বুধবার, নভেম্বর ১৩, ২০১৯
কিছুটা শঙ্কামুক্ত ফণী
৪মে,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় ফণীর তেজ কিছুটা কমে আজ শনিবার সকাল ৬টায় খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ কারণে এসব এলাকায় ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিপাত হচ্ছে। ঝড়টি ক্রমশ দুর্বল হয়ে উত্তর, উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে।ফণী নিয়ে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক শামসুদ্দিন আহমদ সকাল ১০টার দিকে গণমাধ্যমকে ব্রিফ করেছেন। প্রতি ঘণ্টায় ঘূর্ণিঝড় সম্পর্কে এখান থেকে আপডেট দেওয়া হচ্ছে।শামসুদ্দিন আহমদ বলেন, এখন ফণী খুলনা-সাতক্ষীরা ও তৎসংলগ্ন এলাকা থেকে সরে উত্তর, উত্তর-পূর্ব দিকে যাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়ের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটার এবং এটি উত্তর উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এটি ঘণ্টায় প্রায় ২০ কিলোমিটার বেগে অগ্রসর হচ্ছে অগ্রসর হয়ে চুয়াডাঙ্গা, রাজবাড়ী, পাবনা, মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, ঢাকা, টাঙ্গাইল, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ অঞ্চলের দিকে যাচ্ছে। এটি অবস্থান করবে আরো পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা। এই সময়ে এসব অঞ্চলে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বিরাজ করবে। তারপর এটি ভারতের দিকে চলে যাবে।গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে ভারতের ওডিশা রাজ্যে ফণীর তাণ্ডব শুরু হয়। সেখানকার পুরি উপকূলে প্রায় ২০০ কিলোমিটার বেগে আছড়ে পড়ে। সেখানে আটজনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে।এরপর সেটি পশ্চিমবঙ্গে আঘাত আনে। মধ্যরাতের পর ভারতের এই রাজ্যে প্রবেশ করে ফণী। ৯০ কিলোমিটার বেগে খড়গপুরে এটি আঘাত হানে। পরে আরামবাগ, কাটোয়া, নদীয়া হয়ে গেছে মুর্শিদাবাদে। তারপর সেখান থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে বলে আলিপুর আবহাওয়া অধিদপ্তরের বরাত দিয়ে জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম।আবহাওয়াবিদরা বলেছেন, ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের স্থলভাগ দিয়ে প্রবেশ করায় তা দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। এতে করে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা কম। সংশ্লিষ্ট এলাকার সাগর ও নদী উত্তাল রয়েছে। যদিও ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ঘরচাপা পড়ে বরগুনার পাথরঘাটায় দুইজন, নোয়াখালীর সুবর্ণচরে দুজন ও বাগেরহাটে গাছচাপায় একজন নিহত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন জানিয়েছে।ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে যে আশঙ্কা করা হচ্ছিল তা থেকে কিছুটা শঙ্কামুক্ত বলেও জানান আবাহওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক শামসুদ্দিন আহমদ। তিনি আরো বলেন, তবে আমরা মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছি। ট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে এবং কক্সবাজারকে চার নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছি।ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বৃষ্টিপাতের ব্যাপারে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক আরো বলেন, ঘূর্ণিঝড় বাংলাদেশে প্রবেশের কারণে বরিশালে বাতাসের একটানা গতিবেগ রেকর্ড করা হয়েছে ঘণ্টায় ৭৪ কিলোমিটার এবং চাঁদপুরে ১২৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। রাজশাহী ও রংপুরে ভারি বৃষ্টিপাত হয়েছে। ময়মনসিংহ, সিলেট অঞ্চলেও ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে।
ফণী এখন ঢাকায়
৪মে,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:ফণী এখন বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের স্থলভাগে (চুয়াডাঙা, রাজবাড়ি, মানিকগঞ্জ, ঢাকা অঞ্চলে) অবস্থান করছে। এটি আরো ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা ঘূর্ণিঝড় হিসেবেই থেকে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। পরে উত্তর-উত্তরপূর্ব দিক হয়ে ভারতের আসাম মেঘালয়ে প্রবেশ করবে। ফণীর গতি ঘণ্টায় ২০ কিলোমিটার। রোববার (৫ মে) বিকেলের পর থেকে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উন্নতি হবে। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত সাধারণ মানুষকে নিরাপদে আশ্রয়ে থাকতে অনুরোধ করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।ঘূর্ণিঝড় এবং অমাবস্যার প্রভাবে উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, ভোলা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ২-৪ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।
বাংলাদেশে আঘাত হেনেছে ফণী
৪মে,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঘূর্ণিঝড় ফণী ভারতের ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গে আঘাত হেনে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।শনিবার সকাল ৯টায় খুলনা, যশোর ও সাতক্ষীরা অঞ্চল হয়ে উত্তর-উত্তর পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ঘূর্ণীঝড়ের কেন্দ্রের মধ্যে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটার বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফণীর প্রভাবে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্নস্থানে ঝড়ো হাওয়ার সাথে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। ফণীর আঘাতে শুক্রবার রাতে ও শনিবার সকালে নোয়াখালী,ভোলা, বরগুনা ও বাগেরহাটে ৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।আবহাওয়া অফিস জানায়, ভয়াল ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ৭ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ৬ নম্বর বিপদ সংকেত বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৪ স্থানীয় হুঁশিয়ারী সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় এবং অমাবস্যার প্রভাবে উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, ভোলা,পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা ।
আজ মসজিদে মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠিত
৩ মে শুক্রবার, অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঘূর্ণিঝড় ফণির কবল থেকে রক্ষা পেতে আজ মসজিদে মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার জুমার নামাজের পর মহান আল্লাহর কাছে দোয়া ও প্রার্থনা করেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ দেশের সকল মসজিদে এ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। প্রার্থনা করা হয় দেশের মানুষের জানমাল হেফাজতের বিষয়ে।এর আগে দেশবাসীর প্রতি মসজিদে মসজিদে দোয়া করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। লন্ডন সফররত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনের মাধ্যমে দেশবাসীর প্রতি এ আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান।এদিকে আজও পায়রা ও মংলা সমুদ্রবন্দরে ৭ নম্বর, চট্টগ্রাম বন্দরে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত এবং কক্সবাজারে ৪ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব ধরনের নৌযান এবং মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশের আগ পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।এছাড়া উপকূলীয় জেলা ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা ৭ নম্বর বিপদ সংকেত এবং চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর ৬ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।
উদ্ধারকাজ, ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তাসহ প্রস্তুত বাংলাদেশ নৌবাহিনী
৩ মে শুক্রবার, অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঘূর্ণিঝড় ফণীর আঘাত পরবর্তী জরুরি উদ্ধারকাজ, ত্রাণ তৎপরতা ও চিকিৎসা সহায়তাসহ যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। শুক্রবার আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম, খুলনা ও মোংলা নৌ অঞ্চলে নৌবাহিনীর ৩২টি জাহাজ সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় দ্রুততম সময়ে জরুরি ত্রাণসামগ্রী এবং চিকিৎসা সহায়তা প্রদানের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। পাশাপাশি খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুরসহ উপকূলীয় দূর্গত এলাকাগুলোতে মোতায়েনের জন্য নৌ কন্টিনজেন্ট প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দুর্যোগ পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য নৌবাহিনী জাহাজ মেঘনা বরিশালে, বানৌজা তিস্তা ঝালকাঠিতে, এলসিটি-১০৪ বরগুনায় এবং এলসিভিপি-০১১ পটুয়াখালীতে নিয়োজিত থাকবে। এসব জাহাজ জরুরি খাদ্যসামগ্রী হিসেবে দুই হাজার পরিবারের তিন দিনের শুকনা খাবার বহন করছে।নৌবাহিনীর জাহাজগুলোতে প্রতিটি পরিবারের জন্য শুকনা খাবার হিসেবে রাখা হয়েছে ১০ কেজি চাল, দুই কেজি ডাল, দুই কেজি তেল, দুই কেজি লবণ, দুই কেজি চিড়া, দুই কেজি মুড়ি, এক কেজি গুড় ও প্যাকেট বিস্কুট। এছাড়াও মোমবাতি, পলিথিন ব্যাগ, ম্যাচ বক্স, বিশুদ্ধ খাবার পানি, স্যালাইন ও জীবন রক্ষাকারী ওষুধ রয়েছে।দুর্গত এলাকাগুলোতে জরুরি চিকিৎসা সহায়তার জন্য বিশেষ মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, জীবন রক্ষাকারী ওষুধ ও খাবার স্যালাইন বিতরণের কাজে নিয়োজিত থাকবে। এছাড়া, নৌ কন্টিনজেন্টসমূহ অনুরূপ ত্রাণসামগ্রী নিয়ে সড়ক পথে দুর্গত এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণের জন্য নিয়োজিত থাকবে।
দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ান :ড. হাছান মাহমুদ
৩ মে শুক্রবার, অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বিএনপির উদ্দেশে বলেছেন, দেশের উন্নয়ন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলাসহ সবকিছু নিয়ে নোংরা রাজনীতি করবেন না, দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ান, আয়নায় নিজেদের চেহারা দেখুন, অতীতে মানুষের জীবন নিয়ে নির্মম তামাশার জন্য ক্ষমা চান।শুক্রবার সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে দলের প্রচার উপ-কমিটির সভার প্রাক্কালে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় ও প্রশ্নোত্তরকালে ঘুর্ণিঝড় ফণী মোকাবিলায় সরকারের প্রস্তুতি, পদ্মা সেতু ও কর্ণফুলি নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণ নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতিবাচক মন্তব্যের জবাবে মন্ত্রী এ সব কথা বলেন।আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিনসহ প্রচার উপ-কমিটির সদস্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।বাংলাদেশ ভূখণ্ডের দিকে ধেয়ে আসা ঘুর্ণিঝড় ফণী মোকাবিলায় সরকার সমস্ত প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিদেশে যাবার আগে সরকারি কর্মকর্তা ও দলের নেতাদের সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়ে গেছেন এবং লন্ডন থেকে মনিটর করছেন। দুর্যোগ মোকাবিলায় আওয়ামী লীগের একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে, উপকূল থেকে মানুষ সরিয়ে নেয়া হয়েছে, নিয়মিত মাইকিং করা হচ্ছে, দলের প্রচার উপ-কমিটি এবিষয়ে আজ সভা করছে ।তিনি বলেন, আমরা বিএনপির মতো লোক দেখানো বক্তব্য দেই না। তাদের অনুরোধ করবো নিজেদের চেহারাটা আয়নায় দেখতে। কারণ তাদের সিদ্ধান্তের গাফিলতিতে ১৯৯১ সালের ঘুর্ণিঝড়ে ২ লাখ মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল। চট্টগ্রামে বিমানবন্দরে বিমান বাহিনীর অনেক বিমান বিধ্বস্ত হয়েছিল। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল অনেক নৌজাহাজ। প্রাণহানি ঠেকাতে যথেষ্ট সতর্কতা, বিমানগুলো ঢাকায় আনা আর নৌজাহাজগুলো নিরাপদ আশ্রয়ে রাখার সিদ্ধান্ত নিলে এ অপূরণীয় ক্ষতি হতো না। বিএনপির উচিত অতীতে মানুষের জীবন নিয়ে এ নির্মম তামাশার জন্য দেরিতে হলেও জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া।পদ্মাসেতু ও কর্ণফুলি নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণের কোনো প্রয়োজন ছিল না- বিএনপি মহাসচিবের এ মন্তব্যের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ ও উপমহাদেশের প্রথম নদীর তলদেশে টানেল তৈরির প্রকল্প জাতির জন্য গর্বের। এ দুটি প্রকল্প আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে আরো এক থেকে দুই শতাংশ বৃদ্ধি করবে। আর বিএনপি বলছে, এর প্রয়োজন নেই! দুর্নীতিতে তারা দেশকে চারবার একক ও আরেকবার আফ্রিকার চাদের সংগে যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন, তারা যে দেশের উন্নতি চান না, সেটা তারা তাদের কথা ও কাজ দুয়েই প্রমাণ করছেন।আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান এ সময় আসন্ন রমজান মাসেই দলের সব জেলার প্রচার, উপ-প্রচার এবং তথ্য ও গবেষণা সম্পাদকদের নিয়ে ঢাকায় একটি কর্মশালা ও সকল বিভাগীয় শহরে সকল শ্রেণি-পেশার তরুণদের সাথে আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের সরাসরি যোগাযোগ ও সম্পৃক্তি বৃদ্ধির জন্য কর্মশালা আয়োজনের পরিকল্পনার কথাও জানান।
বিদ্যুৎ বিভাগ বেশি ক্ষতির ঝুঁকিতে: প্রতিমন্ত্রী
৩ মে শুক্রবার, অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঘূর্ণিঝড় ফণির আঘাতে বিদ্যুৎ বিভাগ সবচেয়ে বেশি ক্ষতির ঝুঁকিতে রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। তবে, পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিদ্যুৎ বিভাগ সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। সকালে, রাজধানীর বারিধারার নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের এ কথা জানান নসরুল হামিদ বিপু। ঝড়ের ঝুঁকিতে থাকা উপকূলের ২৩ জেলার ক্ষতি কাটিয়ে উঠে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রথমে উপজেলা সদরগুলোতে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরায় চালু করা হবে। এছাড়া ঝড়ে বিদ্যুৎ লাইন ছিড়ে যাতে দুর্ঘটনা না ঘটে সে জন্য ঝড়ের লক্ষণ দেখা দিলেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সরবরাহ বন্ধ করে দেবে, সে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।
লন্ডন থেকে সার্বক্ষণিক খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী
৩ মে শুক্রবার, অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লন্ডনে বসে ঘুর্ণিঝড় ফণী মোকাবেলায় সার্বক্ষণিক কোঁজ খবর রাখছেন বলে জানিয়েছেন দলের শীর্ষ নেতারা।আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদেশে যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে কয়েকটি বৈঠক করে ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় সব ধরনের প্রস্তুতির নির্দেশনা দিয়ে গেছেন। একই সঙ্গে তিনি লন্ডনে বসেও সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন। আঘাত হানার পর আক্রান্ত এলাকা দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহযোগিতায় ঝাপিয়ে পড়ার জন্যও নির্দেশনা দিয়েছেন।এদিকে আরেক আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত পরশু দিন লন্ডনের উদ্দেশে যাওয়ার আগে আমাদের দলকে যাবতীয় নির্দেশনা দিয়ে গেছেন। এছাড়াও তিনি দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকারি সকল সংস্থাকেও নির্দেশনা দিয়ে গেছেন। তিনি আমাদেরকে ঘুর্ণিঝড় ফণী আঘাত করার পর আক্রান্ত এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাড়ানোর নির্দেশনা দিয়েছেন। নেত্রী লন্ডন থেকেও সার্বিক বিষয়ে সব সময় খোঁজ খবর রাখছেন। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সব সময় মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ান। এটা আমাদের দলীয় নীতি। এবারও এর ব্যতয় হবে না। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে উপকূলীয় ও ঘূর্ণিঝড় প্রবণ এলাকাগুলোর আওয়ামী লীগের সভাপতি সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করেছে ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপ কমিটিরর পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমাদেও নেতারা আমাদের ইতোমধ্যে জানিয়েছেন তারা দুর্যোগ পরবর্তী যেকোন অবস্থা মোকাবেলায় সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করে রেখেছেন।
সন্ধ্যার দিকে বাংলাদেশে আঘাত হানবে ফণি
৩ মে শুক্রবার, অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঘূর্ণিঝড় ফণি ভারতের চেয়ে প্রায় অর্ধেক গতিবেগ নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক শামছুদ্দীন আহমেদ। তিনি জানান, উড়িষা রাজ্যে ২০০ কিলোমিটার গতিবেগে ছোবল মারা ফণি দুর্বল হয়ে বাংলাদেশে আসবে ৮০-১০০ কিলোমিটার গতিবেগ নিয়ে।আজ শুক্রবার সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরে এক ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান সামছুদ্দিন আহমদ।আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক আরও জানান, আজ সন্ধ্যার দিকে বাংলাদেশে ফনি আঘাত হানবে। এর প্রভাব থাকবে দুদিন। এর প্রভাবে আজ ও কাল দিনভর বৃষ্টি থাকবে।প্রসঙ্গত প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ফণি শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে ভারতের উড়িষা রাজ্যে আঘাত হেনেছে। বাতাসে এর গতিবেগ ছিল ২০০ কিলোমিটার। এর পর এটি পশ্চিমবঙ্গের দিকে যাবে। পশ্চিমবঙ্গ হয়ে আছড়ে পড়বে বাংলাদেশ। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।শামছুদ্দীন আহমেদ জানান, বাংলাদেশে যখন ফনি ছোবল মারবে, তখন এর গতি অর্ধেকে নেমে ৮০-১০০ কিলোমিটার হবে। মোংলা, পায়রাবন্দরে সাত নম্বর বিপদ সংকেত বহাল রাখা হচ্ছে। আপাতত এর বেশি বাড়ছে না।তিনি জানান, ফনি উড়িষা হয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দিকে যাবে। সেখান থেকে ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে বাংলাদেশের দিকে আসবে। আজ বিকেলের পর তা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে থাকবে। বাংলাদেশের ওপর দিয়ে অতিক্রম করবে সন্ধ্যায়। সারা রাত ফনি সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, বরিশাল অঞ্চলের দিক থেকে ফরিদপুর, ঢাকা হয়ে ভারতের মেঘালয়ের দিকে যাবে।ইতিমধ্যে ঘূণিঝড়ের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি শুরু হয়ে গেছে। শুক্রবার সকালে ঢাকায়ও বৃষ্টি শুরু হয়েছে। সপ্তাহখানেক ধরে তীব্র দাবদাহের পর এই বৃষ্টি নগরজীবনে কিছুটা স্বস্তি বয়ে আনলেও সবচেয়ে বেশি কাজ করছে শঙ্কা।ঢাকার আশপাশের জেলায়ও শুক্রবার বৃষ্টির খবর পাওয়া গেছে। নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, নরসিংদীসহ বেশ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির খবর পাওয়া গেছে। দিনভর থেমে থেমে এই বৃষ্টি থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

জাতীয় পাতার আরো খবর