রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন শেখ হাসিনাকে
অনলাইন ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও উন্নয়নের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। সোমবার (৩১ ডিসেম্বর) একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পাঠানো এক অভিনন্দন বার্তায় এ কথা বলেন তিনি। রাষ্ট্রপতি বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ে আমি আপনাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানাচ্ছি। আমি অভিনন্দন জানাচ্ছি দেশবাসীসহ বিজয়ী সব প্রার্থীকে। আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি অংশগ্রহণকারী সব রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সবাইকে, যাদের সক্রিয় সহযোগিতায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।’ তিনি বলেন, এ নির্বাচন সাম্প্রদায়িকতা, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে এবং স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ ও উন্নয়ন-অগ্রগতির পক্ষে জনগণের মতামতের সুস্পষ্ট প্রতিফলন। আবদুল হামিদ বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানে নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে বাঙালি স্বাধীনতা অর্জন করে। বঙ্গবন্ধু সবসময় রাজনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি অর্থনৈতিক মুক্তি তথা সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন দেখতেন। কিন্তু স্বাধীনতা বিরোধীচক্র বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার মাধ্যমে সে স্বপ্ন স্তব্ধ করে দেয়। গণতন্ত্র ও উন্নয়নের চাকা উল্টোপথে চলতে শুরু করে। তিনি বলেন, দীর্ঘ ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে জনগণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের দায়িত্ব নেন। বাংলাদেশ এগুতে থাকে উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে। ২০০১ সালে এ ধারা থেমে গেলেও ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ আবারও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করেন। তার প্রজ্ঞা ও সুদূরপ্রসারী কর্মপরিকল্পার আলোকে বাংলাদেশ উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে অদম্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। সার্বিক অর্জনে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী এবং ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপিত হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব গোটা জাতি এ দুটি উৎসব উদযাপন করবে ইনশাল্লাহ। রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে শামিল হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা এখন আর স্বপ্ন নয়, বাস্তবতা। শেখ হাসিনার বিচক্ষণ ও গতিশীল নেতৃত্বে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাসিক্ত উন্নত-সমৃদ্ধ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠিত হোক—এ আমার একান্ত কামনা। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার পরিবারের সব সদস্যের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন। সূত্র: বাসস
নিজস্ব ভুল এবং দুর্বলতার কারণেই ভরাডুবি হয়েছে বিএনপির: প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিরোধীদের বিভ্রান্তি এবং ভুল রোববারের নির্বাচনে তাদের ভরাডুবির জন্য দায়ী। তিনি বলেন, তিনি সবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবেই আগামী পাঁচ বছরের জন্য দায়িত্ব পালন করবেন। এটি একটি প্রশংসাযোগ্য এবং স্বচ্ছ নির্বাচন ছিল। কিন্তু বিএনপির নিজস্ব ভুল এবং দুর্বলতার কারণেই তাদের ভরাডুবি হয়েছে, যোগ করেন তিনি। খবর বাসসর। শেখ হাসিনা সোমবার বিকালে গণভবনে নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসা বিদেশি পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন। তিনি বিএনপির নেতৃত্বের শূন্যতা প্রসঙ্গ টেনে বলেন, এটাই ছিল তাদের প্রধানতম দুর্বল দিক। কারণ তাদের দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া একটি দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধান পলাতক তারেক রহমানও বিদেশে অবস্থান করছেন। কারণ, ২০০৪ সালে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা করে ২৪ জনকে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে আদালত তাকে যাবজ্জীবন সাজা দিয়েছেন। জনগণ জানেই না বিরোধী দলের নেতা কে, যদিও বিশিষ্ট আইনজীবী ড. কামাল হোসেন বিরোধী ঐক্যজোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতৃত্ব দিয়েছেন, যাদের মূল শরিক বিএনপি, বলেন তিনি। এছাড়া, তারা প্রতিটি আসনে টাকার বিনিময়ে চার থেকে পাঁচজন প্রার্থী দিয়েছে, যে কারণে দলের আসল প্রার্থী নিয়ে জনগণের মধ্যে সন্দেহ দেখা দেয় এবং তাদের অধিকাংশ প্রার্থীই জনগণের কাছে ছিল অপরিচিত। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের বিজয়ের আরেকটি প্রধান কারণ ছিল গেল ১০ বছরে দেশের ব্যাপক উন্নয়ন। দারিদ্র্যের হার কমিয়ে আনা এবং জনগণের জীবন-মানের উন্নয়ন এবং জিডিপি প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি করা। তিনি বলেন, তারা (জনগণ) সরকারের ধারাবাহিকতা চেয়েছিল, উন্নয়ন চেয়েছিল যে কারণে স্বতঃস্ফূর্তভাবেই আমাদের ভোট প্রদান করেছে। তবে, আমি সকলেরই প্রধানমন্ত্রী যোগ করেন শেখ হাসিনা। তার আগামী সরকারের পরিকল্পনা সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, এরই মধ্যে যেসব উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলো গৃহিত হয়েছে সেগুলো সমাপ্ত করা এবং তার সরকারের আরেকটি অন্যতম প্রধান কাজ হচ্ছে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষা প্রদান করা। তিনি বলেন, আমাদের প্রধান দায়িত্ব হবে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকা-কে অব্যাহত রাখা, যাতে করে মানুষ উন্নত জীবন পেতে পারে। নির্বাচনকালীন সহিংসতার জন্য প্রধানমন্ত্রী বিএনপি এবং তাদের সহযোগীদের দায়ী করে বলেন, নিহতদের অধিকাংশই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী। বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসীদের হাতে তারা প্রাণ হারিয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি-জামাতের লোকজন আমাদের লোকজনের ওপর হামলা করেছে, তারা ব্যালট পেপার এবং ব্যালট বাক্স ছিনিয়ে নিতে চেষ্টা করেছে এবং নির্বাচনে ভীতির সঞ্চার করতে চেয়েছে। কিন্তু তাদের এ পরিকল্পনা সম্পর্কে জনগণ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনী সজাগ ছিল। তিনি বলেন, বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার মূল কারণই ছিল বিশ্বকে দেখানো যে, নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয়নি বা তাদের ষড়যন্ত্র ছিল অন্যকিছুর বাস্তবায়ন করা। তিনি বলেন, এখন জনগণ এসব (বিএনপি-জামায়াত) রাজনৈতিক দলকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে মনে করে এবং তাদের দুর্নীতির কথা সবারই জানা, তাই জনগণ মনে করে দেশের কোনো উন্নতিই তারা করতে পারবে না। বিবিসির এক সাংবাদিকের নির্বাচনের স্বচ্ছতা সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পুরো ব্যাপরটিই সাজানো ছিল। তিনি বলেন, এ ব্যালট ভর্তি বাক্সের ফুটেজটি ৩০ ডিসেম্বরের ছিল না। এটি ছিল মেয়র নির্বাচনের সময়কার, যে বাক্সটি তখন ভোট গণনার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। শেখ হাসিনা বলেন, যেখানেই কোনো অভিযোগ উঠেছে এবং তাদের গোচরে এসেছে নির্বাচন কমিশন সেখানেই তৎক্ষণাৎ ভোটগ্রহণ বন্ধ করে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আমরা কোনো অনিয়মকে প্রশ্রয় দিই না। কোনো কোনো জায়গায় কিছু ঘটনা ঘটে থাকতে পারে, কিন্তু তৎক্ষণাৎ এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান এইচটি ইমামও অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। দলের জ্যেষ্ঠ নেতা এবং নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব বিপ্লব বড়ুয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবেন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। গতকাল তার নেতৃত্বে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট। প্রধানমন্ত্রী হতে যাওয়া আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত করলেন রাজনৈতিক ব্যক্তি ও রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তারা। সোমবার সকাল থেকেই প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে তারা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পাশে ছিলেন তার বোন শেখ রেহানা ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ হোসেন। প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান রাজনৈতিক ব্যক্তি, সচিব, সামরিক ও বেসামরিক উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা, পুলিশ, বিজিবি ও র‌্যাব কর্মকর্তারা। সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দীলিপ বড়ুয়া, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানিবিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, তথ্যবিষয়ক উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, বেসরকারি খাতবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান, সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার মার্শাল মসিহুজ্জামান সেরনিবায়াত, নৌবাহিনীর প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল নিজামউদ্দিন প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন, পুুলিশের পক্ষ থেকে আইজিপি মোহাম্মদ জাভেদ পাটোয়ারি, Rab মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম, ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকেও শুভেচ্ছা জানানো হয়। বিএসএমএমইউ ভিসির অভিনন্দন : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদমুক্ত মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নাই। উন্নয়নের গণতন্ত্রের রূপকার শেখ হাসিনার পক্ষেই বাংলাদেশ সঠিকভাবে সঠিকপথে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব। ইউজিসি চেয়ারম্যানের অভিনন্দন : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল মান্নান অভিনন্দন জানিয়েছেন। প্রফেসর আবদুল মান্নান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর গতিশীল ও দৃঢ় নেতৃত্বের মাধ্যমে সামনের দিনগুলোতে বাংলাদেশ আরও সাফল্য ও অগ্রগতি অর্জন করবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিনন্দন : জনগণের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত শান্তিপূর্ণ এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্রছাত্রী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পক্ষ থেকে কৃষিদরদি, বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রাণঢালা অভিনন্দন। শান্তিপূর্ণ ও স্বতঃস্ফূর্ত ভোটের মাধ্যমে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোটকে নিরঙ্কুশ বিজয়ী করায় দেশের জনগণকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ। ঢাবি ভিসি-শিক্ষকদের অভিনন্দন : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে জয়লাভ করায় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ভিসি আখতারুজ্জামান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামী লীগ সমর্থক শিক্ষকরা। সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ অভিনন্দন জানানো হয়। তারা নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে রায় দেওয়ায় বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
ঢাবি ভিসি-শিক্ষকদের অভিনন্দন শেখ হাসিনাকে
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে জয়লাভ করায় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ভিসি আখতারুজ্জামান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামী লীগ সমর্থক শিক্ষকরা। সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো পৃথক দুই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই অভিনন্দন জানানো হয়। তারা নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে রায় দেয়ায় বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। বিবৃতিতে ঢাবি ভিসি বলেন, এ বিজয়ের মাধ্যমে দেশে বিরাজমান গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক মূল্যবোধ আরও বিকাশ লাভ করবে এবং উন্নয়নের অব্যাহত ধারা বেগবান হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামী লীগ সমর্থক শিক্ষকদের সংগঠন নীল দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক জেডএম পারভেজ সাজ্জাদ স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, ঢাবি শিক্ষকরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, টানা তিনবারসহ চারবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের বিপুল উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।
৮০ শতাংশ ভোট পড়েছে নির্বাচনে: সিইসি
অনলাইন ডেস্ক: প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা জানিয়েছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৮০ শতাংশ ভোট পড়েছে। সোমবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেলে নির্বাচন কমিশনে এক সংবাদ সম্মেলনে সিইসি একথা জানান। সিইসি কেএম নূরুল হুদা বলেন, ৩০ ডিসেম্বর উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব ব্যবস্থা নেয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, 'জনগণ যেভাবে ভোট দিয়েছে, সেভাবে ফল হয়েছে। নতুন করে ভোট গ্রহণের কোনো সুযোগ নেই।' আর এ কারণে পুনরায় ভোট গ্রহণের যে দাবি জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট জানিয়েছে তা মেনে নেয়া সম্ভব নয় বলেও এ সময় উল্লেখ করেন সিইসি। আওয়ামী লীগ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হ্যাটট্রিক জয় পেয়েছে। জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে অংশ নিলেও শরিকদের ছাড়াই তারা দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। এ পর্যন্ত পাওয়া বেসরকারি ঘোষিত ফলাফলে ২৫৯ আসনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। ফলে টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে দেশের স্বাধীনতা-সংগ্রামে নেতৃত্বদানকারী ঐতিহ্যবাহী এই দল।
বিজয়ের মাসে দেশের জনগণের আরেক বিজয়: শেখ হাসিনা
অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, একাদশ জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোটের বিজয় ডিসেম্বর মাসে দেশের জনগণের আরেক বিজয়। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেখ হাসিনা ও তাঁর দল নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে পুনরায় বিজয় লাভ করায় আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে রাজনৈতিক নেতা, বেসামরিক ও সামরিক প্রশাসনের সিনিয়র কর্মকর্তারা তাঁকে অভিনন্দন জানাতে গেলে তিনি এ কথা বলেন। বার্তা সংস্থা ইউএনবি এ তথ্য জানায়। শেখ হাসিনা জানান, এ বিজয় ব্যক্তিগত লাভের জন্য নয়, বরং দেশ ও জনগণের প্রতি তাঁর বড় দায়িত্ব। প্রধানমন্ত্রী জানান, আবার নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে দেশের জনগণের সেবা করা এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নের অসাধারণ সুযোগ পেয়েছেন তিনি। নববর্ষ উপলক্ষে দেশের জনগণকে শুভেচ্ছা জানান শেখ হাসিনা। বিভিন্ন নেতা ও কর্মকর্তারা তাঁকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। রাজনৈতিক নেতা ও সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী, ইকবাল সোবহান চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, তিন বাহিনীর প্রধানরা, আইজিপি, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব, বিজিবি ও Rab মহাপরিচালক। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানা ও প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানালেন নরেন্দ্র মোদি
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পাওয়ায় আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা ও তার দলকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার সকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী টেলিফোন করে এই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। এ ছাড়া বিজেপির সাধারণ সম্পাদক রাম মাধব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইতিহাস গড়ে জয় পেয়েছে নৌকা। টানা তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়ে আগামী পাঁচ বছর দেশ পরিচালনার দায়িত্বগ্রহণ করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রসঙ্গত, রোববার শেষ হওয়া একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ পেয়েছে ২৫৯টি আসন। বিএনপি পেয়েছে ৬টি এবং জাতীয় পার্টি পেয়েছে ২২টি আসন।
জনগণের রায় উন্নয়নের পক্ষে
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল জয় পেল আওয়ামী লীগ। টানা তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়ে ৫ বছর দেশ পরিচালনার দায়িত্বগ্রহণ করতে যাচ্ছে দলটি। রোববার উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সব দলের অংশগ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ এ নির্বাচনে ভোটাররা নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ২৯৯টি আসনের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেন ভোটাররা। রোববার রাতে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, নৌকা প্রতীক ২৫৯ আসনে জয়ী হয়েছে। ধানের শীষ প্রতীক পেয়েছে ০৬ আসন। লাঙ্গল প্রতীক পেয়েছে ২২ আসন। অন্য দলগুলো পেয়েছে ০৬ আসন। যদিও ভোটগ্রহণের মাঝপথে শতাধিক আসনের প্রার্থীরা ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। পাশাপাশি অধিকাংশ আসনেই ধানের শীষের প্রার্থীদের এজেন্ট দিতে পারেনি বলে অভিযোগ করেছে দলটি। ভোটগ্রহণ শেষে আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জানান, মানুষের প্রত্যাশিত ভোটের উৎসব সম্পন্ন হয়েছে। ২৯৩ আসনে ভোটের উৎসব হয়েছে ব্যালটের মাধ্যমে। আর ছয়টি আসনে ভোটের উৎসব ছিল ইভিএমের মাধ্যমে। ৪০ হাজার কেন্দ্রের মধ্যে গোলোযোগ ও অনিয়মের কারণে ২২টি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত হয়েছে। বাকি আসনে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হয়েছে। তিনি আরও বলেন, কিছু জায়গায় সহিংতার ঘটনা ঘটেছে বলে কমিশনের নজরে এসেছে। কমিশন সহিংসতার ঘটনার কেন্দ্রগুলোর প্রতিটিতে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। নির্বাচনের পর প্রিসাইডিং অফিসারসহ সব নির্বাচন কর্মকর্তা যাতে ফল ও নির্বাচন সামগ্রী নিয়ে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে ফিরে আসতে পারেন, সেজন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ সময় তিনি কয়েকটি আসনের আংশিক ফল ঘোষণা করেন। সকালে রাজধানীর সিটি কলেজ কেন্দ্রে নিজের ভোট দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা আশা ব্যক্ত করেছেন- নৌকার জয় হবে, হবেই। নির্বাচনে যে ফলই আসুন না কেন, তিনি ও তার দল তা মেনে নেবেন। সকাল ৯টার কিছু আগে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেন, আমি কারও মুখে কোনো আনন্দ উল্লাস দেখছি না। যেটা হওয়া উচিত ছিল। যে খবর পাচ্ছি তা উদ্বেগজনক। বেলা ১১টার দিকে উত্তরায় নিজের ভোট দেওয়ার পর সিইসি কেএম নূরুল হুদা বলেন, এখন পর্যন্ত সারা দেশে নির্বাচনের পরিবেশ ভালো। কিছু জায়গায় বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। তবে সেগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অনেক কেন্দ্রে কেন ধানের শীষের কোনো এজেন্ট নেই? জানতে চাইলে সিইসি বলেন, ধানের শীষের এজেন্টরা কেন্দ্রে না এলে কী করার আছে! তারা কেন্দ্রে কেন আসেননি বা কেন কোনো এজেন্ট নেই, সেটা প্রার্থীর নির্ধারিত এজেন্টরাই বলতে পারবেন। ভোট দিতে গিয়ে নিজের ভোটকেন্দ্রে বিরোধী দলের কোনো পোলিং এজেন্ট পাননি বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার। রাজধানীর ইস্পাহানী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভোট দিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা নিয়ে আমি কোনো কথা বলতে চাই না। এসব প্রশ্নের জবাব দেওয়ারও আমার কোনো প্রয়োজন নেই। সকাল থেকেই আমি অসংখ্য টেলিফোন পেয়েছি। কমিশনার হিসেবে আমার একক কোনো দায়িত্ব আছে বলে এখন আর আমি মনে করি না। শীতের কারণে সকালে ভোটকেন্দ্রে ভোটারের উপস্থিতি কিছুটা কম দেখা গেলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে ভোটার বাড়ে। পরিবারের সদস্যদে নিয়ে অনেকে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। রাজধানীর বিভিন্ন আসনে নারী ভোটকেন্দ্রগুলোয় স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দেন নারীরা। তরুণদের উপস্থিতিও ছিল বেশ। নির্বাচনের আগের রাতে সারা দেশের কয়েকটি স্থানে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনার কথা জানা গেছে। নির্বাচন কেন্দ্র করে সারা দেশে ১৮ জন নিহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে অধিকাংশই ক্ষমতাশীন দলের কর্মী-সমর্থক। তবে রাজধানীতে বড় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। এদিকে, ঢাকায় নির্বাচন ভবনের ফোয়ারা প্রাঙ্গণে বিশেষ মঞ্চ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করা হয়। বিভাগ অনুসারে আটটি এলইডি টিভিতে এ ফল প্রদর্শন করা হবে। এছাড়া দলীয় এবং কেন্দ্রীয়ভাবে দুটি মনিটরে পৃথকভাবে ফল দেখানো হয়। সেখানে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রতিনিধিরা উপস্থিত রয়েছেন। সর্বশেষ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী গোপালগঞ্জ-৩ আসনে বিজয়ী হয়েছেন। ইসি ঘোষিত ফল অনুসারে, শেখ হাসিনা পেয়েছেন ২ লাখ ২৯ হাজার ৫৩৯ ভোট। ধানের শীষ পেয়েছে ১২৩ ভোট। শেখ হাসিনাকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করেছে ইসি। জয়ী প্রার্থীরা হলেন : ঢাকা বিভাগ, গোপালগঞ্জ-৩ (কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়া) শেখ হাসিনা (আওয়ামী লীগ, নৌকা); ফরিদপুর-১ (মধুখালী-বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা) মনজুর হোসেন (আওয়ামী লীগ, নৌকা); ফরিদপুর-৩ (সদর) ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন (আওয়ামী লীগ, নৌকা); রাজশাহী বিভাগ, নাটোর-৩ (সিংড়া জুনাঈদ আহমেদ পলক (আওয়ামী লীগ, নৌকা); নওগাঁ-২ (পত্নীতলা ও ধামইরহাট) শহিদুজ্জামান সরকার (আওয়ামী লীগ, নৌকা); নওগাঁ-৬ (আত্রাই ও রানীনগর) ইসরাফিল আলম (আওয়ামী লীগ, নৌকা); বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি ও সোনাতলা) আবদুল মান্নান (আওয়ামী লীগ, নৌকা); সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) তানভীর ইমাম (আওয়ামী লীগ, নৌকা); সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহাজাদপুর) হাসিবুর রহমান স্বপন (আওয়ামী লীগ, নৌকা); খুলনা বিভাগ, মেহেরপুর-১ (সদর ও মুজিবনগর) ফরহাদ হোসেন (আওয়ামী লীগ, নৌকা); মেহেরপুর-২ (গাংনী) সাহিদুজ্জামান খোকন (আওয়ামী লীগ, নৌকা); কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আ কা ম সরওয়ার জাহান বাদশাহ (আওয়ামী লীগ, নৌকা); কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর ও ভেড়ামারা) হাসানুল হক ইনু (১৪ দল, জাসদ-ইনু, নৌকা); কুষ্টিয়া-৩ (সদর) মো. মাহবুব-উল-আলম হানিফ (আওয়ামী লীগ, নৌকা); কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী ও খোকসা) সেলিম আলতাফ জর্জ (আওয়ামী লীগ, নৌকা); যশোর-১ (শার্শা) শেখ আফিল উদ্দিন (আওয়ামী লীগ, নৌকা); যশোর-৬ (কেশবপুর) ইসমাত আরা সাদেক (আওয়ামী লীগ, নৌকা); মাগুরা-১ (সদর আংশিক ও শ্রীপুর) সাইফুজ্জামান শিখর (আওয়ামী লীগ, নৌকা); মাগুরা-২ (মোহাম্মদপুর, শালিখা ও সদর আংশিক) বীরেন শিকদার (আওয়ামী লীগ, নৌকা); নড়াইল-১ (কালিয়া ও সদর আংশিক) কবিরুল হক মুক্তি (আওয়ামী লীগ, নৌকা); নড়াইল-২ (লোহাগড়া ও সদর আংশিক) মাশরাফি বিন মুর্তজা (আওয়ামী লীগ, নৌকা); বাগেরহাট-৩ (রামপাল ও মংলা) হাবিবুন নাহার (আওয়ামী লীগ, নৌকা); চট্টগ্রাম বিভাগ-চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন (আওয়ামী লীগ, নৌকা); চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) মাহফুজুর রহমান মিতা (আওয়ামী লীগ, নৌকা); পার্বত্য বান্দরবান বীর বাহাদুর উ শৈ সিং (আওয়ামী লীগ, নৌকা); রংপুর বিভাগ, রংপুর-৩ (সদর ও রসিক) হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ (মহাজোট, জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল); রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী (আওয়ামী লীগ, নৌকা); ময়মনসিংহ বিভাগ, জামালপুর-৩ (মেলান্দহ ও মাদারগঞ্জ) মির্জা আজম (আওয়ামী লীগ, নৌকা)। ঢাকা-২ ও ১০ আসনের বিএনপির পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী ঢাকা-২ আসনের ব্যারিস্টার ইরফান ইবনে আমান ও ঢাকা-১০ আসনের প্রার্থী আবদুল মান্নান নির্বাচন কমিশনে (ইসি) পোলিং এজেন্টকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন। তাদের নির্বাচনি এলাকায় সকাল থেকে কোনো কেন্দ্রে পোলিং এজেন্টদের প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। যারা প্রবেশ করেছিলেন তাদেরও মেরে বের করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ঢাকা-২ আসনের একজন পোলিং এজেন্ট মেজবাহ উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার দুপুরে ইসিতে আলাদা আলাদাভাবে তারা লিখিত অভিযোগ করেন। ঢাকা-২ আসনের আমান সাংবাদিকদের বলেন, সকাল থেকেই এজেন্টদের কেন্দ্রে ঢুকতে দিচ্ছে না আওয়ামী লীগ সন্ত্রাস বাহিনী ও পুলিশ। অনেক কেন্দ্রে ভোটাররা গিয়ে ফিরে এসেছেন। কেন্দ্র থেকে ভোটারদের বলা হয়েছে ভোট হয়ে গেছে। তাছাড়া আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীরা সকাল থেকেই লাঠি ও বড় বড় অস্ত্র নিয়ে ভোটারদের মাঝে ভয়ভীতির সৃষ্টি করছে। এভাবে কখনও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্ভব নয়। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি এখনও ভোট বর্জন করিনি। তবে দল যে সিদ্ধান্ত দেবে আমি সেটাই করব। অন্যদিকে ঢাকা-১০ আসনের প্রার্থী আবদুল মান্নান বলেন, আমি নিজেই সকাল থেকে ২০ কেন্দ্র ঘুরে দেখেছি কেন্দ্রে আমার কোনো পোলিং এজেন্ট নেই। এছাড়া বাকি ১১৫ কেন্দ্রেও কোনো এজেন্টকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। এ ব্যাপারে পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বলেও কোনো সহায়তা পাইনি। অবশেষে বাধ্য হয়ে ইসিতে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গণতন্ত্র উদ্ধারে আমি নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। যেটাই হোক না কেন আমি নির্বাচনের শেষ পর্যন্ত লড়াই করব। বাইরে বৃহৎ লাইন ভেতরে ভোটার শূন্য : সকাল ১০টায় পুরোনো ঢাকায় সিদ্দিক মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায় বাইরে বৃহৎ লাইনে ভোটাররা দাঁড়িয়ে আছেন। স্কুলের তৃতীয় তলায় অবস্থিত ভোটকেন্দ্রের চারটি বুথে গিয়ে দেখা যায় কোনো ভোটার নেই। প্রিসাইডিং অফিসার এবং সহকারী প্রিসাইডিং অফিসাররা বসে আছেন। সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে তারা নড়েচড়ে বসেন। প্রিসাইডিং অফিসার সাদিক উর রহমান জানান, তার কেন্দ্রে ভোটসংখ্যা ২ হাজার ৫০০। তারা আটজন করে লোক একত্রে ঢোকাচ্ছেন। তবে আলমগীর হোসেন নামে এক ভোটার জানান, প্রায় ১ ঘণ্টা ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। কিন্তু লাইন থেকে এক হাতও আগাতে পারেননি। সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে গিয়ে একই চিত্র দেখা গেছে পার্শ্ববর্তী সৃষ্টি স্কুলে। রতন নামে ভোটার বলেন, ২ ঘণ্টা ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও ভেতরে ঢুকতে পারেননি। ভোট দিতে না পেরে ফিরে যাওয়া আবদুল মতিন নামে ৬৭ বছর বয়সি এক ব্যক্তি জানান, তার ভোট নাকি দেওয়া হয়ে গেছে। তার স্ত্রী আফরোজা বেগমও ভোট দিতে পারেননি। একই অভিযোগ করেন শিমুল আহমেদ নামে এক ব্যক্তি। বেলা ১১টায় সরকারি মাদ্রাসা ই আলিয়াতে গিয়ে দেখা যায় মানুষ ভোট দিচ্ছে। দ্রুত ভোটগ্রহণ করা হচ্ছে। সেখানে অবস্থানকালীন ১০ মিনিটে ভোটের কোনো ধরনের অনিয়ম পরিলক্ষিত হয়নি। দুপুর ১টায় মহাখালী আবদুল হামিদ দর্জি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে ঢুকতে পুলিশের বাধার মুখোমুখি হতে হয়। স্কুলের তিনটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ করা হলেও তা ছিল খুবই মন্থর। দীর্ঘসময় পরপর স্কুলের ভেতর ভোটারদের ঢোকানো হয়েছে। কিছু ভোটারকে দেখা যায় দীর্ঘসময় বাইরে দাঁড়িয়ে থাকার পর ভোট না দিয়েই চলে যেতে। ঢাকা ১০, ১২ ও ১৩ আসনেও এজেন্ট নিয়ে অভিযোগ বিএনপির : ভোটকেন্দ্রের ভেতর নির্ধারিত আসনেই বসা নৌকা প্রতীকের পোলিং এজেন্টরা। ভোটাররা প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে ভোটার তালিকার পাতা উল্টে উল্টে বলে দিচ্ছেন নম্বর, নাম, ঠিকানা। তবে এমন চিত্রের সঙ্গে সমন্বয় নেই বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের। কেন্দ্রগুলোতে তাদের পোলিং এজেন্টদের উপস্থিতি ছিল না বললেই চলে। তাদের অভিযোগ, সকালে বিএনপির যেসব পোলিং এজেন্টরা এসেছিলেন তাদের ভোটকেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। বেশিরভাগ কেন্দ্রেই শুধু নৌকার প্রার্থী ছাড়া অন্য কারও এজেন্ট ছিলেন না। সরেজমিন ঘুরে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে ঢাকা ১০, ১২ ও ১৩ আসনে। বিএনপি প্রার্থীদের অভিযোগ থাকলেও অনেকটা উৎসবমুখর আমেজে শেষ হয়েছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। কেন্দ্রগুলোতেও ছিল ভোটারদের উপস্থিতি। ভোটকেন্দ্রের সামনে থেকে ভোটারদের নম্বর খুঁজে বের করে দিতে সহযোগিতা করেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মীরা। সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতেও দেখা গেছে। কেন্দ্রের সামনেই প্রার্থীদের তথ্য বুথ থেকে ভোটার নম্বর বলে দেওয়া হচ্ছে ভোটারদের। কর্মীরা জানান, কে কোন দলের ভোটার সেটি বিবেচনায় নয় বরং ভোটারদের সহযোগিতা করতেই তথ্য দেওয়া হচ্ছে। ঢাকা-১০ আসনের জিগাতলা, ধানমন্ডি, নিউমার্কেটসহ বেশকিছু এলাকায় ভোট দিতে দেখা গেছে ভোটারদের। এমন পরিস্থিতি দেখা গেছে ঢাকার ১৩ নম্বর আসনে। ঢাকা ১৩-এর আসাদ গেট, মোহাম্মপুর, শ্যামলীর একাংশসহ বিভিন্ন এলাকার ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। ঢাকা-১০ আসনের হাজারীবাগের ফিউচার গ্রিন ইন্টারন্যাশনালে ভোট দিতে আসা রাবেয়া খাতুন বলেন, তথ্যকেন্দ্র থেকে নিজেদের ভোটার নম্বর নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়েছি। ভোট প্রদান শেষে কোনো সমস্যা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, নিজের ভোট নিজে দিতে পারে আনন্দিত। একই কেন্দ্রের পুলিশ কর্মকর্তা খাইরুল ইসলাম বলেন, ভোটাররা আসছেন। সুশৃঙ্খলভাবে তারা ভোট দিচ্ছেন। ঢাকা-১০ এর নারী ভোটকেন্দ্র মনেশ্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েরও দেখা গেছে এ দৃশ্য। এছাড়া জিগাতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরিজ হাইস্কুল, ঢাকা সিটি কলেজ, ঢাকা কলেজসহ আরও কয়েকটি কেন্দ্রে ভোটারদের ভোট দিতে দেখা গেছে। তবে ঢাকা-১০ আসনের বিএনপি প্রার্থী আবদুল মান্নান অভিযোগ করেছেন, কোনো কেন্দ্রেই পোলিং এজেন্টদের থাকতে দেওয়া হয়নি। কয়েকটি সেন্টার থেকে পোলিং এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেওয়া হয়েছে। এদিকে, ঢাকা-১২ আসনের গণভবন সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ে দুপুর ১টার দিকে গিয়ে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। ওই সময় কেন্দ্রর ভেতরটা ছিল একেবারেই ফাঁকা, কোনো ভোটারের উপস্থিতিই ছিল না, যদিও বাইরে নৌকার প্রার্থীর শতাধিক কর্মী-সমর্থককে অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে নির্বাচনি কর্মকর্তারা জানান, ১ হাজার ৯৪৯ ভোটার সংখ্যার কেন্দ্রটিতে ওই সময় পর্যন্ত ৬০ শতাংশের মতো ভোট পড়েছে। একই আসনের ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট কেন্দ্র এবং সরকারি বিজ্ঞান কলেজ সংলগ্ন হাইস্কুলসহ কয়েকটি কেন্দ্রে ভোটারের উপস্থিতি ছিল অনেক কম। এ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নীরব অভিযোগ করেন, মগবাজারসহ বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে বিএনপির এজেন্টদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি, যারা ভেতরে ছিল তাদেরও বের করে দেওয়া হয়েছে। ঢাকা-১৩ আসনের বেগম নূরজাহান মেমোরিয়াল উচ্চবালিকা বিদ্যালয়ের পুরুষ কেন্দ্রের ৮ নম্বর কক্ষে একটি ইভিএম মেশিন সকালে সমস্যা দেখা দিলেও দুপুর ১টার পর ভোটগ্রহণ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন প্রিসাইডিং অফিসার স্বপন কুমার বিশ্বাস। একই আসনের মোহাম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মোহাম্মদপুর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোটাররা ইভিএমে ভোট দিয়েছেন। ঢাকা-১৩ আসনের প্রত্যেক ভোটকেন্দ্র থেকে বিএনপির পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. আবদুস সালাম। আলহাজ মকবুল হোসেন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় এ অভিযোগ করেন। আবদুস সালাম বলেন, বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ধানের শীষের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। সকাল থেকেই এজেন্টদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি। এরপর আলী হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিতে যান। ঢাকা-১৩ আসনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ মুরাদ হোসেনের পোলিং এজেন্ট দেখা গেছে বিভিন্ন কেন্দ্রে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. সাদেক হোসেন বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশে ইভিএম পদ্ধতিতে সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিচ্ছে। কোনো রকম সহিংসতা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন ভোটাররা। ঢাকা-৮ ও ১৫ আসনেও বিএনপির এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ : ঢাকা-৮ আসনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসের ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিতে এসে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের হামলার শিকার হয়েছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া এবং অপর এক কর্মী মেহেদী হাসান। সকাল ৮টায় এ ঘটনা ঘটে। অন্যদিকে, ঢাবি ক্যাম্পাসের আটটি ভোটকেন্দ্রের ৪৭ পোলিং এজেন্টকে বের করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায়, ঢাবি ক্যাম্পাসে ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে তিনটি, উদয়ন উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে একটি, সায়েন্স অ্যানেক্সে একটি ও কার্জন হলে তিনটি কেন্দ্র রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার বড় অংশটিই মহানগর ২১ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত। শুধু কার্জন হলের তিনটি কেন্দ্র ২০ নম্বর ওয়ার্ডে পড়েছে। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ভোটগ্রহণের আগে থেকেই কেন্দ্রগুলোর বাইরে সতর্ক অবস্থান নেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। তবে এই এলাকায় বিএনপি বা এর ছাত্র সংগঠনের কোনো অবস্থান বা তৎপরতা চোখে পড়েনি। ক্যাম্পাসের কেন্দ্রগুলো থেকে বিএনপির এজেন্টদের বের করে দেওয়ার বিষয়ে শাহবাগ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন মিন্টু অভিযোগ করে বলেন, ঢাবি ক্যাম্পাস এলাকাসহ আশপাশের কয়েকটি এলাকার কেন্দ্র থেকে আমাদের ৪৭ জন পোলিং এজেন্টকে হুমকি-ধামকি দিয়ে বের করে দেওয়া হয়েছে। ঢাকা-৮ আসনের হাতপাখা মার্কা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি খুবই কম। আমাদের অনেক এজেন্টকেও বের করে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। দুপুরের দিকে ঢাকা-১৫ আসনের হালিম ফাউন্ডেশন স্কুল, আভা অ্যাডভ্যান্স এডুকেয়ার স্কুল এবং গ্লোরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি বেশ ভালো ছিল। দুপুর ১২টার দিকে হালিম ফাউন্ডেশন স্কুলের ভোট কেন্দ্রে সারিবদ্ধ হয়ে ভোটাররা ভোট দেওয়ার জন্য দাঁড়িয়েছিল। ওই কেন্দ্রে সস্ত্র¿ীকসহ ভোট দিতে আসা করিম মিয়া নামের এক দিনমজুর বলেন, পরিবেশ ভালো থাকায় বউ ও সন্তানসহ ভোট দিতে আসলাম। হালিম ফাউন্ডেশন স্কুলের প্রিসাইডিং অফিসার কামাল উদ্দীন বলেন, এ কেন্দ্রে মোট ২ হাজার ভোটার ছিলেন। বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত প্রায় ৪০০ ভোট কাস্ট হয়েছে। এ কেন্দ্রে ধানের শীষের প্রতীকের পুলিং এজেন্ট ছিল না বলে তিনি জানান। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তর এক বিবৃতিতে বলেন, ঢাকা-১৫ আসনে পুলিশের সহায়তায় সরকারি দলের কর্মীদের সীমাহীন বাধার মুখোমুখি হয়েছেন ধানের শীষের প্রতীকের পোলিং এজেন্টসহ নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্তরা। কোথাও কোথাও তাদের নির্দয়ভাবে পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে। এ আসনে প্রায় সব কেন্দ্রেই ধানের শীষ প্রতীকের এজেন্টদের কেন্দ্রে ঢুকতে দেয়নি পুলিশ ও নৌকা প্রতীকের সমর্থকরা। অর্ধশতাধিক ধানের শীষ প্রতীকের এজেন্টকে ছাত্রলীগ-যুবলীগ কর্তৃক অপহরণ ও পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। এর আগে সকাল পৌনে ৯টার দিকে ঢাকা-৮ আসনের রাজধানীর বেইলি রোডে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন। এ সময় তার সঙ্গে স্ত্রী হামিদা হোসেন ও মেয়ে সারা হোসেন ছিলেন। সকাল ৮টার থেকে এ আসনে ভোট দিতে আসেন ভোটাররা। এ সময় অনেক ভোটাররা সারিবদ্ধ হয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেখা যায়। ওই কেন্দ্রে ভোট দিতে আসা আসমা হোসেন নামের ৪০ ঊর্ধ্ব এক নারী বলেন, কেন্দ্রের পরিবেশ সুষ্ঠু রয়েছে। আমাদের কথাগুলোকে গুজব বলে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল : বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেছেন, আমরা বার বার বলছিলাম যে, ব্যালট পেপারে আগেই সিল মারা হবে, কোথাও কোথাও আগেই ব্যালট বাক্স ভরে রাখা হবে। ভোটারদের ভয়-ভীতি দেখিয়ে মেরে পিটিয়ে কেন্দ্র থেকে দূরে রাখা হবে। সেই চিত্রই কিন্তু আমরা দেখলাম এবং আমাদের সেই আশঙ্কাই সত্যি বলে প্রমাণ হলো। অথচ আমাদের এই কথাগুলোকে গুজব বলে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল। রোববার আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে নির্বাচনের পরিস্থিতি তুলে ধরে দুপুরে সাংবাদিকদের কাছে এমন মন্তব্য করেন মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) আশঙ্কাটাই এখন সত্য হচ্ছে। বহুল প্রতিক্ষিত ও বহুল প্রত্যাশিত নির্বাচনে সাধারণ মানুষের মধ্যে একটি জাগরণ এসেছিল। কিন্তু যেদিন আমরা দেখলাম, সব নির্বাচনি ইতিহাসের ব্যতিক্রম ঘটিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পক্ষ থেকে নির্বাচনের দিন সব হাসপাতাল, ডাক্তার ও অ্যাম্বুলেন্সকে স্যান্ডবাই রাখার জন্য বলা হলো। সেদিনই আমরা ভেবেছিলাম, বোধ হয় নির্বাচনটা সাংঘর্ষিক পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছে এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার সেটা আগেই জেনেছিলেন। জেনেই উনি ভোটারদের সতর্ক করেছিলেন। ওনার সেই আশঙ্কাটাই এখন সত্য বলে প্রমাণ হচ্ছে। নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলে ভুল করা হবে। অংশগ্রহণ না করলে বিএনপি পিছিয়ে যাবে। বাংলাদেশের গণতন্ত্র বাধাগ্রন্ত হবে। তাই আমরা পরিপূর্ণ উদ্যমে অংশগ্রহণ করে বাধাগ্রস্ত হয়ে দেখালাম, দলীয় সরকারের অধীনে কোনো সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে পারে না। দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, দলীয় সরকারের অধীনে পরিপূর্ণ দাপটের সঙ্গে ক্ষমতায় থেকে টানা দুই মেয়াদে কোনো সুষ্ঠু ও অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে পারে না। শনিবার রাত থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী সারা দেশের বিভিন্ন আসনে এজেন্টদের বের করে দেওয়া হচ্ছে। প্রার্থীকে অবরুদ্ধ করে রাখা হচ্ছে বা কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। ভোটারদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। বিশেষ করে, নারী ভোটারদের প্রকাশ্যে নৌকায় ভোট দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। অথবা তাদের সামনে সিল মেরে দেওয়া হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু অতি উৎসাহী সদস্যদের সহযোগিতায় এগুলো করা হচ্ছে। আলাল আরও বলেন, মানুষের বহুল প্রত্যাশিত নির্বাচনের সঙ্গে যারা তামাশা করলেন, বিদ্রুপ করলেন, রক্তাক্ত করলেন, আহত করলেন, তারা বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়কে ক্ষত-বিক্ষত করেছেন। জনগণের একদিনের রাজা হওয়ার সুযোগটাকে ধুলিসাৎ করা হয়েছে। আমাদের ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর- খুলনা : কেন্দ্র দখল, জাল ভোট প্রদান, নেতাকর্মীদের মারধর, ধানের শীষ প্রতীকের এজেন্টদের বের করে দেওয়া এবং পুলিশের বিরুদ্ধে ভোট জালিয়াতিসহ বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্যদিয়ে খুলনার ছয়টি সংসদীয় আসনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশেষ করে ধানের শীষ সমর্থিত ভোটারদের কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ছিল বিভিন্ন কেন্দ্রে। এদিকে কেন্দ্র দখল, জাল ভোট প্রদান, নেতাকর্মীদের মারধর, ধানের শীষ প্রতীকের এজেন্টদের বের করে দেওয়া এবং পুলিশের বিরুদ্ধে ভোট জালিয়াতির অভিযোগ এনে ছয়টি আসনের মধ্যে পাঁচটিতেই ধানের শীষ প্রতীকের পাঁচ প্রার্থী এবং জাতীয় পার্টির এক প্রার্থী ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। তবে খুলনা-২ (সোনাডাঙ্গা-সদর) ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু শেষ পর্যন্ত মাঠে ছিলেন। ভোট বর্জনকারী খুলনা-৫ আসনের প্রার্থী জামায়াত নেতা অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ভোটগ্রহণের এক ঘণ্টার মধ্যে পাঁচ আসনের সব ভোটকেন্দ্রের তাদের এজেন্টদের বের করে দিয়ে ভোট কক্ষের দরজা বন্ধ করে নৌকা প্রতীকে জাল ভোট দেওয়া হয়। ভোটগ্রহণের পর থেকে শত শত ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে। বেশ কিছু নেতাকর্মীদের পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। অনেককে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। এ বিষয়ে সেনাবাহিনী, রিটার্নিং অফিসার, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জানানো হলেও তারা কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। এদিকে সরেজমিন গিয়ে, নগরীর ইসলামাবাদ কলেজিয়েট স্কুল কেন্দ্রের ছয়টি বুথের মধ্যে চারটিতে বিএনপির এজেন্ট পাওয়া যায়নি। নগরীর ১৮নং ওয়ার্ডের পল্লি মঙ্গল শেখ হাতেম আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিতে গিয়ে ফিরে যান ভোটার নূর আলম। তার ভোট দেওয়া হয়ে গেছে- মর্মে সরকারি দলের সমর্থকরা তাকে ফিরিয়ে দেন। সরকারি করোনেশন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে মুজাহিদ, ৩০নং ওয়ার্ডের জাহাননগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্রী জান্নাতুল ফেরদাউস ভোট দিতে গেলে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা জানান, দুপুর ১২টার আগেই আপনার ভোট সম্পন্ন হয়েছে। জিলা স্কুল কেন্দ্রে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভোটার বুথে ঢোকার আগে সরকারি দলের সমর্থকরা তাদের দেখিয়ে ভোট দিতে বললে ভোট প্রদান না করেই নীরবে কেন্দ্র ত্যাগ করেন তিনি। অপরদিকে খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় ধানের শীষের এজেন্ট জেলা বিএনপি নেত্রী অ্যাডভোকেট সেতারা সুলতানার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। সরকারি দলের সমর্থকরা শনিবার তার বাড়িতে হামলা চালায়। এছাড়া রোববার তিনি স্থানীয় সেনহাটির বগদিয়া ফোরকানিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে ভোট দিতে গেলে সরকারি দলের নারী কর্মীরা তাকে অপদস্থ করে বের করে দেন। পরে তাকে স্থানীয় মোকামপুর খেয়াঘাট দিয়ে খুলনায় পাঠিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। খুলনা-২ আসনের জাতীয় এক্যফ্রন্টের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু অভিযোগ করেন, নির্বাচনের আগের রাতে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা আমার এজেন্টদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কেন্দ্রে না যাওয়ার হুমকি দেয়। পুলিশও একইভাবে এজেন্টদের গ্রেপ্তারের হুমকি দিয়েছে। ভয়ে অনেক এজেন্ট কেন্দ্রে যেতে পারেনি। সকাল সাড়ে ১০টায় নগরীর আহ্ছানউল্লাহ ভোট কেন্দ্রে মহাজোট সমর্থিত আওয়ামী লীগের প্রার্থী বঙ্গবন্ধুর ভ্রাতুষ্পুত্র শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল বলেন, খুলনা-২ আসনে শান্তিপূর্ণ ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিএনপির প্রার্থী নিশ্চিত পরাজয় জেনেই আগে-ভাগেই মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালাচ্ছে। এটা তাদের চারিত্রিক দোষ। খুলনা জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন সকাল সাড়ে ১০টায় বলেন, এ পর্যন্ত আমি প্রায় ২০টি কেন্দ্র পরিদর্শন করেছি। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা আমার চোখে পড়েনি। তিনি বলেন, খুলনা-২ আসনে ইভিএমে ভোটাররা শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিয়েছেন। জেলার বাকি পাঁচটি আসনেও শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সঠিকভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করেন। এক বুথের ইভিএম অকেজো, ভোট বিড়ম্বনায় ৪৫০ ভোটার : খুলনা-২ (সদর-সোনাডাঙ্গা) আসনের ইসলামাবাদ কলেজিয়েট স্কুল কেন্দ্রের পাঁচ নম্বর বুথের ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) অকেজো থাকায় বিকাল ৩টা পর্যন্ত ৪৫০ জন ভোটার তাদের ভোট প্রয়োগ করতে পারেনি। তবে বিকাল ৩টায় হেলিকপ্টারে করে পোলিং কার্ড আসার পর ইভিএম মেরামত করার পর এ বুথে পুনরায় ভোটগ্রহণ শুরু হয় বলে জানান, খুলনার রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন। এ বুথের সবাই ছিলেন নারী ভোটার। ইসলামাবাদ কলেজিয়েট স্কুল কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার সনজিৎ সিংহ জানান, ভোট শুরু হওয়ার আগে থেকেই এভিএমটির পোলিং কার্ড নষ্ট হয়ে যাওয়ায় অকেজো ছিল। খুলনা-২ আসনে ইভিএমে খুশি ভোটাররা : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-২ (সদর-সোনাডাঙ্গা) আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ৮টায় এ আসনের ১৫৭টি ভোট কেন্দ্রের ৭২০টি ভোটকক্ষে ইভিএমের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। নগরীর কয়েকটি কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, নতুন এ পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণে ভোটাররা খুব আগ্রহী। তবে কোথাও কোথাও ধীরগতি পরিলক্ষিত হয়েছে। কোথাও কোথাও আঙ্গুলের ছাপ সঠিক না হওয়ার একাধিকবার ছাপ দিতেও দেখা গেছে। এতে একটি ভোট দিতে প্রায় ৪ থেকে পাঁচ মিনিট সময় লেগে গেছে। ফলে কিছু কেন্দ্রের সামনে দীর্ঘ সময় ভোটারদের ভিড় লেগে ছিল। নগরীর পল্লি মঙ্গল শেখ হাতেম আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোটার সত্তরোর্ধ্ব সাহিদা খাতুন বলেন, আমি এভিএমে ভোট দিতে পেরে খুশি। অল্প সময়ের মধ্যে এ পদ্ধতিতে ভোট দেওয়া যাচ্ছে। তিনি বলেন, আঙ্গুলে টিপ দেওয়ার চাইতি ইভিএমে ভোট দেওয়া সুবিধার। ভোটার হাসেম উদ্দিন বলেন, ইভিএম মেশিনে ভোট দেওয়ার পদ্ধতিটা ভালো। সারা দেশে এ পদ্ধতি চালু হলে দ্রুত সময় ভোটগ্রহণ ও ফল দেওয়া সম্ভব হবে। এ কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা কিংকর বিশ্বাস বলেন, ভোট ভালো হচ্ছে। এই পদ্ধিতে মানুষ খুব খুশি। নারায়ণগঞ্জ : নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি সংসদীয় আসনেই বিভিন্ন এলাকার ভোটকেন্দ্রেই বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থীদের পোলিং এজেন্ট বের করে দিয়ে কেন্দ্র দখল, জাল ভোট প্রদান, ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে বাধা ও হুমকি প্রদানের অভিযোগ উঠেছে। ভোটারদের উপস্থিতি ছিল অত্যন্ত নগন্য। আগের রাতেই অধিকাংশ কেন্দ্রে ব্যালটে সিল মেরে রাখার অভিযোগ করেছেন বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থীরা। আড়াইহাজারে এক পোলিং এজেন্টকে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে। এরই মধ্যে আগের রাতেই ৪৫ কেন্দ্রে ব্যালটে সিল মারা, পোলিং এজেন্ট বের করে দিয়ে কেন্দ্র দখল ও প্রার্থীকে অবরুদ্ধের অভিযোগে ধানের শীষের এক প্রার্থী নির্বাচন বর্জন করেছেন। নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ) আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান বলেন, ২৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যা থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজন আমাকে মেঘনাঘাট এলাকায় নিজ বাড়িতে অবরুদ্ধ করে রাখে। যে কারণে আমার নিজের ভোটও দিতে পারিনি। এদিকে আমার ছোট ছেলে সাকিবকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের একটি টিম গ্রেপ্তার করে নিয়ে গেছে। চকরিয়া : কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট হাসিনা আহমেদ অভিযোগ করেছেন রোববার অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার ১৩৯টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ১১০টি কেন্দ্র দখল ও এজেন্টদের বের করে দিয়েছে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ ক্যাডাররা। সকাল থেকে নিজ নিজ কেন্দ্রে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট চললেও বেলা বাড়ার সঙ্গে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ ক্যাডাররা ধানের শীষ প্রার্থীর এজেন্টদের একের পর এক বের করে দেয়। পাশাপাশি ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করার পর ভোটকেন্দ্র নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে প্রশাসনের সহায়তায় ব্যালট ছিঁড়ে বাক্সে ভরেছে নৌকা প্রার্থীর এজেন্টরা। এ সময় পুলিশ ও আওয়ামী লীগ ক্যাডাররা হামলা চালিয়ে বিএনপির অর্ধশতাধিক এজেন্টকে রক্তাক্ত আহত করে। কালিয়াকৈর : নির্বাচনি সরঞ্জাম কেন্দ্রে পৌঁছলে রাতেই ব্যালটে সিল মেরেছেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। বিভিন্ন স্থানে হামলার ঘটনায় বিএনপির নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। দিনব্যাপী বিভিন্ন কেন্দ্র দখল করে বিজিবি, পুলিশ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ মিলে মিশেই ব্যালটে সিল মেরে ভোট ডাকাতির উৎসব করেছে। এসব বিষয় সেনাবাহিনী ও রিটার্নিং অফিসারদের জানালেও তারা নীরব থেকেছে বলে অভিযোগ বিএনপির। হামলার ঘটনায় আওয়ামী লীগ-বিএনপির বেশ কিছু নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলেও জানা গেছে। এসব ঘটনায় রোববার দুপুরে গাজীপুর-১ আসনের প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট ও ধানের শীষের প্রার্থী চৌধুরী তানভীর আহমদের ছোট ছেলে ড. চৌধুরী ইশরাক আহমদ সিদ্দিকী তার বাসভবন কালিয়াকৈর উপজেলার বলিয়াদী এসব বিষয় তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলন করেন। এ সময় বিএনপির নেতাকর্মী ও কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া সাধারণ ভোটাররা উপস্থিত ছিলেন। গাজীপুর-১ আসনের সহকারী রিটানিং অফিসার ও কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, গাজীপুর-১ আসনে কোথাও কোনো সহিংসতার ঘটনা ঘটেনি। সম্পূর্ণ নিরবিচ্ছিন্নভাবে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হয়েছে। তবে কিছু কিছু জায়গা থেকে কিছু অভিযোগ পেয়েছিলাম, সেগুলো আমরা তাৎক্ষণিকভাবে সমাধান করেছি। মৌলভীবাজার : মৌলভীবাজার-৩ এ ধানের শীষের প্রার্থী এম নাসের রহমান অভিযোগ করেন শনিবার রাত থেকে পুলিশ, বিজিব ও প্রিসাইডিং অফিসারের সহায়তায় নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে বক্স ভরাট করে রেখেছে বিভিন্ন কেন্দ্রে। রোববার সকাল থেকে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ শুরু হলেও বেলা ১১টার পর থেকে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে কেন্দ্র দখলের এক মহোৎসব শুরু করে ব্যালেটে নৌকার প্রতিকে সিল মারে ও প্রত্যেকটি বাক্সে হাজার হাজার ভোট ঢুকিয়ে দেয়। তিনি আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, পুলিশ ও বিজিবির নেতৃত্বে মৌলভীবাজার সদর থানার ২৮টি, পৌরসভার ১০টি এবং রাজনগর উপজেলার ২৭টি কেন্দ্র দখল করার অভিযোগ করেন। রোববার বিকাল সাড়ে ৩টায় তার বাহারমর্দান নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, এসব কেন্দ্র ছাড়া আরও অনেক কেন্দ্র থেকে ধানের শীষের পুলিং এজেন্টদের বের করে দিয়ে কেন্দ্র দখল করে রাখে। কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) : ঢাকার কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন হজরতপুরে মধুরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট প্রদান করেছেন ঢাকা-২ এর বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আমানপুত্র ব্যারিস্টার ইরফান ইবনে আমান। এটাই তার জীবনের প্রথম ভোট বলে তিনি জানান। রোববার সকাল সাড়ে ৮টায় তিনি এ কেন্দ্রে ভোট দিতে আসেন। ভোট প্রদান শেষে তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন তার নির্বাচনি এলাকার সব কেন্দ্র থেকেই বিএনপির পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে জানানোর পরও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ তার। এছাড়া বিভিন্ন এলাকা থেকে বিএনপি সমর্থকদেও ভোটকেন্দ্রে আসতে বাধা প্রদান করার অভিযোগ করেন ব্যারিস্টার ইরফান। অপরদিকে সকাল সাড়ে ৮টায় নিজ কেন্দ্র দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আরাকুল এলাকায় ভোট দিতে এসে ভোটের পরিবেশ দেখে ভোট প্রদান করা থেকে বিরত থাকেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ এর বিএনপি মনোনীত প্রার্থী গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। পরে সকাল সারে ১০টায় থানা বিএনপির জিনজিরাস্থ কার্যালয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে এ নির্বাচনকে একতরফা নির্বাচন বলে মন্তব্য করেন এবং সিইসিকে এ ভোট ডাকাতির নায়ক হিসেবে আখ্যায়িত করেন। এ সময় গয়েশ্বর চন্দ্র রায় তার নির্বাচনি এলাকার ১০৭টি কেন্দ্রের মধ্য থেকে ১০৫টি কেন্দ্রেরই পুলিং এজেন্টদের জোরপূর্বক বের করে দেওয়ার অভিযোগ করেন। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট, ডিসি, এসপি অবগত করা হলেও কোনো প্রতিকার মেলেনি। দেখছি, শুনছি, পাঠাচ্ছি এরমধ্যেই তারা সীমাবদ্ধ ছিলেন বলে অভিয়োগ তার। নানা কৌশলেও ধানের শীষের কর্মী-সমর্থকরা ভোটকেন্দ্রে থাকতে পারেনি বলে মন্তব্য এ বিএনপি নেতার। অপরদিকে সকাল ৮টা ২০ মিনিটে ঢাকা মহানগর শিশু হাসপাতাল কেন্দ্র-২ এ ভোট প্রদান করেছেন ঢাকা-২ এর আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। এটা ছিল তার নিজ নির্বাচনি এলাকার বাইরের একটি কেন্দ্র। ভোটপ্রদান শেষে তিনি এ নির্বাচনকে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হিসেবে মন্তব্য করেছেন। সোনাইমুড়ী (নোয়াখালী) : নোয়াখালী-১ (সোনাইমুড়ী-চাটখিল) আসনের সোনাইমুড়ী উপজেলা সকাল ৮টা ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কেন্দ্র দখল করে। ধানের শীষের এজেন্টদের বের করে দেন। রোববার সকালে ৮টার দিকে উপজেলার ভোটকেন্দ্রগুলোতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ৯টার পরে অধিকাংশ ভোটকেন্দ্র আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়ে বিএনপি এজেন্টদের বের করে দেন। বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মুটুবী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র দখল করার চেষ্টা করলে বিএনপির নেতাকর্মীরা বাধা দিলে বিদ্যালেয়ের দরজা জানালা ভাঙচুর করে।
চতুর্থবারের মতো মহাজোটের মহা জয়
অনলাইন ডেস্ক :একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ আসনের মধ্যে ২৮৮ আসন পেয়ে বিশাল জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট। বিপুল ভোটে এই রেকর্ড জয়ে টানা চতুর্থবারের (হ্যাটট্রিক) মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন জোটটি। এই জয়ের ফলে টানা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড এবং নির্বাচনী প্রচারণায় দলের নেতা-কর্মীদের সরব উপস্থিতি মহাজোটের বড় ব্যবধানে জয়ী হওয়ার নিয়ামক হিসাবে কাজ করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।টানা ১০ বছর ক্ষমতায় থাকা এই জোট ইতিহাস সৃষ্টিকারী জয় পেলেও তাদের প্রধান প্রতিপক্ষ বিএনপির নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ভরাডুবি হয়েছে। ১৯৯১ সালে সংসদীয় গণতন্ত্র চালুর পর এবারই প্রথম বিএনপি সবচেয়ে কম আসন পেয়েছে। দলটির বেশ কয়েকজন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। অনেক স্থানে মহাজোট প্রার্থীর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা।গতকাল রবিবার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় এই নির্বাচন। একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে গাইবান্ধা ৩ আসনে ভোট হয়নি। সর্বশেষ রাত ২টা পর্যন্ত প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, মহাজোটের বিজয়ী প্রার্থীদের মধ্যে নৌকা প্রতীক নিয়ে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের ২৫৯ জন, ওয়ার্কার্স পার্টির ৩, জাসদ (ইনু) ২, তরিকত ফেডারেশন ২, বিকল্প ধারা ২ এবং লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে জাতীয় পার্টি-জাপার ২২ ও বাইসাইকেল প্রতীকে জাতীয় পার্টি-জেপির একজন প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। অন্যদিকে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ধানের শীষ প্রতীকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ৭ টি (গণফোরামের ২টি) এবং ৪ টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়লাভ করেছেন। ভোটের দিন বিক্ষিপ্ত সংঘাত ও সহিংসতার কারণে মোট ২৯টি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ স্থগিত হয়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ভোট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জানিয়েছেন, ২৯৯ আসনে মোট ৪০ হাজার ৫১টি কেন্দ্রে এই ভোটগ্রহণ হয়। এই হিসেবে বাতিল হওয়া কেন্দ্রের সংখ্যা ০.০৫ শতাংশের মতো। অনিয়মের অভিযোগ এনে বিএনপি ৫৫টি আসনে ভোট বর্জন করেছে। ইসির ৩৯টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সবকয়টি দল এবারের সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক নৌকা নিয়ে আওয়ামী লীগসহ ৫টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ২৭২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। জোটের প্রধান শরীক দল আওয়ামী লীগ এককভাবে ২৬০টি আসনে, রাশেদ খান মেননের বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি ৫টি, হাসানুল হক ইনুর জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ ৩টি, সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর বিকল্পধারা বাংলাদেশ ৩টি এবং বাংলাদেশ তরীকত ফেডারেশন ২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে। বাকি ২৬টি আসন আওয়ামী লীগের শরীক দল জাপাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বিএনপির দলীয় প্রতীক ধানের শীষ নিয়ে বিএনপিসহ ৯টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ২৮২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। এর মধ্যে বিএনপি এককভাবে (জামায়াতের ২২টিসহ) ২৫৭টি আসনে, কর্নেল অলির লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপি থেকে ৪ জন, কাদের সিদ্দিকীর কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ থেকে ৩ জন, আসম রবের জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি থেকে ৪ জন, আন্দালিব রহমান পার্থের বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি- বিজেপি থেকে ১ জন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ থেকে ৩ জন, ড. কামাল হোসেন এর গণফোরাম থেকে ৭ জন, মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহিমের বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি থেকে ১ জন এবং খেলাফত মজলিশ থেকে ২ জন প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেছেন। বাকি ১৭টি আসনে বিএনপি তথা ধানের শীষের প্রতীকের প্রার্থী আদালত কর্তৃক বাতিল হওয়ায় কোন প্রার্থী ছিল না। তবে শেষ মুহূর্তে এসে ৮ বিকল্প প্রার্থীকে সমর্থন দেয় বিএনপি। এবারের নির্বাচনে ১৮৬১ জন প্রার্থী অংশ নেন। ভোটার ছিল প্রায় ১০ কোটি সাড়ে ৪২ লাখ। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ২৩০ আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে ২৩৪টি আসন পায় আওয়ামী লীগ। জাতীয় পার্টি-জাপা ৩৪টি আসনে জয়লাভ করে। অন্যরা পায় ৩২টি আসন। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে স্থাপিত ভোটের ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্র থেকে প্রথম পূর্ণাঙ্গ ফল ঘোষণা হয়েছে গোপালগঞ্জ-৩ আসনের। এই আসনে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১০৮টি কেন্দ্রে মধ্যে সবকটি কেন্দ্রের ফলাফলে শেখ হাসিনা পেয়েছেন ২ লাখ ২৯ হাজার ৫২৯ ভোট। মোট ভোটার ২ লাখ ৪৬ হাজার ৫১৪টি। গতকাল রাত সোয়া ৮টার দিকে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ এই ফলাফল ঘোষণা করেন। গোপালগঞ্জ-৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ছিলেন এস এম জিলানী। তার প্রাপ্ত ভোট সংখ্যা ১২৩টি। এই আসনে ৯৩ শতাংশ ভোটার ভোট দিয়েছেন বলে ইসি হিসাব দিয়েছে। এদিকে ভান্ডারিয়া, কাউখালী ও ইন্দুরকানী উপজেলা নিয়ে গঠিত পিরোজপুর-২ আসন থেকে জয়ী হয়েছেন মহাজোটের প্রার্থী জাতীয় পার্টি (জেপি) চেয়ারম্যান ও পানিসম্পদ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু। বাইসাইকেল মার্কা নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৯ হাজার ৪৮৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের মোস্তাফিজুর রহমান ইরান ধানের শীষ মার্কা নিয়ে পেয়েছেন ৬ হাজার ৩৮৪ ভোট। ঢাকার বিজয়ী প্রার্থীরা হলেন, ঢাকা-১: সালমান এফ রহমান, ঢাকা-২: কামরুল ইসলাম, ঢাকা-৩: নসরুল হামিদ বিপু, ঢাকা-৪: সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা (লাঙ্গল), ঢাকা-৫: হাবিবুর রহমান মোল্লা, ঢাকা ৬: কাজী ফিরোজ রশীদ (লাঙ্গল), ঢাকা-৭: হাজী সেলিম, ঢাকা-৮: রাশেদ খান মেনন (ওয়ার্কার্স পার্টি), ঢাকা-৯:সাবের হোসেন চৌধুরী, ঢাকা-১০:শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা-১১: এ কে এম রহমতুল্লাহ, ঢাকা-১২: আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, ঢাকা-১৩: সাদেক খান, ঢাকা-১৪: আসলামুল হক, ঢাকা-১৫: কামাল আহমেদ মজুমদার, ঢাকা-১৬: মো. ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ, ঢাকা-১৭: আকবর হোসেন পাঠান (ফারুক), ঢাকা-১৮: সাহারা খাতুন, ঢাকা-১৯: এনামুর রহমান এবং ঢাকা-২০: বেনজীর আহমেদ। (বিভাগওয়ারী ফলাফল ) রংপুর বিভাগ পঞ্চগড়-১: আওয়ামী লীগের মো. মজাহারুল হক প্রধান (নৌকা প্রতীকে) ১ লাখ ৭৫ হাজার ৩৮৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ব্যারিস্টার মুহম্মদ নওশাদ জমির সানি (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১ লাখ ৩২ হাজার ৫৩৯ ভোট। পঞ্চগড়-২: আওয়ামী লীগের অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম সুজন (নৌকা প্রতীক) ১ লাখ ৬৯ হাজার ৫৯৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ফরহাদ হোসেন আজাদ (ধানের শীষ) প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ২৯৫ ভোট। দিনাজপুর-১: আওয়ামী লীগের মনোরঞ্জন শীল গোপাল ১ লাখ ৯৮ হাজার ৭৯২ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের মোহাম্মদ হানিফ (জামায়াত) পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৯২৭ ভোট। দিনাজপুর-২: আওয়ামী লীগের খালিদ মাহমুদ চৌধুরী ১ লাখ ৯৭ হাজার ৬৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার নিকটতম বিএনপির সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক পেয়েছেন ৪৮ হাজার ৮২২ ভোট। দিনাজপুর-৩: আওয়ামী লীগের ইকবালুর রহিম ২ লাখ ৩০ হাজার ৪৪৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার নিকটতম ইসলামিক আন্দোলন বাংলাদেশের (হাতপাখা) পেয়েছেন ৩৯ হাজার ২৪৭ ভোট। দিনাজপুর-৪: আওয়ামী লীগের আবুল হাসান মাহমুদ আলী ২ লাখ ৩ হাজার ৮৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আখতারুজ্জামান মিয়া পেয়েছেন ৬১ হাজার ৭০৬ ভোট। দিনাজপুর-৫: আওয়ামী লীগের মোস্তাফিজুর রহমান ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬৮০ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার নিকটতম বিএনপির এজেডএম রেজওয়ানুল হক পেয়েছেন ১ লাখ ২৮ হাজার ৫৬৭ ভোট। দিনাজপুর-৬: আওয়ামী লীগের শিবলী সাদিক ২ লাখ ৮১ হাজার ৮৯১ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের আনোয়ারুল হক (জামায়াত) পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৭৬৯ ভোট। ঠাকুরগাঁও-২ : জয়ী আওয়ামী লীগের দবিরুল ইসলাম পেয়েছেন ২ লাখ ২৪ হাজার ৩শ ১৬ ভোট। তার নিকটতম ধানের শীষের আব্দুল হাকিম পেয়েছেন ৪ হাজার ৩শ ২৮ ভোট। নীলফামারী-১ : নৌকার আফতাব উদ্দিন সরকার ২ লাখ ৩ হাজার ৭২৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম ধানের শীষের প্রফেসর রফিকুল ইসলাম পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৮৯ ভোট। নীলফামারী-২ : জয়ী আওয়ামী লীগের প্রার্থী আসাদুজ্জামান নূর পেয়েছেন ১ লাখ ৭৮ হাজার ৪৯৫ ভোট। নিকটতম ধানের শীষ প্রতীকের জামায়াত নেতা মনিরুজ্জামান মন্টু পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৪২ ভোট। নীলফামারী-৩ : মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টির মেজর (অবঃ) রানা মুহাম্মদ সোহেল ১ লাখ ৩৭ হাজার ৫৩৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত। নিকটতম ধানের শীষ প্রতীকের জামায়াতের আজিজুল ইসলাম পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৯৩ ভোট। নীলফামারী-৪ : জয়ী মহাজোট প্রার্থী লাঙ্গল প্রতীকের আদেদুল রহমান আদেল পেয়েছেন ২ লাখ ৩৫ হাজার ৯৩০ ভোট। তার নিকটতম ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শহীদুল ইসলাম পেয়েছেন ২৭ হাজার ২৯৪ ভোট। লালমনিরহাট-১ : জয়ী আওয়ামী লীগ প্রার্থী মোতাহার হোসেন পেয়েছেন ২ লাখ ৬৪ হাজার ১১২ ভোট। তার নিকটতম ঐক্যফ্রন্টের ব্যারিস্টার হাসান রাজিব পেয়েছেন ১১ হাজার ৩ ভোট। লালমনিরহাট -২ : মহাজোট প্রার্থী নুরুজ্জামান আহম্মেদ ১ লাখ ৯৯ হাজার ৬৬৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম ঐক্যফ্রন্টের রোকন উদ্দিন বাবুল পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৫৩৩ ভোট। লালমনিরহাট-৩ : জয়ী মহাজোট প্রার্থী জিএম কাদের পেয়েছেন ১ লাখ ১২ হাজার ৬৩২ ভোট। তার নিকটতম ঐক্যফ্রন্টের অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু পেয়েছেন ৭৯ হাজার ১১৯ ভোট। রংপুর-১ : মহাজোট প্রাথী জাপার মহাসচিব প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান (রাঙ্গা) ১ লাখ ৯৮ হাজার ৯১৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি রহমত জামান বাবলা ধানের শীষ প্রতীকে ১৯ হাজার ৪৯৪ ভোট পেয়েছেন। রংপুর-২ : নৌকার প্রার্থী মোঃ আহসানুল হক চৌধুরী ডিউক ১ লাখ ১৮ হাজার ৩৬৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী, তার নিকট তম প্রার্থী ধানের শীর্ষ প্রতীকের মোহাম্মদ আলী সরকার ৫৩ হাজার ৩৪০ ভোট পেয়েছেন। রংপুর-৩ : ইভিএমএ ভোট গ্রহন করা হয়। এখানে জাপা চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদ ১ লাখ ৪২ হাজার ৯২৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিটা রহমান ৫৩ হাজার ৮৯ ভোট পেয়েছেন। রংপুর-৪ :আওয়ামী লীগের টিপু মুন্সী ১ লাখ ৯৯ হাজার ৯৭৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার নিকটতম বিএনপির এমদাদুল হক ভরসা পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ১৭০ ভোট। রংপুর-৫ আসনে নৌকা প্রার্থী এন এইচ আশিকুর রহমান ২ লাক ৫৫ হাজার ১৪৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী, তার নিকট তম ঐক্যেফ্রন্টের প্রার্থী মোফাখখারুল ইসলাম পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৪৬৯ ভোট। রংপুর-৬ আসনে ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী মহাজোট প্রার্থী নৌকা প্রতিকে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৪২৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী, তার নিকট তম ঐক্যোফ্রন্টের প্রার্থী সাইফুল ইসলাম পেয়েছেন ২৪ হাজার ৫৩ ভোট। কুড়িগ্রাম-১: আওয়ামীলীগের আসলাম হোসেন সওদাগড় ১ লাখ ২২ হাজার ১৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার প্রতিদ্বন্ধী বিএনপির সাইফুর রহমান রানা পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৯৩৫ ভোট। কুড়িগ্রাম-২: পনির উদ্দিন আহম্মেদ লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে ২ লাখ ২৯ হাজার ৪৪০ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার প্রতিদ্বন্ধী ঐক্যফ্রন্টের গণফোরাম প্রার্থী আমসা আমিন পেয়েছেন ১ লাখ ৭ হাজার ১৪৬ ভোট। কুড়িগ্রাম-৩: আওয়ামীলীগ প্রার্থী অধ্যাপক এম এ মতিন ১ লাখ ৩২ হাজার ৩০৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার প্রতিদ্বন্ধী বিএনপির তাসভিরুল ইসলাম পেয়েছেন ৭০ হাজার ৪২৪ ভোট। কুড়িগ্রাম-৪: আওয়ামীলীগ প্রার্থী মো: জাকির হোসেন ১ লাখ ৬২ হাজার ৩৮৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার প্রতিদ্বন্ধী বিএনপির আজিজুর রহমান ৫৫ হাজার ১৮৯ ভোট পেয়েছেন। গাইবান্ধা-১: জাপার ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী ১ লক্ষ ৯৭ হাজার ৫৮৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী। ধানের শীষের প্রতীকে জামায়াতের মোঃ মাজেদুর রহমান পেয়েছেন ৬৫ হাজার ১৭৩ ভোট। গাইবান্ধা-২: আওয়ামী লীগের মাহাবুব আরা বেগম গিনি ১ লক্ষ ৮৯ হাজার ৬১৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত। বিএনপির মো. আব্দুর রশীদ সরকার পেয়েছেন ৬৮হাজার ৬৭০ ভোট। গাইবান্ধা-৩:২০ ডিসেম্বর গাইবান্ধা-৩ আসনের ঐক্যফ্রন্টের ধানের শীষের প্রার্থী ড. টিআইএম ফজলে রাব্বী চৌধুরী মারা যান। ফলে এ আসনের নির্বাচন স্থগিত করেন ইসি। গাইবান্ধা-৪: আওয়ামী লীগের মো. মনোয়ার হোসেন চৌধুরী ৩ লক্ষ ৮৬০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত। জাতীয় পার্টির (জাপা) কাজী মো. মশিউর রহমান পেয়েছেন ৫ হাজার ৭১৭ ভোট। গাইবান্ধা-৫: আওয়ামী লীগের মো. ফজলে রাব্বি মিয়া ২ লক্ষ ৪২ হাজার ৮৬১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত। ঐক্যফন্ট সমর্থিত বিএনপির মো. ফারুক আলম সরকার পেয়েছেন ১৯ হাজার ৯৯৬ ভোট। রাজশাহী বিভাগ জয়পুরহাট-১:আওয়ামী লীগের শামসুল আলম দুদু (নৌকা প্রতীকে) ২ লাখ ১৮ হাজার ৫৮২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র আলেয়া বেগম (ডাব প্রতীক) পেয়েছেন ৮৪ হাজার ২১২ ভোট। জয়পুরহাট-১:আওয়ামী লীগের আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন (নৌকা প্রতীকে) ২ লাখ ২৮ হাজার ৭৩০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবু ইউসুফ মো. খলিলুর রহমান (ধানের শীষ) পেয়েছেন ২৬ হাজার ১২০ ভোট। বগুড়া-১ : আওয়ামী লীগের আব্দুল মান্নান ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯৪৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের কাজী রফিকুল ইসলাম পেয়েছেন ১৬ হাজার ৬৯০ ভোট। বগুড়া-২ : মহাজোট প্রার্থী জাপার সভাপতি শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ লাঙল প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৩৬৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত। তার প্রতিদ্বন্দ্বী নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক ধানের শীষের প্রার্থী মাহমুদুর রহমান মান্না পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৬০২ ভোট। বগুড়া-৩ : জাপার নুরুল ইসলাম তালুকদার ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭৯২ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার নিকটতম বিএনপির মাছুদা মোমিন পেয়েছেন ৫৮ হাজার ৫৮০ ভোট। বগুড়া-৪ : বিএনপির মোশারফ হোসেন ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫৮৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার নিকটতম জাসদের রেজাউল করিম তানসেন (নৌকা প্রতীক) পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৪৮ ভোট। বগুড়া-৫ : আওয়ামী লীগের হাবিবর রহমান ৩ লাখ ৩৮ হাজার ৪৫২ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার নিকটতম বিএনপির জিএম সিরাজ পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৫৯৪ ভোট। বগুড়া-৬ : বিএনপির মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২ লাখ ৫ হাজার ৯৮৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত। নিকটতম জাপার নুরুল ইসলাম ওমর লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৯৬১ ভোট। বগুড়া-৭: ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম বাবলু ১ লাখ ৮৮ হাজার ৯৯৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত। তার নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী ডাব মার্কার ফেরদৌস আরা পেয়েছেন ৬৫ হাজার ২৯২ ভোট। রাজশাহী-১ : আওয়ামী লীগের ওমর ফারুক চৌধুরী (নৌকা প্রতীকে) ২ লাখ ৩ হাজার ১০৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপির ব্যারিস্টার আমিনুল হক (ধনের শীষ প্রতীকে) পেয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ৮২০ ভোট। রাজশাহী-২:ওয়ার্কার্স পার্টির ফজলে হোসেন বাদশা (নৌকা প্রতীকে) ১ লাখ ১৫ হাজার ৪৫৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপির মিজানুর রহমান মিনু (ধানের শীষ প্রতীকে) পেয়েছেন ১ লাখ ৩ হাজার ৩২৭ ভোট। রাজশাহী-৩:আওয়ামী লীগের আয়েন উদ্দিন (নৌকা প্রতীকে) ২ লাখ ২০ হাজার ৩২৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপির শফিকুল হক মিলন (ধানের শীষ প্রতীকে) পেয়েছেন ৮১ হাজার ২২৫ ভোট। রাজশাহী-৪: আওয়ামী লীগের এনামুল হক (নৌকা প্রতীকে) ২ লাখ ২৪ হাজার ৯৬২টি ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপির আবু হেনা (ধানের শীষ প্রতীকে) পেয়েছেন ১৪ হাজার ১৬০টি ভোট। রাজশাহী-৫:আওয়ামী লীগের ডা. মনসুর রহমান (নৌকা প্রতীকে) ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬৩৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপির অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল (ধানের শীষ প্রতীকে) পেয়েছেন ২৭ হাজার ৯২৭ ভোট। রাজশাহী-৬:আওয়ামী লীগের শাহরিয়ার আলম (নৌকা প্রতীকে) ২ লাখ ৬০ হাজার ৫৪৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলনের আব্দুস সালাম সুরুজ (হাতপাখা) পেয়েছেন ২৫ হাজার ৪৩২টি ভোট। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১:আওয়ামী লীগের শামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল (নৌকা প্রতীকে) ১ লাখ ৮০ হাজার ৭৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির অধ্যাপক শাহজাহান আলী মিয়া (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৫০ ভোট। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২:বিএনপির আমিনুল ইসলাম (ধীনের শীষ) ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের জিয়াউর রহমান (নৌকা প্রতীকে) পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৯৫২ ভোট। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩:বিএনপির হারুন অর রশিদ (ধানের শীষ) প্রতীকে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬৬১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আব্দুল ওয়াদুদ (নৌকা প্রতীকে) পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৯২৮ ভোট। নওগা-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের সাধনচন্দ্র মজুমদার পেয়েছেন ১ লাখ ৮৭ হাজার ৫৯২ ভোট। নিকটতম বিএনপির মোস্তাফিজুর রহমান পান ১ লাখ ৪১ হাজার ৩৬৪ ভোট। নওগা-২ : আওয়ামী লীগের শহীদুজ্জামান সরকার ১ লাখ ৯৯ হাজার ৮৭৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী। নিকটতম শামসুজ্জোহা খান পান ৯৯ হাজার ৯৫৪ ভোট। নওগা-৩ : আওয়ামী লীগের সলিমউদ্দিন তরফদার ১ লাখ ৯৯ হাজার ৭৯৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী। নিকটতম বিএনপির পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী পান ১ লাখ ১৪২ ভোট। নওগা-৪ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের এমাজউদ্দিন প্রামানিক পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ৬৬২ ভোট। নিকটতম বিএনপির শামসুল আলম প্রামানিক পান ৪৯ হাজার ৭৭১ ভোট। নওগা-৫ : আওয়ামী লীগের নিজাম উদ্দিন জলিল ১ লাখ ৫৬ হাজার ১৭৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী। নিকটতম বিএনপির জাহিদুল ইসলাম পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৭৫৯ ভোট। নওগা-৬ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের ইসরাফিল আলম পেয়েছেন ১ লাখ ৯০ হাজার ৪২৯ ভোট। নিকটতম বিএনপির আলমগীর কবির পান ৪৬ হাজার ৫৫৪ ভোট। নাটোর-১: নৌকার শফিকুল ইসলাম বকুল ২লাখ ৪৪ হাজার ৮১৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী। ধানের শীষের কামরুন্নাহার শিরীন পান ১লাখ ৪৮হাজার ৬৯ ভোট। নাটোর-২: নৌকা প্রার্থী শফিকুল ইসলাম শিমুল ২লাখ ৬০ হাজার ৫০৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী। ধানের শীষের সাবিনা ইয়াসমিন পেয়েছেন ১৩ হাজার ৬৫৯ ভোট। নাটোর-৩: নৌকার জুনায়েদ আহমেদ পলক ২ লাখ ৩০হাজার ২৯৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী। ধানের শীষের দাউদার মাহমুদ পেয়েছেন ৮ হাজার ৫৯৩ ভোট। নাটোর-৪: নৌকার অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস ২লাখ ৮৬ হাজার ২২০ ভোট পেয়ে বিজয়ী। লাঙ্গল প্রতীকের আলাউদ্দীন মৃধা পেয়েছেন ৬ হাজার ৯৭৯ ভোট। পাবনা-১ : জয়ী আওয়ামী লীগের প্রার্থী অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু পেয়েছেন ২ লাখ ৮৫ হাজার ৮২৭ ভোট। তার নিকটতম গণফোরামের অধ্যাপক আবু সাইয়িদ পেয়েছেন ২৪ হাজার ৩৬৪ ভোট। পাবনা-২ : আওয়ামী লীগের আহমেদ ফিরোজ কবির ২ লাখ ৪২ হাজার ৬৭৪ ভোট পেয়ে জয়ী। তার নিকটতম বিএনপির একেএম সেলিম রেজা হাবিব পেয়েছেন ৫ হাজার ৩৮৩ ভোট। পাবনা-৩ : জয়ী আওয়ামীলীগের প্রার্থী মকবুল হোসেন পেয়েছেন ৩ লাখ ১ হাজার ১৫৬ ভোট। তার নিকটতম বিএনপির কেএম আনোয়ারুল ইসলাম পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৮২০ ভোট। পাবনা-৪ : আওয়ামী লীগের শামসুর রহমান শরীফ ডিলু পেয়েছেন ২ লাখ ৪৯ হাজার ৫৬৮ ভোট। তার নিকটতম বিএনপির হাবিবুর রহমান হাবিব পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৫৬৮ ভোট। পাবনা-৫ : জয়ী আওয়ামী লীগের গোলাম ফারুক খোন্দকার প্রিন্স পেয়েছেন ২ লাখ ১৬ হাজার ১৪৩ ভোট। তার নিকটতম ধানের শীষ প্রতীকের মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন পেয়েছেন ১৫ হাজার ২৮৩ ভোট। সিরাজগঞ্জ-১: আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ নাসিম (নৌকা প্রতীকে) ৩ লাখ ২৪ হাজার ৪২৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির রুমানা মোরশেদ কনকচাঁপা (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১ হাজার ৯৩ ভোট। সিরাজগঞ্জ-২: আওয়ামী লীগের ডা. হাবিবে মিল্লাত (নৌকা প্রতীকে) ২ লাখ ৯৪ হাজার ৮০৫ ভোট পেয়েছে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি রুমানা মাহমুদ (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১৩ হাজার ৭২৮ ভোট। সিরাজগঞ্জ-৩: আওয়ামী লীগের ডা. আব্দুল আজিজ (নৌকা প্রতীকে) ২ লাখ ৯৫ হাজার ৫১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আব্দুল মান্নান তালুকদার (ধানের শীষ) পেয়েছেন ২৭ হাজার ২৪৮ ভোট। সিরাজগঞ্জ-৪: আওয়ামী লীগের তানভীর ইমাম (নৌকা প্রতীকে) ৩ লাখ ৩ হাজার ৬৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের রফিকুল ইসলাম খান (ধানের শীষ) পেয়েছেন ২৪ হাজার ৮৯৩ ভোট। সিরাজগঞ্জ-৫: আওয়ামী লীগের আব্দুল মমিন মণ্ডল (নৌকা প্রতীকে) ২ লাখ ৫৯ হাজার ৮৬১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আব্দুল আলিম (ধানের শীষ) পেয়েছেন ২৮ হাজার ৩১৭ ভোট। সিরাজগঞ্জ-৬: আওয়ামী লীগের হাসিবুর রহমান স্বপন (নৌকা প্রতীকে) ৩ লাখ ৩৫ হাজার ৭৬৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এমএ মুহিত পেয়েছেন ১৪ হাজার ৬৯৭ ভোট। ময়মনসিংহ বিভাগ ময়মনসিংহ-২ :আওয়ামী লীগের শরীফ আহেমদ পেয়েছেন দুই লাখ ৯১ হাজার ৪৭২ ভোট। বিএনপির শাহ্ শহীদ সারোয়ার পেয়েছেন ৬২ হাজার ২৩৩ ভোট। ময়মনসিংহ-৩ : আওয়ামী লীগের নাজিম উদ্দিন আহমেদ এমপি ১ লাখ ৫৯ হাজার ৪৩০ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার নিকটতম ঐক্যফ্রন্টের (ধানের শীষ) ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসেইন পেয়েছেন ২৪ হাজার ৬৩১ ভোট। ময়মনসিংহ-৬ : নৌকার মোসলেম উদ্দিন পেয়েছেন ২ লাখ ৪০ হাজার ৫৮৫ এবং নিকটতম ধানের শীষের প্রকৌশলী শামছ উদ্দিন আহমদ পেয়েছেন ৩২ হাজার ৩৩২ ভোট। ময়মনসিংহ-৮ : লাঙ্গল প্রতীকের ফখরুল ইমাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৭৬৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার নিকটতম গণফোরামের অ্যাডভোকেট এএইচএম খালেকুজ্জামান পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৬৩ ভোট। জামালপুর-১: মন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ নৌকা প্রতীক নিয়ে ২ লাখ ৭১ হাজার ৭৩৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত। নিকটতম ইসলামী আন্দোলনের আব্দুল মজিদ পেয়েছেন ৩ হাজার ৭০৮ ভোট। জামালপুর-২: ফরিদুল হক খান দুলাল নৌকা প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৮০ হাজার ৪১৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত। নিকটতম বিএনপির সুলতান মাহমুদ বাবু পেয়েছেন ১৬ হাজার ৭২১ ভোট। জামালপুর-৩: মির্জা আজম নৌকা প্রতীক নিয়ে ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৬৬৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত। নিকটতম বিএনপির মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল পেয়েছেন ৪ হাজার ৩৮২ ভোট। জামালপুর-৪: ডাঃ মুরাদ হাসান নৌকা প্রতীক নিয়ে ২ লাখ ১৭ হাজার ১৯৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত। নিকটতম জাপার মোখলেছুর রহমান বস্ত্তু পেয়েছেন ১ হাজার ৫৯৩ ভোট। জামালপুর-৫: ইঞ্জিনিয়ার মোজাফ্ফর হোসেন নৌকা প্রতীক নিয়ে ৩ লাখ ৭১ হাজার ৪৩৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত। নিকটতম বিএনপির শাহ মোহাম্মদ ওয়ারেছ আলী মামুন পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৮৭ ভোট। নেত্রকোনা-১ : আওয়ামী লীগের মানু মজুমদার ২ লাখ ৩৯ হাজার ৭৩৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার নিকটতম বিএনপির ব্যারিস্টার কায়সার কামাল পেয়েছেন ১৬ হাজার ৩৩২ ভোট। নেত্রকোনা-২ : আওয়ামী লীগের আশরাফ আলী খান খসরু ২ লাখ ৮৩ হাজার ৪৯৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী এবং নিকটতম বিএনপির অধ্যাপক ডা. আনোয়ারুল হক পেয়েছেন ৩০ হাজার ৫৭৩ ভোট। নেত্রকোনা- ৩ : আওয়ামী লীগের অসীম কুমার উকিল ২ লাখ ৭০ হাজার ৭৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার নিকটতম বিএনপির ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী পেয়েছেন ৭ হাজার ২২৮ ভোট। নেত্রকোনা- ৪: রেবেকা মমিন নৌকা প্রতীকে ২ লাখ ৫ হাজার ৯৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী। নিকটতম তাহমিনা জামান শ্রাবনী পেয়েছেন ৩৮হাজার ১০৫ ভোট। নেত্রকোনা -৫ : আওয়ামী লীগের ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল ১ লাখ ৬৭ হাজার ৫৬২ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার নিকটতম বিএনপির আবু তাহের তালুকদার পেয়েছেন ১৫ হাজার ৫৮২ ভোট। শেরপুর-১: আতিউর রহমান আতিক (নৌকা) ২ লাখ ৮৭ হাজার ৪৫২ ভোট পেয়ে বিজয়ী। নিকটতম সানসিলা জেবরিন (ধানের শীষ) ২৭ হাজার ৬৪৩ ভোট। শেরপুর-২ :বেগম মতিয়া চৌধুরী (নৌকা) ৩ লাখ ৪৪২ ভোট পেয়ে বিজয়ী । নিকটতম ফাহিম চৌধুরী (ধানের শীষ) ৭ হাজার ৬৫২ ভোট। শেরপুর ৩ : নৌকার একেএম ফজলুল হক ২ লাখ ৫১ হাজার ৯শ ৩৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী। বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল ১২ হাজার ৪শ ৮৩ ভোট পেয়েছেন। ঢাকা বিভাগ টাঙ্গাইল-১: আওয়ামী লীগের ড. আবদুর রাজ্জাক ২ লাখ ৭৯ হাজার ৬৮৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত। নিকটতম ধানের শীষের সরকার সহিদ পেয়েছেন ১৬ হাজার ৪০৬ ভোট। টাঙ্গাইল-২: আওয়ামী লীগের তানভীর হাসান ছোট মনির দুই লাখ ৯৩ হাজার ৩৩২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত। নিকটতম ধানের শীষের সুলতান সালাউদ্দিন টুকু পেয়েছেন ১১ হাজার ৪০৬ ভোট। টাঙ্গাইল-৩: নৌকার আতোয়ার রহমান খান দুই লাখ ৩৮ হাজার ৯৫১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম ধানের শীষের লুত্ফর রহমান খান আজাদ পেয়েছেন আট হাজার ৫৭০ ভোট। টাঙ্গাইল-৪: আওয়ামী লীগের হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী ২ লাখ ২৪ হাজার ১৩৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত। নিকটতম ধানের শীষের ইঞ্জি. লিয়াকত আলী পান ৩৪ হাজার ৫৪৪ ভোট। টাঙ্গাইল-৫: আওয়ামী লীগের সানোয়ার হোসেন ১ লাখ ৪৯ হাজার ৩৬২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম বিএনপির মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসান পান ৭৮ হাজার ৯৯২ ভোট। টাঙ্গাইল-৬: আওয়ামী লীগের আহসানুল ইসলাম টিটু ২ লাখ ৮৫ হাজার ৩০৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত । নিকটতম ধানের শীষ প্রতীকের গৌতম চক্রবর্তী পেয়েছেন ৪০ হাজার ৩২৪ ভোট। টাঙ্গাইল-৭: আওয়ামী লীগের একাব্বর হোসেন এক লাখ ৬৪ হাজার ৫৯১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম ধানের শীষ প্রতীকের আবুল কালাম আজাদ পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৯৪৯ ভোট। টাঙ্গাইল-৮: আওয়ামী লীগ প্রার্থী জোয়াহেরুল ইসলাম দুই লাখ আট হাজার ৩৩৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত। তার নিকটতম জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কুড়ি সিদ্দিকী পেয়েছেন ৭২ হাজার ২১১ ভোট। কিশোরগঞ্জ-২ : আওয়ামী লীগের নূর মোহাম্মদ পেয়েছেন ২ লাখ ৯৫ হাজার ৮৬০ ভোট। বিএনপির মেজর (অব:) আখতারুজ্জামান রঞ্জন পেয়েছেন ৫১ হাজার ৩২৩ ভোট। কিশোরগঞ্জ-৫ : আওয়ামী লীগের আলহাজ্ব মো: আফজল হোসেন ২ লাখ ১২ হাজার ৮৭৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী। নিকটতম বিএনপির শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল পেয়েছেন ২৯ হাজার ১৫০ ভোট। মুন্সীগঞ্জ-১ : মহাজোটের প্রার্থী বিকল্প ধারা বাংলাদেশের যুগ্ম-মহাসচিব মাহী বি. চৌধুরী নৌকা প্রতীকে ২ লাখ ৮৬ হাজার ৬৮১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম বিএনপির প্রার্থী শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৮৮৮ ভোট। মুন্সীগঞ্জ-২ : সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি নৌকা প্রতীকে ২ লাখ ১৫ হাজার ৩৮৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত। তাঁর নিকটতম বিএনপি প্রার্থী মিজানুর রহমান সিনহা পেয়েছেন ১৪ হাজার ৬৫ ভোট। মুন্সীগঞ্জ-৩ : আওয়ামী লীগ প্রার্থী মৃণাল কান্তি দাস ৩ লাখ ১৩ হাজার ৩৫৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত। তাঁর নিকটতম বিএনপির সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুল হাই পান ১২ হাজার ৭৩৬ ভোট। গাজীপুর-১: আওয়ামী লীগের আকম মোজাম্মেল হক ৪ লাখ ১ হাজার ৫১৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী। বিএনপির চৌধুরী তানভীর আহমেদ সিদ্দিকী পেয়েছেন ৯৪ হাজার ৭২৩ ভোট। গাজীপুর-২: আওয়ামী লীগের জাহিদ আহসান রাসেল ৪ লাখ ১২ হাজার ১৪০ ভোট পেয়ে বিজয়ী। বিএনপির সালাহউদ্দিন সরকার পেয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ৪০ ভোট। গাজীপুর-৩:আওয়ামী লীগের ইকবাল হোসেন সবুজ ৩ লাখ ৪৩ হাজার ৩২০ ভোট পেয়ে বিজয়ী। ঐক্যফ্রন্টের ইকবাল সিদ্দিকী পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৭৮৬ ভোট। গাজীপুর-৪: আওয়ামী লীগের সিমিন হোসেন রিমি ২ লাখ ৩ হাজার ৩২৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী। বিএনপির শাহ রিয়াজুল হান্নান পেয়েছেন ১৮ হাজার ৫২৮ ভোট। গাজীপুর-৫: আওয়ামী লীগের মেহের আফরোজ চুমকি ২ লাখ ৭ হাজার ৬৯৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী। বিএনপির একে ফজলুল হক খান মিলন পেয়েছেন ২৭ হাজার ৯৭৬ ভোট। নরসিংদী-১: আওয়ামী লীগের নজরুল ইসলাম হিরু (নৌকা প্রতীকে) বিজয়ী হয়েছেন। নরসিংদী-২:আওয়ামী লীগের আনোয়ারুল আশরাফ খান (নৌকা প্রতীকে) বিজয়ী হয়েছেন। নরসিংদী-৩:আওয়ামী লীগের জহিরুল হক ভূইয়া মোহন (নৌকা প্রতীকে) বিজয়ী হয়েছেন। নরসিংদী-৪: আওয়ামী লীগের নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন (নৌকা প্রতীকে) বিজয়ী হয়েছেন। নরসিংদী-৫: আওয়ামী লীগের রাজি উদ্দিন রাজু (নৌকা প্রতীকে) বিজয়ী হয়েছেন। নারায়ণগঞ্জ-১: আওয়ামী লীগের গোলাম দস্তগীর গাজী ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮শত ৫৮ পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির কাজী মনিরুজ্জামান মনির পেয়েছেন ২১ হাজার ৪শত ৮৩ ভোট। নারায়ণগঞ্জ-২: আওয়ামী লীগের নজরুল ইসলাম বাবু ২ লাখ ৩৬ হাজার ৮৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার নিকটতম বিএনপির নজরুল ইসলাম আজাদ পেয়েছেন ৫ হাজার ১৫২ ভোট। নারায়ণগঞ্জ-৩: মহাজোট প্রার্থী লিয়াকত হোসেন খোকা লাঙ্গল প্রতীকে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৭৮৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম বিএনপির আজহারুল ইসলাম মান্নান পেয়েছেন ১৮ হাজার ৪৭ ভোট। নারায়ণগঞ্জ-৪: আওয়ামী লীগের শামীম ওসমান ৩ লাখ ৯৩ হাজার ১৩৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী। নিকটতম ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী (জমিয়তে ইসলাম) মুফতি মনির হোসেন কাসেমী পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৫৫২ ভোট। নারায়ণগঞ্জ-৫: মহাজোট প্রার্থী একেএম সেলিম ওসমান লাঙ্গল প্রতীকে ২ লাখ ৭৯ হাজার ৫শত ৪৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী এসএম আকরাম ধানের শীষ প্রতীকে ৫১ হাজার ১৩১ ভোট পেয়েছেন। গোপালগঞ্জ-১ :আওয়ামী লীগের প্রার্থী লেঃ কর্নেল (অবঃ) মুহাম্মদ ফারুক খান ৩ লাখ ৩ হাজার ৯৪২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মিজানুর রহমান হাতপাখা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭০২ ভোট। গোপালগঞ্জ-২ :আওয়ামী লীগের শেখ ফজলুল করিম সেলিম ২ লাখ ৮১ হাজার ৯০৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের তসলিম সিকদার পেয়েছেন ৬০৮ ভোট। গোপালগঞ্জ-৩ : আওয়ামী লীগ সভাপতি ও তিনবারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিপুল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ২৯ হাজার ৫৩৯ ভোট। তার নিকটতম বিএনপির এস এম জিলানী পেয়েছেন মাত্র ১২৩ ভোট। রাজবাড়ী-১: আওয়ামী লীগের কাজী কেরামত আলী ২ লাখ ৩৮ হাজার ৯১৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী। ধানের শীষের আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম পেয়েছেন ৩৩ হাজার ভোট। রাজবাড়ী-২: আওয়ামী লীগের মো. জিল্লুল হাকিম ৩ লাখ ৯৮ হাজার ৯৭৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী। বিএনপির নাসিরুল হক সাবু পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৭৫ ভোট। ফরিদপুর-১: আওয়ামী লীগের মো. মঞ্জুর হোসেন ৩ লাখ ৬ হাজার ৮৯১ ভোট পেয়ে বিজয়ী। নিকটতম বিএনপির শাহ মো. আবু জাফর পেয়েছে ২৬ হাজার ১৬২ ভোট। ফরিদপুর-২: আওয়ামী লীগের সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ২ লাখ ১৯ হাজার ২০৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী। নিকটতম বিএনপির শামা ওবায়েদ রিংকু পেয়েছে ১৪ হাজার ৮৮৫ ভোট। ফরিদপুর-৩: আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন ২ লাখ ৭৪ হাজার ৮৭১ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার নিকটতম বিএনপির চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ পেয়েছেন ২১ হাজার ৭০৪ ভোট। ফরিদপুর-৪ : স্বতন্ত্র প্রার্থী মজিবুর রহমান চৌধুরী (নিক্সন) এমপি সিংহ প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৪৫ হাজার ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার নিকটতম আওয়ামী লীগের কাজী জাফরুল্লাহ পেয়েছেন ৯৫ হাজার ১৬৩ ভোট। মাদারীপুর-১ : আওয়ামী লীগের নূর ই আলম চৌধুরী লিটন পেয়েছেন ২ লাখ ২৭ হাজার ৪৫৪ ভোট। তার নিকটতম হাতপাখা প্রতীকের মাওলানা জাফর আহম্মদ ৪৩৬ ভোট পেয়েছেন। শরীয়তপুর-১: আওয়ামী লীগের ইকবাল হোসেন অপু ২ লাখ ৭২ হাজার ৯৩৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত। নিকটতম ইসলামী আন্দোলনের মো. তোফায়েল আহমেদ পান ১ হাজার ৪২৭ ভোট। শরীয়তপুর-২: আওয়ামী লীগের একেএম এনামুল হক শামীম ২ লাখ ৭২ হাজার ৩০৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত। তার নিকতটম বিএনপির শফিকুর রহমান কিরন পেয়েছেন ২ হাজার ২১৫ ভোট। শরীয়তপুর-৩: আওয়ামী লীগের নাহিম রাজ্জাক ২ লাখ ৭ হাজার ১১৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত। নিকটতম ইসলামী আন্দোলনের হানিফ মিয়া পেয়েছেন ২ হাজার ৭৪৬ ভোট। খুলনা বিভাগ মেহেরপুর-১ : আওয়ামী লীগের অধ্যাপক ফরহাদ হোসেন দোদুল ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ২০৪ টি। তার নিকটতম বিএনপির মাসুদ অরুণ পেয়েছেন মাত্র ১২ হাজার ৯৬৯ ভোট। মেহেরপুর- ২ : আওয়ামী লীগ প্রার্থী সাহিদুজ্জামান খোকন ১ লাখ ৬৯ হাজার ১৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার নিকটতম বিএনপির জাভেদ মাসুদ মিল্টন পেয়েছেন ৭ হাজার ৯০০ ভোট । কুষ্টিয়া-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আ.ক.ম সরওয়ার জাহান বাদশা পেয়েছেন ২ লাখ ৭৬ হাজার ৯৭৮ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের রেজা আহম্মেদ বাচ্চু মোল্লা পেয়েছেন ৩ হাজার ৪২০ ভোট। কুষ্টিয়া-২ : বিজয়ী জাসদ সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু ২ লাখ ৮১ হাজার ৪৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী। নিকটতম বিএনপির আহসান হাবিব লিংকন পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৭৭৪ ভোট। কুষ্টিয়া-৩ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মাহবুব-উল আলম হানিফ পেয়েছেন ২ লাখ ৯৬ হাজার ৮২৮ ভোট। তার নিকটতম বিএনপির প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার পান ১৪ হাজার ৩৭৯ ভোট। কুষ্টিয়া-৪ : বিজয়ী আওয়ামী লীগ প্রার্থী ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ পেয়েছেন ২ লাখ ৭৮ হাজার ৮৬৪ ভোট। তার নিকটতম বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী পান ১২ হাজার ৩১৯ ভোট। চুয়াডাঙ্গা-০১: নৌকা প্রতীকের সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন ৩ লাখ ২৫ হাজার ২৩৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত। তার নিকটতম ধানের শীষ প্রতীকের শরীফুজ্জামান শরীফ পেয়েছেন ২৪ হাজার ৪০৩ ভোট। চুয়াডাঙ্গা-০২: নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হাজী আলী আজগর টগর ২ লাখ ৯৯ হাজার ৩৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত। নিকটতম ধানের শীষ প্রতীকের মাহমুদ হাসান খান বাবু পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৫১৩ ভোট। ঝিনাইদহ-১ : জয়ী আওয়ামী লীগের মো: আব্দুল হাই পেয়েছেন ২ লাখ ২২ হাজার ৩৫ ভোট। তার নিকটতম বিএনপির মো: আসাদুজ্জামান পেয়েছেন ৬ হাজার ৬৬৮ ভোট। ঝিনাইদহ-২ : আওয়ামী লীগের তাহজীব আলম সিদ্দিকী ৩ লাখ ৩৪ হাজার ৫৬০ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার নিকটতম হাতপাখা মাওলানা ফকরুল ইসলাম পেয়েছেন ৯ হাজার ১২০ ভোট। ঝিনাইদহ-৩ : নৌকার শফিকুল আজম খান ২ লাখ ৪২ হাজার ৫৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী। নিকটতম জামায়াতের মো. মতিয়ার রহমান ধানের শীষ নিয়ে পেয়েছেন ৩২ হাজার ২৪৯ ভোট। ঝিনাইদহ-৪ : নৌকার আনোয়ারুল আজিম আনার ২ লাখ ২৫ হাজার ৯৬৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার নিকটতম বিএনপির সাইফুল ইসলাম ফিরোজ পেয়েছেন ৯ হাজার ৫০৬ ভোট। যশোর-১ : নৌকার শেখ আফিল উদ্দিন ২ লাখ ৯ হাজার ৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার নিকটতম বিএনপির মফিকুল হাসান তৃপ্তি ৪ হাজার ৮০২ ভোট পেয়েছেন। যশোর-২ : নৌকার মেজর জেনারেল (অব.) ডা. নাসির উদ্দিন ৩ লাখ ৩২ হাজার ৯৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী। বিএনপির মুহাদ্দিস আবু সাঈদ মুহাম্মদ শাহাদত্ হুসাইন পেয়েছেন ১২ হাজার ৯৮৮ ভোট। যশোর-৩ : আওয়ামী লীগের কাজী নাবিল আহমেদ ৩ লাখ ৬১ হাজার ৩৩৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী। নিকটতম বিএনপির অনিন্দ্য ইসলাম অমিত পেয়েছেন ৩১ হাজার ৭১০ ভোট। যশোর-৪ : আওয়ামী লীগের রনজিত্ কুমার রায় ২ লাখ ৭৬ হাজার ২৮১ ভোট পেয়ে বিজয়ী। নিকটতম বিএনপির টি এস আইয়ূব পেয়েছেন ২৫ হাজার ৯১৯ ভোট। যশোর-৫ : নৌকার স্বপন ভট্টাচার্য্য পেয়েছেন ২ লাখ ৪৩ হাজার ৩৮২ ভোট। জমিয়াতে উলামায়ে ইসলাম এর মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ২৩ হাজার ১১২ ভোট। যশোর-৬ : আওয়ামী লীগ প্রার্থী ইসমাত আরা সাদেক ১ লাখ ৫৪ হাজার ৫৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম বিএনপির আবুল হোসেন আজাদ ৫ হাজার ৫৪৮ ভোট পেয়েছেন। নড়াইল-১ : জয়ী আওয়ামী লীগের বি এম কবিরুল হক পেয়েছেন ১ লাখ ৮২ হাজার ৫২৯ ভোট। তার নিকটতম ধানের শীষের বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম পেয়েছেন ৮ হাজার ৯১৯ ভোট। নড়াইল-২ : জয়ী আওয়ামী লীগের মাশরাফি বিন মর্তুজা পেয়েছেন ২ লাখ ৭১ হাজার ২১০ ভোট। তার নিকটতম ধানের শীষের এ জেড এম ফরিদুজ্জামান পেয়েছেন ৭ হাজার ৮৮৩ ভোট। বাগেরহাট-১: আওয়ামী লীগের শেখ হেলাল উদ্দিন ২ লাখ ৫৩ হাজার ২৪১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত। তার নিকটতম বিএনপির শেখ মাসুদ রানা পেয়েছেন মাত্র ১১ হাজার ৩৪৯ ভোট। বাগেরহাট-২: আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ সারহান নাসের তন্ময় ২ লাখ ২০ হাজার ৯১২ ভোট পেয়ে বেসরকারী। তার নিকটতম বিএনপির এম এ সালাম পান ৪ হাজার ৫৯০ ভোট। বাগেরহাট-৩: আওয়ামী লীগের হাবিবুন নাহান তালুকদার ১ লাখ ৮৮ হাজার ৯০৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত। তার নিকটতম ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী জামায়াত নেতা আব্দুল ওয়াদুদ শেখ পান ১৩ হাজার ৪০৮ ভোট। বাগেরহাট-৪: আওয়ামী লীগের মো. মোজাম্মেল হেসেন ২ লাখ ৪৭ হাজার ৮৬৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত। তার নিকটতম ইসলামী আন্দেলনের মাওলানা আব্দুল মজিদ পেয়েছেন ২ হাজার ৩৯৫ ভোট। খুলনা-১ : আওয়ামী লীগের প্রার্থী পঞ্চানন বিশ্বাস ১ লাখ ৭২ হাজার ৫৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার নিকটতম প্রার্থী বিএনপির কুদরত-ই আমীর এজাজ খান পান মাত্র ২৮ হাজার ৪৩৭ ভোট। খুলনা-২ :আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ সালাউদ্দিন জুয়েল ১ লাখ ১২ হাজার ১০০ ভোট পেয়ে বিজয়ী । তার নিকটতম বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু পেয়েছেন ২৭ হাজার ৩৭৯ ভোট। খুলনা-৩ :আওয়ামী লীগের প্রার্থী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান ১ লাখ ৩৪ হাজার ৮০৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম বিএনপির প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল পান ২৩ হাজার ৬০৬ ভোট। খুলনা-৪ :আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুস সালাম মুর্শেদী ২ লাখ ২৩ হাজার ২১৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম বিএনপির প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল পেয়েছেন ১৪ হাজার ১৮৭ ভোট। খুলনা-৫ : আওয়ামী লীগের নারায়ণ চন্দ্র চন্দ ২ লাখ ৩১ হাজার ৭২৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মিয়া গোলাম পরোয়ার ধানের শীষ প্রতীকে পান ৩২ হাজার ৬৯৪ ভোট। খুলনা-৬ :আওয়ামী লীগের আক্তারুজ্জামান বাবু ২ লাখ ৮৪ হাজার ৩৪৯ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর মওলানা আবুল কালাম আজাদ ধানের শীষে পান ১৯ হাজার ২৫৭ ভোট। মাগুরা-১:আওয়ামী লীগের অ্যাড. সাইফুজ্জামান শিখর (নৌকা প্রতীকে) ২ হাজার ৬৯ হাজার ০৯৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের মো. মনোয়ার হোসেন (ধানের শীষ) ১৬ হাজার ৬০৬ ভোট পেয়েছেন। মাগুরা-২:আওয়ামী লীগের অ্যাডভোকেট ড. বীরেন শিকদার (নৌকা প্রতীকে) ২ লাখ ২৯ হাজার ৬৫৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী (ধানের শীষ) ৫২ হাজার ৬৬৮ ভোট পেয়েছেন। সাতক্ষীরা-১ : ওয়ার্কাস পার্টির অ্যাডঃ মুস্তফা লুত্ফুল্লাহ নৌকা প্রতীক নিয়ে ৩ লাখ ৩০ হাজার ৮৮০ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি নেতা মোঃ হাবিবুল ইসলাম হাবিব পেয়েছেন ১৬ হাজার ৮০৪ ভোট। বরিশাল বিভাগ বরগুনা-১ : ৩ লাখ ১৭ হাজার ৬২২ ভোট পেয়ে বিজয়ী নৌকার এডভোকেট ধীরেন্দ্রনাথ শম্ভু। তার নিকটতম ধানের শীষের মতিয়ার রহমান তালুকদার পেয়েছেন ১৫ হাজার ৮৫০ ভোট। ভোলা-১: আওয়ামী লীগ প্রার্থী তোফায়েল আহমেদ পেয়েছেন ১ লাখ ২১ হাজার ৬৮৮ ভোট এবং বিএনপির গোলাম নবী আলমগীর পেয়েছেন ৪ হাজার ৮৬৩ ভোট। ভোলা-২: আওয়ামীলীগের আলী আজম মুকুল ২ লাখ ২৬ হাজার ১২৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত। তার নিকটতম প্রার্থী বিএনপির হাফিজ ইব্রাহিম পেয়েছেন ১৩ হাজার ৯৯৯ ভোট। ভোলা-৩: আওয়ামীলীগের নূরুন্নবী চৌধুরী শাওন ২ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম ইসলামি আন্দোলনের মাওঃ মোসলেউদ্দিন পান ৪ হাজার ৫৫টি। ভোলা-৪:নৌকা মার্কার আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব ২ লাখ ৯৯ হাজার ৭৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত। নিকটতম ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা মো. মহিবুল্লাহ হাত ৬ হাজার ৪৬৭ ভোট পেয়েছেন। বরিশাল-১ : আওয়ামী লীগের আলহাজ্ব আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ ২ লাখ ৫ হাজার ৫০৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার নিকটতম বিএনপির জহিরউদ্দিন স্বপন পেয়েছেন ১ হাজার ৩০৫ ভোট। বরিশাল ২: আওয়ামী লীগের শাহে আলম ২ লাখ ১২ হাজার ৩৪৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী। বিএনপির প্রার্থী সরফউদ্দিন সান্টু পেয়েছেন ১১ হাজার ১৩৭ ভোট। বরিশাল ৩: জাপার গোলাম কিবরিয়া টিপু ৫৪ হাজার ৫৬৫ ভোট পে?য়ে? বিজয়ী। নিকটতম বিএনপির জয়নুল আবেদীন পেয়েছেন ৪৭ হাজার ২৩৫ ভোট। বরিশাল ৪: আওয়ামী লীগের পঙ্কজ দেবনাথ ২ লাখ ২৪ হাজার ৩৫০ ভোট পেয়ে বিজয়ী। ধানের শীষ প্রতীকের (ঐক্যফ্রন্ট) প্রার্থী নুরুর রহমান জাহাঙ্গির পেয়েছেন ৯ হাজার ১৯ ভোট। বরিশাল ৫: আওয়ামী লীগের জাহিদ ফারুক শামীম ২ লাখ ২৪ হাজার ৬৭৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী। বিএনপির মজিবর রহমান সরোয়ার পেয়েছেন ৩১ হাজার ২৯২ ভোট। বরিশাল ৬: জাপার নাসরিন জাহান রত্না ১ লাখ ৫৯ হাজার ৩৯৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী। বিএনপির আবুল হোসেন খান ১৩ হাজার ৬৫৯ ভোট পে?য়ে?ছেন। ঝালকাঠি-১: আওয়ামী লীগের বজলুল হক হারুন এক লাখ ৩১ হাজার ৫২৫ ভোট পেয়ে জয়ী। নিকটতম বিএনপির ব্যারিস্টার মুহাম্মদ শাহজাহান ওমর পেয়েছেন ৬ হাজার ১৫১ ভোট। ঝালকাঠি-২: আওয়ামী লীগের শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু দুই লাখ ১৪ হাজার ৯৩৭ ভোট পেয়ে জয়ী। নিকটতম ইসলামী আন্দোলনের সৈয়দ মুফতি মো. ফয়জুল করীম পেয়েছেন ৯ হাজার ৮১২ ভোট। পটুয়াখালী-১:আওয়ামী লীগের মো. শাহজাহান মিয়া (নৌক প্রতীকে) ২ লাখ ৭০ হাজার ৯৭০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলনের আলতাফুর রহমান (হাতপাখা) ১৫ হাজার ১০৩ ভোট পেয়েছেন। পটুয়াখালী-২:আওয়ামী লীগের আ স ম ফিরোজ (নৌকা প্রতীকে) ১ লাখ ৮৫ হাজার ৭৮৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলনের মো. নজরুল ইসলাম (হাত পাখা) ৯ হাজার ২৬৯ ভোট পেয়েছেন। পটুয়াখালী-৩:আওয়ামী লীগের এসএম শাহজাদা (নৌকা প্রতীকে) ২ লাখ ১৭ হাজার ২৬১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলনের কামাল খান (হাত পাখা) ৯ হাজার ৯ পেয়েছেন। পটুয়াখালী-৪:আওয়ামী লীগের মো. মোহিববুর রহমান (নৌকা প্রতীকে) ১ হাজার ৮৮ হাজার ৮১২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলনের মো. হাবিবুর রহমান হাওলাদার (হাতখাপা) ৬ হাজার ৮০৪ ভোট পেয়েছেন। পিরোজপুর-১ : আওয়ামী লীগের অ্যাডভোকেট শম রেজাউল করিম ৩ লাখ ৩৭ হাজার ৫৯৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার নিকটতম জামায়াতের শামীম সাঈদী ধানের শীস নিয়ে পেয়েছেন ৯ হাজার ২৭১ ভোট। সিলেট বিভাগ সিলেট-১:আওয়ামী লীগের একে আব্দুল মোমেন (নৌকা প্রতীকে) ২ লাখ ৯৮ হাজার ৬৯৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির খন্দকার আব্দুল মুকতাদির (ধানের শীষ) ১ লাখ ২৩ হাজার ৮৫১ ভোট পেয়েছেন। সিলেট-২:ঐক্যফ্রন্টের মুকাব্বির খান (উদয়ীমান সূর্য) ৬৯ হাজার ৭১০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহিবুর রহমান (ডাব প্রতীকে) ৩৬, হাজার ৪৬৭ ভোট পেয়েছেন। সিলেট-৩:আওয়ামী লীগের মাহমুদুস সামাদ চৌধুরী (নৌকা) ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫০৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের শফি আহমদ চৌধুরী (ধানের শীর্ষ) ৭৯ হাজার ৮৬৫ ভোট পেয়েছেন। সিলেট-৪:আওয়ামী লীগের এমরান আহমদ (নৌকা প্রতীকে) ২ লাখ ২৩ হাজার ৬৭৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির দিলদার হোসেন সেলিম (ধানের শীষ) ৯২ হাজার ৪৭৩ ভোট পেয়েছেন। সিলেট-৫:আওয়ামী লীগের হাফিজ আহমাদ মুজমদার (নৌকা) ২ লাখ ০৭ হাজার ১৯১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের মাওলানা ওবায়দুল্লাহ ফারুক (ধানের শীষ) ১ লাখ ৩৮ হাজার ৯৬০ ভোট পেয়েছেন। সিলেট-৬:আওয়ামী লীগের নূরুল ইসলাম নাহিদ (নৌকা প্রতীকে) ২ লাখ ০৩ হাজার ৪৭৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐকফ্রন্টের ফয়সাল আহমদ চৌধুরী (ধানের) ১ লাখ ৭ হাজার ৬০৩ ভোট পেয়েছেন। হবিগঞ্জ-১:আওয়ামী লীগের গাজী শাহনেওয়াজ (নৌকা প্রতীকে) ১ লাখ ৫৮ হাজার ১৮৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের রেজা কিবরিয়া (ধানের) ৮৫ হাজার ১৯৭ ভোট পেয়েছেন। হবিগঞ্জ-২:আওয়ামী লীগের আব্দুল মজিদ খান (নৌকা প্রতীকে) ১ লাখ ৭৭ হাজার ৯৪৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের আব্দুল বাছিদ আজাদ (ধানের) ৬০ হাজার ০৫২ ভোট পেয়েছেন। হবিগঞ্জ-৩:আওয়ামী লীগের আবু জাহির (নৌকা) ১ লাখ ৯৩ হাজার ৮৭৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের জিকে গউচ (ধানের) ৬৮ হাজার ০৭৮ ভোট পেয়েছেন। হবিগঞ্জ-৪:আওয়ামী লীগের মাহবুব আলী (নৌকা) ৩ লখ ৯ হাজার ৬৫৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের ড. আহমদ আব্দুল কাদের (ধানের শীর্ষ ) ৪৫ হাজার ১৫১ পেয়েছেন। সুনামগঞ্জ-১:আওয়ামী লীগের মোয়াজ্জেম হোসেন রতন (নৌকা প্রতীকে) ২ লাখ ৬৪ হাজার ২৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি নজির হোসেন (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৯ শত ১৫ ভোট। সুনামগঞ্জ-২:আওয়ামী লীগের জয়া সেন গুপ্তা (নৌকা প্রতীকে) ১ লাখ ২৪ হাজার ১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের পেয়েছেন নাছির উদ্দিন চৌধুরী (ধানের শীষ) ৬৭ হাজার ৫৮৭ ভোট পেয়েছেন। সুনামগঞ্জ-৩: আওয়ামী লীগের এমএ মান্নান (নৌকা প্রতীকে) ১ লাখ ৭১ হাজার ৬ শত ৫১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের শাহিনুর পাশা (ধানের শীষ প্রতীক) পেয়েছেন ৫১ হাজার ৪৭ ভোট। সুনামগঞ্জ-৪:মহাজোটের অ্যাডভোকেট পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ (লাঙ্গল প্রতীক) ১ লাখ ৩৭ হাজার ২৮৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের ফজলুল হক আছপিয়া (ধানের শীষ) ৬৯ হাজার ৭৪৯ ভোট পেয়েছেন। সুনামগঞ্জ-৫:আওয়ামী লীগ মুহিবুর রহমান মানিক (নৌকা প্রতীকে) ২ লাখ ২০ হাজার ৪২৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের মিজানুর রহমান চৌধুরী (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৬৬৩ ভোট। মৌলভীবাজার-১ : আওয়ামী লীগের হুইপ মোঃ শাহাব উদ্দিন নৌকা ১ লাখ ৪৩ হাজার ৬৭৬ পেয়ে জয়ী। নিকটতম বিএনপির নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠু ৬৫ হাজার ৮১৪ ভোট পেয়েছেন। মৌলভীবাজার-২ : গণফোরামের সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ (ধানের শীষ) নিয়ে ৭৯ হাজার ৭৪২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। নিকটতম বিকল্পধারার এম এম শাহীন (নৌকা) ৭৭ হাজার ১৭০ ভোট পেয়েছেন। মৌলভীবাজার-৩ : আওয়ামী লীগের নেছার আহমদ ১ লাখ ৮৪ হাজার ৫৭৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী। নিকটতম বিএনপির এম নাসের রহমান ১ লাখ ৪ হাজার ৫৯২ ভোট পেয়েছেন। মৌলভীবাজার-৪ : আওয়ামী লীগের উপাধ্যক্ষ মোঃ আব্দুস শহীদ ২ লাখ ১১ হাজার ৬৫৯ ভোট পেয়ে জয়ী। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের মুজিবুর রহমান মুজিব পেয়েছেন ৯৪ হাজার ২১৩ ভোট। চট্টগ্রাম বিভাগ ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১: আওয়ামীলীগের বদরুদ্দোজা মো: ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম ১লাখ ১ হাজার ১১০ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার নিকটতম বিএনপির সৈয়দ এ কে একরামুজ্জামান পেয়েছেন ৬০ হাজার ৭৪০ ভোট। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২:বিএনপির উকিল আব্দুর সাত্তার এগিয়ে আছে। এখানে তিনটি কেন্দ্রের ভোট স্থগিত আছে। নিকটতম আছেন স্বতন্ত্র মইনুদ্দীন মঈন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩: আওয়ামীলীগের র. আ. ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী পেয়েছেন ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৫২৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী। আর বিএনপির খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৭৭ ভোট। ব্রাক্ষণবাড়িয়া-৪ : ২ লাখ ৮২ হাজার ৮৬৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। নিকটতম হাত পাখার মো. জসিমউদ্দিন পেয়েছেন ২ হাজার ৮৯৪ ভোট। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫: আওয়ামী লীগের মো: এবাদুল করিম বুলবুল ২ লাখ ৫০ হাজার ৫২৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী। বিএনপির নাজমুল হোসেন তাপস পেয়েছেন ১৭ হাজার ২১ ভোট। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬: আওয়ামী লীগের ক্যাপ্টেন অব: এবি তাজুল ইসলাম পেয়েছেন ২লাখ ৭৮ পেয়ে বিজয়ী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি বিএনপির আবদুল খালেক পেয়েছেন ১ হাজার ৩২৯ ভোট। কুমিল্লা-৭ : জয়ী আওয়ামী লীগের প্রার্থী অধ্যাপক মো. আলী আশরাফ পেয়েছেন ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬শ ৫০ ভোট। নিকটতম ২০ দলীয় জোট প্রার্থী এলডিপির ড. রেদোয়ান আহমেদ ১৫ হাজার ৮ শ ৯১ ভোট পেয়েছেন। চাঁদপুর-১ : আওয়ামী লীগের ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর ১ লাখ ৯৬ হাজার ৮৪৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. মোশারফ হোসেন পেয়েছেন ৭ হাজার ৭৫৯ ভোট। চাঁদপুর-২ : আওয়ামী লীগের মো. নুরুল আমিন ২ লাখ ৯৬ হাজার ৩১৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার নিকটতম বিএনপির ড. জালাল উদ্দিন পেয়েছেন ১০ হাজার ২৩৯ ভোট। চাঁদপুর-৩ : আওয়ামী লীগের ডাক্তার দীপু মনি ৩ লাখ ৪ হাজার ৮১২ ভোট পেয়ে বিজয়ী। নিকটতম বিএনপির শেখ ফরিদ আহম্মেদ পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৫০১ ভোট। চাঁদপুর-৪ : আওয়ামী লীগের মুহম্মদ শাফিকুর রহমান ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩৭৯ ভোট পেয়ে জয়ী। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. হারুনুর রশিদ পেয়েছেন ৩০ হাজার ৭৯৯ ভোট। চাঁদপুর-৫ : আওয়ামী লীগের মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম ২ লাখ ৯৮ হাজার ১০৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী। নিকটতম বিএনপির ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক পেয়েছেন ৩ হাজার ৬৫৬ ভোট। লক্ষীপুর-১: আওয়ামী লীগের আনোয়ার খান পেয়েছেন ১ লাখ ৮৫ হাজার ৪৩৮ ভোট। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী এলডিপির শাহাদাত হোসেন সেলিম (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৯৪ ভোট। লক্ষ্মীপুর-২: স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী শহীদ ইসলাম পাপুল আপেল প্রতিক নিয়ে ২ লাখ ৮৩ হাজার ৭৮৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম আবুল খায়ের ভূঁইয়া ধানের শীষ পেয়েছেন ২৮ হাজার ৬৫ ভোট। লক্ষ্মীপুর-৩: আওয়ামীলীগের এ কে এম শাহজাহান কামাল ২ লাখ ৩৩ হাজার ৪৭৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম বিএনপির শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী পেয়েছেন ১৪ হাজার ৪৭৭ ভোট। লক্ষ্মীপুর-৪ :মহাজোটের প্রার্থী মেজর (অব.) আবদুল মান্নান ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী আ স ম আবদুর রব পেয়েছেন ৪০ হাজার ৬৮২ভোট। ফেনী-১: মহাজোটের জাসদ নেতা শিরীন আক্তার ২ লাখ ৪ হাজার ২৫৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার নিকটতম ধানের শীষের রফিকুল ইসলাম মজনু পেয়েছেন ২৫ হাজার ৪৯৪ ভোট। ফেনী-২: আওয়ামী লীগের নিজামউদ্দিন হাজারী ২ লাখ ৯০ হাজার ৬৬৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম বিএনপির জয়নাল আবদিন পেয়েছেন ৫ হাজার ৭৮৪ ভোট। ফেনী-৩: লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে লে. জে. (অব.) মাসুদউদ্দিন চৌধুরী ২ লাখ ৯০ হাজার ২১১ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার নিকটতম ধানের শীষের আকবর হোসেন পেয়েছেন ১৫ হাজার ৬৭ ভোট। নোয়াখালী-১:আওয়ামী লীগের এইচএম ইব্রাহিম (নৌকা প্রতীকে) ২ লাখ ৩৮ হাজার ৯৭০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১৪ হাজার ৮৬২ ভোট। নোয়াখালী-২:আওয়ামী লীগের মোরশেদ আলম (নৌকা প্রতীকে) ১ লাখ ৭৭ হাজার ৩৯১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিদ্বন্দ্বী জয়নুল আবেদীন ফারুক (ধানের শীষ) পেয়েছেন ২৬ হাজার ১৬৯ ভোট। নোয়াখালী-৩:আওয়ামী লীগের মামুনুর রশিদ কিরণ (নৌকা প্রতীকে) ২ লাখ ১৭ হাজার ৪২৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বরকত উল্লা ভুলুর (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৭৯০। নোয়াখালী-৪: আওয়ামী লীগের একরামুল করিম চৌধুরী (নৌকা প্রতীকে) ৩ লাখ ৯৬ হাজার ২২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. শাহজাহান (ধানের শীষ) পেয়েছেন ২৩ হাজার ২৫৭ ভোট। নোয়াখালী-৫: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের (নৌকা প্রতীকে) ২ লাখ ৫২ হাজার ৭৪৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ (ধানের শীষ) ১০,৯৭০ ভোট। নোয়াখালী-৬: আওয়ামী লীগের আয়শা ফেরদাউস (নৌকা প্রতীকে) ২ লাখ ১০ হাজার ১৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ফজলুল আজিম (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৪ হাজার ৭১৫ ভোট। চট্টগ্রাম ১ : জয়ী আওয়ামী লীগের ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন পেয়েছেন ২ লাখ ৬৬ হাজার ৬৫৬ ভোট। তার নিকটতম ধানের শীষের নুরুল আমিন পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৯১ ভোট। চট্টগ্রাম-৬ : এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী পেয়েছেন ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৪২ ভোট। তার নিকটতম বিএনপির জসিম সিকদার পেয়েছেন ২ হাজার ৩০৭ ভোট। চট্টগ্রাম-৭ : আওয়ামী লীগের হাছান মাহমুদ পেয়েছেন ২ লাখ ৪ হাজার ২৫ ভোট। তার নিকটতম ঐক্যফ্রন্টের মোহাম্মদ নুরুল আলম পেয়েছেন ৫ হাজার ৮শ ১৯ ভোট। বান্দরবানে আওয়ামী লীগের বীর বাহাদুর উশৈসিং ১ লাখ ৪৭ হাজার ২ ভোট পেয়ে বিজয়ী। তার নিকটতম বিএনপির সাচিং প্রু জেরি পেয়েছেন ৫৮ হাজার ৭১০ ভোট। খাগড়াছড়িতে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৩৬ হাজার ১৫৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিন্দ্বিন্দ্বী ইউপিডিএফ সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী নতুন কুমার চাকমা সিংহ প্রতীকে পেয়েছেন ৫৯ হাজার ২৫৭ ভোট।
শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে: ইসি সচিব
অনলাইন ডেস্ক :একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের ২২টি কেন্দ্র ছাড়া বাকি সব কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। তবে রংপুর বিভাগে অনুষ্ঠিত শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিয়ে গর্ববোধ করা যায় বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি। রোববার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। নির্বাচন কমিশন সচিব বলেন, ২২টি কেন্দ্র ছাড়া বাকি সব কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে সারাদেশে কিছু সহিংস ঘটনা ঘটেছে। কমিশনের এসব বিষয় নজরে এসেছে। অভিযোগের প্রত্যেকটি ঘটনা তদন্ত করে নিষ্পত্তির জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশানার আইন শৃংখলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর