জাতির কাছে ক্ষমা চাইলেন এ কে খন্দকার
১জুন,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১৯৭১ : ভেতরে বাইরে বইয়ে বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের শেষে জয় পাকিস্তান বলেছেন উল্লেখ করায় জাতির কাছে ক্ষমা চাইলেন সাবেক মন্ত্রী এ কে খন্দকার। শনিবার (১ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ক্ষমা প্রার্থনা করেন। এ কে খন্দকার বলেন, আমার বইয়ে জয় পাকিস্তান এই অংশটুকুর জন্য দেশপ্রেমিক অনেকেই কষ্ট পেয়েছেন। এই অংশটুকু আমার বইতে যেভাবেই আসুক না কেন এ অসত্য তথ্যের দায়ভার আমার এবং বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণে কখনোই জয় পাকিস্তান শব্দ দুটি বলেননি। তিনি বলেন, তাই আমি আমার বইয়ের ৩২ পৃষ্ঠায় উল্লেখিত বিশেষ অংশ সম্বলিত পুরো অনুচ্ছেদ প্রত্যাহার করে নিচ্ছি এবং একই সাথে জাতির কাছে ও বঙ্গবন্ধুর বিদেহী আত্মার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। এ কে খন্দকার আরও বলেন, আমার লেখা বই ১৯৭১ : ভেতরে বাইরে ২০১৪ সালের আগস্ট মাসে প্রথমা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়। এর আগে গত মাসে একটি টেলিভিশন চ্যানেলে এ বিষয়ে ক্ষমা চাইলেও এবার প্রথমবারের মতো সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জাতির কাছে ক্ষমা চাইলেন মুক্তিযুদ্ধের উপ-অধিনায়ক এবং সাবেক মন্ত্রী এ কে খন্দকার (বীর উত্তম)।
সড়কপথে এখনও কোথাও দুর্ভোগের চিত্র নেই: কাদের
১জুন,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সড়কপথে ঈদযাত্রা অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক হচ্ছে বলে উল্লেখ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, দেশে সড়কপথে এখনও কোথাও কোনো দুর্ভোগের চিত্র নেই, সড়কপথে ঈদ পর্যন্ত স্বস্তিকর যাত্রা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করছি। শনিবার (০১ জুন) বেলা ১১টায় রাজধানীর অন্যতম আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল মহাখালী বাস টার্মিনাল পরিদর্শনে এসে তিনি এ কথা বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি খন্দকার এনায়েত উল্লাহ। কাদের বলেন, সড়কে চাঁদাবাজির এখনও কোনও অভিযোগ পাওয়া যায়নি। চাঁদাবাজির প্রমাণ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। সড়কে নিরাপত্তা জোরদার করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, খালেদা জিয়ার মামলা দিয়েছে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকার। মামলার রায় দিয়েছেন আদালত। এ বিষয়ে সরকারের কিছু করার নেই। খালেদার মুক্তির ব্যাপারে বিএনপি চাইলে আদালতের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে পারে।
মিয়ানমার প্রতিশ্রুতি দিয়েও ব্যর্থ, ওআইসিকে প্রধানমন্ত্রী
১জুন,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নানা সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও মিয়ানমার থেকে জোর করে তাড়িয়ে দেওয়া ১১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা মুসলমানদের আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ। কিন্তু এই রোহিঙ্গাদের যথাযথ প্রত্যাবর্তন এখনও অনিশ্চিত। মিয়ানমার বারবার প্রতিশ্রুতি দিয়েও দেশের উত্তরাঞ্চলীয় রাখাইনে তাদের ফিরে যাওয়ার জন্য একটি সহায়ক পরিবেশ তৈরি করতে ব্যর্থ হচ্ছে। শনিবার ভোররাতে সৌদি আরবের মক্কার সাফা প্যালেসে ইসলামি দেশগুলোর জোট ওআইসির ১৪তম শীর্ষ সম্মেলনে এশিয়া গ্রুপের পক্ষ থেকে বক্তব্য দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন। তিনি বলেন, আবুধাবির কাউন্সিল অব ফরেন মিনিস্টার (সিএফএম) রোহিঙ্গাদের আইনগত অধিকার নিশ্চিত করার জন্য জবাবদিহিতা ও বিচার সম্পর্কিত প্রশ্নের সম্মুখীন করতে আন্তর্জাতিক আদালতে একটি পথ তৈরি করেছে। এই প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হওয়ার জন্য আমরা গাম্বিয়াকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। মিয়ানমারে সৃষ্ট গণহত্যা ও সহিংসতাকে ১৯৪৮ সালের জেনোসাইড কনভেনশনের আওতায় আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে বিচারের ব্যবস্থা গ্রহণে নেতৃত্ব দিচ্ছে তারা। এর আগে আমরা স্বেচ্ছাসেবক তহবিল ও কারিগরি সহায়তার মাধ্যমে মামলাটি চালিয়ে যাওয়ার জন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোতে আপিল করি। সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের প্রতি বাংলাদেশের জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি তা মোকাবেলায় ওআইসির সক্রিয়তা প্রত্যাশা করেন শেখ হাসিনা। রিয়াদ সম্মেলনে নিজের দেয়া চারটি প্রস্তাব মক্কা সম্মেলনেও তুলে ধরেন তিনি। সেগুলো হল- অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করা, সন্ত্রাসে অর্থায়ন বন্ধ করা, মুসলিম উম্মাহর মধ্যে ভেদাভেদ নিরসন, সংলাপের মাধ্যমে দ্বন্দ্ব-সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধান করা। শেখ হাসিনা বলেন, ইসলামের আবির্ভাব হয়েছিল অন্ধকার জগতের আলোকবর্তিকা হিসেবে। কিন্তু অপব্যাখ্যার কারণে সন্ত্রাসবাদ ও সংঘাতের ভাবধারা হিসেবে ইসলামকে ভুলভাবে তুলে ধরা হচ্ছে। শেখ হাসিনা শ্রীলঙ্কায় সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন,খ্রিস্টান চার্চ আক্রমণের দুঃখভোগী পরিবারের প্রতি আমরা সহানুভূতি ও সংহতি জানিয়েছি, যে হামলায় আমার আট বছর বয়সী নাতি শেখ জায়ানও নিহত হয়। ফিলিস্তিন, সিরিয়া ও বিশ্বের অন্যান্য জায়গায় সাহায্য-সহযোগিতাহীন মানুষ যেভাবে হত্যাকাণ্ডে শিকার হচ্ছে সেসব অসহায় মানুষের বেদনা ও যন্ত্রণার সঙ্গেও সংহতি প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। ওআইসি যে লক্ষ্য নিয়ে গঠিত হয়েছিল, তা পূরণ না হওয়ার কথাও সম্মেলনে তুলে আনেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন,আমাদের ফিলিস্তিনি ভাই ও বোনদের জমি ও সার্বভৌমত্বের অধিকার ফিরিয়ে আনতে, উম্মাহর মর্যাদা ও অধিকার রক্ষা এবং মুসলিম বিশ্বের জনগণের মধ্যে একাত্মতা ও সহযোগিতা জোরদার করা ওআইসির লক্ষ্য ছিলো। কিন্তু সাত দশক পরেও ফিলিস্তিনের সমস্যা এখনও বিদ্যমান এবং এ বিষয়ে মুসলিম উম্মাহ এখনও বিভক্ত। মুসলমানদের অমর্যাদা ও দুর্ভোগের অবসানের পথ নির্দেশনা তৈরি করতে সৌদি বাদশাহর প্রতি আহ্বান জানান তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমান বিশ্বে রয়েছে অর্থনীতি, বাস্তুতন্ত্র ও নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ। এসব মোকাবেলায় ওআইসিকে একটি বিস্তৃত কৌশল গড়ে তুলতে হবে, যার মধ্যে সদস্য রাষ্ট্রগুলো একে অন্যের জন্য কাজ করতে পারে। তিনি বলেন,পৃথিবীর কৌশলগত সম্পদের এক তৃতীয়াংশেরও বেশি এবং যুবশক্তির বেশিরভাগই রয়েছে আমাদের হাতে। আমাদের নিজেদের সমস্যা নিজেদেরেই সমাধান