২৫ টাকা কেজিতে পেঁয়াজ বিক্রি করবে টিসিবি
০৭মে,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, শনিবার (৯ মে) থেকে ২৫ টাকা কেজিতে পেঁয়াজ বিক্রি করবে সরকারি বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। এতদিন এই পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছিল ৩৫ টাকা কেজি। বৃহস্পতিবার (০৭ মে) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে দেশের চলমান পরিস্থিতিতে ব্যবসা-বাণিজ্য বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের যে স্টক আছে তাতে আগামী চার মাসে কোনো সংকট হবে না। এছাড়া বেনাপোল রেল রুট, হিলি, দর্শনা ও বিরল সীমান্ত দিয়ে ভারতের সঙ্গে আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হবে শিগগিরই। তবে ভারতের সমস্যার কারণেই তিন দিন চালু থাকার পর বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি রপ্তানি আবারো বন্ধ হয়ে গেছে। তিনি আরো বলেন, শিশুখাদ্য আমদানিতে স্বল্প সুদে জামানতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সব ধরণের নিত্যপণ্য আমদানি আরো সহজ করা হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুরোধেই সিটি গ্রুপ ও মেঘনা গ্রুপ তাদের পণ্যের দাম কমিয়েছে, এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধন্যবাদ জানিয়েছে সরকার। এসময় তিনি শপিংমল খোলার বিষয়ে বলেন, সংক্রমণ ঠেকাতে অঞ্চলভিত্তিক শপিংমলে কেনাকাটার নির্দেশনা জারির চিন্তা করছে সরকার। তবে দোকান মালিক সমিতির সভাপতির চিঠি পেয়েই দোকানপাট খোলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, কেউ খুলবে নাকি বন্ধ রাখবে তা তাদের নিজস্ব ব্যাপার।
১২ মে নগদ অর্থ পাবে ৫০ লাখ পরিবার
০৭মে,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঘরে ঘরে খাদ্য পৌঁছাতে না পারার কারণেই পুরোপুরি ভেঙে পড়ছে লকডাউন। ফলে দিন দিন বেড়েই চলছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা। এমনটাই মত স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের। তবে এর সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় বলছে, গত দুই মাসে প্রায় সোয়া ১ কোটি পরিবারকে ত্রাণের আওতায় আনা হয়েছে। পাশাপাশি প্রথমবারের মতো আগামী ১২ মে ৫০ লাখ পরিবারকে নগদ আড়াই হাজার টাকা করে সহায়তা করা হবে। করোনা সংক্রমণ রোধে মার্চের ২৫ তারিখ থেকে দেশে শুরু হয় সাধারণ ছুটি। এর পরপরই একে একে লকডাউন ঘোষণা হতে থাকে দেশের বিভিন্ন জেলা। প্রবেশ ও বের হওয়া বন্ধ ঘোষণা করা হয় রাজধানী থেকেও। দিন দিন করোনার প্রকোপ বাড়ায় সাধারণ ছুটি বাড়ানোর পাশাপাশি প্রায় দেড় মাস ধরে অঘোষিত লকডাউনে পুরো দেশ। তবে সম্প্রতি খাতা কলমে ছুটি কিংবা লকডাউন থাকলেও বাস্তবতা অনেকটাই ভিন্ন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লকডাউন কার্যকর করতে হলে মানুষের ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দেয়ার কোনো বিকল্প নেই। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা, রিদউয়ানউর রহমান বলেন, একদিকে বলছে যে লকডাউন, ঘরের বাইরে যেতে পারবে না, দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। আবার অন্য দিকে কিছু সুযোগ খুলে দিচ্ছে যেখানে অনেকগুলো মানুষের যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তাহলে এই দুইটি অবস্থান তো স্ববিরোধী। এতে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার বাড়বে। তবে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় বলছে, শুধু খাবারের অভাবে নয়, দীর্ঘদিন হয়ে যাওয়ায় মানুষ আর ঘরে থাকতে চাইছে না। তারপরও লকডাউন কার্যকর করতে তালিকাভুক্ত ৫০ লাখ পরিবারকে নগদ সাড়ে ১২শ কোটি টাকা ও প্রায় ৫ কোটি লোককে মে ও জুন মাসে খাদ্য সহায়তা দেয়া হবে। ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী ডা. এনাম বলেন, প্রথমদিকে আমরা শুধু কর্মহীন মানুষদের দিয়েছি। এর পরে হতদরিদ্র, দরিদ্র এবং মধ্যবিত্তসহ প্রায় ৫ কোটি মানুষকে খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে। এর পরে যদি কেউ বলে, খাদ্য সহায়তা পায়নি, তাহলে এই তথ্যটি ঠিক নয়। মে মাসে ৫০ লাখ পরিবারকে ২০ কেজি করে চাল ও ২৫শ টাকা প্রধানমন্ত্রী মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পাঠিয়ে দিবেন। এর একটি ডাটাবেজ প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেয়া হবে। সেখানে তালিকা অনুযায়ী ২৫শ টাকা করে ১২ তারিখে প্রত্যেক পরিবারের কাছে পৌঁছে দিবেন। জনপ্রতিনিধিদের দিয়ে তালিকা প্রস্তুত করার কাজ প্রায় শেষের দিকে বলেও জানান মন্ত্রী।
চলতি মাসেই করোনার ওষুধ উৎপাদন করবে বেক্সিমকো
০৬মে,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ এর প্রতিষেধক হিসেবে কার্যকারিতা প্রমাণিত হওয়া রেমডেসিভির প্রয়োগের অনুমতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রকে অনুসরণ করে বাংলাদেশও এ ওষুধ প্রয়োগ করতে যাচ্ছে। এজন্য দেশের একাধিক প্রতিষ্ঠানকে ওষুধটি উৎপাদনের অনুমতি দিয়েছে সরকার। অনুমতি পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে একটি বেক্সিমকো। প্রতিষ্ঠানটি চলতি মে মাস থেকেই রেমডেসিভির উৎপাদন শুরু করছে। বেক্সিমকোরর একজন শীর্ষ কর্মকর্তা ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত ৪ মে বাংলাদেশের ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর জানায়, দেশের ছয়টি ওষুধ কোম্পানিকে নভেল করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ এর জন্য রেমডেসিভির উৎপাদনের অনুমতি দেয়া হয়েছে। বেক্সিমকোর চিফ অপারেটিং অফিসার রাব্বুর রেজা জানিয়েছেন, তাদের রেমডেসিভির ইনজেকশন হিসেবে শিরায় প্রবেশ করানোর জন্য তৈরি হচ্ছে। একজন রোগীকে ৫ থেকে ১১ বোতল পরিমাণ ওষুধ গ্রহণ করতে হতে পারে। প্রতি বোতল ওষুধের দাম হতে পারে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা।
ঈদের আগে খুলছে না যমুনা ফিউচার পার্কও
০৬মে,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শর্তসাপেক্ষে দোকানপাট ও মার্কেট খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে শপিং-মল থেকে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকায় যমুনা ফিউচার পার্ক না খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। দেশের আরেক বৃহৎ শপিং মল বসুন্ধরা সিটিও ঈদের আগে খুলছে না। বুধবার (০৬ মে) যমুনা ফিউচার পার্ক কর্তৃপক্ষ সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। তারা জানায়, করোনা প্রাদুর্ভাবের চলমান পরিস্থিতির উন্নতি না হলে জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনায় যমুনা ফিউচার পার্ক খোলা হবে না। আগামী ১০ মে থেকে দোকান ও শপিংমল সীমিত আকারে খুলে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। কিন্তু মহামারি করোনাভাইরাসের বিস্তাররোধ না হলে রমজান মাসে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ শপিং-মল হিসেবে পরিচিত যমুনা ফিউচার পার্ক খোলা হবে না।
সাংবাদিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন : তথ্যমন্ত্রী
