শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২০
শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় ধাপে ধাপে খোলা হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: প্রধানমন্ত্রী
৩১মে,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছন, আত্মবিশ্বাস নিয়ে মহামারি করোনাভাইরাস দুর্যোগ মোকাবিলা করতে হবে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় ধাপে ধাপে খোলা হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। রোববার (৩১ মে) সকাল ১১টায় গণবভনে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ফলের অনুলিপি তুলে দেয়া হয়। সেখানে ফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। সকাল ১১ টায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে শিক্ষাবোর্ডের সার্ভার থেকে এসএমএসের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ফল জানিয়ে দেয়া হচ্ছে। মোবাইলে ফল পেতে SSC লিখে একটি স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০২০ লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রি-রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন বলে জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে। আর এতে খরচ হবে ২ টাকা ৫৫ পয়সা। ফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে প্রি-রেজিস্ট্রেশন করা শিক্ষার্থীদের মোবাইল নম্বরে ফলাফল পৌঁছে যাচ্ছে। এছাড়া নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকেও ফল জানা যাবে। ফল প্রকাশের দিন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানগুলোর অফিস বন্ধ রাখতে বোর্ডগুলোর পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এ বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। গত কয়েক বছর ধরে পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে এসএসসি পরীক্ষার ফল ঘোষণা করা হলেও এবার করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে তা সম্ভব হয়নি। আর প্রতিবার ফলাফল নিয়ে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী। কিন্তু এবার তা হয় নি।
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৮২.৮৭
৩১মে,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ২০২০ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। এবার সম্মিলিত পাসের হার ৮২ দশমিক ৮৭। প্রকাশিত ফলাফলে যশোরে পাশের হার ৮৭.৩১%, ময়মনসিংহে ৮০.১৩%, বরিশালে ৭৯.৭০%, কুমিল্লা ৮৫.২২%, চট্টগ্রামে ৮৪.৭৫%, রাজশাহীতে ৯০.৩৭%, দিনাজপুরে ৮২.৭৩%। রোববার (৩১ মে) সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি জানান, আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে গড়ে ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। সবগুলো বোর্ডে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন মোট ২০ লাখ ৪০ হাজার ২৮ জন শিক্ষার্থী। যার মধ্যে ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৫২৩ জন শিক্ষার্থী পাস করেছে। এদিকে ভিডিও কনফারেন্সে এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রবিবার (৩১ মে) সকাল ১০টায় গণভবন থেকে এ ফল ঘোষণা করেন তিনি। এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ফল প্রকাশ করেছি। পরে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ফেসবুক লাইভে ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরেন। শিক্ষামন্ত্রী জানান, এসএমএস, প্রি-রেজিস্ট্রেশন এবং সংশ্লিষ্ট বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে ফল জানতে পারবে শিক্ষার্থীরা। এ বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় গত ৩ ফেব্রুয়ারি। লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২৭ ফেব্রুয়ারি। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা ২৯ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে শেষ হয় ৫ মার্চ। নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষা শেষ হওয়ার দুই মাসের মধ্যে ফল ঘোষণা করার কথা। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে ফল প্রকাশে কিছুটা বিলম্ব হলো। উল্লেখ্য, এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৯ জন পরীক্ষার্থীর। এরমধ্যে ছাত্র ১০ লাখ ২৪ হাজার ৩৬৩ জন এবং ছাত্রী ১০ লাখ ২৩ হাজার ৪১৬ জন। ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৯ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে শুধু এসএসসি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৪ লাখ ২২ হাজার ১৬৮ জন। এরমধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৪ লাখ ১৬ হাজার ৭২১ জন।
করোনার বিস্তাররোধে আরো স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
৩০মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের নভেল করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে আরো বেশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে এ কাজে সম্পৃক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। তিনি দেশের করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে গঠিত জাতীয় কারিগরি উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে এ আহ্বান জানান। গণভবনে আজ বেলা ১১টা থেকে ২টা পর্যন্ত এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বৈঠকের বিষয়ে জানান, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের বিস্তার রোধ করার পাশাপাশি করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের মেডিকেল সেবা প্রদানের জন্য বিভিন্ন নির্দেশনা দেন। দেশে করোনা ভাইরাসের বিস্তার কমিয়ে আনা এবং করোনায় আক্রান্তদের সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে গৃহীত পদক্ষেপ সমূহও বৈঠকে পর্যালোচনা করা হয়, বলেন তিনি। কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মাদ শহীদুল্লাহ, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, পিএমও সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলাম এবং কমিটির অন্যান্য সদস্যরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। দেশে করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে সরকার গত ১৯ এপ্রিল ১৭ সদস্য বিশিষ্ট জাতীয় কারিগরি উপদেষ্টা কমিটি গঠন করে। বাংলাদেশ মেডিকেল এবং ডেন্টাল কাউন্সিলের সভাপতি এবং জেষ্ঠ্য শিশু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মাদ শহীদুল্লাহকে কমিটির সভাপতি এবং রোগত্বত্ত, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনষ্টিটিউট (আইইডিসিআর) এর পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরাকে মহাসচিব করা হয়।
দু দফা ক্ষমতায় থেকেও বিএনপি জিয়া হত্যার বিচার না করা রহস্যজনক
৩০মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বেগম খালেদা জিয়া দু'দফা ক্ষমতায় থেকেও জিয়া হত্যার বিচার না করা রহস্যজনক বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। শনিবার (৩০ মে) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে সংক্ষিপ্ত মত বিনিময়কালে জিয়ার মৃত্যুবার্ষিকীতে বিএনপি মাজারে যায়, কিন্তু জিয়া হত্যার বিচার চায় না' - এ বিষয়ে মন্তব্য চাইলে মন্ত্রী এ কথা বলেন। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, জিয়াউর রহমানের স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দুই দফায় দশ বছর প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, আরো একবার বিতর্কিত নির্বাচনের মাধ্যমে এক মাসের বেশি ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রেখেছিলেন। এটি সত্যিই রহস্যজনক যে জিয়াউর রহমান হত্যার বিচার তিনি করলেন না। সে কারণে জনগণের মনেও এটি প্রশ্ন যে, জিয়া হত্যার বিচার করলে থলের বিড়াল বেরিয়ে যাবে, এজন্যই কি তিনি বিচার করেননি!' তিনি আরও বলেন, 'সরকারের সুদক্ষ ব্যবস্থাপনার কারণেই এখনো আশেপাশের দেশ ও ইউরোপ-আমেরিকার চেয়ে আমাদের দেশে করোনায় আক্রান্তদের মৃত্যুহার অনেক কম, কিন্তু রুহুল কবির রিজভী সাহেবসহ বিএনপি নেতারা যেভাবে কথাবার্তা বলছেন, তাতে মনে হয়, তারা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উপদেষ্টার দায়িত্ব পেয়েছেন।' বিএনপিকে আশেপাশের দেশসহ বিশ্বের