১৭ জুলাই ঢাকা-বেনাপোল রুটের ট্রেন উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
৯জুলাই২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বেনাপোল-ঢাকা রুটে সরাসরি রেলপথে যাতায়াত ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চলতি মাসের ১৭ তারিখ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন। রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন ৩ জুলাই বেনাপোল ও যশোর রেলস্টেশন পরিদর্শনকালে চলতি মাসের ২৫ তারিখ তারিখ উদ্বোধনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এদিন প্রধানমন্ত্রী সময় দিতে পারবেন না তাই দিন পরিবর্তন করে ১৭ জুলাই পুনঃনির্ধারিত হয়েছে বলে জানান কর্মকর্তারা। বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিম জোনের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার শাহ নেওয়াজ ট্রেন উদ্বোধনের নতুন তারিখের বিষয়টি গণমাধ্যমকর্মীদের নিশ্চিত করেন। এ বিষয়ে বেনাপোলের স্টেশন মাস্টার সাইদুজ্জামান বলেন, মৌখিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি অবহিত করেছেন। ট্রেন চলাচল সংক্রান্ত কাজের অগ্রগতি প্রায় সম্পন্ন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই সার্ভিস উদ্বোধন করবেন। অপর এক প্রশ্নের উত্তরে বেনাপোলের স্টেশন মাস্টার বলেন, বেনাপোল এক্সপ্রেস, বন্দর এক্সপ্রেস ও ইছামতি এক্সপ্রেস নামে ট্রেনের তিনটি নাম দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোন নামটি সিলেক্ট হবে তা বলা যাচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রীই নাম ঠিক করবে।
অর্থনৈতিক অগ্রগতি চাইলে গ্যাসের মূল্য মেনে নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
৮জুলাই২০১৯,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বর্তমান প্রবৃদ্ধির হার ধরে রাখা ও দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে হলে গ্যাসের বর্ধিত মূল্য মেনে নিতে হবে। সোমবার (৮ জুলাই) গণভবনে চীন সফর নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন। গ্যাসের বর্ধিত মূল্য নিয়ে বিভিন্ন পক্ষের প্রতিবাদ এবং এলএনজির আমদানি মূল্য নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রথমত আমাদের বলতে হবে গ্যাসের প্রয়োজন আছে কিনা। এটিতো কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। আমাদের অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য, শিল্পায়নের জন্য গ্যাস এবং জ্বালানি লাগবে। যদি অর্থনৈতিক অগ্রগতি না চান তাহলে এলএনজি আমদানি কমিয়ে দেব! অর্থনৈতিক অগ্রগতি চাইলে গ্যাসের মূল্য মেনে নিতে হবে। তিনি বলেন, এটি অন্যন্য দেশেও হয়। ভারতে বছরে দুই বার গ্যাসের মূল্য সমন্বয় করা হয়। দাম বাড়ানো হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এখন জিডিপি (মোট দেশজ উৎপাদন) প্রবৃদ্ধি ৮ দশমিক ১ শতাংশ অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। এর কারণ আমরা এনার্জি ক্ষেত্রে যথেষ্ট মনোযোগ দিয়েছি। বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি করতে পেরেছি এবং গ্যাস আমাদের আমদানি করতে হচ্ছে। এলএনজি গ্যাস আমদানির জন্য খরচ যথেষ্ট বেশি পড়ে। এতে কোনো সন্দেহ নেই। গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে তিনি বলেন, দাম যেটুকু বাড়ানো হয়েছে, সেটুকু যদি বাড়ানো না হয় তাহলে আমাদের সামনে দুটি পথ আছে- হয় আমাদের জিডিপি প্রবৃদ্ধি না বাড়ে, সেজন্য এলএনজি আমদানি কমিয়ে দিয়ে এনার্জির ক্ষেত্র সংকুচিত করে ফেলব। অর্থনীতির উন্নতি হবে না। যদি উন্নতি চান এটাকে মেনে নিতে হবে। শুধু আমরা না গ্যাস আমদানিকারক দেশও এটা মেনে নেয়। প্রসঙ্গত- পাঁচ দিনের সফরে গত ১ জুলাই চীনের ডালিয়ানে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে তিনি ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরামের গ্রীষ্মকালীন সভায় অংশ নেন এবং ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামের নির্বাহী চেয়ারম্যান ক্লাউস সোয়াবের সঙ্গে বৈঠক করেন। ডালিয়ান থেকে বুধবার বেইজিংয়ে যান শেখ হাসিনা। সেখানে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং এবং প্রধানমন্ত্রী লি খ্য ছিয়াংয়ের তার দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়। এছাড়া চীনের ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের চেয়ারম্যান লি ঝাংসুও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তিন বৈঠকেই রোহিঙ্গা সংকটের আশু সমাধানের বিষয়টি গুরুত্ব পায় এবং চীন এ বিষয়ে মিয়ানমারকে বোঝানোর প্রতিশ্রুতি দেয় বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে দুই দেশ মধ্যে পাঁচটি চুক্তি, তিনটি সমঝোতা স্মারক ও একটি লেটার অব এক্সচেঞ্জে সই হয়।
চীন সফর নিয়ে বিকেলে ব্রিফিং করবেন প্রধানমন্ত্রী
৮জুলাই২০১৯,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চীনে সদ্যসমাপ্ত পাঁচ দিনের দ্বিপক্ষীয় সরকারি সফরের বিষয়ে আজ সোমবার (৮ জুলাই) সংবাদ সম্মেলন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিকাল ৪টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এ মিডিয়া ব্রিফিংয় অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম জানান, প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে বিকাল ৪টায় মিডিয়া ব্রিফিং শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে ঢাকা এবং বেইজিং এর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা সংক্রান্ত ৯টি চুক্তি স্বাক্ষর হয়। চীন সফরে দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি চীনের দালিয়ান শহরে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) অ্যানুয়াল মিটিংয়ে যোগদান করেন এবং কোঅপারেশন ইন দি প্যাসিফিক রিম শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন। উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াংয়ের আমন্ত্রণে পাঁচদিনের সরকারি সফরে গত ১ জুলাই বেইজিং যান। সফর শেষে তিনি শনিবার (৬ জুলাই) দেশে ফিরেন।
বিচারকের নামের আগে কোনো উপাধি নয়: হাইকোর্ট
৭জুলাই২০১৯,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: নিম্ন আদালতের কোনো বিচারক তাদের নামের আগে ডক্টর, ব্যারিস্টার বা অন্য কোনো পদবি লিখতে পারবে না বলে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। রোববার (৭ জুলাই) বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। পরে ওই কোর্টের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইউসুফ মাহমুদ মোরশেদ বলেন,ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. মো. আক্তারুজ্জামানের একটি আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন নিয়ে এসেছিলেন আকরাম উদ্দিন নামে একজন আইনজীবী। ওই আবেদনের শুনানির সময় আদালত দেখতে পান বিচারকের নামের আগে ডক্টর পদবী লেখা আছে। তখন আদালত স্বপ্রণোদিতভাবে আদেশ দেন,নিম্ন আদালতের কোনো বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট তাদের নামের আগে ডক্টর, ব্যারিস্টার বা অন্য কোনো পদবি লিখতে পারবেন না। আদালত বলেছেন, বিচারকের পরিচয় হচ্ছে বিচারক, হাকিমের পরিচয় হাকিম।
যাদের মেয়ে আছে, তারা সতর্ক থাকবেন: সায়মার বাবার আকুতি
৭জুলাই২০১৯,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশবাসীর কাছে আমার এই আবেদন-আপনাদের যাদের মেয়ে রয়েছে তাদেরকে এমন পশুসুলভ আচরণ থেকে কীভাবে দূরে রাখা যায় তা একটু ভেবে দেখবেন। আপনার সন্তানদের রক্ষা করার চেষ্টা করবেন।- এমন মর্মস্পর্শী আবেদন করেছেন পাশবিক নির্যাতন ও হত্যার শিকার শিশু সায়মার বাবা আব্দুস সালাম। রাজধানীর ওয়ারীর সিলভারডেল স্কুলের নিহত শিক্ষার্থী সামিয়া আফরিন সায়মার সন্দেহভাজন হত্যাকারী গ্রেপ্তার হওয়ার পর ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আজ (৭ জুলাই) তিনি এ কথা বলেন। নিহত সায়মার বাবা বলেন, সাংবাদিক ভাইদের মাধ্যমে বলতে চাই- অতি দ্রুত সময়ে- তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে মূল আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি আমার মেয়েকে দুই রকম নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে তার ফাঁসিটা যেনো অতি দ্রুততম সময়ে কার্যকর হয়। আমি এর জোর দাবি জানাচ্ছি। কান্নাবিজড়িত কণ্ঠে আব্দুস সালাম বলেন, আমি পারি নাই আমার মেয়েকে রক্ষা করতে। আমার মেয়ে আমার স্ত্রীর কাছে ১০ মিনিটের কথা বলে আটতলায় গিয়েছিলো। সেখানে এক বাচ্চার সঙ্গে খেলা শেষ করে এসে মার কাছে পড়া দেওয়ার কথা বলেছিলো সে। কিন্তু, ১০ মিনিট পার হয়ে গেলো। আমি নামাজ পড়ে আসলাম কিন্তু তাকে পেলাম না। সেই সময়ের মধ্যে আমার ফুটফুটে সুন্দর মেয়েটিকে তারা এমন নির্মমভাবে হত্যা করলো যে তা দেখে আমাদের মরণ দশা হয়েছিলো, যোগ করেন সালাম। আমার স্ত্রী এখনো পর্যন্ত একটু পানিও মুখে দিতে পারছে না। ঘরে ঢুকলেই মেয়ের ছবি, জামা-কাপড় সেসব দেখলেই এ ঘটনার পর আমার পুরো পরিবার বিধ্বস্ত। যার জীবনে এমন ঘটনা ঘটে সেই শুধু এর জ্বালা-যন্ত্রণা বুঝতে পারে।তার জোরালো দাবি, এই ঘটনা আজকের পর যেনো স্তিমিত না হয়ে যায়। আজকের মতোই এ ঘটনা নিয়ে লেখালেখি করবেন। সচেতন থাকবেন- যাতে ঘটনাটি ধামাচাপা না পড়ে যায়। বাংলাদেশে অনেক ঘটনা রয়েছে যেগুলো প্রথমে আলোড়ন সৃষ্টি করে (এবং) পরে ধামাচাপা পড়ে যায়।- আলোকিত বাংলাদেশ
পদ্মা সেতু প্রকল্পের মূল কাজ ৮১ ভাগ শেষ
৭জুলাই২০১৯,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: পদ্মা সেতু প্রকল্পের মূল অবকাঠামোর কাজ ৮১ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। তবে পিছিয়ে আছে নদী শাসনের কাজ পিছিয়ে রয়েছে। এ কাজে অগ্রগতি হয়েছে ৫৯ শতাংশ। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য পাওয়া গেছে। রোববার (৭ জুলাই) সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এই প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বছরের জুন পর্যন্ত পদ্মাসেতুর ২৬২টি পাইলের মধ্যে ২৫৬টি এবং ৪২টি পিয়ার কলামের মধ্যে ২৯টির নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। গত ৩০ জুন ১৪তম স্প্যান বসানোর মধ্যদিয়ে ২ দশমিক ১ কিলোমিটার সেতু দৃশ্যমান হয়েছে। এতে আরও বলা হয়েছে, এ বছরের জুন পর্যন্ত প্রকল্পের জাজিরা ও মাওয়ার সংযোগ সড়ক এবং সার্ভিস এরিয়া-২ এর নির্মাণ কাজ শতভাগ শেষ হয়েছে। প্রকল্পের সার্বিক ভৌত অগ্রগতি দেখানো হয়েছে ৭১ ভাগ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেতুর উভয় পাড়ে ১ লাখ ৬৯ হাজার ৯৫৭টি গাছ লাগানো হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এলাকায় একটি জাদুঘর স্থাপনের কাজ চলমান। এই জাদুঘরে রাখার জন্য ২ হাজার ২৩টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মাঝে গত জুন পর্যন্ত ৬৪১ কোটি ৯৪ লাখ টাকা অতিরিক্ত সহায়তা বাবদ বিতরণ করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে পুনর্বাসন এলাকায় নির্মিত ২ হাজার ৬৯০টি প্লট ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৬৯৭টি ভূমিহীন পরিবারকে বিনামূল্যে প্লট দেওয়া হয়েছে। সরকারের অর্থায়নে সংযোগ সড়কসহ ৯ দশমিক ৮৩ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের পদ্মা সেতু নির্মাণের প্রাক্কলিত ব্যয় ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা।
চলতি বছরের দুই মাসে বজ্রপাতে নিহত ১২৬
৬জুলাই২০১৯,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলতি বছরের মে ও জুন মাসে বজ্রপাতে সারা দেশে ১২৬ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। সেই সঙ্গে আহত হয়েছেন ৫৩ জন। বেসরকারি সংস্থা সেভ দ্য সোসাইটি অ্যান্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরাম ১০টি জাতীয় ও আঞ্চলিক দৈনিক, কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও টেলিভিশন স্ক্রল থেকে প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। আজ শনিবার সংস্থাটির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দুই মাসে বজ্রপাতে নিহতদের মধ্যে ২১ জন নারী, সাতজন শিশু এবং ৯৮ জন পুরুষ। ধান কাটার সময় বজ্রপাতে সবচেয়ে বেশি নিহতের ঘটনা ঘটেছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মারা গেছেন বৃষ্টি ও বজ্রপাতের সময় মাছ ধরতে গিয়ে। তৃতীয় ও চতুর্থ অবস্থানে আছে মাঠে গরু আনতে গিয়ে এবং টিন ও খড়ের ঘরে অবস্থান ও ঘুমোনোর সময় বজ্রপাতের শিকার হওয়া। সেই সঙ্গে বজ্রপাতের সময় অজ্ঞতার কারণে লম্বা গাছের নিচে আশ্রয় নেওয়ার ফলে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। সবচেয়ে বেশি হতাহত হয়েছেন কিশোরগঞ্জ জেলায়। সেখানে দুই মাসে নিহত হয়েছেন ১৬ জন। এ ছাড়া, হবিগঞ্জে ৩, রাজশাহীতে ১০, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৯, পাবনায় ৬, দিনাজপুরে ৭, নীলফামারীতে ৪, জামালপুরে ৪, শেরপুরে ৪, নওগাঁয় ৬, সিরাজগঞ্জে ৫, নারায়ণগঞ্জে ৫, মৌলভীবাজারে ৩, খুলনায় ৪, সাতক্ষীরায় ১১ ও টাঙ্গাইলে ৪ জন মারা গেছেন। সেভ দ্য সোসাইটি জানায়, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে আবহাওয়ার ধরনে পরিবর্তন, লম্বা গাছের সংখ্যা কমে যাওয়া, আকাশে কালো মেঘের পরিমাণ ও মেঘে মেঘে ঘর্ষণের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া, যত্রতত্র মোবাইল ফোনের টাওয়ার বসানো এবং বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে বজ্রপাত। তাপমাত্রা যত বাড়বে বজ্রপাতও তত বাড়বে। তাপমাত্রা গড়ে এক ডিগ্রি বেড়ে গেলে বজ্রপাত ১০ শতাংশ বা তারচেয়ে বেশি বেড়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বজ্রপাতের সময় করণীয় যে স্থান বা বস্তু যত উঁচু সে স্থান মেঘের তত সন্নিকটে থাকায় সেখানে বজ্রপাতের সম্ভাবনা তত বেশি হয়। তাই বাড়ির ছাদ কিংবা উঁচু স্থানে অবস্থান করলে দ্রুত সেখান থেকে নেমে নিরাপদ স্থানে যেতে হবে। ঘন কালো মেঘ (ঝড়ো মেঘ) দেখলেই সাবধান হতে হবে এবং বৃষ্টি শুরুর আগে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে হবে। পাকা বাড়িতে আশ্রয় নেওয়া বেশি নিরাপদ। তবে পাকা বাড়ি সুউচ্চ হলে সে ক্ষেত্রে বজ্র নিরোধক ব্যবস্থা থাকতে হবে। বজ্রপাতের সময় জানালার কাছে না থাকাই ভালো। পায়ে রাবারের স্যান্ডেল পরে থাকা এবং পানি ও যেকোনো ধাতব বস্তু যেমন সিঁড়ি বা বারান্দার রেলিং, পানির কল ইত্যাদির স্পর্শ থেকে বিরত থাকতে হবে। বিদ্যুৎ পরিবাহী যেকোনো বস্তুর স্পর্শ থেকে দূরে থাকতে হবে। পুকুর বা জলাশয়ে থাকা নিরাপদ নয়। বাড়ির বৈদ্যুতিক জিনিসপত্রের বিদ্যুৎ ও ডিসের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে রাখা ভালো। এগুলো বন্ধ থাকলেও স্পর্শ থেকে বিরত থাকতে হবে। মাঠের মধ্যে ফাঁকা জায়গায় থাকলে বজ্রপাতের সময় কানে আঙ্গুল দিয়ে চোখ বন্ধ করে নিচু হয়ে বসে থাকতে হবে। তবে মাটিতে শোয়া যাবে না, কেননা মাটিতে শুয়ে পড়লে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। বজ্রপাতের পরিস্থিতি তৈরি হলে গাড়ির মধ্যে থাকা নিরাপদ। তবে গাড়ির ধাতব কোনো অংশের সংস্পর্শ থেকে বিরত থাকতে হবে। সেভ দ্য সোসাইটি আরো জানায়, বজ্রপাতের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে হলে তালগাছ জাতীয় সুউচ্চ প্রজাতির গাছ প্রচুর পরিমাণে মাঠের মধ্যে লাগাতে হবে। সংস্থাটির মতে, বজ্রপাতে আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসা বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আহত ব্যক্তিদের মতোই। শরীর থেকে দ্রুত বৈদ্যুতিক চার্জ অপসারণে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। শরীর মালিশ করতে হবে। আহত ব্যক্তির অস্বাভাবিক আচরণে বিচলিত না হয়ে তাকে দ্রুত চিকিৎসা কেন্দ্রে নেওয়া ব্যবস্থা করতে হবে।
দেশে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
৬জুলাই২০১৯,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: পাঁচ দিনের চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (৬ জুলাই) দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এদিকে চীন সফর নিয়ে আগামী সোমবার (৮ জুলাই) সংবাদ সম্মেলন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে সোমবার বিকেল ৪টায় এ সংবাদ সম্মেলন শুরু হবে। গত ১ জুলাই চীন সফরে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং এবং প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াং সহ দেশটির শীর্ষ নেতাদের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন তিনি। রোহিঙ্গারা যাতে শিগগিরই তাদের মাতৃভূমিতে ফিরে যেতে পারেন সেজন্য এ সংকটের দ্রুত সমাধানের বিষয়ে বাংলাদেশকে আশ্বস্ত করেছে চীন। চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসি) জানিয়েছে, আপসে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান এবং যত দ্রুত সম্ভব প্রত্যাবাসন শুরুর জন্য তারা মিয়ানমারের শীর্ষ নেতাদের সাথে যোগাযোগ করবে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে ঢাকা এবং বেইজিংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা সংক্রান্ত ৯টি চুক্তি স্বাক্ষর হয়। চুক্তিগুলোর মধ্যে রয়েছে- রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তার জন্য এলওসি (লেটার অব এক্সচেঞ্জ) এবং অর্থনৈতিক ও কারিগরি সহযোগিতা, বিনিয়োগ, বিদ্যুৎ, সংস্কৃতি এবং পর্যটন সংক্রান্ত চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক । এছাড়া চীনের এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংকের সাথে দুটি ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ। চীন সফরকালে প্রধানমন্ত্রী ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) বার্ষিক সম্মেলন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের আয়োজনে নাগরিক সংবর্ধনা এবং চীনা ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নেন। এছাড়া শেখ হাসিনা তিয়েনআনমেন স্কয়ারে হিরোস মেমোরিয়ালে চীনা বিপ্লবের বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এ কেমন নিষ্ঠুর শিশু হত্যা!
৬জুলাই২০১৯,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর ওয়ারীতে সন্ধ্যায় সামিয়া আফরিন সায়মার (৭) নিখোঁজের পর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মামলা হয়েছে। শনিবার (৬ জুলাই) সকালে শিশুটির বাবা আব্দুস সালাম অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে ওয়ারী থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশের ওয়ারী জোনের সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ সামসুজ্জামান মামলার তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন। এদিকে ঘটনার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাড়ি দারোয়ানসহ চারজনকে পুলিশ আটক করেছে বলে জানা যায়। ওয়ারী থানার এসআই হারুনুর রশিদ জানান, শিশু সামিয়ার গলায় দাগ রয়েছে। এছাড়া ঠোঁটে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত চিহ্ন পাওয়া গেছে। তাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ বলছে, শুক্রবার রাতে একটি বহুতল ভবনের নয় তলার ফাঁকা ফ্ল্যাটে সায়মার মরদেহ পাওয়া যায়। ওই ভবনের ষষ্ঠ তলায় সায়মা তার পরিবারের সঙ্গে থাকত। এর আগে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় ওয়ারীর বনগ্রাম মসজিদ এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবন শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত সায়মা সিলভারডেল স্কুলের ছাত্রী ছিল। নবাবপুরে ব্যবসা করেন তার বাবা আব্দুস সালাম। জানা যায়, গতকাল শুক্রবার মাগরিবের নামাজের আগে থেকে সায়মা নিখোঁজ হন। পরে তার মরদেহ নির্মাণাধীন ভবনের অষ্টম তলার একটি কক্ষ থেকে উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, তাদের ধারণা মেয়েটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। -আলোকিত বাংলাদেশ

জাতীয় পাতার আরো খবর