মওদুদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা চলবে
১৪মে,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলার কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। ফলে তার বিরুদ্ধে বিচারিক আদালতে মামলাটি চলতে আর কোনো বাধা রইল না। এর আগে দুদকের মামলার কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে মওদুদ আহমদের করা আবেদন সরাসরি খারিজ করেন হাইকোর্ট। এ আদেশের বিপক্ষে আপিল করেন মওদুদ আহমদ। হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে মওদুদের এই আবেদন খারিজ করে মঙ্গলবার (১৪ মে) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। আদালতে মওদুদের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ। আর দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। গত ৮ এপ্রিল বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এসএম কুদ্দুস জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ মওদুদের আবেদন খারিজ করে দেন। পরে এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন তিনি। প্রসঙ্গত জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ৭ কোটি ৩৮ লাখ ৪৮ হাজার ২৮৭ টাকার সম্পদ অর্জন এবং ৪ কোটি ৪০ লাখ ৩৭ হাজার ৩৭৫ টাকার তথ্য গোপনের অভিযোগে মওদুদ আহমদের বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর গুলশান থানায় মামলা করে দুদক। এ মামলার কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ।
চলতি বছরেই ঢাকা-চীন রুটে ফ্লাইট চালু
১৪মে,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: অবশেষে চীনের বাণিজ্যিক নগরী গুয়াংজুতে ফ্লাইট চালু করতে যাচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। আগামী জুলাইয়ে বহুল প্রত্যাশিত এই ফ্লাইটের যাত্রা শুরুর পর অক্টোবরে চালু হবে সৌদি আরবের মদিনাগামী সরাসরি ফ্লাইট। ব্যবসায়ীরা বলছেন, গুয়াংজুতে সরাসরি ফ্লাইট চালু হলে অনেকটাই কমবে পণ্য আমদানি-রফতানির ব্যয় ও সময়। আর মদিনার ফ্লাইটে উপকৃত হবেন প্রবাসী শ্রমিক ও হজ যাত্রীরা। তবে দু'টি রুট লাভজনক করতে সেবার মান ও শিডিউল ঠিক রাখার তাগিদ দিয়েছেন তারা। বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার চীন। দেশটি থেকে বছরে প্রায় ১২০০ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করে বাংলাদেশ। চীনে রফতানি হয় বাংলাদেশের তৈরি পোশাকসহ বেশ কিছু পণ্য। বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই রুটে ফ্লাইট চালুর দাবিও দীর্ঘ দিনের। এর আগে কয়েকবার উদ্যোগ নিলেও সফল হয়নি বিমান। অবশেষে আগামী জুলাইয়ে ঢাকা-গুয়াংজু রুটে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে বিমানের ফ্লাইট। এছাড়া, প্রবাসী শ্রমিক ও ওমরাহ যাত্রীদের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে অক্টোবরে সৌদি আরবের মদিনায় ফ্লাইট চালু করবে সংস্থাটি। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক শাকিল মেরাজ বলেন, এই ফ্লাইট পরিচালনার জন্য আমরা চীন সরকারের কাছে আবেদন করেছিলাম। আমরা সেই অনুমোদন পেয়েছি। আগামী জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহ থেকে আমরা ঢাকা-গুয়াংজু রুটে ফ্লাইট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আগামী ২৭ অক্টোবর থেকে ঢাকা-মদিনা রুটে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করছি। ব্যবসায়ীরা বলছেন, গুয়াংজুতে সরাসরি ফ্লাইট চালু হলে সহজ হবে পণ্য আমদানি ও রফতানি, কমবে ব্যয়। আর মদিনা ফ্লাইটে ওমরাহ যাত্রীদের পাশাপাশি উপকৃত হবেন সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিকরা। তবে যাত্রী আকর্ষণে সাশ্রয়ী ভাড়া ও সেবার মান ঠিক রাখার আহ্বান তাদের। বাংলাদেশ ফ্রেইটফলওয়াডার অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক মোহাম্মদ বখতেয়ার বলেন, যদি ঠিকভাবে মার্কেটিং করতে পারে তবে ঢাকা-গুয়াংজু রুটের ফ্লাইট অবশ্যই লাভজনক হবে। দামের ক্ষেত্রে বর্তমান বাজার মূল্যের চাইতে কিছুটা সাশ্রয়ী হতে হবে। সদ্য চালু হওয়া নয়াদিল্লী ফ্লাইটসহ বর্তমানে ১৬টি আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করে বাংলাদেশ বিমান। গুয়াংজু ও মদিনায় ফ্লাইট চালু হলে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ১৮টিতে।
নিহত ২৭ বাংলাদেশির পরিচয় মিলেছে
১৪মে,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে ২৭ জনের পরিচয় নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (বিডিআরসিএস)। এদের মধ্যে ২০ জনই বৃহত্তর সিলেটের। গত বৃহস্পতিবার রাতে তিউনিশিয়ায় উদ্ধার হওয়া ১৬ জনের মধ্যে ১৪ জন বাংলাদেশি। তাঁরা জানিয়েছেন, ডুবে যাওয়া নৌকাটিতে ৫১ জন বাংলাদেশি ছিল। এদিকে ওই নৌকার আরোহী বাংলাদেশিদের স্বজনরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ থেকে লিবিয়া হয়ে ইতালি পৌঁছে দেওয়ার জন্য দালালচক্র প্রথমে পাঁচ থেকে আট লাখ টাকা নিয়েছে। এরপর লিবিয়া নিয়ে তাঁদের নির্যাতন করে দেশ থেকে স্থানীয় চক্রের মাধ্যমে আরো আড়াই লাখ করে টাকা আদায় করেছে। গতকাল সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিডিআরসিএসের পারিবারিক যোগাযোগ পুনঃস্থাপন বিভাগের পরিচালক জাফর ইমাম শিকদার জানান, তিউনিশিয়া রেড ক্রিসেন্টের প্রাদেশিক প্রধান ড. মাঙ্গি সিলামের মাধ্যমে জীবিত চার বাংলাদেশির সঙ্গে ফোনালাপের মাধ্যমে পাওয়া তথ্যানুযায়ী নিহত ২৭ জনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। এ ছাড়া পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহগুলো গতকাল সকাল পর্যন্ত দুর্ঘটনাস্থলের কাছাকাছি নেভি ক্যাম্পে ছিল। বিডিআরসিএস জানায়, নিহতরা হলেন সিলেটের মনির, জিল্লুর রহমান ও কাসিম আহমেদ, ফেঞ্চুগঞ্জের আয়াত, লিমন আহমেদ, আব্দুল আজিজ ও আহমেদ, দক্ষিণ সুরমার জিল্লুর, হাউড়তোলার আমাজল, বিশ্বনাথের খোকন, রুবেল ও বেলাল, গোলাপগঞ্জের মারুফ, বিয়ানীবাজারের রফিক ও রিপন, সুনামগঞ্জের মাহবুব নামে দুজন ও নাদিম, মৌলভীবাজার কুলাউড়ার শামিম, বাইল্যাহারের ফাহাদ, নোয়াখালীর চাটখিলের জয়াগ গ্রামের নাসির, ঢাকার টঙ্গীর কামরান, কিশোরগঞ্জের জালাল উদ্দিন ও আল-আমিন, মাদারীপুরের সজীব ও শরীয়তপুরের পারভেজ ও কামরুল আহমেদ মারুফ প্রমুখ। নৌকাডুবি থেকে বেঁচে যাওয়া শিশির বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিকে ফোনে জানান, বেঁচে যাওয়া ছয়জনের বাড়ি শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার চারুগা গ্রামে। তাঁরা হলেন, রাজীব, উত্তম, পারভেজ, রনি, সুমন ও জুম্মান। এদিকে নৌকাডুবিতে নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যরা উৎকণ্ঠায় আকুল। নিখোঁজদের মধ্যে শরীয়তপুরের চারজন রয়েছেন। তাঁরা হলেন নড়িয়া উপজেলার ভূমখাড়া ইউনিয়নের পাটদল গ্রামের মৃত হাসেম মোল্যার ছেলে সুমন মোল্যা (২৬), দক্ষিণ চাকধ গ্রামের গৌতম দাসের ছেলে উত্তম দাস (২৩), হারুন হাওলাদারের ছেলে জুম্মান হাওলাদার (১৯) ও চাকধ গ্রামের মোর্শেদ আলী মৃধার ছেলে পারভেজ মৃধা (২২)। ডুবে যাওয়া নৌকার আরোহী দক্ষিণ চাকধ গ্রামের আলাউদ্দিন মকদমের ছেলে শিশির মকদম (২২) ও শিশিরের মামা নলতা গ্রামের মিন্টু মিয়া (৩০) তিউনিশিয়ার একটি আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছেন বলে জানিয়েছে পরিবার। ওই যুবকরা গত বছর রমজান মাসে সময় স্থানীয় ‘মানবপাচারকারী’ কেদারপুর গ্রামের আক্কাছ মাদবরের সঙ্গে লিবিয়া যায়। নিখোঁজ যুবকদের পরিবারের সদস্যরা জানান, আক্কাছ মাদবরের সঙ্গে ওই যুবকদের চুক্তি হয় লিবিয়া পৌঁছে দেওয়ার জন্য। লিবিয়া পৌঁছে দিতে প্রত্যেকের কাছ থেকে চার লাখ ৭০ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে। এরপর লিবিয়া থেকে ইতালি পৌঁছে দেওয়ার জন্য মাদারীপুরের আলাল হোসেন নামে এক দালালের সঙ্গে ওই যুবকদের চুক্তি হয়। এ জন্য তাদের জনপ্রতি দুই লাখ ৭০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। আলাল হোসেন ওই যুবকদের ইতালি পৌঁছে দেওয়ার জন্য নৌকায় তুলে দেয়। নিখোঁজ জুম্মান হাওলাদারের বাবা হারুন হাওলাদার বলেন, জমি বিক্রি করে গত রমজান মাসে দালাল আক্কাছ মাদবরের কাছে পাঁচ লাখ টাকা দেই। এক মাসের মধ্যে ইতালি পৌঁছে দেওয়ার কথা। এরপর লিবিয়া থেকে ছেলে মাঝে মাঝে ফোন করে জানাত দালালরা ওদের টাকার জন্য নির্যাতন করছে। এরপর আবার আড়াই লাখ টাকা পাঠাইছি। এখন আমার ছেলেটাই সাগরে ডুবে গেল। হটলাইন চালু : নৌকাডুবিতে নিহত ও জীবিত বাংলাদেশিদের তথ্য আদান-প্রদানের জন্য বিডিআরসিএস দুটি হটলাইন চালু করেছে। হটলাইন নম্বর দুটি হলো +৮৮-০২-৪৯৩৫৪২৪৬ ও ০১৮১১৪৫৮৫২১। এ ছাড়া ৪৯৩৫৪২৪৬ নম্বরে অফিস চলাকালীন প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত এবং ০১৮১১৪৫৮৫২১ নম্বরটি ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে বলে জানিয়েছে রেড ক্রিসেন্ট কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, জাতীয় সদর দপ্তর, ৬৮৪-৬৮৬, বড় মগবাজার অথবা ৬৪টি জেলা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটে আহত ও নিহতের স্বজনরা সরাসরি যোগাযোগ করে তথ্য সংগ্রহ ও রেড ক্রিসেন্টের সেবা নিতে পারবেন।
২৮ মে জাপান ও সৌদি সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
১৪মে,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাপান ও সৌদি আরব সফরে যাচ্ছেন আগামী ২৮ মে। প্রথমে জাপান, এর পর সৌদি আরব সফর করবেন তিনি। এ ছাড়া তৃতীয় আরও একটি দেশে প্রধানমন্ত্রী সফরে যেতে পারেন বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। সূত্র জানায়, জাপান ও সৌদি আরবের সফরসূচি চূড়ান্ত হয়েছে। তৃতীয় দেশে সফর চূড়ান্ত করার ব্যাপারে আলাপ-আলোচনা চলছে। তৃতীয় দেশের সফর চূড়ান্ত হলে ঈদের পর দেশে ফেরার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সূত্রটি আরও জানায়, আগামী ২৮ মে জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন প্রধানমন্ত্রী। ২৯ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের কথা রয়েছে। এ বৈঠকে বাংলাদেশকে জাপানের ২২০ কোটি মার্কিন ডলার সহায়তা দেয়ার বিষয়ে একটি চুক্তি সই হতে পারে। এ ছাড়া টোকিওতে ৩০ ও ৩১ মে অনুষ্ঠিতব্য দুদিনব্যাপী ফিউচার অব এশিয়া সম্মেলনে অংশ নেবেন শেখ হাসিনা। জাপান সফর শেষে ৩০ মে সৌদি আরব রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি ৩১ মে অনুষ্ঠিতব্য ওআইসি শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেবেন। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী ওমরাহ পালন করবেন। তৃতীয় আর একটি দেশে সফর চূড়ান্ত হলে সৌদি আরব থেকে ওই দেশে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। তবে তা হবে ব্যক্তিগত সফর। তৃতীয় দেশের সফর চূড়ান্ত হলে প্রধানমন্ত্রী ঈদের পর দেশে ফিরবেন বলে সূত্রে জানা গেছে।
