নির্বাচনে অপশক্তির পরাজয় হবে: ওবায়দুল কাদের
অনলাইন ডেস্ক :এবারের নির্বাচনে সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে আবারো পরাজিত করা হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। নির্বচন উপলক্ষে যেকোন অপশক্তির বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে নেতাকর্মীদের নির্দেশও দেন তিনি। সকালে, নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাটে নির্বাচনী জনসভায় এসব বলেন ওবায়দুল কাদের। আওয়ামী লীগ চক্রান্তের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় আসেনি উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে নৌকার পক্ষে গনজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। ওবায়দুল কাদের বলেন, জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস, সেই ক্ষমতাকে সাথে নিয়ে বিজয়ের মাসে আরেকটি বিজয় সূচিত হতে যাচ্ছে।
ড. কামালের অশালীন মন্তব্যের কড়া প্রতিবাদ জানালো বাংলাদেশ পুলিশ
অনলাইন ডেস্ক :আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সম্পর্কে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনের অশালীন মন্তব্যের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে ড. কামালের বক্তব্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত,আপত্তিকর ও অবিবেচনাপ্রসূত। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় আপত্তিকর ও অবিবেচনাপ্রসূত মন্তব্যের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ পুলিশের মতো জননিরাপত্তা ও জনশৃঙ্খলা বিধানে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালনকারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়ার মতো অপপ্রয়াস নেয়া হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে পুলিশের বীরোচিত ভূমিকার কথা উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে ড. কামালের কাছ থেকে এ ধরণের দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য জাতির মনে ভিন্ন চিন্তার উদ্রেক করে। জঙ্গি কার্যক্রম,সন্ত্রাসবাদ সংঘবদ্ধ অপরাধ সুচারুরুপে মোকাবেলা করছে বাংলাদেশ পুলিশ। ২০১৩, ২০১৪, ২০১৫ ও ২০১৬ সালে দেশব্যাপী জঙ্গিবাদ,সন্ত্রাসবাদ, নাশকতা, অর্ন্তঘাতমূলক অপতৎপরতা প্রতিরোধ করতে গিয়ে বাংলাদেশ পুলিশের ২৭ জন সদস্য আত্মহুতি দিয়েছেন।
ভোটের সময় মোটরসাইকেল চলতে পারবে :নির্বাচন কমিশন
অনলাইন ডেস্ক :নির্বাচন কমিশনের স্টিকার ব্যবহার করে গণমাধ্যমকর্মীরা ভোটের সময় মোটরসাইকেল ব্যবহার করতে পারবেন বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে কমিশনের জনসংযোগ শাখার সহকারী পরিচালক আসাদুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সহকারী পরিচালক বলেন, নির্বাচন কমিশন থেকে গণমাধ্যমকর্মী এবং সংশ্লিষ্ট কাজে যুক্তদের যে স্টিকার দেওয়া হয়েছে, সেই স্টিকার ব্যবহার করেই মোটরসাইকেল ব্যবহার করা যাবে। এর আগে নির্বাচন কমিশন এক ঘোষণায় জানিয়েছিল, একাদশ নির্বাচনকে ঘিরে ২৮ ডিসেম্বর মধ্যরাত থেকে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ থাকছে। এমনকি সাংবাদিকরাও বিশেষ কোনো ছাড় পাবেন না। নির্বাচন কমিশনের এ ঘোষণার পর সাংবাদিক মহল থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। কোনো কোনো রাজনৈতিক দলও এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানায়। তবে ভোটের আগের দিন মধ্যরাত থেকে শুরু করে ভোটের দিন মধ্যরাত পর্যন্ত বেবিট্যাক্সি বা অটোরিকশা, ট্যাক্সিক্যাব, মাইক্রোবাস, জিপ, পিকআপ, কার, বাস, ট্রাক, টেম্পো, ইজিবাইক বা স্থানীয় পর্যায়ের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
শুক্রবার নৈরাজ্য সৃষ্টির পরিকল্পনা করেছে বিএনপি-জামায়াত: আ লীগ
