১৬ ডিসেম্বর উপলক্ষে ১৬ টাকায় মোবাইল ফোন
০১ডিসেম্বর,রবিবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: মাত্র ১৬ টাকায় ফিচার ফোন কেনার সুযোগ দিচ্ছে ই-কমার্স ভিত্তিক মার্কেটপ্লেস ইভ্যালি। ইভ্যালির স্মার্টফোন ভিত্তিক মোবাইল অ্যাপ দিয়ে অর্ডার করলেই প্রথম তিন হাজার গ্রাহক পাবেন ১৬ টাকায় ফিচার ফোন কেনার এই সুযোগ। আগামী ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস এবং ইভ্যালির প্রথম বর্ষ পূর্তি উপলক্ষে গ্রাহকদের জন্য আকর্ষণীয় এই অফারের ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ অফারের ঘোষণা দেয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামী শনিবার (৭ ডিসেম্বর) গ্রাহকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এই অফার। সফলভাবে অর্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা প্রথম তিন হাজার গ্রাহককে ১৬ টাকার বিনিময়ে দেয়া হবে ওয়ালটন অলভিও এমএম২১ মডেলের মোবাইল সেট। এ অফারে মোবাইল কিনতে হলে পুরনো বা নতুন গ্রাহক হওয়ার কোনোদিকের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। নতুন বা পুরনো উভয় ধরনের তিন হাজার গ্রাহকই পাবেন এই সুযোগ। তবে একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ একটি (মোবাইল) কিনতে পারবেন মাত্র ১৬ টাকার বিনিময়ে। এ ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ রাসেল নিউজ একাত্তরকে বলেন, প্রথম বর্ষ পূর্তি উদযাপন এবং দ্বিতীয় বর্ষে পদার্পণের মাহেন্দ্রক্ষণ আগামী ১৬ ডিসেম্বর। বাঙালি জাতির ইতিহাসের জন্যও এ দিনটি বেশ গুরত্বপূর্ণ। মূলত এসব বিষয়কে সামনে রেখেই গ্রাহকদের জন্য আমাদের এই অফার। তিনি বলেন, অফার শুরুর আগেই এবারও গ্রাহকদের পক্ষ থেকে দারুণ সাড়া পাচ্ছি। প্রথমে আমাদের পরিকল্পনা ছিল দুই হাজার গ্রাহককে এই অফারের আওতায় মোবাইল ফোন দেয়া হবে। কিন্তু ঘোষণা শুরুর মুহূর্ত থেকেই গ্রাহকেরা যে সাড়া দিয়ে আসছেন এবং প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন তাতে আমরা সদস্য সংখ্যা বাডিয়ে তিন হাজারে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেই।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো নিয়ন্ত্রনে সু-দৃষ্টি দিন
২৪নভেম্বর,রবিবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: বর্তমানে তথ্য-আদান প্রদানের অন্য যে কোন মাধ্যমের তুলনায় অধিক শক্তিশালী ভূমিকা পালন করছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মোট ব্যবহারকারীর তরুনদের সংখ্যাই বেশি। এতে পুথিবীর যে কোন প্রান্তে ঘটে যাওয়া ঘটনা প্রকাশ হওয়ার সাঙ্গে সঙ্গে ছড়িয়ে পড়ছে। আর ব্যবহারকারীরা তা দেখার পাশাপাশি তাদের মতামত দিতে পারছেন। প্রথমেই প্রশ্ন আসে কতটুকু সহায়তা বা উপকৃত হওয়া যাবে?এই মাধ্যমগুলো থেকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হচ্ছে ইন্টারনেটভিত্তিক আ্যাপ্লিকেশনগুলোর একটি গ্রুফ। এটি ওয়েব ২.০ এর আদর্শ ও প্রযুক্তিগত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত। এখানে ব্যবহারকারীরা তাদের তৈরি করা কনটেন্ট বিনিময় করে থাকে। এখানে সমস্যা হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রত্যেক ব্যবহারকারীরাই কনটেন্ট তেরি করছেন এবং তা শেয়ার করছেন। এটি অনেক সময় খুবই বিপদজ্জনক। প্রসঙ্গত ফেলে আসা ২০১২ সালে কক্সবাজারের রামুতে দেখেছি। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ভোলার বোরহানউদ্দিনে ও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখছি। নিয়ন্ত্রনের দিক দেখলে বলা যেতে পারে ব্যবহারকারীরা নিয়ন্ত্রনের মধ্যেই নেই। অনেক সময় দেখা যায় যাচাই-বাচাইয়ের বিষয়টি ও নেই। অনেকাংশে ব্যবহারকারীরা নিজেরাই কনটেন্ট তৈরি করছেন এবং তা শেয়ার করছেন। এই কনটেন্ট সঙ্গে সঙ্গে থামানো অনেক সময় প্রশাসনের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। কোনো তথ্য পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যে প্রতিক্রিয়া,তা নিয়ন্ত্রনে আমরা এখনো অভ্যস্ত হইনি। তথ্যটি গুজব,নাকি সত্য-তা যাচাই করার ক্ষমতা আমরা এখনো অর্জন করতে পারিনি। এর প্রদান কারন কোনো তথ্য পাওয়ার সাথে সাথে কোনো ধরনের যাচাই-বাচাই না করে আমরা তা গ্রহন করছি নিজের মতো করে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোর মধ্যে ফেসবুক ব্যবহারে বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম। ভালো-মন্দ মানুষ নিয়েই এই পৃথিবী। তাই ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মধ্যেও কিছু মানুষ রয়েছে যারা খারাপ মনমানসিকতা নিয়ে ফেসবুক ব্যবহার করে। এই ধরনের মানুষগুলো নানান পন্থায় হ্যাক করছে অন্যজনের একাউন্ট ও। অসংখ্য নিরাপরাদ বাংলাদেশি কতিপয় এবং খারাপ স্বাভাব চরিত্রের মানুষের কাছে প্রতিনিয়ত মানমর্যদা হারাচ্ছে। তাই মাননীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানাব,উক্ত বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহনের মাধ্যমে দেশের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোর সুরক্ষা প্রদানে ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রী মহোদয়ের সু-দৃষ্টি কামনা করছি।লেখক: মো: ইরফান চৌধুরী,প্রকাশক: ই-প্রিয়২৪,(ছাত্র)।
সার্ভার ত্রুটিতে ঝুঁকির মুখে ১২০ কোটি ব্যবহারকারীর তথ্য
২৪নভেম্বর,রবিবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: সম্প্রতি গুগল ক্লাউড সার্ভারে ১২০ কোটি ব্যবহারকারীর ৪০০ কোটি তথ্য অরক্ষিত অবস্থায় পেয়েছেন দুজন সিকিউরিটি গবেষক। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ব্যক্তিগত এসব তথ্যের মধ্যে রয়েছে নাম, চাকরির পদ, ইমেইল অ্যাড্রেস, ফোন নম্বর ও অবস্থান। এর মধ্যে ৫০ মিলিয়ন ফোন নম্বর এবং ইমেইল ঠিকানা রয়েছে ৬২২ মিলিয়ন। কিছু তথ্য লিঙ্কডইন, ফেইসবুক ও অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া থেকে নেওয়া হয়েছে বলে জানান গবেষকরা। গবেষণার এ ফলাফল পাওয়া যায় গত অক্টোরে। নাইট লায়ন কোম্পানির সিইও ও ডার্ক ওয়েব গবেষক ভেনি ট্রোয়া এবং বব ডিয়াচেনকো সার্ভারটি শনাক্ত করেন। তিনি জানান, সার্ভারে থাকা বেশির ভাগ তথ্য নেওয়া হয়েছে পিপল ডেটা ল্যাবস ও অক্সিডেটা নামের দুটি কোম্পানির কাছ থেকে। পিপল ডেটা ল্যাবসের সহপ্রতিষ্ঠাতা জানিয়েছেন, সার্ভার নির্মাতা তাদের এনরিচ মেন্ট প্রোডাক্ট নামের একটি সার্ভিস অন্য সার্ভিসের সঙ্গে যুক্ত করে চারটি ডেটাসেটের মাধ্যমে সার্ভারটি তৈরি করতে পারে। ডেটা যাদের সার্ভারে পাওয়া যাবে দায় দায়িত্ব তাদেরই। অনলাইনের বিভিন্ন সোর্স থেকে তারা তথ্যগুলো স্ক্র্যাপিংয়ের মাধ্যমে সংগ্রহ করেছে। ট্রোয়া সার্ভারটির ব্যাপারে এফবিআইকে অবহিত করলে তারা সেটি সরিয়ে নেয়। কারা সার্ভারটি তৈরি করেছে তা জানা যায়নি। সার্ভারটির আইপি অ্যাড্রেস ছাড়া আর কোনো তথ্য জানা যায়নি। গুগলের ক্লাউড সার্ভারে ডেটাসেটটি পাওয়া গেলেও এর সঙ্গে গুগলের কোনো সংযোগ নেই বলে ধারণা করা হচ্ছে। কে সার্ভারটি তৈরি করেছে বা কেন করেছে সে বিষয়ে গবেষকরা এখনো নিশ্চিত হতে পারেননি।
