শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০২১
প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা পেলেন সেই প্রতিবন্ধী প্রসূতি ও তার আশ্রয়দাতা
০৭,অক্টোবর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অর্থ সহযোগিতা পেলেন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে মানসিক প্রতিবন্ধী, তার সদ্যজাত শিশু ও তাদের আশ্রয়দাতা। আজ বুধবার সকালে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া নগদ ৫৫ হাজার টাকা ও একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যান পৌঁছে দেন ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ। এসময় স্থানীয় সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার, কালীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর সিদ্দিকী ঠান্ডু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুবর্ণা রানী সাহা, চিকিৎসক, সাংবাদিকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। গত সপ্তাহে কালীগঞ্জের মায়াধরপুর গ্রামের রাস্তার পাশ থেকে প্রতিবন্ধী অন্তঃস্বত্বা নারীকে নিজ বাড়িতে আশ্রয় দেন ওই গ্রামের দিনমজুর আমজাদ আলী। গত শুক্রবার কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেই নারী একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। আশ্রয় দেয়া ও সন্তান প্রসবের খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ গণমাধ্যমে প্রচার হলে তা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টিগোচর হয়। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসককে তার সার্বিক সহযোগিতার নির্দেশ দেন। আশ্রয়দাতা আমজাদ আলী একজন প্রান্তিক চাষী। তার মাঠে কোনো চাষযোগ্য জমি নেই। বর্গাচাষ ও কৃষিশ্রমিকের কাজ করে সংসাল চালান তিনি। এক মেয়ে আর এক ছেলের মধ্যে মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন। ছেলে রাজমিস্ত্রির কাজ করে। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়ে ছেলে ছয় মাস ধরে শয্যাশায়ী। ফলে সংসারে এখন আমজাদ একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্য। অভাবের সংসারের মধ্যেও আমজাদ আলীর এই অনন্য মানকিবতার দৃষ্টান্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিগলিত করেছে। তার নির্দেশেই ওই প্রতিবন্ধী নারীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত ২ অক্টোবর দুপুরে কালীগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে তিনি সন্তান প্রসব করেন। জানা গেছে, মা ও মেয়ে উভয়েই বর্তমানে সুস্থ আছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমজাদ আলীর ইচ্ছা অনুযায়ী তাকে একটি ব্যাটারিচালিত রিকশাভ্যান দেয়া হয়েছে। প্রতিবন্ধী নারীটিকে করে দেয়া হয়েছে প্রতিবন্ধী কার্ড। প্রসূতি ও সদ্যজাতকে দেখভালের জন্য আমজাদের হাতে দেয়া হয়েছে নগদ ৫৫ হাজার টাকা।
বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনীর ব্রেইল সংস্করণের মোড়ক উন্মোচন
০৭,অক্টোবর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনীর ব্রেইল সংস্করণের মোড়ক উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিং-এ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকের আগে অসমাপ্ত আত্মজীবনী-এর ব্রেইল সংস্করণের মোড়ক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী পাঠকদের কথা বিবেচনা করে মুজিববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী বইটির ব্রেইল সংস্করণ প্রকাশে উদ্যোগ নেয়। প্রথম ধাপে অসমাপ্ত আত্মজীবনীর ১০০ সেট (প্রতিটি ৬ খণ্ড) ব্রেইল সংস্করণ মুদ্রণ সম্পন্ন হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনীর ব্রেইল সংস্করণে মোড়ক উন্মোচন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ব্রেইলে প্রকাশ করা হয়েছে যাতে আমাদের দৃষ্টি প্রতিবন্ধীরাও পড়তে পারে। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের অনেকে পড়াশোনা করে, তারাও যেন বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে জানতে পারে। তারাও ইতিহাসটা জানার সুযোগ পাবে। বঙ্গবন্ধুকে আত্মজীবনী লেখায় বঙ্গমাতা সব সময় উদ্বুদ্ধ করতেন জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমার মা সব সময় অনুপ্রেরণা দিতেন তিনি যেন তার জীবনীটা লিখে রাখেন। সেই থেকে তিনি কিন্তু লিখতে শুরু করেন। বাবা যতবার কারাগার থেকে মুক্তি পেতেন আমার মা জেলগেটে আর কিছু না হোক লেখার খাতাগুলো সংগ্রহ করে রাখতেন। অসমাপ্ত আত্মজীবনীর পাণ্ডুলিপি উদ্ধারের ইতিহাস তুলে ধরে বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো ১৯৭১ সালে এই খাতাগুলো আমরা প্রায় হারাতে বসেছিলাম। কিন্তু সে সময় আমরা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছিলাম। যদিও আমাদের ধানমন্ডির বাসা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী লুটপাট করে। অনেকগুলো খাতা সেগুলোর ওদের কাছে মূল্য ছিল না। যাই হোক এক সময় সেগুলো উদ্ধার করে নিয়ে আসি। স্বাধীনতা সংগ্রাম ও এদেশের মানুষের অধিকার আদায়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান ও ত্যাগের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। অসমাপ্ত আত্মজীবনী- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনী। ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি থাকাকালে বঙ্গবন্ধু এটি লেখা শুরু করেছিলেন। ২০১২ সালের ১২ জুন বইটি প্রকাশিত হয়। অসমাপ্ত আত্মজীবনী প্রকাশের পর থেকেই দেশি-বিদেশি পাঠকদের কাছে জনপ্রিয়তা পায়। বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনীটি ইংরেজি, হিন্দি, উর্দু, জাপানি, চীনা, আরবি, ফরাসি, তুর্কি, স্প্যানিশসহ ১৪টি ভাষায় অনূদিত হয়।
ধর্ষণে মৃত্যুদণ্ড, গণধর্ষণে প্রকাশ্য ফাঁসিসহ ৭ দফা দাবি
০৭,অক্টোবর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সুষ্ঠু তদন্তের ভিত্তিতে যে কোনো ধর্ষণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড এবং গণধর্ষণের ক্ষেত্রে প্রকাশ্য ফাঁসিসহ সাত দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছে পরিবেশবাদী ছাত্র-যুব সংগঠন গ্রীন ভয়েস এবং নারী ও শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিটি বহ্নিশিখা। মঙ্গলবার (০৬ অক্টোবর) দুপুরের দিকে সংসদ ভবন দক্ষিণ প্লাজায় (আসাদ গেট) আড়ংয়ের নিচে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে গ্রীন ভয়েসের উপদেষ্টা স্থপতি ইকবাল হাবিব বলেন, আমাদের মা-বোনেরা পাহাড় থেকে সমতল কোথাও নিরাপদ নয়। খুন, ডাকাতি, অপহরণ যেমন বাড়ছে, তেমনি বেড়েই চলেছে ধর্ষণের ঘটনা। এটি এখন বড় ভাবনার বিষয়। প্রশাসনে, রাজনীতিতে, ব্যবসা-বাণিজ্যে নারীর যোগদানের ক্ষেত্র বাড়ছে। অর্থনীতি উন্মুক্ত বাজারে নারীর যোগ্যতা ও দক্ষতার মর্যাদা দিতে এগিয়ে আসছে। সেই সময়টায় নারীর ওপর এমন পীড়ন কেন বাড়লো তা নিয়ে আলোচনা হলে যাদের গাত্রদাহ হয়, যারা সব কিছুতে রাজনীতি দেখেন, কিংবা যারা নারীর চাল-চলন ও পোশাকের দোষ খোঁজেন তারা ধর্ষকের সহযোগী হয়ে উঠছেন। টেলিফোনে সংহতি জ্ঞাপন করেন বিশিষ্ট লেখক ও কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, ধর্ষকের কোনো মা-বাবা নেই, জাত-ধর্ম নেই, তার একমাত্র পরিচয় সে ধর্ষক। ধর্ষকের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। জাতি, ধর্ম, বর্ণ ভেদে আসুন সবাই ধর্ষকের বিরুদ্ধে গণ-আন্দোলন গড়ে তুলি। আমাদের মা-বোনেরা নিরাপদে চলা-ফেরা করুক, সন্তানেরা নিরাপদে বেড়ে উঠুক। গ্রীন ভয়েসরের প্রধান সমন্বয়ক আলমগীর কবির