সাকিব ভুল করেছে: প্রধানমন্ত্রী
২৯অক্টোবর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জুয়াড়ির ফোনের বিষয়টি আইসিসি কিংবা বিসিবিকে না জানিয়ে সাকিব আল হাসান ভুল করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে সাকিবের পাশে থাকা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে একটি দৈনিকের সম্পাদক সাকিবের বিষয়ে প্রশ্ন করলে উত্তরে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। এক জুয়াড়ির টেলিফোনের তথ্য গোপনের অপরাধে শাস্তির মুখোমুখি হতে হচ্ছে টাইগারদের টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকে। আইসিসির অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের কোড অব কন্ডাক্টে তার ছয় মাস থেকে ৫ বছর পর্যন্ত শাস্তি হতে পারে। আইসিসি কী সিদ্ধান্ত নেবে সেদিকে তাকিয়ে আছে বিসিবি এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। জুয়াড়িদের কবল থেকে ক্রিকেটকে রক্ষা করতে জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে আইসিসি। তাদের হয়ে প্রকাশ্যে ও গোপনে কাজ করছে দুর্নীতি দমন ইউনিট (আকসু)। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিসিবি সাকিবের সঙ্গে আছে ও সহযোগিতা দেবে। জুয়াড়িরা এসব খেলোয়াড়দের সঙ্গ যোগাযোগ করে। ওর উচিৎ ছিল জানানো। কিন্তু গুরুত্ব দেয়নি। এখানে সে একটা ভুল করেছে। তিনি বলেন, আপনারা জানেন আইসিসি যদি কোনো ব্যবস্থা নেয় তাহলে আমাদের তেমন কিছু করার থাকে না। তবুও আমরা তার পাশে থাকবো।
সরকারদলীয় চার সাংসদসহ ১০০ জনের সম্পদের তথ্য চেয়েছে দুদক
২৯অক্টোবর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অবৈধ সম্পদ অর্জনের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে অন্তত ১০০ জনের সম্পদ ও ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এই ১০০ জনের মধ্যে সরকারদলীয় চার সাংসদসহ অধিকাংশই রাজনীতিক। ইতিমধ্যে এনবিআর এদের সম্পদ ও ব্যাংক হিসাব তলব করেছে। সোমবার বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাছে তথ্য চেয়ে চিঠি দিয়েছে দুদক। দুদকের অনুসন্ধানে একে একে যুক্ত হন ভোলার সাংসদ নুরুন্নবী চৌধুরী ওরফে শাওন, চট্টগ্রামের সাংসদ ও হুইপ সামশুল হক চৌধুরী এবং সুনামগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ মোয়াজ্জেম হোসেন। এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সাংসদ নজরুল ইসলাম ওরফে বাবুর বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু না করলেও তাঁর সম্পদ ও ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়েছে দুদক। সম্পদ ও ব্যাংক হিসাব তলব : আরও যাঁদের সম্পদ ও ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়েছে, তাঁরা হলেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা আবু কাওছার, স্ত্রী পারভীন লুনা, মেয়ে নুজহাত নাদিয়া নীলা এবং তাঁদের প্রতিষ্ঠান ফাইন পাওয়ার সল্যুশন লিমিটেড; যুবলীগের সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী, তাঁর স্ত্রী শেখ সুলতানা রেখা, ছেলে আবিদ চৌধুরী, মুক্তাদির আহমেদ চৌধুরী ও ইশতিয়াক আহমেদ চৌধুরী এবং তাঁদের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান লেক ভিউ প্রোপার্টিজ ও রাও কনস্ট্রাকশন; যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুর রহমান মারুফ, তাঁর স্ত্রী সানজিদা রহমান, তাঁদের দুটি প্রতিষ্ঠান টি-টোয়েন্টিফোর গেমিং কোম্পানি লিমিটেড ও টি-টোয়েন্টিফোর ল ফার্ম লিমিটেডের ব্যাংক হিসাব; স্বেচ্ছাসেবক লীগের অর্থ সম্পাদক কে এম মাসুদুর রহমান, তাঁর স্ত্রী লুতফুর নাহার লুনা, বাবা আবুল খায়ের খান, মা রাজিয়া খান এবং তাঁদের প্রতিষ্ঠান সেবা গ্রিন লাইন লিমিটেড; যুবলীগ নেতা মুরসালিক আহমেদ, তাঁর বাবা আবদুল লতিফ, মা আছিয়া বেগম, স্ত্রী কাওসারী আজাদ প্রমুখ। সরকারি কর্মকর্তাদের সংশ্লিষ্টতা : গণপূর্ত অধিদপ্তরের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম ও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আবদুল হাইয়ের বিরুদ্ধে এরই মধ্যে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জি কে শামীমের সঙ্গে যোগসাজশের। তাঁদের ঘুষ দিয়ে শামীম গণপূর্তের বড় কাজগুলো বাগিয়ে নিয়েছেন। এ কাজে অন্তত আরও ১২ জনের সংশ্লিষ্টতার তথ্য দুদক পেয়েছে। সাবেক প্রধান প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান মুন্সী, বর্তমান অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী উৎপল কুমার দে, নির্বাহী প্রকৌশলী ফজলুল হক, শওকত উল্লাহ, প্রকৌশলী স্বপন চাকমা, রোকন উদ্দিন, আবদুল কাদের চৌধুরী, আফসার উদ্দিন, আবদুল মোমেন চৌধুরী, ইলিয়াস আহমেদ এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রধান (পরিকল্পনা শাখা) মুমিতুর রহমান ও মন্ত্রণালয়ের সাজ্জাদ নামের একজনের নামও দুদকের তালিকায় এসেছে। তাঁদের মধ্যে রফিকুল ইসলাম ও হাফিজুর রহমান মুন্সীর হিসাব তলব করেছে এনবিআর। হাফিজুরের স্ত্রী মারুফা রহমান কান্তা ও রফিকুলের স্ত্রী রাশেদা ইসলামের ব্যাংক হিসাব তলব করেছে এনবিআর। সাবেক অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আবদুল হাই ও তাঁর স্ত্রী বনানী সুলতানার ব্যাংক হিসাবও তলব করেছে এনবিআর। বিদেশে যেতে মানা : ২৩ অক্টোবর ২২ জনের এবং পরদিন আরেকজনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করে দুদক। তাঁদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিংসহ বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগের ব্যাপারে অনুসন্ধান করছে দুদক। এই ২৩ জনের তালিকায় আছেন তিন সাংসদ নুরুন্নবী চৌধুরী, সামশুল হক চৌধুরী ও মোয়াজ্জেম হোসেন। এ সপ্তাহে আরও অন্তত ২৫ জনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হতে পারে। সার্বিক বিষয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিষয়টি দুদকের তফসিলভুক্ত অপরাধ। সা;প্রতিক শুদ্ধি অভিযান যেহেতু সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে নির্দেশনার মাধ্যমে হচ্ছে, তাই আমাদের আশা দুদক চাপমুক্তভাবে কাজ করতে পারবে।
এসকে সিনহার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ৫ ডিসেম্বর
২৯অক্টোবর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এসকে) সিনহার বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৫ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত সিকদার নতুন করে এ দিন ধার্য করেন। সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার বিরুদ্ধে নাজমুল হুদার করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল আজ। তবে এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন প্রতিবেদন দাখিল না করায় নতুন দিন ধার্য করেছেন বিচারক। ২০১৮ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ তুলে সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ জাতীয় জোটের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় এ মামলা করেন।
নুসরাত হত্যা : আসামিদের ডেথ রেফারেন্স নথি যাচ্ছে হাইকোর্টে
২৯অক্টোবর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসার ছাত্রী নুসরাত জাহান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ডেথ রেফারেন্সের (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) নথি মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) হাইকোর্টে পাঠানো হচ্ছে। ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) হাফেজ আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা মোতাবেক মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার নথি ডেথ রেফারেন্স আকারে হাইকোর্টে পাঠাতে হয়। সে জন্য ডেথ রেফারেন্সের নথি হাইকোর্টে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। আদালত যখন মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করেন, তখন হাইকোর্ট বিভাগের কাছে কার্যক্রম পেশ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগ অনুমোদন না করা পর্যন্ত দণ্ড কার্যকর করা হবে না। বাদীর আইনজীবী এম শাহজাহান সাজু বলেন, নুসরাত হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উচ্চ আদালতে শুনানির জন্য আইন মন্ত্রণালয় থেকে ইতোমধ্যে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গত ২৪ অক্টোবর নুসরাত হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মামুনুর রশিদ। রায়ে এ মামলার প্রধান আসামি মাদরাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ আসামির সবাইকে ফাঁসির রশিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আদেশ দেন আদালত। এ ছাড়া প্রত্যেক আসামিকে এক লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়। মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন- সোনাগাজী মাদরাসার বহিষ্কৃত অধ্যক্ষ এস এম সিরাজ উদদৌলা, উপজেলা আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সভাপতি মো. রুহুল আমিন, ছাত্র নুর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন ওরফে শামীম, পৌরসভার কাউন্সিলর মাকসুদ আলম, সাইফুর রহমান মো. জোবায়ের, জাবেদ হোসেন ওরফে শাখাওয়াত হোসেন জাবেদ, শিক্ষক হাফেজ আবদুল কাদের, প্রভাষক আবছার উদ্দিন, নুসরাতের সহপাঠী কামরুন নাহার মণি ও উম্মে সুলতানা পপি; আবদুর রহিম শরীফ, ইফতেখার উদ্দিন রানা, ইমরান হোসেন ওরফে মামুন, মো. শামীম ও মহি উদ্দিন ওরফে শাকিল। আদালত জানান, রায় ও দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে সাত কার্যদিবসের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আসামিরা আপিল করতে পারবেন। নুসরাত হত্যা মামলায় চলতি বছরের ২০ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। এর ৪ মাস ৪ দিন পর এ মামলার রায় হয়। গত ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় তার মা শিরিনা আক্তার সোনাগাজী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করলে অধ্যক্ষকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মামলা তুলে না নেয়ায় ৬ এপ্রিল মাদরাসার প্রশাসনিক ভবনের ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয় বোরকা পরা পাঁচজন। ১০ এপ্রিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে নুসরাতের মৃত্যু হয়। মৃত্যুর আগে জবানবন্দিতে তাকে অগ্নিসংযোগকারীদের নাম উল্লেখ করেন নুসরাত।
১৯৭২ সালের মন্ত্রিসভা বৈঠকের কার্যবিবরণী গ্রহণ করলেন প্রধানমন্ত্রী
২৮অক্টোবর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১৯৭২ সালে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকের ৩ কপি কার্যবিবরণী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেয়া হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সোমবার মন্ত্রিসভা বৈঠকের শুরুতে ৭২ সালের বৈঠকসমূহের মূল ইংরেজি থেকে স্ক্যান করা ১ কপি, এর নতুন ইংরেজি কপি এবং বাংলা অনুবাদ প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার তেজগাঁও কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া মন্ত্রিপরিষদ সচিব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ সব কর্মকাণ্ডের চেক-লিস্টের একটি কপি প্রধানমন্ত্রীকে দেন।আইসিটি বিভাগ প্রণীত কৌশলপত্রের একটি কপিও প্রধানমন্ত্রীকে দেয়া হয়। আইসিটি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক ও এ বিভাগের সিনিয়র সচিব প্রণীত কপিটি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন। সকল পর্যায়ে তথ্য পযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে গৃহীত কর্মপরিকল্পনার আলোকে এই কৌশলপত্র প্রণয়ন করা হয়। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার অনুসরণে এই কর্মপরিকল্পনা ও পরবর্তী কৌশল প্রণীত হয়। প্রতিমন্ত্রী ও সচিব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশ- অগ্রগতির ১০ বছর শীর্ষক একটি প্রকাশনাও প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।মন্ত্রীবর্গ, প্রতিমন্ত্রীবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট সচিবগণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। বাসস
পেঁয়াজের বড় চালান আসছে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই: মন্ত্রণালয়
২৮অক্টোবর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দুই একদিনের মধ্যে পেঁয়াজের বড় চালান দেশে আসছে। এজন্য আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। আজ সোমবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাজারে প্রচুর পেঁয়াজ রয়েছে, প্রতিদিন আমদানিকৃত পেঁয়াজ আসছে। পেঁয়াজের সরবরাহ ও দাম স্বাভাবিক রাখতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। দাম কম ও সহজ পরিবহনের কারণে ভারত থেকে প্রয়োজনীয় পেঁয়াজ আমদানি করা হয়। ভারতের মহারাষ্ট্র ও অন্য এলাকায় বন্যার কারণে পেঁয়াজের ফলন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে কিছুদিন আগে রফতানির ক্ষেত্রে ভারত প্রতি টন পেঁয়াজের মিনিমাম এক্সপোর্ট প্রাইস (এমইপি) নির্ধারণ করে। গত ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ রাখলেও বিকল্প হিসেবে মিয়ানমার থেকে এলসি এবং বর্ডার ট্রেডের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পেঁয়াজ আমদানি শুরু করে। পাশাপাশি মিসর ও তুরস্ক থেকেও এলসির মাধ্যমে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়। সম্প্রতি মিয়ানমারও পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি করেছে। ফলে বাংলাদেশের বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় পেঁয়াজ আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের নিয়ে অনেকবার সভা করেছে, নিয়মিতভাবে আমদানিকারকদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের পেঁয়াজ আমদানি বৃদ্ধি এবং নৈতিকতার সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনার অনুরোধ করা হয়েছে। এরপরও কোনো ব্যবসায়ী অবৈধ পেঁয়াজ মজুত, কৃত্রিম উপায়ে মূল্যবৃদ্ধির চেষ্টা, স্বাভাবিক সরবরাহে ব্যাঘাত সৃষ্টি করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দেয়া হয়। প্রতিদিনই অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
২০২০ সালের সরকারি ছুটির তালিকা ঘোষণা
২৮অক্টোবর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ২০২০ সালের ছুটির তালিকা অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। ২০২০ সালে সাধারণ ছুটি ১৪ দিন ও নির্বাহী আদেশে ছুটি ৮ দিন। মোট ২২ দিন সাধারণ ও নির্বাহী আদেশের ছুটি হলেও এর মধ্যে শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি রয়েছে ৮ দিন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সোমবার (২৮ অক্টোবর) মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২০২০ খ্রিস্টাব্দের ছুটির তালিকা অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম ছুটির তালিকা অনুমোদনের কথা জানান। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, জাতীয় দিবস ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবসে ১৪ দিন সাধারণ ছুটি থাকবে। সাধারণ ছুটির মধ্যে ৩ দিন সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) পড়েছে। এছাড়া বাংলা নববর্ষ ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবসে ৮ দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে।
জাপান ও সিঙ্গাপুর সফর শেষে দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি
২৮অক্টোবর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাপান ও সিঙ্গাপুরে আট দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। রোববার (২৮ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টায় রাষ্ট্রপতি এবং তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এ সময় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, কূটনৈতিক কোরের ডিন, বাংলাদেশে জাপানের রাষ্ট্রদূত, তিন বাহিনী প্রধান, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব এবং ঢাকায় সিঙ্গাপুরের কনস্যুলেট জেনারেল বিমান বন্দরে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানান। রাষ্ট্রপতি হামিদ সিঙ্গাপুরে তার দুদিনের যাত্রাবিরতি শেষে রোববার রাত (স্থানীয় সময়) ৮টা ৫০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন। সিঙ্গাপুরে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মুস্তাফিজুর রহমান বিমানবন্দরে রাষ্ট্রপতিকে বিদায় জানান। রাষ্ট্রপতি গত ২০ অক্টোবর থেকে জাপানে ছয় দিনের সরকারি সফর শেষে শুক্রবার সিঙ্গাপুরে পৌঁছেন। তিনি মঙ্গলবার টোকিওতে জাপানের নতুন সম্রাট নারুহিতোর অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দেন। নারুহিতো টোকিওতে রাজপ্রাসাদে বিভিন্ন দেশের প্রায় দুই হাজার নেতা এবং ১৭৪ দেশ ও অঞ্চলের প্রতিনিধিদের সামনে নিজেকে সে দেশের ১২৬তম সম্রাট হিসেবে ঘোষণা দেন। রাষ্ট্রপতি একই দিনে জাপানের নতুন সম্রাট নারুহিতো এবং সম্রাজ্ঞী মাসাকোর দেয়া ভোজসভায় যোগ দেন। তিনি পর দিন জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের দেয়া অপর এক ভোজসভায়ও যোগ দেন। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ জাপান ও সিঙ্গাপুর সফরে গত ২০ অক্টোবর ঢাকা ত্যাগ করেন।
হজযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ২০২০ সালে সবার ইমিগ্রেশন ঢাকায়, বললেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী
২৭অক্টোবর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আশকোনার হজ ক্যাম্পের সম্প্রসারণ ও সংস্কার কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আব্দুল্লাহ। কারণ আগামী বছর থেকে হজযাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে ইমিগ্রেশন হবে আশকোতেই। রোববার হজ ক্যাম্প সম্প্রসারণ ও সংস্কার কার্যক্রম সংক্রান্ত সভায় তিনি এ কথা বলেন। ২০০৯ সাল থেকে হজযাত্রীর সংখ্যা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। ২০০৯ সালে হজযাত্রীর ছিল ৫৮ হাজার ৬২৮ জন, ২০১৯ সালে হজযাত্রীর সংখ্যা এক লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ জন। প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ভবিষ্যতে হজযাত্রীর সংখ্যা যেমন বৃদ্ধি পাবে একইসঙ্গে এ সংক্রান্ত কার্যক্রমও বাড়বে। তাই এখন থেকে হজ ক্যাম্প সম্প্রসারণ ও সংস্কার সংক্রান্ত কার্যক্রম গ্রহণ করা প্রয়োজন। তিনি জানান, ২০১৯ সালে মোট ৩৬৬টি হজ ফ্লাইট পরিচালিত হয়। সৌদি এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে পরিচালিত হজযাত্রীদের মধ্যে যারা মক্কা রুট ইনিশিয়েটিভ কর্মসূচির অধীন হজে গিয়েছেন তাদেরকে লাগেজ ট্যাগ গ্রহণ ও ইমিগ্রেশন নিয়ে বিড়ম্বনার সম্মুখীন হতে হয়েছে। তাই ২০২০ সালের সব হজযাত্রীদের বাংলাদেশ অংশের ইমিগ্রেশন হজ ক্যাম্পে করার পরিকল্পনা নেওয়া করা হয়েছে। এ বছর রাজকীয় সৌদি সরকারের মক্কা রুট ইনিশিয়েটিভ কর্মসূচির অধীনে প্রায় অর্ধেক হজযাত্রী সৌদি আরব অংশের ইমিগ্রেশন জেদ্দার পরিবর্তে ঢাকায় সম্পন্ন করেছেন। ২০২০ সালে সব হজযাত্রীকে এ কর্মসূচির অধীনে আনা হবে বলে মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

জাতীয় পাতার আরো খবর