দিকে তাকানোর অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, 'পাকিস্তানে করোনা সংক্রমণের হার আমাদের চেয়ে বেশি। ভারতে সংক্রমণ চীনকে ছাড়িয়ে গেছে। আর বেলজিয়ামে সংক্রমিতদের মৃত্যুহার ১৫ শতাংশ, ব্রিটেনে ১৪, যুক্তরাষ্ট্রে ৬, ভারতে ৩ দশমিক ২, পাকিস্তানে ২ এর বেশি আর আমাদের দেশে ১ দশমিক ৩৬ শতাংশ। আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা যদি ভালো না হতো, তাহলে মৃত্যুহার ভারত-পাকিস্তানের মতো বা তার চেয়ে বেশি হতো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সার্বক্ষণিক মনিটরিং ও সংশ্লিষ্ট সকলের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলেই আমরা মৃত্যুহার কমিয়ে রাখতে সক্ষম হয়েছি। বিএনপিকে অনুরোধ জানাবো, মিথ্যাচার না করে জনগণের পাশে এসে দাঁড়ান, আর আমাদের দুয়ার খোলা আছে, প্রয়োজনে আমাদের সাথে আপনারা একযোগে জনগণকে সহায়তা করার জন্য কাজ করতে পারেন', বলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। ড. হাছান আরো বলেন, 'যাদের প্রয়োজন সেইসব মানুষকে খুঁজে খুঁজে ত্রাণ দেয়া হচ্ছে। কেউ চায়নি, কিন্তু মোবাইলে আড়াই হাজার টাকা করে পৌঁছে গেছে, দাবি না থাকা সত্ত্বেও কওমী মাদ্রাসা ও মসজিদগুলোতে সহায়তা পৌঁছেছে। সাংবাদিক, শিল্পীসহ বিভিন্ন পেশার অসহায় মানুষের জন্য প্রধানমন্ত্রী সহায়তা দিচ্ছেন। আমি বিএনপি'কে একটু চক্ষু মেলিয়া আশেপাশের দেশে কোথাও এমন ত্রাণ ও সহায়তা দেয়া হয়েছে কি না দেখতে অনুরোধ জানাই। করোনা মহামারি মোকাবিলায় উহানে করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দেবার সাথে সাথে দেশের মানুষের সুরক্ষার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গতিশীল নেতৃত্ব ও সময়োপযোগী বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত সব শঙ্কা-আশংকা মিথ্যে প্রমাণ করেছে। করোনা সুরক্ষায় সরকারি ছুটি ঘোষণার পর থেকে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশে ইতিহাসের বৃহত্তম ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেন। সে কারণে গত দু'মাসের বেশি প্রায় সব কাজ বন্ধ থাকার পরও পরম সৃষ্টিকর্তার অনুগ্রহ আর আমাদের চেষ্টায় একজন মানুষও অনাহারে মৃত্যুবরণ করেনি। আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ড. রোকেয়া সুলতানা, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন ও উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান এসময় উপস্থিত ছিলেন।
১৫ জুন পর্যন্ত ভার্চুয়ালি চলবে হাইকোর্ট, ১১ বেঞ্চ গঠন
৩০মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সুপ্রিম কোর্টে ভার্চুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে শুনানির জন্য ১৫ জুন পর্যন্ত সময় বাড়িয়ে হাইকোর্ট বিভাগে ১১টি বেঞ্চ গঠন করেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। শনিবার (৩০ মে) এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশব্যাপী করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধকল্পে এবং শারীরিক উপস্থিতি ছাড়া ৩১ মে হতে ১৫ জুন পর্যন্ত আদালত কর্তৃক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ ২০২০ এবং কোর্ট কর্তৃক জারি করা প্র্যাকটিসের ডাইরেকশন অনুমোদন করতে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে শুধু ভার্চুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকার্য পরিচালনার জন্য প্রধান বিচারপতি বেঞ্চসমূহ (১১টি) গঠন করেছেন। গত ২৬ এপ্রিল বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতি সাধারণ ছুটিতে আদালত বন্ধ রেখে ভার্চুয়াল কোর্ট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়। এজন্য সুপ্রিমকোর্টের রুলস কমিটি পুনরায় গঠন এবং ভার্চুয়াল কোর্ট চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত প্রতিবন্ধকতা দূর করতে পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই দিন প্রথমবারের ভিডিও কনফারেন্সে প্রধান বিচারপতির সভাপতিত্বে ফুলকোর্ট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কনফারেন্সে সংযুক্ত ছিলেন সুপ্রিমকোর্টের উভয় বিভাগের ৮৮ জন বিচারপতি।
শনাক্ত দেড় হাজারের বেশি, মৃত্যু ২৮ জনের
৩০মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশে গেল ২৪ ঘণ্টায় আরও ১ হাজার ৭৬৪ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া এই সময়ের মধ্যে মারা গেছেন ২৮ জন। করোনাভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে (৩০ মে) দুপুরে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বুলেটিনে অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর থেকে আজ (৩০ মে) আমরা ১২ সপ্তাহ পার করলাম। এখন ৫০টি ল্যাবে দেশ করোনা ভাইরাসের পরীক্ষা চলছে। তিনি আরও বলেন, গেল ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৯ হাজার ৯৮৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৭৬৪ জনের। এছাড়া এই সময়ের মধ্যে মারা গেছেন ২৮ জন। তিনি আরও বলেন, দেশে গেল ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৩৬০ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৯ হাজার ৩৭৫ জন। এর আগে শুক্রবার দেশে ২ হাজার ৫২৩ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত ও ২১ জনের মৃত্যুর তথ্য দেয় অধিদপ্তর। করোনার এই পরিস্থিতির মধ্যেই রোববার (৩১ মে) থেকে খুলে যাচ্ছে সব অফিস-আদালত। এছাড়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবে গণপরিবহনও। অন্যদিকে বিশ্বে ৬০ লাখ ৪৫ হাজার ৩২৮ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে ৩ লাখ ৬৭ হাজার ১১১ জন মারা গেছেন অন্যদিকে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ২৬ লাখ ৭০ হাজার ৬২৭ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৩০ লাখ ৭ হাজার ৫৯০ জনের মধ্যে ৫৩ হাজার ৭৫৪ জনের অবস্থা গুরুতর।
৩০তম স্প্যানে দৃশ্যমান পদ্মা সেতুর ৪.৫ কিলোমিটার
৩০মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশব্যাপী করোনাভাইরাস সংক্রমণের মধ্যেও এগিয়ে চলেছে স্বপ্নের পদ্মা সেতু নির্মাণের কাজ। শনিবার সকালে সেতুর ৩০তম স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে ৬.১৫ কিলোমিটার পদ্মাসেতুর ৪.৫ কিলোমিটার দৃশ্যমান হয়েছে। পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান মো. আব্দুল কাদের জানান, শনিবার সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে সেতুর জাজিরা প্রান্তের ২৬ ও ২৭ নম্বর খুঁটির ওপর স্প্যানটি বসানো হয়। পদ্মা সেতুর ২৬ ও ২৭ নম্বর খুঁটি এলাকায় শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি ফেরি রুটের চ্যানেল এলাকায় ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, এ কারণেই এই দুটি খুঁটি নির্মাণে বিলম্ব হয়। ড্রেজিং করে পাশ দিয়ে চ্যানেল করে দিয়ে তবেই খুঁটি দুটি তৈরি করা হয়। মধ্য জুনে আরও একটি স্প্যান বসানো হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগামী ২০ জুন সেতুর ৩১তম স্প্যান বসনোর সিডিউল ঘোষণা করা হয়েছে। এটি বসবে ২৫ ও ২৬ নম্বর খুঁটিতে। নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, সেতুর ৩১তম স্প্যানটি স্থাপনের মধ্য দিয়ে পদ্মা সেতুটির সরাসরি জাজিরা প্রান্ত থেকে মাওয়ার অংশ স্পর্শ করবে এবং জাজিরার অংশে আর কোনো স্প্যান বাকী থাকছে না। আর মাওয়ার অংশে স্প্যান বসানো বাকি থাকছে ১০টি। তবেই সেতুর পূর্ণ অংশ অর্থ্যাৎ ৬.১৫ কিলোমিটার দৃশ্যমান হবে। প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে কাজ শুরু হওয়া ৬.১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটি দ্বিতল হবে। যার ওপর দিয়ে সড়কপথ ও নিচের অংশে থাকবে রেলপথ। মূলসেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদী শাসনের কাজ করছে চীনের সিনো হাইড্রো করপোরেশন।
ঢাকা-বরিশালসহ দক্ষিণ অঞ্চলের ৩৪টি জেলায় রবিবার থেকে লঞ্চ চলাচল শুরু
৩০মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় দুই মাস বন্ধ খাকার পর রবিবার থেকে দেশের দক্ষিণ অঞ্চলে ঢাকা-বরিশালসহ ৩৪টি জেলায় লঞ্চ ও স্টিমার চলাচল শুরু হতে যাচ্ছে। ঢাকার সদরঘাট এলাকায় দীর্ঘদিন অলস পড়ে থাকা লঞ্চ ও বিআইডব্লিউটিএর স্টিমারগুলো পরিষ্কার করে চলাচলের জন্য প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। গ্রীন লাইন ওয়াটার সার্ভিস ঢাকার লালকুঠি এলাকা থেকে রবিবার সকাল ৮টায় ঢাকা থেকে বরিশালের উদ্দেশে রওনা হবে। এরপর ঢাকা থেকে চাঁদপুর ও শরীয়তপুরগামী সকল লঞ্চ চলাচল শুরু হবে। বিকাল ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী ও পিরোজপুরের উদ্দেশে লঞ্চগুলো ঢাকা ত্যাগ করবে। এছাড়া সন্ধ্যা ৬টায় সরকারি স্টিমার মধূমতি বাদামতলী ঘাট থেকে বরিশাল, মোড়লগঞ্জ ও খুলনার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ন পরিচালক একেএম আরিফ উদ্দিন জানান, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী লঞ্চ মালিক ও নৌ পরিবহন মন্ত্রাণালয় এবং বিআইডাব্লুউটিএ যৌথভাবে লঞ্চ ও স্টিমার চালু করবে। এছাড়া ঢাকা, বরিশাল, চাঁদপুর, শরীয়তপুর, মুলাদী, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, ভান্ডারিয়া, খুলনা ও মোড়লগঞ্জসহ ৩৪টি নৌরুটে নিয়মিত যাত্রী সেবায় নৌযান চলাচল করবে বলেও জানান তিনি। এম ভি পারাবত লঞ্চ কোম্পানির মালিক শহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, করোনা মোকাবিলা ও এর বিন্তার রোধে যাত্রীদের দূরত্ব বজায় রাখার লক্ষ্যে ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অর্ধেক যাত্রী বহন করার জন্য লঞ্চের মাষ্টার ও ষ্টাফদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তবে ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়ে এখনও লঞ্চ মালিক ও নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেনি বলেও জানান তিনি।
করোনা: ১৯ হাজার কোটি টাকার ৪ প্রকল্প উঠছে একনেকে
৩০মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলমান করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা ও দেশ থেকে করোনাভাইরাস নির্মূলে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে যাচ্ছে সরকার। এ উদ্দেশে চারটি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হচ্ছে। শিগগির একনেকে উঠছে এ চার প্রকল্প। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, যে চারটি প্রকল্প একনেকে উঠতে যাচ্ছে তার মধ্যে দুটি সরাসরি করোনা রোগীর চিকিৎসায় ভূমিকা রাখবে। অন্য দুটি প্রকল্প দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। ফলে চারটি প্রকল্পই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে করোনা সংকট মোকাবিলায় ভূমিকা রাখবে। প্রকল্প চারটির মোট প্রস্তাবিত ব্যয় ১৮ হাজার ৭২০ কোটি টাকা। পরিকল্পনা সচিব মো. নূরুল আমিন সাংবাদিকদের জানান, জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে আগামী মঙ্গলবার (২ জুন) প্রকল্পগুলো উপস্থাপন করা হবে। গণভবন থেকে একনেকের ভার্চুয়াল সভায় সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা। করোনা ভাইরাস বিপর্যয়ে দেশের অর্থনীতি ও স্বাস্থ্যখাত। একদিকে নিম্ন আয়ের মানুষ ঘরবন্দি, অন্যদিকে হাসপাতালে বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা। তাই এ থেকে মুক্তি পেতে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে চারটি প্রকল্প অনুমোদন পেতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যেই সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির মধ্যেও একনেকে ওঠার বিশেষ অনুমোদন পেয়েছে প্রকল্পগুলো। সভায় করোনা সংকট মোকাবিলা সংক্রান্ত প্রকল্প ছাড়াও অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগেরও বেশকিছু প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হবে। রোববার (৩১ মে) একনেক বৈঠকে প্রকল্প উপস্থাপনের জন্য তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। জানা গেছে, দীর্ঘ আড়াই মাসেরও বেশি সময় পর এ একনেক বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আর ভার্চুয়াল একনেক সভা এটিই হবে প্রথম। মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল ১০টায় শুরু হবে এ সভা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও অর্থমন্ত্রী ও পরিকল্পনামন্ত্রী গণভবন থেকে সভায় অংশ নেবেন। বাকিরা সবাই সভায় অংশ নেবেন এনইসি সম্মেলন কক্ষ থেকে। পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, কোভিড-১৯ রেসপন্স অ্যান্ড ইমার্জেন্সি অ্যাসিসট্যান্স প্রকল্প এ একনেক সভায় উপস্থাপন করা হবে। প্রকল্পের আওতায় করোনা মোকাবিলায় সাড়ে তিন হাজার চিকিৎসক ও নার্সকে আধুনিক প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। প্রশিক্ষণের তালিকায় আছেন স্টাফরাও। পাশাপাশি যেসব হাসপাতালে করোনা চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে, সেগুলোতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভেন্টিলেটর স্থাপন করা হবে। ১৭টি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১৭টি আইসোলেশন সেন্টার ও ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটসহ ১৯টি ল্যাবরেটরি আপগ্রেড করা হবে। প্রকল্পটির মোট ব্যয় এক হাজার ২২৭ কোটি টাকা। এরমধ্যে ১০ কোটি ডলার দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। বাকি অর্থ সরকারি কোষাগার থেকে দেয়া হবে। এছাড়া কোভিড-১৯ ইমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড প্যানডেমিক রেসপন্স' নামে এক হাজার ৩৬৫ কোটি টাকার আরেকটি প্রকল্প উপস্থাপন করা হবে একনেকে। এই প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে ৮৫০ কোটি টাকা আসছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ঋণ থেকে। বাকি টাকা সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় হবে। এ প্রকল্পের আওতায় দেশের ১৭টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা ইউনিট দিয়ে সজ্জিত করা, অন্তত ১৯টি পরীক্ষাগারের সক্ষমতা ও গুণগত মানকে কোভিড-১৯ মাইক্রোবায়োালজিক্যাল ডায়াগনস্টিক সুবিধা দিয়ে উন্নত করা হবে। এছাড়া স্বাস্থ্যখাতের কমপক্ষে তিন হাজার ৫০০ জন কর্মীকে আধুনিক দক্ষতা এবং জ্ঞানের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সেইসঙ্গে পিসিআর মেশিন, পিসিআর ল্যাব, আইসিইউ, পিপিই ও মাস্ক কেনার কাজে এই প্রকল্পের টাকা খরচ করা হবে। এ ছাড়া, মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পটি সরকারের বিশেষ বিবেচনায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। সপ্তম পর্যায়ে প্রকল্প পেতে যাচ্ছে। নতুন করে প্রকল্পের মোট ব্যয় হবে তিন হাজার ১২৮ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। জুন ২০২০ থেকে ডিসেম্বর ২০২৪ মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। জেলা ও উপজেলা শিক্ষাকেন্দ্র, দারুল আরকাম মাদ্রাসা এবং রিসোর্স সেন্টারের কাযর্ক্রম চলমান রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় দেশের ৬৪টি জেলা, ৫০৫টি উপজেলা, থানা ও জোনে কাজ চলমান। ৩২ হাজার প্রাক-প্রাথমিক, ৪১ হাজার কোরআন শিক্ষা এবং ৭৬৮টি বয়স্ক কেন্দ্রসহ মোট ৭৩ হাজার ৭৬৮টি শিক্ষা কেন্দ্রের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা দেয়া হচ্ছে। বর্তমানে শিক্ষকদের মাসে সাড়ে চার হাজার টাকা বেতন দেয়া হচ্ছে। সামনে তা বাড়িয়ে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা করা হবে। প্রাক-প্রাথমিক, সহজ কোরআন শিক্ষা ও বয়স্ক শিক্ষা স্তরসহ মোট এক কোটি ১৮ লাখ ৯৩ হাজার ৯৫০ জনকে শিক্ষা দান করা হচ্ছে। আগ্রহী আলেমদের জন্য দ্বীন-দাওয়াত ভিত্তিক কর্মসংস্থান এবং সাক্ষরতার হার আরও বৃদ্ধিতে নতুনভাবে প্রকল্পটি অনুমোদন করা হবে। এদিকে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক কোটি ৪০ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য 'প্রাথমিক উপবৃত্তি (তৃতীয় পর্যায়)' প্রকল্পটির সংশোধনী বাস্তবায়নে সরকারি তহবিল থেকে ব্যয় হবে ১৩ হাজার কোটি টাকা। প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের বকেয়া অর্থ পরিশোধে জরুরি বিবেচনায় প্রকল্পটি একনেক সভায় উঠছে। প্রকল্পের আওতায় প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত উপবৃত্তির টাকা পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে। সেইসঙ্গে এবারই প্রথম জুতা, জামা ও স্কুল ব্যাগ কিনতে সব শ্রেণির প্রত্যেকের জন্য এককালীন এক হাজার টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। এই চারটি প্রকল্পই করোনা সংকট হটাতে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জাতীয় পাতার আরো খবর