বিমান ছিনতাইয়ের ঘটনায় নিরাপত্তায় অবহেলা পেয়েছে তদন্ত কমিটি
৪মার্চ,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিমান ছিনতাইয়ের ঘটনায় নিরাপত্তায় অবহেলা পেয়েছে তদন্ত কমিটি। এ কারণে শাহজালাল বিমান বন্দরের ৫ নিরাপত্তা কর্মীকে সাময়িক বহিস্কার ও ১ জনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এছাড়া তদন্ত কমিটির সময় বাড়ানো হয়েছে আরো ২ দিন। বরখাস্তকৃতরা হলেন গত ২৪ ফেব্রুয়ারি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালের সশস্ত্র নিরাপত্তা প্রহরী মো. ইউনুস হাওলাদার, হেভি লাগেজ গেটে (উত্তর) স্ক্যানিংয়ের নিরাপত্তা সুপারভাইজার মো. লেহাজ উদ্দিন ভূঁইয়া, শাহজালাল বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালের ব্যাটালিয়ন আনসার কেবিন ব্যাগেজ স্ক্যানিং গেটের অপারেটর আলীম হোসেন, বডি সার্চার অঙ্গীভূত আনসার সদস্য মাহফুজুর রহমান ও হেভি লাগেজ গেট উত্তরের বডি সার্চার আনসার সাদ্দাম হোসেন। এ ছাড়াও ঘটনার সময় কতর্ব্যরত এয়ারপোর্ট সিকিউরিটি ফোর্সের (এফসেক) সদস্য পোস্ট সুপারভাইজার সার্জেন্ট সাযেদুল ইসলামকেও তার বর্তমান কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করে সংযুক্ত করা হয় বাংলাদেশ বিমানবাহিনীতে।
জ্ঞান ফিরেছে ওবায়দুল কাদেরের: বিপ্লব বড়ুয়া
৪মার্চ,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের চেতনা (জ্ঞান) ফিরেছে বলে সোমবার সকালে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের উপ-দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া। মহান আল্লাহর অশেয দয়া ও আপনাদের ভালবাসায় প্রিয় নেতা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নতি হচ্ছে। তিনি সম্পুর্ণ চেতনা ফিরে পেয়েছেন এবং চিকিৎসকরা তার সুস্থতার বিষয়ে সম্পুর্ণ আশাবাদী, বলেন তিনি। বিপ্লব বড়ুয়া আরও জানান, সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক তাকে জানিয়েছেন ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থার যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। তবে, যেহেতু এখনো তিনি ক্রিটিক্যাল করোনারি কেয়ার ইউনিটে রয়েছেন; সে কারণে তাকে সম্পূর্ণ শঙ্কামুক্ত বলেননি চিকিৎসকেরা, বলেন আওয়ামী লীগের উপ-দফতর সম্পাদক। রবিবার সকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বিএসএমএমইউ- এর করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি হন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদানের পর এনজিওগ্রাম করা হলে কাদেরের আর্টারিতে তিনটি ব্লক ধরা পড়ার কথা জানান চিকিৎসকরা। যার মধ্যে একটি ব্লক অপসারণের কথাও জানানো হয়েছিল। এদিকে তার অসুস্থতা খবরে ওইদিন বিকালে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এবং মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপির একটি প্রতিদল ও বিভিন্নস্তরের রাজনৈতিক নেতা-কর্মী কাদেরকে দেখতে হাসপাতালে ছুঁটে যান। অপরদিকে রবিবার রাত পৌনে ৮টায় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসার জন্য চার সদস্যের মেডিকেল টিম সিঙ্গাপুর থেকে এসে শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে প্রবেশ করে। এরপর থেকে তাদের তত্ত্বাবধানে কাদেরকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।- ইউএনবি
ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে হাসপাতালে সিঙ্গাপুরের চিকিৎসক দল
৩মার্চ,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালের চিকিৎসক দল ঢাকায় পৌঁছেছেন। রোববার (০৩ মার্চ) সন্ধ্যায় তারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে গেছেন। এর আগে বিকেলে ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কের জানাতে ব্রিফিং করেন বিএসএমএমইউ'র চিকিৎসকরা। এসময় তারা জানান, ওবায়দুল কাদের ডাকে সাড়া দিচ্ছেন। তিনি চোখ খুলেছেন বলেও জানান তারা। চিকিৎসকরা ওই সময় জানিয়েছিলেন রাতে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালের ৩ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আসবেন এবং তাদের সঙ্গে মেডিকেল বোর্ডের আলোচনার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এই মুহূর্তে বিদেশি স্থানান্তর করার মতো অবস্থাতেও তিনি নেই বলে ব্রিফিংয়ে জানানো হয়। তবে সিঙ্গাপুর থেকে যে টিম আসছে তারা যদি নিশ্চিত করে যে, উনাকে নিয়ে যাওয়ার সময় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে কোনো সমস্যা হলে সেটিকে কাভার দেয়ার মতো প্রযুক্তি, জনবল বা সরঞ্জামের নিশ্চয়তা যদি দিতে না পারেন তাহলে উনাকে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেয়া হবে না। রোববার ভোর ৬টায় নিজ বাসায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন ওবায়দুল কাদের। এরপর সকাল সাড়ে ৭টায় তাকে বিএসএমএমইউ হাসপাতালে নেয়া হয়। প্রথমে তাকে আইসিইউ-তে নেয়া হলেও পরে সিসিইউ-তে স্থানান্তর করা হয়। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু নাছের বলেন, আজ (রোববার) ফজরের নামাজের পর হঠাৎ করে সেতুমন্ত্রীর শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা দেখা দেয়। তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে পরীক্ষা করে দ্রুত এনজিওগ্রাম করার পরামর্শ দেন। চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁকে কার্ডিওলজি বিভাগে নেওয়া হয়। এনজিওগ্রামে তাঁর হার্টে তিনটি ব্লক ধরা পড়ে। রিং পরিয়ে একটি ব্লক সচল করা হয়। পরে তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।
ওবায়দুল কাদেরকে দেখতে গেলেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী
৩মার্চ,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে দেখতে হাসপাতালে গেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার বেলা ৩টা ৩৪ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। এরপর বিকেল ৪টা ২৫ মিনিটে হাসপাতালে আসেন রাষ্ট্রপতি। তিনি তার চিকিৎসার খোঁজখবর করেন। রাষ্ট্রপতির কয়েক মিনিট পর স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীও হাসপাতালে পৌঁছান। রোববার সকালে বুকে ব্যথা অনুভূত হলে দ্রুত ওবায়দুল কাদেরকে বিএসএমএমইউতে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটের (সিসিইউ) ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটের (আইসিইউ) ২ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন তিনি। চিকিৎসকরা বলছেন, ওবায়দুল কাদেরের তিনটি রক্তনালীতে ব্লক ধরা পড়েছে, যার একটি তারা অপসারণ করেছেন। কিন্তু জীবনশঙ্কা থাকায় কৃত্রিমভাবে তার শ্বাসপ্রশ্বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য ওবায়দুল কাদেরকে সিঙ্গাপুরে নেওয়ার প্রস্তুতি চললেও এই শারীরিক অবস্থায় তা সম্ভব হবে কি না- সে বিষয়ে নিশ্চিত নন চিকিৎসকরা।
হুমকি মোকাবেলায় সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
৩মার্চ,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যদের পবিত্র সংবিধান এবং সার্বভৌমত্ব সুরক্ষায় দেশ মাতৃকার বিরুদ্ধে যে কোন অভ্যন্তরীণ বা বাইরের হুমকি মোকাবেলায় সর্বদা ঐক্যবদ্ধ এবং সদাপ্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, পবিত্র সংবিধান এবং দেশমাতৃকার সার্বভৌমত্ব রক্ষা করার জন্য আপনাদের ঐক্যবদ্ধ থেকে অভ্যন্তরীণ কিংবা বাহ্যিক যে কোন হুমকি মোকাবিলায় সদাপ্রস্তুত থাকতে হবে। খবর বাসসর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে রাজশাহী সেনানিবাসের শহীদ কর্ণেল আনিস প্যারেড গ্রাউন্ডে বাংলাদেশ ইনফেন্ট্রি রেজিমেন্টের ৭ম, ৮ম, ৯ম এবং ১০ম রেজিমেন্ট ন্যাশনাল স্টোন্ডার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন। তিনি ইনফেন্ট্রি রেজিমেন্টের সংশ্লিষ্ট ইউনিট কমান্ডারগণের নিকট জাতীয় পতাকা হস্তান্তরের মাধ্যমে তাদেরকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড প্রদান করেন। মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি সুসজ্জিত দল প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রীয় সালাম জানায়। প্রধানমন্ত্রী একটি খোলা জিপে করে প্যারেড পরিদর্শন এবং সালাম গ্রহণ করেন। এ সময় সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ তাঁর সঙ্গে ছিলেন। সেনা সদস্যদের দেশের সম্পদ এবং দেশের মানুষের ভরসা ও বিশ্বাসের মূর্তপ্রতীক উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তাদেরকে পেশাদারিত্বের কাক্সিক্ষত মান অর্জনের জন্য দক্ষ, সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে সৎ এবং মঙ্গলময় জীবনের অধিকারী হবারও আহবান জানান। জনগণের সেবা করার জন্য সেনাবাহিনীকে তাঁর সরকার সব সময় পাশে পেয়েছে উল্লেখ করে বর্তমান সরকারের রাষ্ট্র পরিচালনার সময়ে যখনই প্রয়োজন হবে তখনই সেনাবাহিনী জনগণের পাশে এসে দাঁড়াবে মর্মে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে দেশের গণতান্ত্রিক ধারা সমুন্নত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। সেজন্য তিনি সেনাসদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে চতুর্থবারের মত এবং একটানা তৃতীয়বার সরকার গঠন করার সুযোগ করে দেয়ায় দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তাঁর সরকার সবসময় শাসক হিসেবে নয় জনগণের সেবক হিসেবেই দেশ পরিচালনা করতে চায় বলেও এ সময় উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আমাদের সরকার শাসক হিসেবে নয়, জনগণের সেবক হিসেবে দেশ পরিচালনা করতে চায়। একটি আধুনিক ও চৌকস সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলতে তাঁর সরকার বদ্ধপরিকর উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন,এজন্য ফোর্সেস গোল ২০৩০ প্রণয়ন করে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর আওতায় সেনাবাহিনীতে নতুন নতুন পদাতিক ডিভিশন, ব্রিগেড, ইউনিট ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ইতোমধ্যে আমরা সেনাবাহিনীতে তিনটি নতুন ডিভিশন প্রতিষ্ঠা করেছি, বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার প্রথমবারের মত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে প্যারা কমান্ডো ব্রিগেড গঠন করেছে। দেশের আকাশ প্রতিরক্ষাকে আরও সুসংহত করতে সংযোজিত হয়েছে এমএলআরএস এবং মিসাইল রেজিমেন্ট। তিনি বলেন,অত্যাধুনিক বিভিন্ন যুদ্ধাস্ত্র, হেলিকপ্টার, আর্টিলারি গান এবং মর্ডান ইনফ্যান্ট্রি গেজেট ইত্যাদি সংযোজন করে সেনাবাহিনীর আভিযানিক সক্ষমতাকে বহুলাংশে বৃদ্ধি করেছি।
কাদের শঙ্কামুক্ত নন, বিএসএমএমইউ চিকিৎসক
৩মার্চ,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের অবস্থা সংকটজনক বলে জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) হৃদরোগ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আলী আহসান। রবিবার হাসপাতালে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি বলেন, ওবায়দুল কাদেরের অবস্থা এখনও শঙ্কামুক্ত নন। হাসপাতালে যখন নিয়ে আসা হয়, সেসময়ের তুলনায় অবস্থা এখন ভালো হলেও তিনি জীবনশঙ্কার মধ্যে রয়েছেন। আগামী ৭২ ঘণ্টা তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হবে, যোগ করেন তিনি। রবিবার সকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বিএসএমএমইউ এর করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি হন সেতুমন্ত্রী। কাদেরের একান্ত সচিব গৌতম চন্দ্র জানান, হার্টের সমস্যা নিয়ে মন্ত্রীকে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে হাসপাতালের কার্ডিয়াক বিভাগের সিসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। তার চিকিৎসার জন্য বিএসএমএমইউ এর উপাচার্য অধ্যাপক কনক কান্তি বড়ুয়ার নেতৃত্বে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। বোর্ড জানিয়েছে, আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য ওবায়দুল কাদেরকে দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়া হতে পারে। এখন তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এর আগে সকালে ডা. বড়ুয়া গণমাধ্যমকে জানান, এনজিওগ্রাম পরীক্ষা করার পর কাদেরের হার্টের করোনারি আর্টারিতে তিনটি ব্লক ধরা পড়েছে। তথ্যমন্ত্রী হাসান মাহমুদ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি হাসপাতালে কাদেরকে দেখতে যান।-ইউএনবি
দেশব্যাপী এক মিনিট ব্ল্যাকআউট পালন করা হবে গণহত্যার রাতে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
৩মার্চ,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ২৫ মার্চ গণহত্যার রাত ৯টা থেকে দেশব্যাপী এক মিনিট ব্ল্যাক আউট পালন করা হবে। এ সময় শুধু কেপিআই (সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা) এই নির্দেশনার বাইরে থাকবে। রবিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ২৫ মার্চ এবং ২৬ মার্চ উদযাপন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত এক সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস এবং ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস যথাযথভাবে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পালনের জন্য সারাদেশে নিরবিচ্ছিন্ন নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা যেন সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে নিরাপদে যেতে পারে তার জন্য রাস্তায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। বিদেশি কূটনীতিকদের স্মৃতিসৌধে যাওয়ার সময়ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কামাল বলেন, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতীয় পতাকা যেন যথাযথভাবে উড়ানো হয় এবং পতাকার মাপ ও রঙ যেন ঠিক থাকে তা মনিটরিং করা হবে। তিনি আরও বলেন ২৬ মার্চের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে জাতীয় বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হবে। সেখানেও থাকবে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ২৬ মার্চ উপলক্ষে হাসপাতাল কারাগার বৃদ্ধাশ্রমে ভালো খাবার ব্যবস্থা রাখা হবে বলেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান। রাজধানীর চকবাজারে আগুনের ঘটনায় তদন্ত কমিটি রিপোর্ট কবে দেওয়া হবে জানতে চাইলে, তিনি বলেন তদন্ত রিপোর্ট খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে দেওয়া হবে । এর মধ্যে তদন্ত কাজ প্রায় শেষ হয়ে গেছে। চকবাজার পুরান ঢাকা এলাকায় কেমিক্যাল কারখানা সরানোর অভিযানের সময় ব্যবসায়ীরা বাধা দিচ্ছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী বাধা দিলেও তাদের সড়ানো হবে। তিনি আরও বলেন, পুরান ঢাকায় কেমিক্যাল কারখানা সড়ানোর নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে এই নীতিমালার মুখ্য ভূমিকা পালন করবে ঢাকা দক্ষিণের মেয়র এবং সেই সিদ্ধান্ত নিবেন কোথায় কোন জায়গায় আবাসিক এলাকা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান থাকবে।-ইউএনবি
আজ রাজশাহী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
৩মার্চ,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ রোববার রাজশাহী যাচ্ছেন। রাজশাহী সেনানিবাসে বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টারের (বিআইআরসি) জাতীয় পতাকা প্রদান-২০১৯ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে তিনি রাজশাহীতে যাচ্ছেন। সফরসূচি অনুযায়ী রোববার বেলা ১১টায় হেলিকপ্টার যোগে প্রধানমন্ত্রী ঢাকা থেকে রাজশাহী সেনানিবাসে পৌঁছাবেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৭, ৮, ৯ এবং ১০ বীর-র ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড (জাতীয় পতাকা প্রদান) অনুষ্ঠানে যোগদান করে শহীদ কর্নেল আনিস প্যারেড গ্রাউন্ডে প্যারেড পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী। কর্মসূচি শেষে বিকালেই ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে মহানগরীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। শনিবার থেকে বিভিন্ন এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে এবং বিভিন্ন মোড়ে পুলিশ চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। এরআগে গত বছরে ২২ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী সফরে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজশাহী নগর ও জেলায় ২০টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন।
ওবায়দুল কাদেরের হার্টে তিন ব্লক, সিঙ্গাপুরে নেয়ার প্রস্তুতি
৩মার্চ,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের হার্টে তিনটি ব্লক ধরা পড়েছে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে রোববার (৩ মার্চ) সকাল সাড়ে সাতটায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তথ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নেয়ার প্রস্তুতি চলছে। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, ওবায়দুল কাদেরের তিনটি ব্লক ধরা পরেছে। এরই মধ্যে একটি ব্লক অপসারণ করা হয়েছে। এছাড়া ৭২ ঘণ্টার নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সেতুমন্ত্রীকে দেখতে এসে অযথা ভিড় যেন হাসপাতালে না হয় সেটা ভেবে দেখার অনুরোধ করেন তিনি। এছাড়া আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, দেশবাসীর কাছে ওবায়দুল কাদের-এর জন্য দোয়া চাই। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সময় ওবায়দুল কাদের-এর শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খবর নিচ্ছেন। এর আগে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শনিবার (২ মার্চ) রাতে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। সকালে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আইসিইউতে স্থানান্তরিত করা হয়।-আরটিভি

জাতীয় পাতার আরো খবর