মঙ্গলবার, মার্চ ৯, ২০২১
আইআইইউসিতে বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুর: জামায়াত নেতা শামসুলসহ ৬ জন কারাগারে
০১সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভাঙচুরের ঘটনার মামলায় জামায়াত নেতা আ ন ম শামসুল ইসলাম ও অধ্যাপক আহসান উল্লাহ ভূঁইয়াসহ ৬ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) জেলা ও দায়রা জজ মো. ইসমাইল হোসেনের আদালত এ আদেশ দেন। কারাগারে পাঠানোর আদেশপ্রাপ্ত জামায়াত নেতারা হলেন- আ ন ম শামসুল ইসলাম, অধ্যাপক আহসান উল্লাহ চৌধুরী, ড. মাহবুব রহমান, ড. কাওসার, মো. শফিকুল আলম ও নিজাম উদ্দিন। চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) কাজী শাহাবুদ্দিন আহমেদ বলেন, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামে (আইআইইউসি) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাংচুরসহ বিভিন্ন অভিযোগে সীতাকুণ্ড থানায় একটি মামলা হয়েছিল। ওই মামলায় আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে জামিনে ছিলেন। আজ চট্টগ্রাম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করেন। এর আগে গত ১০ ফেব্রুয়ারি রাতে সীতাকুণ্ড থানায় মামলাটি দায়ের করেন চট্টগ্রাম অতিরিক্ত জেলা পিপি ও দক্ষিণ জেলা যুবলীগের সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক কামাল উদ্দীন। মামলায় আইআইইউসির বোর্ড অব ট্রাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান ও জামায়াতের নায়েবে আমীর আ ন ম শামসুল ইসলাম, ফিন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান আহসান উল্লাহ, শিক্ষক মাহবুবুর রহমান, কাউছার আহমেদ, শফিউল আজম ও নিজাম উদ্দিনের নাম উল্লেখ করে ৬০ থেকে ৭০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। মামলার এজাহারে বাদি উল্লেখ করেন, গত ২৯ জানুয়ারি সকাল ১০টার দিকে সীতাকুণ্ড উপজেলায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভাঙচুর করে জামায়াত-শিবিরের ক্যাডাররা। খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ওই ক্যাম্পাসে গিয়ে ছবি ভাঙচুরের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তারা তাকে হত্যা করে লাশ গুমের হুমকি দেয়া হয়।
সংবাদপত্রের অনলাইন নিবন্ধন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে: তথ্যমন্ত্রী
০১সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মূলধারার সংবাদপত্রগুলোর অনলাইন পোর্টালের নিবন্ধন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। একই সঙ্গে সংবাদপত্রের সরকারি বকেয়া বিল পরিশোধে আবারও তাগাদাপত্র দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। মঙ্গলবার (০১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষ সম্পাদক পরিষদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে তিনি এসব কথা জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সম্পাদক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদ নঈম নিজাম, প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান, কালের কণ্ঠের সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, দৈনিক সংবাদের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক খন্দকার মুনিরুজ্জামান, ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত প্রমুখ। তথ্যমন্ত্রী বলেন, সম্পাদক পরিষদের সঙ্গে আমাদের নিয়মিত বৈঠক হয়। আজ সে রকম একটি বৈঠক ছিল। আমরা সবসময় সংবাদপত্রের বিশেষ করে মিডিয়ার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করি। আজ সে বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে পত্রিকার অনলাইন ভার্সনগুলোকে সহসা রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়। আমরাও মনে করি যেসমস্ত পত্র-পত্রিকাগুলো বের হয় বিশেষ করে প্রথম শ্রেণির পত্র-পত্রিকার অনলাইন ভার্সন রেজিস্ট্রেশন দেওয়ার ক্ষেত্রে খুব বেশি তদন্তের কিছু নেই। কারণ, এগুলো তদন্ত করেই পত্র-পত্রিকাগুলো বের হয়। আমরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পত্রিকাগুলোর অনলাইন ভার্সনের রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা করব। মূলত আজকে এটিই আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, পত্র-পত্রিকার বিল বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে আটকে আছে, একেকটি পত্রিকার অনেক বিল। কোনো পত্রিকার ১০ কোটি, ১৫ কোটি, ২০ কোটি টাকা একটি পত্রিকার ক্ষেত্রে এরকম। এরকম করে কয়েকশ কোটি টাকার বিল বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দপ্তরে আটকে আছে। সে বিলগুলো যাতে বিভিন্ন দপ্তরগুলো ছাড় করে। আমরা আলোচনা করেছি তথ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিভিন্ন দপ্তর-মন্ত্রণালয়ে একটি তাগাদাপত্র দেব। কারণ, ইতোপূর্বে কেবিনেট ডিভিশন থেকে সব মন্ত্রণালয় ও দপ্তরে পত্র-পত্রিকার বিল ছাড় করার জন্য তাগাদাপত্র দেওয়া হয়ছিল। সেটির আলোকে আমরাও একটি তাগাদাপত্র দিয়েছিলাম। সেটা দেওয়ার পরে কিছু বিল ছাড়ও হয়েছিল। তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, যে পরিমাণ বিল বকেয়া আছে আর যে পরিমাণ ছাড় হয়েছে সেটি খুবই নগণ্য। সেজন্য আমরা আরও একটি তাগাদাপত্র দেব। আজকে সবার সঙ্গে আলোচনাক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বকেয়া বিলগুলো কতোদিনের মধ্যে ছাড় হবে জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বলতে পারে। তবে আমি মনে করি এ বিলগুলো সহসাই দিয়ে দেওয়া প্রয়োজন। এগুলো দিতে হবে। যেহেতু দিতে হবে, এখন করোনাকালে পত্র-পত্রিকা নানা সংকটে আছে। সুতরাং এখন দিলে সেটি কাজে বেশি লাগবে। সুতরাং দিয়ে দেওয়া প্রয়োজন। বৈঠকে সম্পাদক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নঈম নিজাম বলেন, মূলত অনলাইন মিডিয়াটা নিয়ে সংকটটুকু ছিল। সে সমস্যাটা কীভাবে সমাধান করবে, নতুন আইনের পর সেটা কত দ্রুত করা যায় সে বিষয় নিয়ে আমাদের প্রস্তাব উপস্থাপন করার পর মন্ত্রী আশ্বস্ত করলেন খুব দ্রুত এ সংকট নিরসন হবে। মূলধারার পত্র-পত্রিকাগুলোর অনলাইন দ্রুত নিবন্ধন দিয়ে দেওয়া হবে। কারণ, আমরা প্রথমত একটা আইনের মধ্য দিয়ে অনুমোদন নিয়ে থাকি সংবাদপত্রের। সেখানে নতুন করে আবার তদন্ত সম্পন্ন হলো। আবার দীর্ঘ সময় যাতে অতিক্রম করতে না হয় সে কারণে আমাদের প্রস্তাবনা ছিল দ্রুততম সময়ে করার জন্য। মন্ত্রী সেটা আশ্বস্ত করেছেন। দ্রুততম সময়ে আমাদের অনলাইনের অনুমোদন দিয়ে দেবেন। তিনি বলেন, দ্বিতীয়ত হলো, সংবাদপত্র বা মিডিয়া সারা পৃথিবীতে একটা চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে। বাংলাদেশ এর বাইরে নয়। বাংলাদেশের সংবাদপত্র থেকে শুরু করে প্রতিটি মিডিয়া একটা কঠিন সময় অতিক্রম করছে। সেই জায়গাগুলো আমরা আলোচনা করেছি। তিনি (তথ্যমন্ত্রী) পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গি রাখেন। সেই জায়গা থেকে তিনি বললেন, যেখানে যে সংকট থাকে সেটা সমাধানে তিনি সচেষ্ট থাকবেন এবং আমাদের সহায়তা করবেন। আগামীতে মিডিয়ার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে বর্তমান বিশ্ব বাস্তবতার আঙ্গিকে বাংলাদেশকেও একই রকমভাবে ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে তথ্যমন্ত্রী আমাদের আশ্বস্ত করলেন বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে আটকে থাকা বিলগুলো দ্রুত ছাড় করার ব্যবস্থা নেবেন। বৈঠকের শুরুতে তথ্যমন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারির সময় মেইন স্ট্রিমের সমস্ত মিডিয়া অত্যন্ত দায়িত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। করোনাকালে সব ধরনের মিডিয়ারই নানা সংকট ছিল। তবে সংবাদপত্রের সংকট অনেকের চেয়ে বেশি ছিল। সংকট থাকা সত্ত্বেও সংবাদপত্রগুলো প্রকাশিত হয়েছে। পাশাপাশি সারাদেশে বিলিও হয়েছে। মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা দেখেছি যখনই দেশে কোনো সংকট দেখা দেয় তখন গুজব রটানোর চেষ্টা করা হয়। মানুষের মধ্যে ভয়ভীতি ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়। কিন্তু এর বিরুদ্ধেও মেইন স্ট্রিমের গণমাধ্যম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বড় কথা হচ্ছে, করোনাকালে গণমাধ্যম-সংবাদপত্র এবং সরকার একযোগে কাজ করেছে। এর ফলে এ সময় গুজব রটানোর চেষ্টা করা হলেও সেটি হালে পানি পায়নি।
অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন আমরা পাব : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
৩১আগস্ট,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, চীন ছাড়া এখন পর্যন্ত অন্য কোনো দেশ বা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে ভ্যাকসিনের ট্রায়ালের আবেদন করেনি। এ ছাড়া অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবিত (কোভিড-১৯) ভ্যাকসিন পাওয়ার প্রতিশ্রুতি পেয়েছি। সচিবালয়ে আজ সোমবার সাংবাদিকদের এ কথা বলেন জাহিদ মালেক। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে বেক্সিমকোর চুক্তি হয়েছে। সরকারিভাবেও ওদের ভ্যাকসিন আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। জাহিদ মালেক জানান, সক্ষমতা থাকলে বাংলাদেশে ভ্যাকসিন তৈরি করতে পারে রাশিয়াও। দেশের কয়েকটি কোম্পানির সে সক্ষমতা রয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ ছাড়া রাশিয়ার ভ্যাকসিনের ব্যাপারে তাদের কাছে চিঠি পাঠানো হচ্ছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সূত্র: এনটিভি
রেডিও-আইপি টিভিকেও নিবন্ধন করতে হবে
৩১আগস্ট,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দৈনিক পত্রিকা, টেলিভিশন এবং রেডিওর অনলাইন ভার্সনের পাশাপাশি আইপি টিভির জন্য নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করে জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা, ২০১৭ (সংশোধিত, ২০২০) এর খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আজ সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে মন্ত্রিপরিষদের নিয়মিত বৈঠকে এই নীতিমালায় অনুমোদন দেয়া হয়। করোনা পরিস্থিতিতে অনলাইনে এই বৈঠকে গণভবন থেকে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব সাংবাদিকদের বলেন, আগের নীতিমালায় অনলাইন গণমাধ্যমের নিবন্ধন, মানোন্নয়নসহ ১৪টি ইস্যুতে সংশোধনী আনা হয়েছে। এছাড়াও বৈঠকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ সংশোধিক আইনের খসড়ার চুড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। অপরদিকে, মন্ত্রীসভায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকৌশল এবং প্রতিবছর ৫ আগস্ট শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী পালনের বিষয়েও অবহিত করা হয়।
স্বাস্থ্যবিধি অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট
৩১আগস্ট,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাকালীন স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত বিধান অমান্যকারী ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাসহ যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। সোমবার (৩১ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে কোভিড-১৯-এর বর্তমান পরিস্থিতিতে জনসাধারণের সার্বিক কার্যাবলী/চলাচলের ক্ষেত্রে নিজ নিজ মন্ত্রণালয়/বিভাগ/কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ব্যবস্থা গ্রহণ সংক্রান্ত চার দফা নির্দেশনা জারি করেছে। মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর সিনিয়র সচিব/সচিবদের এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
গ্রিনম্যান অ্যাওয়ার্ড পেলেন ছয়জন
৩০আগস্ট,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পরিবেশবাদী সামাজিক সংগঠন সবুজ আন্দোলনের- গ্রিনম্যান অ্যাওয়ার্ড-২০২০ পেয়েছেন ছয়জন। রোববার (৩০ আগস্ট) সংগঠন থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তন ও বায়ুদূষণ রোধে গবেষণায় স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আহমেদ কামরুজ্জামান মজুমদার, বন সংরক্ষণ ও জনসচেতনতা তৈরিতে একাত্তর টেলিভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার হোসেন সোহেল, বাংলাদেশ প্রতিদিনের স্টাফ রিপোর্টার জয়শ্রী ভাদুড়ী, নাগরিক টেলিভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার ফারাহ হোসাইন, সময় টেলিভিশনের রিপোর্টার কেফায়েত উল্লাহ চৌধুরী (শাকিল) এবং হোমিওপ্যাথি গবেষণা ও সবুজায়নে ডা. মো. মাহতাব হোসাইন মাজেদ এ পুরস্কার পাচ্ছেন। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সবুজ আন্দোলনের তৃতীয় বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে জাতীয় প্রেসক্লাবে বাসযোগ্য ঢাকা গড়তে আমাদের করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভা, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে তাদের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।
সিনহা হত্যার দোষ স্বীকার করলেন লিয়াকত
৩০আগস্ট,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাবেক মেজর সিনহা হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন মামলার প্রধান আসামি টেকনাফের বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির সাবেক ইনচার্জ লিয়াকত আলী। রোববার (৩০ আগস্ট) বেলা ১২টার দিকে কক্সবাজারের ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারকের খাস কামরায় তার এই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। এদিন তৃতীয় দফায় তিন দিনের রিমান্ডে থাকা অবস্থায় লিয়াকতকে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে আদালতে নেয়া হয়। এর আগে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন এপিবিএনের তিন সদস্য এসআই মো. শাহজাহান, কনস্টেবল মো. রাজীব ও মো. আব্দুল্লাহ। একই মামলায় টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও এসআই নন্দদুলাল রক্ষিত রিমান্ডে আছেন। গত শুক্রবার (২৮ আগস্ট) তৃতীয় দফায় তাদের তিন দিনের রিমান্ডে নেয় মামলার তদন্তকারী সংস্থা Rab। গত ৩১ জুলাই ঈদের আগের রাতে টেকনাফের একটি পুলিশ চেকপোস্টে পরিচয় দেয়ার পরও মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর বাদী হয়ে টেকনাফ থানায় দুটি ও রামু থানায় একটি মামলা করে পুলিশ। এদিকে গত ৫ আগস্ট কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যা মামলা করেন সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানের বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। এ মামলায় টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করলে আদালত টেকনাফ থানাকে মামলা গ্রহণের আদেশ দেন। মামলা হওয়ার আগেই থানা থেকে ওসি প্রদীপকে প্রত্যাহার করা হয়। এর পরদিন ওসিসহ ৭ আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাদের জামিন না মঞ্জুর হয়। এ হত্যা মামলায় গ্রেফতার সাত পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্ত হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন ওসি প্রদীপ, সিনহাকে গুলি করা হত্যাকারী পুলিশের পরিদর্শক লিয়াকত আলী, উপ-পরিদর্শক নন্দ দুলাল রক্ষিত, সহকারী উপ-পরিদর্শক লিটন মিয়া এবং কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন ও আবদুল্লাহ আল মামুন।- somoynews.tv
১৫ আগস্ট আরেকটি কারবালার ঘটনা ঘটেছিল : শেখ হাসিনা
৩০আগস্ট,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ১৫ আগস্ট আরেকটি কারবালার ঘটনা ঘটেছিল। আজ রোববার সকালে জাতীয় শোক দিবসের এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ এ আলোচনার আয়োজন করে। প্রধানমন্ত্রীর সরকারী বাসভবন গণভবন থেকে তিনি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যোগ দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কারবালায় যেভাবে নির্মম হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছিল তেমনি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে যেন সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটেছিল। তিনি বলেন, কারবালার হত্যাকাণ্ডেও নারী শিশুদের হত্যা করা হয়নি কিন্তু ১৫ আগস্ট নারী শিশুরাও রক্ষা পায়নি। জাতির পিতার লক্ষ্য ছিল স্বাধীনতা অর্জন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে তিনি সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু তিনি বাস্তবায়ন করার সময় পাননি। তিনি ধাপে ধাপে দেশকে এগিয়ে নিয়েছিলেন। দেশ যখন অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে যাত্রা শুরু করেছিল, তখনই ১৫ আগস্টের ঘটনা ঘটানো হয়। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে একটি সদ্য স্বাধীন রাষ্ট্র তার সম্ভাবনা হারিয়েছিল বলে মন্তব্য করেন সরকার প্রধান।

জাতীয় পাতার আরো খবর