যৌক্তিক হারে শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
অনলাইন ডেস্ক: পোশাক শ্রমিকদের মজুরি যৌক্তিক হারে বৃদ্ধির নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার নির্দেশনার ভিত্তিতে শ্রমিকদের জন্য ঘোষিত মজুরির কয়েকটি গ্রেডে বেতন আশানুরূপ বৃদ্ধি না পাওয়ায় গার্মেন্টস শিল্পের উদ্ভূত বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে সরকার উক্ত গ্রেটগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রোববার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মুন্নুজান সুফিয়ান মজুরি ঘোষণা দেবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। সূত্র জানায়, দেশের অর্থনীতির প্রাণ শক্তি গার্মেন্ট শিল্প এবং এ খাতের শ্রমিকদের স্বার্থ সংরক্ষণের বিষয় বিবেচনায় সরকার দ্রুত ত্রি-পক্ষীয় মজুরি কমিটি গঠন করে। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতের ভিত্তিতে এবং শ্রমিকদের স্বার্থে ৩, ৪ ও ৫ নম্বর গ্রেডে মজুরি সমন্বয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হতে পারে। সূত্র মতে, শ্রমিক বান্ধব সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩, ৪ ও ৫ নম্বর গ্রেডের সঙ্গে ১ এবং ২ নং গ্রেডের মজুরি সমন্বয়ের নির্দেশ দিয়েছেন। এর ফলে সমন্বয়ের পর প্রতিটি গ্রেডে এই মজুরি যৌক্তিক হারে বাড়বে। এদিকে সোমবার থেকে শ্রমিকরা কারখানায় এসে কাজে যোগ না দিলে কোনো মজুরি দেয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। রোববার দুপুরে পোশাক শিল্পে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান সংগঠনের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান। বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, আগামীকাল থেকে পোশাক শ্রমিকরা কাজে না ফিরলে কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হবে। পাশপাশি কোনো মজুরি দেয়া হবে না। তিনি আরো বলেন, মজুরি কাঠামোর সমস্যা সমাধানে কাজ করছে সরকার ও মালিকপক্ষ। তাই আন্দোলন ত্যাগ শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান জানান সিদ্দিকুর। উল্লেখ্য, নতুন মজুরি কাঠামো অনুযায়ী প্রতিশ্রুত মজুরি প্রদান এবং মজুরি কাঠামো পরিবর্তনের দাবিতে গত বেশ কয়েকদিন ধরেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কাজ বন্ধ রেখে আন্দোলন করছেন পোশাক শ্রমিকরা। আলোকিত বাংলাদেশ
শপথ গ্রহণের পর প্রথম অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: চতুর্থবারের মতো সরকারপ্রধান হিসেবে শপথ গ্রহণের পর আনুষ্ঠানিকভাবে অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে নিজ কার্যালয়ে প্রথম অফিস করেন তিনি। সকাল ১০টা ২০ মিনিটে ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত নিজ কার্যালয়ে পৌঁছলে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান। জানা গেছে, সেনানিবাসে পৌঁছেই সশস্ত্র বাহিনীর শহীদ সদস্যদের শ্রদ্ধা জানিয়ে শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন প্রধানমন্ত্রী। শিখা অনির্বাণে প্রধানমন্ত্রী পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান তিন বাহিনীর প্রধানরা এবং সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার। এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি শিখা অনির্বাণে রক্ষিত পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করেন। পরে সশস্ত্র বাহিনীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিন বাহিনীর প্রধানরা এবং সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ মাল্টি পারপাস হলে তার দপ্তরের কর্মকর্তা এবং অন্যান্য পদবির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং চা চক্রে মিলিত হন।
দ্রুত নিষ্পত্তি হবে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা: আইন মন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: পিল বিভাগে বিচারাধীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইন বিচার ও সংসদবিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক। আনিসুল হক বলেন,ট্রাইবুন্যালে নিষ্পত্তির পর বেশ কিছু মামলা এখন আপিল বিভাগের বিচারাধীন রয়েছে। এ মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আমরা উদ্যোগ নেব। আজ রোববার রাজধানীর বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে বিচারকদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী। অপর এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে এনে তার বিরুদ্ধে দেওয়া আদালতের দণ্ডাদেশ কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যেকোনো অপরাধী যারা বিদেশে পালিয়ে আছেন তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে সাজা খাটানোর ব্যাপারে সরকার অত্যন্ত তৎপর। অনুষ্ঠানে বিচারকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন জনগণ যাতে আদালতের বাইরে বিরোধ নিষ্পত্তি করে সে বিষয়ে তাঁদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে। তাঁদের ভালোভাবে বুঝাতে পারলে তারা এটিকে গুরুত্ব সহকারে নিবে এবং সেই চেষ্টা করবে। তিনি বলেন, উন্নত দেশগুলোতে মামলা বা বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আদালতের বাইরে বিরোধ নিষ্পত্তির পরামর্শ দেয় সেসব দেশের আদালত। ওই পরামর্শের কারণে সেখানে শতকরা ৯০ ভাগ মামলা আদালতের বাইরে নিষ্পত্তি হয়। এভাবে তাদের জুডিশিয়ারির ওপর চাপ কমে আসছে। আইনমন্ত্রী বলেন, দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বিচারকদের ভূমিকা অগ্রগণ্য। কেবল আইনের শাসনই নয়, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, গণতন্ত্র সুসংহতকরণ এবং দারিদ্র্য দূরীকরণেও জুডিশিয়ারি বিশেষ করে কোয়ালিটি জুডিশিয়ারির ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাই জনগণকে কোয়ালিটি জুডিশিয়ারি উপহার দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার বিচার বিভাগকে সবধরনের সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে। মামলাজট কমিয়ে আনার লক্ষ্যে নানাবিধ পদক্ষেপ নিয়েছে। আনিসুল হক বলেন,মনে রাখতে হবে যে বিচারক হয়ে ওঠার পেছনে দেশের গরিব-দুঃখী-মেহনতি মানুষের প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ অবদান রয়েছে। আর বিচারকদের কর্মক্ষেত্রই হলো বিচারপ্রার্থী এসব মানুষের শেষ ভরসাস্থল। তাই বিচারিক দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সাধারণ জনগণ বিচার বিভাগকে কোন্ দৃষ্টিতে দেখছে কিংবা তাদের চোখে ন্যায়বিচারের ধারণাই বা কেমন সেটিকে বিবেচনায় নিয়ে কাজ করতে হবে। মোটকথা বিচারপ্রার্থী জনগণের অল্প সময়ে, অল্প ব্যয়ে ও সহজে ন্যায় বিচারপ্রাপ্তি নিশ্চিত করণে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। নিছক গতানুগতিক বা দায়সারা ভাব পরিহার করে কর্মক্ষেত্রে সৃষ্টিশীলতার পরিচয় দিতে হবে। বিচারকদের বিন্দুমাত্র লোভ কিংবা অসততার কারণে বিচার বিভাগ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মাঝে যাতে কোনো হতাশা বা বিরূপ ধারণার সৃষ্টি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে বলেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিচারকদের পেশার গুরুত্ব যথাযথভাবে অনুধাবন করেই বেতন-ভাতাসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা যৌক্তিকভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক বিচারপতি খোন্দকার মুসা খালেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হক বিচার বিভাগের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের অবদানের কথা তুলে ধরেন।
শিখাঅনির্বাণে প্রধানমন্ত্রীর পুষ্পস্তবক অর্পণ
অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর শহীদ সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে ঢাকা সেনানিবাসে শিখা অনির্বাণে (শিখা চিরন্তন) পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই সঙ্গে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের নিজ কার্যালয়ে অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী। রোববার (১৩ জানুয়ারি) সকালে তিনি সেখানে গেলে সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বোতন কর্মকর্তারা তাকে অভ্যর্থনা জানান। সেনানিবাসে পৌঁছেই প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীর শহীদ সদস্যদের শ্রদ্ধা জানিয়ে শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। শিখা অনির্বাণে পৌঁছালে সেখানে তাকে স্বাগত জানান তিন বাহিনীর প্রধানরা এবং সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার। এসময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রধানমন্ত্রী শিখা অনির্বাণে রক্ষিত পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করেন। পরে তিন বাহিনীর প্রধানরা এবং সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সশস্ত্র বাহিনীর কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ মাল্টি পারপাস হলে তার দফতরের কর্মকর্তা এবং অন্যান্য পদবির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পর চা চক্রে মিলিত হন।
খতিয়ে দেখার নির্দেশ শ্রমিক আন্দোলনে উসকানি কি-না
অনলাইন ডেস্ক: শ্রমিকদের আন্দোলনের পেছনে কেউ উসকানি দিয়ে নাশকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে কি-না সেটা খতিয়ে দেখতে গোয়েন্দা সংস্থাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। শনিবার দুপুরে রাজধানীর মিরপুরে পিছিয়ে পড়া তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান তিনি। কমিশনার বলেন, পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের নামে কেউ যদি ব্যক্তি স্বার্থ বা গোষ্ঠীগত স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি বলেন, এছাড়াও শ্রমিকদের দাবির বিষয় নিয়ে মন্ত্রণালয়, বিজিএমইএ কাজ করছে। খুব শিগগির তাদের দাবি মিটিয়ে দেওয়া হবে। এ সময় শ্রমিকদের সড়ক ছেড়ে দিয়ে নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরে যাওয়ার আহ্বানও জানান ডিএমপি কমিশনার
সড়ক-মহাসড়ক দখলমুক্ত হবে,৭ দিনের মধ্যে: সেতুমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে দেশের সব সড়ক-মহাসড়ক অবৈধ দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে। তিনি বলেন, সাত দিনের নোটিশ দিয়ে দেশের জাতীয় মহাসড়কগুলোকে অবৈধ দখলমুক্ত করা হবে। আমি আজই এ ব্যাপারে নির্দেশ দিয়েছি। ওবায়দুল কাদের শুক্রবার দুপুরে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় নির্মাণাধীন ফ্লাইওভার পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা। এ সময় তিনি ওই ফ্লাইওভারের কাজের অগ্রগতি সম্পর্কেও খোঁজখবর নেন। নতুন মেয়াদে একই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় সড়ক-মহাসড়কে শৃংখলা ফেরানোর বিষয়টিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন বলেও মন্ত্রী উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, হাইওয়ে পুলিশকে বলা হয়েছে, কোন অবস্থায় অবৈধ পার্কিংয়ের অনুমতি দেয়া যাবে না। জনগণকে স্বস্তি দিতে সড়কে নিরাপত্তার জন্য এটা জরুরি হয়ে পড়েছে। এই বার্তাটিই আমি জনগণকে দিতে চাই। মানুষের জীবন আগে জীবিকা পরে- এ কথা উল্লেখ করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দুর্ঘটনার হার কমে গেলেও মৃত্যুর হার বেড়ে গেছে, এ থেকে দেশবাসীকে পরিত্রাণ পেতে হবে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের ঢাকা অঞ্চলের তত্ত্বা বধায়ক প্রকৌশলী মো: সবুজ উদ্দিন, গাজীপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: সাইফুদ্দিনসহ আইন-শৃংখলা বাহিনীর কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
হাজীদের চোখের পানি দেখতে চাই না: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: হজ পালনকারীদের যাতে কোন ধরনের সমস্যা পোহাতে না হয় তার সব ব্যবস্থাই নেয়া হবে। আমি হাজীদের চোখের পানি দেখতে চাই না। তার মন্ত্রাণালয়ের কোন অনিয়ম মেনে নেয়া হবে না। কথা নয়, কাজ দিয়েই তা প্রমাণ করার কথা বললেন নব-নিযুক্ত ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ। তিনি শুক্রবার দুপুরে গোপালগঞ্জ জেলা শহরে তার নিজ বাসভবনে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন। তিনি বলেন, আমি নিজে কোন দুর্নীতি করব না, অন্য কাউকে দুর্নীতি করতে দেব না। অন্য মন্ত্রণালয় থেকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে স্বচ্ছতা থাকবে বলে তিনি জানান। মতবিনিময় সভায় স্থানীয় বিভিন্ন মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে কোটালীপাড়া শেখ রাসেল কলেজের শিক্ষকগণ ফুল দিয়ে তাকে স্বাগত জানান। পরে তিনি টুঙ্গিপাড়ায় গওহর ডাঙ্গা মাদ্রাসায় মুসল্লিদের সাথে মতবিনিময় করেন এবং সদর সাব হুজুর শামছুল হক ফরিদপুরির কবর জিয়ারত ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি জিয়ারত করেন। তিনি এই দুই মহান লোকের কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে প্রতিমন্ত্রী হিসাবে তার মন্ত্রণালয়ের কাজ শুরু করলেন বলে জানান।
জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ব দেশকে: প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: আজ ১০ জানুয়ারি। বাঙালির মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক দিন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের এই দিনে স্বাধীন দেশে ফিরেছিলেন। দিনটি উপলক্ষে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এক আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, আমরা বাংলাদেশকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলার মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য বঙ্গবন্ধু আজীবন সংগ্রাম করেছেন। বাংলার মানুষকে তিনি গভীরভাবে ভালোবাসতেন। তিনি বলেন, জাতির পিতা বেঁচে থাকলে ১০ বছরের মধ্যেই বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিণত হতো। আমরা বাংলাদেশকে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ১০ জানুয়ারি স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর দেয়া ভাষণে বঙ্গবন্ধু দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন একটি সদ্য স্বাধীন দেশ কীভাবে চলবে। অতি অল্প সময়ের মধ্যে তিনি প্রশাসনিক অবকাঠামো দাঁড় করিয়েছিলেন, বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশে পরিণত করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, মহৎ কিছু অর্জনের জন্য মহৎ ত্যাগের প্রয়োজন হয়। দেশের মানুষের মঙ্গলের জন্য বঙ্গবন্ধুর মহৎ আত্মত্যাগ আমাদের ভুলে গেলে চলবে না। বাংলাদেশজুড়ে বঙ্গবন্ধু আছেন। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের কেউ দাবায়ে রাখতে পারে নাই। কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না। বিএনপির সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নমিনেশন অকশনে করেছে, তারা জয়ী হবে কীভাবে? জনগণ তাদের ভোট দেয়নি। একাত্তরে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের পর শহীদের রক্তস্নাত বাংলার মাটি ও মানুষ এই দিন ফিরে পেয়েছিল হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।
এরশাদ বিরোধী দলীয় নেতা, স্পিকারের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক অনুমতি
অনলাইন ডেস্ক: জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদকে সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা এবং গোলাম মোহাম্মদ কাদেরকে উপনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য স্পিকারের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক অনুমতি পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১০ জানুয়ারি) স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী কার্যপ্রণালি বিধি ও এ সংক্রান্ত আইন অনুযায়ী তাদের এ অনুমতি দেন বলে সংসদ সচিবালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদকে সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী বিরোধী দলের নেতা এবং গোলাম মোহাম্মদ কাদেরকে রিরোধী দলীয় উপনেতা হিসেবে জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী স্বীকৃতি প্রদান করেছেন। গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পায় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট। এতে আওয়ামী লীগ ২৫৭টি এবং জোটসঙ্গীদের মধ্যে জাতীয় পার্টি ২২টি আসন পায়। জাতীয় সংসদে কারা বিরোধী দল হবে এ নিয়ে গুঞ্জনের মধ্যেই গতবার বিরোধী দলের পাশাপাশি সরকারের মন্ত্রিসভাতেও থাকা জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদ গত ৪ জানুয়ারি এক বিবৃতিতে সংসদে এবার বিরোধী দল হওয়ার ঘোষণা দেন। এরশাদ বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদে প্রধান বিরোধী দল হবে জাতীয় পার্টি। তিনি হবেন প্রধান বিরোধী দলীয় নেতা এবং দলের কো-চেয়াম্যান জি এম কাদের হবেন উপনেতা।

জাতীয় পাতার আরো খবর