ডিএনসিসি উপনির্বাচনে পাঁচজনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা
২ ফেব্রুয়ারী শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) উপনির্বাচনে জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী শাফিন আহমেদের মনোনয়নপত্র শনিবার বাতিল করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তবে ইসি মেয়র প্রার্থী বাকি পাঁচজনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে। বৈধ পাঁচ মেয়র প্রার্থী হলেন- আওয়ামী লীগের আতিকুল ইসলাম, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (পিপিপি) আনিসুর রহমান দেওয়ান, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) ববি হাজ্জাজ, প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক পার্টির (পিডিপি) শাহীন খান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুর রহিম। ডিএনসিসি উপনির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবুল কাশেম মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইকালে ঋণখেলাপির অভিযোগে শাফিনের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেন। ২০১৭ সালের নভেম্বরে আনিসুল হক মারা গেলে ডিএনসিসির মেয়র পদ শূন্য হয়। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি নতুন মেয়র নির্বাচনের পাশাপাশি একই দিনে ডিএনসিসি ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ১৮টি করে মোট ৩৬টি নতুন ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ভোট হবে। তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন ছিল ৩০ জানুয়ারি। মনোনয়ন বাছাই হয়েছে আজ এবং তা প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ ফেব্রুয়ারি। বিএনপি ও তাদের জোট সঙ্গীরা নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত নেয়ায় এই নির্বাচনে তারা কোনো প্রার্থী দেয়নি।
বিএনপি দেশে বিদেশে চিঠি দিয়েও চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে: সেতুমন্ত্রী
২ ফেব্রুয়ারী শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল বলেছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে বিএনপি দেশে বিদেশে চিঠি দিয়েও চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে। শনিবার সকালে নারায়ণগঞ্জে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, কাঁচপুর দ্বিতীয় সেতুর কাজ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। যেকোনো দিন এর উদ্বোধন করা হবে। আগামী মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে সেতুটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রীর চা-চক্রের আমন্ত্রণ বিএনপি প্রত্যাখ্যান করেছে-এ প্রসঙ্গে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে সেতুমন্ত্রী বলেন, নেতিবাচক রাজনীতির কারণে বিএনপি শুধু সামাজিকভাবে নয়, রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে দেশে-বিদেশে চিঠি দিয়েও চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে বিএনপি।
প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে তীক্ষ গোয়েন্দা নজরদারি চলছে :শিক্ষামন্ত্রী
২ ফেব্রুয়ারী শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস যাতে না হয় সেই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে তীক্ষ গোয়েন্দা নজরদারি চলছে। এবার প্রশ্নফাঁসের কোনও খবর পাওয়া যায়নি। শনিবার সকালে রাজধানীর আশকোনায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রশ্নফাঁস রোধে প্রশাসন সতর্ক আছে। প্রশ্নফাঁসের নামে যেন কোনও অসাধু চক্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়াতে না পারে সে বিষয়েও তৎপর রয়েছে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। মন্ত্রী আরও বলেন, যারা পরীক্ষা দিচ্ছেন তারা আমাদের দেশের সম্পদ। নকল ও প্রশ্নফাঁস যেন না হয় তার জন্য আমরা নানা উদ্যোগ নিয়েছি। যারা যেমন শ্রম দেবে তারা তেমন ফলাফল করবে। শ্রম, যোগ্যতার সুনিশ্চিত করতে আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি। এ সময় সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সহায়তা কামনা করেন শিক্ষামন্ত্রী। এবার সারাদেশে ৩ হাজার ৪৯৭টি কেন্দ্রে ২১ লাখ ৩৫ হাজার ৩৩৩ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। মোট শিক্ষার্থীর মধ্যে ১০ লাখ ৬৪ হাজার ৮৯২ জন ছাত্রী, ১০ লাখ ৭০ হাজার ৪৪১ জন ছাত্র রয়েছে। এ বছর ২৮ হাজার ৬৮২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। এছাড়া বিদেশের আটটি কেন্দ্রে ৪৩৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।
আকাশের আত্মহত্যা ,মিতু আটক
২ ফেব্রুয়ারী শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:চট্টগ্রামে চিকিৎসক মোস্তফা মোরশেদ আকাশের আত্মহত্যার ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে আকাশের মা জোবেদা খানম বাদি হয়ে স্ত্রী তানজিলা হক চৌধুরী মিতুকে প্রধান আসামিসহ মোট ৬ জনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেছেন। শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টায় সিএমপির চান্দগাঁও থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচণার অভিযোগে নিহতের মা এ মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযুক্তরা আকাশের আত্মহত্যায় মিতুসহ তার পরিবার ও বন্ধুর প্ররোচনা আছে কি-না তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। যদি প্ররোচনার বিষয়ে সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে প্রতিদিনের সংবাদকে জানিয়েছেন চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল বশর। বৃহস্পতিবার রাতে চিকিৎসক আকাশের আত্মহত্যায় তার ফেসবুক আইডিতে স্ত্রীকে জড়িয়ে স্ট্যাটাস এবং আকাশের পরিবারের মৌখিক অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নগরীর নন্দনকানন এলাকার একটি বাসা থেকে আকাশের স্ত্রী তানজিলা হক চৌধুরী মিতুকে আটক করে সিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট। চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের (সিএমপির) অতিরিক্ত কমিশনার ( উত্তর) মো. মিজানুর রহমান প্রতিদিনের সংবাদকে বলেন, আকাশের মা বাদী হয়ে ৬ জনকে অভিযুক্ত করে চান্দগাঁও থানায় মামলা দায়ের করেছেন। অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আকাশের মৃত্যুর পেছনে যদি কারো ইন্ধন থাকে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আটকের পর মিতুকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পরকীয়া এবং স্বামীর সঙ্গে দাম্পত্য কলহ নিয়ে কিছু কিছু বিষয় স্বীকার করেছেন। আরো অনেক বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি। তিনি আরো বলেন, ২০১৬ সালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক ডা. আকাশের সঙ্গে মিতুর বিয়ে হয়। বিয়ের পর পড়াশোনার জন্য ইউএসএ চলে যায় মিতু। চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি দেশে ফেরে মিতু। এরপর দুজনের মধ্যে দাম্পত্য কলহ আরো প্রকট হয়ে উঠে। মামলার বাদী আকাশের মা জোবেদা খানম প্রতিদিনের সংবাদকে জানিয়েছেন, আমার ছেলেকে ওরা আত্মহত্যা করতে বাধ্য করেছে। আমি মামলা করেছি। আমি আর কিছুই চাইনা শুধু আমার ছেলে হত্যার বিচার চাই। এদিকে আটকের পর মিতুর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী শাহ আমানত (র.) মাজার এলাকা থেকে তার ব্যবহৃত মুঠোফোনটি উদ্ধার করে পুলিশ।একইসঙ্গে মোস্তফা মোরশেদ আকাশের ব্যবহৃত মুঠোফোনটিও পুলিশ জব্দ করেছে। পরে শুক্রবার ভোর থেকে আকাশ তার ফেসবুকে স্ত্রী তানজিলা হক চৌধুরী মিতুর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ ও বিভিন্ন ছবি সম্বলিত যে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন তা ডিলিট করে দেওয়া হয়। পুলিশ জানায়, ২০১৬ সালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক ডা. আকাশের সঙ্গে মিতুর বিয়ে হয়। বিয়ের পর পড়াশোনার জন্য ইউএসএ চলে যায় মিতু। চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি দেশে ফেরে মিতু। এরপর দুজনের মধ্যে দাম্পত্য কলহ আরো প্রকট হয়ে উঠে। প্রসঙ্গত: বৃহষ্পতিবার রাতভর আকাশের চাঁদগাও আবাসিক এলাকার বাসায় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তুমুল ঝগড়া হয়। ওই সময় আকাশের বাসায় একটি ভিডিও ধারণ করা হয়। যে ভিডিওতে মিতু তার একাধিক বন্ধুর সঙ্গে অনৈতিক সর্ম্পকের কথা স্বীকার করে। তবে ভিডিও ধারণের সময় মিতুকে আতঙ্কিত দেখা গেছে এবং তার ঠোঁট রক্তাক্ত ছিল। দুজনের ঝগড়ার একপর্যায়ে মিতুর বাবা ইঞ্জিনিয়ার আনিসুল হক চৌধুরী দিবাগত রাত ৪টার দিকে স্বামীর বাসা থেকে মেয়েকে নিয়ে যান। এরপর আকাশ ফেসবুকে মিতুকে জড়িয়ে স্ট্যাটাস দিয়ে শরীরে ইঞ্জেকশন পুশ করে আত্মহত্যা করেন।
বইমেলা হচ্ছে বাঙালির প্রাণের উৎসব :প্রধানমন্ত্রী
২ ফেব্রুয়ারী শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নিরাপত্তাজনিত কারণ ও দর্শনার্থীর অসুবিধার জন্য না আসতে পারলেও মনটা বইমেলাতেই পড়ে থাকে। অমর একুশে গ্রন্থমেলা-২০১৯ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এমন মন্তব্য করেন। মহান ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে বাঙালি জাতিসত্তা ও বুদ্ধিবৃত্তিক উৎকর্ষের প্রতীক প্রতিষ্ঠান বাংলা একাডেমির আয়োজনে শুক্রবার বিকেল ৩টায় আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রন্থমেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১৬ বারের মতো বইমেলার উদ্বোধন করে রেকর্ড গড়েন তিনি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর প্রধানমন্ত্রী মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। অনুষ্ঠানে বিদেশি অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলা ভাষার প্রখ্যাত কবি শঙ্খ ঘোষ এবং মিশরের লেখক, গবেষক ও সাংবাদিক মোহসেন আল-আরিশি। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. আবু হেনা মোস্তফা কামাল। স্বাগত ভাষণ দেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, বইমেলা হচ্ছে বাঙালির প্রাণের উৎসব। এ আয়োজন বাঙালি জাতিসত্তা দাঁড় করাতে বিশেষ সহায়ক হিসেবে কাজ করে। যখন প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলাম না, তখন নিয়মিত বইমেলায় এসেছি। এখন মেলায় আসলে দর্শনার্থীদের সমস্যা হয়। নিরাপত্তার কারণে চলাচল বিঘ্ন হয়। এ কারণে আসতে পারি না। তবে মনটা বইমেলাতেই পড়ে থাকে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বাঙালি ভাষা-সংস্কৃতি এবং বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক ইতিহাস নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ডিজিটাল বাংলাদেশ হয়েছে। অনলাইনে বই পাওয়া যায়। অনেকে মোবাইলে এবং বিভিন্ন ডিভাইসে বই পড়েন। কিন্তু বইয়ের পাতা উল্টে উল্টে পড়ায় যে আনন্দ সে আনন্দ অনলাইনে কিংবা ডিভাইসে পাওয়া যায় না। তারপরও অনলাইনে বই রাখতে হবে। কারণ এ পদ্ধতিতে যেকোন লেখা দ্রুত বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। সারাবিশ্বে পৌঁছানো যায়। তিনি বলেন, ৫২ এর ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় আমাদের স্বাধিকার আন্দোলন। এ মেলা এবং এ আন্দোলনের ইতিহাস আমাদের ধরে রাখতে হবে। তাহলে পরবর্তী প্রজন্ম প্রকৃত ইতিহাস জানতে পারবে। প্রধানমন্ত্রী ঠিক ৩টায় অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান। এরপর জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। সূচনা সঙ্গীত আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি পরিবেশন করা হয়। পরে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এবারের বইমেলায় ৫২৩টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। এছাড়া ১৮০টি লিটলম্যাগকে স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এবার বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ১০৪টি প্রতিষ্ঠানের ১৫০টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৩৯৫টি প্রতিষ্ঠানের ৬২০টি ইউনিটসহ মোট ৪৯৯টি প্রতিষ্ঠানকে ৭৭০টি ইউনিট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এছাড়া বাংলা একাডেমিসহ ২৪টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানকে ২৪টি প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। লিটল ম্যাগাজিন চত্বরে ১৮০টি লিটলম্যাগকে ১৫৫টি স্টল দেয়া হয়েছে। ২৫টি স্টলে দুটি করে লিটল ম্যাগাজিনকে স্থান দেয়া হয়েছে। স্টল পেয়েছে অন্য ১৩০টি প্রতিষ্ঠান। প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত গ্রন্থমেলা উন্মুক্ত থাকবে। ছুটির দিনে বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে মেলা। ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত চলবে গ্রন্থমেলা।
একাদশ জাতীয় সংসদ অনন্য মাইলফলক: স্পিকার
৩১ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ৩০ ডিসেম্বর ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে জনগণ সরকারের প্রতি আস্থা রেখেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। আজ বৃহস্পতিবার সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন তিনি। বুধবার টানা তৃতীয়বারের মতো স্পিকার হিসেবে শপথ নেন শিরীন শারমিন। স্পিকার বলেন, গণতন্ত্রের অব্যাহত অগ্রযাত্রায় একাদশ জাতীয় সংসদ অনন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ ও সার্বিক কল্যাণে কাজ করবে সরকার। সরকারি ও বিরোধী দলের গঠনমূলক আলোচনা, সমালোচনা ও বিতর্কের মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্র আরও সুসংহত করতে নতুন সংসদ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করেন স্পিকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের বিস্ময়- এ কথা উল্লেখ করে শিরীন শারমিন বলেন, উন্নয়নকে কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে একাদশ সংসদ কাজ করে যাবে। সুশাসন নিশ্চিত করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মাধ্যমে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হবে। এ সময় নবনির্বাচিত ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া, চিফ হুইপ নূর ই আলম চৌধুরী, হুইপ মো. আতিউর রহমান আতিক, পঞ্চানন বিশ্বাস, ইকবালুর রহিম, মাহবুব আরা বেগম গিনি, সামশুল হক চৌধুরী এবং আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে স্বাধীনতার মহান স্থপতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান। পরে ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। এরপর চিফ হুইপ নূর ই আলম চৌধুরীর নেতৃত্বে হুইপ আতিউর রহমান আতিক, পঞ্চানন বিশ্বাস, ইকবালুর রহিম, মাহবুব আরা বেগম গিনি, সামশুল হক চৌধুরী এবং আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন।
শুক্রবার শুরু হচ্ছে একুশে গ্রন্থমেলা,উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
৩১ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: মাসব্যাপী অমর একুশে গ্রন্থমেলা আগামীকাল শুক্রবার শুরু হচ্ছে। বাংলা একাডেমি আয়োজিত এ মেলা চলবে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এবারের মেলার মূল থিম নির্ধারণ করা হয়েছে বিজয়: ১৯৫২ থেকে ১৯৭১, নবপর্যায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুক্রবার বিকেল ৩টায় প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলা একাডেমিতে এই মেলা উদ্বোধন করবেন। মেলা উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বাংলা একাডেমির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। বিশেষ অতিথি থাকবেন ভারতের কবি শঙ্খ ঘোষ, মিশরের লেখক ও গবেষক মোহসেন আল আরেশি। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখবেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. আবু হেনা মোস্তফা কামাল। স্বাগত বক্তব্য রাখবেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী। বৃহস্পতিবার সকালে বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে বক্তব্য রাখেন একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী, সচিব আবদুল মান্নান ইলিয়াস, মেলার সহযোগী প্রতিষ্ঠান নিরাপদ মিডিয়ার চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন প্রমুখ। মেলার সার্বিক বিষয় নিয়ে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন একাডেমির পরিচালক ও মেলা কমিটির সদস্য সচিব ড. জালাল আহমেদ। এতে জানানো হয়, এবারের মেলা বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ৩ লাখ বর্গফুট এলাকায় অনুষ্ঠিত হবে। মোট স্টল থাকছে ৭৭০টি। গত মেলার চেয়ে এবার ৫১টি স্টল বেড়েছে। প্যাভিলিয়ন রয়েছে ২৪টি। এছাড়া লিটন ম্যাগাজিন চত্বরে ১৫৫টি স্টল থাকবে। শিশুদের জন্য স্থাপন করা হয়েছে শিশু চত্বর। ছুটির দিন শুক্রবার ও শনিবার থাকবে শিশুপ্রহর। এতে শিশুরা অভিভাবকদের সাথে মেলা উপভোগ করবে। মেলা সুষ্ঠু ও নিরাপদভাবে পরিচালনা করার জন্য অন্যান্যবারের মতো Rab, পুলিশ, গোয়েন্দাসহ বিভিন্ন নিরাপত্তা কর্মীরা প্রহরায় থাকবে। পুরো মেলায় স্থাপিত হয়েছে তিন শতাধিক ক্লোজসার্কিট ক্যামেরা। মেলা থাকবে সম্পূর্ণ পলিথিন ও ধূমপানমুক্ত। মেলায় ২৫ ভাগ কমিশনে বই বিক্রি করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মেলা উপলক্ষে প্রতিদিন মূল মঞ্চে শিল্প-সাহিত্য, সংস্কৃতি, রাজনীতি, সমকালীন প্রসঙ্গে সেমিনার, বিশিষ্ট বাঙালি মনীষার জন্মশতবার্ষিকীর শ্রদ্ধাঞ্জলি এবং তাদের কর্মজীবন নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া সন্ধ্যায় থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে থাকবে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা। মেলার বই নিয়ে এবং স্টল সাজ-সজ্জার ওপর কয়েকটি পুরস্কার প্রদান করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে প্রথমবারের মতো মেলার লোগো উদ্বোধন করা হয়। স্থপতি এনামুল কবীর নির্ঝর ভাষা আন্দোলনের বিষয়কে নিয়ে লোগোটি তৈরি করেছেন। তিনি এবারের পুরো মেলাঙ্গনের নান্দনিক কাজ করেন বলে জানানো হয়। মেলায় টিএসসি ও দোয়ের চত্বর দিয়ে দুটি মূল প্রবেশপথ, বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে তিনটি পথ, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশ ও বাহিরের মোট ৬টি পথ থাকবে। বিশেষ দিনগুলোতে লেখক, সাংবাদিক, প্রকাশক, বাংলা একাডেমি ফেলো এবং রাষ্ট্রীয় সম্মাননাপ্রাপ্ত নাগরিকদের জন্য প্রবেশের বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে। মাসব্যাপী মেলা প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে। ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা চলবে। অন্যান্যবারের মতো এবারের মেলা আয়োজনে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি এবং বিকাশ সহায়তা করছে। আগামীকাল শুক্রবার বিকেলে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বিটিভি ও বাংলাদেশ বেতারসহ বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন সরাসরি সম্প্রচার করবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
ধর্ম, বর্ণ, জাতি, গোষ্ঠী নির্বিশেষে সবার সমান অধিকার রক্ষা করাই লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী
৩১ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ধর্ম, বর্ণ, জাতি, গোষ্ঠী নির্বিশেষে এ দেশের সব নাগরিকের সমান অধিকার রক্ষা করাই সরকারের লক্ষ্য বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (৩১ জানুয়ারি) সমতলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিশেষ এলাকার জন্য উন্নয়ন সহায়তা শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় উচ্চশিক্ষায় অধ্যয়নরত ৫০০ জন মেধাবী শিক্ষার্থীর হাতে বৃত্তির চেক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। কেউ নিজেকে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বা অবহেলিত ভাবলে চলবে না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ধর্ম, বর্ণ, জাতি, গোষ্ঠী নির্বিশেষে এদেশে সকলের সমান অধিকার থাকবে। আমরা সেটাই নিশ্চিত করতে চাই এবং সেটাই আমরা নিশ্চিত করব। এটাই আমাদের লক্ষ্য। সেদিকে আমরা দৃষ্টি দিচ্ছি। শেখ হাসিনা বলেন, 'সারা বাংলাদেশের সর্বশ্রেণির মানুষের উন্নয়ন আমরা চাই। এখানে বেদে, হিজড়া, চা শ্রমিক, দলিত শ্রেণি- সকলেরই ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। অর্থাৎ তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জন করা, সেই সঙ্গে তাদের সংস্কৃতির বিকাশ ঘটানো। শিক্ষা-দীক্ষায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সকল জনগোষ্ঠী যেন সমান সুযোগ পায়, কেউ যেন অবহেলিত না থাকে, কেউ যেন দূরে পড়ে না থাকে- এই হচ্ছে আমাদের লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, নিজেকে কিন্তু এটা মনে করলে চলবে না আমরা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বা আমরা অবহেলিত। সেটা কেউ ভাবলে চলবে না। সবাইকে ভাবতে হবে এদেশের নাগরিক সবাই এবং প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার। সবাই সমান অধিকার ভোগ করবে। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ২০ জন শিক্ষার্থী তাদের নিজস্ব সংস্কৃতির পোশাক পরে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে শিক্ষাবৃত্তির চেক নেন। এজন্য প্রধানমন্ত্রী তাদের প্রশংসাও করেন। 'আমার খুব ভালো লাগল আমাদের ছেলেমেয়েরা, যারা আমার কাছ থেকে বৃত্তির চেক বুঝে নিল, তারা প্রত্যেকে নিজ নিজ পোশাক পরিধান করে যে সুন্দরভাবে এসেছে, খুবই সুন্দর লেগেছে। ভালো লেগেছে। এই যে নিজস্ব স্বকীয়তা...কাজের প্রয়োজনে মানুষ পোশাক পরবে, কিন্তু নিজের সংস্কৃতি ও স্বকীয়তাও প্রয়োজন। তাতে মানুষ দেখতে পারে বৈচিত্র্যটা কত চমৎকার। নিজস্ব স্বকীয়তাটা ধরে রাখতে হবে। অনুষ্ঠানে ৫০০ জন শিক্ষার্থীকে ২৫ হাজার টাকা করে এক কোটি ২৫ লাখ টাকার বৃত্তির চেক দেয়া হয়। চলতি অর্থবছরে ২০০০ জন শিক্ষার্থীকে আরো পাঁচ কোটি টাকা বৃত্তি দেয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) মো. খলিলুর রহমান প্রমুখ।
৯ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন
৩১ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন। বৃহস্পতিবার (৩১ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইউনুস জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি এসেছে। সেখানে বলা আছে- স্থগিত হওয়া ভিটামিন এ ক্যাম্পেইন আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, এ দিন সারাদেশের শূন্য থেকে পাঁচ বছর বয়সী সব শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। আমরা শিগগিরই নোটিশ দিয়ে বিষয়টি সবাইকে জানিয়ে দেবো। এর আগে, গত ১৯ জানুয়ারি সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত সারা দেশে শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে ভারতের একটি কোম্পানি থেকে আমদানিকৃত ভিটামিন এ ক্যাপসুলের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ক্যাম্পেইন স্থগিত করে। পরে এ সংক্রান্ত একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এর আগে, গত ডিসেম্বরে এই ক্যাপসুল খাওয়ানোর কথা থাকলেও বার্ষিক পরীক্ষা, জাতীয় নির্বাচনসহ নানা কারণে তা পিছিয়ে যায়।

জাতীয় পাতার আরো খবর