ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট
১০ মে,শুক্রবার ,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম : ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গজারিয়ায় গোমতী টোল প্লাজা থেকে মেঘনা টোল প্লাজা, সোনারগাঁও মদনপুর অংশে কোনভাবেই নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না যানজট। ফলে প্রতিদিনই মহাসড়কে চলাচলকারী যানবাহনের হাজার হাজার যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।এদিকে গত ২দিন ধরে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রচণ্ড গরমে ঘন্টার পর ঘন্টা যানজটে আটকে রোজাদারদের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে।জানা যায়, দাউদকান্দির মেঘনা-গোমতী টোলপ্লাজায় ওজন নিয়ন্ত্রণে ধীরগতি, সাপ্তাহিক ছুটিতে মহাসড়কে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে অবৈধ পার্কিং, মাইক্রোবাস স্ট্যান্ড, বাজারসহ উল্টোপথে গন্তব্যে পৌঁছার চেষ্টায় প্রায় নিয়মিত যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকেই ছিল মহাসড়কে যানজট। এ সময় মেঘনা ব্রিজ ও সোনারগাঁও মদনপুরসহ প্রায় ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় যা শুক্রবার পর্যন্ত অব্যাহত ছিল।স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র ও হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি থেকে পাওয়া তথ্যে জানা যায়, দেশের প্রধান এই মহাসড়কের মাধ্যমে আমদানি-রপ্তানির সিংহভাগ সম্পন্ন হয়। ফলে প্রতিদিন কমপক্ষে ২৫ হাজারেরও বেশি যানবাহন চলাচল করে এই মহাসড়কে। ফলে কোনভাবেই মহাসড়কের গজারিয়া অংশের যানজট নিরসন সম্ভব হচ্ছে না।মহাসড়কের গজারিয়ায় অংশের বাউশিয়া, ভবেরচর রাস্তা, ভাটের চর, মেঘনা জামলদী, সোনারগাঁও, মদনপুর এলাকাজুড়ে রয়েছে যানবাহন স্ট্যান্ড, বাজার, অবৈধ পার্কিং। ফলে মহাসড়কে দ্রুতগতির যানবাহনগুলো উল্লেখিত স্থানে এসে গতি কমাতে বাধ্য হচ্ছে। এতে নিয়মিত যানজটের বাইরে অনেক স্থানে থেমে থেমেও যানজট সৃষ্ট হচ্ছে প্রতিদিন। ৬ মে মঙ্গলবার গভীর রাত থেকে মহাসড়কের মেঘনা-গোমতী ও মেঘনা ব্রিজ এলাকায় যানজটে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে এ রোডের যানবাহনের যাত্রীরা। একে তো গরম তার ওপর যানজট। মহাসড়কের যানজটের কবলে পড়ে সেহরি-ইফতারির সময় অসহনীয় দুর্ভোগ পোহাচ্ছে রোজদার মানুষ।ঢাকা-চট্টগ্রাম, গজারিয়া কুমিল্লা রুটে চলাচলকারী বিভিন্ন পরিবহনের একাধিক চালক জানান, কোন কারণ ছাড়াই হাইওয়ে পুলিশ এলাকায় খেয়ালখুশি মত দাঁড় করিয়ে অবৈধ মালামাল উদ্ধারের নামে তল্লাশি, মেঘনা-গোমতী টোলপ্লাজায় ওজন নিয়ন্ত্রণে ধীরগতি, বেশ কয়েকটি স্থানে উল্টোপথে গাড়ি চলাচল করায় যানবাহনের গতি কমে যাচ্ছে। ফলে সৃষ্ট হচ্ছে অপ্রত্যাশিত যানজট।এ অবস্থায় মঙ্গলবার গভীর রাত থেকেই মহাসড়কের ঢাকাগামী অংশের সোনারগাঁও, মেঘনা ঘাট, গজারিয়া পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার অংশজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে চালক, যাত্রীদের।
স্ট্যাচু অব লিবার্টির আদলে তৈরি করা হবে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি
১০ মে,শুক্রবার ,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম : জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে স্ট্যাচু অব লিবার্টির আদলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি তৈরি করবে সরকার।গতকাল বৃহস্পতিবার মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মুজিব বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক,জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ মুজিব বর্ষ সর্বোচ্চ আয়োজনে উদযাপন করা হবে জানিয়ে মোজাম্মেল হক বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে বছরব্যাপী বর্ণাঢ্য কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এ লক্ষ্যে সব মন্ত্রণালয়, সংস্থা এবং দেশের স্বাধীনতার সপক্ষের সব শক্তি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে।তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা নিয়ে মুজিব বর্ষ উদযাপন করবে। সরকার এ উপলক্ষে স্ট্যাচু অব লিবার্টির আদলে জাতির পিতার প্রতিকৃতি তৈরি করবে।মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, মুজিব বর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে মিত্রবাহিনীর সদস্যদের ৫০০ সন্তানকে বৃত্তির ব্যবস্থা করা হবে। তাদের বাছাই করার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারতীয় হাইকমিশনকে দায়িত্ব প্রদান করা হবে।তিনি বলেন, পাকিস্তানি শাসক ও শোষক গোষ্ঠীর কবল থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে জাতির পিতার ঋণ আমরা কোনো দিন শোধ করতে পারব না। জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ উদযাপন হবে জাতীয় জীবনের এক অনন্য সুন্দর বিষয়।জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে স্মরণকালের সবচাইতে বড় মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশের আয়োজন করা হবে জানিয়ে মোজাম্মেল হক বলেন, বছরব্যাপী মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক জাতীয় দিবসসমূহ উদযাপনে জাতির পিতার বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্মকে অধিক গুরুত্ব প্রদান এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে মুজিব মেলার আয়োজন করা হবে।সভায় বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব এস এম আরিফুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ। অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় ও এর অধীনস্থ দপ্তরসমূহের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।সভায় মুজিব বর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে লিবারেসন ওয়ার হিউম্যানেটি এওয়ার্ড প্রদানের লক্ষ্যে বাছাই কমিটি গঠন করা হয়।
২০২০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা অর্ধেকে নামিয়ে আনতে হবে :ইলিয়াস কাঞ্চন
১০ মে,শুক্রবার ,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম : জাতিসংঘের টার্গেট অনুযায়ী, ২০২০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা অর্ধেকে নামিয়ে আনতে হবে। যদি তা করতে না পারি তাহলে সরকারের যে উন্নয়ন তা কখনও সফল করতে পারবো না।নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের (নিসচা) চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন শুক্রবার (১০ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলন আয়োজিত পঞ্চম আন্তর্জাতিক নিরাপদ সড়ক সপ্তাহ উপলক্ষে এক মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন।তিনি আরও বলেন, এই জীবন একটাই, পৃথিবীতে আমরা একবারের জন্য এসেছি। আমাদের ভুলের কারণে কিংবা কারও ভুলের কারণে, কারও অবহেলা বা অদক্ষতার কারণে আমাদের জীবন রাস্তার মধ্যে চলে যাক এটা কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না।মানববন্ধনে উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, আমরা নিয়ম মেনে রাস্তায় চলবো। আমাদের জীবন যেন সড়কে চলে না যায়, আমরা যেন পঙ্গুত্ববরণ না করি সেই দিকে সচেতন হবো। রাস্তায় যখনই আমরা কোনও অনিয়ম দেখবো তখনই তার প্রতিবাদ করবো। মানববন্ধনে নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
রাতে দেশে ফিরছে বিমান দুর্ঘটনায় আহত পাইলটসহ অন্যরা
১০ মে,শুক্রবার ,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম :মিয়ানমারে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় আহত পাইলট ও কেবিন ক্রু, গ্রাউন্ড ইঞ্জিনিয়াররা আজ শুক্রবার (১০ মে) দেশে ফিরছেন। একই সঙ্গে দুর্ঘটনায় আহতরাও দেশে ফিরবেন একই ফ্লাইটে। তাদের দেশে আনতে বিকেলে সাড়ে ৩টায় ইয়াঙ্গুন যাচ্ছে বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইট।বিষয়টি নিশ্চিত করে মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) শাকিল মেরাজ বলেন, চিকিৎসকদের পরামর্শ ও মিয়ানমারের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিশেষ ফ্লাইটটি রাতে ঢাকায় ফিরবে। মিয়ানমারে বিমান দুর্ঘটনায় আহত ১২ জন চিকিৎসকের পরামর্শে দেশে ফিরতে ইচ্ছুক। তবে এদের মধ্যে ৫ জন হুইলচেয়ারে ও ৭ জনকে বিশেষ মেডিকেল সাপোর্টসহ স্ট্রেচারে করে আনতে হবে।প্রসঙ্গত, বুধবার (৮ মে) বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড়ে যাওয়া বিজি০৬০ ফ্লাইটটি সন্ধ্যা ৬টা ২২ মিনিটে অবতরণকালে মিয়ানমারে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। ড্যাশ-৮ কিউ৪০০ মডেলের প্লেনটি ৭৪ যাত্রীবহনে সক্ষম। দুর্ঘটনার শিকার বিমানটিতে পাইলট, ক্রুসহ ৩৫ যাত্রী ছিলেন বলে জানিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। তাদের মধ্যে ইয়াঙ্গুনে চিকিৎসাধীন ১৮ জনের মধ্যে চারজনকে বৃহস্পতিবার সকালে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে।
হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের উদ্বেগ প্রকাশ
১০ মে,শুক্রবার ,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম : গত চার মাস ধরে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন ব্যাপকহারে বেড়ে যাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ।শুক্রবার মণি-সিংহ ফরহাদ ষ্ট্রাস্ট ভবনের শহীদ তাজুল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় এ উদ্বেগ প্রকাশ করে।বক্তারা বলেন, সরকারী দলের নাম ভাংগিয়ে এক শ্রেনীর নেতা ও কর্মী পুণঃরায় এসব অপকান্ডে লিপ্ত থেকে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্যের অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। অনতিবিলম্বে এদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণের জন্যে সরকারী দল ও আইন শৃংখলা কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়ে বলা হয়েছে, এহেন নির্যাতন-নিপীড়ন বন্ধ করা না গেলে সংখ্যালঘুদের অস্তিত্ব অধিকতর হুমকির মুখে পড়বে। এ ব্যাপারে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্যে ধর্মীয়-জাতিগত সকল সংখ্যালঘু সংগঠনকে জাতীয় ও স্থানীয়ভাবে সমন্বিত করে আগামী ২৫ মে শনিবার সকাল ১০টায় সারাদেশে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেয়া হয়েছে।নির্বাচনোত্তর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ভাঙাগড়ার এ পর্যায়ে ধর্মীয়-জাতিগত সংখ্যালঘুদের উপর হামলা, নির্যাতন, জায়গা-জমি দখল, মন্দির উপাসনালয়ে বিগ্রহ ভাংচুর সারা দেশে আবার বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। পঞ্চগড় জেলে আটকাবস্থায় আইনজীবী পলাশ কুমার রায়ের শরীর আগুনে ঝলসে দিয়ে তাকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। সংগঠনের অন্যতম সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিয়া সাহার পৈর্তৃক বাড়ী জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে। গত ৭ সাংবাদিক প্রবীর সিকদারের সন্ধানে তাঁর ফরিদপুরের বাড়িতে দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়েছে। ধর্মান্তরকরণের মাত্রা বেড়েছে বেশ কয়েকগুণ।সভায় দেশের তিন বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী ও মানবাধিকারকর্মী এ্যাড. সুলতানা কামাল, শাহরিয়ার কবীর ও অধ্যাপক মুনতাসীর মামুনের প্রাণনাশে জঙ্গীবাদীদের হুমকির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এসব হুমকিদাতা ও তাদের মদদদাতাদের চিহ্নিত করে অনতিবিলম্বে তাদের বিচারের আওতায় আনার দাবী জানানো হয়েছে।সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সর্বশ্রী কাজল দেবনাথ, নির্মল রোজারিও, জে. এল. ভৌমিক, মঞ্জু ধর, মিলন কান্তি দত্ত, বাসুদেব ধর, মনীন্দ্র কুমার নাথ, এ্যাড. তাপস কুমার পাল, নির্মল কুমার চ্যাটার্জী, এ্যাড. কিশোর মন্ডল, পদ্মাবতী দেবী, এ্যাড. দিপংকর ঘোষ, অধ্যাপক অরুণ গোস্বামী, রাহুল বড়ুয়া, ব্যারিস্টার তাপস কুমার বল প্রমূখ।
বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি ১৭ মে থেকে শুরু
১০ মে,শুক্রবার ,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম : পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি ১৭ মে থেকে শুরু করবেন পরিবহন মালিকরা। রাজধানীর গাবতলী ও আশপাশ এলাকার কাউন্টার থেকে এসব টিকিট বিক্রি করা হবে। আসন থাকা সাপেক্ষে টিকিট বিক্রি চলবে।বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনভুক্ত বাস কোম্পানিগুলোর মালিকদের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান রমেশ চন্দ্র ঘোষ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ওইদিন সকাল থেকে উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের বাসের আগাম টিকিট বিক্রি করা হবে।তিনি বলেন, সভায় আমরা কম বা বেশি ভাড়া না নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সরকার নির্ধারিত হারেই ভাড়া নেয়া হবে।

জাতীয় পাতার আরো খবর