মঙ্গলবার, মার্চ ৯, ২০২১
কেউ যেন ঘোলা পানিতে মাছ শিকার না করে: কাদের
১০,অক্টোবর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ধর্ষণবিরোধী আন্দোলনে ভর করে কোন স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী যাতে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে না পারে সেদিকে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। শনিবার (১০ অক্টোবর) ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় এ কথা বলেন তিনি। আওয়ামী লীগের সাধারণ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার শুধু ধর্ষণ আর নারীর প্রতি সহিংসতাই নয়, যেকোনো অন্যায় অপকর্মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে। প্রতিটি ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করা হয়েছে, আনা হয়েছে বিচারের আওতায়। ধর্ষণবিরোধী আন্দোলনে ভর করে কোন স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী যাতে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে না পারে সেদিকে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। তিনি বলেন, ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যখাতের অনিয়ম রুখতে যে শুদ্ধি অভিযান সরকার পরিচালনা করছে তা কারো দাবির প্রেক্ষিতে নয়, সরকার স্বপ্রণোদিত হয়েই করছে। ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে নিতে সরকারের পতন চায়। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে সহিংস করার অপচেষ্টা করছে বিএনপি, সরকার এ বিষয়ে সজাগ রয়েছে। যারা ষড়যন্ত্রকারী, গুজব রটনাকারী তাদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, আন্দোলনের নামে অস্থিরতা ও ষড়যন্ত্র সৃষ্টির অপপ্রয়াস জনস্বার্থে সরকার কঠোর হস্তে দমন করবে। আওয়ামী লীগের নেতাদের উদ্দেশে দলটির সাধারণ সম্পাদক বলেন, দলের কোনো পর্যায়ের সন্ত্রাসী, ধর্ষক ও মাদকসেবীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না, কমিটি গঠনে ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করতে হবে।
দৃশ্যমান হচ্ছে পদ্ধা সেতুর ৪ হাজার ৮০মিটার
০৯,অক্টোবর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দীর্ঘ ৪ মাস বিরতির পর শনিবার (১০ অক্টোবর) বসবে পদ্মা সেতুর ৩২তম স্প্যান। মাওয়া প্রান্তে ৪ ও ৫ নম্বর পিলারে বসানো হবে এ স্প্যান। সবশেষ গত ১০ জুন জাজিরা প্রান্তে ৩১তম স্প্যানটি বসানো হয়েছিল। এরপর ২৪ জুন ৩২তম স্প্যানটি বসানোর কথা থাকলেও নদীতে তীব্র স্রোতের কারণে স্প্যান বসানোর কাজ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়। বর্তমানে নদীর পানির উচ্চতা কমে আসায় আবারও শুরু হচ্ছে স্প্যান বসানোর কাজ। ৩২তম স্প্যানটি বসানো হলে দৃশ্যমান হবে ৪ হাজার ৮০০ মিটার সেতু। শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার পর স্প্যান বসানোর কাজ শুরু হবে।
আলীগ নেতা নেওয়াজ খানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
০৯,অক্টোবর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আলী নেওয়াজ খানের মৃত্যুতে শুক্রবার গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। দলের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শুক্রবার সকাল ৯টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন আলী নেওয়াজ খান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। এদিকে, নেওয়াজ খানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনিও মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। আওয়ামী লীগের বিবৃতিতে বলা হয়, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী নেওয়াজ খান বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রতি অবিচল এবং দলের দুর্দিনের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা ছিলেন। তার মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয় বিবৃতিতে।
দেশজুড়ে ধর্ষণ ও নির্যাতন বৃদ্ধির প্রতিবাদে মানববন্ধন
০৯,অক্টোবর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশজুড়ে ধর্ষণ, নির্যাতন এবং সহিংসতা বাড়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে সেভ আওয়ার ওমেন, বাংলাদেশ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে এ মানববন্ধন হয়। মানববন্ধনে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়ে ধর্ষণের প্রতিবাদ করেন এবং তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন। মানববন্ধনকারীদের পক্ষ থেকে বলা হয়, স্বাধীন একটি রাষ্ট্রে ধর্ষণের বিচার চাওয়াটা লজ্জাজনক। ধর্ষকরা এ সমাজের কিট এবং ধর্ষণ বর্তমানে বাংলাদেশের মূল ব্যাধি। প্রতিদিন নারীরা ধর্ষণের শিকার হচ্ছেন। আমরা ধর্ষণমুক্ত বাংলাদেশ চাই। আমরা চাই, বাংলাদেশ এবং পৃথিবীর বুক থেকে ধর্ষণ নামের শব্দটি চিরতরে বিদায় হোক। মানববন্ধনে থেকে বক্তারা ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দাবি করেন।
ধর্ষণের সাজায় পরিবর্তন আসছে
০৮,অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বর্তমান আইনে ধর্ষণের সাজায় পরিবর্তন এনে তা মৃত্যুদণ্ড করা হচ্ছে। এ সম্পর্কিত একটি সংশোধিত আইনের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় উত্থাপন করা হবে। সোমবার (১২ অক্টোবর) এই প্রস্তাব উত্থাপিত হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। উল্লেখ্য বাংলাদেশের সংবিধানে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০, এর ৯ ধারায় ধর্ষণ এবং ধর্ষণজনিত কারণে মৃত্যু ঘটানো ইত্যাদির সাজা সম্পর্কে বলা আছে। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, যদি কোন পুরুষ বিবাহ বন্ধন ব্যতীত ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সাথে তার সম্মতি ছাড়া বা ভীতি প্রদর্শন বা প্রতারণামূলকভাবে তার সম্মতি আদায় করে, অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সের কোন নারীর সাথে তার সম্মতিসহ বা সম্মতি ব্যতিরেকে যৌন সঙ্গম করেন, তাহলে তিনি উক্ত নারীকে ধর্ষণ করেছেন বলে গণ্য হবেন। বাংলাদেশের আইনে বর্তমানে ধর্ষণের সাজা হিসেবে যেসব শাস্তির উল্লেখ আছে তা নিম্নে তুলে ধরা হলো। ৯(১) যদি কোন পুরুষ কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন, তাহলে তিনি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং এর অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন। (২) যদি কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধর্ষণ বা উক্ত ধর্ষণ পরবর্তী তার অন্যবিধ কার্যকলাপের ফলে ধর্ষিতা নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটে, তা হলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং এর অতিরিক্ত অন্যুন এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন। (৩) যদি একাধিক ব্যক্তি দলবদ্ধভাবে কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন এবং ধর্ষণের ফলে উক্ত নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটে বা তিনি আহত হন, তা হলে ঐ দলের প্রত্যেক ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং এর অতিরিক্ত অন্যুন এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন। (৪) যদি কোন ব্যক্তি কোন নারী বা শিশুকে- (ক) ধর্ষণ করে মৃত্যু ঘটানোর বা আহত করার চেষ্টা করেন, তাহলে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং এর অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন; (খ) ধর্ষণের চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক দশ বত্সর কিন্তু অন্যুন পাঁচ বত্সর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং এর অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন। (৫) যদি পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে কোন নারী ধর্ষিতা হন, তা হলে যাহাদের হেফাজতে থাকাকালীন উক্তরূপ ধর্ষণ সংঘটিত হয়েছে, সেই ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ ধর্ষিতা নারীর হেফাজতের জন্য সরাসরিভাবে দায়ী ছিলেন, তিনি বা তারা প্রত্যেকে, ভিন্নরূপ প্রমাণিত না হলে, হেফাজতের ব্যর্থতার জন্য, অনধিক দশ বত্সর কিন্তু অন্যুন পাঁচ বত্সর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং এর অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন। উল্লেখ্য সম্প্রতি নোয়াখালী সিলেটে ঘটে যাওয়া ধর্ষণের ঘটনায় সারাদেশে ধর্ষণবিরোধী আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে। এরই ধারাবাহিকতায় ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করার দাবি ওঠে। ধর্ষণ এবং নারী নিপীড়ন বন্ধের দাবিতে আন্দোলনকারীদের বক্তব্য হচ্ছে, এখন আইনে ধর্ষণের যে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন সাজা রয়েছে, তা অপরাধ দমনে কঠিন কোন বার্তা দিতে পারছে না। এছাড়া বিচারের দীর্ঘসূত্রিতার কারণে বছরের পর বছর ধরে ঝুলে থাকা মামলায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সেই সাজাও হয় না। সেজন্য তারা মৃত্যুদণ্ডের দাবিকে সামনে আনছেন। কিন্তু মৃত্যুদণ্ড হলেই ধর্ষণ বন্ধ হবে- এমনটা মনে করে না মানবাধিকার সংগঠনগুলো। তাদের মতে আইনের প্রয়োগ বা বাস্তবায়ন এবং নির্যাতিতা নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা- এই বিষয়গুলোতে বড় সমস্যা রয়েছে। সে কারণে ধর্ষণের অভিযোগ বিচারের পর্যায়ে যেতেই অনেক সময় লেগে যায়। আবার নিম্ন আদালতে বিচার হওয়ার পর উচ্চ আদালতে মামলার জটে পড়ে যাচ্ছে।
