সোমবার, ডিসেম্বর ৬, ২০২১
ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আগামীকাল
১৬,এপ্রিল,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী কাল ১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অনন্য এক দিন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এদিনে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলা গ্রামের আম্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে। পরে এই বৈদ্যনাথতলাকেই ঐতিহাসিক মুজিবনগর হিসেবে নামকরণ করা হয়। এর আগে একই বছরের ১০ এপ্রিল স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ সরকার গঠিত হয়। এর ধারাবাহিকতায় ১৭ এপ্রিল বৈদ্যনাথতলায় এই সরকার শপথ গ্রহন করে। পরের দিন ১১ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ দেশবাসীর উদ্দেশে বেতার ভাষণ দেন, যা আকাশবাণী থেকে একাধিকবার প্রচারিত হয়। এ ভাষণে তিনি দেশব্যাপী পরিচালিত প্রতিরোধ যুদ্ধের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেন। এছাড়াও ১৭ এপ্রিল মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণের তারিখ নির্ধারিত হয়। তাজউদ্দিনের ভাষণের মধ্য দিয়েই দেশ-বিদেশের মানুষ জানতে পারেন বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রাম পরিচালনার লক্ষ্যে একটি আইনানুগ সরকার গঠিত হয়েছে। এরই পথপরিক্রমায় ১৭ এপ্রিল সকালে মুজিবনগরে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর বর্বরোচিত হামলা চালানোর পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গ্রেফতার হওয়ার আগে ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনা করেন। পরে ১০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্র রূপে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা ঘোষণা করা হয়। একই সাথে প্রবাসী সরকারের এক অধ্যাদেশে ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণাকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন ও অনুমোদন করা হয়। সদ্য প্রয়াত প্রধানমন্ত্রীর জন প্রশাসন বিষযক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রী পরিষদ সচিব হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি এক সাক্ষাতকারে জানিয়েছেন, ১০ এপ্রিল পাকিস্তানের নির্বাচিত জাতীয় এবং প্রাদেশিক পরিষদ সদস্যরা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একটি গোপন স্থানে মিলিত হয়ে প্রবাসী সরকার গঠন করেন। এতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতি এবং সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপ-রাষ্ট্রপতি (অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি) নির্বাচিত করা হয়। সৈয়দ নজরুল ইসলাম পরে তাজউদ্দিন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেন। মন্ত্রী সভার অন্য সদস্যরা হলেন, এম মনসুর আলী (অর্থ বাণিজ্য ও শিল্প) এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামান (স্বরাষ্ট্র, সরবরাহ, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষি)। পরবর্তি সময়ে বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রীসভার সবচেয়ে ঘৃনিত ব্যক্তি খন্দকার মোশতাক আহমদও (পররাষ্ট্র , আইন ও সংসদ) মন্ত্রী সভার সদস্য ছিলেন। জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী অস্থায়ী সরকারের মুক্তিবাহিনীর প্রধান কমান্ডার এবং মেজর জেনারেল আবদুর রব চীফ অব স্টাফ নিযুক্ত হন। মুজিবনগর সরকারকে ১৫টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগে ভাগ করা হয়। এছাড়া কয়েকটি বিভাগ মন্ত্রিপরিষদের কর্তৃত্বাধীনে থাকে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় যুদ্ধরত অঞ্চলকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে প্রতিটিতে একজন করে সেক্টর কমান্ডার নিয়োগা করা হয়। তবে ১০নং বা নৌ সেক্টরে কোন সেক্টর কমান্ডার ছিল না, কমান্ডোরা যখন যে এলাকায় অভিযান করতেন সে সেক্টরের কমান্ডারের অধীনে থাকত। এ ছাড়াও জেড ফোর্স, কে ফোর্স ও এস ফোর্স নামে তিনটি ব্রিগেড গঠন করা হয়। মেহেরপুরের সীমান্তবর্তী গ্রাম বৈদ্যনাথতলায় শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আবদুল মান্নান এম.এন.এ এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী এম.এন.এ। নবগঠিত সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে এখানে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মধ্যদিয়ে শুরু হয়েছিল মুজিবনগর সরকারের শপথ অনুষ্ঠান। আর সেই অনুষ্ঠানে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করেছিলেন ১৭ বছরের এক কিশোর মো. বাকের আলী। যিনি কয়েক বছর আগে কলেজ শিক্ষকতা থেকে অবসর নিয়েছেন। সেদিন কোন পরিস্থিতিতে কিভাবে তিনি এই দায়িত্বটি পালন করেছিলেন তার বর্ণনা দিয়েছেন এভাবে। বাকের আলী তার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ মুহূর্তটির স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বেশ আবেগাল্পুত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে তিনি দর্শনা কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন। বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষণা করলে বিহারী অধ্যুষিত দর্শনায় থাকা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। সুযোগ বুঝে দীর্ঘ পথ পায়ে হেঁটে ১৬ এপ্রিল বিকেলে বর্তমান মুজিবনগর উপজেলার গৌরীনগর গ্রামের নিজ বাড়িতে চলে আসেন। তিনি বলেন, ওই দিন রাতে শুনলাম ১৭ এপ্রিল বৈদ্যনাথতলায় এক সভা অনুষ্ঠিত হবে। কিসের সভা, কি উদ্দেশে হবে সবকিছুই রয়ে গেল অজানা। সকালে আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে পায়ে হেঁটে সভাস্থলে পৌঁছে গেলাম। আমার স্কুল শিক্ষক দোয়াজউদ্দিন স্যার সেখানে ছিলেন। তিনি আমার হাত ধরে বলেন, আমাকে এ অনুষ্ঠানে কুরআন পাঠ করতে হবে। এ প্রসঙ্গে বাকের আলীর শিক্ষক দোয়াজউদ্দিন বলেন, বাকের স্কুলের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সুললিত কন্ঠে কুরআন তেলোয়াত করতো। এ ছাড়াও সে ছিল ধর্মভীরু। তাই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে তাকেই টেনে নিয়েছিলাম। এদিকে ১৭ এপ্রিল মুজিব নগর সরকারের মন্ত্রীরা শপথ নিলেও ১৮ এপ্রিল মন্ত্রী পরিষদের প্রথম সভায় মন্ত্রীদের দপ্তর বন্টন করা হয়। মুজিব নগর সরকারের সফল নেতৃত্বে ৯ মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ বিজয় অর্জনের মধ্যদিয়ে স্বাধীনতা লাভ করে। শুধু ত্ইা নয়, স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের এই প্রথম সরকারের কুটনৈতিক প্রচেষ্টায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ এর ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন। এর আগে ভারত এবং ভুটান এই সরকারকে স্বীকৃতি দেয়।
লকডাউনে আটকে পড়া প্রবাসী কর্মীদের জন্য বিশেষ ফ্লাইট চালু হচ্ছে ১৭ এপ্রিল
১৬,এপ্রিল,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: লকডাউনে আটকে পড়া প্রবাসী কর্মীদের জন্য ১৭ এপ্রিল থেকে বিশেষ ফ্লাইট চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ভার্চুয়াল প্ল্যাাটফর্মে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেনের সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার রাতে মন্ত্রী পর্যায়ের জরুরি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভা শেষে গতকাল রাত ১২টার পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা জয় সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, কাতার ও সিঙ্গাপুরে গমনেচ্ছু আটকে পড়া প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের গমনের জন্য এ বিশেষ ফ্লাইট চালু হচ্ছে। এক্ষেত্রে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সসহ বাংলাদেশি অন্যান্য এয়ারলাইন্স এবং সংশ্লিষ্ট দেশসমুহের জাতীয় বিমান সংস্থাসহ অন্যান্য ক্যারিয়ার বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারবে। সভার সিদ্ধন্ত অনুযায়ি ৫টি দেশে গমনেচ্ছু প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের মধ্যে যাদের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় কর্তৃক ইস্যুকৃত বিএমইটি ক্লিয়ারেন্স রয়েছে, তাদেরকে বিদেশ গমনে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। তবে এসব দেশের ক্ষেত্রে যাদের ভিজিট ভিসা আছে, কিন্তু বিএমইটি