শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০
আজ থেকে চালু হচ্ছে ঢাকা-দোহার ফ্লাইট
১৬জুন,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) থেকে চালু হচ্ছে ঢাকা-দোহার ফ্লাইট। অপরদিকে আগামী ২১ জুন থেকে চালু হবে ঢাকা-লন্ডন ফ্লাইট। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এ তথ্য জানায়। বেবিচক জানায়, দীর্ঘ আড়াই মাস আন্তর্জাতির রুটে ফ্লাইট বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার থেকে কাতার এয়ারওয়েজের ঢাকা-দোহা ফ্লাইট শুরু হচ্ছে। সপ্তাহে তিনদিন এই রুটে ফ্লাইট চলবে। তারা আরও জানায়, আগামী ২১ জুন থেকে ঢাকা-লন্ডন ফ্লাইট চালু হচ্ছে। বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্স ঢাকা-লন্ডন ফ্লাইট চালু করবে। সপ্তাহে সাতদিনই ঢাকা-লন্ডন রুটে বিমান ফ্লাইট পরিচালনা করবে।
করোনা আক্রান্ত ৫৩ জন পুলিশ সদস্য করোনামুক্ত
১৬জুন,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসকে জয় করে প্রতিনিয়ত সুস্থ হয়ে উঠছেন পুলিশ সদস্যরা। করোনা আক্রান্ত ৫৩ জন পুলিশ সদস্য করোনামুক্ত হয়ে তারা রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল ছেড়েছেন। সোমবার বিকালে তারা হাসপাতাল ছেড়ে যান। করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণে অসুস্থ হয়ে তারা রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরপর দুইবার তাদের নমুনা পরীক্ষা করে কোভিড-১৯ নেগেটিভ হওয়ায় চিকিৎসকরা তাদেরকে করোনামুক্ত ও সুস্থ ঘোষণা করে হাসপাতাল ত্যাগের ছাড়পত্র দেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ করোনা জয়ী এ সকল পুলিশ সদস্যকে ফুল দিয়ে বিদায় জানান। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম (বার) এর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান ও নির্দেশনায় করোনা আক্রান্ত পুলিশ সদস্যদের সুচিকিৎসায় সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল ছাড়াও রাজধানী ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে বিভাগীয় শহরে আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা সম্পন্ন হাসপাতাল ভাড়া করে পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইতোমধ্যে চার সহস্রাধিক পুলিশ সদস্য সুস্থ হয়েছেন এবং তাদের বেশিরভাগই কাজে যোগদান করে জনগণকে পুনরায় সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।
টিআইবির অনেক রিপোর্টই একপেশে ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত : তথ্যমন্ত্রী
১৫জুন,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, টিআইবির অনেক রিপোর্টই একপেশে ও সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করার রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত টিআইবির কাজ শুধু দোষ খুঁজে বেড়ানো ও গত সাড়ে ১১ বছর আমাদের দেশ পরিচলনার কোনো কাজে টিআইবি সরকারের প্রশংসা করতে পারে নি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এই টিআইবি বড় গলায় বলেছিল পদ্মা সেতুতে দুর্নীতি হয়েছে। যখন কানাডার আদালতেও বিশ্বব্যাংক হেরে গেল, টিআইবির তখন জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া প্রয়োজন ছিল। ড. হাছান বলেন, এমন বহুক্ষেত্রে টিআইবি প্রমাণ করেছে, তারা প্রকৃতপক্ষে সঠিক গবেষণাপ্রসূত কোনো রিপোর্ট পেশ করে না। তাদের সবগুলো না হলেও অনেক রিপোর্টই একপেশে এবং সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করার রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। তথ্যমন্ত্রী আজ দুপুরে রাজধানীতে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে করোনা মোকাবিলায় সরকারের পদক্ষেপগুলোর বিষয়ে টিআইবির সমালোচনার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করলে একথা বলেন। ড. হাছান বলেন, তাদেরকে (টিআইবি) অনুরোধ জানাবো যেন তারা তাদের প্রধান কার্যালয় জার্মানী এবং ইউরোপের অন্যান্য যেসমস্ত দেশ থেকে অর্থ পায়, সেখানকার পরিস্থিতির সাথে বাংলাদেশের তুলনা করে। তাহলেই সেখানকার তুলনায় বাংলাদেশের পরিস্থিতি তারা বুঝতে পারবে। এসময় সাংবাদিকরা বিএনপির সাম্প্রতিক বিরূপ মন্তব্য নিয়ে প্রশ্ন করলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এই মহামারির মধ্যেও বিএনপির নেতাদের ভাষা প্রচন্ড রাজনৈতিক বিদ্বেষপূর্ণ। আমরা আশা করেছিলাম, তারা অন্যান্য দেশ এমনকি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের কাছ থেকেও শিখবে। ভারতে বিরোধীদলীয় নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর প্রথমেই চিঠি লিখে সরকারকে জানিয়েছেন যে ভারত সরকার যে পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করছে, সেগুলো তারা সমর্থন করেন এবং এই দুর্যোগে তারা সরকারের পাশে আছেন। বাংলাদেশে বিএনপি সেটি করতে ব্যর্থ হয়েছে, বলেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারি মোকাবিলা-এটি একটি যুদ্ধ। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার বয়স ৭৪ বছর, তিনি এক মুহূর্তও বসে নেই। তিনি প্রতিদিন কাজ করছেন, জেলা ও বিভাগীয় সদরের সাথে কথা বলেছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দিচ্ছেন, সংসদ অধিবেশনে প্রতিদিন অংশগ্রহণ করছেন। তিনি বলেন, আমরা প্রত্যেকেই জানি, যে কোনো মুহূর্তে আক্রান্ত হতে পারি, এরপরও আমরা বসে নেই। দাপ্তরিক কাজ যেমন করছি, রাজনৈতিক কাজও করছি, একইসাথে নিজ নির্বাচনী এলাকা থেকে শুরু করে নিজ জেলার কাজগুলোও যতটা সম্ভব তদারকির চেষ্টা করছি। প্রয়াত শ্রদ্ধেয় নেতা মোহাম্মদ নাসিম, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ এবং সিলেটের সাবেক মেয়র বদরউদ্দিন আহমদ কামরান মানুষের মাঝে কাজ করতে গিয়েই করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমাদের দলের যে সমস্ত নেতা ও সংসদ সদস্য আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে আছেন কিংবা চিকিৎসা নিচ্ছেন, তারাও মানুষের জন্য কাজ করতে গিয়েই আক্রান্ত হয়েছেন। এগুলো প্রমাণ করে, আমাদের দলের কেন্দ্রীয় এবং মাঠ পর্যায়ের নেতা ও সংসদ সদস্যরা জনগণের পাশে থাকতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন। এই যুদ্ধের মধ্যেই নিজেকে যতটুকু সম্ভব সুরক্ষায় রেখে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে। সাধারণ মানুষের জন্য চিকিৎসা নেই -বিএনপির এই অভিযোগ খন্ডন করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারের প্রাণান্তকর চেষ্টায় এখনো বাংলাদেশের পরিস্থিতি বিশ্বের উন্নত ও প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায়ও ভালো রয়েছে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার আরো উন্নতির জন্য সরকার নানামুখী ব্যবস্থা নিয়েছে। হাজার হাজার মানুষ যে সুস্থ হলো, তারা সেগুলো দেখেন না। হাজার মানুষ যে হাসপাতালে আছে এবং সেখানে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে চোখ থাকতেও যারা অন্ধের মতো সেগুলো দেখেনা, তাদের চোখে তো আলো দেয়া সম্ভবপর নয়। এই সময় বিষোদগারের রাজনীতি পরিহার হোক -এটিই বিএনপির কাছে আমার অনুরোধ জানিয়ে ড. হাছান বলেন, আপনাদের গতানুগতিক বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য এগুলো পরিহার করুন, জনগণের পাশে থাকুন। আপনারা লোক দেখানো কয়েকটা ফটোসেশন করবেন আর নিজেকে সুরক্ষিত রেখে প্রেস ব্রিফিং করে সেখানে বিষোদগার করবেন, এই সময় এটি সমীচীন নয়, জনগণ এটি কামনা করে না। তথ্যমন্ত্রী এসময় তাদেরকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান।
গাছকে সন্তানের মতো লালনপালন করতে হয়: প্রধানমন্ত্রী
১৫জুন,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সবাইকে গাছের যত্ন নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, নিজের সন্তানকে যেমন লালনপালন করতে হয়, একটা গাছ লাগালে তাকেও কিন্তু যত্ন করতে হয়, লালনপালন করতে হয়। সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে কৃষকলীগ আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে এ আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। গাছ লাগানোর পাশাপাশি গাছের যত্ন নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, শুধু গাছ লাগালেই হবে না, গাছ লাগানোর পর গাছের কিন্তু পরিচর্যা করতে হবে। গাছ লালনপালন করতে হয়। নিজের সন্তানকে যেমন লালনপালন করতে হয়, একটা গাছ লাগালে তাকেও কিন্তু যত্ন করতে হবে, লালনপালন করতে হবে। তাহলে তো সে ফল দেবে। আমি ফল খাবো কিন্তু যত্ন করবো না এটা তো হয় না। আমি মনে করি সবাই গাছের যত্ন করবেন। দেশবাসীকে অন্তত ৩টি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেকটা নেতা-কর্মী এবং দেশবাসীকে আজকের দিনে আহ্বান জানাচ্ছি- পহেলা আষাঢ় আসুন সবাই মিলে গাছ লাগাই। গাছ লাগিয়ে দেশের পরিবেশ রক্ষা করি। আবার নিজেরা লাভবান হই, কারণ গাছ বিক্রির টাকা আপনাদেরই সংসারে কাজে দেবে। মুজিববর্ষে গাছ লাগানোর কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, মুজিববর্ষেও আমাদের একটা কর্মসূচি আছে যে ব্যাপকহারে বৃক্ষরোপণ করা। অন্তত এক কোটি গাছ তো আমরা লাগাবোই। এর থেকে বেশি আমাদের লাগাতে হবে। কারণ তিন প্রকারের গাছ লাগালে তিন কোটি গাছ আমরা লাগাতে পারি। আসুন মুজিববর্ষে আমরা সবাই মিলে বৃক্ষরোপণ করে আমাদের দেশকে রক্ষা করি। দেশের পরিবেশ রক্ষা করি, আর মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করি। আওয়ামী লীগসহ এর সকল সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীদের অন্তত ৩টি করে গাছ লাগানোর নির্দেশ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, সারা বাংলাদেশে আমাদের বৃক্ষরোপণ করতে হবে। আমাদের যেখানে যত নেতা-কর্মী আছে মূল দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে সঙ্গে সব সহযোগী সংগঠন; প্রত্যেক সংগঠনের প্রতিটি সদস্য তিনটি করে গাছ লাগাবে। সেটা তার নিজের জায়গায় হোক অথবা নিজের জায়গা না পেলে আমি মনে করি যেখানেই হোক, রাস্তার পাশে হলেও গাছ লাগাতেই হবে। শেখ হাসিনা বলেন, এখানে উদ্বোধন করলে হবে না কে কয়টা গাছ লাগালো এবার সেটাও দেখতে চাই। বেশি করে ফলগাছ লাগানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ব্যাপকভাবে ফলের গাছ লাগোনো দরকার। কারণ পুষ্টির যোগান ফল থেকে আসে। উপকূলীয় অঞ্চলে সবুজ বেষ্টনী গড়ার তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে সবুজ বেষ্টনী গড়তে হবে। যেগুলো মাটি ধরে রাখে, যেমন আমাদের ঝাউ গাছ, খেজুর গাছ, তালগাছ এগুলো আমাদের বিভিন্ন ভাবে লাগানো দরকার। এই ব-দ্বীপটাকে (বাংলাদেশ) বাঁচাতে হলে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী গণভবনে গাছের চারা রোপণ করেন। অনুষ্ঠানে কৃষকলীগ, যারা বেশি গাছ লাগাবে তাদের পুরস্কৃত করার কথা ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী। এসময় শেখ হাসিনা পুরস্কার দেওয়ার জন্য আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কৃষকলীগের ফান্ডে অর্থ সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দেন। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, বর্তমান কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, কৃষকলীগের সভাপতি সমীর চন্দ্র চন্দ, সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম স্মৃতি।
কামরানের মৃত্যুতে শিক্ষা-উপমন্ত্রীর শোক
১৫জুন,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি, সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য ও শিক্ষা-উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। সোমবার (১৫ জুন) পাঠানো এক শোকবার্তায় মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, বদর উদ্দিন আহমেদ কামরান আমার পিতা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর অত্যন্ত আপনজন ছিলেন। ২০০৫ সালে আমার পিতার নির্বাচনে তিনি চট্টগ্রাম এসে নগরীর অলি-গলিতে গণসংযোগ করে কঠোর পরিশ্রম করেন। শিক্ষা-উপমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে সর্বদা সোচ্চার ছিলেন। তার মৃত্যুতে দেশ এক সূর্য সন্তান হারালো যা কখনও পূরণ হবার নয়। মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান শিক্ষা-উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।
অবহেলায় রোগীর মৃত্যু হলে- ফৌজদারি অপরাধ: হাইকোর্ট
১৫জুন,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাকালে রেগীদের ফিরিয়ে দেওয়া, অবহেলায় মৃত্যু, আইসিইউ বণ্টন, বেসরকারি হাসপাতাল অধিগ্রহণ, অক্সিজেন সরবরাহ ও ঢাকা সিটি লকডাউন নিয়ে ১১টি নির্দেশনা ও অভিমত দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাঁচটি রিটের শুনানি নিয়ে সোমবার (১৫ জুন) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের ভার্চ্যুয়াল আদালতে শুনানি শেষে এসব আদেশ দেন। সার্বিক বিবেচনায় আদালতের নির্দেশনা ও অভিমত: এক. স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জারি করা নির্দেশনা (সরকারি/বেসরকারি হাসপাতালে রোগীদের ফিরিয়ে না দেওয়া সংক্রান্ত) যথাযথভাবে পালিত হচ্ছে কিনা এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন আগামী ৩০ জুনের আগে আদালতে দাখিলের জন্য সচিব, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া যাচ্ছে। দুই: নির্দেশনা পালনে ব্যর্থ ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত কোনো ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কিনা প্রতিবেদনে তা উল্লেখ করতে হবে। তিন: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ২৪ মে জারি করা নির্দেশনা অনুসারে ওই তারিখের পর ৫০ শয্যর অধিক বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ১৫ জুন পর্যন্ত কতজন কোভিড এবং নন-কোভিড রোগীর চিকিৎসার দেওয়া হয়েছে সে সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন ৩০ জুনের আগে জমা দেওয়ার জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া যাচ্ছে। একইসঙ্গে ৫০ শয্যার অধিক বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের একটি তালিকা পাঠাতে হবে। চার: বর্তমান প্রেক্ষাপটে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক যথাযথভাবে প্রতিপালন করছে কিনা সে বিষয়ে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষকে ১৫ দিন পরপর একটি প্রতিবেদন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া যাচ্ছে। ওইসব প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ১৫ দিন পরপর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে আদালতে প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া যাচ্ছে। পাঁচ: বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের, বিশেষত ঢাকা মহানগর ও জেলা, চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলাসহ বিভাগীয় শহরের বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক যাতে কোভিড এবং নন-কোভিড রোগীকে পরিপূর্ণ চিকিৎসাসেবা দেয় সে বিষয়ে সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের জন্য একটি মনিটরিং সেল গঠনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া যাচ্ছে। ছয়: কোনো সরকারি বা বেসরকারি হাসপাতালে গুরুতর অসুস্থ কোনো রোগীকে চিকিৎসাসেবা দিতে অনিহা দেখালে এবং এতে ওই রোগীর মৃত্যু ঘটলে তা অবহেলাজনিত মৃত্যু হিসেবে বিবেচিত অর্থাৎ ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার নির্দেশনা যথাযথভাবে দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া যাচ্ছে। সাত: কেন্দ্রীয়ভাবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত সরকারি হাসপাতালে আইসিইউ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম অধিকতর জবাবদিহিমূলক ও বিস্তৃত করতে হবে। ভুক্তভোগীরা যাতে এ সেবা দ্রুত ও সহজভাবে পেতে পারেন তা নিশ্চিত করতে হবে। কোন হাসপাতালে আইসিইউতে কতজন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং কতটি আইসিইউ শয্যা কী অবস্থায় আছে তার আপডেট প্রতিদিনের প্রচারিত স্বাস্থ্য বুলেটিন এবং অন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ ও প্রচারের ব্যবস্থা নিতে হবে। আইসিইউ ব্যবস্থাপনা ও মনিটরিং সেলে ভুক্তভোগীরা যাতে সহজেই যোগাযোগ করতে পারে সেজন্য আলাদাভাবে আইসিইউ হটলাইন নামে হটলাইন চালু এবং হটলাইন নম্বরগুলো প্রতিদিন বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিশেষত টেলিভিশন মাধ্যমে প্রচারের ব্যবস্থা নিতে হবে। আট: আইসিইউ-এ চিকিৎসাধীন কোভিড-১৯ রোগী চিকিৎসার ক্ষেত্রে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক মাত্রাতিরিক্ত বা অযৌক্তিক ফি আদায় না করতে পারে সে বিষয়ে মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। নয়: অক্সিজেন সিলিন্ডারের খুচরা মূল্য এবং রিফিলিংয়ের মূল্য নির্ধারণ করে দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া যাচ্ছে। খুচরা বিক্রেতাদের সিলিন্ডারের নির্ধারিত মূল্য প্রতিষ্ঠান/দোকানে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করতে হবে। কৃত্রিম সংকট রোধে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ও রোগীর পরিচয়পত্র ব্যতীত অক্সিজেন সিলিন্ডারের খুচরা বিক্রি বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিবেচনা করতে পারে। অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রয় ব্যবস্থা মনিটরিং জোরদার করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া যাচ্ছে। দশ: সরকার ইতোমধ্যে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশ কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা বিবেচনায় লাল, হলুদ ও সবুজ জোনে বিভক্ত করে পর্যায়ক্রমে লকডাউনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে। এমতাবস্থায় বর্তমান পর্যায়ে লকডাউনের বিষয়ে কোনো আদেশ দেওয়া সঙ্গত হবে না মর্মে আদালত মনে করে। এগারো: দেশে বিদ্যমান সামগ্রিক পরিস্থিতি অর্থাৎ বর্তমানে দেশে বিরাজমান করোনা পরিস্থিতি একটি দুর্যোগ বিবেচনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গৃহীত কার্যক্রমের পাশাপাশি সরকার ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্ট-২০১২ এর ধারা-১৪ অনুসারে ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স কো-অরডিনেশন গ্রুপ এর কার্যক্রমকে সক্রিয় করার বিষয়টি বিবেচনায় নিতে পারে। ওই কমিটি কার্যকর হলে ওই কমিটির সুপারিশের আলোকে উপরোক্ত আইনের ধারা-২৬ অনুযায়ী বেসরকারি হাসপাতাল/ক্লিনিক রিকুইজিশন করা যেতে পারে। মন্ত্রিপরিষদ, স্বাস্থ্যসেবা, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক,ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের প্রতি এসব আদেশ দেওয়া হয়েছে। যেসব রিট আবেদনের পর এসব আদেশ দেওয়া হয়েছে সেগুলো হলো: রিট-১: ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্ট-২০১২ এর ধারা ২৫ ও ২৬ এর বিধান মতে বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউ রিকুইজিশন ও সেন্ট্রাল বেড ব্যুরো স্থাপনের মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে রোগীদের জরুরি সেবা ও শয্যা সমস্যা সমাধানে নির্দেশনা প্রার্থনা করে রিট করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালের ডেপুটি রেজিস্ট্রার ডা. শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুন। রিট-২,৩,৪: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য বিভাগ জারি করা ১১ মের দুটি স্মারকের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের নন-কোভিড রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া সম্পর্কিত এবং ২৪ মে জারি করা স্মারক যাতে ৫০ শয্যা ও তদূর্ধ্ব শয্যা বিশিষ্ট সব সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে কোভিড এবং নন-কোভিড রোগীদের জন্য আলাদা চিকিৎসা ব্যবস্থা চালুর নির্দেশনা বাস্তবায়িত না করার নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ এবং ওই জারি করা নির্দেশনা বাস্তবায়নের নির্দেশনা প্রার্থনা করে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এএম জামিউল হক, মো. নাজমুল হুদা, মোহাম্মাদ মেহেদী হাসান, ব্যারিস্টার একেএম এহসানুর রহমান, আইনুন্নাহার সিদ্দিকা এবং জাস্টিস ওয়াচ ফাউন্ডেশনের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক আইনজীবী মাহফুজুর রহমান মিলন। রিট-৫: রাজধানী ঢাকায় আগামী দুই সপ্তাহের জন্য লকডাউন ঘোষণা এবং লকডাউন করা এলাকার জনগণকে সব ধরনের লজেস্টিক সাপোর্ট ও করোনা আক্রান্ত রোগীদের হাই প্রোনেজাল ক্যানোলা সরবরাহ নিশ্চিত করার নির্দেশনা প্রার্থনাকরে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহবুবুল ইসলাম।
রাত ৮টার পর বাইরে যাওয়া নিষেধ
১৫জুন,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতিতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সোমবার (১৫ জুন) এ সংক্রান্ত ১৮ দফার একটি নির্দেশনা জারি করেছে। এতে রাত ৮টা থেকে বাড়ির বাইরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। আর জরুরি প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে গেলে মাস্ক পরতে হবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। করোনা ভাইরাস জনিত রোগ কোভিড-১৯ এর বিস্তার রোধ এবং পরিস্থিতির উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার ১৫ জুনের পর শর্তসাপেক্ষে দেশের সার্বিক কার্যাবলী এবং জনসাধারণের চলাচলে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, আগামী মঙ্গলবার (১৬ জুন) থেকে রাত ৮টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত খুব জরুরি প্রয়োজন ছাড়া (প্রয়োজনীয় বেচা-কেনা, কর্মস্থলে যাতায়াত, ওষুধ কেনা, চিকিৎসাসেবা, মরদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাতি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে আসা যাবে না। তবে সর্বাবস্থায় বাইরে চলাচলের সময় মাস্ক পরিধানসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। অন্যথায় নির্দেশ অমান্যকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এর আগে গত ২৬ মার্চ থেকে টানা ৬৬ দিনের সাধারণ ছুটি শেষে ৩১ মে থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে অফিস-আদালত এবং ১ জুন থেকে গণপরিবহন খুলে দেওয়া হয়। ১৫ দিনের জন্য এ নির্দেশনা শেষে নতুন নির্দেশনা দেয় সরকার।
সীমিত যাত্রী নিয়ে ৩০ জুন পর্যন্ত চলবে প্লেন-ট্রেন-গণপরিবহন
১৫জুন,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ায় আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত শর্তসাপেক্ষে সীমিত পরিসরে গণপরিবহন, যাত্রীবাহী নৌযান, রেল ও প্লেন চলাচল করতে পারবে। তবে সর্বাবস্থায় মাস্ক পরতে হবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। করোনা ভাইরাসজনিত রোগ কোভিড-১৯ এর বিস্তার রোধ এবং পরিস্থিতির উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার ১৫ জুনের পর ৩০ জুন পর্যন্ত শর্তসাপেক্ষে দেশের সার্বিক কার্যাবলী এবং জনসাধারণের চলাচলে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে এ নির্দেশনা জারি করেছে। এতে বলা হয়, অনুমোদিত অঞ্চলে শর্তসাপেক্ষে সীমিত পরিসরে নির্দিষ্টসংখ্যক যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন, যাত্রীবাহী নৌযান, রেল ও প্লেন চলাচল করতে পারবে। তবে সর্বাবস্থায় মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্য বিভাগ জারি করা নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে। সড়ক ও নৌপথে সব প্রকার পণ্য পরিবহনের কাজে নিয়োজিত যানবাহন (ট্রাক, লরি, কার্গো ভেসেল প্রভৃতি) চলাচল অব্যাহত থাকবে। এর আগে ৬৬ দিনের সাধারণ ছুটি শেষে গত ১ জুন থেকে গণপরিবহন চালু করা হয়।
শ্বাসকষ্ট নিয়ে সিএমএইচে ভর্তি মোকাব্বির খান
১৫জুন,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শ্বাসকষ্ট নিয়ে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি হয়েছেন সিলেট-২ আসন থেকে নির্বাচিত গণফোরামের সংসদ সদস্য মোকাব্বির খান। সোমবার (১৫ জুন) মোকাব্বির খানের এপিএস মো. জুবের খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। জুবের খান জানান, স্যার কয়েকদিন যাবত অসুস্থ বোধ করছিলেন। তিনি ঢাকায় সংসদ এলাকায় বাসায় অবস্থান করছিলেন। সোমবার শ্বাসকষ্ট বাড়ায় বিকেল তিনটার দিকে তাকে সিএমএইচে ভর্তি করা হয়েছে। কোভিড-১৯ পরীক্ষার জন্য নমুনা নেওয়া হয়েছে। তিনি করোনায় আক্রান্ত কি-না এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী বলেন, শুনেছি তিনি অসুস্থ, সিএমএইচে গেছেন। আমি তার সুস্থতা কামনা করছি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণফোরাম থেকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে সিলেট-২ (বিশ্বনাথ-ওসমানীনগর) আসন থেকে নির্বাচিত হন মোকাব্বির খান।

জাতীয় পাতার আরো খবর