সাহেদের মামলার দ্রুত চার্জশিট দেয়া হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
১৯,জুলাই,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদের নতুন মামলার শিগগিরই চার্জশিট দেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা সবগুলো মামলা ও তার সহযোগিদের বিষয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে প্রেস ইনস্টিটিউট (পিআইবি) অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সাংবাদিকদের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা জানান। করোনা পরিস্থিতিতে সাংবাদিকদের সহায়তার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুত বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের চেক বিতরণ উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সাহেদের ঘটনায় পুলিশের যা যা করনীয় তাই করে যাচ্ছে। কিছু মামলায় তার জামিন নেওয়া আছে। তবে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা সবগুলো মামলা খতিয়ে দেখা হবে। একইসঙ্গে তিনি এত মামলা নিয়ে কীভাবে ঘুরে বেরিয়েছেন তারও তদন্ত চলছে। সাহেদকে এসব মামলায় অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে। কাউকে কোনোভাবে ছাড় দেওয়া হবে না। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, করোনা টেস্টের নামে সাহেদ জঘন্য অপরাধ করেছেন। তার জন্য দেশের ভাবমূর্তিও ক্ষুন্ন হয়েছে। এ কারণে তদন্ত করে তাকে ধরা হয়েছে। তার প্রতারণার সব জাল ছিন্ন করা হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, সাহেদ প্রসঙ্গে আজ অনেকেরই মনেই প্রশ্ন আসছে এই সমস্ত ভূয়া লোক কীভাবে সরকারের কাছ থেকে স্বীকৃতি পায়। সেটাও আমরা খতিয়ে দেখছি। যদিও আপনাদের অনেকের মনেই সন্দেহ আছে, সেগুলো আমরা খুব সিরিয়াসলি নিয়েছি। তিনি বলেন, &কারা কারা তার সঙ্গে জড়িত ছিল, কার সহযোগিতায় এ জায়গাটিতে তিনি এসেছেন সবগুলোই আমরা তদন্ত করছি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যা যা করা দরকার তার সবগুলোই করেছেন বলেও জানান তিনি। মন্ত্রী আরো বলেন, করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকেই দেশের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আজ সাংবাদিকদের মধ্যে কল্যাণ ট্রাস্টের চেক বিতরণ করা হয়েছে, অনুরূপভাবে সেটিও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাফর ওয়াজেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি মোল্লা জালাল, মহাসচিব শাবান মাহমুদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু প্রমূখ।
আইইউসিএন- এর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রার্থীকে সমর্থন দেবে বাংলাদেশ
১৯,জুলাই,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচার (আইইউসিএন) এর আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে সমর্থন দেবে বাংলাদেশ। আইইউসিএন-এর প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজন খলিফা আল মোবারক আজ বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে টেলিফোন করলে প্রধানমন্ত্রী এই সম্মতি প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম আজ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, আইইউসিএন-এর প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজন খলিফা আল মোবারক আজ বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে টেলিফোন করেন এবং আইইউসিএন-এর প্রেসিডেন্ট পদে বাংলাদেশের সমর্থন প্রার্থনা করেন। প্রেস সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আসন্ন ১৩-১৪ জানুয়ারি, ২০২১ তারিখে ফ্রান্সে অনুষ্ঠেয় ওয়ার্ল্ড কনজারভেশন কংগ্রেসে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের এ প্রার্থীর পক্ষে তাঁর সমর্থন ব্যক্ত করেন।
সাহেদের বিরুদ্ধে প্রতারণার ১৪০ অভিযোগ
১৯,জুলাই,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত ১৪০টি অভিযোগ জমা পড়েছে। সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে Rab এর আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ এ তথ্য জানান। আজ রোববার সংবাদ সম্মেলনে আশিক বিল্লাহ জানান, Rab এর হটলাইন নম্বরে ১২০ ও ইমেইলে ২০ টি অভিযোগ এসেছে। Rab বলছে অভিযোগের মধ্যে আছে, সরকারি চাকরি ও বদলির কথা বলে টাকা আদায়, বালু ভরাট, রড, সিমেন্ট, বিটুমিন সরবরাহকারীকে টাকা না দেওয়া, ব্যাংক থেকে ঋণ সংক্রান্ত অভিযোগ, রিকশাভ্যানের ভুয়া সনদ, হাসপাতালে অতিরিক্ত অর্থ আদায়। অভিযোগকারীদের অনেকেই প্রবাসী। রিজেন্টের কর্মীদের অনেকে বেতন না পাওয়ারও অভিযোগ করেছেন। Rab এর হটলাইন আরও দুই থেকে তিন দিন চালু থাকবে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে Rab ভুক্তভোগীদের আইনি সহায়তা দেবে।
এবার ঈদে পরিবহন খাতেও নেই বাড়তি প্রস্তুতি
১৯,জুলাই,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন ঈদুল আজহায় বাস মালিক-শ্রমিকদের বাড়তি প্রস্তুতি নেই। নেই অগ্রিম টিকিট বিক্রির আয়োজন। ঈদযাত্রায় যোগ হবে না বাড়তি বাস। করোনা ভাইরাস সবকিছু পাল্টে দিয়েছে। পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, করোনাকালে ঈদে শেকড়ের টানে বাড়ি ফিরতে মানুষের আগ্রহ কম। তাই বাস মালিক ও শ্রমিকদের বাড়তি প্রস্তুতিও নেই। যেভাবে ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে বাস চলছে, ঈদেও সেভাবেই চলবে। জানা গেছে, দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ায় গত ২৪ মার্চ সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে পরিবহন যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়। সোয়া দুই মাসের ছুটি শেষে গত ১ জুন শর্ত সাপেক্ষে গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি দেয় সরকার। সেই শর্ত মোতাবেক স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে বাস চলাচল করতে পারবে। অবশ্য তখন ৬০ শতাংশ ভাড়াও বাড়ানো হয়। তবে গত ১ জুন থেকে এখন পর্যন্ত সেভাবেই চললেও ৫০ শতাংশ যাত্রীও মিলছে না বাসে। পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদে অগ্রিম টিকিটের কোনো চাহিদাও নেই। তাই ঈদ কেন্দ্রিক কোনো প্রস্তুতিও নেই তাদের। ফলে এবারের ঈদ যাত্রায় মহাসড়কে থাকবে না চিরচেনা যানজট। অনায়াসেই মহাসড়কে চলাচল করতে পারবে যানবাহনগুলো। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহ বলেন, এ বছর ঈদে অগ্রিম টিকিটের কোনো চাহিদা নেই। তাই অগ্রিম টিকিট বিক্রির সম্ভাবনাও নেই। তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে যেহেতু বাড়ি যেতে মানুষের আগ্রহ কম। তাই এবার ঈদুল আজহায় আমাদের কোনো ব্যস্ততাও নেই। পরিবহন খাতে প্রস্তুতিও নেই।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডজনখানেক কর্মকর্তাকে তলব করবে দুদক
১৯,জুলাই,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রিজেন্টকাণ্ডে চলতি সপ্তাহের যে কোন দিন দুদকে তলব করা হবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ ডজনখানেক কর্মকর্তাকে। সম্প্রতি রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক শাহেদ করিমের অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। মাস্ক, পিপিইসহ সুরক্ষা সামগ্রী কেনাকাটায় কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়েও তদন্ত চলছে। হাসপাতালে যন্ত্রপাতি কেনাকাটায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পুরানো দুর্নীতির থমকে যাওয়া অনুসন্ধানও আবার নতুন করে সামনে আসে। দুদক সূত্র বলছে, তদন্তের স্বার্থেই তাদের তলব করা হবে। এছাড়া, বিভিন্ন বিষয়ে গত ৫ বছরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে বিভিন্ন নথি তলব করা হয়, যার মধ্যে অনেক তথ্যই দুদককে সরবরাহ করেনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তদন্তের স্বার্থে সেসব প্রয়োজনীয় নথির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে তলব করা হতে পারে। জিজ্ঞাসাবাদে আরো কোন ব্যক্তির সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদেরও তলব করা হবে বলে জানায় দুদক।