যৌতুক মামলা মিথ্যা হলে কী করবেন পুরুষ
বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পুরুষরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। বিশ্বের অনেক দেশে কিছু বেসরকারি সংগঠন ১৯ নভেম্বর আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস পালন করে। রাজধানীতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ মেনস রাইটস ফাউন্ডেশন নামে একটি সংগঠন। নারায়ণগঞ্জেও কর্মসূচি পালন করেছে এই সংগঠনটি, যাদের দাবি- বাংলাদেশে পুরুষরাই বেশি নির্যাতিত হয়। তাদের দাবি- পুরুষরা সবচেয়ে বেশি নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। তাই পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইনি সুরক্ষা থাকা দরকার বলে তারা মনে করেন। খবর-বিবিসি বাংলা। সংগঠনের সভাপতি শেখ খায়রুল আলম গণমাধ্যমে বলেন, ৮০ শতাংশ পুরুষই নানাভাবে নির্যাতনের শিকার। বিশেষ করে মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েও তারা তা বলতে পারেন না। এ ছাড়া মামলা বা প্রতারণার শিকার তো অনেকেই হচ্ছেন। সমাজ কি এড়িয়ে যাচ্ছে: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞানের অধ্যাপক সালমা আক্তার বলেন, পুরুষরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। তবে কতটা হচ্ছেন তা নিয়ে কোনো গবেষণা হয়নি। তবে মনে রাখতে হবে, আমাদের সমাজ পুরুষতান্ত্রিক। তিনি বলেন, তবে পুরুষরা কেন নির্যাতনের শিকার হচ্ছে তা আগে আমাদের জানতে হবে। নির্যাতনের শিকার হলে সেটি কি কারণে হচ্ছেন, তা খুঁজে বের করতে হবে। রংপুরে বাংলাদেশ মেনস রাইটস ফাউন্ডেশন-এর আইনি পরামর্শক রিজওয়ানা আখতার শিরিন বলেন, সম্প্রতি তিনি বেশ কয়েকজন পুরুষকে পেয়েছেন যাদের নির্যাতিত বলেই তার কাছে মনে হয়েছে। স্ত্রীর পরকীয়া বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, সম্প্রতি একটি ঘটনা পেয়েছি, যেখানে স্ত্রী পরকীয়া করতে গিয়ে স্বামীর টাকা-পয়সা নিয়ে বাপের বাড়ি গিয়ে উল্টো নির্যাতন ও দেনমোহরের মামলা করেছেন। এমন নানা ধরনের ঘটনা আমরা এখন পাচ্ছি। এসব কারণেই আইনি সুরক্ষার দাবি জোরালো হচ্ছে, যাতে পুরুষ অকারণে ভিকটিম না হন। মিথ্যা যৌতুক মামলা থেকে বাঁচতে কী করবেন: ১. মিথ্যা মামলা হলে এজাহারের কপিটি সংগ্রহের চেষ্টা করুন। একজন ভালো আইনজীবীর সঙ্গে আলোচনা করুন। তিনি আপনাকে একটি ভালো পরামর্শ দেবেন। ২. নিম্নআদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইতে পারেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগটির সত্যতা না পেলে আপনাকে নির্দোষ দেখিয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করবেন। ৩. মিথ্যা মামলায় চার্জশিট বা অভিযোগপত্র হয়ে গেলে নিম্নআদালতে জামিন চাইতে হবে। জামিন না হলে পর্যায়ক্রমে উচ্চআদালতে আবেদন করতে হবে। ৪. আপনি মামলা থেকে অব্যাহতির জন্য আবেদন করতে পারেন। অব্যাহতির আবেদন নাকচ হলে উচ্চ আদালতে প্রতিকার চাইতে পারেন। ৫. অনেক সময় কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই পুলিশ এসে আপনাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে সাধারণ গ্রেফতারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামিকে আদালতে প্রেরণ করা হয়। তাই আপনার আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনের আবেদন করতে হবে। ৬. যদি থানায় মামলা না হয়ে আদালতে মামলা (সিআর) হয়, তা হলে আদালত সমন দিতে পারেন কিংবা গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করতে পারেন। এ ক্ষেত্রেও আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইতে হবে। ক্ষেত্র বিশেষে হাইকোর্ট বিভাগে আগাম জামিন চাইতে পারেন। ৭.দণ্ডবিধির ২১১ ধারা অনুযায়ী মিথ্যা মামলা করা একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আপনি নির্দোষ প্রমাণিত হলে মিথ্যা অভিযোগকারী বা মামলা দায়েরকারীর বিরুদ্ধে আপনি পাল্টা মামলা করতে পারেন। ৮. মিথ্যা নালিশ আনয়নকারী সব ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যবিধি ২৫০ ধারা অনুযায়ী মিথ্যা মামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ করা যায়। কোনো পুলিশ কর্মকর্তা আমলযোগ্য নয় এ রকম কোনো মামলায় মিথ্যা প্রতিবেদন দিলে তার বিরুদ্ধেও এ ধারা অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ প্রদান করা যায়।-বৈচিত্র নিউজ
বাংলাদেশের স্বাধিকার সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিলেন মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাস
১৭নভেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ রোববার। তিনি ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর ঢাকার পিজি হাসপাতালে (বর্তমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। জন্মস্থান টাঙ্গাইলের সন্তোষে সমাধিস্থ করা হয়।তার জন্ম ১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে। সিরাজগঞ্জে জন্ম হলেও ভাসানী জীবনের বড় অংশ কাটিয়েছেন টাঙ্গাইলের সন্তোষে। কৈশোর-যৌবন থেকেই জড়িত ছিলেন রাজনীতির সঙ্গে। দীর্ঘদিন তিনি তৎকালীন বাংলা-আসাম প্রদেশ মুসলিম লীগের সভাপতি ছিলেন।দেশের নিপীড়িত ও নির্যাতিত মানুষের মুক্তির জন্য সারা জীবন আন্দোলন ও সংগ্রাম করেছেন তিনি। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট গঠনকারী প্রধান নেতাদের মধ্যে অন্যতম। বাংলাদেশের স্বাধিকার-স্বাধীনতাসহ যে কোনো আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি রেখেছিলেন অগ্রণী ভূমিকা। এ কারণে পরিচিতি পান মজলুম জননেতা হিসেবে।মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মজলুম জননেতা ভাসানীকে নানা আয়োজনে স্মরণ করা হবে আজ।
সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকতা ছাড়া পৃথিবী চলবে কী করে?
১২নভেম্বর,মঙ্গলবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: গণমাধ্যম সমাজের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। গণমাধ্যম হচ্ছে সংগৃহীত সকল ধরনের মাধ্যম,যা গণযোগাযোগ কার্যক্রমে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। একদিন- ইজ জার্নালিজম ডায়িং বাক্যটা গুগলে লিখে সার্চ দিয়ে ফলাফলের দিকে তাকালাম। সেকেন্ড না পেরোতেই চোখের সামনে প্রদর্শিত হতে শুরু করল ২ কোটি ৪০ লাখেরও বেশি লিংক। প্রদর্শিত সকল ফলাফলের দিকে তাকালেই বুঝা যায়,সাংবাদিকতার অস্তিত্বেও সংকট কী ব্যাপক আলোচনায় সম্মুখীন হচ্ছে। অর্থ্যাৎ জনমনে প্রশ্ন জেগেছে,পেশা হিসেবে কি সাংবাদিকতার মৃত্যু ঘটতে চলেছে? কিন্তু কেন এই অলুক্ষনে প্রশ্ন? সাংবাদিকতার কি মৃত্যু হতে পারে? তাহলে গণতন্তের কী হবে? রাষ্ট্রশাসনে,ক্ষমতার ব্যবহারে,আইন প্রয়োগে জনগনের করের অর্থ ব্যায়ের ক্ষেত্রে সরকারের দায়িত্বশীলতা ও জবাবদিহির কী হবে? রাজনৈতিক অধিকার,মানবিক অধিকার,মতপ্রকাশের অধিকার,তথ্য জানার অধিকার এসবের কী হবে? মোদ্দা কথা,সাংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকতা ছাড়া পৃথিবী চলবে কি করে? সাংবাদিকতার ব্যাপক আলোচনার সঙ্গে এই সব প্রশ্নসহ অজড়ও প্রশ্ন অত্যন্ত নিবিড়ভাবে জড়িত। তাই খতিয়ে দেখা দরকার কেন ও কী পরিস্থিতে এই প্রশ্ন উঠেছে। ডিজিটাল প্রযুক্তির অভূতপূর্ব প্রসারের ফলে তথ্য,খবর ও মতামত বিনিময় এখন আর শুধু সংবাদমাধ্যম গুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। সাংবাদিকতার সঙ্গে লেশমাত্র সম্পর্ক নেই,এমন মাধ্যমে ও চোখের পলকে এই সবকিছুর আদান-প্রদান সম্ভব হচ্ছে। বিশ্বজুড়ে জবরদস্তিরা সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকতার ওপর চড়াও হচ্ছেন কটু কথা আর কালাকানুন নিয়ে। সাংবাদিকদের- পৃথিবীর নিকৃষ্টতম জীব বলে গালি দিচ্ছেন স্বাধীন সাংবাদিকতার তীর্থভূমি হিসেবে পরিচিত কেউ কেউ। উল্লেখ্য যে,দেশের অনেক জায়গায় বিশৃঙ্খলা ঘটছে। সেক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত গণমাধ্যমে এসব ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদন চলে আসছে। সংবাদকর্মীরা মাঠ পর্যায়ের পরিস্থিতি নিরপেক্ষভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন। তাই বলবো- গণমাধ্যমের ভূমিকা সো ফার সো গুড।লেখক: মো: ইরফান চৌধুরী,প্রকাশক: ই-প্রিয়২৪,(ছাত্র)।
আমি কি আমার স্বামীর রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পাবো না?
০৫অক্টোবর,শনিবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বাধীন দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশ নেওয়া মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধারা দেশের গর্ভ এবং রতoe এই কথাটি সরকার এবং দেশের সকলে স্বীকার করেন। কিন্তু এখনো আমরা দেখি যারা স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশ গ্রহন করে যুদ্ধ করেছেন এবং শহীদ হয়েছেন তাদের মধ্যে অনেকে এখনো তাদের সম্মান ও স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। যদিও মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় অসংখ্য ভূয়া মুক্তিযোদ্ধারা স্থান নিয়ে স্বীকৃতি পেয়েছেন বিভিন্ন মহলে,বর্তমান সরকার এই ভূয়া মুক্তিযোদ্ধাদের বিষয়ে ইতি মধ্যে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের বিষয়ে গনমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে। কে শুনে কার কথা স্বাধীনতা সংগ্রামে স্বামীকে হারিয়ে নুর জাহান বেগম তার ছেলে মেয়েকে নিয়ে অনাহাওে অতিব দুঃখে কষ্টে ছেলে মেয়েকে বড় কওে আজ সে সরকারের বিভিন্ন সংস্থায় ধর্না দিচ্ছেন। শুধু মাত্র তার স্বামীর শহীদের স্বীকৃতি অর্জনের জন্য। ফেনী জেলার ডমুরুয়া গ্রামের মৃত মনির উদ্দিন আহম্মদের পুত্র এ এস এম মহি উদ্দিন আহাম্মদ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালিন সময়ে রেলওয়েতে চট্টগ্রাম সি.আর,বি তে নিরাপত্তা প্রহরী (আর.এন.বি) পদে চাকুরীরত অবস্থায় স্বাধীনতার ডাকে ৮ই এপ্রিল ১৯৭১ সালে পাক হানাদার বাহিনীর সাথে সি.আর.বি তে সম্মুখ যুদ্ধে নিহত হন। তার আর.এন.বি নং:- ই-ডব্লিউ/ম্যান সিরিয়াল নং: ৪২২৩ (সি.এম.ডব্লিউ/সি.আর.বি/আর.এন.বি)। বাংলাদেশ রেলওয়ে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবার সম্মিলন পরিষদ কর্তৃক গত- ১৯৯৫ সালের অক্টোবরে সংবর্তি নামক ম্যাগাজিনে ১৬৪ নং ক্রমিকে শহীদ এ.এস.এম মহিউদ্দিন আহমদ এর নাম লিপি রয়েছে। এবং রেলওয়ে লিস্ট নং: ০৬ এর-৭২৯ নং এ ও এই শহীদের নাম রয়েছে। স্বাধীনতা সংগ্রামের পর জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ন্যাশনাল ব্যাংক অফ পাকিস্তান নামক ব্যাংকের মাধ্যমে শহীদ এ.এস.এম মহিউদ্দিন আহম্মদের স্ত্রী নুর জাহান বেগমকে ২,০০০/০০ টাকা (দুই হাজার টাকা) প্রদান করে ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত- ২৪ এপ্রিল ২০১৩ ইং তারিখে ঢাকা রেলওয়ে ষ্টেশন চত্বরে কমলাপুরে ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ রেলকর্মীদের স্বরনে স্মৃতিসৈৗধ সূর্যকেতন নামক যে স্মৃতিসৈৗধ নির্মান করেছেন সে খানে ও লিখিত ও উল্লেখিত ৩০ নং শহীদ ব্যক্তি হিসেবে স্থান পেয়েছেন এ.এস.এম মহিউদ্দিন আহম্মদের নাম। এই শহীদের স্ত্রী নুর জাহান বেগম তৎ কালিন (১৯৬৯) জাতীর জনকের নির্বাচনে তিনি বঙ্গবন্ধুর পক্ষে তার বাবার বাড়ী সিতাকুন্ড এলাকায় নির্বাচনী এজেন্ট ও ছিলেন। বর্তমানে নুর জাহান বেগম তার স্বামী শহীদ হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য তিনি ইতিমধ্যে- ২০১৬ সালের ১৮ ডিসেম্বও মহাব্যবস্থাপক (পর্ব) বাংলাদেশ রেলওয়ে সি.আর.বি চট্টগ্রাম- ২০১৮ সালের ৭ আক্টোবর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, একই সালের ৮ আক্টোবর ও চলিত বছরের ১৩ মার্চ ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে স্বাক্ষাত চেয়ে এবং তার স্বামীকে শহীদের তালিকায় লিপি করার উদ্যেশ্যে আবেদন করে ও ব্যার্থ হয়েছেন নুর জাহান বেগমের স্বামী একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের তালিকায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অন্তর্ভুক্তির দাবীদার মর্মে ফেনী জেলার ২নং পাঁচগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মানিক ও ফেনী-০২ এর বর্তমান সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী প্রত্যায়ন পত্র দিয়েছেন। উক্ত বিষয়ে বর্তমানে অসুস্থ ও ৭৫ বছর বয়স্ক নুর জাহান বেগম বলেন,আমি চরম অনিশ্চয়তা এবং আশংকার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি যে,আমি জীবিত অবস্থায় আমার স্বামীর শহীদ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পাওয়ার বিষয়ে দেখে যেতে পারবো কি না। আমার একটি মেয়ে খোদেজা ভূইয়া ও একটি ছেলে মোঃ মাইন উদ্দিন তাদের বাবার এই সম্মান টুকু তারা আদৌ পাবে কি না। আমি বর্তমান খুবই অসুস্থ। আমি মনে করি আমার এই চরম দুর্দিনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে স্বাক্ষাত করতে পারলে বা তার সাহায্য ও সহযোগীতা পেলে আমার স্বামীর রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির পাশাপাশি আমার এই দূরবস্থার পরিবর্তন হবে। আমার একমাত্র ছেলে বর্তমানে বেকার,বেচেঁ থাকার যে টুকু অবলম্ভন ছিলো তাও নেই। আমি আপনাদের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে তাঁর কাছে আকুল আবেদন করছি,যেন মরে যাবার আগে অন্তত আমার স্বামীকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি টুকু প্রদান করা হয়।
উপড়ে ফেলতে হবে-কিশোর গ্যাং
২৯সেপ্টেম্বর,রবিবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশজুড়ে মফস্বল শহর ও নগর কেন্দ্রিক কিশোর অপরাধ বেড়েই চলেছে। এসব অপরাধীদের অঘোষিত সাংগঠনিক রূপ কিশোর গ্যাং। কথিত বড় ভাইয়েরা এ গ্যাং এর মূল নিয়ন্ত্রক ও শক্তি। এ কিশোর গ্যাং ইতিমধ্যেই এত বেশী ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছে যে তুচ্ছ ঘটনায় নিজের সহপাঠী বা বন্ধুকে অথবা প্রতিপক্ষকে তারা হত্যা করতে দ্বিধা করছে না। দিন দিন কিশোর গ্যাং এর বিস্তার ঘটছে। খুন খারাবি থেকে শুরু করে মাদক ব্যবসা, ইভটিজিং অপহরণসহ নানারকম অসামাজিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িয়ে পড়ছে কিশোর গ্যাং। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কথিত বড় ভাইদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে এলাকা ভিত্তিক গড়ে উঠেছে ছোট বড় শতাধিক কিশোর গ্রুপ। এসব গ্রুপের বেশিরভাগ সদস্যদের বয়স ১৮ থেকে ২১ বছরের মধ্যে । কথিত বড় ভাইদের প্রশ্রয়েই বিপথগামী হচ্ছে এসব কিশোর উঠতি যুবকেরা। বড় ভাইয়েরা এসব কিশোরদের হাতে তুলে দিচ্ছেন অবৈধ অস্ত্র এবং অপরাধ জগতে পা বাড়াতে উৎসাহ দেন। তাদের হাতে লাঞ্ছিত ও অপমানিত হন সমাজের নিরীহ নারী পুুরুষ। সম্প্রতি কমনওয়েলথ কর্তৃক তৈরি গ্লোবাল ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ইন ডেক্সে বলা হয়েছে বাংলাদেশের তরুণদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল নয়। উঠতি বয়সি অনেক কিশোর-কিশোরী হঠাৎ করে এবং কিভাবে অনাকাঙ্ক্ষিত অপরাধ প্রবণতায় জড়িয়ে যায়। এ বিষয় নিয়ে মনোবিজ্ঞানী ও সমাজ বিজ্ঞানীদের অনেক ভালো বিশ্লেষণ রয়েছে। আমাদের মতে বল্গাহীনভাবে ফেসবুক ব্যবহার। মোবাইল ফোনের আধিপত্য, বিকট শব্দে বাইক চালা, পাশ্চাত্য ঢং এ চলাফেরা, ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের প্রভাব ও মা বাবার কম নজরদারী কিশোরদের অপরাধ প্রবণতায় জড়িয়ে যাওয়ার মূল কারণ। কিশোর অপরাধের মূলে রয়েছে অনেক কারণ। জ্ঞানের সংস্পর্শে বিদ্যালয়ের পরিবেশে ভালো বন্ধুর সাহচার্য একটি শিশু বা কিশোরদের ভালোভাবে বেড়ে উঠায় সাহায্য করে। তবে কিশোর অপরাধ রোধে মা বাবার ভূমিকাটাই বড়। ছেলেমেয়ে কোথায় যাচ্ছে কার সংগে মিশছে টিভিতে, মোবাইল ফোনে, কম্পিউটারে কি দেখছে, পড়াশোনা করছে কিনা ক্লাস ফাঁকি দিচ্ছে কিনা এসব দেখার দায়িত্ব বড়দের। সবাই কি তা পালন করছেন? অনেক অভিভাবক সুরম্য অট্টালিকা বানাতে, নিজেদের ব্যবসায় চিন্তা করে করে দিন রাত ব্যস্ত থাকে। বিদেশে শিক্ষার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়া, নিজেরা কেউ কেউ অনিয়ন্ত্রিত চলাফেরা করে। কিশোরদের হাতে দামি দামি সাইকেল, মোটর সাইকেল দিয়ে চেঁচিয়ে বেড়ায় উচ্ছেন্নে গেল বলে? অঢেল অর্থও অনেক শিশু কিশোরকে বেপরোয়া করে তুলছে। যার প্রমাণ ভুরি ভুরি। আশার কথা, বেপরোয়া গ্যাং কালচার রুখে দেয়ার উদ্যোগের কথা বলছেন-স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই বিষয়ে নিরাপত্তা বাহিনী যথেষ্ট সজাগ ও কঠোর বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেই। অন্যদিকে ডিএমপি ও সিএমপি কমিশনার বলেছেন-ঢাকায় ও চট্টগ্রামে কিশোর গ্যাংয়ের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। কিশোর অপরাধ দমনের উদ্যোগ সত্যিই ইতিবাচক।
আজ পবিত্র আশুরা
