বুধবার, জানুয়ারী ২০, ২০২১
আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-কমিটি: পুনরায় সদস্য হলেন কানতারা খান
১৮,জানুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পুনরায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য মনোনীত হয়েছেন সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের যুগ্ম আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, জননেতা লে. কর্নেল (অব) মুহাম্মদ ফারুক খান এমপির সু-যোগ্য উত্তরসূরী কানতারা খান।রবিবার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-কমিটির অনুমোদন দেন। কানতারা খান দেশরত্ন শেখ হাসিনার উন্নয়নের সারথি, বাবার মতো বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দীক্ষা নিয়ে একজন কর্মী হয়ে দীর্ঘদিন থেকেই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে পথ চলছেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য এবং সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব নিয়ে অল্প কিছু দিনেই প্রমাণ করেছেন কিভাবে কর্মী বান্ধব হয়ে দলের জন্য কাজ করা যায়। কানতারা খান অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে ভালবাসেন। করোনাকালে তিনি তার সর্বোচ্চ দিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। বাবা ফারুক খানের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে দেওয়া খাদ্য সহায়তা যাতে সঠিক ভাবে পৌছায় সেজন্য নিরলস ভাবে পরিশ্রম করেছেন। নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকেও অসহায় মানুষকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছেন ও নিয়মিত দিয়ে যাচ্ছেন। কানতারা খান যিনি মুকসুদপুর-কাশিয়ানীর মানুষের ভালবাসায় আজ তিনি নিজেকে অনেক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। শিক্ষাক্ষেত্রে যিনি সর্বদা নিজের মেধা, মনন আর প্রজ্ঞা প্রয়োগ করতে চান। যাকে একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে নয় আগামী দিনে গোপালগঞ্জ এক আসনের একজন কান্ডারী হিসেবে দেখতে চায় গোপালগঞ্জ এক আসনের জনগন। তিনি তার কর্মযজ্ঞ, মেধা আর নিজ যোগ্যতায় সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে ইতোমধ্যে পরিচিতি লাভ করেছেন। তৃণমূল রাজনীতির পথ বেয়ে তিনি এখন কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে নিজেকে একজন দক্ষ সংগঠক হিসেবে নিজেকে মেলে ধরছেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু তনয়া, উন্নয়নের রূপকার, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত- ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের নিবেদিত এক কর্মী আগামীর বাংলাদেশ খ্যাত- কানতারা খান। কানতারা খান হচ্ছেন তারুণ্যদীপ্ত-গতিময় মেধাবী, শিক্ষিত আধুনিক মানসের রাজনীতিক। শতভাগ নৌকার ভোটের এলাকা গোপালগঞ্জ-১ আসনের মুকসুদপুরের ঐতিহ্যবাহী খান পরিবারের সন্তান কানতারা খান। পুরো দেশ জুড়ে বৃটিশ যুগ থেকে সমাজ সেবক ও রাজনীতি সচেতণ হিসেবে তাদের বংশের পরিচয় রয়েছে। সে কারণেই তার অস্থি-মজ্জায় সমাজ সেবার স্বভাব। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারন করে বেড়ে ওঠা কানতারা খান বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নের লক্ষে যেখানেই বক্তব্য দেন সেখানের মানুষ তার ভক্ত বনে যান। বুদ্ধিদীপ্ত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক কানতারা খান লিখতে পারেন, টিভি টক শোতে বলতে পারেন একই ভাবে মাঠে ময়দানে জনতার সাথে মিশে যেতে পারেন তাদের আপনজন হয়ে। মাদক ও জঙ্গিবাদের হিংস্র ছোবল যাতে আমাদের ক্ষতবিক্ষত করতে না পারে সে জন্য নিয়মিত বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদক ও জঙ্গিবাদ বিরোধী সমাবেশ করে চলেছেন কানতারা খান। মুকসুদপুর-কাশিয়ানীতেও করেছেন একাধিক মাদক ও জঙ্গিবাদ বিরোধী সমাবেশ। এক কথায় বলতে গেলে স্বল্প সময়ে কানতারা খান কাশিয়ানী-মুকসুদপুরের সর্বস্তরের মানুষের অন্তরে জায়গা পেয়েছেন। ফারুক খানের মেয়ে হিসেবে তাকে ঘিরেই স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে গোপালগঞ্জ-১ আসনের মানুষ।
মানুষ উন্নয়ন চায় বলেই বিপুল ব্যবধানে জয় : সেতুমন্ত্রী
১৮,জানুয়ারী,সোমবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মানুষ উন্নয়ন চায় বলেই পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিপুল ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি বলেন, দ্বিতীয় ধাপের পৌরসভা নির্বাচনে সকল কেন্দ্রে ব্যাপক সংখ্যক ভোটারের উপস্থিতি ছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার দেশের সকল সেক্টরে উন্নয়ন করে চলেছে। মানুষ এই সরকারের কাছে আরও উন্নয়ন চায় বলেই আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিপুল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। সেতুমন্ত্রী আজ সোমবার সকালে চারদিন ব্যাপী অগ্নি নিরাপত্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। তিনি তাঁর সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন। তিনি বলেন, মানুষ উন্নয়ন চায় বলেই আওয়ামী লীগের প্রর্থীগণ বিপুল ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছে। বিএনপির প্রার্থীরা যেখানে সক্রিয় এবং জনপ্রিয় ছিলো সেখানে তারা বিজয়ী হয়েছে। এমনকি তাদের দুজন বিদ্রোহী প্রার্থীও বিজয়ী হয়েছে। এখন কোন দোষ খুঁজে না পেয়ে ভোটের ব্যবধান বেশি বলছে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন ও অর্জনের কারনেই আওয়ামী লীগের প্রার্থী বেশি ভোটে জয়ী হয়েছে, এটাই স্বাভাবিক। জনগণের কাছে বিএনপি কি বলে ভোট চাইবে, তাদের তো বলার কিছু নেই। তিনি বলেন, আগুন সন্ত্রাস আর মানুষ পুড়িয়ে মারা এবং দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়া ছাড়া তাদের জনগণের কাছে আর কি বা বলার আছে? ভোট কেন্দ্রে না এসে, প্রচার না চালিয়ে বিএনপি ভোটারদের আস্থা হারিয়েছে। আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের বিজয় উন্নয়নের বিজয়। বিপুল ভোটের ব্যবধান বিএনপির নেতিবাচক রাজনীতিকে জনগণের প্রত্যাখ্যান। পৌর নির্বাচনের এ বিজয় উগ্র সাম্প্রদায়িকতা তোষণ এবং পোষণের বিরুদ্ধে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থনের বহিঃপ্রকাশ জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, এ ব্যবধান এবং বিজয় থেকে বিএনপি ভবিষ্যতে শিক্ষা নিবে। পৌর নির্বাচনের পরে একজন কাউন্সিলরের মৃত্যুর ঘটনায় ওবায়দুল কাদের দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ঘটনার সাথে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা হবে জানিয়ে বলেন, অপরাধীদের রাজনৈতিক পরিচয় থাকলেও কোন প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না। পরবর্তী ধাপের পৌরসভা নির্বাচনে সংঘাত ও হানাহানি এড়াতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসমূহকে আরো কঠোর হওয়ার নির্দেশনা দিচ্ছি। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের উদ্দেশ্যে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, কর্মদক্ষতার পাশাপাশি জীবনদক্ষতাও একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। ফায়ার সেফটিসহ অন্যান্য বিষয়ে দক্ষতা অর্জন জীবন দক্ষতার জন্য সহায়ক হবে। নিজেরা প্রশিক্ষিত হওয়ার পাশাপাশি কর্মপরিবেশে অগ্নি নিরাপত্তা প্রতিরোধ ব্যবস্থা, উদ্ধার তৎপরতা, নিজের সুরক্ষা, প্রাথমিক চিকিৎসাসহ অন্যান্য বিষয়ে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সফল হতে হবে। আগুন,বন্যা, ঘূর্ণিঝড়সহ বিভিন্ন দুর্যোগে সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে সবার মনে রাখতে হবে শুধু নিজে বাঁচার জন্য নয়,নিজের সুরক্ষা নিশ্চিত করে অন্য ক্ষতিগ্রস্থদের সুরক্ষা এবং জীবন রক্ষাই হতে হবে প্রধান লক্ষ্য। সূত্র : বাসস
চট্টগ্রামে বিএনপির মেয়রপ্রার্থীর গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ
১৬,জানুয়ারী,শনিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে বিএনপির মেয়রপ্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেনের নির্বাচনী প্রচারণার গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে গণসংযোগ শেষে ফেরার পথে হালিশহর রুপসা বেকারির সামনে ডা. শাহাদাতের গাড়িবহরে হামলা চালানো হয় বলে জানান তার একান্ত সচিব মারুফুল হক চৌধুরী। তিনি অভিযোগ করে বলেন, যুবলীগ-ছাত্রলীগের কর্মীরা ডা. শাহাদাতের গাড়িবহরে অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা বিএনপি প্রার্থীর গাড়ির লাইট-গ্লাস ভাঙচুর করে। এ সময় বিএনপির তিন-চারজন কর্মী আহত হন। এর আগে বিকেল ৩টার দিকে ডা. শাহাদাত নগরীর জমিয়াতুল ফালাহ জামে মসজিদ থেকে হালিশহর পর্যন্ত গণসংযোগ করেন।
বিএনপির মিথ্যাচারের জবাব দিয়েছে জনগণ: ওবায়দুল কাদের
১৬,জানুয়ারী,শনিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পৌরসভা নির্বাচনে ভোটারদের ব্যাপক অংশগ্রহণ ও উৎসব আমেজে ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে নির্বাচন নিয়ে বিএনপির মিথ্যাচারের জবাব দিয়েছে জনগণ। তিনি বলেন, দ্বিতীয় ধাপে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটারদের ব্যাপক অংশগ্রহণ ও উৎসব আমেজে ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে নির্বাচন নিয়ে যারা মিথ্যাচার করে, তার জবাব জণগণ তাদের দিয়েছে। ওবায়দুল কাদের আজ শনিবার বিকেলে তাঁর সরকারি বাসভবন থেকে দ্বিতীয় ধাপের পৌরসভা নির্বাচন পরবর্তী তাৎক্ষণিক সংবাদ সম্মেলনে এ এসব কথা বলেন। দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার যে অপপ্রয়াস অবিরাম চালিয়ে যাচ্ছে বিএনপি, তা আর হালে পানি পাচ্ছে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণ এখন আর বিএনপি নেতাদের মিথ্যাচারে বিশ্বাস করে না। বিএনপি ভোটের মাঠে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকার আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলে মাঝে মধ্যে, তারা কল্পিত অভিযোগ এনে ভোটের মাঠ ত্যাগ করে তাদের চর্চিত নেতিবাচক রাজনীতির ঐতিহ্য ধরে রাখার অপচেষ্টা করে। বিএনপি উদ্দেশ্যমূলক বিরোধিতা করলেও দেশের জণগণ অত্যন্ত সাবলিলভাবে ইভিএম- এ ভোট প্রদান করছে জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারে জণগণ ইতিমধ্যে অভ্যন্ত হয়ে উঠলেও বিএনপির মানসিকতা এখনে এনালগ রয়ে গেছে। তাই তারা এ পদ্ধতির বিরোধিতা করে। স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ভোটারদের এবং নির্বাচন কমিশনকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনে জয় পরাজয় থাকবে, তবুও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিতে এ নির্বাচনে প্রতিদ্বীতা করার জন্য সকল প্রার্থীদেরও ধন্যবাদ জানান কাদের। ওবায়দুল কাদের বলেন, ভোটারদের ব্যাপক অংশগ্রহণ ও ভোটাধিকার প্রয়োগ ইভিএম এর ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তাই প্রমাণ করে । বিএনপি মুখে স্বচ্ছতার কথা বললেও প্রকৃতপক্ষে প্রযুক্তি বিমূখ এবং পিছিয়ে পড়া ধ্যানধারনা আঁকড়ে ধরে বসে থাকতে চায়। তিনি বলেন, বিএনপির প্রার্থীরা ভোটের পরিবেশ ও ভোটাধিকার প্রয়োগ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করলেও তাদের কেন্দ্রীয় নেতারা শুধুমাত্র সমালোচনার জন্য সমালোচনা করছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, দেশের ভোটের সংস্কৃতি নিয়ে বিএনপির মিথ্যাচারের জবাব দিয়েছে নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার ভোটারগন। বসুরহাট পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীও যেখানে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সেখানে অন্ধকারে ঢিল না ছুঁড়ে মির্জা ফখরুল সাহেবকে নিজ দলের প্রার্থীর কথা অনুধাবন করার আহবান জানান তিনি। নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভা নির্বাচন নিয়ে গণমাধ্যম এবং রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আগ্রহ ছিলো উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, সেখানেও অবাধ,শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রথমবারের মতো বসুরহাট পৌরসভা নির্বাচনে ইভিএম-এ ভোট হয়েছে এবং ৬০ ভাগেরও বেশি ভোটার উপস্থিত ছিলেন, অথচ মির্জা ফখরুল সাহেব আমাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করে যেসব কথা বলেছেন, তার জবাব আমি না দিলেও বসুরহাট পৌরসভার ভোটারগণ শান্তিপূর্ণ ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে এর জবাব দিয়েছেন। বসুরহাটে যে নির্বাচন হয়েছে এমন নির্বাচনই চান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, এ নির্বাচনকে অনেকেই স্বচ্ছতার জন্য- বসুরহাট মডেল হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। বিএনপি ভোটে হারার আগেই হেরে বসে থাকে,তারা রাজপথ ভয় পায়,আন্দোলনেও ভয় পায়। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আভ্যন্তরীন গণতন্ত্র চর্চার সুযোগ রয়েছে আওয়ামী পরিবারে, আবার গঠনতন্ত্র বিরোধী কার্যকলাপের জন্য শাস্তির বিধানও যথাযথভাবে কার্যকর করা হয়, যা বিএনপির রাজনৈতিক চর্চায় নেই।
নির্বাচন নিয়ে বিএনপির বক্তব্য নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা: ড. হাছান মাহমুদ
১৪,জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, নির্বাচন নিয়ে বিএনপির বক্তব্য নাচতে না জানলে উঠান বাঁকার মতো। মন্ত্রী আজ দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে শেখ রাসেল শিশু-কিশোর পরিষদের আলোচনা ও ল্যাপটপ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সমসাময়িক প্রসঙ্গে একথা বলেন। শেখ রাসেল শিশু-কিশোর পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মোঃ রকিবুর রহমানের সভাপতিত্বে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব ও তাদের কয়েকজন নেতা বলেছেন, সামনে ১৬ জানুয়ারি যে পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, সেটিও সুষ্ঠু হবে না। প্রকৃতপক্ষে, প্রথম দফা নির্বাচনে তারা মাত্র দুটি পৌরসভায় জয় পাওয়ায় লজ্জা ঢাকার জন্য প্রেসক্লাবের সামনে দাঁড়িয়ে একথা বলা ছাড়া তাদের কোনো বক্তব্য নেই। যখন কেউ নাচতে না জানে তখন বলে যে, উঠান বাঁকা। বিএনপির বক্তব্য হচ্ছে ঠিক সেরকম। দেশে অত্যন্ত সুষ্ঠুভাবে পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং সামনের ধাপগুলোও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হবে উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, বিএনপিকে তাই অনুরোধ জানাবো পৌরসভা ও জেলা-উপজেলায় নিজেদের যে অনৈক্য, সেটির নিরসন করুন। নিজেদের দুর্বলতা ঢাকার জন্য প্রেসক্লাবের সামনে অসত্য ভাষণ দিয়ে কোনো লাভ হবে না। বাংলাদেশ যথাসময়ে করোনার টিকা পাচ্ছে না বলে গুজব রটানোর চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর আবার করোনা ভ্যাকসিন অ্যাপসের খরচ নিয়ে কিছু গণমাধ্যমে ভুল সংবাদ পরিবেশন হয়েছে এবং আইসিটি বিভাগ ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে বিবৃতি দিয়ে পরিস্কার বলা হয়েছে অ্যাপসের জন্য কোনো খরচ নেই, জানান তথ্যমন্ত্রী। আবার ভারত থেকে না কি ৪৭ভাগ বেশি দামে আমরা ভ্যাকসিন কিনছি-এ রিপোর্টও সত্য নয়, এটিও মিথ্যা। চুক্তি অনুযায়ী ভারত যে দামে ভ্যাকসিন পাবে, আমরাও একই দামে ভ্যাকসিন পাবো, জানান তিনি। এপ্রেক্ষিতে তিনি বলেন, দায়িত্বশীল কোনো গণমাধ্যম যদি ভুল বা অসত্য সংবাদ পরিবেশন করে, তাহলে সেই তাদের দায়িত্বশীলতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা খর্ব হয়। তাই আমি সব গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানাবো, ভালভাবে খোঁজখবর না নিয়ে এই ধরণের কোনো সংবাদ যেন পরিবেশিত না হয়। বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের ওপর আলোকপাত করে ড. হাছান বলেন, ১৯৭১ সালে ১৬ ডিসেম্বর আমরা বিজয় অর্জন করেছিলাম। কিন্তু ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু ফিরে না আসা পর্যন্ত আমাদের স্বাধীনতা পূর্ণতা পায়নি। বঙ্গবন্ধু যদি ফিরে আসতে না পারতেন, তাহলে আমাদের স্বাধীনতা কতটুকু টেকসই হতো সেটি নিয়ে বরাবরই প্রশ্ন থেকে যায়। বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনেই আমাদের স্বাধীনতা-সাবভৌমত্ব সংহত হয়। শিশু-কিশোরদের উদ্দেশ্যে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আজকের পৃথিবীতে মেধা, মমতা, মূল্যবোধ, দেশাত্মবোধ এবং যুক্তি নির্ভরতা-এই পাঁচটি বিষয়ের সমন্বয় ঘটিয়ে নতুন প্রজন্ম তৈরি করতে পারলেই আমরা দেশকে স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছাতে পারবো এবং সেই স্বপ্নের বাংলাদেশ টেকসই হবে। আর স্বপ্নটা শুধু নিজের জন্য নয়, সমাজ ও দেশের জন্যও দেখতে হবে। প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানই আমাদের সকল উন্নয়নের প্রেরণা যা তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বাস্তবায়ন করছেন। সকল বয়সের নাগরিকের দায়িত্ব দেশ ও জাতির এই অগ্রযাত্রায় সর্বান্তকরণে অংশ নেয়া। অন্যান্যের মধ্যে শিশু-কিশোর সংগঠক ক্যাপ্টেন মোয়াজ্জেম হোসেন, কে, এম, শহিদ উল্যা, আসাদুল হক প্রমুখ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।
ধানের শীষে সাড়া দেখে অপপ্রচার চালাচ্ছে আ.লীগ : শাহাদাত
১২,জানুয়ারী,মঙ্গলবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ধানের শীষের গণসংযোগে জনগণের অভূতপূর্ব সাড়া দেখে আওয়ামী লীগ দিশেহারা হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেছেন, তারা (আওয়ামী লীগ) নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার জন্য ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছে, অপপ্রচার চালাচ্ছে। এ সব মিথ্যা অপপ্রচারের জবাব আগামী ২৭ জানুয়ারি জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে দেবে। সোমবার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে নগরের চান্দগাঁও ওয়ার্ডে গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব একমাত্র বিএনপির হাতেই নিরাপদ। বিএনপি কোনও দেশের তাঁবেদারি করে না। যারা ভিনদেশের তাঁবেদারি করে এবং প্রভু মানে তাদের হাতে দেশের সার্বভৌমত্ব নিরাপদ নয়, সেটা বার বার প্রমাণ হয়েছে। তাই আমাদের এই স্বাধীন দেশে মুক্তিযুদ্ধের দল বিএনপিকে আবারও ক্ষমতায় আনতে দেশের মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ। তিনি আরও বলেন, জনগণের ঘাড়ে চেপে বসা স্বৈরাচারী সরকার দিনের ভোট রাতে সম্পন্ন করে মানুষকে তাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করে জোর করে ক্ষমতায় আঁকড়ে আছে। তাই হারানো ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে আগামী ২৭ জানুয়ারি চসিক নির্বাচনে দলমত নির্বিশেষে কেন্দ্রে গিয়ে ভোটযুদ্ধে অংশ নিয়ে স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের প্রতীক ধানের শীষকে জয়ী করবে। চসিকর এই মেয়র প্রার্থী বলেন, চান্দগাঁওবাসীর প্রতি সরকার বিমাতাসুলভ আচরণ করেছে, এখানে কোনও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। ১২ বছরের শাসনামলে আওয়ামী লীগ কালুরঘাট সেতু পুনর্নির্মাণে ব্যর্থ হয়েছে। আমি মেয়র নির্বাচিত হলে এই নির্বাচনী এলাকাকে মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত করে শান্তির জনপদে পরিণত করব। ধানের শীষ হচ্ছে উন্নয়ন, শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রতীক। তাই আপনাদের কাছে ধানের শীষে ভোট চাই এবং আপনাদের দোয়া চাই। গণসংযোগে অংশ নিয়ে নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, গত ১২ বছরে দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারের মন্ত্রী ও দলীয় নেতাকর্মীদের উন্নয়ন হলেও সাধারণ জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটেনি। বিএনপি জনগণের উন্নয়ন ও পরিবর্তনে বিশ্বাসী। বিএনপি মুক্তিযোদ্ধার দল, মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের দল। নগর বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, জিয়াউর রহমানের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত এই নির্বাচনী এলাকা হচ্ছে বিএনপির দুর্ভেদ্য ঘাঁটি। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে ধানের শীষ বিপুল ভোটে জয়লাভ করবে। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এরশাদ উল্লাহ, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, সদস্য হারুন জামান, চার নং চান্দগাঁও ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী মাহাবুবুল আলম, সংরক্ষিত নারী আসনের কাউন্সিলর প্রার্থী শাহে নেওয়াজ চৌধুরী মিনু, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, আনোয়ার হোসেন লিপু, গাজী মোহাম্মদ সিরাজ উল্লাহ, চান্দগাঁও থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফ উদ্দিন খান, চান্দগাঁও ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. ইলিয়াছ চৌধুরী প্রমুখ।
বদলে যাওয়া বাংলাদেশের কারিগর শেখ হাসিনা : ওবায়দুল কাদের
১০,জানুয়ারী,রবিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর নৃসংশ হত্যাকাণ্ডের পর বদলে যাওয়া বাংলাদেশের কারিগর বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। কিন্তু আমাদের বিজয়ের শত্রুরা এখনো তৎপর, এখনো তারা ষড়যন্ত্র করছে। তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সাম্প্রদায়িক ও অগণতান্ত্রিক অপশক্তিকে পরাজিত করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণ করে আমরা আমাদের বিজয়কে সুসংহত করব। এটাই আজকের প্রত্যাশা। আর বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে আজকের এই দিন আমাদের কাছে অসম্পূর্ণ। বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে রোববার (১০ জানুয়ারি) সকালে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি প্রথমে প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভাপতির পক্ষে সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। পরে দলের পক্ষেও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি। এরপর দলের সহযোগী, অঙ্গসংগঠন ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন শ্রদ্ধা নিবেদন করে। সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, আজকের বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়া ঈর্ষণীয়। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মুক্তি সংগ্রামে আমরা অনেক দূর উন্নয়নের মহাসড়ক ধরে এগিয়ে গেছি। কিন্তু সাম্প্রদায়িক অপশক্তি আমাদের বিজয়কে সংহত করার পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাজেই বিজয়কে সুসংহত করতে হলে এই অপশক্তিকে পরাজিত করতে হবে।
দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকুন : সেতুমন্ত্রী
০৭,জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলের মনোনীত প্রার্থীদের বিরুদ্ধে যারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন তাদের আগামীতে আর মনোনয়ন দেয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সেতুমন্ত্রী বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর সরকারি বাসভবনে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন। দলের শৃঙ্খলা ও স্বার্থ পরিপন্থী কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহবান জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আওয়ামী লীগ একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দল। যে কোন নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার মতো একাধিক যোগ্য প্রার্থী থাকা স্বাভাবিক। সুতরাং মনোনয়ন বঞ্চিতদের যোগ্যতা অনুযায়ী সাংগঠনিক ভাবে মূল্যায়নের সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, প্রতিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত করার জন্য শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দলের সিনিয়র নেতাদের সমন্বয়ে পৃথক পৃথক মনোনয়ন