উন্নয়নে বাধা দিলে কঠোরভাবে দমন করা হবে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী
১৯,জুলাই,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দুর্নীতি ও জনগণের সম্পদ লুণ্ঠনকারীরা বর্তমান সরকারের সফলতা মেনে নিতে পারছেনা বলে মন্তব্য করেছেন নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, আমাদের দেশের অগ্রগতি হোক, এটা অনেকের পছন্দ না। যারা বাংলাদেশের জনগণের অর্থ সম্পদ লুণ্ঠন করে, যারা জনগণকে দুঃসহ জীবনের মধ্যে ঠেলে দিয়ে নিজেদের আখের গুছিয়েছে। তাদের কাছে অাওয়ামী লীগ সরকারের সঠিক পদক্ষেপগুলো পছন্দের না। দেশের উন্নয়নে বাধা প্রদান করা হলে দেশ বিরোধীদের কঠোরভাবে দমন করা হবে। শনিবার(১৮ জুলাই) দিনাজপুরের বোচাগঞ্জে এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নৌ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানানো হয়৷ তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি গতিশীল হচ্ছে, এটা অনেকেরই পছন্দ হয় না। অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে যাক, বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তারা লাভবান হয় ৷ নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, অনেকে বলেছেন সারাদেশে লকডাউন দিয়ে দিতে। লকডাউন করে দিলে বাংলাদেশের অর্থনীতি কোথায় যাবে! বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ। মিলেনিয়াম গোল আমরা সময়ের আগে অর্জন করেছি। এসডিজি ২০৩০ সালে নির্ধারণ করা আছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন তিন-চার বছর আগেই আমরা এসডিজি অর্জন করতে পারবো। আমাদের পরবর্তী লক্ষ্য- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ২০৪১ সালে আমরা উন্নত দেশ হবো। অনেকে বলেন, হাসপাতালের বেড ফাঁকা; কারণটা কী এর কারণ সরকার জনগণের কাছে সঠিকভাবে করোনা সম্পর্কে উপস্থাপন করতে পেরেছে। ফলে জনগণ সচেতন হয়েছে। জনগণ সেভাবে পদক্ষেপ নিয়েছে। তাদের অনেকেই বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। খালিদ মাহমুদ চৌধরী বলেন, করোনায় ইউরোপ আমেরিকায়ও হাজার হাজার মানুষ মারা গেছে। পৃথিবীর স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে যারা সব সময় গর্ব, সেই ইতালির প্রধানমন্ত্রী সৃষ্টিকর্তার দিকে তাকিয়ে অসহায় আর্তনাদ করেছেন। আমরা দেখেছি কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে চোখের পানি ফেলতে। তারাতো উন্নত দেশ। তাদেরতো উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা আছে। গবেষণা আছে। গবেষণার জন্য বিলিয়ন ডলার তারা বিনিয়োগ করে। আমরা ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দেখেছি, গত দুই তিন মাসে কত ধরনের পদক্ষেপ নিলেন, কত পদক্ষেপ থেকে সরে আসলেন। এর মধ্য দিয়ে বোঝা যায় আমেরিকার প্রশাসন পর্যন্তÍ বিভ্রান্তির মধ্যে রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে একদিনের জন্যও কোনো বিভ্রান্তির মধ্যে কেউ দেখে নাই। তিনি বাংলাদেশের জনগণের কথা চিন্তা করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাহসিকতার সঙ্গে জনগণকে রক্ষা করার পদক্ষেপ নিচ্ছেন। প্রতিমন্ত্রী বোচাগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা কমপ্লেক্সের সম্প্রসারিত প্রশাসনিক ভবন ও হলরুমের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, আধুনিক মানের রাস্তা প্রশস্তকরণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, গোপেন সাহার হাটে দ্বিতল গ্রামীণ বাজার ভবন (চার-তলা ভিত বিশিষ্ট) নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং এডিপি প্রকল্পের আওতায় হুইল চেয়ার, ভ্যানগাড়ি ও বাইসাইকেল, সেলাই মেশিন বিতরণ এবং বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাঝে অর্থ বিতরণ করেন। এসময় বোচাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ছন্দা পাল, সেতাবগঞ্জ পৌরসভার মেয়র এম আব্দুস সবুর, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু সৈয়দ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আফছার আলী, দিনাজপুর এলজিআরডি নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম জাকিউর রহমান, বোচাগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। পরে বোচাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।
এসপির বিরুদ্ধে পরিচ্ছন্নকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগ
১৮,জুলাই,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: টাকা চুরির অপবাদ দিয়ে এক পরিচ্ছন্নকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে টাঙ্গাইল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের পুলিশ সুপার (এসপি) আব্দুর রহিম শাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে। থানা হাজতে আটক রেখে ওই পরিচ্ছন্নকর্মীকে তিনদিন ধরে নির্যাতন চালিয়ে তার কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা নিয়েছেন ওই পুলিশ সুপার। পুলিশ সদর দফতরে এমন অভিযোগ দেওয়ার পর থেকে এসপি আব্দুর রহিম বিভিন্নভাবে ভুক্তভোগীকে হুমকি দিয়ে আসছেন বলে জানিয়েছেন পরিচ্ছন্নকর্মী ফরিদ মিয়া। শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনে (ক্র্যাব) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ জানান ভুক্তভোগী ওই পরিচ্ছন্নকর্মী। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত ১৩ মার্চ সকাল সাড়ে ১০টায় এসপি আব্দুর রহমান স্যারের বাংলোতে কাজ শুরু করি। বেলা ১টার দিকে কাজ শেষ করে আমি ফিরে যাই। ওই দিন বিকেল ৪টার দিকে এসপি স্যারের অর্ডারে সাহেব আলী আমাকে জরুরি ভিত্তিতে এসপি স্যারের বাংলোতে যেতে বলেন। কিছুক্ষণ পর একই নম্বর থেকে এসপি স্যারও আমাকে কল করেন এবং বাংলোতে যেতে বলেন। তিনি বলেন, আমি বাংলোতে পৌঁছালে এসপি স্যার বাংলোর দ্বিতীয় তলার পূর্ব পাশের একটি রুমে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। পরে আমাকে বলেন, তুই এই কাজ কতদিন ধরে করিস? আমি অবাক হয়ে বলি, কোন কাজ স্যার? এরপরই স্যার আমাকে মারধর শুরু করেন। তারপর তিনি বলেন, বাসা থেকে এক লাখ টাকা চুরি হয়েছে। এই টাকা তুই নিয়েছিস। আমি বিষয়টি অস্বীকার করলে তিনি আমাকে আরও মারধর করেন। পরিচ্ছন্নকর্মী ফরিদ মিয়া বলেন, এরপর তিনি থানায় খবর দিলে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আবুল বাশার মোল্লা আসেন। তিনি ওই বাংলোর ভেতরেই জেরা করতে থাকনে এবং মারধর করেন। পরে এসআই আবুল বাশার মোল্লা এবং আরেকজন পুলিশ সদস্য আমাকে একটি অটোরিকশায় করে মির্জাপুর থানায় নিয়ে যান। থানায় নিয়ে আমাকে চোখ এবং হাত পিছনে বেঁধে অমানুষিক নির্যাতন করেন ওই এসআই। মারতে মারতে এসআই বাশার বলছিলেন, তুমি খারাপভাবে ফেঁসে গেছো, তুমি টাকা নাও আর না নাও, এক লাখ টাকা তোমাকেই দিতে হবে। এরপরও আমাকে মারধর চালিয়ে যান ওই এসআই। এক লাখ টাকা না দিলে আমাকে মেরে ফেলার কথাও বলেন তিনি। পরবর্তীতে আমার স্বজনরা খবর পেয়ে থানায় গেলে তাদের নির্যাতনের বিষয়ে জানাই। পরে তাদের টাকা যোগার করতে বলি। একদিন পরও টাকা যোগার না হলে পরদিনও আমাকে মারধর করেন এবং প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন ওই এসআই। ফরিদ মিয়া আরও বলেন, এভাবে তিনদিন যাবত থানা হাজতে রাখার পর ১৫ মার্চ বিকাল ৫টায় এসআই বাশার একটি অটোরিকশায় করে আমাকে থানা থেকে পিটিসি টাঙ্গাইলের ট্রেনিং একাডেমিতে এসপি আব্দুর রহিম স্যারের রুমে নিয়ে যান। সেখানে আমার মামা