একাদশ জাতীয় সংসদ অনন্য মাইলফলক: স্পিকার
৩১ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ৩০ ডিসেম্বর ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে জনগণ সরকারের প্রতি আস্থা রেখেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। আজ বৃহস্পতিবার সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন তিনি। বুধবার টানা তৃতীয়বারের মতো স্পিকার হিসেবে শপথ নেন শিরীন শারমিন। স্পিকার বলেন, গণতন্ত্রের অব্যাহত অগ্রযাত্রায় একাদশ জাতীয় সংসদ অনন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ ও সার্বিক কল্যাণে কাজ করবে সরকার। সরকারি ও বিরোধী দলের গঠনমূলক আলোচনা, সমালোচনা ও বিতর্কের মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্র আরও সুসংহত করতে নতুন সংসদ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করেন স্পিকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের বিস্ময়- এ কথা উল্লেখ করে শিরীন শারমিন বলেন, উন্নয়নকে কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে একাদশ সংসদ কাজ করে যাবে। সুশাসন নিশ্চিত করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মাধ্যমে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হবে। এ সময় নবনির্বাচিত ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া, চিফ হুইপ নূর ই আলম চৌধুরী, হুইপ মো. আতিউর রহমান আতিক, পঞ্চানন বিশ্বাস, ইকবালুর রহিম, মাহবুব আরা বেগম গিনি, সামশুল হক চৌধুরী এবং আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে স্বাধীনতার মহান স্থপতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান। পরে ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। এরপর চিফ হুইপ নূর ই আলম চৌধুরীর নেতৃত্বে হুইপ আতিউর রহমান আতিক, পঞ্চানন বিশ্বাস, ইকবালুর রহিম, মাহবুব আরা বেগম গিনি, সামশুল হক চৌধুরী এবং আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন।
শুক্রবার শুরু হচ্ছে একুশে গ্রন্থমেলা,উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
৩১ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: মাসব্যাপী অমর একুশে গ্রন্থমেলা আগামীকাল শুক্রবার শুরু হচ্ছে। বাংলা একাডেমি আয়োজিত এ মেলা চলবে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এবারের মেলার মূল থিম নির্ধারণ করা হয়েছে বিজয়: ১৯৫২ থেকে ১৯৭১, নবপর্যায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুক্রবার বিকেল ৩টায় প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলা একাডেমিতে এই মেলা উদ্বোধন করবেন। মেলা উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বাংলা একাডেমির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। বিশেষ অতিথি থাকবেন ভারতের কবি শঙ্খ ঘোষ, মিশরের লেখক ও গবেষক মোহসেন আল আরেশি। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখবেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. আবু হেনা মোস্তফা কামাল। স্বাগত বক্তব্য রাখবেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী। বৃহস্পতিবার সকালে বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে বক্তব্য রাখেন একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী, সচিব আবদুল মান্নান ইলিয়াস, মেলার সহযোগী প্রতিষ্ঠান নিরাপদ মিডিয়ার চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন প্রমুখ। মেলার সার্বিক বিষয় নিয়ে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন একাডেমির পরিচালক ও মেলা কমিটির সদস্য সচিব ড. জালাল আহমেদ। এতে জানানো হয়, এবারের মেলা বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ৩ লাখ বর্গফুট এলাকায় অনুষ্ঠিত হবে। মোট স্টল থাকছে ৭৭০টি। গত মেলার চেয়ে এবার ৫১টি স্টল বেড়েছে। প্যাভিলিয়ন রয়েছে ২৪টি। এছাড়া লিটন ম্যাগাজিন চত্বরে ১৫৫টি স্টল থাকবে। শিশুদের জন্য স্থাপন করা হয়েছে শিশু চত্বর। ছুটির দিন শুক্রবার ও শনিবার থাকবে শিশুপ্রহর। এতে শিশুরা অভিভাবকদের সাথে মেলা উপভোগ করবে। মেলা সুষ্ঠু ও নিরাপদভাবে পরিচালনা করার জন্য অন্যান্যবারের মতো Rab, পুলিশ, গোয়েন্দাসহ বিভিন্ন নিরাপত্তা কর্মীরা প্রহরায় থাকবে। পুরো মেলায় স্থাপিত হয়েছে তিন শতাধিক ক্লোজসার্কিট ক্যামেরা। মেলা থাকবে সম্পূর্ণ পলিথিন ও ধূমপানমুক্ত। মেলায় ২৫ ভাগ কমিশনে বই বিক্রি করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মেলা উপলক্ষে প্রতিদিন মূল মঞ্চে শিল্প-সাহিত্য, সংস্কৃতি, রাজনীতি, সমকালীন প্রসঙ্গে সেমিনার, বিশিষ্ট বাঙালি মনীষার জন্মশতবার্ষিকীর শ্রদ্ধাঞ্জলি এবং তাদের কর্মজীবন নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া সন্ধ্যায় থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে থাকবে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা। মেলার বই নিয়ে এবং স্টল সাজ-সজ্জার ওপর কয়েকটি পুরস্কার প্রদান করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে প্রথমবারের মতো মেলার লোগো উদ্বোধন করা হয়। স্থপতি এনামুল কবীর নির্ঝর ভাষা আন্দোলনের বিষয়কে নিয়ে লোগোটি তৈরি করেছেন। তিনি এবারের পুরো মেলাঙ্গনের নান্দনিক কাজ করেন বলে জানানো হয়। মেলায় টিএসসি ও দোয়ের চত্বর দিয়ে দুটি মূল প্রবেশপথ, বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে তিনটি পথ, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশ ও বাহিরের মোট ৬টি পথ থাকবে। বিশেষ দিনগুলোতে লেখক, সাংবাদিক, প্রকাশক, বাংলা একাডেমি ফেলো এবং রাষ্ট্রীয় সম্মাননাপ্রাপ্ত নাগরিকদের জন্য প্রবেশের বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে। মাসব্যাপী মেলা প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে। ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা চলবে। অন্যান্যবারের মতো এবারের মেলা আয়োজনে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি এবং বিকাশ সহায়তা করছে। আগামীকাল শুক্রবার বিকেলে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বিটিভি ও বাংলাদেশ বেতারসহ বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন সরাসরি সম্প্রচার করবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
ধর্ম, বর্ণ, জাতি, গোষ্ঠী নির্বিশেষে সবার সমান অধিকার রক্ষা করাই লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী
৩১ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ধর্ম, বর্ণ, জাতি, গোষ্ঠী নির্বিশেষে এ দেশের সব নাগরিকের সমান অধিকার রক্ষা করাই সরকারের লক্ষ্য বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (৩১ জানুয়ারি) সমতলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিশেষ এলাকার জন্য উন্নয়ন সহায়তা শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় উচ্চশিক্ষায় অধ্যয়নরত ৫০০ জন মেধাবী শিক্ষার্থীর হাতে বৃত্তির চেক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। কেউ নিজেকে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বা অবহেলিত ভাবলে চলবে না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ধর্ম, বর্ণ, জাতি, গোষ্ঠী নির্বিশেষে এদেশে সকলের সমান অধিকার থাকবে। আমরা সেটাই নিশ্চিত করতে চাই এবং সেটাই আমরা নিশ্চিত করব। এটাই আমাদের লক্ষ্য। সেদিকে আমরা দৃষ্টি দিচ্ছি। শেখ হাসিনা বলেন, 'সারা বাংলাদেশের সর্বশ্রেণির মানুষের উন্নয়ন আমরা চাই। এখানে বেদে, হিজড়া, চা শ্রমিক, দলিত শ্রেণি- সকলেরই ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। অর্থাৎ তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জন করা, সেই সঙ্গে তাদের সংস্কৃতির বিকাশ ঘটানো। শিক্ষা-দীক্ষায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সকল জনগোষ্ঠী যেন সমান সুযোগ পায়, কেউ যেন অবহেলিত না থাকে, কেউ যেন দূরে পড়ে না থাকে- এই হচ্ছে আমাদের লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, নিজেকে কিন্তু এটা মনে করলে চলবে না আমরা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বা আমরা অবহেলিত। সেটা কেউ ভাবলে চলবে না। সবাইকে ভাবতে হবে এদেশের নাগরিক সবাই এবং প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার। সবাই সমান অধিকার ভোগ করবে। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ২০ জন শিক্ষার্থী তাদের নিজস্ব সংস্কৃতির পোশাক পরে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে শিক্ষাবৃত্তির চেক নেন। এজন্য প্রধানমন্ত্রী তাদের প্রশংসাও করেন। 'আমার খুব ভালো লাগল আমাদের ছেলেমেয়েরা, যারা আমার কাছ থেকে বৃত্তির চেক বুঝে নিল, তারা প্রত্যেকে নিজ নিজ পোশাক পরিধান করে যে সুন্দরভাবে এসেছে, খুবই সুন্দর লেগেছে। ভালো লেগেছে। এই যে নিজস্ব স্বকীয়তা...কাজের প্রয়োজনে মানুষ পোশাক পরবে, কিন্তু নিজের সংস্কৃতি ও স্বকীয়তাও প্রয়োজন। তাতে মানুষ দেখতে পারে বৈচিত্র্যটা কত চমৎকার। নিজস্ব স্বকীয়তাটা ধরে রাখতে হবে। অনুষ্ঠানে ৫০০ জন শিক্ষার্থীকে ২৫ হাজার টাকা করে এক কোটি ২৫ লাখ টাকার বৃত্তির চেক দেয়া হয়। চলতি অর্থবছরে ২০০০ জন শিক্ষার্থীকে আরো পাঁচ কোটি টাকা বৃত্তি দেয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) মো. খলিলুর রহমান প্রমুখ।
৯ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন
৩১ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন। বৃহস্পতিবার (৩১ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইউনুস জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি এসেছে। সেখানে বলা আছে- স্থগিত হওয়া ভিটামিন এ ক্যাম্পেইন আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, এ দিন সারাদেশের শূন্য থেকে পাঁচ বছর বয়সী সব শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। আমরা শিগগিরই নোটিশ দিয়ে বিষয়টি সবাইকে জানিয়ে দেবো। এর আগে, গত ১৯ জানুয়ারি সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত সারা দেশে শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে ভারতের একটি কোম্পানি থেকে আমদানিকৃত ভিটামিন এ ক্যাপসুলের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ক্যাম্পেইন স্থগিত করে। পরে এ সংক্রান্ত একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এর আগে, গত ডিসেম্বরে এই ক্যাপসুল খাওয়ানোর কথা থাকলেও বার্ষিক পরীক্ষা, জাতীয় নির্বাচনসহ নানা কারণে তা পিছিয়ে যায়।
ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর ৫শ শিক্ষার্থীকে প্রধানমন্ত্রীর বৃত্তি প্রদান
৩১ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সমতলের ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীকে দেশের মূল ধারায় সম্পৃক্ত করতে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করছেন এমন ৫শ জনকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বৃত্তি দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তি তুলে দেন। অনুষ্ঠানে বৃত্তি প্রাপ্ত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীরা তাদের সহায়তার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে সরকারের সহযোগিতা কামনা করে। এসময় শিক্ষামন্ত্রীসহ বিদেশি বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি ও শিক্ষাবিদরা উপস্থিতি ছিলেন।
শ্রমিকদের অভিযোগ শুনতে নতুন আঙ্গিকে আজ চালু ৫ ডিজিটের হেল্পলাইন
৩১ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: শ্রমিকদের অভিযোগ শুনতে নতুন আঙ্গিকে আজ চালু হচ্ছে ৫ ডিজিটের হেল্পলাইন। দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে ভুক্তভোগী শ্রমিকরা বিনা খরচে হেল্পলাইনে তাদের সমস্যা বা অভিযোগ জানাতে পারবেন। ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে এই হেল্পলাইন। প্রাপ্ত অভিযোগ নিষ্পত্তি করতে শ্রমঘন ২৯ টি জেলায় কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে অভিযোগকারীদের চাকরি থাকার নিশ্চয়তা না থাকলে এই হেল্পলাইনের সুফল মিলবে না বলে মনে করেন শ্রমিক নেতারা। বেতন ও মাতৃত্বকালীন ছুটি না দেয়া, চাকরীচ্যুত এমন নানা অভিযোগের সমাধান না পেয়ে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা অনেক সময় রাজপথে নামেন। যা কখনো রূপ নেয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মতো সহিংসতায়। এই সঙ্কট নিরসনে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এই ডিজিটাল হেল্পলাইন। যা কাজ করবে ২৪ ঘণ্টা। যে কোন খাতের শ্রমিকরাই বিনা খরচে ১৬৩৫৭ নম্বরে ফোন করে জানাতে পারবেন তাদের কর্মস্থলের সমস্যার কথা। প্রাপ্ত অভিযোগ হেল্প লাইনের কর্মীরা জানিয়ে দেবেন সংশ্লিষ্ট জেলার মনিটরিং কমিটিকে। কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক বলেন, হেল্পের লাইনের রিসিভার রিসিভ করবেন। এরপর যে ২৯ কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়েছে। সেই সংশ্লিষ্ট এলাকার টিম প্রধানকে জানাবে, ওনি নিজে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করবেন। অথবা ওই এলাকার পরিদর্শককে বিষয়টি জানাবেন। এক সপ্তাহ আগে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়া হেল্পলাইনে ইতিমধ্যে আসছে কিছু অভিযোগ, যার অধিকাংশই পোশাক শিল্পের। হেল্পলাইন পরিচালনাকারীরা জানান, কল কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট জেলার পরিদর্শক বা কমিটির প্রধান দু পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে অভিযোগ নিষ্পত্তি করবেন। টেলি কনসাল্টের সিইও এজাজ বলেন, অভিযোগটা গ্রহণ করার পর আমরা কল-কারখানার পরিদর্শন অধিদপ্তরে অভিযোগটা পাঠিয়ে দিবো। এবং তাদের পরিদর্শকরা এটাকে ফলোআপ করবেন। এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবে। নতুন হেল্পলাইনকে স্বাগত জানিয়েছেন পোশাক শিল্প মালিকরা। এর আগে ২০১৫ সালে চালু করা পুরনো হেল্পলাইনে খুব একটা সাড়া মেলেনি। শ্রমিক নেতারা বলছেন, এই হেল্পলাইন কার্যকর করতে হলে অভিযোগকারী শ্রমিকদের যেন চাকরি না যায় সেটি নিশ্চিত করতে হবে। বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, 'প্রতিটা কলকারখানায় অভিযোগ রয়েছে। তারপরও এই হটলাইনটাকে আমরা মনে করি খুবই ভাল উদ্যোগ। যেহেতু অভিযোগ বক্সে অনেকে অভিযোগ করতে চান না। গার্মেন্টস শ্রমিক নেতা রনি বলেন, এটা যদি শ্রমিক সুবিধার্থে হয়, তাহলে মালিকদের সহযোগিতা করতে হবে। পাশাপাশি কোন শ্রমিকদের চাকরি না যায় সেটা নিশ্চিত করতে হবে। পুরনো হেল্পলাইনের নম্বর ছিল ১১ ডিজিটের। চার বছরে হেল্পলাইনে অভিযোগ করেছেন মাত্র ২ হাজার ৯০৮ জন শ্রমিক। এর মধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে ২ হাজার ৮১০টির।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবির ) ১৭ শিক্ষার্থী বহিষ্কার
৩১ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ১৭ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বুধবার (৩০ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান। রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজের তথ্য মতে জানা যায়, পৃথক ঘটনায় বিভিন্ন বিভাগের ১৭ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া গত ১৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ৩০৪ তম সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং মঙ্গলবার (২৯ জানুয়ারি) এ সংক্রান্ত একটি দাপ্তরিক আদেশ দেওয়া হয়েছে। দাপ্তরিক আদেশে বলা হয়, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ ৪৫ ব্যাচের ১৬ ছাত্রী ও একই বিভাগের ৪৩ ব্যাচের এক ছাত্রীর আনীত অশ্লীলতা ও নিপীড়নের ঘটনায় অভিযোগ কমিটির তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে একই বিভাগের ১১ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়েছে। এই ঘটনায় মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ ৪৫ ব্যাচের মো. নাঈম-ই-আক্তার, ইজাজ আহমেদ, মো. মেহেদী হাসান ও মো. ইকবাল হোসেনকে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বহিষ্কার ও ৫ হাজার টাকা আর্থিক দণ্ড করা হয়েছে। এই ঘটনায় একই বিভাগ ও ব্যাচের মো. সজিব হোসাইন, মো. আল-আমিন শৈশব, মো. আবু নাঈম ও জি এম তারিকুল ইসলামকে ৬ মাসের জন্য বহিষ্কার ও ৫ হাজার টাকা আর্থিক দণ্ড করা হয়েছে। এ ছাড়া একই বিভাগ ও ব্যাচের মো. শাহরিয়ার খানকে ৩ মাসের জন্য বহিষ্কার ও ৫ হাজার টাকা আর্থিক দণ্ড এবং নাহিদুল ইসলাম ও মো. ওমর ফারুককে ৩ মাসের বহিষ্কার করা হয়েছে। গত ৯ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় তিন শিক্ষার্থীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় মো. রিজওয়ান রাশেদ সোয়ান (নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ, ৪৭ ব্যাচ), কে. এম. মাহিদ হাসান (প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ, ৪৭ ব্যাচ) ও আহসানুজ্জামান শাওনকে (মার্কেটিং বিভাগ, ৪৭ ব্যাচ) সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আ ফ ম কামালউদ্দিন হলের ৩৩৫ নম্বর কক্ষে মাদক সেবনের ঘটনায় কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪২ ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. সাজ্জাদ হোসেন ও বাংলা বিভাগের ৩৯তম ব্যাচের মো. মইন উদ্দিনকে (জনি) ৬ মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়। এ ছাড়া নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের ৪৫ ব্যাচের এক ছাত্রীকে নিপীড়নের অভিযোগের বিষয়ে অভিযোগ কমিটির তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে একই বিভাগের ৪৩ ব্যাচের আজগর হোসেন রাব্বিকে ৩ মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।
বিটিআরসির নতুন চেয়ারম্যান হলেন জহুরুল হক
৩১ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. জহুরুল হক। তিনি বর্তমানে সংস্থাটির কমিশনার ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বুধবার (৩০ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে বিটিআরসির নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগের কথা জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২০২০ সালের ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাঁর এ নিয়োগ কার্যকর থাকবে। জহুরুল হক ২০১৫ সালের ৩০ আগস্ট বিটিআরসির কমিশনার হিসেবে যোগ দেন। ২০১৮ সালের ১২ মে কমিশনের তৎকালীন চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদের মেয়াদ শেষ হলে জহুরুল হক কমিশনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পান। একই বছরের ১১ সেপ্টেম্বর থেকে তিনি একাধারে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও কমিশনার (লিগ্যাল ও লাইসেন্সিং) হিসেবে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। অবসরপ্রাপ্ত দায়রা জজ জহুরুল হক ১৯৫৫ সালের ৫ ডিসেম্বর জামালপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৭১ সালে মাদারগঞ্জ উপজেলার পলিশা উচ্চবিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং ১৯৭৩ সালে জামালপুরের সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। এরপর তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে ১৯৮০ সালে সম্মান ডিগ্রি এবং ১৯৮১ সালে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন।
সরকারের সমালোচনায় বাধার মুখে পড়বে না বিরোধী দল: প্রধানমন্ত্রী
৩০ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকারের সমালোচনায় বাধার মুখে পড়বে না বিরোধী দল। একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনে এ কথা বললেন তিনি। বুধবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেল তিনটায় শুরু হওয়া অধিবেশনে প্রথমেই স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করা হয়। প্রথমে স্পিকার হিসেবে রংপুর-৬ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ড. শিরিন শারমীন চৌধুরীর নাম প্রস্তাব করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। পরে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় শিরিন শারমীন চৌধুরী তৃতীয়বারের মতো জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হন। পরে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আবদুল হামিদ শপথ পড়ান স্পিকারের। এরপর সংসদ সদস্যরা ডেপুটি স্পিকার হিসেবে গাইবান্ধার সাংসদ ফজলে রাব্বি মিয়াকে নির্বাচিত করেন। এ সময় সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ একাদশ জাতীয় সংসদ সদস্য ও মহাজোটের নির্বাচিত সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সন্ধ্যায় সোয়া ছয়টায় বক্তব্য রাখবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। তবে নির্বাচনে ভোটের ফল প্রত্যাখ্যান করে শপথ নেননি বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের আট নির্বাচিত। সংসদে নির্বাচিতরা সবাই যাতে সময় সুযোগ পায় সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে স্পিকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্রই একটি দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যায়। এটা আজ বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রমাণিত সত্য। আজ আমরা আর্থ সামাজিক উন্নয়নের পথে এগিয়ে গিয়ে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছি। তিনি আরো বলেন, এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ইনশাল্লাহ আমরা একটি ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গঠন করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করব। জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে এখানে আমরা দায়িত্ব পালন করব।

জাতীয় পাতার আরো খবর