শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২০
ইউএনওর ওপর হামলাকারী দুইজন, চেহারা অস্পষ্ট
০৩সেপ্টেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমের ওপর হামলাকারী দুইজন। তারা দুইজনেই কম বয়সী। বাসভবনের সিসিটিভি ফুটেজে দুইজনের উপস্থিতির বিষয়টি দেখা গেলেও তাদের চেহারা অস্পষ্ট। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসাইন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই ইউএনওর শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। তিনি বলেন, বাসার সামনের সিসিটিভি ফুটেজে হালকা গড়নের কমবয়সী দুইজনকে প্রবেশ করতে দেখা গেছে। তবে তাদের চেহারা অস্পষ্ট, চেনা যাচ্ছে না। তারা ইউএনওকে হাঁতুড়ি জাতীয় কিছু দিয়ে আঘাত করেছে বলে মনে হচ্ছে। জড়তিদের গ্রেফতারে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, স্থানীয় পুলিশ সুপার আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। আশা করছি, খুব দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেফতার সম্ভব হবে। তিনি বলেন, চিকিৎসাধীন ওয়াহিদা খানমের সেন্স আছে এবং স্পষ্ট কথা বলতে পারছেন। তিনি হামলাকারী কাউকে চিনেন না বলে জানিয়েছেন। তার ভাষ্যমতে, কারো সঙ্গে কোন ধরনের শত্রুতা ছিলো না। এখন পর্যন্ত হামলার কারণটি অস্পষ্ট। তদন্ত চলছে, হামলাকারীদের বের করার চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি। ইউএনওদের নিরাপত্তার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইউএনওদের নিরাপত্তার বিষয়ে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। আশা করছি, আগামী সপ্তাহের মধ্যে ইউএনওদের বাসভবনে নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য আনসার সদস্য মোতায়েনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে।
ধামরাইয়ে সাংবাদিককে ছুরিকাঘাতে হত্যা: সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি বিএমএসএফর
০৩সেপ্টেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকার ধামরাই উপজেলায় কর্মরত বেসরকারি বিজয় টেলিভিশনের জুলহাস উদ্দিন (৩৫) নামে এক সাংবাদিককে পেটে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় গভীর শোক তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির নেতৃবৃন্দ। এক বিবৃতিতে বিএমএসএফর সভাপতি শহীদুল ইসলাম পাইলট ও সাধারণ সম্পাদক এবং সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সমন্বয়কারী আহমেদ আবু জাফর। ঘটনার সাথখে জড়িত সকল আসামিদের গ্রেফতার করে দ্রুত বিচার করে দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করেন। উল্লেখ্য, আজ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়নের বারবারিয়া গ্রামের কালী মন্দিরের পাশে এ ঘটনা ঘটে। এঘটনায় স্থানীয়রা দুজনকে আটক করে পৃলিশে দিয়েছে। নিহত জুলহাস উদ্দিন ধামরাই উপজেলার গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ হাতকোরা গ্রামের মৃত রইস উদ্দিনের ছেলে। গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের মেম্বার রবিউল আওয়াল হাসু বলেন, দুপুরের দিকে এক ব্যক্তি তাকে ছুরিকাঘাত করে। পরে মানিকগঞ্জের সদর হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধামরাই থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) কামাল হোসেন। তিনি বলেন, তার মারা যাবার খবর পেয়েছি। আমরা ঘটনাস্থলে যাচ্ছি।
শপথ নিলেন দুই বিচারপতি
০৩সেপ্টেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে নিয়োগপ্রাপ্ত নতুন দুই বিচারপতি শপথ নিয়েছেন। দুই বিচারপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে চারটায় সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে তাদের শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়। দুই বিচারপতি হলেন, বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। এর আগে বুধবার দুই বিচারপতির নিয়োগের বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি হাইকোর্ট বিভাগে কর্মরত দু'জন বিচারককে তাদের শপথের তারিখ থেকে আপিল বিভাগের বিচারক নিয়োগ করেছেন। বিচারপতি তারিক উল হাকিম: ১৯৫৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর জন্ম নেওয়া এই বিচারপতির বাবাও ছিলেন বিচারপতি। নাম বিচারপতি মাকসুম উল হাকিম। বিচারপতি তারিক উল হাকিম ইংল্যান্ড থেকে ব্যারিস্টারি ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৭ সালে জেলা আদালত এবং ১৯৮৯ সালে হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০২ সালের ২৯ জুলাই তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি এবং ২০০৪ সালের ২৯ জুলাই স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। বিচারপতি ওবায়দুল হাসান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসএস, এমএসএস ও এলএলবি ডিগ্রি অর্জনের পর বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ১৯৮৬ সালে জেলা আদালত, ১৯৮৮ সালে হাইকোর্ট বিভাগ এবং ২০০৫ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০৯ সালের ৩০ জুন তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি এবং ২০১১ সালের ৬ জুন স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। এই বিচারপতি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এরও চেয়ারম্যান ছিলেন। সবশেষ ২০১৮ সালের ৮ অক্টোবরে আপিল বিভাগে তিন জন বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এখন এই দু'জন নিয়োগের পর আপিল বিভাগের বিচারপতি হলেন মোট আট জন।
অ্যাডমিরাল Rank ব্যাজ পরলেন নৌবাহিনী প্রধান
০৩সেপ্টেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভাইস অ্যাডমিরাল থেকে পদোন্নতি পেয়ে অ্যাডমিরাল Rank ব্যাজ পরলেন নৌবাহিনী প্রধান এম শাহীন ইকবাল। বৃহস্পতিবার (০৩ সেপ্টেম্বর) গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে নৌবাহিনী প্রধানকে Rank ব্যাজ পরিয়ে দেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ ও বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত। নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম শাহীন ইকবাল, এনবিপি, এনইউপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি গত ২৫ জুলাই ২০২০ তারিখে বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে দ্বায়িত্বভার গ্রহণ করেন। তিনি ০১ জুন ১৯৮০ তারিখে বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে যোগদান করেন এবং ০১ ডিসেম্বর ১৯৮২ তারিখে এক্সিকিউটিভ শাখায় কমিশন লাভ করেন। দীর্ঘ এবং সুপরিচিত ৪০ বছরের কর্মজীবনে অ্যাডমিরাল এম শাহীন ইকবাল দৃষ্টান্তমূলক সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শন করেছেন। তিনি নৌবাহিনী ফ্রিগেটসহ সকল শ্রেণির জাহাজ ও গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি কমান্ড করেন এবং নৌবাহিনী সদর দপ্তর, আঞ্চলিক কমান্ডার ও বিভিন্ন বহিঃসংস্থার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অত্যন্ত দক্ষতা ও সফলতার সাথে পালন করেন। চাকরি জীবনে অ্যাডমিরাল শাহীন ইকবাল দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ ও সামরিক কৌশলগত শিক্ষা অর্জন করেন। এছাড়া জাতীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে অ্যাডমিরাল এম শাহীন ইকবাল বিশেষ অবদান রাখেন ও আন্তর্জাতিক মেরিটাইম পরিমণ্ডলে একাধিকবার বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। অ্যাডমিরাল এম শাহীন ইকবাল তার অসামান্য একাডেমিক সাফল্য ও পেশাদারিত্বের জন্য নৌবাহিনীর সর্বোচ্চ পদক (এনবিপি) এবং নৌ উৎকর্ষ পদক (এনইউপি)-তে ভূষিত হন।
হিন্দু বিধবারা স্বামীর সম্পদের ভাগ পাবেন- ঐতিহাসিক রায় হাইকোর্টের
০২সেপ্টেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বী বিধবা নারীরা উত্তরাধিকারী হিসেবে স্বামীর সব সম্পত্তির ভাগ পাবেন- এমন ঐতিহাসিক রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ক একটি মামলার চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাইকোর্টের বিচারপতি মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরীর একক বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। বিধবারা স্বামীর কৃষি জমির ভাগ পাওয়ার অধিকার রাখে না দাবি করে ১৯৯৬ সালে খুলনার একটি আদালতে মামলা করেন এক নারীর দেবর জ্যোতিন্দ্রনাথ মন্ডল। বিচারিক আদালত সে সময় ওই মামলার রায়ে বলেন, বিধবারা স্বামীর অ-কৃষি জমিতে অধিকার রাখলেও কৃষি জমির অধিকার রাখেন না। পরে ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করা হয়। পরে উভয়পক্ষের দীর্ঘ শুনানি এবং বিশেষজ্ঞ আইনজীবীদের মতামত নিয়ে হাইকোর্ট তার রায়ে বলেন, হিন্দু বিধবা নারীরা অকৃষি জমির মতো স্বামীর কৃষি জমিসহ সব সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হিসেবে বিবেচিত হবেন। বাংলাদেশের সংবিধানে নারী-পুরুষের সমান অধিকারের কথা বলা হয়েছে। এমনকি নারী নীতিতেও সমান অধিকারের কথা বলা হলেও সম্পত্তিতে এ দেশের হিন্দু নারীর উত্তরাধিকারকে এতোদিন অস্বীকার করা হয়েছে।
সিনহা হত্যার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হতে হবে: সেনাপ্রধান
০২সেপ্টেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যাকাণ্ডকে জঘন্য ও নৃশংস্যতম হত্যাকাণ্ড উল্লেখ করে এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রত্যাশা করেছেন সেনা প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ। বুধবার চট্টগ্রাম সেনানিবাসে ৬ টি ইউনিটের রেজিমেন্টাল কালার প্রদান অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ ঘটনায় আলাদাভাবে সরকারের কাছে কোন সুপারিশ করবে না সেনাবাহিনী। অত্যন্ত নৃশংস এবং জঘন্যতম একটি ঘটনা ঘটেছে। সেটার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হতে হবে। তিনি বলেন, আমি আশা করতে চাই ঘটনার তদন্ত সুষ্ঠু হবে এবং ঘটনার প্রকৃত অপরাধীর উপযুক্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হবে। যাতে ভবিষ্যতে সেনা বাহিনীর কর্মরত বা অবসরপ্রাপ্ত কারও সঙ্গে এ ধরণের ঘটনা না ঘটে। তিনি বলেন, এই ধরণের একটি ঘটনা নিয়ে কেউ যদি অন্য কিছু করার চেষ্টা করে সেটা কাঙ্খিত নয়। গত ৩১শে জুলাই রাতে কক্সবাজারের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান নিহত হন। এ সময় সিনহার সহকর্মী সিফাতকে আটক করে পুলিশ। পরে নীলিমা রিসোর্ট থেকে তাদের আরেক সহকর্মী শিপ্রা দেবনাথকে আটক করা হয়। পুলিশের দায়ের করা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে তারা জামিনে মুক্ত হন। সিনহা নিহত হওয়ার ঘটনায় তার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলার তদন্ত করছে Rab। মামলার প্রধান আসামি বরখাস্ত হওয়া ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলী ও এএসআই নন্দদুলাল রক্ষিত স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার অন্যতম আসামি টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে চার দফা রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনা তদন্তে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে কাজ করছে।
জন্মদিন পালনের প্রস্তাব গ্রহণ করছি না: প্রধানমন্ত্রী
০২সেপ্টেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন। সীমিত আকারে জন্মদিন উদযাপন করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তবে শেখ হাসিনা সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেননি। আজ বুধবার ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দলীয় সভাপতির সঙ্গে ভার্চুয়াল আলোচনার শুরুতের সভার সভাপতি ওবায়দুল কাদের বৈঠকের এজেন্ডা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। আওয়ামী লীগ সভাপতিকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা আমাদের সভাপতির একটা গাইডলাইন চাই। আমরা নিজেরা কিছু বিষয় আলোচনা করেছি। এর মধ্যে রয়েছে- আমাদের যেসব জেলা, মহানগর ও সহযোগী সংগঠনের সম্মেলন হয়েছে, সেগুলোকে আগামী ১৫ তারিখের মধ্যে আপনার অফিসে (সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়, ধানমণ্ডি) পূর্ণাঙ্গ কমিটি জমা দেয়ার নির্দেশনা দিয়েছি। আরেকটি হলো এই সময়ের মধ্যে প্রত্যেক সম্পাদককে চেয়ারম্যানের সঙ্গে পরামর্শ করে ৩৫ সদস্য বিশিষ্ট উপ-কমিটি গঠনের সুপারিশ তৈরি করেছি, সিদ্ধান্ত নেয়ার মালিক আপনি। তিনি আরো বলেন, আর আমরা সীমিত আকারে সাংগঠনিক কর্মসূচি তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত পালন করার জন্য একটি নির্দেশনা দিচ্ছি। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর আপনার জন্মদিন। এটা আমরা খুব সীমিত আকারে পালন করবো। এটা প্রতিবছরই করে থাকি। আপনি না বললেও করবো। জবাবে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, আমার জন্মদিন পালনের প্রস্তাব আমি গ্রহণ করছি না। বাকিগুলোর মধ্যে সাব-কমিটিগুলো পূর্ণাঙ্গ করার সিদ্ধান্ত খুবই ভালো। এটা করা উচিত। যাতে সাব-কমিটিগুলো বসতে পারে। বিষয়ভিত্তিক সেমিনার করা, আলোচনা করা। আগামী দিনে আমাদের ভবিষ্যত কর্মসূচি সেগুলো ঠিক করা। সাব কমিটিগুলো এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে পারবে।
প্রণব মুখার্জির জন্য রাষ্ট্রীয় শোক পালন করছে বাংলাদেশ
০২সেপ্টেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির মৃত্যুতে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বুধবার (২সেপ্টেম্বর) এক দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হচ্ছে বাংলাদেশে। রাষ্ট্রীয় শোক পালনের অংশ হিসেবে এদিন বাংলাদেশের সব সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ প্রার্থনা করা হবে। এর আগে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করে।

জাতীয় পাতার আরো খবর