করার সমক্ষতা থাকা উচিত। দরিদ্রকে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ অসঙ্গতি মোকাবেলার জন্য যৌথ ইসলামী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ওআইসি-২০২৫ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে হবে। ওআইসির ইন্সটিটিউশনগুলোকে বিশেষ করে ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংকের নীতিমালা ও অনুশীলনগুলোকে ওআইসির এজেন্ডার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ার ওপরও জোর দেন তিনি। পণ্য বাজারজাত ও পরিষেবায় ধারণা ও উদ্ভাবন আজ ইসলামী বিশ্বের প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশনের (আওএম) উপ মহাপরিচালক পদে প্রার্থী বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হকের জন্য ইসলামী দেশগুলো নেতাদের সমর্থন চান। এর আগে ওআইসির চতুর্দশ সম্মেলনে যোগ দিতে শুক্রবার বিকালে জাপান থেকে সৌদি আরবে পৌঁছেন শেখ হাসিনা। সৌদি সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার ছোট বোন শেখ রেহানা ছাড়াও রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক, মূখ্য সচিব নজিবুর রহমান, পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদিন প্রমুখ। সম্মেলনে যোগ দেওয়ার পর শনিবার সন্ধ্যায় ওমরাহ পালন করবেন শেখ হাসিনা। এরপর রোববার মদিনায় হজরত মুহাম্মদ (স.) এর রওজা জিয়ারত করবেন তিনি। সৌদি আরব সফর শেষে মদিনা থেকে জেদ্দা ফিরে সোমবার ভোরে ফিনলান্ডের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে শেখ হাসিনার। ফিনল্যান্ড সফর শেষে ৮ জুন দেশ ফিরবেন তিনি। ফিউচার অব এশিয়া সম্মেলনে যোগ দিতে মঙ্গলবার ঢাকা থেকে টোকিও পৌঁছান শেখ হাসিনা।
আজ পবিত্র লাইলাতুল কদর
১জুন,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ শনিবার দিবাগত রাতে পালিত হবে পবিত্র লাইলাতুল কদর। সেই মহিমান্বিত রজনী- যা হাজার মাস থেকেও শ্রেষ্ঠ। আল্লাহতায়ালা এরশাদ করেন- নিশ্চয়ই আমি পবিত্র কোরআন লাইলাতুল কদরে অবতীর্ণ করেছি। আপনি কি জানেন লাইলাতুল কদর কী? লাইলাতুল কদর হচ্ছে হাজার মাসের চেয়ে উত্তম। এই রজনীতে ফেরেশতারা ও জিবরাইল (আ) তাদের প্রতিপালকের নির্দেশে প্রত্যেক বিষয় নিয়ে অবতীর্ণ হন। এটা শান্তিময় রজনী, যা ফজরের উদয় পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। (সূরা কদর)। হাদিস শরিফের বর্ণনা অনুযায়ী আজকের রাতটি পবিত্র লাইলাতুল কদর হওয়ার সম্ভাবনা অধিক। হজরত উবাই ইবনে কাব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর শপথ করে বলছি, আমি যতদূর জানি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের যে রজনীকে কদরের রাত হিসেবে কিয়ামুল লাইল করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন, তা হলো রমজানের ২৭তম রজনী। (সহিহ মুসলিম)। প্রায় মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা শেষে আজ রাতে বিশ্বের ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ পবিত্র লাইলাতুল কদর পালন করবেন। এ রাতের ফজিলত সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি ইমানের সঙ্গে সওয়াবের আশায় কদরের রাতে নামাজে দণ্ডায়মান থাকবে, তার পূর্ববর্তী সব গোনাহ মাফ করে দেওয়া হবে। (সহিহ বোখারি ও মুসলিম)। হজরত আবু হোরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল (স) এরশাদ করেন- যদি তোমরা কবরকে আলোকময় পেতে চাও, তা হলে লাইলাতুল কদরে জাগ্রত থেকে ইবাদত করো। (মিশকাত শরিফ)। হজরত ওমর (রা) থেকে বর্ণিত, রাসুল (স) এরশাদ করেন, রমজানের ২৭ তারিখের রাতের ভোর পর্যন্ত করা ইবাদত-বন্দেগি আমার কাছে সারা রমজানের অন্য সব রাতের ইবাদতের চেয়ে বেশি প্রিয়। (তিরমিজি)। কদরের রাতে অঝোরে দয়াময় রবের বিশেষ রহমত বর্ষিত হয়। এ রাতে এত অধিকসংখ্যক রহমতের ফেরেশতা পৃথিবীতে অবতরণ করেন যে, সকাল না হওয়া পর্যন্ত এক অভূতপূর্ব শান্তি বিরাজমান থাকে। রাসুল (স) এরশাদ করেন- শবেকদরের রাতে হজরত জিবরাইল (আ) ফেরেশতাদের বিরাট এক দল নিয়ে পৃথিবীতে অবতরণ করেন এবং যত নারী-পুরুষ নামাজরত অথবা তসবিহ-তাহলিল আদায়ে রত থাকেন, তাদের জন্য রহমতের দোয়া করেন। (মাজহারি)। লাইলাতুল কদরে পরবর্তী এক বছরের অবধারিত ভাগ্যলিপি ফেরেশতাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এতে প্রতিটি মানুষের রিজিক, বয়স, মৃত্যু ইত্যাদির উল্লেখ থাকে। এমনকি এ বছর কে হজ করবে, তা-ও লিখে দেওয়া হয়। (তাফসিরে মাআরেফুল কোরআন)। কদরের রাতে, বিশেষ করে নফল নামাজ, কোরআন তেলাওয়াত, তাসবিহ পাঠ, দরুদ শরিফ ও ইস্তেগফার আদায় করা চাই; তওবা করে আল্লাহতায়ালার দরবারে রোনাজারি করা চাই, যেন তার অপার রহমত নসিবে জোটে, যেন তার ক্ষমা লাভ হয়। হযরত আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, একদা আমি রাসুলকে (স) জিজ্ঞেস করলাম- হে আল্লাহর রাসুল, আমি যদি কদরের রাত সম্পর্কে অবহিত হতে পারি, তবে আমি কী করব? তখন রাসুল (স) আমাকে এই দোয়া পাঠ করার জন্য বললেন। আর তা হলো- আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউউন, তুহিব্বুল আফওয়া, ফা’ফু আন্নি। অর্থাৎ হে আল্লাহ! আপনি তো ক্ষমার আধার, আর ক্ষমা করাকে আপনি ভালোবাসেন। কাজেই আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন। (তিরমিজি)। লাইলাতুল কদর উপলক্ষে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ দেশের সব মসজিদে রাতব্যাপী ওয়াজ মাহফিল, বয়ান ও মোনাজাতের আয়োজন করা হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এবং বাংলাদেশ বেতার ও বেসরকারি রেডিওগুলো বিশেষ অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচার করবে। সংবাদপত্রগুলোতে প্রকাশ করা হবে বিশেষ নিবন্ধ।
হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেছেন ওসি মোয়াজ্জেম
২৯মে,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আইসিটি আইনের মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি ফেনীর সোনাগাজী থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোয়াজ্জেম হোসেন হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেছেন। বুধবার (২৯ মে) আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন তিনি। এর আগে সোনাগাজী থেকে ১০ এপ্রিল তাকে প্রত্যাহারের পর রংপুর রেঞ্জে বদলি করা হয়। এরপর ১৫ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন শিক্ষার্থী নুসরাতের অনুমতি ছাড়াই তার বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে ওসি মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করেন। আইনজীবী সুমন তার অভিযোগপত্রে জানান, নুসরাতের সঙ্গে একজন শিক্ষার্থী এবং মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাকে ওসি তার কার্যালয়ে নিয়ে আসেন এবং নুসরাতকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। ওসি মোয়াজ্জেম নুসরাতকে প্রশ্ন করার সময় অনুমতি ছাড়াই তার বক্তব্য ভিডিও রেকর্ড করেন এবং তা আইন বহির্ভূতভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ায় ভূমিকা রাখেন। ভিডিওতে দেখা যায় ওসি শিক্ষার্থী নুসরাতকে একের পর এক অপমানজনক ও আপত্তিকর প্রশ্ন করছেন। ৮ মে তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার পর গত সপ্তাহে তিনি রংপুর রেঞ্জ অফিসে যোগ দেন। মঙ্গলবার তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর তার খোঁজ নিতে রংপুর ডিআইজি অফিসে সংবাদমাধ্যম কর্মীরা খোঁজ নিতে গেলে কেউই বলতে পারেননি ওসি মোয়াজ্জেম কোথায় আছেন। এদিকে সোমবার এ মামলার তদন্তে থাকা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) জানায়, বরখাস্তকৃত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোয়াজ্জেম হোসেন মাদরাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির জিজ্ঞাসাবাদের ভিডিও রেকর্ড করেন এবং তা অন্য আরেকজনের মোবাইলে দিয়ে দেন। একটি জাতীয় দৈনিকে পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদার জানান, সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার সঙ্গে মোয়াজ্জেমের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া যায়নি। মোয়াজ্জেম যাকে সেই ভিডিওটি পাঠিয়েছিলেন, তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে থাকতে পারেন। অভিযোগকারী মোয়াজ্জেমকে গ্রেপ্তারের জন্যে আদালতে আবেদন করেন। গত ১০ এপ্রিল নুসরাতের পরিবার তাদেরকে সহযোগিতা না করার অভিযোগ আনলে ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়। দায়িত্বে অবহেলার জন্যে গত ৮ মে মোয়াজ্জেমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় এবং তাকে রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি কার্যালয়ে পাঠানো হয়। উল্লেখ্য, পরিকল্পিতভাবে নুসরাতের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে দিলে ১০ এপ্রিল ঢাকা মেডিকেল কলেজে তার মৃত্যু হয়।
নুসরাত হত্যার চার্জশিট দাখিল
২৯মে,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফেনীর মাদরাসাছাত্রী নুসরাতকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যার চার্জশিট আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) মাত্র ৪৮ দিনের তদন্তে নুসরাত খুনের এ অভিযোগপত্র প্রস্তুত করেছে। আজ বুধবার ফেনীর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসেনের আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন পিবিআইয়ের বিশেষ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা উঠে এসেছে পিবিআইর ৮২২ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্রে। এতে হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে বলা হয়েছে, নুসরাত মাদরাসার সবার স্বার্থে ঘা দিয়েছিল। অভিযোগপত্রে মোট ১৬ জনকে আসামি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তারা সবাই গ্রেপ্তার হয়ে জেলহাজতে রয়েছে। তাদের মধ্যে ১২ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদার বলেন, প্রথমে হত্যাকাণ্ডের কারণ হিসেবে অনেকেই বলেছেন, মাদরাসার আলেমদের অপমান ও প্রেমের ব্যর্থতা। কিন্তু আমরা সেটি পাইনি। আমরা পেয়েছি ওই মাদরাসার সকলের স্বার্থে এই মেয়েটি ঘা দিয়েছিল। ওই মাদরাসার নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক ক্ষমতা, ছাত্রীদের এখানে বিভিন্ন ধরনের নিপীড়ন করার ক্ষমতা ভয়াবহ। এই মেয়েটি এর প্রতিবাদ করে। যে কারণে তাকে তারা সবাই মিলে পরিকল্পনা করে হত্যা করে। বনজ কুমার আরো বলেন, সিরাজ-উদ-দৌলার ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দির পুরো ঘটনায় সবার সম্পৃক্ততা প্রমাণ করেছে। জবানবন্দিতে তিনি নুসরাতের গায়ে হাত দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি (অধ্যক্ষ) বলেছেন যে নুসরাতকে প্রথমে প্রেসার দিবা। না হলে খুন করবা। খুনের পদ্ধতিও বলে দিয়েছেন যে আগুন দিয়ে খুন করবা এবং আত্মহত্যা বলে চালাবা। সেদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে পিবিআই প্রধান বলেন, নুসরাত পরীক্ষা দিতে এলে পরিকল্পনা মতো উম্মে সুলতানা পপি নুসরাতকে তার বান্ধবীকে মারধরের কথা বলে। নুসরাত দৌড়ে ছাদে যায়। ছাদে যাওয়ার পর মামলা তুলতে চাপ দিয়ে তাকে একটা সাদা কাগজে স্বাক্ষর করতে বলা হয়। সেখানে পাঁচজন বোরকা পরে অংশ নেয়। তাদের দুজন মেয়ে উম্মে সুলতানা ওরফে পপি ও কামরুন নাহার মনি। কিন্তু নুসরাত রাজি না হওয়ায় শামীম তার মুখ চেপে ধরে এবং পপিকে বলে নুসরাতের বোরকার ভেতর থেকে তার ওড়না বের করে নিতে। পপি ওড়না বের করে নিয়ে জোবায়েরকে দেয়। জোবায়ের ওড়নার এক অংশ দিয়ে নুসরাতের পা বাঁধে এবং পপি পেছনে হাত বাঁধে। এরপর তিনজন মিলে নুসরাতকে শুইয়ে ফেলে। শামীম মুখ চেপে ধরে। পপি ও জুবায়ের পা চেপে ধরে ওড়না দিয়ে গিঁট দেয়। আগে থেকে ছাদে কালো পলিথিনে রাখা ছিল কেরোসিন ও কাচের গ্লাস। সেই গ্লাসে কেরোসিন নিয়ে নুসরাতের গায়ে ঢেলে দেয় জাবেদ হোসেন ওরফে সাখাওয়াত হোসেন। পরে শামীমের ইঙ্গিতে জোবায়ের দিয়াশলাই দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। তিনি আরো বলেন, হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেওয়াদের মধ্যে দুজন মেয়ে সামনের দিকে থেকে বের হয়ে আস্তে আস্তে পরীক্ষার হলে ঢোকে। আরেকজন পরীক্ষার্থী ছিল জাবেদ। সেও পরীক্ষার হলে যায়। সে পরীক্ষার হলে যাওয়ার আগে বোরকা দিয়ে যায় শামীমকে। শামীম মূল গেট দিয়ে না গিয়ে পেছনে দিক হয়ে বের হয়ে যায়। জোবায়ের অত্যন্ত সাহসী। সে বোরকা পরে ঘুরে মূল গেটে আসে। সেখান দিয়ে একজন মেয়ে হিসেবে সে বের হয়ে পাশেই কৃষি ব্যাংকের সিঁড়িতে উঠে বোরকা ও হাতমোজা খুলে ফেলে।
২০২১ সালের ১৬ ডিসেম্বর চালু হবে মেট্রোরেল: সেতুমন্ত্রী
২৯মে,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছর ২০২১ সালের ১৬ ডিসেম্বর মেট্রোরেল চালু হবে। আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মেট্রোরেল নির্মাণের অগ্রগতি বিষয়ক সভা শেষ এ কথা বলেন তিনি। ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘চলমান মেট্রোরেল রুট ৬- এর কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। ২০১৯ সালের মধ্যে আগারগাঁও পর্যন্ত এবং ২০২০ সালের মধ্যে মতিঝিল পর্যন্ত অংশের পূর্ত কাজ শেষ হবে। আমরা আশা করছি, ২০২১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করবে মেট্রো রুট।
ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে ট্রেনের ফিরতি টিকিট বিক্রি শুরু
২৯মে,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে ট্রেনের ফিরতি টিকিট বিক্রির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বুধবার (২৯ মে) সকাল ৯টা থেকে ৭ জুনের ফিরতি টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। এর আগে ঘরমুখো মানুষের জন্য ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির কার্যক্রম চলে গত ২২ মে থেকে ২৬ মে পর্যন্ত। পূর্ব নির্ধারিত সময় অনুযায়ী অগ্রিম টিকিট বিক্রি শেষে আজ থেকে শুরু হয়েছে ফিরতি টিকিট বিক্রি। পূর্ব নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী- ২৯ মে মিলবে ৭ জুনের টিকিট, ৩০ মে মিলবে ৮ জুনের, ৩১ মে মিলবে ৯ জুনের, ১ জুন মিলবে ১০ জুনের এবং ২ জুন টিকিট মিলবে ১১ জুনের। রেল মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, একজন যাত্রী একসঙ্গে সর্বোচ্চ ৪টি টিকিট কিনতে পারবেন। এ জন্য অবশ্যই জাতীয় পরিচয়পত্র লাগবে। এছাড়া প্রতিদিন ৭০ থেকে ৭২ হাজার টিকিট বিক্রি করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে। সেই হিসেবে ঈদের ৫ দিনে ৩ লাখ ৫০ হাজার যাত্রীকে সেবা দেবে রেলওয়ে। ৯৬টি আন্তঃনগর ট্রেনের পাশাপাশি ৮ জোড়া বিশেষ ট্রেনও নামবে। এছাড়া জানা যায়, যাত্রীরা ৫০ শতাংশ টিকিট অনলাইনে অ্যাপের মাধ্যমে কিনতে পারবেন। স্টেশন কাউন্টার থেকে ৫০ শতাংশ টিকিট অগ্রিম কিনতে পারবেন। অনলাইনে ৫০ শতাংশ টিকিট বিক্রি না হলে অবিক্রিত টিকিট কাউন্টার থেকে দেয়া হবে। রেল সূত্রে আরও জানা গেছে, ঈদের ১০ দিন আগে এবং পরের ১০ দিন ট্রেনে ভিআইপিদের জন্য সেলুন সংযোজন করা হবে না। আগামী ৩ ও ৪ জুন ঢাকা-কলকাতা-ঢাকা মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল করবে না। রেলে প্রতিদিন গড়ে আড়াই লাখ মানুষ চলাচল করলেও ঈদের সময় তা প্রায় তিন লাখ হয়ে যায়। ঈদুল ফিতরের পাঁচদিন আগে ৩১ মে থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত সব আন্তঃনগর ট্রেন সাপ্তাহিক বন্ধের দিনও চলাচল করবে। ছুটি প্রত্যাহারের কারণে পূর্ব ও পশ্চিম মিলে প্রায় ৪৮টি ট্রেন বিশেষ ট্রিপ হিসেবে পরিচালিত হবে। যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচলের সুবিধার্থে ঈদের তিনদিন আগে থেকে কন্টেইনার ও জ্বালানি তেলবাহী ট্রেন ছাড়া কোনো পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল করবে না। এর আগে গত বুধবার (১৫ মে) রাজধানীর রেলভবনে আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রস্তুতির বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে রেলমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন জানান, রেলের অগ্রিম টিকিট বিক্রি আগামী ২২ মে থেকে শুরু হয়ে চলবে ২৬ মে পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত টিকিট বিক্রি করা হবে। তিনি বলেন, ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন রুটে আট জোড়া স্পেশাল ট্রেন চলবে। ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ-ঢাকা রুটে এক জোড়া, চট্টগ্রাম-চাঁদপুর-চট্টগ্রাম রুটে দুই জোড়া, মৈত্রী রেক দিয়ে স্পেশাল হিসেবে চলবে খুলনা-ঢাকা-খুলনা রুটে। এছাড়া ঢাকা-ঈশ্বরদী-ঢাকা রুট একটি, লালমনিরহাট-ঢাকা-লালমনিরহাট রুটে একটি, শোলাকিয়া স্পেশাল-১ ভৈরববাজার-কিশোরগঞ্জ-ভৈরববাজার রুটে ঈদের দিন, শোলাকিয়া স্পেশাল-২ ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ-ময়মনসিংহ রুটে ঈদের দিন স্পেশাল ট্রেন হিসেবে চলবে। ঈদের অগ্রিম টিকিট কবে কোনদিনেরটা মিলবে এই সম্পর্কেই জানান রেলমন্ত্রী। তিনি জানান, আগামী ২২ মে দেয়া হবে ৩১ মে’র টিকিট, ২৩ মে দেয়া হবে ১ জুনের, ২৪ মে দেয়া হবে ২ জুনের, ২৫ মে দেয়া হবে ৩ জুনের এবং ২৬ মে দেয়া হবে ৪ জুনের টিকিট। এছাড়া রেলের ফিরতি টিকিট বিক্রি ২৯ মে শুরু হয়ে ২ জুন পর্যন্ত চলবে বলেও জানান রেলমন্ত্রী। তিনি বলেন, ২৯ মে দেওয়া হবে ৭ জুনের, ৩০ মে দেওয়া হবে ৮ জুনের, ৩১ মে দেওয়া হবে ৯ জুনের, ১ জুন দেওয়া হবে ১০ জুনের এবং ২ জুন দেওয়া হবে ১১ জুনের টিকিট। মন্ত্রী আরও জানান, অ্যাপসের মাধ্যমে ট্রেনের ৫০ শতাংশ টিকিট বিক্রি করা হবে। তবে স্পেশাল ট্রেনের কোন সীট মোবাইল অ্যাপে পাওয়া যাবে না। তিনি বলেন, ঈদের পাঁচদিন আগে ৩১ মে থেকে রেলওয়েতে ট্রেনের কোনো ডে-অফ থাকবে না। ফলে ৪৮টি বিশেষ ট্রিপ পরিচালিত হবে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী বলেন, আগামী ২৫ মে ঢাকা-পঞ্চগড় রুটে পঞ্চগড় এক্সপ্রেস চালু করা হবে। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ট্রেনটির উদ্বোধন করবেন। এছাড়া টিকিট কালোবাজারী প্রতিরোধে জেলা প্রশাসকদের সহায়তায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী। তিনি বলেন, ঢাকা, ঢাকা বিমানবন্দর, জয়দেবপুর, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, সিলেট, রাজশাহী, খূলনাসহ সকল বড় বড় স্টেশনে জিআরপি, আরএনবি, বিজিবি ও স্থানীয় পুলিশ এবং Rab এর সহযোগিতায় টিকেট কালোবাজারী প্রতিরোধে সার্বক্ষণিক প্রহরার ব্যবস্থা থাকবে। তিনি বলেন, টিকিট কালোবাজারি রুখতে ন্যাশনাল আইডি কার্ড দেখিয়ে একজন সর্বোচ্চ চারটি টিকিট কিনতে পারবেন। ঈদের আগে ও পরে মালবাহী ট্রেন বন্ধ থাকবে।
ক্ষুধা-দারিদ্র্য থেকে মুক্তির পথে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী
২৯মে,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাপানি ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ক্ষুধা-দারিদ্র্য থেকে মুক্তির পথে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। আজ বুধবার সকালে জাপানের টোকিওতে দু দেশের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন। বাংলাদেশকে আগামী দিনের উদীয়মান অর্থনীতির দেশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ক্ষুধা-দারিদ্র্য থেকে মুক্তির পথে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। এশিয়ার মধ্যে জাপানকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি আয়ের উৎস হিসেবেও উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, দেশে যে ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল করা হয়েছে তার মধ্যে থেকে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারেরটি জাপানি বিনিয়োগকারীদের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে। জাপান-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্পর্ক কীভাবে আরও দৃঢ় করা যায় সে ব্যাপারে ব্যবসায়ী নেতাদের পরামর্শও চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা বলেন, চলতি বছর বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার যে অবস্থানে আছে, তাতে আশা করা যায় শিগগিরই এটি দুই অংকের ঘরে পৌঁছবে। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার ১২ দিনের সরকারি সফরে জাপান, সৌদি আরব ও ফিনল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে শুরুতেই জাপান সফর করছেন প্রধানমন্ত্রী।

জাতীয় পাতার আরো খবর