রবিবার, ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০২১
রাশেদ চৌধুরীকে ফেরত পাঠাতে ট্রাম্পকে চিঠি প্রধানমন্ত্রীর
০৮আগস্ট,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফেরত পাঠানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সম্প্রতি চিঠি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এক শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং প্রধানমন্ত্রী ধন্যবাদ জানিয়ে পাঠানো ফিরতি চিঠিতে রাশেদ চৌধুরীকে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি পুনরায় উল্লেখ করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন এ তথ্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর খুনিদের একজন কানাডায় আছে এবং আরেকজন যুক্তরাষ্ট্রে আছে এবং তাদের ফেরত আনার জন্য যা যা করার দরকার সেটি করবো। মন্ত্রী বলেন, স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে চিঠি দিয়েছেন এবং আমরা আশা করছি আমরা সফল হবো। তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রত্যাশা এই মুজিববর্ষে একজনকে আনা হয়েছে এবং আরেকজনকে যেন আনতে পারি। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বঙ্গবন্ধু জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে গত এপ্রিল মাসে একটি শুভেচ্ছাবার্তা পাঠান। যেখানে তিনি লিখেছেন, এ ধরনের নেতা পৃথিবীতে খুব কম দেখা যায় এবং এরপরে প্রধানমন্ত্রী ফিরতি চিঠি পাঠান। উল্লেখ্য, ২০০৪ এর ৩১ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন বোর্ড রাশেদ চৌধুরীর রাজনৈতিক আশ্রয় আবেদন মঞ্জুর করলে এর বিরুদ্ধে আপিল করে ওই দেশের সরকার। ২০০৬ এর ২৯ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রানসিসকো অভিবাসন কোর্ট রাশেদ চৌধুরীর পক্ষে রায় দেয়। সূত্র : একুশে টিভি
বাঙালির মুক্তিসংগ্রামের অন্যতম অগ্রদূত ছিলেন বঙ্গমাতা
০৮আগস্ট,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব বাঙালির অহংকার, নারী সমাজের প্রেরণার উৎস। তিনি কেবল বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণীই ছিলেন না, ছিলেন বাঙালির মুক্তিসংগ্রামের অন্যতম অগ্রদূতও। বঙ্গমাতার ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। রাষ্ট্রপতি বলেন, ১৯৩০ সালের ৮ আগস্ট গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া গ্রামে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব থেকেই তিনি ছিলেন সাহসী ও দৃঢ়চেতা। যেকোনো পরিস্থিতি তিনি বুদ্ধিমত্তা, বিচক্ষণতা দিয়ে মোকাবেলা করতেন। তিনি কেবল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণীই ছিলেন না, বাঙালির মুক্তিসংগ্রামেও তিনি ছিলেন অন্যতম অগ্রদূত। বঙ্গমাতার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তিনি এই মহীয়সী নারীর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, এ বছর বঙ্গমাতার জন্মবার্ষিকীতে প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে 'বঙ্গমাতা ত্যাগ ও সুন্দরের সাহসী প্রতীক' যা মহীয়সী এ নারীর জীবন ও কর্মের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত এবং যথার্থ হয়েছে বলে আমি মনে করি। মো. আবদুল হামিদ বলেন, দেশের স্বার্থে বঙ্গবন্ধুকে অসংখ্যবার কারাবরণ করতে হয়েছে। বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব সেই কঠিন দিনগুলো স্বামীর পাশে থেকে দৃঢ়তার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছেন। পরিবারের দেখাশোনার পাশাপাশি স্বামীর মুক্তির জন্য মামলা পরিচালনা, দলের সাংগঠনিক কাজে পরামর্শ ও সহযোগিতা দান সবই তাঁকে করতে হয়েছে। রাষ্ট্রপতি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের নেপথ্যেও ছিলেন বঙ্গমাতা। তাঁরই অনুপ্রেরণায় বঙ্গবন্ধু হৃদয় থেকে উৎসারিত যে অলিখিত ভাষণ প্রদান করেছিলেন তা ছিল স্বাধীনতার ডাক। দেশ ও জাতির জন্য অপরিসীম ত্যাগ, সহমর্মিতা, সহযোগিতা ও বিচক্ষণতা তাঁকে বঙ্গমাতায় অভিষিক্ত করেছে। বঙ্গবন্ধু জেলে থাকাকালে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে বঙ্গমাতার ভূমিকার কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানে কারাবন্দি স্বামীর জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে গভীর অনিশ্চয়তা ও শঙ্কার মাঝেও তিনি অসীম ধৈর্য, সাহস ও বিচক্ষণতার সাথে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছেন। আমাদের মুক্তিসংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, বঙ্গমাতা ছিলেন নির্লোভ, নিরহংকার ও পরোপকারী। পার্থিব বিত্ত-বৈভব বা ক্ষমতার জৌলুস কখনও তাঁকে আকৃষ্ট করতে পারেনি। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পত্নী হয়েও তিনি সবসময় সাদামাটা জীবনযাপনে অভ্যস্ত ছিলেন। তিনি সকলের সাথে ভালো ব্যবহার করতেন, গরিব-দুখীদের সাহায্য করতেন। তিনি ছিলেন আদর্শ বাঙালি নারীর প্রতিকৃতি। রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে স্বামী-পুত্র-পুত্রবধূসহ নিকট আত্মীয়ের সঙ্গে তিনি ধানমন্ডির নিজ বাসভবনে স্বাধীনতাবিরোধী ঘাতকচক্রের হাতে নির্মমভাবে শহীদ হন। জাতির ইতিহাসে সে এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। বঙ্গমাতা আমাদের মাঝে না থাকলেও তাঁর রেখে যাওয়া আদর্শ সবসময় আমাদের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। বঙ্গমাতার জন্মবার্ষিকীতে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন রাষ্ট্রপতি।- কালের কন্ঠ অনলাইন
বঙ্গমাতার জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠান
০৮আগস্ট,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিনী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের ৯০তম জন্মবার্ষিকী। দিনটি জাতীয়ভাবে উদযাপন করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি গণভবন থেকে অনলাইন প্লাটফর্মে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়েছেন। অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেছেন। এদিকে, বেগম মুজিবের জন্মদিন উপলক্ষে আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী এবং ভাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলো বিস্তারিত কর্মসূচি পালন করেছে। কর্মসূচির মধ্যে ছিল- ৮ আগস্ট সকাল ১০টায় বনানী কবরস্থানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগসহ সহযোগী সংগঠনগুলো বঙ্গমাতা শহীদ ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের জন্মদিনে শ্রদ্ধা অর্পণ, কোরান খতম, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল। একই দিনে বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগ ৩২নং ধানমন্ডিস্থ বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে মোমবাতি প্রজ্বলন করবে। ৯ আগস্ট ১৯ বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ। উল্লেখ্য, ১৯৩০ সালের এদিনে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে তিনি জাতির পিতার হত্যাকারীদের হাতে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে নির্মমভাবে নিহত হন।
দিন যতই যাচ্ছে ডিজিটাল সেবায় আগ্রহ বাড়ছে
০৮আগস্ট,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনার এই সময়ে দিন যতই যাচ্ছে ডিজিটাল সেবার প্রতি অনেকের আগ্রহ বাড়ছে। বাইরে না গিয়ে ঘরে বসেই ব্যাংকিং সেবা পেতে কন্টাক্টলেস লেনদেন, কন্টাক্টলেস শপিং করতে অনেকে উদ্যোগী হচ্ছেন। কল সেন্টারের পরিবর্তে চ্যাটবটের ব্যবহার, তথ্য জানতে বটের সাহায্য পাওয়া যাচ্ছে এখন। ঘরে বসেই পরিচালনা করা যাচ্ছে অফিস। ডকুমেন্টেশন ও সইয়ের জন্য অফিসে না গিয়েও সফটওয়্যার ব্যবহার করে ভেরিফাই করা যাচ্ছে। দিন দিন বাড়ছে ডিজিটাল রিচার্জ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মানুষ ঝামেলা এড়ানোর জন্য এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ডিজিটাল সার্ভিসের প্রতি আগ্রহী হচ্ছেন। তাই নতুন নতুন ডিজিটাল সেবা ব্যবহারের প্রবণতাও দেখা যাচ্ছে। এই সময়ে হোয়াটসঅ্যাপকে কাস্টমাইজ করে ব্যবহার করা যাচ্ছে। জুড়ে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে চ্যাটবট। করোনার এই সময়ে এসেছে কন্টাক্টলেস শপিংয়ের সুবিধা। ওটিটি (ওভার দ্য টপ) সেবা হোয়াটসঅ্যাপ দিচ্ছে চ্যাট ও ভিডিও কলের মাধ্যমে কেনাকাটার সুবিধা। স্যামসাং পণ্য কেনা যাচ্ছে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এজন্য প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপ আইকনে ক্লিক করে আউটলেট ম্যানেজারের সঙ্গে যুক্ত হতে হবে। এরপর ভিডিও কলের (ভার্চুয়াল ট্যুর) মাধ্যমে পণ্য পছন্দ করে অর্ডার কনফার্ম করে দাম পরিশোধ করতে হবে। ক্রেতা ঘরে বসে পছন্দের পণ্যটি পেয়ে যাবেন। মোবাইল ফোন অপারেটর রবি ও এয়ারটেল তার গ্রাহকদের ঝামেলামুক্ত সেবা দিতে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটবট তৈরি করেছে। হোয়াটসঅ্যাপে প্রবেশ করে রবি বা এয়ারটেলবাজ লিখে সার্চ দিলে পাওয়া যাবে চ্যাটবট। গ্রাহকের কোনও প্রশ্ন বা কোয়েরি থাকলে এখানে লিখলে চ্যাটবট উত্তর দেবে। জানা গেছে, কল সেন্টারের ওপর থেকে চাপ কমাতে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে করে গ্রাহককে কল-সেন্টারে ফোন করে যাতে ওয়েটিংয়ে থাকতে না হয় সেজন্য এই ব্যবস্থা। প্রসঙ্গত দেশে, হেয়াটসঅ্যাপের ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩ কোটির বেশি। আর ভাইবারের ব্যবহারকারী দেড় কোটি। করোনা ভাইরাসের এই সময়ে স্বাস্থ্য অধিদফতর হোয়াটসঅ্যাপ ও ভাইবারের সহযোগিতায় দেশের মানুষকে করোনা ভাইরাস সম্পর্কিত তথ্য সরবরাহ করতে চালু করেছে চ্যাটবট তথা বট। এসব বট তৈরি করছে তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিষ্ঠান প্রেনিউর ল্যাব। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা আরিফ নিজামি বলেন, মানুষকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে সেবা দিতে হলে এ ধরনের উদ্ভাবন আরও বেশি বেশি করতে হবে। সেবা গ্রহণকারীদের এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহারে উৎসাহী করতে পারলে সেবাদানও সহজ হয়ে যাবে। তিনি মনে করেন, করোনাকালে প্রযুক্তি অনেক অগ্রগতি হয়েছে। এখন কোথাও ফোন না করে শুধু হাতের মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করে অনেক ধরনের সেবা পাওয়া সম্ভব। কেনাকাটা, খাবার অর্ডার দেওয়াতে নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হয়েছে। তিনি জানালেন তার প্রতিষ্ঠান থেকে বেশ কয়েকটি বট তৈরি করা হয়েছে। এই সময়ে ই-কমার্সে বড় বড় লেনদেনও সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে প্রযুক্তি ব্যবহার করে। দামি দামি মোটরবাইক অনলাইনে বিক্রি করা এবং সেই ডিজিটাল লেনদেন সুরক্ষিত করার মতো ঘটনা এই ঈদেই ঘটেছে বলে জানা গেছে। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে একটি ব্র্যান্ডের দামি দামি কয়েকশত মোটরবাইক বিক্রি করা হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাসায় বসে অফিসে যাবতীয় কাজ করা যাচ্ছে এখন। বাসায় বসে কর্মীদের উপস্থিতি, কাজ ব্যবস্থাপনা, নোটিশ দেওয়া ইত্যাদি কাজও করা যাচ্ছে। এজন্য রয়েছে অফিস ডট এআই নামের প্রযুক্তি। কয়েকটি অফিস এই সময়ে এগুলো ব্যবহারও করছে। এই সময়ে ডিজিটাল ফরম্যাটে ডকুমেন্টেশন ও ডকুমেন্ট আদান প্রদানের হার বেড়েছে। ফলে সামনে চলে এসেছে ভেরিফিকেশনের বিষয়টি। আর এ ধরনের কাজের জন্য আছে ই-স্ট্যাম্প প্রযুক্তি। ডকুমেন্ট ভেরিফাই করা, সাইন করা ইত্যাদি ঘরে বসেই এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে সম্পাদন করা যাচ্ছে। করোনা টেস্টের রিপোর্ট যাতে কেউ পরিবর্তন করতে না পারে এজন্য এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তা সুরক্ষিত রাখায় সম্ভব বলে জানান এর এই প্রযুক্তির ডেভেলপাররা। এছাড়া লকডাউনের শুরুতে মোবাইল আউলেট, রিচার্জের দোকান, খুচরা ব্যবসায়ীদের দোকান বন্ধ থাকায় মোবাইলে ডিজিটাল পদ্ধতিতে রিচার্জের পরিমাণ বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। মোবাইল ফোন অপারেটর রবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মাহতাব উদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন এই তথ্য। বিকাশ, নগদের মতো মোবাইল আর্থিক সেবা, বিভিন্ন ব্যাংকের ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমেও মোবাইলে রিচার্জের পরিমাণ বেড়েছে বলে জানা গেছে।- দেশ বিদেশ
জিকে শামীমের বিরুদ্ধে সিআইডির অভিযোগপত্র, ১৮০ অ্যাকাউন্টে ৩৩৭ কোটি টাকা
০৭আগস্ট,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের মামলায় জি কে শামীম ও তার সাত সহযোগীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গত বুধবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে দেয়া অভিযোগপত্রে শামীমের বিপুল সম্পদের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। সিআইডির অর্গানাইজ ক্রাইমের বিশেষ পুলিশ সুপার মোস্তফা কামাল নিউজ একাত্তরকে বলেন, জি কে শামীমের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে করা মামলাটির তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দেয়া হয়েছে। সেখানে তার অস্ত্রধারী সাত দেহরক্ষীকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, দেশের ১৮০টি ব্যাংক হিসাবে প্রায় ৩৩৭ কোটি টাকার স্থায়ী আমানত রয়েছে শামীমের। এ ছাড়া ঢাকায় তাঁর দুটি বাড়িসহ প্রায় ৫২ কাঠা জমি রয়েছে। টেন্ডারবাজি, বাস টার্মিনাল ও গরুর হাটে চাঁদাবাজির মাধ্যমে আয় করা অর্থে এসব সম্পদ শামীম গড়েছেন।
ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ছিলেন বঙ্গবন্ধুর বিশ্বস্ত সহচর, মুক্তিসংগ্রামের সহযোদ্ধা : প্রধানমন্ত্রী
০৭আগস্ট,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মহীয়সী নারী শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ছিলেন বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একজন যোগ্য ও বিশ্বস্ত সহচর এবং বাঙালির মুক্তিসংগ্রামের সহযোদ্ধা। তিনি অসাধারণ বুদ্ধি, সাহস, মনোবল, সর্বসংহা ও দূরদর্শিতার অধিকারী ছিলেন এবং আমৃত্যু দেশ ও জাতি গঠনে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন বলেন তিনি। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাসে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তিনি যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করেন। বিশেষ করে আত্মত্যাগী, লাঞ্চিত মা-বোনদের সহযোগিতা করা, তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করাসহ ব্যক্তিগতভাবে তাদের পাশে দাঁড়িয়ে সান্তনা দেন এবং সামাজিকভাবে তাদের প্রতিষ্ঠিত করার উদ্যোগ নেন। প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আজ দেয়া এক বাণীতে মহীয়সী নারীর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান । শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতার রাজনৈতিক, সামাজিক ও পারিবারিক জীবনে সর্বক্ষণের সহযোগী ও অনুপ্রেরণাদাত্রী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯০তম জন্মবার্ষিকীতে বঙ্গমাতা ত্যাগ ও সুন্দরের সাহসী প্রতীক প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়েছে। যেখানে মহীয়সী নারী বঙ্গমাতার কর্মময় জীবনের প্রকৃত অর্থ প্রতিফলিত হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবকে বঙ্গবন্ধুর একজন যোগ্য ও বিশ্বস্ত সহচর এবং বাঙালি মুক্তিসংগ্রামের সহযোদ্ধা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, তিনি অসাধারণ বুদ্ধি, সাহস, মনোবল, সর্বসংহা ও দূরদর্শিতার অধিকারী ছিলেন। তিনি আমৃত্যু দেশ ও জাতি গঠনে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাধীনতার জন্য তিনি জাতির পিতার সঙ্গে একই স্বপ্ন দেখতেন। এ দেশের মানুষ সুন্দর জীবন পাক, ভালভাবে বাঁচুক এই প্রত্যাশা নিয়েই তিনি বাঙালির অধিকার আদায়ের সংগ্রামে সবসময় ছিলেন সজাগ এবং দূরদর্শী। তাইতো একজন সাধারণ বাঙালি নারীর মতো স্বামী-সংসার, আত্মীয়-স্বজন নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও বাংলাদেশের মহান সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতার পর দেশ পুনর্গঠনে তিনি অনন্য ভূমিকা রেখে গেছেন। শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের রাজনৈতিক সাফল্যেও বঙ্গমাতা উল্লে¬খযোগ্য অবদান রাখেন। জাতির পিতা রাজনৈতিক কারণে প্রায়শই কারাগারে বন্দী থাকতেন। এই দুঃসহ সময়ে তিনি হিমালয়ের মতো অবিচল থেকে একদিকে স্বামীর কারা মুক্তিসহ আওয়ামী লীগ পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। অন্যদিকে সংসার, সন্তানদের লালন-পালন, শিক্ষাদান, বঙ্গবন্ধুকে প্রেরণা, শক্তি ও সাহস যুগিয়ে স্বাধীনতা এবং মুক্তির সংগ্রামকে সঠিক লক্ষ্যে নিয়ে যেতে অনন্য ভূমিকা পালন করেছেন। ৬-দফা ও ১১-দফার আন্দোলনে তিনি বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে গৃহবন্দী থেকে এবং পাকিস্তানে কারাবন্দী স্বামীর জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে গভীর অনিশ্চয়তা ও শঙ্কা সত্ত্বেও তিনি সীমাহীন ধৈর্য্য, সাহস ও বিচক্ষণতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেন। তিনি বলেন, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব রাষ্ট্রীয় প্রটোকলসহ অন্যান্য দায়িত্ব সমভাবে ও অত্যন্ত সুচারুভাবে সম্পাদন করতেন। দেশ ও জাতির জন্য তাঁর অপরিসীম ত্যাগ, সহযোগিতা ও বিচক্ষণতার কারণে জাতি তাঁকে যথার্থই বঙ্গমাতা উপাধিতে ভূষিত করেছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতার সঙ্গে তিনিও সপরিবারে ঘাতকদের হাতে নির্মমভাবে নিহত হন, যা জাতির ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। বঙ্গমাতার যে আদর্শ ও দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন তা যুগে যুগে বাঙালি নারীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে উল্লেখ করে বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আশা করেন, শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জীবনী চর্চার মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে। বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবন, বাঙালির স্বাধীকার আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রামের অনেক অজানা অধ্যায় সম্পর্কে জানতে পারবে প্রত্যাশা করে তিনি বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে আইনের হাতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে
০৭আগস্ট,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর যে সব খুনি বিদেশে পালিয়ে রয়েছে তাদেরকে এই মুজিব বর্ষের ভিতরেই দেশে ফিরিয়ে এনে আইনের হাতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, আমেরিকা, কানাডাসহ বিভিন্ন দেশে এরা নাম পরিচয় পাল্টে পালিয়ে রয়েছে। তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সে সব দেশের সাথে সরকার সব সময় যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে। ইতোমধ্যে বঙ্গবন্ধুর এক খুনিকে দেশে ফিরিয়ে এনে ফাঁসীর রায় কার্য কর করা হয়েছে। মন্ত্রী আজ বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধের বেদীতে পুষ্পমাল্য অর্পন করে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা বলেন। আব্দুল মোমে আরো বলেন, করোনার কারণে বিভিন্ন দেশ থেকে যে সব প্রবাসী দেশে এসেছেন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তাদেরকে পর্যারয়ক্রমে সেই সব দেশে পাঠানো হবে। তারা যাতে দ্রুততম সময়ে যেতে পারেন তার জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের সাথে আলোচলা চলছে। এখনও বিভিন্ন দেশের সাথে আকাশ পথে যোগাযোগ শুরু হয়নি। আকাশ পথে যোগযোগ শুরু হলে প্রবাসীদের পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করা হবে বলেআশা প্রকাশ করেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে প্রবাসীদের ব্যাপক সাহায্য সহযোগিতা করা হয়েছে। তাদের যে কোন সমস্যা সরকার আন্তরিকতার সাথে সমাধান করছেন। প্রবাসীরা দেশে ও বিদেশে যে যেখানে আছেন, ভাল আছেন। এছাড়া বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের যে সব মিশন রয়েছে তারাও প্রবাসীদের সাথে যোগাযোগ রাখছে এবং তাদের সব ধরনের সহযোগিতা করছেন। এর আগে, গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি সৌধের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পন করে শ্রদ্ধা জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ.কে আব্দুল মোমেন এমপি। পরে ফাতেহা পাঠ এবং ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট কালো রাতে ঘাতকদের হাতে শহীদ হওয়া বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। এ সময় জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা, পুলিশ সুপার সাইদুর রহমান খান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মাহাবুব আলী খান, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল বাশার খায়ের, সাধারন সম্পাদক বাবুল হোসেন শেখ, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান সোলায়মান বিশ্বাসসহ সরকারী উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
রাজধানীতে প্রাইভেটকার চাপায় পর্বতারোহী রেশমা নিহত
০৭আগস্ট,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর সংসদ ভবন এলাকার চন্দ্রিমা উদ্যান সংলগ্ন লেকরোডে সড়ক দুর্ঘটনায় পর্বতারোহী রেশমা নাহার রত্না (৩৩) নিহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে লেকরোড দিয়ে সাইক্লিং করার সময় একটি প্রাইভেটকার চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইব্রাহিম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, আজ সকালে শেরে বাংলানগর থানাধীন সংসদ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে পথচারীরা তাকে (রত্না) উদ্ধার করে এই হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। শুনেছি তাকে একটি প্রাইভেটকার চাপা দিয়েছে। রেশমা রত্না পেশায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি পর্বতারোহনসহ বিভিন্ন অ্যাডভেঞ্চার কার্যক্রমে যুক্ত। পুলিশ রেশমার দুমড়েমুচড়ে যাওয়া সাইকেলটি উদ্ধার করেছে। তবে ঘাতক প্রাইভেটকারটিকে এখনো শনাক্ত করা যায়নি। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে পুলিশ কাজ করছে। ২০১৬ সালে বাংলাদেশের পাহাড় কেওক্রাডংয়ের চূড়া স্পর্শ করার মাধ্যমে রেশমা রত্না পর্বত অভিযান শুরু করেন। এরপর ২০১৯ সালের ২৪ আগস্ট ভারতের লাদাখে অবস্থিত স্টক কাঙরি পর্বত (৬১৫৩ মিটার) এবং ৩০ আগস্ট কাং ইয়াতসে-২ পর্বতে (৬২৫০ মিটার) সফলভাবে আরোহণ করেন তিনি। তিনি গত বছর নেহেরু ইনস্টিটিউট অব মাউন্টেনিয়ারিং থেকে উচ্চতর পর্বতারোহন কোর্সও সম্পন্ন করেছিলেন।- বণিক বার্তা অনলাইন
সরকারের বিরুদ্ধে গুজব রটিয়ে লাভ হবে না: ওবায়দুল কাদের
০৭আগস্ট,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, শেখ হাসিনা সরকারের শিকড় এদেশের মাটির অনেক গভীরে, গুজব রটিয়ে কোনো লাভ হবে না। শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের খুলনা সড়ক জোন, বিআরটিএ ও বিআরটিসির কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভার্চুয়াল মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। নিয়মিত আলোচনার অংশ হিসেবে নিজের সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে এ মতবিনিময় সভায় যুক্ত হন ওবায়দুল কাদের। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সব দপ্তর ও সংস্থায় কর্মরতদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, পদোন্নতি, পদায়নের ক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠতার পাশাপাশি পারফরম্যান্সও মূল্যায়ন করা হবে। ভালো কাজ করলে পুরস্কৃত করা হবে এবং মন্দ কাজের জন্য তিরস্কারসহ চাকরিবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দেশে এ সপ্তাহে করোনার নমুনা পরীক্ষা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সংক্রমণের হারও বেশি দেখা যাচ্ছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নুতন করে করোনার সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। তাই মাস্ক পরিধানসহ সব স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের শৈথিল্য দেখালে চলবে না। এবারের ঈদযাত্রায় ফেরিঘাটের সমস্যা এবং ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ছাড়া অন্যান্য সব মহাসড়কে ভ্রমণ স্বস্তিদায়ক ছিল উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, একটি অশুভ চক্র নানা ইস্যুতে গুজব রটনা ও অপপ্রচারে লিপ্ত। সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা রাশেদের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনাকে ঘিরে কেউ কেউ দুই বাহিনীর মধ্যে উস্কানি দেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। জনগণ এ বিষয়ে সচেতন রয়েছে। এ ধরনের ঘটনাকে ইস্যু করে সরকার হটানোর মতো দিবাস্বপ্ন দেখছে কেউ কেউ। সিনহা হত্যার ঘটনা তদন্তে সরকার অত্যন্ত আন্তরিক৷ এরই মধ্যে আইনগত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে তদন্ত কমিটি কাজ করছে। এ ঘটনায় এরই মধ্যে অনেককে গ্রেফতার করা হয়েছে। গুজব রটনা এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার বন্ধে দেশ-বিদেশে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা সরকার তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে যে কোনো বিষয় সুরাহা করবে।- বাংলা নিউজ

জাতীয় পাতার আরো খবর