ডিআইজি মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল
১৯জানুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাময়িক বরখাস্ত হওয়া দুই কর্মকর্তা পুলিশের ডিআইজি মিজানুর রহমান ও দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। এই দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের অভিযোগের মামলায় এই দার্জশিট দাখিল করা হয়। রোববার (১৯ জানুয়ারি) ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা এ অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বিচারক চার্জশিট দেখিলাম জানিয়ে সাক্ষর করেন ও পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি ধার্য করেন। মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায় থেকে বাঁচতে ডিআইজি মিজান অসৎ উদ্দেশ্যে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ দেন খন্দকার এনামুল বাছিরকে। আর মামলা থেকে বাঁচিয়ে দিতে সেই টাকা নেন দুদকের পরিচালক এনামুল বাছির। ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ পাওয়ার পর দুই প্রতিষ্ঠান থেকেই ডিআইজি মিজান ও এনামুল বাছিরকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে এক নারী ব্যাংক কর্মকর্তাকে জোর করে বিয়ে এবং সম্পর্ক গোপন রাখার অভিযোগে পুলিশের ডিআইজি মিজানুর রহমানকে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়। পরে মিজানের শত কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে বলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ আসে। সেই অভিযোগ যাচাই-বাছাইয়ের অংশ হিসেবে ওই বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ দেয় দুদক। এরপর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন পুলিশের বিতর্কিত এই কর্মকর্তা। ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের ঘটনা তদন্ত করছিলেন এনামুল বাছির। মিজান এ সম্পর্কিত অডিও রেকর্ড বেসরকারি একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে সরবরাহ করেন। এরপরই দুদক তিন সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করে। সেই কমিটির তদন্তের ভিত্তিতে কমিশন খন্দকার এনামুল বাছিরকে সাময়িক বরখাস্ত করে। ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই ডিআইজি মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা।
২২ জানুয়ারি থেকে মিলবে ই-পাসপোর্ট : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
১৯জানুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামি ২২ জানুয়ারি (বুধবার) থেকে চালু হচ্ছে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক উদ্বোধনের মধ্যদিয়ে এ কার্যক্রম চালু হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। রোববার (১৯ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা জানান। তিনি বলেন,চলতি বছরের মধ্যেই দেশের সর্বত্র ই-পাসপোর্ট চালু হবে। প্রথম এই পাসপোর্ট পাবেন রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী। প্রতিদিন ২৫ হাজার পাসপোর্ট ইস্যু করা যাবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের নভেম্বরের মধ্যে মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এমআরপি) কার্যক্রম শেষ করার কথা থাকলেও তার অনেক আগেই হয়েছে। আমরা সবার কাছে এমআরপি পৌঁছে দিয়েছি। ই-পাসপোর্ট চালু হলে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও সম্মান বৃদ্ধি পাবে। ই-পাসপোর্টের মাধ্যমে মেশিনে একজন ব্যক্তির প্রকৃত তথ্য মাত্র ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে যাচাইয়ের সুবিধা রয়েছে। পাসপোর্ট অধিদফতর ও সেনাবাহিনী যৌথভাবে এই কাজ করছে। তিনি বলেন, প্রথমে উত্তরা, যাত্রবাড়ী এবং আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে এ কার্যক্রম শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে তা বাংলাদেশের সর্বত্র চলে যাবে। আবেদনপত্র ডাউনলোড করে পূরণ করে জমা দিতে হতে। এক্ষেত্রে ছবি ও সত্যায়িত করা লাগবে না। পাঁচ বছর ও ১০ বছর মেয়াদি ৪৮ এবং ৬৪ পাতার ই-পাসপোর্ট ১৫ % ভ্যাটসহ ভিন্ন ভিন্ন ফি দিয়ে পাওয়া যাবে। অতি জরুরি দুই দিনে, কম জরুরি সাত দিন ও ১৫ দিনে এই পাসপোর্ট সরবরাহ করা হবে। দক্ষিণ এশিয়ায় ই-পাসপোর্ট করার গৌরব এখন একমাত্র বাংলাদেশের। এটি মুজিববর্ষের উপহার। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ই-পাসপোর্টের জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগবে তবে বিভিন্ন ধরনের নাজেহাল এড়াতে এটি অনলাইনে করার চেষ্টা করছি যেন অতীতের তুলনায় সহজ হয়। মন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের ডিজিটালাইজড আইডি কার্ড দেওয়া হয়েছে। সেটি নিবন্ধন রয়েছে। কাজেই তথ্য গোপন করে কোনও রোহিঙ্গাদের ই-পাসপোর্ট গ্রহণের সুযোগ নাই। তারপরও রোহিঙ্গারা যদি বিভিন্ন ধরনের ফাঁক-ফোকরের মাধ্যমে ই-পাসপোর্ট করতে যায় তাহলে বিভিন্ন প্রশ্নে তারা ধরা পড়বে বলেও জানান তিনি।
