১৯৫ ফেসবুক অ্যাকাউন্টের তথ্য চেয়েছে সরকার
২৬মে,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের কাছে ১৯৫টি অ্যাকাউন্টের তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশ সরকার। ২০১৮ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এই ছয় মাসের ফেসবুক ব্যবহারকারীর তথ্য চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে জরুরি অনুরোধে ১৩০টি এবং আইনি প্রক্রিয়ায় ১৯টি অ্যাকাউন্টের তথ্য চাওয়া হয়েছে। তবে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ ৪৪ শতাংশ তথ্য সরকারকে সরবরাহ করেছে। বৃহস্পতিবার ফেসবুক প্রকাশিত ট্রান্সপারেন্সি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। সরকারের জরুরি অনুরোধের ক্ষেত্রে ৪৮ শতাংশ তথ্য এবং আইনি অনুরোধে ১৬ শতাংশ তথ্য সরবরাহ করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে এবার একটি কনট্যান্ট বন্ধ করার অনুরোধও পেয়েছেন তারা। অবৈধ ছদ্মবেশের অভিযোগে ওই ভিডিও নিয়ে অভিযোগ ওঠায় তা বাংলাদেশে দেখানো নিষিদ্ধ করা হয়। জুলাই থেকে ডিসেম্বর মাসের মধ্যে বাংলাদেশে ২২ ঘণ্টা ফেসবুক বন্ধ করা হয়েছিল। এ ছাড়া ৯ দেশে ৫৬ বার ফেসবুক বন্ধ করার ঘটনা ঘটেছে। বছরের প্রথমভাগে আটটি দেশে ৪৮ বার ইন্টারনেট বন্ধের ঘটনা ঘটেছিল। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৬ সালের এপ্রিল মাসে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ব্যবহারকারীর তথ্য চেয়ে করা অনুরোধে সাড়া দেয় ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। ২০১৫ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত তথ্য নিয়ে ওই বছরের ২৮ এপ্রিল ফেসবুক প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে। এর পর থেকে প্রতি ছয় মাস পরপর ট্রান্সপারেন্সি প্রতিবেদন প্রকাশ করে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে গত বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ১৫২টি অনুরোধ করা হয় ফেসবুকে। এর মধ্যে ছিল ১৩৪টি জরুরি অনুরোধ আর ১৮টি আইনি অনুরোধ। এতে ২০৫ জন ব্যবহারকারী বা ফেসবুক অ্যাকাউন্ট–সম্পর্কিত তথ্য জানতে চাওয়া হয়। ফেসবুকের মধ্যে ৫৭ শতাংশ ক্ষেত্রে তথ্য সরবরাহ করে। পরের ছয় মাসে এ অনুরোধ কমে ১৪৯টি হয়েছে। তবে ব্যবহারকারীর তথ্য চেয়ে করা অনুরোধের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে এবং তার পরের অবস্থানে ভারত আছে বলে ফেসবুকের শীর্ষ এক নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত, প্রতি ছয় মাস পরপর ট্রান্সপারেন্সি প্রতিবেদন প্রকাশ করে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। প্রতিবেদনে কোন দেশের সরকার ফেসবুকের কাছে কী ধরনের অনুরোধ জানায়, তা তুলে ধরা হয়। তবে কোন অ্যাকাউন্টের তথ্য চাওয়া হয়, তা উল্লেখ করা হয় না এতে।
তিতুমীর কলেজের ছাত্র রাজীবের মৃত্যুতে ক্ষতিপূরণের রায় পেছাল
২৩মে,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীতে দুই বাসের রেষারেষিতে তিতুমীর কলেজের ছাত্র রাজীব হাসানের হাত হারানো ও পরে মৃত্যুর ঘটনায় কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে করা রিটের রায় পিছিয়েছে। আদালত আগামী ২০ জুন রায়ের নতুন দিন ধার্য করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ মে) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ নতুন এই তারিখ ধার্য করেন। এর আগে ক্ষতিপূরণ প্রশ্নে রুলসহ কয়েকটি বিষয়ে রুলের শুনানি শেষে ১৯ মে হাইকোর্ট ২৩ মে রায়ের জন্য দিন ধার্য করেছিলেন। এর ধারাবাহিকতায় আজ বিষয়টি রায়ের জন্য কার্যতালিকায় ওঠে। কোনো ব্যক্তি দুর্ঘটনায় আহত বা নিহত হলে সংশ্লিষ্ট যানের ইনস্যুরেন্সকারী কোম্পানি কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে, বিষয়টি নিয়ে আদালতে শুনানি হয়। ইনস্যুরেন্স–সংক্রান্ত এই বিষয় সামনে আসার প্রেক্ষাপটে আদালত শুনানি নিয়ে রায়ের ওই দিন ধার্য করেন। আজ আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আবেদনকারী আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস। বিআরটিসির পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ রাফিউল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে অংশ নেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাতার হোসেন। গতবছর ৩ এপ্রিল দুই বাসের চাপে হাত কাটা পড়ে রাজিবের। এ ঘটনায় পরদিন ৪ এপ্রিল রিট আবেদন করেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। এদিন রাজিবের পরিবারকে কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়ে রুল জারি করেন আদালত। কিন্তু রাজিব ওই বছরের ১৬ এপ্রিল দিবাগত রাতে মারা যান। রাজিবের মৃত্যুর খবর জানানোর পর আদালত গতবছর ৮ মে এক আদেশে রাজিবের দুই ভাইকে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দেন। আপিল বিভাগ একই বছরের ২২ মে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে দেন। একইসঙ্গে হাইকোর্টকে কমিটি করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। এরপর হাইকোর্ট গতবছর ৩০ মে এক আদেশে একটি কমিটি গঠন করে দেন। এই কমিটির দেওয়া প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই বাসের চালকের (বিআরটিসি ও স্বজন পরিবহন) বড় গাড়ি চালানোর লাইসেন্স ছিল না। তাদের হালকা যানবাহন চালানোর লাইসেন্স ছিল। ওই প্রতিবেদনে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে মোট ১৮ দফা সুপারিশ করা হয়। এই প্রতিবেদন গতবছর ১৫ অক্টোবর আদালতে উপস্থাপন করা হয়। এরপর রুলের ওপর গত ৩ এপ্রিল চূড়ান্ত শুনানি শুরু হয়। এই রুলের ওপর শুনানি শেষে রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন আদালত।
রাজধানীতে ছিনতাই ও মলম পার্টির দৌরাত্ম্য কমেছে: ডিএমপি কমিশনার
২৩মে,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীতে ছিনতাই ও মলম পার্টির দৌরাত্ম্য কমে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। তিনি আরো বলেন, ঢাকা শহরে কোনো ধরনের মাদকের ব্যবসা করতে দেওয়া হবে না। আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর বনানী মডেল স্কুলমাঠে অসহায় দরিদ্রদের মধ্যে ঈদবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন আছাদুজ্জামান মিয়া। আসন্ন ঈদুল ফিতরে ফাঁকা ঢাকার নিরাপত্তা দিতে পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার জানান, রাজধানীতে ছিনতাই ও মলম পার্টির দৌরাত্ম্য কমে এসেছে। ছিনতাই মোকাবিলায় পুলিশ সব সময় কাজ করছে জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঈদকে ঘিরে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে সক্রিয় রয়েছে পুলিশ বাহিনী। আছাদুজ্জামান মিয়া আরো বলেন, ঈদ সামনে রেখে আপনাদের নিরাপত্তার জন্য, জনগণের নিরাপত্তার জন্য আমরা সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, রাহাজানি, চাঁদাবাজি, অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টি যেই হোক, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে আমরা বদ্ধপরিকর। ডিএমপি কমিশনার জানান, রাজধানীর যেখানে মাদকের আস্তানা পাওয়া যাবে, সেই আস্তানা গুঁড়িয়ে দেবে পুলিশ। এ ছাড়া মাদকের আস্তানার কোনো সন্ধান পেলে তা পুলিশকে জানাতে সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। সন্ধানদাতাদের পরিচয় গোপন রাখা হবে বলেও জানিয়েছেন আছাদুজ্জামান। যারাই মাদকের সঙ্গে যুক্ত, তাদের কারো রেহাই হবে না জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান বলেন, যেই মাদকের সঙ্গে যুক্ত হোক, তাকে কিন্তু আইনের আওতায় নিয়ে আসব, তাকে গ্রেপ্তার করব। এবং যারা মাদকের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়, অর্থায়ন করে, তাদের বিরুদ্ধে আমরা কঠোরভাবে ব্যবস্থা নেব।
