সোমবার, জুলাই ৬, ২০২০
বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের জন্য ফাঁসির মঞ্চ ও জল্লাদ প্রস্তুত
১০এপ্রিল,শুক্রবার,আহাম্মদ হোসেন ভুইয়া,নিউজ একাত্তর ডট কম: কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ফাঁসির মঞ্চটি সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রস্তুত রয়েছে জল্লাদের একটি দল। যেকোনো সময় কার্যকর হতে পারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদের ফাঁসি। দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, শনিবার অথবা রোববার ফাঁসি কার্যকরের সম্ভাবনা বেশি। এর আগে বুধবার রাতেই রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো তার প্রাণভিক্ষার আবেদনটি নাকচ করা হয়। গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল বৃহস্পতি বা শুক্রবার কার্যকর হতে পারে ফাঁসির দণ্ডাদেশ। তবে শেষ মুহূর্তে আর কার্যকর করা হয়নি। কারা সূত্র জানায়, প্রাণভিক্ষার আবেদন রাষ্ট্রপতি বাতিল করে দেওয়ার পর সেই চিঠিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে এসে পৌঁছে। কারাবিধি অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম চলবে। তবে বৃহস্পতিবার রাতে শবে বরাতের কারণে ফাঁসি কার্যকর হচ্ছে না। এছাড়া শুক্রবারও ফাঁসি কার্যকরের কোনো সম্ভাবনা নেই। এরপরের দুদিন যেকোনো সময় ফাঁসি কার্যকর করা হতে পারে। মঞ্চের প্রস্তুতির বিষয়ে সূত্র জানায়, কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে এখন পর্যন্ত কোন ফাঁসি কার্যকর হয়নি। তবে মঞ্চটি সবসময় প্রস্তুত থাকে। সম্প্রতি নতুন করে ধোয়ামুছা করা হয়েছে। এতে যেকোনো সময় ফাঁসি কার্যকর করা যাবে। ফাঁসির বিষয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ইকবাল কবির চৌধুরীকে ফোন দেয়া হলে তিনি এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আবদুল মাজেদের প্রাণভিক্ষার আবেদন নাকচ করে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। প্রাণভিক্ষার আবেদন বাতিল হয়ে যাওয়ায় ফাঁসির আদেশ কার্যকরে আর কোনো বাধা থাকলো না। এখন পরবর্তী প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তার ফাঁসির দণ্ড কার্যকর করা হবে। এর আগে ২৩ বছর ধরে পলাতক আবদুল মাজেদকে সোমবার মধ্যরাতে মিরপুর থেকে গ্রেফতার করে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। পরদিন মঙ্গলবার দুপুরে মাজেদকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করে সিটিটিসি। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক। পরদিন বুধবার মৃত্যুর পরোয়ানা পড়ে শোনানোর পর সব দোষ স্বীকার করে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চান আবদুল মাজেদ। পরে প্রাণভিক্ষার আবেদনটি নাকচ করে দেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৬ জন,নতুন আক্রান্ত ৯৪,মোট আক্রান্ত ৪২৪
১০এপ্রিল,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৯৪ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪২৪। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরও ৬ জন। মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২৭ জনে শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে করোনা ভাইরাস নিয়ে নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আইইডিসিআর পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা। এরআগে গতকাল বৃহস্পতিবার আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১১২ জন। দেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত (কোভিড-১৯) প্রথম রোগী শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। এরপর ১৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। মহামারি করোনাভাইরাসে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা এখন প্রায় ৯৬ হাজার। শুক্রবার এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এ সংখ্যা এখন ৯৫ হাজার ৭২২ জন। আর আক্রান্তের সংখ্যা এখন ১৬ লাখ ৩ হাজার ৭১৯ জন। প্রাণহানিতে শীর্ষে অবস্থান করছে ইউরোপের কয়েকটি দেশ। এর মধ্যে ১৮ হাজার ২৭৯ জন নিয়ে প্রাণহানিতে এখনো শীর্ষে রয়েছে ইতালি। এ ছাড়া স্পেনে ১৫ হাজার ৪৪৭, ফ্রান্সে ১২ হাজার ২১০, যুক্তরাজ্যে ৭ হাজার ৯৯৭ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ১৬ হাজার ছাড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ প্রাণহানী হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে ১ হাজার ৯০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ফ্রান্সে ১ হাজার ৩৪১ জন এ রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। গত ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে ছড়িয়ে পড়ে এই ভাইরাস। দেশটি এখন করোনার সংক্রমণ অনেকটা নিয়ন্ত্রণে এনেছে। তবে আমেরিকা ও ইউরোপে এটা ভয়াবহভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির তথ্যমতে, শনাক্ত রোগীর সংখ্যা এখন সবচেয়ে বেশি যুক্তরাষ্ট্রে চার লাখ ৫৫ হাজার ৪৫৪। এর পরে আছে স্পেন এক লাখ ৫২ হাজার ৪৪৬।
সাধারণ ছুটি বাড়লো ২৫শে এপ্রিল পর্যন্ত
১০এপ্রিল,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে ২৬শে মার্চ থেকে দেশে সাধারণ ছুটি চলছে। এ ছুটি চতুর্থ দফায় আবারো বাড়ানো হয়েছে। ১৫ই এপ্রিল থেকে ২৫শে এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি থাকবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। আজ শুক্রবার এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে ২৬শে মার্চ থেকে ৪ঠা এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করে সরকার। পরবর্তীতে ১১ই এপ্রিল ও ১৪ই এপ্রিল পর্যন্ত দুই দফা ছুটির মেয়াদ বাড়ানো হয়। এদিকে সরকারের সাধারণ ছুটির পাশাপাশি সমানতালে বন্ধ রয়েছে দেশব্যাপি গণপরিবহন চলাচল। সে সঙ্গে দোকান মালিক সমিতিও মার্কেট ও সুপার মার্কেট বন্ধ রেখেছে।
নিঃশব্দে কেটে গেছে পবিত্র লাইলাতুল বরাত
১০এপ্রিল,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:নিঃশব্দে কেটে গেছে পবিত্র লাইলাতুল বরাত। বাসায় বাসায় হালুয়া রুটির আয়োজনও ছিল না। কোনো আতশবাজির শব্দও শোনা যায়নি। কারণটা সবার জানা। এক ভয়ঙ্কর রূপধারী ভাইরাস যার নাম নভেল করোনা (কোভিড-১৯)। এই ভাইরাসই সব লন্ডভন্ড করে দিয়েছে। প্রতি বছর শবে বরাত এলেই দেশব্যাপি মসজিদগুলোতে মুসল্লীদের আনাঘোনা। মুসলিম উম্মাহর কাছে দিনটি বিশেষ হওয়ায় বছরের অন্য দিনগুলোর চেয়ে শবে বরাতের রাতে মসজিদগুলোতে মুসল্লীদের ভিড় লেগে থাকে।শবে বরাতকে সামনে রেখে মসজিদগুলোর ফটকে গরীব মিসকিনদের অবস্থান নেয়ার চিত্রটাও নজর এড়ায় না। সারারাত ইবাদত শেষে মুসল্লীরা বাড়ি ফেরার পথে ২-৫টাকা দেবেন এমন আশায় তাদের রাতটাই কাটে মসজিদের ফটকে। কিন্তু এক করোনা ভাইরাস সব দৃশ্যপট বদলে দিয়েছে। সরকারিভাবে নির্দেশনার কারণে কোনো আয়োজন ছিল না মসজিদগুলোতে। দুই একটি মসজিদের ভেতরে ইমাম মুয়াজ্জিনসহ গোটা পাঁচেক মানুষ ছোট্ট পরিসরে মাহফিলের আয়োজন করতে দেখা গেলেও রাতভর ইবাদতের কোনো ব্যবস্থা রাখেনি মসজিদ কর্তৃপক্ষ।উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে গত ৬ই এপ্রিল দেশব্যাপি মসজিদে নামাজ আদায়ে বিধি নিষেধ আরোপ করে সরকার। এতে বলা হয় ওয়াক্তের নামাজে ইমামসহ ৫জন জামাতে অংশ নিতে পারবেন। আর জুমার নামাজে সর্বোচ্চ ১০জন। একই সঙ্গে গতকাল অনুষ্ঠিত শবে বরাতের ইবাদতও ঘরে করার আহ্বান জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশ (ইফা)।
জাতীয় অধ্যাপক সুফিয়া আহমেদের ইন্তেকাল
১০এপ্রিল,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:জাতীয় অধ্যাপক, ভাষা সংগ্রামী ড. সুফিয়া আহমেদ ইন্তেকাল করেছেন ( ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন ) । বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক সুফিয়া আহমেদ ছিলেন তত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদের স্ত্রী এবং বিচারপতি মুহাম্মদ ইব্রাহিমের কন্যা । ৫২র ভাষা আন্দোলনের এ সংগ্রামী মৃত্যুকালে এক ছেলে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ , এক মেয়ে ডা. রাইনা আহমেদ , জামাতা ব্যারিস্টার আনাতুল ফাতেহ এবং তিনজন নাতি নাতনি রেখে গেছেন ।
রহমতের এই রাত আমাদের জন্য শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের বার্তা বয়ে আনুক:প্রধানমন্ত্রী
0৯এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পবিত্র শবেবরাতের মাহাত্মে উদ্বুদ্ধ হয়ে মানব কল্যাণ ও দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। পবিত্র শবেবরাত উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এই আহ্বান জানান। বাণীতে প্রধানমন্ত্রী পবিত্র শবেবরাত উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল মুসলমানকে আন্তরিক মোবারকবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, মানবজাতির জন্য সৌভাগ্যের এই রজনী বয়ে আনে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের অশেষ রহমত ও বরকত। এ রাতে আল্লাহপাক ক্ষমা প্রদর্শন এবং প্রার্থনা পূরণের অনুপম মহিমা প্রদর্শন করেন।বাসস। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আসুন, সকল প্রকার অন্যায়, অনাচার, হানাহানি ও কুসংস্কার পরিহার করে আমরা শান্তির ধর্ম ইসলামের চেতনাকে ব্যক্তি, সমাজ ও জাতীয় জীবনের সকল স্তরে প্রতিষ্ঠা করি। তিনি বলেন, রহমতের এই রাত আমাদের জন্য শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের বার্তা বয়ে আনুক- এ প্রার্থনা করি। মহান আল্লাহতায়ালা আমাদের সকলকে হেফাজত করুন। আমিন।
পবিত্র শবেবরাতের রাতে ঘরে বসে আল্লাহর ইবাদত করতে রাষ্ট্রপতির আহ্বান
0৯এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে চলা ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তাই আসুন, আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হয়ে করোনা মোকাবিলা করি। পবিত্র শবেবরাতের রাতে নিজ নিজ ঘরে বসে আল্লাহর ইবাদত করতে তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আসুন আমরা প্রার্থনা করি পরম করুণাময় মহান আল্লাহ যেন বিশ্ববাসীকে এ মহামারি থেকে রক্ষা করেন। পবিত্র শবেবরাত উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি একথা বলেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, পবিত্র শবেবরাত মুসলমানদের জন্য মহিমান্বিত ও বরকতময় এক রজনী। এ উপলক্ষে আমি দেশবাসীসহ সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে জানাই আন্তরিক মোবারকবাদ। তিনি বলেন, মাহে রমজান ও সৌভাগ্যের আগমনী বারতা নিয়ে পবিত্র লায়লাতুল বরাত আমাদের মাঝে সমাগত। উপমহাদেশে শবেবরাত প্রধানত সৌভাগ্য রজনী হিসেবে পালিত হয়। মানবজাতিকে এই পবিত্র রজনী আল্লাহ্ তায়ালার বিশেষ অনুগ্রহ ও ক্ষমা লাভের অপার সুযোগ এনে দেয়। মো. আবদুল হামিদ বলেন, ইসলাম শান্তি ও কল্যাণের ধর্ম। মানুষের ইহকালীন কল্যাণ ও পরকালীন মুক্তির জন্য ইসলামের সুমহান আদর্শ আমাদের পাথেয়। শবেবরাতের এই পবিত্র রজনীতে আমরা সর্বশক্তিমান আল্লাহর দরবারে অশেষ রহমত ও বরকত কামনার পাশাপাশি দেশের অব্যাহত অগ্রগতি, কল্যাণ এবং মুসলিম উম্মাহর বৃহত্তর ঐক্যের প্রার্থনা জানাই। সৌভাগ্যমন্ডিত পবিত্র শবেবরাতের পূর্ণ ফজিলত আমাদের উপর বর্ষিত হোক। রাষ্ট্রপতি সারাবিশ্ব এখন নভেল করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে বিপর্যস্ত উল্লেখ করে বলেন, বিশ্বব্যাপী প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এ ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে এবং মৃত্যুবরণ করছে। বাংলাদেশও এই ভাইরাসের আক্রমণের শিকার। তাই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হচ্ছে দেশ ও দেশের জনগণকে করোনার ছোবল থেকে রক্ষা করা। আর এজন্য স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে চলা ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। সরকার ইতোমধ্যে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, পবিত্র শবেবরাত সকলের জন্য ক্ষমা, বরকত, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ বয়ে আনুক, মহান আল্লাহর দরবারে এ কামনা করি। মহান আল্লাহ আমাদের প্রার্থনা কবুল করুন।বাসস
গুজব ছড়ালে কঠোর ব্যবস্থা
0৯এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন,দেশ-বিদেশ যেখান থেকেই হোক, গুজব ছড়ালে অপরাধীদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে। তিনি আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীতে সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের সংবাদকক্ষে তথ্য মন্ত্রণালয়ের জরুরি সেবাদানকারী সংস্থাগুলোর প্রধান ও প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠকশেষে এ কথা বলেন। তথ্যসচিব কামরুন নাহার, প্রধান তথ্য অফিসার সুরথ কুমার সরকার, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক এস এম হারুন-অর-রশীদ, অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রচার) মো. মিজান উল আলমসহ তথ্য মন্ত্রণালয় ও এর জরুরি সংস্থাসমূহের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি যে, দেশে যখনই কোনো বিশেষ পরিস্থিতি বা দুর্যোগময় পরিস্থিতি তৈরি হয়, তখন কিছু মানুষ গুজব সৃষ্টি করে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে তারা জনগণের মধ্যে আতংক সৃষ্টি করে জনগণকে ভয়ার্ত করার অপচেষ্টা চালায় এবং একইসাথে একটি মহল এধরণের গুজব তৈরি করে সরকারকেও বেকায়দা ফেলার অপচেষ্টায় লিপ্ত থাকে। সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়গুলো গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং ইতোমধ্যেই অনেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, যারা এই কাজগুলো করবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সরকার বদ্ধপরিকর। একইসাথে আমাদের তথ্য অধিদফতর এই বিষয়গুলো নজরে রাখছে। আমাদের মন্ত্রণালয়ের যে গুজব প্রতিরোধ সেল রয়েছে সেই সেলের কর্মকর্তারাও আজকে এখানে আছেন। এবিষয়গুলো আজকে আমরা আলোচনা করেছি। দয়া করে কেউ গুজব তৈরির চেষ্টা করবেন না। বিদেশ থেকেও অনেক ধরণের গুজব তৈরি করা হচ্ছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান বলেন, বিদেশে যেসব বাংলাদেশী নানা কারণে অবস্থান করছেন তারা কিন্তু সবাই অত্যন্ত দেশপ্রেমিক। কিন্তু, তাদের মধ্যে কেউ কেউ যাদের দু’একজনকে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে, তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেশের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করা গুজব সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এদের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, তারা হয়তো মনে করছেন তারা বিদেশে আছেন বিধায় তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে। কিন্তু তারা বাংলাদেশের নাগরিক সুতরাং বাংলাদেশের নাগরিক যেখান থেকেই অপকর্ম করুন না কেন, সরকার আইনগতভাবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে এবং তা করবে। তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ দেশের সকল গণমাধ্যমকর্মীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আজকে যখন দেশের সমস্ত মানুষ ঘরের মধ্যে অবস্থান করছে, তারা এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও মানুষের কাছে সংবাদ পরিবেশন করার জন্য দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন, তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই। আমি সব সংবাদমাধ্যমের সম্মানিত কর্মকর্তা ও সাংবাদিক ভাইবোনদের অনুরোধ জানাবো যে, আমাদের লক্ষ্য হবে জনগণ যাতে সঠিক সংবাদ এবং সঠিক তথ্য পায়, সংবাদের কাটতির জন্য আমাদের কেউ যেন জনগণের মধ্যে আতঙ্ক বা বিভ্রান্তি তৈরি হয় এমন সংবাদ পরিবেশন না করে, বলেন তিনি। হাছান মাহমুদ এসময় দেশের ক্যাবল নেটওয়ার্ক পরিচালনাকারীদেরও ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, এখন মানুষ টেলিভিশন দেখছে, টেলিভিশনের মাধ্যমে তথ্য পাচ্ছে এবং আপনারা কেবল নেটওয়ার্ক সঠিকভাবে পরিচালনা করছেন এজন্য ধন্যবাদ জানাই। সেইসাথে আপনাদের অনুরোধ জানাই যাতে এই ক্যাবল নেটওয়ার্ক পরিচালনায় ব্যত্যয় না ঘটে। কোথাও ব্যত্যয় ঘটলে প্রশাসনের সহায়তা গ্রহণ করুন। সরকারের বেতার, টেলিভিশন, তথ্য অধিদফতর এবং গণযোগাযোগ অধিদফতর জরুরি সেবার অন্তর্ভূক্ত উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, সেজন্য অন্যান্য সরকারি এবং বেসরকারি অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও আমাদের এই প্রতিষ্ঠানগুলো চালু আছে এবং এসকল প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা সমস্ত প্রতিকূলতার মধ্যেও কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এজন্য আমি তাদের সবাইকেও ধন্যবাদ জানাই। বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের পাশাপাশি গণযোগাযোগ অধিদফতর ও তথ্য অধিদফতরের আঞ্চলিক বা মাঠ পর্যায়ে যারা কর্মরত, এ দুর্যোগে জনগণকে সঠিক তথ্য দিয়ে সহায়তা করতে তারা স্ব-স্ব অফিসে দায়িত্ব পালন করবেন বলে আজকের বৈঠকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।বাসস
দেশের বেসরকারি হাসপাতালগুলি ২৪ ঘন্টা সেবা দিতে প্রস্তুত
0৯এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:করোনা মোকাবেলায় সরকারি হাসপাতালগুলোর পাশাপাশি ২৪ ঘন্টা সেবা দিতে প্রস্তুত দেশের বেসরকারি হাসপাতালগুলি।বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানান বেসরকারি মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ।এসময় ডা. এনামুর রহমান বলেন, সারাদেশের ৬৯টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল ২৪ ঘণ্টাই সব ধরনের রোগীকে সেবা দেয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। এসব হাসপাতালের কয়েকটি করোনা রোগীদের সেবা দিতে নিবেদিত থাকবে। সব ধরনের রোগীদের সেবা দিতে প্রস্তুত রয়েছেন বেসরকারি ২০ হাজার ডাক্তার।

জাতীয় পাতার আরো খবর