নির্বাচন কমিশনকে ব্যর্থ বলা বিএনপির পুরোনো কৌশল: ওবায়দুল কাদের
১৫,অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি আসন্ন উপনির্বাচনে আগে থেকেই ভরাডুবির আশঙ্কা করছে। তাই নানা অভিযোগ করছে তারা। ভোটের আগে অভিযোগ, ভোটের দিন সরে দাঁড়ানো এবং পরে নির্বাচন কমিশনকে ব্যর্থ বলা বিএনপির পুরোনো কৌশল। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) নিজ বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের সিরাজগঞ্জে এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লায় পণ্যবাহী যানবাহন চালকদের জন্য দুটি বিশ্রামাগার নির্মাণকাজ উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, নিরাপদ ও উন্নয়নবান্ধব সড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা সরকারের অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্যে আইনগত কাঠামো শক্তিশালী করার অংশ হিসেবে সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ কার্যকর করা হয়েছে। নিরাপদ মহাসড়ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন মহাসড়কে ১২১টি দুর্ঘটনাপ্রবণ বাঁকের ঝুঁকি হ্রাস করা হয়েছে। সড়ক নিরাপত্তায় সংশ্লিষ্ট স্ অংশীজনের মাঝে সুদৃঢ় সমন্বয় গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। তিনি বলেন, সমন্বয় যত দৃঢ় হবে মহাসড়ক তত নিরাপদ হবে। সড়ক নিরাপত্তায় জনসচেতনতা তৈরিতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাসমূহকে এগিয়ে আসতে হবে। ওবায়দুল কাদের জানান, মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করায় মুখোমুখি সংঘর্ষ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। জেলা ও আঞ্চলিক মহাসড়কে সিএনজি অটোরিকশাসহ নন-মোটরাইজড যানবাহনের চলাচল বন্ধে সংশ্লিষ্টদের আরও কঠোর হতে হবে। উল্লেখ্য, প্রায় ২২৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ঢাকা-রংপুর, ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-খুলনা এবং ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে পণ্যবাহী গাড়িচালকদের জন্য চারটি বিশ্রামাগার নির্মাণ করা হবে। এসব বিশ্রামাগারে পার্কিং, গাড়ি চালকদের বিশ্রাম ও রাতযাপনের সুবিধা ছাড়াও গাড়ি মেরামত ও বিনোদনের ব্যবস্থা থাকবে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী কাজী শাহরিয়ার হোসেন, প্রকল্পের পরিচালক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ সড়ক ও জনপথ অধিদফতর এবং প্রকল্প কর্মকর্তারা এসময় ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত ছিলেন।
ক্ষমতাসীনদের মদদে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চলছে : ফখরুল
১৪,অক্টোবর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ক্ষমতাসীনদের মদদে সারাদেশে বেআইনি সন্ত্রাসী কার্যকলাপ হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বুধবার (১৪ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ অভিযোগ করেন। বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ঢাকা-৫ সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনের প্রাক্কালে ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় আওয়ামী সন্ত্রাসীদের আক্রমণ নিঃসন্দেহে সুপরিকল্পিত এবং সন্ত্রাস সৃষ্টি করে সুষ্ঠু নির্বাচনে ব্যাঘাত সৃষ্টির মাধ্যমে জনগণকে ভীত সন্ত্রস্ত করে সরকারদলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করারই নীলনকশা। এই হামলা সরকারি আধিপত্য বিস্তারেরই নগ্ন বহিঃপ্রকাশ। নির্বাচন, প্রশাসন, আইন-আদালতসহ সবকিছুর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেবেই বর্তমান অবৈধ সরকার দলীয় সন্ত্রাসীদের দিয়ে এ ধরনের হামলা সংঘটিত করছে। তিনি বলেন, মানুষের মৌলিক অধিকারগুলোকে উপেক্ষা করে জনগণকে প্রান্তিক পর্যায়ে ঠেলে দিয়েছে বর্তমান সরকার। ক্ষমতাসীনদের মদদে সমাজের সর্বত্র চলছে বেআইনি সন্ত্রাসীদের আধিপত্য। চোখ রাঙানি দিয়ে সরকার জনগণকে শাসন করতে চায়। গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও ন্যায় বিচারকে নির্বাসনে পাঠানো হয়েছে, আর এজন্যই যেকোনো শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে ক্ষমতাসীনদের সন্ত্রাসীরা বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে রক্ত ঝরাচ্ছে। দেশের মানুষকে ভয় ও শঙ্কার মধ্যে ডুবিয়ে নির্বিঘ্নে দেশ শাসন করতে চায় বলেই বর্তমান সরকার দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন করতে চায় না। মির্জা ফখরুল বলেন কিন্তু মনুষ্যসমাজে কখনওই কোনো স্বৈরশাসক নিজেদের অবৈধ শাসনকে টিকিয়ে রাখতে পারেনি। গণতান্ত্রিক শক্তির উত্থানে স্বৈরাচারের পতন ঘটেছে দেশে-দেশে। বাংলাদেশেও স্বৈরাচারী শাসকের পতন অত্যাসন্ন। তিনি আরও বলেন, ঢাকা-৫ জাতীয় সংসদ শূন্য আসনে নির্বাচন উপলক্ষে যাত্রাবাড়ীতে ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে শান্তিপূর্ণ পথসভায় নেতাকর্মীদের ওপর হামলা এবং তাদেরকে আহত করার ঘৃণ্য ঘটনায় আমি ধিক্কার জানাচ্ছি, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। হামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি করছি। হামলায় আহত নেতাকর্মীদের আশু সুস্থতা কামনা করছি।
একদিন বিএনপিও বঙ্গবন্ধুকে স্বীকার করবে : তথ্যমন্ত্রী
১৪,অক্টোবর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, রাজনৈতিক ও চিন্তার দৈন্যতার কারণেই বঙ্গবন্ধুকে স্বীকার করতে বিএনপি ব্যর্থ এবং তারা ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা করেছিল। কিন্তু একদিন সময় আসবে বিএনপিও বঙ্গবন্ধুকে স্বীকার করবে। বুধবার (১৪ আক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু কোনো দলের নয়, বঙ্গবন্ধু পুরো জাতির। উপমহাদেশ এবং সমগ্র বিশ্বের বাঙালির কাছে বঙ্গবন্ধু একজন পূজনীয় নেতা। বঙ্গবন্ধু তাই সমগ্র বাঙালির। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, বিএনপিসহ কিছু রাজনৈতিক দল বঙ্গবন্ধুকে স্বীকার করতে চায় না। এটি তাদের ব্যর্থতা, রাজনৈতিক দৈন্যতা, চিন্তার দৈন্যতা। এ কারণেই তারা ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা করেছিল। স্কুলের দফতরিকে হেডমাস্টার বানিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছিল। স্কুল ছুটি কখন হবে সেটি ঠিক করে হেডমাস্টার আর ঘণ্টা বাজায় দফতরি। তাহলে কী দফতরি স্কুল ছুটি দিল না হেডমাস্টার? - এ অপচেষ্টা তারা করেছিল। আজকে তারা ধীরে ধীরে ইতিহাসের পাতা থেকে ঝরে যাচ্ছে। এটিই বাস্তবতা, এটিই ইতিহাসের রূঢ় সত্য। একদিন সময় আসবে তারাও বঙ্গবন্ধু এবং অবদানকে স্বীকার করবে। হাছান বলেন, আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা, যার ধমনিতে শিরায় বঙ্গবন্ধুর রক্ত প্রবহমান, তিনি প্রতিহিংসা, জিঘাংসার রাজনীতি বিশ্বাস করেন না। যদি তাই হতো, তাহলে তিনি বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের বিচার স্পেশাল ট্রাইব্যুনালে করতেন। কিন্তু তা করেননি। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার তিনি সাধারণ আদালতে করেছেন। এটি শেষ করতে ১২ বছরের বেশি লেগেছে। উন্নত অবকাঠামোর পাশাপাশি উন্নত জাতি গঠনের জন্য রাষ্ট্রের সব অনাচার বন্ধ হওয়া দরকার এবং সম্প্রতি ধর্ষণসহ এ ধরনের যে অনাচার হয়েছে, তা বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে আইন সংশোধন করা হয়েছে, পার্লামেন্ট অধিবেশনের জন্য অপেক্ষা না করে রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমে সেই আইন কার্যকর করা হয়েছে এবং যাতে এই অনাচার বন্ধ হয় সেজন্য সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে আইন সংশোধন করা হয়েছে, জানান তথ্যমন্ত্রী। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, অথচ আমি কাগজে-টেলিভিশনে জানলাম, বিএনপি এটি নিয়েও সমালোচনা করেছে। এটির কারণ একটাই হতে পারে, তারা ক্ষমতায় থাকাকালে এই অনাচারে যুক্ত ছিল এবং তখন কীভাবে নারী ধর্ষণ হয়েছিল সবাই জানেন, সে কারণেই কী তারা এই আইন সংশোধনের সমালোচনা করছে -এটিই আজকে জনগণের প্রশ্ন। তার অর্থ দাঁড়ায়, বিএনপি চায় না দেশ থেকে অনাচার দূর হোক। জাগপা সভাপতি এ কে এম মহিউদ্দিন আহম্মেদ বাবলুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. মজিবুর রহমানের সঞ্চালনায় ন্যাশনাল পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান আলহাজ শেখ সালাউদ্দিন সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন।
দেশব্যাপী নারী ও শিশু নির্যাতন এক ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করেছে: মির্জা ফখরুল
০৪,অক্টোবর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের মানুষ আওয়ামী অপকর্মের সব ঘটনাই মনে রাখবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ রোববার এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন। আজ বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বলেন, বিধি বহির্ভূতভাবে ও কোনো নিয়ম-কানুনের তোয়াক্কা না করে জনমতকে উপেক্ষার মাধ্যমে একতরফাভাবে জয়পুরহাটে শহীদ জিয়া কলেজের নাম পরিবর্তন করে আওয়ামীকরণের ঘটনা সম্পূর্ণভাবে সরকারের ঘৃণ্য প্রতিহিংসা ও বিদ্বেষের বহিঃপ্রকাশ। আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। বিএনপি মহাসচিব বলেন, কলেজের নাম পরিবর্তন করা সহজ, কিন্তু মানুষের হৃদয় ও ইতিহাসের পাতা থেকে স্বাধীনতার ঘোষক সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের অবিস্মরণীয় নাম মুছে ফেলা অসম্ভব। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ব্যবসায়ীরা জয়পুরহাটে দেশের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক, শহীদ জিয়ার নামে কলেজের নাম পরিবর্তনের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধকেই অবমাননা করল। এই ঘটনা একটি ন্যাক্কারজনক ও খারাপ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকল। মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের মানুষ আওয়ামী অপকর্মের সব ঘটনাই মনে রাখবে। জনগণই আওয়ামী দুঃশাসন অবসানের প্রধান শক্তি। এরা কখনোই দেশের জন্য মঙ্গলজনক কোনো কাজ করেনি। বরং প্রতিনিতই অনাচার ও মানবতাবিরোধী কাজ করছে সরকারদলীয় নেতাকর্মীরা। এদের কারণেই দেশব্যাপী নারী ও শিশু নির্যাতন এক ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করেছে। বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশের মানুষ এক ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে বসবাস করছে। কারো কোনোই নিরাপত্তা নেই। সরকার শহীদ জিয়ার জনপ্রিয়তায় আতঙ্কিত হয়ে সবকিছু থেকে তার নাম মুছে ফেলতে চাইলেও এদেশের মানুষ যুগে যুগে জিয়াউর রহমানের আদর্শকে বুকে ধারণ করেই তার নামকে অমর করে রাখবে। শহীদ জিয়া ও বিএনপির প্রতি মানুষের যে ভালোবাসা সেটিকে এ ধরনের অপকর্মের দ্বারা কখনোই নিঃশেষ করা যাবে না। বরং এতে শহীদ জিয়ার প্রতি মানুষের ভালোবাসা আরও বৃদ্ধি পাবে। মানুষের মনে শহীদ জিয়ার নীতি, আদর্শ, দেশপ্রেম এবং গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতি অঙ্গিকার চিরঅম্লান হয়ে থাকবে। জয়পুরহাটে শহীদ জিয়া কলেজের নাম পরিবর্তনের নিন্দনীয় ঘটনায় আমরা তীব্র ধিক্কার জানাচ্ছি। মির্জা ফখরুল আরও বলেন, পাশাপাশি এই অপকর্মের প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোক্তাদুল আদনানকে গ্রেপ্তারবিরোধী দলের ওপর আতঙ্কিত সরকারের নির্মমতা ও কাপুরুষতারই বহিঃপ্রকাশ। সরকার নিজেরে অপকর্ম ঢাকতেই সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে মোক্তাদুল আদনানকে গ্রেপ্তার করেছে। আমি তাকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে তার নিঃশর্ত মুক্তির জোর দাবি করছি। সূত্র: আলোকিত বাংলাদেশ
বগুড়ায় বিএনপির এমপির আগমনে বহিষ্কৃত গ্রুপের ঝাড়ু মিছিল
০৩,অক্টোবর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বগুড়া জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ও জেলা বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক সিপার আল বখতিয়ারকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কারের প্রতিবাদে এবং বগুড়া-৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম মোহাম্মদ সিরাজের বগুড়ায় আগমন কেন্দ্র করে শহরে ঝাড়ু মিছিল ও সড়ক অবরোধ করেছে বহিষ্কৃত গ্রুপের নেতাকর্মীরা। শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুর পৌনে ১টার দিকে সদর উপজেলার মালতীনগর ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কয়েকশ’ নারী ও পুরুষসহ বহিষ্কৃত গ্রুপের নেতাকর্মীরা শহরের প্রধান প্রধান সড়কে সিপারের সমর্থনে এ মিছিল বের করেন। জানা যায়, বগুড়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি গঠনের দেড় বছরের মধ্যে বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের ২৩ জন নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। সর্বশেষ গত ২৮ সেপ্টেম্বর জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ও জেলা বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক পৌর কাউন্সিলর সিপার আল বখতিয়ারকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। এরপর থেকে বিএনপির রাজনৈতিক অঙ্গন উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। জেলা বিএনপি অফিস দখল নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। ফলে পুলিশের পক্ষ থেকে দুই গ্রুপকে অফিসে যাওয়া থেকে বিরত রাখা হয়। এদিকে, শনিবার (৩ অক্টোবর) বগুড়া জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সম্মলন উপলক্ষে বগুড়া জেলা জজ আদালত চত্বরে আয়োজিত কর্মসূচিতে সংসদ সদস্য গোলাম মোহাম্মদ সিরাজকে প্রধান অতিথি করা হয়। বেলা ১১টায় তিনি কর্মসূচিতে যোগ দেবেন এমন খবরে বহিষ্কৃত গ্রুপের নেতাকর্মীসহ কয়েকশ’ সমর্থক ঝাড়ু মিছিল করে শহরের শেরপুর রোডে পিটিআই মোড়ে অবস্থান নেয়। এরপর ঝাড়ু মিছিল করে নেতাকর্মীরা শহরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথা ঘুরে আবারও পিটিআই মোড়ে সংসদ সদস্যের শহরের প্রবেশপথে অবস্থান নেন। মিছিলকারীরা গোলাম মোহাম্মদ সিরাজকে সংস্কারপন্থী নেতা উল্লেখ করে দল থেকে তার অব্যাহতি এবং তার সুপারিশে বহিষ্কৃতদের দলে ফিরিয়ে আনার দাবি জানায়। বগুড়া জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী জানান, সংসদ সদস্যের নিরাপত্তার জন্য আদালত চত্বরে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।- বাংলা নিউজ
অক্টোবরের থেকে সাংগঠনিক সফরে নামছে আ. লীগ
২১সেপ্টেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অক্টোবরের শুরু থেকেই দেশব্যাপী সাংগঠনিক সফরে নামছে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ। লক্ষ্য করোনা স্থবিরতা কাটিয়ে দলকে চাঙা করা। এর মধ্যে তৃণমূলের সব ইউনিটে কাউন্সিল ও পূর্ণাঙ্গ কমিটিও করতে চায় দলের হাইকমান্ড। কিন্তু টানা ক্ষমতায় থাকার ১ যুগের মাথায় দলের ভেতর বাইরের অন্তর্কোন্দল মেটানোসহ এ সফরে চ্যালেঞ্জ কতটা? নেতারা বলছেন, জোর দেয়া হবে দলীয় কোন্দল নিরসনে। মূল্যায়ন করা হবে ত্যাগীদের। ৫টি সংসদীয় আসন, ৯ উপজেলা, ৪ জেলা ও ৬১টি ইউনিয়নের উপনির্বাচনকে ঘিরে নেতাকর্মীদের দৌড়ঝাঁপ চলছে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে। তবে এর বাইরেও প্রতিদিনই এ কার্যালয়ে আসছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের তৃণমূল নেতারা। কেন্দ্রীয় সম্মেলনকে কেন্দ্র করে তড়িঘড়ি করে ৩১ জেলা ইউনিটের সম্মেলন হয়েছে, কিন্তু পূর্ণাঙ্গ হয়নি কমিটি। পূর্ণ কমিটির সে তালিকা দলের দপ্তরে জমা দিচ্ছেন নেতারা। আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে কমিটি পূর্ণাঙ্গ করা হয়নি। ইতোমধ্যে আমরা প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ সম্মেলন হয়ে যাওয়া জেলার কমিটির তালিকা হাতে পেয়েছি। অনেক অভিযোগ এসেছে, আর বাকি কমিটিগুলোর তালিকা আমি আশা করছি এ মাসের মধ্যেই আমাদের হাতে আসবে। করোনা পরিস্থিতির কারণে যেখানে ছিল সুনসান নীরবতা, স্থবিরতা সেখানে এমন কর্মচঞ্চল, কর্মীদের আনাগোনা। এর মধ্যে দেশব্যাপী সাংগঠনিক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি। সবকিছু ঠিক থাকলে আসছে মাসের শুরুর দিকেই জেলায় জেলায় বেড়িয়ে পড়বে কেন্দ্রীয় নেতারা। এরই মধ্যে দলীয় সভাপতির নির্দেশে ৮ বিভাগে যে ৮টি টিম সফর করবে; প্রস্তুত হয়েছে তার খসড়াও। প্রেসিডিয়াম সদস্যের নেতৃত্বে এ টিমে থাকবেন যুগ্ম সম্পাদক ও দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদকরা। আওয়ামীলীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, কেন্দ্রীয় নেতারা যখন একটা জেলায় যাবে সেই জেলায় একটা কর্মচাঞ্চলতা সৃষ্টি হবে। জেলা পার হয়ে যখন উপজেলা যাবে তখন সেখানকার নেতারা আরও প্রাণ চঞ্চলতা ফিরে পায়। কাজেই আমরা সেই বিষয়গুলো করতে চাই। করোনা সংকটের মধ্যেও কিশোরগঞ্জের একটি উপজেলায় সশস্ত্র সংঘাত হয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের মধ্যে। অন্তর্কোন্দল আছে তৃণমূলের বেশিরভাগ ইউনিটে। নেতারা বলছেন, কোন্দল নিরসনের পাশাপাশি ত্যাগী কর্মীর পদ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কর্নেল (অব) ফারুক খান বলেন, সেন্ট্রাল কমিটি থেকে শুরু করে গ্রাম পর্যায়ে লাখ লাখ সংগঠন আছে তার মধ্যে দু’একটি সংগঠনে মারামারি হলে আমি মনে করি