রবিবার, এপ্রিল ৫, ২০২০
এ মাসেই আসছে দুই শৈত্যপ্রবাহ
০২জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলতি জানুয়ারিতে দেশের ওপর দিয়ে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে আগামী দুয়েক দিনের মধ্যে শুরু হবে বৃষ্টিসহ মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ। আর জানুয়ারির শেষে আসছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি শুরু হয়েছিল শৈত্যপ্রবাহ। সারা দেশের মানুষকে কাঁপিয়ে ছেড়েছে এই শীত। এখন অবশ্য শীতের তীব্রতা নেই। উল্টো বৃষ্টি ঝরেছে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলে। তবে ৬ জানুয়ারির পর একটি এবং এ মাসের শেষ দিকে আরেকটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক সামছুদ্দিন আহমেদ। এর পাশাপাশি জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝিতেও আরও একটি মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলেও জানান তিনি। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই তথ্য জানান। শীত ও শৈত্যপ্রবাহ নিয়ে সরকারের প্রস্তুতি তুলে ধরতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান এদিন সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসেন। প্রতিমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনের আগে জানুয়ারি মাসের আবহাওয়ার পূর্বাভাসের বিস্তারিত জানান অধিদফতরের পরিচালক। সামছুদ্দিন আহমেদ জানান, ৩, ৪, ৫ জানুয়ারি বৃষ্টি হবে। এর পরেই শীত নামবে। ১০ তারিখ পর্যন্ত মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ থাকবে। এর মানে হচ্ছে ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা থাকবে। আর ৬ এর নিচে নামলে তীব্র। জানুয়ারির শেষে একটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ আসতে পারে। ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাকে শুধু শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে বিবেচনা করা হয় বলেও তিনি জানান।
রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকায় সাড়ে ১৮ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক ২
০২জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর বিমানবন্দর থানার কাওলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৮ হাজার ৪৬০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক চোরাকারবারিকে আটক করেছে Rapid Action Battalion (Rab-1)। বুধবার (১ জানুয়ারি) দিনগত রাতে কাওলা ফুটওভারব্রিজ সংলগ্ন সড়ক থেকে তাদের আটক করা হয়। আটকরা হলেন- মোহাম্মদ হোসেন ওরফে ভুট্টু (৪৯) ও মো. জাহেদ (৩২)। Rab-1 এর স্কোয়াড কমান্ডার (সিপিসি-১) এএসপি মো. কামরুজ্জামান নিউজ একাত্তরকে জানান, আটকরা একটি সংঘবদ্ধ মাদক ব্যবসায়ী চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা কক্সবাজার থেকে ইয়াবার চালানগুলো বিভিন্ন পরিবহনে করে রাজধানীসহ সারাদেশে মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে সরবরাহ করেন। আটক মোহাম্মদ হোসেন পেশায় একজন সবজি বিক্রেতা এবং জাহেদ একটি পরিবহনে সুপারভাইজার হিসেবে চাকরি করেন। এ পেশার পাশাপাশি তারা মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন। তাদের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকির অভিযোগে তারেক রহমানসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা
০২জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকির অভিযোগে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সত্যব্রত সিকদারের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন বাংলাদেশ জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এবি সিদ্দিকী। তিনি নিজে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে নথি পর্যালোচনার আদেশ পরে দেবেন বলে জানিয়েছেন বিচারক। মামলার অপর আসামিরা হলেন- ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান রবিউল আউয়াল সোহেল, জামায়াত নেতা মো.আফজাল হোসেন, মো. মুজিবুর রহমান, মো. আব্দুল করিম, হাফেজ মো. দিদারুল ইসলাম, মো. জাকির হোসেন, মো. আব্দুল হালীম, মো.সাদ্দাম হোসেন, আব্দুল্লাহ ও মো.মজিবুর রহমান শেকু।
১০ জানুয়ারি বাণিজ্যমেলা বন্ধ রাখার অনুরোধ জানানো হবে