শীতে করোনা বাড়ার আশঙ্কায় জেলা হাসপাতাল প্রস্তুত করছে সরকার
০৮,অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী শীতে করোনা মহামারির প্রকোপ বাড়তে পারে। সেটা মাথায় রেখে সরকার জেলা হাসপাতালগুলো প্রস্তুত করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে হাওরের বিস্ময় কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম সড়কের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে একথা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, করোনা ভাইরাস আগামী শীতকালে বাড়তে পারে সেটা মাথায় রেখে প্রত্যেকটা জেলা হাসপাতালে আইসিইউ নির্মাণ থেকে শুরু করে অক্সিজেনের ব্যবস্থাসহ সব ধরনের চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থা আমরা করে দিচ্ছি। করোনা পরিস্থিতিতে মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ২ হাজার ডাক্তার, ৩ হাজার নার্স নিয়োগ দিয়েছি, টেকনিশিয়ান নিয়োগ দিয়েছি। আমরা বিভিন্নভাবে চেষ্টা করছি। শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের কাজই হচ্ছে জনগণের কাজ করা, জনগণের কল্যাণ করা। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা অব্যাহত রাখার তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবচেয়ে কষ্টের বিষয় আমাদের ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা স্কুলে যেতে পারছে না, কলেজে যেতে পারছে না, বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে পারছে না। তাদের পড়াশোনা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তারপরও আমরা চাচ্ছি তাদের পড়াশোনাটা যাতে চলমান থাকে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা অব্যাহত রাখতে ডিজিটাল পদ্ধতি, টেলিভিশনে ক্লাস নেওয়াসহ সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন তিনি। পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা করার পরামর্শ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, খেলাধুলার দিকেও নজর দিতে হবে। খোলা বাতাস, রোদে থাকতে হবে। করোনা ভাইরাস দূর করার জন্য এটা একান্তভাবে প্রয়োজন। আপনারা সেটা মেনে চলবেন। আপনারা স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনে চলবেন যাতে এই করোনা ভাইরাসে আর কোনো মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, সারা বাংলাদেশে একটা সড়কের নেটওয়ার্ক গড়ে তুলছি। নৌপথগুলো সচল করার ব্যবস্থা নিয়েছি। রেলপথ সংযোগ পুনরায় স্থাপন করে এবং আরো নতুন নতুন অঞ্চলে রেললাইন সম্প্রসারণ করে রেলে যোগাযোগের সুযোগটা বাড়াচ্ছি। তিনি বলেন, যখন যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো হবে, মানুষের পণ্য পরিবহনের সুবিধা হবে। সেখানে মানুষের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বিতা ফিরে আসবে এবং বাংলাদেশ হবে জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলাদেশ। আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর হাওরের বিস্ময় ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম অলওয়েদার সড়ক দেখতে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইশ! কবে যে যাবো। এ সড়কে (দেখতে) কবে যে যাবো। আমার মনটা পড়ে থাকলো। এ সড়ক দিয়ে গাড়িতে কবে যাবো। রাষ্ট্রপতিও চান আমি যেন সরাসরি যাই। আমি যাবো। করোনা পরিস্থিতি উন্নতি হলে এ সড়ক দেখতে যাবো। এসময় গণভবন প্রান্তে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস, প্রধানমন্ত্রীর সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম। কিশোরগঞ্জ জেলা প্রান্তে ছিলেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক, ডিসি মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম সড়কটি এখন আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র। এরইমধ্যে হাওরের নৈসর্গিক রূপ দেখতে দেশের নানা প্রান্ত থেকে এখানে ছুটে আসছে মানুষ। বর্ষায় মাইলের পর মাইল বিস্তীর্ণ জলরাশি, বর্ষা শেষে জলকাদা আর শুকনো মৌসুমে ফসলি জমি। বর্ষায় নৌকা আর অন্য ঋতুতে পায়ে হাঁটা ছাড়া চলাচলের উপায় ছিল না হাওরবাসীর। যোগাযোগে এখানকার মানুষের কষ্ট লাঘবে বিশাল হাওরের মধ্যে এ সড়ক নির্মাণের স্বপ্ন দেখেন ‘ভাটির শার্দুল’ রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের ইচ্ছে অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে কিশোরগঞ্জ জেলার তিন উপজেলার মধ্যে সারা বছর চলাচলের জন্য নির্মিত হয় হাওরের ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম সড়ক। সড়কটি নির্মাণের ফলে শুধু হাওরবাসীর চলাচলের দুর্ভোগ দূর হয়েছে তা নয়, নতুন কর্মসংস্থানেরও সৃষ্টি হয়েছে। ২০১৬ সালের ২১ এপ্রিল ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম সড়ক প্রকল্পের নির্মাণকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর ৮৭৪.০৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম সড়কটি নির্মাণ করেছে। হাওরের বুক চিরে চলে যাওয়া ২৯.৭৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এ অলওয়েদার সড়কে ৫৯০.৪৭ মিটার দীর্ঘ তিনটি পিসি গার্ডার, ১৯০ মিটার দীর্ঘ ৬২টি আরসিসি বক্স কালভার্ট, ২৬৯.৬৮ মিটার দীর্ঘ ১১টি আরসিসি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে। এরমধ্যে ২৬১.৮১ মিটার দীর্ঘ ভাতশালা সেতু, ১৭১.৯৬৪ মিটার ঢাকী সেতু ও ১৫৬.৭২ মিটার দীর্ঘ ছিলনী সেতু সৌন্দর্যকে বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে। বর্ষায় ভাঙন থেকে সড়ক রক্ষায় ৭.৬০ লাখ বর্গমিটার সিসি ব্লক দিয়ে স্লোপ প্রটেকশনের কাজ করা হয়েছে।
হাওরের বিস্ময় ইটনা-মিঠামইন অষ্টগ্রাম সড়ক উদ্বোধন
০৮,অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: হাওরের বিস্ময় কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম সড়কের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ সড়কটির উদ্বোধন করেন তিনি। বর্ষায় মাইলের পর মাইল বিস্তির্ণ জলরাশি, বর্ষা শেষে জলকাদা আর শুকনো মৌসুমে ফসলি জমি। বর্ষায় নৌকা আর অন্য ঋতুতে পায়ে হাঁটা ছাড়া চলাচলের উপায় ছিল না হাওরবাসীর। যোগাযোগে এখানকার মানুষের কষ্ট লাঘবে বিশাল হাওরের মধ্যে সড়ক নির্মাণের স্বপ্ন দেখেন 'ভাটির শার্দুল' রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের ইচ্ছে অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে কিশোরগঞ্জ জেলার তিন উপজেলার মধ্যে সারা বছর চলাচলের জন্য নির্মিত হয় হাওরের ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম সড়ক। সড়কটি নির্মাণের ফলে শুধু হাওরবাসীর চলাচলের দুর্ভোগ দূর হয়েছে তা নয়, নতুন কর্মসংস্থানেরও সৃষ্টি হয়েছে। ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম সড়কটি এখন আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র। এরইমধ্যে হাওরের নৈসর্গিক রূপ দেখতে দেশের নানা প্রান্ত থেকে এখানে ছুটে আসছে মানুষ। হাওরের বিশাল জলরাশির বুক চিরে চলে গেছে ২৯.৭৩ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটি। বর্ষায় সড়কের দুপাশে অথৈ জলরাশি, নির্মল বাতাস আর মনকাড়া ঢেউ। শুকনো মৌসুমে মাইলের পর মাইল ফসলি জমি, যেখানে সবুজ আর সোনালি রং মিলেমিশে একাকার। হাওরের বুকে বিশাল খোলা আকাশের রূপে মুগ্ধ ভ্রমণপিপাসুরা। কখনো ঝকঝকে নীল আকাশ, কখনো আকাশে সাদা মেঘের ভেলা। ভোরের সূর্য আর গোধূলীতে ভিন্ন রূপে সাজে হাওরের আকাশ। ২০১৬ সালের ২১ এপ্রিল ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম সড়ক প্রকল্পের নির্মাণকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর ৮৭৪.০৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম সড়কটি নির্মাণ করেছে। হাওরের বুক চিরে চলে যাওয়া ২৯.৭৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এ অলওয়েদার সড়কে ৫৯০.৪৭ মিটার দীর্ঘ তিনটি পিসি গার্ডার, ১৯০ মিটার দীর্ঘ ৬২টি আরসিসি বক্স কালভার্ট, ২৬৯.৬৮ মিটার দীর্ঘ ১১টি আরসিসি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে। এরমধ্যে ২৬১.৮১ মিটার দীর্ঘ ভাতশালা সেতু, ১৭১.৯৬৪ মিটার ঢাকী সেতু ও ১৫৬.৭২ মিটার দীর্ঘ ছিলনী সেতু সৌন্দর্যকে বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে। বর্ষায় ভাঙন থেকে সড়ক রক্ষায় ৭.৬০ লাখ বর্গমিটার সিসি ব্লক দিয়ে স্লোপ প্রটেকশনের কাজ করা হয়েছে।
সরকার আত্মনির্ভরশীল ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার দ্বারপ্রান্তে: পলক
০৮,অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, পলিসি সাপোর্ট, সক্ষমতা তৈরি এবং অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ এখন একটি আত্মনির্ভরশীল ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের দ্বারপ্রান্তে। এ তিনটি খাতে অগ্রগতির কারণেই কোভিড-১৯ মহামারিকালে কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা থেকে আদালতের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে অনলাইনে বলে তিনি উল্লেখ করেন। আজ বুধবার আগারগাঁওয়ে বিসিসি মিলনায়তনে এলআইসিটি প্রকল্প এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত আইটি-আইটিইএস খাতের ব্যবস্থাপনা পেশাজীবিদের জন্য অ্যাডভান্সড সার্টিফিকেশন ফর ম্যানেজমেন্ট প্রোফেশনাল (এসিএমপি) ৪.০ গ্রীষ্মকালিন ২০২০ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও সার্টিফিকেট বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। পলক বলেন, পলিসি সাপোর্টের কারণেই আজ দেশে আইসিটি শিল্পের প্রসার ঘটছে। দেশেই উৎপাদিত হচ্ছে ল্যাপটপ. মোবাইল ফোন। সক্ষমতা তৈরি করা হচ্ছে দেশেই। যার প্রমাণ আজকের এই এসিএমপি ৪.০ কোর্সে বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ। বিদেশ গিয়ে এই প্রশিক্ষণ নিতে ১০ গুণ বেশি খরচ হতো, কিন্তু সে প্রশিক্ষণ আইসিটি বিভাগের সহযোগিতায় দেশেই করা সম্ভব হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এবং প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক মাননীয় উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ এর দিকনির্দেশনায় একটি শক্তিশালী আইসিটি অবকাঠামো তৈরি হয়েছিল বলেই আজ কোভিড-১৯ মহামারিকালে প্রায় সকল কার্যক্রমই স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী কোভিড-১৯ মহামারির সময়ে আইসিটি বিভাগের এলআইসিটি প্রকল্প ও আইবিএ যৌথভাবে এসিএমপি ৪.০ কোর্স চলমান রেখে ২০৭ জনের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার জন্য তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন খাতে বিদেশ থেকে ম্যানেজার পর্যায়ের লোক এনে ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করতে হয়। অথচ এসব কাজে দেশেই প্রশিক্ষণ দিয়ে এই পরিমাণ অর্থ সাশ্রয় করা সম্ভব। পলক বলেন, একটি তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে ব্যবসা সম্প্রসারণ, বিদেশী বিনিয়োগ আনায়ণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন শীর্ষ এবং মধ্যম স্তরের কর্মকর্তারা। এসব কর্মকর্তাদের জন্য যদি বিশ্বমানের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা যায় তারা নিজ প্রতিষ্ঠানের ব্যবসার প্রসার ঘটানোর পাশাপাশি দেশে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের দ্রুত বিকাশ ঘটাবে। এমনি চিন্তা থেকেই এসিএমপি ৪.০ কোর্স চালু করা হয় বলে তিনি জানান। আইবিএর পরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ ফরহাত আনোয়ারের সভাপতিত্বে সমাপনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) নির্বাহী পরিচালক পার্থপ্রতিম দেব, এলআইসিটি প্রকল্প পরিচালক মো. রেজাউল করিম ও আইটি-আইটিইএস পলিসি অ্যাডভাইজার সামি আহমেদ, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার এন্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবির, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার এন্ড আউটসোর্সিং (বাক্কো) সভাপতি ওয়াহিদুর রহমান শরীফ, অগমেডিক্স এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাশেদ নোমান, আইবিএর এমডিপি সমন্বয়ক ড. শাকিলা ইয়াসমিন। এলআইসিটি প্রকল্পের আওতায় ২০১৭ সালে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিকাশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএতে তিন মাস ব্যাপী এসিএমপি ৪.০ কোর্স চালু করা হয়। এ প্রশিক্ষণ কোর্সে এ পর্যন্ত মোট ৮৪৩ জনকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। পরে সফলভাবে প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারি ২০৭ জনকে সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

জাতীয় পাতার আরো খবর