বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
২৬মার্চ,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর কিছু সময় তিনি সেখানে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) সকালে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে তিনি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগ, মহিলা লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুব মহিলা লীগ, কৃষক লীগসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন এবং বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো হয়। এর আগে সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রথমে প্রধানমন্ত্রী এবং পরে আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে তিনি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় আওয়ামী লীগ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
স্মৃতিসৌধে শহিদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
২৬মার্চ,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস আজ (মঙ্গলবার)। মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী শ্রেষ্ঠ সন্তানদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে বাঙালি জাতি। সর্বস্তরের জনতার পুষ্পাঞ্জলিতে ভরে উঠছে ঢাকার সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ। দেশের অন্যান্য এলাকায়ও স্মৃতিস্তম্ভে অর্পণ করা হচ্ছে শ্রদ্ধা। প্রথমেই জাতীয় স্মৃতিসৌধে সকাল ৫টা ৫৭ মিনিটে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ। এর পরই শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করেন। এ সময় বিউগলে বাজানো হয় করুণ সুর। গার্ড অব অনার দেয় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল। পরে দলের সভাপতি হিসেবে আওয়ামী লীগের নেতাদের নিয়ে আবারও স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর মহান মুক্তিযুদ্ধের বীরশহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া, সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা রওশন এরশাদ, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, ভাষাসৈনিক, বিভিন্ন বাহিনীর প্রধানরা। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিসৌধ এলাকা ছেড়ে গেলে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সর্বস্তরের মানুষের জন্য জাতীয় স্মৃতিসৌধ উন্মুক্ত করে দেয়া হয়।
আজ মহান স্বাধীনতা দিবস
২৬মার্চ,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার শপথ গ্রহণের মধ্যদিয়ে গর্বিত জাতি আজ ৪৯তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করছে। যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন উপলক্ষ্যে এবার জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। আজ প্রত্যুষে রাজধানীতে একত্রিশ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির সূচনা হয়। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর নেতৃত্বে উপস্থিত বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশি কূটনীতিকবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের জনগণ পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এদিকে, স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। এসময় সারাদেশে একযোগে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশিত হয়। বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশন পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে সম্ভব হলে বাংলাদেশের সাথে একই সময়ে এবং অন্যান্যরা একই দিনে সুবিধাজনক সময়ে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন কর্মসূচি পালন করে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে বর্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাঙালি জাতির কণ্ঠ চিরতরে স্তব্ধ করে দেয়ার লক্ষ্যে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে অপারেশন সার্চ লাইটের নামে নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলার মাধ্যমে বাঙালি জাতির জীবনে যে বিভীষিকাময় যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছিল দীর্ঘ নয় মাসে মরণপণ লড়াইয়ের মাধ্যমে বাংলার দামাল সন্তানেরা এক সাগর রক্তের বিনিময়ে সে যুদ্ধে বিজয় লাভ করে স্বাধীনতার লাল সূর্য ছিনিয়ে আনে। ১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে জয়লাভ করা সত্ত্বেও বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে পাকিস্তানি সামরিক জান্তা ক্ষমতা হস্তান্তর না করে পাকিস্তানি সেনারা বাঙালি বেসামরিক লোকজনের ওপর গণহত্যা শুরু করে। তাদের এ অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল আওয়ামী লীগসহ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রগতিশীল সকল রাজনৈতিক নেতা-কর্মী এবং সকল সচেতন নাগরিককে নির্বিচারে হত্যা করা। সেনা অভিযানের শুরুতেই হানাদার বাহিনী বঙ্গবন্ধুকে তাঁর ধানমন্ডির বাসভবন থেকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের আগে বঙ্গবন্ধু ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং যে কোন মূল্যে শত্রুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। মুহূর্তের মধ্যেই বঙ্গবন্ধুর এ ঘোষণা ওয়্যারলেসের মাধ্যমে দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে দেয়া হয়।
আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, যাবো: প্রধানমন্ত্রী
২৫মার্চ,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের মানুষের আওয়ামী লীগের ওপর ভরসা আছে এমন দাবি করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন,মানুষ আওয়ামী লীগ সরকারের ওপর আস্থা ও ভরসা রেখেছে। যার কারণে জনগণের ভোটে আমরা আবারো ক্ষমতায় এসেছি। আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, যাবো। বাংলাদেশকে কেউ কখনো দাবায়ে রাখতে পারেনি, পারবেও না। সোমবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে মানুষের কল্যাণে গৌরবময় ও অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৩ ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস। সারাদেশের মানুষ দিবসটি যেন সুষ্ঠুভাবে পালন করতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। স্বাধীনতার সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর লক্ষ্য ছিল। আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। তিনি বলেন, মাত্র ৯ মাসের মধ্যে সংবিধান উপহার দিয়েছিলেন জাতির পিতা। দেশকে সাবলম্বী করাই ছিল তার লক্ষ্য। তার লক্ষ্য ছিল জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলে দেশের অর্থনৈতিক দিক উন্নয়ন করা। বর্তমানে আওয়ামী লীগ সরকার সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। শেখ হাসিনা আরো বলেন,একসময় বাংলাদেশকে সম্মানের চোখে দেখা হতো না। বাংলাদেশকে দেখা হতো একটি দুর্ভিক্ষ দেশ হিসেবে। যে জাতি রক্তের বিনিময়ে এই দেশ স্বাধীন করেছে সেই দেশকে কেউ যদি অসম্মান করে তাহলে তা কষ্টের কারণ। সেই থেকে আমরা যাতে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে থাকতে পারি সেই লক্ষ্যে কাজ করছি। বর্তমানে স্বাধীন দেশ হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্বে একটি স্থান করে নিয়েছে। এখন আর বাংলাদেশকে কেউ দুর্ভিক্ষের চোখে দেখে না। আজ বাংলাদেশকে মানুষ সম্মানের চোখে দেখে। এটাই আমার সফলতা।
বিশ্বের তিনজন মানবতাবাদী নেতার মধ্যে শেখ হাসিনা একজন: জাতিসংঘ
২৫মার্চ,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা অন্তত ১০ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছেন। তিনি মানবতার বড় দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করেছেন। বিশ্বের তিনজন মানবতাবাদী নেতার মধ্যে শেখ হাসিনা একজন। মন্তব্য করলেন জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি ও গণহত্যা প্রতিরোধ বিষয়ক বিশেষ উপদেষ্টা অ্যাডামা ডিয়েং। রোববার বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) মিলনায়তনে বাংলাদেশে ১৯৭১ সালের গণহত্যা শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এ মন্তব্য করেন। অ্যাডামা ডিয়েং এ সময় রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো মিয়ানমারের বর্বরতাকে গণহত্যা হিসেবে আখ্যায়িত করে এ বিষয়ে বাংলাদেশের প্রতি জাতিসংঘের দৃঢ় সহযোহিতার কথা পুনরুল্লেখ করেন। তিনি বলেন, গণহত্যা চালানো সেইসব নৃশংতাকারীকে অবশ্যই বিচারের আওতায় আনতে হবে। জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল এসময় বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারের নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে নিতে দেশটির ওপর চাপ জোরদারের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান একা করতে পারবে না। তাই এই সমস্যার সমাধানে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে চাপ আরো বাড়াতে হবে। অ্যাডামা ডিয়েং বলেন, জাতিসংঘ চায় রোহিঙ্গারা তাদের নিজ রাজ্য রাখাইনে পুনর্বাসিত হোক এবং সেখানে শান্তিপূর্ণ ও বৃহত্তর সমাজ গড়ে উঠুক। অ্যাডামা ডিয়েং নারীর ক্ষমতায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ভূয়শী প্রশংসা করেছেন এবং বলেছেন, আপনি নারীর ক্ষমতায়নের প্রতীক। তিনি বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় তিনজন নারী নেতৃত্বের নাম উল্লেখ করেন। এরা হচ্ছেন : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মারকেল এবং নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আহডার্ন। পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক, সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজ এর পরিচালক বিচারপতি মফিদুল হক, আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. আমীর-উল ইসলাম, বিআইআইএসএস চেয়ারম্যান রাষ্ট্রদূত মুনশি ফাইজ আহমদ ও সংস্থার মহাপরিচালক এ কে এম আব্দুর রহমান সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন।-আরটিভি
স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী
২৫মার্চ,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের ১২জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে তাদের স্ব স্ব ক্ষেত্রে গৌরবময় ও অসামান্য অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ স্বাধীনতা পুরস্কার-২০১৯ প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ সোমবার সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক নাগরিক সম্মাননা তাদের হাতে তুলে দেন। সরকার গত ১০ মার্চ এ বছরের স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য ১২জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানের নাম ঘোষণা করে। স্বাধীনতা পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে শহিদ বুদ্ধিজীবী মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী (মরণোত্তর), শহিদ এটিএম জাফর আলম (মরণোত্তর), এ কে এম মোজাম্মেল হক, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, ড. কাজী মিসবাহুন নাহার, আব্দুল খালেক (মরণোত্তর) ও অধ্যাপক মোহাম্মাদ খালেদ (মরণোত্তর), শওকত আলী খান (মরণোত্তর), চিকিৎসা বিজ্ঞানে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নুরুন্নাহার ফাতেমা বেগম, সমাজ সেবায় ড. কাজী খলীকুজ্জামান আহমেদ, সংস্কৃতিতে মুর্তজা বশীর, সাহিত্যে হাসান আজিজুল হক, গবেষণা ও প্রশিক্ষণে অধ্যাপক ড. হাসিনা খাঁন। প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়া হয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব এগ্রিকালচারকে (বিআইএনএ)।
জামায়াতের বিচার: খসড়া মন্ত্রিপরিষদে
২৫মার্চ,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে জামায়াতে ইসলামীর বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতার বিচার হয়েছে। এরপর দলটির বিচারের দাবি উঠে। তবে সে বিচার নিশ্চিত করতে দরকার ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইনের সংশোধন। সরকারের পক্ষ থেকে বারবার আশ্বাস দেয়া হলেও গত প্রায় পাঁচ বছরেও আইনটির সংশোধন সম্ভব হয়নি। অবশেষে সেই সংশোধিত আইনের খসড়া মন্ত্রিপরিষদে গেছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে সোমবার আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানিয়েছেন, আইনের সংশোধনীর খসড়াটি মন্ত্রিপরিষদে চলে গেছে। এর আগেও আইনটি সংশোধনের বেশকিছু নজির রয়েছে। ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইনটির প্রথম সংশোধনী আনা হয়েছিল ২০০৯ সালে। প্রথম সংশোধনীতে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন আনা হয়েছিল। তারপর দ্বিতীয় সংশোধনী আনা হয় ২০১২ সালে। আসামির অনুপস্থিতিতে তাকে পলাতক ঘোষণা করে বিচার করা এবং এক ট্রাইব্যুনাল থেকে অন্য ট্রাইব্যুনালে মামলা স্থানান্তর নিয়ে এই সংশোধনী আনা হয়। এরপর দল হিসেবে জামায়াতের বিচারে সরকার উদ্যোগ নিলে আইনটির পুনরায় সংশোধনীর প্রয়োজন হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার প্রধান সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান খান জানান, ২০১৩ সালের আগস্টে দল হিসেবে জামায়াত ইসলামী বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত শুরু হয়। তদন্ত শেষে তা প্রতিবেদন আকারে ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন কার্যালয়ে পাঠানো হয়। ২০১৪ সালের ২৭ মার্চ ওই প্রতিবেদন প্রসিকিউশনের পাঠানো হলেও এরপর আর জামায়াতের বিচারে কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। এরপর প্রায় ৫ বছর কেটে গেলেও বিচার শুরু করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর মোখলেছুর রহমান বাদল বলেন, সবার মতো আমরাও চাই আইনটি খুব দ্রুত সংশোধন করা হোক।
স্বাধীনতা দিবসে যানবাহন চলাচলে ডিএমপির বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা
২৫মার্চ,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশেষত সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে চলাচলের ক্ষেত্রে এই নির্দেশনা কার্যকর হবে। ডিএমপির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবসের প্রত্যুষে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ উপলক্ষে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতা, বিদেশি কূটনীতিক ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন সাভার স্মৃতিসৌধে গমনাগমন করবেন। তাদের সুষ্ঠু গমনাগমন নিশ্চিতকল্পে এদিন ভোর ৪টা থেকে সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত ঢাকা হতে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এ জন্য বাস, মিনিবাস, ট্রাক, লরিসহ বড় গাড়ির চালক/ব্যবহারকারীকে বিকল্প সড়কে চলাচল করার কথা বলা হয়েছে ডিএমপির নির্দেশনায়। বিকল্প সড়ক- ১। গাবতলী আমিন বাজার ব্রিজ সাভার-নবীনগর রোড পরিহার করে বিকল্প রাস্তা হিসেবে ঢাকা এয়ারপোর্ট রোড-আব্দুল্লাহপুর ক্রসিং-আশুলিয়া সড়ক হয়ে চলাচল করবে। ২। আরিচা/পাটুরিয়া হতে সাভার-আমিন বাজার হয়ে ঢাকাগামী উক্ত যানবাহনসমূহ নবীনগর বাজার হতে বাইপাইল-আশুলিয়া হয়ে ঢাকায় প্রবেশ করবে। ৩। টাঙ্গাইল হতে আশুলিয়া হয়ে ঢাকাগামী যানবাহনসমূহ কালিয়াকৈর-গাজীপুর চৌরাস্তা-টঙ্গী হয়ে ঢাকায় প্রবেশ করবে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবসে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ অনুষ্ঠান চলাকালীন যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা রক্ষা ও যানজট এড়ানোর লক্ষ্যে সম্মানিত নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করছে।

জাতীয় পাতার আরো খবর