মঙ্গলবার, আগস্ট ৪, ২০২০
অবৈধ অনুপ্রবেশের মামলায় জামিন পেলেও ৫৪ ধারায় কারাগারে সাংবাদিক কাজল
০৩মে,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নিখোঁজ সাংবাদিক কাজলকে অবৈধ অনুপ্রবেশের মামলায় জামিন দিলেও ৫৪ ধারার নতুন মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রোববার (৩ মে) দুপুর ৩টার দিকে তাকে যশোর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মঞ্জুরুল ইসলামের আদালতে আনা হয়। এরপর ৫টার দিকে শুনানি শেষে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এদিকে সাংবাদিক কাজলকে অমানবিকভাবে হাতকড়া পরিয়ে আদালতে আনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাংবাদিক ও আইনজীবীরা। গত ১০ মার্চ ঢাকা থেকে নিখোঁজ হন 'দৈনিক পক্ষকাল' পত্রিকার সম্পাদক শফিকুল ইসলাম কাজল। ১১ মার্চ শফিকুলের স্ত্রী জুলিয়া ফেরদৌসি নয়ন ঢাকার চকবাজার থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। প্রায় দুই মাস পর গতকাল গভীর রাতে বেনাপোলের রঘুনাতপুর বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা ভারত থেকে অবৈধ ভাবে প্রবেশের সময় তাকে আটক করে। এরপর আজ সকালে বিজিবি তাকে অবৈধ অনুপ্রবেশ আইনে মামলা দিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করে। দুপুর ৩টার দিকে কাজলকে যশোর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিয়ে আসে। এরপর বিকেল ৫টার দিকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মঞ্জুরুল ইসলামের আদালতে হাজির করলে বিচারক শুনানি শেষে অবৈধ অনুপ্রবেশের মামলায় জামিন দেন। তবে তার বিরুদ্ধে ঢাকারম শেরেবাংলা, কামরাঙ্গিরচর ও হাজারিবাগ থানায় আইসিটি এ্যাক্টের মামলা থাকায় কোতোয়ালী থানা পুলিশ আটকাদেশ পেতে নতুন করে ৫৪ ধারায় মামলা দিয়ে গ্রেফতারের আবেদন জানান। পরে বিচারক এ মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। কোর্ট পরিদর্শক মাহাবুবুর রহমান জানান, অনুপ্রবেশের মামলায় জামিন পেলেও তাকে ৫৪ ধারায় আটকাদেশ দিয়েছেন বিচারক। তিনি বলেন, কাজলের নামে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে তিনটি মামলা রয়েছে। ওই মামলার কারণে তাকে কোতোয়ালী থানা থেকে ৫৪ ধারায় আটকাদেশের আবেদন জানানো হয়। বিচারক শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ঢাকা থেকে ওই তিন মামলার কাগজপত্র আসলে তাকে শোনএ্যারেস্ট দেখানোর উদ্যোগ নেয়া হবে। কাজলের ছেলে মনোরম পলক জানান, একটি মামলায় জামিন হয়েছে। সে বেঁচে আছে এজন্য শুকরিয়া জ্ঞাপন করেন এবং তার পিতার খোঁজখবর রাখার জন্য সকলকে অনুরোধ করেন। এদিকে সাংবাদিক কাজলকে দুপুরে হাত পিছনে দিয়ে হাতকড়া পরিয়ে আদালতে হাজির করা হয়। এসময় তার সাথে পুলিশের অমানবিক আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাংবাদিক ও আইনজীবীরা।
করোনাভাইরাস নিয়ে রংপুর বিভাগের আট জেলার সঙ্গে কাল ভিডিও কনফারেন্স করবেন প্রধানমন্ত্রী
০৩মে,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল চলমান করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে রংপুর বিভাগের আট জেলার কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে মতবিনিময় করবেন। প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, চিকিৎসকসহ স্বাস্থ্যকর্মী, আইনশৃংখলা রক্ষাকারি এবং সশস্র বাহিনীর প্রতিনিধিসহ শিক্ষক এবং মসজিদের ইমাম এই ভিডিও কনফারেন্সে সংযুক্ত থাকবেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম আজ বলেন, কাল সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এই ভিডিও কনফারেন্স শুরু হবে। রংপুর বিভাগের আট জেলার মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট সকলে এতে যুক্ত থাকবেন। জেলাগুলো হচ্ছে-পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, নীলফামারি, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, রংপুর এবং গাইবান্ধা। প্রেস সচিব বলেন, বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতারসহ বেসরকারি টিভি চ্যানেল এবং রেডিও স্টেশনগুলো এই ভিডিও কনফারেন্স সরাসরি সম্প্রচার করবে। এর আগে শেখ হাসিনা করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে ছয় দফা পৃথক ভিডিও কনফারেন্সে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট, রাজশাহী, বরিশাল এবং ময়মনসিংহ বিভাগের ৫৬টি জেলার সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী জনগণকে স্বাস্থ্যবিধিসমূহ মেনে চলার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি সংকট উত্তোরণের জন্য বিভিন্ন প্রণোদনা প্যাকেজেরও ঘোষণা দেন। দেশে মার্চ মাসের ৮ তারিখ প্রথম করোনারোগী সনাক্ত হবার পর থেকে এ পর্যন্ত এই ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ১৭৭ জন এবং আক্রান্ত হয়েছে ৯ হাজার ৪৫৫ জন। অন্যদিকে চীনের উহান প্রদেশে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে প্রথম করোনা রোগী সনাক্ত হবার পর থেকে এ পর্যন্ত বিশ্বের ২১২টি দেশে ২ লাখ ৪৪ হাজার জন মৃত্যুবরণ করেছে এবং প্রায় ৩৫ লাখ মানুষ সংক্রমিত হয়েছে।
মুক্ত, স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম রাষ্ট্রকে এগিয়ে নেয় : তথ্যমন্ত্রী
০৩মে,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, রাষ্ট্রকে এগিয়ে নেয়া এবং বহুমাত্রিক সমাজ বিনির্মাণে মুক্ত, স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আজ বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে সচিবালয়ে নিজ দপ্তর থেকে অনলাইনে দেয়া সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে একথা বলেন। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা যেমন প্রয়োজন একইসাথে আমাদের সম্মিলিত দায়িত্বশীলতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা মনে করি, মুক্ত, স্বাধীন ও একইসাথে দায়িত্বশীল গণমাধ্যম রাষ্ট্রকে এগিয়ে নেয়া ও একটি বহুমাত্রিক সমাজ বিনির্মাণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সকল সাংবাদিক এবং গণমাধ্যমের সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে ড. হাছান বলেন, বাংলাদেশে সাংবাদিকরা এবং গণমাধ্যমের সাথে যারা যুক্ত আছেন তারা, এই বৈশ্বিক দুর্যোগ করোনো পরিস্থিতির মধ্যে অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন। ইতোমধ্যেই আমাদের একজন সাংবাদিক বন্ধু হুমায়ুন কবীর খোকন দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মর্মান্তিকভাবে মারা গেছেন। তথ্যমন্ত্রী তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা এবং একইসাথে যেসব সাংবাদিক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন তারা যাতে দ্রুত আরোগ্য লাভ করেন, মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে সেই প্রার্থনা করেন। হাছান মাহমুদ এ সময় পরিসংখ্যান দিয়ে বলেন, আমাদের সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও অবাধ এবং মুক্ত গণমাধ্যমে বিশ্বাস করে। সেই কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর বাংলাদেশে গণমাধ্যমের ব্যাপক বিস্তৃতি ঘটেছে। তিনি বলেন, ২০০৯ সালে দৈনিক পত্রিকার সংখ্যা ছিল ৪৪৫টি, ২০২০ সালে এখন দৈনিক পত্রিকার সংখ্যা ১২৯৪টি। ২০০৯ সালে সাপ্তাহিক পত্রিকার সংখ্যা ছিল ২০৮টি, এখন সেটি ১২০৮টি। ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের খতিয়ান দিয়ে ড. হাছান মাহমুদ জানান,রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ২০০৯ সালে ছিল ২টি, এখন রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ৪টি। বেসরকারি টেলিভিশন ২০০৯ সালের শুরুতে ছিল ১০টি। আর এখন ৪৫টি বেসরকারি টেলিভিশনের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এফএম বেতার ২০০৯ সালে মাত্র চারটি ছিল। এখন ২৪টি এফএম বেতার কেন্দ্রের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে বেশির ভাগ সম্প্রচারে আছে। কমিউনিটি রেডিও ২০০৯ সালে একটিও ছিল না। এখন ৩২টি কমিউনিটি রেডিও অনুমোদন দেয়া আছে। এরমধ্যে অনেকগুলো সম্প্রচারে আছে। তিনি বলেন, এই পরিসংখ্যানেই বলে যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার সরকার গণমাধ্যমের অবাধ বিস্তৃতি এবং স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। সে কারণেই গত ১১ বছরে বাংলাদেশে গণমাধ্যমের ব্যাপক বিস্তৃতি ঘটেছে। এ সময় বিএনপি নেতা রিজভী আহমেদের সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রতি সাংবাদিকরা তার দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমি রিজভী আহমেদের বক্তব্য দেখেছি। তিনি অসুস্থ ছিলেন, আরোগ্য লাভ করেছেন। এজন্য আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। তবে তিনি যেভাবে বক্তব্য রাখছেন, তা আমার কাছে উদভ্রান্তের প্রলাপের মতো মনে হয় উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, এই মহাদুর্যোগের সময় রিজভী আহমেদসহ বিএনপি নেতারা ফটোসেশন এবং বিষোদগার ও মিথ্যাচারের রাজনীতি নিয়েই ব্যস্ত। তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি নেতারা যাই বলুক না কেন, বিশ্ব করোনো পরিস্থিতির এই মহাদুর্যোগের সময় প্রধানমন্ত্রী যেভাবে দুর্যোগ মোকাবেলা করছেন, তা বিশ্বসম্প্রদায় কর্তৃক প্রশংসিত হয়েছে। বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম, ফোর্বস ম্যাগাজিন এমনকি ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশনও তাঁর নেতৃত্বের প্রশংসা করেছে। ড. হাছান বলেন, বিএনপির নেতারা প্রশংসার সংস্কৃতি লালন করেননা। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক, আর রিজভীর বক্তব্য উদভ্রান্তের প্রলাপ।
দেশে করোনা আক্রান্ত ৫৫ সংবাদকর্মী
০৩মে,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শরীরে জ্বর। সঙ্গে সর্দি, কাশি ও গলা ব্যথা। প্রাণঘাতি করোনার উপসর্গ। নিশ্চিত হতে প্রয়োজন টেস্ট। যোগাযোগ করেন আইইডিসিআর হটলাইন নম্বরে। বারবার কল দিয়েও কাউকে পাওয়া যায় না। পাওয়া গেলো কয়েক দিন পর। ২৩শে এপ্রিল। ততদিনে জ্বরে কাবু করছে বেশ। সব শোনার পরও তাৎক্ষণিক কোনো সেবা মিলেনি। নানা তদবিরের পরে অবশেষে ২৯শে এপ্রিল নমুনা সংগ্রহ করে সরকারি এই সংস্থাটি। রেজাল্ট আসে করোনা পজেটিভ। করোনায় আক্রান্ত সাংবাদিক গাজী শাহ নেওয়াজ এভাবেই টেস্ট করাতে গিয়ে বিড়ম্বনার বিষয়টি প্রকাশ করেন। তিনি এখন চিকিৎসকের পরামর্শে বাসায় চিকিৎসাধীন। একইভাবে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসায় বেগ পেতে হয়েছিলো আরেক সাংবাদিক এমদাদুল হক খানকে। তিনি বর্তমানে সুস্থ আছেন। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সারাদেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫৫ জন সংবাদকর্মী। এরমধ্যে মৃত্যু ঘটেছে দৈনিক সময়ের আলোর প্রধান প্রতিবেদক হুমায়ুন কবির খোকনের।