আখেরি মোনাজাতে শেষ হলো ইজতেমা
১৯জানুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: টঙ্গীর তুরাগ তীরে ৫৫তম বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় ও শেষ পর্ব আজ রোববার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো। বেলা ১১টার পর দিল্লির মাওলানা জমশেদ মোনাজাত পরিচালনা করেন। রোববার ফজর নামাজের পর বয়ান করেন মাওলানা ইকবাল হাফিজ। বাংলায় তরজমা করেন মাওলানা ওয়াসেকুল ইসলাম। আখেরি মোনাজাতে অংশ নেন অন্তত কয়েক লাখ মুসল্লি। এ কারণে ভোর থেকেই ইজতেমা ময়দানের আশপাশের বিভিন্ন সড়কে মুসল্লিদের ময়দানমুখী স্রোত দেখা যায়। লাখ লাখ মুসল্লি বিভিন্ন যানবাহন ও পায়ে হেঁটে ইজতেমা ময়দানের দিকে ছুটে যান। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ে মুসল্লিদের ভিড়। মোনাজাতে অংশ নিতে ময়দানের আশপাশের অলিগলি, বাড়ি ও কলকারখানার ছাদ, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কসহ বিভিন্ন সড়ক ও খালি জায়গায় পলিথিন, পত্রিকা, পাটি ও জায়নামাজ বিছিয়ে অবস্থান নেন অনেকেই। এদিকে দ্বিতীয় পর্বের আখেরি মোনাজাত উপলক্ষে লাখো মুসল্লির সমাগম নির্বিঘ্ন করতে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয় গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ। গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, ইজতেমায় মুসল্লিদের আসা-যাওয়া নিবিঘ্ন করতে শনিবার দিবাগত ভোর ৪টা থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুর চৌরাস্তায় এবং ঢাকার মহাখালী থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত ১০ জানুয়ারি ফজর নামাজের পর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে ৫৫তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের কার্যক্রম শুরু হয়। পরে ১২ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হয় এই ইজতেমার প্রথম পর্ব। আর ১৭ জানুয়ারি থেকে শুরু হয় ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব। যা আজ আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো। মুসল্লিদের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে জায়গা সংকট হওয়ায় ২০১১ সাল থেকে টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমা তিন দিন করে দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হয়। তবে ২০১৮ সালে মুসল্লিদের দুই পক্ষের মারামারি ও হতাহতের ঘটনার পর আলাদাভাবে দুই গ্রুপ ইজতেমার আয়োজন করছে। ১৯৬৭ সাল থেকে টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানে তাবলীগ জামাতের উদ্যোগে এ মহা ধর্মীয় সমাবেশ হয়ে আসছে। বাদ মাগরিব ভারতের মওলানা ইব্রাহিম দেওলার আমবয়ানের মধ্যে দিয়ে এবারের বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব শুরু হয়। এরপর শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) বাদ ফজর আমবয়ান করেন পাকিস্তানি মওলানা ওবায়দুল্লাহ খুরশিদ। রোববার (১২ জানুয়ারি) আখেরি মোনাজাতে শেষ হয় ইজতেমার প্রথম পর্ব। এরপর বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) প্রাক-বয়ানে শুরু হয় ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব। যা রোববার আখেরি মোনাজাতের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়।
দুই সিটির ভোটকেন্দ্রের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ
১৯জানুয়ারী,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ সিটির নির্বাচনের ভোটকেন্দ্রের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী, দুই সিটিতে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ২ হাজার ৪৬৮টি। দুই সিটির মেয়র, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর ও সাধারণ আসনের কাউন্সিলর পদে নির্বাচনের জন্য স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) নির্বাচন বিধিমালা, ২০১০ এর বিধি ৭ এর উপ-বিধি ২ অনুসারে ঢাকা দুই সিটির চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৩০ লাখ ১০ হাজার ২৭৩ জন ভোটারের বিপরীতে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১ হাজার ৩১৮টি, ভোট কক্ষের সংখ্যা ৭ হাজার ৮৪৬টি। আর অস্থায়ী ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা নেই, তবে অস্থায়ী ভোট কক্ষের সংখ্যা ৭৫৪টি। এ সিটিতে সাধারণ ওয়ার্ড সংখা ৫৪টি, সংরক্ষিত ওয়ার্ড রয়েছে ১৮টি। ভোটারের মধ্যে পুরুষ ১৫ লাখ ৪৯ হাজার ৫৬৭ এবং নারী ভোটার রয়েছেন ১৪ লাখ ৬০ হাজার ৭০৬ জন। আর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে সাধারণ ওয়ার্ড সংখ্যা ৭৫টি, সংরক্ষিত ওয়ার্ড সংখ্যা ২৫টি, ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১ হাজার ১৫০টি, ভোট কক্ষের সংখ্যা ৬ হাজার ৫৮৮টি। অস্থায়ী ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা নেই, তবে অস্থায়ী ভোটকক্ষের সংখ্যা ৮৭৬টি। এই সিটিতে ভোটার ২৪ লাখ ৫৩ হাজার ১৯৪। তার মধ্যে পুরুষ ১২ লাখ ৯৩ হাজার ৪৪১ এবং নারী ১১ লাখ ৫৯ হাজার ৭৫৩ জন। উল্লেখ্য, ৩০ জানুয়ারি ঢাকার দুই সিটির নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। ওইদিন সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সরস্বতী পূজা থাকায় বিভিন্ন মহলের চাপের মুখে তা পরিবর্তন করে নির্বাচন কমিশন। এতে আসন্ন নির্বাচন ও এসএসসি পরীক্ষা দুইই পিছিয়েছে। ভোটগ্রহণের নতুন তারিখ করা হয়েছে ১ ফেব্রুয়ারি আর এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৩ ফেব্রুয়ারি।
ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন ১ ফেব্রুয়ারি
১৮জানুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সরস্বতী পূজার জন্য ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোট গ্রহণ ৩০ জানুয়ারির পরিবর্তে ১ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে। শনিবার (১৮ জানুয়ারি) রাতে নির্বাচন কমিশনের জরুরি বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকে একথা জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা। এর আগে আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন ভবনে বিকাল সোয়া ৪টা থেকে সব কমিশনার ও দুই সিটির রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন সিইসি। দীর্ঘ সময় বৈঠক শেষে ভোটগ্রহণের নতুন এই তারিখ ঘোষণা করেন সিইসি। এদিকে, সরস্বতী পূজার দিনে সিটি নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তনের দাবিতে ঢাবিতে তৃতীয় দিনের মতো আমরণ অনশনে অংশ নেন শিক্ষার্থীরা। প্রসঙ্গত, গত ২২ ডিসেম্বর ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ৩০ জানুয়ারি ভোটগ্রহণের দিন রেখে তফসিল ঘোষণা করেছিল ইসি।
জাতির জনকের লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য রাজনীতি করতে হবে: এলজিআরডি মন্ত্রী
১৮জানুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, নিজের স্বার্থ চারিতার্থের জন্য রাজনীতি করলে দেশের উন্নয়ন হয় না। রাজনীতি করতে হবে জনগণের জন্য, দেশের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য। জাতির জনকের লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য রাজনীতি করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্ব ও জাতির জনকের আদর্শ ব্যতীত রাজনীতিবিদ হওয়া সম্বব নয়। মন্ত্রী আজ চট্টগ্রাম রাউজান উপজেলার নোয়াজিষপুর ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের উদ্বোধন শেষে অদুদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন করার জন্য সরকারের সব ধরণের প্রস্ততি সম্পন্ন হয়েছে। সুষ্ঠু নির্বাচন করার জন্য সরকার বন্ধপরিকর। তিনি বলেন, একটি রাষ্ট্র তখনই সফল হবে যখন রাষ্ট্রের জনগণ তাদের নিজ নিজ অধিকার সহজলভ্য মনে করবেন। এ ক্ষেত্রে নেতৃত্বের দক্ষতার পরিচয় দিতে হবে। দক্ষ নেতৃত্ব ব্যতীত অধিকার বাস্তবায়ন হয় না। মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের এখন প্রশংসারযোগ্য। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় প্রায় ২ হাজার ডলার। এখন গড় আয়ু বেড়েছে। শিল্পয়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন, ঘরে ঘরে বিদ্যুতের ব্যবস্থা, নগরায়ণসহ উন্নয়নের কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে। দেশের মানুষের জীবন যাত্রার মানও বেড়েছে। তিনি বলেন, জাতির জনককে এই দেশের মানুষ বিশ্বাস করছে বলে নয় মাসে দেশ স্বাধীন হয়েছে। খাদ্য খাটতির দেশ, খাদ্যে উদ্বৃত্তের দেশে পরিনত হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বের জন্য। শেখ হাসিনার দূরদর্শি নেতৃত্বের জন্য দেশের প্রতি ক্ষেত্রে পরিবর্তন এসেছে। এখন শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে বাংলাদেশকে মর্যাদাশীল রাষ্ট্রে পরিনত করতে হবে। তাজুল বলেন, মৌলবাদ, জঙ্গিবাদ এবং সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় শেখ হাসিনা সবসময়ই আপোষহীন। ২০০৯ সালে সরকার পরিচালনায় দায়িত্ব নিয়ে তার সরকার ১৯৭১ সালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে দেশকে কলঙ্কমুক্ত করেছেন। তাজুল ইসলাম বলেন, শত বাধা-বিপত্তি এবং হত্যার হুমকিসহ নানা প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে শেখ হাসিনা ভাত-ভোট এবং সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার আদায়ের জন্য অবিচল থেকে সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন। মন্ত্রী আরো বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের জনগণ অর্জন করেছে গণতন্ত্র ও বাক-স্বাধীনতা। বাংলাদেশ পেয়েছে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা। শেখ হাসিনার অপরিসীম আত্মত্যাগের ফলেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে সক্ষম হয়েছে। তাঁর শাসনামলে আর্থ-সামাজিক খাতে দেশ অভূতপূর্ব অগ্রগতি অর্জণ করেছে। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও মানবাধিকারের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসিকতা ও দূরদর্শিতায় আজ দেশ উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। এসময় বঙ্গবন্ধু পাঠাগার ও শিশু পার্কের জন্য মন্ত্রণালয় থেকে অনুদান দেয়ার আশ্বাস দেন মন্ত্রী। অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সভাপতি এ.বি.এম ফজলুল কবির চৌধুরী, উপজেলা চেয়ারম্যান এহসানুল হায়দার চৌধুরী, স্থানীয় সরকার প্রকৌকল অধিদপ্তর এর প্রধান প্রকৌশলী সুশংকর চন্দ্র আচার্য, স্থানীয় সরকার চট্টগ্রাম বিভাগের উপ-পরিচালক ইয়াছমিন পারভিন তিবরীজিসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
নাটোরে ১৪তম মহিলা বিশ্ব ইজতেমা শুরু ২৬ জানুয়ারি
১৮জানুয়ারী,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বড়াইগ্রাম উপজেলার মৌখাড়া ইসলামিয়া মহিলা ডিগ্রি কলেজ মাঠে আগামী ২৬, ২৭ ও ২৮ জানুয়ারী ১৪তম মহিলা বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আগামী ২৬ জানুয়ারি, রবিবার সকাল ৯টায় আম বয়ানের মধ্য দিয়ে ইজতেমা শুরু হবে। ইজতেমার আয়োজক আলহাজ্ব শের আলী শেখ জানান, প্রথম দিন প্রধান আলোচক হিসাবে বয়ান করবেন ঢাকার মাওলানা মাহমুদুল হাসান শাহীন। দ্বিতীয় দিন পাবনার মাওলানা আমজাদ হোসেন জিহাদী এবং শেষ দিন নাটোরের মাওলানা রুহুল আমিন জিহাদী প্রধান আলোচক হিসাবে ইজতেমায় আগত নারীদের উদ্দেশ্যে বয়ান করবেন। এছাড়া তিনদিনই তাদের পাশাপাশি ধারাবাহিক ভাবে দেশের বিভিন্ন এলাকার বক্তারা আলোচনা রাখবেন। শেষ দিন বিকালে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ইজতেমা সমাপ্ত হবে। জানা গেছে, দূরাগত নারীদের জন্য কলেজের মহিলা হোস্টেলে নিরাপদ পরিবেশে থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। সমাপনী দিনে ভারতসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রায় অর্ধ লক্ষাধিক লোকের সমাগম ঘটবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন আয়োজক কর্তৃপক্ষ। বড়াইগ্রাম থানার ওসি দিলীপ কুমার দাস বলেন, বিগত বছরগুলোর ন্যায় এবারও ইজতেমার নিরাপত্তা বিধানে পুরুষসহ পর্যাপ্ত নারী পুলিশ মোতায়েন থাকবে।
মান্নানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
১৮জানুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বগুড়া-১ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আব্দুল মান্নানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (১৮ জানুয়ারি) সকালে এক বার্তায় এ শোক জানানো হয়। আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয় এতে আওয়ামী লীগ সভাপতি মরহুম আব্দুল মান্নানের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং তার শোক-সন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। অনুরূপ এক বিবৃতিতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরও গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। শনিবার সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি। আব্দুল মান্নান ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছিলেন। ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-১ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদেও জয় হন তিনি। ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয় পেয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আব্দুল মান্নান।

জাতীয় পাতার আরো খবর