শুক্রবার বসছে পদ্মা সেতুর ১৩তম স্প্যান
২৩মে,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: কয়েকদফা পিছিয়ে অবশেষে পদ্মা সেতুতে বসতে যাচ্ছে ১৩তম স্প্যান। ১৪ ও ১৫ নম্বর পিলারের ওপর এ স্প্যানটি বসানো হবে। আর এই স্প্যান বসানোর মাধ্যমে দৃশ্যমান হতে যাবে ১৯৫০ মিটার বা প্রায় দুই কিলোমিটার সেতু। গত ১৬ মে এই স্প্যানটি বসানোর কথা ছিল। কিন্তু কয়েকদফা তা পিছিয়ে যায়। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন,নদীর মাওয়া প্রান্তে আগে বসানো দশম স্প্যানের পাশে ১৩তম স্প্যানটি বসানো হবে। আর দুইটি স্প্যান পাশাপাশি বসাতে হলে যে লিফটিং ক্রেন ব্যবহার করা হয়, সেটিতে যান্ত্রিক জটিলতা দেখা দেয়ায় স্প্যান বসাতে দেরি হয়। এর আগে গত ৬ মে মাওয়া ও জাজিরা প্রান্তের মাঝামাঝি স্থানে ২০ ও ২১ নম্বর খুঁটির ওপর বসানো হয়েছে ১২তম স্প্যান। সেতু প্রকল্পের সহকারী প্রকৌশলী হুমায়ুন কবীর জানান, ৪২টি খুঁটির ওপর ৪১টি স্প্যান বসানো হবে। এরপরই মাথা তুলবে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের স্বপ্নের পদ্মা সেতু। চলতি মাসের শেষদিকে জাজিরা প্রান্তে আরও একটি স্প্যান (১৪তম) বসানোর কথা রয়েছে।
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানকে হাইকোর্টে তলব
২৩মে,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ৫২টি মানহীন পণ্যের একটিও বাজার থেকে না সরানোয় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানকে হাইকোর্টে তলব করা হয়েছে। নিম্নমানের পণ্য বাজার থেকে অপসারণে জারি করা রুল শুনানির প্রথমদিনে এই আদেশ দেন হাইকোর্ট। বৃস্পতিবার (২৩ মে) বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ আগামী ১৬ জুন তাকে আদালতে হাজির হয়ে আদেশ বাস্তবায়ন না করার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলেছেন। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হবে না তাও জানতে চেয়েছেন আদালত। শুনানিতে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের আইনজীবী প্রতিষ্ঠানটির জনবল সংকটের কথা বললে আদালত বলেন, আপনাদের জনবল কত? তিনি জানান, ১৭ জন। তখন আদালত বলেন, ১৭ জন মিলেও একটা মসলার প্যাকেটও অপসারণ করতে পারলেন না। আপনারা কি ভয় পান? বড় বড় ব্যবসায়ীদের ভয় পাচ্ছেন? ভয় পেলে ওই চেয়ারে বসার দরকার কি। বাসায় গিয়ে রান্নার কাজ করেন, আর তা না হলে ব্যাংকে গিয়ে কেরানীর কাজ করেন। বসে বসে টাকা গুনবেন। আদালতের আদেশের বিষয়ে সাংবাদিকরা অক্ষরে অক্ষরে লিখেছেন, তারপরও বলবেন আদেশ পাননি। আপনারা কি বাংলা ইংরেজি পড়তে পারেন না। এর আগে, বিএসটিআইয়ে পরীক্ষায় নিম্নমান প্রমাণিত হওয়া ওই ৫২ পণ্য জব্দ ও বাজার থেকে তুলে নিয়ে ধ্বংস করতে গত ১২ মে নির্দেশ দেন আদালত। সেইসঙ্গে এসব পণ্য উৎপাদন বন্ধেরও নির্দেশ দেওয়া হয়। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরকে আদালতের এই নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়।
মধুমতি পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু
২৩মে,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাগেরহাটের মোল্লাহাটে নবনির্মিত মধুমতি ১০০ মেগাওয়াট হেভি ফুয়েল অয়েল পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে এপ্রিলে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন প্রকল্প পরিচালক। তবে স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পর জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন জনপ্রতিনিধিরা। ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেডের আওতায় ২০১৮ সালের ২৮ জানুয়ারি বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলার মধুমতি নদী সংলগ্ন এলাকায় মধুমতি ১০০ মেগাওয়াট হেবি ফুয়েল অয়েল পাওয়ার প্ল্যান্টের জন্য জমি বরাদ্দ দেয় জেলা প্রশাসন। ভূমি উন্নয়ন শেষে একই বছরের ১০ মে চীনা ঠিকাদার কোম্পানি 'সিএনসি' এ প্রকল্পের কাজ শুরু করে। এরই মধ্যে জাতীয় গ্রিডে সঞ্চালনের জন্য গোপালগঞ্জ গ্রিডের সাব-স্টেশন পর্যন্ত ১৬ কিলোমিটার ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হয়েছে। ১০০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে অতিরিক্ত আরো ৮ মেগাওয়াট জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করারও প্রক্রিয়া চলছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করতে পেরে সন্তুষ্ট সংশ্লিষ্টরা। উপবিভাগীয় প্রকৌশলীরা জানান, এই প্রকল্পটির কাজ অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে শেষ করা হয়েছে। সেই সাথে শুরু থেকে পুরোপুরি লোডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে আসছি। তবে স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পর জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিনুল আলম ছানা। তিনি বলেন, বাগেরহাটে সাধারণ মানুষের বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করার পর জাতীয় গ্রিডে সেটি দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন মধুমতি ১০০ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্টের প্রকল্প পরিচালক মো. তানবীর রহমান। তিনি বলেন, আমরা এই প্রকল্প থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করেছি। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ক্যাপাসিটি ১০৫ মেগাহার্টস হলেও আমরা ১০৮ মেগাহার্টস বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পেরেছি জাতীয় গ্রিডে। মোল্লাহাট উপজেলার প্রায় ১৬ একর জমির উপর নির্মিত হয়েছে 'মধুমতি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি'। যার নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা।
আজ আসছে ১০০০ টাকার নতুন নোট
২৩মে,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: নতুন নিরাপত্তা সুতাযুক্ত ১০০০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোট প্রচলন শুরু হচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার। বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস এবং পরে অন্যান্য অফিস থেকে এই নোট ইস্যু করা হবে। উচ্চ মূল্যমানের ব্যাংক নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য অধিকতর সুদৃঢ় করা এবং নোট জালকরণ প্রতিরোধ করার লক্ষ্যে নতুন নিরাপত্তা সুতা (ক্রোকোডাইল পেটার্ণ রোলিং স্টার থ্রেড) সংযোজনপূর্বক বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি সম্বলিত বিদ্যমান ডিজাইন এবং গভর্নর ফজলে কবির এর স্বাক্ষরিত ১৬০ মিমি*৭০ মিমি পরিমাপের ১০০০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোট মুদ্রণ করা হয়েছে। এই নোটের নতুন নিরাপত্তা সুতাটি ইতিপূর্বে প্রচলনে থাকা নোটের নিরাপত্তা সুতা অপেক্ষা উন্নততর এবং এর কারিগরি প্রযুক্তিও নতুন; যা জাল প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। নতুন প্রচলিত এ নোটটিতে বিদ্যমান ১০০০ টাকা মূল্যমান ব্যাংক নোটের রং এবং ডিজাইন অপরিবর্তিত রেখে শুধু নোটের সম্মুখভাগের বামপাশের নিরাপত্তা সুতাটি পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন এ নিরাপত্তা সুতাটি ৪ মিমি প্রশস্ত এবং নোটে নিরাপত্তা সুতার ৪টি অংশ(উইন্ডো) দৃশ্যমান থাকবে। নোটটি বিভিন্ন দিকে ঘুরালে বা কাত করলে সুতার রং সোনালী থেকে হালকা সবুজ এবং গাঢ় সবুজ দৃশ্যমান হবে। অর্থাৎ আলোর অবস্থান ও কৌণিক ভিন্নতার কারণে সুতাটির রং পরিবর্তিত হবে এবং ক্রোকোডাইল পেটার্নগুলো কেন্দ্রীভূত ও বিকেন্দ্রীভূত হতে থাকবে। এছাড়া নিরাপত্তা সুতার উপর বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম সোনালী রং-এ খচিত রয়েছে ও বাংলায় সাদা রং-এ ১০০০ টাকা লিখা রয়েছে যা কিছু ক্ষেত্রে নিরাপত্তা সুতার দৃশ্যমান অংশে সম্পূর্ণ ও আংশিক এবং কিছু ক্ষেত্রে নিরাপত্তা সুতার ভিতরে অবস্থান করবে। নতুন নিরাপত্তা সুতাটি নখের আঁচড়ে বা মুচড়িয়ে সহজে উঠানো সম্ভব হবে না। নোটের রং, ডিজাইন ও অন্যান্য সকল নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য (জলছাপ, ওভিআই কালিতে লেখা ১০০০, দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য ৫টি বিন্দু, মাইক্রোপ্রিন্ট, খসখসে লেখা, লুকানো ছাপা, নোটের পিছনের দিকে ইরিডিসেন্ট স্ট্রাইপ ইত্যাদি) অপরিবর্তিত থাকবে। প্রচলনে দেয়া নতুন এই নোটের পাশাপাশি বর্তমানে প্রচলনে থাকা ১০০০ টাকা মূল্যমানের অন্যান্য নোট (শহীদ মিনার ও কার্জন হলের ছবি সম্বলিত হালকা লাল রংয়ের নোট এবং বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি সম্বলিত হালকা বেগুনি রংয়ের নোট) বৈধ ব্যাংক নোট হিসেবে চালু থাকবে।
সিলিন্ডারের আগুনে একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু
২৩মে,বৃহস্পতিবার,নিউজ একাত্তর ডট কম: গাজীপুরে গ্যাস সিলিন্ডারের আগুনে একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর ইসলামপুর শরীফ মার্কেট সংলগ্ন ইকবাল মাহমুদের ভাড়া বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন স্থানীয় রেনেসা অ্যাপারেলস পোশাক কারখানার কোয়ালিটি ইন্সপেক্টর শাহ আলম (৩৮), তার স্ত্রী একই কারখানার সুইং অপারেটর মনিরা বেগম (৩০), তাদের ছেলে বায়েজিদ (৮) ও মেয়ে ফাতেমা (৪)। শাহ আলমের বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল থানায়। তার পিতার নাম রহিম মৃধা। গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের বাসন থানার ওসি একেএম কাউসার চৌধুরী জানান, স্বামী স্ত্রী কারখানায় কাজ করেন। রাতে বাড়ি ফিরে ঘরের ভিতর এলপি গ্যাসের চুলায় রান্না করছিল স্ত্রী মনিরা বেগম। এক পর্যায়ে গ্যাসের চুলার পাইপ লিকেজ হয়ে আগুন ধরে যায়। পরে আগুন দ্রুত ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ঘরে থাকা চারজন অগ্নিদগ্ধ ও শ্বাসরোধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। খবর পেয়ে গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভায়। গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ সহকারী পরিচালক আক্তারুজ্জামান জানান, আগুনে একই পরিবারের চারজন দগ্ধ ও ধোয়ায় শ্বাসরোধ হয়ে মারা যায়। অগ্নিকাণ্ডের ফলে ঘরের সব মালামাল পুড়ে গেছে।
বনানীর এফআর টাওয়ার নির্মাণে ত্রুটি, দোষী ৬৭ জন
২২মে,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বনানীর এফ আর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। বুধবার সচিবালয়ে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। তদন্ত প্রতিবেদনে এফআর টাওয়ারের নকশা অনুমোদন এবং নির্মাণ কাজের ত্রুটির জন্য গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) কর্মকর্তা-কর্মচারী, সংশ্লিষ্ট আবাসন প্রতিষ্ঠানসহ অন্তত ৬৭ জনকে দায়ী করেছে সরকার। দায়ী ব্যক্তিদের তালিকায় রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন খাদেমও রয়েছেন। এ সময় মন্ত্রী বলেন, এফআর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের পর গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ইয়াকুব আলী পাটওয়ারীর নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। রাজউকও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত কমিটি আন্তরিকতা ও নিষ্ঠা নিয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে তদন্ত করে রিপোর্ট দিয়েছে। আমাদের রেওয়াজ আছে তদন্ত প্রতিবেদন আলোর মুখ দেখে না। আমি অঙ্গীকার করেছিলাম সেই সনাতনী ধারণার বাইরে বেরিয়ে আসব। তিনি বলেন, আমাদের টার্গেট ছিল এই ভবনটি নির্মাণ পদ্ধতির মধ্যে কোনো অনিয়ম বা ব্যত্যয় ছিল কি-না। হয়ে থাকলে তা কোন ধরনের। এফ আর টাওয়ারের ১৫তলা পর্যন্ত অনুমোদন নেওয়া হয়। এই অনুমোদন যথাযথ ছিল। রেজাউল করিম বলেন, এরপর ১৮তলা পর্যন্ত নির্মাণ প্রক্রিয়া যথাযথ ছিল, কিন্তু যে উপায়ে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে সেটা সঙ্গত ছিল না। অনুমোদন দেওয়ার সময় যে আইন ছিল সেই আইনের আওতায় অনুমোদন দেওয়া হয়নি, অনুমোদন দেওয়া হয় আগের আইনে। এফআর টাওয়ারের ১৮তলা থেকে ২৩তলা পর্যন্ত সম্পূর্ণ অবৈধ বলেও উল্লেখ করেছে তদন্ত কমিটি। প্রসঙ্গত, ২৮ মার্চ দুপুরে বনানীর এফআর টাওয়ারের ৮তলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। দীর্ঘ ৬ ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস। এ ঘটনায় ২৬ জনের মৃত্যু হয়।
আদালতের ক্ষমা পাননি পটুয়াখালীর সিভিল সার্জন মোজাহিদুল ইসলাম
২২মে,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১৩ বছর বয়সী সীমা পটুয়াখালীর একটি মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত বছর ২৪ অক্টোবর সীমাকে গণধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ডা. রেজাউর রহমান প্রতিবেদনে লিখেন, গলায় দাগ রয়েছে, শ্বাসরোধে মেয়েটির মৃত্যু হয়েছে। তবে এটা দুর্ঘটনাজনিত কারণে হতে পারে। ওই প্রতিবেদনের সঙ্গে একমত পোষণ করেন পটুয়াখালীর সিভিল সার্জন ডা. শাহ মো. মোজাহিদুল ইসলাম। হাইকোর্টের তলবে আজ বুধবার আদালতে হাজির হন সিভিল সার্জন ডা. শাহ মো. মোজাহিদুল ইসলাম। আদালতে হাজির হয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা চান তিনি। তবে আদালত তাঁকে ক্ষমা করেননি। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে বিপরীতধর্মী তথ্য দেওয়ায় সিভিল সার্জন ডা. শাহ মো. মোজাহিদুল ইসলাম ও মেডিক্যাল অফিসার রেজাউর রহমানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে নির্দেশ দেন আদালত। আজ বুধবার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বেঞ্চ ওই আদেশ দেন। শুনানির সময় রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইউসুফ মাহমুদ মোর্শেদ। আদালত সিভিল সার্জনকে বলেন, এভাবে যদি ময়নাতদন্ত রিপোর্ট দেন তাহলে জাতির কাছে কী বার্তা যায়? এভাবে রিপোর্ট দেওয়ার কারণে একটা মামলার বিচার প্রভাবিত হয়, এমনকি রায় ভিন্ন হয়। যেখানে বাদী ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়।পরে আদালত ক্ষমার আবেদন নাকচ করে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। জানা যায়, সীমা পটুয়াখালী রাঙ্গাবালী হামিদিয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত বছরের ২৪ অক্টোবর সীমাকে গণধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। ঘটনার তিন মাস পর গত ৩ জানুয়ারি পটুয়াখালীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি নালিশি অভিযোগ করা হয়। সীমার মা তাসলিমা বেগম বাদী হয়ে আটজনের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেন। প্রথমে থানায় মামলা করতে গেলে থানা পুলিশ মামলা গ্রহণ করেনি। এ মামলার আসামি দানেশ চৌকিদার হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। ওই জামিন আবেদনে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে আসামি পক্ষ। সেখানে ময়না তদন্তকারী চিকিৎসক ডা. রেজাউর রহমান প্রতিবেদনে ওইসব তথ্য লেখেন। ওই প্রতিবেদনের সঙ্গে একমত পোষণ করেন সিভিল সার্জন। আদালত বলেন, যেখানে মেয়েটির মা ধর্ষণের পর হত্যা করার অভিযোগে মামলা করেছেন, সেখানে চিকিৎসক ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে কীভাবে অসঙ্গতিপূর্ণ মন্তব্য করেন?
ধানক্ষেতে আগুন দেওয়ার ঘটনাটি তদন্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
২২মে,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ধানের সঠিক মূল্য না পেয়ে ক্ষোভ থেকে ধানি জমিতে আগুন দেওয়ার ঘটনাটি সরকারের সুনাম ক্ষুণ্ণের চেষ্টা কি না, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে তা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার (২২ মে) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ কথা জানান। এর আগে তিনি বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলী দাসের সঙ্গে বৈঠক করেন। ধানের কম দামের প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন স্থানে কৃষকরা ধানক্ষেতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিলেন। এ বিষয়ে সেতুমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন উপস্থিত সাংবাদিকরা। তখন তিনি বলেন, এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়েছেন বিষয়টি খতিয়ে দেখতে। তিনি বলেন, এখানে ঘটনাগুলো স্যাবোটাজ কি-না, আর কেউ কোনোভাবে সরকারের সুনাম ক্ষুণ্ন করার জন্য করছে কি-না তা খতিয়ে দেখা হবে। এরকম সংকটের উদ্ভব হতে পারে, কিন্তু এভাবে আগুন জ্বালিয়ে ধানক্ষেতের ঘটনাগুলো বিশেষ বিশেষ জায়গায় ঘটছে কেন? প্রধানমন্ত্রী এটা তদন্ত করে জানাতে বলেছেন। এছাড়া দলীয়ভাবেও আমরা খোঁজখবর নেব।
অবশেষে সেই নির্বাহী প্রকৌশলী প্রত্যাহার
২২মে,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের আওতাধীন গ্রিন সিটি প্রকল্পের আসবাবপত্র কেনা ও ফ্লাটে ওঠানোয় অনিয়মের ঘটনায় নির্বাহী প্রকৌশলীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বুধবার (২২ মে) গণপূর্ত বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী মো. শাহাদাৎ হোসেন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এছাড়া এ বিষয়ে তদন্তে গত রোববার দুটি কমিটি গঠন করেছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। ওই দিন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইফতেখার হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয় পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব এবং গণপূর্ত অধিদফতর থেকে একজন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর নেতৃত্বে পৃথক এ কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সব প্রকার বিল বন্ধ রাখার জন্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে ইতোমধ্যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি দেশের অন্যতম মেগা প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বসবাসের জন্য নির্মিত গ্রিনসিটিতে আসবাবপত্র ও অন্যান্য জিনিসপত্র ক্রয়ে লাগামছাড়া দুর্নীতির তথ্য ফাঁস হয়েছে। একটি বালিশের পেছনে ব্যয় দেখানো হয়েছে ৬ হাজার ৭১৭ টাকা। এর মধ্যে এর দাম বাবদ ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা আর সেই বালিশ নিচ থেকে ফ্ল্যাটে ওঠাতে খরচ ৭৬০ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। শুধু আসবাবপত্র কেনা ও ফ্ল্যাটে ওঠাতে ব্যয় হয়েছে ২৫ কোটি ৬৯ লাখ ৯২ হাজার ২৯২ টাকা। এরই মধ্যে নথিপত্র ঘেঁটে দেখা যায়, এ প্রকল্পের সব পদেই অস্বাভাবিক বেতন-ভাতা ধরা হয়েছে। বেতন ছাড়াও আরও কয়েকটি খাতে অস্বাভাবিক ব্যয় ধরে চূড়ান্ত করা হয়েছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণকাজ। এ প্রকল্পের প্রকল্প-পরিচালকের বেতন ধরা হয়েছে চার লাখ ৯৬ হাজার টাকা। পাশাপাশি প্রকল্পের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করবেন, এজন্য আরও দুই লাখ টাকা পাবেন। সব মিলিয়ে প্রকল্প পরিচালক পাবেন ছয় লাখ ৯৬ হাজার টাকা। এ ছাড়া গাড়ি চালকের বেতন ধরা হয়েছে ৭৩ হাজার ৭০৮ টাকা, রাঁধুনি আর মালির বেতন ৬৩ হাজার ৭০৮ টাকা।

জাতীয় পাতার আরো খবর