-মানবজমিন। এভাবেই প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসে প্রতিদিনই আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। করোনা প্রতিরোধে সবাইকে ঘরে থাকতে বলা হয়েছে সরকারের তরফে। আবার করোনা প্রতিরোধ যুদ্ধের অংশ হিসেবেই ঘরের বাইরে থাকতে হচ্ছে কয়েক পেশার মানুষকে। এরমধ্যে অন্যতম হচ্ছে গণমাধ্যমকর্মী। সংবাদ সংগ্রহের জন্যই সাংবাদিকদের যেতে হচ্ছে বিভিন্নস্থানে। অলি-গলি থেকে শুরু করে হাট,বাজার, রাজপথ সর্বত্র যেতে হচ্ছে সাংবাদিকদের। এরমধ্যেই আক্রান্ত হচ্ছেন সাংবাদিকরা। একইভাবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিক ছাড়াও গণমাধ্যমের অন্যান্য বিভাগের কর্মীরাও আক্রান্ত হচ্ছেন। সাংবাদিকরা মনে করেন, তাদের ঝুঁকি বেশি। এর কারণ হচ্ছে তারা সংবাদের প্রয়োজনে যাদের সঙ্গে কথা বলেন, যাদের কাছাকাছি যেতে হয় তারা ভাইরাসে আক্রান্ত কি-না এ বিষয়ে কোনো ধারণা নেই। যে কারণে চিকিৎসকদের মতো সাংবাদিকদের আগাম কোনো প্রস্তুতি বা পর্যাপ্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা থাকে না। গণমাধ্যমকর্মীদের আক্রান্তের সংখ্যা বিষয়ে নিয়মিত তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ করছে- আমাদের গণমাধ্যম, আমাদের অধিকার ফেসবুক পেইজ। এর এডমিন সাংবাদিক আহম্মদ ফয়েজ জানান, রোববার পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত গণমাধ্যমকর্মী ৫৫ জন। আক্রান্তদের মধ্যে রয়েছেন, দৈনিক ইত্তেফাকের একজন রিপোর্টার, বাংলাভিশনের একজন রিপোর্টার, আরটিভির বার্তাকক্ষের একজন সংবাদকর্মী, এনটিভির দুই জন রিপোর্টার, একজন বার্তা সম্পাদক, ছয় জন ক্যামেরাম্যান, একজন সংবাদ উপস্থাপক, মেকাপম্যান, অনুষ্ঠান বিভাগের আরও চার জনসহ মোট আক্রান্ত ১৩ জন। নিউজ পোর্টাল বিবার্তার একজন রিপোর্টার, দীপ্ত টিভির পাঁচ সংবাদকর্মী, দৈনিক ইনকিলাবের একজন রিপোর্টার, দৈনিক জনতার একজন রিপোর্টার, দৈনিক কালের কণ্ঠের একজন ফটোগ্রাফার, দৈনিক আমার বার্তার সম্পাদক, মাছরাঙা টিভির সাধারণ সেকশনের একজন কর্মকর্তা, নারায়নগঞ্জের শীতলক্ষ্যা পত্রিকার সম্পাদক, রেডিও টুডের নারাযণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি, চ্যানেল আই এর অনুষ্ঠান বিভাগের একজন, নিউজ পোর্টাল পূর্বপশ্চিমের জামালপুর প্রতিনিধি, দৈনিক আজকালের খবরের বামনা (বরগুনা) প্রতিনিধি, এসএ টিভির গাজীপুর প্রতিনিধি, যশোরের স্থানীয় দৈনিক লোকসমাজের একজন সাব-এডিটর, দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদের একজন রিপোর্টার, নতুন সময় টিভির (আইপিটিভি) একজন সংবাদ উপস্থাপক, দৈনিক সময়ের আলোর চার সংবাদকর্মী, রেডিও আমার একজন সংবাদকর্মী। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১১ জন। তারা হচ্ছেন, দৈনিক প্রথম আলোর একজন সংবাদকর্মী, ভোরের কাগজের বামনা উপজেলা (বরগুনা) প্রতিনিধি, দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের কাপাসিয়া (গাজীপুর) প্রতিনিধি, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভির একজন ক্যামেরাপার্সন, যমুনা টিভির একজন রিপোর্টার, দীপ্ত টিভির একজন রিপোর্টার, এটিএন নিউজের একজন রিপোর্টার, যমুনা টিভির নরসিংদী প্রতিনিধি, মানবজমিনের গাজীপুর প্রতিনিধি, বাংলাদেশের খবরের একজন রিপোর্টার ও দৈনিক সংগ্রামের একজন রিপোর্টার। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ চৌধুরী জানান, করোনা ভাইরাসে শনিবার পর্যন্ত ডিআরইউর ১০ সদস্য আক্রান্ত হয়েছেন। সুস্থ হয়েছেন পাঁচ জন। এরমধ্যে মারা গেছেন সাংবাদিক হুমায়ুন কবির খোকন। প্রত্যেক সদস্যকে যথাযথ সেবা, সুরক্ষা দিতে ডিআরইউ শুরু থেকেই তৎপর। দেশে করোনা ভাইরাস ছড়ানোর শুরুতেই ডিআরইউ ১৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটিও করেছে বলে জানান তিনি। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদ বলেন, ডিআরইউর ১৮শ সদস্যের বেশিরভাগই ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছে। এরমধ্যে অন্তত পাঁচ শতাধিক সদস্য আর্থিক সঙ্কটে রয়েছেন। সাংবাদিকরাতো দেশের জন্যই কাজ করছেন। সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীরা করোনায় মারা গেলে প্রণোদনার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের দাবি, একইভাবে সাংবাদিকদের জন্য সরকার ও মালিকপক্ষ যেনো প্রণোদনা দেয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। রফিকুল ইসলাম আজাদ বলেন, সরকার রেশন কার্ড করবে, এজন্য ডিআরইউর সদস্যদের তালিকা দিয়েছি তথ্য মন্ত্রনালয়ে। তাছাড়া ডিআরইউ থেকেও সদস্যদের আর্থিক সহযোগিতা দিতে চেষ্টা করছি। কিছু সুরক্ষা সামগ্রী দিয়েছি। করোনায় শহীদ সাংবাদিক হুমায়ুন কবির খোকন সম্পর্কে তিনি বলেন, ডিআরইউর ইন্সুরেন্সসহ আর্থিক সুবিধা তার পরিবার পাবে। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর কল্যাণ তহবিল থেকে অর্থ দানের বিষয়ে আমরা চেষ্টা করছি। তথ্যমন্ত্রীও আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। সকল সদস্যকে এই ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতন থাকার অনুরোধ জানান ডিআরইউ সভাপতি। ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের যুগ্ম সম্পাদক খায়রুল আলম জানান, সংবাদকর্মীদের সুরক্ষার জন্য ডিইউজে মালিকপক্ষকে বারবার তাগাদা দিচ্ছে। সরকারকে আহবান জানাচ্ছে স্বাস্থ্য সুরক্ষা দিতে। সেইসঙ্গে সংবাদকর্মীদের আর্থিক সুবিধার বিষয়ে সরকারের কাছে দাবি করা হয়েছে বলে জানান তিনি। সাংবাদিকরা মনে করেন, সাংবাদিকতা পেশা করোনার জন্য অত্যন্ত ঝূঁকিপূর্ণ। তাই সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে সহজে ও নিরাপদে নমুনা সংগ্রহ ও দ্রুত পরীক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সাংবাদিকদের স্বাস্থ ও আর্থিক সুবিধা নিশ্চিতের দাবি জানান তারা।
নিখোঁজ ফটো সাংবাদিক কাজলের খোঁজ মিলেছে
০৩মে,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নিখোঁজ ফটো সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের খোঁজ মিলেছে বেনাপোল পোর্টে।গতকাল রাত ২টার দিকে বিজিবি তাকে উদ্ধার করে বলে নিশ্চিত করেছেন যশোর বেনাপোল পোর্ট থানার দায়িত্বরত ডিউটি অফিসার সানাউল্লাহ মিয়া। তিনি বলেন , আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি তাকে বেনাপোল পোর্ট এলাকা থেকে বিজিবি উদ্ধার করে , সকাল বেলায় হয়তো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। ফটোসাংবাদিক কাজল গত ( ১০ মার্চ) তার দৈনিক পক্ষকাল পত্রিকা অফিস থেকে বের হওয়ার পর থেকে নিখোজ ছিলেন। নিখোঁজের ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা লালবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে।নিখোঁজ হওয়ার প্রায় এক মাস ২০ দিন পর তার খোঁজ পাওয়া গেলো। জানাগেছে, পরিবারের সাথে তার কথা হয়েছে। তারা এখন কাজলকে আনতে যশোরে যাচ্ছেন। উল্লেখ্য , মাগুরা-১ আসনের এমপি সাইফুজ্জামান শিখর তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করার দুইদিন পরেই তিনি নিখোঁজ হন।তিনি নিজেকে আধ্যাত্মিক পুরুষ 'কাজল ফকির' পরিচয়ে ফেসবুকে লেখালেখি করতেন তিনি।
বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর ৭৫ তম জন্মদিন আজ
