একনেকে ২ প্রকল্প অনুমোদন, বিদ্যুৎ বিতরণ সম্প্রসারণে
২৯ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে বিদ্যুৎ বিতরণ লাইন সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একই ধরনের দুটি প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এই দুটি প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট খরচ ধরা হয়েছে ২ হাজার ২১৫ কোটি ১৭ লাখ টাকা। এর মাধ্যমে ৪ লাখ ১৫ হাজার নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হবে। মঙ্গলবার (২৯ জানুয়ারি) রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এনইসি সম্মেলনকক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একনেক সভায় এই দুই প্রকল্পসহ মোট ৯টি প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। একনেক সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান সংবাদ সম্মেলনে প্রকল্পের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আজকের একনেক সভায় যে ৯টি প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে- তাতে মোট ব্যয় হবে ১৬ লাখ ৪৩৩ কোটি ২৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬২০ কোটি ২৭ লাখ টাকা সরকার নিজস্ব তহবিল থেকে খরচ করবে। বাকি ২ লাখ ৫২৭ কোটি ৩৯ লাখ টাকা প্রকল্প সাহায্য হিসেবে বৈদেশিক সহায়তা পাওয়া যাবে। ৯ প্রকল্পের মধ্যে ৫টি নতুন এবং ৪টি সংশোধিত প্রকল্প রয়েছে বলে তিনি জানান। পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী শিল্প ও কৃষিসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে ভূমির সর্বোচ্চ ব্যবহারের নিশ্চিত করতে ভূমি মন্ত্রণালয়কে একটি জাতীয় নীতি গঠনের নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি এ বিষয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়কে বিস্তারিত পরিকল্পনা তৈরি করতে বলেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী সব মিটার গেজ রেলওয়ে লাইনকে ব্রড গেজে রূপান্তরের পরিকল্পনা তৈরিরও নির্দেশনা দেন। সভায় প্রধানমন্ত্রী সড়ক, রেলওয়ে ও নৌপথ সমন্বয়ের মাধ্যমে সারাদেশে একটি সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে প্রতিটি উন্নয়ন প্রকল্পে বর্জ্য শোধনাগার স্থাপনে তার দৃঢ় অবস্থানের কথা আবারও পুনর্ব্যক্ত করেন। পরিকল্পনামন্ত্রী দেশব্যাপী বিদ্যুৎ সংযোগ সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) কার্যক্রমে ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ বিতরণ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে গৃহীত দুই প্রকল্প ২০২২ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন সম্পন্ন হলে প্রকল্প এলাকায় শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় চলে আসবে। আগামী ২০৩০ সাল নাগাদ দেশের প্রতিটি মানুষ নিরবচ্ছ্ন্নি বিদ্যুৎপরিসেবা পাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। রংপুর বিভাগ বিদ্যুৎ বিতরণ লাইন ও উপকেন্দ্র সম্প্রসারণ এবং পুনর্বাসন প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ১ হাজার ১২৩ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। জানুয়ারি ২০১৯ থেকে জুন ২০২২ মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে রংপুর উপকেন্দ্রের বিদ্যুৎ সঞ্চালন সক্ষমতা ২২০ মেগাওয়াট বৃদ্ধি পাবে এবং রংপুর বিভাগে ১ লাখ ৮০ হাজার নতুন সংযোগ দেয়া হবে। এছাড়া বিদ্যুৎ বিতরণের লক্ষ্যে অনুমোদিত অপর প্রকল্প রাজশাহী বিভাগ বিদ্যুৎ বিতরণ লাইন ও উপকেন্দ্র সম্প্রসারণ এবং পুনর্বাসন জানুয়ারি ২০১৯ থেকে জুন ২০২২ মেয়াদে বাস্তবায়ন হবে। এতে খরচ হবে ১ হাজার ৯১ কোটি ৩২ লাখ টাকা। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে রাজশাহী উপকেন্দ্রের ৪৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সঞ্চালন সক্ষমতা বাড়বে। পাশাপাশি রাজশাহী বিভাগে ২ লাখ ৩৫ হাজার নতুন সংযোগ দেয়া হবে। একনেক অনুমোদন পাওয়া অপর প্রকল্পসমূহ হলো- রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ৭০টি মিটার গেজ (এমজি) ডিজেল ইলেকট্রিক (ডিই) লোকোমোটিভ সংগ্রহ (১ম সংশোধিত) প্রকল্প; প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের সার্বিক নিরাপত্তা বিধানকল্পে ৯৯ কম্পোজিট ব্রিগেড স্থাপন (১ম সংশোধিত) প্রকল্প; সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের কক্সবাজারের লিংক রোড-লাবণী মোড় সড়ক (এন-১১০) চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্প; সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের আরিচা (বরঙ্গাইল)-ঘিওর-দৌলতপুর-টাঙ্গাইল সড়কের ৬ষ্ঠ কিলোমিটারে ১০৩ দশমিক ৪৩ মিটার দীর্ঘ পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ (১ম সংশোধিত) প্রকল্প। এছাড়া ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল কানেকটিভিটি শক্তিশালীকরণে সুইচিং ও ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক উন্নয়ন প্রকল্প; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সৈয়দপুর ১৫০ মেগাওয়াট ১০ শতাংশ সিম্পল সাইকেল (এইচএসডি ভিত্তিক) বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ এবং পল্লী বিদ্যুতায়ন সম্প্রসারণের মাধ্যমে ১৫ লাখ গ্রাহক সংযোগ (১৯ দশমিক ৫ লাখ গ্রাহক সংযোগের সংস্থানসহ -১ম সংশোধিত) প্রকল্প। একনেক সভায় মন্ত্রীপরিষদের সদস্যবর্গ এবং প্রকল্প সংশ্লিষ্ট বিভাগের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।
মহাসমুদ্রে আমি কাকে ধরবো?
২৯ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: দ্বিমত থাকলেও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) ও গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটির (জিএফআই) প্রতিবেদনকে স্বাগত জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। তবে তিনি বলেছেন, রিপোর্ট দেওয়ার নামে সুইপিং কমেন্টস (যাচ্ছেতাই মন্তব্য) করলেই হবে না। ফ্যাক্টস অ্যান্ড ফিগারসহ (তথ্য-উপাত্ত) পরামর্শও দিতে হবে। মঙ্গলবার (২৯ জানুয়ারি) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে নিজ অফিস কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দুদক চেয়ারম্যান এ কথা বলেন। সকালে রাজধানীর মাইডাস সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে টিআইবি জানায়, ২০১৮ সালে দুর্নীতির ধারণা সূচকে বাংলাদেশের অবনতি হয়েছে। এখনকার অবস্থান ১৩তম। আগের দিন সোমবার (২৮ জানুয়ারি) ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান জিএফআই তাদের এক রিপোর্টে জানায়, কেবল ২০১৫ সালেই বাংলাদেশ থেকে ৫০ হাজার কোটি টাকার ওপর পাচার হয়েছে। গত ১০ বছরে (২০০৬ থেকে ২০১৫) বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থের অংক দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৩০৯ কোটি ডলার অর্থাৎ ৫ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। টিআইবির প্রতিবেদনের বিষয়ে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, টিআইবিকে আমরা আগেও বলেছি, আপনারা কোন মেথোডলজি ইউজ (কর্মপদ্ধতি ব্যবহার) করেছেন, আমাদের জানান। নিশ্চয়ই তাদের কাছে অ্যানালিটিকস (বিশ্লেষণ) আছে। ফ্যাক্টস অ্যান্ড ফিগার আছে। আমাদের কাছে এখনো প্রতিবেদনটা এসে পৌঁছায়নি। হাতে এলে আমরা তা দেখবো। ইকবাল মাহমুদ বলেন, গালভরা রিপোর্ট সবাই দিতে পারে। আপনাকে বলতে হবে কোন সরকারি কর্মকর্তা, কোন রাজনৈতিক নেতা দুর্নীতি করছেন। কারা কিভাবে কোথায় অর্থপাচার করছে। নইলে, এ মহাসমুদ্রে আমি কাকে ধরবো? কাকে খুঁজবো? আপনাদের রিপোর্টে যদি অ্যানালিটিকস না থাকে, ফ্যাক্টস অ্যান্ড ফিগার না থাকে, তবে সে রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট দেওয়ার নামে সুইপিং কমেন্টস করলেই হবে না। ফ্যাক্টস অ্যান্ড ফিগারসহ পরামর্শও দিতে হবে। তাদের সঙ্গেতো আমাদের সহযোগিতা আছে। তাই মুখের কথাতো গ্রহণ করা যায় না। তিনি বলেন, দুদকের কাজ কী তা যদি কেউ শেখায়, তাহলেতো সমস্যা। আমাদের আইন আছে, তফসিলভুক্ত যে অপরাধ আছে, সে বিষয়ে আমরা কাজ করবো। তাছাড়া, এ কথাওতো সত্য সারাদেশের মানুষ দুর্নীতির ব্যাপারে সচেতন হয়েছে। টিআইবির রিপোর্ট দিয়ে কিছু হবে না। দুদক দিয়েও দুর্নীতি দমন হবে না। কেবল আমরা সবাই সচেতন হলেই দুর্নীতি দমন ও প্রশমন হবে।আর দেশে উন্নয়ন হয়েছে। কাজ হচ্ছে। টিআইবি এ কথা স্বীকার করে কি-না, তাও বলতে হবে। দুদক স্বাধীন প্রতিষ্ঠান উল্লেখ করে চেয়ারম্যান বলেন, আমি কখনো বলিনি, আমরা (দুদক) স্বাধীন নই। আমরা অ্যাবসুলেটলি (নিঃসন্দেহে) স্বাধীন। আমাদের কাজে কেউ বাধা দিয়েছে, তাও বলিনি। তবে হ্যাঁ, আমরা অনেক দুর্নীতিবাজকে আটক করতে পারিনি। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারিনি। কেউ যদি লন্ডন গিয়ে পালিয়ে থাকে তাকে কিভাবে আটক করবো? সেদিন লুৎফর রহমান বাদলের সম্পত্তি ক্রোক (বাজেয়াপ্ত) করলাম। কিন্তু সে বিদেশে। তাকে ধরবো কিভাবে! ইকবাল মাহমুদ বলেন, পার্লামেন্ট যে আইন করবে দুদকের কাছে তা শিরোধার্য। তা বাতিল বা সংশোধনের কোনো উদ্যোগ দুদক নেবে না। কারণ কোনো আইনই দুদকের ক্ষমতা খর্ব করতে পারে না। -বাংলানিউজ
রাজবাড়ীতে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৫
২৯ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজবাড়ী জেলা শহরে ড্রাইআইস ফ্যাক্টরি এলাকায় এক এসএসসি পরীক্ষার্থী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। ওই ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৫ জন ধর্ষককে গ্রেপ্তার করেছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ওই ছাত্রী বাদী হয়ে ৬ জনকে আসামি করে রাজবাড়ী থানায় একটি মামলা দায়ের করে। মেয়েটি বর্তমানে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-সুজন খা, আল আমিন ফকির, আকাশ সরকার, ফজলুর রহমান ও বাবু ব্যাপারী। তবে এজাহারভুক্ত আসামি মোস্তফা ফকিরকে এখনো গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। এদের সকলের বাড়ী জেলা শহরের ড্রাইআইস ফ্যাক্টরি ও বড়লক্ষিপুর গ্রামে। রাজবাড়ী থানার ওসি স্বপন কুমার মজুমদার বলেন, প্রায় ৪ মাস আগে সুজন খার সঙ্গে ওই ছাত্রীর পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ওই সম্পর্কের অংশ হিসেবে গত সোমবার বিকেলে সুজন জেলা শহরের ড্রাইআইস ফ্যাক্টরি এলাকার একটি পরিত্যক্ত মেসে নিয়ে যায় ওই ছাত্রীটিকে এবং পালাক্রমে তারা তাকে ধর্ষণ করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।- rtvonline
মাদক ব্যবসার প্রমাণ মিললে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে: ডিএমপি কমিশনার
২৯ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: মাদক ব্যবসায় কোন পুলিশ সদস্যের সহায়তার প্রমাণ মিললে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। মঙ্গলবার (২৯ জানুয়ারি) পুলিশ সেবা সপ্তাহের র‌্যালি শেষে রাজধানীর বাড্ডা এলাকার সিসিটিভি ক্যামেরা কন্ট্রোল রুমের উদ্বোধন করে একথা বলেন তিনি। ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, কোন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে কোন অনিয়মের অভিযোগের, বিশেষভাবে মাদকের সাথে কোনভাবে সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
দুর্নীতি বেড়েছে বাংলাদেশে : টিআই
২৯ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: দুর্নীতির ধারণা সূচকে বাংলাদেশে দুর্নীতি বেড়েছে বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল। ২০১৮ সালে বিশ্বের ১৮০টি দেশ ও অঞ্চলের পরিস্থিতি পর্যক্ষেকণ করে দুর্নীতির এই ধারণা সূচক প্রকাশ করে সংস্থাটি। মঙ্গলবার ঢাকায় ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান এক সংবাদ সম্মেলনে দূর্নীতির ধারণা সূচক সংক্রান্ত এই তথ্য প্রকাশ করেন। টিআইবি প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে আগের বছর অর্থাৎ ২০১৭ সালে বিশ্বে বাংলাদেশের সার্বিক অবস্থান নিচের দিক থেকে ১৭ হলেও ২০১৮ তে ১৩তম অবস্থানে রয়েছে। আবার উপরের দিক থেকে ২০১৭ সালে ১৪৩ নম্বর থাকলেও ২০১৮ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৯তম। সুচক অনুযায়ী বাংলাদেশে দুর্নীতি বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী দুর্নীতিতে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ নিচের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে। আর এর পরেই রয়েছে আফগানিস্তান। টিআইর প্রতিবেদনে দুর্নীতিমুক্ত অথ্যাৎ ১৮০টি দেশের মধ্যে তালিকার শীর্ষে রয়েছে ইউরোপের দেশ ডেনমার্ক। অপরদিকে সর্বোচ্চ দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে তালিকার তলানিতে রয়েছে আফ্রিকার সোমালিয়া।-ইউএনবি
