উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আলীর সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাবেক উপাচার্য ড. এম এ সাত্তার মন্ডল। ধর্ম মন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েট প্রেসিডেন্ট কৃষিবিদ ড. মোহাম্মাদ আবদুর রাজ্জাক এমপি, উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. জসিম উদ্দিন খান ও কৃষিবিদ বদিউজ্জামান বাদশা অন্যান্যের মধ্যে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।
মাহমুদুর রহমানের ওপর হামলা
অনলাইন ডেস্ক: আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের ওপর হামলা হয়েছে। রোববার (২২ জুলাই) কুষ্টিয়ায় আদালত চত্বরে তার ওপর হামলা চালানো হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রধানমন্ত্রীর ভাগনি টিউলিপ সিদ্দিক সম্পর্কে মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়ায় মামলা হয়। ওই মামলায় জামিন পেতে কুষ্টিয়া আদালতে গিয়েছিলেন তিনি। সেই মামলায় আদালত আজ তাকে জামিন দিয়েছেন। আদালত এলাকা থেকে বের হওয়ার সময় তার ওপর হামলা চালানো হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আদালত মাহমুদুর রহমানের জামিন মঞ্জুর করার কিছুক্ষণের মধ্যেই তার ওপর হামলা চালানো হয়। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আগে থেকে আদালত চত্বরে অবস্থান নেন। জামিন মঞ্জুরের পর তারা মাহমুদুর রহমানকে আদালতের একটি কক্ষে অবরুদ্ধ করে ফেলেন। একপর্যায়ে সেখান থেকে বেরিয়ে তিনি নিজের গাড়িতে ওঠার চেষ্টা করেন। এ সময় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাকে লক্ষ করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকেন। এতে একটি ইটের টুকরা লেগে রক্তাক্ত হন মাহমুদুর রহমান। পরে পুলিশ মাহমুদুর রহমানকে উদ্ধার করে অ্যাম্বুলেন্সযোগে যশোর হাসপাতালে পাঠায়। আলোকিত বাংলাদেশ
চারদিনের সফরে ভারতে এরশাদ
অনলাইন ডেস্ক: ভারত সরকারের আমন্ত্রণে চারদিনের সফরে ভারত গেলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি খন্দকার দেলোয়ার জালালী জানান, রোববার (২২ জুলাই) সকাল ১০টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জেট এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে করে দিল্লির উদ্দেশে তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন। বিমানবন্দরে দলের নেতাকর্মীরা তাকে বিদায় জানান। সাবেক এ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সফরসঙ্গী হিসেবে আছেন- পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার এমপি, পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়া উদ্দিন আহমেদ বাবলু, সুনীল শুভ রায় ও মেজর (অব.) মো. খালেদ আখতার। আগামী ২৫ জুলাই বিকেল ৪টায় তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
পদোন্নতিতে পেশাগত দক্ষতার ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ
অনলাইন ডেস্ক: সেনাবাহিনীর সদস্যদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে অফিসারদের পেশাগত দক্ষতা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস, নেতৃত্বের গুণাবলী, শৃঙ্খলার মান, সততা, বিশ্বস্ততা, আনুগত্য ও সর্বোপরি নিযুক্তিগত উপযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার সকালে ঢাকা সেনানিবাসের সেনাসদর কনফারেন্স হলে ‘সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০১৮’র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে তিনি এ আহ্বান জানান। এর মাধ্যমে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতির লক্ষ্যে পাঁচ দিনব্যাপী আয়োজিত এ পর্ষদের কার্যক্রম শুরু হলো। এ পর্ষদের মাধ্যমে লেফটেন্যান্ট কর্নেল থেকে কর্নেল এবং কর্নেল থেকে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদবিতে পদোন্নতির জন্য সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দের সমন্বয়ে গঠিত এ পর্ষদের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর ভবিষ্যৎ জ্যেষ্ঠ নেতৃত্বের জন্য যোগ্য ও দক্ষ অফিসাররা সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে পদোন্নতি পাবেন। প্রধানমন্ত্রী সেনাসদরে পৌঁছলে তাকে স্বাগত জানান সেনাবাহনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ। এছাড়া অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিক (অব.), প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান, প্রেসসচিব ইহসানুল করিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মুচলেকা দিয়ে ক্ষমতায় যেতে চাই না : প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: ২০০১ সালে গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দিয়ে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছিল বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন,আমি মুচলেকা দিয়ে বাংলাদেশের সম্পদ বিক্রি করে ক্ষমতায় যেতে চাই না। শনিবার (২১ জুলাই) বিকালে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগ আয়োজিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উত্তরণ, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ, অস্ট্রেলিয়া থেকে গ্লোবাল উইমেনস লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড অর্জন এবং ভারতের নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি-লিট ডিগ্রি পাওয়া, দেশের উন্নয়নে অনন্য ভূমিকার জন্যই প্রধানমন্ত্রীকে এ সংবর্ধনা দেয় তার দল আওয়ামী লীগ। এই সংবর্ধনা জনগণকে উৎসর্গ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। ২০০৮ সালে জনগণের ভোটে ক্ষমতায় এসেছেন বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করছি। কিন্তু ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে বিএনপি নির্বাচন ঠেকানোর আন্দোলন শুরু করে। কারণ নির্বাচন ঠেকাতে পারলে আবার অবৈধ ক্ষমতা দখলকারীরা ক্ষমতায় আসবে। কিন্তু দেশের জনগণের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। তারা বিএনপির জ্বালাও-পোড়াও ঠেকিয়ে আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় বসিয়েছে। দেশের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করেছে। আবার বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা এ দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলাম। কিন্তু বিএনপি আবার মাঝপথে সেটিকে বন্ধ করে দেয়। কারণ তারা দ্বিতীয় দফায় আবার ক্ষমতায় আসে। যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই আমাদের নেয়া উন্নয়ন প্রকল্পগুলো বন্ধ করে দেয়। শেখ হাসিনা বলেন, যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে তাদের বিভিন্ন দেশের দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, ১৯৭৫ সালের আগে বাঙালি ছিল বীরের জাতি। আর ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর সেই বাঙালি হলো খুনি জাতি। কলকাতায় আমরা যে বাসায় ছিলাম সেখানে এক কাপড় বিক্রেতা আসতেন। তিনি আমাদের বললেন- আপনারা কীসের জাতি? যিনি আপনাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন তাকে হত্যা করল। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে আমরা আমাদের সম্মান হারিয়েছি। তিনি বলেন, ১৯৭৯ সালে সুইডেনে আমার বোন রেহানা প্রথম জাতির পিতা হত্যার বিচার দাবি করে। ১৯৮০ সালে আমি লন্ডনে এক সভায় বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার দাবিসহ বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার দাবি জানাই। শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে জাতির পিতার হত্যার বিচার শুরু করেছি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কাজ শুরু করেছি। কিন্তু জিয়াউর রহমান যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা করে দিয়েছিল। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জাতীয় সংসদের উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ গণসংবর্ধনায় দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে মানপত্র পাঠ করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
জনগণ সুখে থাকলেই আমি খুশি: প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: জাতির পিতার স্বপ্ন ছিল বাংলার জনগণ সুখে শান্তিতে থাকবে বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন,আমার কোনো সংবর্ধনার দরকার নেই। আমি জনগণের সেবক, তাই জনগণ সুখে থাকলেই আমি খুশি। আমি জাতির পিতার স্বপ্নপূরণে কাজ করে যাচ্ছি। শনিবার (২১ জুলাই) বিকেলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগ আয়োজিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ সব কথা বলেন। তাঁর জন্য আয়োজিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানকে দেশের মানুষকে উৎসর্গ করেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার সৌভাগ্য আমি তার সন্তান হিসেবে জন্মগ্রহণ করতে পেরেছি। ভারতের আসানসোলের কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি-লিট ডিগ্রি অর্জন, মহাকাশে সফলভাবে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট পাঠানো, অস্ট্রেলিয়ার সিডনি থেকে গ্লোবাল উইমেন্স লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড অর্জন ও স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত করা, চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থসহ বেশ কিছু আন্তর্জাতিক পুরস্কার পাওয়া এবং দেশের উন্নয়ন ও অর্জনে অনন্য সফলতার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এ গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার পর দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র, ভোট ও ভাতের অধিকারের জন্য লড়াই করে যারা জীবন দিয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। শেখ হাসিনা বলেন,জাতির পিতা ৯ মাসের মধ্যে জাতিকে যে সংবিধান দিয়েছিলেন সেই সংবিধানকে লঙ্ঘন করে মার্শাল ল জারি করে ক্ষমতাকে নেওয়া হয় সেই ক্যান্টনম্যান্টে। তারা ক্ষমতাকে উপভোগ করেছে। প্রতারণা করেছে জাতির সাথে। এসব অবৈধ ক্ষমতা দখলকারী উচ্ছিষ্টভোগীরা এলিট শ্রেণি হয়েছে। বিত্তশালী হয়েছে। এ দেশে বারবার ক্যু হয়েছে। স্বাধীনতার পর ১৯টা ক্যু হয়েছে এই দেশে। আর স্বাধীন বাঙালির জনগণের ক্ষমতাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ক্যান্টনম্যান্টে।
প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনায় বন্ধ থাকবে যেসব সড়ক
অনলাইন ডেস্ক: আজ শনিবার বিকেল ৪টায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঐতিহাসিক গণসংবর্ধনা দেওয়া করা হবে। এ জন্য উদ্যানের আশেপাশের রাস্তায় যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। শনিবার দুপুর ১টা থেকে অনুষ্ঠান শেষ না হওয়া পর্যন্ত শাহবাগ থেকে মৎস্য ভবন, টিএসসি থেকে দোয়েল চত্বরের রাস্তা বন্ধ থাকবে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গণসংবর্ধনা উপলক্ষে ঢাকা মহানগরী ও আশপাশের এলাকা থেকে বিভিন্ন পরিবহনযোগে ও পায়ে হেঁটে অসংখ্য নেতা-কর্মী, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, পেশাজীবী ও সাধারণ জনগণের আগমন ঘটবে। এ কারণে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের আশেপাশের রাস্তায় যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। বেলা ১টা থেকে অনুষ্ঠান শেষ না হওয়া পর্যন্ত শাহবাগ থেকে মৎস্য ভবন, টিএসসি থেকে দোয়েল চত্বরের রাস্তা বন্ধ থাকবে। তাছাড়া প্রয়োজনে বাংলামোটর, কাকরাইল চার্চ, ইউবিএল, জিরো পয়েন্ট, গোলাপশাহ মাজার, চাঁনখারপুল, বকশীবাজার, পলাশী, নীলক্ষেত, কাঁটাবন ক্রসিং দিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও বিশ্ববিদ্যালয়মুখী সাধারণ গাড়িগুলোকে ডাইভারশান দেওয়া হতে পারে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, অনুষ্ঠান উপলক্ষে মিরপুর থেকে যে সব নেতা-কর্মী বাসে আসবেন তাদের গাড়ি মিরপুর রোড দিয়ে এসে নীলক্ষেত এলাকায় পার্ক করবে। উত্তরা, মহাখালীর দিক দিয়ে যারা আসবে তাদের গাড়ি মগবাজার-কাকরাইল চার্চ-নাইটিংগেল-ইউবিএল-জিরো পয়েন্ট-হাইকোর্ট হয়ে দোয়েল চত্বরে নামিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জিমনেশিয়ামে পার্ক করতে হবে। ফার্মগেট-সোনারগাঁও-শাহবাগ হয়ে যে সব নেতা-কর্মী বাসে আসবেন সে সকল গাড়ি টিএসসি রাইট টার্ন করে মল চত্বরে পার্ক করবে। যাত্রাবাড়ী, ওয়ারী, বংশাল দিয়ে যারা আসবেন তাদের গাড়ি জিরো পয়েন্ট, হাইকোর্ট হয়ে দোয়েল চত্বরে নামিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় জিমনেশিয়ামে পার্ক করতে হবে। লালবাগ, কামরাঙ্গীরচর থেকে আগতদের গাড়ি পলাশী-নীলক্ষেত এলাকায় পার্ক করতে বলা হয়েছে। আলোকিত বাংলাদেশ

জাতীয় পাতার আরো খবর