আনোয়ার হোসেন, ভাবী রেখা বেগম, বউ মুক্তা, বাবা ইসমাইল হোসেন উপস্থিত থেকে ৭০ হাজার টাকা এসআই বাশারের উপস্থিতিতে এসপি স্যারের হাতে দেন। তারপর আমাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এসপির বাংলো থেকে টাকা চুরির সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা নেই দাবি করে ফরিদ মিয়া বলেন, আমি চুরি করিনি। আমার কাছ থেকে জোরপূর্বক ৭০ হাজার টাকা নিয়েছেন। এসপি স্যার ক্ষমতার জোরে এসব করেছেন। আমি পুলিশ সদর দফতরে অভিযোগ করেছি। এরপর থেকে এসপি স্যার ও এসআই বাশারের লোকজন আমাকে নানাভাবে হুমকি দিচ্ছেন। মাদক দিয়ে ফাঁসিয়ে দেয়ার কথাও বলছেন তারা। আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি ন্যায়বিচার চাই।- বাংলা নিউজ
হাসপাতালে রোগীদের আস্থা ফিরিয়ে আনার আহ্বান কাদেরের
১৮,জুলাই,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাস সংকটে হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসার যথাযথ পরিবেশ তৈরি করে রোগীদের আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আসন্ন ঈদে জনসমাগম যেকোনো মূল্যে এড়িয়ে চলারও আহ্বান জানান তিনি। শনিবার (১৮ জুলাই) সংসদ ভবন এলাকায় তার সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি এ আহ্বান জানান। ওবায়দুল কাদের বলেন, করোনা ভাইরাস সংক্রমণের লাগাম টেনে না ধরতে পারলে সংক্রমণ উচ্চ মাত্রায় পৌঁছে যাবে বলে বিশেষজ্ঞরা আভাস দিয়েছেন৷ আসন্ন ঈদে জনসমাগম যেকোনো মূল্যে এড়িয়ে চলতে হবে। গণপরিবহন চলাচল অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার কিন্তু স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদ যাত্রায় সবাইকে নিজের সুরক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। পশুরহাট, লঞ্চ, বাস, রেলস্টেশন, ফেরিঘাট, শপিংমলসহ বিভিন্ন জায়গায় সামাজিক দূরত্ব মানার সর্বোচ্চ চেষ্টা করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সবাইকে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। ওবায়দুল কাদের বলেন, করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধ ও চিকিৎসা অব্যাহত রাখতে আক্রান্তদের পাশে থেকে যারা দিনরাত সেবা দিয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন, তাদের আত্মার শান্তি কামনা করছি৷ যারা সম্মুখসারিতে কাজ করছেন জাতির পক্ষ থেকে তাদের কৃতজ্ঞতা জানাই। দেশ ও জাতি আপনাদের এ ত্যাগ চিরদিন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে, আপনারা অন্যদের বেঁচে থাকার প্রেরণা। শুদ্ধি অভিযান নিয়ে বিএনপি নেতাদের সমালোচনা প্রসঙ্গে সেতুমন্ত্রী বলেন, যারা দুর্নীতিতে বাংলাদেশকে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন করেছিল তাদের মুখে বর্তমান সরকারের চলমান শুদ্ধি অভিযানকে নাটক বলে পরিহাস করা মানায় না। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের শুরু থেকেই একটি মহল সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করাকেই দেশ ও জনগণের প্রতি তাদের দায়িত্ব পালনের ব্রত করে নিয়েছে। তারা দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সরকারের চলমান অভিযানকে সমর্থন ও সহযোগিতা না দিয়ে বরং অন্ধ সমালোচনা করছে। সরকার অনিয়মকারীদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে, এমন অভিযোগ প্রত্যাখান করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির আমলে দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছিল, দেশ ছিল দুর্নীতিবাজদের অভয়ারণ্য। এদেশের রাজনীতিতে সততার প্রতীক বঙ্গবন্ধুর পরিবার। তাই সরকার ও শেখ হাসিনার অর্জন গুটিকয়েক ব্যক্তির লোভের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হতে হতে পারে না। তাছাড়া, এসময় তিনি অসহায় বন্যার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান৷

জাতীয় পাতার আরো খবর