০৩মে,রবিবার,সৈয়দুল ইসলাম,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি, আনোয়ারা-কর্ণফুলী থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য, মুক্তিযোদ্ধের অন্যতম সংগঠক বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর ৭৫তম জন্মদিন আজ ৩ মে। ১৯৪৫ সালের ৩ মে চট্টগ্রামের আনোয়ারা থানার হাইলধর গ্রামে এক সম্ভ্রাান্ত মুসলিম জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার পিতা নুরুজ্জামান চৌধুরী ছিলেন আইনজীবী ও জমিদার। তার মাতার নাম খোরশেদা বেগম এবং স্ত্রী নুর নাহার জামান চৌধুরী। বাবু সকল মানুষের বিপদে-আপদে এগিয়ে আসতেন, সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতেন। দলের দুঃসময়ে প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে তার সরব উপস্থিতি প্রতিটি নেতাকর্মীর মাঝে প্রাণ সঞ্চার করত। দুর্দিনে সময়ের প্রয়োজনে তিনি কখনো নির্লিপ্ত থাকেনি।
আক্রান্ত সাংসদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টাইনের নির্দেশ
০২মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নওগাঁয় করোনা আক্রান্ত সাবেক হুইপ শহীদুজ্জামান সরকার এমপির সংস্পর্শে আসায় জেলা আলীগের সভাপতি ও সাবেক এমপি, দুইজন বর্তমান এমপি, ডিসি, এসপি সহ জেলা সিভিল সার্জন হোম কোয়ারেন্টাইনে। শনিবার বিকেলে সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ডেপুটি সিভিল সার্জন মঞ্জুর মোরশেদ। জেলা ডেপুটি সিভিল সার্জন মঞ্জুর মোরশেদ জানান, নওগাঁ-২ আসনের ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগের বর্তমান নির্বাচিত সংসদ সদস্য ১০ম জাতীয় সংসদের সাবেক হুইপ শহীদুজ্জামান সরকার গত ২৭ এপ্রিল সকালে অনুষ্ঠিত করোনা সংকট মোকাবেলায় ত্রাণের সমন্বয়, বোরো মৌসুমের ধান কাটাসহ নানাবিধ বিষয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্সে যোগদান করেন। জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে কনফারেন্স চলাকালীন আক্রান্ত সাংসদের সংস্পর্শে এসেছিলেন নওগাঁ-৫ আসনের সাবেক সাংসদ ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল মালেক, নওগাঁ-৬ আসনের সাংসদ ইসরাফিল আলম, নওগাঁ-৩ আসনের সাংসদ ছলিম উদ্দিন তরফদার সেলিম, জেলা প্রশাসক হারুন অর-রশিদ, পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আব্দুল মান্নান মিয়া বিপিএম ও জেলা সিভিল সার্জন আখতারুজ্জামান আলাল। এরপর গত মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) তিনি নিজ নির্বাচনী এলাকা থেকে ঢাকায় যান এবং সরকারী ন্যাম ভবনে (সংসদ সদস্য ভবন) ওঠেন। এরপর তার শরীরে জ্বর দেখা দেয় এবং সেই সাথে হালকা কাশি হচ্ছিল। তখন রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে (আইইডিসিআর) তার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করানো হয়। শুক্রবার বিকেল ৫টায় আইইডিসিআর থেকে রিপোর্ট পাঠানো হয় যেখানে করোনাভাইরাস পজেটিভ আসে বলে জানানো হয়। এই প্রথম বাংলাদেশের কোনো সংসদ সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এসংবাদের ভিত্তিতে তার সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিগণদের শনিবার বিকেল থেকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার অনুরোধ করা হয়েছে। আগামী ৪মে তাদের সকলের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে।
ঢাকায় প্রবেশে পোশাক শ্রমিকদের ফ্যাক্টরির আইডি কার্ড প্রদর্শন করতে হবে : ডিআইএফই
০২মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে পোশাক শ্রমিকদের নিজ নিজ ফ্যাক্টরি আইডি কার্ড প্রদর্শনের নির্দেশনা দিয়েছে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর (ডিআইএফই)। শনিবার অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক শিবনাথ রায় স্বাক্ষরিত এক পত্রে নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়। নিদর্শনায় বলা হয়, কোনো শ্রমিকের কারখানার কাজের জন্য ঢাকায় আসার প্রয়োজন হলে তাকে ফ্যাক্টরি আইডি কার্ড সঙ্গে বহন করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট যথাযথ কর্তৃপক্ষকে প্রদর্শন করতে হবে। অন্যথায় ঢাকার প্রবেশপথে, ঘাট ও স্থানসমূহে তাদেরকে প্রবেশের অনুমতি দেয়া যাবে না। নির্দেশনায় আরো জানানো হয়, এরই মধ্যে ঢাকার বাইরে অথবা দূরদুরান্ত থেকে পোশাক শ্রমিকদের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ঢাকায় আগমনে মালিকপক্ষ কর্তৃক নিরূৎসাহিত করা হয়েছে, এমন তথ্য উল্লেখ করে নির্দেশনাটিতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ করা হয়।
চলমান সাধারণ ছুটি আরও বাড়াতে যাচ্ছে সরকার
০২মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনার কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে দেশব্যাপী চলা সাধারণ ছুটি আরো বাড়ছে। আগামীকাল রোববারের মধ্যে নতুন ছুটির সিদ্ধান্ত জানানোর চিন্তা করছে সরকার। তবে ঠিক কতদিন ছুটি বাড়ানো হবে তা এখনো চুড়ান্ত হয়নি। তবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল কয়েকজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আগামী ১৫ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি বাড়ানো হতে পারে। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের একাধিক সূত্র বলছেন, পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে। অন্তত ৭ দিনের ছুটি বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনায় রাখছে সরকার। এর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আগামীকাল রোববার করোনা পরিস্থিতির কারণে গঠিত টেকনিক্যাল কমিটির বৈঠকের সুপারিশের উপর নির্ভর করবে। কিন্তু টানা ঈদ পর্যন্ত ছুটির কথা আপাতত সরকারের চিন্তায় নেই বলে জানা গেছে। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের একটি সূত্র জানিয়েছেন, ৫ মে পর্যন্ত ছুটি চলছে। ৭ দিন ছুটি বাড়ালে ছুটি গড়াবে ১২ মে পর্যন্ত, সেদিন হয় মঙ্গলবার। এর দুইদিন পরই আবার সাপ্তাহিক শুক্র-শনিবারের ছুটি এসে যায়। সূত্রের মতে, এ কারণে ছুটি বাড়িয়ে সাত দিনের জায়গায় ৯ দিনও হতে পারে। এতে পরের সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে ১৫ মে পর্যন্ত ছুটি মিলবে। অপর একটি সূত্র প্রতিবেদককে জানায়, ছুটি বাড়ানো এবং স্থগিত করার দুই ধরনের একাধিক রোডম্যাপ সরকারের আগে থেকেই করা আছে। এখন সরকার কোন পথে যাবে তা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে। এ সূত্রটির মতে, সপ্তাহে সপ্তাহে ছুটি বাড়ানোর একটি সিদ্ধান্ত সরকারের আগে থেকেই নেয়া। এর সঙ্গে অন্য সরকারি ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটি মিললে সেটা আরো বাড়তেও পারে। জনপ্রশাসন সচিব শেখ ইউসুফ হারুন করোনাকালীন দায়িত্ব পালনে সাতক্ষীরা জেলা সফরে রয়েছেন। সেখানে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে ব্যস্থ থাকায় তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানাতে পারেননি। তবে তিনি বলেছেন, এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তের কথা এখনো আমি জানি না। এদিকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ছুটি নিয়ে যারা কাজ করেন তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও বিষয়টিতে তাদের কাছে শনিবার দুপুর পর্যন্ত কোনো নির্দেশনা আসেনি বলে জানিয়েছেন। মন্ত্রণালয়ের বিধি-৪ শাখা থেকে ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি হয়। এ শাখার উপসচিব সাইফুল ইসলাম বলেন, এখনো পর্যন্ত ছুটি সংক্রান্ত কাজের কোনো নির্দেশনা আমি পাইনি। প্রসঙ্গত, করোনার কারণে গত ২৬ মার্চ থেকে ৬ মে পর্যন্ত টানা সরকারি ছুটি চলছে। এই টানা ৪২ দিনের ছুটি বর্ধিত হয়েছে পর্যায়ক্রমে পাঁচ দফায়। এবার ষষ্ঠ দফায় ছুটি বাড়ানোর কথা চিন্তা করছে সরকার।

জাতীয় পাতার আরো খবর