রবিবার, নভেম্বর ১৮, ২০১৮
তফসিল পেছানোর সুযোগ নেই :সিইসি
অনলাইন ডেস্ক :তফসিল পেছানোর সুযোগ নেই তবে সব রাজনৈতিক দল একমত হলে সেক্ষেত্রে সংবিধানের মধ্যে থেকে নির্বাচনের তারিখ পেছানো যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা। মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ইলেক্টোরাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (ইটিআই) ভবনে এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি । তিনি বলেন, এ খন পর্যন্ত তফসিল পেছানোর সুযোগ নেই তবে বুধবারের পর বিষয়টি আমরা আমলে নেব। কে এম নূরুল হুদা বলেন, সব রাজনৈতিক দলগুলোর মতামতের ভিত্তিতে এবং সংবিধানের আলোকে নির্বাচন করতে হবে। তবে তফসিল ঘোষণার ক্ষেত্রে ৭ নভেম্বরের সংলাপের ফলাফলও প্রভাব ফেলতে পারে। সেক্ষেত্রে জানুয়ারি মাসে বিভিন্ন প্রোগ্রাম রয়েছে। ‘বিশ্ব ইজতেমা রয়েছে জানুয়ারি মাসে– ১৫ থেকে ২৬ তারিখ দুই দফায় ইজতেমা হবে। তখন সেখানে সারা দেশ থেকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজনকে নিয়োগ করতে হয়। তাই এর মধ্যে নির্বাচন করা সম্ভব হবে না।’ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করার সিদ্ধান্তের বিষয়ে সিইসি উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, ভোটারদের ভোটের স্বার্থ সুরক্ষিত রাখার জন্য ইভিএমের বিকল্প নেই। ব্যালটে পেপারে নানা অসুবিধা রয়েছে। সেগুলো এড়িয়ে চলার জন্য ইভিএম চালু করা হবে। ইভিএমে ভোট কারচুপি করার সুযোগ নেই ৷ সিইসি বলেন, ইভিএম নিয়ে আগে আইনি জটিলতা ছিল সেগুলো এখন কাটিয়ে উঠেছি। রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করেছেন। আর নির্বাচন কমিশনার শাহাদাত হোসেন চৌধুরীকে প্রধান করে ইভিএম কমিটি করা হয়েছে। কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিকভাবে শহর অঞ্চলে ইভিএম ব্যবহার করা হবে। ইটিআই মহাপরিচালক মোস্তফা ফারুকের সভাপতিত্বে কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ফরহাদ হোসেনসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। গত ৪ নভেম্বর নির্বাচন কমিশনার শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আগামী ৮ নভেম্বর তফসিল ঘোষণা করা হবে। তবে ৫ নভেম্বর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টসহ বিভিন্ন মহল থেকে দাবি উঠেছে, তফসিল স্থগিত রাখার কিংবা সংলাপের ফলাফল জেনে তফসিল ঘোষণা করার। আগামীকাল জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে আবার সংলাপে বসবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তফসিল দিয়ে ৪৫ দিনের কাছাকাছি অর্থাৎ ২০ ডিসেম্বর কাছাকাছি দিনে ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সংবিধান অনুয়ায়ী, আগামী ২৮ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন কমিশনের ভোটগ্রহণে বাধ্যবাধকতা রয়েছে ইসির।
টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীদের পদত্যাগের নির্দেশ
অনলাইন ডেস্ক :আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন,আজকের মন্ত্রিসভার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি শেষে অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী টেকনোক্র্যাট মিনিস্টারদের পদত্যাগ করতে নির্দেশ দিয়েছেন, অন্যরা স্ব-পদে বহাল থাকবেন। তাদের পদত্যাগ করতে হবে না। আজ মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান। তিনি বলেন, সংলাপ যখন শেষ হবে তখন প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের সামনে একটা স্পিচ দিবেন, সংলাপের ফলাফলের ভিত্তিতে ৮ তারিখ দুপুর ১২ টায় গণভবনে। বর্তমান মন্ত্রিসভার টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীরা হলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার, ধর্মমন্ত্রী মতিউর রহমান ও প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী নূরুল ইসলাম বিএসসি। এ বছর জানুয়ারিতে মন্ত্রিসভায় সর্বশেষ রদপদল হয়েছিল। তারপর এতদিন ৩০ জন মন্ত্রী, ১৭ জন প্রতিমন্ত্রী ও দুইজন উপমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী টেকনোক্র্যাট বা অনির্বাচিত মন্ত্রীদের পদত্যাগ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এদিকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ৮ নভেম্বর ঘোষণা করা হবে। নির্বাচনকে সামনে রেখে জোট সম্প্রসারণের ব্যাপারে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আরও বলেন,জোট গঠনের বিষয়ে আমাদের দফায় দফায় বসতে হবে। এখন আমাদের এঙ্গেজ থাকার কোনো সুযোগ নেই।
সব দল একমত হলে তফসিল পেছানো যেতে পারে: সিইসি
অনলাইন ডেস্ক: প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, এখন পর্যন্ত তফসিল পেছানোর সুযোগ নেই। ৭ তারিখে (নভেম্বর) বিষয়টি আমরা আমলে নেবো। তবে সকল রাজনৈতিক দল একমত হলে সেক্ষেত্রে সংবিধানের মধ্যে থেকে তফসিল পেছানো যেতে পারে। মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ইটিআই ভবনে এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ কথা বলেন। কে এম নূরুল হুদা বলেন, সব রাজনৈতিক দলগুলোর মতামতের ভিত্তিতে এবং সংবিধানের আলোকে নির্বাচন করতে হবে। সেক্ষেত্রে জানুয়ারি মাসে বিভিন্ন প্রোগ্রাম রয়েছে। বিশ্ব ইজতেমা রয়েছে জানুয়ারি মাসে ১৫ থেকে ২৬ তারিখ দুই দফায় ইজতেমা হবে। তখন সেখানে সারা দেশ থেকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজনকে নিয়োগ করতে হয়। তাই এর মধ্যে নির্বাচন করা সম্ভব হবে না। সংসদ নির্বাচনে ইলেক্ট্রনিক্স ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের বিষয়ে তিনি বলেন, এবার স্বল্প পরিসরে ইভিএম ব্যবহার করা হবে।
আধুনিক জাতি গড়তে স্কাউটিং গুরুত্বপূর্ণ: রাষ্ট্রপতি
অনলাইন ডেস্ক: স্কাউটরা চেঞ্জ মেকার এমন মন্তব্য করে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেছেন, ‘আমার দৃঢ় বিশ্বাস ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আধুনিক, প্রগতিশীল ও সৃজনশীল জাতি হিসেবে গড়ে তুলতে স্কাউটিং কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এজন্য যোগ্য নেতৃত্ব তৈরিতে স্কাউটদের স্বতস্ফূর্তভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে সোমবার বাংলাদেশ স্কাউটস- এর জাতীয় কাউন্সিলের ৪৭তম বার্ষিক সাধারণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এসময় নতুন প্রজন্মকে আদর্শ ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পাড়া, মহল্লাসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কমিউনিটিভিত্তিক স্কাউটিং চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। রাষ্ট্রপতি তার ভাষণে বলেন,সমাজে স্বার্থপরতা, হিংসা, লোভ ও নৈতিকতার অবক্ষয় শিশু-কিশোরদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মৌলবাদ ও প্রযুক্তির অপব্যবহারও তরুণদের বিপথে পরিচালিত করতে ভূমিকা রাখছে। এতে অনেক সম্ভাবনাময় প্রতিভা অকালে ঝরে যাচ্ছে। এ অবস্থা থেকে তরুণদের মুক্ত রেখে তাদের মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে স্কাউট আন্দোলন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। আবদুল হামিদ বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাকে আধুনিক বিজ্ঞান এবং তথ্য-প্রযুক্তির ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এ জন্য শিশু-কিশোর ও যুবকদের নৈতিক ও ব্যবহারিক শিক্ষার পাশাপাশি দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। পরোপকারী ও স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে একজন স্কাউট সবার স্নেহ ও ভালোবাসা অর্জন করতে পারে। লেখাপড়ার পাশাপাশি স্কাউটরা দুর্যোগকালীন দ্রুত সাড়াদান, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করণে অবদান এবং জঙ্গিবাদ ও মাদকবিরোধী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ, স্বাস্থ্যসেবা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ক্যাম্প, স্যানিটেশন, বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ রক্ষার মতো বিভিন্ন সমাজ গঠনমূলক কাজে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। স্কাউটরা যাতে মুক্তিসংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নিজেদের মধ্যে ধারণ করতে পারে স্কাউট নেতাদের সে লক্ষ্যে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। বাংলাদেশ স্কাউটসের বর্তমান সদস্য ১৭ লাখ থেকে ২১ লাখে উন্নীত করতে বাংলাদেশ স্কাউটস ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজিক প্লান-২০২১ বাস্তবায়ন প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন রাষ্ট্রপতি। সাম্প্রতিককালে স্কাউট আন্দোলনে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন স্কাউট পদকপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানান তিনি। আধুনিক স্কাউট আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা রবার্ট স্টিফেনসনস স্মিথ ব্যাডেন পাওয়েল (ব্যাডেন-পাওয়েল, বিপি)-এর উক্তি ‘ট্রাই অ্যান্ড লিভ দিস ওয়ার্ল্ড এ লিটল বেটার দেন ইউ ফাইন্ড উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন,আমার বিশ্বাস বিশ্ব স্কাউট আন্দোলনের অনুসরণে স্কাউটরা দেশের উন্নয়নে অধিক অবদান রাখবে। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ স্কাউটসের প্রেসিডেন্ট মো. আবুল কালাম আজাদ, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ স্কাউটসের প্রধান জাতীয় কমিশনার এম মোজাম্মেল হক খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
নৌবাহিনী হবে আরও শক্তিশালী ক্ষমতায় ফিরলে
অনলাইন ডেস্ক: টানা তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় ফিরতে পারলে নৌবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নৌবাহিনীকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে তার সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার নৌবাহিনীর একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে এই প্রথম কোনো নৌঘাঁটির কমিশনিং করা হয়। অনুষ্ঠানস্থল থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ঢাকা, খুলনা ও চট্টগ্রামে নৌবাহিনীর ২২টি বহুতল ভবন উদ্বোধন, সাভারে বিএন টাউনশিপের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং ভিডিও কনফারেন্সে স্থানীয় এরিয়া কমান্ডার, নৌবাহিনী কর্মকর্তা এবং তাদের সহধর্মিনীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। সাভারে চীনা কোম্পানি এই বিএন টাউনশিপ নির্মাণ করবে। এর আওতায় ১০টি ২৭ তলা এবং ১২টি ২৬ তলা অত্যাধুনিক সুবিধা সম্বলিত আবাসিক ভবন নির্মিত হবে। প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ক্রমবিকাশ এবং জাতি গঠনে তাদের ঐতিহাসিক ভূমিকা নিয়ে প্রকাশিত বাংলাদেশ নেভি ইন দি টোয়েন্টি ফাস্ট সেঞ্চুরি শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল নিজাম উদ্দিন আহমেদসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। বিএনএস শেখ মুজিবের কমান্ডিং অফিসার মইনুদ্দিন মালিক প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে কমিশনিং ফরমান গ্রহণ করেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী এই নতুর নৌঘাঁটিতে পৌঁছলে তাকে রাষ্ট্রীয় সালাম জানানো হয় এবং এ সময় জাতীয় সংগীত বাজানো হয়। প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে বলেন, বানৌজা শেখ মুজিব ঘাঁটি নিজস্ব অপারেশনাল কর্মকাণ্ডের পাশপাশি জনকল্যাণ এবং জাতীয় দুর্যোগ মোকাবেলায় বিশেষ ভূমিকা পালন করবে। তিনি বলেন, ঢাকা নৌঅঞ্চলে নৌবাহিনী সদরদপ্তর, একটি ছোট ঘাঁটি ব্যতীত আর কোনো স্থাপনা আগে ছিল না। কাজেই ২০০৯ থেকে ২০১৮ এই সময়ের মধ্যে এই নৌবাহিনীকে বিভিন্নভাবে আমরা শাক্তিশালী করেছি এবং আন্তর্জাতিকমানের উপযুক্ত করেছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি নৌবাহিনীর সদস্যবৃন্দকে বলবো, নৌবাহিনীতে দীর্ঘদিন যাবত মাসম্পন্ন প্রশিক্ষণ স্থাপনা, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং নাবিকদের আবাসিক ভবন ছিল না, তাদের তীব্র সংকটের মধ্যদিয়ে দিন যাপন করতে হয়েছে এবং আজকে যে সমস্যাটির কিছুটা হলেও সমাধান হয়েছে এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং খুলনা নৌ অঞ্চলে আমরা এ সংক্রান্ত প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছি। তিনি নৌবাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা চাই যারা আমার দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের জন্য কাজ করবেন, যারা স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের অতন্ত্র প্রহরী, তারা এবং তাদের পরিবারবর্গ সুন্দরভাবে বসবাস করবেন, সুন্দরভাবে জীবন যাপন করবেন এবং আন্তরিকতার সঙ্গে দেশের জন্য কাজ করবেন-সেটাই আমাদের লক্ষ্য। শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা চেয়েছিলেন একটি আধুনিক উন্নত বাংলাদেশ গড়তে এবং একটি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের উপযোগী সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলতে। তাই তিনি সশস্ত্র বাহিনীর একটা প্রতিরক্ষা নীতিমালা তৈরি করে দিয়ে গিয়েছিলেন। শেখ হাসিনা সে সময়ের কথা স্মরণ করে বলেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ সীমিত অর্থ, একটা টাকাও কোর রিজার্ভ মানি ছিল না, গোলায় ধান ছিল না, তারওপর এককোটি মানুষ শরণার্থী, তিন কোটি মানুষ গৃহহারা লাখো মা-বোন নির্যাতিতা, আহত মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ পরিবার-তাদের পুনর্বাসন এবং একটি বিধ্বস্ত দেশকে গড়ে তোলার মতো কঠিন দায়িত্ব পালনের সাথে সাথে তিনি এই নৌবাহিনীও গড়ে তোলেন। তিনি নৌবাহিনীর প্রতিটি সদস্যের জীবনমানের উন্নয়ন কামনা করে যেসব স্থাপনা করা হয়েছে সেগুলো রক্ষণাবেক্ষণে সবার প্রতি যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানান।
সংলাপ শেষে সংবাদ সম্মেলন করবেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী: ওবায়দুল কাদের
অনলাইন ডেস্ক: আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শেষে সংবাদ সম্মেলন করবেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান। বলেন,সংলাপ শেষে প্রধানমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলন করবেন। সম্ভবত ৮ তারিখ বা ৯ তারিখ (নভেম্বর)। কী দাঁড়ালো, এত দলের সাথে ডায়লাগ হচ্ছে, ডায়লগের রেজাল্ট কী, ফলাফলটা কি সে সম্পর্কে নেত্রী নিজেই প্রেস কনফারেন্সে জানাবেন। গত ১ নভেম্বর ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে বিএনপিসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে আলোচনার মধ্য দিয়ে সংলাপ শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। পরদিন তিনি বসেন সাবেক রাষ্ট্রপতি একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর যুক্তফ্রন্টের সঙ্গে। এক দিন বিরতির পর রবিবার রাতে প্রধানমন্ত্রী আলোচনা করেন ক্ষমতাসীন জোটের শরিক ১৪ দলের নেতাদের সঙ্গে। আজ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ তার দল ও জোটের ৩২ নেতাকে নিয়ে যাচ্ছেন গণভবনে। মঙ্গলবার দুপুরে কওমি মাদ্রসাকেন্দ্রিক রাজনৈতিক দল ইসলামী ঐক্যজোট এবং সন্ধ্যায় সিপিবির নেতৃত্বে আটদলীয় বাম জোটকেও আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আবার প্রথম দফা সংলাপ শেষে বুধবার সকালে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আবারও আলোচনার জন্য সময় পেয়েছে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। আর পরদিন ঘোষণা করা হবে আগামী জাতীয় নির্বাচনের তফসিল। আলোচনায় অংশ নেওয়া দলগুলোর দাবি কতটুকু মেনে নেওয়া হবে এমন প্রশ্নে কাদের বলেন,দাবি তো আমরা দুই-তিনটি মেনে নিয়েছি। আমরা কোন কোন বিষয়ে ঐক্যমত হতে পারি তা প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে পরিস্কার করা হয়েছে। আমরাও বলেছি এই এই বিষয়ে দাবি মানতে আমাদের কোন আপত্তি নেই। কিছু কিছু বিষয় আছে তা নির্বাচন কমিশনের বিষয়। যেমন বিদেশি পর্যবেক্ষক। এ বিষয়ে ইলেকশন কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে। এখানে সরকার কোনবাধা দেবে না। গত ১ নভেম্বরের সংলাপ শেষে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আগামী বুধবার আবার সংলাপে বসতে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। আর সংবিধানের ভেতরে থেকেই কীভাবে সংসদ ভেঙে ভোট করা যায়, সেই যুক্তি তুলে ধরার কথা জানিয়েছেন নেতারা। ওবায়দুল কাদের বলেন, সংবিধানের ভেতরে আর কোন পরিবর্তনের পক্ষে যক্তিসংগত কোন প্রস্তাব করেন তা গ্রহণ করার মতো হলে তা আলাপ আলোচনার মধ্য দিয়ে সমাধান করা হবে। বিষয়টি নিয়ে আইনজ্ঞ শাহদীন মালিকের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা। আর শাহদীন দাবি করেছেন, সংবিধানেই সংসদ ভেঙে নির্বাচনের সুযোগ আছে। এ বিষয়ে এক প্রশ্নে কাদের বলেন,দেখুন দুনিয়ার সব দেশে যেভাবে হয় বাংলাদেশে তার ব্যতিক্রম হবে না। এক্যফন্ট যেটা বলেছে, সংসদ নিষ্ক্রিয় করে দিতে হবে। সেটা হবে। সংসদ সদস্যদের কোন কার্যকারিতা থাকবে না। সংবিধান বহির্ভূত কোন দাবি তারা করবে না বলে আমি মনে করি। সংবিধানের বাইরে কোন দাবি মেনে নেওয়ার সুযোগ এই মহূর্তে নেই- যোগ করে কাদের। সংলাপ ভাবনার অতীত ছিল কাদেরের এক প্রশ্নে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রধানমন্ত্রী যে আলোচনায় বসবেন, সেই সিদ্ধান্তের কথা শুনে তিনি হতবাক হয়েছেন। বিএনপি, যুক্তফ্রন্ট ও ঐক্যফ্রন্ট ছাড়াও অন্যান্য দলের সঙ্গে আওয়ামী লীগ সংলাপের পক্ষে ছিল না। কিন্তু আমাদের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দূরদর্শিতার মাধ্যমে সংলাপের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিষয়টি দলমত নির্বিশেষে দেশের অধিকাংশ মানুষ পছন্দ করেছেন।’ প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার আগে আমরা ভাবতেও পারিনি আলোচনা হবে। আমরা তার মুখে শুনে অবাক হয়েছি। আমাদের লিডারের সিদ্ধান্তের প্রতি আমাদের আস্থা শতভাগ। আমরা একযোগে এখন ডাইলোগের পক্ষে কথা বলছি। নেত্রী যা বলবেন আমরা সেটাকেই গুরুত্ব দেব। শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা পাবলকি পারসেপশনকে ইগনোর করতে পারি না। আমারা জনগণের মনে যাতে সংশয় তৈরি না হয় সেকারণে আমি অতীতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করে সরকার প্রধান হিসেবে ডায়লগের উদ্যোগ নিয়েছি। ড. কামাল হোসেনর প্রস্তাবকে গুরুত্ব দিয়েছি। এমনকি অন্যদেরও আবেদনকে গুরুত্ব দিয়েছি। সরকার সম্পূর্ণরুপে উৎফুল্ল জানিয়ে কাদের বলেন, ঐক্যফন্টের লোকেরাই একেকজন একেক কথা বলছেন। ঐক্যফন্টের প্রধান বলেছেন, ভাল আলোচনা হয়েছে। আবার তাদেরই অনেকে বলে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়নি।
সর্বোচ্চ ৩৯ প্রকল্প এক দিনে অনুমোদন
অনলাইন ডেস্ক: জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে আজ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে ৩৯ প্রকল্প। একনেকের এক বৈঠকে এটাই সর্বোচ্চ প্রকল্প ওঠানোর রেকর্ড। আজকের উপস্থাপিত ৩৯টি (নতুন ও সংশোধিত) প্রকল্পের মোট ব্যয় ৮৬ হাজার ৬৮৬ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে জিওবি ৬৬ হাজার ৪৬৬ কোটি ৫১ লাখ টাকা, সংস্থার নিজস্ব তহবিল ৩১৩ কোটি ২১ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক প্রকল্প সাহায্য ১৯ হাজার ৯০৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা। রবিবার রাতে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একনেক সভায় প্রকল্পগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়। সভা শেষে রাত আটটায় প্রকল্পগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। গত মঙ্গলবার একনেক সভা অনুমোদন দিয়েছে ২৪টি উন্নয়ন প্রকল্প। চার দিন পর আজ আরও ৩৯ প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়। এত দ্রুত এত প্রকল্প অনুমোদন দেয়া কি জাতীয় নির্বাচনে তফসিল ঘোষণা সামনে রেখে- এমন প্রশ্নের জবাবে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন অব্যাহত রাখতেই এ প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। আর কোনো একনেক সভা হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, আইনে বাধা না থাকলে নির্বাচনের আগের দিন পরযন্ত একনেক সভা হবে। মন্ত্রী বলেন,প্রকল্প এলেই আমরা অনুমোদন দিব, এখন আর মঙ্গলবার দিন দেখে একনেক সভা হবে না। যেকোনো দিন সভা হবে। আগামী বৃহস্পতিবার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তারিখ চূড়ান্ত করছে নির্বাচন কমিশন। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের সময় সাধারণত বেসরকারি বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ করেন না। এ সময় সরকারি বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন। তাছাড়া আমরা উন্নয়নের মাধ্যমে এমন পথ তৈরি করতে চাই, যাতে বেসরকারি বিনিয়োগকারীরা ওই পথেই হাঁটতে পারেন। পরিবেশ তৈরি ও অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে তাদের বিনিয়োগ করতে উৎসাহ দেয়া হবে। নির্বাচন চলবে, আবার উন্নয়নও হবে। পরিকল্পনামন্ত্রী আরও বলেন, পল্লী অবকাঠামো, দারিদ্র্য বিমোচন এবং গ্রামীণ সড়ক নির্মাণে বেশ কিছু প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, বৃহত্তর ঢাকার পল্লী অবকাঠামো উন্নয়নে আলাদা আলাদা প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। তিন পার্বত্য জেলার ক্ষতিগ্রস্ত পল্লী সড়ক অবকাঠামো উন্নয়ন, কুড়িগ্রাম ও জামালপুরে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন, গ্রামীণ সড়কে ১৫ মিটার দৈর্ঘ্য সেতু-কালভার্ট নির্মাণ, গ্রামীণ মাটির রাস্তাগুলো টেকসই করতে হেরিংবোন এবং গ্রাম সড়ক উন্নয়নের প্রকল্পগুলোও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। এ ছাড়া কুমিল্লা জেলার পাঁচটি পৌরসভা, ফরিদপুর শহরের টেপাখোলা লেক উন্নয়ন, টাঙ্গাইল জেলার অবকাঠামো উন্নয়ন, সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপন, জয়দেবপুর থেকে ঈশ্বরদী পর্যন্ত ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণের নতুন প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে আজকের একনেকে। পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, ঢাকায় কর্মরত পুলিশের সব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের আবাসিক ভবন নির্মাণ এবং অভিযানে সক্ষমতা বাড়াতে যানবাহন ক্রয়সহ মোট পাঁচ প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে পুলিশ বিভাগে।
আগামী ৮ নভেম্বর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা
অনলাইন ডেস্ক: আগামী ৮ নভেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী। রোববার রাতে ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি। শাহাদাত হোসেন চৌধুরী বলেন, ৮ নভেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবেন। তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচনের জন্য কতদিন সময় থাকবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্ট্যান্ডার্ড টাইম মেইনটেইন করা হবে। নরমালি যে সময় দেয়া হয় সে রকম ৪৫ দিনের কাছাকাছি সময় দেয়া হবে। তিনি বলেন, অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা ও ইভিএম বিধিমালা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এখন পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।
ব্যারিস্টার হুদার দলকে নিবন্ধন দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ
অনলাইন ডেস্ক: ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার নেতৃত্বাধীন তৃণমূল বিএনপিকে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন দেওয়ার নির্দেশনা এসেছে হাই কোর্টের এক রায়ে। রোববার এ সংক্রান্ত রুল যথাযথ ঘোষণা করে বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো. সোহরাওয়ার্দীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। নাজমুল হুদা নিজেই আদালতে রুলের ওপর শুনানি করেন, সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী আশানুর রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আমাতুল করিম। আর নির্বাচন কমিশনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী তৌহিদুল ইসলাম। এছাড়া আদালতের নির্দেশে এই রুলের শুনানিতে অ্যামিকাস কিউরি (আদালত বন্ধু) হিসেবে প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এফ হাসান আরিফ, প্রাক্তন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এম কে রহমান ও শাহদীন মালিক অংশ নেন। এর আগে গত ১৪ আগস্ট রাজনৈতিক দল হিসেবে ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার নেতৃত্বাধীন দল তৃণমূল বিএনপিকে নিবন্ধন দেওয়া কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। নাজমুল হুদা জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করা হয়নি, চালান জমা দেওয়া হয়নি উল্লেখ করে তিনটি কারণ দেখিয়ে তৃণমূল বিএনপির নিবন্ধন না করার সিদ্ধান্ত সম্বলিত একটি নোটিশ গত ১৪ জুন নির্বাচন কমিশন দলটিকে পাঠায়। ওই নোটিশটি চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করা হয়। রিটের শুনানি নিয়ে আদালত এ রুল জারি করেন। -আলোকিত বাংলাদেশ

জাতীয় পাতার আরো খবর