ওবায়দুল কাদেরকে দেখতে গেলেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী
৩মার্চ,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে দেখতে হাসপাতালে গেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার বেলা ৩টা ৩৪ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। এরপর বিকেল ৪টা ২৫ মিনিটে হাসপাতালে আসেন রাষ্ট্রপতি। তিনি তার চিকিৎসার খোঁজখবর করেন। রাষ্ট্রপতির কয়েক মিনিট পর স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীও হাসপাতালে পৌঁছান। রোববার সকালে বুকে ব্যথা অনুভূত হলে দ্রুত ওবায়দুল কাদেরকে বিএসএমএমইউতে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটের (সিসিইউ) ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটের (আইসিইউ) ২ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন তিনি। চিকিৎসকরা বলছেন, ওবায়দুল কাদেরের তিনটি রক্তনালীতে ব্লক ধরা পড়েছে, যার একটি তারা অপসারণ করেছেন। কিন্তু জীবনশঙ্কা থাকায় কৃত্রিমভাবে তার শ্বাসপ্রশ্বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য ওবায়দুল কাদেরকে সিঙ্গাপুরে নেওয়ার প্রস্তুতি চললেও এই শারীরিক অবস্থায় তা সম্ভব হবে কি না- সে বিষয়ে নিশ্চিত নন চিকিৎসকরা।
হুমকি মোকাবেলায় সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
৩মার্চ,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যদের পবিত্র সংবিধান এবং সার্বভৌমত্ব সুরক্ষায় দেশ মাতৃকার বিরুদ্ধে যে কোন অভ্যন্তরীণ বা বাইরের হুমকি মোকাবেলায় সর্বদা ঐক্যবদ্ধ এবং সদাপ্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, পবিত্র সংবিধান এবং দেশমাতৃকার সার্বভৌমত্ব রক্ষা করার জন্য আপনাদের ঐক্যবদ্ধ থেকে অভ্যন্তরীণ কিংবা বাহ্যিক যে কোন হুমকি মোকাবিলায় সদাপ্রস্তুত থাকতে হবে। খবর বাসসর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে রাজশাহী সেনানিবাসের শহীদ কর্ণেল আনিস প্যারেড গ্রাউন্ডে বাংলাদেশ ইনফেন্ট্রি রেজিমেন্টের ৭ম, ৮ম, ৯ম এবং ১০ম রেজিমেন্ট ন্যাশনাল স্টোন্ডার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন। তিনি ইনফেন্ট্রি রেজিমেন্টের সংশ্লিষ্ট ইউনিট কমান্ডারগণের নিকট জাতীয় পতাকা হস্তান্তরের মাধ্যমে তাদেরকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড প্রদান করেন। মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি সুসজ্জিত দল প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রীয় সালাম জানায়। প্রধানমন্ত্রী একটি খোলা জিপে করে প্যারেড পরিদর্শন এবং সালাম গ্রহণ করেন। এ সময় সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ তাঁর সঙ্গে ছিলেন। সেনা সদস্যদের দেশের সম্পদ এবং দেশের মানুষের ভরসা ও বিশ্বাসের মূর্তপ্রতীক উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তাদেরকে পেশাদারিত্বের কাক্সিক্ষত মান অর্জনের জন্য দক্ষ, সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে সৎ এবং মঙ্গলময় জীবনের অধিকারী হবারও আহবান জানান। জনগণের সেবা করার জন্য সেনাবাহিনীকে তাঁর সরকার সব সময় পাশে পেয়েছে উল্লেখ করে বর্তমান সরকারের রাষ্ট্র পরিচালনার সময়ে যখনই প্রয়োজন হবে তখনই সেনাবাহিনী জনগণের পাশে এসে দাঁড়াবে মর্মে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে দেশের গণতান্ত্রিক ধারা সমুন্নত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। সেজন্য তিনি সেনাসদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে চতুর্থবারের মত এবং একটানা তৃতীয়বার সরকার গঠন করার সুযোগ করে দেয়ায় দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তাঁর সরকার সবসময় শাসক হিসেবে নয় জনগণের সেবক হিসেবেই দেশ পরিচালনা করতে চায় বলেও এ সময় উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আমাদের সরকার শাসক হিসেবে নয়, জনগণের সেবক হিসেবে দেশ পরিচালনা করতে চায়। একটি আধুনিক ও চৌকস সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলতে তাঁর সরকার বদ্ধপরিকর উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন,এজন্য ফোর্সেস গোল ২০৩০ প্রণয়ন করে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর আওতায় সেনাবাহিনীতে নতুন নতুন পদাতিক ডিভিশন, ব্রিগেড, ইউনিট ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ইতোমধ্যে আমরা সেনাবাহিনীতে তিনটি নতুন ডিভিশন প্রতিষ্ঠা করেছি, বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার প্রথমবারের মত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে প্যারা কমান্ডো ব্রিগেড গঠন করেছে। দেশের আকাশ প্রতিরক্ষাকে আরও সুসংহত করতে সংযোজিত হয়েছে এমএলআরএস এবং মিসাইল রেজিমেন্ট। তিনি বলেন,অত্যাধুনিক বিভিন্ন যুদ্ধাস্ত্র, হেলিকপ্টার, আর্টিলারি গান এবং মর্ডান ইনফ্যান্ট্রি গেজেট ইত্যাদি সংযোজন করে সেনাবাহিনীর আভিযানিক সক্ষমতাকে বহুলাংশে বৃদ্ধি করেছি।
কাদের শঙ্কামুক্ত নন, বিএসএমএমইউ চিকিৎসক
৩মার্চ,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের অবস্থা সংকটজনক বলে জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) হৃদরোগ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আলী আহসান। রবিবার হাসপাতালে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি বলেন, ওবায়দুল কাদেরের অবস্থা এখনও শঙ্কামুক্ত নন। হাসপাতালে যখন নিয়ে আসা হয়, সেসময়ের তুলনায় অবস্থা এখন ভালো হলেও তিনি জীবনশঙ্কার মধ্যে রয়েছেন। আগামী ৭২ ঘণ্টা তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হবে, যোগ করেন তিনি। রবিবার সকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বিএসএমএমইউ এর করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি হন সেতুমন্ত্রী। কাদেরের একান্ত সচিব গৌতম চন্দ্র জানান, হার্টের সমস্যা নিয়ে মন্ত্রীকে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে হাসপাতালের কার্ডিয়াক বিভাগের সিসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। তার চিকিৎসার জন্য বিএসএমএমইউ এর উপাচার্য অধ্যাপক কনক কান্তি বড়ুয়ার নেতৃত্বে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। বোর্ড জানিয়েছে, আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য ওবায়দুল কাদেরকে দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়া হতে পারে। এখন তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এর আগে সকালে ডা. বড়ুয়া গণমাধ্যমকে জানান, এনজিওগ্রাম পরীক্ষা করার পর কাদেরের হার্টের করোনারি আর্টারিতে তিনটি ব্লক ধরা পড়েছে। তথ্যমন্ত্রী হাসান মাহমুদ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি হাসপাতালে কাদেরকে দেখতে যান।-ইউএনবি
দেশব্যাপী এক মিনিট ব্ল্যাকআউট পালন করা হবে গণহত্যার রাতে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
৩মার্চ,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ২৫ মার্চ গণহত্যার রাত ৯টা থেকে দেশব্যাপী এক মিনিট ব্ল্যাক আউট পালন করা হবে। এ সময় শুধু কেপিআই (সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা) এই নির্দেশনার বাইরে থাকবে। রবিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ২৫ মার্চ এবং ২৬ মার্চ উদযাপন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত এক সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস এবং ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস যথাযথভাবে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পালনের জন্য সারাদেশে নিরবিচ্ছিন্ন নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা যেন সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে নিরাপদে যেতে পারে তার জন্য রাস্তায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। বিদেশি কূটনীতিকদের স্মৃতিসৌধে যাওয়ার সময়ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কামাল বলেন, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতীয় পতাকা যেন যথাযথভাবে উড়ানো হয় এবং পতাকার মাপ ও রঙ যেন ঠিক থাকে তা মনিটরিং করা হবে। তিনি আরও বলেন ২৬ মার্চের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে জাতীয় বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হবে। সেখানেও থাকবে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ২৬ মার্চ উপলক্ষে হাসপাতাল কারাগার বৃদ্ধাশ্রমে ভালো খাবার ব্যবস্থা রাখা হবে বলেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান। রাজধানীর চকবাজারে আগুনের ঘটনায় তদন্ত কমিটি রিপোর্ট কবে দেওয়া হবে জানতে চাইলে, তিনি বলেন তদন্ত রিপোর্ট খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে দেওয়া হবে । এর মধ্যে তদন্ত কাজ প্রায় শেষ হয়ে গেছে। চকবাজার পুরান ঢাকা এলাকায় কেমিক্যাল কারখানা সরানোর অভিযানের সময় ব্যবসায়ীরা বাধা দিচ্ছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী বাধা দিলেও তাদের সড়ানো হবে। তিনি আরও বলেন, পুরান ঢাকায় কেমিক্যাল কারখানা সড়ানোর নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে এই নীতিমালার মুখ্য ভূমিকা পালন করবে ঢাকা দক্ষিণের মেয়র এবং সেই সিদ্ধান্ত নিবেন কোথায় কোন জায়গায় আবাসিক এলাকা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান থাকবে।-ইউএনবি
আজ রাজশাহী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
৩মার্চ,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ রোববার রাজশাহী যাচ্ছেন। রাজশাহী সেনানিবাসে বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টারের (বিআইআরসি) জাতীয় পতাকা প্রদান-২০১৯ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে তিনি রাজশাহীতে যাচ্ছেন। সফরসূচি অনুযায়ী রোববার বেলা ১১টায় হেলিকপ্টার যোগে প্রধানমন্ত্রী ঢাকা থেকে রাজশাহী সেনানিবাসে পৌঁছাবেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৭, ৮, ৯ এবং ১০ বীর-র ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড (জাতীয় পতাকা প্রদান) অনুষ্ঠানে যোগদান করে শহীদ কর্নেল আনিস প্যারেড গ্রাউন্ডে প্যারেড পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী। কর্মসূচি শেষে বিকালেই ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে মহানগরীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। শনিবার থেকে বিভিন্ন এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে এবং বিভিন্ন মোড়ে পুলিশ চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। এরআগে গত বছরে ২২ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী সফরে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজশাহী নগর ও জেলায় ২০টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন।
ওবায়দুল কাদেরের হার্টে তিন ব্লক, সিঙ্গাপুরে নেয়ার প্রস্তুতি
৩মার্চ,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের হার্টে তিনটি ব্লক ধরা পড়েছে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে রোববার (৩ মার্চ) সকাল সাড়ে সাতটায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তথ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নেয়ার প্রস্তুতি চলছে। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, ওবায়দুল কাদেরের তিনটি ব্লক ধরা পরেছে। এরই মধ্যে একটি ব্লক অপসারণ করা হয়েছে। এছাড়া ৭২ ঘণ্টার নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সেতুমন্ত্রীকে দেখতে এসে অযথা ভিড় যেন হাসপাতালে না হয় সেটা ভেবে দেখার অনুরোধ করেন তিনি। এছাড়া আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, দেশবাসীর কাছে ওবায়দুল কাদের-এর জন্য দোয়া চাই। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সময় ওবায়দুল কাদের-এর শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খবর নিচ্ছেন। এর আগে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শনিবার (২ মার্চ) রাতে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। সকালে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আইসিইউতে স্থানান্তরিত করা হয়।-আরটিভি
আইসিইউতে ভর্তি ওবায়দুল কাদের
৩মার্চ,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের গুরুতর অসুস্থ । রোববার( ৩ মার্চ) সকাল সাড়ে সাতটাই তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে শনিবার ( ২ মার্চ) রাতে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। সকালে তার শারিরীক অবস্থা অবনতি হলে আইসিইউতে স্থানান্তরিত করা হয়। এদিকে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল হক হানিফ বলেন, তার অবস্থা এখন স্থিতিশীল রয়েছে। তবে ইউনাইটেড হাসপাতালে নেয়া হতে পারে বলে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ২০১৬’র ২৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনে কাদের ২০১৬-২০১৯ মেয়াদে দলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০১৫ সালের ২৮ নভেম্বর মহাজোট সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন আওয়ামী লীগের এই নেতা। এবারেও আওয়ামী লীগ নির্বাচনে জয়লাভ করলে আবারও সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী হিবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।
নারী-শিশুদের অধিকার নিশ্চিতে আইন করা হয়েছে: আইনমন্ত্রী
২মার্চ,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, সরকার সমাজের পিছিয়ে পড়া ও সুবিধাবঞ্চিত ব্যক্তি বিশেষ করে নারী ও শিশুদের অধিকার ও সুবিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে বিভিন্ন আইন প্রণয়ন করেছে। শনিবার ঢাকায় বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধে সরকারি আইনি সেবার ভূমিকা শীর্ষক এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি। জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার ভারপ্রাপ্ত পরিচালক বিকাশ কুমার সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক বিচারপতি খোন্দকার মূসা খালেদ, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হক এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম বক্তৃতা করেন। আইনমন্ত্রী বলেন, নারী ও শিশুদের অধিকার ও সুবিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন আইন প্রণয়ন করেছে। যা নারী ও শিশুর অধিকার এবং তাদের প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। তারপরও নারীরা তাদের ন্যায্য অধিকার বা বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে এখনও অনেক ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছেন। ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে তাদের অনেকে সহিংসতারও শিকার হচ্ছেন। যা মোটেই কাম্য নয়। তিনি বলেন, নারীরা শুধু শারীরিকভাবেই সহিংসতার শিকার হচ্ছেন না, তারা বিভিন্ন উপায়ে মানসিকভাবেও সহিংসতার শিকার হচ্ছেন। যদিও মানসিকভাবে সহিংসতার শিকারের ঘটনাগুলো আমাদের সামনে সেভাবে প্রকাশ পাচ্ছে না। তিনি বলেন, মানসিক সহিংসতার কারণে আত্মহত্যার মতো ঘটনা ঘটছে ও নারীরা মানসিক রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এর প্রভাব অনেক সময় পুরো পরিবারের উপরই পড়ছে। তিনি বলেন, পরিবারকেন্দ্রিক নারীর প্রতি এসব শারীরিক ও মানসিক সহিংসতা প্রতিরোধে সরকার ২০১০ সালে পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন এবং ২০১৩ সালে পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ বিধিমালা প্রণয়ন করেছে। কিন্তু বাস্তবে এই আইনের প্রয়োগ আমরা খুব একটা দেখতে পাচ্ছি না। তার মানে এই আইন সম্পর্কে তারা এখনও পুরাপুরি জানে না। তাই এই আইন সম্পর্কে নারীদের পাশাপশি পুরুষদেরও জানাতে হবে। আর এজন্য প্রচারণা ও সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। আইনমন্ত্রী বলেন, পরিবারকেন্দ্রিক সহিংসতার শিকার নারীরা দেশে প্রচলিত আইন সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন হলে এবং তাদের সাথে ঘটে যাওয়া অপরাধসমূহ আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করালে এদেশে নারীর প্রতি সহিংসতার ঘটনা অনেকাংশে হ্রাস পাবে। তিনি বলেন, সরকার নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে ও নারীদের অধিকার ও সুবিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে বিনাখরচে তাদের সরকারি আইনি সেবা প্রদান করছে।'আইনগত সহায়তা প্রদান আইন- ২০০০'-কে নারীবান্ধব আইন উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, এই আইনের আওতায় নারী সেবা গ্রহীতার সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। শারীরিক ও মানসিকভাবে সহিংসতার শিকার নারীরা এখন ঘরে বসেই জাতীয় আইনগত সহায়তা আইনের অধীনে ১৬৪৩০ হেল্পলাইনে ফোন করে সরকারি আইনি সেবা নিচ্ছেন। এ পর্যন্ত ১ লাখ ৮৫ হাজার ২৮৬ জন নারী বিনা খরচে সরকারি আইনি সেবা নিয়েছেন বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, সরকারি আইনি সহায়তা কার্যক্রম এখন ইউনিয়ন পর্যন্ত বিস্তৃত। নারী নির্যাতনের অনেক খবর সরকারের কাছে পৌঁছায় না। তাই নারীর প্রতি সহিংসতার অভিযোগ পেলে তা সরকারি লিগ্যাল এইড অফিসে পৌঁছানোর বিষয়ে বেসরকারি সংস্থাগুলোকে সহযোগিতার আহবান জানান। আইনমন্ত্রী বলেন, নারীরা যদি জানে যে, তার বাবা-মা, শ্বশুর-শাশুড়ি বা সালিশের মাতববর সাহেবরাই শেষ ভরসাস্থল নয়, তাদের ভরসার আরও জায়গা আছে- তাহলে তারা সেখানে তথা লিগ্যাল এইড অফিসে যাবে। এ বিষয়ে নারীদের আরো সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করতে হবে এবং তাদের অভয় দিতে হবে।- আলোকিত বাংলাদেশ
আনিসুল হকের রেখে যাওয়া কাজগুলো এগিয়ে নেয়া আমার দায়িত্ব: আতিকুল
২মার্চ,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের রেখে যাওয়া কাজ ও পরিকল্পনাগুলো এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ডিএনসিসির নবনির্বাচিত মেয়র আতিকুল ইসলাম। শনিবার (২ মার্চ) দুপুর ১২টায় রাজধানীর উত্তরায় নিজ বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উপ-নির্বাচনে সদ্য নির্বাচিত মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেছেন, স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদী কর্মসূচি হিসেবে ঢাকা উত্তরের উন্নয়নকে তিন ভাগে ভাগ করেছি। তিনি বলেন, আগামী এক বছরে যা করতে চাই তা হলো-ঢাকা উত্তরকে আলোকিত নগরে পরিণত করা, পরিবেশ দূষণ রোধ করা, ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে নগর অ্যাপকে সক্রিয় করা। কর ও লেনদেন ডিজিটালাইজড ও অটোমেটেড করা; বৃক্ষ রোপন, নগর বনায়ন, নগর কৃষির বিস্তার ও বিকাশ; প্রতি মহল্লায় উন্মুক্ত পার্ক ও খেলার মাঠ গড়ে তোলার মাধ্যমে সবুজ ঢাকা গড়ে তোলা হবে।