রবিবার, ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০২১
ওয়ার্ল্ড ফুড প্রাইজ ফাউন্ডেশনের সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশের সালমা
১৪,অক্টোবর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ওয়ার্ল্ড ফুড প্রাইজ ফাউন্ডেশনের সম্মাননা পাচ্ছেন বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি প্রাণিচিকিৎসা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র মডেল লাইভস্টক ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক ডা. সালমা সুলতানা। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) তাদের ওয়েবসাইটে ২০২০ সালের নরম্যান বোরলগ অ্যাওয়ার্ড ফর ফিল্ড রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশন এর বিজয়ী হিসেবে বাংলাদেশের এই তরুণ ভেটেরিনারিয়ানের নাম ঘোষণা করে ওয়ার্ল্ড ফুড প্রাইজ ফাউন্ডেশন। সংস্থাটি বলছে, বাংলাদেশে হাজারো ক্ষুদ্র খামারিকে প্রশিক্ষিত করে তুলতে, তাদের গবাদিপশুর জন্য চিকিৎসা ও পরামর্শ সেবা পৌঁছে দিতে যে ব্যতিক্রমী মডেল সালমা গড়ে তুলেছেন, তার স্বীকৃতিতেই এবারের পুরস্কারের জন্য তাকে মনোনীত করা হয়েছে। ২০১৫ সালে মাত্র ২৭ বছর বয়সে সালমা শুরু করেন তার স্বপ্নের প্রকল্প মডেল লাইভস্টক ইনস্টিটিউট ঢাকা। মাঠপর্যায়ে প্রাণিচিকিৎসায় দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে তার এ ইনস্টিটিউটে ১৪ মাস মেয়াদি অ্যানিমেল হেলথ অ্যান্ড প্রোডাকশন ও পোলট্রি ফার্মিং কোর্স করানো হয়। খামারিদের সচেতন করতে কার্যক্রম চালানোর পাশাপাশি প্রাণীর চিকিৎসার জন্য হাসপাতালও চালিয়ে আসছে মডেল লাইভস্টক। ২০১২ সালে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টর অব ভেটেরিনারি মেডিসিন (ডিভিএম) বিষয়ে স্নাতক শেষ করে ভারতের তামিলনাড়ুতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন সালমা সুলতানা। এরপর দেশে ২০১৪ সালে ফার্মাকোলজিতে মাস্টার্স করেন। ২০১৪ সালে মাস্টার্স শেষ করে সালমা কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করেন ইনস্টিটিউটের অনুমোদনের জন্য। চাকরিজীবী বাবার জমানো টাকায় তার মডেল লাইভস্টক ইনস্টিটিউটের যাত্রা শুরু হয়। মানুষের জন্য খাদ্য সহজলভ্য করতে এবং এর মান উন্নয়নে যারা কাজ করছেন, তাদের সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে ওয়ার্ল্ড ফুড প্রাইজ ফাউন্ডেশন প্রতিবছর এ পুরস্কার দেয়। ১৯৮৬ সালে নোবেলজয়ী নরম্যান বর্লুগ বিশ্ব খাদ্য পুরস্কার প্রবর্তন করেন।
নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ বিভাগে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা-উপজেলায় ডিসি
১৩,অক্টোবর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে বিভাগীয় কমিশনারকে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ করা হয়েছে। একই সঙ্গে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) কার্যালয়ের কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসককে (ডিসি) নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) কর্তৃপক্ষ নির্ধারণের পর ক্ষমতা অর্পণ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে আদেশ জারি করা হয়েছে। বিভাগীয় কমিশনার অফিসের কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা ২০২০ এর ২(গ) বিধি এবং জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা, ২০২০ এর ২(গ) বিধি অনুযায়ী এই ক্ষমতা দেয়া হয়েছে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। গত ২৮ জুন বিধিমালা দুটি জারি করা হয়। দুটি বিধিমালারই ২(গ) বিধিতে বলা হয়েছে, নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ অর্থ সরকার বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত যে কোনো কর্মকর্তা।
ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, অধ্যাদেশ জারি
১৩,অক্টোবর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে সংশোধিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অধ্যাদেশ আকারে জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০০০ জারি করেন। আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে অধ্যাদেশটি জারি করা হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) অধ্যাদেশে সই করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। গতকাল সোমবার (১২ অক্টোবর) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০০০ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন অনুযায়ী, ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি ছিল যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। দেশজুড়ে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনবিরোধী আন্দোলন এবং ধর্ষণকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করার দাবির মধ্যে সরকার এ পদক্ষেপ নিল। ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) উপধারায় বলা হয়, যদি কোনো পুরুষ কোনো নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন, তা হলে তিনি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং এর অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন। অধ্যাদেশ অনুযায়ী ৯(১) উপধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড শব্দগুলোর পরিবর্তে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড শব্দগুলো প্রতিস্থাপিত করা হয়েছে। আইনের ৯(৪)(ক) উপধারায় ছিল, যদি কোনো ব্যক্তি কোনো নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করিয়া মৃত্যু ঘটানোর বা আহত করার চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন। এখানেও সংশোধন করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের পরিবর্তে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড করা হয়েছে। ৯(৫) উপধারায় ছিল, যদি পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন কোনো নারী ধর্ষিতা হন, তাহা হইলে যাহাদের হেফাজতে থাকাকালীন উক্তরূপ ধর্ষণ সংঘটিত হইয়াছে, সেই ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ ধর্ষিতা নারীর হেফাজতের জন্য সরাসরিভাবে দায়ী ছিলেন, তিনি বা তাহারা প্রত্যেকে, ভিন্নরূপ প্রমাণিত না হইলে, হেফাজতের ব্যর্থতার জন্য অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অন্যূন দশ হাজার টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন। এখানে দায়ী শব্দ পরিবর্তন করে দায়িত্বপ্রাপ্ত করা হয়েছে। অধ্যাদেশ অনুযায়ী, ধর্ষণ ছাড়া সাধারণ জখমের ক্ষেত্রে অপরাধ আপসযোগ্য হবে। এছাড়া আগের আইনে ১৯৭৪ সালের শিশু আইনের রেফারেন্স ছিল। এখন সেখানে হবে শিশু আইন, ২০১৩। আগের আইনের ৩২(১) বলা হয়েছে, এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের শিকার ব্যক্তির মেডিক্যাল পরীক্ষা সরকারি হাসপাতালে কিংবা সরকার কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে স্বীকৃত কোনো বেসরকারি হাসপাতালে সম্পন্ন করা যাইবে। এতে আরও বলা হয়, কোনো হাসপাতালে এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের শিকার ব্যক্তির চিকিত্সার জন্য উপস্থিত করা হইলে, উক্ত হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিত্সক তাহার মেডিকেল পরীক্ষা অতিদ্রুত সম্পন্ন করিবে এবং উক্ত মেডিকেল পরীক্ষা সংক্রান্ত একটি সার্টিফিকেট সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে প্রদান করিবে এবং এইরূপ অপরাধ সংঘটনের বিষয়টি স্থানীয় থানাকে অবহিত করিবে। ৩২ ধরায় সংশোধন এনে বলা হয়েছে, অপরাধের শিকার ব্যক্তির মেডিকেল পরীক্ষার পরিবর্তে অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তির মেডিকেল পরীক্ষাকরা হয়েছে। অপরাধের শিকার ব্যক্তির পরিবর্তে করা হয়েছে অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তির সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করিয়া। সংশোধিত আইনে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তির ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড (ডিএনএ) পরীক্ষা শিরোনামে ৩২(ক) নামে নতুন একটি ধারা যুক্ত করা হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, এ আইনের অধীন সংঘঠিত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি অপরাধের শিকার ব্যক্তি মেডিকেল পরীক্ষা (ধারা-৩২ এর অধীন) ছাড়াও ওই ব্যক্তির সম্মতি থাকুক বা না থাকুক ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড (ডিএনএ) আইন, ২০১৪ এর বিধান অনুযায়ী ডিএনএ পরীক্ষা করতে হবে। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে। এর মধ্যে গত ৪ অক্টোবর নোয়াখালীতে এক নারীকে (৩৭) বিবস্ত্র করে নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। যদিও গত সেপ্টেম্বর মাসের শুরুর দিকে বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটেছিল। এ ঘটনা ভাইরাল হওয়ার পর দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। জড়িতদের অধিকাংশকে গ্রেফতার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এছাড়া ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে রাজধানীসহ সারাদেশে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। গত শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন বিরোধী মহাসমাবেশ থেকে সারাদেশে অব্যাহত ধর্ষণ ও বিচারহীনতার প্রতিবাদে লংমার্চের ঘোষণা দেয়া হয়। ধর্ষণ ও বিচারহীনতার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ব্যানারে আয়োজিত মহাসমাবেশে দেয়া ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১৬ ও ১৭ অক্টোবর নোয়াখালী অভিমুখে লংমার্চের ঘোষণা দেয়া হয়। এছাড়া ধর্ষণ ও নিপীড়নের বিচার এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অপসারণ চেয়ে ৯ দফা দাবি ঘোষণা করা হয়।
সংসদ ভবন চত্বরে তিন এমপির বৃক্ষরোপণ
১৩,অক্টোবর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মুজিববর্ষ উপলক্ষে জাতীয় সংসদ ভবন চত্বরে বৃক্ষরোপণ করেছেন সংসদ সদস্য শাজাহান খান, মুস্তফা লুৎফুল্লাহ ও ওয়াসিকা আয়শা খান। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) তারা সংসদ ভবন চত্বরে বৃক্ষরোপণ করেন। মুজিববর্ষে এক কোটি বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে জাতির জনকের স্বপ্ন বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় এই তিন সংসদ সদস্য বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন। বৃক্ষরোপণ শেষে সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় একটি সময়োপযোগী কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার। মানুষের জীবন বৃক্ষের সঙ্গে জড়িত এবং বৃক্ষই পারে আমাদের ঝড়, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষা করতে। এজন্য আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত বৃক্ষরোপন করা এবং বৃক্ষের যত্ন করা। মুজিববর্ষ উপলক্ষে ৩৫০ থেকে ৫০০টি বৃক্ষের চারা রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সংসদ ভবন চত্বরে গত ২৬ জুলাই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।
পূর্বাচলে বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
১৩,অক্টোবর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প এলাকায় বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের মূল নকশা প্রণয়ন করেছে স্থাপত্য অধিদপ্তর। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের শৈল্পিক ভঙ্গিমা তুলে ধরা হয়েছে এর মূল নকশায়। প্রকল্প এলাকায় আজ সোমবার বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ। পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের ১৫ নং সেক্টরের ২০৩ নং সড়কের ১৭ নম্বর প্লটে ২ দশমিক ৩১৯ একর জমিতে নির্মিত হচ্ছে ঐতিহাসিক এ স্থাপনা। এর নির্মাণে মোট খরচ হবে ৫৫ কোটি ১ লাখ ৬৪ হাজার টাকা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প এলাকায় বঙ্গবন্ধু স্কয়ার স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বঙ্গবন্ধু স্কয়ার স্থাপনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মূল দায়িত্ব গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ওপর ন্যস্ত করা হয়। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে এর নির্মাণ কাজের দায়িত্ব প্রদান করে। নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তরুণ প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনন্য ভূমিকা তুলে ধরতে স্থাপনাটি বিশেষ ভূমিকা পালন করবে। অনুষ্ঠানে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার, গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল আলম, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান সাঈদ নূর আলম, স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
আবুধাবি থেকে ফেরত আসা ১১২ প্রবাসীকে বিনা ভাড়ায় নেবে এয়ার এরাবিয়া
১৩,অক্টোবর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভিসা জটিলতায় আবুধাবি থেকে ফেরত আসা ১১২ প্রবাসী বাংলাদেশী কর্মীকে বিনা ভাড়ায় পুনরায় আবুধাবিতে নেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে এয়ার এরাবিয়া। তবে যাত্রীদের অবশ্যই টিকিটে প্রযোজ্য সরকারি কর পরিশোধ করতে হবে। এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবনা বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষকে (বেবিচক) দিয়েছে এয়ার এরাবিয়া। জানা গেছে, এয়ার এরাবিয়া আবুধাবী কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে, গত ১৪ আগস্ট এয়ার এরাবিয়ার মাধ্যমে আবুধাবিতে গিয়ে ভিসা জটিলতার কারণে ফেরত আসা ৪৪ জন প্রবাসী বাংলাদেশী কর্মীকে সম্পূর্ণ বিনা ভাড়ায় পুনরায় আবুধাবিতে পরিবহন করবে। এছাড়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটে একই সময়ে আবুধাবী গিয়ে ফেরত আসা ৬৮ জন কর্মীকেও বাংলাদেশের প্রতি শুভেচ্ছার নিদর্শনস্বরূপ বিনা ভাড়ায় (টিকিটে প্রযোজ্য সরকারি কর পরিশোধ সাপেক্ষে) পুনরায় আবুধাবিতে পরিবহন করবে। এয়ার এরাবিয়ার এ সিদ্ধান্তে আবুধাবী কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ। একই সঙ্গে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানকেও ধন্যবাদ দিয়েছেন মন্ত্রী।
নারায়ণগঞ্জে ৯ হাজার ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক
১২,অক্টোবর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ৯ হাজার ১২০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ি শাহা আলী (৪০) কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ছোট সাদিপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত শাহ আলমের পরিবারের ৭ সদস্যের ৬ জনই মাদক ব্যবসায়ি এক সদস্য প্রবাসী বলে জানিয়েছেন। Rab-11 এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দীন চৌধুরী জানান, গ্রেফতারকৃত মো. শাহা আলী সোনারগাঁয়ের পঞ্চবটী এলাকার মো. আঃ রব মিয়ার ছেলে শাহ আলম আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য দীর্ঘদিন যাবৎ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল। মাদক ব্যবসা তার একমাত্র পেশা। গোপন অনুসন্ধান ও তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান করে মাদকসহ গ্রেফতার করে হয়েছে। তিনি আরও জানান, সে দীর্ঘদিন যাবৎ অভিনব কৌশলে কক্সবাজার হতে ইয়াবা ট্যাবলেট পরিবহন করে নিয়ে এসে নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকায় ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল। শাহা আলী ইতিপূর্বে মাদক বিক্রির দায়ে একাধিকবার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হয়েছিল। Rab জানান, নজরুল মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার অপরাধে বর্তমানে কারাগারে রয়েছে এবং তার তিন বোন প্রত্যেকেই মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত বলে সে স্বীকার করে। সাত ভাইবোনের মধ্যে তার একভাই বিদেশে থাকে, গ্রেফতারকৃত মো. শাহা আলীসহ বাকী ৬ জনই মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের করা হচ্ছে।
অস্ত্র মামলায় পাপিয়া দম্পতির ২৭ বছরের কারাদণ্ড
১২,অক্টোবর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অস্ত্র মামলায় দু'টি পৃথক অভিযোগে নরসিংদী জেলা যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক শামীমা নূর পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুর রহমান ওরফে সুমন চৌধুরীকে ২৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দুটি অভিযোগের মধ্যে একটিতে ২০ বছর, অপরটিতে ৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে দুটি অভিযোগের সাজা একত্রে চলবে বলে রায়ে বলা হয়েছে। তাই তাদের ২০ বছরেই সাজা ভোগ করতে হবে। সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার এক নম্বর মহানগর স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ এ রায় দেন। গত ২৭ সেপ্টেম্বর মামলার বিচারকাজ শেষে রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করেছিলেন একই আদালত। গত ২৪ আগস্ট একই আদালত এ মামলার অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ৩১ আগস্ট দিন ধার্য করা হয়। গত ৬ সেপ্টেম্বর আদালতে তদন্ত কর্মকর্তা Rabর উপ-পরিদর্শক আরিফুজ্জামানের সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে এ মামলার সাক্ষ্য শেষ হয়। সাক্ষ্য শুরু হওয়ার দেড় মাসেরও কম সময়ের মধ্যে মামলাটির রায় হলো। গত ২৯ জুন পাপিয়া দম্পতির বিরুদ্ধে এ মামলায় সিএমএস আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা Rab এর উপ-পরিদর্শক আরিফুজ্জামান। এরপর মামলাটি বদলি হয়ে মহানগর দায়রা জজ আদালতে আসে। গত ২২ ফেব্রুয়ারি Rab-2 এর একটি দল পাপিয়া পিউকে আটক করে। এদিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে নয়াদিল্লিতে যাওয়ার সময় বহির্গমন গেট থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে সাতটি পাসপোর্ট, বাংলাদেশি দুই লাখ ১২ হাজার ২৭০ টাকা, ২৫ হাজার ৬০০ জাল টাকা, ৩১০ ভারতীয় রুপি, ৪২০ শ্রীলঙ্কান মুদ্রা, ১১ হাজার ৯১ মার্কিন ডলার ও সাতটি মোবাইল ফোন। Rab জানায়, যুবলীগ নেত্রী পাপিয়া পিউ নামেই তিনি বেশি পরিচিত। এ নেত্রীর প্রকাশ্য আয়ের উৎস গাড়ি বিক্রি ও সার্ভিসিংয়ের ব্যবসা। তবে এর আড়ালে তিনি মূলত অবৈধ অস্ত্র ও মাদকের ব্যবসা করতেন। কোনো কাজ বাগিয়ে নিতে পাঁচ তারকা হোটেলে সুন্দরী তরুণীদের পাঠিয়ে মনোরঞ্জন করতেন সংশ্নিষ্ট ব্যক্তিদের। পরে ২৩ ফেব্রুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় জাল টাকা উদ্ধারের ঘটনায় এবং ২৪ ফেব্রুয়ারি শেরে বাংলানগর থানায় অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের দুটি মামলা হয়। তিনটি মামলায় এ দুজনকে কয়েক দফা রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

জাতীয় পাতার আরো খবর