রবিবার, ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০২১
তিতাসের চার কর্মকর্তাসহ ৮ জন সাময়িক বরখাস্ত
০৭সেপ্টেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নারায়ণগঞ্জের মসজিদে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৪ কর্মকর্তাসহ ৮ জনকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ। আজ সোমবার তিতাস গ্যাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলী মো. আল মামুন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, দুর্ঘটনা কবলিত ওই মসজিদটি ফতুল্লা আঞ্চলিক অফিসের অধীনে। দায়িত্বে অবহেলার কারণে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সাময়িকভাবে বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হলেন, ব্যবস্থাপক প্রকৌ. মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, উপব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদুর রহমান রাব্বী, সহকারী প্রকৌশলী এস.এম. হাসান শাহরিয়ার, সহকারী প্রকৌশলী প্রকৌ. মানিক মিয়া, সিনিয়র সুপারভাইজার মোঃ মনিবুর রহমান চৌধুরী, সিনিয়র উন্নয়নকারী মো. আইউব আলী, সাহায্যকারী মো. হানিফ মিয়া এবং প্র.কর্মী মো. ইসমাইল প্রধান। উল্লেখ, গত শুক্রবার রাতে নারায়ণগঞ্জের পশ্চিম তল্লার বায়তুস সালাত মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনা। এতে ২৭ জন নিহত হয়। অভিযোগ উঠেছে তিতাস গ্যাসের পাইপের লিকেজ থেকে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছে। গ্যাস পাইপের লিকেজের বিষয়ে তিতাসকে অবহিত করলেও তারা ঘুষ দাবি করেন। সেই ঘুষ না দেয়ায় লাইনটি মেরামত করা হয়নি বলে মসজিদ কমিটি অভিযোগ করেছে।
ট্রাভেল এজেন্সির শাখা খোলা যাবে, সংসদে বিল
০৭সেপ্টেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর মালিকানা হস্তান্তর এবং দেশ-বিদেশে শাখা খোলার সুযোগ তৈরি করতে বিদ্যমান আইন সংশোধনের প্রস্তাব সংসদে উঠেছে। আজ সোমবার ২০১৩ সালের এ সংক্রান্ত আইন সংশোধনের জন্য বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) বিল-২০২০ সংসদে তোলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী। পরে বিলটি এক মাসের মধ্যে পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। বিলটি উত্থাপনের বিরোধিতা করে জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমাম বলেন, বিদ্যমান আইনটি বেশ শক্ত। ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর টিকিট দুর্নীতিসহ বিভিন্ন দুর্নীতির খবর আমরা জানি। এখন কেন বিলটি নরম করা হলো? তবে ফখরুল ইমামের প্রস্তাবটি সংসদে নাকচ হয়ে যায়। আইন সংশোধনের প্রস্তাব সংসদে পাস হলে ট্রাভেল এজেন্সিগুলো সরকারের অনুমোদন নিয়ে দেশে-বিদেশে শাখা অফিস খুলতে পারবে। বর্তমানে কোন অপরাধের জন্য ট্রাভেল এজেন্সিকে জরিমানার সুযোগ নেই। কর্তৃপক্ষ তাদের নিবন্ধন স্থগিত বা বাতিল করে। আইনটি সংশোধন হলে জরিমানার সুযোগ পাওয়া যাবে। ট্রাভেল এজেন্সিগুলো যৌক্তিক কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধনের আবেদন করতে না পারলে পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে জরিমানা দিয়ে আবেদন করতে পারবে। বর্তমান আইন অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধনের আবেদন না করলে ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধন বাতিল হয়ে যেতো। প্রস্তাবিত আইনে বলা হয়েছে, কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে ছয় মাস জেল, পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেওয়া হবে। এ সংক্রান্ত মামলা নিষ্পত্তিতে ফৌজদারি কার্যবিধি প্রযোজ্য হবে।বিলে বলা হয়েছে অনুমোদন ছাড়া কোন ট্রাভেল এজেন্সি ঠিকানা পাল্টাতে পারবে না। বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী বলেন, আইনটি অনুমোদত হলে নবায়ন আবেদন দাখিলে বিলম্বের ও অপরাধের জন্য লাইসেন্স বাতিলের পরিবর্তে বিধি দ্বারা নির্ধারিত জরিমানা আদায়পূর্বক সনদ নবায়ন এবং নির্ধারিত শর্ত সাপেক্ষে মালিকানা হস্তান্তর দেশে বা বিদেশে শাখা অফিস খোলার সুযোগ সৃষ্টি হবে। ফলে ট্রাভেল এজেন্সি হতে কাঙ্খিত সেবা প্রাপ্তি সহজ হবে। অধিকন্তু সরকারের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাবে।- বণিক বার্তা
পুলিশ বাহিনী সুনাম ক্ষুণ্ন করবে না: তদন্ত কমিটির প্রধান মিজানুর রহমান
০৭সেপ্টেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পুলিশ বাহিনী সুনাম ক্ষুণ্ন করবে না বলে মন্তব্য করেছেন তদন্ত কমিটির প্রধান ও চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, আমাদের পুলিশ বাহিনী আইন-শৃঙ্খলার জন্য যে অক্লান্ত পরিশ্রম করে। এই (সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলার) ঘটনাটি কোনোভাবেই পুলিশ বাহিনী ভূমিকাকে ম্লান বা ক্ষুণ্ণ করবে না। তদন্ত কমিটির প্রধান মিজানুর রহমান বলেন, আমরা দেখেছি পুলিশ বাহিনী পরিশ্রম করে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় থেকে আমাদের যে নির্দেশনা দিয়েছে, এটির উদ্দেশ্য কি ও কারণ কি এবং এ ধরনের ঘটনার প্রতিকারের ব্যাপারে কি ধরনের সুপারিশ করা যায়। সে বিষয়ে আমরা চার জন বিশ্লেষণ করেছি। প্রতিবেদনে আমরা হত্যার উৎস, কারণ, করণীয় সম্পর্কে মতামত জানিয়েছি। এ কাজ পুলিশ বাহিনীর সুনামকে ক্ষুণ্ন করবে না। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে তদন্ত কমিটির পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তদন্ত কমিটির প্রধান মিজানুর রহমান এসব কথা বলেন। তদন্ত প্রতিবেদন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জমা দিয়ে তদন্ত কমিটির প্রধান চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মিজানুর রহমান বলেন, তদন্ত কমিটির চার জনের প্রায় এক মাস সময় লেগেছে ওই প্রতিবেদনটি তৈরি করতে। অবশেষে সোমবার আমরা প্রতিবেদনটি হস্তান্তর করেছি। প্রথমে আমাদের সাত কর্মদিবস দেওয়া হয়েছিল। সেই আদেশটি আমরা দুই তারিখে পাই। তিন তারিখ আমরা নমিনেশন দিই। চার তারিখ কক্সবাজারে গিয়ে প্রথম সভা করে কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করেছি। আমি প্রতিবেদনে সংযুক্তি দিয়েছি গতমাসের তিন তারিখ থেকে সোমবার পর্যন্ত আমরা কি কি কাজ করেছি, তার বিস্তারিত দিয়েছি। তদন্ত কমিটির প্রধান মিজানুর রহমান আরও বলেন, আমরা কর্মপরিকল্পনায় নির্ধারণ করেছি কারা কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের তালিকা তৈরি করেছি। ওই তালিকায় প্রায় ৬৮ জন রয়েছেন তাদের আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করেছি, তাদের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেছি। এছাড়া ঘটনাস্থলে রাতে ডেমো করে বোঝার চেষ্টা করেছি। মেজর সিনহা যে পাহাড়ে গিয়েছিলেন। সেই পাহাড়ে গিয়েছি সেখানকার লোকজনের সঙ্গে কথা বলেছি। সেসব বিষয় বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদনে উৎস, কারণ এবং সুপারিশ প্রণয়ন করেছি।
সরকারের পদক্ষেপে করোনা পরবর্তীতে পুজিবাজার ঊর্ধ্বমূখী: অর্থমন্ত্রী
০৬সেপ্টেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার কারণে করোনা পরবর্তীতে পুঁজিবাজার খোলার পর বাজারে শেয়ার মূল্যের ঊর্ধ্বমূখি প্রবণতা পরিলক্ষিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। আজ স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম-১১ আসনের এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা জানান। মন্ত্রী বলেন, পুঁজিবাজারে সিকিউরিটিজের মূল্য হ্রাস-বৃদ্ধি হওয়া সারা বিশ্বাস্যাপী একটি স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে বিশ্বব্যাপি কভিড-১৯ মহামারীর প্রেক্ষাপটে সারা বিশ্বে পুঁজিবাজারের অস্বাভাবিক দর পতনের প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়েছে। বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের লেনদেনও এর ব্যতিক্রম নয়। ওই সময়কালে পুঁজিবাজারের লেনদেনও সাময়িকভাবে বন্ধ ছিলো। করোনা পরবর্তীতে পুঁজিবাজার খোলার পর থেকে সরকারের নেয়া কিছু পদক্ষেপের ফলে বাজারে বর্তমান শেয়ার মূল্যের ঊর্ধ্বমুখি প্রবণতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। এ সময় মন্ত্রী পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা তথা উন্নয়নের স্বার্থে এবং অস্বাভাবিক দরপতন রোধে সম্প্রতি নেয়া নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন। সংসেদে দেয়া মন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী সরকারের নেয়া পদক্ষেপগুলো মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- শেয়ারের ফ্লোর প্রাইজ সম্পর্কিত নির্দেশনা জারি, পুঁজিবাজার উন্নয়নে গত জানুয়ারি মাসে প্রধানমন্ত্রীর সাথে বৈঠক, শেয়ারের বিপরীতে লভ্যাংশ ঘোষণা সংক্রান্ত নীতিমালা জারি, পুজিবাজারে বিনিয়োগে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ২০০ কোটি টাকার তহবিল গঠন, পুঁজিবাজারে বিদেশী বিনিয়োগ বৃদ্ধির পদক্ষেপ গ্রহণ ইত্যাদি। বগুড়া-৫ আসনের হাবিবর রহমানের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, বর্তমানে আমদানি পর্যায়ে ১৬ হাজার ১টি শুল্ক মামলার বিপরীতে অনাদায়ী রাজস্বের পরিমাণ সাত হাজার ৫৮৯ কোটি ১৮ লাখ টাকা। বিএনপির সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদের প্রশ্নের জবাবে আ হ ম মুস্তফা কামাল জানান, স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত সাত হাজার ৫৫৫ দশমিক ৭৩৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ সহায়তার প্রদানে ভারত ও বাংলাদেশ ঋণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ২০২০ সালে ৩০ জুন পর্যন্ত ৯০৪ দশমিক ৭৫৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থ ছাড় হয়েছে। তবে এই অর্থনৈতিক গতি মূলত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বর্তমান সরকারের মেয়াদেই গতি লাভ করেছে। বর্তমান সরকারের সময়ে তিনটি এলওসি চুক্তির আওতায় সাত দশমিক ৫৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ সকল ঋণের আওতায় অবকাঠামো উন্নয়ন খাতে একাধিক প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। যা আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও ব্যক্তিখাতের দেশী-বিদেশী বিনিয়োগের জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরি করেছে। জামালপুর-৫ আসনের মোজাফ্ফর হোসেনের প্রশ্নের জবাবে অর্থ মন্ত্রী জানান, আমদানি-রফতানিতে অবমূল্যায়ন ও অতিমূল্যায়নের মাধ্যমে মুদ্রাপাচারের কথা আমরা পত্রপত্রিকায় প্রায়ই দেখতাম। এ সংক্রান্ত অভিযোগ আজকাল আর শুনি না। তবে, সুনির্দিষ্ট মানিলন্ডরিংয়ের অভিযোগ পাওয়ার ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থা নিয়মিতভাবে তা খতিয়ে দেখছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
গ্যাস লাইনের উপর মসজিদ নির্মাণের অনুমতি ছিল কিনা তদন্ত করা হচ্ছে
০৬সেপ্টেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, গ্যাস লাইনের উপর মসজিদ নির্মাণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছিল কিনা তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এছাড়াও অন্য সব বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন। অধিবেশনে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারায়ণগঞ্জের মসজিদে বিস্ফোরণের যে ঘটনা ঘটেছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। ইতোমধ্যে সেখানে বিস্ফোরক তদন্ত দল গেছে, তদন্ত হচ্ছে। কেন এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে তার তদন্ত হবে। মৃতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। যারা আহত হয়েছেন তাদের চিকিৎসার জন্য সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, মসজিদটি না কি গ্যাসের লাইনের উপরে নির্মাণ করা হয়েছে। সাধারণত গ্যাস লাইনের উপরে কোনো স্থাপনা নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয় না। গ্যাস লাইনের উপর মসজিদ নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয়েছিলো কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে। সামর্থবানরা অনেক সময় মসজিদে এসি দান করে থাকেন। ওই এসির ক্যাপাসিটি ছিলো কিনা তা দেখা হবে। এছাড়া মসজিদ নির্মাণে ভালোভাবে নকশা করা হয়েছিল কিনা প্রত্যেক বিষয় খুঁজে বের করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে অনুকূল পরিবেশের অপেক্ষা: কাদের
০৬সেপ্টেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার পর সেখানে সংক্রমণের হার বাড়ার অভিজ্ঞতায় সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে অনুকূল পরিবেশের জন্য অপেক্ষা করছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হয়েছে। আমেরিকারও বেশ কয়েকটি রাজ্যে খুলে দিয়েছে। এতে সেখানে সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ অভিজ্ঞতায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার বিষয়ে নিবিড় পর্যবেক্ষণ করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আমাদের শিক্ষামন্ত্রী। গতকাল জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ময়মনসিংহের ত্রিশালে কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত বঙ্গবন্ধু: বাঙালির চেতনার বাতিঘর শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি। ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আলোচনা সভায় যুক্ত হন। সেতুমন্ত্রী বলেন, সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে পরিস্থিতি অনুকূলে হলেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে। শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতের নাগরিক, ভবিষ্যতের নেতা; তাই শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কিছুদিন ধৈর্য ধরার আহ্বান জানাচ্ছি। অনেক দেশে সংক্রমণের দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হয়েছে উল্লেখ করে জনগণকে আরো বেশি সতর্কভাবে চলতে এবং সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি। বঙ্গবন্ধুকে যারা মুছে ফেলতে চেয়েছে তারাই ইতিহাসের আঁস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যকাণ্ডের খুনিরা ছাড় পাবে না। পালিয়ে থাকা খুনিদের ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক তত্পরতা জোরদার করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণকাজে নিজেকে প্রস্তুত করার আহ্বান জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, আবেগহীন রোবট নয়, চাই সমাজঘনিষ্ঠ দেশপ্রেমিক নিউ জেনারেশন। আমরা পরীক্ষার্থী নয়, শিক্ষার্থী চাই। আমরা জীবিকা না জীবনের জন্য শিক্ষা চাই। এ বাস্তবতা শিক্ষার্থীদের উপলব্ধি করতে হবে। প্রতি শিক্ষাবর্ষে কতজন মানবিক মানুষ আমরা পাচ্ছি শিক্ষা ব্যবস্থার এ ব্যপারে আমাদের নজর দেয়া দরকার। বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি থাকবে সেটা স্বাভাবিক, কিন্তু ছাত্র রাজনীতি আর শিক্ষক রাজনীতির আকার-প্রকার আর ধরনে ভিন্নতা রয়েছে। তিনি বলেন, আমরা বিভেদের দেয়াল চাই না। বিভেদের রাজনীতি আমাদের পিছিয়ে দেবে। সম্প্রীতি এগিয়ে নেবে অর্জনের সোনালি দিগন্তে। শেখ হাসিনার সরকার অপরাধীকে অপরাধী হিসেবেই দেখে বলে মনে করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, অপরাধীর কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই। প্রতিটি হত্যাকাণ্ডে দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে সরকার ব্যবস্থা নিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর নজিরবিহীন মহানুভবতা: তথ্যমন্ত্রী
০৬সেপ্টেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কারামুক্তির মেয়াদ দ্বিতীয় দফায় আরো ছয় মাস বৃদ্ধি করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নজিরবিহীন মহানুভবতার পরিচয় দিয়েছেন। অন্যদিকে ধন্যবাদের সংস্কৃতি লালন করে না বলে বিএনপি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাতেও ব্যর্থ হয়েছে। গতকাল দুপুরে ঢাকায় তথ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে টেলিভিশন শিল্পী-কলাকুশলীদের বিভিন্ন সংগঠনের জোট ফেডারেশন অব টেলিভিশন প্রফেশনালস অর্গানাইজেশন (এফটিপিও)-এর নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী। হাছান মাহমুদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নজিরবিহীনভাবে একজন শাস্তিপ্রাপ্ত আসামি (খালেদা জিয়া) যিনি ১০ বছর কারাদণ্ডপ্রাপ্ত, তাও এতিমের টাকা আত্মসাতের কারণে দুর্নীতির দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত, তাকে নজিরবিহীনভাবে দণ্ডবিধির ৪০১ ধারার ক্ষমতাবলে মুক্তি দিয়েছেন। ছয় মাসের জন্য প্রাথমিকভাবে মুক্তি দেয়া হয়েছে, পরে আরো ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে। এই প্রথম সিআরপিসির (দণ্ডবিধি) ৪০১ ধারায় যে প্রদত্ত ক্ষমতা, সেটা প্রধানমন্ত্রী প্রয়োগ করেছেন। এতে বিএনপির ধন্যবাদ জানানো উচিত ছিল। কিন্তু বাস্তবিক অর্থে বিএনপি ধন্যবাদ জানানোর সংস্কৃতিটা লালন করে না। এজন্য তারা ধন্যবাদ জানাতে ব্যর্থ হয়েছে। মন্ত্রী এ সময় বলেন, বিএনপির কাছে আমার প্রশ্ন- এ পরিস্থিতি যদি উল্টোভাবে ভাবি, বেগম খালেদা যদি প্রধানমন্ত্রী থাকতেন, তিনি কি শেখ হাসিনার জন্য এ ব্যবস্থা গ্রহণ করতেন? আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি করতেন না। কারণ যিনি ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডকে উপহাস করার জন্য, হত্যাকারীদের উৎসাহিত করার জন্য নিজের জন্মের তারিখটাই বদলে ১৫ আগস্ট কেক কাটেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী তার দরজায় গিয়ে ১৫ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকার পরও দরজা খোলেননি, যার জ্ঞাতসারে তার ছেলে ২১ আগস্ট শেখ হাসিনা ওপর গ্রেনেড হামলা চালায়, প্রধানমন্ত্রী সব কিছু ভুলে তাকে এ মহানুভবতা দেখিয়েছেন।
মসজিদে বিস্ফোরণ: ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কাঁদলেন শামীম ওসমান
০৫সেপ্টেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার পশ্চিম তল্লার বাইতুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে মসজিদের ভেতরের চিত্র দেখে কেঁদে ফেলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য (এমপি) এ কে এম শামীম ওসমান। এ ঘটনায় তিনি গভীর তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি এ ঘটনায় নাশকতায় আশঙ্কাকেও উড়িয়ে না দিয়ে সব বিষয় মাথায় রেখে তদন্তের আহ্বান জানান এমপি শামীম ওসমান। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে মসজিদে বিস্ফোরণের পর শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শামীম ওসমান ফতুল্লার পশ্চিম তল্লার বাইতুস সালাত জামে মসজিদ পরিদর্শন করতে যান। এ সময় তিনি মসজিদের ভেতরে ঘুরে দেখেন। মসজিদ পরিদর্শন শেষে শামীম ওসমান সাংবাদিকদের বলেন, মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনাকে তুচ্ছভাবে দেখার সুযোগ নেই। এটা ছোট কোনো বিষয় না। শুধু গ্যাসের কারণেই এত বড় বিস্ফোরণ ঘটেছে এটাকেই প্রাধান্য দিয়েই শেষ করা যাবে না। কারণ এর আগেও আমাদের ওপরেও ১৬ জুন বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে। সে কারণেই আমি বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্টদের আহবান জানাচ্ছি। তিনি বলেন, আমি কোনো এক্সপার্ট না। সে কারণেই আমি এক্সপার্টদের দিয়ে গভীরভাবে তদন্তের কথা বলছি। এটা এসির বিস্ফোরণ কি না সেটাও তদন্ত করা উচিত। তবে সচরাচর এসির গ্যাস সিলিন্ডার থাকে বাইরে। সেটা ভেতরে বিস্ফোরণের কথা না। এছাড়া গ্যাসের কথা বলা হচ্ছে। যদি মসজিদের ভেতরে এতই গ্যাসের রিজার্ভ থাকতো তাহলে সেটা তো মাগরিবের সময়ে কিংবা এশার আগে দরজা খোলার কারণে বের হয়ে যেত। শামীম ওসমান বলেন, যেহেতু অনেক ঘটনা ঘটেছে। আমার ওপর ১৬ জুনের বোমা হামলা হয়েছিল। হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজারে হামলার পরিকল্পনা হয়েছিল। আমি বলছি না এর সঙ্গে যোগসূত্র রয়েছে। তবে আমি এর গভীর তদন্ত হতে হবে। তিনি বলেন, এ ঘটনায় দয়া করে কোনো পারসেপশন তৈরি করবেন না। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন জরুরি। তিনি আর বলেন, এটা দুর্ঘটনা বা নাশকতা আমি কোনটিই বলবো না। কিন্তু আমি নাশকতার বিষয়টিকেও ফেলে দিচ্ছি না। তবে এর গভীর তদন্ত হতে হবে। আর গ্যাসের লাইন থাকে বাইরে। আর ভেতরে থাকলেও কতটুকু গ্যাস জমে থাকবে। এত বড় বিস্ফোরণ ঘটবে সেটা তদন্ত করে দেখা উচিত। আর আল্লাহর ঘরে তো কেউ সিগারেটে আগুন ধরায়নি। এছাড়া অনেক প্রশ্নও সামনে চলে আসে। কারণ বিস্ফোরণ ঘটলে এক কোনায় ঘটতে পারতো। কিন্তু পুরোটায় ছড়ালো কীভাবে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে এশার নামাজের সময় ওই মসজিদে বিস্ফোরণে ৩৭ জন দগ্ধ হন। ইতোমধ্যে বিস্ফোরণের ঘটনায় মসজিদের মুয়াজ্জিন ও স্কুলছাত্রসহ ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
সেক্টর কমান্ডার আবু ওসমান চৌধুরীর মৃত্যুতে বিভিন্ন মহলের শোক
০৫সেপ্টেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহান মুক্তিযুদ্ধের আট নম্বর সেক্টরের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আবু ওসমান চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, রাজনৈতিক দল, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রসহ সংশ্লিষ্ট আরও অনেকে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) পৃথক পৃথক শোকবার্তায় তারা মরহুম আবু ওসমান চৌধুরীর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। এ দিন সকাল ৮টার দিকে সেক্টর কমান্ডার আবু ওসমান রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। সেক্টর কমান্ডার আবু ওসমানের বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সরকার ২০১৪ সালে আবু ওসমান চৌধুরীকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জাতীয় পুরস্কার স্বাধীনতা পদকে ভূষিত করে। তার মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, কৃষিমন্ত্রী ডা. আব্দুর রাজ্জাক, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি, খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. ফরহাদ হোসেন, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক, মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া, চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী এবং হুইপরা, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি হাসানুল হক ইনু। এছাড়া আবু ওসমানের মৃত্যুতে আরও শোক জানিয়েছেন জাতীয় পার্টি (জাপা) চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জিএম কাদের, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী এবং মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্না, জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া। শোকবার্তায় তারা জানান, স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসে সেক্টর কমান্ডার আবু ওসমান চৌধুরীর বীরত্বগাঁথা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। বায়ান্নের মহান ভাষা আন্দোলনেও তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন ওই বীর মুক্তিযোদ্ধা। সাহিত্যচর্চার প্রতিও তার ঝোঁক ছিল। তার মৃত্যুতে বাঙালি জাতি এক শ্রেষ্ঠ সূর্য সন্তানকে হারালো।

জাতীয় পাতার আরো খবর