জাপার ইশতেহারের ১৮ দফা,ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর পানি ও বিদ্যুৎ বিল মওকুফ করা হবে
অনলাইন ডেস্ক :একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহার ঘোষণা করেছে জাতীয় পার্টি (জাপা)। আজ শুক্রবার দলটির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের বনানীর কার্যালয়ে ইশতেহারটি ঘোষণা করা হয়। ঘোষণা করেন চেয়ারম্যানের বিশেষ সহকারী ও সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার।ইশতেহারে বলা হয়েছে, জাপা ক্ষমতায় এলে শিক্ষাব্যবস্থা থেকে পিএসসি ও জেএসসি পরীক্ষা বাতিল করা হবে। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জন্য সংসদে ৩০টি আসন রাখা হবে। এর জন্য সংসদে থাকবে ৩৮০টি আসন। এ ছাড়া ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর পানি ও বিদ্যুৎ বিল মওকুফ করা হবে এরশাদ সরকার ক্ষমতায় এলে। নির্বাচনে জয়ী হলে জাপা কী করবে, তার ১৮ দফা তুলে ধরেছেন রুহুল আমিন হাওলাদার। এ ছাড়া ইশতেহারে দফাগুলো পূরণে সময়সীমাও বলা হয়েছে।জাপার ইশতেহারের ১৮ দফা তুলে ধরা হলো : ১. প্রদেশিক ব্যবস্থার প্রবর্তন দেশে এককেন্দ্রিক শাসন ব্যবস্থা পরিবর্তন করে প্রদেশিক ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হবে। দেশের আটটি বিভাগকে আটটি প্রদেশে উন্নীত করা হবে। দুই স্তরবিশিষ্ট কাঠামো থাকবে শাসন ব্যবস্থায়।২. নির্বাচন পদ্ধতি সংস্কার নির্বাচন পদ্ধতির সংস্কার করে আনুপাতিক ভোটের ভিত্তিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হবে। নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা দেওয়া হবে। সন্ত্রাস, অস্ত্র, কালো টাকার প্রভাবমুক্ত নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচন পদ্ধতি সংস্কার করা হবে। ৩. পূর্ণাঙ্গ উপজেলা ব্যবস্থা প্রবর্তনউপজেলা আদালত ও পারিবারিক আদালতসহ পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থা চালু করা হবে। স্থানীয় সরকার কাঠামো শক্তিশালী করে ও নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যানের কাছে উপজেলা ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে।৪. বিচার বিভাগের স্বাধীনতাবিচার বিভাগের স্বাধীনতা দেওয়া হবে ৷ জাতীয় পার্টি সুযোগ পেলে এক বছরের মধ্যে এটি নিশ্চিত করা হবে। পাঁচ বছরের মধ্যে মামলার জট শূন্যের কোঠায় আনা হবে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মামলার প্রবণতা বন্ধ করা হবে। ৫. ধর্মীয় মূল্যবোধধর্মীয় মূল্যবোধকে সবার ওপরে স্থান দেওয়া হবে। সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ ও পানির বিল মওকুফ করা হবে। এক বছরে এ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ৬. কৃষকের কল্যাণ সাধনকৃষককে ভর্তুকি মূল্যে সার, ডিজেল ও কীটনাশক সরবরাহ করা হবে। কৃষি উপকরণের কর শুল্ক মওকুফ করা হবে। এ ছাড়া কৃষকদের বিরুদ্ধে কোনো সার্টিফিকেট মামলা করা হবে না। সহজ শর্তে কৃষিঋণ সরবরাহ করা হবে।৭. সন্ত্রাস দমনে কঠোর ব্যবস্থা সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি দমনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটা কোনো কঠিন কাজ নয়, সরকারের সদিচ্ছা যথেষ্ট। জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় এলে তিন মাসে এসব নির্মূল করবে।৮. জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্য স্থিতিশীল করা হবে। সারা দেশে পর্যায়ক্রমে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। উত্তরবঙ্গের শিল্পায়ন ব্যবস্থাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অনগ্রসর অঞ্চলে শিল্পায়ন ব্যবস্থা চালু করা হবে।৯. ফসলি জমি নষ্ট করা যাবে না জাতীয় অর্থনৈতিক স্বার্থে শিল্প প্রতিষ্ঠা ব্যতীত আবাসিক স্থাপনা গঠনে কৃষিজমি বা ফসলি জমি নষ্ট করা প্রতিরোধে আইন গড়ে তোলা হবে।১০. শিক্ষা পদ্ধতির সংশোধন পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির পরীক্ষা বাদ দেওয়া হবে। শিক্ষা পদ্ধতির সংশোধনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের টিউশন নির্ভরতা কমানো হবে। সুলভ মূল্যে শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ করা হবে। ১১. স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ ইউনিয়নভিত্তিক সেবা খাত উন্নত করা হবে। প্রতিটি ইউনিয়নের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসকদের দায়িত্ব পালন নিশ্চিত করা হবে।১২. খাদ্য নিরাপত্তা খাদ্যে ভেজাল কিংবা বিষাক্ত দ্রব্য মেশানোর বিরুদ্ধে বিদ্যমান আইন সংশোধন করে মৃত্যুদণ্ডের বিধান করা হবে।১৩. শান্তি ও সহাবস্থানের রাজনীতি প্রবর্তন হরতাল অবরোধের মতো ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি নিষিদ্ধ করা হবে। শান্তি ও সহাবস্থানের রাজনীতি প্রবর্তন করে সত্যিকারের গণতন্ত্রের বিকাশ ঘটানো হবে। ১৪. সড়ক নিরাপত্তা সড়ক দুর্ঘটনা রোধে রাস্তাঘাট সংস্কার করা হবে। প্রয়োজনীয় রাস্তায় ৫০ ভাগ প্রশস্ত করা হবে। ১৫. গুচ্ছগ্রাম ও পথকলি ট্রাস্ট পুনঃপ্রতিষ্ঠা গুচ্ছগ্রাম ও পথকলি ট্রাস্ট পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হবে। ১৬. পল্লী রেশনিং পদ্ধতি চালু করা হবে পল্লী অঞ্চলের মানুষের ন্যূনতম অন্নের সংস্থান নিশ্চিত করতে পল্লী অঞ্চলে রেশনিং ব্যবস্থা চালু করা হবে। এক বছরের মধ্যে রেশনিং ব্যবস্থায় চাল, ডাল, তেল, চিনি পৌঁছে দেওয়া হবে। ১৭. শিল্প ও অর্থনীতির অগ্রগতি সাধনদেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অঞ্চলে অঞ্চলে অর্থনৈতিক বৈষম্য হ্রাস করতে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। শিল্পঋণ সহজলভ্য ও নতুন শিল্প স্থাপন করা হবে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়াতে সর্বাত্মক উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।১৮. ধর্মীয় সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষাসাধারণ নির্বাচন বাদে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জন্য ৩০টি আসন সংরক্ষিত করা হবে। সে ক্ষেত্রে সংসদের মোট আসন ৩৮০টি করা হবে। তাদের জনসংখ্যার হার অনুসারে চাকরি ও শিক্ষার হার নিশ্চিত করা হবে। ধর্মীয় সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় ও কমিশন গঠন করা হবে।
চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মনোনয়ন নিয়েছেন যারা
অনলাইন :একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগের ২২৫ এবং বিএনপির ৯৭ জন এ পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলা কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।সূত্র : মানবজমিন।আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা উপকমিটির সদস্য আরশেদুল আলম বাচ্চু জানান, চট্টগ্রামের ১৬ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীর সংখ্যা ২২৫ জন। যা প্রতিটি আসনে গড়ে ১৪ জনে পৌছেছে। এরমধ্যে আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বেশি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া) আসনে। এখানে মনোনয়ন প্রত্যাশীর সংখ্যা ২৬ জন। এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন ৫ জন। এরা হলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন, একই আসনে ২০০৮ সালে বিএনপির প্রার্থী ও নির্বাহী কমিটির সদস্য শামসুল আলম, তাঁর ছেলে মো. শোয়েব রিয়াদ, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, মহানগর মহিলা দলের সিনিয়র সহ সভাপতি বেগম ফাতেমা বাদশা। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি, সিডিএ চেয়ারম্যান মো. আবদুচ ছালাম, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহসভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, পিপি অ্যাডভোকেট এম এ নাসের, কাউন্সিলর তারেক সোলায়মান সেলিম, কোতোয়ালি থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসান মনসুর রয়েছেন। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বাকলিয়া-কোতোয়ালীর ১৫ থেকে ২৩ ও ৩১ থেকে ৩৫ নং ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত আসনটি চট্টগ্রামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদার আসন হিসেবে বিবেচিত। এরপর চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন ১১ জন। এরা হলেন- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, শহীদ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার, সাবেক এমপি ও মহিলা কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি বেগম নুরী আরা ছাফা, ফটিকছড়ি উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ ছালাউদ্দিন, চট্টগ্রাম পেশাজীবী সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিভিল সার্জন ডা. খুরশীদ জামিল চৌধুরী, সাবেক পিজিআর প্রধান কর্নেল (অব.) আজিমুল্লাহ বাহার চৌধুরী, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক বিচারপতি ফয়সল মাহমুদ ফয়জী, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী, সরোয়ার আলমগীর, চসিকের কাউন্সিলর জেসমিনা খানম ও শিল্পপতি রফিকুল আলম চৌধুরী। এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম, প্রয়াত সংসদ সদস্য রফিকুল আনোয়ারের মেয়ে খাদিজাতুল আনোয়ার সনি, তরুণ আইনজীবী ব্যারিস্টার তানজীব উল আলমসহ ২৫ জন। চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ডা. মোহসিন জিল্লুর করিম, যুব বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক এহছানুল মৌলা, সাতকানিয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি সালাউদ্দিন, মোক্তার আহমেদ ও চন্দনাইশ পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুল আনোয়ার চৌধুরী। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমানসহ ২৩ জন। চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া ও বোয়ালখালীর শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউপি) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, তাঁর ভাতিজা শহীদ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী, অধ্যাপক ইউনুছ চৌধুরী, কুতুব উদ্দিন বাহার, ইলিয়াছ চৌধুরী, আবু আহমেদ হাসনাত, মোহাম্মদ আইয়ুব, জসিম উদ্দিন চৌধুরী, উত্তর জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এস এ মুরাদ চৌধুরী ও এডভোকেট রেজাউল করিম রেজাসহ ১১ জন। আর আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ড. হাছান মাহমুদ, বিএমএ নেতা ডা. ফয়সল ইকবাল চৌধুরী, প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা সাদেক চৌধুরীর ছোট ভাই ওসমান গণি চৌধুরীসহ চার জন। চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, গোলাম আকবর খোন্দকার, হুম্মাম কাদের চৌধুরী, উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জসিম সিকদার ও এডভোকেট ফরিদা আকতার। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনসহ চার জন। চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, তাঁর পুত্র ব্যরিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এস এম ফজলুল হক, ব্যরিস্টার শাকিলা ফারজানা, নগর বিএনপির সহ-সভাপতি সৈয়দ আজম উদ্দিন। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ সালাম ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইউনূস গণি চৌধুরী, নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য মাহমুদ সালাহউদ্দিন চৌধুরীসহ ১০ জন। চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও সাবেক যুবদল নেতা কাজী বেলাল উদ্দীন, নগর যুবদলের সভাপতি মোশারফ হোসেন দিপ্তী। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ডা. আফছারুল আমিন, বিএনপির সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম, নগর যুবলীগের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু এবং যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ মাহমুদসহ ১৬ জন। চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য এম এ লতিফ, নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খোরশেদ আলম সুজন ও আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চুসহ ১৭ জন। চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মোরশেদ খান, মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান ও এরশাদ উল্লাহ। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমেদ, সিডিএ চেয়ারম্যান মো. আবদুচ ছালামসহ ১৭ জন। চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আলহাজ আলী আব্বাস, আবু মোহাম্মদ নিপার, মোস্তাফিজুর রহমান ও দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক সালাউদ্দিন সুমন। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ওয়াসিকা আয়শা খানসহ চার জন। চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুন্ড-কাট্টলী) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও দলের যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরী, নগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তি, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, সাবেক সচিব ও আইজিপি এ আই ওয়াই বি সিদ্দিকী, এ কে এম আবু তাহের বিএসসি, উত্তর জেলা কৃষক দলের সভাপতি ইসহাক কাদের চৌধুরী, পারভেজ মুন্না, মোহাম্মদ ফেরদৌস মুন্না ও দিদারুল আলম দিদার। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য দিদারুল আলম, উত্তর জেলা যুবলীগের সভাপতি এস এম আল মামুন, কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের সদস্য মোস্তফা কামাল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল বাকের ভূঁইয়াসহ ১৭ জন। চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গাজী শাহজাহান জুয়েল, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সৈয়দ সাদাত আহমদ, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ইদ্রিস মিয়া, এনামুল হক এনাম ও দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাইফুদ্দীন সালাম মিঠু। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য শামসুল হক চৌধুরী, যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বদিউল আলম, সাবেক সংসদ সদস্য চেমন আরা তৈয়ব, বিজিএমইএ নেতা মোহাম্মদ নাছিরসহ ৯ জন। চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শেখ মো. মহিউদ্দীন, প্রচার সম্পাদক নাজমুল মোস্তফা আমিন, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক মুজিবুর রহমান, দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আবদুল গফফার চৌধুরী এবং তাঁর ছেলে তরুণ আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ ওসমান চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল নাঈম চৌধুরী রিকু। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন নদভী, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আবু সুফিয়ান, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাঈনুদ্দিন হাসান চৌধুরীসহ ১৮ জন। চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, সহ সভাপতি এডভোকেট ইফতেখার হোসেন চৌধুরী মহসিন, সাবেক পৌর মেয়র ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক কামরুল ইসলাম হোসাইনী, মহিলা দল নেত্রী মাহমুদা সুলতানা চৌধুরী ঝর্ণা প্রমুখ। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, দৈনিক পূর্বদেশের সম্পাদক মুজিবুর রহমান, শিল্পপতি আবদুল্লাহ কবির লিটনসহ ১২ জন । চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনের জন্য বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন সাবেক এমপি এম. এ জিন্নাহ, মেজর জেনারেল (অব.) জেড এ খান, মুক্তিযোদ্ধা দলের কেন্দ্রীয় নেতা মনিরুল ইসলাম ইউসুফ, উপজেলা বিএনপি আহ্বায়ক নুরুল আমিন, উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল আমিন, মেজর (অব.) নুরুল মোস্তফা, সাহেদুল ইসলাম চৌধুরী, আতিকুল ইসলাম লতিফী, সাবেক ছাত্রদল নেতা সরোয়ার উদ্দিন সেলিম, ড. এম এম এমরান চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল ইসলাম চৌধুরী, ফখরুল ইসলাম ও আজিজুর রহমান চৌধুরী। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি গিয়াস উদ্দিন ও সদস্য মাহবুব উর রহমান রুহেল এবং ব্যবসায়ী নিয়াজ মোর্শেদ এলিটসহ ৯ জন। চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশা, উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ফোরকান উদ্দিন রিজভী, উপজেলা বিএনপি সদস্য নুরুল মোস্তফা খোকন, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল পাশা বাবুল, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন, এডভোকেট আবদুল হামিদ ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য আশরাফ উদ্দিন জনি। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য মাহফুজুর রহমান মিতাসহ ১৪ জন।
চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মনোনয়ন নিয়েছেন যারা
অনলাইন :একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগের ২২৫ এবং বিএনপির ৯৭ জন এ পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলা কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।সূত্র : মানবজমিন।আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা উপকমিটির সদস্য আরশেদুল আলম বাচ্চু জানান, চট্টগ্রামের ১৬ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীর সংখ্যা ২২৫ জন। যা প্রতিটি আসনে গড়ে ১৪ জনে পৌছেছে। এরমধ্যে আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বেশি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া) আসনে। এখানে মনোনয়ন প্রত্যাশীর সংখ্যা ২৬ জন। এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন ৫ জন। এরা হলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন, একই আসনে ২০০৮ সালে বিএনপির প্রার্থী ও নির্বাহী কমিটির সদস্য শামসুল আলম, তাঁর ছেলে মো. শোয়েব রিয়াদ, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, মহানগর মহিলা দলের সিনিয়র সহ সভাপতি বেগম ফাতেমা বাদশা। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি, সিডিএ চেয়ারম্যান মো. আবদুচ ছালাম, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহসভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, পিপি অ্যাডভোকেট এম এ নাসের, কাউন্সিলর তারেক সোলায়মান সেলিম, কোতোয়ালি থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসান মনসুর রয়েছেন। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বাকলিয়া-কোতোয়ালীর ১৫ থেকে ২৩ ও ৩১ থেকে ৩৫ নং ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত আসনটি চট্টগ্রামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদার আসন হিসেবে বিবেচিত। এরপর চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন ১১ জন। এরা হলেন- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, শহীদ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার, সাবেক এমপি ও মহিলা কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি বেগম নুরী আরা ছাফা, ফটিকছড়ি উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ ছালাউদ্দিন, চট্টগ্রাম পেশাজীবী সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিভিল সার্জন ডা. খুরশীদ জামিল চৌধুরী, সাবেক পিজিআর প্রধান কর্নেল (অব.) আজিমুল্লাহ বাহার চৌধুরী, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক বিচারপতি ফয়সল মাহমুদ ফয়জী, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী, সরোয়ার আলমগীর, চসিকের কাউন্সিলর জেসমিনা খানম ও শিল্পপতি রফিকুল আলম চৌধুরী। এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম, প্রয়াত সংসদ সদস্য রফিকুল আনোয়ারের মেয়ে খাদিজাতুল আনোয়ার সনি, তরুণ আইনজীবী ব্যারিস্টার তানজীব উল আলমসহ ২৫ জন। চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ডা. মোহসিন জিল্লুর করিম, যুব বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক এহছানুল মৌলা, সাতকানিয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি সালাউদ্দিন, মোক্তার আহমেদ ও চন্দনাইশ পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুল আনোয়ার চৌধুরী। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমানসহ ২৩ জন। চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া ও বোয়ালখালীর শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউপি) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, তাঁর ভাতিজা শহীদ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী, অধ্যাপক ইউনুছ চৌধুরী, কুতুব উদ্দিন বাহার, ইলিয়াছ চৌধুরী, আবু আহমেদ হাসনাত, মোহাম্মদ আইয়ুব, জসিম উদ্দিন চৌধুরী, উত্তর জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এস এ মুরাদ চৌধুরী ও এডভোকেট রেজাউল করিম রেজাসহ ১১ জন। আর আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ড. হাছান মাহমুদ, বিএমএ নেতা ডা. ফয়সল ইকবাল চৌধুরী, প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা সাদেক চৌধুরীর ছোট ভাই ওসমান গণি চৌধুরীসহ চার জন। চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, গোলাম আকবর খোন্দকার, হুম্মাম কাদের চৌধুরী, উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জসিম সিকদার ও এডভোকেট ফরিদা আকতার। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনসহ চার জন। চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, তাঁর পুত্র ব্যরিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এস এম ফজলুল হক, ব্যরিস্টার শাকিলা ফারজানা, নগর বিএনপির সহ-সভাপতি সৈয়দ আজম উদ্দিন। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ সালাম ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইউনূস গণি চৌধুরী, নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য মাহমুদ সালাহউদ্দিন চৌধুরীসহ ১০ জন। চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও সাবেক যুবদল নেতা কাজী বেলাল উদ্দীন, নগর যুবদলের সভাপতি মোশারফ হোসেন দিপ্তী। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ডা. আফছারুল আমিন, বিএনপির সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম, নগর যুবলীগের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু এবং যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ মাহমুদসহ ১৬ জন। চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য এম এ লতিফ, নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খোরশেদ আলম সুজন ও আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চুসহ ১৭ জন। চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মোরশেদ খান, মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান ও এরশাদ উল্লাহ। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমেদ, সিডিএ চেয়ারম্যান মো. আবদুচ ছালামসহ ১৭ জন। চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আলহাজ আলী আব্বাস, আবু মোহাম্মদ নিপার, মোস্তাফিজুর রহমান ও দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক সালাউদ্দিন সুমন। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ওয়াসিকা আয়শা খানসহ চার জন। চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুন্ড-কাট্টলী) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও দলের যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরী, নগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তি, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, সাবেক সচিব ও আইজিপি এ আই ওয়াই বি সিদ্দিকী, এ কে এম আবু তাহের বিএসসি, উত্তর জেলা কৃষক দলের সভাপতি ইসহাক কাদের চৌধুরী, পারভেজ মুন্না, মোহাম্মদ ফেরদৌস মুন্না ও দিদারুল আলম দিদার। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য দিদারুল আলম, উত্তর জেলা যুবলীগের সভাপতি এস এম আল মামুন, কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের সদস্য মোস্তফা কামাল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল বাকের ভূঁইয়াসহ ১৭ জন। চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গাজী শাহজাহান জুয়েল, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সৈয়দ সাদাত আহমদ, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ইদ্রিস মিয়া, এনামুল হক এনাম ও দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাইফুদ্দীন সালাম মিঠু। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য শামসুল হক চৌধুরী, যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বদিউল আলম, সাবেক সংসদ সদস্য চেমন আরা তৈয়ব, বিজিএমইএ নেতা মোহাম্মদ নাছিরসহ ৯ জন। চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শেখ মো. মহিউদ্দীন, প্রচার সম্পাদক নাজমুল মোস্তফা আমিন, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক মুজিবুর রহমান, দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আবদুল গফফার চৌধুরী এবং তাঁর ছেলে তরুণ আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ ওসমান চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল নাঈম চৌধুরী রিকু। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন নদভী, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আবু সুফিয়ান, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাঈনুদ্দিন হাসান চৌধুরীসহ ১৮ জন। চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, সহ সভাপতি এডভোকেট ইফতেখার হোসেন চৌধুরী মহসিন, সাবেক পৌর মেয়র ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক কামরুল ইসলাম হোসাইনী, মহিলা দল নেত্রী মাহমুদা সুলতানা চৌধুরী ঝর্ণা প্রমুখ। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, দৈনিক পূর্বদেশের সম্পাদক মুজিবুর রহমান, শিল্পপতি আবদুল্লাহ কবির লিটনসহ ১২ জন । চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনের জন্য বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন সাবেক এমপি এম. এ জিন্নাহ, মেজর জেনারেল (অব.) জেড এ খান, মুক্তিযোদ্ধা দলের কেন্দ্রীয় নেতা মনিরুল ইসলাম ইউসুফ, উপজেলা বিএনপি আহ্বায়ক নুরুল আমিন, উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল আমিন, মেজর (অব.) নুরুল মোস্তফা, সাহেদুল ইসলাম চৌধুরী, আতিকুল ইসলাম লতিফী, সাবেক ছাত্রদল নেতা সরোয়ার উদ্দিন সেলিম, ড. এম এম এমরান চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল ইসলাম চৌধুরী, ফখরুল ইসলাম ও আজিজুর রহমান চৌধুরী। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি গিয়াস উদ্দিন ও সদস্য মাহবুব উর রহমান রুহেল এবং ব্যবসায়ী নিয়াজ মোর্শেদ এলিটসহ ৯ জন। চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশা, উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ফোরকান উদ্দিন রিজভী, উপজেলা বিএনপি সদস্য নুরুল মোস্তফা খোকন, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল পাশা বাবুল, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন, এডভোকেট আবদুল হামিদ ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য আশরাফ উদ্দিন জনি। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য মাহফুজুর রহমান মিতাসহ ১৪ জন।
৩০০ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালিকা তৈরি,চট্রগ্রাম-১ ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন,চট্টগ্রাম-৯ মহ
নিজেস্ব প্রতিনিধি :সরকারের হাইকমান্ড গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর পৃথক রিপোর্ট বিচার-বিশ্লষণপূর্বক ৩০০ আসনে একটি প্রার্থী তালিকা তৈরি করে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র। সূত্র মতে, নির্বাচনকে সামনে রেখে হাইকমান্ড প্রার্থি তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে শরীক দলগুলোর বর্তমান আসনগুলোর প্রতি দৃষ্টি রেখেছেন। স্বল্পসংখ্যক আসন প্রার্থী নির্বাচন বাদ রাখা হয়েছে শরীক দলগুলোর কয়েকজন সংসদ সদস্যের কথা মাথায় রেখে। নির্বাচনের প্রাক্কালে তারা মনোনয়নের বিনিময়ে আওয়ামী লীগে যোগদান করবেন বলে জানা যায়। হাইকমান্ড কর্তৃক তৈরিকৃত মনোনয়ন তালিকাটি এই মুহূর্তে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ না করলেও শিগগিরই মনোনীত প্রার্থীদের মৌখিকভাবে মাঠে নামার নির্দেশ দেয়া হবে হাইকমান্ড থেকে। প্রার্থী তালিকাটি যথাসময়ে দলের সংসদীয় বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত হয়ে আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবে বলেও জানা গেছে। অনিবার্য কারণ ব্যতীত তালিকায় খুব একটা যোগ-বিয়োগের সম্ভাবনা নেই বলে দাবি করেছে এ সূত্রটি।সূত্র :ঢাকা রিপোর্ট ।সূত্র মতে,অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেয়ার নীতিগ্রহণ করে আওয়ামী লীগ তার গতি প্রকৃতি নির্ধারণ করছে। আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নাম ও আসন নিম্নে দেয়া হলো। ঢাকা-১ আব্দুল মান্নান খান, ঢাকা-২ শাহীন আহমেদ, ঢাকা-৩ নসরুল হামিদ বীপু, ঢাকা-৪ ডঃ আওলাদ হোসেন, ঢাকা-৫ মশিউর রহমান সজল, ঢাকা-৬ শাহে আলম মুরাদ, ঢাকা-৭ ডাঃ মোস্তফা জালাল মহিউদ্দীন, ঢাকা-৮ ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট, ঢাকা-৯ মোজাফফর হোসেন পল্টু, ঢাকা-১০ শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা-১১ একেএম রহমতউল্লাহ, ঢাকা-১২ আসাদুজ্জামান খান কামাল, ঢাকা-১৩ জাহাঙ্গীর কবির নানক, ঢাকা-১৪ সাবিনা আকতার তুহিন, ঢাকা-১৫ গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু, ঢাকা-১৬ এম এ মান্নান কচি, ঢাকা-১৭ মুহম্মদ ফারুক খান, ঢাকা-১৮ অ্যাডঃ সাহারা খাতুন, ঢাকা-১৯ তৌহিদ জং মুরাদ, ঢাকা-২০ বেনজীর আহমেদ। নারায়ণগঞ্জ-১ গোলাম দস্তগীর গাজী,নারায়ণগঞ্জ-২ নজরুল ইসলাম বাবু, নারায়ণগঞ্জ-৩ কায়সার হাসনাত, নারায়ণগঞ্জ-৪ একেএম শামীম ওসমান, নারায়ণগঞ্জ-৫ এস এম আকরাম। গাজীপুর-১ আকম মোজাম্মেল হক, গাজীপুর-২ জাহিদ আহসান রাসেল,গাজীপুর-৩ জামিল হাসান দুর্জয়,গাজীপুর-৪ সিমিন হোসেন রিমি,গাজীপুর-৫ আখতারুজ্জামান। মুন্সিগঞ্জ-১ ডাঃ বদিউজ্জামান ডাব্লু, মুন্সিগঞ্জ-২ অ্যাডঃ মাহবুবে আলম, মুন্সিগঞ্জ-৩ মৃণাল কান্তি দাস। কিশোরগঞ্জ-১ সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ সোহরাব উদ্দিন, কিশোরগঞ্জ-৩ ডঃ মিজানুল হক, কিশোরগঞ্জ-৪ রেজওয়ান আহমেদ তৌফিক, কিশোরগঞ্জ-৫ আফজাল হোসেন, কিশোরগঞ্জ-৬ নাজমুল হাসান পাপন। নরসিংদী-১ নজরুল ইসলাম, নরসিংদী-২ কামরুল আশরাফ খান, নরসিংদী-৩ সিরাজুল ইসলাম মোল্লা, নরসিংদী-৪ নুরুল মজিদ হুমাউন, নরসিংদী-৫ রাজিউদ্দীন আহমেদ রাজুর পুত্র। গোপালগঞ্জ-১ শেখ রেহানা, গোপালগঞ্জ-২ শেখ ফজলুল করিম সেলিম, গোপালগঞ্জ-৩ শেখ হাসিনা। মাদারীপুর-১ নূরে আলম চৌধুরী লিটন, মাদারীপুর-২ শাহজাহান খান, মাদারীপুর-৩ আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম। শরিয়তপুর-১ বি এম মোজাম্মেল হক, শরিয়তপুর-২ একেএম এনামুল হক শামীম,শরিয়তপুর-৩ নাহিম রাজ্জাক। ফরিদপুর-১ ডাঃ দিলীপ রায়, ফরিদপুর-২ আয়মন আকবর চৌধুরী, ফরিদপুর-৩ ইঞ্জিনয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ফরিদপুর-৪ মজিবর রহমান চৌধুরী। কুমিল্লা-১ সুবিদ আলী ভুঁইয়া, কুমিল্লা-২ সেলিমা আহমেদ, কুমিল্লা-৩ ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন, কুমিল্লা-৪ রাজী মোহাম্মদ ফখরুল, কুমিল্লা-৫ আব্দুল মতিন খসরু, কুমিল্লা-৬ আফম বাহাউদ্দীন বাহার, কুমিল্লা-৭ ডাঃ প্রাণ গোপাল দত্ত, কুমিল্লা-৮ অধ্যাপক আলী আশরাফ, কুমিল্লা-৯ তাজুল ইসলাম, কুমিল্লা-১০ আহম মোস্তফা কামাল, কুমিল্লা-১১ মজিবুল হক মুজিব। চট্রগ্রাম-১ ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম-২ চট্টগ্রাম-৩ মাহফুজুর রহমান মিতা, চট্টগ্রাম-৪, চট্টগ্রাম-৫, চট্টগ্রাম-৬, চট্টগ্রাম-৭ ডঃ হাসান মাহমুদ, চট্টগ্রাম-৮, চট্টগ্রাম-৯ মহিবুল হাসান নওফেল, চট্টগ্রাম-১০ মঞ্জুরুল আলম, চট্টগ্রাম-১১ আব্দুল লতিফ, চট্টগ্রাম-১২ শামসুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৩ সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, চট্টগ্রাম-১৪ নজরুল ইসলাম চৌধুরী। চাঁদপুর-১ গোলাম হোসেন, চাঁদপুর-২ মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, চাঁদপুর-৩ সুজিৎ রায় নন্দী, চাঁদপুর-৪ শামসুল হক ভুঁইয়া, চাঁদপুর-৫ রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম। দিনাজপুর-১ মনোরঞ্জণ শীল গোপাল, দিনাজপুর-২ খালিদ মাহমুূদ চৌধুরী, দিনাজপুর-৩ ইকবালুর রহিম, দিনাজপুর-৪ আবুল হাসান মাহমুদ আলী, দিনাজপুর-৫ মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার, দিনাজপুর-৬ শিবলী সাদিক। ঠাকুরগাঁও-১ রমেশ চন্দ্র সেন, ঠাকুরগাঁও-২ মাজহারুল ইসলাম সুজন, ঠাকুটগাঁও-৩। নীলফামারী-১ আফতাবউদ্দিন সরকার, নীলফামারী-২ আসাদুজ্জামান নূর, নীলফামারী-৩ অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা, নীলফামারী-৪ আমেনা কোহিনুর আলম। লালমনিরহাট-১ মোতাহার হোসেন, লালমনিরহাট-২ নুরুজ্জামান আহমেদ, লালমনিরহাট-৩ আবু সালেহ সাইদ দুলাল। রংপুর-১ রংপুর-২ আহসানুল হক চৌধুরী ডিউক, রংপুর-৩ আনোয়ারুল ইসলাম, রংপুর-৪ টিপু মন্সী, রংপুর-৫ এইচ এন আশিকুর রহমান, রংপুর-৬ সজীব ওয়াজেদ জয়। কুড়িগ্রাম-১, কুড়িগ্রাম-২ জাফর আলী, কুড়িগ্রাম-৩ শওকত আলী বীরবিক্রম, কুড়িগ্রাম-৪ জাকির হোসেন। গাইবান্ধা -১ গোলাম মোস্তফা আহমেদ, গাইবান্ধা-২ সৈয়দ শামস উল আলম হীরা, গাইবান্ধা-৩ ডাঃ ইউনুস আলী সরকার, গাইবান্ধা-৪ আবুল কালাম আজাদ, গাইবান্ধা-৫ মাহমুদ হোসেন রিপন। রাজশাহী-১ মতিউর রহমান, রাজশাহী-২ আব্দুল খালেক, রাজশাহী-৩ আয়েন উদ্দীন, রাজশাহী-৪ এনামুল হক, রাজশাহী-৫ এম এ ওয়াদুদ দারা, রাজশাহী-৬ শাহরিয়ার আলম। নাটোর-১ আবুল কালাম, নাটোর-২ শফিকুল ইসলাম শিমুল, নাটোর-৩ জুনায়েদ আহম্মেদ পলক। পাবনা-১ অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, পাবনা-২ আজিজুল হক আরজু, পাবনা-৩ মকবুল হোসেন, পাবনা-৪ গোলাম ফারুক প্রিন্স। নওগাঁ-১ সাধন চন্দ্র মজুমদার, নওগাঁ-২ শহীদুজ্জামান সরকার, নওগাঁ-৩ ছলিম উদ্দিন, নওগাঁ-৪ ইমাজ উদ্দীন প্রামাণিক, নওগাঁ-৫ ব্যারিস্টার নিজামউদ্দীন জলিল জন, নওগাঁ-৬ ইসরাফিল আলম। টাঙ্গাইল-১ ডঃ আব্দুর রাজ্জাক, টাঙ্গাইল-২ খন্দকার মশিউজ্জামান রোমেল, টাঙ্গাইল-৩ সৈয়দ আবু ইউসুফ, টাঙ্গাইল-৪ সোহেল হাজারী, টাঙ্গাইল-৫ ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল-৬ খন্দকার এম এ বাতেন, টাঙ্গাইল-৭ একাব্বর হোসেন ও টাঙ্গাইল-৮ অনুপম শাহজাহান জয়। মানিকগঞ্জ-১ আনোয়ারুল হক, মানিকগঞ্জ-২ মমতাজ বেগম, মানিকগঞ্জ-৩ জাহিদ মালেক স্বপন। সিরাজগঞ্জ-১ মোহাম্মদ নাসিম, সিরাজগঞ্জ-২ হাবিবে মিল্লাত, সিরাজগঞ্জ-৩, সিরাজগঞ্জ-৪ তানভীর ইমাম, সিরাজগঞ্জ-৫ আব্দুল মজিদ মন্ডল ও সিরাজগঞ্জ-৬ হাসিবুর রহমান স্বপন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ গোলাম রাব্বানী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ জিয়াউর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আব্দুল ওয়াদুদ বিশ্বাস। নরসিংদী-১ নজরুল ইসলাম, নরসিংদী-২ কামরুল আশরাফ খান, নরসিংদী-৩ সিরাজুল ইসলাম মোল্লা, নরসিংদী-৪ নুরুল মজিদ হুমায়ুন ও নরসিংদী-৫ রাজি উদ্দীন আহমেদ রাজু তনয়। বি বাড়িয়া-১ এটিএম মনিরুজ্জামান সরকার, বিবাড়িয়া-২ বি বাড়িয়া-৩ উবায়দুল মোক্তাদির চৌধুরী, বি বাড়িয়া-৪ ব্যারিস্টার আনিসুল হক, বি বাড়িয়া-৫, বি বাড়িয়া-৬ মহিউদ্দীন আহমেদ মহি। সিলেট-১ ডঃ আবুল মোমেন, সিলেট-২ শফিকুর রহমান চৌধুরী, সিলেট-৩ মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েস, সিলেট-৪ ইমরান আহমেদ, সিলেট-৫ মাশুক উদ্দীন, সিলেট-৬ নুরুল ইসলাম নাহিদ, হবিগঞ্জ-১ আমাতুল কিবরিয়া চৌধুরী কেয়া, হবিগঞ্জ-২ আব্দুল মজিদ খান, হবিগঞ্জ-৩ । সুনামগঞ্জ-১ মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, সুনামগঞ্জ-২ জয়া সেন গুপ্তা, সুনামগঞ্জ-৩ আজিজ উস সামাদ ডন, সুনামগঞ্জ-৪ পীর ফজলুর রহমান, সুনামগঞ্জ-৫ মহিবুর রহমান মানিক। মৌলভীবাজার-১ আব্দুল মতিন, মৌলভীবাজার-২, মৌলভীবাজার-৩, মৌলভীবাজার-৪ উপাধ্য আব্দুস শহীদ। নোয়াখালী-১ এইচ এম ইব্রাহিম, নোয়াখালী-২ মোরশেদ আলম, নোয়াখালী-৩ মামুনুর রশীদ কিরণ, নোয়াখালী-একরামুল করিম চৌধুরী, নোয়াখালী-৫ ওবায়দুল কাদের, নোয়াখালী-৬ আয়েশা সিদ্দিকী। লক্ষ্মীপুর-১ আবদুল্লাহ, লক্ষ্মীপুর-২ মোহাম্মদ নোমান, লক্ষ্মীপুর-৩ শাহজাহান কামাল, লক্ষ্মীপুর-৪। ফেনী-১ আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, ফেনী-২ নিজামউদ্দীন হাজারী, ফেনী-৩ সাইফুদ্দীন নাসির। বান্দরবান- বীর বাহাদুর ও রাঙামাটিঃ দীপঙ্কর তালুকদার। জয়পুরহাট-১ শামসুল আলম দুদু জয়পুরহাট-২ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন। বরিশাল-১ আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ, বরিশাল- ২ গোলাম ফারুক, বরিশাল-৩, বরিশাল-৪ পঙ্কজ দেবনাথ, বরিশাল-৫ জেবুন্নেছা হক, বরিশাল-৬ তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস। পটুয়াখালী-১ শাজাহান মিয়া,পটুয়াখালী-২ আসম ফিরোজ, পটুয়াখালী-৩ আখম জাহাঙ্গীর হোসাইন, পটুয়াখালী-৪ মাহবুবুর রহমান তালুকদার। বরগুণা-১ ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু, বরগুনা-২ শওকত হাছানুর রহমান। ঝালকাঠি-১ মনিরুজ্জামান মনির, ঝালকাঠি-২ আমির হোসেন আমু। ভোলা-১ তোফায়েল আহমেদ, ভোলা-২ আলী আজম মুকুল, ভোলা-৩ নুরুন্ববী চৌধুরী শাওন, ভোলা-৪ আব্দুল্লাহ আল জ্যাকব। পিরোজপুর-১ অ্যাডঃ রেজাউল করিম, পিরোজপুর-২ শাহে আলম, পিরোজপুর-৩ ইসহাক আলী খান পান্না। শেরপুর-১ আতিয়ার রহমান আতিক, শেরপুর-২ বেগম মতিয়া চৌধুরী, শেরপুর-৩ ফজলুল হক। ময়মনসিংহ-১ জুয়েল আরেং, ময়মনসিংহ-২ হায়াতুর রহমান খান, ময়মনসিংহ-৪ আব্দুস ছাত্তার, ময়মনসিংহ-৫ কে এম খালিদ, ময়মনসিংহ-৬ মোসলেম উদ্দীন, ময়মনসিংহ-৭ এম এ হান্নান, ময়মনসিংহ-৮, ময়মনসিংহ-৯ আনোয়ার আবেদীন তুহিন, ময়মনসিংহ-১০ ফাহমী গোলান্দাজ বাবেল। নেত্রকোনা-১ মোশতাক আহমেদ রুহী, নেত্রকোনা-৩ ইত্তেকার তালুকদার, নেত্রকোনা-৪ রেবেকা মোমিন। যশোর-১ শেখ আফিল উদ্দীন, যশোর-২ মনিরুল ইসলাম, যশোর-৩ কাজী নাবিল আহমেদ, যশোর-৪, যশোর-৫ স্বপন ভট্টাচার্য, যশোর-৬। খুলনা-১ পঞ্চানন বিশ্বাস, খুলনা-২ মিজানুর রহমান, খুলনা-৩ মন্নুজান সুফিয়ান, খুলনা-৪ মোস্তফা রশিদী সূজা, খুলনা-৫ নারায়ণ চন্দ্র চন্দ। রাজবাড়ি-১ কাজী কেরামত আলী, রাজবাড়ী-২ জিল্লুল হাকিম। সাতক্ষীরা-১ শেখ মুজিবুর রহমান, সাতক্ষীরা-২ মীর মোশতাক আহমেদ রবি, সাতক্ষীরা-৩ অধ্যাপক ডাঃ তআফম রুহুল হক, সাতক্ষীরা-৪ এসএম জগলুল হায়দার। মাগুরা-১ সাইফুজ্জামান শেখর, মাগুরা-২ বীরেন শিকদার। নড়াইল-১ কবিরুল হক মুক্তি, নড়াইল-২ শেখ হাসিনা। বাগেরহাট-১ শেখ হেলাল উদ্দীন, বাগেরহাট-২ বাগেরহাট-৩ তালুকদার আব্দুল খালেক বাগেরহাট-৪ ডাঃ মোজাম্মেল হোসেন . দিনাজপুর-১ মনোরঞ্জণ শীল গোপাল, দিনাজপুর-২ খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, দিনাজপুর-৩ ইকবালুর রহিম, দিনাজপুর-৪ আবুল হাসান মাহমুদ আলী, দিনাজপুর-৫ মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার, দিনাজপুর-৬ শিবলী সাদিক। ঠাকুরগাঁও-১ রমেশ চন্দ্র সেন, ঠাকুরগাঁও-২ মাজহারুল ইসলাম সুজন, ঠাকুটগাঁও-৩। নীলফামারী-১ আফতাবউদ্দিন সরকার, নীলফামারী-২ আসাদুজ্জামান নূর, নীলফামারী-৩ অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা, নীলফামারী-৪ আমেনা কোহিনুর আলম। লালমনিরহাট-১ মোতাহার হোসেন, লালমনিরহাট-২ নুরুজ্জামান আহমেদ, লালমনিরহাট-৩ আবু সালেহ সাইদ দুলাল। রংপুর-১ রংপুর-২ আহসানুল হক চৌধুরী ডিউক, রংপুর-৩ আনোয়ারুল ইসলাম, রংপুর-৪ টিপু মন্সী, রংপুর-৫ এইচ এন আশিকুর রহমান, রংপুর-৬ সজীব ওয়াজেদ জয়। কুড়িগ্রাম-১, কুড়িগ্রাম-২ জাফর আলী, কুড়িগ্রাম-৩ শওকত আলী বীরবিক্রম, কুড়িগ্রাম-৪ জাকির হোসেন। গাইবান্ধা -১ গোলাম মোস্তফা আহমেদ, গাইবান্ধা-২ সৈয়দ শামস উল আলম হীরা, গাইবান্ধা-৩ ডাঃ ইউনুস আলী সরকার, গাইবান্ধা-৪ আবুল কালাম আজাদ, গাইবান্ধা-৫ মাহমুদ হোসেন রিপন। রাজশাহী-১ মতিউর রহমান, রাজশাহী-২ আব্দুল খালেক, রাজশাহী-৩ আয়েন উদ্দীন, রাজশাহী-৪ এনামুল হক, রাজশাহী-৫ এম এ ওয়াদুদ দারা, রাজশাহী-৬ শাহরিয়ার আলম। নাটোর-১ আবুল কালাম, নাটোর-২ শফিকুল ইসলাম শিমুল, নাটোর-৩ জুনায়েদ আহম্মেদ পলক। পাবনা-১ অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, পাবনা-২ আজিজুল হক আরজু, পাবনা-৩ মকবুল হোসেন, পাবনা-৪ গোলাম ফারুক প্রিন্স। নওগাঁ-১ সাধন চন্দ্র মজুমদার, নওগাঁ-২ শহীদুজ্জামান সরকার, নওগাঁ-৩ ছলিম উদ্দিন, নওগাঁ-৪ ইমাজ উদ্দীন প্রামাণিক, নওগাঁ-৫ ব্যারিস্টার নিজামউদ্দীন জলিল জন, নওগাঁ-৬ ইসরাফিল আলম। টাঙ্গাইল-১ ডঃ আব্দুর রাজ্জাক, টাঙ্গাইল-২ খন্দকার মশিউজ্জামান রোমেল, টাঙ্গাইল-৩ সৈয়দ আবু ইউসুফ, টাঙ্গাইল-৪ সোহেল হাজারী, টাঙ্গাইল-৫ ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল-৬ খন্দকার এম এ বাতেন, টাঙ্গাইল-৭ একাব্বর হোসেন ও টাঙ্গাইল-৮ অনুপম শাহজাহান জয়। মানিকগঞ্জ-১ আনোয়ারুল হক, মানিকগঞ্জ-২ মমতাজ বেগম, মানিকগঞ্জ-৩ জাহিদ মালেক স্বপন। সিরাজগঞ্জ-১ মোহাম্মদ নাসিম, সিরাজগঞ্জ-২ হাবিবে মিল্লাত, সিরাজগঞ্জ-৩, সিরাজগঞ্জ-৪ তানভীর ইমাম, সিরাজগঞ্জ-৫ আব্দুল মজিদ মন্ডল ও সিরাজগঞ্জ-৬ হাসিবুর রহমান স্বপন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ গোলাম রাব্বানী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ জিয়াউর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আব্দুল ওয়াদুদ বিশ্বাস। নরসিংদী-১ নজরুল ইসলাম, নরসিংদী-২ কামরুল আশরাফ খান, নরসিংদী-৩ সিরাজুল ইসলাম মোল্লা, নরসিংদী-৪ নুরুল মজিদ হুমায়ুন ও নরসিংদী-৫ রাজি উদ্দীন আহমেদ রাজু তনয়। বি বাড়িয়া-১ এটিএম মনিরুজ্জামান সরকার, বিবাড়িয়া-২ বি বাড়িয়া-৩ উবায়দুল মোক্তাদির চৌধুরী, বি বাড়িয়া-৪ ব্যারিস্টার আনিসুল হক, বি বাড়িয়া-৫, বি বাড়িয়া-৬ মহিউদ্দীন আহমেদ মহি। সিলেট-১ ডঃ আবুল মোমেন, সিলেট-২ শফিকুর রহমান চৌধুরী, সিলেট-৩ মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েস, সিলেট-৪ ইমরান আহমেদ, সিলেট-৫ মাশুক উদ্দীন, সিলেট-৬ নুরুল ইসলাম নাহিদ, হবিগঞ্জ-১ আমাতুল কিবরিয়া চৌধুরী কেয়া, হবিগঞ্জ-২ আব্দুল মজিদ খান, হবিগঞ্জ-৩ । সুনামগঞ্জ-১ মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, সুনামগঞ্জ-২ জয়া সেন গুপ্তা, সুনামগঞ্জ-৩ আজিজ উস সামাদ ডন, সুনামগঞ্জ-৪ পীর ফজলুর রহমান, সুনামগঞ্জ-৫ মহিবুর রহমান মানিক। মৌলভীবাজার-১ আব্দুল মতিন, মৌলভীবাজার-২, মৌলভীবাজার-৩, মৌলভীবাজার-৪ উপাধ্য আব্দুস শহীদ। বরিশাল-১ আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ, বরিশাল- ২ গোলাম ফারুক, বরিশাল-৩ অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন , বরিশাল-৪ পঙ্কজ দেবনাথ, বরিশাল-৫ জেবুন্নেছা হিরন , বরিশাল-৬ তালুকদার মো,ইউনুস । পটুয়াখালী-১ শাজাহান মিয়া, পটুয়াখালী-২ আসম ফিরোজ,পটুয়াখালী-৩ আখম জাহাঙ্গীর হোসাইন, পটুয়াখালী-৪ মাহবুবুর রহমান তালুকদার। বরগুণা-১ ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু, বরগুনা-২ শওকত হাছানুর রহমান। ঝালকাঠি-১ মনিরুজ্জামান মনির, ঝালকাঠি-২ আমির হোসেন আমু। ভোলা-১ তোফায়েল আহমেদ, ভোলা-২ আলী আজম মুকুল, ভোলা-৩ নুরুন্ববী চৌধুরী শাওন ও ভোলা-৪ আব্দুল্লাহ আল জ্যাকব। পিরোজপুর-১ অ্যাডঃ রেজাউল করিম, ও পিরোজপুর-৩ ইসহাক আলী খান পান্না। শেরপুর-১ আতিয়ার রহমান আতিক, শেরপুর-২ বেগম মতিয়া চৌধুরী, শেরপুর-৩ ফজলুল হক। যশোর-১ শেখ আফিল উদ্দীন, যশোর-২ মনিরুল ইসলাম, যশোর-৩ কাজী নাবিল আহমেদ, যশোর-৪, যশোর-৫ স্বপন ভট্টাচার্য, যশোর-৬। খুলনা-১ পঞ্চানন বিশ্বাস, খুলনা-২ মিজানুর রহমান, খুলনা-৩ মন্নুজান সুফিয়ান, খুলনা-৪ মোস্তফা রশিদী সূজা, খুলনা-৫ নারায়ণ চন্দ্র চন্দ। সাতক্ষীরা-১ সাতক্ষীরা-২ মীর মোশতাক আহমেদ রবি, সাতক্ষীরা-৩ অধ্যাপক ডাঃ তআফম রুহুল হক, সাতক্ষীরা-৪ এসএম জগলুল হায়দার। মাগুরা-১ মাগুরা-২ বীরেন শিকদার। নড়াইল-১ কবিরুল হক মুক্তি, নড়াইল-২ শেখ হাসিনা। বাগেরহাট-১ শেখ হেলাল উদ্দীন, বাগেরহাট-২ বাগেরহাট-৩ তালুকদার আব্দুল খালেক বাগেরহাট-৪ ডাঃ মোজ্জামেল হোসেন।
বঙ্গবন্ধুর স্বাধীন বাংলাদেশ আজ তার খুনিদের পদচারণামুক্ত
মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী :শোকাবহ ১৫ আগস্ট। জাতীয় শোক দিবস। বাঙালির অশ্রু ঝরার দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিন বাঙালি জাতির ইতিহাসে কলংক লেপন করেছিল সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী উচ্ছৃঙ্খল সদস্য। ঘাতকের নির্মম বুলেটে সেদিন ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর সড়কের ঐতিহাসিক ভবনে শাহাদতবরণ করেছিলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৫ আগস্ট কালরাতে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী মহীয়সী নারী বেগম শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠপুত্র শেখ কামাল, শেখ জামাল ও তাদের স্ত্রীদ্বয় যথাক্রমে সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল, বঙ্গবন্ধুর শিশুপুত্র শেখ রাসেল, বঙ্গবন্ধুর ভাই শেখ নাসেরসহ বঙ্গবন্ধু পরিবারের ২৮ সদস্য। একই দিন ঘাতকের নির্মম বুলেটে প্রাণ হারান বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মনি, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী বেগম আরজু মনি, বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, শহীদ সেরনিয়াবাত, শিশু সুকান্ত বাবু, আরিফ, রিন্টু প্রমুখ। ঘাতকরা সেদিন বঙ্গবন্ধুর ৩২ নম্বর বাড়িতে আক্রমণ করে বঙ্গবন্ধু পরিবারের সব সদস্যকেই হত্যা করে। কিন্তু দেশে না থাকায় প্রাণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা। ঘাতকরা সেদিন বঙ্গবন্ধু এবং তার পরিবারের সদস্যদেরই কেবল হত্যা করেনি, বাঙালি জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার কেন্দ্রবিন্দুকে নস্যাৎ করতে চেয়েছিল। আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রথম শোক দিবস পালনের সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু এরপর ২০০১ সালে বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট ক্ষমতায় এসে সে সিদ্ধান্ত বাতিল করে। তবে ড. ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় এলে আবারও ১৫ আগস্টকে জাতীয় শোক দিবস রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। বাঙালি জাতির ইতিহাসে অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুধু এদেশের স্বাধীনতার স্থপতিই ছিলেন না, ভাষা আন্দোলন, ৬ দফা আন্দোলনসহ প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামেই তার ভূমিকা ছিল ঐতিহাসিক। এই মহানায়কের জন্ম না হলে বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ স্বাধীনভাবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারত না। যারা এ মহানায়ককে হত্যা করেছিল। ২০১১ সালের জানুয়ারিতে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে বঙ্গবন্ধুর পাঁচ খুনির ফাঁসি কার্যকর হয় । বঙ্গবন্ধুর স্বাধীন বাংলাদেশ আজ তার খুনিদের পদচারণামুক্ত। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সারা দেশের মন্দির, গির্জা ও অন্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রার্থনার আয়োজন করা হবে। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশন বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার এবং সংবাদপত্রগুলো বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ এবং বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশনগুলো বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করবে। জেলা ও উপজেলা প্রশাসন যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনের জন্য আলোচনা সভা এবং মিলাদ মাহফিলসহ জাতীয় কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিজ নিজ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠন ধানমণ্ডির বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, মিলাদ মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করবে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো এবারও সাংবাদিক সমাজ জাতীয় প্রেস ক্লাবের সম্মেলন কক্ষে সর্বধর্ম প্রার্থনা সভার আয়োজন করবে। এছাড়াও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করবে। লেখক, মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী ,সম্পাদক, নিউজ একাত্তর ডট কম ও দৈনিক সংবাদের কাগজ ।
সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৪৮তম জন্মদিন
অনলাইন ডেস্ক :বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে এবং তার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৪৮তম জন্মদিন আজ শুক্রবার (২৭ জুলাই)। মুক্তিযুদ্ধের সময় অবরুদ্ধ ঢাকায় ১৯৭১ সালের আজকের দিনে পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া ও শেখ হাসিনা দম্পতির প্রথম সন্তান জয়ের জন্ম হয়। দেশ স্বাধীনের পর তার নাম রাখেন নানা শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হওয়ার সময় মা ও বাবার সঙ্গে জার্মানিতে ছিলেন জয়। পরে মায়ের সঙ্গে রাজনৈতিক আশ্রয়ে ভারত চলে যান। তার শৈশব ও কৈশোর কাটে ভারতে। সেখানকার নৈনিতালের সেন্ট জোসেফ কলেজে লেখাপড়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট আর্লিংটন থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক করেন তিনি। পরে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লোক প্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ এর ধারণাটি জয়ের উদ্যোগেই যুক্ত হয়। দেশের মানুষ এ ধারণা ব্যাপকভাবে গ্রহণ করেছিল, যা ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনার ক্ষেত্রে বড় ধরনের ভূমিকা রাখে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারেও অংশ নিয়েছেন তিনি। তার আগে ২০১০ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সজীব ওয়াজেদ জয় রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্য পদ গ্রহণ করেন। বর্তমানে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন। ২০০২ সালের ২৬ অক্টোবর ক্রিস্টিন ওভারমায়ারকে বিয়ে করেন সজীব ওয়াজেদ জয়। তাদের একটি মেয়ে আছেন। সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে ঘরোয়া পরিবেশে কেক কাটা হবে বলে জানা গেছে। এ অনুষ্ঠানে মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে জয়ও উপস্থিত থাকবেন।
টাইম ম্যাগাজিনের রিপোর্ট, রোহিঙ্গাদের ওপর নৃশংসতা চালাতে আগেই প্রস্তুতি নিয়েছিল মিয়ানমার
অনলাইন ডেস্ক :রোহিঙ্গাদের ওপর নৃশংসতা চালানোর জন্য আগে থেকেই ব্যাপকভিত্তিক এবং পদ্ধতিগত প্রস্তুতি ছিল মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের। এমন প্রস্তুতি নেয়া হয়েছিল সর্বশেষ রোহিঙ্গাদের ওপর নৃশংসতা চালানোর বেশ কয়েক মাস আগে থেকে। ব্যাংকক ভিত্তিক মানবাধিকার বিষয়ক গ্রুপ ফোরটিফাই রাইটসকে উদ্ধৃত করে এ খবর দিয়েছে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন টাইম ম্যাগাজিনের অনলাইন। এতে ক্যাসি কুয়াকেনবুশ লিখেছেন, বিশেষ এই রিপোর্টটি প্রকাশ করা হয়েছে বৃহস্পতিবার। এতে বলা হয়েছে, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ ও গণহত্যা চালানো হয়েছে এমনটা বিশ্বাস করার যৌক্তিক কারণ রয়েছে। এই রিপোর্টে এসব অপকর্মে জড়িত থাকার জন্য মিয়ানমারের ২২ জন সেনা ও পুলিশ কর্মকর্তা কমান্ডারের দায়িত্বে ছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়। এমন অভিযোগের ফৌজদারী তদন্তের জন্য বিষয়টি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে পাঠানোর জন্য জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ফোরটিফাই রাইটস। এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ম্যাথিউ স্মিত বলেছেন, গণহত্যা স্বত্বঃস্ফূর্তভাবে ঘটে নি। এসব অপরাধে দায়মুক্তি দেয়ায় ভবিষ্যতে আরো ভয়াবহ আইন লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটবে এবং হামলা হবে। এ অবস্থায় বিশ্ব অলস হয়ে বসে থাকতে পারে না এবং প্রত্যক্ষ করতে পারে না যে, আরেকটা গণহত্যা ঘটুক। কিন্তু এই মুহূর্তে আসলেই তা ঘটছে। রোহিঙ্গারা হলেন মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলে রাখাইন রাজ্যে বসবাসকারী মুসলিম সংখ্যালঘু। তারা নির্যাতিত ও তাদের কোনো রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নেই। আরাকান রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মি (আরসা) গত ২৫ মে আগস্ট নিরাপত্তা রক্ষাকারীদের ওপর হামলা চালায়। এতে বেশ কয়েকজন নিরাপত্তা রক্ষী নিহত হন। এরপরই রোহিঙ্গাদের ওপর নৃশংস প্রতিশোধ নেয়া শুরু করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। গণহত্যা, গণধর্ষণ, অগ্নিসংযোগের মতো বর্বরতা বেছে নেয় তারা। এতে বাধ্য হয়ে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাধ্য হয়ে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেন। ফোরটিফাই রাইটস বলছে, এসব রোহিঙ্গাদের ওপর এমন নৃশংসতা শুধু আরসার হামলার জবাব নয়। এটা হলো তাদেরকে দেশ থেকে বের করে দেয়ার একটি কৌশল। এমন কৌশল তারা আগেই নির্ধারণ করে রেখেছিল। আগস্টে আরসা যে হামলা চালিয়েছিল সেটা ছিল এমন দ্বিতীয় হামলা। এ গ্রুপটি প্রথম হামলা চালিয়েছিল ২০১৬ সালের অক্টোবরে। তার জবাবে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী নৃশংসতা চালায়। তারা ধর্ষণ করে। বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড চালায়। এতে হাজার হাজার রোহিঙ্গা পালাতে বাধ্য হয়। ফোরটিফাই রাইটস বলছে, ২০১৬ সালের অক্টোবরে যে নৃশংসতা চালানো হয়েছে সে বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এতে মিয়ানমারের নিরাপত্তা রক্ষাকারীরা আরো শক্তিশালী হয়েছে। তাই তারা আরসার দ্বিতীয় আরেকটি হামলার জন্য অপেক্ষা করছিল। এ জন্য তারা আগে থেকে অনেক প্রস্তুতি নিয়েছিল। যার মধ্যে রয়েছে রোহিঙ্গা নন এমন স্থানীয় সম্প্রদায়কে প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র দেয়া, রোহিঙ্গাদের বাড়িঘরে যাওয়ার ক্ষেত্রে যেসব প্রতিবন্ধকতা ছিল তা ভেঙে ফেলা, ইচ্ছাকৃতভাবে রোহিঙ্গাদের খাদ ও জীবন রক্ষাকারী জিনিসপত্র থেকে বঞ্চিত রাখা। যাতে তাদেরকে দুর্বল করে দেয়া যায়। তাদের ওপর হামলা জোরালো করা যায়। তাছাড়া অপ্রয়োজনীয়ভাবে উচ্চ হারে নিরাপত্তা রক্ষাকারী মোতায়েন করা হয় রাখাইনের উত্তরাঞ্চলে। ফোরটিফাই রাইটস বলছে, এসব প্রস্তুতি দেখে বোঝা যায় এগুলো করা হয়েছিল গণহত্যা ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ সংঘটিত করার জন্য। এতে আরো বলা হয়, ২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনের উত্তরাঞ্চলে যখন হামলা শুরু হয় তাতে জড়িত ছিল মিয়ানমারের কমপক্ষে ২৭ আর্মি ব্যাটালিয়ান। এতে সেনা সদস্য ছিল ১১০০০। তার সঙ্গে ছিল কমপক্ষে তিনটি কমব্যাট পুলিশ ব্যাটালিয়ন। ওই রিপোর্টে ২২ জন সেনা ও পুলিশ কর্মকর্তাকে এসব নৃশংসতার জন্য দায়ী করা হয়। বলা হয়, তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারী তদন্ত করে বিচার করা উচিত। এই তালিকায় রয়েছেন কমান্ডার ইন চিফ সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইয়, ডেপুটি কমান্ডার ইন চিফ ভাইস সিনিয়র জেনারেল সোয়ে উউন, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর জয়েন্ট চিফ অব স্টাফ জেনারেল মাইয়া তুন ও। উল্লেখ্য, গত মাসে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল একই রকম অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে মিয়ানমারের ১৩ জন সেনা ও পুলিশ কর্মকর্তাকে সনাক্ত করে। মানবজমিন
মুজিবরকে বাঁচাতেই ৯৩০০০ পাক বন্দিকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন ইন্দিরা
অনলাইন ডেস্ক :১৯৭২-এর ২রা আগস্ট। ঠিক আট মাস আগেই শেষ হয়েছে ১৩ দিনের ভারত-পাক যুদ্ধ। এদিন দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয় সিমলা চুক্তি। এর ফলে ভারত ৯৩০০০ পাকিস্তানি যুদ্ধবন্দিকে ফিরিয়ে দিতে রাজি হয়। ৭১-এর যুদ্ধ চলাকালীন এদের বন্দি করা হয়েছিল ভারতে। এটা ছিল ভারতের অত্যন্ত বিতর্কিত একটি সিদ্ধান্ত। কেন এই সময় ওই বন্দিদের হাতের তাস করে কাশ্মীর নিয়ে দরাদরি করেননি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী? হয়তো মিটে যেত সমস্যা! কিসের জন্য পাক বন্দিদের ছেড়ে দিতে রাজি হয়ে যান ইন্দিরা? এর পিছনে আসল গল্প কি ছিল? সেটা জানলে হয়তো বিতর্কের সমাধান হতো। কিন্তু সেই গল্প রয়ে গিয়েছিল গোপনেই। কোনোদিন তা প্রকাশ্যে আনা হয়নি। ৪০ বছরেরও বেশি সময় পেরিয়ে গিয়েছে সেই যুদ্ধের। সেদিন কেন পাক বন্দিদের ছেড়ে দেয়া হয়েছিল, সেই রহস্য উদঘাটন করেছেন এক অবসরপ্রাপ্ত কূটনীতিবিদ শশাঙ্ক বন্দ্যোপাধ্যায়। THE WAR পত্রিকায় তিনি লিখেছেন সেই ইতিহাস। ১৯৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর পাক যোদ্ধারা আত্মসমর্পণ করে ঢাকায়। ভারতীয় সেনা ও বাংলাদেশ মুক্তি বাহিনীর যৌথ কমান্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করে তারা। ভারত আর বাংলাদেশের জন্য সে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। কিন্তু সেইসময় ইন্দিরা গান্ধী তথা ভারত অন্য এক বিপদের মুখোমুখি হয়েছিলেন। একদিকে যুদ্ধের বিপুল খরচ, তার উপরে পূর্ব পাকিস্তান থেকে আসা প্রায় ১ কোটি শরণার্থী, যারা পাক সেনার অত্যাচারে সীমান্ত পার করে চলে এসেছিল তাদের খরচ। তার মধ্যে বাড়তি খরচ এই ৯৩০০০ পাক সেনা। ইন্দিরা গান্ধীর মূল লক্ষ্য হয়ে উঠেছিল, কিভাবে শেখ মুজিবুর রহমানকে নিরাপদে দেশে ফেরানো যায়। তার জন্য যে কোনও মূল্য দিতে রাজি ছিলেন তিনি। সেকথা তিনি একজনকেই বলেছিলেন। তিনি হলেন তৎকালীন জঅড প্রধান রাম নাথ কাও। পাকিস্তানের মিলিটারি কোর্টে ফাঁসির সাজা দেয়া হয়েছিল তাঁকে, নৃশংসভাবে হত্যা করার পরিকল্পনাও করা হয়েছিল। সেটাই ছিল ইন্দিরা গান্ধীর সব থেকে বড় দুঃস্বপ্ন। হৃদয় দিয়ে বাংলাদেশকে সমর্থন করেছিল ভারত। তাই মুজিবর রহমানকে হত্যা করা হলে, ভারতের স্বপ্ন শেষ হয়ে যাবে। এটাই ছিল ভয়। বাংলাদেশকে অনাথ দেখতে চাননি তিনি। এদিকে, পরাজয়ের অপমান সহ্য করতে না পেরে পদত্যাগ করেন তৎকালীন পাক প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খান। আমেরিকায় থাকা জুলফিকার আলী ভুট্টোকে ফোন করে সে কথা জানান। দায়িত্ব দিয়ে যান ভুট্টোকেই। তড়িঘড়ি রাওয়ালপিন্ডির বিমান ধরেন ভুট্টো। ইন্দিরার ঐতিহাসিক কূটনীতি ভুট্টোর ফেরার খবর পেয়েই জরুরি মিটিং ডাকেন ইন্দিরা গান্ধী। ভুট্টোর বিমান রিফুয়েলিং-এর জন্য থামার কথা ছিল হিথরো বিমানবন্দরে। ইন্দিরা গান্ধী চেয়েছিলেন, সেইসময় সেখানে উপস্থিত থাকুক কোনও ভারতীয় প্রতিনিধি। যাতে তিনি জানতে পারেন, মুজিবর রহমানকে নিয়ে কি ভাবছেন তিনি? সেই বৈঠকে ছিলেন বিদেশমন্ত্রকের উপদেষ্টা দুর্গা প্রসাদ ধর, জঅড প্রধান রাম নাথ কাও, প্রিন্সিপ্যাল সেক্রেটারি পিএন হাসকার, বিদেশ সচিব টিএন কাউল। মুজফ্ফর হোসেন, পূর্ব পাকিস্তানের চিফ সেক্রেটারি ছিলেন। তিনি ভারতে যুদ্ধবন্দি হন এবং ডিপি ধরের বাড়িতে অতিথির মর্যাদায় ছিলেন। তাঁর স্ত্রী ছিলেন লন্ডনে। ফলে সেইসময় কূটনীতিকদের মাধ্যমেই যোগাযোগ করতেন স্বামী-স্ত্রী। অবসরপ্রাপ্ত কূটনীতিবিদ শশাঙ্ক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তিনিই দুজনের মাধ্যম হয়ে উঠেছিলেন ফলে দুজনের সঙ্গেই ভালো সম্পর্ক তৈরি হয়ে যায়। লায়লা ছিলেন ভুট্টোর একসময়ের বান্ধবী। সেই লায়লাকেই কাজে লাগান ইন্দিরা। ভুট্টোর সঙ্গে কথা বলতে পাঠান লায়লাকে। উদ্দেশ্য ছিল একটাই। মুজিবরকে নিয়ে কি ভাবছেন সেটা জানা। এই শশাঙ্ক বন্দ্যোপাধ্যায়ই লায়লাকে জানান, তিনি যাতে হিথরো বিমানবন্দরে গিয়ে একসময়ের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ভুট্টোকে বলেন, তাঁর স্বামীকে ভারত থেকে ছাড়ার ব্যবস্থা করতে। সেইমত এয়ারপোর্টের লাউঞ্জে দেখা হয় দুজনের। কথাবার্তা শেষে লায়লাকে কাছে টেনে তাঁর কানে কানে একটা বার্তা দেন ভুট্টো। বলেন, লায়লা আমি জানি, তুমি কি জানতে এসেছ। একটা মেসেজ দিও ইন্দিরা গান্ধীকে। বোলো, আমি মুজিবর রহমানকে মুক্তি দেবো। কিন্তু বদলে কি চাইব? সেটা পরে জানাব। বার্তা জানান লায়লা। তবুও সন্দেহ দূর হয় না। ভারতকে ভুল পথে চালিত করছেন না তো ভুট্টো? কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই সন্দেহের অবসান হলো। খবরটা সত্যি সেটাই জানা গেল। বদলে চাওয়া হলো ৯৩০০০ যুদ্ধবন্দিকে। ১৯৭২-এর ৮ জানুয়ারি ছেড়ে দেয়া হলো মুজিবর রহমানকে। ফিরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিলেন তিনি। এর ঠিক আট মাস পরে ছেড়ে দেয়া হয় ওইসব পাক যুদ্ধবন্দিকে।মানবজমিন
২০২০-২১ মুজিব বর্ষ
অনলাইন ডেস্ক :জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উদ্যাপনে ২০২০ ও ২০২১ সালকে মুজিব বর্ষ ঘোষণার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল শুক্রবার ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদ ও উপদেষ্টা পরিষদের যৌথসভার উদ্বোধনকালে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্ম নেন শেখ মুজিবুর রহমান। কালক্রমে তার হাত ধরেই ১৯৭১ সালে বিশ্ব মানচিত্রে নতুন দেশ হিসেবে স্থান করে নেয় বাংলাদেশ। ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মের শত বছর পূর্ণ হবে। আর ঠিক পরের বছরই বাংলাদেশ উদ্যাপন করবে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। খবর বিডিনিউজের বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা যৌথসভার শুরুতে বলেন, ২০২০-২১ সাল আমরা মুজিব বর্ষ হিসেবে পালন করব। এ উপলক্ষে বছরব্যাপী কর্মসূচি নেওয়া হবে। টুঙ্গিপাড়ায় এক সাধারণ পরিবারে জন্ম নেওয়া শেখ মুজিবুর রহমান স্কুল জীবনেই রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। কৈশোরে তার রাজনীতির দীক্ষাগুরু ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। গোপালগঞ্জ মিশন স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র থাকাকালে তৎকালীন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে যোগদানের কারণে প্রথমবারের মতো কারাবরণ করেন শেখ মুজিব। ম্যাট্রিকুলেশন পাসের পর কলকাতায় ইসলামিয়া কলেজে অধ্যয়নকালে তিনি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকসহ তৎকালীন সারির রাজনৈতিক নেতাদের সান্নিধ্যে আসেন। ওই সময় থেকেই নিজেকে ছাত্র-যুবনেতা হিসেবে রাজনীতির অঙ্গনে প্রতিষ্ঠিত করেন, যোগ দেন আওয়ামী মুসলিম লীগে, যা পরে অসাম্প্রদায়িক চেতনা নিয়ে আওয়ামী লীগ নাম নেয়। ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতির দাবিতে সাধারণ ধর্মঘট পালনকালে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করা হয়। ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ পর্যন্ত তিনি বারবার কারারুদ্ধ হন। ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৫৮ সালে আইয়ুব খানের সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন, ১৯৬২ সালে শিক্ষা কমিশন বিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন জনদাবি আদায়ের আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন শেখ মুজিব। বাঙালির অধিকার আদায়ের আন্দোলনে শেখ মুজিবকে বারবার কারাগারে যেতে হতে হয়েছে। আর আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ তাকে নিয়ে যায় বাঙালির নেতৃত্বে। আওয়ামী লীগপ্রধান হিসেবে ১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেন তিনি, যার ফলে ১৯৬৮ সালে তাকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় কারারুদ্ধ হতে হয়। ১৯৬৯-এর ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ছাত্র-জনতা শেখ মুজিবকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দেয়। ১৯৭০-এর নির্বাচনে বাঙালি বঙ্গবন্ধুর ছয় দফার পক্ষে অকুণ্ঠ সমর্থন জানায়। আওয়ামী লীগ পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজনৈতিক দলের ম্যান্ডেট লাভ করে। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাঙালির এ নির্বাচনী বিজয়কে মেনে নেয়নি। এরপর বঙ্গবন্ধু স্বায়ত্তশাসনের আন্দোলনকে নানা ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে প্রথমে স্বাধিকার আন্দোলনে রূপ দেন। ৭১-এর মার্চে শুরু করেন অসহযোগ আন্দোলন। ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) জনসমুদ্রে তার ঘোষণা এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম বাঙালিকে স্বাধীনতা আন্দোলনের পথে ধাবিত করে। ১৯৭১-এর ২৫ মার্চ পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর আক্রমণ শুরু করার পর সে রাতেই বন্দি হন বঙ্গবন্ধু। তবে তার আগে ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে যান। মুক্তিযুদ্ধের পুরোটা সময় বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানে অন্তরীণ থাকলেও তার নামেই যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করে বাঙালি। মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন তিনি। অন্যদিকে স্বাধীনতা ঘোষণা ও বিদ্রোহের অভিযোগ এনে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানে গোপন বিচারের নামে প্রহসন শুরু হয় বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে। নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ এর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় আসে। এরপর পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পান বঙ্গবন্ধু। ১৯৭২-এর ১০ জানুয়ারি তিনি পা রাখেন স্বাধীন ভূমিতে। সদ্য স্বাধীন রাষ্ট্রের দায়িত্বভার নিয়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের পুনর্গঠন ও পুনর্বাসনের কাজে আত্মনিয়োগ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু, যদিও ওই সময়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র থেমে ছিল না। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু জাতির অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে জাতীয় কর্মসূচি ঘোষণা করেন, গঠন করেন বাকশাল; যার ফলে দেশে অন্য সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ হয়, চারটি সংবাদপত্র ছাড়া অন্য সব সংবাদপত্রও বন্ধ করে দেওয়া হয়। তার কিছু দিনের মধ্যে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এক দল সেনা কর্মকর্তার হাতে নিজ বাসভবনে সপরিবারে নিহত হন বঙ্গবন্ধু। যে দেশের স্বাধীনতার জন্য রাজপথ কিংবা কারাগারে যার জীবন কেটেছে, সেই দেশ স্বাধীন হওয়ার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মধ্যে অবসান ঘটে স্বাধীনতা সংগ্রামের নায়কের এবং তা বাঙালিরই হাতে।পূর্বদেশ

বিশেষ প্রতিবেদন পাতার আরো খবর