ক্লিয়ারেন্স নেই, তারা বিদেশ গমনে অগ্রাধিকার পাবেন না। ভিজিট ভিসা নিয়ে যেসব বাংলাদেশি কর্মীর উদ্দেশে সংযুক্ত আরব আমিরাত যাবেন, তারা বিএমইটির ছাড়পত্র নিয়ে যেতে পারবেন। সভায় বলা হয় বিগত তিন দিন ধরে যেসব যাত্রী টিকেট কেনা সত্ত্বেও লকডাউনের কারণে বিদেশ গমন করতে পারেননি, তাদেরকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বা সংশ্লিষ্ট দেশসমুহের ন্যাশনাল ক্যারিয়ারের অতিরিক্ত বিশেষ ফ্লাইটের মাধ্যমে বিদেশে প্রেরণ করার ব্যবস্থা করা হবে। যেসব যাত্রী ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম হতে ভ্রমণ করার জন্য টিকেট ক্রয় করেছেন, তাদেরকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কানেকটিং ফ্লাইটের মাধ্যমে ঢাকায় আনা যাবে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ি টিকেটের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে যাত্রী পরিবহনের জন্য পরিচালিত বিশেষ ফ্লাইটের গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিং চার্জ সাধারণ ফ্লাইটের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য চার্জের সমপরিমাণ প্রদেয় হবে। স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিদেশগামী যাত্রীদের পিসিআর টেস্ট নির্বিঘে এবং স্বল্পতম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করে ফলাফল প্রদান করবে। লকডাউন চলাকালে উল্লিখিত ৫টি দেশ ব্যতীত অন্যান্য দেশে যারা জরুরি প্রয়োজনে যেতে ইচ্ছুক, তারা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র সাপেক্ষে ট্রানজিট-প্যাসেঞ্জার হিসেবে বিশেষ ফ্লাইটে ভ্রমণ করতে পারবেন। এ ৫টি দেশে বা ট্রানজিট যাত্রীগণ এয়ারপোর্টে আসার পথে পাসপোর্ট/ভ্যালিড ভিসা/বিমানের টিকিট/বিএমইটি কার্ড অথবা নিরাপত্তা এজেন্সি কর্তৃক ইস্যুকৃত পাস সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেশা হয়েছে। পুলিশ কর্তৃপক্ষকে বাংলাদেশের বিভিন্ন পয়েন্টে উল্লিখিত ডকুমেন্টধারীদের অভ্যন্তরীণ চলাচলে যথাযথ সহযোগিতা প্রদান করতে বলা হয়েছে। সভায় বলা হয় প্রবাসী বাংলাদেশিগণ জরুরি প্রয়োজনে ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের শর্তে দেশে আসতে পারবেন। প্রত্যেক যাত্রীকে কোভিড নেগেটিভ সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলকভাবে প্রদর্শন করতে হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনসমুহ দেশে ফিরতে ইচ্ছুক প্রবাসী কর্মীদের তালিকা প্রস্তুুত করবে। বিদেশ হতে ফেরত যাত্রীদের ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেনটাইন নিশ্চিতের জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ দিয়াবাড়ি, চট্টগ্রাম ও সিলেটে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিয়ে রাখবে। ৫টি দেশ হতে যেসব যাত্রী দেশে আসবেন, তারা বোর্ডিং এর পূর্বেই কোয়ারান্টাইনের জন্য নির্দিষ্ট হোটেলে বুকিং নিশ্চিত করবেন। কাতার ও ওমানে ক্রমহ্রাসমান করোনা সংক্রমণের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে নিষিদ্ধ দেশসমুহের তালিকা থেকে এই দেশ দুটিকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনসমুহ দেশে ফিরতে ইচ্ছুক প্রবাসী কর্মীদের লকডাউন চলাকালে দেশে আসার বিষয়ে নিরুৎসাহিত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এক্ষেত্রে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, বাংলাদেশ মিশনের ওয়েব সাইট, নিউজ পোর্টাল ইত্যাদি ব্যবহার এবং কমিউনিটি লিডারদের সহযোগিতা নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আন্ত:মন্ত্রণালয় সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সংযুক্ত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পাবে ৩৬ লাখ পরিবার
১৬,এপ্রিল,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলমান করোনাভাইরাস পরিস্থিতির মধ্যে গত বছরের মতো এ বছরও প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার হিসেবে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে পাবে দেশের ৩৬ লাখ ২৫ হাজার দরিদ্র পরিবার। এতে সরকারের ব্যয় হবে ৮১১ কোটি টাকা। জানা গেছে, গত বছর ৩৬ লাখ ২৫ হাজার ২৬৮ জনকে সহায়তা দেয়া হয়। এবারও ঈদুল ফিতরের আগে এসব পরিবারকে আড়াই হাজার টাকা করে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিলে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) বিকাশ, রকেট, নগদ ও শিওরক্যাশের মাধ্যমে ঈদের আগেই উপকারভোগীদের কাছে টাকা পাঠানো হবে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, চলমান দ্বিতীয় দফার লকডাউনে আরও অনেক দরিদ্র পরিবার হয়তো নতুন করে সংকটে পড়বে। কিন্তু এ তালিকায় অনেক দরিদ্র ও কর্মহীন নেই। এ ধরনের পরিবারের তালিকা করে প্রতিটি জেলা প্রশাসনের অনুকূলে বাজেটে থোক বরাদ্দ থেকে তাদের সহায়তা করতে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সেই থোক বরাদ্দ থেকে নতুন করে তালিকাভুক্ত দরিদ্রদের সহায়তা দিতে বলা হয়েছে। এর আগে করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে গত বছরের সাধারণ ছুটিতে ৫০ লাখ পরিবারকে আড়াই হাজার টাকা করে সহায়তা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। পরে সহায়তা পাওয়ার উপযুক্ত নয় বিবেচনায় প্রায় ১৪ লাখ পরিবারকে সহায়তা করা হয়নি। পাশাপাশি পিন কার্যকর না থাকায় চার লাখ ২ হাজার ১৩৬ পরিবার উপহারের টাকা তুলতে পারেনি।
মুভমেন্ট পাস- লাগবে না যাদের
১৫,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা সংক্রমণ রোধে সারাদেশে চলছে- সর্বাত্মক লকডাউন। চলাচলে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। তবে জরুরি সেবা খাতগুলো খোলা রয়েছে। ব্যাংক, শিল্পকারখানা ও হাসপাতালে কাজ চলছে। এই পরিস্থিতিতে জরুরি প্রয়োজনে মুভমেন্ট পাস নিয়ে বের হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে পুলিশ। অবশ্য কোনো কোনো পেশার লোকজনের ক্ষেত্রে এই পাস নেওয়ার বাধ্যবাধকতা ছিল না। তবে পুলিশ এমন অনেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে, যারা জরুরি সেবার আওতায় পড়েছেন। এ নিয়ে ভুল-বোঝাবুঝির ঘটনাও ঘটছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ সদর দফতর জানিয়েছে, বিধিনিষেধের আওতামুক্ত ব্যক্তি কারা ও প্রতিষ্ঠান কোনগুলো। তাদের কর্মস্থলে আসা-যাওয়া করতে- মুভমেন্ট পাস-এর প্রয়োজন নেই। শুধু পরিচয়পত্র প্রদর্শন করলেই চলবে। চেকপোস্টে যেসব পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন, তাদের এ বিষয়ে জরুরি ভিত্তিতে ব্রিফিং করার জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের অনুরোধ করা হয়েছে। বিধিনিষেধের আওতামুক্ত যারা: ১. ডাক্তার, ২. নার্স, ৩. মেডিকেল স্টাফ, ৪. কোভিড টিকা/চিকিৎসার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি/স্টাফ, ৫. ব্যাংকার, ৬. ব্যাংকের অন্যান্য স্টাফ, ৭. সাংবাদিক, ৮. গণমাধ্যমের ক্যামেরাম্যান, ৯. টেলিফোন/ইন্টারনেট সেবাকর্মী, ১০. বেসরকারি নিরাপত্তাকর্মী, ১১. জরুরি সেবার সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তা/কর্মচারী, ১২. অফিসগামী সরকারি কর্মকর্তা, ১৩. শিল্পকারখানা/গার্মেন্টস উৎপাদনে জড়িত কর্মী/কর্মকর্তা, ১৪. আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, ১৫. ফায়ার সার্ভিস, ১৬. ডাকসেবা, ১৭. বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও জ্বালানির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি/কর্মকর্তা ও ১৮. বন্দর–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/কর্মকর্তা।
সংসদের উত্তর প্লাজায় হচ্ছে অফিস-কার পার্কিং
১৫,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রকল্পের আওতায় অফিসে রূপান্তর করা হচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনের উত্তর প্লাজা। এছাড়া বিশাল এলাকাজুড়ে কার পার্কিং ও বিভিন্ন প্রবেশ পথে অভ্যর্থনা কক্ষসহ সেন্ট্রি পোস্ট নির্মাণ করা হবে। এছাড়া সংসদ ভবন এলাকায় ছাদ থেকে পানি পড়া সমস্যা সমাধানের জন্য উত্তর প্লাজার সব ব্রিক ও মার্বেল প্রতিস্থাপনসহ আনুষঙ্গিক কাজ করা হবে। এছাড়া মানিক মিয়া এভিনিউয়ে সংসদ সদস্য ভবনের জন্য প্রি-ইঞ্জিনিয়ার্ড স্টিল স্ট্রাকচারের কার পার্কিং শেড নির্মাণ করা হবে। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনের উত্তর প্লাজাকে অফিসে রূপান্তরসহ আনুসাঙ্গিক কাজ- শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এমন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এতে মোট ব্যয় করা হবে ৪৯ কোটি টাকা। মার্চ ২০২১ থেকে জুন ২০২২ মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে গণপূর্ত অধিদপ্তর। প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনের উত্তর প্লাজার নিচে সুপরিসর জায়গাকে অফিসে রূপান্তরের মাধ্যমে সংসদ সচিবালয়ের অফিস স্পেস বৃদ্ধি করা। সংসদ সচিবালয়ের কার্যক্রমে গতিশীলতা ও সংসদ সদস্য ভবনের ব্যবহার উপযোগিতা বৃদ্ধি করা। প্রকল্পের প্রস্তাবনা পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে গণপূর্ত অধিদপ্তর। প্রকল্পের ওপর প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা অনুষ্ঠিত হবে। এর পরেই চূড়ান্ত করা হবে প্রকল্পটি।
বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মতিন খসরু এমপির মৃত্যুতে ওয়াসিকা আয়শা খান এমপির শোক প্রকাশ
১৫,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক, সরকারি ও অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ওয়াসিকা আয়শা খান এমপি একাদশ জাতীয় সংসদের ২৫৩ কুমিল্লা-৫ আসনের সংসদ সদস্য,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য,সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সাবেক আইনমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মতিন খসরু এমপি-র মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। ওয়াসিকা আয়শা খান এমপি মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা এবং তাঁর শােক-সন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। উল্লেখ্য, বুধবার বিকেলে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন তিনি (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১বছর ২মাস ২দিন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে মোট পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মতিন খসরু এমপি। এর মধ্যে সপ্তম জাতীয় সংসদে (১৯৯৬-২০০১) আইনমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। বর্তমান সংসদে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি।
স্বাস্থ্যবিধি মেনে উৎপাদনে পোশাক কারখানা
১৫,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় দেশজুড়ে ৮ দিনের কঠোর লকডাউন চলছে। বুধবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৬টা থেকে শুরু হওয়া এ দফার লকডাউন চলবে ২১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত। লকডাউনে চলাচলে বিধিনিষেধ মানাতে মাঠে রয়েছে প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। জরুরি প্রয়োজনে বাইরে যেতে হলে মুভমেন্ট পাস অ্যাপ থেকে পাস নিয়ে বের হতে হচ্ছে। বাইরে বের হলে পড়তে হচ্ছে পুলিশি চেকপোস্টে। সেখানে মুভমেন্ট পাস দেখাতে ব্যর্থ হলে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। তবে দেশের অর্থনীতি ও রফতানিমুখী শিল্পের কথা ভেবে সেগুলোতে লকডাউন শিথিল করেছে সরকার। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, শিল্প-কারখানাগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু থাকবে। তবে শ্রমিকদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থাপনায় আনা-নেয়া নিশ্চিত করতে হবে। কঠোর লকডাউনের মাঝেও দেশের তৈরি পোশাক কারখানাগুলোতে উৎপাদন চলছে নির্দেশনার আলোকে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এবার স্বাস্থ্যবিধি মানতে ব্যর্থ হলে কারখানা চালাতে পারবেন না। তবে মুভমেন্ট পাস নিতে কিছুটা ঝামেলা হচ্ছে। বার বার এটা নিতে হচ্ছে। অন্যদিকে শ্রমিকরা বলছেন, প্রথমে কিছুটা ভয় কাজ করলেও কারখানায় এসে সেটি দূর হয়েছে, রয়েছে পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য নিরাপত্তা। নারায়ণগঞ্জের বেশ কয়েকটি কারখানা ঘুরে এ দৃশ্য দেখা গেছে। এ এলাকায় সরকারি বিধিনিষেধ মেনেই পোশাক কারখানাগুলোতে উৎপাদন চলছে। প্রতিটি কারখানার প্রবেশ পথে রয়েছে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা। প্রায় প্রতিটি কারখানাতেই প্রবেশপথে একাধিক সাবান ও বেসিনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কারখানায় প্রবেশ করতে হচ্ছে ব্লিচিং পাউডার ও জীবানুনাশক মেশানো পাপোশে পায়ের জুতা ভিজিয়ে। এ বিষয়ে বিকেএমইএর সহ-সভাপতি এবং ফতুল্লা অ্যাপারেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ফজলে শামীম এহসান বলেন, কঠোর লকডাউনের মাঝে কারখানা খোলা। এ নিয়ে আমাদের বাড়তি সতর্কতা আছে। আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ প্রতিটি শ্রমিকের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে উৎপাদন অব্যাহত রাখা। আমার শ্রমিকরা ভালো থাকলেই কারখানা ভালো থাকবে।
বৈশ্বিক এই মহামারির সময়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ইবাদত-বন্দেগি করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
১৪,এপ্রিল,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বৈশ্বিক মহামারি করোনার এই সময়ে পবিত্র রমজান মাসে যথাযথ স্বাস্থ্য ও সুরক্ষাবিধি মেনে ইবাদত-বন্দেগি করার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সাথে তিনি সমাজের সচ্ছল জনগোষ্ঠীকে মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত, দুস্থ ও দরিদ্র মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসারও আহ্বান জানান। পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে আজ এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান। পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে তিনি দেশবাসীসহ বিশ্ব মুসলিম উন্মাহকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানান। তিনি বলেন, বছর ঘুরে বরকতময় মাহে রমজান আমাদের মাঝে সমাগত। অশেষ বরকত, মাগফেরাত ও নাজাতের এ মাস মহান আল্লাহর নৈকট্য এবং তাকওয়া অর্জনের অপূর্ব সুযোগ এনে দেয়। সংযম, আত্মশুদ্ধি ও ক্ষমালাভের জন্য যথাযথ মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সমগ্র মুসলিম উন্মাহ এ মাসটি পালন করে থাকে। সিয়াম ধনী-গরীব সকলের মাঝে পারস্পরিক সহমর্মিতা, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠায় অনন্য ভূমিকা পালন করে। রাষ্ট্রপতি বলেন, রমজানের পবিত্রতা ও তাৎপর্য অনুবাধন করে ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে এর সঠিক প্রতিফলন ঘটাতে এবং শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে সকলে অবদান রাখবেন এ প্রত্যাশা করি। আবদুল হামিদ বলেন, এবার পবিত্র রমজান মাস আমরা এমন একটি সময়ে পালন করছি যখন বাংলাদেশসহ সারাবিশ্ব নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণে বিপর্যস্ত। তিনি রমজান মাসে যথাযথ স্বাস্থ্য ও সুরক্ষাবিধি মেনে ইবাদত-বন্দেগি করা এবং সচ্ছল জনগোষ্ঠীকে মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত, দুস্থ ও দরিদ্র মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, রমজানের মহান শিক্ষা সমাজের সকল স্তরে ও সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক। রমজানের পবিত্রতায় সকলের জীবন ভরে উঠুক। পরম করুণাময় যেন বিশ্ববাসীকে এ মহামারি থেকে রক্ষা করেন এই প্রার্থনা করি। মহান আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।
মধ্যপ্রাচ্যসহ সিঙ্গাপুরে শিগগিরই বিশেষ ফ্লাইট চালু
১৪,এপ্রিল,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), ওমান, কাতার ও সিঙ্গাপুরের জন্য শিগগিরই বিশেষ ফ্লাইট চালু করা হতে পারে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা নিশ্চিত করবে। জানা গেছে, রিক্রুটিং এজেন্সিসমূহ বিদেশগামী যাত্রীদের করোনা নেগেটিভ সনদসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে এয়ারপোর্টে আনার দায়িত্ব পালন করবে। প্রবাসী কর্মীরা কেবল জরুরি প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ মিশনের ছাড়পত্র গ্রহণ করে এবং দেশে প্রযোজ্য কোয়ারেন্টাইনের শর্ত মেনে কোভিড নেগেটিভ সনদ নিয়ে দেশে আসতে পারবেন। বুধবার (১৪ এপ্রিল) পররাষ্ট্র সচিবের সভাপতিত্বে লকডাউনকালে বিদেশগামী কর্মীদের গন্তব্য দেশে যাওয়া বিষয়ে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিবরা, সিভিল অ্যাভিয়েশনের চেয়ারম্যান, বিমানের এমডিসহ পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর