নিয়ম-শৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে সেনাবাহিনী: সিইসি
অনলাইন ডেস্ক: সেনাবাহিনী মাঠে রয়েছে, তারা নিয়ম-শৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা। তিনি বলেছেন, আমি মনে করি যে অল্প কিছু অরাজকতা ছিল তা এখন দূর হবে। সেনাবাহিনী আইনশৃঙ্খলা রক্ষার খাতিরে যেকোনো ধরনের ভূমিকা পালন করতে পারবে। এই বিষয়ে আইন আছে, সে অনুসারে তারা কাজ করবে। সোমবার ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজে নির্বাচন কমিশন আয়োজিত চলমান ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। অল্প সংখ্যক কেন্দ্রে ইভিএম ব্যবহার নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, আমরা রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত বিচার-বিশ্লেষণ করে পাইলট প্রকল্প হিসেবে মাত্র ছয়টি কেন্দ্রে ইভিএম ব্যবহার করছি। যদিও ইভিএমের ব্যাপারে আমাদের কোনো সন্দেহ ছিল না। কিন্তু তাদের সন্দেহ থাকার কারণে আমরা খুব অল্প সংখ্যক ইভিএম ব্যবহার করছি। যারা সন্দেহ প্রকাশ করেছিল তারা এখন এসে দেখুন, এর সম্পর্কে জানুন। আশা করি তাদের সন্দেহ ভেঙে যাবে। তিনি আরো বলেন, মূলত ইভিএম পরিচালনা করবে নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা। এছাড়া সেনাবাহিনীর এ বিষয়ে ট্রেনিংপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আমরা অনুরোধ করেছিলাম। তাই তারাও সহযোগিতা করবে। ছয়টি নির্বাচনী এলাকার প্রত্যেকটি কেন্দ্রে ইভিএম ব্যবহার হবে। সেটার জন্য এখানে যে ট্রেনিং কার্যক্রম চলছে সেটা আমি পরিদর্শন করলাম। এখানে প্রত্যেকেই ভালোভাবে প্রশিক্ষণ নিয়েছে। এখানে সবাই জানে কীভাবে ইভিএম ব্যবহার করতে হয়, কীভাবে ভোট শেষ করে গণনা করতে হয়। এ ছাড়াও নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন প্রসঙ্গে নুরুল হুদা বলেন, সেনাবাহিনী মোতায়েনের মাধ্যমে ভোটারদের মধ্যে ভোটের আস্থা ফিরে আসবে। এ উদ্দেশ্যেই সেনাবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছিলাম। রাজনৈতিক দলগুলোকে আবারো অনুরোধ জানাবো, হাঙ্গামা সহিংসতা আন্তঃকোন্দল দূর করে শুধু দলীয় প্রচারণার মাধ্যমে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে।
সেনাবাহিনীর সতর্কতা অনলাইনে ভুয়া প্রচার নিয়ে
অনলাইন ডেস্ক: আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সেনাবাহিনী ও সেনাবাহিনীর বিভিন্ন সংস্থার নামে ভুয়া ওয়েবসাইট, ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, ইউটিউব চ্যানেলের বিষয়ে সতর্ক থাকতে আহ্বান জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো আইএসপিআরের এক সতর্কবার্তায় এ আহ্বান জানানো হয়। আইএসপিআরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম শাম্মী স্বাক্ষরিত ওই সতর্কবার্তায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়েছে, এসব ভুয়া পেজের মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য ও প্রপাগান্ডা প্রচারের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর সুনাম ক্ষুন্ন করার অপচেষ্টা চলছে। সতর্কবার্তায় সেনাবাহিনী ও সেনাবাহিনীর বিভিন্ন সংস্থার প্রকৃত ওয়েবসাইট সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হয়েছে। আসল ওয়েবসাইট বা ফেসবুক পেজ বাদে অন্য কোথাও প্রকাশিত বানোয়াট তথ্য ও প্রপাগান্ডার বিষয়ে জনসাধারণকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে সেনাবাহিনী সম্পর্কে ভুয়া তথ্যসংবলিত কোনো পোস্ট শেয়ার করা থেকে বিরত থাকার জন্য বলেছে আইএসপিআর। সেনাবাহিনীর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের নাম: Bangladesh Army, ওয়েব অ্যাড্রেস: https://www.facebook.com/bdarmy.army.mil.bd এবং Join Bangladesh Army অ্যাড্রেস: https://joinbangladesharmy.army.mil.bd| এছাড়া সেনাবাহিনীর ফেসবুক পেইজের লিংক: https://www.facebook.com/bdarmy.army.mil.bd | ইউটিউব চ্যানেলের নাম: https://www.youtube.com/channel/UCpkg5RjtYqjRbxwL9Gf5Tfw।
ঢাকায় পাতাল রেল ক্ষমতায় ফিরলে: শেখ হাসিনা
অনলাইন ডেস্ক: আরেকবার ক্ষমতায় আসলে রাজধানীতে পাতাল রেল নির্মাণসহ যানজট নিয়ন্ত্রণে নানা উদ্যোগ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেছেন, উন্নয়ন চালু রাখতে হলে সরকারের ধারাবাহিকতা জরুরি। সোমবার রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের নির্বাচনী সভায় এসব কথা বলেন। আগামী ৩০ ডিসেম্বর ভোটকে সামনে রেখে এটাই ছিল স্বশরীরে প্রধানমন্ত্রীর শেষ জনসভা। তবে ভিডিও কনফারেন্সে তিনি আরো জনসভায় অংশ নেবেন। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে রাজধানীর পরিস্থিতি স্মরণ করিয়ে তার সরকারের আমলের উন্নয়নের বর্ণনাও দেন প্রধানমন্ত্রী। তুলে ধরেন ভবিষ্যত পরিকল্পনা। ঢাকায় মেট্রোরেলের নির্মাণ চলার কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ভবিষ্যত কর্মসূচি হলো ঢাকায় আমরা পাতাল রেল নির্মাণ করব। যার সমীক্ষার কাজ ইতিমধ্যে আমরা করেছি। ঢাকাকে ঘিরে ভবিষ্যতের পরিকল্পনাও তুলে ধরেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। বলেন, ঢাকা শহর ঘিরে আমরা একটা রিং রোড তৈরি করব, যা হবে সম্পূর্ণ এলিভেটেড। এতে দ্রুতগামী সকল যানবাহন চলতে পারে। ঢাকাশহর ঘিরে পাঁচটি নদীর নাব্যতা ফেরাতে খনন করা হবে এবং নদীগুলোর সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনা হবে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নতুন ভবন করে আরো উন্নত করতে মহাপরিকল্পনা নেওয়ার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। বলেন, এর ডিজাইনও আমি দেখে রেখেছি। আগামীবার ক্ষমতায় আসলে এই হাসপাতালকে নতুন আঙ্গিকে আরও আধুনিকভাবে সাজাব। ঢাকা ঘিরে যে যে অঞ্চলে চিকিৎসা কেন্দ্র নাই, সেখানে আমরা হাসপাতাল তৈরি করে দিচ্ছি। বস্তিবাসীদের জন্য বহুতল ফ্ল্যাট নির্মাণেরও ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী। জানান, এর মধ্যে কামরাঙ্গীরচরেই হবে ১০ হাজার। এসব ফ্লাটে বস্তিবাসীরা দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক ভাড়া দিয়ে থাকতে পারবে। কেবল বড়লোকরা ফ্ল্যাটে থাকবে-এটা আমি চাই না।। আমি চাই না বস্তিতে কেউ মানবেতন জীবন যাপন করুক। সরকারের ধারাবাহিকতায় গুরুত্বারোপ ৩০ ডিসেম্বর নৌকায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে উন্নয়নের স্বার্থে সরকারের ধারাবাহিকতা রক্ষার গুরুত্বও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ১০ বছরে যে উন্নয়ন হয়েছে এবং আগামীর উন্নয়নের জন্য যে পরিকল্পনা রয়েছে, তা বাস্তবায়ন করতে হলে সরকারের ধারাবাহিকতা একান্ত প্রয়োজন। সারাদেশেকে ঘিরে আমরা উন্নয়নের মহাপরিকল্পনা নিয়েছি। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশ হয়েছে। বাংলাদেশ আজকে উন্নয়নের মহাসড়কে, এর ধারবাহিকতা বজায় রাখা একান্ত প্রয়োজন। তাই আমি আপনাদের কাছে অনুরোধ করব আগামী নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় থাকতে কোন কিছু করেনি। কিন্তু নিজেরা অর্থ সম্পদের মালিক হয়েছে, বিদেশে অর্থ পাচার করেছে। সেই অর্থ পাচার করতে গিয়ে ধরাও খেয়েছে। তারা এ দেশের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে। তারা সন্ত্রাস, দুর্নীতি এবং লুটপাট ছাড়া কিছুই করতে পারে না। তারা মানুষকে কিছু দিতে পারে না, শুধু নিতে পারে। আওয়ামী লীগ আসে মানুষকে দিতে। আওয়ামী লীগ জনগণের কল্যাণে কাজ করে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরপর দুই বার নির্বাচিত হয়ে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পরেছি। মানুষের জীবন মান বদলেছে, মানুষের জীবন উন্নত হচ্ছে, স্বাক্ষরতার হার বৃদ্ধি পেয়েছে। নিজের ভাগ্য গড়ার জন্য কিছু করিনি; মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য সব করেছি। আর আমার রাজনীতিও মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের। লাঙ্গলকে নৌকায় তোলার ঘোষণা জনসভায় ঢাকা-৪ আসনে মহাজোটের প্রার্থী জাতীয় পার্টির সৈয়দ আবুল হোসেন বাবলা, ঢাকা-৬ আসনেও কাজী ফিরোজ রশীদ, ঢাকা-৭ আসনে নৌকার প্রার্থী হাজী মোহাম্মদ সেলিম, ঢাকা-৮ আসনে রাশেদ খান মেনন, ঢাকা-৯ আসনের সাবের হোসেন চৌধুরীকে পরিচয় করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। ঢাকা-৩ আসনে নৌকার প্রার্থী নসরুল হামিদ বিপু ও ঢাকা-১০ আসনের শেখ ফজলে নূর তাপস নির্বাচনী প্রচারণায় থাকায় এই জনসভায় উপস্থিত ছিলেন না। সিলেটের জনসভার মতো কামরাঙ্গীরচরের জনসভাতেও জোটের শরিক জাতীয় পার্টির নেতাদেরকে আওয়ামী লীগে নিয়ে আসার পরিকল্পনার কথা জানান দলের সভাপতি। ঢাকা-৬ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী কাজী ফিরোজ রশীদকে পরিচয় করিয়ে দিতে গিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, যদিও ছাত্রলীগ করেছিলেন, এখন করেন জাতীয় পার্টি।...কোনো অসুবিধা নাই, ভবিষ্যতে আমরা লাঙ্গল নৌকায় তুলে নেব। তবে এখন লাঙ্গল মার্কায় ঢাকা-৬ আসনে কাজী ফিরোজ রশীদের জন্য আমরা ভোট চাচ্ছি। ঢাকা-৪ আসনের জাতীয় পার্টির সৈয়দ আবু হোসেন বাবলাকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, যেহেতু আমাদের মহাজোটে প্রার্থী, তাই সেখানে নৌকার প্রার্থী দেই নাই, তাই লাঙ্গল মার্কাকে মহাজোটের মার্কা হিসাবে বাবলাকে ভোট দেওয়ার অনুরোধ করছি। ঢাকা-৭ আসনের হাজী সেলিম জনপ্রিয় একজন নেতা। যদিও অসুস্থ, তারপর আমরা তাকে মনোনয়ন দিয়েছি। আমরা চাই জনগণের সেবা সবসময় তিনি করে যান।
বিজয়ের মাসে স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি পরাজিত হবে :কাদের
অনলাইন ডেস্ক :আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি এখন এলোমেলো, হারার আগেই হেরে গেছে, বিএনপি কখনো বিজয়ী হতে পারবে না। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের এই বিজয়ের মাসে স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি পরাজিত হবে। বিএনপির মধ্যে আছে সন্ত্রাসী, দুর্নীতিবাজ আর খুনী। সারাদেশের জনগণ তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা যদি ক্ষমতায় আসে আবার হাওয়া ভবন তৈরি হবে, দুর্নীতিতে দেশ আবার চ্যাম্পিয়ন হবে। শেখ হাসিনা দেশকে আলোর পথে এনেছেন। বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশ আবার অন্ধকারে ফিরে যাবে।কাদের আজ নোয়াখালী-৩ নির্বাচনী আসনের সেনবাগ উপজেলার সেনবাগ সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এক পথ সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন। এসময় এ এলাকার আওয়ামী লীগের প্রার্থী এম মোরশেদ আলম, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আতাউর রহমান মানিক, সেনবাগ উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, পাঁচ বছর বিএনপি ক্ষমতায় থেকেও এ এলাকার কোন উন্নয়ন হয় নাই। অথচ গত পাঁচ বছরে ৯৬ ভাগ বিদ্যুৎ সংযোগসহ স্কুল-কলেজ ভবন পাকাকরণসহ বিভিন্ন উন্নয়ন হয়েছে। এ উন্নয়নকে অব্যাহত রাখতে হলে সকল ভেদাভেদ ভুলে নৌকার প্রার্থীকে বিজয়ী করতে হবে, তা না হলে এলাকার মানুষ উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হবে। এ সময় মন্ত্রী বলেন, সারাদেশে দুইশটি ইউনিয়নে ডিজিটাল সেন্টার গ্রামীণ জনগণকে তথ্য প্রযুক্তি সেবা দিয়ে যাচ্ছে, সকল রাস্তা পাকা হয়ে গেছে। এবার সরকার গঠন করলে প্রত্যেক পরিবার থেকে একজন বেকারকে চাকরি দেয়া হবে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে বাংলাদেশে রক্তের বন্যা বয়ে যাবে, লাশের পাহাড় গড়ে তুলবে।২০১৪ সালের আগুন সন্ত্রাসীদের যদি দেখতে না চান তাহলে আগামী ৩০ ডিসেম্বর নৌকায় ভোট দিয়ে নৌকার প্রার্থীকে বিজয়ী করতে হবে। আওয়ামী লীগ যদি আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ না হয় তাহলে আওয়ামী লীগের বিজয় অনিবার্য।বাসস
সন্ত্রাস ও সহিংসতার পথ বেছে নিয়েছে বিএনপি : এইচ টি ইমাম
অনলাইন ডেস্ক :আওয়ামী লীগের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান এইচ টি ইমাম বলেছেন, বিএনপি-জামায়াত নীল নকশা অনুযায়ী নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য সন্ত্রাস ও সহিংসতার পথ বেছে নিয়েছে।এরই ধারাবাহিকতায় আওয়ামী লীগের কার্যালয় ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আবার তারাই আওয়ামী লীগের ওপর পাল্টা হামলার অভিযোগ করছে। নির্বাচন নিয়ে মিথ্যাচার করছে।এইচ টি ইমাম আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।এসময় তিনি দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়াসহ নির্বাচনের লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড প্রতিষ্ঠার জন্য ইসি ও প্রশাসনের প্রতি আহবান জানান। এইচ টি ইমাম বলেন, বিএনপি-জামায়াত ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগের পাঁচ নেতা-কর্মীকে হত্যা এবং ২৫০ জনকে মারাত্মকভাবে আহত করেছে। তারা আওয়ামী লীগের শত শত দলীয় কার্যালয় ভাংচুর করেছে।তিনি বলেন, দেশের ২৪টি স্থানে বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসীরা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের ওপর বোমা, পেট্রলবোমা হামলা ও গুলিবর্ষণ করেছে। তারা ১১টি যানবাহন ভাংচুর করেছে এবং পুলিশের দুটি গাড়িতে হামলা চালিয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম বলেন, বিএনপি-জামায়াত সারাদেশে নাশকতার মাধ্যমে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকদের ভয়-ভীতি দেখাচ্ছে। তারা ২০০১ সালের মত সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন চালানোর পথ বেছে নিয়েছে।সারাদেশে নৌকার পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের মানুষ সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদের পৃষ্ঠপোষক বিএনপি-জামায়াতকে আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। তাই হাজার হাজার বিএনপির নেতা-কর্মী আওয়ামী লীগে যোগদান করছে। আগামী ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে আবারো দেশ পরিচালনার সুযোগ দেবে বলেও তিনি নিজ বিশ্বাসের কথা দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করেন।সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য খন্দকার বজলুল হক, রশিদুল আলম, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের আকতার উজ জামান, উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, উপ-দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়াসহ দলীয় নেতা-কমীরা উপস্থিত ছিলেন।বাসস
দেশের উন্নয়নে অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে এনডিসি গ্রাজুয়েটদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহবান
অনলাইন ডেস্ক :রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স (এনডিসি) এবং আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্সে (এএফডব্লিউসি) অংশগ্রহণকারীদের দক্ষতার সঙ্গে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার মাধ্যমে দেশের সার্বিক উন্নয়নে আরো অবদান রাখার আহবান জানিয়েছেন। এখানে মিরপুর ক্যান্টনমেন্টে শেখ হাসিনা কমপ্লেক্সে এনডিসি ও এএফডব্লিউ কোর্স ২০১৮ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে আজ তিনি বলেন, আশা করি সদ্য সমাপ্ত প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আপনারা চ্যালেঞ্জসমূহ দক্ষতার সঙ্গে মোকাবেলা করে দেশের সার্বিক উন্নয়নে আরো বেশী অবদান রাখবেন। সফলভাবে কোর্স সম্পন্ন করার জন্য কোর্সে অংশগ্রহণকারীদের অভিনন্দন জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন,আমার বিশ্বাস অর্জিত জ্ঞান, ইচ্ছাশক্তি এবং অঙ্গীকারকে সামনে রেখে আপনারা জনগণকে আরো বেশি সেবা দিতে পারবেন এবং দেশকে টেকসই উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে ইতিবাচক অবদান রাখতে সক্ষম হবেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, আপনারা নিশ্চয়ই অবগত আছেন যে, আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশের কৌশলগত গুরুত্ব ক্রমাগত বাড়ছে। বর্তমানে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ফোরামে বাংলাদেশ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও গঠনমূলক ভূমিকা রাখছে। সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারও সাথে বৈরিতা নয়- বঙ্গবন্ধু সূচিত এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে আমাদের পররাষ্ট্র নীতি পরিচালিত হচ্ছে। আবদুল হামিদ বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বশান্তি ও স্থিতিশীলতায় বিশ্বাসী। প্রতিবেশী দেশসমূহের সাথে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রাখতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এ কারণে নানাবিধ সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও পার্শ্ববর্তী মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ও নির্যাতিত লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তিনি বলেন, বিশ্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে সমুন্নত রেখে সরকার দেশের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে অসামান্য উন্নয়নের নজির স্থাপন করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় রূপকল্প-২০২১, রূপকল্প-২০৪১ এবং ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ অনুসরণ করে বাংলাদেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে। তবে এ যাত্রায় সফলতার পাশাপাশি অনেক চ্যালেঞ্জও আছে। রাষ্ট্রপতি বলেন, ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক অফিসারগণকে স্ট্র্যাটেজিক বিষয় ছাড়াও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সমসাময়িক বিভিন্ন ইস্যুতে কৌশলগত দিক সম্পর্কে উচ্চতর প্রশিক্ষণ প্রদান করে যাচ্ছে। ফলে অফিসারগণ সামরিক ও বেসামরিক বিষয়ে নীতিগ্রহণ ও বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হচ্ছেন। তিনি বলেন, ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের সুখ্যাতি এবং বহির্বিশ্বে এর সুপরিচিতি আমাদের জন্য সত্যিই একটি গর্বের বিষয়। এনডিসির শিক্ষা কার্যক্রমে অব্যাহত উঁচুমান ইতোমধ্যে এটিকে আন্তর্জাতিক মানের একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে। রাষ্ট্রপতি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যগণ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি যে-কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে জনগণের ভালোবাসা ও আস্থা অর্জন করতে সমর্থ হয়েছে। এ ছাড়াও দেশে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নসহ জাতিসংঘ মিশনে অংশ নিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের স্বাক্ষর রেখেছে । রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করে বলেন, জনগণ ও সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে এই অংশীদারিত্ব সময়ের পরিক্রমায় আরও বলিষ্ঠ হবে। সশস্ত্র বাহিনী দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের উঁচুমান সর্বদা বজায় রাখবে। রাষ্ট্রপতি বলেন, একটি পেশাদার ও প্রশিক্ষিত সশস্ত্র বাহিনী জাতীয় উন্নয়ন এবং নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব অর্জনের জন্য সদা পরিবর্তনশীল যুদ্ধ-কৌশল ও তথ্য-প্রযুক্তির বিকাশের দিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে। প্রযুক্তির প্রসার সাইবার ক্রাইমের মাত্রাকেও বাড়িয়ে দিচ্ছে। তাই তথ্যপ্রযুক্তি ও তার অপপ্রয়োগ সম্পর্কেও কর্মকর্তাদের সম্যক ধারণা থাকা অনস্বীকার্য। একবিংশ শতাব্দীর বহুমুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে ফোর্সেস-গোল ২০৩০ বাস্তবায়ন করছে। বন্ধুপ্রতীম দেশগুলো থেকে কোর্সে অংশগ্রহণকারীদের অভিনন্দন জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, আমি বিশ্বাস করি বাংলাদেশে বছরব্যাপী অবস্থান কালে আপনারা যে মূল্যবান জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন, তা ভবিষ্যতে আপনাদের আলোকিত করবে। এছাড়াও পেশাদারিত্বের সম্পর্ক ও নিয়মিত কর্মসূচীর বাইরে উষ্ণ সামাজিক বন্ধন ও বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছে। আপনারা এখান থেকে নিজ নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আপনারা বাংলাদেশের শুভেচ্ছা দূত হবেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিক, তিন বাহিনী প্রধানগণ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, সিনিয়র বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তা এবং বঙ্গভবনের সংশ্লিষ্ট সচিববৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।বাসস
স্পিকার শিরীনের জন্য ভোট চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক :দশম জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর জন্য ভোট চেয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, এই পীরগঞ্জ আমার আসন। আমার এই মেয়েকে আপনাদের হাতে তুলে দিচ্ছি। তাকে নৌকায় ভোট দেওয়া মানে আমাকে ভোট দেওয়া।রোববার বিকেলে রংপুর পীরগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী জনসভায় তিনি এ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিরীন শারমিন চৌধুরী যদি আবারও নির্বাচিত হয় এবং আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে তাকে আবারও স্পিকার করা হবে।স্পিকারের পদ হচ্ছে পার্লামেন্ট সর্বোচ্চ পদ, রাষ্ট্রপতি পদের পরেই হচ্ছে স্পিকার আর তারপরে হলো প্রধানমন্ত্রী। কাজেই আপনাদের সৌভাগ্য আমি আরো বড় একজনকে আপনাদের মাঝে এনে দিয়েছি।তিনি যোগ করে বলেন, তিনি (শিরীন) যেভাবে আন্তরিকতার সঙ্গে আপনাদের এই দীর্ঘদিন পীরগঞ্জে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন, আমার পক্ষে তো থাকা সম্ভব হতো না। কাজেই আমি দোয়া করি আপনারা তাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।বিএনপির সমালোচনা করে এ সময় শেখ হাসিনা বলেন,ওই জামায়াত ১৯৭১ সালে ছিল যুদ্ধাপরাধী। তারা গণহত্যা চালিয়েছে, মা-বোনের ইজ্জত লুটেছে, তারা এদেশের মানুষকে খুন করেছে, আগুন দিয়ে পুড়িয়েছে। ওই বিএনপি মিঠাপুকুর থেকে শুরু করে পুরো এলাকায় বাসে আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে, ট্রাক পুড়িয়েছে, রাস্তাঘাট কেটে দিয়েছেন, গাছ কেটেছে কাজেই তাদের থেকে সাবধান থাকবেন।তাদের নেত্রী খালেদা জিয়া চুরি করে, এতিমের টাকা মেরে খেয়ে জেলে রয়েছে। আর তার ছেলে টাকা পাচার করেছে দশ ট্রাক গ্রেনেড হামলায় সাজাপ্রাপ্ত, ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় সাজাপ্রাপ্ত। এদের থেকে দেশবাসীকে সাবধান হতে হবে।
আবারও ক্ষমতায় এলে উন্নয়নের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
অনলাইন ডেস্ক :আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, নৌকা ক্ষমতায় আসলেই দেশের উন্নয়ন হয়। আবারও ক্ষমতায় এলে প্রতিশ্রুত সব উন্নয়নের ঘোষণা দেন তিনি।রোববার রংপুরের তারাগঞ্জ ও পীরগঞ্জে দুটি জনসভায় তিনি বলেন, দেশে আর মঙ্গা হবে না। এ ব্যাপারে সব ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।এ সময় বিএনপি-জামায়াত জোটের অপশাসনের কথাও তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার একটাই লক্ষ্য। আপনার ভালো থাকবেন। দু বেলা পেট ভরে ভাত খাবেন। ছেলেমেয়ে লেখাপড়া শিখবে। যুব সমাজের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।তাদের আমরা ট্রেনিং দিয়ে দিচ্ছি। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে ট্রেনিং দিয়ে দিচ্ছি যাতে তারা কাজ করে খেতে পারে। কর্মসংস্থান ব্যাংক থেকে বিনা জামানতে দুই লাখ টাকা মাত্র দুই পার্সেন্ট সার্ভিস চার্জে ঋণের সুযোগ করে দিয়েছি। কৃষকরা ১০ টাকায় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে পারে। ভর্তুকির টাকা ব্যাংকে চলে যাচ্ছে।তিনি যোগ করে বলেন: কৃষকদের উপকারভোগী কার্ড দিয়েছি। এই কার্ড দিয়ে স্বল্পমূল্যে কৃষি উপকরণ কিনতে পারে। সার-বীজ সব সহজলভ্য করে দিয়েছি। কৃষক যাতে তার উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পান তার ব্যবস্থাও করে দিয়েছি। দেশকে আমরা উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। একটি বাড়ি একটি খামার করে দিয়েছি। কোনও দিন যাতে খাদ্য নিরাপত্তায় ঘাটতি না হয়, মঙ্গা না হয় সেজন্যই একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প করে দিয়েছি।প্রায় ১৬ বছর পর নির্বাচনী সভা করতে রংপুরের তারাগঞ্জে আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাই শীত সকালের আড়মোড়া ভেঙে, নির্বাচনী উত্তাপ আর উষ্ণতায় সকাল থেকেই উৎসবমুখর তারাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মাঠ। বিমানে ঢাকা থেকে সৈয়দপুরে নেমে সড়কপথে, দুপুর নাগাদ সভা মঞ্চে পৌঁছালে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানায় উপস্থিত জনতা। তাদের অভিবাদনের জবাব দিয়ে উন্নয়নের কথা বলেন অঞ্চলের পুত্রবধূ।রংপুর-২ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবুল কালাম মো. আহসানুল হক চৌধুরী ডিউককে পরিচয় করিয়ে দিয়ে তার জন্য ভোট চান প্রধানমন্ত্রী।এসময় উত্তরাঞ্চলের উন্নয়নে টানা দুই মেয়াদে তার সরকারের নেয়া উদ্যোগগুলোর কথা মনে করিয়ে দেওয়া পাশাপাশি বিএনপি-জামায়াত জোটের ধ্বংসাত্মক রাজনীতিরও সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী।নির্বাচন নিয়ে বিরোধী জোটের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে দেশবাসীকে আহ্বানও জানান বঙ্গবন্ধুকন্যা।
