স্বাধীনতার সুফল ঘরে ঘরে পৌঁছানোই আমাদের লক্ষ্য :প্রধানমন্ত্রী
১৪ জুন২০১৯,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের উন্নয়ন কর্মকান্ড প্রশংসিত হলেও কারও কারও এটা ভালো লাগে না। তাদের কিছুই ভালো লাগে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আর্ন্তজাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি বলেন ,দেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধ করা এবং স্বাধীনতার সুফল ঘরে ঘরে পৌঁছানোই আমাদের লক্ষ্য। আমি মনে করি আমরা এক্ষেত্রে যথেষ্ট সফল। আগে বিশ্বদরবারে ভিক্ষুকের জাত বলতো, এখন আর কেউ এটা বলতে পারে না। এটাই বড় অর্জন। এমন অর্জন সত্ত্বেও সমালোচনা । যারা সমালোচনা করে, করে যাক। ভালো কিছু বললে গ্রহণ করবো, মন্দ কিছু বললে ধর্তব্যে নেবো না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিছু সংস্থার পক্ষ থেকে প্রতিক্রিয়ায় বলা হচ্ছে, প্রস্তাবিত বাজেটে স্বচ্ছল ও উচ্চ আয়ের মানুষকে বেশি সুবিধা দেয়া হয়েছে। এ ধরনের প্রতিক্রিয়ার বিষয়ে একজন সাংবাদিকের একটি প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা কী গবেষণা করেন আমি জানি না। এতো সমালোচনা করেও আবার বলবে, আমরা কথা বলতে পারি না। আমার কথা হচ্ছে, সাধারণ মানুষ খুশি কি-না। তারা লাভবান হচ্ছে কি-না, এটাই দেখার বিষয়। আজকে আমাদের এগারোতম বাজেট। এটা দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট। এর সুফল সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাবে। আর ভালো না লাগার বিষয়টা জানি না কী হবে, তবে দেশের জন্য তারা কী আনতে পারছেন তা জানি না। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবির প্রেক্ষিতে বন্ধ থাকা এমপিওভুক্তির কাজ শুরু হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবার স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। স্বাস্থ্য উন্নয়নের মাধ্যমে চিকিৎসা ও অন্যান্য সামাজিক সুবিধা নিশ্চিতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ৮টি মেডিকেল কলেজে নিউক্লিয়ার মেডিসিন ইনস্টিটিউট খোলা হবে। দেশের প্রত্যেকটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য কাজ চলছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে ৬০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা আমরা অর্জন করবো, সে লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল অসুস্থ থাকা এবার প্রথমবারের মতো কোনো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলন করছেন শেখ হাসিনা। এর আগে বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রীর হয়ে বাজেটের বক্তৃতার একাংশ পড়ে দেন প্রধানমন্ত্রী।
এ বাজেটের ফলে সমাজে বৈষম্য আরো বাড়বে :সিপিডি
১৪ জুন২০১৯,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন, ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে যারা অর্থনৈতিক অবশাসনের সুবিধাভোগী, তারাই এই সুবিধা পাবে। বাজেটে মধ্যবিত্তদের সুবিধা না বাড়িয়ে উচ্চবিত্তদের সুবিধা বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে সমাজে বৈষম্য আরো বাড়বে। বৈষম্য রেখে সমাজকে টেকসই করা সম্ভব না। শুক্রবার রাজধানীর লেকশোর হোটেলে আয়োজিত বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনটি সঞ্চালনা করেন সিপিডির ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। দেবপ্রিয় বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে করমুক্ত আয়সীমা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। সেইসঙ্গে বাড়ানো হয়েছে সম্পদের ক্ষেত্রে সারচার্জের সীমা। অর্থাৎ যারা আয় করে তাদের জন্য সুবিধা দেয়া হয়নি। অথচ সম্পদশালীদের সুবিধা দেয়া হয়েছে। এছাড়া বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দুর্বল অবস্থানে রয়েছে। এছাড়া সেবাখাত ভিত্তিক অর্থনীতি কোনো সুখবর নয়। তিনি আরো বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষা-স্বাস্থ্য খাতে আগের চেয়ে বরাদ্দ কমে গেছে। এটা ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী হয়নি। বাজেটের স্বচ্ছতার ঘাটতি রয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটে দেশের প্রকৃত অবস্থার প্রতিফলন হয়নি বলেও জানান তিনি। ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বাজেট পর্যালোচনা তুলে ধরে বলেন, দেশের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বৈদেশিক অর্থায়নের ওপর নির্ভরশীল রয়ে গেছে। এই কর্মসূচির অধীনে পাঁচটি মূল খাত যোগাযোগ, অবকাঠামো জ্বালানী, শিক্ষা ও বিজ্ঞান-প্রযুক্তিতে ৭০ শতাংশ টাকা দেয়ায় একটি ভারসাম্যহীন পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। তার মতে, যে আয় করে খায় তাদেরকে কোনো সুবিধা দেয়া হয়নি, সুবিধা দেয়া হয়েছে বিত্তবানদের। তিনি মনে করেন, অঘোষিত আয় এবং বে-আইনি আয়ের মধ্যে পার্থক্য সৃষ্টি করতে হবে। পুঁজিবাজারে কাঠামোগত সমস্যা রয়েছে উল্লেখ করে দেবপ্রিয় বলেন, ব্যাংকিংখাতে সুশাসনের অভাব রয়েছে। ভ্যাট আইনে জটিলতা রয়েছে। এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া হবে বলে মনে করি। এ নিয়ে মধ্যবিত্তের ওপর চাপ তৈরি হবে যোগ করেন এই বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ। গতবছরের তুলনায় এই অর্থবছরে ধান-চাল সংগ্রহে অর্থ বরাদ্দ বাড়ানো হয়নি বলে কৃষক উপকৃত হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি মনে করেন শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে পরিবর্তন আসা প্রয়োজন ছিল। তা হয়নি। মাত্র ২ শতাংশ শিক্ষায়, ১ শতাংশ স্বাস্থ্য এবং ২ শতাংশ সামাজিক নিরাপত্তায় বরাদ্দ দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এই অর্থ বরাদ্দ দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্যে সুখবর নয়। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে কিছু গৎবাঁধা ভালো কথা আছে, কিন্তু কোনো কর্মসূচি নেই। কর্মসূচি থাকলে তা শেষ হবে কবে সে নিয়ে কোনো সময়সীমা দেয়া হয়নি। তার মতে, বাজেটর বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করলে ‘বাতাসের ভেতরে আশ্বাসের বাণী’ পাওয়া যায়।
অসুস্থ অর্থমন্ত্রীর পক্ষে বাজেট পেশ করছেন প্রধানমন্ত্রী
১৩জুন২০১৯,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের পক্ষে একাদশ জাতীয় সংসদের ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) তিনটার পর স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর অনুমতিতে বাজেট উপস্থাপন করতে শুরু করেন অর্থমন্ত্রী। অসুস্থ থাকায় স্পিকারের অনুমতি নিয়ে বসে বসে বাজেট উপস্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী। এবারের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। এর আগে দুপুরে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এর আগে বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন দিতে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠক শুরু হয়। এবারের বাজেটের নাম দেওয়া হয়েছে সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ: সময় এখন আমাদের, সময় এখন বাংলাদেশের। চলতি অর্থবছরের মূল বাজেট চার লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা। তবে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, রাজস্ব আদায় করতে না পারায় ও উন্নয়ন প্রকল্পে পরিকল্পনা অনুযায়ী অর্থ খরচ করতে না পারায় চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের আকার নির্ধারণ করা হয় চার লাখ ৪২ হাজার ৫৪১ কোটি টাকা। অর্থাৎ আগামী বাজেটের আকার সংশোধিত বাজেট থেকে ৮০ হাজার ৬৪৯ কোটি টাকা বেশি। এটি দেশের ৪৮তম ও বর্তমান সরকারের তৃতীয় মেয়াদের প্রথম বাজেট। আর অর্থমন্ত্রী হিসেবে আ হ ম মুস্তফা কামাল এটি প্রথম বাজেট। মন্ত্রিসভার অনুমোদন মিললে আজ বেলা ৩টায় জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করবেন। এটি দেশের ৪৮তম ও বর্তমান সরকারের তৃতীয় মেয়াদের প্রথম বাজেট। আর অর্থমন্ত্রী হিসেবে আ হ ম মুস্তফা কামাল এটি প্রথম বাজেট।
হাসপাতাল থেকে মন্ত্রিসভার বৈঠকে অর্থমন্ত্রী
১৩জুন২০১৯,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সংসদে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতাল থেকে সরাসরি যোগ দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এ বৈঠকে প্রস্তাবিত ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটের অনুমোদন দেয়া হবে। বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) মেডিকেল চেকআপ শেষ করে অর্থমন্ত্রী অ্যাপোলো হাসপাতাল থেকে সংসদে আসেন বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা গাজী তৌহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, দুপুর ১টা ২০ মিনিটের দিকে তিনি সংসদ চত্বরে উপস্থিত হন। সূত্র থেকে জানা গেছে, অর্থমন্ত্রী জ্বরে আক্রান্ত। এছাড়া গত কয়েকদিন ধরে রুটিন মেডিকেল চেকআপের জন্য অ্যাপোলো হাসপাতালে যাচ্ছেন। বুধবার রাত থেকে হাসপাতালে ছিলেন। সেখান থেকেই সরাসরি সংসদে যান অর্থমন্ত্রী। গাজী তৌহিদুল ইসলাম বলেন, অর্থমন্ত্রী সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন। আজ বিকালে জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করবেন তিনি।
তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তানের উদ্দেশে কাল ঢাকা ছাড়ছেন রাষ্ট্রপতি
১২জুন২০১৯,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তানে সাত দিনের সরকারি সফরে কাল ঢাকা ত্যাগ করবেন।-বাসস রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদিন জানান, মধ্য এশিয়ার দুটি দেশে তাঁর সাত দিনের এই সফর চলাকালে রাষ্ট্রপতি তাজিক রাজধানী দুশানবেতে কনফারেন্স অন ইন্টারেকশন অ্যান্ড কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজার্স ইন এশিয়া (সিআইসিএ)-র পঞ্চম সম্মেলনে যোগ দেবেন। তিনি আগামী ১৬ জুন তার উজবেকিস্তান সফরও শুরু করবেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি ও তাঁর পত্নী রাশীদা খানমসহ সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইট কাল বিকেল চারটায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে যাবে। রাষ্ট্রপতি আগামী ১৫ জুন দুশানবেতে অনুষ্ঠিত সিআইসিএ সম্মেলনে তাঁর ভাষণ দেবেন। সিআইসিএ হচ্ছে এশিয়ার শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বাড়াতে সহযোগিতা জোরদারের একটি বহু-দেশীয় ফোরাম। সিআইসিএ-র উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে- এশিয়ার সমৃদ্ধি এবং স্থিতিশীলতায় বাণিজ্য জোরদার-অর্থনৈতিক সহযোগিতাসহ সব ধরণের সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলা এবং অবৈধ মাদক নির্মূল করা। জয়নাল আবেদিন বলেন, রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ পঞ্চম সিআইসিএ শীর্ষ সম্মেলনে তাঁর ভাষণে এ ব্যাপারে বাংলাদেশের অবস্থান পরিষ্কার ভাবে তুলে ধরবেন। সিআইসিএ-এর ২৭টি সদস্য রাষ্ট্র হচ্ছে- আফগানিস্তান, আজারবাইজান, বাহরাইন, বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, চীন, মিশর, ভারত, ইরান, ইরাক, ইসরাইল, জর্ডান, কাজাখাস্তান, কিরগিজস্তান, মঙ্গোলিয়া, পাকিস্তান, ফিলিস্তিন, কাতার, কোরিয়া প্রজাতন্ত্র, রাশিয়া, শ্রীলঙ্কা, তাজিকিস্তান, থাইল্যান্ড, তুরস্ক, যুক্তরাজ্য আরব আমিরাত, উজবেকিস্তান ও ভিয়েতনাম। সিআইসিএ-এর ৮টি পর্যবেক্ষক দেশ আছে, সেগুলো হচ্ছে- বেলারুশ, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, লাওস, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, ইউক্রেন এবং যুক্তরাষ্ট্র। জাতিসংঘসহ পাঁচটি আন্তর্জাতিক সংস্থা সিআইসিএ-এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে, সেগুলো হচ্ছে- ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম), অর্গানাইজেশন ফর সিকিউরিটি ফর সিকিউরিটি এন্ড কোপারেশন ইন ইউরোপ (ওএসসিই), লিগ অফ আরব স্টেট্স এন্ড পার্লামেন্টারি এসেম্বলি অব দি তুর্কি স্পিকিং কান্ট্রিস। সিআইসিএ-এর সেক্রেটারিয়েটের মতে, সিআইসিএ-এর সদস্য দেশগুলোতো এশিয়ার প্রায় ৯০ শতাংশ জনসংখ্যা বসবাস করছে। আসন্ন পঞ্চম সিআইসিএ শীর্ষ সম্মেলনে ২০টি দেশ থেকে উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত থাকবেন বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ আগামী ১৯ জুন দেশে ফিরে আসবেন বলে জানিয়েছেন তাঁর প্রেস সেক্রেটারি।
ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে আগের অভিযোগের তদন্ত চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
১২জুন২০১৯,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ডিআইজি মিজান অপরাধী। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আজ বুধবার সকালে রাজধানীর কারা অডিটরিয়ামে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ আয়োজিত উদ্ভাবনী মেলায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ডিআইজি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে আগের অভিযোগের তদন্ত চলছে। নতুন করে ঘুষ দেয়ার যে অভিযোগ উঠেছে সেটাও তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি বলেন, ডিআইজি মিজানুর রহমান যেহেতু ঘুষ দেয়ার কথা স্বীকার করেছেন তাহলে তিনি তো কোনো না কোনো অপরাধে অপরাধী। তার পার পাবার সুযোগ নেই। তিনি বলেন, ফেনীর নুসরাত হত্যা মামলার আসামি ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন দেশেই আছেন। পুলিশ তার দায়িত্ব পালন করছে। ওই পুলিশ কর্মকর্তা যে কোনো সময় গ্রেপ্তার হবেন।
দেশের প্রায় ৭৫ শতাংশ শিশু ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় নিয়োজিত
১২জুন২০১৯,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিশুশ্রম নিয়ে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ জরিপ ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে প্রায় ১৬ লাখ ৯৮ হাজার ৮৯৪টি শিশু নানা পেশায় নিয়োজিত। আর এদের মাঝে প্রায় ৭৫ দশমিক ৩৫ শতাংশ (১২ লাখ ৮০ হাজার ১৯৫টি শিশু) নিয়োজিত ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে। বিবিএসের হিসাবে বর্তমানে দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪০ শতাংশ শিশু। পাঁচ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশু রয়েছে ৩ কোটি ৯৬ লাখ ৫২ হাজার। জনসংখ্যার অনুপাতে শিশুর হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে, প্রায় ৩৩ দশমিক ৭ শতাংশ। এরপরই রয়েছে যথাক্রমে চট্টগ্রাম (২০ দশমিক ৬), রাজশাহী (১২ দশমিক ৫), রংপুর (১১ দশমিক ৩), খুলনা (১০ দশমিক ৫), সিলেট (৬) ও বরিশাল (৫ দশমিক ৩)। নানা পেশায় নিয়োজিত এই শিশুশ্রম নিরসনের জন্য পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। সে অনুযায়ী ২০২১ সালের মধ্যে সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনে এবং ২০২৫ সালের মধ্যে সব ধরনের শিশুশ্রম নিরসনের লক্ষ্যে কাজ অব্যাহত রয়েছে। শিশুশ্রম রোধে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত আজ বাংলাদেশেও অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য চিলড্রেন শুড নট ওয়ার্ক ইন ফিল্ডস বাট অন ড্রিমস অর্থাৎ শিশুশ্রম নয়, শিশুর জীবন হোক স্বপ্নময়। দিবসটি উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, আইএলও ঢাকা অফিস, বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যমে আলোচনা অনুষ্ঠান, বিশেষ প্রকাশনা, পোস্টার, লিফলেট বিতরণসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ২০১০ সালে প্রণয়ন করা সরকারের জাতীয় শিশুশ্রম নিরসন নীতি বাস্তবায়নে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং শিশুশ্রম নিরসন কার্যক্রম মনিটরিংয়ের জন্য গঠিত জাতীয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কমিটিগুলো কাজ করছে। এখন পর্যন্ত এ সকল কমিটি মালিক, শ্রমিক ও সুশীল সমাজের সঙ্গে আলোচনা করে মোট ৩৮টি কাজকে শিশুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত শিশুদের জন্য ১৮ মাসব্যাপী উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ও ছয় মাস মেয়াদি দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে এর মাধ্যমে ৯০ হাজার শিশু স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছে। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সরকার শিশুশ্রম নিরসনে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসনে ২৮৪ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এ প্রকল্পের চতুর্থ পর্যায়ে ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিযুক্ত এক লাখ শিশুকে প্রত্যাহার করে বৃত্তিমূলক ও কারিগরি শিক্ষা প্রদান করা হবে।
৫ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকার নতুন বাজেট
১২জুন২০১৯,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের তৃতীয় মেয়াদের প্রথম বাজেট আগামীকাল ১৩ জুন বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এটি অর্থমন্ত্রী হিসেবে তার প্রথম বাজেট। বাজেট পেশ করার আগে অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, বাজেট বক্তব্যের আকার গতানুগতিক বিশাল আকারের থাকছে না। হবে সংক্ষিপ্ত ও টু দ্য পয়েন্ট। তাই বলে বাজেটের আকার ছোট হবে না। যে কোনো অর্থবছরের তুলনায় এটি হবে রেকর্ড বাজেট। সূত্র জানিয়েছে, আগামী বাজেটে থাকছে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক পরিকল্পনার সমাহার। বিশেষ করে সপ্তম পঞ্চবার্ষিকীর যেসব লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি, অষ্টম পঞ্চবার্ষিকীর নির্দেশনা, রূপকল্প ২০২১-এর অধীনে অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রাখা, রূপকল্প ২০৪১ অর্জনের কৌশল, এসডিজি অর্জন এবং সরকারর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন দেখা যাবে অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতায়। খবর অর্থ বিভাগ সূত্রের। জানা গেছে, আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য অর্থমন্ত্রী ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করবেন। আগামী বাজেটে মূল বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার ধরা হচ্ছে ২ লাখ ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকা। আর চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আকার ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা। সূত্র জানিয়েছে, আগামী বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির হার ধরা হচ্ছে ৮ দশমিক ২৫ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের জিডিপিতে প্রবৃদ্ধির হার ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ অর্জিত হবে বলে মনে করছে সরকার। আগামী অর্থবছরের জন্য মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা থাকবে ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৭১০ কোটি টাকার।। চলতি অর্থবছরের বাজেটে এই লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকা। নতুন বাজেটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অধীনে রাজস্ব সংগ্রহের লক্ষ্য ধরা হচ্ছে ৩ লাখ ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরে ধরা হয়েছিল ২ লাখ ৯৬ হাজার ২০১ কোটি টাকা। মূল্যস্ফীতির হার আগামী অর্থবছরের জন্য ধরা হচ্ছে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের জন্য ধরা হয়েছিল ৫ দশমিক ৬ শতাংশ। সূত্র জানিয়েছে, আগামী অর্থবছরে বাজেট ঘাটতি ধরা হচ্ছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। বরাবরের মতো ঘাটতি জিডিপির ৫ শতাংশের মধ্যেই থাকবে। চলতি অর্থবছরে বাজেট ঘাটতির পরিমাণ ছিল ১ লাখ ২৫ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা। তবে সমস্যা মূলত ঘাটতি অর্থায়নের উৎস নিয়ে। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে ব্যাংক ঋণের মাধ্যমে নেওয়া হবে ৪৭ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা, যা চলতি বাজেটে লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে ৪২ হাজার ২৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ চলতি বছরের তুলনায় ৫ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকা বেশি ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া হবে। অভ্যন্তরীণ অংশের আরেক খাত সঞ্চয়পত্র থেকে ঋণ নেওয়া হবে ২৭ হাজার কোটি টাকা, যা চলতি বাজেটে ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ চলতি বাজেটের তুলনায় আগামী বাজেটে এ খাত থেকে ১৮ হাজার কোটি টাকা কম নেওয়া হবে। এর বাইরে অন্যান্য খাত থেকে নেওয়া হবে ৩ হাজার কোটি টাকা। এ ছাড়া নতুন বাজেটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মবার্ষিকী পালনের প্রতিফলন থাকবে। আর বেশি মনোযোগ থাকবে নির্বাচনী ইশতেহার অনুসারে আমার গ্রাম আমার শহর ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে। দেশের প্রতিটি গ্রামকে শহরে রূপান্তর করার ঘোষণা থাকছে। এতে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা হবে গ্রামকে-যেখানে ইন্টারনেট, বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ সব ধরনের নাগরিক সুবিধা পৌঁছে দেয়া হবে। আমার গ্রাম আমার শহর এই কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য দায়িত্ব থাকবে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের। তবে প্রত্যেক মন্ত্রণালয়কে এ কাজে সম্পৃক্ত করা হবে। সূত্র জানিয়েছে, একাদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় ও ২০১৯ সালের বাজেট অধিবেশন গতকাল মঙ্গলবার বিকাল ৫টায় শুরু হয়েছে। আর আগামীকাল বৃহস্পতিবার ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী।
শারীরিক অবস্থার উন্নতি অর্থমন্ত্রীর
১২জুন২০১৯,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি মঙ্গলবার বিকেলে মেডিকেল চেকআপের জন্য রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে যান। এ সময় ডাক্তারের পরামর্শে তিনি হাসপাতালে অবস্থান করেন এবং শারীরিক নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করান। হাসপাতালের একটি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হতে থাকে। রাতে তিনি হাসপাতালেই অবস্থান করেন। আজ বুধবার তিনি হাসপাতাল ত্যাগ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। মঙ্গলবার রাতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা গাজী তৌহিদুল ইসলাম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল রুটিন মেডিকেল চেকআপের জন্য আজ সন্ধ্যায় ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে গিয়েছিলেন। তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন। আগামী ১৩ জুন বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী।