বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে কলকাতা উপ-হাই কমিশনারের শ্রদ্ধা
০১মার্চ,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশ উপ-হাই কমিশনের একটি প্রতিনিধি দল গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি সৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। আজ রোববার (১ মার্চ) সকালে উপ-হাই কমিশনার তৌফিক হাসানের নেতৃত্বে ৮ সদস্যের প্রতিনিধি দলটি বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। পরে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাত করে বঙ্গবন্ধু ও ৭৫ এর ১৫ আগষ্ট নিহত তাঁর পরিবারের শহীদ সদস্যদের রূহের মাগফেরাত কামনা করা হয়। এরপর বঙ্গবন্ধু ভবনে রক্ষিত পরিদর্শন বইতে মন্তব্য লেখে স্বাক্ষর করেন উপ-হাই কমিশনার তৌফিক হাসান। এ সময় উপ-হাই কমিশনারের সহধর্মিনী ইসমত জেরিন, মিনিস্টার (রাজনৈতিক) ও দূতালয় প্রধান বিএম জামাল হোসেন এবং তার সহধর্মিনী আবিদা সুলতানা, কাউন্সেলর মোঃ বশির উদ্দিন, কাউন্সেলর (ক্রীড়া ও শিক্ষা) শেখ শফিউল ইমাম, প্রথম সচিব (প্রেস) ড. মোঃ মোফাকখারুল ইকবাল ও তাঁর সহধর্মিনী ড. তাসমীমা বেগম, প্রথম সচিব (রাজনৈতিক-১ ও ভিডিও) শামীমা ইয়াসমিন স্মৃতি এবং দ্বিতীয় সচিব (কন্স্যুলার) শেখ শাফিনুল হকসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মিরা উপস্থিত ছিলেন। পরে উপ-হাই কমিশনার ও কমিশনের কর্মকর্তাবৃন্দ বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ কমপ্লেক্সে বিভিন্ন স্থাপনা ও লাইব্রেরী ভবন ঘুরে দেখেন। এরপর সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় উপ-হাই কমিশনার তৌফিক হাসান বলেন, ‘কলকাতা উপ-হাই কমিশন হচ্ছে বহিঃবিশ্বে বাংলাদেশের প্রথম কূটনৈতিক মিশন। জাতির পিতার জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে মার্চে প্রথম দিন বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে পেরে আমরা অনেক আনন্দিত ও খুশি।’ তারা আজই কোলকাতা ফিরে যাবেন বলেও জানান তিনি।
ব্যাংক ঋণে সুদের হার ৯ শতাংশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট
০১মার্চ,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ব্যাংক ঋণে সুদের হার ৯ শতাংশ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। আজ রোববার বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের হাইকোর্ট বেঞ্চ রিট আবেদনটি শুনানির জন্য আগামীকাল সোমবার দিন ধার্য করেছেন। রিটে ক্রেডিট কার্ড ছাড়া ব্যাংকের সব ঋণের সুদ হার ৯ শতাংশ আগামী ১লা এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে- এ সংক্রান্ত সার্কুলার স্থগিত চাওয়া হয়েছে। হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এক শিক্ষানবিশ আইনজীবীর পক্ষে ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন এ রিট দায়ের করেন। গত ২৪শে ফেব্রুয়ারি ক্রেডিট কার্ড ছাড়া ব্যাংকের সব ঋণের সুদ হার ৯ শতাংশ আগামী ১লা এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে- এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। বর্তমানে ব্যাংক ভেদে উৎপাদন খাতে সুদ হার ১১ থেকে ১৪ শতাংশ।ভোক্তা ও এসএমই ঋণের সুদহার আরো বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বর্তমানে ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদ হার দেশের ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বৃহৎ শিল্পসহ ব্যবসা ও সেবা খাতের বিকাশে প্রধান অন্তরায় হিসেবে দাঁড়িয়েছে। ব্যাংক ঋণের সুদ উচ্চ মাত্রার হলে সংশ্লিষ্ট শিল্প, ব্যবসা ও সেবা খাতের প্রতিষ্ঠানসমূহের উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়। এসব প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাতকরণে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়। ফলে শিল্প, ব্যবসা ও সেবা প্রতিষ্ঠানসমূহ কখনো কখনো প্রতিকূল পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়। এ কারণে সংশ্লিষ্ট ঋণ গ্রহীতারা যথাসময়ে ব্যাংক ঋণ পরিশোধে করতে পারেন না। এতে ব্যাংক খাতে ঋণ শৃঙ্খলা বিঘিœত হয় এবং সার্বিকভাবে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়।
দুঃসময়ে সাহায্য করে বীমা: প্রধানমন্ত্রী
০১মার্চ,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বীমার মাধ্যমে দুঃসময়ে বেশ ভালোই সাহায্য পাওয়া যায়। বীমার বিষয়ে জনসচেতনতা জরুরি। বীমার প্রতি মানুষের আগ্রহ রয়েছে। আজ রোববার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় বীমা দিবসের উদ্বোধনী বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, বীমার উন্নয়নে আমরা কাজ করেছি। দুইটি আইন করেছি। জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪ আমরা প্রনয়ন করেছি। কৃষি, পড়ালেখা, স্বাস্থ্য বীমার বিষয়ে কাজ চলছে। বঙ্গবন্ধু শিক্ষা বীমা নামে শিক্ষার জন্য একটি বীমার প্রস্তাবনা এসেছে। বিষয়টি আমরা বিবেচনায় রেখেছি। বীমাটাকে যেন মানুষ কাজ লাগাতে পারে এ জন্য লক্ষ্য রাখতে হবে। জাতির পিতা দেশকে স্বাধীন করে গেছেন। তার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে আমরা কাজ করছি। শেখ হাসিনা বলেন, বীমা কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। বীমা নিয়ে সাধারণ মানুষের সচেতনতা কম। এই খাতে উৎসাহ বাড়াতে কাজ করছে সরকার। বীমার কার্যক্রম ডিজিটাল পদ্ধতি করলে দুর্নীতি অনেকাংশে কমে যাবে। বীমার প্রতি গ্রাহকের আস্থা আরও বাড়বে। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে বঙ্গবন্ধু মাত্র সাড়ে তিন বছর কাজ করতে সুযোগ পেয়েছিলেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা ১৯৭২ সালে ইন্স্যুরেন্স অডিনেন্স ও ১৯৭৩ সালে ইন্স্যুরেন্স অ্যাকাডেমি গঠন করেছিলেন। তখন তিনি দেশি বিদেশ ৪৯টি ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিকে জাতীয়করণ করেছিলেন। জাতির পিতা ধ্বংসস্তুপের ওপর দাঁড়িয়ে শুরু করেছিলেন। তিনি বীমা শিল্পকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন। এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে পাঁচজন বিশিষ্ট বীমা ব্যক্তিত্বকে বিশেষ সম্মাননা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তারা হলেন- সাধারণ বীমা করপোরেশনের সাবেক চেয়ারম্যান খোদা বক্স, গোলাম মাওলা, বিজিআইসি প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এম এ সামাদ, জীবন বীমা করপোরেশনের সাবেক চেয়ারম্যান শামসুল আলম এবং ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাফায়েত আহমেদ। যারা পদক পেয়েছেন তারা সবাই মরহুম। তাদের পক্ষে স্বজনরা প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পদক গ্রহণ করেন। বীমা দিবসে শপথ করি, উন্নত দেশ গড়ি এ প্রতিপাদ্যে রোববার দেশে প্রথমবারের মতো পালিত হচ্ছে জাতীয় বীমা দিবস। বীমা শিল্পের উন্নয়ন ও বীমা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে নানা কর্মসূচি নেয়া হয়েছে। সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে বীমা দিবসের উদ্বোধন করেন। বীমা দিবসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ), বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরাম বীমা দিবস উপলক্ষে যৌথভাবে দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় Railly, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬০ সালের ১ মার্চ তৎকালীন পাকিস্তানের আলফা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে যোগদান করেন। বঙ্গবন্ধু বীমা খাতে যোগদানের দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে সরকার গত ১৫ জানুয়ারি ১ মার্চ জাতীয় বীমা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
এখনও করোনামুক্ত বাংলাদেশ
২৯ফেব্রুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে কেউ কোভিড-১৯ বা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হননি বলে জানিয়েছে জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সন্দেহে গত পাঁচ সপ্তাহে (২১ জানুয়ারি থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি) মোট ৮৫ জনের শরীর থেকে নমুনা নিয়ে পরীক্ষা করেছে আইইডিসিআর। কিন্তু তাদের শরীরে এই ভাইরাস পাওয়া যায়নি। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ পর্যন্ত দেশে মোট তিন লাখ ৬৭ হাজার ৪১ জনকে স্ক্রিনিং করা হয়েছে। এর মধ্যে দেশের তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্ক্রিনিং করা হয়েছে এক লাখ ৮৫ হাজার ৫৭০ জনকে। চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর ও মংলা সমুদ্রবন্দরে স্ক্রিনিং করা হয়েছে চার হাজার ১৫৭ জন, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট ও বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশনে তিন হাজার ৬৪০ জন, আর অন্যান্য স্থলবন্দরগুলোতে স্ক্রিনিং করা হয়েছে এক লাখ ৭৭ হাজার ৮৩১ জনকে। বাংলাদেশে কোনও রোগী পাওয়া না গেলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ পর্যন্ত মোট করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৮২ হাজার ২৯৪ জন। এরমধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ১৮৫ জন। এদিকে, নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের তালিকায় যুক্ত হয়েছে ব্রাজিল, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, জর্জিয়া, গ্রিনল্যান্ড, নরওয়ে, পাকিস্তান, রোমানিয়া এবং উত্তর মেসিডোনিয়াসহ ৯টি দেশ। অন্যদিকে, উৎপত্তিস্থল চীনে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৭৮ হাজার ৬৩০ জন এবং মারা গেছেন ২ হাজার ৮০৪ জন।
ঢাকা বারে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১০ পদে বিএনপি জোটের জয়
২৯ফেব্রুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা বার আইনজীবী সমিতির ২০২০-২০২১ কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠনের নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত জোটের নীল প্যানেল সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১০টি পদে জয়লাভ করেছে। অন্যদিকে, আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাদা প্যানেল ছয়টি সম্পাদকীয় পদসহ ১৩টি পদে জয়লাভ করে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। দুদিনব্যাপী এ নির্বাচনে ভোট গণনা শেষে আজ শনিবার বেলা ১১টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার সিনিয়র অ্যাডভোকেট মুন্সি ফখরুল ইসলাম এ ফলাফল ঘোষণা করেন। ফলাফলে নীল প্যানেলের অ্যাডভোকেট মো. ইকবাল হোসেন সভাপতি পদে ৪ হাজার ৯৫২ ভোট পেয়ে সাদা প্যানেলের সভাপতি প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. মোশারফ হোসেনকে ৭৩৭ ভোটে পরাজিত করেছেন। অন্যদিকে, নীল প্যানেলের অ্যাডভোকেট মো. হোসেন আলী খান হাসান সাধারণ সম্পাদক পদে ৪ হাজার ৭২৫ ভোট পেয়ে সাদা প্যানেলের অ্যাডভোকেট মো. আহসান তারিরকে ৩০২ ভোটে পরাজিত করেছেন। নীল প্যানেলের অন্যান্য পদে বিজয়ীরা হলেন, কোষাধ্যক্ষ পদে অ্যাডভোকেট আব্দুল আল মামুন ও অফিস সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট এইচএম মাসুম, সদস্য পদে অ্যাডভোকেট ইয়াছিন মিয়া, কাজী আফরোজা সুলতানা (ইভা), মো. আব্দুল বাসেত রাখী, আজহার উদ্দিন রিপন, মো. তানভীর হাসান সোহেল ও সাদেকুল ইসলাম ভূইয়া (জাদু)। সাদা প্যানেলের বিজয়ীরা হলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট মো. আবদুল কাদের, সহ-সভাপতি পদে মো. ইমাম হোসেন মঞ্জু, সিনিয়র সহ- সাধারণ সম্পাদক পদে একেএম হাবিবুর রহমান চুন্নু, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে সিকদার মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান হিমেল, লাইব্রেরি সম্পাদক পদে মো. আতাউর রহমান খান (রুকু), সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে তাসলিমা আক্তার রীতা, ক্রীড়া সম্পাদক পদে সাইফুল ইসলাম সুমন ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে মোহাম্মাদ খালেদুর রহমান, সদস্য পদে এএইচএম শফিকুল ইসলাম সোহাগ, মো. সাব্বির হোসেন, সাইফুল ইসলাম, মো. মেহেদী হাসান মেরিন এবং মো. রমজান আলী সরদার রানা। এর আগে গত বুধ ও বৃহস্পতিবার এ নির্বাচনে ১৮ হাজার ১৫০ জন ভোটারের মধ্যে ৯ হাজার ২৯৯ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোটের ২৮ ঘণ্টা পর শুক্রবার রাত ৯টা থেকে ভোট গণনা শুরু হয়। নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত নীল প্যানেল এবং আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাদা প্যানেলে মোট ৪৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মুন্সি ফখরুল ইসলাম প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন। যার অধীনে ১০ জন কমিশনার এবং ১০০ জন সদস্য রয়েছেন। উল্লেখ্য, ২০১৯-২০২০ কার্যবর্ষের নির্বাচনে ২৫টি পদের মধ্যে সাদা প্যানেল সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১৮টি পদে এবং নীল প্যানেল তিনটি সম্পাদকীয় পদসহ ৯টি পদে জয়লাভ করে।
সরবরাহ নিশ্চিত করতেই বিদ্যুৎ ও পানির দাম বৃদ্ধি : কাদের
২৯ফেব্রুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতেই কিছুটা দাম বাড়ানো হয়েছে। কারণ সরকার বিদ্যুতে যেমন ভর্তুকি দিচ্ছে পানিতেও সেরকম ভর্তুকি দেয়া লাগছে। তবে বিদ্যুৎ এর ক্ষেত্রে কৃষকের ভর্তুকি খুব কম ধরা হয়েছে। আজ শনিবার আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, মুজিববর্ষে আমরা শতভাগ বিদ্যুতের ব্যবহার নিশ্চিত করতে চাই। প্রত্যেক ঘরে আমরা বিদ্যুতের আলো জ্বালাতে চাই। সামনে গরমের সিজন, লোকজন যেন কষ্ট না পায় সেজন্য আমরা বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিরবচ্ছিন্ন করতে চাই। একটু কষ্ট হলেও জনগণ এর সুবিধা পাবে। বিএনপি আদালতের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করছে মন্তব্য করে কাদের বলেন, বিএনপির বিক্ষোভ কোন রাজনৈতিক নেতাদের বা দলের বিরুদ্ধে নয়। তারা আদালতের বিরুদ্ধে নেমেছেন। আদালত বেগম খালেদা জিয়াকে জামিন দেয়নি বলেই তারা এ কর্মসূচি পালন করছে। এটা আদালতের বিরুদ্ধে অঘোষিত একটা কর্মসূচি। টার্গেট পূরণ না হওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, শুধু পাপিয়া নয়, অপকর্ম, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও মাদকের সঙ্গে যারাই জড়িত তারা নজরদারিতে আছেন। এছাড়া পাপিয়াদের পিছনে যারা আছেন তারাও নজরদারির বাইরে নয়। তিনি বলেন, দেশের যে কোনো প্রান্তে হোক অপকর্ম, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, জঙ্গিবাদ ও মাদকের সঙ্গে দলের লোকজন যদি জড়িত থাকে সেও রেহাই পাবেন না। তারা ইতোমধ্যে নজরদারিতে চলে এসেছেন। থেমে থেমে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হবে। এছাড়া এই অপকর্মের পিছনে যারা কলকাঠি নাড়ছেন তারাও রেহাই পাবেন না। পদ্মা সেতু নির্মাণ কাজ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, প্রায় এক হাজারের মতো চীনের অধিবাসী পদ্মা সেতুতে কাজ করে। এখান থেকে ১৫০ জন ছুটিতে দেশে গেছেন। যদি দুই মাসের মধ্যে করোনাভাইরাসের কোনো উন্নতি না হয় তাহলে পদ্মা সেতুর কাজে সামান্য বিঘ্ন ঘটবে। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুস সবুর এবং উপ দফতর সম্পাদক সায়েম খান।
অপরাধের সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে
২৮ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:অপকর্মে জড়িতদের ছাড় দেয়া হবে না বলে হুঁশিয়ার করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, নানা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার নরসিংদী জেলা যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত নেতা শামিমা নূর পাপিয়ার সহযোগীদেরও আইনের আওতায আনা হবে। আজ দুপুরে আশুলিয়ার গেরুয়াবাজার এলাকায় দারুল উলুম মাবিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসার একটি ভবন উদ্বোধনের সময় সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, অপরাধের সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। এই সরকারের সময় অপরাধ করে কেউ পার পাবে না। জুয়া, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান চলবে। উচ্চ আদালতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন আবারও নাকচের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আসাদুজ্জামান খান বলেন, আইন ও বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন। বিচার বিভাগের ওপর বর্তমান সরকারের কোনও হাত নেই। খালেদা জিয়াকে জামিন দেয়ার একমাত্র এখতিয়ার আদালতের। খালেদা জিয়ার জামিন নিয়ে আদালত যা করছেন, সেটা ভেবেচিন্তে এবং আইন অনুযায়ী করছেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান, মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমান নবাবগঞ্জী, মাদ্রাসার সভাপতি মিনহাজ উদ্দিন মুছা প্রমুখ।
চসিক নির্বাচনে সেনা মোতায়েন হবে না
২৮ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে সেনা মোতায়েন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম। আজ দুপুরে চট্টগ্রামে নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রফিকুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আমরা সেনা মোতায়েন করিনি। এবারও করব না। তবে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি থাকবে। পোশাকেই থাকবে। অস্ত্র থাকবে না। টেকনিক্যাল সাপোর্ট দেবে তারা।এর আগে গতকাল মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে বিএনপি প্রার্থী শাহাদাত হোসেন নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের পাশাপাশি নির্বাচন দুই দিন পেছানোর দাবি জানিয়েছিলেন। পরীক্ষাসহ নানা কারণে নির্বাচন পেছানো সম্ভব নয় বলে উল্লেখ করে রফিকুল ইসলাম বলেন, অন্যান্য দেশের মতো সরকারি ছুটি ঘোষণা না করে নির্বাচন করা যায় কি না ভেবে দেখছে কমিশন। তিনি বলেন, আমাদের কাছে অপশন যেটা ছিল, সেটা হলো পুরো বর্ষার মধ্যে নির্বাচন করার। আমরা কিন্তু কল্পনাও করতে পারি না চট্টগ্রাম শহরে বর্ষার সময় নির্বাচন করার কথা। কারণ, আমাদের অভিজ্ঞতা হলো বর্ষায় জলাবদ্ধতায় ডুবে থাকে অনেক রাস্তাঘাট। সে জন্য এ সময় নির্বাচনের কথা আমরা চিন্তও করতে পারি না।
বায়তুল মোকাররম এলাকায় বিক্ষোভ করেছেন মুসল্লীরা
২৮ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:দিল্লিতে মুসলিমদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ঢাকায় বায়তুল মোকাররম এলাকায় বিক্ষোভ করেছেন মুসল্লীরা। সমমনা ইসলামী দলগুলোর ব্যানারে মসজিদের উত্তর গেটে প্রথমে বিক্ষোভ সমাবেশ হয়। সমাবেশ শেষে তারা মিছিল বের করেন। এসময় মুসল্লিরা বিভিন্ন স্লোগান দেন।এর আগে জুমার নামাজের আগেই বায়তুল মোকাররম মসজিদে ব্যাপক মুসল্লীর সমাগম হয়। পুরো এলাকায় পুলিশি উপস্থিতিও ছিল ব্যাপক। নামাজ শেষে কয়েকহাজার মুসল্লি সমাবেশে যোগ দেন। বিভিন্ন ইসলামী দলসমূহের নেতারা এসময় বক্তব্য রাখেন। এসময় বক্তারা বলেন, ভারতে মুসলিমদের নির্মমভাবে হত্যা করা হচ্ছে।তাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয়া হচ্ছে। মা বোনদেরকে নির্যাতন করা হচ্ছে। মুসলিম হিসেবে আমরা তা মেনে নিতে পারি না। এ নিয়ে সরকারের মাথা ব্যথা না থাকলেও আমাদের মাথা ব্যথা আছে। কারণ আমরা মুসলমান। মুসলিম হয়ে মুসলিমদের ওপর এমন নির্যাতন সহ্য করা যায় না। তারা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন অসাম্প্রদায়িক। আমাদের দেশ অসাম্প্রদায়িক। এখানে আমরা মুসলিম হিন্দু বোদ্ধ খ্রিস্টান একসঙ্গে বাস করি। আর মোদি হলো একজন উগ্রপন্থী লোক। সে সাম্প্রদায়িক এবং খুনি। সুতরাং মুজিববর্ষে তার মতো খুনি সাম্প্রদায়িক এবং উগ্রবাদীকে বাংলাদেশে ঢুকতে দেয়া হবে না। তার আমন্ত্রণ পত্র প্রত্যাহার করতে হবে। এসময় তারা বিমানবন্দর ঘেরাও করার ঘোষণা দেন। বক্তারা মুসলিম হত্যার প্রতিবাদে ভারতের সব পণ্য বর্জন করার ঘোষণাও দেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর