সংসদ নির্বাচনে এমপি প্রার্থী হতে চাইলে ছাড়তে হবে স্থানীয় সরকারের শীর্ষ পদ
অনলাইন ডেস্ক: সিটি করপোরেশন মেয়র, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি প্রার্থী হতে চাইলে তাদের পদ ছেড়ে নির্বাচন করতে হবে। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ এই জনপ্রতিনিধিরা স্বপদে থেকে সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। শিগগিরই এ সংক্রান্ত বিশেষ পরিপত্র জারি করা হবে বলে জানিয়েছেন ইসি কর্মকর্তারা। শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত ৪০তম কমিশন সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। ১৯ নভেম্বর বিএনপির পক্ষ থেকেও প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে এ সংক্রান্ত বিষয়ে নির্দেশনা জারির অনুরোধ করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এজন্য বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে কমিশন। জানতে চাইলে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন,শনিবার কমিশন সভায় সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা হয়েছে। রোববার এ বিষয়ে আইনের ব্যাখ্যাগুলো তুলে ধরে বিস্তারিত জানাবো। নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম জানান, রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে সার্বিক বিষয়ে ইসি আইনি ব্যাখ্যাগুলো তুলে ধরবে। তারা মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে তা মেনে সিদ্ধান্ত দেবে। এরপরও কোনো বিষয়ে আপিল হলে তা নির্বাচন কমিশনে আসবে। কমিশন এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে। নির্বাচন পরিচালনা শাখার কর্মকর্তারা জানান, আদালতের পর্যবেক্ষণে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদকে লাভজনক হিসেবে বলা হয়েছে। এজন্য স্বপদে বহাল থেকে সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ নেই। একইসঙ্গে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি পৌরসভা ও ইউপি চেয়ারম্যানের বিষয়েও একই ধরনের নির্দেশনা থাকবে ইসির। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ১২ অনুচ্ছেদের প্রার্থীর অযোগ্যতায় বলা হয়েছে- (গ) প্রজাতন্ত্রের বা কোন সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের কোন লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকলে তিনি প্রার্থী হতে পরবেন না। উল্লেখ্য যে লাভজনক পদ (office of profit)) অর্থ প্রজাতন্ত্র কিংবা সরকারি সংবিধিবদ্ধ কর্তৃপক্ষ কিংবা সরকারের ৫০% এর অধিক অংশীদারিত্ব সম্পন্ন কোম্পানিতে সার্বক্ষণিকভাবে নিয়োজিত কোন পদ বা অবস্থান। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ৩০ ডিসেম্বর ভোট হবে। এর আগে ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা, ২ ডিসেম্বর বাছাই ও ৯ ডিসেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় রয়েছে।
আওয়ামী লীগের এখন পর্যন্ত যাঁরা মনোনয়ন চিঠি পেয়েছেন
অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রাপ্তদের মধ্যে চিঠি দেওয়া শুরু হয়েছে। আজ রোববার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউর কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মনোনয়নের চিঠি তুলে দেওয়া হচ্ছে। এখন পর্যন্ত যাঁরা চিঠি পেয়েছেন তাঁরা হলেন গোপালগঞ্জ-৩ ও রংপুর-৬ আসনে শেখ হাসিনা, নোয়াখালী-৫ ওবায়দুল কাদের, নড়াইল-২ মাশরাফি বিন মুর্তজা, ঢাকা-২ অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, ঢাকা-৩ নসরুল হামিদ বিপু, ঢাকা-১০ শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা-১২ আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, ঢাকা-১৩ সাদেক খান, ঢাকা-১৪ আসলামুল হক, গাজীপুর-৩ ইকবাল হোসেন সবুজ, গাজীপুর-৪ সিমিন হোসেন রিমি, গোপালগঞ্জ-২ শেখ সেলিম, পিরোজপুর-১ শ ম রেজাউল করিম, শরীয়তপুর-২ এনামুল হক শামীম, দিনাজপুর-১ মনোরঞ্জন শীল গোপাল, দিনাজপুর-২ খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, ময়মনসিংহ-১০ ফাহমি গোলন্দাজ বাবেল, কুষ্টিয়া-৩ মাহবুবউল আলম হানিফ, চাঁদপুর-৩ ডা. দীপু মনি, বাগেরহাট-১ শেখ হেলাল, মাদারীপুর-২ শাজাহান খান, মাদারীপুর-৩ আবদুস সোবহান গোলাপ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ বি এম ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আনিসুল হক, মুন্সীগঞ্জ-৩ মৃণাল কান্তি দাস, ভোলা-৩ নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন, মাগুরা-১ সাইফুজ্জামান শিখর, টাঙ্গাইল-১ আবদুর রাজ্জাক, সিরাজগঞ্জ-১ মোহাম্মদ নাসিম, নারায়ণগঞ্জ-১ গোলাম গাজী দস্তগীর, খুলনা-২ শেখ জুয়েল, খুলনা-৫ নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, কুমিল্লা-১১ মুজিবুল হক, যশোর-১ শেখ আফিলউদ্দিন, চট্টগ্রাম-৯ মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, চট্টগ্রাম-১২ সামশুল হক চৌধুরী, ফেনী-২ নিজামউদ্দিন হাজারী, রাজশাহী-৪ এনামুল হক, নাটোর-৪ মো. আবদুল কুদ্দুস, পঞ্চগড়-২ মো. নুরুল ইসলাম সুজন, সিলেট-৩ মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী ও ফরিদপুর-৪ কাজী জাফর উল্যাহ। এদিকে আজ সকাল থেকেই দলীয় কার্যালয়ে মনোনয়নপ্রত্যাশী ও তাঁদের কর্মী-সমর্থকদের ভিড় রয়েছে। মনোনয়নের চিঠি নিয়ে বেরিয়ে এসে অনেকে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তাঁদের কর্মী-সমর্থকদের স্লোগানে স্লোগানে মুখর বঙ্গবন্ধু এভিনিউ।
বিনা কারণে কাউকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না :সিইসি
অনলাইন ডেস্ক :আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা। পুলিশ ইসির নির্দেশে কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, বিনা কারণে কাউকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না। শনিবার ২৪ নভেম্বর সকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের ব্রিফিং শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন সিইসি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন ভবনে সকাল সাড়ে দশটায় শুরু হয় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের সঙ্গে নির্বাচনের আচরণবিধি নিয়ে কমিশনের ব্রিফিং। তিন ধাপের প্রথম ধাপে আজ ব্রিফিং এ অংশ নিয়েছেন, ঢাকা ও ময়মানসিংহ বিভাগের পাশাপাশি কুমিল্লা জেলার ২'শ ২২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্য চার কমিশনার ও ইসি সচিব এসময় উপস্থিত ছিলেন। সিইসি তার ব্রিফিংয়ে সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে প্রিজাইডিং অফিসার ও সহকারি প্রিজাইডিং অফিসারদের সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন।
আগামী মঙ্গলবার ঢাকা আসবেন ইইউর বিশেষজ্ঞ দল
অনলাইন ডেস্ক :একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দুই সদস্যবিশিষ্ট একটি বিশেষজ্ঞ দল ঢাকা আসছে। কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, আগামী মঙ্গলবার তারা ঢাকা আসবেন। প্রতিনিধিদলের সদস্যরা প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা এবং প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। তাছাড়া পুলিশ মহাপরিদর্শক মোহাম্মাদ জাভেদ পাটোয়ারী, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং জ্যেষ্ঠ রাজনীতিকদের সঙ্গে তারা বৈঠক করবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। জানা গেছে, এবারের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে কোনো পর্যবেক্ষক আসছেন না। বরং এই দুই বিশেষজ্ঞই ব্রাসেলসে ইইউর সদর দপ্তরে তাদের রিপোর্ট জমা দেবেন। এ বিষয়ে সরকারের একজন কর্মকর্তা বলেন, তাদের এই সফরটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তাদের দেওয়া রিপোর্ট বাংলাদেশের সঙ্গে ইইউর ভবিষ্যৎ সম্পর্কের ওপরে কিছুটা হলেও প্রভাব রাখবে। সরকারের এই কর্মকর্তা আরো জানান, এই বিশেষজ্ঞরা জাতীয় নির্বাচনে নাক গলাবেন না এবং তারা জনসমক্ষে কোনো মন্তব্য করা থেকেও বিরত থাকবেন বলে আমাদের জানানো হয়েছে। ইইউ দলটি আগামী জানুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে থাকবে। এদিকে, নির্বাচন উপলক্ষে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা তাদের পর্যবেক্ষক পাঠানোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এ ছাড়া কয়েকটি দেশের দূতাবাস পর্যবেক্ষক হিসেবে তাদেরকে নিবন্ধনের জন্য নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এ পর্যন্ত কমনওয়েলথ, সার্ক এবং পশ্চিমা কয়েকটি দেশ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। সম্প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী ঢাকার কূটনীতিকদের পর্যবেক্ষক নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পর্কে অবহিত করেন। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক নীতিমালায় বলা হয়েছে, তারা কমিশনে ই-মেইল বা ফ্যাক্সের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবে। এ ছাড়া ঢাকার দূতাবাসগুলো ইমেইল, ফ্যাক্স বা সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবে। পর্যবেক্ষকদেরকে তিন সপ্তাহ থেকে দুই মাসের জন্য টুরিস্ট ভিসা প্রদান করা হবে।
দোষীদের বিচার হয়নি:তাজরীন ট্র্যাজেডি
অনলাইন ডেস্ক :সাড়ে তিন বছর আগে চার্জ (অভিযোগ) গঠন করা হলেও অদ্যাবধি শেষ হয়নি তাজরীন ফ্যাশনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১১২ শ্রমিকের প্রাণহানির মামলার বিচার। আদালতে সাক্ষী হাজির না হওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। আসামিপক্ষের লোকজনের হুমকি ও আর্থিক প্রলোভনের কারণে সাক্ষীরা আদালতে হাজির হচ্ছেন না বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের। চার্জ গঠনের পর থেকে এ দীর্ঘ সময়ে ১০৪ সাক্ষীর মধ্যে মাত্র ৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। আর ৭ জনের মধ্যে ২ জনই মালিকের অনুকূলে সাক্ষ্য দিয়েছেন। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে দায়ীদের বিচার হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছে, মালিকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে অনেক শ্রমিকই অনীহা প্রকাশ করেছে। পুলিশ আদালতে সাক্ষী হাজির করতে পারছে না। তবে সাক্ষ্য গ্রহণ ত্বরান্বিত করতে রাষ্ট্রপক্ষের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
তরুণদের স্বপ্নের কথা শুনলেন প্রধানমন্ত্রী, শোনালেনও
অনলাইন ডেস্ক :ভবিষ্যৎ স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে তরুণদের বিভিন্ন উদ্যোগ, পরামর্শ ও চাওয়া-পাওয়ার কথা শুনলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুক্রবার রাজধানীর একটি মিলনায়তনে সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) আয়োজিত ‘লেটস টক উইথ শেখ হাসিনা’ অনুষ্ঠানে তরুণদের মুখোমুখি হন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে বর্তমান প্রজন্মের সঙ্গে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়ে তোলার স্বপ্ন ও পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন শেখ হাসিনা। সেই সঙ্গে দেশ গঠনে তরুণদের পরিকল্পনা ও পরামর্শের কথা শোনেন। ‘ভবিষ্যতে কেমন বাংলাদেশ দেখতে চায় তরুণরা অথবা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হলে কোন কোন সমস্যার সমাধান করবে তারা’- এমন অনেক বিষয়ে আলোচনা হয় এ লেটস টক-এ। সারাদেশ থেকে আসা ১৫০ অংশগ্রহণকারী তরুণের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন নীতি নির্ধারণী বিষয়ে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। বিভিন্ন পেশাজীবী, চাকরিজীবী, উদ্যোক্তা, শিক্ষার্থী, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত এবং দেশ গঠনে উদ্যমী তরুণ প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন এ আয়োজনে। সেখানে বাংলাদেশের ইতিহাসে ‘প্রথমবারের মতো’ প্রধানমন্ত্রী তরুণদের মুখোমুখি হয়ে তাদের বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর দেন। তরুণদেরও বেশ কিছু প্রশ্ন করেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সঙ্গে বর্তমান প্রজন্মের অনুপ্রেরণা প্রধানমন্ত্রী তার কৈশোর ও তারুণ্যের সময়ে ঘটে যাওয়া অজানা অনেক তথ্য তুলে ধরেন অংশগ্রহণকারীদের কাছে। এ ছাড়াও ব্যস্ততার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত জীবন, নিজস্ব চিন্তা-ভাবনা নিয়েও তরুণদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। একটি রাজনৈতিক পরিবারে বড় হওয়া শেখ হাসিনার কৈশোর এবং তারুণ্য কি অন্যদের চেয়ে আলাদা ছিল? কি রকম দুরন্ত সময় পার করেছেন তিনি? এমন অনেক প্রশ্নেরই উত্তর মেলে এখানে। এ ছাড়াও কৈশোর ও তারুণ্যে রাজনীতিতে যোগদান, স্কুলের ক্লাস ফাঁকি দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনে যোগদান, মুক্তিযুদ্ধকালে তার অবরুদ্ধ জীবন, ৭৫ সালে দেশের বাহিরে তার পরিবারের কঠিন জীবনযাপন, ১৯৮০ সালে লন্ডনে যাওয়া, রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তনের অনুপ্রেরণা, দেশের মানুষের কাছে ফিরে আসা এমন আরও অনেক বিষয়ে অজানা তথ্য তরুণদের জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তরুণদের কাছ থেকে আসা এমন আরও সব আকর্ষণীয় প্রশ্ন ও তার উত্তর নিয়ে অপেক্ষা করছে ‘লেটস টক উইথ শেখ হাসিনা’। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় তা প্রচার হবে বিভিন্ন গণমাধ্যমে। তরুণরা যাতে দেশের নীতি নির্ধারকদের সঙ্গে খোলামেলা ভাবে আলোচনা করতে পারেন এবং নিজেদের ভাবনা ও সমস্যাগুলোর কথা নীতি নির্ধারকদের কাছে পৌঁছাতে পারেন সে জন্য সিআরআই নিয়মিত আয়োজন করে আসছে লেটস টক। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদকে নিয়ে এর আগে বেশ কয়েকবার লেটস টক আয়োজন করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে থাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে আয়োজন করা হল ‘লেটস টক উইথ শেখ হাসিনা।
পুনরায় নির্বাচিত হলে চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে আধুনিক ট্যানারি শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলা হবে
অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তাঁর সরকার পুনরায় নির্বাচিত হলে চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে আধুনিক ট্যানারি ও স্বতন্ত্র চামড়া শিল্প অঞ্চল গড়ে তোলা হবে। সরকার ইতোমধ্যে শিল্পাঞ্চলের উপযোগী স্থান নির্ধারণে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাঁর দল পুনঃনির্বাচিত হলে চামড়া শিল্পাঞ্চল ও ট্যানারি নির্মিত হবে। প্রধানমন্ত্রী আজ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ লেদার ফুটওয়্যার অ্যান্ড লেদার গুডস ইন্টারন্যাশনাল সোর্সিং শো উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন। শেখ হাসিনা চামড়া শিল্প নেতৃবৃন্দকে বলেন, আমি নির্বাচিত হলে শিল্পাঞ্চল ও ট্যানারি নির্মাণ করব। অন্যথায় আপনারা নিশ্চিত করবেন যে নতুন সরকার এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে। প্রধানমন্ত্রী নবনির্মিত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রত্যেকটিতে বিশেষ করে চামড়া শিল্পের জন্য একটি করে স্থান রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শুভাশিষ বসু, এফবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন। এতে লেদার গুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারাস অ্যান্ড এক্সপোটার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ সভাপতি সফিউল ইসলাম স্বাগত বক্তৃতা করেন। দেশে বিভিন্ন চামড়া শিল্প গড়ে তোলায় ব্যবসায়ীদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন বিভিন্ন ব্রান্ডের চামড়াজাত পণ্য বাংলাদেশেই তৈরি হচ্ছে, যেগুলো তাঁরা তাদের দেশে নিয়ে গিয়ে ফিনিশিং দিয়ে মার্কেটে দিচ্ছে। তিনি চামড়া ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে বলেন, এই কাজগুলো যেন আরো ভালভাবে করা যায় আপনারা তা খেয়াল রাখবেন। এজন্য যা কিছু সহযোগিতা দরকার, আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে, আমরা তা করবো। সরকার প্রধান বলেন, এই সেক্টরটিকে আমি মনে করি বাংলাদেশের জন্য একটি বিরাট সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র। সেই সম্ভাবনাটা আমাদের কাজে লাগাতে হবে। সেইদিকে দৃষ্টি দিয়েই আমাদের সবরকম ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি রপ্তানী বাস্কেট বাড়ানোর জন্য ব্যবসায়ীদের তাগিদ দিয়ে বলেন,সবসময় আপনাদের মাথায় রাখতে হবে আরো কোন কোন দেশে আমরা রপ্তানি করতে পারি। কোন দেশের চাহিদা কি, কোথায় আমরা আমাদের রপ্তানিটা বাড়াতে পারি। তাহলে আমাদের উৎপাদনও যেমন বাড়বে, দেশের মানুষের কর্মসংস্থান বাড়বে, ব্যবসায়ীদের ব্যবসা এবং রপ্তানী উভয়ই বৃদ্ধি পাবে। এজন্য আমাদের বাজেটও বাড়াতে হবে এবং প্রণোদণাও দিতে হবে,যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা বলেন,আওয়ামী লীগ সরকার নিজেরা ব্যবসা কওে না বরং ব্যবসায়ীদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়। তিনি জানান, এই বিষয়ে ইতোমধ্যেই তাঁর সরকার সকল দেশের রাষ্ট্রদূত এবং হাইকমিশনারগণকে বাংলাদেশে ডেকে তাঁদের করণীয় বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, একসময় কূটনীতিটা ছিল পলিটিক্যাল আর এখন হয়ে গেছে ইকোনমিক্যাল। কি ধরনের বিনিয়োগ আমাদের দেশে আসতে পারে সেটাকেই খুঁজে নিয়ে আসা এবং সেভাবেই কাজ করতে হবে। তাঁর সরকার রপ্তানীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সে লক্ষ্য অর্জনের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে অগ্রাধিকার প্রাপ্ত যে চারটি খাতের উন্নয়নে এক্সপোর্ট কম্পিটিটিভনেস ফর জবস নামে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, তার মধ্যে চামড়া, চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা শিল্প অন্যতম। রাজধানীর হাজারীবাগসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্তভাবে ছিটিয়ে থাকা ট্যানারি শিল্পসমূহকে একটি পরিবেশবান্ধব জায়গায় স্থানান্তরের জন্য ঢাকার সাভারে ধলেশ্বরীর নদীর তীরে ২০০ একর জমিতে চামড়া শিল্পনগরী স্থাপনের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেখানে ১১৫টি ট্যানারি শিল্প প্রতিষ্ঠান উৎপাদন শুরু করেছে। তবে, এটাকে আরো আধুনিকায়ন করা দরকার। এসময় চামড়া সংগ্রহে কসাইদের প্রশিক্ষণের বিষয়ে ব্যবসায়ীদের উদ্যোগী হবার পরামর্শ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাহলে সংগ্রহকালে একটি বড় অংশ যে