দুঃসময়ের কর্মী চাই, বসন্তের কোকিল চাই না: কাদের
১১নভেম্বর,সোমবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয় বলে মন্তব্য করেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেছেন,ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়। ক্ষমতার দাপট দেখাবেন না। বসন্তের কোকিলদের এনে দল ভারী করার চেষ্টা করবেন না। আমরা দুঃসময়ের কর্মী চাই, বসন্তের কোকিল চাই না। আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক লীগ ঢাকা দক্ষিণের সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাদের এসব কথা বলেন। রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে কাদের বলেন, স্পষ্টভাবে বলতে চাই, আমাদের পার্টিতে দুষিত রক্ত আর চাই না। দুষিত রক্ত বের করে দিতে হবে। বিশুদ্ধ রক্ত সঞ্চালন করতে হবে। কে কতো প্রভাবশালী তার চেয়ে বড় কথা হচ্ছে আমরা চাইবো- ক্লিন ইমেজের কর্মীদের নেতা বানাতে। দলে খারাপ লোকের কোনো দরকার নেই মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন,খারাপ লোকেরা দলের দুর্নাম ডেকে আনে। এই খারাপ লোকেরা দুঃসময় এলে হাজার পাওয়ারের বাতি জ্বালিয়েও এদের খুঁজে পাওয়া যাবে না। সুতরাং যাদের সাহস আছে, কেয়ার আছে, যাদের ক্লিন ইমেজ আছে; আমি আশা করি আজকের দক্ষিণ মহানগেরর সম্মেলন থেকে ক্লিন ইমেজের দ্বার উদঘাটনের সেই সূচনা হবে। যাদের ভালো ইমেজ তাদেরকে দিয়েই কেন্দ্রীয় সম্মেলনে নেতৃত্ব সৃষ্টি কো হবে। শেখ হাসিনা নিজের দলের মধ্যে যে শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছে তা সব রাজনৈতিক দল ও সেক্টরে চালানো হবে বলে জানিয়ে কাদের বলেন,শুদ্ধি অভিযান শুরু হয়ে গেছে। শেখ হাসিনার অ্যাকশন শুরু হয়ে গেছে। সৎ সাহস আছে, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রমাণ করেছেন, নিজের দল থেকে শুদ্ধি অভিযোনের সূচনা করেছেন। কেউ ছাড় পাবে না। শুধু আওয়ামী লীগ নয়, অন্যান্য রাজনৈতিক দল...বড় বড় কথা বলছেন। খোঁজ নেয়া হচ্ছে। কারা দুর্নীতি করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে, খোঁজ নেয়া হবে। প্রশাসনে কারা দুর্নীতিবাজ। সব সেক্টরে খারাপ লোকদের খুঁজে বের করা হবে।
খোকা জীবিত অবস্থায় দেশে ফিরতে পারেননি : ফখরুল
০৭নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও অবিভক্ত ঢাকার সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক হোসেন খোকা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে জীবিত অবস্থায় দেশে ফিরতে পারেননি বলে অভিযোগ করেছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ অভিযোগ করেন। এ সময় দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। মির্জা ফখরুল বলেন,রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে জীবিত অবস্থায় দেশে ফিরতে পারেননি সাদেক হোসেন খোকা। তার মতো অবস্থা যেন আর কারও না হয়। তিনি আরও বলেন,সাদেক হোসেন খোকাকে আজ মিথ্যা মামলা দিয়ে বিদেশে থাকার জন্য, তার যে চিকিৎসা সেই চিকিৎসা করাতে তাকে বিদেশে থাকতে হয়েছিল। তিনি দেশে আসতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পাসপোর্ট আটকে রেখে তাকে দেশে আসতে দেওয়া হয়নি। আজকে তার মরদেহ দেশে ফিরেছে। ৭ নভেম্বরের চেতনায় জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা হবে বলেও ঘোষণা দেন বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, আন্দোলন করেই খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। এ সময় সবাইকে খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলনে যোগ দেওয়া আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল। শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় অন্যদের মধ্যে- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, সাদেক হোসেন খোকার মরদেহ আজ বৃহস্পতিবার ঢাকায় আনা হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা ২৬ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে নিউইয়র্ক থেকে দুবাই হয়ে তার মরদেহ ঢাকায় পৌঁছায়।
ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে দীর্ঘ পথ চলা ক্ষতিকর, বললেন গয়েশ্বর
০৬নভেম্বর,বুধবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক স্মরণসভায় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের দিকে ইঙ্গিত করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, আমরা যাদের সঙ্গে চলি তাদের যদি আমাদের নেত্রীর মুক্তির কথা বলতে অনিহা থাকে তাহলে তাদের সঙ্গে দীর্ঘ পথচলা ক্ষতিকর হবে। বিএনপি নেতা এম কে আনোয়ারের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় হোমনা উপজেলা জাতীয়তাবাদী ফোরাম এ সভার আয়োজন করা হয়। গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, আমি বিশ্বাস করি, যদি আমরা আন্তরিকতার সঙ্গে মাঠে থাকি তাহলে আমাদের শক্তি যথেষ্ট।সেই কারণে যারা (জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট) আছে তাদের সম্মান করি ও গুরুত্ব দেই।কিন্তু তারা যদি আমাদের ঘাড়ে চেপে তাদের নিজস্ব টার্গেট নিয়ে চলতে চায়, সেই পথ চলা আমাদের জন্য বোকামি হবে। খালেদা জিয়ার মুক্তি জন্য তাদের কেন মঞ্চে চিরকুট দিতে হবে প্রশ্ন করে তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তির কথা তারা কেন বলতে পারবে না? আর যার বিরুদ্ধে আমরা রাজনীতি করি তাদের কথা জোরেশোরে আমাদের সামনে কেন বলা হয়।তারপরও আমরা সহ্য করি কেন? শুধুমাত্র করি-জাতীয় ও জনগণের স্বার্থে। একারণে আমি মনে করি, সবাইকে একটু সতর্ক হওয়া ভালো। নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য গয়েশ্বর বলেন, আমার মাঝে মাঝে মনে হয়, আমাদের নিজেদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস নেই।তারপরও জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার তাগিদ থেকে ছোট, বড় ও মাঝারি দলসহ অনেক দল নিয়ে ঐক্য করেছি। আবার ফ্রন্টও করেছি। এটা কিন্তু আমাদের রাজনৈতিক অলঙ্কার হতে পারে।
বিএনপি নেতা ফালুর ৩৪৩ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ
৩১অক্টোবর,বৃহষ্পতিবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা মোসাদ্দেক আলী ফালুর ৩৪৩ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ বৃহস্পতিবার দুদকের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর আগে গতকাল বুধবার ফালুর সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দেন আদালত। দুদকের জনসংযোগ বিভাগ ফালুর সম্পত্তি ক্রোকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জানা যায়, জব্দ করা সম্পদের মধ্যে রয়েছে ফালুর মালিকানাধীন রোজা প্রোপার্টিজের ৯৩ কোটি টাকা মূল্যের ৯৩ লাখ শেয়ার। রাকীন ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির শতকরা ২০ ভাগ শেয়ার (২ কোটি ৬৯ লাখ ৮১ হাজার ১২০টি), যার বাজার মূল্য ২০০ কোটি টাকা। এছাড়া রোজা এন্টারটেইনমেন্ট এফজেডই’র ২০ লাখ টাকার শেয়ার, রোজা ইনভেস্টমেন্ট এলএলসির ২৯ লাখ ৪০ লাখ টাকার শেয়ার, আইএফআইসি ব্যাংকের কারওয়ানবাজার শাখায় রোজা প্রোপার্টিজের ব্যাংক হিসাব এবং ৫০ কোটি টাকা মূল্যের কাকরাইলের ২২ দশমিক ৫৩ শতাংশ বাণিজ্যিক প্লট ক্রোক করে দুদক।
আপেলের চেয়ে পেঁয়াজের দাম বেশি, বললেন আমীর খসরু
৩১অক্টোবর,বৃহষ্পতিবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, কোরবানির পর থেকে পেঁয়াজের দাম শুরু হয়েছে ৬০ টাকা, ৭০ টাকা, ৮০ টাকা, ১০০ টাকা এখন ১৪০ টাকা। আপেলের চেয়ে পেঁয়াজের দাম বেশি হয়ে গেছে এটা তো মশকরা হওয়ার কথা মশকরা হবেই। বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মশকরা করে অনেকেই বলছে যে এতো দাম দিয়ে খাওয়ার কি দরকার? তাহলে কাল ডিমের দাম বেড়ে গেলে ডিম খাবেন না, তেলের দাম বেড়ে গেলে তেল খাবেন না, চালের দাম বেড়ে গেলে চাল খাবেন না। এর চেয়ে সহজ পন্থা পৃথিবীতে আর কিছু আছে? আমীর খসরু বলেন, দেশটা কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে! জনগণকে কোনো তোয়ক্কা না করেই এসব কাজ করা হচ্ছে। আমি আমরা (সরকার) জনগণের তোয়াক্কা করিনা তোমাদের ভোটের দরকার নেই। যাদের কোনো জবাবদিহিতা নেই, তাদের কাছে কে পেঁয়াজ খেতে পারলো আর কে পেঁয়াজ খেতে পারল না এই বিষয়ে কোনো মাথা ব্যাথা