সেটা সিরিয়াস ব্যাপার না। তবে যেখানে মারামারি হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ব্যাবস্থা নেওয়া হয়েছে। এবং আগামীতে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, যারা প্রতিহিংসা সৃষ্টি করছেন, যারা শৃঙ্খলা ভঙ্গ করবেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। আরও পড়ুন- অনুপ্রবেশকারী ঠেকাতে ‘চাপে’ আ. লীগের উপকমিটি চলতি মাসের মধ্যেই ঘোষণা করা হবে আওয়ামী লীগের ৫ সহযোগী সংগঠনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি। এছাড়া দলকে গতিশীল করতে চলতি বছরের মধ্যেই ৭৮ সাংগঠনিক ইউনিটে সম্মেলন শেষ করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে বলেও জানান কেন্দ্রীয় নেতারা।
বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথে চললে দেশ এতোদিনে দুর্নীতিমুক্ত হতো
১৮,আগস্ট,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশিষ্ট আইনজীবী, সংবিধান প্রণেতা ড. কামাল হোসেন বলেছেন, বঙ্গবন্ধু আমাদের পথ দেখিয়ে গিয়েছিলেন সন্ত্রাসমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ার। বঙ্গবন্ধুর সেই পথে আমরা চলতে পারলে বাংলাদেশ আজ দুর্নীতিমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত দেশ হতো। ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুর শাহাদতবার্ষিকীতে সেটাই আমাদের স্মরণ করা দরকার। বর্তমানে দেশে যে দুর্নীতি চলছে বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে শক্ত হাতে তা দমন করতেন। বঙ্গবন্ধু সবসময় দুর্নীতির বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থানে ছিলেন। দেশ স্বাধীনের পর প্রথম দেশে পা রেখেই তিনি দুর্নীতিবাজদের হুঁশিয়ার করেন। তিনি বলেন, আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কথা বলি কিন্তু কাজে দেখি না। মানবজমিন-এর সঙ্গে আলাপে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন এসব কথা বলেন।- মানব জমিন
বাঙালি জাতির স্বপ্নের রূপকার ছিলেন বঙ্গবন্ধু : রওশন এরশাদ
১৫আগস্ট,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ বলেছেন, আমাদের জাতীয় ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুর অবদান অপরিসীম। বঙ্গবন্ধু ছিলেন জাতীয় ঐক্য, প্রেরণা ও স্বাধীনতার মূর্ত প্রতীক, বাঙালি জাতির স্বপ্নের রূপকার। শোক দিবস উপলক্ষে পাঠানো এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। বিরোধীদলীয় নেতা রওশন বলেন, বঙ্গবন্ধুর ইস্পাত কঠিন নেতৃত্ব বাঙালি জাতিকে দিয়েছে অধিকার আদায়ের প্রেরণা। তাঁরই নেতৃত্বে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মধ্যদিয়ে স্বাধীন হয়েছে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি। এ স্বাধীনতা অর্জনে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের অবদান আমরা চিরদিন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবো। ১৫ আগস্ট কেবল একজন রাষ্ট্রনায়ককে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়নি বরং ধূলিসাৎ করার চেষ্টা হয়েছে সদ্য স্বাধীন রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নকেও, বলেও রওশন এরশাদ। বিরোধীদলীয় নেতা শোকাহত চিত্তে গভীর শ্রদ্ধা জানান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং পরিবারের শহীদ সদস্যদের স্মৃতির প্রতি। পরম করুনাময় আল্লাহর দরবারে বঙ্গবন্ধুসহ সব শহীদের আত্নার মাগফেরাত কামনা করেন তিনি।

রাজনীতি পাতার আরো খবর