বিমান ছিনতাইয়ের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন
২৫ফেব্রুয়ারী,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিমান বাংলাদেশ এয়ালাইন্সের একটি বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টার ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় রবিবার রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, অতিরক্ত সচিব মো. মোকাব্বির হোসেনকে প্রধান করে এ কমিটির করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- যুগ্ম সচিব জনেন্দ্র নাথ সরকার, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের পরিচালক (ফ্লাইট সেফটি অ্যান্ড রেজুলেশন্স) উইং কমান্ডার চৌধুরী মো. জিয়াউল হক কবীর, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেডের পরিচালক (পরিকল্পনা) এয়ার কমোডর (অব.) মাহবুব জাহান খান এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সিনিয়র সিকিউরিটি কনসালটেন্ট গ্রুপ ক্যাপ্টেন (অব.) মো. আলমগীর। এ তদন্ত কমিটিকে আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। এছাড়াও কমিটিকে সংঘটিত ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন, বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় (আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ) কোনো ত্রুটি ছিল কি না তা চিহ্ণিত করা, নিরাপত্তা বেষ্টনি ভেদ করে কিভাবে অনাকাঙ্ক্ষিত দ্রব্যাদি বহন করা সম্ভব হলো, তা চিহ্নিতকরণ এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত কেউ জড়িত ছিল কিনা তা চিহ্নিতকরণ এবং এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে ও করণীয় বিষয়ে সুপারিশমালা প্রণয়ন করতে বলা হয়েছে। প্রসঙ্গত, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিমান ছিনতাই চেষ্টাকালে রবিবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে সন্দেহভাজন ছিনতাইকারী নিহত হয়েছেন।
আজ পিলখানা ট্র্যাজেডি দিবস
২৫ফেব্রুয়ারী,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: তৎকালীন বিডিআর সদর দফতরে সেনা কর্মকর্তাদের নৃশংসভাবে হত্যাযজ্ঞের ১০ বছর পূর্তি আজ সোমবার, শোকাবহ পিলখানা ট্র্যাজেডি দিবস। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিডিআরের বিপথগামী সদস্যরা কিছু দাবি-দাওয়ার নামে অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও নির্মম হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে পিলখানায় নারকীয় তাণ্ডব চালায়। ওই দুই দিনে বাহিনীর তখনকার মহাপরিচালকসহ (ডিজি) বিদ্রোহীরা ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা এবং নারী ও শিশুসহ আরো ১৭ জনকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতরের সহকারি পরিচালক মোহাম্মদ রেজা-উল করিম শাম্মী বলেন, পিলখানায় সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে শহীদ ব্যক্তিবর্গের স্মরণে সোমবার শাহাদতবার্ষিকী পালন করবে বিজিবি। সকাল ৯টায় বনানী সামরিক কবরস্থানে শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতির প্রতিনিধি, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, তিনবাহিনীর প্রধানগণ (সম্মিলিতভাবে) এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব ও বিজিবির মহাপরিচালক (একত্রে)। এছাড়াও বিজিবি-র সব রিজিয়ন, সেক্টর, প্রতিষ্ঠান ও ইউনিটের ব্যবস্থাপনায় বাদ ফজর খতমে কোরআন, বিজিবির সব মসজিদে এবং বিওপি পর্যায়ে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। পরদিন মঙ্গলবার বাদ আসর পৌনে পাঁচটায় পিলখানার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে শহীদ ব্যক্তিবর্গের রুহের মাগফিরাতে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। ওই অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব, বিজিবি মহাপরিচালক, শহীদ ব্যক্তিবর্গের নিকটাত্মীয়, পিলখানায় কর্মরত সব অফিসার, জুনিয়র কর্মকর্তা, অন্যান্য পদবির সৈনিক এবং বেসামরিক কর্মচারী-কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন। ২০০৯ সালের নির্মম এ হত্যাযজ্ঞের পর পুরো বাহিনী বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল। তবে বাহিনীর পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কলঙ্কিত সেই ইতিহাস ও ক্ষত ভুলে ঘুরে দাঁড়িয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি। বিদ্রোহীদের হাতে নিহতদের স্মরণে প্রতি বছর ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিজিবি ও সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে নানা কর্মসূচি পালন করা হয়।
বিমান ছিনতাইকারীর পরিচয় উদ্ধারের দাবি Rab এর
২৫ফেব্রুয়ারী,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশে বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টাকারীর পরিচয় পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন Rabর গণমাধ্যম শাখার পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান। সোমবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন তিনি। মুফতি মাহমুদ জানান, ব্যাবের ক্রিমিনাল ডাটাবেজের অনুযায়ী তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। পলাশের ফিঙ্গার প্রিন্ট অনুসন্ধান করে ডাটাবেজের একজন অপরাধীর তথ্যের সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে। তিনি জানান, ডাটাবেজে রক্ষিত তথ্য অনুযায়ী বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টাকারীর নাম মো. পলাশ আহমেদ, পিতা. পিয়ার জাহান সরদার। ঠিকানা- দুধঘাটা, পিরিজপুর, সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ। উক্ত বিমানের পেসেঞ্জার লিস্ট অনুযায়ী, সে অভ্যন্তরীণ রুটের (ঢাকা-চট্টগ্রাম) যাত্রী ছিল। তার নাম উল্লেখ ছিল আহমেদ/ মো. পলাশ। তার সিট নং ছিল-17A. গতকাল রোববার ময়ূরপঙ্খী উড়োজাহাজটি ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিকেল ৫টা ৫ মিনিটে ছেড়ে চট্টগ্রাম হয়ে দুবাই যাওয়ার কথা ছিল। ঢাকা থেকে উড্ডয়নের পরই উড়োজাহাজটি ছিনতাইকারীর কবলে পড়ে। প্রায় দুই ঘণ্টার টান টান উত্তেজনার পর উড়োজাহাজ ছিনতাইচেষ্টার অবসান ঘটে। গতকাল সন্ধ্যা ৭টা ২৪ মিনিটে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মাত্র আট মিনিটের কমান্ডো অভিযানে উড়োজাহাজটিতে থাকা অস্ত্রধারী তরুণ নিহত হন।-আলোকিত বাংলাদেশ
অস্ত্র বহন করে বিমানবন্দরের ভেতরে প্রবেশ সম্ভব নয়
২৫ফেব্রুয়ারী,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় অস্ত্র বহন করে ভেতরে প্রবেশ করা সম্ভব নয়। ভেতরের কেউ অস্ত্র সরবরাহ করে থাকতে পারে বলে ধারণা সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম নাইম হাসানের। রোববার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে সিভিল এভিয়েশন কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি। সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম নাইম হাসান বলেন, 'সিসিটিভি দেখছি। এখন দুটি সমস্যা সেটি হলো লোকটির চেহারা দেখা দরকার ছিলো তাহলে গতিবিধি আর একটু চেক করে দেখতে পারতাম। তার ছবি পাঠাতে বলেছি। কারণ সে চেকিং ম্যাশিংটা কিভাবে পার হয়েছে। যদি সেখানে কিছু না পাই তাহলে কি বাইরে থেকে কেউ সাপ্লাই দিয়েছে।
চকবাজারের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আজ রাষ্ট্রীয় শোক
২৫ফেব্রুয়ারী,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর চকবাজারে অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের ঘটনায় আজ একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হচ্ছে। এ উপলক্ষে দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও ভবনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে। বিদেশেও বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে। শোক পালনের ঘোষণা দিয়ে গতকাল রোববার (২৪ ফেব্রুয়ারি) একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এতে বুধবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে চুড়িহাট্টা শাহী জামে মসজিদ রোড এলাকায় ভয়াবহ অগ্নি দুর্ঘটনায় মর্মান্তিকভাবে নিহতদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করা হয়। পাশাপাশি দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও সহমর্মিতা জানানো হয়। এর আগে রোববার জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতভাবে শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। চকবাজারের অগ্নিকাণ্ডে ৬৭ জনের মৃত্যু হয়।
চকবাজারের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ২৫ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা
২৪ফেব্রুয়ারী,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর চকবাজারের চুড়িহাট্টায় আগুনে হতাহতের ঘটনায় আগামীকাল সোমবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রীয় শোক দিবস ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। রাষ্ট্রীয় শোক দিবসে দেশের সব সরকারি-আধা সরকারি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, দপ্তর, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর, সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত ২০ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১০টার দিকে পুরান ঢাকা চকবাজারের চুড়িহাট্টায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এ ঘটনায় ৬৭ জন নিহত হন। আহত হন প্রায় অর্ধশতাধিক। এখনো বেশ ক’জন আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
বিমান ছিনতাই নাটকের অবসান, অস্ত্রধারী নিহত
২৪ফেব্রুয়ারী,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে বিমান ছিনতাই নাটকের অবসান হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অস্ত্রধারী যুবক মাহাদী নিহত হয়েছেন। রোববার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে নয়টায় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে ব্রিফিংয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এতে বলা হয়, লে. কর্নেল ইমরুলের নেতৃত্বে মাত্র ৮ মিনিটের অভিযানে এই ছিনতাইয়ের ঘটনার অবসান ঘটানো হয়েছে। রাজধানীর হলি আর্টিজান অভিযানেও নেতৃত্ব দিয়েছিলেন লে. কর্নেল ইমরুল। ব্রিফিংয়ে সেনাবাহিনীর চট্টগ্রাম জোনের জিওসি মেজর জেনারেল মতিউর রহমান বলেন, অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে একটা বিমান ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছিল। এই ছিনতাই নাটকের অবসান হয়েছে সফলভাবে। আজ বিকাল পাঁচটা ৩৩ মিনিটে আমাদের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের মাধ্যমে বিমানবাহিনী জানতে পারে যে, বিমানটি হাইজ্যাক হয়েছে। ককপিট থেকে আমাদের পাইলট এটি জানান। বিমানটি পাঁচটা ৪১ মিনিটে এখানে অবতরণ করে। এরপর এখানে নিয়োজিত বিমান বাহিনী এবং অন্যান্য নিরাপত্তাবাহিনীর সমন্বয়ে ইমার্জেন্সি পদক্ষেপ নেয়া হয়। ছিনতাইকারী একজন বলে জানানো হয় ব্রিফিংয়ে। তার বয়স আনুমানিক ২৫/২৬ বছর। তিনি বলেন, ছিনতাইকারীকে নিভৃত করার জন্য আমাদের কমান্ডো বাহিনী প্রথমে তাকে আত্মসমর্পণের জন্য আহ্বান জানায়। কিন্তু সেই আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে সে আক্রমণাত্মক হওয়ার চেষ্টা করলে তার ওপর স্বাভাবিক অ্যাকশন যেটা, সেটাই হয়েছে। আমাদের সাথে গোলাগুলিতে ছিনতাইকারী প্রথমে আহত এবং পরবর্তীতে মারা যায়। এই ছিনতাইয়ের ঘটনায় কোনো যাত্রী হতাহত হননি বলেও জানান মেজর জেনারেল মতিউর রহমান। তিনি বলেন, বিমানের ১৩৪ জন যাত্রী এবং ১৪ জন ক্রু সদস্যসহ মোট ১৪৮ জন ছিলেন। তাদের সকলেই অক্ষত অবস্থায় বিমান থেকে বের হয়ে এসেছেন। বিমানের কোনো ক্ষতি হয়নি এবং বিমানটি তল্লাশি করি, এটিকে ইতোমধ্যেই চলাচল বা উড়ার জন্য নিরাপদ ঘোষণা করা হয়েছে। কেন এই ঘটনা ঘটিয়েছেন তিনি? এমন প্রশ্নের জবাবে মেজর জেনারেল মতিউর রহমান বলেন, এই অল্প সময়ের মধ্যে তার সঙ্গে যতটুকু কথোপকথন হয়েছে, সে শুধু একটি দাবিই করেছিল। সে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিল এবং তার স্ত্রীর সাথে কথা বলতে চেয়েছিল। এরপর আর তার সাথে কোনো কথা বলার সুযোগ আমাদের ছিল না, যেহেতু দ্রুততর সময়ে এই ছিনতাইয়ের অবসান ঘটাতে চেয়েছিলাম। তবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কী কথা বলতে চেয়েছিলেন সেটি জানতে পারেনি অভিযান চালানো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তার পরিবার সম্পর্কেও জানা যায়নি। তাকে প্রাথমিকভাবে দেখে পাইলট বিদেশি মনে করলেও সে আসলে বাংলাদেশি এবং তার কাছে একটি পিস্তল ছিল বলেও জানানো হয়েছে। ব্রিফিংয়ে উপস্থিত চট্টগ্রাম বিমানঘাঁটি প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল মফিদুল রহমান বলেন, সে যাত্রীদের কোনো ক্ষতি করার চেষ্টা করে নাই এবং তার একটাই দাবি ছিল, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং পরিবারের সাথে কথা বলতে চান। এসব কথা নিয়ে আমি তাকে ব্যস্ত রেখেছিলাম। আমাদের কমান্ডো বাহিনীগুলো যখন আসে তখন আমি তাকে কথার মাধ্যমে ব্যস্ত রেখেছিলাম। আমি তাকে বলেছিলাম যে, আপনাকে কথা বলার ব্যবস্থা করে দিবো। ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, সে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিল। একই সঙ্গে কমান্ডো অভিযানের প্রস্তুতি চলছিল। অভিযান চালানোর কারণে আর কথা বলা হয়নি। মেজর জেনারেল মতিউর রহমান বলেন, সে হয়তো তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলার জন্য তার মোবাইল ফোনটি আমাদের দিতো। তার বাড়ি কোথায়, পরিবারের সদস্য সংখ্যা কত এগুলোর কিছুই আমাদের জানার সুযোগ হয়নি।
উন্নয়নের নতুন ধাপে প্রবেশ করল বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
২৪ফেব্রুয়ারী,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: শুরু হলো কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে বঙ্গবন্ধু টানেল প্রকল্পের খনন কাজ। রোববার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় খনন কাজের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন তিনি। পরে সুধী সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়নের নতুন ধাপে প্রবেশ করলো বাংলাদেশ। চট্টগ্রামকে আধুনিক ও গতিশীল নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে যা যা করা প্রয়োজন, সবই করবে তার সরকার। টানেল যুগে প্রবেশ করলো বাংলাদেশ। এ নিয়ে বঙ্গোপসাগর উপকূলজুড়ে সাজ সাজ রব। প্রমত্তা কর্ণফুলীর স্বাভাবিক প্রবাহকে ব্যাহত না করেই পতেঙ্গা থেকে আনোয়ারা পর্যন্ত নির্মিত হচ্ছে প্রায় সাড়ে ৩ কিলোমিটারের মাল্টি লেনের বঙ্গবন্ধু টানেল। রোববার সকালে নগরীর নেভাল একাডেমির পশ্চিম প্রান্ত থেকে এর দুইটি টিউবের খনন কাজের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই এলাকা থেকে চট্টগ্রামের লালখান বাজার থেকে শাহ আমানত বিমানবন্দর পর্যন্ত সাড়ে ১৬ কিলোমিটার এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন তিনি। এরপর পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে সুধি সমাবেশে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এত বিশাল একটা নদীর নিচ দিয়ে প্রথম টানেল বাংলাদেশেই নির্মাণ করা হচ্ছে। আনোয়ারা থেকে পটিয়া পর্যন্ত এবং পটিয়া থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত চার লেনের যে রাস্তা হচ্ছে সেই রাস্তা পর্যন্ত সংযোগ রাস্তাটাও আমরা করে দেবো। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে প্রকল্পগুলোর প্রেক্ষাপট নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, এভাবেই ক্রমান্বয়ে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ। তিনি বলেন, শুধু যোগাযোগের সুবিধা নয়, ব্যবসা বাণিজ্য শিল্পায়ন সবকিছুরই উন্নতি হবে, সেদিকে লক্ষ রেখেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। শুধু শহরভিত্তিক উন্নয়ন না, তৃণমূল পর্যায়-গ্রাম পর্যায় থেকে যেন উন্নয়নটা হয়, সেদিকে লক্ষ রেখেই আমাদের পরিকল্পনা নিয়েছি। দেশের মানুষ তার সুফলটা পেতে শুরু করেছে। গ্রামের মানুষ আরো সুন্দরভাবে যেন বাঁচতে পারে, উন্নত জীবন পেতে পারে, সকল নাগরিক সুবিধা পেতে পারে তার ব্যবস্থা আমরা করবো। সরকারপ্রধান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, জনসংখ্যার ঘনত্বের কথা মাথায় রেখে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর দেশ বিনির্মাণের কাজ করে যাচ্ছে তার সরকার। চট্টগ্রামসহ উপকূল এলাকা ঘিরে মহা পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন তিনি। বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে, সেটিকে ধরে রেখে বাংলাদেশকে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। ২০২২ সালে এই টানেলের কাজ শেষ হবে, আমরা মনে করি, তারপর আরো ব্যাপকভাবে এই অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন হবে। ২০২২ সাল নাগাদ শেষ হবে এসব প্রকল্পের কাজ। নির্মাণ কাজ শেষ হলে ৮০ কিলোমিটার গতিতে যানবাহন চলাচল করতে পারবে দুইটি লেনে।
চুড়িহাট্টায় দগ্ধ ৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক
২৪ফেব্রুয়ারী,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চুড়িহাট্টায় দগ্ধ ৬ জনের অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন। বাকি তিনজনের অবস্থা শঙ্কামুক্ত। রোববার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে দগ্ধদের দেখতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে যান জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। এসময় তিনি, আহতদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন। বলেন, সরকারের নির্দেশনা না মানার কারণেই এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সংসদের এ নিয়ে শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি। এদিকে, ঢাকা মেডিকেলের মর্গে এখনো বাকি আছে ১৯টি মরদেহ হস্তান্তরের কাজ। বিকৃত হয়ে যাওয়া মরদেহগুলোর পরিচয় শনাক্তে পরিবারের সদস্যদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ চলছে আজো।