১৫-১৭ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ইজতেমা: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে আগামী ১৫, ১৬ ও ১৭ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আবদুল্লাহ। বৃহস্পতিবার তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন। খবর ইউএনবির। সচিবালয়ে তাবলিগ জামাতের দু'পক্ষের মধ্যে এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন, আগামী ১৫ থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সবাইকে নিয়ে বসে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আলাদা করে দুটি ইজতেমার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এবার আর কোনো বিষয়ে দুই থাকবে না। এবার কোনো দুই শব্দ আমরা রাখতে চাচ্ছি না। এর আগে বুধবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে তাবলিগের দু'পক্ষের বৈঠকে তাদের মধ্যকার বিরোধের আপাত অবসান হয়। বৈঠকের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী যৌথভাবে জানিয়েছিলেন, চলতি বছর ইজতেমা একটাই হবে। ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ আব্দুল্লাহ ওই সভার সিদ্ধান্ত জানিয়ে বলেছিলেন, আজকের সভার পর ইজতেমা একটাই হবে। কোনো বিভক্তি হবে না। তাবলিগ জামাতের দুই গ্রুপের সঙ্গে এটা বৈঠকের সিদ্ধান্ত হয়েছে। আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান জানিয়েছিলেন, যাকে নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়েছিল ভারতের সেই মাওলানা সাদ কান্দলভি এবারের ইজতেমায় আসছেন না। এতদিন ধরে তাবলিগ জামাতের দুপক্ষ সরকারের সঙ্গে আলাদা আলাদা বৈঠক করেছে। কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শর্ত দিয়েছিলেন আজকের বৈঠকটিতে দু'পক্ষেই থাকতে হবে। সেই শর্ত মেনেই তাবলিগ জামাতের দু'পক্ষের নেতারাই আজ বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, তাবলিগ জামায়াতের বিশ্ব আমির দিল্লির মাওলানা সাদ কান্ধলভি ও নিজামুদ্দীন মারকাজের বিরোধিতা করছেন পাকিস্তানের তাবলিগি নেতৃবৃন্দ। তাই তাবলিগের মূল সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে নিজামুদ্দীন মারকাজের সমান ক্ষমতা দাবি করে আলমি শূরা গঠন করে রাইভেন্ড মার্কাজ। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে অংশদারিত্বের বিবাদে দিল্লি-লাহোর জড়িয়ে পড়লে বিশ্বজুড়েই এর প্রভাব পড়ে। বাংলাদেশে তাবলিগ জামায়াতের প্রধান কেন্দ্র কাকরাইল মসজিদেও ছড়িয়ে পড়ে এ বিভক্তি।
কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেয়া হবে না দুর্নীতিকে
অনলাইন ডেস্ক: দুর্নীতিকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম। বৃহস্পতিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে পিরোজপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ. ম রেজাউল করিম বলেন, কে কোন রাজনৈতিক দল করলেন সেটা আমার কাছে মুখ্য নয়, আমার কাছে মুখ্য হচ্ছে আপনি কতটা সততার সঙ্গে নিষ্ঠার সঙ্গে আপনার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করছেন। আপনি রাজনীতিকে কলুষিত করছেন কিনা জঙ্গিবাদকে প্রাধান্য দিচ্ছেন কিনা, মাদককে প্রশ্রয় দিচ্ছেন কিনা, ইভটিজিংকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন কিনা, দুর্নীতিতে আপনি সম্পৃক্ত কিনা সে জায়গাগুলোই আমার কাছে প্রাধান্য পাবে।
দুর্যোগে ক্ষতি কমাতে জোর প্রধানমন্ত্রীর
অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা দুর্যোগ প্রতিরোধ করতে হয়তো পারব না, কিন্তু আমাদের দূরদর্শী কাজের মাধ্যমে দুর্যোগে যে ক্ষতিসাধন হয়, সেই ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস করতে আমরা পারি। বাংলাদেশে আমরা ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস ও ঝুঁকি প্রশমনের প্রতিই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব আরোপ করেছি। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে দুর্যোগ মোকাবিলায় সমন্বয় কার্যক্রম জোরদারকরণ-সংক্রান্ত রিজিওনাল কনসালটেটিভ গ্রুপের (আরসিজি) দুদিনব্যাপী চতুর্থ সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন শেখ হাসিনা। এ সময় তিনি দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি প্রশমনে প্রতিবেশীসহ বিভিন্ন দেশের সহযোগিতা কামনা করেন। শেখ হাসিনা তাঁর লিখিত বক্তব্যে বলেন, এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় বৃহদাকার মানবিক সংকটের সংখ্যা ক্রমবর্ধমান। তাই আমাদের এ অঞ্চলে মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে অসামরিক-সামরিক সমন্বয়ের প্রাসঙ্গিকতা বৃদ্ধি পেয়েছে। দুর্যোগে সাড়াদানের ক্ষেত্রে অসামরিক এবং সামরিক বাহিনীর সদস্যরা যৌথভাবে বিভিন্ন কার্যক্রমে, বিশেষ করে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানে, মৃতদেহ ও জঞ্জাল ব্যবস্থাপনা বা সড়ক, সেতু মেরামত করতে কাজ করে যাচ্ছেন। আমাদের সার্বিক জাতীয় কৌশলের অংশ হিসেবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা ছাড়াও বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স, বাংলাদেশ পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), আনসার-ভিডিপি, বাংলাদেশ স্কাউটস, বিএনসিসি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। বাংলাদেশকে ২০১৭ সালে এই গ্রুপের সভাপতি মনোনয়ন করায় আমি রিজিওনাল কনসালটেটিভ গ্রুপের সব সদস্য দেশকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে রূপকল্প ২০২১ এবং ২০৪১-এর উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে আমরা জাতীয় স্থিতিস্থাপকতার দিকে অগ্রসর হচ্ছি। মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের জন্য আমাদের জাতীয় কাঠামো অসামরিক-সামরিক সমন্বয়বান্ধব। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন-২০১২-এর আওতায় একটি একীভূত সমন্বয় কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। শেখ হাসিনা আরো বলেন, প্রায় ১১ লাখ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ, অবকাঠামো নির্মাণ, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় অসামরিক-সামরিক সমন্বয়ে পরিচালিত কার্যক্রম, মানবিক সহায়তার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে টেকসই উন্নয়নের একটি নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। সম্প্রতি আমরা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রণয়ন করেছি। এ পরিকল্পনার আয়তায় আগামী একশ বছরে টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। নেদারল্যান্ডস সরকার এই চুক্তিতে আমাদের সঙ্গে আবদ্ধ আছে। আমরা তাদের সঙ্গে আমাদের ডেল্টা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করব। এটি বাস্তবায়িত হলে জলবায়ু পরিবর্তন ঝুঁকি মোকাবিলাসহ দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস পাবে এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বিগত কয়েক বছরে ভূমিকম্পসহ অন্যান্য দুর্যোগ অনুসন্ধান ও উদ্ধারকাজ পরিচালনার জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ২৩৬ কোটি টাকার সরঞ্জাম ক্রয় করে আর্মড ফোর্সেস ডিভিশন ও অন্যান্য সংস্থাকে হস্তান্তর করেছে বলেও উল্লেখ করেন।
সরাসরি ক্রয় পদ্ধতির পরিবর্তে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে চেষ্টা করা হবে সরকারি কেনাকাটা
অনলাইন ডেস্ক: সরকারি কেনাকাটা সরাসরি ক্রয় পদ্ধতির পরিবর্তে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে করার চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থনীতি বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি এবং সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, কমিটিতে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নীতিগত অনুমোদনের জন্য একটি প্রস্তাব এসেছিল। কিন্তু প্রস্তাবটির অনুমোদন দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কমিটমেন্ট, তিনি আর কোথাও অনিয়ম, ব্যত্যয়, ত্রুটি কোনো কাজেই দেখতে চাচ্ছেন না। সরকারি কেনাকাটার বিষয়টি একটি বড় বিষয়। আমরা যদি এ ক্ষেত্রে সঠিক দাম নির্ধারণ করতে না পারি, তাহলে আমাদের অপচয় বাড়বে। সরকারি কেনাকাটায় অনিয়ম, ত্রুটি ও বিচ্যুতি মেনে নেওয়া হবে না। ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কবাজার এবং রামু থেকে ঘুমধুম পর্যন্ত সিঙ্গেল রেললাইন ডুয়েল গেজ ট্র্যাক নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নে পরামর্শক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ডেভেলপমেন্ট ডিজাইন কনসালটেন্টকে ৩৮ কোটি ৫১ লাখ টাকা ব্যয়ে পরামর্শক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ দশ প্রকল্পের এটি অন্যতম। এতদিন জমি অধিগ্রহণ নিয়ে জটিলতা থাকলেও সেটি নিরসন হয়েছে। এখন কাজ নির্দিষ্ট সময়ের আগেই সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। জিওবি ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে এ প্রকল্প ২০২২ সালের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোসাম্মৎ নাসিমা বেগম সাংবাদিকদের জানান, চলতি অর্থবছরে ১৪ লাখ ২০ হাজার টন জ্বালানি তেল আমদানি করার প্রস্তাবসহ মোট ৬ প্রস্তাব সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
আজ ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস
অনলাইন ডেস্ক: আজ ২৪ জানুয়ারি, ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস। পাকিস্তানি সামরিক শাসন উত্খাতের লক্ষ্যে ১৯৬৯ সালের এই দিনে সংগ্রামী জনতা শাসকগোষ্ঠীর দমন-পীড়ন ও সান্ধ্য আইন উপেক্ষা করে মিছিল বের করে। মিছিলে পুলিশের গুলিবর্ষণে নিহত হন নবকুমার ইনস্টিটিউশনের নবম শ্রেণির ছাত্র মতিউর রহমান। জনতার রুদ্ররোষ এবং গণঅভ্যুত্থানের জোয়ারে স্বৈরাচারী আইয়ুব সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান অভিযুক্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সকলকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। পতন ঘটে আইয়ুবের স্বৈরতন্ত্রের। অপশাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে সংগ্রামে তাই ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান আজও দেশের মানুষকে অনুপ্রাণিত করে। ১৯৬৯-এর ৪ জানুয়ারি সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ১১ দফা কর্মসূচি গণঅভ্যুত্থানের পথ সৃষ্টি করেছিল। ২০ জানুয়ারি শহীদ আসাদের রক্তের সিঁড়ি বেয়ে সারাদেশে আন্দোলনের আগুন জ্বলে ওঠে। আর শহীদ আসাদের আত্মদানের পর ২১, ২২ ও ২৩ জানুয়ারি শোক পালনের মধ্য দিয়ে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে গণঅভ্যুত্থানের সৃষ্টি হয়েছিল এই দিনে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এক তাত্পর্যপূর্ণ মাইলফলক। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, বাঙালির মুক্তির সনদ ৬ দফা, পরবর্তীতে ১১ দফা ও ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের পথ বেয়েই রক্তাক্ত সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাঙালি জাতি অর্জন করে মহান স্বাধীনতা। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ায় দায়িত্ব পালনের জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, অপশাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান আজও আমাদের অনুপ্রাণিত করে। তিনি শহীদ মতিউরসহ মুক্তি সংগ্রামের সকল শহীদের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন। কর্মসূচি : দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। শহীদ আসাদ পরিষদও কর্মসূচি নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আজ সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে জমায়েত, বকশীবাজারের নবকুমার ইনস্টিটিউশনে শহীদ মতিউরের স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সোপার্জিত স্বাধীনতার মঞ্চে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। জেপির বিবৃতি : জাতীয় পার্টির (জেপি) চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এমপি এবং দলের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মন্ত্রী শেখ শহীদুল ইসলাম এক বিবৃতিতে গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। নেতৃদ্বয় বলেন, ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান আমাদের গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধের এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এই গণঅভ্যুত্থানের পথ ধরে আমরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হই। আমরা আজ গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি আসাদ, রুস্তম, মতিউর, ড. শামসুজ্জোহাসহ ৬৯-এর সকল শহীদকে।
চলতি বছরে শেষ হচ্ছে গাজীপুর বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটির কাজ
অনলাইন ডেস্ক: দীর্ঘ ২ দশকের অপেক্ষার পর চলতি বছরেই শেষ হচ্ছে গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটির অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ। বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ বলছে, বর্তমানে স্বল্প পরিসরে আইওটি পণ্য তৈরি করছে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। শিগগিরই শুরু হবে ল্যাপটপ ও হার্ডওয়্যার উৎপাদন। তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রীর আশা, ২০৩০ সালের মধ্যেই সফটওয়্যার সহ বিশ্বমানের সব প্রযুক্তি পণ্য তৈরি হবে এই পার্কে। বাংলাদেশকে তথ্যপ্রযুক্তির বৈশ্বিক গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরতে ১৯৯৯ সালে হাইটেক পার্ক স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কিন্তু রাজনৈতিক পট পরিবর্তন ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় পেরিয়ে যায় অনেকটা সময়। অবশেষে ২০০৮ সালে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের প্রথম মেয়াদে হাইটেক পার্ক নির্মাণ কাজে গতি আসে। বর্তমানে কালিয়াকৈরে পাঁচটি ব্লকে ৩৫৫ একর জমির উপর গড়ে উঠছে বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি। দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে বিশ্বের অষ্টম বৃহত্তম ডাটা সেন্টারের নির্মাণ কাজ। সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সুবিধা দিতে স্থাপন করা হয়েছে ৩৩ হাজার ভোল্টেজ ক্ষমতাসম্পন্ন সাবস্টেশন। নির্মিত হয়েছে বিশেষ রেল স্টেশন। এগিয়ে চলছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো নির্মাণ কাজ। প্লট বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে উদ্যোক্তাদের। আমরা কোম্পানিজর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ ফরহাদ আহমেদ বলেন, সাড়ে তিন একরের প্লট আমরা আপাতত পেয়েছি। আমাদের টার্গেট প্রতিমাসে পাঁচ থেকে ছয় লাখ মোবাইল ফোন অ্যাসেম্বলি করা। টেলিফোন অপারেটর রবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহতাব উদ্দিন আহমেদ বলেন, ডিজিটাল অ্যাডভারটাইজিং আমাদের আছে, সেটা এখানে নিয়ে আসার পরিকল্পনা আছে। আমাদের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ডেভেলপমেন্ট হচ্ছে, গ্রুপ লেভেলের অনেক সার্ভিস এখানে আনার চিন্তা করছি। হাইটেক পার্কে বিনিয়োগে উদ্যোক্তাদের জন্য রয়েছে প্রণোদনা ও কর সুবিধা। বর্তমানে ১৮টি দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান হাইটেক পার্কে বিনিয়োগ করেছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক বলেন, ২০১৯ এর মধ্যে সরকারের পার্ক কাজগুলো শেষ হয়ে যাবে। আর ২০৩০ এর মধ্যে পার্ক পূর্ণাঙ্গরুপে চালু হবে। নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে অবশেষে আলোর মুখ দেখছে বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি। বর্তমানে এই পার্কে উৎপাদিত আইওটি ডিভাইস রপ্তানি হচ্ছে সৌদি আরবসহ বিশ্বের কয়েকটি দেশে। ২০৩০ সাল নাগাদ বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটিতে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ হবে বলে প্রত্যাশা সরকারের। এতে কর্মসংস্থান হবে এক লাখ তরুণ-তরুণীর।
ছাড়িয়েছে চা উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা
অনলাইন ডেস্ক: চা উৎপাদনে গত বছর লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হলেও এবার লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এই সফলতা। তবে সেচ যন্ত্রসহ চা-সামগ্রী আমদানিতে সরকারি সহায়তা বাড়ালে উৎপাদন কয়েকগুণ বাড়বে বলে জানান শ্রীমঙ্গলের চা ব্যবসায়ীরা। দেশের চায়ের রাজধানী শ্রীমঙ্গল উপজেলায় রয়েছে ৪০টি চা-বাগান। চা-পাতা তোলার মৌসুম শেষ হয়েছে অক্টোবরে। বাগান এখন রুক্ষ, খুব একটা সবুজের দেখা নেই। চা-গাছের উপরের পাতাগুলো কেটে ফেলা হচ্ছে। সবুজ গাছগুলো এখন ধূসর। প্রসেসিং শেষে বৃষ্টি হলেই কুঁড়ি গজাবে, তারপর আবারো শুরু হবে পাতা তোলার মৌসুম। দেড়'শো বছরের চায়ের ইতিহাসে ২০১৬ সালে সর্বোচ্চ ৮ কোটি ৫০ লাখ কেজি চা-উৎপাদন হয়। কিন্তু তার পরের বছরেই উৎপাদন কমে দাঁড়ায় ৭ কোটি ৮০ লাখ কেজিতে নেমে আসে। তবে এবার ইতোমধ্যে ৮ কোটি কেজি চা-উৎপাদন হয়েছে। সিলেটের বাংলাদেশ চা সংসদের চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ শিবলী বলেন, যেসব জায়গায় চা উৎপাদন হতো না। সেসব জায়গাতে মালিকরা চা লাগাচ্ছেন। এবার আগেভাগে বৃষ্টির মৌসুম শেষ হলেও ডিসেম্বরে কিছুটা বৃষ্টি হওয়ায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। হামিদিয়া টি কোম্পানির জেনারেল ম্যানেজার সিরাজুল ইসলাম বলেন, পরিমিত বৃষ্টি, পরিমিত রোদ, পরিমিত আবহাওয়া এগুলো সঠিকভাবে থাকলে উৎপাদন বাড়বে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সেচযন্ত্র আমদানিতে সরকারি সহায়তার পাশাপাশি কম মূল্যে সার, কীটনাশক সরবরাহ ও ক্লোনিং চা গাছ রোপণ করলে দ্বিগুণ বেড়ে যাবে উৎপাদন। সিলেটের বাংলাদেশ চা সংসদের চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ শিবলী বলেন, পুরো বাগানে ইরিগেশন করলে চা উৎপাদন আরও বাড়বে। সরকার কিছু ক্ষেত্রে আমাদের সহায়তার পাশাপাশি কম মূল্যে সার, কীটনাশক সরবরাহ করলে আমরা উপকৃত হব। স্বাধীনতার সময় দেশে চা-বাগানের সংখ্যা ছিল ১৫০টি। তখন ৩ কোটি কেজির মতো উৎপাদন হতো। বর্তমানে চা-বাগানের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬৬টিতে।
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন ফেরদৌস-ফরহাদ
অনলাইন ডেস্ক: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি হওয়া এক আদেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ সহকারী পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে সচিব এবং উপ-সচিব পদমর্যাদার দু'জনকে। তারা হলেন, ফেরদৌস আহমেদ খান এবং ব্যারিস্টার শাহ ফরহাদ আলী। তাদের নিয়োগ দিয়ে বুধবার (২৩ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করে। উপ-সচিব এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার এ প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন। এ প্রজ্ঞাপন ফেরদৌস আহমেদ খান সরকারের সচিবের পদমর্যাদার এবং ব্যারিস্টার শাহ ফরহাদ আলীকে উপ-সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। আইনজীবী শাহ আলী ফরহাদ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি জড়িত আছেন ২০১২ সালের ডিসেম্বর থেকে। আইন বিষয়ক শিক্ষকতা, রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক আইন নিয়ে গবেষণায় তার পাঁচ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতা রয়েছে। যুদ্ধাপরাধের বিচারের সক্রিয় কর্মী হিসেবে তিনি বিভিন্ন মাধ্যমে বিস্তর লেখালেখি করেছেন। এ সংক্রান্ত লেখালেখির মধ্যে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাজাপ্রাপ্ত ও পলাতক হত্যাকারীদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা।
ডাকসু নির্বাচন ১১ মার্চ
অনলাইন ডেস্ক :ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন আগামী ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। এদিন সকাল ৮টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত নির্বাচনের ভোট গ্রহণ চলবে। বুধবার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের গঠনতন্ত্রের ৮ (ই) ধারা অনুযায়ী ডাকসু’র সভাপতি হিসেবে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান নির্বাচনের এই তারিখ ও সময় নির্ধারণ করেন। এর আগে, বিকাল সাড়ে ৩টায় এবং বিকাল সাড়ে ৪টায় উপাচার্য অফিস সংলগ্ন লাউঞ্জে উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে নির্বাচন বিষয়ে হল প্রাধ্যক্ষ এবং ডাকসু নির্বাচন সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের সাথে পৃথক পৃথক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে উপাচার্য ডাকসু নির্বাচনের এই তারিখ ঘোষণা করেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর