বিদেশি টিভি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধের নির্দেশ
অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশে ডাউনলিংকপূর্বক সম্প্রচারিত সব বিদেশি টিভি চ্যানেলে দেশিপণ্যের বিজ্ঞাপন প্রচার অবিলম্বে বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে তথ্য মন্ত্রণালয়। তথ্য মন্ত্রণালয় সম্প্রতি জারিকৃত এক পত্রে বলা হয়েছে- কেবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন-২০০৬ এর ধারা ১৯ এর ১৩ উপধারায় বিদেশি টিভি চ্যানেলের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচার সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে ডাউনলিংকপূর্বক সম্প্রচারিত কোনো কোনো বিদেশি টিভি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন প্রচার করা হচ্ছে বলে জানা গেছে, যা এ আইনের পরিপন্থি। বিদেশি টিভি চ্যানেল ডাউনলিংকপূর্বক সম্প্রচারের জন্য প্রদত্ত অনুমতি অথবা অনাপত্তিপত্রে কেবল্ টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন, ২০০৬ যথাযথভাবে প্রতিপালনের শর্ত আরোপ করা হয়েছে। বিদেশি কোনো টিভি চ্যানেলের মাধ্যমে দেশিপণ্যের বিজ্ঞাপন প্রচার করলে এ আইনের ১১ ধারা মোতাবেক ডিস্ট্রিবিউশন লাইসেন্স বাতিল অথবা স্থগিত এবং ২৮ ধারা মোতাবেক ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।
দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ এবং সহযোগিতা কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে এবং দেশে একটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ এবং সহযোগিতা কামনা করেছেন। আজ দুপুরে ঢাকায় নবনিযুক্ত দক্ষিণ কোরীয় রাষ্ট্রদূত হু ক্যাং-ইল প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁওস্থ কার্যালয়ে তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। খবর বাসসর তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী কোরীয় রাষ্ট্রদূতকে জানান, তাঁর সরকার দেশের তথ্য প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে এবং এ ব্যাপারে দক্ষিণ কোরিয়া সহযোগিতার হাত প্রসারিত করলে কাজটি আরো সহজ হয়। তিনি বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে দক্ষিণ কোরিয়াকে আরও বিনিয়োগের আহ্বান জানান। বাংলাদেশের ক্রমবর্ধিষ্ণু অর্থনীতির ভূয়সী প্রশংসা করে দক্ষিণ কোরিয় রাষ্ট্রদূত বলেন, এটা খুবই প্রশংসার দাবি রাখে যে, বাংলাদেশ বিগত কয়েকবছর যাবত ৬ শতাংশের ওপরে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। এটি একটি বিরাট অর্জন, যোগ করেন তিনি। হু ক্যাং-ইল বলেন, তার দেশ বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতা দানে প্রস্তুত রয়েছে। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সামনে একটি উজ্জ্বল ও ইতিবাচক ভবিষ্যৎ থাকায় আরো কোরীয় বিনিয়োগকারী বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য আসবে।’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে রাষ্ট্রদূত বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘ গৃহীত প্রস্তাবে তাদের সমর্থন ব্যক্ত করেছে। আমরা রোহিঙ্গাদের তাদের মাতৃভূমিতে সফল প্রত্যাবাসন প্রত্যাশা করি, যোগ করেন তিনি। রাষ্ট্রদূত এ প্রসংগে বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া ইতোমধ্যে রোহিঙ্গাদের জন্য ৫০ লাখ মার্কিন ডলার সহযোগিতা প্রদান করেছে। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
সংঘর্ষ ও গাড়ি পোড়ানোর ঘটনায় ইসি সচিব-ডিএমপি কমিশনারের শাস্তি দাবি বিএনপির
অনলাইন ডেস্ক: বিএনপির নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মনোনয়ন বিতরণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও গাড়ি পোড়ানোর ঘটনায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া, ইসির যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহম্মদ খান এবং ডিএমপির সংশ্লিষ্ট জোনের উপ পুলিশ কমিশনারের বিচার দাবি করেছে বিএনপি। নির্বাচন কমিশন থেকে আচরণবিধি পালন সংক্রান্ত চিঠির পরই এই ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছে দলটি। মঙ্গলবার (২০ নভেম্বর) দুপুরে বিএনপি মহাসচিব ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে এই বিচার চাওয়া হয়। বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ওই চিঠিটি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এবং নির্বাচন কমিশন সচিবের কাছে পৌঁছে দেয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন তড়িঘড়ি করে ৮ নভেম্বর তফসিল ঘোষণার পরদিন থেকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ রাস্তা বন্ধ করে যানজট সৃষ্টি করে মনোনয়নপত্র বিতরণ করে। মনোনয়নপ্রত্যাশীরা ঢাকাঢোল পিটিয়ে মোটরসাইকেল, গাড়ি, পিকআপে বিভিন্ন স্থান থেকে ধানমন্ডি যায় এবং রাস্তাঘাট বন্ধ করে মনোনয়ন সংগ্রহ করে। এ ছাড়া নিজেদের প্রার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের জেরে দুজন নিহত হয়। এ সময় পুলিশি তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়নি। অথচ বিএনপির মনোনয়নপত্র বিতরণের সময় বিএনপির কার্যালয়ের সামনে স্বতস্ফূর্ত জনগণের ঢল দেখে নির্বাচন কমিশন সচিব ও ডিএমপি কমিশনারের গায়ে জ্বালা ধরে। কমিশন নড়েচড়ে বসে। কথিত আচরণবিধির নামে খড়গ নেমে আসে বিএনপির ওপর। ইসি সচিব গণমাধ্যমে আচরণবিধি পালনের কঠোর হুমকি নিয়ে আচরণবিধি লঙ্ঘন বলে চিহ্নিত করে। এটি একটি পক্ষপাতমূলক আচরণ। চিঠিতে প্রশ্ন রাখা হয়, গত ১২-১৩ নভেম্বর নজিরবিহীন জনসমাগম সত্ত্বেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেনি, তাহলে কেন ১৪ নভেম্বর এ ধরনের সন্ত্রাসী ঘটনা সংঘটিত হলো? চিঠিতে দাবি করা হয়, এই সন্ত্রাসী হামলায় বিএনপির অনেক নেতা-কর্মী আহত হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ে করা হয়েছে। পুলিশ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে তিনটি মামলায় ৪৭২ জনকে অভিযুক্ত করেছে। ৭০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ৩৮ জন নেতাকর্মীকে রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। তফসিল ঘোষণার পর যেখানে বিএনপি শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল, সেখানে নির্বাচন কমিশন তার চিঠির মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে চরম বিঘ্ন সৃষ্টি, নিরপরাধ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরে সরাসরি ইন্ধন জুগিয়েছে। এ ছাড়া নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের দেয়া বক্তব্য বিভ্রান্তিমূলক এবং ডিএমপি কমিশনার আসাদুজ্জামানের বক্তব্যে ঘটনা সংগঠনের স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায় বলেও মন্তব্য করা হয়েছে চিঠিতে।
বর্ণচোরা-ভণ্ডদের ৩০ ডিসেম্বর ব্যালটের মাধ্যমে প্রত্যাখ্যান করবে জাতি: নাসিম
অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ১৪ দলের সমন্বয়ক মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, ড. কামাল হোসেন-মাহমুদুর রহমান মান্নাদের বিএনপির সঙ্গে ঐক্য করাকে জাতির জন্য দুর্ভাগ্যজনক। এসব বর্ণচোরা-ভণ্ডদের ৩০ ডিসেম্বর ব্যালটের মাধ্যমে প্রত্যাখ্যান করবে জাতি। মঙ্গলবার (২০ নভেম্বর) আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠন ও হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে ১৪ দলের মতবিনিময় শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় ১৪ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নাসিম বলেন, ড. কামাল হোসেনরা এক সময় আওয়ামী লীগে ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর সান্নিধ্য পেয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু মন্ত্রীও করেছিলেন। সেই কামাল হোসেন এখন স্বাধীনতাবিরোধীদের জোট সঙ্গীদের সঙ্গে ঐক্য করেছেন। এটি আমাদের জন্য দুর্ভাগ্য নয়, জাতির জন্য দুর্ভাগ্য। তিনি বলেন, আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ এসব বর্ণচোরা ভণ্ডদের ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করবে ব্যালটের মাধ্যমে। নাসিম জানান, বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে ডিসেম্বরে বিজয়ের মাসে প্রতিটি জেলা-উপজেলায় বিজয় মঞ্চ করা হবে।
আমজাদ হোসেনের চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক : বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক আমজাদ হোসেনের চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ মঙ্গলবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন তার দুই ছেলে সাজ্জাদ হোসেন দুদুল, সোহেল আরমান ও পরিচালক এস এ হক। পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এ খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। আমজাদ হোসেন বর্তমানে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ইমপালস হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। সোমবার বিকেলে চিকিৎসক দলের প্রতিনিধি শহীদুল্লাহ সবুজ সাংবাদিকদের জানান, আমজাদ হোসেনের শারীরিক অবস্থা যা ছিল, এখন তার কিছুটা অবনতি হয়েছে। প্রয়োজনীয় ওষুধ দিয়ে তাঁর রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।
বিতর্কের বাইরে যেতে চাই :ওবায়দুল কাদের
অনলাইন ডেস্ক :আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কোন মন্ত্রী খারাপ বলেন, প্রমাণ করতে হবে তো। তারপরও আমরা বিতর্ক এড়িয়ে যেতে চাই, বিতর্কের বাইরে যেতে চাই। যে দুইজন সাংসদকে নিয়ে বিতর্ক আছে, কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনে আবদুর রহমান বদি ও টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে আমানুর রহমান খান রানা- তাদের মনোনয়ন দেয়া হয়নি। দেখুন একটা সত্যি কথা বলছি। জরিপে টাঙ্গাইলে রানা ও টেকনাফে বদি অনেক এগিয়ে তারপরও তাদের বাদ দেয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজ মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, কক্সবাজারে বদিকে বাদ দিয়ে তার স্ত্রী শাহীনা আক্তার চৌধুরীকে এবং টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে রানার বাবা আতাউর রহমান খানকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। ঘরের সব কী অপরাধী? আপনি অপরাধী হলে আপনার মা-বাবা কে তার ভাগীদার? পরিবারের সবাই কী খারাপ লোক? বদির সম্পর্কে যে বিতর্ক আছে সে কী প্রমাণিত? আপনারা কেউ কী সেটা প্রমাণ করতে পেরেছেন? ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, সময়টা খুব সংবেদনশীল। রাজনৈতিক বিষয়ে আপনাদের সাথে আমার ভিন্নমত থাকতে পারে। কিন্তু তাই বলে কারও বক্তব্য ভিন্নভাবে প্রকাশ করবেন না। বক্তব্য বিকৃত করবেন না।
বহু সংগ্রাম করে আজকের এই অবস্থানে জাপা এসেছে :জাপা মহাসচিব
অনলাইন ডেস্ক :একাদশ জাতীয় নির্বাচনে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্ধারনে যে ধরনের সিদ্ধান্ত নিবেন তা পার্টির সকলে মেনে নিবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার। একই সাথে পার্টির চেয়ারম্যানকে আশ্বস্ত করেছেন, যে কোন সিদ্ধান্তে পার্টির কেউ তাকে (এরশাদ) ছেড়ে যাবেন না। কারণ আপনাকে সবাই বিশ্বাস করেন। মঙ্গলবার জাতীয় পার্টির মনোনয়ন প্রত্যাশিদের সাক্ষাত নেয়ার পূর্বে স্বাগত বক্তব্যে তিনি এভাবে আশ্বস্ত করেন। জাপা মহাসচিব বলেন, বৃহত্তর স্বার্থে মহাজোট কিংবা অন্য কোন জোটে আপনি (এরশাদ) যাবেন কিনা সেটা একান্ত আপনার সিদ্ধান্ত। আপনি নির্ভুল পথে হাঁটছেন। জাতীয় নির্বাচনে জাপা চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্ত অনেক বড় প্রভাব ফেলবে এমন কথা উল্লেখ করে রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, বহু বছর ধরে সংগ্রাম করে আজকের এই অবস্থানে জাপা এসেছে। আপনি (এরশাদ) যে সিদ্ধান্ত নিবেন তা সবাই মেনে নিবে। তিনি জানান, জাপা থেকে ২ হাজার ৮৬৫ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে। তার মধ্যে প্রাথমিক বাছাই করে ৭৮০ জন প্রার্থীর স্বাক্ষাত নেয়া হবে। তিনি আরো জানান, এখান থেকে ৩০০ আসনের প্রার্থী নির্ধারণ হবে। তবে দেশের স্বার্থে এরশাদ যে সিদ্ধান্ত নিবেন তা সবাইকে মেনে নিতে হবে। মহাসচিব বলেন, প্রত্যাশা সবার থাকবে, সবাই দলের হয়ে কাজ করছেন। তবে পার্টি চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্ত সবাইকে মেনে নিতে হবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাপা চেয়ারম্যান হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ, সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ, কো-চেয়ারম্যান জি এম কাদের প্রমুখ।
এবারের নির্বাচন হবে অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক : ইসি সচিব
অনলাইন ডেস্ক :নিবন্ধন যাতে বাতিল না হয় সেদিকে খেয়াল রেখে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশি পর্যবেক্ষক সংস্থাকে সেদিকে লক্ষ্য করে দায়িত্বপালন করার আহ্বান জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশি পর্যবেক্ষক সংস্থার ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন সচিব। হেলালুদ্দীন আহমদ বলেছেন, নির্বাচন কমিশন এ ব্যাপারে তাদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন যে, নির্বাচন আর পিছানো হবে না। আপনারা জানেন এবারের নির্বাচন একটি বৈশিষ্ট্যপূর্ণ নির্বাচন। কারণ এই নির্বাচনে সকল রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করছে এবং বাংলাদেশের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এবারের নির্বাচনে সংসদ বহার থাকবে, সরকার থাকছে এবং সকল রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে। যার ফলে এবারের নির্বাচন হবে অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক। আমি আশা করবো এবারের নির্বাচনটা সৌহার্দপূর্ণ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। সচিব বলেন, নির্বাচনে সেনা বাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব, আনসার ভিডিপি, কোস্টগার্ডের সদস্যদের নিয়োগ করা হবে। এবার প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিছু কিছু কেন্দ্রে ইভিএম ব্যবহার করা হবে। তিনি আরো বলেন, ইতোমধ্যে ১১৮টি পর্যবেক্ষক সংস্থাকে আমরা নিবন্ধন দিয়েছে। প্রথমে আপনারা এনজিও ব্যুরো থেকে নিবন্ধিত হন। তারপর আমরা আহ্বান করলে আপনারা আবেদনপত্র দেন। তারপর আমরা সেগুলো যাচাই বাছাই কমিশনের অনুমোদন নিয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেই এই প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আছে কি না। যদি কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আসে, তাহলে আমরা শুনানি গ্রহণ করে সেগুলো নিষ্পত্তি করি। তারপর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পর্যবেক্ষণের জন্য অনুমতি দিয়ে থাকি। তিনি বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে আমাদের ১১৯টি পর্যবেক্ষক সংস্থা ছিল। তার মধ্যে একটি সংস্থার বিরুদ্ধে এনজিও ব্যুরো থেকে এবং রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর থেকে অভিযোগ আসায় নির্বাচন পর্যাবেক্ষক নীতিমালা অনুসরণ করে সেটির নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে। সচিব বলেন, একটি সেন্টারে অনেকগুলো সংস্থা লোক থাকবে। পোলিং অফিসার, রিটার্নিং অফিসার, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, গণমাধ্যম থাকবে। এসব বিষয়গুলো মাথায় রেখে আপনাদের জন্য যে নীতিমালা সেটি অনুসরণ করে দায়িত্বপালন করবেন। সচিব আরো বলেন, একজন পর্যবেক্ষকের কারণে কিন্তু আপনি নিজেও বিপদে পড়ে যাবেন। আমাদের নীতিমালায় বলা আছে যে, আপনি যদি কোনো শর্ত ভঙ্গ করেন। তাহলে কিন্তু আপনাদের নিবন্ধন বাতিল হয়ে যেতে পারে। এজন্য খুব সতর্কভাবে এ পর্যবেক্ষণ নীতিমালা ফলো করে দায়িত্বপালন করবেন। পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রতিনিধিদের উদ্দেশে সচিব বলেন, যখন আপনারা পর্যবেক্ষক নিয়োগ করবেন তখন কয়েকটি সাবধান বাণী উচ্চারণ করবেন। নির্বাচন কমিশনের দেয়া পরিচয়পত্র সার্বক্ষণিক গলায় ঝুলিয়ে রাখতে হবে। যাতে যে কেউ বুঝতে পারেন যে, আপনি একজন পর্যবেক্ষক। প্রথমে কেন্দ্রে গিয়ে প্রিজাইডিং অফিসারকে তার পরিচয় দিতে হবে। কেন্দ্রে কোনো মোবাইল ফোন নেয়া যাবে না, কোনো ছবি তুলতে পারবে না, কোনো কমেন্টস করতে পারবে না, শুধু মূর্তির মতো দায়িয়ে পর্যবেক্ষণ করবে। সেই কেন্দ্রে যত প্রবলেমই হোক সে পর্যবেক্ষণ করে আপনার কাছে একটি রিপোর্ট পেশ করবেন। তারপর আপনি সবার কাছ থেকে রিপোর্ট নিয়ে কম্পাইল করে আমাদের কাছে প্রতিবেদন দিবেন। পর্যবেক্ষণের সময় গোপন কক্ষে যাওয়া যাবে না, কাউকে নির্দেশনা দিতে পারবে না, প্রিজাইডিং, পোলিং অফিসারকে কোনো পরামর্শ দিতে পারবে না। এগুলো ক্লিয়ার করে বলে দেবেন। যদি কোনো কেন্দ্রে অনিয়ম হয়, এটা তারা কমিশনকে অবহিত করতে পারেন বা আপনাকে লিখিতভাবে অবহিত করতে পারেন। সচিব আরো বলেন, অনেক সাংবাদিক তাদের সামনে ক্যামেরা ধরবেন, উনি কিন্তু কথা বলতে পারবেন না। কোনো সংবাদ পত্রে লাইভে কথা বলতে পারবে না, কমেন্টস করতে পারবে না। ব্রিটেনের পুলিশের মতো মূর্তির মতো দাড়িয়ে শুধু পর্যবেক্ষণ করবে। আপনাদের কাছে লিখিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার আগে কোনো মন্তব্য করবে না। আপনারাও যখন কম্পাইল করে জমা দেবেন, তার আগে আপনারাও কোনো কমেন্টস করবেন না। রিপোর্ট কম্পাইল হলে প্রয়োজনে সংবাদ সম্মেলন করতে পারেন। এবং আমাদের কাছে জমা দিতে পারেন। আপনাদের আচরণ হবে নিউট্রাল। এমন কোনো ব্যক্তিকে আপনারা নিয়োগ করবে না যে কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য। এগুলো আপনাদের খেয়াল রাখতে হবে। হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে সচিব বলেন, একটা জিনিস খেয়াল রাখবেন নিবন্ধন যাতে বাতিল না হয়। সে দিকে আপনারা খুব বেশি খেয়াল রাখবেন। আপনারা অনেকে কিন্তু এনজিও হিসেবে কাজ করেন। অন্যান্য কাজের পাশাপাশি আপনারা নির্বাচনেও কাজ করেন। কিন্তু এখান থেকে যদি আমরা রিপোর্ট দেই যে, আপনি এই ধরণের একটি আচরণ করেছেন। যেটার জন্য নির্বাচন প্রক্রিয়াটাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে গেছে। তাহলে কিন্তু আপনার নিবন্ধনটা বাতিল করার জন্য যারা নিবন্ধন দেয় তাদেরকেও আমরা চিঠি দিয়ে দেবো। সুতরাং বি কেয়ারফুল। আপনারা এমন কোনো আচরণ করবেন না এমন কোনো কাজ করবেন না যেটার জন্য নির্বাচন প্রক্রিয়াটা ভণ্ডুল হতে পারে বা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।
২২৪ আসনে জাসদের ইনুর প্রার্থী ঘোষণা
অনলাইন ডেস্ক :আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য ২২৪জন প্রার্থীর তালিকা চূড়ান্ত করেছে হাসানুল হক ইনুর জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ। ইনুর সভাপতিত্বে দলের পার্লামেন্টারি বোর্ডের সভায় এই প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হয়। সভায় সিদ্ধান্ত হয়, ১৪ দল ও মহাজোটের নির্বাচনী ঐক্যের স্বার্থে প্রয়োজনে জাসদ মনোনীত প্রার্থীরা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করবেন। প্রার্থীদের দলীয় মনোনয়নপত্র দেয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের চিঠিতে সইও নেয়া হচ্ছে। পরে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দের চিঠি দেয়া হবে। জাসদের প্রার্থী যারা পঞ্চগড়-১: অলিয়ার রহমান আল কোরায়শী, পঞ্চগড়-২: তরিকুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও-১: খাদেমুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও-২: রাজিউর রহমান, ঠাকুরগাঁও-৩: আবদুল বারেক, দিনাজপুর-১: সামসুল ইসলাম, দিনাজপুর-২: ইমামুল ইসলাম, দিনাজপুর-৩: শহিদুল ইসলাম শহীদুল্লাহ, দিনাজপুর-৪: লিয়াকত আলী, দিনাজপুর-৫: আতাউর রহমান, দিনাজপুর-৬: হারুন অর রশীদ, নীলফামারী-১: দিলিপ কুমার রায়, নীলফামারী-২: জাবির আকতার প্রামাণিক, নীলফামারী-৩: গোলাম পাশা এলিচ, নীলফামারী-৪: সুজাউদ্দিন সুজা, লালমনিরহাট-১: ছাদেকুল ইসলাম, লালমনিরহাট-২: উত্তম কুমার রায়, লালমনিরহাট-৩: খোরশেদ আলম, রংপুর-১: সানিউল ইসলাম লিটু, রংপুর-২: কুমারেশ চন্দ্র রায়, রংপুর-৩: সাখাওয়াত হোসেন রাঙ্গা, রংপুর-৪: আবুল কালাম আজাদ, রংপুর-৫: আইনুল কবির লিটন, রংপুর-৬: মীর মোহাম্মদ আলী মানিক, কুড়িগ্রাম-১: আনসার আলী, কুড়িগ্রাম-২: সলিমুল্লাহ, কুড়িগ্রাম-৩: কার্তিক চন্দ্র দাস, কুড়িগ্রাম-৪: আবুল কাশেম চান, গাইবান্ধা-১: মোহাম্মদ আলী প্রামাণিক, গাইবান্ধা-২: শাহ শরিফুল ইসলাম বাবলু, গাইবান্ধা-৩: এস এম খাদেমুল ইসলাম খুদি, গাইবান্ধা-৪: সেকান্দার আলী, গাইবান্ধা-৫: শাহ জামিল, জয়পুরহাট-১: আমেজ উদ্দিন, জয়পুরহাট-২: আবুল খায়ের মো. শাখাওয়াত হোসেন, বগুড়া-১: হাসান আকবর আফজাল, বগুড়া-২: রফিকুল ইসলাম ভা-ারি,বগুড়া-৩: আব্দুল মালেক সরকার/নজরুল ইসলাম বগুড়া-৪: এ কে এম রেজাউল করিম তানসেন, বগুড়া-৫: রাসেল মাহমুদ, বগুড়া-৬: ইমদাদুল হক ইমদাদ, বগুড়া-৭: আব্দুর রাজ্জাক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১: আরিফুল ইসলাম উইল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২: মেহের আলী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩: মুনিরুজ্জামান, নওগাঁ-১: শাহজামান আলী, নওগাঁ-২ : আব্দুল হাই, নওগাঁ-৩: জাকির হোসেন, নওগাঁ-৪: রিয়াজ আলী, নওগাঁ-৫: এস এম আজাদ হোসেন মুরাদ, নওগাঁ-৬: ইউসুফ আলী মিন্টু, রাজশাহী-১: প্রদীপ মৃধা, রাজশাহী-২ : আব্দুল্লাহ আল মাসুদ সিদ্দিকী শিবলী, রাজশাহী-৬: শফিউর রহমান শফি, নাটোর-১: মোয়াজ্জেম হোসেন, নাটোর-২: বিপ্লব কুমার রাম, নাটোর-৪: ডি এম রনি পারভেজ আলম, সিরাজগঞ্জ-১: আব্দুল হাই তালুকদার, সিরাজগঞ্জ-২: প্রাণ গোবিন্দ চৌধুরী, সিরাজগঞ্জ-৩: আক্কাস আলী, সিরাজগঞ্জ-৪: মোস্তফা কামাল বকুল, সিরাজগঞ্জ-৫: আইয়ূব আলী খান, সিরাজগঞ্জ-৬: শফিকুজ্জামান শফি, পাবনা-১: ইকবাল হোসেন মাষ্টার, পাবনা-২: রেজাউর রহিম, পাবনা-৩: আবুল বাশার শেখ, পাবনা-৪: বীর গোলাম মোস্তফা বাচ্চু, পাবনা-৫: শেখ আনিসুজ্জামান, মেহেরপুর-১: শফিকুল ইসলাম কাজল, মেহেরপুর-২: ওমর আলী, কুষ্টিয়া-১: শরিফুল কবির স্বপন, কুষ্টিয়া-২: হাসানুল হক ইনু, কুষ্টিয়া-৩: গোলাম মহসীন, কুষ্টিয়া-৪: রোকনুজ্জামানরোকন, চুয়াডাঙ্গা-১: সবেদ আলী, চুয়াডাঙ্গা-২: আকসিজুল ইসলাম রতন, ঝিনাইদহ-১: শরাফত ইসলাম, ঝিনাইদহ-৩: শামীম আকতার বাবু, যশোর-২: রবিউল আলম, যশোর-৩: রবিউল আলম, যশোর-৪: অশোক কুমার রায়, মাগুরা-১: জাহিদুল আলম, নড়াইল-১: এ বি এম আখতার হোসেন রাঙ্গা, নড়াইল-২: আব্দুস সালাম, বাগেরহাট-২: সবুজ চন্দ্র রায়, খুলনা-১: শেখ রওশন আলী, খুলনা-২: খালিদ হোসেন, খুলনা-৩: শেখ গোলাম মর্তুজা, খুলনা-৫: সুজিত মল্লিক, খুলনা-৬: স ম রেজাউল করিম, সাতক্ষীরা-১: শেখ মো. ওবায়দুস সুলতান বাবলু, সাতক্ষীরা-২: জাকির হোসেনলস্কর শেলী, সাতক্ষীরা-৪: আশেক-ই-এলাহী, বরগুনা-১: আব্দুল আলীম হিমু, পটুয়াখালী-১: হাবিবুর রহমান শওকত, পটুয়াখালী-২: আনোয়ারুজ্জামান চুন্নু, পটুয়াখালী-৩: নিজামউদ্দিন তালুকদার, পটুয়াখালী-৪: বিশ্বাস শিহাব পারভেজ মিঠু, ভোলা-১: সিদ্দিকুর রহমান, বরিশাল-২: সাজ্জাদ হোসেন, বরিশাল-৩: শাহজাহান হাওলাদার, বরিশাল-৪: আব্দুল হাই মাহবুব, বরিশাল-৬: মো. মোহসীন, ঝালকাঠি-১: মনির সিকদার, ঝালকাঠি-২: সুকমল ওঝা দোলন, পিরোজপুর-১: সাইদুল ইসলাম ডালিম, পিরোজপুর-২: আবুল কালাম খান, পিরোজপুর-৩: মঞ্জুরুলইসলাম খলিফা, টাঙ্গাইল-২: কামরুজ্জামান, টাঙ্গাইল-৪: এস এম আবু মোস্তফা/ শামসুল হক মোহসীন, টাঙ্গাইল-৫: শাহীনুল ইসলাম শাহীন, টাঙ্গাইল-৬: সৈয়দ নাভেদ হোসেন, টাঙ্গাইল-৭: মঞ্জুর রহমান মজনু, টাঙ্গাইল-৮: রফিকুল ইসলাম শিকদার, জামালপুর-২: লুৎফর রহমান, জামালপুর-৪: গোলাম মোস্তফা জিন্নাহ/ এম এল ফারুক, জামালপুর-৫: খন্দকার মো. ইতিমুদৌলা, শেরপুর-১: মনিরুল ইসলাম লিটন, শেরপুর-২: লাল মো. শাহজাহান কিবরিয়া, শেরপুর-৩: এ কে এম ছামেদুল হক, ময়মনসিংহ-১: আমিনুল ইসলাম আমিন, ময়মনসিংহ-২: শিব্বির আহমেদ লিটন, ময়মনসিংহ-৪: নজরুল ইসলাম চুন্নু, ময়মনসিংহ-৫: কাওছার আহমেদ, ময়মনসিংহ-৬: সৈয়দ শফিকুল ইসলাম মিন্টু, ময়মনসিংহ-৭: রতন কুমার সরকার, ময়মনসিংহ-৯: গিয়াস উদ্দিন, ময়মনসিংহ-১১: সাদিক হোসেন, নেত্রকোণা-২: মো. মোখলেছুর রহমান মুক্তাদির, কিশোরগঞ্জ-১: নজরুল ইসলাম নুরু, কিশোরগঞ্জ-৩: শওকত আলী, কিশোরগঞ্জ-৫: নন্দন কুমার শেঠ, কিশোরগঞ্জ-৬: রফিকুল ইসলামরাজা, মানিকগঞ্জ-১: আফজাল হোসেন খান জকি, মানিকগঞ্জ-২: মোসলেহ উদ্দিন খান, মানিকগঞ্জ-৩: ইকবাল হোসেন খান, মুন্সীগঞ্জ-১: এ কে এম নাসিরুজ্জামান খান, ঢাকা-১: আইয়ূব খান, ঢাকা-৫: শহীদুল ইসলাম, ঢাকা-৬: কাজী সালমা সুলতানা, ঢাকা-৭: ইদ্রিস বেপারী, ঢাকা-৯: নিলঞ্জনা রিফাত সুরভী, ঢাকা-১০: শওকত রায়হান, ঢাকা-১৩: নাদের চৌধুরী, ঢাকা-১৪: নুরুল আখতার, ঢাকা-১৫: সামছুল ইসলাম সুমন, ঢাকা-১৬: নুরুন্নবী, ঢাকা-১৭: মীর হোসাইন আখতার, ঢাকা-১৮: এস এম ইদ্রিস আলী, ঢাকা-১৯: জাহাঙ্গীর আলম, গাজীপুর-১: আব্দুর রফিক, গাজীপুর-২: হানিফ প-িত, গাজীপুর-৩: জহিরুল হক ম-ল বাচ্চু, গাজীপুর-৪: আব্দুল্লাহ আল মামুন, নরসিংদী-২: জায়েদুল কবির, নারায়ণগঞ্জ-২: আব্দুল মতিন, নারায়ণগঞ্জ-৩: শফিকুল ইসলাম ভূইয়া, নারায়ণগঞ্জ-৪: সৈয়দ আলম, নারায়ণগঞ্জ-৫: মোহর আলী চৌধুরী, রাজবাড়ী-১: মুনিরুল হক মুনির, রাজবাড়ী-২: সুশান্ত কুমার বিশ্বাস, ফরিদপুর-১: হারুন-অর-রশীদ রতন, ফরিদপুর-৩: শেখ মজিবর রহমান, ফরিদপুর-৪: নাজমুল কবির মনির, গোপালগঞ্জ-১: ফায়েকুজ্জামান, গোপালগঞ্জ-২: শেখ মাসুদুর রহমান, মাদারীপুর-২: ওবায়দুর রহমান চুন্নু, মাদারীপুর-৩: শেখ বজলুর রশিদ, শরীয়তপুর-১: স ম আব্দুল মালেক, শরীয়তপুর-২: ফিরোজ মিয়া, শরীয়তপুর-৩: শিকদার সেলিম, সুনামগঞ্জ-১: এ কে এম ওহীদুল ইসলাম কবীর, সুনামগঞ্জ-২: আমিনুল ইসলাম, সুনামগঞ্জ-৪: এনামুজ্জামান চৌধুরী, সিলেট-১: রফিকুল হক, সিলেট-২: শামীম আখতার, সিলেট-৩: ময়নুল ইসলাম, সিলেট-৪: নেসার আহম্মেদ কায়সার, সিলেট-৫: গিয়াস আহমেদ, সিলেট-৬: লোকমান আহমেদ, মৌলভীবাজার-২: বদরুল হোসেন ইকবাল, মৌলভীবাজার-৩: আব্দুল হক, মৌলভীবাজার-৪: এলেমান কবির, হবিগঞ্জ-১: আব্দুল মান্নান, হবিগঞ্জ-২: মোস্তফা কামাল/জসিমউদ্দিন, হবিগঞ্জ-৩: তাজ উদ্দিন আহমেদ সুফি, হবিগঞ্জ-৪: জিয়াউল হাসান তরফদার মাহিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩: আখতার হোসেন সাঈদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪: জাহাঙ্গীর আলম ভূইয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫: শাহ জিকরুল আহমেদ, কুমিল্লা-২: বড়ুয়া মনোজিত ধীমন, কুমিল্লা-৫: ফরিদউদ্দিন, কুমিল্লা-৬: শফিকুর রহমান, কুমিল্লা-৭: শাহজালাল সুমন, কুমিল্লা-৮: দিলীপ মজুমদার, কুমিল্ল-৯: মনিরুল আনোয়ার, কুমিল্লা-১০: চন্দন কুমার দাশ, কুমিল্লা-১১: আবু তাহের, চাঁদপুর-১: সাইফুল ইসলাম সোহেল, চাঁদপুর-২: শহীদ আলমগীর, চাঁদপুর-৩: মাসুদ হাসান, চাঁদপুর-৪: মোহসীন পাটওয়ারী, চাঁদপুর-৫: মনির হোসেন মজুমদার, ফেনী-১: শিরীন আখতার, নোয়াখালী-১: হারুন রশিদ/ হারুন-অর-রশিদ, নোয়াখালী-২: নইমুল আহসান জুয়েল, নোয়াখালী-৩: জয়নাল আবেদীন সরকার/মফিজুর রহমান, নোয়াখালী-৪: মকছুদের রহমান মানিক, নোয়াখালী-৫: আজিজুল হক বকশী, নোয়াখালী-৬: ঈশরাজুর রহমান শামীম, লক্ষ্মীপুর-২: আমির হোসেন মোল্লা, লক্ষ্মীপুর-৩: কাজী সিদ্দিকুর রহমান, লক্ষ্মীপুর-৪: মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম-৩: আবুল কাসেম, চট্টগ্রাম-৪: আ ফ ম মফিজুর রহমান, চট্টগ্রাম-৮: আজিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম-১০: আনিসুর রহমান, চট্টগ্রাম-১১: জসিমউদ্দিন, চট্টগ্রাম-১৪: ওসমান গনি চৌধুরী, কক্সবাজার-১: আবু তাহের, কক্সবাজার-২: আশরাফুল করিম নোমান, কক্সবাজার-৩: নাইমুল হক চৌধুরী টুটুল, কক্সবাজার-৪: আব্দুস শুকুর, বান্দরবান: সুযশময় চৌধুরী।

জাতীয় পাতার আরো খবর