আগামী ১১ জুন বাজেট অধিবেশন শুরু
১৩মে,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ১১ জুন মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশন ডেকেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। এ দিন বিকেল ৫টায় বসবে অধিবেশনটি। সোমবার (১৩ মে) জাতীয় সংসদের জনসংযোগ অধিশাখা-১ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এটি চলমান একাদশ সংসদের তৃতীয় অধিবেশন। এর আগে দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু হয়েছিল ২৪ এপ্রিল। মাত্র পাঁচ কার্যদিবস চলা এ অধিবেশন শেষ হয় ৩০ এপ্রিল। সংবিধান অনুযায়ী একটি অধিবেশন শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে আরেকটি অধিবেশন আহ্বানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। জানা গেছে, আগামী ১৩ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। আসছে বাজেট আওয়ামী লীগ সরকারের তৃতীয় মেয়াদের প্রথম বাজেট। এ বাজেটে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দুইদিকে সমান গুরুত্ব দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নির্বাচনী ইশতেহার আর অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে আয়-ব্যয় তথা প্রবৃদ্ধির সুষম বণ্টনে বিশেষ নজর দেয়া হচ্ছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরের নতুন বাজেটের আকার কিছুটা বাড়িয়ে পাঁচ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকার বাজেট হচ্ছে। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদন দেয়ার আগে এর আকারেও পরিবর্তন আসতে পারে।
দেশে তামাকসেবী ৩ কোটি ৭৮ লাখ
১৩মে,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম তামাকপণ্য সেবনে স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক ও ফুসফুসে ক্যানসার হতে পারে বলে মনে করে দেশের ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ মানুষ। গণমাধ্যমে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট বিজ্ঞাপন দেখে থাকে জনগোষ্ঠীর প্রায় অর্ধেক। এর পরও দেশের প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ৩৫ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ তামাক সেবন করে থাকেন। পুরুষদের ৪৬ শতাংশই সিগারেট, বিড়ি, জর্দ্দা বা অন্য কোনো তামাকজাত প্যণ সেবন করছেন। নারীদের ক্ষেত্রে এ হার ২৫ দশমিক ২০ শতাংশ। এ খাতে বছরে ব্যয় হচ্ছে ১৭ হাজার ৪৪২ কোটি টাকা। বছরে তামাকের চাহিদা বাড়ছে প্রায় ১৪ শতাংশ হারে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ গ্লোবাল এডাল্ট টোব্যাকো সার্ভে শীর্ষক জরিপের তথ্য অনুযায়ী, দেশের প্রাপ্তবয়স্ক ৩ কোটি ৭৮ লাখ মানুষ তামাকসেবী। জরিপের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের ১৮ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক ধূমপানের নেশায় আসক্ত। সংখ্যার বিচারে প্রাপ্তবয়স্ক ধুমপায়ী ১ কোটি ৯২ লাখ। পুরুষদের ৩৬ শতাংশ ও নারীদের দশমিক ৮ শতাংশ ধূমপানে আসক্ত। এর মধ্যে দেড় কোটি প্রাপ্তবয়স্ক সিগারেট সেবন করে থাকেন। অবশিষ্ট ৫৩ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক বিড়ির নেশায় আসক্ত। ধোঁয়াযুক্ত তামাক তথা ধূমপানে পুরুষরা এগিয়ে থাকলেও ধোঁয়াবিহীন তামাকে দেশের নারীরাই এগিয়ে আছে বলে প্রতিবেদনটিতে উঠে এসেছে। এতে বলা হয়েছে, দেশের ২০ দশমিক ৬০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ ধোঁয়াবিহীন তামাক ব্যবহার করে থাকেন। সংখ্যার বিচারে অধূমপায়ী তামাকগ্রহীতা ২ কোটি ২০ লাখ। পুরুষদের ১৬ দশমিক ২০ শতাংশ ও নারীদের ২৪ দশমিক ৮০ শতাংশই ধোঁয়াবিহীন তামাকসেবী। এ বিষয়ে জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোল্লা ওবায়দুর্লাহ বাকী বলেন, ক্যানসার রোগের প্রধান কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম তামাক সেবন। এ ছাড়াও তামাকের কারণে বেশ কিছু জটিল রোগের সৃষ্টি হতে পারে। ধূমপান প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ আরো জোরদার করতে হবে। এছাড়া এ-সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন কঠোরভাবে প্রয়োগেরও পরামর্শ দিয়েছেন এ ক্যানসার বিশেষজ্ঞ।
ওয়াসার পানি পরীক্ষার প্রতিবেদন না পেয়ে হাইকোর্টের ক্ষোভ
১৩মে,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আদালতের নির্দেশের পরও ঢাকা ওয়াসার কোন কোন এলাকার পানি সবচেয়ে বেশি অনিরাপদ তা পরীক্ষায় করে প্রতিবেদন না দেওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ঢাকা ওয়াসার পানি পরীক্ষায় যে অর্থ খরচ হবে, তা নির্ধারণ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে বুধবারের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এ সংক্রান্ত এক রিটের শুনানিকালে সোমবার বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আজ ঢাকা ওয়াসার অনিরাপদ পানি পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু ওয়াসার পক্ষ থেকে বলা হয়, ঢাকা ওয়াসার পানি পরীক্ষায় প্রচুর অর্থের প্রয়োজন। এতে অসন্তোষ প্রকাশ করে আদালত বলেন, ঢাকা ওয়াসার ১১টি পানির জোন রয়েছে। প্রত্যেকটি থেকে দুই বোতল পানি নিয়েই তো পরীক্ষা করা যায়। কিন্তু কোনো কথাই শুনছে না স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। তারা (স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়) হাইকোর্টকে হাইকোর্ট দেখাচ্ছে। আদালতে রিটকারী আইনজীবীর কাছে অনিরাপদ পানি সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত বেশ কিছু প্রতিবেদন আদালতের কাছে তুলে ধরা হয়। ওই সব প্রতিবেদনে ঢাকার ১৬টি এলাকার ওয়াসার পানি ব্যবহারের একেবারে অনুপযোগী বলে তথ্য উঠে আসে। এরপর পানি পরীক্ষায় যে অর্থ খরচ হবে, তা প্রতিবেদন আকারে দাখিলের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। তখন ওয়াসার পক্ষ থেকে খরচ সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলে সাত দিন সময় চাওয়া হয়। পরে খরচ সংক্রান্ত প্রতিবেদন আগামী বুধবারের মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে সতর্ক করে দিয়ে আদালত বলেন, বুধবারের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল না করলে অতিরিক্ত সচিবকে তলব করা হবে। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মো. তানভীর আহমেদ। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু। এক রিট আবেদনের পর গত বছরের ৬ নভেম্বর রাজধানী ঢাকায় পাইপের মাধ্যমে সরবরাহ করা ওয়াসার পানি পরীক্ষার জন্য পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। কমিটিকে পানি পরীক্ষা করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়।
ঈদে যুক্ত হচ্ছে ১২ স্পেশাল ট্রেন