বলেন, আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্যমতে গত নয় মাসে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৯৭৫ জন নারী, যা গড়ে প্রতিদিন তিন জনেরও বেশি। এর মধ্যে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন ২০৮ নারী। এছাড়া ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হয়েছেন ৪৩ জন আর আত্মহত্যা করেছেন ১২ নারী। গত নয় মাসে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন ১৬১ নারী। এর মধ্যে যৌন হয়রানরি কারণে ১২ নারী আত্মহত্যা করেছেন। আর যৌন হয়রানির প্রতিবাদ করতে গিয়ে তিন নারী ও নয় পুরুষ নিহত হয়েছেন। বাংলাদেশ পুলিশের মতে, দেশে প্রতিদিন গড়ে ১৫ জন নারী ধর্ষিত হন। তিনি আরও বলেন, আমরা জানি, ধর্ষণের সব ঘটনা থানা-পুলিশ পর্যন্ত যায় না। যারা সাহস করে ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে থানা পর্যন্ত আসতে পারেন, তাদের বেশিরভাগই আদালত পর্যন্ত বিচারপ্রক্রিয়া টেনে নিতে পারেন না। অথবা সাক্ষ্য-প্রমাণের অভাবে ধর্ষক খালাস পেয়ে যায়। একই ঘটনায় ধর্ষক বুক ফুলিয়ে হাঁটে! আর ধর্ষিতা যার বিন্দুমাত্র দোষ নেই, সে লজ্জায় মুখ লুকায়। ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে না পারলে এ রাষ্ট্র কারও জন্যই নিরাপদ থাকবে না। এসিড অপরাধ দমন আইন, ২০০২ এর সাজা মৃত্যুদণ্ড হবার পর এটা কমে গেছে। ধর্ষণের সাজাটাও মৃত্যদণ্ড হোক। সমাবেশে থেকে উত্থাপিত সাত দফা দাবিগুলো হলো- ধর্ষণের বিচারের জন্য দ্রুত আলাদা ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে হবে, সুষ্ঠু তদন্তের ভিত্তিতে যে কোনো ধর্ষণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড এবং গণধর্ষণের ক্ষেত্রে প্রকাশ্য ফাঁসি দিতে হবে, ১৮ বছরের নিচে কোনো কিশোর-কিশোরী ধর্ষিত হলে তার সব দায়ভার রাষ্ট্রকে নিতে হবে, ধর্ষণ মামলা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি ও রায় দ্রুত কার্যকর করতে হবে, ধর্ষণকে জামিন অযোগ্য অপরাধ বলে ঘোষণা করতে হবে, আগামী তিন মাসের মধ্যে পূর্বে সংগঠিত সব ধর্ষণ মামলার বিচারের কাজ নিষ্পত্তি করতে হবে এবং কোনো ধর্ষণ মামলায় গাফিলতি ধরা পড়লে অথবা টাকা নিয়ে নিষ্পত্তি করতে চাইলে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- গ্রীন ভয়েজেন কেন্দ্রীয় সহ-সমন্বয়ক হুমায়ুন কবির সুমন, সাবেক ছাত্র নেতা রোস্তম আলী খোকন, সাবেক ছাত্র নেতা জহুরুল ইসলাম মিন্টু, গ্রীন ভয়েসের কেন্দ্রীয় নেতা তরিকুল ইসলাম রাতুল, আরিফুল ইসলাম, সাচিনু মারমা, আব্দুস সাত্তার, শাকিল কবির, রায়হান পারভেজ, গ্রীন ভয়েস কুড়িগ্রাম জেলার সমন্বয়ক মুনসেফা তৃপ্তি প্রমুখ।
সময়মতো পদক্ষেপ নিতে পারায় অর্থনীতি গতিশীল: প্রধানমন্ত্রী
০৬,অক্টোবর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগদ সহায়তা ও প্রণোদনাসহ সঠিক পদক্ষেপের কারণে সরকার অর্থনীতি গতিশীল রাখতে সক্ষম হয়েছে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা ঠিক সময়মতো পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নিয়ে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভার সূচনা বক্তব্যে একথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমরা ঠিক সময়মতো পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। কত টাকা আছে কী আছে সেটা চিন্তা করিনি। এটাই চিন্তা করেছি এই দুঃসময়ে আমাদের অর্থনীতির চাকাটাকে যদি গতিশীল রাখতে হয় তাহলে অবশ্য সেখানে আমাদের পৌঁছাতে হবে। মানুষের হাতে টাকা পৌঁছে দিতে হবে। আর সাধারণ মানুষ যাদের কোনো কাজ না থাকলে জীবনটা চালানোই মুশকিল, তাদেরও নগদ অর্থ সাহায্য করা বা বিভিন্ন সেক্টরে যে আমরা টাকা পাঠিয়েছি সেগুলোও কিন্তু খুব কাজে লেগেছে। শেখ হাসিনা বলেন, কৃষিতে আমরা সরাসরি দিলাম, আবার শিল্পসহ অন্য সেক্টরগুলোর জন্য আমরা আলাদাভাবে কিন্তু ভাগে ভাগে যেমন ক্ষুদ্র ও মাঝারির জন্য আলাদা, বৃহৎ শিল্পের জন্য আলাদা- এরকম প্রত্যেকটা সেক্টরের জন্য ভাগ ভাগ করে দেওয়ার পরে গার্মেন্টস সেক্টরের জন্যও বিশেষভাবে দিলাম- এই দেওয়ার কারণেই অর্থনীতিটা গতিশীল রাখতে সক্ষম হয়েছি। ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে আমরা যে প্রণোদনাটা দিয়েছি- এই প্রণোদনাটা যখনই এরা নিতে শুরু করেছে তখনই কিন্তু তারা আবার ব্যবসায় ফিরে আসতে পারছে। এমন কোনো সেক্টর নেই যাদের আমরা সাহায্য দেইনি। তিনি বলেন, বিত্তশালী-বড়লোকদের সেভাবে আমরা দেইনি। যারা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত তাদের কাছে পৌঁছাতে পেরেছি এবং সময়মতো আমরা যে টাকাটা দিলাম, নগদ ও প্রণোদনা দিলাম- এটাতেই কিন্তু ব্যবসাটা ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছি। যারা লেবার তাদেরও কাজ করবার আগ্রহ ছিল, তারাও কাজ করছে। কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষিকে গুরুত্ব দিতে হবে এই কারণে- কৃষি আমাদের ধরে রাখতে হবে এবং খাদ্য উৎপাদনটা বাড়াতে হবে। মানুষের যাতে খাবারে কষ্ট না হয়। সেটা আমরা কিন্তু ধরে রেখেছি।
নোয়াখালীর অপরাধীদের শিগগিরই আইনের মুখোমুখি করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
০৬,অক্টোবর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ নির্যাতনের ঘটনায় যারা অপরাধী তাদের খুব শিগগিরই আইনের মুখোমুখি করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, এ ধরনের জঘন্য অপরাধ যারা করেন তাদের আইনানুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া উচিত। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাস্প্রতিক ইস্যুতে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নোয়াখালী ঘটনা চরম বর্বরতা। এই ঘটনায় ২ জনবাদে সবাইকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এখানে কোনো ধরনের গাফলতি নিরাপত্তাবাহিনী দেখায়নি। খুব শিগগিরই আমরা তাদের আইনের মুখোমুখি করবো।
সাংবাদিক গোলাম ফারুকের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আজ
০৬,অক্টোবর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাংবাদিক গোলাম ফারুকের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৪ সালের ৬ অক্টোবর পবিত্র ঈদুল আজহার দিনে মাত্র ৪৮ বছর বয়সে প্রয়াত হন তিনি। তিনি মৃত্যুকালে দৈনিক বণিক বার্তার ব্যবস্থাপনা সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন। পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে ময়মনসিংহ শহরের পৈত্রিক বাড়িতে গিয়েছিলেন তিনি। রাত ৯টার দিকে ঢাকা ফেরার পথে হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করলে দ্রুত তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত পৌনে ১০টার দিকে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। গোলাম ফারুক ১৯৬৬ সালের ৬ অক্টোবর ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। আশির দশকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্যে অনার্স করার সময়ই জড়িয়ে পড়েন মঞ্চ নাটকে। এরপর ঢাকায় এসে গড়ে তোলেন দেশ নাটক। থিয়েটারের পাশাপাশি শুরু করেন সাংবাদিকতা। ১৯৯৩ সালে সহকারী সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন তারকালোকে। ১৯৯৫ সালে শেষ দিকে একঝাঁক তরুণকে সঙ্গে নিয়ে গড়ে তোলেন আনন্দভুবন টিম। অভিনব উপস্থাপনায় কয়েক মাসের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায় আনন্দভুবন। গোলাম ফারুক কখনোই নিরপত্তা ও নিশ্চয়তার দেয়ালে ঘর বাঁধার প্রয়াসী ছিলেন না। প্রতিনিয়ত নতুন নতুন অঙ্গনে বিচরণ ছিল ছিল তার। সাপ্তাহিক ছেড়ে তিনি ১৯৯৮ সালের দিকে যোগ দেন ওই সময়ে নতুন ধারার সংবাদপত্র ভোরের কাগজ এর ফিচার বিভাগে। সৃজনশীল নির্মাণের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয়ে ২০০০ সালের দিকে গড়ে তোলেন প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সাবটেক্স। এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেন নিজেই। এখান থেকে বেরিয়ে আসে চতুর্থমাত্রা, ফুলকুমার এর মতো কালজয়ী নির্মাণ। ২০০৫ সালে সমকাল- প্রকাশের আয়োজন শুরু হলে যোগ দেন ফিচার সম্পাদক হিসেবে। ২০০৯ সালের তিনি গড়ে তোলেন এবিসি রেডিও। এরপর ২০১১ সালে যোগ দেন বণিক বার্তা পরিবারে।
ধর্ষণের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে: ওবায়দুল কাদের
০৫,অক্টোবর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ধর্ষণের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় সরকার অপরাধীদের শাস্তি দিচ্ছে। তবে এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়তে হবে। এ ধরনের ইস্যু নিয়ে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। আমি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। ওবায়দুল কাদের আজ সোমবার সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের কর্মকর্তা এবং দফতর প্রধানের সঙ্গে উন্নয়ন কার্যক্রম পর্যালোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন। ধর্ষণের প্রতিটি ঘটনাতেই সরকার ব্যবস্থা নিচ্ছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সরকার ক্ষমতায়, কি করে দায় এড়াবে? এসব ব্যাপারকে সরকার প্রশ্রয়ও দিচ্ছে না। প্রত্যেকটি ব্যাপারে সরকার ব্যবস্থা নিচ্ছে। দলীয় পরিচয়ের কেউ থাকলেও তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। ওবায়দুল কাদের বলেন, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে ধর্ষণ ও নারীর প্রতি সহিংসতার খবর পাওয়া যাচ্ছে। ধর্ষণ নি:সন্দেহে নিন্দনীয় অপরাধ ও সামাজিক ব্যাধি। এসব চরম ঘৃণিত কাজের সঙ্গে যারা জড়িত, তারা বিকৃত রুচির অপরাধী। সরকার এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি দিচ্ছে। তবু এ ধরনের ঘটনা দেশের কোথাও না কোথাও ঘটছে। সম্প্রতি পাশের দেশেও এমন ঘটনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে সবার প্রতি সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সব ইস্যু নিয়ে রাজনীতি করার কোনো প্রয়োজন নেই। এ ধরনের একটা ইস্যু নিয়ে রাজনৈতিক দলসহ সাংস্কৃতিক ও সেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটা সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। ধর্ষণের সঙ্গে সরকারি দল সমর্থিত ছাত্র সংগঠনের নাম আসছে এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ওবায়দুল কাদের বলেন, যেই হোক। এটার দায় কেউ এড়াতে পারবে না। সরকার ক্ষমতায়, সরকার কীভাবে দায় এড়াবে? সরকার এটাকে মোটেও প্রশ্রয়ও দিচ্ছে না। প্রত্যেকটি ব্যাপারে সরকার দায়িত্ব নিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী, এসব ঘটনায় যারা জড়িত, তাদের মধ্যে আমাদের দলীয় পরিচয়েও কেউ যদি থাকে, অবশ্যই তাকে আইনের আওতায় এবং শাস্তির আওতায় আনতে হবে। সেটা শুধু মুখে বলা হচ্ছে না, বাস্তবেও কার্যকর করা হচ্ছে। তিনি বলেন, রিফাত হত্যা মামলার রায় হয়ে গেলো, ফেনীর নুসরাতের ঘটনায় রায় হলো। এগুলোর বিচার তো হচ্ছেই। সব ব্যাপারেই শাস্তি হবে। ওয়াহিদার ওপর হামলা হয়েছে, সে ব্যাপারেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। দলীয় পরিচয়ের নামও শোনা গেছে, কিন্তু কাউকে ছাড় দেওয়া হয়নি। আবরার ফাহাদ হত্যাকান্ডে প্রায় প্রত্যেকেই ছাত্রলীগের পরিচয়ে ছিলো। কিন্তু তাদের কি শাস্তি থেকে ছাড় দেওয়া হয়েছে? নাকি তাদের চার্জশিট থেকে বাইরে রাখা হয়েছে? বাংলাদেশ ট্রাক-কাভার্ডভ্যান মালিক-শ্রমিক সমন্বয় পরিষদের ৯ দফা দাবিতে ডাকা পণ্য পরিবহন ধর্মঘট দেশ ও অর্থনীতির স্বার্থে প্রত্যাহার করে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়ে সড়ক পরিবহন এবং সেতুমন্ত্রী বলেন, করোনাকালে জনভোগান্তি ও দেশের পণ্য পরিবহন জিম্মি করা প্রত্যাশিত নয়। তিনি বলেন, সম্প্রতি পরিবহন মালিকদের একটি অংশ বিশেষ করে ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতি দু দিনের ধর্মঘট ডাক দিয়েছে বলে শুনেছি। মালিক সমিতির কোনো দাবি থাকলে তা আমরা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে পারি। অতীতেও অনেক বিষয় আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হয়েছে। আমি ইতোমধ্যে বিষয়টি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি, তিনিও বসতে রাজি। কোনো দাবি থাকলে আলোচনা হবে। সেতুমন্ত্রী বলেন, করোনাকালে জনভোগান্তি ও দেশের পণ্য পরিবহন জিম্মি করা প্রত্যাশিত নয়। তাই আমি ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতিকে দেশ ও অর্থনীতির স্বার্থে ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত বিশেষ করে চট্টগ্রাম অঞ্চলে ধর্মঘটের যে আহ্বান জানানো হয়েছে তা প্রত্যাহারের আহ্বান জানাচ্ছি। আপনারা আলোচনায় বসুন, যৌক্তিক কিছু থাকলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বসে বিষয়টির সমাধানের পথ খুঁজে বের করুন।
নারী নির্যাতনকারী যেই হোক, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হবে: তথ্যমন্ত্রী
০৫,অক্টোবর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, নারী নির্যাতন-ধর্ষণের সাথে যারাই যুক্ত থাকুক, যে পরিচয়ই ব্যবহার করুক না কেন, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে সরকার বদ্ধপরিকর। সোমবার (৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে তানিয়া সুলতানা হ্যাপি রচিত আমি হবো আগামীদিনের শেখ হাসিনা শিশুতোষ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। এসময় বিএনপির মন্তব্য সরকারের জবাবদিহিতার অভাবে দেশে খুন-ধর্ষণ বাড়ছে এর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মন্ত্রী একথা বলেন। তথ্যসচিব কামরুন নাহার অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে এবং গ্রন্থ রচয়িতা তানিয়া সুলতানা বই পরিচিতি বক্তব্য রাখেন। ড. হাছান বলেন, এ ধরণের অপকর্মের সাথে যারা যুক্ত, তারা দুষ্কৃতিকারী, তাদের কোনো অন্য পরিচয় থাকতে পারেনা। এ ধরণের দুষ্কৃতিকারীদের কঠোর হস্তে দমন করার জন্য সরকার বদ্ধপরিকর। ইতিপূর্বে এ ধরণের ঘটনায় অনেক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়েছে। এ ধরণের আগেও ঘটতো, কিন্তু আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এমন ব্যাপকতা না থাকায় অনেক ঘটনাই আড়ালে থেকেছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এখন বেশিরভাগ ঘটনা আড়ালে থাকে না, প্রায় সব ঘটনাই প্রকাশ্যে আসে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যারা নারী নির্যাতন-ধর্ষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার, এই বিষয়গুলো যারা তুলে ধরছেন, তাদেরকে ধন্যবাদ। এতে করে সরকারের পক্ষ থেকে এ ধরণের অপকর্ম যারা ঘটাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া সহজতর হচ্ছে। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, এ ধরণের ঘটনা নিয়ে রাজনীতি করার কোনো অবকাশ নেই, কিন্তু এগুলোকে রাজনৈতিক রূপ দেয়ার জন্য মাঝেমধ্যেই বিএনপির পক্ষ থেকে অপচেষ্টা চালানো হয় । তিনি বলেন, এই বিএনপিই দলীয়ভাবে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশে নারী ধর্ষণ করেছে। ২০০১ সালের পর ৮ বছরের শিশুকে, অন্ত:সত্ত্বা মহিলাকে এমনকি নৌকায় ভোট দেয়ার অপরাধে পুরো গ্রাম অবরুদ্ধ করে সেখানকার মহিলাদের ধর্ষণ করা হয়েছে। সেই দু:সহ স্মৃতি এখনো অনেকে বয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে। সুতরাং যারা দলীয়ভাবে এ ধরণের অপকর্ম করেছে এবং এর বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করে নাই, তাদের এ নিয়ে কথা বলার কতটুকু নৈতিক অধিকার আছে, সেটিই বড় প্রশ্ন। মন্ত্রী আরো বলেন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদ বলেছেন, মানুষের কথা বলার অধিকার নেই। অথচ তারা সকালে একবার, দুপুরে একবার, আবার বিকেলে আরো একবার সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে। মির্জা ফখরুল সাহেব বললে তার সাথে প্রতিযোগিতা দিয়ে রিজভী সাহেব বা আরো দু-একজন নেতা সকাল-বিকাল-দুপর বিষোদগার করে আর বলে, আমাদের কথা বলার অধিকার নেই, যা হাস্যকর। এসময় আমি হবো আগামীদিনের শেখ হাসিনা শিশুতোষ গ্রন্থ রচয়িতাকে ধন্যবাদ জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, শিশুরাই আমাদের জাতির ভবিষ্যত এবং আজকের এই দিনে যেদিন প্রধানমন্ত্রী শিশু দিবসের উদ্বোধন করেছেন, সেদিন এ গ্রন্থের যাত্রা শুরুটি তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য বস্তুগত উন্নয়নের পাশাপাশি, মানুষের আত্মিক উন্নয়নসমৃদ্ধ একটি উন্নত জাতি গঠন। সেজন্য মানুষের মধ্যে মমত্ববোধ, দেশাত্মবোধ, মূল্যবোধ এগুলোর সমন্বয় ঘটাতে হয় এবং সেটি শিশু বয়সেই করতে হয়। আর সেজন্য এসকল গুণে গুণান্বিতদের জীবন কাহিনী যদি শিশুরা পড়তে পারে, জানতে পারে তাহলে উন্নত জীবন গঠনে সেটি অত্যন্ত সহায়ক হয়। আর তেমনি একজন মানুষ আমাদের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা, যিনি শৈশব থেকে সমস্ত প্রতিকূলতার মধ্যে তার জীবনকে আজকে বিশ্বনেতৃত্বের পর্যায়ে নিয়ে গেছেন। তথ্যসচিব কামরুন নাহার বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়ন, অগ্রগতি ও নারী ক্ষমতায়নে পৃথিবীর সামনে উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। তাঁর জীবন ও কর্ম আমাদের শিশু-কিশোরসহ সকলের জন্য অনুসরণীয়। সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী সোহানা জেসমিন, লেখক জাহাঙ্গীর আলম শোভন, সংস্কৃতিকর্মী দিপু সিদ্দিকী, নাদিবা পারভীন লাকী, নাজনীন সুলতানা নাজু, আজিমুন রুমা, নাহিদ নাজ, জামান নূর ও শিশুশিল্পী হামীম, ওমর, অনিরুদ্ধ, সাদিয়া, সারামনি, রাইফ, জুঁই, চামেলি, রামিয়া, রামিম, আবরার, সাবীত, হাসিব প্রমুখ বইমোড়ক উন্মোচনে অংশ নেন।
ধর্ষণের প্রতিবাদে উত্তাল রাজপথ
০৫,অক্টোবর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে এক নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত ধর্ষণের প্রতিবাদে রাজধানীর শাহবাগ মোড় সহ বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। আজ সোমবার (৫ অক্টোবর) বেলা ১১টায় বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ ও প্রগতিশীল ছাত্রজোটের আহ্বানে গণঅবস্থান কর্মসূচির ডাক দেয়া হয়। তারা শাহবাগ ও জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দেন। এদিকে, ধর্ষণের বিরুদ্ধে শাহবাগে ছাত্র অধিকার পরিষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ছাত্রদল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত নোয়াখালীর সুবর্ণচরের শিক্ষার্থীরা আলাদা ব্যানারে মানববন্ধন করেছেন। অপরদিকে, রাজধানীর উত্তরায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে শিক্ষার্থীরা। তারা আজ সকাল ১১টা থেকে উত্তরার হাউস বিল্ডিং এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সিলেট এবং নোয়াখালীতে সম্প্রতি যে ধর্ষণ এবং ধর্ষণচেষ্টা ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে তার প্রতিবাদে সকাল ১১টার দিকে উত্তরার হাউস বিল্ডিং এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।

জাতীয় পাতার আরো খবর