রবিবার, নভেম্বর ১৮, ২০১৮
আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের ১৩ নভেম্বর নির্দেশনা দেবে ইসি
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে রিটার্নিং ও সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ১৩ নভেম্বর মঙ্গলবার নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউটে তাদেরকে নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। এ সময় নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়েও তাদের সঙ্গে আলোচনা করবে ইসি। ইসি সচিবালয়ের যুগ্ন সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি চিঠি আজ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিভাগীয় কমিশনার, ঢাকা ও বিভাগীয় কমিশনার, চট্টগ্রাম এবং সকল জেলা প্রশাসককে রিটার্নিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ হয়েছে। আগামী ১৩ নভেম্বর নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউট, ঢাকায় তাদের ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত ব্রিফিংয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারগণ এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব উপস্থিত থাকবেন। এদিকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের সঙ্গে নৌকা প্রতীকে ভোট করতে চায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) ও বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের (বিটিএফ)। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার কাছে চিঠি দিয়েছে এ দুটি দল। জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়,গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) ২০ এর ১ এর (এ) ধারায় অনুযায়ী ১৪ দলীয় জোটের শরীক দল হিসেবে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) ও ১৪ দলীয় জোট মনোনীত অভিন্ন প্রার্থীদের জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সংরক্ষিত নির্বাচনী প্রতীক নৌকা সংরক্ষিত রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে বাধিত করবেন। বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের (বিটিএফ) মহাসচিব সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরি স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের অন্যতম শরীক দল হিসেবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছি। এ ছাড়া ধানের শীষ ও ছাতা এই দুই প্রতীকে নির্বাচন করতে চেয়ে আজ ইসিতে চিঠি দিয়েছে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)। দলের প্রেসিডেন্ট ড. অলি আহমেদ স্বাক্ষরিত চিঠি সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম এ সংক্রান্ত চিঠি ইসিতে পৌছে দেন। আগামী ২৩ ডিসেম্বর রোববার সংসদ নির্বাচনের ভোট। এ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ১৯ নভেম্বর সোমবার। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের দিন ২২ নভেম্বর বৃহস্পতিবার। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৯ নভেম্বর বৃহস্পতিবার। আর প্রতীক বরাদ্দ ৩০ নভেম্বর শুক্রবার।
বেআইনি হবে না নির্বাচনী তফসিল পেছানো: এম সাখাওয়াত
অনলাইন ডেস্: সাবেক নির্বাচন কমিশনার এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, সিডিউল পেছানো সম্পূর্ণ ইলেকশন কমিশনের এখতিয়ার। সিডিউল পেছানো বেআইনি বা আউট অফ দ্য ল হবে না। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আমরা দুবার পিছিয়েছিলাম। আজ রোববার বিবিসিকে দেয়া সাক্ষাতকারে তিনি এসব কথা বলেন। সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ইলেকশন কমিশন ইচ্ছে করলে উদ্যোগটি নিতে পারে। এখন আগের মত অনেক দাবি-দাওয়ার কথা শুনছি না যে, সংসদ ভেঙে দিতে হবে ইত্যাদি। তারা এখন শুধু অনুরোধ করছে, সিডিউল পেছান। নির্বাচন কমিশন বলেছে যে,যারা জোট করবে তাদের যাবতীয় তথ্য রোববারের মধ্যেই ইলেকশন কমিশনে জমা দিতে হবে- রাজনৈতিক অনেক মতানৈক্যের ভেতর বিষয়টি তাড়াহুড়ো হয়ে যাচ্ছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, না, তাড়াহুড়ো না। আরপিওর ভেতরেই এটা আছে, তবে অনেকটা ফাঁকফোকরও আছে। যদি পার্টি রিকোয়েস্ট করে, এটা কোন হার্ড এন্ড ফাস্ট বিষয় না যে ইলেকশন কমিশন একসেপ্ট করতে পারে না। ইলেকশন কমিশন অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যতটুকু যেভাবে আগানো দরকার সব পারবে। রুলিং পার্টি আওয়ামী লীগও দুয়েক দিন বাড়ানোর অনুরোধ জানাতে পারে বলে শুনলাম। সাখাওয়াত হোসেন বলেন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এর বিষয়টি দুইভাবে দেখতে হবে। একটি হচ্ছে- প্রাক নির্বাচনী লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড, যা এক নির্বাচন থেকে পরবর্তী নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগ পর্যন্ত। অপরটি হচ্ছে, তফসিলের পরের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড। প্রাক নির্বাচনী যে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকার কথা সেই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড কিন্তু ছিল না। তো এখনও প্রভাবটা রয়ে গেছে বলে মনে হচ্ছে। যেমন পত্রপত্রিকায় দেখা যাচ্ছে, এখনও এরেস্ট হচ্ছে, গতকালও এরেস্ট হয়েছে। ঐ এফেক্টটি কিভাবে বিরোধীজোট কাটিয়ে উঠবে বা কিভাবে মোকাবেলা করবে তা ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। ইভিএম যেখানে বসানো থাকবে সেখানে সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকবে প্রসঙ্গে সাবেক নির্বাচন কমিশনার বলেন, এখন সেনা মোতায়েন বলতে আমরা কী বুঝছি? সেনাবাহিনী কি সেন্টারে মোতায়েন থাকবে? নাকি তারা ইভিএম কেন্দ্রগুলোর নির্বাচন পরিচালনা বা কনডাক্ট করবে? এটা আইনসিদ্ধ কি না তা ভালভাবে ইলেকশন কমিশনের দেখা উচিত যেহেতু অতীতে এরকম কোন ঘটনা নেই।
আ. লীগের আপত্তি নেই নির্বাচনের তারিখ পেছানো হলে: ওবায়দুল কাদের
অনলাইন ডেস্ক: বিএনপিসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচন পিছিয়ে দেয়ার দাবির বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচন পেছাবে কি পেছাবে না, সেই সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন পেছানোর এখতিয়ার সরকারের নেই। আজ রোববার ধানমণ্ডির আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। নির্বাচনে যে তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে, তা যৌক্তিক। আমরা স্বাগত জানিয়েছি। বিএনপি নির্বাচন পেছানোর দাবি বিষয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে নির্বাচন কমিশন। আমাদের আপত্তি নেই। তবে নির্বাচন কমিশন একটি দলের দাবির মুখে নির্বাচনের তারিখ পেছাতে পারে না বলেও মন্তব্য করে তিনি। ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনে বহু দল অংশ নেবে। বিএনপি কিংবা তাদের জোটের বাইরেও আমরা আছি, ১৪ দল আছে, বিরোধী দল আছে; তাদের মতামতও ইসিকে বিবেচনায় নিতে হবে। এ সময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদা। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ২৩ ডিসেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ তফসিলকে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দল স্বাগত জানালেও বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচন পিছিয়ে দেয়ার দাবি করেছে।
আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএমের নিরাপত্তায় থাকবে সেনাবাহিনী
অনলাইন ডেস্ক: আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যেসব কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা হবে, সেসব কেন্দ্রে এসব পরিচালনা করবে সেনাবাহিনী। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনের নিজ কার্যালয়ে শনিবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ। নির্বাচনে ইভিএমের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে ইসি সচিব বলেন, ইসির পক্ষ থেকে যেসব কেন্দ্র ইভিএম ব্যবহার করা হবে কেন্দ্রগুলো সেনাবাহিনীর দ্বারা পরিচালনা করার আলোচনা করেছি। এটি আমাদের পরিকল্পনায় রয়েছে। কমিশন সিদ্ধান্ত নিলে কেন্দ্রগুলো সেনাবাহিনী দ্বারা পরিচালনা করা হবে। জোটবদ্ধ নির্বাচন করতে তথ্য জানানোর বিষয়ে ইসি সচিব বলেন, আগামীকাল রোববারের মধ্যে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন অংশগ্রহণের তথ্য জানাতে হবে। অন্যথায় তাদের স্বতন্ত্র নির্বাচন করতে হবে। প্রসঙ্গত, ইসির ঘোষিত তফসিল অনুসারে, আগামী ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ২২ নভেম্বর পর্যন্ত। ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা যাবে। আর প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ৩০ নভেম্বর। আগামী ২৩ ডিসেম্বর নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
ভোটগ্রহণের তারিখ পেছানোর পরিকল্পনা ইসির নেই
অনলাইন ডেস্ক: ভোটগ্রহণের তারিখ পেছানোর কোনো পরিকল্পনা কমিশনের নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। একইসঙ্গে আইন অনুসারে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচনের তথ্য জানানোর সময় বাড়ানোও হবে না বলে জানান তিনি। শনিবার (১০ নভেম্বর) বিকেলে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হেলালুদ্দীন আহমদ এসব কথা জানান। জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচনের তথ্য দিতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সময় বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী আগামীকাল রোববারের মধ্যে দলগুলোকে জোটের তথ্য ইসিতে দিতে হবে। আইনে এটা পেছানোর সুযোগ নেই। এক্ষেত্রে জোটের তথ্য না দিলে নিজ দলের প্রতীকে নির্বাচন করতে হবে। আর সময় বাড়ানোর কোনো আবেদন এখনও আমরা পাইনি। তবে দলগুলো সময় বাড়ানোর আবেদন করলে নির্বাচন কমিশন চাইলে সময় বাড়াতে পারে। তাদের হাতে অগাধ ক্ষমতা রয়েছে। ভোটের তারিখ পেছানোর বিষয়ে বিএনপির দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন,নির্বাচন কমিশন একটি তফসিল দিয়েছে। এখন পর্যন্ত ভোটের তারিখ পেছানোর কোনো চিন্তা নেই। তবে সবগুলো দল চাইলে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে। হেলালুদ্দীন আহমদ জানান, আগামী মঙ্গলবার থেকে রিটার্নিং কর্মকর্তা (জেলা প্রশাসক) এবং তার তিন দিন পর সহাকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির বিষয়ে তিনি বলেন,আমরা প্রত্যেক রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বলে দিয়েছি, তারা এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। ইসি সচিব জানান, সাত দিনের মধ্যে সকল প্রচার সামগ্রী সরিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে। এ সময় পার হওয়ার পর আমরা ব্যবস্থা নেব। দলগুলোর মনোনয়নপত্র বিক্রি উপলক্ষ্যে বিশৃঙ্খলার বিষয়ে তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো একটি এরিয়ার মধ্যে মনোনয়ন ফরম বিক্রি করবে। এতে আচরণবিধি প্রতিপালন না হওয়ার কিছু দেখছি না। ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, যেসব সমাবেশ হয়েছে, তারা আগে থেকেই অনুমতি নিয়ে রেখেছিল। কিন্তু, নতুন করে তাদের আর কোনো সমাবেশ করার অনুমতি দেয়া হবে না। তিনি বলেন,ভোটতো এদেশে উৎসব। তবে আচরণবিধি যেন ভঙ্গ না হয়, সেজন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে নামানোর নির্দেশনা রয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বলেছি, তারা ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত করবেন এবং ব্যবস্থা নেবেন। দলগুলো যাতে আচরণবিধি মেনে চলেন এজন্য মনোনয়নপত্র কেনার সময় আমরা আচরণবিধি তুলে দেব।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে.র সঙ্গে স্পিকারের সৌজন্য সাক্ষাৎ
অনলাইন ডেস্ক: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে.র সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। উইমেন এমপিস অব দ্য ওয়াল্ড সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য লন্ডনে অবস্থানকালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিটে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়। স্পিকার উইমেন এমপিস অব দ্য ওর্য়াল্ড সম্মেলনের সফলতা কামনা করেন এবং নিমন্ত্রণের জন্য ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। থেরেসা মে এক টুইট বার্তায় লিখেছেন গত রাতে এখানে আসা নারীরা বিভিন্ন জাতি, সংস্কৃতি ও পটভূমির প্রতিনিধিত্ব করছেন। আমাদের জীবন যাপন আলাদা, বিশ্বাস আলাদা কিন্তু সবাই আমরা জনগণের জন্য কাজ করছি। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে.র অফিশিয়াল ট্ইুটার একাউন্ট থেকে সম্মেলনে আগতদের চারটি ছবি প্রকাশিত হয়। এতে প্রথম ছবিটিই প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে ও ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর। নারী এমপিদের ১০০ বছর উদযাপন উপলক্ষে এবারের সম্মেলনটি আয়োজন করে হাউজ অব কমন্স। এর আগে মঙ্গলবার লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। সম্মেলন শেষে আজ ১০ নভেম্বর তিনি দেশে ফিরবেন।
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে লেখা বইয়ের আলোচনা ঢাকা লিট ফেস্টে
অনলাইন ডেস্ক: ঢাকা লিট ফেস্টে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে লেখা কবিতার বই পীস অ্যান্ড হারমোনি নিয়ে এক মনোজ্ঞ অনুষ্ঠান হলো আজ। এতে ছিল বইটির ওপর আলোচনা, আবৃত্তি, বইয়ের কবিতা নিয়ে গান ও নৃত্য পরিবেশনা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘ জীবন কামনা করে জাতীয় অধ্যাপক অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বলেন, পীস অ্যান্ড হারমোনি বইটিতে দেশের ৭১ জন কবি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে যে সব কবিতা লিখেছেন তা বাংলা কাব্যসাহিত্যে অনন্য কীর্তি হয়ে থাকবে। কবিরা সবাইকে নিয়ে কবিতা লেখেন না। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বিপুলসংখ্যক কবিতা লেখা হয়েছে। এই বইতে কবিদের কবিতায় শেখ হাসিনার জীবন, কর্ম, রাজনীতি, দেশ পরিচালনায় তার মেধা ও দক্ষতার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। খবর বাসসর তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কর্মগুণে দেশ আজ অনেক দূর এগিয়েছে। আমি আমার স্নেহ ধন্য এই ছাত্রীর (শেখ হাসিনা) জন্য প্রাণ ভরে দোয়া করছি। তাঁর একশ তম জন্মদিনে তার ওপর একশত কবিতা নিয়ে একটি গ্রন্থ প্রকাশের জন্য আপনারা প্রস্তুতি নিন। তিনি বলেন, দেশের মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং সার্বিক দিক দিয়ে দেশকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়তে কঠোর পরিশ্রমের ফলে আজ বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনা একাকার হয়ে গেছেন। আজ বাংলা একাডেমিতে ঢাকা লিট ফেস্টের শেষ দিনে সকালের অধিবেশনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে আরও বক্তব্য রাখেন কবি কামাল চৌধুরী, মুক্তিযুদ্ধ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ড. আবুল আজাদ, পীস অ্যান্ড হারমোনি গ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদক আনিস মোহাম্মদ ও সম্পাদক প্রফেসর আহমেদ রেজা। একই সাথে ইংরেজি ও বাংলা ভাষায় সম্প্রতি বইটি প্রকাশিত হয়। কবি কামাল চৌধুরী বলেন, যখন কোন রাজনৈতিক নেতাকে নিয়ে কবিরা কবিতা লেখেন, তখন বুঝতে হবে-সেই নেতা তাঁর জীবন ও কর্মের মাধ্যমে জাতির এক ভাবমূর্তি ধারণ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে বিশ্বের মাঝে উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছেন। দেশকে উজ্জ্বল করেছেন। দেশবাসির আকাক্সক্ষাকে বাস্তবায়ন করছেন। এ কারণেই ৭১ জন কবির পংক্তিতে উঠে এসেছেন শেখ হাসিনা। ড. আবুল আজাদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘ জীবন কামনা করে বলেন, এই বইটি আরও অনেক ভাষায় অনূদিত হবে। বিশ্বের নানা ভাষায় প্রকাশ করে আমরা জানিয়ে দিতে চাই কবিরা তাদের কবিতায় প্রধানমন্ত্রীকে কতটা সাবলীলভাবে উপস্থাপন করেছেন। আলোচনার ফাঁকে ফাঁকে বইয়ের কবিতা থেকে পাঠ করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিয়ষক মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান, কবি ড. মুহম্মদ সামাদ, কবি তারিক সুজাত। কবিতা আবৃত্তিতে অংশ নেন আহকামউল্লাহ ও সংগীতা আহমেদ। পরে বইয়ের কবিতা নিয়ে গান পরিবেশন করেন ইলোরা আজমী। সবশেষে বইটিতে অধ্যপিকা পান্না কায়সারের লেখা কবিতার ওপর নৃত্য পরিবেশিত হয়।
আজ শহীদ নূর হোসেন দিবস
অনলাইন ডেস্ক: স্বৈরাচারবিরোধী গণ-আন্দোলনের অন্যতম প্রতীক শহীদ নূর হোসেন দিবস আজ। দিবসটি নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে স্মরণ করছে দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ বিভিন্ন দল ও সংগঠনের নেতাকর্মীরা। দিবসটি উপলক্ষে রাজধানীর জিরো পয়েন্ট শহীদ নূর হোসেন স্কয়ার-এ পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে তাকে শ্রদ্ধা জানানো হবে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অকুতোভয় যুবকের নাম নূর হোসেন। অগ্নিঝরা স্লোগান গণতন্ত্র মুক্তি পাক, স্বৈরাচার নিপাত যাক বুকে ও পিঠে লিখে নিয়ে ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বরে তৎকালীন স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে রাজপথে নামেন তিনি। সহ্য হয়নি স্বৈরশাসকের। রাজধানীর জিরো পয়েন্ট এলাকায় পুলিশের বুলেটের আঘাতে সেদিন শহীদ হন নূর হোসেন। তখন থেকে এই দিনটিকে নূর হোসেন দিবস হিসেবে দেশবাসী পালন করে আসছে। তার রক্তদানের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন তীব্রতর হয় এবং অব্যাহত লড়াই-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর তৎকালীন স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের পতন ঘটে। বর্তমানে এরশাদ আওয়ামী মহাজোটের হয়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এর আগে নবম ও দশম সংসদেও সরকারের শরীক ছিল এরশাদের জাতীয় পার্টি। আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ দূতের দায়িত্ব নিয়ে মন্ত্রীর পদমর্যাদা ভোগ করছেন এরশাদ।
আগামী ২১শে নভেম্বর পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী
অনলাইন ডেস্ক: আগামী ২১শে নভেম্বর সারাদেশে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত হবে। বাংলাদেশের আকাশে শুক্রবার ১৪৪০ হিজরি সনের পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে শনিবার থেকে পবিত্র রবিউল আউয়াল মাস গণনা শুরু হবে। শুক্রবার সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররমস্থ সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনিছুর রহমান। সভায় ১৪৪০ হিজরি সনের পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সকল জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন-এর প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়সমূহ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে পর্যালোচনা করে কমিটি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সভায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. খলিলুর রহমান, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মু. আ. হামিদ জমাদ্দার, তথ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত প্রধান তথ্য কর্মকর্তা ফজলে রাব্বী, ঢাকা জেলার এডিসি (সাধারন) মো. শহিদুজ্জামান, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সচিব কাজী নুরুল ইসলাম, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শাহ মো. মিজানুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর