শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণ
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের আস্থাভাজন হিসেবে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে সরকার গঠনের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। বৃহস্পতিবার (৩ জানুয়ারি) বিকেলে বঙ্গভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে এই আমন্ত্রণ জানান রাষ্ট্রপতি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন। এর ফলে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা চতুর্থবারের মতো ও টানা তৃতীয়বার দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন। আজ বৃহস্পতিবার তিনি সর্বসম্মতিক্রমে আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের নেতা পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে বিকেল ৪টার দিকে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় রাষ্ট্রপতি তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু। রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের প্রেস অনুবিভাগ সূত্রে জানা গেছে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এটাই রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সাক্ষাৎ। আজ বেলা ১১টার কিছু সময় পর শেরেবাংলা নগরের সংসদ ভবনের পূর্ব ব্লকের প্রথম লেভেলের শপথকক্ষে শেখ হাসিনাসহ নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথবাক্য পাঠ করেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান। আজ শপথ নিয়েছেন আওয়ামী লীগ ও মহাজোটের ২৮৮ সংসদ সদস্য। এছাড়া স্বতন্ত্র আরও তিন জনপ্রতিনিধিও সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন। গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২৮৮ আসনে জয়লাভ করে। আর জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ৭ আসনে জয়ী হয়। মঙ্গলবার ২৯৮ সংসদ সদস্যের নামে গেজেট জারি করা হয়। বাকি দুটির মধ্যে গাইবান্ধা-৩ আসনে একজন প্রার্থী মারা যাওয়ায় সেখানে নির্বাচন হয়নি। এছাড়া ব্রাক্ষণবাড়িয়া-২ আসনের তিনটি কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচন করতে হবে বলে সেখানে ফল স্থগিত রয়েছে।
সেনাবাহিনী জনগণের আস্থা অর্জন করেছে নির্বাচনে: সেনাপ্রধান
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের ভোটাররা সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নিজ নিজ ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তারা ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। নির্বাচনের সময় সেনাবাহিনী দেশে শান্তি-শৃংখলা বজায়ের জন্য নিরলসভাবে কাজ করেছেন এবং তারা জনগণের আস্থা অর্জন করেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের পূর্বাচল উপশহরসংলগ্ন জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পের ভিতর ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণকাজের উদ্বোধনকালে সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ (বিএসপি, বিজিবিএম, পিজিবিএম, বিজিবিএমএস, পিএসজি,জি) এসব কথা বলেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো 'আদমজী পাবলিক স্কুল ও কলেজ, জলসিঁড়ি, জলসিঁড়ি পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ’ এবং 'বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ, জলসিঁড়ি। সেনাপ্রধান আরো বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রাথমিক ধাপের নির্মাণকাজ ২০১৯ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে। ২০২০ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে নিয়ম অনুযায়ী সামরিক বাহিনীর সদস্যের সন্তানদের পাশাপাশি বেসামরিক ব্যক্তিবর্গের সন্তানরাও পড়ালেখার সুযোগ পাবে। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং ঢাকা সেনানিবাস এলাকার বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
বঙ্গভবনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করে টানা তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রীর শপথের জন্য অপেক্ষায় থাকা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য বিকেলে বঙ্গভবনে যাচ্ছেন। বঙ্গভবনের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, আজ বিকেল ৪টায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসবেন। এর আগে আজ সকালে সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ থেকে নবনির্বাচিত সব সংসদ সদস্য শপথবাক্য পাঠ করেন। তাদের শপথবাক্য পাঠ করার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। আওয়ামী লীগ ছাড়াও এ সময় শপথ নেন ১৪ দল ও মহাজোটের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টি, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, জাসদ (ইনু), জাসদ (আম্বিয়া), তরীকত ফেডারেশন, জেপি-মঞ্জুর সংসদ সদস্যরা। দুপুর ১২টায় জাতীয় সংসদ ভবনের নবম তলায় সরকারি দলের সভাকক্ষে আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হবে। এই সভাতেই সংসদ নেতা নির্বাচিত করা হবে। সেই সংসদ নেতাই হবেন বাংলাদেশের পরবর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা টানা তৃতীয়বারের মতো সরকারের প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন, তা প্রায় অনেকটাই নির্ধারিত। নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমকে বলেন,নতুন সংসদ সদস্যরা স্পিকারের কাছে শপথ নেবেন। তারপর পার্লামেন্টারি বোর্ডের সভা হবে। তাঁরা তখন নির্বাচন করবেন দলের নেতা। তারপর দলের নেতা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে বলবেন যে, আমাদের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে সংসদে। তখন রাষ্ট্রপতিকে তিনি অনুরোধ করবেন তাঁকে প্রধানমন্ত্রী করার জন্য। তার পরেই গঠিত হবে নতুন সরকার। এ সবকিছু ৩ থেকে ৪ জানুয়ারির মধ্যে সম্পন্ন হয়ে যেতে পারে। নতুন সরকার গঠনের আগমুহূর্তে আজ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রপতি সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছেন। গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৮টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৫৭টি, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি ২২টি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি পাঁচটি, ওয়ার্কার্স পার্টি তিনটি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল দুটি, বিকল্পধারা বাংলাদেশ দুটি, গণফোরাম দুটি, জাতীয় পার্টি জেপি একটি এবং তরীকত ফেডারেশন একটি আসনে বিজয়ী হয়েছে। এ ছাড়া নির্বাচনে তিনজন স্বতন্ত্র সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এদিকে, একজন প্রার্থীর মৃত্যুতে গাইবান্ধা-৩ আসনের ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়। এ ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের তিনটি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ স্থগিত করায় ফলও স্থগিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে নির্বাচন কমিশন থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ফল গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়। এ দিকে দুপুর ১২টায় জাতীয় পার্টির ২১ সংসদ সদস্যও শপথ নিয়েছেন।
শপথ নিলেন নবনির্বাচিত সাংসদরা
অনলাইন ডেস্ক: সদ্য সমাপ্ত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নিয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় শেরেবাংলা নগরের সংসদ ভবনের পূর্ব ব্লকের প্রথম লেভেলের শপথকক্ষে এই শপথ অনুষ্ঠিত হয়। সংবিধান অনুযায়ী দশম জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান। স্পিকার নিজেও রংপুর-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এ জন্য তিনি অন্য সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানোর আগে নিজে শপথ নেন। এ সময় সেখানে উপস্থিত আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাসহ অন্য সংসদ সদস্যরা উঠে দাঁড়িয়ে করতালি দিয়ে তাঁকে অভিনন্দন জানান। সবশেষ তিনি নিজের শপথপত্রে স্বাক্ষর করেন। শপথ অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে। শপথ গ্রহণ পরিচালনা করেন জাতীয় সংসদের জ্যেষ্ঠ সচিব ড. জাফর আহমেদ খান। পরে স্পিকার সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ (তৃতীয় তফসিলের ৫ অনুচ্ছেদ) এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ৫ বিধি অনুযায়ী শপথবাক্য পাঠ করান। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ থেকে নবনির্বাচিত সব সংসদ সদস্য নিজ নিজ স্থানে দাঁড়িয়ে শপথবাক্য পাঠ করেন। শপথবাক্য পাঠ শেষে সংসদ সদস্যরা সংসদ সচিবালয়ের স্বাক্ষর খাতায় সই করেন। আওয়ামী লীগ ছাড়াও এ সময় শপথ নেন ১৪ দল ও মহাজোটের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টি, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, জাসদ (ইনু), জাসদ (আম্বিয়া), তরিকত ফেডারেশন, জেপি-মঞ্জুর সংসদ সদস্যরা। দুপুর ১২টায় জাতীয় সংসদ ভবনের নবম তলায় সরকারি দলের সভাকক্ষে আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হবে। এই সভাতেই সংসদ নেতা নির্বাচিত করা হবে। সেই সংসদ নেতাই হবেন বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা টানা তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন, তা প্রায় অনেকটাই নির্ধারিত। এদিকে দুপুর ১২টায় জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন বলে জানানো হয়েছে। তবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ বিকেল ৩টায় আলাদাভাবে শপথ নেবেন বলে তাঁর একান্ত সহকারী (এপিএস) মঞ্জুরুল ইসলাম জানিয়েছেন। শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে সংসদ ভবন এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সকাল ১০টার পর থেকেই সংসদ ভবন এলাকায় প্রবেশ করতে থাকেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। দশম সংসদের সংসদ নেতা ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা একে একে প্রবেশ করতে থাকেন সংসদ ভবনের পূর্ব ব্লকের শপথকক্ষে। গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৮টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৫৯টি, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি ২০টি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলবিএনপি পাঁচটি, ওয়ার্কার্স পার্টি তিনটি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল দুটি, বিকল্পধারা বাংলাদেশ দুটি, গণফোরাম দুটি, জাতীয় পার্টি জেপি একটি এবং তরীকত ফেডারেশন একটি আসনে বিজয়ী হয়েছে। এ ছাড়া নির্বাচনে তিনজন স্বতন্ত্র সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এদিকে, একজন প্রার্থীর মৃত্যুতে গাইবান্ধা-৩ আসনের ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়। এ ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের তিনটি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ স্থগিত করায় ফলও স্থগিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে নির্বাচন কমিশন থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ফল গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীকে বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি ও ব্যবসায়ীর শুভেচ্ছা
অনলাইন ডেস্ক: সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিপুল জয়ের সাথে ৭০ ও ৭৩ সালের নির্বাচনের তুলনা করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, এবার মানুষের মধ্যে ভোট দেওয়ার প্রবল আকাঙ্খা ছিলে। বুধবার (২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় গণভবনে ব্যবসায়ী, ব্যাংকারসহ বিভিন্ন সংগঠন সংস্থার প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানাতে এলে তাদের একথা বলেন তিনি। একটি সময় একটি সুন্দর দেশ গঠনে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। টানা তৃতীয়বার নির্বাচনে জিতে সরকার গঠন করতে যাওয়া আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানাতে ভোটের পরদিন থেকেই গণভবনে যাচ্ছেন বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। বুধবার সন্ধ্যায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান, দেশের ব্যবসায়ী, ব্যাংকারসহ বিভিন্ন সংগঠন ও সংস্থার প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন স্তরের মানুষ। শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় প্রধানমন্ত্রী সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। নির্বাচনে নৌকা মার্কাকে নিরঙ্কুশ সমর্থন দেয়ায় সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। বলেছেন, দেশের মানুষের আস্থার প্রতিদান দেবেন তিনি। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। একটাই লক্ষ আমার সামনে, নিজের জন্য কিছুই চাওয়ার নাই। বাংলাদেশের মানুষের ঘর হবে, তাদের ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া শিখবে তারা রোগের চিকিৎসা পাবে, তারা পেট ভরে খাবার খাবে, তাঁরা খাদ্য নিবাপত্তা পুষ্টি সবই পাবে। তাদের জীবনটা উন্নত হবে। সুন্দর হবে এটাই আমার চাওয়া। এর আগে, বুধবার (২ ডিসেম্বর) সকালে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান সাবেক সামরিক বেসামরিক কর্মকর্তা, উর্ধ্বতন সাবেক আমলা, রাজনীতিক ও স্কাউট শিক্ষার্থীরা। সবার সহযোগিতায় মাদক-দুর্নীতিমুক্ত অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা আরো বলেন, বাংলাদেশ হবে একটা উন্নত সমৃদ্ধ দেশ বিশ্বে আমরা মাথা উচু করে চলবো। যে দায়িত্ব পেলাম সকলের সহযোগিতা কামনা করি। দেশটাকে যেন অরো সুন্দরভাবে গড়তে পারি। বিজয়ের মাসে আমাদের বিজয় আমরা অর্জন করতে পেরেছি। তিনি আরো বলেন, অসম্প্রদায়ীক চেতনার বাংলাদেশ হবে। কোন যুদ্ধাপরাধী, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, মাদক, দুর্নীতিবাজদের এদেশে কোন স্থান হবেনা। বাংলাদেশ একটা উন্নত সমৃদ্ধ সোনার বাংলা হবে। বিশ্বে আমরা মাথা উচু করে দাঁড়াবো। টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করতে যাওয়া তাকে শুভেচ্ছা জানানোয় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে একটি সুন্দর দেশ গঠনে আবারো সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ আজ
অনলাইন ডেস্ক: সদ্য সমাপ্ত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এখন অপেক্ষা শুধু সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের। সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শেরেবাংলা নগরের সংসদ ভবনের পূর্ব ব্লকের প্রথম লেভেলের শপথকক্ষে এই শপথ অনুষ্ঠিত হবে। সংবিধান অনুযায়ী দশম জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন বলে বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে নির্বাচন কমিশন থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ফল গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়। গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৮টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৫৯টি, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি ২০টি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি পাঁচটি, ওয়ার্কার্স পার্টি তিনটি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল দুটি, বিকল্পধারা বাংলাদেশ দুটি, গণফোরাম দুটি, জাতীয় পার্টি জেপি একটি এবং তরীকত ফেডারেশন একটি আসনে বিজয়ী হয়েছে। এ ছাড়া নির্বাচনে তিনজন স্বতন্ত্র সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এদিকে, একজন প্রার্থীর মৃত্যুতে গাইবান্ধা-৩ আসনের ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়। এ ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের তিনটি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ স্থগিত করায় ফলও স্থগিত করা হয়েছে।
৯০ দিনের মধ্যে শপথ না নিলে পদ শূন্য
অনলাইন ডেস্ক: সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরুর ৯০ দিনের মধ্যে কোনো বিএনপির নির্বাচিত সদস্য শপথ না নিলে সেই আসন শূন্য হবে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি। বিএনপির নির্বাচিত এমপিরা শপথ না নিলে আইনি প্রক্রিয়া কী হবে- জানতে চাইলে হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন। এরপর ৩০ দিনের মধ্যে নতুন সংসদের অধিবেশন বসবে। তার ৯০ দিনের মধ্যে যদি কেউ শপথ না নেন বা কোনো প্রকাশ রেসপন্স না করেন, তখন সংসদ সচিবালয় থেকেই এই পদটি শূন্য ঘোষণা করা হবে। প্রসঙ্গত, গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ (নৌকা) ২৫৯, জাতীয় পার্টি (লাঙ্গল) ২০, বিএনপি (ধানের শীষ) ৫, গণফোরাম ২, বিকল্পধারা বাংলাদেশ ২, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) ২, বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি ৩, তরিকত ফেডারেশন ১, জাতীয় পার্টি (জেপি) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৩টি আসনে জয় লাভ করেছেন।
নিরঙ্কুশ জয় লাভ করায় শেখ হাসিনাকে সোনিয়া গান্ধীর অভিনন্দন
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ জয় লাভ করায় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের কংগ্রেস পার্লামেন্টারি পার্টির চেয়ারপারসন সোনিয়া গান্ধী। খবর ইউএনবির প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহ্সানুল করিম জানান, আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ জয় লাভ করায় সোনিয়া গান্ধী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বুধবার এক অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন। সোনিয়া গান্ধী অভিনন্দন বার্তায় প্রধানমন্ত্রীর সাফল্য কামনা করেন এবং বাংলাদেশের জনগণের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
নতুন এমপিদের গেজেট প্রকাশ, শপথ বৃহস্পতিবার
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ২৯৮ প্রার্থীর গেজেট প্রকাশ হয়েছে। নির্বাচনের একদিন পরই মঙ্গলবার এই গেজেটে সই করেছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। আজ বুধবার সকালে ইসির যুগ্ম সচিব এস এম আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ইসি সচিবের সই করা ২৯৮ নির্বাচিত প্রার্থীর গেজেট ছাপানোর কাজ চলছে সরকারি মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান বিজি প্রেসে। রাতের মধ্যেই গেজেট ছাপানোর কাজ শেষ হবে। গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে নবনির্বাচিতদের শপথ নেওয়ার বিধান থাকলেও কাল বৃহস্পতিবার শপথ অনুষ্ঠিত হবে বলে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু জানিয়েছেন। এর আগে, ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ২৯৯ আসনে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে তিনটি ভোটকেন্দ্রের ফল স্থগিত করায় ওই আসনের ফল স্থগিত রেখে বাকি ২৯৮ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয় নির্বাচন কমিশন থেকে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার স্থগিত তিন কেন্দ্রে আগামী ৯ জানুয়ারি পুনঃভোট হওয়ার পর ওই আসনে বিজয়ীর নাম জানা যাবে। এর আগে, ইসির যুগ্মসচিব ফরহাদ আহম্মদ খান বলেছিলেন, নির্বাচিতদের গেজেট প্রকাশের সব প্রস্তুতি চলছে। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। গেজেট প্রকাশের পর শপথের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্পিকারের কাছে তা পাঠাবে ইসি সচিবালয়। বিধি অনুযায়ী, সংসদ নির্বাচনের ফল গেজেট আকারে প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে শপথের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এরপর ৩০ দিনের মধ্যে অধিবেশন ডাকতে হবে। তবে, ভোটের কত দিন পর গেজেট হবে, সে বিষয়ে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। সংবিধান অনুযায়ী, সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরুর ৯০ দিনের মধ্যে স্পিকারকে অবহিত না করলে বা শপথ না নিলে সদস্য পদ খারিজ হবে। আলোকিত বাংলাদেশ

জাতীয় পাতার আরো খবর