শতভাগ শ্রমিক বেতন-ভাতা পেয়েছে : বিজিএমইএ
শতভাগ পোশাক কারখানার শ্রমিকরা মে মাসের বেতন ও ঈদ বোনাস (উৎসব ভাতা) পেয়েছেন বলে দাবি করেছে তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ। তাদের বক্তব্য বেতন-ভাতা পরিশোধের পাশাপাশি ইতোমধ্যে ৯০ শতাংশ কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। বাকী ১০ শতাংশ কারখানা আজকের মধ্যে ছুটি ঘোষণা করবে। ঈদ সামনে রেখে বেতন-ভাতা পরিশোধের সর্বশেষ তথ্য এবং শ্রম পরিস্থিতির বিষয়ে জানাতে বৃহস্পতিবার বিজিএমইএ ঢাকায় নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘আমাদের জানামতে শতভাগ পোশাক কারখানায় শ্রমিকদের গত মাসের বেতন ও ঈদের বোনাস দেয়া হয়েছে।এর মধ্যে ৯০ শতাংশ কারখানায় ছুটি দেয়া হয়েছে। আজকের মধ্যে বাকি কারখানাগুলোতেও ছুটি ঘোষণা করা হবে।শ্রমিকরা অনেকেই বাড়ির পথে রওয়ানা হয়েছেন।’ সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ঈদের আগে বেতন ভাতা নিয়ে সমস্যা হতে পারে এমন কিছু কারখানার তালিকা বিজিএমইএ বিভিন্ন উৎস থেকে পেয়েছিল।এজন্য বিভিন্ন সংস্থা থেকে প্রাপ্ত এবং বিজিএমইএ এর ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট সেলের তথ্য মোতাবেক মোট ১২০০ কারখানাকে নজরদারির মধ্যে আনা হয়। সিদ্দিকুর রহমান জানান,বিজিএমইএর পক্ষ থেকে এসব কারখানা পরিদর্শন করা হয়।সংগঠনের সরাসরি হস্তক্ষেপে সমস্যাপূর্ণ ৩৫ টি কারখানার শ্রমিকদের বেতনভাতাদি নিশ্চিত করা হয়। তিনি বলেন, ‘এ মুহূর্তে আমাদের হাতে বেতন ভাতা পরিশোধ বিষয়ে সমাধান করা হয়নি, এ রকম একটি কারখানাও নেই।’ সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে বিজিএমইএ সভাপতি জানান, কিছু কারখানায় বেতন-ভাতা ও ছুটি দেয়ার পরও অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে। এজন্য মে মাসের পুরো বেতন দেয়ার পরও কোন কোন কারখানায় জুনের ১০ দিনের বেতনও দেয়া হয়েছে, যাতে কোন অস্থিরতা তৈরি না হয়।বাসস
৬টি প্রকল্পে ১৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ দেবে জাপান
জাপান সরকার তাদের ৩৯তম সরকারি উন্নয়ন সহযোগিতার (ওডিএ) ঋণ প্যাকেজের আওতায় বাংলাদেশে বাস্তবায়নাধীন ৬টি বড় প্রকল্পে প্রায় ১৫ হাজার ৩২৬ কোটি টাকা অর্থ সহযোগিতা প্রদান করবে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব কাজী শফিকুল আজম ও ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত হিরোইয়াসু ইজুমি বাস্তবায়নাধীন ৬টি প্রকল্পে সহযোগিতা সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করেন। বাংলাদেশের পক্ষে ইআরডি’র সচিব ও ঢাকায় জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) প্রধান নির্বাহী তাকাতোশি নিশিকাতা এই ঋণতে চুক্তি সই করেন। প্রকল্পগুলোর মধ্যে মাতারবাড়ি বন্দর উন্নয়ন প্রকল্পে ২০৩ কোটি টাকা, যমুনা রেল সেতু নির্মাণ প্রকল্পে ২ হাজার ৮৪৬ কোটি টাকা, ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পে (লাইন ৫) ৫৬২ কোটি টাকা, ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রকল্প (৩য় পর্যায়) ৬ হাজার ৬৩ কোটি টাকা, মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্প (৪র্থ পর্যায়) ৫ হাজার ১৪৮ কোটি টাকা এবং স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন প্রকল্পে ৫০১ কোটি টাকা অর্থ সহযোগিতা রয়েছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে জাপান নির্মাণ কাজে বছরে শতকরা ১ শতাংশ, স্বাস্থ্যসেবা খাতের উন্নয়নে বছরে শতকরা ০ দশমিক ৯ শতাংশ এবং প্রকৌশল সহযোগিতা প্রদানের ক্ষেত্রে বছরে শতকরা ০ দশমিক ০১ শতাংশ হারে সুদ নিবে। ঋণ প্রাপ্তির প্রাথমিক ফি নির্ধারণ করা হয়েছে শতকরা ০ দশমিক ২ শতাংশ। এতে ১০ বছর গ্রেস পিরিয়ড ধরে ঋণ পরিশোধের সময়কাল ৩০ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। ইআরডি কর্মকর্তারা জানান, মাতারবাড়ি বন্দর উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো কক্সবাজারের মাতারবাড়িতে একটি নতুন বাণিজ্য বন্দর স্থাপন করা। মোট ৩ হাজার ৫১১ মিলিয়ন ইয়েন ব্যয়ের এই প্রকল্পটিতে জাইকা ২ হাজার ৬৫৫ মিলিয়ন ইয়েন অর্থ মূল্যের প্রকৌশল সহযোগিতা প্রদান করবে, যা মোট প্রকল্প ব্যয়ের ৭৫ শতাংশ।বাসস
পরাজিত বিএনপি মিথ্যাচারের রাজনীতিতে : তথ্যমন্ত্রী
তথ্যমন্ত্রী ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেছেন, আগুন যুদ্ধে পরাজিত বিএনপি মিথ্যাচারের রাজনীতি করছে। আজ বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বরাদ্দ থেকে সাংবাদিক সহায়তা চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘গত সাড়ে নয় বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার বিএনপি’র লাগাতার নাশকতা, অন্তর্ঘাত ও আগুন সন্ত্রাসের মধ্যেই বিস্ময়কর উন্নয়ন সাধন করে তাদের পরাজিত করেছেন।’ ‘পরাজিত বিএনপি এখনো জনগণের কাছে ক্ষমা না চেয়ে, আত্মসমর্পণ না করে মিথ্যাচারের রাজনীতি বেছে নিয়েছে, যা গণতন্ত্রের সাথে যায় না’ বলে তিনি উল্লেখ করেন। তথ্যমন্ত্রী এ সময় সাংবাদিকদের জন্য সরকারি সহায়তা শুধু অনুদানের চেকেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, তাদের চিকিৎসা, বাসস্থান, সন্তানদের শিক্ষা, ঋণ প্রভৃতি খাতেও বিস্তৃৃত হবে বলে তিনি জানান। এই ট্রাস্টকে ‘সাংবাদিকদের জন্য শেখ হাসিনার তৈরি একটি স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলার জায়গা’ বলে তিনি বর্ণনা করেন। বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় তথ্যসচিব আবদুল মালেক বলেন, দেশের ইতিহাসে প্রথম সাংবাদিকদের কল্যাণে ট্রাস্ট গঠন করে প্রধানমন্ত্রী যে নজির স্থাপন করেছেন, তা গণমাধ্যমের প্রতি তার মমতা ও আন্তরিকতার পরিচয়ই বহন করে। আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মন্ত্রী এবং সচিব এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের শুভেচ্ছা জানান। পিআইবি মহাপরিচালক মো. শাহ আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ৫১ জন সাংবাদিকের হাতে চেক তুলে দেয়া হয়।বাসস
জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন
জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেছেন, এখানে প্রায় ১ লাখ মুসল্লি একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করতে পারবেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় ঈদগাহ মাঠ পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান। মেয়র বলেন, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে শনিবার (১৬ জুন) সকাল সাড়ে আটটায় ঈদের প্রধান জামাত জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। কম-বেশি এক লাখ মুসল্লির একসঙ্গে নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নারীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, এখানে পাঁচ হাজার নারী একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন। ঈদগাহে মাঠে পর্যাপ্ত অযুর ব্যবস্থা থাকবে। পানযোগ্য পানিসহ থাকবে পর্যাপ্ত টয়লেট। ঈদগাহে মুসল্লিদের জরুরি স্বাস্থ্য সেবাদানে মেডিকেল টিম প্রস্তুত থাকবে। সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং জেনারেটরও প্রস্তুত থাকবে। ঈদগাহে সার্বিক নিরাপত্তায় তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা থাকবে। এজন্য র‌্যাব-পুলিশসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থাকে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আগুন লাগার মতো কোনো ঘটনা ঘটলে পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফায়ার সার্ভিস সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় থাকবে। তিনি আরো বলেন, যদি আবহাওয়াজনিত কারণে কোনো দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি হয় তাহলে ঈদের প্রধান জামাত জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে সকাল নয়টায় অনুষ্ঠিত হবে। ঈদ জামাত চলাকালীন আবহাওয়াজনিত কারণে বজ্রপাত ঠেকাতে ঈদগাহে বজ্র প্রতিরোধক দণ্ড স্থাপন করা হয়েছে।
আগামীতে ফুটবলেও আমরা বিশ্বকাপে যাব
বিশ্বকাপ উন্মাদনায় বুঁদ ক্রীড়ামোদিরা। এ উপলক্ষে চারটি স্মারক ডাক টিকিট, স্যুভেনির শিট, উদ্বোধনী খাম ও ডাটা কার্ড প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার স্মারক ডাক টিকিট অবমুক্ত করেন। অনুষ্ঠানে মোস্তাফা জব্বার বলেন, ফুটবলে আমরা পিছিয়ে থাকলেও ক্রিকেটে এগিয়ে আছি। আশা করছি আগামীতে ফুটবলেও আমরা বিশ্বকাপে যাব। এ সময় ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার, ডাক বিভাগের মহাপরিচালক সুশান্ত কুমার মন্ডলসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যমানের ৪টি ডাকটিকেট, প্রতিটি ৫০ টাকা মূল্যমানের ২টি স্যুভেনির শীট, ১০ টাকা মূল্যমানের একটি উদ্বোধনী খাম ও পাঁচ টাকা মূল্যমানের ডাটা কার্ড প্রকাশ করে। এজন্য একটি বিশেষ সিলমোহর ব্যবহার করা হয়।
তিনি কেন সিএমএইচকে গ্রহণ করছেন না ?
কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপাসন খালেদা জিয়ার সিএমএইচে চিকিৎসা নিতে রাজি না হওয়ার সমালোচনা করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। বলেছেন, সেনাবাহিনীর পরিবারের সদস্য হয়েও খালেদা জিয়া কেন সেনাবাহিনীর (সম্মিলিত সামরিক বাহিনীর) হাসপাতালকে বিশ্বাস করেন না- এটা আমার প্রশ্ন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর মহাখালী আন্তঃনগর বাস টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। এ বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, তিনি (খালেদা জিয়া) যখন বিএসএমএমইউতে যেতে রাজি হননি তখন তাকে সিএমএইচের প্রস্তাব দেওয়া হয়। সিএমএইচ অনেক ভালো হাসপাতাল। এর চেয়ে ভালো চিকিৎসার গ্যারান্টি অন্য কোথাও নেই। সবচেয়ে ভালো ব্যবস্থাপনার হাসপাতালও এটাই। এরপরও তিনি কেন সিএমএইচকে গ্রহণ করছেন না, বুঝলাম না। এটা আর্মির হাসপাতাল। সেনাবাহিনীর পরিবারের সদস্য হয়েও খালেদা কেন সেনাবাহিনীর (সম্মিলিত সামরিক বাহিনীর) হাসপাতালকে বিশ্বাস করেন না এটাই আমার প্রশ্ন। খালেদা জিয়ার চিকিৎসা বিএনপির নতুন ইস্যু উল্লেখ করে কাদের বলেন, বিএনপি কি তার চিকিৎসা চান নাকি রাজনীতি করতে চান? বিএনপির নেতারা এটা নিয়ে রাজনীতির ইস্যু খুঁজছে। সিএমএইচ যাদের পছন্দ না, নিশ্চয়ই তারা এ নিয়ে রাজনীতি করছে। জেল কোড অনুযায়ী খালেদা জিয়াকে বিএসএমএমইউতে নেওয়ার কোনো বিধান নেই। সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ বিষয়ে ওবায়েদুল কাদের বলেন, ইউ আর রং (আপনি ভুল)। তাকে সিএমএইচে নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
সিএমএইচ এ চিকিৎসা নিতে খালেদা জিয়া অস্বীকৃতি জানিয়েছেন
সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসা নিতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। এখন তিনি (খালেদা জিয়া) চাইলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসা নিতে পারেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘খালেদা জিয়া একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক দলের প্রধান। আমরা তাঁর চিকিৎসার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। এ কারণেই আমরা প্রথমে তাঁকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাসেবা দিতে চেয়েছি। তিনি অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। পরবর্তী সময়ে কারা কর্তৃপক্ষ তাঁকে সিএমএইচে চিকিৎসা নিতে প্রস্তাব করেছেন। এটি দেশের সব হাসপাতাল থেকে অনেক গুণে ভালো। এখানেও তিনি চিকিৎসা নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।’ এখন খালেদা জিয়ার চিকিৎসা কোথায় হবে? এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এখন চিকিৎসকরা বসে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করবেন। চিকিৎসকরা যে পরামর্শ দেন, আমরা সেটাই অনুসরণ করব।’ অপর এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘খালেদা জিয়া চাইলে এখনো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসা নিতে পারেন। দেশের খ্যাতিমান চিকিৎসকরা এখানে আছেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসার সময় প্রয়োজনে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসকরাও থাকতে পারবেন। এতে কোনো বাধা নেই।’ বিএনপির দাবি ও খালেদা জিয়ার পরিবারের আবেদন অনুযায়ী ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসা দিতে অসুবিধা কোথায়? এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জেলকোডের বিধান অনুযায়ী একজন কারাবন্দির পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার বিষয়ে কিছু বিধিনিষেধ রয়েছে। ইউনাইটেড হাসপাতাল নিয়ে রাজনীতি হচ্ছে কি না তাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিএনপি বারবার খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়ার দাবি করে আসছে। এর পেছনে কোনো রাজনীতি আছে কি না, সেটা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইউনাইটেড হাসপাতালের চেয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রপাতি ও চিকিৎসার মান আরো আধুনিক। পারিবারিক খরচে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে ভর্তি করিয়ে চিকিৎসার সুযোগ দেওয়ার জন্য গত মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বরাবর আবেদন করেছিলেন তাঁর ভাই শামীম ইস্কান্দার। আবেদনের বিষয়ে এ দিন বিএনপি চেয়ারপাসনের উপদেষ্টা বিজন কান্তি সরকার সাংবাদিকদের বলেন, ‘আগে খালেদা জিয়া ইউনাইটেড হাসপাতালেই নিয়মিত চিকিৎসা করাতেন। তাঁর রোগ সম্পর্কে এখানকার চিকিৎসক ওয়াকিবহাল। বেসরকারি হাসপাতালে কারাবন্দিদের চিকিৎসা করানোর বহু নজির এর আগে আমরা দেখেছি।’ ওই দিনই পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, আমরা বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সিএমএইচে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য প্রস্তাব দেবো। আমার মতে, সিএমএইচে তাঁর চিকিৎসা নেওয়া উচিত।

জাতীয় পাতার আরো খবর