বুধবার, নভেম্বর ১৩, ২০১৯
পেঁয়াজের বড় চালান আসছে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই: মন্ত্রণালয়
২৮অক্টোবর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দুই একদিনের মধ্যে পেঁয়াজের বড় চালান দেশে আসছে। এজন্য আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। আজ সোমবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাজারে প্রচুর পেঁয়াজ রয়েছে, প্রতিদিন আমদানিকৃত পেঁয়াজ আসছে। পেঁয়াজের সরবরাহ ও দাম স্বাভাবিক রাখতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। দাম কম ও সহজ পরিবহনের কারণে ভারত থেকে প্রয়োজনীয় পেঁয়াজ আমদানি করা হয়। ভারতের মহারাষ্ট্র ও অন্য এলাকায় বন্যার কারণে পেঁয়াজের ফলন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে কিছুদিন আগে রফতানির ক্ষেত্রে ভারত প্রতি টন পেঁয়াজের মিনিমাম এক্সপোর্ট প্রাইস (এমইপি) নির্ধারণ করে। গত ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ রাখলেও বিকল্প হিসেবে মিয়ানমার থেকে এলসি এবং বর্ডার ট্রেডের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পেঁয়াজ আমদানি শুরু করে। পাশাপাশি মিসর ও তুরস্ক থেকেও এলসির মাধ্যমে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়। সম্প্রতি মিয়ানমারও পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি করেছে। ফলে বাংলাদেশের বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় পেঁয়াজ আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের নিয়ে অনেকবার সভা করেছে, নিয়মিতভাবে আমদানিকারকদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের পেঁয়াজ আমদানি বৃদ্ধি এবং নৈতিকতার সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনার অনুরোধ করা হয়েছে। এরপরও কোনো ব্যবসায়ী অবৈধ পেঁয়াজ মজুত, কৃত্রিম উপায়ে মূল্যবৃদ্ধির চেষ্টা, স্বাভাবিক সরবরাহে ব্যাঘাত সৃষ্টি করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দেয়া হয়। প্রতিদিনই অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
২০২০ সালের সরকারি ছুটির তালিকা ঘোষণা
২৮অক্টোবর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ২০২০ সালের ছুটির তালিকা অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। ২০২০ সালে সাধারণ ছুটি ১৪ দিন ও নির্বাহী আদেশে ছুটি ৮ দিন। মোট ২২ দিন সাধারণ ও নির্বাহী আদেশের ছুটি হলেও এর মধ্যে শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি রয়েছে ৮ দিন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সোমবার (২৮ অক্টোবর) মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২০২০ খ্রিস্টাব্দের ছুটির তালিকা অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম ছুটির তালিকা অনুমোদনের কথা জানান। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, জাতীয় দিবস ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবসে ১৪ দিন সাধারণ ছুটি থাকবে। সাধারণ ছুটির মধ্যে ৩ দিন সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) পড়েছে। এছাড়া বাংলা নববর্ষ ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবসে ৮ দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে।
জাপান ও সিঙ্গাপুর সফর শেষে দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি
২৮অক্টোবর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাপান ও সিঙ্গাপুরে আট দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। রোববার (২৮ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টায় রাষ্ট্রপতি এবং তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এ সময় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, কূটনৈতিক কোরের ডিন, বাংলাদেশে জাপানের রাষ্ট্রদূত, তিন বাহিনী প্রধান, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব এবং ঢাকায় সিঙ্গাপুরের কনস্যুলেট জেনারেল বিমান বন্দরে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানান। রাষ্ট্রপতি হামিদ সিঙ্গাপুরে তার দুদিনের যাত্রাবিরতি শেষে রোববার রাত (স্থানীয় সময়) ৮টা ৫০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন। সিঙ্গাপুরে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মুস্তাফিজুর রহমান বিমানবন্দরে রাষ্ট্রপতিকে বিদায় জানান। রাষ্ট্রপতি গত ২০ অক্টোবর থেকে জাপানে ছয় দিনের সরকারি সফর শেষে শুক্রবার সিঙ্গাপুরে পৌঁছেন। তিনি মঙ্গলবার টোকিওতে জাপানের নতুন সম্রাট নারুহিতোর অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দেন। নারুহিতো টোকিওতে রাজপ্রাসাদে বিভিন্ন দেশের প্রায় দুই হাজার নেতা এবং ১৭৪ দেশ ও অঞ্চলের প্রতিনিধিদের সামনে নিজেকে সে দেশের ১২৬তম সম্রাট হিসেবে ঘোষণা দেন। রাষ্ট্রপতি একই দিনে জাপানের নতুন সম্রাট নারুহিতো এবং সম্রাজ্ঞী মাসাকোর দেয়া ভোজসভায় যোগ দেন। তিনি পর দিন জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের দেয়া অপর এক ভোজসভায়ও যোগ দেন। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ জাপান ও সিঙ্গাপুর সফরে গত ২০ অক্টোবর ঢাকা ত্যাগ করেন।
হজযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ২০২০ সালে সবার ইমিগ্রেশন ঢাকায়, বললেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী
২৭অক্টোবর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আশকোনার হজ ক্যাম্পের সম্প্রসারণ ও সংস্কার কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আব্দুল্লাহ। কারণ আগামী বছর থেকে হজযাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে ইমিগ্রেশন হবে আশকোতেই। রোববার হজ ক্যাম্প সম্প্রসারণ ও সংস্কার কার্যক্রম সংক্রান্ত সভায় তিনি এ কথা বলেন। ২০০৯ সাল থেকে হজযাত্রীর সংখ্যা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। ২০০৯ সালে হজযাত্রীর ছিল ৫৮ হাজার ৬২৮ জন, ২০১৯ সালে হজযাত্রীর সংখ্যা এক লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ জন। প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ভবিষ্যতে হজযাত্রীর সংখ্যা যেমন বৃদ্ধি পাবে একইসঙ্গে এ সংক্রান্ত কার্যক্রমও বাড়বে। তাই এখন থেকে হজ ক্যাম্প সম্প্রসারণ ও সংস্কার সংক্রান্ত কার্যক্রম গ্রহণ করা প্রয়োজন। তিনি জানান, ২০১৯ সালে মোট ৩৬৬টি হজ ফ্লাইট পরিচালিত হয়। সৌদি এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে পরিচালিত হজযাত্রীদের মধ্যে যারা মক্কা রুট ইনিশিয়েটিভ কর্মসূচির অধীন হজে গিয়েছেন তাদেরকে লাগেজ ট্যাগ গ্রহণ ও ইমিগ্রেশন নিয়ে বিড়ম্বনার সম্মুখীন হতে হয়েছে। তাই ২০২০ সালের সব হজযাত্রীদের বাংলাদেশ অংশের ইমিগ্রেশন হজ ক্যাম্পে করার পরিকল্পনা নেওয়া করা হয়েছে। এ বছর রাজকীয় সৌদি সরকারের মক্কা রুট ইনিশিয়েটিভ কর্মসূচির অধীনে প্রায় অর্ধেক হজযাত্রী সৌদি আরব অংশের ইমিগ্রেশন জেদ্দার পরিবর্তে ঢাকায় সম্পন্ন করেছেন। ২০২০ সালে সব হজযাত্রীকে এ কর্মসূচির অধীনে আনা হবে বলে মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের বাসায় মাদকদ্রব্য অধিদফতরের অভিযান
২৭অক্টোবর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর গুলশানে চলচ্চিত্র প্রযোজক ও ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের বাসায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফরের অভিযান চলছে। ওই বাসা থেকে বিপুল পরিমান মাদক ও ক্যাসিনোর সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (২৭ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে গুলশান-২ এর ৫৭ নম্বর সড়কের ১১/এ বাড়িতে এ অভিযান শুরু হয়। বাসাটি থেকে এ যাবৎকালীন উদ্ধার হওয়া সবচেয়ে বেশি মদ পাওয়া যায়। এর আগে বিকেলে মাদক দ্রব্য অধিদফতর গুলশান-২-এর ৫৭ নম্বর রোডের ১১/এ বাসায় অভিযান চালাতে চাইলে আজিজ মোহাম্মদের বোন তাদের বাধা দেয়। এর পর অধিদফতরের লোকজন কৌশলে বাড়ির ছাদ গেলে সেখান থেকে ক্যাসিনো সামগ্রী ও বিপুল পরমান মদ উদ্ধার। এব্যাপারে আজিজ মোহাম্মদের বোন জানান, ওই বাসার মালিক সেখানে থাকেন না। ঘরটিতে তালা মারা ছিল। বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও ক্যাসিনোর সরঞ্জাম উদ্ধারের ঘটনায় ওই বাসার দুই দারওয়ানকে আটক করা করেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক খুরশিদ আলম। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক জানান, গোপন সংবাদে ভিত্তিতে অভিযান চালানো হচ্ছে। অভিযানে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ ও ক্যাসিনো সরঞ্জাম পাওয়া গেছে। অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও জানান ফজলুর রহমান।
ফিলিস্তিনি সড়কের নামকরণ বঙ্গবন্ধুর নামে
২৭অক্টোবর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফিলিস্তিনের হেবরন শহরের একটি সড়কের নামকরণ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে হবে বলে জানিয়েছে দেশটি। আজারবাইজানের বাকুতে আয়োজিত ১৮তম ন্যাম সম্মেলনে শনিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিয়াদ আল মালকি। ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তার দেশ সফরেরও আমন্ত্রণ জানান। শেখ হাসিনা শুক্রবার সকালে বাকু কংগ্রেস সেন্টারের প্ল্যানারি হলে ১৮তম ন্যাম সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে সাধারণ অধিবেশনে যোগ দেন। শেখ হাসিনা এবং সম্মেলনে যোগদানকারী অন্যান্য দেশের নেতৃবৃন্দ এদিন বিকেলে অনুষ্ঠেয় দু’দিনব্যাপী সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনেও যোগ দেবেন। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং অংশগ্রহণকারী দেশের প্রতিনিধি বাকু কংগ্রেস সেন্টারে অনুষ্ঠেয় এই অনুষ্ঠানে বাকু ঘোষণা গ্রহণ করবেন। এদিকে প্রধানমন্ত্রী সম্মেলনের সাইড লাইনে বাকু কংগ্রেস সেন্টারের দ্বিপাক্ষিক বুথে আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম এলিয়েভ এবং নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শার্মা ওলীর সঙ্গেও বৈঠকে মিলিত হন। পাশাপাশি, সন্ধ্যায় হোটেল হিলটনে তার সম্মানে আজারবাইজানের দায়িত্বপ্রাপ্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মো. আল্লামা সিদ্দিকি আয়েজিত নৈশভোজেও যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। পররাষ্ট্রসচিব মো. শহিদুল হক সাংবাদিকদের এসব ব্রিফ করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিমও উপস্থিত ছিলেন। পররাষ্ট্রসচিব বলেন, ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীকে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে ফিলিস্তিনের অধিকারের বিষয়টি তুলে ধরার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদও জানান।খবর বাসস।
সব প্রতিষ্ঠানে- ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপনের বিষয়ে হাইকোর্টের রুল
২৭অক্টোবর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের সব কর্মক্ষেত্র, এয়ারপোর্ট, বাসস্টেশন, রেলস্টেশন, শপিং মলে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার ও বেবি কেয়ার কর্নার স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এছাড়া পাবলিক প্লেস ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপনে নীতিমালা তৈরি করতে নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়কে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, রুলে তাও জানতে চেয়েছেন আদালত। এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রবিবার (২৭ অক্টোবর) বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এসব রুল জারি করেন। চার সপ্তাহের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মো. আব্দুল হালিম। তার সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট রাশিদুল হাসান ও জামিউল হক ফয়সাল। এর আগে গত ২২ অক্টোবর নিরাপদ পরিবেশে ও স্বাচ্ছন্দ্যে মায়ের বুকের দুধ পান করাতে ৯ মাসের শিশু উমাইর বিন সাদিকের পক্ষে তার মা ইশরাত হাসান এই রিট দায়ের করেন। রিটে কর্মক্ষেত্র, শপিং মল, এয়ারপোর্ট, বাসস্টেশন, রেলস্টেশনে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপনের নির্দেশনা চাওয়া হয়। রিটে বলা হয় এমন পরিবেশে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপন করতে হবে, যেখানে কোনও মা সন্তানকে বুকের দুধ পান করাতে কোনও অস্বস্তি বোধ করবেন না, বা যৌন হয়রানির শিকার হবেন না। রিটকারী ইশরাত হাসান বলেন, অনেক কর্মস্থলে বা বাস, ট্রেনস্টেশনে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার না থাকায় মায়েদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। নিরাপদ পরিবেশের অভাবে ও যৌন হয়রানির ভয়ে মায়েরা শিশুদের বুকের দুধ পান করাতে পারেন না। অথচ একজন শিশুর মানসিক ও শারীরিক বৃদ্ধি ও পুষ্টির জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন মায়ের বুকের দুধ। আমার মতো হাজার হাজার মা এই সমস্যার মুখোমুখি হন। রিটে এ বিষয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করা হয়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয় সুন্দর, সুস্থ ও সবলভাবে শিশুকে বেড়ে তুলতে এবং নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিতে সরকারি বেসকারি প্রতিটি কর্মস্থলে ডে কেয়ার সেন্টার ও মাতৃদুগ্ধ দান কক্ষ স্থাপন করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে নির্দেশনা দিয়েছিলেন। এরপর ৯ বছর অতিবাহিত হলেও এক্ষেত্রে দৃশ্যমান কোনও উন্নতি লক্ষ করা যায়নি। বেশিরভাগ কর্মক্ষেত্রে কর্মজীবী মায়েদের জন্য নেই ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় উল্লেখ কর্মক্ষেত্রে শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়াতে যেন একজন কর্মজীবী মা সমর্থ হন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বিমা-ব্যাংক, শপিং মল, কল-কারখানা, পেশাজীবী সংগঠন, ট্রেড ইউনিয়ন ও মানবাধিকার সংগঠনসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। কিন্তু নির্দেশনা অনুযায়ী, সরকারি হাসপাতালসহ অফিস, ব্যাংক-বিমা প্রতিষ্ঠান এবং শপিং মলে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপন করা হয়নি। ফলে একদিকে যেমন বিঘ্নিত হচ্ছে মাতৃদুগ্ধ পান কর্মসূচি, অন্যদিকে শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ ব্যাহত হচ্ছে। ফলে শিশু বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নানা সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
সৌদি থেকে ফিরেছেন আরও ১৭৩ বাংলাদেশি
২৭অক্টোবর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সৌদি আরব থেকে আরও ১৭৩ জন কর্মী দেশে ফেরত এসেছেন। সৌদি সরকারের ধরপাকড়ের অভিযানে শনিবার স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৩০ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইন্সের এসভি ৮০৪ বিমান যোগে তাদের ফেরত পাঠানো হয়। এ নিয়ে গত শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টা থেকে থেকে শনিবার রাত সোয়া ১১টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন ৩৭৩ জন কর্মী। বৈধ কাগজপত্র এবং আকামার মেয়াদ থাকা সত্ত্বেও সৌদি থেকে প্রতিদিনই এভাবে ফিরতে হচ্ছে প্রবাসী বাংলাদেশিদের। বরাবরের মতো দেশে ফেরা কর্মীদের ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের মাধ্যমে বিমানবন্দরে জরুরি খাবার-পানিসহ নিরাপদে বাড়ি পৌঁছানোর জন্য সহায়তা প্রদান করা হয়। এর আগে গত শুক্রবার একই অভিযানের মাধ্যমে সৌদি থেকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছিল অন্তত আরও ২০০ বাংলাদেশিকে। চলতি বছর ১৬ হাজারের বেশি বাংলাদেশিকে সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এবং চলতি মাসেই ওয়েজ আর্নাস কল্যাণ বোর্ডের সহযোগিতায় ৯৬৪ জন জনকে সহযোগিতা করলো ব্র্যাক। ব্র্যাক অভিবাসন কর্মসূচির প্রধান শরিফুল হাসান বলেন, ফেরত আসা কর্মীরা যেসব বর্ণনা দিচ্ছেন সেগুলো মর্মান্তিক। সাধারণ ফ্রি ভিসার নামে গিয়ে এক নিয়োগকর্তার বদলে আরেক জায়গায় কাজ করতে গিয়ে ধরা পড়লে অনেক লোক ফেরত আসতো। কিন্তু এবার অনেকেই বলছেন, তাদের আকামা থাকার পরেও ফেরত পাঠানো হচ্ছে। বিশেষ করে যাওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই অনেককে ফিরতে হচ্ছে যারা খরচের টাকার কিছুই তুলতে পারেননি। রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে এই দায় নিতে হবে। পাশাপাশি নতুন করে কেউ যেন সেখানে গিয়ে এমন বিপদে না পড়ে সেটা নিশ্চিত করতে হবে বলেও জানান শরিফুল হাসান।
নিজস্ব বাহিনী চায় এনবিআর
২৭অক্টোবর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চোরাচালান রোধ, রাজস্ব ফাঁকির ঘটনা উদঘাটন ও ক্ষতিকর পণ্য আমদানি রোধে প্রতিনিয়ত নানা প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি অভিযানে যেতে হয় রাজস্ব কর্মকর্তাদের। তাই শুধু ইউনিফর্ম নয়, রাজস্ব কর্মকর্তাদের সুরক্ষা এবং নির্বিঘ্নে অভিযান পরিচালনার জন্য নিজস্ব রেভিনিউ ফোর্স চায় এনবিআর। যার আওতায় প্রয়োজনে অস্ত্র ব্যবহার করতে পারবেন শুল্ক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। বর্তমানে নিজস্ব কোনো ফোর্স না থাকায় গুরুত্বপূর্ণ অভিযানে সহায়তার জন্য দ্বারস্থ হতে হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর। রাজস্ব ফাঁকি রোধে তল্লাশি বা সমুদ্র বন্দরগুলোতে চোরাচালান নিরোধমূলক গুরুত্বপূর্ণ অভিযানে এক সময় ছোটখাটো অস্ত্র বহন করতেন কাস্টম হাউসগুলোর প্রিভেন্টিভ অফিসাররা। দুই হাজার সাল পর্যন্ত এটা কার্যকর ছিল। এরপর প্রিভেন্টিভ অফিসারদের ক্ষমতা খর্ব হলে উঠে যায় এ প্রথা। বাণিজ্যের পরিসর বাড়ার সঙ্গে বেড়েছে অভিনব পন্থায় শুল্ক ফাঁকি, মাদকসহ বিভিন্ন নিষিদ্ধ পণ্য আমদানি ও অর্থ পাচারের ঘটনা। তাই শুল্ক ও ভ্যাট কর্মকর্তাদের প্রায়ই যেতে হয় অভিযানে। কিন্তু নিজস্ব কোনো ফোর্স বা অস্ত্র না থাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্বারস্থ হতে হয়, যা সময় ক্ষেপন করে। এ প্রসঙ্গে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো সহিদুল ইসলাম বলেন, আরেকটি বাহিনী থেকে ফোর্স আনতে গেলে প্রায় দু ঘন্টার মত সময় অপচয় হয়। তাই সীমিত আকারে হলেও আমাদের আর্মসের প্রয়োজন। বর্তমানে এনবিআরের বিভিন্ন স্থাপনায় নিরাপত্তা দেয়া ও কাস্টম হাউসগুলোর গুদাম পাহারার পাশাপাশি অভিযান পরিচালনায় সহায়তা করে আনসার সদস্যরা। তবে কর্ম পরিধি ও নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ায় রাজস্ব কর্মকর্তাদের সীমিত পরিসরে অস্ত্র দেয়ার বিষয়টি বিবেচনায় আছে বলে জানান এনবিআর চেয়ারম্যান। এনবিআর চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভুঁইয়া বলেন, কাস্টমস অফিসারদের ছোটখাটো অস্ত্র দেয়ার ব্যাপারে আমরা কাজ করছি। এছাড়া, শুল্ক ও ভ্যাট কর্মকর্তাদের জন্য ডিসেম্বরে জলপাই রঙের ইউনিফর্ম চালু করছে সংস্থাটি। সিপাহী, সাব ইন্সপেক্টর থেকে শুরু করে কমিশনার ও মহাপরিচালক পর্যন্ত সবাইকে পরতে হবে এই ইউনিফর্ম।

জাতীয় পাতার আরো খবর