বোর্ড রয়েছে। একটি স্থানীয় সরকার, অপরটি সংসদীয়। সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তৃণমূল নেতাদের মতামত, সংশ্লিষ্ট জেলা উপজেলা পর্যায়ের নেতাদের সুপারিশ, সরকারি -বেসরকারি এবং দলীয় সার্ভে রিপোর্ট পাশাপাশি প্রার্থীদের যোগ্যতা, ত্যাগ ও জনপ্রিয়তা বিবেচনা করে দলীয় মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয় বলেও উল্লেখ করেন ওবায়দুল কাদের। কোন কোন দলীয় দায়িত্বশীল নেতা ও জনপ্রতিনিধি দলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের মদদ দিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের সংগঠন বিরোধী এসব কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, অন্যথায় সংগঠন বিরোধী কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অপরাধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সূত্র : বাসস
আলীগ সরকারের টানা এক যুগ পূর্তি আজ
০৬,জানুয়ারী,বুধবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ ৬ জানুয়ারি। আওয়ামী লীগ সরকারের টানা এক যুগ পূর্তি। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার যাত্রা শুরু করে আওয়ামী লীগ সরকার। ১৯৯৬ সালের ২৩ জুন শেখ হাসিনা প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন। তার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সে বছরের ১২ জুনের সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছিল। ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পরাজিত হয়। শেখ হাসিনা বিরোধীদলের নেতা নির্বাচিত হন। ২০০৬ সালে রাজনৈতিক জটিল পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পরে সামরিক বাহিনী সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করে। প্রায় দুই বছর ক্ষমতায় থাকার পর ওই সরকার ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আয়োজন করে। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। শেখ হাসিনা ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি সরকার গঠন করে দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয়ের পর ১২ জানুয়ারি শেখ হাসিনা তৃতীয়বারের মতো সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। তার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার টানা দ্বিতীয়বারের মতো যাত্রা শুরু করে। এছাড়া ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ আবারও নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের পর ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি সরকার গঠন করে। আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা টানা তৃতীয়বারসহ চতুর্থবারের মতো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সেই (আওয়ামী লীগ) সরকারের দুই বছরও পূর্ণ হচ্ছে বৃহস্পতিবার। এদিকে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকারের টানা এক যুগ পূর্তিতে বাংলাদেশের জনগণকে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর তারিখে অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনা দিন বদলের সনদ রূপকল্প ২০২১ উপস্থাপন করেন। জনগণ নিরঙ্কুশভাবে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগকে জয়যুক্ত করে। একইভাবে দেশের জনগণ ২০১৪ সালে ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা মার্কায় গণরায় দিয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির চলমান অগ্রযাত্রাকে সমুন্নত রাখে। পরম করুণাময়ের অশেষ কৃপায় শেখ হাসিনা বাংলাদেশের জনগণের আস্থা, সমর্থন ও সহযোগিতা নিয়ে সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে টানা এক যুগ দায়িত্ব পালন করছেন। বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার ধারাবাহিকভাবে গত ১২ বছরে বাংলাদেশ উন্নয়ন অগ্রগতির সকল সূচকে যুগান্তকারী মাইলফলক স্পর্শ করেছে। ফলে বাংলাদেশ আজ বিশ্ব সভায় উন্নয়নের রোল মডেল।

রাজনীতি পাতার আরো খবর