০১জানুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর কাউন্টডাউন শুরুর দিন ১০ জানুয়ারি ২৫তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা একদিনের জন্য বন্ধ রাখার অনুরোধ জানানো হবে। কাউন্টডাউন যেদিন শুরু হবে, সে দিন দেশের ১২ সিটি কর্পোরেশনের ২৮ স্পট, ৫৩টি জেলা ও দুইটি উপজেলায় মোট ৮২টি কাউন্টডাউন ঘড়ি বসানো হবে। বুধবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সস্মেলন কক্ষে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সুপারিশের আলোকে গঠিত নিরাপত্তা উপ-কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, আমাদের আজকের সভায় দীর্ঘক্ষণ আলোচনায় কয়েকটি সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর মধ্যে কমিটিতে একজন সদস্য নিয়েছি, যিনি আগামী সভা থেকে থাকবেন। এই কাউন্টডাউন উদ্বোধনের দিন যেসব অনুষ্ঠান হবে, সে সবের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে সেনাবাহিনী। তাদের সহযোগিতায় থাকবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। প্রাথমিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আমাদের ১২ সিটি কর্পোরেশনের ২৮টি পয়েন্ট, বিভাগীয় শহরগুলো, ৫৩টি জেলা, দুইটি উপজেলা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েসহ মোট ৮২টি স্পটে কাউন্টডাউন ঘড়ি বসানো হবে। এসব স্থানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। একইসঙ্গে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে। এছাড়া কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সেখানকার স্থানীয় জনগণ, জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিদসহ প্রশাসন ও নিরাপত্তা কর্মীরা বিষটি দেখাশোনা করবেন। স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে। মন্ত্রী বলেন, ১০ জানুয়ারি প্যারেড গ্রাউন্ডের কাউন্টডাউন অনুষ্ঠান এএফডি নিরাপত্তা সমন্বয় করবে। এই অনুষ্ঠানে দুই হাজার আমন্ত্রিত অতিথি ও ১০ হাজার দর্শক আসবেন। দর্শকরা যারা যাবেন, তাদের মোবাইল আ্যাপসের মাধ্যমে নাম রেজিস্ট্রেশন করে যেতে হবে। এদিকে, এই অনুষ্ঠান ঘিরে ১০ জানুয়ারি বাণিজ্যমেলা একদিনের জন্য বন্ধ রাখার অনুরোধ জানাবো। অনুষ্ঠান যাতে বিভিন্ন স্থান থেকে জনসাধারণ দেখতে পারে এজন্য টিভি স্ক্রিন বসানো হবে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা এসব অনুষ্ঠানে সম্পৃক্ত থাকবেন।
দুদক কারও প্রেসক্রিপশনে চলে না: দুদক চেয়ারম্যান
০১জানুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, দুদক কারও প্রেসক্রিপশনে চলে না। বুধবার (১ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে দুর্নীতি দমনে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, দুদক কারও প্রেসক্রিপশন ও নির্দেশনায় চলে না। নতুন কমিশন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বুদ্ধি-বিবেক খাটিয়ে যতটুকু সম্ভব পেরেছি, আমরা ততটুকু করেছি। ভবিষ্যতে পদক্ষেপ আরও জোরদার করব। প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, মাটি খুঁড়ে শিকড় বের করতে হবে। মাটির নিচে অনেক শিকড় থাকে, সেখান থেকে মূল শিকড় বের করতে দরকার সঠিক অনুসন্ধান। আর সেটি করবে সাংবাদিকরা। সাংবাদিকরাই আমাদের প্রাথমিক তথ্যের উৎস। আমাদের নিজেদের তথ্যভাণ্ডার খুব সীমিত। আলোচিত ক্যাসিনোকাণ্ডের প্রাথমিক সব তথ্য আমরা নিয়েছি সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদ থেকে। এ সময় অপরাধবিষয়ক তথ্য পাওয়া সম্পর্কে দুদক চেয়ারম্যান আরও বলেন, সাংবাদিকদের পরেই আমাদের সব থেকে বড় তথ্যের উৎস হলো হটলাইন নম্বর ১০৬। এ হটলাইন নম্বরটি যেন বেশি প্রচার পায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে সাংবাদিকদের আহ্বান জানান তিনি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন প্রশিক্ষণ ও আইসিটি মহাপরিচালক একেএম সোহেল, দুদক কমিশনার (তদন্ত) এএফএম আমিনুল ইসলাম এবং দুদক সচিব ড. মো. মোজাম্মেল হক খান।
শুরু হলো মুজিববর্ষ
০১জানুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলতি বছরই উদযাপিত হবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মবার্ষিকী। তাই পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী শুরু হলো মুজিববর্ষ। জীবনভর নিজের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দিয়ে যে আদর্শ নিয়ে তিনি গড়তে চেয়েছিলেন ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও বৈষম্যহীন সোনার বাংলাদেশ। জন্মশতবার্ষিকীতে এসে তার সে আদর্শের কতটুকু বাস্তবায়ন হয়েছে? ইতিহাসবিদ অধ্যাপক মুনতাসীর মামুনের মতে, পুরোটা না হলেও দিক হারায়নি বাংলাদেশ। তবে, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ পরিপূর্ণ বাস্তবায়নে প্রয়োজন, তার বইয়ের বেশি বেশি চর্চা। যার কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে আজকের লাল-সবুজের বাংলাদেশ তিনিই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাইতো শেখ মুজিবের সংগ্রামী জীবনের অর্থ একটু একটু পরিপূর্ণ হয়ে ওঠা স্বাধীন বাংলাদেশের গল্প। সেই যে সপ্তম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় স্বদেশী আন্দোলনে যোগ দিলেন বঙ্গবন্ধু, এরপর পুরোটা জীবনই কেটেছে দুঃখী-বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ে। দেশ স্বাধীনের পরও থেমে থাকেননি টুঙ্গিপাড়ার খোকা। সরকার গঠন করে স্বাধীন দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করেন, সত্যিকারের সোনার বাংলা গঠনে। কিন্তু মহান এ নেতার জন্মশতবার্ষিকীর দোরগোড়ায় এসে এখনো প্রশ্ন কতটুকু প্রতিফলন ঘটেছে তার আদর্শের? যে বৈষম্যহীন সমাজের জন্য লড়ে গেছেন সারা জীবনে, কতখানিই বা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তা? ইতিহাসবিদ অধ্যাপক মুনতাসীর মামুনের মতে আকাঙ্ক্ষার জায়গায় পুরোপুরি পৌঁছাতে না পারলেও এখনো আশা জাগিয়ে যাচ্ছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। তবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ সঠিক বাস্তবায়নে কেবল মুখেই নয়, তার লেখা বই চর্চাও জরুরি বলে মনে করেন তিনি। আগামী প্রজন্মের কাছে জাতির পিতার আদর্শ ও সঠিক ইতিহাস তুলে তুলে ধরার মধ্য দিয়ে সত্যিকারের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে পরামর্শও ছিল, এই ইতিহাসবিদ ও সাহিত্যিকের।- আরটিভি অনলাইন
বাণিজ্যমেলার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
০১জানুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার (ডিআইটিএফ) উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ২৫ বছরে পা রাখা এই মেলার উদ্বোধন করেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন, ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান ফাতিমা ইয়াসমিনসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ইপিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকতারা। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) মেলার মাঠে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি জানিয়েছেন, ৩২ একর জমির ওপর নতুন রূপে সাজানো হয়েছে এবারের বাণিজ্য মেলা। মেলার প্রধান গেট সাজানো হয়েছে জাতীয় স্মৃতিসৌধের আদলে, সঙ্গে থাকবে পদ্মা সেতুর মডেল। মেলায় আগত দেশি-বিদেশি অংশগ্রহণকারী এবং দর্শনার্থীদের জন্য সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হয়েছে। খোলামেলা পরিসরে গতবছরের তুলনায় এবার স্টলের সংখ্যা কমানো হয়েছে। গত বছর মোট ৬৩০টি ছোট-বড় স্টল কমিয়ে এবার করা হয়েছে ৪৮৩টি। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ক্যাটাগরির প্যাভেলিয়ন ১১২টি, মিনি প্যাভেলিয়ন ১২৮টি এবং বিভিন্ন ক্যাটাগরির স্টল ২৪৩টি। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ২০২১ সালে বাংলাদেশের রপ্তানি ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার নির্ধারণ করে সরকার এগিয়ে যাচ্ছে। ২০২৪ সালে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে। ২০২৭ সালের পর বাংলাদেশ আর এলডিসি দেশের সুবিধা ভোগ করতে পারবে না। সেজন্য বিভিন্ন দেশের সঙ্গে এফটিএ ও পিটিএ করার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
ছোট্ট সোনামনিদের সঙ্গে খেলায় মাতলেন প্রধানমন্ত্রী
৩১ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিশুদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মমতার প্রকাশ বিভিন্ন সময় দেখা গেছে। এবার আবারও দেখা গেলো মমতাময়ী প্রধানমন্ত্রীর শিশুদের প্রতি ভালোবাসার বহি:প্রকাশ। ২০২০ শিক্ষাবর্ষের জন্য বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন শেষে শিশুদের নিয়ে খেলায় মেতে ওঠেন তিনি। মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিয়ে বই উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন শেখ হাসিনা। এরপর তিনি গণভবনের মাঠে সোনামনিদের সঙ্গে দোল খেলা সহ বিভিন্ন খেলায় মেতে ওঠেন। তিনি শিশুদের সঙ্গে দোলনা খেলেন। ছোট্ট বাচ্চাদের দোলনায় উঠিয়ে নিজ হাতে দোলনায় ধাক্কা দেন। শিশুরাও তার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে আনন্দে মেতে ওঠেন। প্রতিবন্ধী শিশুরাও তার সঙ্গে খেলাধুলায় অংশ নেন। এরআগে বই বিতরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করতে চাই। আর সেটাকে আমরা পর্যায়ক্রমে করে দিচ্ছি। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগে পুরনো বই হাতে দেওয়া হত। বই কেনার ক্ষমতা ছিল না বাবা-মায়ের। এখন আর সেটা না। এখন সবার জন্য নতুন বই। আসলে নতুন বই হাতে পেলে তো ভালোও লাগে। নতুন বইয়ের ঘ্রাণটা শুনলে ভালো লাগে। শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ দেশটাকে স্বাধীন করে দিয়ে গেছেন। কাজেই স্বাধীন দেশটাকে আমরা উন্নত করে গড়ে তুলতে চাই। এজন্য সবথেকে বেশি দরকার হচ্ছে, যারা ভবিষ্যৎ নাগরিক, তারা যেন শিক্ষায়-দীক্ষায় সব ধরণের প্রশিক্ষণে উন্নত হয়। আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ নাগরিকরা যেন আগামী দিনে সুন্দর একটা সমাজ পায়। সরকার প্রধান বলেন, একটা আদর্শ নিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। সে আদর্শটা হচ্ছে, এমন একটি সমাজ গড়ে তোলা যে সমাজে কোনও বৈষম্য থাকবে না; দারিদ্র্যমুক্ত সমাজ হবে; উন্নত সমাজ হবে, সমৃদ্ধশালী হবে এবং বাংলাদেশ উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বিশ্ব মর্যাদা পাবে। শেখ হাসিনা বলেন, আমরা শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষকদের বেতন বাড়িয়ে দিয়েছি। এর পাশাপাশি স্বাধীনতার পর একটা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ যখন জাতির পিতা গড়ে তোলেন, তখনই তিনি বিনামূল্য বই দেওয়া শুরু করেন। কাজেই আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর আবার আমরা বিনামূল্য বই বিতরণ শুরু করেছি। তিনি বলেন, বৃত্তি প্রদানে আমরা গুরুত্ব দিই। আমরা একেবারে উচ্চ শিক্ষা পর্যন্ত বৃত্তি দিচ্ছি। কারণ অনেক সময় অনেক বাবা-মা ছেলে-মেয়েদের পড়াতে পারে না। তাই তাদের ওপর যেন চাপ না পড়ে সেজন্য বিনা পয়সায় বই এবং বৃত্তি দিচ্ছি। সেই সঙ্গে সঙ্গে আমরা স্কুলে টিফিনের ব্যবস্থা, সেটা প্রত্যেকটা স্কুল-কলেজ যেন নিজে করতে পারে সেভাবে আমরা উৎসাহ দিচ্ছি এবং সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ সাহায্য আমরা করে যাচ্ছি। বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, যেহেতু জাতির পিতা মেয়েদের শিক্ষা অবৈতনিক করে দিয়েছিলেন কাজেই আমরা সেটা অব্যাহত রেখেছি। আমাদের দেশে এখন ছেলে-মেয়ে সবাই স্কুলে যায়; সবাই উৎসাহিত। আর আমরা আরেকটা ব্যবস্থা নিচ্ছি। সেটা হলো, আমরা খেলাধুলার দিকে নজর দিচ্ছি। এজন্য আমরা প্রত্যেকটা উপজেলায় একটা করে মিনি স্টেডিয়াম করে দিচ্ছি। যাতে আমাদের প্রত্যেক স্কুলের ছেলে-মেয়েরা সেখানে খেলাধুলা করতে পারে। অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা আরও বলেন, আজকে একটা বছর শেষ। আগামীকাল ইংরেজি নববর্ষ। সবাইকে আমি আগামীকালের জন্য ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। এর আগে একই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষার ফলাফল হস্তান্তর করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। এরপর জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি), জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফলাফল হস্তান্তর করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। একই সঙ্গে এ সময় নিজ নিজ বোর্ডের ফলাফল প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন দেশের বিভিন্ন শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানেরা।

জাতীয় পাতার আরো খবর