১০সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:মুসলিম বিশ্বে ত্যাগ ও শোকের একটি দিন পবিত্র আশুরা। কারবালায় হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র ইমাম হোসেনের মৃত্যুর দিনটি (১০ মহররম) বিশ্বব্যাপী মুসলমানরা শোকের আবহে পালন করে। এরই ধারাবাহিকতায় বিশ্বের অন্যান্য মুসলিম দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশেও আজ মঙ্গলবার আশুরা পালিত হবে। পবিত্র আশুরা উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এবারও রাজধানীর হোসেনি দালান ইমামবাড়া থেকে তাজিয়া মিছিল বের হবে। এতে অংশ নেবে হাজার হাজার মানুষ। তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতি সম্পন্ন। জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তাব্যবস্থা। গতকাল সোমবার ইমামবাড়ায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শত শত শিয়া মুসলিম কারবালার বিয়োগাত্মক ঘটনা স্মরণে ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালন করছে বিভিন্ন রীতি-নীতি। তাজিয়া মিছিল ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অনুষ্ঠান ঘিরে হোসেনি দালান এলাকা ও আশপাশে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। পুরো এলাকা ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকধারী অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীয় সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করছেন। এবার আশুরা উপলক্ষে হোসেনি দালানে প্রবেশের ক্ষেত্রে রয়েছে যথেষ্ট কড়াকড়ি। পুলিশের পাশাপাশি ইমামবাড়া কর্তৃপক্ষ প্রায় ২০০ স্বেচ্ছাসেবক দিয়ে নিজস্ব নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তুলেছে। ইমামবাড়া সূত্রে জানা গেছে, সকাল ১০টায় মিছিলটি হোসেনি দালান থেকে বের হয়ে বকশী বাজার লেন, কলপাড়, উমেশ দত্ত রোড, উর্দু রোড ঢাল, লালবাগ চৌরাস্তা, এতিমখানা রোড, আজিমপুর মেটারনিটি, নীলক্ষেত মোড়, সিটি কলেজ, ধানমণ্ডি-২, রাইফেলস স্কয়ার হয়ে ‘অস্থায়ী কারবালায়’ (বিজিবি সদর দপ্তরের গেটের উল্টো দিকে) মিছিলটি শেষ হবে। এ ছাড়া ১ মহররম থেকে প্রতিদিনই ভিন্ন ভিন্ন অনুষ্ঠান, তাজিয়া মিছিল, শোকসভা, শোক মজলিস, মর্সিয়া মাতম ও ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে অতিবাহিত করছে শিয়া মতাবলম্বীরা। এবার তাজিয়া মিছিলে দা, ছোরা, কাঁচি, বর্শা, বল্লম, তরবারি, লাঠি ইত্যাদি বহন এবং আতশবাজি ও পটকা ফোটানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। ইমামবাড়ার স্বেচ্ছাসেবক মাহফুজ আলী বলেন, ‘আমি ছোটবেলা থেকে তাজিয়া মিছিলে অংশগ্রহণ করে আসছি। এবার মহরম উপলক্ষে অফিস থেকে পাঁচ দিনের ছুটি নিয়ে এসেছি। এটা আমাদের কাছে আলাদা গুরুত্ব বহন করে।’ ইমামবাড়ার মহররমকেন্দ্রিক নানা আয়োজন দেখতে আসা নাজমা বেগম বলেন, ‘আমি ছোটবেলা থেকে মায়ের সঙ্গে এখানে আসতাম। এখনো নিয়মিত আসি।’ মিরপুর থেকে ঘুরতে আসা খোরশেদ আলম বলেন, ‘আমি প্রতিবছর আশুরার সময় এখানে আসি। এবারও এসেছি। এখানে এলে আলাদা কিছু অনুভব করি।’ স্কুলপড়ুয়া কয়েকজন শিক্ষার্থী বলে, ‘আমরা বন্ধুরা মিলে ১ মহরম থেকে প্রতিদিন আসি। আগামীকাল (মঙ্গলবার) আবার আসব।’ হোসেনি দালান ইমামবাড়ার প্রশাসনিক কর্মকর্তা মির্জা মো. নকি বলেন, ‘আবহাওয়া প্রতিকূলে থাকলেও সকাল ১০টায় তাজিয়া মিছিল বের হবে। চার শ বছরের ঐতিহ্য আমাদের এই মিছিল। প্রতিবছরের মতো এবারও তাজিয়া মিছিলে প্রায় ৩০-৪০ হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করবে বলে আশা করছি।’ আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ে জানতে চাইলে চকবাজার মডেল থানার ওসি সোহরাব হোসেন বলেন, ‘বরাবরের মতো এবারও আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে। আমরা পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। এখানে কোনো অঘটন ঘটার সম্ভাবনা নেই।