শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০২১
আল জাজিরার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবে বাংলাদেশ
৪,ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আবদুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশ নিয়ে ভিত্তিহীন ও মিথ্যা তথ্যপ্রচারের জন্য কাতারভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল আল জাজিরার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার কথা ভাবছে সরকার। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারি) তার দফতরে সাংবাদিকদের বলেন, আমরা এই মিথ্যা খবর প্রচারের জন্য আল জাজিরার বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারি। লন্ডন ও অন্যান্য স্থানে কর্মরত সক্রিয় উগ্রপন্থী ও তাদের সহযোগীদের উসকানিতে- অল দ্য প্রাইম মিনিস্টিারস মেন শিরোনামে আল জাজিরা নিউজ চ্যানেলের গত সোমবার প্রচারিত সংবাদটি ভিত্তিহীন, মানহানিকর এবং বেপরোয়া ও নোংরা অপপ্রচার যা উল্লেখ করে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার মঙ্গলবার এটি প্রত্যাখ্যান করছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, এই প্রতিবেদনটি একগুচ্ছ বিভ্রান্তিকর শ্লেষ আর বক্রোক্তি ছাড়া আর কিছুই নয়, যা আসলে চরমপন্থী গোষ্ঠী জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু কুখ্যাত ব্যক্তির দ্বারা পরিচালিত রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, ঢাকা দুঃখিত যে আল জাজিরা নিজেকে বাংলাদেশে অসামান্য আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও অগ্রগতির রেকর্ডধারী একটি ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক সরকারকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে তাদের এ হীন রাজনৈতিক চক্রান্তের হাতিয়ারে পরিণত হতে দিয়েছে।
মডেল মসজিদ হবে জ্ঞানচর্চা কেন্দ্র, মুজিববর্ষে ১৭০টির উদ্বোধন
৩,ফেব্রুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শুধু নামাজ আদায় নয়, মসজিদ হবে গবেষণা, ইসলামী সংস্কৃতি ও জ্ঞানচর্চা কেন্দ্র। হারিয়ে যাওয়া ইসলামের চিরায়ত এই ঐতিহ্যকে ধারণ করে দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে দৃষ্টিনন্দন ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সংস্কৃতি কেন্দ্র নির্মাণ করছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার। মুজিববর্ষে ১৭০টি মডেল মসজিদ উদ্বোধন করা হবে। মডেল মসজিদ ও সংস্কৃতি কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, মুসলিম বিশ্বের এই প্রথম কোনো দেশের সরকার প্রধান একসঙ্গে ৫৬০টি মসজিদ নির্মাণ করছে। এর আগে কোনো মুসলিম শাসক বা সরকার প্রধান এক সঙ্গে এতগুলো মসজিদ নির্মাণ করেননি। গত কয়েকদিন সরেজমিনে বিভিন্ন জেলা ঘুরে দেখা গেছে, সারা দেশে এসব মডেল মসজিদের নির্মাণ কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। সিরাজগঞ্জ ও রংপুর জেলা মডেল মসজিদ ও সংস্কৃতি কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, এই দুইটি মসজিদের ৯০ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক ফারুক আহমেদ বলেন, সিরাজগঞ্জ জেলার মোট ১০টি মসজিদের মধ্যে জেলা মডেল মসজিদ ও একটি উপজেলা মসজিদ নির্মাণ কাজ আগামী মার্চের শুরুতে সম্পন্ন হবে। সারাদেশে মডেল মসজিদ ও সংস্কৃতি কেন্দ্র নির্মাণের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে জানিয়ে প্রকল্প পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মো. নজিবর রহমান বলেন, মুজিববর্ষে ১৭০টি মডেল মসজিদ ও সংস্কৃতি কেন্দ্র উদ্বোধন করা হবে। নির্মাণাধীন রংপুর জেলা মসজিদ পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, আগামী এপ্রিলে ৫০টি মডেল মসজিদ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেপ্টেম্বরে ৬০টি এবং মুজিববর্ষের শেষ ভাগে ডিসেম্বর মাসে আরও ৬০টি মডেল মসজিদ উদ্বোধন করা হবে। প্রকল্পের মোট কাজের ৩২ শতাংশ অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়ে নজিবর রহমান বলেন, আগামী দুই বছরের মধ্যে ৫৬০টি মডেল মসজিদের সবগুলো সম্পন্ন হবে। ২০১৪ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে উন্নত মসজিদ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণে ৮ হাজার ৭২২ কোটি টাকা ব্যয়ে মডেল মসজিদ ও সংস্কৃতি কেন্দ্রগুলো নির্মাণ করছে সরকার। ৪০ শতাংশ জায়গার উপর তিন ক্যাটাগরিতে মসজিদগুলো নির্মিত হচ্ছে। জেলা পর্যায়ে ৪ তলা, উপজেলার জন্য ৩ তলা এবং উপকূলীয় এলাকায় ৪ তলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সংস্কৃতি কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। এ-ক্যাটাগরিতে ৬৪টি জেলা শহরে এবং সিটি করপোরেশন এলাকায় ৬৯টি চারতলা বিশিষ্ট মডেল মসজিদ নির্মিত হচ্ছে। এই মসজিদগুলোর প্রতি ফ্লোরের আয়তন ২ হাজার ৩৬০ দশমিক ০৯ বর্গমিটার। বি-ক্যাটাগরিতে উপজেলা পর্যায়ে ৪৭৫টি মডেল মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে। এগুলোর প্রতি ফ্লোরের আয়তন ১ হাজার ৬৮০ দশমিক ১৪ বর্গমিটার। সি-ক্যাটাগরিতে উপকূলীয় এলাকায় ১৬টি মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে। এগুলোর প্রতি ফ্লোরের আয়তন ২ হাজার ৫২ দশমিক ১২ বর্গমিটার। উপকূলীয় এলাকার মসজিদগুলোতে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে নীচ তলা ফাঁকা থাকবে। একেকটি মসজিদ নির্মাণ করতে ব্যয় হচ্ছে জেলা শহর ও সিটি করপোরেশন এলাকায় ১৫ কোটি ৬১ লাখ ৮১ হাজার টাকা; উপজেলা পর্যায়ে ১৩ কোটি ৪১ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং উপকূলীয় এলাকায় ১৩ কোটি ৬০ লাখ ৮২ হাজার টাকা। জেলা সদর ও সিটি করপোরেশন এলাকায় নির্মাণাধীন মসজিদগুলোতে একসঙ্গে ১২ শ মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন। অপরপক্ষে উপজেলা ও উপকূলীয় এলাকার মডেল মসজিদগুলোতে একসঙ্গে ৯ শ মুসল্লির নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা থাকবে। মডেল মসজিদ হবে গবেষণা, ইসলামি সংস্কৃতি ও জ্ঞান চর্চা কেন্দ্র আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত সুবিশাল এসব মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্সে নারী ও পুরুষদের পৃথক ওজু ও নামাজ আদায়ের সুবিধা, লাইব্রেরী, গবেষণা কেন্দ্র, ইসলামিক বই বিক্রয় কেন্দ্র, পবিত্র কুরআন হেফজ বিভাগ, শিশু শিক্ষা, অতিথিশালা, বিদেশি পর্যটকদের আবাসন, মৃতদেহ গোসলের ব্যবস্থা, হজ্জযাত্রীদের নিবন্ধন ও প্রশিক্ষণ, ইমামদের প্রশিক্ষণ, অটিজম কেন্দ্র, গণশিক্ষা কেন্দ্র, ইসলামী সংস্কৃতি কেন্দ্র থাকবে। এছাড়া ইমাম-মুয়াজ্জিনের আবাসনসহ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য অফিসের ব্যবস্থা এবং গাড়ি পার্কিং সুবিধা রাখা হয়েছে। মডেল মসজিদগুলোতে দ্বীনি দাওয়া কার্যক্রম ও ইসলামী সংস্কৃতি চর্চার পাশাপাশি মাদক, সন্ত্রাস, যৌতুক, নারীর প্রতি সহিংসতাসহ বিভিন্ন সামাজিক ব্যাধি রোধে সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। প্রকল্প পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মো. নজিবর রহমান বলেন, মডেল মসজিদগুলো শুধু নামাজ পড়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। এখানে ইসলামী সংস্কৃতি চর্চার পাশাপাশি জ্ঞান অর্জন ও গবেষণা সুযোগ থাকবে, প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে। ৫৬০টি মডেল মসজিদে সারাদেশে প্রতিদিন ৪ লাখ ৯৪ হাজার ২০০ জন পুরুষ ও ৩১ হাজার ৪০০ জন নারী একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন। লাইব্রেরী সুবিধার আওতায় প্রতিদিন ৩৪ হাজার পাঠক এক সঙ্গে কোরআন ও ইসলামিক বই পড়তে পারবেন। ইসলামিক বিষয়ে গবেষণার সুযোগ থাকবে ৬ হাজার ৮০০ জনের। ৫৬ হাজার মুসল্লি সব সময় দোয়া, মোনাজাতসহ তসবিহ পড়তে পারবেন। মসজিদগুলো থেকে প্রতি বছর ১৪ হাজার হাফেজ তৈরির ব্যবস্থা থাকবে। আরও থাকবে ইসলামিক নানা বিষয়সহ প্রতিবছর ১ লাখ ৬৮ হাজার শিশুর প্রাথমিক শিক্ষার ব্যবস্থা। ২ হাজার ২৪০ জন দেশি-বিদেশি অতিথির আবাসন ব্যবস্থাও গড়ে তোলা হবে প্রকল্পের আওতায়। কেন্দ্রগুলোতে পবিত্র হজ পালনের জন্য ডিজিটাল নিবন্ধনের ব্যবস্থা থাকবে। রংপুরের গঙ্গাছড়া নিউ স্টার পাড়া জামে মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, মসজিদ শুধু নামাজ পড়ার জন্য নয়। ইসলাম ধর্মকে মসজিদে বন্দি না রেখে এর সুমহান আদর্শ সমাজে ছড়িয়ে দিতে হবে। তিনি বলেন, মানুষ যখন ইসলামের সঠিক জ্ঞান পাবে তখন কেউ আর মাদক, সন্ত্রাস-জঙ্গীবাদের সঙ্গে জড়িত হবে না। যৌতুক-নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধ হবে, মানুষ অন্যায় থেকে দূরে থাকবে। এক্ষেত্রে মডেল মসজিদগুলোর সঠিক ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে আসাদুজ্জামান বলেন, মডেল মসজিদ নির্মাণ করায় আমরা খুশি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য দোয়া করি তিনি যেন ধর্মীয় কাজগুলো বেশি বেশি করতে পারেন। নীলফামারী সদরের বায়তুল আমান জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন, মসজিদ হচ্ছে সামাজিক মিডিয়া। সামাজিক অবক্ষয় ও অন্যায়-কুসংস্কারের বিরুদ্ধে মানুষকে সচেতন করতে মসজিদগুলো সবচেয়ে বেশি অবদান রাখতে পারে। মডেল মসজিদ নির্মাণের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ এবং তার দীর্ঘায়ু কামনা করেন মাওলানা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন। সূত্র : বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর
দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি সমগ্র বিশ্বের কাছে প্রশংসিত: তথ্যমন্ত্রী
৩,ফেব্রুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আল জাজিরার প্রতিবেদনের প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে এই সরকারের ভিত্তি তৃণমূল পর্যন্ত শক্তিশালী আছে। সুতরাং এই ছোটখাটো কাতুকুতু দিয়ে লাভ হবে না। মুজিববর্ষ উপলক্ষে বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) একুশের চেতনায় বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ- শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ এ সভার আয়োজন করে। তথ্যমন্ত্রী বলেন, একটি চক্র সবসময় দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, যারা যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর চেষ্টা করেছে। সেই চক্র এখন তাদের অর্থবিত্ত নিয়ে মানুষ ভাড়া করে এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মিডিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। দেশের মানুষ সতর্ক আছে, সজাগ আছে। তিনি আরও বলেন, দেশে সঠিকভাবে করোনা মোকাবিলা করতে শেখ হাসিনার সরকার সক্ষম হয়েছে। এই করোনাকালে পৃথিবীর সব দেশে যখন ঋণাত্মক জিডিপির প্রবৃদ্ধি সেখানে আমাদের পজিটিভ জিডিপি প্রবৃদ্ধি। এটি অনেকের সহ্য হচ্ছে না। সেই কারণে এখন নতুন খেলায় মেতে উঠেছে। এই খেলা খেলে কোনো লাভ হবে না। দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি সমগ্র বিশ্বের কাছে প্রশংসিত দাবি করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আজকে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি এখন সমগ্র বিশ্বের কাছে আজ প্রশংসিত। বাংলাদেশের উন্নয়ন নিয়ে আজ ভারতের গণমাধ্যমে আলোচনা হয়। বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার জাকির আহমদের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন- বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদের সভাপতি জিন্নাত আলী খান জিন্নাহ, সহ-সভাপতি মেহেদী হাসান, হকার্স লীগের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আলী, অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার, আওয়ামী লীগ নেতা এম এ করিম, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানা, সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম রনি, যুবলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য মানিক লাল ঘোষসহ প্রমুখ।
আল-জাজিরার প্রতিবেদন দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
৩,ফেব্রুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং সেনাবাহিনী প্রধানকে নিয়ে করা আল জাজিরার প্রতিবেদনটিকে হলুদ সাংবাদিকতা বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেছেন, এই সংবাদটি ভিত্তিহীন, সন্ত্রাসী মদদপুষ্ট ও দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের অংশ। বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে সাংবাদিকদের তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, একটি বিশেষ গোষ্ঠী নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নিয়ে এটি করেছে। বাংলাদেশকে হেয় করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে এমন প্রতিবেদন করা হয়েছে। মদ পানে বেশ কয়েকজনের মৃত্যুর বিষয়ে তিনি বলেন, করোনার কারণে মদ আমদানি বন্ধ; যে কারণে ভেজাল মদের উৎপাদন বাড়ছে। যারা মদ্যপান করেন, তারা ভেজাল মদ পান করবেন না।
আল জাজিরার প্রতিবেদনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে আইএসপিআর
৩,ফেব্রুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কাতারভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল আল জাজিরায় প্রচারিত- অল দ্য প্রাইম মিনিস্টার্স ম্যান প্রতিবেদনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। মঙ্গলবার বিকালে আইএসপিআরের সহকারী পরিচালক রাশেদুল আলম খানের পাঠানো এক বিবৃতিতে এই প্রতিবাদ জানানো হয়। বিবৃতিতে আল জাজিরার প্রতিবেদনটির মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা হচ্ছে অভিযোগ করে আইএসপিআর বলেছে, দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করার অসৎ উদ্দেশ্যে এ প্রতিবেদন করা হয়েছে। যারা আগেও দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করেছে, তারাই এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। প্রতিবেদনে ইসরায়েল থেকে মোবাইলে নজরদারি প্রযুক্তি কেনার যে তথ্য দেয়া হয়েছে, তা পুরোপুরি ভুল বলে অভিহিত করেছে আইএসপিআর। বিবৃতিতে আরো বলা হয়, জাতিসংঘের একটি শান্তিরক্ষী মিশনের জন্য হাঙ্গেরি থেকে এ প্রযুক্তি কেনা হয়। এছাড়া প্রতিবেদনে দেখানো আরো নানা বিষয়েও প্রতিবাদ জানিয়েছে আইএসপিআর। উল্লেখ্য, সোমবার ওই প্রতিবেদনটি প্রচার করে আল জাজিরা। প্রতিবেদনটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট দাবি করে মঙ্গলবার সকালে বিবৃতি দেয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। উগ্রবাদি জামায়াতে ইসলামী সংশ্লিষ্ট দুষ্টুচক্র এটি করিয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
ভ্যাকসিন নিলেও মাস্ক পরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
২,ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: যতক্ষণ পর্যন্ত করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) বিশ্ব থেকে চলে না যাবে ততদিন পর্যন্ত সবাইকে মাস্ক পরে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যারা করোনার ভ্যাকসিন নেবেন তাদেরও তিনি মাস্ক পরে চলতে বলেছেন। করোনা ভাইরাস আরও একটু নিয়ন্ত্রণে এলে শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান। মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদের চলতি বছরের প্রথম অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ আহ্বান জানান। এ সময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। এ অধিবেশনটি প্রত্যক্ষ করতে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সংসদ ভবনে আসেন এবং অধিবেশন প্রত্যক্ষ করেন বলেও স্পিকার জানান। সমাপনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, করোনা ভাইরাস এখন অনেকটা নিয়ন্ত্রণে। আরও কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলে শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে। শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান খুলে দিলে ছেলে-মেয়েরা লেখাপড়া করতে পারবে। করোনা ভ্যাকসিনের যখন গবেষণা শুরু হয় তখনই আমি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছিলাম কারা কারা গবেষণা করছে আগে থেকে ঠিক করে রাখার। ভ্যাকসিন বাজারে এলেই আমরা কিনবো। এর জন্য আমরা এক হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়ে রাখি। যখনই বাজারে আসে তখনই ক্রয় করি। করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে অনেকে কথা বলেছিলেন। আসলে ভ্যাকসিন এসে নিজেই তার উত্তর দিয়েছে। অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার তিন কোটি ডোজ ভ্যাকসিন আমরা ক্রয় করেছি। এই ভ্যাকসিন নেওয়ার পর খারাপ কোনো রিঅ্যাকশনের কথা শোনা যায়নি। তারপরও আমরা মনিটর করছি। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সারাদেশে সবাইকে ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হবে। এ নিয়ে দেশে প্রশংসা শুনিনি। কিন্তু জাতিসংঘের মহাসচিব প্রশংসা করেছেন। তিনি আরও বলেন, প্রথম কারা করোনা ভ্যাকসিন পাবেন সেটাও আমরা ঠিক করে ফেলেছি। করোনার ভ্যাকসিন যারা নিচ্ছেন তাদের এখনও মাস্ক পরে থাকতে হবে, সবসময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। যতক্ষণ পর্যন্ত বিশ্ব থেকে করোনা ভাইরাস না যায় ততক্ষণ পর্যন্ত মাস্ক পরে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদের অধিবেশন সমাপ্তি প্রসঙ্গে বলেন, করোনা মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সফলভাবে এই অধিবেশন পরিচালনা করা হয়েছে। মনে হচ্ছে আমি একটা বড় কারাগারে বন্দি আছি। সংসদ চলার সময় আমি অধিবেশনে আসি, ভালো লাগে। সংসদে এসে সবার সঙ্গে দেখা হয়।
শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হতে শেখাবো: দীপু মনি
২,ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, আমরা চাই আমাদের শিক্ষার্থীরা উদ্যোক্তা হবেন, শুধু চাকরি খুঁজে না। আমরা তাদের নানা ধরণের প্রশিক্ষণ দেবো, তাদের উদ্যোক্তা হতে শেখাবো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও চান আমাদের ছেলে-মেয়েরা উদ্যোক্তা হবে, নতুন নতুন কাজ তৈরি করবে। নিজেরা অন্য আরও দশজনকে চাকিরি দেবে। মঙ্গলবার সকালে গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার কেওয়া পূর্ব খণ্ড এলাকায় দেলোয়ার হোসেন দম্পত্তির মৌমিতা ফ্লাওয়ার্স ফুল-সবজির বাগান পরিদর্শনে গিয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় দেলোয়ার দম্পতির টিউলিপ, বিদেশি গোলাপ ফুল, ক্যাপসিকাম, স্ট্রবেরি বাগানসহ অন্যান্য কার্যক্রম পরিদর্শন করেন শিক্ষামন্ত্রী। পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী উপস্থিত সাংবাদিকদের আরও বলেন, দেলেয়ার দম্পতি বাগানে আধুনিক পদ্ধতিতে ফুল, ফল ও সবজির চাষ করছেন। তাদের উৎপাদিত ফসলগুলোতে বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। তারা ইতিমেধ্য এ ধরণের ফুল ও সবজি চাষে ৩০০ জন উদ্যোক্তা তৈরি করে দিয়েছেন। অনেককে প্রশিক্ষণও দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমাদের দেশে এমনিতেই মাটি এত উর্বর যে, তাতে ফুল চাষ করে বাজারজাত করার সম্ভাবনা রয়েছে। আর এ ফুল বিদেশে রপ্তানি করার সম্ভাবনা রয়েছে। এ দম্পতি যেভাবে উদ্যোক্তা তৈরি করে দিচ্ছেন আমি বিশ্বাস করি যে, সরকারি আরও সহযোগিতা পেলে নিশ্চয়ই উনারা এটাকে বিশাল আকারে নিয়ে যেতে পারবেন। দীপু মনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যার সরকার সবসময়ই উদ্যোক্তাদের পাশে আছে। কেউ নতুন কিছু করতে চাইলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাদের সহায়তা দেন, উৎসাহ দেন। দেশে এভাবে ফুল চাষ হলে আমরাও সবজির পাশাপাশি ফুলও রপ্তানি করতে পারবো ইনশাল্লাহ্। এ সময় শ্রীপুর পৌরসভার মেয়র আনিছুর রহমান, শ্রীপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল, গাজীপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাড. রিনা পারভীন, শ্রীপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাড. শামসুল আলম প্রধান, শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসলিমা মোস্তারী, শ্রীপুর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরে আলম মোল্লা, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক হুমায়ুন কবির হিমু, গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল আলম রবিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। প্রায় ৭ একর জমিতে কালার ক্যাপসিকাম, গ্রিন ক্যাপসিকাম, টিউলিপ ফুল, ওরিয়েন্টাল লিলি, ডাচ গোলাপ, দেশি গোলাপ, স্ট্রবেরি, জি-৯ কলাসহ বিভিন্ন ফুল-ফলের চাষ ও চারা তৈরি করেন দেলোয়ার হোসেন। দেলোয়ার হোসেন জানান, ২০০২ সাল থেকে নিজের কিছু জমিতে এসব চাষাবাদ শুরু করেন। পরে তা নিজের পাঁচ বিঘা ও লিজে নেয়া ১৫ বিঘা জমিতে সম্প্রসারণ করেন। সারাদেশে তিনি এসব চাষে তিনশ' জন উদ্যোক্তা তৈরি করেছেন। এসব চাষাবাদে কিছু সমস্যার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এ প্রকল্পে ব্যাংকগুলো পর্যাপ্ত লোন দেয় না। যে লোন পাওয়া যায় তাও চড়া সুদে। সরকার তাকে সহযোগিতা করলে ফুল-সবজি চাষ করে ভারত ও চীনের মতো হতে দুই থেকে তিন বছর সময় লাগবে।
নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি
২,ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সবার জন্য খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনের পাশাপাশি জনগণের নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। ভেজাল ও দূষণমুক্ত নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিতকরণে আমরা- নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ প্রণয়ন করে ২০১৫ সালে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করেছি। প্রতিষ্ঠানটি নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এরইমধ্যে প্রয়োজনীয় বিধি-বিধান প্রণয়নসহ জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি, ভেজাল ও দূষণ বিরোধী অভিযান পরিচালনা, বৈজ্ঞানিক গবেষণা কার্যক্রম ও দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে সফলভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে চতুর্থবারের ন্যায় জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস পালন করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষে আমি সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভেচ্ছা জানাই। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য টেকসই উন্নয়ন-সমৃদ্ধ দেশ, নিরাপদ খাদ্যের বাংলাদেশ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি। তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়ন করেছে এবং রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে দুর্বার গতিতে অগ্রসর হচ্ছে। বিশ্বে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল। করোনা মহামারির প্রেক্ষাপটে বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা সত্ত্বেও দেশের অর্থনীতি দৃঢ় অবস্থানে আছে। তিনি বলেন, দেশের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের সরকার সার, বীজ ও সেচের সঙ্গে সঙ্গে কৃষিতে যান্ত্রিকীকরণের ওপর ব্যাপক জোর দিয়েছে। এতে করে খাদ্যের অপচয় এবং অনিরাপদতার ঝুঁকি হ্রাস পাচ্ছে। সুস্বাস্থ্য রক্ষায় আমাদের খাদ্যাভ্যাসে শাকসবজি, ফলমূল, মাছ, মাংস ও দুধের পরিমাণ বাড়ানোর পাশাপাশি এ সকল খাবারের নিরাপদতাও নিশ্চিত করতে হবে। বিশ্বায়নের যুগে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও পর্যটন শিল্পের বিকাশে খাদ্যের বহুমুখীতা এবং এর নিরাপদতার বিকল্প নেই। বিশেষ করে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে খাদ্যের নিরাপদতার ঝুঁকি ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই খাদ্য নিরাপদতার দিকে আমাদের সবাইকে অধিক গুরুত্ব দিতে হবে। সরকার প্রধান বলেন, খাদ্য উৎপাদন হতে ভোগ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে খাদ্যের নিরাপদতা ও পুষ্টিমান বজায় রাখতে হবে। দেশের প্রতিটি মানুষ খাদ্যের নিরাপদতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তাই এ ক্ষেত্রে সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে একযোগে কাজ করতে হবে।
নিরাপদ খাদ্য দিবস আজ
২,ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস আজ মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারি)। দিবসটিতে এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে টেকসই উন্নয়ন-সমৃদ্ধ দেশ, নিরাপদ খাদ্যের বাংলাদেশ। জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস পালনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য নিরাপদ খাদ্যপ্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করা। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) কার্যক্রম সর্বসাধারণকে অবহিতকরণ এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, আমদানি, প্রক্রিয়াকরণ, মজুত, সরবরাহ, বিপণন ও বিক্রয় সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম বিষয়ে সর্বস্তরে জনসচেতন বৃদ্ধিই এ দিবসের প্রধান লক্ষ্য। প্রতিবছরের ২ ফেব্রুয়ারি দিবসটি উপলক্ষে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ দেশব্যাপী নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এবারও সারা দেশের জেলাগুলোতে আলোচনা সভা ও র্যালি হবে। তবে রাজধানীতে মূল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে ১৮ ফেব্রুয়ারি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি ওই অনুষ্ঠানে যুক্ত থাকবেন বলে জানিয়েছে বিএফএসএ। ২০১৮ সালে দেশে প্রথমবারের মতো পালিত হয় নিরাপদ খাদ্য দিবস। ওই বছর সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিরাপদ খাদ্যের বিষয়ে সচেতন করে তোলার অংশ হিসেবে ২ ফেব্রুয়ারিকে জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। বিএফএসএর প্রতিষ্ঠার দিনটিকেই এই দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

জাতীয় পাতার আরো খবর