বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে ৩৬,৭৪৬টি পদ শূন্য: প্রতিমন্ত্রী
২০এপ্রিল,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রশাসনকে আরও গতিশীল করতে সরকার বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ৩৬,৭৪৬টি শূন্য পদ পূরণের ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় আমরা এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিয়েছি। শূন্যপদ কবে পূরণ হবে জানতে চাইলে ফরহাদ বলেন, শূন্য পদ পূরণের জন্য আমাদের কাছে মন্ত্রণালয়ের আবেদন আসলে আমরা সাথে সাথে সেগুলো অনুমোদন করে দেব। আশা করছি, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই শূন্য পদ পূরণ করতে পারবো। জনপ্রশাসনে গতিশীলতা ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছু করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন,নিম্ন আয়ের অবস্থা থেকে দেশকে মধ্যম আয়ের দিকে উন্নীত করতে আমরা প্রশাসনে গতিশীল আনার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। দেশ ও প্রশাসনকে আরও গতিশীল করতে সকল শূন্য পদ পূরণের জন্য যা যা করা দরকার আমরা তা করবো। জেলা-উপজেলা পর্যায়ে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে জনগণকে অনেক সময় হয়রানি করার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন,জনমুখী জনপ্রশাসন গড়ে তোলার জন্য আমরা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। জনগণকে খুব দ্রুত সেবা দিতে আমাদের লক্ষ্য বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, এই বিষয়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গত পাঁচ বছর আমি যখন সংসদ সদস্য ছিলাম, তখন আমি নিজেই দেখেছি ও অনুভব করেছি যে আসলে অনেক সাধারণ মানুষ অফিসে যেতে চান না। গেলেও হয়তো প্রাপ্য সম্মানটুকু তারা পায় না। অথচ জনপ্রতিনিধিদের কাছে মানুষ খুব সহজে আসতে পারেন। এই ক্ষেত্রে আমাদের বেশ কিছু ত্রুটি রয়েছে। আমাদের প্রশাসনকে জনমুখী ও কল্যাণমুখী করতে হবে। দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়ে তুলতে গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টানা ১০ বছর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছেন। তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স প্রদর্শনের নির্দেশ দিয়েছেন। আমি সেই নীতি মেনেই কাজ করছি। তিনি স্মরণ করেন, বঙ্গবন্ধু বলেছেন, যারা সেবা নিতে আসে তারা আমাদের ভাই বোন, আমাদের আত্মীয় স্বজন, তাদেরকে প্রাপ্য সম্মানটুকু দিতে হবে। আমরা ব্যাপকভাবে এ লক্ষ্য পূরণে কাজ করছি। আশা করছি জনসেবার মান বাড়াতে পারবো, যোগ করেন প্রতিমন্ত্রী। জনপ্রশাসনকে অত্যন্ত জনবান্ধব গড়ে তোলা হবে জানিয়ে ফরহাদ হোসেন বলেন,আগামী দিনে জনপ্রশাসনের প্রকৃতি হবে অত্যন্ত আন্তর্জাতিক মানের। অতি সাধারণ মানুষের জন্য তাদের কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হবে না। হাসিমুখে তারা তাদের কর্মকর্তাদেরকে গ্রহণ করতে পারবে। এজন্য কর্মকর্তাদেরকে কর্মদক্ষ করে উপযুক্তভাবে গড়ে তোলা হবে। আমরা এ কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবো। তিনি আরও বলেন, মাঠ প্রশাসনে অতি সাধারণ মানুষ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্মকর্তাদের কাছে সহযোগিতার জন্য আসেন। গরিব মানুষ যেন হাসি মুখে কাঙ্ক্ষিত সেবা নিতে পারেন, সে জায়গাটি আমরা নিশ্চিত করতে চাই। প্রতিমন্ত্রী বলেন, জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে মাঠ প্রশাসনকে আমরা নির্দেশনা দিয়েছি প্রতি সপ্তাহে একদিন মানুষের দুঃখ-কষ্ট শোনার জন্য হেয়ারিং ব্যবস্থা করা। প্রত্যেকটি বিভাগের ভেতর জেলা প্রশাসকের অধীনে সমন্বয়ভাবে কাজ তৈরি করে মানুষের কাঙ্ক্ষিত সেবা প্রদানের ব্যবস্থা করা। প্রশাসনকে মানুষের শেষ ভরসার জায়গা, অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য জায়গায় পরিণত করার লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। কর্মকর্তাদের লক্ষ্য স্থির করতে আমার অনেক কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। তাদের সাথে বসার চেষ্টা করছি এবং বোঝানোর চেষ্টা করছি। মনে রাখতে হবে সকল ক্ষমতার উৎস জনগণ, জনগণের সেবক হিসেবে আমাদের কাজ করতে হবে, যোগ করেন তিনি। ফরহাদ আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা সুশাসন নিশ্চিত করতে চাই। সুশাসন বলতে মানুষকে প্রাপ্য সম্মানটুকু দেয়া, জনগণের সেবক হিসেবে কাঙ্ক্ষিত সেবা প্রদান করা। মানুষের সেবায় আমি কাজ করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করবো, বলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী।-ইউএনবি
রোহিঙ্গাদের অবশ্যই নিজ বাসভূমিতে ফিরে যেতে হবে : প্রধানমন্ত্রী
২০এপ্রিল,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: জোরপূর্বক স্থানচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের রোহিঙ্গাদের অবশ্যই তাদের নিজ বাসভূমিতে ফিরে যেতে হবে। বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে তার সংযুক্ত আরব আমিরাতের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী রিম ইব্রাহিম আল হাশিমী দেখা করতে গেলে এ কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা নাগরিকদের অবশ্যই মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে তাদের নিজ বাসভূমিতে ফিরে যেতে হবে। শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ ও মিয়ানমার এ ইস্যুতে আলোচনা করেছে এবং তাদের প্রত্যাবাসনে একটি চুক্তি সই করেছে। কিন্তু তাদের প্রত্যাবাসন এখনও শুরু হয়নি। শেখ হাসিনা আরও বলেন, বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গাদের আরও উন্নত সুবিধা দিতে তাদের অস্থায়ী আশ্রয়ের জন্য একটি দ্বীপকে প্রস্তুত করছে। আমিরাতের মন্ত্রী রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকারকে তার দেশের অব্যাহত সহযোগিতার আশ্বাস দেন। রিম ইব্রাহিম আল হাশিমী দু দেশের মধ্যে চমৎকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক রয়েছে উল্লেখ করে বলেন, তিনি এই সম্পর্ক আরো জোরদারে কাজ করবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।-আরটিভি
দুর্যোগ-দুর্ঘটনায় সচেতনতা জরুরি: প্রধানমন্ত্রী
১৮এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সচেতনতা না থাকার কারণেই বার বার অগ্নিকাণ্ডের মতো বড় বড় দুর্ঘটনা ঘটছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কাউন্সিলের সভায় এ কথা বলেন শেখ হাসিনা। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন- দুর্যোগ-দুর্ঘটনায় মানুষের সচেতনতা জরুরি। পরে দুর্যোগের ঝুঁকি প্রশমন করে ক্ষয়ক্ষতি কমানো এবং মোকাবিলায় নির্দেশনা প্রচারের তাগিদ দেন সরকার প্রধান। প্রাকৃতিক দুর্যোগ বন্যা-জলোচ্ছ্বাস আর ঘূর্ণিঝড়ের পাশাপাশি সভ্যতার বিকাশজনিত দুর্ঘটনা-দুর্বিপাক কতটা ভয়াবহ আর করুণ হতে পারে- বনানী এবং চুড়িহাট্টার অগ্নিকাণ্ডে তা দেখেছে দেশের মানুষ। বার বার ঘটা এমন দুর্ঘটনায় প্রাণ যাচ্ছে মানুষের; প্রশ্নের মুখে জীবনের নিরাপত্তা। এমন বাস্তবতায় বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কাউন্সিলের সভা। প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এতে অংশ নেন সংশ্লিষ্ট ৪১ সংস্থা ও বিভাগের নীতিনির্ধারকরা। সভার শুরুতেই দুর্যোগের ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, সচেতনতার ঘাটতি ছিল বলেই, সম্প্রতি বড় বড় দুর্ঘটনায় প্রাণহানির শিকার হয়েছে মানুষ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পুরান ঢাকায় আগুনের যে বড় বড় দুর্ঘটনা ঘটলো, এছাড়া বহুতল ভবনগুলোতে আগুন লাগলো, সেখানে যারা কর্মরত ছিলেন, তাদের মধ্যে সচেতনতা ছিল না। ফায়ার এক্সিট যে আছে, তারাও সেটা জানে না।
নুসরাতের সহপাঠী শামীম পাঁচ দিনের রিমান্ডে
১৮এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: মাদরাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যায় জড়িত তার সহপাঠী শামীমকে ৫ দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার মামলার তদন্তকর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর পরিদর্শক মো: শাহ আলম ফেনীর সিনিয়র জুড়িশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট সারাফ উদ্দিনের আদালতে শামীমকে উপস্থাপন করে ৭দিনের রিমান্ড চায়। আদালত ৫দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে ১৫ এপ্রিল সোমবার বিকালে সোনাগাজী উপজেলার পশ্চিম তুলাতলি গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়। তার পিতার নাম মো. সফি উল্লাহ। শামীম সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার আলিম পরীক্ষার্থী। নুসরাতের সহপাঠী। ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর পরিদর্শক মো: শাহ আলম নিজে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি, জানান মামলা এজহার ভূক্ত আসামী নুর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম ও আবদুর রহীম শরীফের স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্ধীতে শামীমের সম্পৃক্ততার বিষয়টি উঠে আসে। গত ৬ এপ্রিল ওই মাদ্রাসায় আলিম পরীক্ষার কেন্দ্রে গেলে ভবনের ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে পালিয়ে যায় মুখোশধারীরা। এর আগে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলার বিরুদ্ধে করা শ্লীলতাহানির মামলা প্রত্যাহারের জন্য নুসরাতকে চাপ দেয় তারা। পরে আগুনে ঝলসে যাওয়া নুসরাতকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ এপ্রিল রাতে নুসরাত মারা যান। শ্লীলতাহানির মামলায় আগে থেকেই কারাবন্দি ছিলেন সিরাজ উদদৌলা। হত্যা মামলা হওয়ার পর এখন পর্যন্ত ১৩ জন গ্রেফতার হয়েছে। সিরাজ উদদৌলার ‘ঘনিষ্ঠ’ নূর উদ্দিন ও শাহাদাত হোসেন শামীম স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আদালতে। বাকি আসামিদের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে সিরাজ উদদৌলাকে ৭ দিন, আওয়ামী লীগ নেতা ও পৌর কাউন্সিলর মাকসুদ আলমকে ৫ দিন, জাবেদ হোসেনকে ৭ দিন, নূর হোসেন, কেফায়াত উল্লাহ, মোহাম্মদ আলা উদ্দিন, শাহিদুল ইসলাম, আবছার উদ্দিন, আরিফুল ইসলাম, উম্মে সুলতানা পপি ও যোবায়ের হোসেনকে ৫ দিন করে রিমান্ড দেয়া হয়েছে, কামরুন নাহার মনি ০৫ দিন রিমান্ড। গ্রেফতার রয়েছে হাফেজ আবদুল কাদের। এছাড়া জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক হয়েছেন সহপাঠী মো. শামীম ও জান্নাতুল আফরোজ মনি। এদিকে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রধান বনজ কুমার মজুমদার জানান, তদন্তের মাধ্যমে এ ঘটনায় জড়িত পরোক্ষদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। এরই মধ্যে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করতে থানায় যাওয়ার পর নুসরাতের ভিডিও ধারণ করে ছড়িয়ে দেয়ায় ১৫ এপ্রিল সোমবার সোনাগাজী থানার ওই সময়ের ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে আইসিটি আইনে মামলা করা হয়েছে। এ মামলাও তদন্তের জন্য পিবিআইকে দায়িত্ব দিয়েছেন আদালত।
নুসরাত হত্যার বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট
১৭এপ্রিল,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: নুসরাত জাহান রাফিকে হত্যার ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিচারের আওতায় আনতে মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে হস্তান্তরের নির্দেশও চাওয়া হয়েছে ওই রিটে। বুধবার (১৭ এপ্রিল) হাইকোর্টের আইনজীবী ড. ইউনুছ আলী আকন্দ এই রিটটি দায়ের করেন। রিটে বিবাদী করা হয়েছে পাঁচ জনকে। তারা হলেন- স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, ফেনী পুলিশ সুপার ও সোনাগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)। পরে রিটটি শুনানির জন্য বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের বেঞ্চে উপস্থাপন করেছেন বলে জানান ড. ইউনুছ আলী আকন্দ। তিনি আরও জানান, মামলার তদন্তের কাজ র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ানের (র‌্যাব) কাছে হস্তান্তরের নির্দেশনাও চেয়েছেন তিনি। গেলো ২৭ মার্চ নুসরাত জাহান রাফিকে নিজ কক্ষে নিয়ে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলাকে আটক করে পুলিশ। ওই ঘটনার পর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন। এ ঘটনায় রাফির মা শিরিন আক্তার বাদী হয়ে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করেন। এর জেরে নুসরাতের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় অধ্যক্ষের সহযোগীরা। চলতি মাসের ১০ তারিখে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।-আরটিভি
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
১৭এপ্রিল,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঐতিহাসিক মুজিব নগর দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এবং পরে আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন শেখ হাসিনা। বুধবার (১৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টায় তিনি রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সড়কে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করে এই শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আওয়ামী লীগের অঙ্গ, সহযোগী ও ভাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় স্লোগানে স্লোগানে এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে। উল্লেখ্য, আজ ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। ১৯৭১ সালের অগ্নিঝরা এই দিনে হানাদার বাহিনী কর্তৃক আক্রান্ত বাঙালি জাতির আলোকবর্তিকা হিসেবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সরকারের শপথগ্রহণ আর মুক্তির সনদ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠের মাধ্যমে এদিন কবর রচিত হয় অখণ্ড পাকিস্তানের। রচিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশের নতুন ইতিহাস। ৯ মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বিশ্বের মানচিত্রে স্থান করে নেয় স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ।
আজ ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস
১৭এপ্রিল,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। ১৯৭১ এর এই দিনে মুক্তিবাহিনীর দখলে থাকা মেহেরপুরের মুজিবনগরে যাত্রা শুরু করেছিলো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা থেকে শুরু করে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের স্বীকৃতি আদায় সবই ছিল এ সরকারের কৃতিত্ব। ১৯৭১ এর এপ্রিল। পাকিস্তানী বাহিনীর বিমান হামলা যশোরের সবুজ প্রান্তর থেকে মেহেরপুর পর্যন্ত পৌঁছেছে। জাতির জনকের নির্দেশে সংগঠিত মুক্তিকামী বাঙালী। প্রতিরোধ সংগ্রাম করে যাচ্ছে বিক্ষিপ্তভাবে কিংবা সংগঠিত হয়ে। এমন পরিস্থিতিতেই ইতিহাসে জায়গা করে নেয় এক অখ্যাত আমবাগান। মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথ তলায় শপথ গ্রহণ করে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রথম মন্ত্রিপরিষদ সচিব এইচ টি ইমাম বলেন, এটি তো জনযুদ্ধ, যেখানে সমগ্র জাতি সম্পৃক্ত। তাদেরকে জানানো দরকার, তাদের রাষ্ট্র স্বাধীন রাষ্ট্র হয়েছে। এজন্য সিদ্ধান্ত হলো শপথ গ্রহণ করবেন এবং এই অনুষ্ঠানটি হতে হবে স্বাধীন বাংলার মুক্ত অঞ্চলে। পনেরোটি মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন বিভাগ নিয়ে স্বল্প পরিসরে যাত্রা শুরু করে এই সরকার। পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতি, তার অবর্তমানে সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি এবং তাজউদ্দিন আহমেদ প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নিযুক্ত হন। মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি হিসেবে ঘোষণা করা হয় জেনারেল এম এ জি ওসমানীর নাম। এইচ টি ইমাম আরো বলেন, একটি আধুনিক সরকারের যা কিছু করতে হয় তার সবকিছু এই সরকার করেছে। মুক্তিযুদ্ধের সংগঠকরা বলছেন, এ শপথ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিশ্বের দরবারে আত্মপ্রকাশ করেছিলো বাংলাদেশ। মুজিবনগর সরকারের চেতনা প্রেরণা নিরন্তর আপোষহীন করবে বাঙালীকে বলছেন এই দুই সংগঠক।
সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের স্বার্থে যৌন নির্যাতিতাদের জবানবন্দি নেবেন নারী ম্যাজিস্ট্রেট
১৬এপ্রিল,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের স্বার্থে ধর্ষণ বা যৌন নির্যাতনের শিকার নারী বা শিশুদের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করার দায়িত্ব নারী ম্যাজিস্ট্রেটকে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্টার জেনারেল ড. মোঃ জাকির হোসেন সই করা এক সার্কুলারে এ কথা জানানো হয়। সংশ্লিষ্টদের নিকট পাঠানো এ সার্কুলারে বলা হয়, অপরাধ তদন্ত ও বিচারের স্বার্থে লিপিবদ্ধ উক্ত জবানবন্দি অত্যন্ত গুরুত্ববহন করে। বর্তমানে কিছুক্ষেত্রে ধর্ষণ বো যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়া নারী বা শিশুর জবানবন্দি পুরুষ ম্যাজিস্ট্রেট লিপিবদ্ধ করেছেন। কিন্তু পুরুষ ম্যাজিস্ট্রেটটের নিকট নির্যাতনের জবানবন্দি দিতে নির্যাতিত নারী সংকোচবোধ করেন। এ অবস্থায় তাদের জবানবন্দি নারী ম্যাজিস্ট্রেট নেয়া আবশ্যক।এতে ভিক্টিম সহজে ও নিসংকোচে তার বক্তব্য দিতে পারনে। এতে আরও বলা হয়, সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের স্বার্থে ধর্ষণ বা যৌন নির্যাতনের শিকারের নারীর জবানবন্দি একজন নারী ম্যাজেস্ট্রিটকে নিতে হবে। এটি বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি নির্দেশ দেয়া হছে। সাম্প্রতিক বেশ কয়েকটি নারী নির্যাতনের ঘটনা এবং বিশেষ করে ফেনীর কলেজছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির জবানবন্দি নিয়ে ওসির বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ ওঠার মধ্যে বিচারাঙ্গনে এই নির্দেশনা এলো। এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য ধর্ষণ বা যৌন নির্যাতনের শিকার নারী বা শিশুদের জবানবন্দি একজন নারী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধ করা আবশ্যক। তবে সংশ্লিষ্ট জেলায় বা মহানগরীতে নারী ম্যাজিস্ট্রেট না থাকলে অন্য কোনও যোগ্য ম্যাজিস্ট্রেটকে এ দায়িত্ব দেয়া যেতে পারে বলে মনে করে সুপ্রিম কোর্ট।-আলোকিত বাংলাদেশ
২১ এপ্রিল পবিত্র শবে বরাত: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী
১৬এপ্রিল,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২১ এপ্রিল পবিত্র শব-ই-বরাত পালন করা হবে বলে জানিয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ। মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে এ তথ্য জানান তিনি। এর আগে, শবেবরাত নিয়ে বিতর্ক গড়ায় উচ্চ আদালতে। যদিও ধর্মীয় বিষয় হওয়ায় রিটের অনুমতি না দিয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনে আবেদন করতে বলেছেন উচ্চ আদালত। ইফার গঠিত তদন্ত কমিটির সিদ্ধান্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বলেছেন আদালত। ২০ এপ্রিল নাকি ২১ এপ্রিল শবেবরাত পালন করা হবে এ বিষয়ে কাজ করছে ১০ সদস্যের কমিটি। গত ৬ এপ্রিল চাঁদ দেখা না যাওয়ায় ২১ এপ্রিল রোববার (১৪ এপ্রিল) দিনগত রাতে শবেবরাত পালনের সিদ্ধান্ত নেয় ইসলামিক ফাউন্ডেশন। কিন্তু একপক্ষের দাবি ঐদিন চাঁদ দেখা গেছে ফলে শবেবরাত হবে ২০ এপ্রিল শনিবার দিবাগত রাতে। শবেবরাত কবে পালন করা হবে এ নিয়ে আলেম-ওলামাদের বিতর্ক গড়িয়েছে উচ্চ আদালত পর্যন্ত। যদিও আদালত এ আবেদনটি আমলে না নিয়ে রিটকারীদের ইসলামিক ফাউন্ডেশনে যেতে বলেছেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, বিষয়টি সুরাহার জন্য ১০ সদস্যের একটি কমিটি কাজ করছে। এছাড়া ধর্মীয় বিষয় হওয়ায় এ পর্যায়ে হস্তক্ষেপ করতে চাননি উচ্চ আদালত।