নষ্ট হয়ে যায়, তা আর নষ্ট হতে পারবে না। প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে আনা জার্মান ব্রান্ড পিকার্ডের তৈরি চামড়ার ভ্যানিটি ব্যাগ দেখিয়ে বলেন, এটি বাংলাদেশে তৈরি এবং জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মারকেলকেও তিনি এটা দেখিয়েছেন যে, এসব পণ্যও বাংলাদেশে তৈরি হচ্ছে। তিনি বিদেশে যেখানেই যান এসব বাংলাদেশী পণ্য সাথে করে নিয়ে যান বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আমাদের দেশের জনগণ অনেক মেধাবী একটু প্রশিক্ষণ দিলেই তাঁরা সুন্দর কাজ করতে পারে, বিশেষকরে মহিলারা চমৎকার হাতের কাজ করতে পারে। কাজেই এভাবে ব্যান্ডগুলোকে আমরা আরো সুন্দর রূপ দিতে পারি। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দেশে আরো বেশি বেশি পাদুকা শিল্প গড়ে উঠুক, দেশি-বিদেশি ব্রান্ড এখানে আসুক, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আসুক এরফলে একদিকে আমাদের যেমন কর্মসংস্থান হবে অন্যদিকে যারা কাজ করাবেন তারা অত্যন্ত সস্তা শ্রমে এবং সুন্দর পরিবেশে কাজটা করিয়ে নিতে পারবেন। বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থানের কথা উল্লেখ করে এখানকার ব্যবসায়ীরা বিশ্বে একটি বিরাট বাজার সুবিধা পেতে পারেন বলেও প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন। দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ীরা যাতে বেশি করে এদেশে আসে, ব্যবসা-বাণিজ্য করে এবং বিমানগুলোতে রিফুয়েলিং করে এবং পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সমুদ্র সৈকত পরিদর্শন কওে সেজন্য তাঁর সরকার কক্সবাজার বিমানবন্দরটিকে সম্প্রসারিত এবং আন্তর্জাতিক মানের করছে, বলেন প্রধানমন্ত্রী। দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের খন্ডচিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ৮৬ ভাগে উন্নীত করেছি। দেশে আভ্যন্তরীণ বাজার যেমন সৃষ্টি হচ্ছে তেমনি প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে আমরা ইতোমধ্যে কানেকটিভিটি সৃষ্টি করতে সমর্থ হয়েছি। যার ফলে প্রতিবেশী দেশগুলোর বিশাল বাজারেও আমাদের প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি এ সময় ইইরোপীয় ইউনিয়ন থেকে জিএসপি সুবিধা এবং বিভিন্ন দেশের ডিউটি ফ্রি এবং কোট ফ্রি বাংলাদেশী পণ্যের প্রবেশাধিকার সুবিধা থাকারও উল্লেখ করে বলেন, এইভাবে দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আমাদের প্রচেষ্টা শুভফল দেশের মানুষ যেমন পাচ্ছে তেমনি আপনারা ব্যবসায়ীরাও পাচ্ছেন। তাঁর সরকার দেশে বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে সর্বাধিক গুরুত্ব আরোপ করেছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের কর্মক্ষম যুবসমাজই আমাদের সবথেকে বড় শক্তি। যে কারণে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বহুমুখিকরণ করে যুবকদের প্রশিক্ষিত করে কর্মক্ষম করে গড়ে তোলার জন্য সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তাঁর সরকারের সময় দেশে একের পর এক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়, ফ্যাশন ডিজাইন বিশ্ববিদ্যালয়, মেরিটাইম ও ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এবং টেনিক্যাল ও ভোকেশনাল ইনষ্টিটিউট প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন,যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে সময়ের প্রয়োজনটা জেনে নিয়ে সেভাবে আমাদের হালনাগাদ হওয়ার দরকার। তিনি বলেন, আমি এক্ষেত্রে আহ্বান জানাব, আমাদের ব্যক্তি খাতগুলোও যেন আরো বেশি করে এগিয়ে আসে। তারা ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য দক্ষ জনশক্তি তৈরীর উদ্যোগটা সরকারের পাশাপাশি তাঁরাও যেন গ্রহণ করে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের যুব সমাজকে একটি দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করে তাঁদেরকে কাজে লাগাতে হবে। কারণ, আমাদের তরুণ মেধাবী যুবশক্তিকে একটু সুযোগ করে দিলে তারা নিজেদেরকে দক্ষ করে গড়ে তুলে তাঁদের দক্ষতাকে কাজে লাগাতে পারে।