১৩মে,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরে ঘরমুখী মানুষকে পৌঁছে দিতে বাংলাদেশ রেলওয়েতে যুক্ত হচ্ছে ১২টি স্পেশাল ট্রেন। ৩৩টি আন্তঃনগর ট্রেনের সঙ্গে এবার এই বহর যুক্ত হবে। এছাড়া বিদ্যমান ট্রেনগুলোতে ১৩৮টি যাত্রীবাহী বগিও সংযুক্ত করা হবে। রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২২ থেকে ২৬ মে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা হবে। ঈদ ফিরতি টিকিট বিক্রি হবে ২৯ মে থেকে ২ জুন। এবার ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনসহ (কমলাপুর) ঢাকার মোট পাঁচটি জায়গা থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা হবে। অন্য চারটি স্পট হচ্ছে বিমানবন্দর রেলস্টেশন, তেজগাঁও, বনানী ও ফুলবাড়িয়া। এছাড়া ৫০ শতাংশ টিকিট অনলাইনে বিক্রি হবে। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: মোফাজ্জেল হোসেন জানিয়েছেন, ৫ জুন ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ধরে আগাম টিকিট বিক্রির সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। আর যে পাঁচটি স্পট থেকে আগাম টিকিট বিক্রি হবে সেই স্থানগুলো আগে থেকেই রেডি করে প্রস্তুত করা হচ্ছে, যাতে আগতরা কোনও ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই টিকিট কাটতে পারেন। রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২২ মে ৩১ মের, ২৩ মে ১ জুনের, ২৪ মে ২ জুনের, ২৫ মে ৩ জুনের এবং ২৬ মে ৪ জুনের আগাম টিকিট বিক্রি করা হবে। কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ২৩টি কাউন্টার খোলা হবে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে টিকিট বিক্রি শুরু হবে। এ ছাড়া আগামী ২৯ মে ৭ জুনের, ৩০ মে ৮ জুনের, ৩১ মে ৯ জুনের, ১ জুন ১০ জুনের ও ২ জুন ১১ জুনের ফিরতি টিকিট বিক্রি হবে। কমলাপুর, রাজশাহী, খুলনা, রংপুর, দিনাজপুর ও লালমনিরহাট রেলওয়ে স্টেশন থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় এ টিকিট বিক্রি করা হবে। এ ছাড়া ঘরে বসে ঈদে ট্রেনের টিকিট সংগ্রহ করতে গত ২৮ এপ্রিল কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে ঈদের টিকিট কাটার নতুন অ্যাপস উদ্বোধন করা হয়েছে। এ অ্যাপসের মাধ্যমে ঘরে বসে ৫০ শতাংশ টিকিট সংগ্রহ করা যাবে। বাকি ৫০ শতাংশ সংগ্রহ করতে হবে কাউন্টার থেকে।
৫ বছর পর আবারও ঢাকা-দিল্লি রুটে যাত্রা শুরু হচ্ছে বিমান বাংলাদেশের
১৩মে,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রায় ৫ বছর পর বিমান বাংলাদেশের আবারও ঢাকা-দিল্লি-ঢাকা রুটে যাত্রা শুরু হচ্ছে। আজ সোমবার থেকে এই রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস আবারও ফ্লাইট চালু হবে। ফ্লাইটের উদ্বোধন করবেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী। একমাত্র বিমান বাংলাদেশই এই রুটে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা করতে যাচ্ছে। ২০১৪ সালের ২৩ আগস্ট থেকে বিমান এই রুটে ফ্লাইট বন্ধ করে দেয়। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে তিন দিন যথাক্রমে সোমবার, বৃহস্পতিবার ও শনিবার ১৬২ আসনের বোয়িং ৭৩৭-৮০০ উড়োজাহাজ দিয়ে এই রুটে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা করবে জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ঢাকা হতে বিকেল ৩টায় ফ্লাইটটি ছেড়ে দিল্লিতে ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে পৌঁছাবে। আবার দিল্লির স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে ফ্লাইটটি ছেড়ে ঢাকায় অবতরণ করবে রাত ৯টা ২০ মিনিটে। ঢাকা-দিল্লি-ঢাকা রুটে রিটার্ন টিকেট এক মাস মেয়াদে ইকোনমি ক্লাসের ক্ষেত্রে ট্যাক্স ব্যতীত সর্বনিম্ন ৩০০ ইউএস ডলার এবং এক বছর মেয়াদী টিকেটের ক্ষেত্রে ট্যাক্স ব্যতীত সর্বনিম্ন ৩২০ ইউএস ডলার ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই ফ্লাইটের উদ্বোধন উপলক্ষে বিমান ব্যবস্থাপনা এই রুটের টিকেটের উপর ১৫ শতাংশ উদ্বোধনী ছাড় ঘোষণা করছে। আগামী ৩০ মে ২০১৯ -এর মধ্যে যারা টিকেট ক্রয় করবেন তারা এই ছাড়ের সুযোগ গ্রহণ করতে পারবেন।