আজ খুলনা যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ারস, বাংলাদেশ (আইইবি)র ৫৮তম সমাবর্তনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিতে খুলনা সফরে যাচ্ছেন। দিনব্যাপী সফরে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বিকেলে নগরীর সার্কিট হাউস মাঠে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক জনসভায় ভাষণ দেবেন। এছাড়াও তিনি একই স্থানে খুলনার ৪৭টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন এবং ৫২টি প্রকল্পের ভিত্তিফলক উন্মোচন করবেন। আইইবির সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুস সবুর বাসসকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী সকাল ১১ টায় নগরীর খালিশপুর কেন্দ্রে আইইবির চার দিনব্যাপী সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন। প্রধানমন্ত্রী যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন সেগুলো হলো- গল্লামারী-বটিয়াঘাটা-দাকোপ-নলিয়ান ফরেস্ট সড়ক, রূপসা-শ্রীফলতলা-তেরখাদা সড়ক, কেডিএ খানজাহান আলী সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একাডেমিক-কাম-প্রশাসনিক ভবন, লায়ন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাডেমিক ভবন, চালনা মোবারক মেমোরিয়াল কলেজের একাডেমিক ভবন, খুলনা আইডিয়াল কলেজের একাডেমিক ভবন, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের একাডেমিক ভবন, খুলনা ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজের একাডেমিক ভবন, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন, মহেশ্বরপাশা সরকারি শিশু পরিবার হোস্টেল ভবন, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ ভবন, মেডিকেল কলেজের অডিটরিয়াম ভবন, শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল ভবন, তেরখাদা থানা ভবন, রূপসা ফায়ার স্টেশন ভবন, রূপসা সেনহাটি নদী ফায়ার স্টেশন, বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, কৃষি বিভাগের অফিস-কাম-ট্রেনিং এন্ড প্রসেসিং সেন্টার ভবন, রূপসা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, দিঘলিয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, তেরখাদা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, ডুমুরিয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, পাইকগাছা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন। পাইকাগাছা আরএন্ডএইচ-বাঁকা জিসি সড়কের কপোতাক্ষ নদের উপর ব্রিজ। খুলনা ডায়াবেটিক হাসপাতালের নতুন ভবন। হাতিয়ার ডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন শেল্টার ভবন, শিমলার আইট খেজুরডাঙ্গা আরএনজিপিএস কাম সাইক্লোন শেল্টার ভবন। দেওয়াড়া পশ্চিমপাড়া আরএন জিপিএস কাম সাইক্লোন সেল্টার ভবন, তেরখাদা আব্দুলের মোড় আরএন্ডএইচ-মাঝিরগাথি জিসি ভায়া কোলা বাজার সড়ক, বটিয়াঘাটা উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের সম্প্রসারণ। পাইকগাছা হাবিবনগর মাদ্রাসা মোড় থেকে ডুমুরিয়া মাগুরখালি-কাঁঠালতলা বাজার পর্যন্ত সংযোগ সড়ক, খুলনা শহীদ মিনার, রেলওয়ে স্টেশন এবং ইয়ার্ড রি-মডেলিং প্রকল্প, খুলনা জেলা স্টেডিয়াম, পাঁচতলা বিশিষ্ট কয়রা আধুনিক ডাকবাংলো ভবন, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য হোস্টেল ভবন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, পাইকগাছায় কপিলমুনি ইউনিয়ন ভূমি অফিস, কয়রা থানা ভবন, ডুমুরিয়াতে শোভনা ইউনিয়ন ভূমি অফিস, জলমা ইউনিয়ন ভূমি অফিস, আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি প্রকল্প, বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল (বর্ধিতাংশ), জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল (ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ), শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ ভবন (ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ), মাইকেল মুধুসুদন দত্ত অতিথি ভবন (বর্ধিতাংশ), আচার্য প্রফল্ল চন্দ্র রায় কেন্দ্রীয় গবেষণাগার (বর্ধিতাংশ), খুলনা ওয়াসা ভবন। প্রধানমন্ত্রী যে সকল প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন সেগুলো হচ্ছে : খুলনা-চুকনগর-সাতক্ষীরা (খুলনা অংশ) সড়ক। পাইকগাছা কৃষি কলেজ। বটিয়াঘাটা ডিগ্রি কলেজের একাডেমিক ভবন। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমাজিং ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এ ব্লকের উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নার্সেস ডরমিটরি। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের স্টাফ ডরমিটরি। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বাংকার। খুলনা সদর হাসপাতাল ১৫০ বেড থেকে ২৫০ বেডে উন্নীতকরণ। সিভিল সার্জনের অফিস ভবন। শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের আবাসিক ভবন। দিঘলিয়া উপজেলা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। পুলিশ সুপারের কার্যালয়। এএসপি ক সার্কেল অফিস। দৌলতপুর থানা ভবন। আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ানের অস্ত্রাগার ভবন। পুলিশ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের একাডেমিক ভবন। পুলিশ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ফায়ারিং বার্ট। পুলিশ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অস্ত্রাগার ভবন। জেলা রেজিস্ট্র্রি অফিস ভবন। রূপসা উপজেলা মডেল মসজিদ। আলিয়া মাদ্রাসা মডেল মসজিদ। ডুমুরিয়া ভদ্রা নদীর ওপর ৩১৫.৩০ মিটার লম্বা পিসি গার্ডার ব্রিজ। বটিয়াঘাটা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন। তেরখাদা উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের প্রশাসনিক ভবন ও হলরুম। পাইকগাছা উপজেলার হরিঢালী ইউনিয়ন ভূমি অফিস। পাইকগাছা উপজেলার লতা ইউনিয়ন ভূমি অফিস। ফুলতলা উপজেলায় উচ্চ জলাধার ও পাইপ লাইনের মাধ্যমে সুপেয় পানি সরবরাহ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১০০০ আসনবিশিষ্ট অডিটরিয়াম-কাম মাল্টিপারপাস হল। টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট। জেলা কারাগার। জেলা পুলিশ লাইন। ১০ তলাবিশিষ্ট বিএসটিআই আঞ্চলিক অফিস ভবন। আরআরএফ ব্যারাক ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ। পাইকগাছা উপজেলা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। আরআরএফর অস্ত্রাগার ভবন। পাইকগাছা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস। রূপসা শ্রম কল্যাণ কেন্দ্র পুনর্নির্মাণ ও আধুনিকীকরণ। ওজোপাডিকো লিমিটেডের ১৫-তলাবিশিষ্ট প্রধান কার্যালয়। জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে ভদ্রা ও সালতা নদী পুনঃখনন। বিএনএস তিতুমীর সংলগ্ন ভৈরব নদীর তীর সংরক্ষণ। শেখ রাসেল ইকো পার্ক। এডমিনিস্ট্রেটিভ কনভেনশন সেন্টার। ১০-তলা ভিতবিশিষ্ট জয় বাংলা ভবন। ১০ তলাবিশিষ্ট শহীদ বুদ্ধিজীবী ড. মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী আবাসিক ভবন। লালন সাঁই মিলনায়তন ও টিএসসি ভবন। শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. আলীম চৌধুরী চিকিৎসা কেন্দ্র। সুলতানা কামাল জিমনেসিয়াম। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আইইআর ভবন। আইটি ইনকিউবেশন এন্ড ট্রেনিং সেন্টার। রূপসা নদীর তলদেশ দিয়ে পাইপ লাইন স্থাপন। খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান বাসসকে জানান, প্রধানমন্ত্রী বিকেল ৩টায় খুলনা সার্কিট হাউস ময়দানে মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দেবেন। তিনি বলেন, খুলনা নগরীতে আগামীকালের জনসভা সফল করার জন্য সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) কমিশনার হুমায়ুন কবীর বাসসকে জানান, আইইবি খালিশপুর সেন্টার এবং সার্কিট হাউস ময়দান এলাকাসহ নগরীতে ৩,৫০০ পুলিশ সদস্য নিয়োগসহ ৮০০ সিসিটিভি স্থাপনের মাধ্যমে তিন স্তরবিশিষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
বর্তমান সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন হবে: তোফায়েল আহমেদ
সংবিধান অনুযায়ী, বর্তমান সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন হবে বলে আবারো মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। শুক্রবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্জেন্ট জহরুল হক হলের প্রথম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে পুনর্মিলনীর উদ্বোধন করেন অতিথিরা। অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, র্যা বের মহাপরিচালক বেনজির আহমেদসহ বিশিষ্টজনেরা বক্তব্য রাখেন। তারা বিভিন্ন সময়ে জাতীয় জীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা নিয়ে স্মৃতিচারণা করেন। সেই ইতিহাস নতুনদের সামনে তুলে ধরতে এবং সংরক্ষণের জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তারা।
সীমান্তের শূন্য রেখায় অবস্থান করছে ৬ হাজার ২২ জন রোহিঙ্গা
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে বিজিবির সঙ্গে পতাকা বৈঠকে সীমান্তে গুলির বিষয়টি অস্বীকার করেছে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিজিপি। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার স্বার্থেই সেনা মোতায়েন করা হয়েছে বলেও দাবি দেশটির। শুক্রবার বিকেলে বান্দরবানের ঘুমধুমে পতাকা বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে একথা জানায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি। বিজিবি ৩৪ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্নেল মঞ্জুরুল হাসান খান জানান, 'গুলিবর্ষণে বিষয়ে তারা বলেছে, তাদের ওখানে অনেক বন্যপ্রাণী থাকে একারণে গুলি করতে হয়। মানুষ দেখে তারা ফায়ার করেনি বলে তারা জানায়।' তিনি আরো জানায়, মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে বলা হয়েছে, তোমরা যা করছো তাতে বাংলাদেশে প্যানিক সৃষ্টি করতে পারে। সুতরাং এটা করো না। এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ঠেকাতেই সীমান্তে অবস্থান নিয়েছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, রোহিঙ্গা ফেরত ঠেকাতেই সীমান্তে অবস্থান নিয়েছে মিয়ানমার সেনারা। তিনি বলেন, 'তাদের ধারণা ছিলো যে, এখান থেকে কিছু মিয়ানমারের অধিবাসী (রোহিঙ্গা) তাদের সীমানার ভেতরে ঢুকবে। এইজন্য সেখানে তাদের কিছু সেনা অবস্থান করছে।' গেলো বছরের ২৫ আগস্টের সহিংসতার পর মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসে নাইক্ষ্যংছড়ির তব্রু সীমান্তে অবস্থান করছে কয়েকহাজার রোহিঙ্গা। গেলো ২০ ফেব্রুয়ারি তাদের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করতে মিয়ানমারের ঢেকিবুড়িয়ায় বৈঠক হয় বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে। বৈঠকে তাদের ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয় মিয়ানমার সরকার। কিন্তু হঠাৎ করে গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে নাইক্ষ্যংছড়ি তব্রু সীমান্তের শূণ্য রেখায় অবস্থানকারী রোহিঙ্গাদের বিপক্ষে অবস্থান করে সাতটি গাড়ি যোগে আসা ২০০ মিয়ানমার সেনাসদস্য। গেলো একমাস ধরে অবস্থান রয়েছে আরো ২০০ সেনার। এতে আতঙ্ক বিরাজ করছে সীমান্তে বসবারকারীদের মাঝেও। সীমান্তে অবস্থানকারী রোহিঙ্গারা বলেন, 'মিয়ানমার সেনারা ভারী অস্ত্র নিয়ে আছে। তারা বলছে, এখান থেকে সরে যাও। তোমরা অবৈধ্য। ওরা আমাদের জোরপূর্বক বাংলাদেশের মাটিতে রাখতে চায়।' আরেকজন রোহিঙ্গা বলেন, 'মিয়ানমারের সেনারা যেভাবে আমাদের আক্রমণের দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে, অবশ্যই আমরা আতঙ্কে আছি।' আরেক রোহিঙ্গা অভিযোগ করেন, 'রাতের বেলা তারা আমাদের এখানে চলে আসে। দিনের বেলা চলে যাই।' গেলো ছয় মাস ধরে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে নাইক্ষ্যংছড়ির তমব্রু সীমান্তের শূন্য রেখায় অবস্থান করছে ৬ হাজার ২২ জন রোহিঙ্গা।
সোশাল মিডিয়ায় ভোটের প্রচার নিয়ন্ত্রণ করতে চায় ইসি
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনী প্রচার ঠেকাতে চাইছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার নিষিদ্ধ করার বিধান যুক্ত করার সুপারিশ করেছে ইসির আইন ও বিধিমালা সংস্কার কমিটি। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতারা এবং নির্বাচন-সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের চিন্তা অবাস্তব। এমন বিধান করার আগে ইসিকে আরও ভাবতে হবে। ইসি চাইলেই জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে প্রচার বন্ধ করতে পারবে না। ইসির আইন ও বিধিমালা সংস্কার কমিটির একজন সদস্য বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেসবুক, টুইটার, ভাইবারসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো প্রার্থী বা সমর্থক বা রাজনৈতিক দল কোনো প্রচারণা চালাতে পারবে নাএ ধরনের একটি বিধান বিধিমালায় সংযোজন করার প্রস্তাব তাঁরা করেছেন। এর পাশাপাশি নির্বাচনী প্রচারণায় কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ডিসপ্লে বোর্ড ব্যবহারের ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ প্রস্তাবগুলো কমিশনের সভায় উঠবে। কমিশন সায় দিলে এটি বিধিমালায় যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। ইসির সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা বলছেন, নির্বাচনী প্রচারের ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিশেষ করে ফেসবুকের অপব্যবহার হতে পারে বলে তাঁদের আশঙ্কা আছে। মূলত এ কারণে এই ধারাটি বিধিমালায় সংযোজন করার চিন্তা করা হচ্ছে। ২০১৩ সালেও এ ধরনের একটি চিন্তা ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত তা কার্যকর হয়নি। অবশ্য কেউ ছদ্মনামে এ ধরনের প্রচার বা অপপ্রচার করলে তাকে চিহ্নিত করার মতো কারিগরি সামর্থ্য ইসির নেই। সেটা ইসির কর্মকর্তারা স্বীকারও করেন। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার, ইসির আইন ও বিধিমালা সংস্কার কমিটির প্রধান কবিতা খানম এখনই কিছু বলতে চান না। সাবেক নির্বাচন কমিশনার এম সাখাওয়াত হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, কমিটি যেকোনো সুপারিশ করতে পারে। কিন্তু আইন করার আগে দেখতে হবে তা প্রয়োগ করা যাবে কি না। সাবেক এই নির্বাচন কমিশনার মনে করেন, ইসি এ ধরনের বিধান করলে তা কার্যকর করা অসম্ভব হবে। কারণ ফেসবুক, টুইটার এগুলো এখন জনপ্রিয় যোগাযোগমাধ্যম। বিপুলসংখ্যক মানুষ ইন্টারনেটে এসব যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করবে। এগুলো নজদারি করার মতো ব্যবস্থা বা সামর্থ্য ইসির নেই। তিনি বলেন, সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার বা ঘৃণা প্রচার যাতে না হয়, জাতীয় পর্যায়ে সে বিষয়টিতে গুরুত্ব দিতে হবে। এর আগে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপে অংশ নিয়ে নাগরিক সমাজের কেউ কেউ অনলাইনে নির্বাচনী প্রচার নিয়ন্ত্রণ করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। ডিজিটাল বাংলাদেশের স্লোগান নিয়ে ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসা আওয়ামী লীগ অনলাইন যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সক্রিয়। দলটির ফেসবুক পেজে নিয়মিত হালনাগাদ তথ্য দেওয়া হয়। দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরও ফেসবুকে সক্রিয়। আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাদের অনেকে এখন থেকেই নৌকায় ভোট দিন আমার মার্কা নৌকা এ ধরনের নানা স্লোগান ফেসবুকে নিয়মিত প্রচার করছেন। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ফেসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচার বন্ধ করার প্রস্তাব কতটুকু বাস্তবায়ন করা যাবে, তা নিয়ে সংশয় আছে। এর সঙ্গে অনেক কারিগরি বিষয়ও জড়িত। কেউ দেশের বাইরে থেকে কারও পক্ষে প্রচার চালালে তা কীভাবে ঠেকাবে? বন্ধ করতে চাইলেই কী বন্ধ করা যাবে? ক্ষমতাসীনদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপিও ফেসবুক, টুইটারে সক্রিয়। দলের নামে থাকা ফেসবুক পেজ থেকে নিয়মিত বিভিন্ন কর্মসূচির তথ্য দেওয়া হয়। দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার টুইটার অ্যাকাউন্ট আছে। কারাগারে যাওয়ার আগ পর্যন্ত বিভিন্ন উপলক্ষে তিনি সেখানে নিয়মিত রাজনৈতিক বার্তা দিতেন। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের মতে, ফেসবুক, টুইটারে বিষয়ে ইসির চিন্তা বাস্তবসম্মত নয়। এসব উদ্যোগ নেওয়ার পেছনে তাদের উদ্দেশ্য কী তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ইসি অবাধ তথ্য প্রবাহ বন্ধ করতে চাইছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনী প্রচার বন্ধের বিধান যুক্ত করা হলে তা কতটা কার্যকর করা যাবে, তা নিয়ে সংশয় আছে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার বা ঘৃণা প্রচার বন্ধের বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া উচিত, এ নিয়ে কারও দ্বিমত নেই।
দায়িত্বে অবহেলা ও দুর্নীতির প্রমাণ পেলেই বরখাস্ত
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালক জামাল উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, অধিদফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্বে অবহেলা, অসততা ও দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের আর চাকরিতে রাখা হবে না। অধিদফতরের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর কার্যক্রম কঠোরভাবে মনিটর করা হচ্ছে। সোমবার সকালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের প্রধান কার্যালয়ে মাদকের বিরুদ্ধে তথ্যঅভিযান সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দেশে এখন মাদকসেবীর সংখ্যা প্রায় ৭০ লাখের মতো। তবে তাদের মধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশই নারী। সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, ২০১৬ সালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর এককভাবে ৩৯ হাজার ৫৮৫টি অভিযান চালায়। এসব অভিযানে ১০ হাজার ৪৬৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। মহাপরিচালক জানান, ২০১৬ সালে উদ্ধারকৃত ইয়াবার পরিমাণ ছিল ১৩ লাখ ১৪ হাজার ৭৫৯টি। কিন্তু ২০১৭ সালে এর পরিমাণ কমে ১১ লাখ ৫৮ হাজার ৭৭০-এ নেমে এসেছে। দেশব্যাপী ইয়াবা আগ্রাসন বাড়লেও উদ্ধার কমে যাওয়া প্রসঙ্গে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মহাপরিচালক বলেন, ২০১৬ সালের মতো বড় অংকের অভিযান চালাতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। তবে সে ব্যর্থতা কাটিয়ে ওঠার জন্য চেষ্টা চলছে। মিয়ানমার থেকে ইয়াবার আগ্রাসন ছড়িয়ে পড়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে জানানো হয়, মিয়ানমারের কাছে ৫০টি ইয়াবা কারখানার তালিকা দেয়া হয়েছে। তবে এসব কারখানার বিরুদ্ধে তারা কী ব্যবস্থা নিয়েছে তা বাংলাদেশকে এখনও জানায়নি। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মহাপরিচালক বলেন, যদি কোনো মদের বারে অপ্রাপ্তবয়স্ক বা স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের কাছে মদ পরিবেশন করা হয়, তবে সেসব বারের লাইসেন্স বাতিল করতে অধিদফতর কালবিলম্ব করবে না। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অধিদফতরের পরিচালক (অপারেশন) ডিআইজি সৈয়দ তৌফিক উদ্দিন আহমেদ, উপপরিচালক ঢাকা মেট্রো উপঅঞ্চল মুকুল জ্যোতি চাকমা।
শিক্ষার্থীদের প্রতি ব্যবহারিক কৃষি শিক্ষা গ্রহণের আহবান প্রধানমন্ত্রীর
আগামীতে উন্নত বাংলাদেশ গড়তে কৃষিই অন্যতম শক্তি হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, খাদ্য উৎপাদনের পাশাপাশি প্রক্রিয়াজাতকরণেও গুরুত্ব দিতে হবে। বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার-১৪২৩ প্রদান অনুষ্ঠানে এই কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে কৃষি খাতে বিশেষ ভূমিকা রাখার জন্য ৩২ জনের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। এ সময়, প্রধানমন্ত্রী কৃষিখাতে গবেষণা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে শিক্ষাক্রমেও কৃষিবিদ্যার ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জনের তাগিদ দেন। বিএনপির সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন সরকারের ধারাবাহিকতায় দেশের মানুষ স্বস্তিতে বাস করছে। কৃষিখাতের উন্নয়নে অনুপ্রেরণা যোগাতে দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭৩ সাল থেকে জাতীয় কৃষি পুরস্কারের প্রবর্তন হয়। প্রতিবছর দেশের সম্ভাবনাময় কৃষক ও কৃষি উদ্যোক্তাদের এই পুরস্কারে উৎসাহ দিয়ে আসছে সরকার। অন্যান্য বছরের ন্যায় এবারো দেয়া হলো বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার ১৪২৩। বৃহস্পতিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে কৃষিক্ষেত্রে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে চলতি বছর ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে ৫ জনকে স্বর্ণপদক, ৯ জনকে রৌপ্যপদক ও ১৮ জনকে ব্রোঞ্জ পদকে ভূষিত করা হলো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩২ জনের হাতে তুলে দেন কৃষিখাতের এই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির স্মারক। পুরস্কার প্রদান পর্ব শেষে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সরকার প্রধান শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ কৃষি খাতে যথাসময়ে গবেষণার উদ্যোগ নিয়েছিলো বলেই দেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আওয়ামী লীগ সরকার সব সময় কৃষি বান্ধব। আমাদের দেশের কৃষকরা যখন ১৯৯৫ সালে সারের দাবিতে আন্দোলন করেছিল এই আন্দোলন করতে যেয়ে তারা সার পায়নি পেয়েছিল গুলি। আমরা ওয়াদা করেছিলাম তখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় গেলে সারের দাবি করতে হবে না। সার কৃষকের হাতে পৌঁছে যাবে। আমরা সেই ব্যবস্থা নিয়েছি। দেশ যাতে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারে সে কারণে গবেষণা ওপর গুরুত্ব দিয়েছি। ২০০৮ সালে জয়ী হওয়ার পর দেখলাম আবার খাদ্য ঘাটতি। আবার আমরা উদ্যোগ নিলাম।' এছাড়া তিনি আরোও বলেন, 'এখন আমরা খাদ্যে স্বয়ংসর্ম্পূণ শুধু তাই নয়, বাংলাদেশ ধান উৎপাদনে বিশ্বে চতুর্থ। আমরা চাই আমাদের নিজেদের উৎপাদন নিজে করবো। আমরা কারো কাছে হাত পেতে চলবো না। আমরা মর্যাদার সঙ্গে বিশ্ব সভায় মাথা উঁচু করে চলবো। সরকারের ধারাবাহিকতা আছে তার কারণে দেশে উন্নয়ন আজ দৃশ্যমান। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা থেকে শুরু করে দেশের মানুষের জীবন মান উন্নত হচ্ছে।'
হজ ২০১৮ নিবন্ধন শুরু
চলতি বছর যারা হজে যাবেন, তাঁদের নিবন্ধন আজ বৃহস্পতিবার শুরু হয়েছে। ১১ মার্চ পর্যন্ত নিবন্ধন চলবে। আগামী ১৪ জুলাই থেকে হজ ফ্লাইট শুরু হবে। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান ধর্মমন্ত্রী মতিউর রহমান। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব আনিছুর রহমান। সংবাদ সম্মেলনে একজন চিকিৎসকের হাতে হজে যাওয়ার নিবন্ধন সনদ তুলে দেওয়া হয়। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবার মোট ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজে যেতে পারবেন। প্রত্যেক হজযাত্রী নিবন্ধন সনদ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করে বিমানের টিকিট নিশ্চিত করবেন। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিসভা হজ প্যাকেজের খসড়া অনুমোদন দেয়। এ-সংক্রান্ত তথ্য সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরা হয়। গত বছর হজ কার্যক্রমে অনিয়মের ঘটনায় বিভিন্ন এজেন্সির বিরুদ্ধে নেওয়া শাস্তিমূলক ব্যবস্থার বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে তথ্য জানানো হয়।
তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মিজানুরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার ডিআইজি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। পুলিশ মেমোরিয়াল ডে উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকায় পুলিশ স্টাফ কলেজে (পিএসসি) পুলিশ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশ সদর দফতরে ডিআইজি মিজানুর রহমানের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হলে সুপারিশগুলো পর্যালোচনার পরই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রসঙ্গত, গত ৭ জানুয়ারি যুগান্তরে ডিআইজি মিজানের কীর্তি নিয়ে তুলে নিয়ে বিয়ে করলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শীর্ষক বহুল আলোচিত রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। এক সংবাদ পাঠিকার জীবনও বিষয়ে তুলেছেন ডিআইজি মিজান শিরোনামে পর দিন ৮ জানুয়ারি আরও একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হলে দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড় বইতে শুরু করে। এদিকে ৮ জানুয়ারি থেকে যমুনা টিভিও বিষয়টি নিয়ে একাধিক প্রতিবেদন সম্প্রচার করে। যেখানে তথ্যপ্রমাণ হিসেবে অভিযোগের অনেক কিছু অডিও ও ভিডিওর মাধ্যমে সম্প্রচার করা হয়। এর পর ৯ জানুয়ারি ডিআইজি মিজানুর রহমানকে ঢাকা মহানগর পুলিশ থেকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।
সারাদেশে তরল প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ শুরু ১৫ মে থেকে
আসছে ১৫ মে থেকে সারাদেশে তরল প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী। বুধবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে এক মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন। ২৫ এপ্রিল প্রথম ধাপে কাতার থেকে ৫শ' এমএমসিএফটি তরল প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি করা হবে বলেও জানান তিনি। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, 'আপনাদের আশ্বস্ত করতে পারি যে, গ্যাস আসতেছে এবং আমরা ২০ তারিখ সিস্টেমে দিব। মিটারগুলো সিস্টেম করা আছে। তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী আরো বলেন, 'যে কোন করতে রিহার্সাল করতে হয়। সে হিসেবে কিছুদিন সময় লাগবে। এজন্যই ২৫ এপ্রিল সময় নেয়া হয়েছে। নীট মে আপনারা গ্যাস পাবেন। সে হিসেবে আপনারা প্রস্তুতি নেন।' এসময় তিনি আরো বলেন, '২৫ তারিখের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন। সেজন্য আমরাও এসেছি। আনোয়ারা থেকে ফৌজদারি যে পাইপলাইন আছে, সেখানে কিছু সমস্যা ছিল। সেটা আমরা দেখছি।

জাতীয় পাতার আরো খবর