সশস্ত্র বাহিনীর ছোট টিম থাকবে প্রতি জেলায়: সিইসি
অনলাইন ডেস্ক: পুলিশ প্রশাসনকে উদ্দেশ্য করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, নির্বাচনে প্রতি জেলায় সশস্ত্র বাহিনীর ছোট টিম থাকবে। তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার (২২ নভেম্বর) নির্বাচন ভবনে পুলিশের সঙ্গে বিশেষ সভায় বসে এসব কথা বলেন সিইসি। ১২ দফা নির্দেশনা দিয়ে সিইসি বলেন, বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের তথ্য সংগ্রহ করার কথা আমরা বলিনি। এটা আপনারা করবেন না। কারণ এটা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠে। যারা ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা তারা বিব্রত হন। আমরা এটা চাই না। যদি তথ্য সংগ্রহ করার প্রয়োজন হয়, তাহলে কোনো ব্যক্তির তথ্য গোপন সূত্র ব্যবহার করে সংগ্রহ করতে পারেন। বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে তাদের জিজ্ঞেস করার দরকার নেই। এটা আমরা চাই না। কাউকে বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতার করবেন না। মামলা করবেন না। কাউকে হয়রানিমূলক মামলা বা গ্রেফতার করা যাবে না। আশাকরি, আপনারা এটা করছেনও না। সিইসি আরও বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনে পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ। আপনাদের কারণে যেনো নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ না হয় সে বিষয়টি লক্ষ্য রাখবেন। তিনি বলেন, এ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেননা সবদল অংশ নেবে। নির্বাচনের সব প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। নির্বাচনের সব প্রস্তুতি একা করা সম্ভব নয়। প্রজাতন্ত্রের সবাই মিলেই নির্বাচন সুষ্ঠু করতে কাজ করবো। নির্বাচনের সিংহভাগ দায়িত্ব পুলিশের থাকে। ভোটারের নিরাপত্তা থেকে শুরু করে সব ধরণের নিরাপত্তার দায়িত্ব আপনাদের ওপরই বেশি থাকবে। কেএম নূরুল হুদা আরও বলেন, নির্বাচন যেন কোনোভাবে প্রশ্নবিদ্ধ না হয়। আইন-শৃঙ্খলার দায়িত্ব পালনে আমরা পূর্ণ স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি। তবে, কমিশন আপনাদের কর্মকাণ্ড নজরদারি করবে। অলরেডি অভিযোগ আসা শুরু করেছে। তবে, নির্বিঘ্নে দায়িত্ব পালন করবেন। ভালোভাবে যাচাই না করে আপনাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। এতে আপনাদের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। আইন-শৃঙ্খলার বিভিন্ন পর্যায়ের তথ্য একমাত্র পুলিশেরই আছে। তাই বিভিন্ন বাহিনী পুলিশের কাছ থেকেই পরামর্শ নেবে। পুলিশকে এখনই কৌশলগত পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে বলেও জানান সিইসি। আগামী ১৫ ডিসেম্বরের পর সশস্ত্র বাহিনীর ছোট টিম পুলিশের সঙ্গে দেখা করবে। প্রতি জেলায় থাকবে সশস্ত্র বাহিনীর ছোট টিম। এদের নিয়ে সমন্বয় করে কাজ করবেন। তাদের যাতায়াতের ব্যবস্থা করে রাখতে হবে। অন্যান্য বাহিনী ও ম্যাজিস্ট্রেটকে তথ্যদিয়ে সহায়তা করবেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন- চার নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিব, অতিরিক্ত সচিব, জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব, আইজিপি, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

জাতীয় পাতার আরো খবর