অনলাইন ডেস্ক :নির্বাচনে নিশ্চিত পরাজয় জেনে বিএনপি-জামায়াত ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। আগামীকাল শুক্রবার ঘিরে তারা দেশে নৈরাজ্যে সৃষ্টির পরিকল্পনা করেছে। সবাইকে নিয়ে সতর্ক থাকবেন। বললেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান। রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার (২৭ ডিসেম্বর) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। আব্দুর রহমান বলেন, তারা (বিএনপি-জামায়াত ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট) নিশ্চিত পরাজয় জেনেই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। সামনে আরও ভয়াবহ ষড়যন্ত্র লিপ্ত হবে তারা। আগামীকাল (শুক্রবার) সারাদেশে ভয়াবহ নৈরাজ্য সন্ত্রাস সৃষ্টি করতে পারে! ভুয়া ব্যালট পেপার ছাপিয়ে ভিডিও করতে পারে। আমরা এসব ষড়যন্ত্র থেকে সতর্ক থাকতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট অন্ধকারের শক্তি। তারা অন্ধকারের গলিপথ দিয়ে ক্ষমতায় যেতে চায়। তারা নির্বাচিত হলে দেশে রক্তগঙ্গা বয়ে যাবে। দেশ অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে। যারা আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারতে পারে। তাদের কাছে সব ধরনের নাশকতার আশঙ্কা করা যেতে পারে! ২০১৩, ১৪ ও ১৫ সালে তারা যে ভয়াবহ নাশকতা করেছে এটা সবাই জানে। তবে জনগণ অতীতে তাদের রুখে দিয়েছিলো। আগামীতেও তাদের রুখে দেবে, অপর প্রশ্নের উত্তরে বলেন আওয়ামী লীগ নেতা রহমান। দেশবাসীর প্রতি উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আমরা দেশের মানুষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, আসুন- আমরা ঐকব্যবদ্ধভাবে এদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলি। সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুস সবুর, উপ-দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি অনলাইন
ভোট দিতে তরুণদের আহ্বান
অনলাইন ডেস্ক :ভোটসহ সব ক্ষেত্রে তরুণদের অংশগ্রহণ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ হোসেন।বুধবার ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে তরুণদের নিয়ে তারুণ্যের শক্তি, বাংলাদেশের সমৃদ্ধি বিষয়ক এক আলোচনা অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি।সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) এবং আইঅ্যামবাংলাদেশ এই অনুষ্ঠান আয়োজন করে। সারাদেশ থেকে আসা পাঁচ শতাধিক তরুণদের সঙ্গে আলাপে নিজের ১৮ বছর বয়সে ভোট দেওয়ার কথা তুলে ধরেন বঙ্গবন্ধুর নাতনি সায়মা।শিক্ষার্থী থেকে উদ্যোক্তা তরুণদের নানা প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে তিনি বলেন, নিজেকে সম্পৃক্ত কর। আমি তো বলব অংশগ্রহণ করো, সকল ক্ষেত্রেই অংশ নাও।মায়ের সরকার নিয়ে নানা সমালোচনার প্রেক্ষাপটে সালমা বলেন, অভিযোগ অনেকে করতে পারলেও পরিবর্তন আনতে পারে না সবাই।একাদশ সংসদ নির্বাচনের চার দিন আগে এই অনুষ্ঠানে ভোটে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি সোশাল মিডিয়াতে ছড়ানো যে কোনো খবর যাচাই করে নিতেও তরুণদের পরামর্শ দেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শক প্যানেলের সদস্য সায়মা।।আইনজীবী শাহ আলী ফরহাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের ইশতেহার ও উন্নয়ন নিয়ে তরুণদের সঙ্গে আলাপ করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান, লেখক-অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল, তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম এবং জাতীয় দলের তরুণ ক্রিকেটার মেহেদী হাসান মিরাজ।পাঁচ বছরের মাথায় আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় একাদশ সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধিত ৩৯ দলের সবগুলোই থাকছে। আর এবারের ১০ কোটি ৪২ লাখ ভোটারের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশই বয়সে তরুণ যুবা।