২০১৭ সালের চেয়ে ২০১৮ সালে সড়ক দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা কমেছে: নিসচা
২৯ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ২০১৮ সালে মোট তিন হাজার ১০৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন চার হাজার ৪৩৯ জন। আহত হয়েছেন সাত হাজার ৪২৫ জন ব্যক্তি। নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) সংগঠনের বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে এ তথ্য জানান নিসচার চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন। একই সঙ্গে ইলিয়াস কাঞ্চন জানান, ২০১৭ সালের চেয়ে ২০১৮ সালে সড়ক দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা কমেছে। মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে ২১ দশমিক ৩৬ শতাংশ ও আহতের সংখ্যা কমেছে ৬ দশমিক ৫১ শতাংশ। গাড়িচাপা, মুখোমুখি সংঘর্ষ এবং উল্টো পথে গাড়ি চালানোর কারণে সড়ক দুর্ঘটনা সবচেয়ে বেশি হয়েছে। আর এসব দুর্ঘটনায় বেশি মারা গেছে মোটরসাইকেল চালক। বাস, ট্রাক ও মোটরসাইকেলের কারণে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও গাজীপুরে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে উল্লেখ করে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে করণীয় বেশকিছু সুপারিশ তুলে ধরেন ইলিয়াস কাঞ্চন। সড়ক দুর্ঘটনায় অভিযুক্তদের বিচার না হওয়ার কারণ তুলে ধরে চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘বিচার হচ্ছে না। কারণ, সরকার পরিবহন সেক্টরের লোকজনদের, সংগঠনকে, নেতাদের খুবই ভয় পায়। এই ভয় পাওয়ার জন্য তাঁরা সেভাবে ব্যবস্থা নেন না। এখন অন্তত এই সড়কের মড়ক থেকে এ দেশের মানুষকে বাঁচানোর জন্য যুদ্ধ ঘোষণা করা উচিত। আমাদের যে সাজেশন আছে, সেগুলো যদি বাস্তবায়ন করা যায়, অবশ্যই আমরা জিরো টলারেন্সের মধ্যে আসতে পারব।
মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণ করুন : রাষ্ট্রপতি
২৯ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। তিনি বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী একটি চক্র সুযোগ পেলেই মুক্তিযু্দ্ধের ইতিহাস বিকৃত করতে উঠেপড়ে লাগে। অতীতেও এ চক্রটি আমাদের মুক্তিসংগ্রাম ও মহান মুক্তিযু্দ্ধের ইতিহাসকে বার বার বদলাবার অপচেষ্টা করেছে। সাময়িকভাবে তাদের চেষ্টা সফল হলেও চূড়ান্তভাবে তারা পরাস্ত হয়। ইতিহাস তার নিজস্ব গতিতে চলে। কেউ তা বদলাতে পারে না। বরং যারা এ অপচেষ্টা করে তারাই ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়, যোগ করেন তিনি। সোমবার বঙ্গভবনে একটি বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হামিদ বলেন, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যাতে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে পারে তা নিশ্চিত করা আমাদের সকলের পবিত্র দায়িত্ব ও কর্তব্য। রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মো. সরোয়ার হোসেন রচিত ১৯৭১: প্রতিরোধ সংগ্রাম বিজয় বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণাকর্ম। এতে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে গবেষণার অনেক উপকরণ রয়েছে। বইটি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্বলিত একটি ঐতিহাসিক দলিল। বইটিতে মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষিত ও পটভূমি, সামরিক অবস্থান, প্রাথমিক প্রতিরোধ, মুক্তিযুদ্ধকালীন সেক্টর কমান্ডার ও সেক্টর সমূহের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়া নিয়মিত বাহিনীর পাশাপাশি অনিয়মিত বিভিন্ন বাহিনীর কর্মকাণ্ড, মুক্তিযুদ্ধে তাদের অবদান, রণকৌশল, সাফল্য, গণমাধ্যমের ভূমিকা ইত্যাদি বিষয়গুলোও বিশদভাবে স্থান পেয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের কৌশলগত বিভিন্ন দিক এবং প্রচলিত যুদ্ধের পাশাপাশি অপ্রচলিত ও গেরিলা যুদ্ধের বিষয়টিও গুরুত্বের সাথে উপস্থাপন করা হয়েছে,যোগ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, মুক্তিসংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অনেক লেখালেখি হলেও গবেষণাধর্মী বইয়ের সংখ্যা খুব একটা বেশি না। রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, লেখক, গবেষক, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীরা মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিসংগ্রাম নিয়ে গবেষণা চালাবেন। এতে ভবিষ্যত মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে পারবে, নিজেদেরকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমৃদ্ধ করতে পারবে। দেশ ও জাতি উপকৃত হবে। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সর্বত্র ছড়িয়ে পড়বে।-ইউএনবি
দুর্নীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩তম
২৯ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩তম। আগের বছর ছিল ১৭তম। ২০১৬ সালেও বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৩তম। তার পরের বছর বাংলাদেশ শীর্ষ দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে ১৫তম অবস্থানে ছিল। বার্লিনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের (টিআই) প্রকাশ করা বিশ্বজুড়ে দুর্নীতির ধারণাসূচক (সিপিআই) ২০১৮-এর প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। মঙ্গলবার ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারের নিজ কার্যালয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের (টিআই) এই প্রতিবেদন তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলন করে বাংলাদেশ চ্যাপ্টার টিআইবি। প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৮০টি দেশের মধ্যে সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত (নিম্নক্রম) দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৩তম। দেশটির স্কোর ২৬। গতবছর ২৮ স্কোর করে এই অবস্থান ছিল ১৭। বাংলাদেশ ২০১৬ সালে ১৫তম হলেও তার আগের বছর, ২০১৫ সালে ছিল ১৩তম অবস্থানে। এর আগে ২০০১ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত টানা পাঁচবার বাংলাদেশ দুর্নীতিতে সেরা অবস্থানের কলঙ্ক মাথায় নিয়েছিল। দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের চেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ কেবল আফগানিস্তান। দেশটির স্কোর ১৬। এবারের সূচকে দুর্নীতিতে সেরা সোমালিয়া। দেশটির স্কোর ১০। এরপর রয়েছে সিরিয়া (স্কোর ১৩) ও দক্ষিণ সুদান (স্কোর ১৩)। দুর্নীতির ধারণা সূচকে সবচেয়ে ভাল অবস্থানে রয়েছে ডেনমার্ক ও নিউজিল্যান্ড। দেশ দুটির স্কোর যথাক্রমে ৮৮ ও ৮৭।
লেখাপড়ায় মনোযোগী হতে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান
২৯ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: লেখাপড়ায় আরো মনোযোগী হতে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। মঙ্গলবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে কেরানীগঞ্জের ইটাভাড়ায় কবি নজরুল উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানান তিনি। জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে মনোজ্ঞ ডিসপ্লে উপভোগ করেন অতিথিরা। পরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বঙ্গবন্ধুকে ভালোভাবে জেনে তার আদর্শ ধারণ করে এগিয়ে যেতে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান। এসময় কামরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশকে উন্নত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন পূরণে প্রত্যেকে আমাদের সাথে থাকবে। তোমাদেরকে নিয়েই আমরা স্বপ্ন পূরণের দিকে যেতে চাই। তোমরা লেখাপড়ার সকল ক্ষেত্রে করো সেটাই দেখতে চাই।

জাতীয় পাতার আরো খবর