নেই। দেশে কোনো বিচার ব্যবস্থা নেই অভিযোগ করে সাবেক এ মন্ত্রী বলেন, দেশের বিচার ব্যবস্থার একটি ধারা আছে ডিউ প্রসেস অফ ল এই প্রসেসে কার কি হবে সেটা বিচার বিভাগ সিদ্ধান্ত নেবে। কিন্তু আজ সব বলা হয়ে যাচ্ছে। সরকারের মন্ত্রীরা বলে দেয় মামলার রায় কবে হবে। দশ দিন বিচার হবে না ১৫ দিনে হবে এটা কি তারা বলতে পারেন? এর শাস্তি হয়ে যাবে, ওর শাস্তি হয়ে যাবে এটা তারা বলে দেন! নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া বিচার পাবেন না। আপনাদেরকে প্রস্তুত থাকতে হবে, দেশবাসীকে প্রস্তুত থাকতে হবে দেশের মালিকানা আপনাদের হাতে তুলে নিতে হবে। আপনারা দেশের মালিকানা তুলে নিবেন তখন বিচার হবে।-amadershomoy
ক্রীড়াঙ্গনে যা হচ্ছে তা শাসন ব্যবস্থার প্রতিফলন : ফখরুল
৩০অক্টোবর,বুধবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে যে অনিয়ম হচ্ছে তা সামগ্রিক শাসন ব্যবস্থার প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, সরকার যেভাবে দেশ চালাচ্ছে, তাতে তো কারো জবাবদিহিতা নেই। আজ বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপির যৌথ সভায় তিনি এ কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, প্রত্যেকটা ফেডারেশন এখন মানি আর্নিংয়ের ব্যবস্থা হয়ে গেছে। এবং এই দুঃশাসন ছাড়া তাদের আর কোনো সুশাসন নেই। প্রতিটি ক্লাবে ক্যাসিনো চলছে নীতি-নির্ধারকরা জানেন না, তা অবিশ্বাস্য। সংবাদ সম্মেলনে ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, সাকিবের বিষয়টি দুর্ভাগ্য। তার সঙ্গে এমন ঘটনায় ক্রিকেট অনুরাগীরা ব্যথিত। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কথা জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, খালেদা জিয়ার অবস্থা মারাত্মক খারাপ হলেও হাসপাতালের পরিচালকরা তা অস্বীকার করছেন। এসময় বাংলাদেশের বাণিজ্য নিয়ে বিশ্বের কাছে নির্ভরতা বাড়ছে, যা নতজানু হওয়ার বহিঃপ্রকাশ বলেও মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল।
সাংসদ হারুনের ছয় মাসের জামিন আপিলে বহাল
৩০অক্টোবর,বুধবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় পাঁচ বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য হারুন অর রশীদকে হাইকোর্টের দেওয়া ছয় মাসের জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে দুদকের করা আবেদন খারিজ করে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ বুধবার নো অর্ডার আদেশ দেন। এর ফলে তার মুক্তিতে এখন আর বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। আদালতে দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। সংসদ হারুন-অর-রশীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন ও মাহবুব উদ্দিন খোকন। সাংসদ হারুনের করা আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে গত সোমবার বিচারপতি মো. শওকত হোসেনের একক বেঞ্চ তাকে জামিন দেন। পরে দুদক এ জামিনাদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে। গত ২১ অক্টোবর বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও সংসদ সদস্য হারুন অর রশীদকে পাঁচ বছরের দণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম। পাশাপাশি তাকে ৫০ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন। মামলাটিতে আরও দুজনকে সাজা দেয়া হয়েছে। তারা হলেন-ব্যবসায়ী এনায়েতুর রহমান ও গাড়ি ব্যবসায়ী ইশতিয়াক সাদেক। মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, সংসদ সদস্য থাকাবস্থায় শুল্ক মুক্ত গাড়ি এনে তা বিক্রির ঘটনায় হারুন অর রশীদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় মামলা হয় ২০০৭ সালের ১৭ মার্চ। মামলাটি তদন্ত করে হারুনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ওই বছরের ১৮ জুলাই আদালতে চার্জশিট দেন দুদকের সহকারী পরিচালক মোনায়েম হোসেন। অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে আদালত হারুনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের ২০ আগস্ট বিচার শুরু করে। ১৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে গত সোমবার আদালত এই রায় দেন। একাদশ সংসদ নির্বাচনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচিত হন হারুন অর রশীদ।
জাপার শীর্ষ পদ পেলেন সাদ এরশাদ
২৯অক্টোবর,মঙ্গলবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর জাতীয় পার্টির বড় পদ পেলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও দলটির প্রয়াত চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ছেলে রাহগির আল মাহি ওরফে সাদ এরশাদ। তাকে দলের যুগ্ম মহাসচিব করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের তাকে এ পদে নিয়োগ দেন। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের প্রেস অ্যান্ড পলিটিক্যাল সেক্রেটারি সুনীল শুভ রায় স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের পার্টির গঠনতন্ত্রের ২০/১/ক ধারা মোতাবেক রাহগির আল মাহি এরশাদ ওরফে সাদ এরশাদকে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব পদে নিয়োগ দিয়েছেন। আর এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। উল্লেখ্য, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ মারা যাওয়ায় রংপুর-৩ আসনের উপনির্বাচনে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন সাদ এরশাদ। ১০ অক্টোবর একাদশ জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে শপথ নেন এরশাদপুত্র। ৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ওই উপনির্বাচনে ৪২ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন সাদ এরশাদ। ১৭৫ কেন্দ্রে ৫৮ হাজার ৮৭৮ ভোট পান তিনি। এছাড়া তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী রিটা রহমান পান ১৬ হাজার ৯৪৭ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী এরশাদের ভাতিজা হোসেন মকবুল শাহরিয়ার আসিফ পান ১৪ হাজার ৯৮৪ ভোট।
জানলে মহিউদ্দিন চৌধুরীর স্ত্রী হিসেবে সম্মান দিতাম: কাদের
২৯অক্টোবর,মঙ্গলবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর স্ত্রীকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেওয়ার ঘটনাটি তিনি জানতেন না। ঘটনাটি তিনি জেনেছেন চট্টগ্রাম থেকে চলে আসার সময় বিমানবন্দরে। তিনি যদি বিষয়টি জানতেন, তাহলে মহিউদ্দিন চৌধুরীর স্ত্রী হিসেবে অবশ্যই তাঁকে সেই সম্মান দিতেন। সোমবার সচিবালয়ে সমসাময়িক বিষয়ে আলাপকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অভিযোগ উঠেছে, গতকাল চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের দলীয় এক অনুষ্ঠানে প্রয়াত মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর স্ত্রী ও চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসিনা মহিউদ্দিনকে বর্তমান মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেন। এ নিয়ে সেখানকার আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এ প্রসঙ্গে আজ এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সড়ক ভবনে কয়েকটি রাস্তার উদ্বোধন ছিলো, সেখান থেকে সাড়ে ১২টায় আমি প্রতিনিধি সম্মেলনে যখন যোগ দিয়েছি। এ ধরনের ঘটনা আমি দেখিনি, আমাকে কেউ জানায়ও নি। তিনি বলেন, যখন চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে গিয়েছি আমাকে একজন এ কথা জানান। তবে কোন পক্ষ থেকে অভিযোগ আসেনি। তিনি বলেন, আমি মেয়রকে জিজ্ঞাস করেছি, তার বক্তব্য সেখানে পোষ্ট হিসাবে চট্টগ্রামের তিনটি জেলার উত্তর ও দক্ষিণের কোন কোন নেতা বসবে তা সভা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। সেখানে মহিউদ্দিন সাহেবের স্ত্রীর নাম ছিল না। আমি জানলে মহিউদ্দিন চৌধুরীর স্ত্রী হিসাবে তাকে সম্মান দিতাম, তবে আমার নলেজে ছিল না। সংরক্ষিত আসনের এমপির পরীক্ষায় জালিয়াতির বিষয়য়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি দলীয় ব্যাপার। পরবর্তী ওয়ার্কিং কমিটির সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে। অভিযোগ প্রমাণ হলে দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। তার অপরাধ প্রমাণিত হলে স্পিকার কি ব্যবস্থা নেয় সেটি দেখার বিষয়।

রাজনীতি পাতার আরো খবর