বৃহস্পতিবার, মার্চ ৪, ২০২১
করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৩০ মৃত্যু, শনাক্ত ১৩৫৬
০৩আগস্ট,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে তিন হাজার ১৮৪ জনের। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ৩৫৬ জন। সবমিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ৪২ হাজার ১০২ জনে। সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুর আড়াইটায় করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা এ তথ্য জানান। তিনি জানান, ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ও বাড়িতে উপসর্গ বিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৬৬ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন এক লাখ ৩৭ হাজার ৯০৫ জন। নাসিমা সুলতানা জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে চার হাজার ২৩৮টি। আগের নমুনাসহ মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে চার হাজার ২৪৯টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১১ লাখ ৯৩ হাজার ৫৪৪টি। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩০ জনের মধ্যে ২৫ জন পুরুষ ও নারী পাঁচজন। বিভাগওয়ারী হিসেবে এদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে রয়েছেন ১৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে পাঁচজন, খুলনা বিভাগে চারজন, রাজশাহী বিভাগে তিনজন এবং ময়মনসিংহ, রংপুর ও সিলেট বিভাগে একজন করে। এদের মধ্যে হাসপাতালে ২৭ জন ও বাসায় তিনজন মারা গেছেন। মৃতদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে একজন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে একজন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে পাঁচজন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ১৪ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে চারজন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে তিনজন ও ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে দু জন রয়েছেন। নাসিমা সুলতানা জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ৪৬৮ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৩৬৩ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন ৫২ হাজার ২৭৩ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র নিয়েছেন ৩৩ হাজার ৪৪৮ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১২ হাজার ৮২৫ জন।
ঈদ শেষে রাজধানীতে ফিরছে মানুষ
০৩আগস্ট,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে নির্ধারিত তিন দিনের ছুটি শেষে আজ খুলছে অফিস-আদালত। করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট সংকটকালীন পরিস্থিতিতেও প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে গ্রামে পাড়ি দিয়েছিলেন অনেক রাজধানীবাসী। ঈদের ছুটি শেষে তারা আবার ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন। সোমবার রাজধানীর কল্যাণপুর-গাবতলী বাসস্ট্যান্ড এলাকা ঘুরে অনেককেই ঢাকায় ফিরতে দেখা গেছে। বাস কাউন্টারগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঈদের আগমুহূর্তে প্রায় সবাই একসঙ্গে ঢাকা ছাড়লেও ফেরার সময় আস্তে আস্তে ফেরেন। অনেকেই ঈদের নির্ধারিত ছুটির সঙ্গে বাড়তি ছুটি যোগ করে নেন। আবার কেউ কেউ ঈদ শেষে অফিস ধরতে ঢাকায় ফিরলেও তাদের পরিবার বাড়িতে থেকে যান আরো কিছুদিন। করোনা পরিস্থিতির কারণে এবার কিছুটা কম সংখ্যক মানুষ ঢাকা ছেড়েছেন। তাই স্বাভাবিকভাবেই ফেরার সংখ্যাটাও কম। এদিকে, ছুটি শেষে ঢাকায় ফেরার পাশপাশি অনেককেই ঢাকা ছাড়তেও দেখা গেছে। বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে যারা ঈদের সময়েও বিশেষ দায়িত্বে ছিলেন সাধারণত তারা ঢাকা ছাড়ছেন। এছাড়া ঈদ উপলক্ষে ঢাকায় স্বজনদের বাসায় বেড়াতে আসা লোকজন এবং ঈদ কেন্দ্রীক জীবিকার তাগিদে ঢাকায় আসা নিম্নবিত্ত মানুষরা এখন বাড়ির পথে পা বাড়িয়েছেন।- বিডি-প্রতিদিন
বৃষ্টির প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে
০৩আগস্ট,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ৪৮ ঘণ্টায় সারাদেশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে। সেই সঙ্গে বর্ধিত ৫ দিনে আবহাওয়ায় কোন উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা রাতের মতো প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। গতকাল রোববার সন্ধ্যা ৬টা পরবর্তী ২৪ ঘন্টার আবাহওয়ার পূর্বাভাসে এমনটি বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এতে বলা হয়, রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দুই এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরণের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরণের ভারী বর্ষণ হতে পারে। আবহাওয়ার সার সংক্ষেপে বলা হয়ছে, মৌসুমী বায়ুর অক্ষ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের উপর কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে দুর্বল অবস্থায় বিরাজ করছে। গতকাল সন্ধ্যায় ঢাকায় বাতাসের গতি ও দিক দক্ষিণ-পূর্ব ও দক্ষিণ দিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বয়ে গেছে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৮৫ শতাংশ। আজ সোমবার ঢাকায় সূর্যোদয় হয়েছে ভোর ৫টা ২৯ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে। গতকাল রোববার দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে চট্টগ্রামে ৪৮ মিলিমিটার। এ দিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল দিনাজপুরের সৈয়দপুরে ৩৮ দশমিক ২ এবং সর্বনিম্নও ছিল সৈয়দপুরে ২৫ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
সরকারের সফলতার দুর্গে একটি মহল ফাটল ধরানোর অপচেষ্টা করছে : সেতুমন্ত্রী
০৩আগস্ট,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দুর্যোগ মোকাবিলায় যখন সরকার সফলতা দেখাচ্ছে, তখন একটি কুচক্রী মহল এ সফলতার দুর্গে ফাটল ধরানোর অপচেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। জাতীয় শোক দিবস ২০২০ উপলক্ষে আজ রবিবার (২ আগস্ট) ধানমন্ডি ৩২নং বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ কৃষক লীগের উদ্যোগে স্বেচ্ছায় প্লাজমা-রক্তদান কর্মসূচি এবং অনাথদের মাঝে ঈদ উপহার, মৌসুমী ফল ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানের তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে নিজ বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন ওবায়দুল কাদের। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে মাধ্যমে যুক্ত হয়ে কৃষকলীগ আয়োজিত স্বেচ্ছায় প্লাজমা-রক্তদান কর্মসূচি এবং অনাথদের মাঝে ঈদ উপহার, মৌসুমী ফল ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন নানা প্রতিকূলতা ও সীমাবদ্ধতা জয় করে মহাদুর্যোগের এ সময়ে জনগণের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন এবং তার নির্দেশে দলীয় নেতাকর্মীরা মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন, তখন মিডিয়ার কল্যাণে টিকে থাকা বিএনপি সরকারের সমালোচনায় লিপ্ত হয়েছে। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরাপত্তা নিয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, আগস্ট এলেই বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নিরাপত্তা নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় থাকে পুরো জাতি, তার নিরাপত্তা নিয়ে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, এ আগস্ট মাসে জাতির পিতা ও তার পরিবারের সদস্যদের বর্বরোচিত হত্যাকান্ড সংঘঠিত হয়েছিল। ১৫ আগস্টের ধারাবাহিকতায় ২১ আগস্ট শেখ হাসিনাকে টার্গেট করে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়েছিল। তার নিরাপত্তা নিয়ে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। ওবায়দুল কাদের বলেন, যে কোনো দুর্যোগ এড়িয়ে না গিয়ে শেখ হাসিনা সুদক্ষ নাবিকের মতো হাল ধরেন। করোনা ভাইরাসের শুরু থেকে তার সুদক্ষ নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনার পরিপেক্ষিতে সংকট ঘনীভূত হয়নি৷ বন্যার শুরু থেকে সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। শেখ হাসিনা বলেছেন, কেউ যেন না খেয়ে মারা না যায়৷ শেখ হাসিনার সরকার সব প্রতিকূলতা জয় করে কাজ করে যাচ্ছে। এ জন্য একটি মহল ঈর্ষান্বিত হয়েছে। এ সময় তিনি করোনা মহামারীর মধ্যে শোকের মাস আগস্টের শুরুতে রক্তদান ও প্লাজমা সংগ্রহ কর্মসূচি শুরু করায় কৃষকলীগকে ধন্যবাদ জানান। কৃষক লীগের সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলির সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সংসদ সদস্য উম্মে কুলসুম স্মৃতি।- বণিক বার্তা অনলাইন
বাংলাদেশে ধর্মের ভেদাভেদ নেই: তথ্যমন্ত্রী
০২আগস্ট,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বাংলাদেশে ধর্ম যার যার উৎসব কিন্তু সবার। আমাদের দেশে হিন্দু বৌদ্ধ মুসলমান খ্রিস্টান কোন ভেদাভেদ নেই। তিনি বলেন, আজকে মুসলমানদের কোরবানির ঈদ উদযাপিত হচ্ছে, আজকে সবার ঈদ উৎসবের সময়। আমরা গ্রামে সকল ধর্মের মানুষ মুসলমান হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান একসাথে ভাই ভাই হিসেবে বড় হয়েছি। এটি সমগ্র বাংলাদেশের চিত্র। কিন্তু আমাদের গ্রামে এই সম্প্রীতি অন্যান্য জায়গার তুলনায় আরও বেশি। আমাদের এখানে কখনো কোন ভেদাভেদ ছিল না, ভবিষ্যতেও থাকবে না, কেউ চেষ্টা করলেও সেটা নষ্ট করতে পারবে না। রোববার (২ আগস্ট) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় তথ্যমন্ত্রীর গ্রামের বাড়ি সুখবিলাস ভগবানপুর ধর্ম্মাংকুর বৌদ্ধ বিহারে জ্ঞাতি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী। রাঙ্গুনিয়া বৌদ্ধ জনসাধারণে আয়োজনে অনুষ্ঠিত জ্ঞাতি সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সুখবিলাস ধর্ম্মাংকুর বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ প্রজ্ঞাজ্যোতি মহাস্থবীর। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান স্বজন কুমার তালুকদার, রাঙ্গুনিয়া বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সভাপতি জ্ঞানবংশ মহাথের, ঊর্ধ্বতন সভাপতি পরমানন্দ মহাথের এমএ, বাটাপাহাড় সার্বজনীন শালবন বিহার অধ্যক্ষ সুমনতিষ্য থের, ফলহারিয়া সদ্ধর্মলঙ্কার বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ দেবময় ভিক্ষু, পশ্চিম শিলক বনরত্ন বিহারের অধ্যক্ষ সিদ্ধার্থ বংশভিক্ষু, মাষ্টার রঞ্জন বড়ুয়া, আশীষ বড়ুয়া, অধীর বড়ুয়া, রাজন তালুকদার শিবলু, বিধু মুৎসুদ্দী, টিটু বড়ুয়া প্রমুখ। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের যখন প্রবারণা পূর্ণিমা অনুষ্ঠিত হয় তখন ফানুস ওড়ানো হয়। তখন কিন্তু শুধু বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মানুষ নয়, সবাই মিলে ফানুস ওড়ান। সবাই কিন্তু সেই উৎসবে শামিল হয়। আমাদের যখন ঈদ উৎসব হয় তখন মুসলমানদের বাড়িতে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান সবাই যান। এটাই আমাদের দেশের ঐতিহ্য। এই ঐতিহ্য যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। তথ্যমন্ত্রী নিজ গ্রামের এই বৌদ্ধ বিহারের স্মৃতি রোমন্থন করে বলেন, ছোটবেলা থেকে আমি এই বিহারে আসতাম। এখানে আসলে বৌদ্ধ বিহারের যিনি অধ্যক্ষ ছিলেন তিনি আমাদের চকলেট দিতেন, নাড়ু ও বাতাসা খাওয়াতেন, আমাদের মত বাচ্চাদের দেখলে নানা ধরনের আপ্যায়ন করতেন। তখনকার যেসব ভিক্ষুরা ছিলেন তাদের আমি পায়ে ধরে সালাম করতাম। বর্তমানেও যিনি আছেন তিনিও প্রায় আমার বাবার বয়সী। তিনিও আমার পিতৃতুল্য শ্রদ্ধাভাজন। সুখবিলাস ভগবানপুর ধর্ম্মাঙ্কুর বিহারটি ১৯০২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এটি ১১৮ বছর আগের পুরনো বৌদ্ধ বিহার। এই বিহারসহ আশপাশের বিহারগুলোর উন্নয়নে আমি অনেক কাজ করেছি। আমি মনে করি এটা আমার গ্রামের বৌদ্ধ মন্দির মানে আমার মন্দির। এবারও এই বিহারসহ পাশের দুই বিহারের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এভাবে রাঙ্গুনিয়ার প্রতিটি বৌদ্ধমন্দির একাধিকবার বরাদ্দ পেয়েছে। তিনি বলেন, এই বিহারে আরও দুটি সোলার লাইটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর বাইরে আরো কিছু প্রয়োজন থাকলে সেটিও কাজ করা হবে। অনুষ্ঠান শেষে তথ্যমন্ত্রী পাশের সুখবিলাস সার্বজনীন লুম্বীনিকানন বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শন করেন এবং বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতাদের নিয়ে ফানুস ওড়ান। এর আগে বিকেলে তথ্যমন্ত্রী রাঙ্গুনিয়ার চন্দ্রঘোনা চক্ষু হাসপাতাল উদ্বোধন করেন।- বাংলা নিউজ
বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী
০২আগস্ট,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার বন্যা কবলিত ও পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী কৃষিবিদ মশিউর রহমান হুমায়ুন। রোববার (০২ আগস্ট) দুপুরে তিনি উপজেলার সাহেবেরচর ও চরবিশ্বনাথপুর বন্যা কবলিত ও ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এএসএম জাহিদুর রহমান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওয়াহিদুজ্জামান, উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জহিরুল ইসলাম নুরু মিয়া, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান কাঞ্চন, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি ভিপি এমএ হালিম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মানিক প্রমুখ।- বাংলা নিউজ
করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ২২ মৃত্যু
০২আগস্ট,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিন হাজার ১৫৪ জনে। একই সময়ে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছেন ৮৮৬ জন। এ নিয়ে মোট করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২ লাখ ৪০ হাজার ৭৪৬ জনের। রোববার (২ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫৮৬ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন এক লাখ ৩৬ হাজার ৮৩৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩ হাজার ৬৮৪ জনের। মৃত ২২ জনের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, চল্লিশোর্ধ্ব দুইজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব একজন, ষাটোর্ধ্ব আটজন এবং সত্তরোর্ধ্ব নয়জন ও আশির্ধ্ব দুইজন রয়েছেন। নাসিমা সুলতানা জানান, মৃত ২২ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে আটজন, চট্টগ্রাম বিভাগের তিনজন, খুলনা বিভাগে তিনজন, রাজশাহী বিভাগে চারজন, বরিশাল বিভাগে দুইজন এবং রংপুর বিভাগের একজন রয়েছেন। গত ৮ মার্চ দেশে করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত (কোভিড-১৯) প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। তার ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

জাতীয় পাতার আরো খবর