বিশ্বের সবচেয়ে বড় জলবায়ু উদ্বাস্তু আশ্রয়কেন্দ্রের উদ্বোধন
২৩,জুলাই,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজার জেলায় জলবায়ু উদ্বাস্তুদের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে বড় আশ্রয়কেন্দ্র খুরুশকুল আশ্রায়ণ প্রকল্পের প্রথম ধাপে নির্মিত ২০টি ভবনের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রথম ধাপে উদ্বোধন হওয়া ভবনগুলোতে ফ্ল্যাট পেয়েছেন ৬০০টি পরিবার। ১০০১ টাকা নামমাত্র মূল্যে এসব ফ্ল্যাট হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে ১৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রথম ধাপে নির্মিত ৫তলা ২০টি ভবনসহ প্রকল্পের মোট ১৩৯টি ভবন নির্মাণ করা হবে। প্রতিটি পাঁচতলা ভবনে থাকছে ৪৫৬ বর্গফুট আয়তনের ৩২টি করে ফ্ল্যাট। সবগুলো ভবন নির্মিত হলে উদ্বাস্তু জীবনের অস্বাস্থ্যকর, নোংরা পরিবেশ ছেড়ে সাজানো পরিপাটি দালানে উঠবেন মোট প্রায় সাড়ে ৪ হাজার পরিবার। প্রতিটি ফ্ল্যাটে পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস সিলিন্ডারের সুবিধা থাকবে। প্রতিটি ভবনে থাকবে সৌর বিদ্যুতের প্যানেল। খুরুশকুলে বাঁকখালী নদীর তীরে ২৫৩ একর জমির উপর গড়ে ওঠা এ বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্পকে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে বড় আশ্রয়কেন্দ্র বলে দাবি করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। প্রকল্প পরিচালক মো. মাহবুব হোসেন জানান, প্রকল্প এলাকায় ১৪টি খেলার মাঠ, সবুজ জায়গা, মসজিদ, মন্দির, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পুলিশ ও ফায়ার স্টেশন, তিনটি পুকুর, নদীতে দুটি জেটি, দুটি বিদ্যুতের সাবস্টেশন থাকবে। এছাড়াও থাকবে ২০ কিলোমিটার অভ্যন্তরীণ রাস্তা, ৩৬ কিলোমিটার ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বর্জ্য পরিশোধন ও নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনা, তীর রক্ষা বাঁধ, ছোট সেতু, পুকুর-খাল থাকবে পুরো প্রকল্প এলাকায়। আশ্রয়ণ প্রকল্পে যারা ফ্ল্যাট পাবেন তাদের ঋণ ও প্রশিক্ষণ দিয়ে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলা হবে। প্রকল্প এলাকায় একটি শুঁটকি মহালও থাকবে এবং এখানে পর্যায়ক্রমে বিক্রয় কেন্দ্র ও প্যাকেজিং শিল্পও গড়ে তুলবে সরকার। ভবনগুলোর নাম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই রেখেছেন। প্রথম ধাপে নির্মিত ভবনগুলোর নাম হলো-দোঁলনচাপা, কেওড়া, রজনীগন্ধা, গন্ধরাজ, হাসনাহেনা, কামিনী, গুলমোহর, গোলাপ, সোনালী, নীলাম্বরী, ঝিনুক, কোরাল, মুক্তা, প্রবাল, সোপান, মনখালী, শনখালী, বাঁকখালী, ইনানী ও সাম্পান। প্রকল্প পরিচালক মো. মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, এটাই দেশের সবচেয়ে বড় আশ্রয়ণ প্রকল্প এবং জলবায়ু উদ্বাস্তুদের জন্য দেশের প্রথম আশ্রয়ণ প্রকল্প। জলবায়ু উদ্বাস্তু পরিবারগুলোর জন্য এখানে যে পুনর্বাসন, এটাকে আমরা বিশ্বের বৃহত্তম জলবায়ু পুনর্বাসন প্রকল্প বলতে পারি। এ ধরনের প্রকল্প পৃথিবীতে বিরল। ২০১৯ সালে গ্লোবাল কমিশন অন অ্যাডাপটেশনের চেয়ারম্যান জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুনের এ প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করার কথাও উল্লেখ করেন প্রকল্প পরিচালক। একটি মানুষও গৃহহীন থাকবে না, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ ঘোষণা বাস্তবায়নেরই অংশ এ আশ্রয়ণ প্রকল্প। এটি ছাড়াও গৃহহীনদের ঘর তৈরি করে দিতে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম রয়েছে। গৃহহীন ও ছিন্নমূল মানুষের পুনর্বাসনের জন্য ১৯৯৭ সালে আশ্রয়ণ নামে প্রথম প্রকল্প গ্রহণ করেন তৎকালীন শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার। এরপর ২০১০ সালে আওয়ামী লীগ সরকার আবার ক্ষমতায় আসলে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প শুরু হয়। এ প্রকল্পের মাধ্যমে ভূমিহীন, গৃহহীন, ছিন্নমূল ৩ লাখ ১৯ হাজার ১৪০টি পরিবার ঘর পেয়েছে। অন্যান্য আশ্রয়কেন্দ্রগুলো পাকা ও আধাপাকা দালানের ব্যারাক আকারে তৈরি হলেও বহুতল ভবনের আশ্রয়ণ প্রকল্প এটিই প্রথম। প্রকল্পের নির্মাণ কাজের দায়িত্বে থাকা সেনাবাহিনীর দশম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি এবং এরিয়া কমান্ডার মো. মাঈন উল্লাহ চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, এটি অত্যন্ত নয়নাভিরাম একটি জায়গা। এ জায়গাটিকে সুরক্ষিত করার জন্য মাটিকে অনেক উঁচু করা হয়েছে। প্রতিটি ভবনের নিচের তলায় কোনো ফ্ল্যাট রাখা হয়নি। ফলে ঘূর্ণিঝড় হলে জলোচ্ছ্বাসের পানি ঢোকারও আশঙ্কা নেই।
ফ্লাইওভার ও আন্ডারপাসসহ চলমান কাজ ঈদের আগে ও পরে ৭ দিন বন্ধ: ওবায়দুল কাদের
২২,জুলাই,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্মাণাধীন ফ্লাইওভার ও আন্ডারপাসসহ চলমান কাজ জনস্বার্থে ঈদের আগের ৭ দিন ও পরের ৭ দিন বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি আজ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নবনির্মিত ভবনে ঈদকে সামনে রেখে দেশের সড়ক-মহাসড়কের পরিস্থিতি নিয়ে প্রকৌশলীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তার বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে এ নির্দেশ দেন। সরকার ইতিমধ্যে ঈদে কর্মস্থল ত্যাগ না করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন তাই সবাই নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করার আহবান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন প্রত্যেক জোন, সার্কেল ও বিভাগকে সক্রিয় থাকতে হবে যাতে সড়ক-মহাসড়কের উপর বা পাশে পশুরহাট না বসে। তিনি এ বিষয়ে জেলা ও পুলিশ প্রশাসন এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে আগেই সমন্বয় করার নির্দেশ দেন। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ঈদে গ্রাম মুখি মানুষকে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাতায়াত করতে হবে। মন্ত্রী দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ সেতু থাকলে তার নজরদারি করতে হবে, প্রয়োজনে বিকল্প রাস্তা ঠিক করে রাখারও নির্দেশ দেন। নবীনগর, বাইপাইল, ইপিজেড, চন্দ্রা, কালিয়াকৈর, গাজীপুর, ভুলতা, কাচপুর এলাকায় অসংখ্য গার্মেন্টস থাকায় ঘরমুখো মানুষের প্রচন্ড চাপ তৈরি হবে। তাই এ চাপ সঠিকভাবে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা ও বিজিএমইএর সাথে সমন্বয় করতে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রকৌশলীদের নির্দেশ দেন মন্ত্রী। ওবায়দুল কাদের টঙ্গী-গাজীপুর মহাসড়কের কাজ চলমান থাকায় প্রয়োজনে গাজীপুরের মেয়র, পুলিশ কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বিশেষ নজর দেওয়ার অনুরোধ জানান। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন অতীতের যে কোন সময়ের চেয়ে সড়ক-মহাসড়ক এখন ভালো পর্যায়ে আছে, তবে এক্ষেত্রে কিছুটা ঝুঁকি বাড়িয়েছে অবিরাম বৃষ্টি। তিনি বলেন, চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেয়ার পাশাপাশি মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে অতীতের মতো এবারও সবাইকে সচেষ্ট থাকতে হবে। সড়ক ও মহাসড়ক অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী কাজী শাহরিয়ার হোসেন ও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. সবুজ উদ্দিন খানসহ অন্যান্য উর্ধতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
দেশীয় মাছ বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করুন : প্রধানমন্ত্রী
২২,জুলাই,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মৎস্য চাষে উন্নত ও আধুনিক পদ্ধতি গ্রহণ করার মাধ্যমে দেশীয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তৎপর হতেও বলেন তিনি। আজ বুধবার গণভবন লেকে পোনামাছ অবমুক্ত করে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২০ উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। এ উপলক্ষে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, মৎস্য চাষে গতানুগতিক পদ্ধতি থেকে বেরিয়ে এসে উন্নত ও আধুনিক পদ্ধতি গ্রহণ করার মাধ্যমে দেশীয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করতে হবে। দেশি ও আন্তর্জাতিক বাজারে মৎস্য সম্পদের চাহিদার কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, দেশে প্রায় পৌনে পাঁচশ প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ এবং ২৫০ প্রজাতির বেশি স্বাদুপানির মাছ রয়েছে। এছাড়াও চিংড়ি, কাঁকড়া, শামুকসহ অসংখ্য মৎস্য সম্পদের আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রচুর চাহিদা সৃষ্টি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মৎস্য ক্ষেত্রে বিনিয়োগের ফলে একদিকে যেমন নতুন নতুন কর্মক্ষেত্রে সৃষ্টি হয় তেমনি সমৃদ্ধ হয় জাতীয় অর্থনীতি। মাছের উৎপাদন বাড়িয়ে দেশের জনগোষ্ঠীর শুধু পুষ্টি চাহিদা পূরণ নয়, ব্যাপক কর্মসংস্থান, বিদেশে মাছ রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন আমাদের অন্যতম লক্ষ্য। মৎস্য খাতের উন্নয়নে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার এ খাতের গুরুত্ব উপলব্ধি করে দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও উৎপাদন বাড়াতে নানাবিধ কার্যকর ও ফলপ্রসূ পদক্ষেপ নিয়েছে। ফলে গত ১১ বছরে মাছের উৎপাদন ৫০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার ২০২০ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী স্বাদুপানির মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির হারে বাংলাদেশ এবার বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে উন্নীত হয়েছে। দেশ আজ মৎস্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ। বর্তমানে জনপ্রতি দৈনিক ৬০ গ্রাম চাহিদার বিপরীতে ৬২ দশমিক ৫৮ গ্রাম মাছ আমর গ্রহণ করছি। মৎস্য অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্টদের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোভিড-১৯ এর মধ্যেও মৎস্য অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট অন্য সংস্থার কর্মীরা ঝুঁকি নিয়ে মাছের উৎপাদন, বিপণন ও রপ্তানি অব্যাহত রেখেছে। দেশের স্বার্থে এ ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। মৎস্যখাতের উন্নয়নে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা চাষের মাধ্যমে মাছের উৎপাদন বাড়াতে দেশবাসীকে অনুপ্রাণিত করতে ১৯৭৩ সালে গণভবনের লেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন। জাতির পিতা পাট, চামড়া, চা-এর সঙ্গে মাছকেও বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্য হিসেবে উল্লেখ করেন। মৎস্য সম্পদ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের দ্বিতীয় খাত বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন তিনি। গণভবন লেকে পোনামাছ অবমুক্তকরণের সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শম রেজাউল করিম, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম।
নেতিবাচক রিপোর্ট পাওয়া অনলাইন বন্ধ করে দেওয়া হবে: তথ্যমন্ত্রী
২২,জুলাই,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, নেতিবাচক রিপোর্ট পাওয়া অনলাইনগুলোকে বন্ধ করে দেওয়া হবে। আমরা এ মাসের মধ্যেই কিছু অনলাইনকে রেজিস্ট্রেশন দেবো; যেগুলোর ব্যাপারে ইতিবাচক রিপোর্ট এসেছে। আর যেগুলোর ব্যাপারে নেতিবাচক রিপোর্ট এসেছে সেগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে। বুধবার এক ভিডিও বার্তায় এ কথা জানান তথ্যমন্ত্রী। তথ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকে ধন্যবাদ জানাই; তিনি পদত্যাগ করেছেন এ জন্য। কারণ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল; বিশেষ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্তা-ব্যক্তিদের নিয়ে। সে প্রেক্ষাপটে তার পদত্যাগকে আমি মনে করি স্বাস্থ্য অধিপ্তরকে ঢেলে সাজানোর ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।- বিডি-প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার খুরুশকুল আশ্রয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
২২,জুলাই,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজার সদরের খুরুশকুলে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের জন্য তৈরি করা হয়েছে দেশের বিশাল আশ্রয়ণ প্রকল্প। প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার ভিত্তিক আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় এ প্রকল্পে এরই মধ্যে ২০টি বহুতলভবনের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। যা বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চ্যুয়াল প্লাটফরমের মাধ্যমে গণভবন থেকে এ প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। এরই মধ্যে উদ্বোধনী উপলক্ষে আশ্রয়ণ প্রকল্পের অনুষ্ঠানস্থলে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। এমনকি নির্মিত ভবনগুলোতে পানি ও বিদ্যুতের ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রস্তুত করা হয়েছে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থাও। কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় সদর উপজেলার খুরুশকুলে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে আশ্রয়ন প্রকল্পের নির্মিত ভবনগুলোর বসতঘর উপকারভোগীদের মধ্যে বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভার্চ্যুয়াল প্লাটফরমের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে সরাসরি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। তিনি আরও বলেন, ওই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নবনির্মিত ২০টি ভবন উদ্বোধন ঘোষণা করবেন এবং ১৯ জন উপকারভোগীর মধ্যে বসতঘরের চাবি হস্তান্তর করবেন। একই সময় খুরুশকুল প্রান্তে তিনজন উপকারভোগী কর্তৃক আশ্রয়ন প্রকল্পস্থলে রোপণ করা হবে ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা। কক্সবাজার জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বিমানবন্দর সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এর মধ্যে সংলগ্ন ৬৮২ একর খাস জমি বিমানবন্দরের জন্য বরাদ্দ সহকারে খতিয়ান চূড়ান্ত করা হয়েছে। চিহ্নিত এ পরিমাণ জমিতে বর্তমানে অবৈধভাবে বসবাসরত ৪৪০৯ পরিবারের লোকজনকে পুনর্বাসন করার জন্য বাঁকখালী নদীতীরের খুরুশকুলের ২৫৩ দশমিক ৩৫ একর জমিতে তৈরি করা হচ্ছে আশ্রয়ন প্রকল্প। ২০১৫ সালে শুরু হয় প্রকল্পের ভরাটের কাজ। প্রকল্পে চারতলাবিশিষ্ট ২৪৫টি ভবন নির্মাণ করার কথা। এর মধ্যে সেনাবাহিনী ২০টি ভবন নির্মাণ করেছে। প্রতিটি ভবনে রয়েছে ৩২টি করে ইউনিট। নির্মিত এসব ভবনে আশ্রয় পাবে ৬৪০টি পরিবার। পুনর্বাসিত এলাকায় স্কুল, কলেজ, মসজিদ-মাদরাসাসহ সবই থাকবে। আশ্রয়ণের ২০টি ভবনের নাম দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী- প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার ভিত্তিক আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের আওতায় এ প্রকল্পে নির্মিত ২০টি অত্যাধুনিক ভবনের নামকরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই। কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন জানান, কক্সবাজারের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর দুর্বলতা অন্য রকম। এটিও এর একটি প্রমাণ। প্রধানমন্ত্রী নিজে ভবনের নামগুলো রেখেছেন। ভবনের নামগুলো হচ্ছে- ১) সাম্পান, ২) কোরাল, ৩) রজনীগন্ধা, ৪) গন্ধরাজ, ৫) হাসনাহেনা, ৬) কামিনী, ৭) গুলমোহর, ৮) গোলাপ, ৯) সোনালী, ১০) নীলাম্বরী, ১১) ঝিনুক, ১২) কেওড়া, ১৩) মুক্তা, ১৪) প্রবাল, ১৫) সোপান, ১৬) মনখালী, ১৭) শনখালী, ১৮) দোলনচাঁপা , ১৯) ইনানী ও ২০) বাঁকখালী।- বাংলা নিউজ
শাহেদের মামলা তদন্তের দায়িত্ব পেল Rab
২১,জুলাই,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা চিকিৎসায় প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে গ্রেফতার রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান শাহেদ করিম ওরফে মোহাম্মদ শাহেদের প্রতারণার মামলার তদন্তভার Rab কে দেয়া হয়েছে। এতদিন মামলার তদন্ত করছিল ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. শাহেদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার বিষয়ে আলোচনা করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিল Rabর প্রতিনিধি দল। মামলার বিষয়ে বৈঠক করতে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যান Rab এর গোয়েন্দা শাখার প্রধান সারওয়ার বিন কাশেম ও Rab এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম। বর্তমানে মো. শাহেদের মামলাটি তদন্ত করছে গোয়েন্দা পুলিশ। সেই মামলাটিই তদন্ত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছিল Rab। করোনা পরীক্ষার ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগে গত ৬ জুলাই উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালায় Rab। এরপর রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখা সিলগালা করে দেয়া হয়। ৭ জুলাই করোনা পরীক্ষা না করেই সার্টিফিকেট প্রদানসহ বিভিন্ন অভিযোগে রিজেন্ট হাসপাতালের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করে Rab। মামলায় রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান শাহেদ করিমকে প্রধান আসামি করে ১৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয় এজাহারে। এরপর থেকেই পালিয়ে ছিলেন শাহেদ। ১৫ জুলাই ভোরে সাতক্ষীরার সীমান্তের দেবহাটা থানার সাকড় বাজারের পাশে অবস্থিত লবঙ্গপতি এলাকা থেকে রিজেন্ট হাসপাতালের শাহেদকে গ্রেফতার করে Rab। পরে সেখানে থেকে তাৎক্ষণিক হেলিকপ্টারে করে ঢাকা নিয়ে আসা হয়। এরপরে ১৬ জুলাই শাহেদকে ১০ দিনের রিমান্ডে পাঠান আদালত।

জাতীয় পাতার আরো খবর