বিশ্লেষকরা বলছেন, একাদশ সংসদ নির্বাচনে ফলাফলের নির্ণায়ক হয়ে উঠতে পারে এই সোয়া দুই কোটি তরুণ ভোটার। তরুণদের প্রথম ভোটকে টানতে রাজনৈতিক দলগুলি তাই নিজেদের নির্বাচনী প্রচারণা ঢেলে সাজাচ্ছে।টানা ১০ বছর ক্ষমতায় থেকে বাংলাদেশকে উন্নয়নের মহাসড়কে তোলার পর এখন তরুণ প্রজন্মকে নেতৃত্বে সম্পৃক্ত করে সেই পথে অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি এসেছে আওয়ামী লীগের ইশতেহারে।সকল দলের নির্বাচনী ইশতেহারই পড়েছেন জানিয়ে অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের এই ইশতেহারকে এ প্লাস দেন অধ্যাপক জাফর ইকবাল ২০০৮ সালের দিনবদলের সনদ ২০১৪ সালের এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ এর পর আসন্ন ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতেহারের শিরোনাম দেওয়া হয়েছে সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ।প্রতিটি ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের দলীয় অবস্থান, গত ১০ বছরের অর্জন এবং আগামী দিনের লক্ষ্য ও পরিকল্পনা ধরে সাজানো হয়েছে ৮০ পৃষ্ঠার ইশতেহার।তারুণ্যের শক্তি, বাংলাদেশের সমৃদ্ধি স্লোগানে তারুণ্যের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে এবং স্বাবলম্বী তরুণ সমাজ গঠন করতে ২০২১ সালের মধ্যে তরুণ উদ্যোক্তা নীতি একটি দক্ষ ও কর্মঠ যুবসমাজ তৈরি করতে ২০২৩ সালের মধ্যে কর্মঠ প্রকল্প এবং প্রতি উপজেলায় যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করে স্বল্প ও অদক্ষ তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধি করার পরিকল্পনার কথা রয়েছে দলটির ইশতেহারে।তরুণ যুব সমাজের জন্য ইশতেহারে বলা হয়েছে, ২০২৩ সাল নাগাদ অতিরিক্ত ১ কোটি ৫০ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার পদক্ষেপ গৃহীত হয়েছে।জাতীয় যুব নীতি ২০১৭ বাস্তবায়নের অঙ্গীকারসহ নতুনভাবে এক কোটি ১০ লক্ষ ৯০ হাজার মানুষ শ্রমশক্তিতে যুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে আওয়ামী লীগ।ডিজিটালবান্ধব তরুণ প্রজন্মের জন্য ২০২১-২৩ সালের মধ্যে ৫-জি চালু করার কথা রয়েছে ইশতেহারে। ইন্টারনেট ও মোবাইল ব্যবহারের মূল্য যুক্তি সংগত পর্যায়ে নামিয়ে আনা হবে বলেও জানাচ্ছে দলটির এই নির্বাচনী অঙ্গীকারনামা।
বিএনপি-ঐক্যফ্রন্ট ৩০ টিরও কম আসন পাবে ফেসবুক স্ট্যাটাসে সজীব ওয়াজেদ জয়
অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে বলেছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ২০০৮ সালের নির্বাচনের চেয়েও ভালো ফল করবে। তিনি বলেন, সমর্থন না থাকায় নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ৩০ টিরও কম আসন পেতে পারে। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেয়া স্ট্যাটাসে তিনি আরও বলেন, নির্বাচন নিয়ে রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টার-আরডিসি'র জনমত জরিপে দেখা গেছে, ঐক্যফ্রন্ট ৪৯টি আসন পেতে পারে। তবে তাদের পূর্বাভাসের চেয়েও বিএনপি জোট কম আসন পাবে বলে মনে করেন জয়।
একাদশ সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার শেষ দিন আজ
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচারণার শেষ দিন আজ। তাই শেষ মুহূর্তের প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা। নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের কাছে টানার চেষ্টা করছেন। বৃহস্পতিবার (২৭ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ বিভিন্ন দল ও জোট প্রার্থীরা মাঠে নেমেছেন। লিফলেট বিতরণ, মাইকিং ও উঠান বৈঠকসহ নানা কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রচারণা চালাচ্ছেন তারা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া- ৩ আসনের আওয়ামী লীগ প্রার্থী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী। এছাড়া, খুলনা, রংপুর ও ময়মনসিংহসহ দেশের নানা প্রান্তে প্রচারণায় নেমেছেন বড় দুই দলসহ বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা। দিচ্ছেন উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি। তবে, আশ্বাসে না ভুলে সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিতে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে চান ভোটাররা।
টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত শেষ সময়ে জোর প্রচারণায় প্রার্থীরা
অনলাইন ডেস্ক: নির্বাচনী প্রচারণা শেষ হওয়ার বাকি আর মাত্র একদিন। তাই শেষ সময়ে বুধবার (২৬ ডিসেম্বর) নিজ নিজ সংসদীয় এলাকায় জোর প্রচারণা চালাচ্ছেন প্রার্থীরা। প্রতিটি পাড়া মহল্লায় মিছিল, মিটিং, জনসভা করে উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তারা। ভোট প্রার্থনা করছেন নিজ নিজ প্রতীকে। টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া, দেশের সর্বত্র এখন চলছে ভোটের হাওয়া। আর প্রচারণার সময় শেষ হয়ে আসায় প্রার্থীদের ভোট প্রার্থনার ব্যস্ততা বেড়েছে কয়েকগুণ। কুষ্টিয়া: কুষ্টিয়া-৩ আসনের স্বস্তিপুরে পথসভায় করেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব উল আলম হানিফ। এসময় তিনি নির্বাচন বানচালে বিএনপি ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ করেন। কুষ্টিয়া-৩ আসনের আওয়ামী লীগ প্রার্থী সম্পাদক মাহাবুব উল আলম হানিফ বলেন, 'বিএনপি নির্বাচনে জয়লাভ করতে পারবে না বলেই তারা সুপরিকল্পিতভাবে প্রথম থেকেই নির্বাচন বর্জন ও বানচাল করার চক্রান্ত করে আসছিল। ঠাকুরগাঁও: শেষ সময়ের প্রচারণায় ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষে বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচারণা চালন তার স্ত্রী রাহাত আরা। পরে তিনি সংবাদ সম্মেলন করে প্রচারণায় বাধা দেয়ার অভিযোগ করেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্ত্রী রাহাত আরা বলেন, আমাদের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন চালানোর জন্য যারা পাড়ায় পাড়ায় অস্ত্র নিয়ে বের হচ্ছে, আপনারা (সরকার) তাদেরকে সামলান। তাদের থামান। তা না হলে এই নির্বাচন কখনও সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে না।
ড. কামাল হোসেনের কোন পুলিশী নিরাপত্তার প্রয়োজন নেই
অনলাইন ডেস্ক: ঐক্যফ্রন্টে শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনের কোন পুলিশী নিরাপত্তা লাগবে না বলে জানিয়েছেন গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু। বুধবার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মতিঝিলে গণফোরামের কার্যালয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ড. কামালের সাথে দেখা করে তাঁর নিরাপত্তায় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেন। মতিঝিল জোনের উপ-কমিশনার আনোয়ার হোসেন বলেন, আমাদের সাধারণ দায়িত্ব এটা। তার অংশ হিসেবে আমরা তার (ড. কামাল) সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এসেছি। নিরাপত্তা সংক্রান্ত তার কোন অবজারভেশন আছে কিনা। এবিষয়ে তার সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে। গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু বলেন, উনার (ড. কামাল) কোন নিরাপত্তার দরকার আছে কিনা এবং উনি ভালো আছে কিনা, এটি জানতে এসেছিল পুলিশ। উনি (ড. কামাল) বলেছেন, 'না, আমি ভালো আছি ও সুস্থ আছি। আমার কোন নিরাপত্তার প্রয়োজন নেই। তারপরও যদি তারা (পুলিশ) মনে করেন নিরাপত্তা দিবেন, তাহলে দিতে পারেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর