সোমবার, মার্চ ৮, ২০২১
করোনা আবার আসতে পারে, মিতব্যয়ী হোন
১১,অক্টোবর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা মহামারি আবার দেখা দিলে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সরকারি অর্থ খরচ করার বিষয়ে সর্বোচ্চ মিতব্যয়ী হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আমাদের মিতব্যয়ী হতে হবে। ঠিক যেটুকু আমাদের নেহায়েত প্রয়োজন তার বেশি এখন কোনো পয়সা খরচ করা চলবে না। রোববার (১১ অক্টোবর) গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে সাভার সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত সেনাবাহিনীর ১০টি ইউনিট ও সংস্থাকে জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। বাজেটের অর্থ খরচে সংশ্লিষ্টদের মিতব্যয়ী হওয়ার নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, কোভিড-১৯ এর এই সংকটময় সময়েও মানুষের কল্যাণে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। এবার ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট দিয়েছি। যেটা দেওয়া খুব কঠিন ছিল। তবু আমরা দিয়েছি, তারপরও বলেছি যে অর্থ খরচের ব্যাপারে সবাইকে একটু সচেতন থাকতে হবে। কারণ করোনা ভাইরাস যদি আবার ব্যাপক হারে দেখা দেয় তাহলে আমাদের প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হবে। মানুষকে আবার আমাদের সহযোগিতা করতে হবে, চিকিৎসা করতে হবে, ওষুধ কিনতে হবে, হয়তো আরও ডাক্তার নার্স আমাদের লাগবে। সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমাদের মিতব্যয়ী হতে হবে। ঠিক যেটুকু আমাদের নেহায়েত প্রয়োজন তার বেশি এখন কোনো পয়সা খরচ করা চলবে না। ভবিষ্যতের দিকে লক্ষ্য রেখেই সে ব্যবস্থা নিতে হবে। যদিও আমরা বাজেট ঠিক রেখেছি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দ্বিতীয় দফার করোনা মহামারি দেখা দেওয়ার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখনো করোনা ভাইরাসের প্রভাব আছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, আরেকবার হয়তো এই করোনা ভাইরাসের প্রভাব বা প্রার্দুভাব দেখা দিতে পারে। কারণ ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশে আবার নতুন করে দেখা দিচ্ছে। আমাদের এখন থেকেই সবাইকে সুরক্ষিত থাকতে হবে। সেই সাথে আমাদের খাদ্য উৎপাদন অব্যাহত রাখতে হবে। সেই দিক বিবেচনায় আমরা আহ্বান জানাবো, আপনারা এই ব্যাপারে যার যার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবেন। খাদ্য উৎপাদন আরও বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, কৃষিতে নির্দেশনা ছিল প্রচুর পরিমাণ খাদ্য উৎপাদন করতে হবে। ... কোনো মতে যাতে খাদ্য সংকট দেখা না দেয়। আমরা দেখতে পাচ্ছি করোনা ভাইরাসের কারণে বিশ্বব্যাপী একটা খাদ্য মন্দা দেখা দিচ্ছে। অনেক উন্নত দেশও হিমশিম খাচ্ছে। বাংলাদেশে আমরা সঠিক সময়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিয়েছিলাম বলেই আজকে সেই সমস্যাটা আমাদের দেখা দিচ্ছে না। করোনা মহামারির শুরু থেকে মানুষের জীবন এবং দেশের অর্থনীতিকে বাঁচাতে দুই হাজার ডাক্তার নিয়োগ, ৬ হাজার নার্স নিয়োগ, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট নিয়োগ, স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরঞ্জামের ব্যবস্থা করা, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিসহ অর্থনীতি চাঙ্গা রাখতে ২১টি প্যাকেজে প্রণোদনা, ক্ষতিগ্রস্ত ও কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষের জন্য আমরা তাৎক্ষণিকভাবে খাদ্য ও অন্যান্য সহায়তা প্রদান, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, শ্রমিক ও দিনমজুরসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষকে নগদ অর্থ সহায়তাসহ সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। করোনা মোকাবিলায় আক্রান্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সশস্ত্র বাহিনীকে ধন্যবাদ দেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই করোনা ভাইরাসেও আমাদের সেনাবাহিনী দীর্ঘ কয়েকমাস যাবৎ ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। মানুষের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করা, তাদের রিলিফ বিতরণ করা, তাদের নানা ধরনের সহযোগিতা করা, করোনা সম্পর্কে তাদের সচেতনতা সব ব্যাপারেই বিশেষ ভূমিকা আপনারা পালন করে যাচ্ছেন। সেজন্য আমি সেনাবাহিনীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। সাথে সাথে আমাদের নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী তাদেরও ধন্যবাদ জানাই। প্রত্যেকে বিশেষ ভাবে অবদান রেখে যাচ্ছে। একুশ শতকের ভূ-রাজনৈতিক এবং সামরিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পারদর্শী সশস্ত্র বাহিনী গঠনে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে গত সাড়ে ১১ বছরে ব্যাপক উন্নয়ন করায় সারা বিশ্বে আমাদের সামরিক বাহিনীর একটি উন্নত ও আধুনিক বাহিনীর মর্যাদা অর্জন সম্ভব হয়েছে। পেশাগত ভাবে দক্ষতার পাশাপাশি সৎ জীবন যাপনের তাগিদ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, সেনাবাহিনী দেশের সম্পদ এবং মানুষের ভরসা ও বিশ্বাসের প্রতীক। আর কোনো সেনাবাহিনী যদি মানুষের আস্থা বিশ্বাস অর্জন করতে না পারে তাহলে কখনো তারা কোনো বিজয় অর্জন করতে পারে না। তাই আপনাদের সবাইকে পেশাগতভাবে দক্ষ, সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে সৎ এবং মঙ্গলময় জীবনের অধিকারী হতে হবে। দেশপ্রেম ও সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রেখেই দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণ এরা তো আপনাদেরই আপনজন, আপনাদেরই পরিবারের সদস্য। কাজেই তাদের কল্যাণের কথা চিন্তা করে আপনাদের কাজ করতে হবে। আমাদের সেনাবাহিনী সব সময় মানুষের পাশে আছে, প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ায়। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা বিশ্বে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা রক্ষায় সব সময় নিবেদিত প্রাণ। সে জন্য জাতিসংঘ যখনই আমাদের সশ্রস্ত্র বাহিনীর সদস্য চেয়েছে, পুলিশ বাহিনী চেয়েছে আমরা সেটা দিয়ে যাচ্ছি- শুধুমাত্র আমরা যেহেতু বিশ্ব শান্তিতে বিশ্বাস করি। সংবিধানকে সমুন্নত রেখে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবো। গৃহহীনদের জন্য সরকারের কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, গৃহহীনদের ঘর নির্মাণ করে দিচ্ছি। এদেশে কেউ গরীব-গৃহহীন থাকবে না। সকলের উন্নত জীবন নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। পতাকার মর্যাদা রক্ষায় সবাইকে সচেষ্ট থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের এ পতাকা। এই পতাকা হলো জাতির স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, সম্মান এবং মর্যাদার প্রতীক। তাই পতাকার মান রক্ষা করা প্রত্যেকেরই দায়িত্ব। প্রতিটি সৈনিক, সকল জনসাধারণ সবারই দায়িত্ব এই পতাকার মর্যাদার রক্ষা করা। এটাই হচ্ছে আমাদের প্রতীক, আমাদের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের। রোববার ৯ পদাতিক ডিভিশনের ৮ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন ও এডহক ১১ বীর মেকানাইজড ব্যাটালিয়ন, ১০ পদাতিক ডিভিশনের ৬ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন ও ১৩ বীর, ১১ পদাতিক ডিভিশনের ৫৯ ইষ্ট বেংগল সাপোর্ট ব্যাটালিয়ন, ২৪ পদাতিক ডিভিশনের ১ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন ও ১২ বীর, ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের ১৫ বীর সাপোর্ট ব্যাটালিয়ন, ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের ৩ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন এবং স্কুল অব ইনফ্যান্ট্রি অ্যান্ড ট্যাকটিকস্ (এসআইএন্ডটি)-এর জাতীয় পতাকা প্রদান করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ এসব ইউনিট প্রধানদের হাতে পতাকা তুলে দেন।
সরকার কঠোর অবস্থানে: কাদের
১১,অক্টোবর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নারী নির্যাতনসহ যে কোনো অপরাধের বিষয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে আছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তবে আন্দোলনের নামে সহিংসতা ছড়ালে তা প্রতিহত করা হবে বলে তিনি হুঁশিয়ার করেন। রোববার (১১ অক্টোবর) বিআরটিসির সদর দপ্তরে বঙ্গবন্ধু কর্ণার উদ্বোধনের সময় ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন। সংসদ ভবন এলাকায় সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি এ অনুষ্ঠানে যুক্ত হন। কাদের বলেন, সরকার নারী নির্যাতনসহ যে কোনো অপরাধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। বিএনপির আন্দোলনের ওপর জনগণের কোনো আস্থা নেই উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, মানুষের সাড়া না পেয়ে বিএনপি বার বার ব্যর্থ চেষ্টা করছে। তারা একবার কোটা সংস্কার আন্দোলন, আবার শিক্ষার্থীদের নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে জনগণের সাড়া না পেয়ে এখন ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন বিরোধী আন্দোলনের ওপর ভর করেছে। তিনি বলেন, বিএনপি বিগত ১১ বছর ধারাবাহিকভাবে আন্দোলনে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে আসছে। তাদের নেতারা আন্দোলনের ডাক দিয়ে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসে পুলিশের গতিবিধির খবর নেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, জণগণের সম্পৃক্ততা যদি কোনো আন্দোলনে না থাকে তাহলে সে আন্দোলন ব্যর্থ হতে বাধ্য। শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সরকার কোনো প্রকার বাধা দেবে না জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আন্দোলনের নামে পরিস্থিতি নষ্ট করতে চাইলে, সহিংসতা ছড়ালে জণগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিহত করা হবে। পদ্মাসেতু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পদ্মাসেতুর ৩২তম স্প্যান আজ সকালে বসানো হয়েছে ৷ এই সেতু এখন ৪ হাজার ৮ শ মিটার দৃশ্যমান হয়েছে। এসময় বিআরটিসি সদর দপ্তরে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান এহছানে এলাহিসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।
রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৫০
১১,অক্টোবর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৫০ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ৬টা থেকে রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল ৬টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. ওয়ালিদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, এসময় তাদের কাছ থেকে ৩৩ হাজার ৫৩৮ পিস ইয়াবা, ১২৩.৮ গ্রাম হেরোইন, ৪২ কেজি ৬০ গ্রাম গাঁজা, এক হাজার ২০০ ক্যান বিয়ার ও ৭২ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করা হয়। গ্রেফতার আসামিদের বিরুদ্ধে ডিএমপির সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানান ওয়ালিদ হোসেন।
অপরাধী যে দলেরই হোক, শাস্তি হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
১০,অক্টোবর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেছেন, কোনো অপরাধীকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। অপরাধী যে দলের হোক না কেন, অপরাধ করলে তার শাস্তি হবে। দেশে যে হারে ধর্ষণ শুরু হয়েছে, এ ধর্ষণের শাস্তি সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড আইন করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে রাজশাহীর বাঘা উপজেলা অডিটোরিয়ামে ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে ছয়টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে বর্তমান সরকারের উন্নয়নের মহাপরিকল্পনা ভিডিও প্রদর্শন করা হয়। বাঘা উপজেলার ছয়টি উন্নয়ন প্রকল্পের মধ্যে চকরাজাপুর ইউনিয়নের বিদ্যুৎ সংযোগ, গড়গড়ি ইউনিয়নের ভূমি অফিসের ভিত্তিপ্রস্তর, মুশিদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নব নির্মিত ভবন উদ্বোধন, বাজুবাঘা ইউনিয়নের ভূমি অফিসের ভিত্তি প্রস্তর, নির্মিতব্য বাঘা উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর ও মনিগ্রাম বাজার নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। উপজেলা প্রকৌশল কার্যালয়ের আয়োজনে প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহিন রেজা। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লায়েব উদ্দিন লাভলু। এর আগে যুব মহিলা লীগের উদ্যোগে আয়োজিত ধর্ষণবিরোধী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ‌ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। সমাবেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ধর্ষকের কোনো জাত, কোনো দল, কোনো ধর্ম নেই। ধর্ষকদের কোনো সামাজিক অবস্থানও নেই। ধর্ষণের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী জনমত গড়ে তুলতে হবে। তারা যতই শক্তিশালী হোক না কেন তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ধর্ষণ মামলার তদন্ত: পুলিশ সদরদপ্তর
১০,অক্টোবর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনায় দায়ের করা প্রতিটি মামলার তদন্তে সর্বোচ্চ গুরুত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছে পুলিশ। এ অবস্থায় জনসাধারণের প্রত্যাশাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খল পরিহারের অনুরোধ জানিয়েছে পুলিশ সদরদপ্তর। শনিবার (১০ অক্টোবর) পুলিশ সদরদপ্তর থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় এ কথা জানানো হয়। পুলিশ সদরদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) সোহেল রানা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের কয়েকটি জঘন্য ও ঘৃণ্য অপরাধের পরিপ্রেক্ষিতে যুব সমাজের মধ্যে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সামগ্রিক চলমান বিষয়ে পুলিশ সদরদপ্তরের দৃষ্টি পড়েছে। পুলিশ দেশের সামাজিক শৃঙ্খলা ও শান্তি নিশ্চিতে ধর্ষণসহ নারী ও শিশু নির্যাতনের প্রতিটি ঘটনায় সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে। একইভাবে সর্বোচ্চ গুরুত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে মান বজায় রেখে প্রতিটি মামলার তদন্ত কার্যক্রম করছে পুলিশ। যথাসম্ভব দ্রুততম সময়ের মধ্যেই এসব মামলার তদন্ত শেষ করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আদালতের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সব অপরাধীর যথোপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত হবে। সদরদপ্তর জানায়, সরকার জন-আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে দ্রুত আইন সংশোধনের উদ্যোগ গ্রহণ করছে। জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সরকারও দ্রুততম সময়ের মধ্যে অপরাধীদের শাস্তি চায়। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে এ বিষয়ে সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত।
পঁচাত্তরে অসাম্প্রদায়িক চেতনা ধ্বংসের অপচেষ্টা হয়েছিল
১০,অক্টোবর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, যে অসাম্প্রদায়িক চেতনার ভিত্তিতে সবার রক্তস্রোতের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে তা ধ্বংসের অপচেষ্টা করা হয়েছিল। তিনি বলেন, তখন থেকে রাষ্ট্রকে উল্টো পথে হাঁটানোর চেষ্টা করা হয়েছে। দীর্ঘ ২১ বছর রাষ্ট্র উল্টো পথে হেঁটেছে। এরপর ৯৬ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর যে চেতনার ভিত্তিতে রাষ্ট্র রচিত হয়েছে সেই চেতনা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে। তথ্যমন্ত্রী আজ বিকেলে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট কর্তৃক দু:স্থ ও মন্দিরের অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এ জেড এম শরীফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মফিজুর রহমান, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বাবুল চন্দ্র শর্মা, উত্তম কুমার শর্মা, চট্টগ্রাম জেলা পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শ্যামল কুমার পালিত, সাধারন সম্পাদক অসীম কুমার দেব প্রমূখ। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান মুসলিম সবার মিলিত রক্তস্রোতের বিনিময়ে এই দেশের অভ্যুদয় হয়েছে। দেশ বিভাগ হয়েছিল সাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিতে। আমরা দেশ বিভাগের সময় সাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিতে পাকিস্তান নামক একটি রাষ্ট্র পেয়েছিলাম। যেখানে ধর্মীয় পরিচয়টাকে মুখ্য হিসেবে গণ্য করা হতো। কিন্তু বাঙ্গালীদের আবহমানকাল ধরে লালিত সংস্কৃতি হচ্ছে আমাদের কাছে ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য নয়। আমাদের কাছে বাঙালি পরিচয় হচ্ছে মুখ্য। তিনি বলেন, যখন আমরা দেখতে পেলাম ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য করতে গিয়ে আমাদের বাঙালি পরিচয়ের ওপর আঘাত আসছে, বাঙালির কৃষ্টি-সংস্কৃতির উপর আঘাত আসছে, বাংলা ভাষার উপর আঘাত আসছে। তখন সেই সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার লক্ষ্যে জাতির পিতার নেতৃত্বে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও স্বাধীনতার যুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। তথ্যমন্ত্রী বলেন, এই রাষ্ট্রে ধর্ম যার যার, উৎসব কিন্তু সবার- এই শ্লোগানে আমরা বিশ্বাস করি। আমাদের নেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা এই নীতিতে বিশ্বাস করেন, সেই কারণে এই কথা তিনি সব সময় বলেন। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আমাদের দেশে যখন পূজা উৎসব হয়, তখন সেটা শুধু হিন্দু ধর্মের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনা, সেই উৎসবে মুসলমান-খ্রিস্টান-বৌদ্ধ সবার মাঝে সেই উৎসবের আনন্দ সঞ্চারিত হয়। একই ভাবে আমাদের দেশে যখন ঈদ উৎসব হয়, সেই আনন্দ শুধু মুসলমান সম্প্রদায়েরর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনা। একইভাবে যখন প্রবারণা পূর্ণিমা হয় তখন ফানুস উড়ানোর উৎসব শুধু বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের মাঝে সীমাবদ্ধ থাকেনা। এটিই হচ্ছে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সৌন্দর্য। এটাই হচ্ছে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ। তিনি বলেন, পাকিস্তান আমলে শত্রু সম্পত্তি আইন করে একটি রাষ্ট্রের ১০ শতাংশ জনগোষ্ঠীকে শত্রু আখ্যায়িত করা হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এই আইনের পরিবর্তন হয়েছে। এই আইনের বেড়াজালে একটি সম্প্রদায়কে হয়রানি করার চেষ্টা করা হয়েছে। তাদের সহায় সম্পত্তি অনেক সময় বেহাত হয়েছে, বেহাত করার অপচেষ্টা করা হতো। সেটি থেকে রক্ষা এবং যেগুলো বেহাত হয়ে গেছে সেগুলোকে ফেরত আনার লক্ষে কিন্তু আইন প্রণয়ন করা হয়। আইন সংশোধন করা হয় এবং প্রসিকিউটর নিয়োগ করা হয়। অনেকেই ইতোমধ্যে এর সুফল পেয়েছেন। তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও জনগণ দীর্ঘশ্বাস ফেলে বাংলাদেশের অগ্রগতি দেখে। এখানেই হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ রাষ্ট্র রচনার সার্থকতা। আজকে বাংলাদেশ সকল অর্থনৈতিক, মানব উন্নয়ন, সামাজিক সূচকে পাকিস্তানকে পেছনে ফেলেছে। মানব উন্নয়ন ও সামাজিক সূচকে অনেক ক্ষেত্রে ভারতকেও পেছনে ফেলেছি আমরা। এসব সম্ভব হয়েছে রাষ্ট্রকে এগিয়ে নিতে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছি, এটিকে অব্যাহত রাখতে হবে। সীতাকুন্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড় শুধু বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য নয়, পৃথিবীর সকল হিন্দু সম্প্রদায়ের তীর্থস্থান উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সেখানে কিন্তু সবাই উঠতে পারেনা, সে জন্য একটা ব্যবস্থা হওয়া প্রয়োজন । তিনি অনেকের সাথে আলাপ করেছেন জানিয়ে বলেন, আমার মনে হয় হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্ট একটি উদ্যোগ নিতে পারে, কিভাবে কি করা যায়। চট্টগ্রামের মানুষ হিসেবে তিনি এ উদ্যোগের পাশে থাকবেন বলেও জানান।
কেউ যেন ঘোলা পানিতে মাছ শিকার না করে: কাদের
১০,অক্টোবর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ধর্ষণবিরোধী আন্দোলনে ভর করে কোন স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী যাতে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে না পারে সেদিকে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। শনিবার (১০ অক্টোবর) ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় এ কথা বলেন তিনি। আওয়ামী লীগের সাধারণ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার শুধু ধর্ষণ আর নারীর প্রতি সহিংসতাই নয়, যেকোনো অন্যায় অপকর্মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে। প্রতিটি ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করা হয়েছে, আনা হয়েছে বিচারের আওতায়। ধর্ষণবিরোধী আন্দোলনে ভর করে কোন স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী যাতে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে না পারে সেদিকে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। তিনি বলেন, ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যখাতের অনিয়ম রুখতে যে শুদ্ধি অভিযান সরকার পরিচালনা করছে তা কারো দাবির প্রেক্ষিতে নয়, সরকার স্বপ্রণোদিত হয়েই করছে। ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে নিতে সরকারের পতন চায়। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে সহিংস করার অপচেষ্টা করছে বিএনপি, সরকার এ বিষয়ে সজাগ রয়েছে। যারা ষড়যন্ত্রকারী, গুজব রটনাকারী তাদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, আন্দোলনের নামে অস্থিরতা ও ষড়যন্ত্র সৃষ্টির অপপ্রয়াস জনস্বার্থে সরকার কঠোর হস্তে দমন করবে। আওয়ামী লীগের নেতাদের উদ্দেশে দলটির সাধারণ সম্পাদক বলেন, দলের কোনো পর্যায়ের সন্ত্রাসী, ধর্ষক ও মাদকসেবীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না, কমিটি গঠনে ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করতে হবে।
দৃশ্যমান হচ্ছে পদ্ধা সেতুর ৪ হাজার ৮০মিটার
০৯,অক্টোবর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দীর্ঘ ৪ মাস বিরতির পর শনিবার (১০ অক্টোবর) বসবে পদ্মা সেতুর ৩২তম স্প্যান। মাওয়া প্রান্তে ৪ ও ৫ নম্বর পিলারে বসানো হবে এ স্প্যান। সবশেষ গত ১০ জুন জাজিরা প্রান্তে ৩১তম স্প্যানটি বসানো হয়েছিল। এরপর ২৪ জুন ৩২তম স্প্যানটি বসানোর কথা থাকলেও নদীতে তীব্র স্রোতের কারণে স্প্যান বসানোর কাজ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়। বর্তমানে নদীর পানির উচ্চতা কমে আসায় আবারও শুরু হচ্ছে স্প্যান বসানোর কাজ। ৩২তম স্প্যানটি বসানো হলে দৃশ্যমান হবে ৪ হাজার ৮০০ মিটার সেতু। শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার পর স্প্যান বসানোর কাজ শুরু হবে।
আলীগ নেতা নেওয়াজ খানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
০৯,অক্টোবর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আলী নেওয়াজ খানের মৃত্যুতে শুক্রবার গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। দলের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শুক্রবার সকাল ৯টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন আলী নেওয়াজ খান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। এদিকে, নেওয়াজ খানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনিও মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। আওয়ামী লীগের বিবৃতিতে বলা হয়, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী নেওয়াজ খান বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রতি অবিচল এবং দলের দুর্দিনের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা ছিলেন। তার মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয় বিবৃতিতে।

জাতীয় পাতার আরো খবর