অসুস্থ টেলি সামাদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক :চলচ্চিত্রের শক্তিমান কমেডি অভিনেতা টেলি সামাদ ভীষণ অসুস্থ। তার খোঁজ খবর নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।আজ (রবিবার) সকালে বর্তমান শারীরিক অবস্থা জানার জন্য টেলি সামাদের কাছে ফোন করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চিকিৎসক জুলফিকার লেলিন। জনপ্রিয় এই অভিনেতা অসুস্থ থাকায় টেলি সামাদের মেয়ে সোহেলা সামাদ কাকলীর সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত ওই চিকিৎসক। টেলি সামাদের মেয়ে দুপুরে চ্যানেল আই অনলাইনকে এ খবর জানিয়েছেন।সোহেলা সামাদ কাকলী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সকাল ৯ টার দিকে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক লেলিন সাহেব হাসপাতলে ফোন করে বাবার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন। খুব আন্তরিকভাবে কথা বলেছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সর্বোচ্চ চিকিৎসা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর তরফ থেকে জানতে চাওয়া হয়েছে চিকিৎসার ব্যয়ভার বহনের জন্য আর্থিক সাহায্যের প্রয়োজন কিনা! আমি বলেছি, আর্থিক সহায়তা দিলে খুব উপকার হবে। এর আগে ১৬ দিন স্কয়ার হাসপাতালে বাবা ভর্তি ছিলেন। সেখানে অনেক অর্থ ব্যয় হয়েছে।সোহেলা সামাদ কাকলী আরও বলেন, বাবার জন্য এর আগে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সহায়তা চাইনি। উনি নিজেই কোনো সহায়তার প্রয়োজন কিনা জানতে চেয়েছেন। নির্বাচনী ব্যস্ততার মধ্যেও তিনি আমার বাবার কথা মনে করেছেন, এটা অনেক বড় পাওয়া। হাসপাতের ডাক্তারদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর তরফ থেকে। যদি উন্নতি চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে, আমার বিশ্বাস প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার ব্যবস্থা করবেন।৪ ডিসেম্বর অসুস্থ হয়ে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন টেলি সামাদ। তখন ডাক্তার বলেছিলেন, টেলি সামাদের খাদ্য নালীতে সমস্যা রয়েছে। শুধু তাই নয়, তার বুকে ইনফেকশন ছিল, ডায়াবেটিস ছিল। রক্তের প্লাটিলেটও কমে যাচ্ছিলো বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। সেখানে ১৬ দিন চিকিৎসা নেওয়া পর বাসায় ফিরে আবার অসুস্থ হয়ে পড়েন চলচ্চিত্রের এক সময়কার দাপুটে অভিনেতা।সেজন্য তাকে গত ১৯ ডিসেম্বর রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। এখন সেখানেই তার চিকিৎসা চলছে। সর্বশেষ শারীরিক অবস্থার জানিয়ে সোহেলা সামাদ কাকলী বলেন, বাবার শারীরিক অবস্থা খুব ভালো না। অক্সিজেনের সমস্যা হচ্ছে, রক্তের হিমোগ্লোবিন কমে যাচ্ছে। এখনও আইসিইউতে রয়েছেন। বাবার সুস্থতা কামনায় পরিবারের পক্ষে দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করছি।অভিনেতা টেলি সামাদ ১৯৭৩ সালে কার বউ সিনেমা দিয়ে চলচ্চিত্রে পা রাখেন। চার দশকে পাঁচ শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। টেলি সামাদ একসময় তুমুল ব্যস্ত ছিলেন অভিনয়ে। কিন্তু এখন আর কোনো ছবিতে কাজ করছেন না। তার অভিনীত সর্বশেষ ছবি মুক্তি পায় জিরো ডিগ্রী ( ২০১৫)। অসুস্থতার আগে তিনি সারাদিন বাসায় থাকেন। টিভি দেখতেন, ছবি আঁকতেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর