তিন বিচারপতি নিয়োগ আপিল বিভাগে
অনলাইন ডেস্ক: চার সদস্য নিয়ে দীর্ঘদিন বিচার কার্যক্রম চালিয়ে আসার পর নতুন তিনজন বিচারক পেল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। বাংলাদেশ হাই কোর্টের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা বিচারপতি জিনাত আরা, বিচারপতি আবু বকর সিদ্দিকী এবং বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান এখন থেকে আপিল বিভাগে বিচারিক দায়িত্ব পালন করবেন। তাদের তিনজনকে সোমবার আপিল বিভাগে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে হাই কোর্ট বিভাগের বিশেষ কর্মকর্তা সাইফুর রহমান জানান। নিয়োগপ্রাপ্তরা আগামীকাল মঙ্গলবার তারা শপথ নেবেন বলে জানা গেছে। সোমবার রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের অনুমোদন পাওয়ার পর তাদের নিয়োগ দেয় মন্ত্রণালয়। সুপ্রিমকোর্টের স্পেশাল অফিসার ব্যারিস্টার সাইফুর রহমান বলেন, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় এ তিন বিচারপতি শপথ নেবেন। সুপ্রিমকোর্টের জাজেজ লাউঞ্জে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন তাদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন। আপিল বিভাগে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনসহ চারজন বিচারপতি কর্মরত আছেন। প্রধান বিচারপতি ছাড়া বাকিরা হলেন- বিচারপতি ইমান আলী, হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও মির্জা হোসেইন হায়দার। নতুন এ নিয়োগের ফলে আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা ৮ জনে উন্নীত হলো।
দ্বিতীয় মেয়াদে আজ মেয়রের দায়িত্ব নিচ্ছেন আরিফুল
অনলাইন ডেস্ক: সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নিচ্ছেন আরিফুল হক চৌধুরী। সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, বিকালে নবনির্বাচিত মেয়র হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করবেন। এরপর বিকালে নগর ভবনে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল শেষে সিটি করপোরেশনের সচিব মো. বদরুল হকের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার বুঝে নেবেন। দায়িত্বভার গ্রহণ শেষে তিনি সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের জন্য নিটল-নিলয় গ্রুপের সৌজন্যে দেওয়া বাস সার্ভিসের উদ্বোধন করবেন। করপোরেশনের যেসব কর্মকর্তা মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দকৃত গাড়ি ব্যবহার করেন না, তারা এ বাসটি ব্যবহার করবেন। গত ৩০ জুলাই সিলেট সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ধানের শীষ প্রতীকে ৯২ হাজার ৫৯৮ ভোট পেয়ে পুনরায় মেয়র নির্বাচিত হন আরিফুল হক চৌধুরী। সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে টানা দ্বিতীয়বার জয়লাভের পর আরিফুল হক চৌধুরী গত ৫ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় মেয়াদে শপথগ্রহণ করেন। এরপর ঢাকা থেকে তিনি সপরিবারে ইংল্যান্ড চলে যান। সেখানে প্রায় ২৩ দিন অবস্থান শেষে গত ২৭ সেপ্টেম্বর দেশে ফেরেন।
খালাফ হত্যায় মামুনের মৃত্যুদণ্ড বহাল
অনলাইন ডেস্ক: সৌদি আরবের দূতাবাস কর্মকর্তা খালাফ আল আলীকে হত্যার দায়ে আসামি সাইফুল ইসলাম মামুনের মৃত্যুদণ্ডের রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে করা আবেদন খারিজ করেদিয়েছেন আপিল বিভাগ। আজ রোববার (৭ অক্টোবর) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী কাজী আকতার হামিদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। গত বছরের ১ নভেম্বর মামুনের মৃত্যুদণ্ডাদেশসহ হাইকোর্টের পুনর্বহাল রাখেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। ওই রায়ের ফলে অন্য তিন আসামি আল আমিন, আকবর আলী লালু ওরফে রনি ও রফিকুল ইসলাম খোকনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও বহাল রয়েছে। ৫ আসামির মধ্যে অন্যজন পলাতক সেলিম চৌধুরী ওরফে সেলিম আহমেদকে হাইকোর্টের মতই সর্বোচ্চ আদালত থেকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। পরে মামুনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করা হয়। যার ওপর বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে আদেশের জন্য ৭ অক্টোবর দিন ঠিক করেছিলেন আদালত। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাইফুল বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার মধ্য খোন্তাকাটা গ্রামের মৃত আব্দুল মোতালেব হাওলাদারের ছেলে। যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত আল আমিন পটুয়াখালীর হাজিখালী গ্রামের ফারুক ঘরামীর ছেলে, লালু শরিয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার গোয়ালকোয়া গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে এবং খোকন ময়মনসিংহ নগরের নাটকঘর বাইলেনের আব্দুস সালামের ছেলে।খালাসপ্রাপ্ত সেলিম ভোলার শশীভূষণ থানার উত্তর চরমঙ্গল গ্রামের সিদ্দিক আহমেদ চৌধুরীর ছেলে। এ মামলায় পাঁচ আসামিকেই মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন বিচারিক আদালত। আর হাইকোর্ট তাদের মধ্যে সাইফুলের মৃত্যুদণ্ড বহাল, আল আমিন, লালু ও খোকনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং সেলিমকে খালাস দেন। ২০১২ সালের ৫ মার্চ রাত ১টার দিকে রাজধানীর গুলশানে কূটনৈতিক এলাকার ১২০ নম্বর সড়কের ১৯/বি নম্বর বাসার সামনে গুলিবিদ্ধ হন খালাফ আল আলী (৪৫)। ৬ মার্চ ভোরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ওই বছরের ৪ জুন দক্ষিণখান থানার গাওয়াইর এলাকা থেকে চার ছিনতাইকারী সাইফুল, লালু, আল আমিন ও খোকনকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশের ডাকাতি, দস্যুতা ও ছিনতাই প্রতিরোধ টিম। এসময় তাদের কাছ থেকে কালো রঙের একটি বিদেশি পয়েন্ট ২২ বোরের রিভলবার জব্দ করা হয়। অবৈধ অস্ত্র রাখার দায়ে ওইদিনই তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলা দায়ের করা হয়। খালাফ হত্যার আসামি সাইফুল ও আল আমিন আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে স্বীকার করেন যে, ৫ মার্চ দিনগত রাতে ছিনতাই করতে বাধা দেওয়ায় তারা চারজনসহ পলাতক সহযোগী সেলিম খালাফ আল আলীকে এ অস্ত্র দিয়ে গুলি করে হত্যা করেন। তবে আল আমিন তার জবানবন্দিতে সাইফুল গুলি করেন বলে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, সাইফুলসহ বাকি চারজন ওই রাতে খালাফকে ঘিরে ধরেন এবং তার কাছে ডলার চান। ডলার না দেওয়ায় তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। পরে সাইফুল তার হাতে থাকা রিভলবার দিয়ে খালাফকে গুলি করে পালিয়ে যান। এরপর সাইফুল, আল আমিন, লালু ও খোকনকে খালাফ হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখায় (শ্যো’ন অ্যারেস্ট) পুলিশ। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার মো. ওবায়দুল হক ২০১২ সালের ২০ সেপ্টেম্বর ওই চারজনসহ পলাতক সেলিমকে আসামি করে এ মামলায় অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। একই বছরের ৩১ অক্টোবর পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করে এ মামলার বিচার শুরু করেন ঢাকার ৪ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোতাহার হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে এ মামলায় মোট ৩৩ জন সাক্ষ্য দেন। গ্রেফতারকৃত চার আসামি ৩৪২ ধারায় আত্মপক্ষ সমর্থন করে নিজেদের নির্দোষ দাবি এবং ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন। উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক (আর্গুমেন্ট) উপস্থাপন শেষে ২০১২ সালের ৩০ ডিসেম্বর খালাফ আল আলীকে হত্যার দায়ে ৫ আসামির সবাইকে মৃত্যুদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল। রায়ের পর কারাগারে থাকা আসামিরা হাইকোর্টে জেল আপিল ও জামিনের আবেদন জানান। অন্যদিকে বিচারিক আদালত থেকে ডেথ রেফারেন্স আসে এবং কারা কর্তৃপক্ষ নিয়ম অনুসারে দণ্ড কার্যকর করতে হাইকোর্টের অনুমতি চান। ২০১৩ সালের ১ আগস্ট থেকে ডেথ রেফারেন্স ও সবগুলো জেল আপিলের শুনানি একসঙ্গে শুরু হয়ে ৩ নভেম্বর শেষ হয় হাইকোর্ট বেঞ্চে। ২০১৩ সালের ১৮ নভেম্বর আসামি সাইফুলকে বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রাখেন হাইকোর্ট। মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত অন্য তিনজন আল আমিন, লালু ও খোকনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন এবং পলাতক সেলিমকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। হাইকোর্টের এ রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেন রাষ্ট্রপক্ষ। ২০১৪ সালের ২৩ জুলাই আপিলটি মঞ্জুর করেন আপিল বিভাগ।
আজ থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ
অনলাইন ডেস্ক: মা ইলিশ সংরক্ষণের অংশ হিসেবে আজ থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। এ সময় উপকূল চিহ্নিত সাত হাজার বর্গ কিলোমিটার ইলিশের প্রধান প্রজনন ক্ষেত্র ও অন্য এলাকায় ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ এবং ক্রয়-বিক্রয় সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কার্যক্রম সফল করতে দেশের ৩৭ জেলার নদ-নদী, হাট-বাজার এবং মৎস্য আড়তে বিশেষ অভিযান চালানো হবে। এই আদেশ অমান্য করলে কমপক্ষে এক বছর থেকে সর্বোচ্চ দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড বা পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়দণ্ড হতে পারে। মৎস্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মাসুদ আরা মমি জানিয়েছিলেন, ৭ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সংরক্ষণের অংশ হিসেবে ইলিশ ধরা ও বিক্রি নিষিদ্ধ করার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এই নিষেধাজ্ঞার মধ্যে ইলিশের নিরাপদ প্রজননের জন্য ২৭টি জেলার সব নদ-নদী, সমুদ্র উপকূল এবং মোহনায় এই রূপালী মাছ আহরণ নিষিদ্ধ থাকবে। দেশে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকা ২৭ জেলা হচ্ছে- বাগেরহাট, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, শরীয়তপুর, ব্রাক্ষনবাড়িয়া, ঢাকা, মাদারীপুর, ফরিদপুর, রাজবাড়ি, জামালপুর, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, খুলনা, কুষ্টিয়া ও রাজশাহী। একইসঙ্গে সমুদ্র উপকূল এবং মোহনায় ইলিশ ধরা যাবে না। প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ, বিপণন, ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন, মজুদ ও বিনিময় নিষিদ্ধ। এজন্য এই সময়ে দেশের মাছঘাট, মৎস্য আড়ৎ, হাটবাজার, চেইনশপে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করা হবে।
আগামী ২০২৪ সালে বাংলাদেশ পূর্ণাঙ্গভাবে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, আগামী ২০২৪ সালে বাংলাদেশ পূর্ণাঙ্গভাবে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হচ্ছে। একসময় যারা বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুঁড়ি এবং বিশ্বের দরিদ্র দেশের মডেল বলেছেন, আজ তারাই বাংলাদেশকে উন্নয়ন বিষ্ময় বলছেন। বাণিজ্যমন্ত্রী আজ ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলায় ইনভয় টেক্সটাইলস লিমিটেডের নবনির্মিত অডিও ভিস্যুয়াল সেন্টার উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন। তোফায়েল আহমেদ বলেন, আগামী জাতীয় সংসদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলে বিএনপির অস্তিত্ব বিলিন হয়ে যাবে। বিগত জাতীয় নির্বাচন বানচাল করার জন্য বিএনপি জোট আপ্রাণ চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে। এবারও সে রকম চেষ্টা করে লাভ হবে না। তিনি বলেন, বর্তমান সংসদের মেয়াদ আগামী ২৮ জানুয়ারি শেষ হবে, এর ৯০ দিন আগে যে কোন দিন দেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছে আগামী ডিসেম্বর মাসের শেষে জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দেশের প্রচলিত পবিত্র সংবিধান মোতাবেক জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, এর বাইরে কিছুই হবে না। আগামী নির্বাচন অবাধ নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণ মূলক হবে। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাণিজ্যবান্ধব এবং শ্রমিক বান্ধব। তার প্রতিফলন ঘটেছে এই ইনভয় টেক্সটাইলস ফ্যাক্টরিতে। এ অত্যাধুনিক ফ্যাক্টরিতে শ্রমিকরা শ্রমবান্ধব পরিবেশে কাজ করছে। মাসের বেতন সে মাসেই পাচ্ছেন। শিক্ষা, স্বাস্থসহ সবধরনের সুবিধা পেয়ে শ্রমিকরা খুশি। এই বাংলাদেশই তো জাতির পিতা দেখতে চেয়েছিলেন। ইনভয় গ্রুপের চেয়ারম্যান কুতুব উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আবুল কাশেম মো. শিরিন, ভোলা জেলার আওয়ামী লীগ নেতা মঈনুল হোসেন বিপ্লব এবং ইনভয় গ্রুপের পরিচালক তানভির আহমেদ।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় পাঁচ সদস্যের নতুন মেডিকেল বোর্ড
অনলাইন ডেস্ক: কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় পাঁচ সদস্যের নতুন একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। শনিবার (৬ অক্টোবর) বিকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল প্রশাসন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বিএসএমএমইউর মেডিসিন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো আব্দুল জলিল চৌধুরীর নেতৃত্বে এই ৫ সদস্যের বোর্ডে রয়েছেন অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আতিকুল হক, অধ্যাপক ডা. সজল কৃষ্ণ ব্যানার্জী, অধ্যাপক ডা. নকুল কুমার দত্ত ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. বদরুনেসা। বিএসএমএমইউ সূত্র জানায়, বিকাল পৌনে চারটায় খালেদাকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। পরে হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুসারে আগের চিকিৎসা বোর্ড পরিবর্তন করে খালেদার জন্য ৫ সদস্যের নতুন বোর্ড প্রস্তুত করা হয়। আগের বোর্ডের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক অভিযোগ থাকায় নতুন বোর্ড গঠন করা হয়েছে। আর এই বোর্ডে যারা আছেন তারা দেশের সেরা চিকিৎসক।
রাজনীতি এখন গরিবের বউ !
অনলাইন ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেছেন, আমাদের গ্রামে প্রবাদ আছে গরিবের বউ নাকি সবারই ভাউজ (ভাবি)। রাজনীতিও হয়ে গেছে গরিবের বউয়ের মতো। যে কেউ যে কোনো সময় ঢুকে পড়তে পারে, বাধা নাই। ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতিতে যুক্ত আবদুল হামিদ সমাবর্তনে তার লিখিত বক্তব্যের বাইরে গিয়ে একথা বলেন। এসময় সমাবর্তনে অংশগ্রহণকারীরা হাসিতে ফেটে পড়েন। শনিবার (৬ অক্টোবর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫১তম সমাবর্তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য আবদুল হামিদ এসব কথা বলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে এ সমাবর্তন হয়। সভাপতির বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি বলেন, গরিবের বউ হচ্ছে সবার ভাবি। এখন রাজনীতিও তেমন। যে কেউ চাইলেই রাজনীতিতে আসতে পারছে। কিন্তু অন্য পেশায় কেউ চাইলেই যেতে পারে না। এ বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২১ হাজার ১১১ জন গ্র্যাজুয়েট সমাবর্তনে অংশ নিচ্ছেন। যা ঢাবির ইতিহাসে সর্বাধিক গ্র্যাজুয়েট। সমাবর্তন অনুষ্ঠানে কৃতী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ৯৬টি স্বর্ণপদক, ৮১ জনকে পিএইচডি এবং ২৭ জনকে এমফিল ডিগ্রি দেয়া হবে। কিশোরগঞ্জের আঞ্চলিক ভাষার টানে তিনি বলেন, আমি যদি বলি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিজিক্সের লেকচারার হইতাম চাই, নিশ্চয়ই ভিসি সাহেব আমারে নেবেন না। বা কোনো হাসপাতালে গিয়া বলি, এতদিন রাজনীতি করছি, হাসপাতালে ডাক্তারি করতে দেন। বোঝেন অবস্থাটা কী হবে? এগুলো বললে হাসির পাত্র হওয়া ছাড়া আর কিছু হবে না। রাষ্ট্রপতি বলেন, যদি বলি এত বছর রাজনীতি করছি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে সুপারিন্টেন্ডেন্ট এর পদ দিতে পার। সেখানে আমাকে দিবে? কিন্তু রাজনীতি গরিবের ভাউজ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামানের উদ্দেশে আবদুল হামিদ বলেন, সবাই... ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ি ডাক্তারি পড়ি... ভিসি সাহেবও অবসরের পর রাজনীতি করবেন। যারা সরকারি চাকরি করেন... জজ সাহেব যারা আছেন ৬৭ বছর চাকরি করবেন। রিটায়ারের পর বলবেন, আমিও রাজনীতিবিদ। আর্মির জেনারেল হওয়া সেনাপ্রধান হওয়া, সরকারি সচিব, প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি, কেবিনেট সেক্রেটারি রিটায়ার কইরা বলেন, আমি রাজনীতি করবো। কোন রাখঢাক নাই। যার ইচ্ছা, যখন ইচ্ছা তখনই রাজনীতি ঢোকে... তিনি বলেন, চাকরি করে যা করার করছে। এরপর বলছে রাজনীতি করবো। আমার মনে হয় সকল রাজনৈতিক দলকে এটা চিন্তা করা উচিত। হ্যাঁ এক্সপার্টের দরকার আছে। অনেক সময় বলা হয় পেশাভিত্তিক পার্লামেন্ট। হ্যাঁ পেশাভিত্তিক করেন। এমবিবিএস পাস করে সরাসরি রাজনীতি করেন। কোনো অসুবিধা নেই। ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে চাকরিতে না ঢুকে সরাসরি রাজনীতিতে ঢোকেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, ৫৯ বছর, ৬৫ বছর ৬৭ বছর পুলিশের ঊর্ধ্বতন ডিআইজি, আইজিরাও রাজনীতি করবেন। মনে মনে কই, রাজনীতি করার সময় এই পুলিশ তোমার বাহিনী দিয়ে পাছার মধ্যে বাড়ি দিছো। তুমি আবার আমার লগে আইছো রাজনীতি করতে। কই যামু। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোকে এসব ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করতে হবে। এই যে রাজনীতিবিদদের সমস্যা এই সমস্যার কারণও এটা। বিজনেসম্যানরা তো আছেই... শিল্পপতি-ভগ্নিপতিদের আগমন এভাবে হয়ে যায়। এগুলো থামানো দরকার। ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতির শিক্ষা নেওয়ার উপর জোর দিয়ে আবদুল হামিদ বলেন, এক্সপার্টের প্রয়োজন আছে। এক্সপারটাইজ হিসেবে তাদের মতামত নেন। তাদের কমিটি করে দেন, উপদেষ্টা করে দেন। ডাইরেক্ট রাজনীতির মধ্যে আইসা তারা ইলেকশন করবে, মন্ত্রী হয়ে যাবে এটা যেন কেমন কেমন লাগে। যার জন্যেই আমার মনে হয় আমাদের দেশের রাজনীতির গুণগত পরিবর্তন হচ্ছে না। এসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নির্বাচন নিয়ে কথা বলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য আবদুল হামিদ। ডাকসু নির্বাচন নিয়ে আশার আলো দেখছি। ছাত্র সমাজের বিনীতভাবে অনুরোধ জানাই। যখন তফসিল হয়, দেখা যাবে অনেক ক্যালকুলেশন হবে। ভেজাল সৃষ্টি করে দিতে পারে। অনেকে অনেক স্বার্থে করতে পারে। কিন্তু সমস্ত ছেলেমেয়েদের বঞ্চিত করা উচিত না। এ ব্যাপারে তৎপর থাকতে হবে। যাতে কোনোভাবে নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে না পারে। যারা ব্যক্তি বা অন্য স্বার্থ দেখতে চায় এদেরকে সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহারের কুফলও উঠে আসে রাষ্ট্রপতির কথায়। কলেজে পড়ার সময় আমরা প্রেমপত্র লিখছি। ভালো কোটেশন কিভাবে চিঠিতে দিলে সুন্দর হবে। এখন তো চিঠি লেখাই একেবারে নাই। এখনতো মেসেজ পাঠায়। ইংরেজিতে বাংলা লেখে। কী লেখে? ফেইসবুক-টেইসবুক এসব আমি বুঝি না। আমি ব্যাকডেটেড। রসিকতা করে তিনি বলেন, আপনারা যে প্রেমপত্রকে বিসর্জন দিছেন। প্রেমের সাহিত্য তো মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়ে যাচ্ছে। প্রেমপত্র লেখার চর্চাটা অন্তত রাখেন। তাহলে প্রেমপত্রে সাহিত্য বেঁচে থাকবে বলে আমার বিশ্বাস। ছোটবাচ্চাদের মোবাইল দিয়ে বসায়া রাখে। এইটাও চিন্তা-ভাবনার বিষয়। প্রয়োজনের অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার কমানো প্রয়োজন।... ট্রেনে-বাসে উঠলে পাশের যাত্রীকে বলতাম কোথায় যাবে। এখন কোনো কথাই নেই। বইয়াই মোবাইল টিপ দিয়া দেয়। তুই ব্যাটা জাহান্নামে যা, আমি আছি মোবাইল আছে। এই যে অবস্থা। আমার মনে হয় সামাজিক বন্ধন মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। বিভিন্ন সময়ের মতো স্ত্রী রাশিদা খানমের সঙ্গে নিজের খুনসুটির কথাও তুলে ধরেন আবদুল হামিদ। সমাবর্তনের লিখিত বক্তব্যে গুণগত মান সমুন্নত রেখে দেশের চাহিদা ও বিশ্বের জনশক্তি বাজারের কথা বিবেচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগগুলোর সম্প্রসারণ করার পক্ষে মত দেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, অপ্রয়োজনীয় ও কম গুরুত্বপূর্ণ বিভাগগুলোকে যুগোপযোগী করে ঢেলে সাজাতে হবে। তবে মনে রাখতে হবে, এ সংযোজন, বিয়োজন বা সম্প্রসারণ যাতে কোনো ব্যক্তি বা কতিপয় লোকের স্বার্থে না হয়ে দেশ ও জাতির স্বার্থে হয়। দেশের প্রয়োজনে এবং জাতীয় স্বার্থে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে সম্ভাব্য সব পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বানও জানান আবদুল হামিদ। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ডিপ্লোমা ও সান্ধ্যকালীন কোর্স লেখাপড়ার পরিবেশ বিঘ্নিত করছে কি না, তা ভেবে দেখতেও বলেন রাষ্ট্রপতি। ডিপ্লোমা ও সান্ধ্যকালীন কোর্সের নামে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন বিষয়ে ডিগ্রি প্রদান করা হচ্ছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যের পাশাপাশি স্বাভাবিক লেখাপড়ার পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে কি না তা ভাবতে হবে। আমি মনে করি শিক্ষার্থীদের বৃহৎ স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তা ভেবে দেখবেন। মনে রাখতে হবে, জনগণের অর্থেই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হয়। তাই তাদের স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দিতে হবে। কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত এই সমাবর্তনে রেজিস্ট্র্রেশন করেছেন ২১ হাজার ১১১জন গ্র্যাজুয়েট। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনের ইতিহাসে সর্বাধিক সংখ্যা। কৃতী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৯৬টি স্বর্ণ পদক, ৮১জনকে পিএইচডি ও ২৭ জনকে এম ফিল ডিগ্রি দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তব্য দেন জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান। আরও বক্তব্য দেন উপাচার্য মো. অধ্যাপক আখতারুজ্জামান, প্রো উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নাসরীন আহমাদ। আলোকিত বাংলাদেশ
২০২১ সালে শতভাগ বিদ্যুৎ পৌছে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: ২০২১ সালে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে দেওয়া হবে বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বর্তমানে ৯৩ শতাংশ মানুষ বিদ্যুতের আওতায়। ২০২১ সালে দেশের শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধা পাবে। শনিবার বিকালে গণভবনে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন লায়ন্স ক্লাবের এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে আমরা বিদ্যুৎ উৎপাদনে মনোনিবেশ করি। কিন্তু ২০০৮ সালে ফের ক্ষমতায় এসে দেখলাম বিদ্যুৎ উৎপাদন যেখানে রেখে গিয়েছিলাম সেখান থেকে কমে গেছে। আমি বুঝলাম না কিভাবে সেটি কমে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, দেশের প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ৮৬ ভাগ ছাড়িয়ে গেছে। আর মুদ্রাস্ফীতি করে ৫ দশমিক ৪ শতাংশে নেমে এসেছে। দেশের মানুষের গড় আয় বেড়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে মানুষের মাথাপিছু আয় ১৭৫১ মার্কিন ডলার। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ছোট বোন শেখ রেহেনা আমাকে বলেছিল ১৭ কোটি মানুষকে তুমি ভাত খাওয়াতে পারছ, আর কয়েক লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিতে পারবে না? আমি বলেছিলাম অবশ্যই পারবো। তাঁদের আশ্রয় দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যে জাতি দেশের জন্য জীবন দিতে পারে তাঁরা কখনো পিছিয়ে থাকতে পারে না। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, যাবে। আজকে সব দিক থেকে বাংলাদেশ এগিয়ে গেছে। বিএনপির সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, তাঁরা শুধু লুটপাট করতে জানে। তাঁরা জানে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করতে, মানুষ মারতে। এদের হাতে রক্ত লেগে আছে।
ট্রাফিক আইন: ১৪ কোটি টাকা জরিমানা আদায়
অনলাইন ডেস্ক: শেষ হলো সেপ্টেম্বর মাস জুড়ে ট্রাফিক আইন প্রয়োগ ও ট্রাফিক সচেতনতামূলক অভিযান। এ সময় ক্রুটিপূর্ণ যানবাহন চালকের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ট্রাফিক বিভাগ। ১৪ কোটি টাকারও বেশি জরিমানা আদায় করা হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ঢাকার সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এ সচেতনতামূলক অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাস জুড়ে চালানো অভিযানে অনেক কিছু হয়েছে। ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু এত বিশৃঙ্খলা দূর করতে হলে জনগণকে আরও সচেতন হতে হবে। একই সঙ্গে তাদের সহযোগিতাও করতে হবে। এ কারণে অভিযানের পুরোপুরি টার্গেট এখনও শেষ হয়নি। তবে ট্রাফিক পুলিশের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। সড়কের শৃঙ্খলা ফেরাতে হলে সবাইকে ট্রাফিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। আর আইন না মানলে ট্রাফিক শৃঙ্খলা ফেরানো সম্ভব নয়। শুক্রবার ট্রাফিক বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, এ সময় ট্রাফিক আইন ভঙ্গের অপরাধে ১ লাখ ৭২ হাজার ৬০০টি মামলা করে ডিএমপি’র ট্রাফিক বিভাগ। এর মধ্যে ফিটনেস সংক্রান্ত ৭ হাজার ৬২৮টি, পারমিট না থাকায় ৬ হাজার ৪৯৫টি, ড্রাইভিং লাইসেন্স সংক্রান্ত ৩০ হাজার ৫৬৪টি, উল্টোপথে চলাচলের কারণে ১৩ হাজার ৮৮টি, মোটর সাইকেলের বিরুদ্ধে ৬৫ হাজার ৮০৩টি মামলা হয়। জরিমানা করা হয় ১৪ কোটি ১৯ লাখ ৪৭৯ টাকা। এ সময় বেশ কিছু যানবাহনকে ডাম্পিং করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

জাতীয় পাতার আরো খবর