বৃহস্পতিবার, জুন ৪, ২০২০
নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ১০ টাকায় চাল দেবে সরকার
২৪মার্চ,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নিম্ন আয়ের মানুষদের ১০ টাকা কেজি দরে চাল দেওয়া হবে। করোনার অর্থনৈতিক ঝুঁকি মোকাবিলায় খোলাবাজার ব্যবস্থার (ওএমএস) মাধ্যমে এ চাল বিক্রি করা হবে। রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে শিগগিরই এ কার্যক্রম শুরু হবে। জরুরি ভিত্তিতে নিম্ন আয়ের মানুষদের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ বিষয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, বর্তমানে সারাদেশে ৫০ লাখ কার্ডধারী নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি কর্মসূচি চালু রয়েছে। করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের এর বাইরে এ বাড়তি সুবিধা দেওয়া হবে। এদিকে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, আগামী তিন থেকে ছয় মাস এক কোটি নিম্ন আয়ের লোককে সামাজিক সুরক্ষা দেওয়া প্রয়োজন। সরকারের এ পরিকল্পনা অনুযায়ী, নিম্ন আয়ের প্রতি পরিবারকে সর্বোচ্চ পাঁচ কেজি চাল দেওয়া হবে। মোট ৯০ হাজার টন চাল দেওয়া হবে। ট্রাকে করে খোলাবাজারে শহরের বিভিন্ন স্পটে কম দামে এ চাল বিক্রি করা হবে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, নিম্ন আয়ের লোকজনকে নতুন করে ১০ টাকা কেজি চাল দিতে বাড়তি ১৬৩ কোটি টাকা লাগবে। তবে অর্থ ছাড়ে কোনো সমস্যা হবে না। অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, করোনাভাইরাসের প্রভাবে নিম্ন আয়ের মানুষের ক্ষতি হয়েছে অনেক বেশি। আগামীতে আরও ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে করোনার আর্থিক ঝুঁকি মোকাবিলায় নিম্ন আয়ের লোকজনকে সামাজিক সুরক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, নিম্ন আয় মানুষের জন্য ২০১৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথমবারের মতো খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চালু করেন। নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতি বছর মার্চ-এপ্রিল এবং সেপ্টেম্বর-অক্টোবর ও নভেম্বর এই পাঁচ মাস ৫০ লাখ হতদরিদ্র পরিবারের কাছে ১০ টাকা কেজি দরে প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ৩০ কেজি চাল বিক্রি করা হয়। বর্তমানে এই খোলাবাজার ব্যবস্থায় প্রতি কেজি ৩০ টাকা দামে চাল বিক্রয় করা হয়। এই পরিমাণ চাল কিনতে সরকারের খরচ পড়ে ৪৩ টাকা ৫০ পয়সা। অর্থাৎ বর্তমানে কেজিপ্রতি সাড়ে ১৩ টাকা ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১০ টাকা দরে এ চাল বিক্রি করতে গেলে এ খাতে সরকারের ভর্তুকি আরও বাড়বে।- একুশে টেলিভিশন
৭-৮ দিনের মধ্যে করোনা পরীক্ষাগার স্থাপন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
২৩মার্চ,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, আগামী ৭-৮ দিনের মধ্যে দেশে করোনা পরীক্ষাগার স্থাপন করা হবে। নিজ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সোমবার দুপুরে তিনি একথা বলেন। তার আগে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, করোনাভাইরাস মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ৫০০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। অপরদিকে, আগামী ২৫ মার্চ প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। ভাষণের সময় জানানো না হলেও ভাষণটি বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতার থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এর আগে সর্বশেষ গত ১৭ মার্চ মুজিববর্ষের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ধারণা করা হচ্ছে, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় তিনি দেশবাসীকে দিক নির্দেশনা দেবেন।
জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী
২৩মার্চ,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী বুধবার (২৫ মার্চ) জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সড়ক পরিহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের একথা জানিয়েছেন। সোমবার (২৩ মার্চ) সচিবালয়ে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। ওবায়দুল কাদের বলেন, ভাষণে প্রধানমন্ত্রী করোনা পরিস্থিতি নিয়ে প্রয়োজনীয় দিক নিদর্শনা দেবেন। সরকারিভাবে সব অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী ও দলের সভানেত্রী হিসেবে শেখ হাসিনার নির্দেশে দলের সব প্রোগ্রাম বাতিলের নির্দেশ দিচ্ছি। জনপ্রতিনিধদের উদ্দেশে কাদের বলেন,জনপ্রতিনিধরা করোনা ভাইরাসের বিষয়ে স্থানীয়দের সতর্ক করুন। কারও মধ্যে করোনার উপসর্গ দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে আমাদের জানান। তিনি বলেন, বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারণে আওয়ামী লীগের কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের সব অনুষ্ঠান বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। নেতাকর্মীরা ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি মেনে সারাদেশের জনগণের মধ্য করোনা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। সঠিক তথ্য দিয়ে জনগণকে সচেতন করতে হবে। সঠিক তথ্য দিয়ে আতঙ্ক দূর করতে হবে। জনসমাগম হতে পারে এমন কর্মসূচি পরিহার করতে হবে। ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও শহর পর্যায়ে প্রবাসীদের খুঁজে বের করতে হবে। তিনি বলেন, দেশে বর্তমানে কোনও প্রকার খাদ্য সংকট নেই। অহেতুক মজুত করলে মজুতকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। করোনার প্রকোপ কমাতে প্রয়োজন হলে বাস চলাচল বন্ধ করা হবে। বাস্তবতাকে অস্বীকার বা এড়িয়ে কিছু করা হবে না। যখন যে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন সে বিষয়ে শেখ হাসিনা সরকার প্রস্তুত আছে। ওবায়দুল কাদের বলেন, করোনা মোকাবিলায় কোনও ধরনের সরঞ্জাম নেই এটা বলা যাবে না, তবে ঘাটতি আছে। সংগ্রহ করার জন্য উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
করোনা: ১৪৮ কোটি ডলারের অর্ডার বাতিল পোশাক শিল্পে
২৩মার্চ,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহামারি আকারে ছড়াতে থাকা নভেল করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা এখন পর্যন্ত ১৪ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। বাংলাদেশেও প্রতিদিন বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এ সংক্রমণের প্রভাব পড়েছে দেশের তৈরি পোশাকখাতেও। বাতিল হচ্ছে একের পর এক অর্ডার। তৈরি পোশাক উৎপাদন ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) তথ্য অনুযায়ী, করোনা ভাইরাসের প্রভাবে ভয়াবহ অবস্থা দেশের পোশাকখাতে। বিভিন্ন দেশ থেকে ক্রেতারা তাদের ক্রয়াদেশ (অর্ডার) আপাতত বাতিল করছেন। মোট এক হাজার ৮৯টি কারখানায় এক দশমিক ৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্ডার (সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকা) বাতিল হয়েছে। বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে এ খাতে। রোববারে (২২ মার্চ) দিনগত রাতে গণমাধ্যমকে দেওয়া এক বার্তায় বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক বলেন, ভয়াবহ অবস্থা চলছে আমাদের তৈরি পোশাক খাতে। বিভিন্ন দেশ ও মহাদেশ থেকে সমস্ত ক্রেতারা তাদের সমস্ত ক্রয়াদেশ (অর্ডার) আপাতত বাতিল করছেন। তারা বলেছেন স্থগিত, তবে আমাদের জন্য স্থগিত ও বাতিল একই জিনিস। এ পরিস্থিতি উদ্বেগের। বার্তায় ড. রুবানা বলেন, আমাদের ক্ষতির পরিমাণ হিসাব করতে একটি ওয়েবপোর্টাল করেছি। সেখানে চার হাজার কারখানার মধ্য থেকে এক হাজার ৮৯টি কারখানাকে ক্ষতিগ্রস্ত হিসেবে এন্ট্রি করেছি। যেখানে ৮৭ কোটি ৩২ লাখ ৩৬ হাজার ৬২২টি অর্ডার বাতিল হয়েছে। যার আর্থিক পরিমাণ এক দশমিক ৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এসব কারখানার মোট শ্রমিকের সংখ্যা ১২ লাখ।
ডাক্তার-নার্সদের দ্রুত নিরাপত্তা সরঞ্জাম দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ
২২মার্চ,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাস থেকে রক্ষায় হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসা কর্মীদের নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ ও সরবরাহের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে করোনায় প্রতিরোধে কি কি উপকরণ দরকার সেটি নির্ধারণ করতে কমিটি করারও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ওই কমিটিকে তালিকা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে । বিচারপতি আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীর সমন্বয়ে গঠিত একটি অবকাশকালীন হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ এ আদেশ দেন। আইনজীবী মনজিল মোরশেদ আদেশের বিষয়টি জানান। স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ( ডিজি), ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি), আইইডিসিআরের পরিচালক ও সেন্ট্রাল মেডিসিন স্টোরের পরিচালককে কমিটিতে রাখতে বলা হয়েছে। ওই তালিকা বাস্তবায়নে অর্থ মন্ত্রণালয়কে অর্থ বরাদ্দ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এ সংক্রান্ত হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছেন মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি)। সংগঠনটির পক্ষে আইনজীবী এখলাছ উদ্দিন ভুঁইয়াসহ তিন আইনজীবী রিটটি দায়ের করেন। রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মঞ্জিল মোরশেদ।
পবিত্র শবেমেরাজের তাৎপর্য ও গুরুত্ব
২২মার্চ,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনের অন্যতম অলৌকিক ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হলো মেরাজ। মেরাজে গমন করে আল্লাহতায়ালার কাছ থেকে উম্মতের জন্য রাসূলুল্লাহ (সা.) পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আদেশসহ ইসলামি সমাজ পরিচালনার দিকনির্দেশনা পেয়েছিলেন মেরাজের রাতে। এ জন্য এ রাতটি মুসলমানের কাছে অতীব গুরুপূর্ণ। পবিত্র কোরআনুল কারিমে এ সম্পর্কে সূরা বনি ইসরাইলে বর্ণিত হয়েছে, পবিত্র মহামহিম তিনি, যিনি তাঁর বান্দাকে এক রাতে তাঁর অসীম কুদরতে কিছু নিদর্শন দেখানোর জন্য মসজিদুল হারাম থেকে নিয়ে যান বরকতময় পরিবেশপূর্ণ মসজিদুল আকসায়। নিশ্চয়ই তিনি সব শোনেন, সব দেখেন। মহানবী (সা.)-এর সব মুজেযার মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুজেযা হলো মেরাজ। এ রাতে তিনি বায়তুল মোকাদ্দাসে নামাজে সব নবীর ইমাম হয়ে সাইয়্যিদুল মুরসালিনের আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। ফলে এ রাতটি নিঃসন্দেহে তার শ্রেষ্ঠত্বের গৌরবোজ্জ্বল নিদর্শন বহন করে। মেরাজ রজনীতে রাসূলুল্লাহ (সা.) কাবা শরীফের চত্বর হাতিমে কাবায় অথবা কোনো কোনো গবেষকের মতে, উম্মে হানী বিনতে আবু তালিবের ঘরে ঘুমিয়েছিলেন। এমন সময় ফেরেশতা জিবরাইল (আ.) এসে রাসূলুল্লাহ (সা.)কে ঘুম থেকে জাগালেন, অজু করালেন। তাঁর বুক বিদীর্ণ করে জমজম কূপের পানি দিয়ে সীনা মোবারক ধৌত করে শক্তিশালী করেন। মহানবী (সা.)-এর জীবনে অন্তত তিনবার এমনটা হয়েছে। তারপর সেখান থেকে তিনি বোরাক নামক এক ঐশী বাহনে চড়ে বায়তুল মোকাদ্দাস পৌঁছালেন। সেখানে নবীজি (সা.) ইমামুল মুরসালিন হিসেবে সব নবী-রাসূলকে নিয়ে দু রাকাত নফল নামাজের ইমামতি করলেন। তারপর তিনি বোরাকে চড়ে ঊর্ধ্ব আকাশে গমন করলেন। একের পর এক আসমান অতিক্রম করতে থাকেন। পথিমধ্যে হযরত মূসা (আ.)সহ অনেক নবী-রাসূলের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়। সপ্তম আসমানের পর নবীজি (সা.)কে বায়তুল মামুর পরিদর্শন করানো হয়। এর পর হযরত স্বচক্ষে জান্নাত ও জাহান্নাম প্রত্যক্ষ করেন। বায়তুল মামুরে রাসূলুল্লাহ (সা.) জিবরাইল (আ.)কে রেখে তিনি রফরফ নামক আরেকটি ঐশী বাহনে চড়ে আল্লাহতায়ালার দরবারে হাজির হন। কোনো কোনো বর্ণনায় আছে, মেরাজ রজনীতে রাসূলুল্লাহ (সা.) আল্লাহতায়ালার এতটা কাছাকাছি গিয়েছিলেন যে দু জনের মধ্যখানে মাত্র এক ধনুক পরিমাণ ব্যবধান ছিল। এখানে হযরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর উম্মতের ওপর ৫০ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করা হলো। পরবর্তী সময়ে পুনঃ পুনঃ আবেদনের প্রেক্ষিতে আল্লাহপাক দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ উম্মতে মুহাম্মদির ওপর ফরজ করেন। যা ইসলামের পাঁচটি রুকনের অন্যতম রুকন বা ভিত্তি। আর এই নামাজই মানুষকে যাবতীয় পাপাচার ও অনাচার থেকে রক্ষা করে সত্যিকারের মানুষ হিসেবে তৈরি করে। আল্লাহতায়ালা এক বিশেষ উদ্দেশ্যে অর্থাৎ তাঁর মহান কুদরত, অলৌকিক নিদর্শন, নবুয়তের সপক্ষে এক বিরাট আলামত, জ্ঞানীদের জন্য উপদেশ, মুমিনদের জন্য জ্বলন্ত প্রমাণ, হেদায়েত, নিয়ামত ও রহমত, ঊর্ধ্বলোক সম্পর্কে বিস্তারিত জ্ঞানার্জন, সৃষ্টিজগতের রহস্য উন্মোচন, সরাসরি বেহেশত-দোজখ দেখা, পূর্ববর্তী নবী-রাসূলদের সঙ্গে পারস্পরিক সাক্ষাৎ ও পরিচিতি, সুবিশাল নভোমণ্ডল ভ্রমণ, মহাকাশ, আরশ, কুরসি, লওহ, কলম প্রভৃতি সামনাসামনি দেখিয়ে দেয়ার জন্য তার প্রিয় হাবিবকে নিজের একান্ত সান্নিধ্যে তুলে নিয়েছিলেন; যাতে তিনি প্রবল আত্মবিশ্বাস নিয়ে ইসলামের মর্মবাণী প্রচার করতে পারেন। আল্লাহ রাসূল (সা.)কে ইসলামের বাস্তবায়ন রূপরেখা, ভবিষ্যতের কর্মপন্থা এবং মুমিনদের জন্য সর্বোত্তম ইবাদত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ নিয়ামতস্বরূপ দান করেন। সে জন্য বলা হয়েছে, নামাজ মুমিনদের জন্য মিরাজস্বরূপ। ইসলামের প্রত্যেকটি ইবাদতের বিধান আল্লাহতায়ালা হজরত জিবরাঈল (আ.)-এর মাধ্যমে মহানবী (সা.)-এর কাছে প্রেরণ করেন। কিন্তু নামাজই একমাত্র ইবাদত যা কোনো মাধ্যম ছাড়া আল্লাহতায়ালা সরাসরি মহানবী (সা.)-এর ওপর ফরজ করেছেন। সুতরাং আমাদের উচিত হলো সমাজে নামাজ কায়েম করতে সচেষ্ট হওয়া। মিরাজের রাত অতি বরকতময় একটি রাত। এ রাতে নফল ইবাদত-বন্দেগি করা অলি-বুজুর্গদের স্বভাব। সুফিরা এ মহামিলনের রাতকে নিজেদের মুক্তির জন্য অসিলা মনে করতেন। আজ বিশ্বব্যাপী যে মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব চলছে, এ সময় এমন একটি সোনালি রাত নিঃসন্দেহে আমাদের জন্য সুবর্ণ সুযোগ। এ রাতে আমরা খোদার দরবারে কেঁদে তওবা করব। নবীজির মেরাজকে অসিলা করে বিশ্ববাসীর মুক্তি ও শেফার জন্য দোয়া করব। নিশ্চয়ই, আল্লাহতায়ালা আমাদের দোয়া কবুল করবেন।- একুশে টেলিভিশন
কেন্দ্রীয় কারাগারে যুদ্ধাপরাধ মামলার আসামির মৃত্যু
২২মার্চ,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এ বন্দী যুদ্ধাপরাধ মামলায় মিজানুর রহমান মিন্টু নামের এক আসামির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মিজানুর (৬৭) ময়মনসিংহের কোতোয়ালি থানার নাওমহন এলাকার মৃত লুৎফর রহমানের ছেলে। কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর জেলার মো. বাহারুল ইসলাম জানান, সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে কারাগারের ভেতর বুকে ব্যথা অনুভব করে অসুস্থ হয়ে পড়েন মিজানুর। এ সময় তাকে কারা হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে তাকে দ্রুত গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পাঠানো হয়। পরে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মিজানুর রহমান মিন্টুকে মৃত ঘোষণা করেন। তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা বিচারাধীন ছিল। তার হাজতি নং-৩৫৫৫/২০১৫।- বিডি প্রতিদিন
আজ পবিত্র শবে মেরাজ
২২মার্চ,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পবিত্র শবে মেরাজ রোববার (২২ মার্চ, ২৬ রজব)। এই দিন রাতে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আরশে আজিমে যান। এ কারণেই হিজরি রজব মাসের ২৬ তারিখের রাতটি মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত মহিমাপূর্ণ ও তাৎপর্যবহ। হাদিস ও সাহাবিদের বর্ণনা অনুযায়ী, মেরাজের রাতে ফেরেশতা জিবরাইল (আ.) রাসুল (সা.) নিয়ে কাবা শরিফের হাতিমে যান। জমজমের পানিতে অজুর পর বোরাক নামক বাহনে জেরুজালেমের বায়তুল মুকাদ্দাসে গিয়ে নামাজ আদায় করেন। এরপর প্রথম আকাশে পৌঁছান মহানবী (সা.)। সেখানে হজরত আদম (আ.)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এভাবে সাত আকাশ পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে সাক্ষাৎ করেন হজরত ঈসা (আ.), হজরত ইয়াহইয়া (আ.), হজরত ইদ্রিস (আ.), হজরত হারুন (আ.), হজরত মুসা (আ.) এবং হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর সঙ্গে। সপ্তম আকাশ থেকে সিদরাতুল মুনতাহায় গমন করেন মহানবী (সা.)। সেখান থেকে আরশে আজিম যান। এক ধনুক দূরত্ব থেকে আল্লাহর সঙ্গে কথোপকথন হয়। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করা হয় মহানবী (সা.)-এর উম্মতদের জন্য। পৃথিবীতে ফিরে রাসুল (সা.) পুরো ঘটনা হজরত আবু বকর (রা.)-এর কাছে বর্ণনা করেন। মক্কার কাফেররা রাসুল (সা.) মেরাজের ঘটনাকে অবিশ্বাস করলেও তিনি নিঃসংশয়ে তা বিশ্বাস করেন। রাসুল (সা.) আবু বকর (রা.) কে সিদ্দিকি বা বিশ্বাসী উপাধি দেন। নানা অনুষ্ঠানিকতায় দিনটি পালন করে মুসলমানরা। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা নফল ইবাদত বন্দেগির মধ্য দিয়ে এই মূল্যবান রাত কাটান। অনেকে নফল রোজাও রাখেন এ দিন।
দেশে সব ধরনের নির্বাচন স্থগিত
২১মার্চ,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের কারণে দেশে সব ধরনের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। ভাইরাসটির প্রকোপ থাকা পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে। এ হিসেবে আগামী ২৯ মার্চ অনুষ্ঠেয় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচন স্থগিত হয়ে গেছে। একইসঙ্গে স্থগিত হয়ে গেছে বগুড়া-১ ও যশোর-৬ আসনের উপ-নির্বাচনও। শনিবার (২১ মার্চ) দুপুর ১টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে নির্বাচন স্থগিত হবে কি-না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, ২১ মার্চের পরে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ থাকা পর্যন্ত আর কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে না দেশে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২৯ মার্চ চট্টগ্রাম সিটির ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা ছিল। এ নির্বাচনে বৈধ ছয় প্রার্থী হলেন- আওয়ামী লীগের এম রেজাউল করিম চৌধুরী, বিএনপির শাহাদাত হোসেন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এমএ মতিন, পিপলস পার্টির আবুল মনজুর, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. জান্নাতুল ইসলাম। এছাড়া কাউন্সিলর পদে ২ শতাধিক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রয়েছেন। ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করেছিল ইসি। এ সিটির মেয়াদ শেষ হবে ২০২০ সালের ৫ আগস্ট। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, ৫ আগস্টের পূর্ববর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। অন্যদিকে, গত ১৮ জানয়ারি বগুড়া-১ আসন আর যশোর-৬ আসনটি শূন্য হয়েছে ২১ জানুয়ারি। সংবিধান অনুযায়ী, আসন শূন্য হওয়ার পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এক্ষেত্রে বগুড়া-১ আসনে ১৬ এপ্রিল আর যশোহর-৬ আসনে ১৯ এপ্রিলের মধ্যে ভোটগ্রহণ করতে হবে।

জাতীয় পাতার আরো খবর