০৬মে,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বৈশ্বিক দুর্যোগ করোনা মহামারীর মধ্যে সাংবাদিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন। সবকিছু লকডাউন হলেও গণমাধ্যম খোলা থাকে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ পর্যন্ত দেশে প্রায় ৬০ জন গণমাধ্যমকর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং আমি আমার প্রিয় বন্ধুপ্রতিম সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর খোকনকে হারিয়েছি। ড. হাছান আজ দুপুরে ঢাকার সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি-ডিআরইউতে ডিজইনফেকশন চেম্বার উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে দৈনিক সময়ের আলো পত্রিকার সদ্যপ্রয়াত নগর সম্পাদক হুমায়ুন কবীর খোকন স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এসময় প্রয়াত খোকনের আত্মার মাগফেরাত ও করোনা-আক্রান্তদের দ্রুত সুস্থতা প্রার্থনা করেন মন্ত্রী। সাংবাদিকদের প্রতি গভীর মমতার কথা উল্লেখ করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আমি সবসময় মন্ত্রী ছিলাম না বা থাকবো না, কিন্তু আমি সবসময় সাংবাদিকদের সাথে ছিলাম। বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে আমি সকল সাংবাদিকের করোনা পরীক্ষার বিশেষ ব্যবস্থার জন্য অনুরোধ করেছি, তারা সে ব্যবস্থা করেছে। বিশেষ বুথের জন্যও আমি তাদের তাগাদা দেবো। সেইসাথে দুঃস্থ সাংবাদিকদের জন্য আমরা সরকারের পক্ষ থেকে যথাসম্ভব কিছু করার চেষ্টা করছি, শিগগিরই কিছু করতে পারবো বলে আশা করি, জানান তথ্যমন্ত্রী। ড. হাছান আক্ষেপ করে বলেন, বিশ্বে রাষ্ট্রীয়ভাবে মেডিকেল গবেষণায় যে অর্থব্যয় হয়, তার চেয়ে অনেক বেশি ব্যয় হয় সামরিক খাতে। কিন্তু সমগ্র বিশ্ব আজ এক অদৃশ্য শত্রুর সাথে যুদ্ধে লিপ্ত, যেখানে শুধু মাস্ক, স্যানিটাইজার আর জীবাণুনাশক নিয়েই আমাদের কাজ কওে যেতে হচ্ছে। আমার প্রশ্ন, এখনো কি আমরা অস্ত্রের প্রতিযোগিতায় থাকবো, না কি সম্মিলিতভাবে মানব সমাজের জন্য কাজ করবো? আর অস্ত্রের প্রতিযোগিতা নয়, সবাই মিলে মানুষের সুরক্ষার জন্য কাজ করাই হোক পৃথিবীর সব রাষ্ট্রের ব্রত, আশাপ্রকাশ করেন তথ্যমন্ত্রী। মন্ত্রী এসময় করোনা ভাইরাসের বৈশ্বিক রূপ তুলে ধরে বলেন, এটি কোনো জাতীয় দুর্যোগ নয়, এটি বৈশ্বিক মহামারী। এসময় মানুষ যেন হতাশাগ্রস্ত হয়ে না পড়ে, সেজন্য আপনারা আশাব্যঞ্জক সংবাদ পরিবেশন করুন। এ প্রসঙ্গে সরকারের কর্মতৎপরতার কথা উল্লেখ করে ড. হাছান জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় মানুষের জীবন ও জীবিকারক্ষা, অর্থনৈতিক প্রণোদনাসহ দেশের এক-তৃতীয়াংশ মানুষকে সরকারি সহায়তার আওতায় এনে যেসব পদক্ষেপ নিয়েছেন, তা আজ সমগ্র বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম, বিশ্বখ্যাত ম্যাগাজিন ফোর্বস এমনকি ইকনোমিস্ট-ও প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগের প্রশংসা করেছে। তথ্যমন্ত্রীর অনুরোধে সাড়া দিয়ে আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী অনুষ্ঠানে ডিআরইউ নেতৃবৃন্দের কাছে এন্টিসেপটিক সাবান ও হ্যান্ডস্যানিটাইজার হস্তান্তর করেন। এসময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে সুজিত রায় বলেন, আওয়ামী লীগ সভাপতির নির্দেশে যখন যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই ত্রাণ ও স্বাস্থ্যসুরক্ষা সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। ডিআরইউ সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ চৌধুরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ডিজইনফেকশন চেম্বার প্রদানকারী সংগঠন ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট অভ বাংলাদেশ-এনআইবির নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ ইব্রাহিম ও ডিআরইউ সহ-সভাপতি নজরুল কবীর। ডিআরইউর সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোরসালিন নোমানী, দৈনিক বর্তমানের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মোতাহার হোসেন প্রমুখ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের আনতে বিশেষ ফ্লাইট
০৬মে,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহামারি করোনা ভাইরাসের ছোবলে পুরো যুক্তরাষ্ট্রই এখন মৃত্যুপুরী। ইতোমধ্যেই সেখানে কয়েকশ বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছেন। আটকে পড়েছেন অনেকেই। আটকে পড়া বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী ১৪ ও ১৫ মে কাতার এয়ারওয়েজের দুটি চার্টার্ড ফ্লাইটে করে ফিরিয়ে আনা হবে তাদের। বুধবার (৬ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে নিউইয়র্কের বাংলাদেশ কনস্যুলেট। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ওয়াশিংটন ডিসির বাংলাদেশ দূতাবাস, নিউইয়র্ক ও লস অ্যাঞ্জেলসের বাংলাদেশ কনস্যুলেটের সঙ্গে সম্মিলিত উদ্যোগে কাতার এয়ারওয়েজের চার্টার্ড ফ্লাইটে আটকে পড়াদের দেশে পাঠানো হবে। ফ্লাইটটি ডালস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বা জন এফ কেনেডি বিমানবন্দর থেকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে উড়াল দেবে। দেশে ফিরতে আগ্রহীদের অনলাইনে http://galaxyaviationbd.com/airticket/ লিংকে রেজিস্ট্রেশন করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। সিট সীমিত থাকায় যত দ্রুত সম্ভব টিকিট কিনতে বলা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ওয়াশিংটনের বাংলাদেশ দূতাবাস যুক্তরাষ্ট্র, আর্জেন্টিনা, ব্রালিজ, কলম্বিয়া, ডমিনিকান রিপাবলিক, গায়ানা ও ভেনেজুয়েলার করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। এসব দেশে আটকে পড়াদের প্রয়োজনে যেকোনো সহযোগিতার জন্য ২৪ ঘণ্টা খোলা হট-লাইনও (+১-২০২-৭৪০-৬৩০৫) চালু করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস। এর আগে মালয়েশিয়ায় আটকে পড়াদের দেশে ফিরিয়ে আনতে মিলিন্দো এয়ারের একটি চার্টার্ড ফ্লাইটের ব্যবস্থা করেছে সরকার। কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাই কমিশন জানিয়েছে, বিশেষ এই ফ্লাইটটি ১৩ মে পরিচালিত হতে পারে।
জ্বর-শ্বাসকষ্টে সময়ের আলোর আরেক সাংবাদিকের মৃত্যু
০৬মে,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে সময়ের আলো পত্রিকার আরেক সংবাদ কর্মী মাহমুদুল হাকিম অপু মারা গেছেন। তবে তিনি করোনায় আক্রান্ত ছিলেন কি না তা এখনো জানা জায়নি। বুধবার (৬ মে) সকালে তাকে ঘুমের ভেতর মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তবে তার শরীরে করোনার লক্ষণ ছিল কিনা তা এখনো জানা যায়নি। করোনা ভাইরাস টেস্টের জন্য তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষার ফল জানানোর পরই জানা যাবে তিনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন কিনা। তিনি বেশ কিছুদিন ধরে জ্বর, শ্বাসকষ্ট নিয়ে বাসায় অবস্থান করছিলেন বলে জানিয়েছেন তার সহকর্মীরা। এর আগে ২৮ এপ্রিল সময়ের আলো পত্রিকার নগর সম্পাদক হুমায়ুন কবির খোকন করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা যান। মৃত্যুর পর তার করোনা টেস্টের রিপোর্ট পজেটিভ আসে। পরে সাংবাদিক খোকনের স্ত্রী ও বড় ছেলের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্টও করোনা ভাইরাস পজিটিভ আসে। সময়ের আলো পত্রিকার আরও ৬ কর্মী করোনা পজেটিভ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বলে জানা গেছে।
২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত ৭৯০, মারা গেছেন ৩ জন
০৬মে,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ২৪ ঘন্টায় দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৭৯০ জন। বর্তমানে এ ভাইরাসে আক্রান্ত ১১ হাজার ৭১৯ জন। গত ২৪ ঘন্টায় কেউ সুস্থ হননি। এ পর্যন্ত করোনামুক্ত হয়েছেন ১ হাজার ৪০৩ জন। এ ছাড়া গত ২৪ ঘন্টায় ৩ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। এ পর্যন্ত মারা গেছেন ১৮৬ জন। আজ দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন হেলথ বুলেটিনে অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা এসব তথ্য জানান। গতকালের চেয়ে আজ আক্রান্ত ৪ জন বেশি। গতকাল আক্রান্ত হয়েছিলেন ৭৮৬ জন। ডা. নাসিমা সুলতানা জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৬ হাজার ৭৭১টি। আগের দিন নমুনা সংগ্রহ হয়েছিল ৬ হাজার ১৮২টি। নমুনা সংগ্রহ আগের দিনের তুলনায় ৫৮৯টি বেশি। গত ২৪ ঘন্টায় দেশের ৩৩টি পরীক্ষাগারে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৬ হাজার ২৪১টি। আগের দিন পরীক্ষা হয়েছিল ৫ হাজার ৭১১টি। গতকালের চেয়ে নমুনা পরীক্ষা ৫৩৯টি অর্থ্যাৎ ৯ দশমিক ২৮ শতাংশ বেশি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৯৯ হাজার ৬৪৬টি।
দেশের সব মসজিদ খুলে দেয়া হচ্ছে
০৬মে,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শর্তসাপেক্ষে দেশের সব মসজিদ খুলে দেয়া হচ্ছে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৭ মে)। আজকের মধ্যেই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে। সূত্রটি জানায়, বৃহস্পতিবার জোহর থেকে দেশের মসজিদগুলো খুলে দেয়া হচ্ছে। তবে মসজিদে জামায়াতের ক্ষেত্রে কিছু শর্ত মানতে হবে। সেগুলো হল- দুইজন মুসল্লির মধ্যে যথেষ্ট পরিমাণ দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। এছাড়া দুই কাতার পর এক কাতারের জায়গা ফাঁকা রাখতে হবে। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা জানান, এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনটি প্রস্তুত করা হচ্ছে। আজকের মধ্যে জারি করা হবে। এর আগে গত ২৩ এপ্রিল ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে জানানো হয়, পবিত্র রমজানে স্টাফ ছাড়া অর্থাৎ খতিব, ইমাম, মোয়াজ্জিন, খাদেমরা ছাড়া কেউ মসজিদে তারাবি নামাজ আদায় করতে পারবেন না। ঘরেই নামাজ আদায় করতে হবে। তার আগে ৬ এপ্রিল করোনায় সংক্রমিত হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পেতে ঘরেই সব নামাজ আদায় করার নির্দেশনা দেয় ধর্ম মন্ত্রণালয়। এতে পাঁচটি দফা দেওয়া হয়। এগুলো হলো- করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধকল্পে মসজিদের ক্ষেত্রে খতিব, ইমাম, মোয়াজ্জিন, খাদেম ব্যতীত অন্য সব মুসল্লিকে সরকারের পক্ষ থেকে নিজ নিজ বাসস্থানে নামাজ আদায় এবং জুমার জামাতে অংশগ্রহণের পরিবর্তে ঘরে জোহরের নামাজ আদায়। মসজিদে জামাত চালু রাখার প্রয়োজনে খতিব, ইমাম, মোয়াজ্জিন, খাদেম মিলে পাঁচ ওয়াক্তের নামাজে অনধিক পাঁচজন ও জুমার নামাজে অনধিক ১০ জন শরিক হতে পারবেন। জনস্বার্থে বাইরের মুসল্লি মসজিদের ভেতরে জামাতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। অন্য ধর্মাবলম্বীদেরও ধর্মীয় উপাসনালয়ের পরিবর্তে নিজ নিজ বাসস্থানে উপাসনা করতে হবে। এতদিন ওই নির্দেশনাটিই বলবত ছিল। তারাবির জন্যও একই নির্দেশনা মানা হচ্ছিল। তবে এবার মসজিদ উন্মুক্ত করে দেয়া হচ্ছে মুসল্লিদের জন্য। যদিও জামায়াতে মুসল্লিদের মাঝে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে এবং দুই কাতারের মাঝে এক কাতারের জায়গা ফাঁকা রাখতে হবে।

জাতীয় পাতার আরো খবর