২০২৩ সালে কক্সবাজারে যাবে ট্রেন, এডিবি দিলো ৪০ কোটি ডলার
২৩মে,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ২০২৩ সাল নাগাদ কক্সবাজার যাওয়া যাবে ট্রেনে করে। এ লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। এ প্রকল্পের জন্য আরও ৪০ কোটি ডলার সহায়তা দিয়েছে দাতা সংস্থা এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীতে বাংলাদেশ ও এডিবির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে চুক্তি সই হয়। এই রেলপথ নির্মিত হলে তা দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও পর্যটন উন্নয়নকে আরও একধাপ এগিয়ে নিবে বলে আশা করা হচ্ছে। চুক্তিতে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মনোয়ার আহমেদ ও এডিবি'র কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ সই করেন। এটি কক্সবাজার রেলওয়ে প্রকল্পের এডিবির দেড়শো কোটি ডলার সহায়তার দ্বিতীয় অংশ। ১০২ কিলোমিটার রেলপথ অবকাঠামোর যে পরিমাণ ব্যয় হচ্ছে তার প্রায় ২৭ শতাংশই ঋণ হিসেবে যোগান দিচ্ছে সংস্থাটি। এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ বলেন, বাংলাদেশের রেলখাতের বিকাশে এডিবি সহায়তা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রকল্পটি সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার অধীনে একটি অগ্রাধিকার বিনিয়োগ।
শুক্রবার বসছে পদ্মা সেতুর ১৩তম স্প্যান
২৩মে,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: কয়েকদফা পিছিয়ে অবশেষে পদ্মা সেতুতে বসতে যাচ্ছে ১৩তম স্প্যান। ১৪ ও ১৫ নম্বর পিলারের ওপর এ স্প্যানটি বসানো হবে। আর এই স্প্যান বসানোর মাধ্যমে দৃশ্যমান হতে যাবে ১৯৫০ মিটার বা প্রায় দুই কিলোমিটার সেতু। গত ১৬ মে এই স্প্যানটি বসানোর কথা ছিল। কিন্তু কয়েকদফা তা পিছিয়ে যায়। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন,নদীর মাওয়া প্রান্তে আগে বসানো দশম স্প্যানের পাশে ১৩তম স্প্যানটি বসানো হবে। আর দুইটি স্প্যান পাশাপাশি বসাতে হলে যে লিফটিং ক্রেন ব্যবহার করা হয়, সেটিতে যান্ত্রিক জটিলতা দেখা দেয়ায় স্প্যান বসাতে দেরি হয়। এর আগে গত ৬ মে মাওয়া ও জাজিরা প্রান্তের মাঝামাঝি স্থানে ২০ ও ২১ নম্বর খুঁটির ওপর বসানো হয়েছে ১২তম স্প্যান। সেতু প্রকল্পের সহকারী প্রকৌশলী হুমায়ুন কবীর জানান, ৪২টি খুঁটির ওপর ৪১টি স্প্যান বসানো হবে। এরপরই মাথা তুলবে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের স্বপ্নের পদ্মা সেতু। চলতি মাসের শেষদিকে জাজিরা প্রান্তে আরও একটি স্প্যান (১৪তম) বসানোর কথা রয়েছে।
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানকে হাইকোর্টে তলব
২৩মে,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ৫২টি মানহীন পণ্যের একটিও বাজার থেকে না সরানোয় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানকে হাইকোর্টে তলব করা হয়েছে। নিম্নমানের পণ্য বাজার থেকে অপসারণে জারি করা রুল শুনানির প্রথমদিনে এই আদেশ দেন হাইকোর্ট। বৃস্পতিবার (২৩ মে) বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ আগামী ১৬ জুন তাকে আদালতে হাজির হয়ে আদেশ বাস্তবায়ন না করার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলেছেন। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হবে না তাও জানতে চেয়েছেন আদালত। শুনানিতে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের আইনজীবী প্রতিষ্ঠানটির জনবল সংকটের কথা বললে আদালত বলেন, আপনাদের জনবল কত? তিনি জানান, ১৭ জন। তখন আদালত বলেন, ১৭ জন মিলেও একটা মসলার প্যাকেটও অপসারণ করতে পারলেন না। আপনারা কি ভয় পান? বড় বড় ব্যবসায়ীদের ভয় পাচ্ছেন? ভয় পেলে ওই চেয়ারে বসার দরকার কি। বাসায় গিয়ে রান্নার কাজ করেন, আর তা না হলে ব্যাংকে গিয়ে কেরানীর কাজ করেন। বসে বসে টাকা গুনবেন। আদালতের আদেশের বিষয়ে সাংবাদিকরা অক্ষরে অক্ষরে লিখেছেন, তারপরও বলবেন আদেশ পাননি। আপনারা কি বাংলা ইংরেজি পড়তে পারেন না। এর আগে, বিএসটিআইয়ে পরীক্ষায় নিম্নমান প্রমাণিত হওয়া ওই ৫২ পণ্য জব্দ ও বাজার থেকে তুলে নিয়ে ধ্বংস করতে গত ১২ মে নির্দেশ দেন আদালত। সেইসঙ্গে এসব পণ্য উৎপাদন বন্ধেরও নির্দেশ দেওয়া হয়। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরকে আদালতের এই নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়।
মধুমতি পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু
২৩মে,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাগেরহাটের মোল্লাহাটে নবনির্মিত মধুমতি ১০০ মেগাওয়াট হেভি ফুয়েল অয়েল পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে এপ্রিলে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন প্রকল্প পরিচালক। তবে স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পর জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন জনপ্রতিনিধিরা। ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেডের আওতায় ২০১৮ সালের ২৮ জানুয়ারি বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলার মধুমতি নদী সংলগ্ন এলাকায় মধুমতি ১০০ মেগাওয়াট হেবি ফুয়েল অয়েল পাওয়ার প্ল্যান্টের জন্য জমি বরাদ্দ দেয় জেলা প্রশাসন। ভূমি উন্নয়ন শেষে একই বছরের ১০ মে চীনা ঠিকাদার কোম্পানি 'সিএনসি' এ প্রকল্পের কাজ শুরু করে। এরই মধ্যে জাতীয় গ্রিডে সঞ্চালনের জন্য গোপালগঞ্জ গ্রিডের সাব-স্টেশন পর্যন্ত ১৬ কিলোমিটার ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হয়েছে। ১০০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে অতিরিক্ত আরো ৮ মেগাওয়াট জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করারও প্রক্রিয়া চলছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করতে পেরে সন্তুষ্ট সংশ্লিষ্টরা। উপবিভাগীয় প্রকৌশলীরা জানান, এই প্রকল্পটির কাজ অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে শেষ করা হয়েছে। সেই সাথে শুরু থেকে পুরোপুরি লোডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে আসছি। তবে স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পর জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিনুল আলম ছানা। তিনি বলেন, বাগেরহাটে সাধারণ মানুষের বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করার পর জাতীয় গ্রিডে সেটি দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন মধুমতি ১০০ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্টের প্রকল্প পরিচালক মো. তানবীর রহমান। তিনি বলেন, আমরা এই প্রকল্প থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করেছি। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ক্যাপাসিটি ১০৫ মেগাহার্টস হলেও আমরা ১০৮ মেগাহার্টস বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পেরেছি জাতীয় গ্রিডে। মোল্লাহাট উপজেলার প্রায় ১৬ একর জমির উপর নির্মিত হয়েছে 'মধুমতি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি'। যার নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা।
আজ আসছে ১০০০ টাকার নতুন নোট
২৩মে,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: নতুন নিরাপত্তা সুতাযুক্ত ১০০০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোট প্রচলন শুরু হচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার। বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস এবং পরে অন্যান্য অফিস থেকে এই নোট ইস্যু করা হবে। উচ্চ মূল্যমানের ব্যাংক নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য অধিকতর সুদৃঢ় করা এবং নোট জালকরণ প্রতিরোধ করার লক্ষ্যে নতুন নিরাপত্তা সুতা (ক্রোকোডাইল পেটার্ণ রোলিং স্টার থ্রেড) সংযোজনপূর্বক বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি সম্বলিত বিদ্যমান ডিজাইন এবং গভর্নর ফজলে কবির এর স্বাক্ষরিত ১৬০ মিমি*৭০ মিমি পরিমাপের ১০০০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোট মুদ্রণ করা হয়েছে। এই নোটের নতুন নিরাপত্তা সুতাটি ইতিপূর্বে প্রচলনে থাকা নোটের নিরাপত্তা সুতা অপেক্ষা উন্নততর এবং এর কারিগরি প্রযুক্তিও নতুন; যা জাল প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। নতুন প্রচলিত এ নোটটিতে বিদ্যমান ১০০০ টাকা মূল্যমান ব্যাংক নোটের রং এবং ডিজাইন অপরিবর্তিত রেখে শুধু নোটের সম্মুখভাগের বামপাশের নিরাপত্তা সুতাটি পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন এ নিরাপত্তা সুতাটি ৪ মিমি প্রশস্ত এবং নোটে নিরাপত্তা সুতার ৪টি অংশ(উইন্ডো) দৃশ্যমান থাকবে। নোটটি বিভিন্ন দিকে ঘুরালে বা কাত করলে সুতার রং সোনালী থেকে হালকা সবুজ এবং গাঢ় সবুজ দৃশ্যমান হবে। অর্থাৎ আলোর অবস্থান ও কৌণিক ভিন্নতার কারণে সুতাটির রং পরিবর্তিত হবে এবং ক্রোকোডাইল পেটার্নগুলো কেন্দ্রীভূত ও বিকেন্দ্রীভূত হতে থাকবে। এছাড়া নিরাপত্তা সুতার উপর বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম সোনালী রং-এ খচিত রয়েছে ও বাংলায় সাদা রং-এ ১০০০ টাকা লিখা রয়েছে যা কিছু ক্ষেত্রে নিরাপত্তা সুতার দৃশ্যমান অংশে সম্পূর্ণ ও আংশিক এবং কিছু ক্ষেত্রে নিরাপত্তা সুতার ভিতরে অবস্থান করবে। নতুন নিরাপত্তা সুতাটি নখের আঁচড়ে বা মুচড়িয়ে সহজে উঠানো সম্ভব হবে না। নোটের রং, ডিজাইন ও অন্যান্য সকল নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য (জলছাপ, ওভিআই কালিতে লেখা ১০০০, দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য ৫টি বিন্দু, মাইক্রোপ্রিন্ট, খসখসে লেখা, লুকানো ছাপা, নোটের পিছনের দিকে ইরিডিসেন্ট স্ট্রাইপ ইত্যাদি) অপরিবর্তিত থাকবে। প্রচলনে দেয়া নতুন এই নোটের পাশাপাশি বর্তমানে প্রচলনে থাকা ১০০০ টাকা মূল্যমানের অন্যান্য নোট (শহীদ মিনার ও কার্জন হলের ছবি সম্বলিত হালকা লাল রংয়ের নোট এবং বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি সম্বলিত হালকা বেগুনি রংয়ের নোট) বৈধ ব্যাংক নোট হিসেবে চালু থাকবে।
সিলিন্ডারের আগুনে একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু
২৩মে,বৃহস্পতিবার,নিউজ একাত্তর ডট কম: গাজীপুরে গ্যাস সিলিন্ডারের আগুনে একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর ইসলামপুর শরীফ মার্কেট সংলগ্ন ইকবাল মাহমুদের ভাড়া বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন স্থানীয় রেনেসা অ্যাপারেলস পোশাক কারখানার কোয়ালিটি ইন্সপেক্টর শাহ আলম (৩৮), তার স্ত্রী একই কারখানার সুইং অপারেটর মনিরা বেগম (৩০), তাদের ছেলে বায়েজিদ (৮) ও মেয়ে ফাতেমা (৪)। শাহ আলমের বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল থানায়। তার পিতার নাম রহিম মৃধা। গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের বাসন থানার ওসি একেএম কাউসার চৌধুরী জানান, স্বামী স্ত্রী কারখানায় কাজ করেন। রাতে বাড়ি ফিরে ঘরের ভিতর এলপি গ্যাসের চুলায় রান্না করছিল স্ত্রী মনিরা বেগম। এক পর্যায়ে গ্যাসের চুলার পাইপ লিকেজ হয়ে আগুন ধরে যায়। পরে আগুন দ্রুত ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ঘরে থাকা চারজন অগ্নিদগ্ধ ও শ্বাসরোধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। খবর পেয়ে গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভায়। গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ সহকারী পরিচালক আক্তারুজ্জামান জানান, আগুনে একই পরিবারের চারজন দগ্ধ ও ধোয়ায় শ্বাসরোধ হয়ে মারা যায়। অগ্নিকাণ্ডের ফলে ঘরের সব মালামাল পুড়ে গেছে।