দেখিয়ে দেবো তরুণরাও পারে: ইশরাক
২০জানুয়ারী,সোমবার,রাজনীতি ডেস্ক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, সরকার দলীয় প্রার্থী আমার বয়স নিয়ে সমালোচনা করে। আমি তরুণ সমাজকে বলবো, আপনারা আমার সঙ্গে থাকবেন, আমাকে ভোট দেবেন। আমরা দেখিয়ে দেবো তরুণরাও পারে। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে ছাত্রসমাজ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলো। তরুণরাই তাদের বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিলো স্বাধীনতা অর্জনের জন্য। তাই যারা তরুণদের বয়স নিয়ে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে, আমরা তাদের দেখিয়ে দিতে চাই, আমরা তরুণরাও নেতৃত্ব দিতে পারি। আজ সোমবার সিটি করপোরেশন নির্বাচনে একাদশতম দিনের প্রচারণা শুরুর আগে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সামনে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি এসব কথা। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সভাপতি রফিকুল আলম মজনু সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা শাহিন প্রমুখ। ভোটারদের উদ্দেশ্যে ইশরাক বলেন, আপনারা যদি আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন আমি এই ঢাকা শহরকে সুন্দর একটি বাসযোগ্য শহরে পরিণত করার পাশাপাশি আমাদের দলের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের যে আন্দোলন-সংগ্রাম চলছে তা ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে প্রাণপণ কাজ করে যাবো। এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন সাবেক সফল মেয়র সাদেক হোসেন খোকার সুযোগ্য সন্তান। আমি ঢাকার মেয়র ছিলাম, সাদেক হোসেন খোকা ঢাকার মেয়র ছিলেন। তখন ঢাকার এই পরিণতি ছিলো না। ঢাকা একটি গোছানো শহর ছিলো। তাই আমি বলবো, ইশরাক একজন যোগ্য প্রার্থী। আপনারা তাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন। সিটি করপোরেশন পরিচালনায় আমার যে অভিজ্ঞতা ও সাদেক হোসেন খোকার যে অভিজ্ঞতা তা সমন্বয় করে ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের মাধ্যমে একটি সুন্দর শহর গড়ে তুলবো। আজ দুপুর পর্যন্ত শাহবাগ, রমনা, শাহজানপুর, পল্টন ও মতিঝিল থানাধীন সেগুনবাগিচা, বেইলি রোড, সিদ্বেশ্বরী, মৌচাক, পশ্চিম মালিবাগ, গুলবাগ, শান্তিনগর হয়ে পল্টন এলাকায় প্রচারণার চালাবেন বিএনপির এই প্রার্থী। নামাজ ও মধ্যাহ্ন বিরতি পর পল্টন থেকে টিএনটি কলোনি ও এজিবি কলোনি এলাকায় গণসংযোগ ও প্রচারণা চালাবেন তিনি।- মানবজমিন
নির্বাচন কমিশন অযোগ্য: ফখরুল
১৯জানুয়ারী,রবিবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নির্বাচন পরিচালনা করতে এই কমিশন একেবারেই ব্যর্থ এবং অযোগ্য। বললেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, পূজার দিনে তারা সিটি নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করেছিল। যেখানে নির্বাচনী কেন্দ্র সেখানে পূজা হয়। এতে করে বড় ধরনের সমস্যা হতে পারতো। নির্বাচন কমিশনের অযোগ্যতার কারণেই এ সমস্যা হয়েছে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন। ইভিএমে নির্বাচন করা মানে দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেয়ার আরেকটা অপকৌশল বলেও মন্তব্য করেন তিনি। জিয়াউর রহমান খুব অল্প সময়ে বাংলাদেশের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন বলে দাবি করেন তিনি। মির্জা ফখরুল বলেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যে জিয়াউর রহমান দেশের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে একটি মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হয়।- আরটিভি অনলাইন
বিএনপি সব সময় দিবাস্বপ্ন দেখে : ওবায়দুল কাদের
১৮জানুয়ারী,শনিবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি সব সময় দিবাস্বপ্ন দেখে। তারা ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়। তাই বিভিন্নভাবে টালবাহানা ও ষড়যন্ত্র করছে। তারা ছুতো খুঁজছে, কীভাবে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা যায়। আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপি বলেছিল, তারা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে। তারা বলেছিল, বিএনপির পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। ফলাফল কী হয়েছে তা জাতি দেখেছে। এবারও দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আগে তারা বলছে, তাদের প্রার্থীদের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপির স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আওয়ামী লীগ ১১ বছর ধরে ক্ষমতায়। সরকার দলীয় প্রার্থী ছাড়া অন্য কাউকে ভোট দিলে সিটি করপোরেশনের উন্নয়ন হবে না বলে নগরবাসী জানে। তারা জানে তাদের (বিএনপি) প্রার্থীকে ভোট দিলে কোনো উন্নয়ন হবে না। সরস্বতী পূজার দিন নির্বাচনের ভোটগ্রহণের তারিখ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন করার দাবিতে হিন্দু সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীরা অনশন করছে। শেষে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। তবে তারিখের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার এখনও অনড় অবস্থানে আছে, সে অধিকার তাদের আছে। আমরা কোনো সিদ্ধান্ত তাদের ওপর চাপিয়ে দিতে পারি না। তাদের বিরুদ্ধেও আমরা যেতে পারি না। তারা যদি মনে করে, ধর্মীয় অনুভূতির বিষয়টি বিবেচনায় হিন্দু সম্প্রদায়ের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। তাছাড়া আমরা আগেও বলেছি, সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন করলে আওয়ামী লীগ বা সরকারের কোনো আপত্তি নেই। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন, মির্জা আজম, সাখাওয়াত হোসেন শফিক, দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সবুর, উপ-দফতর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ।- একুশে টেলিভিশন
অনলাইনে নির্বাচনের প্রচারণা
১৭জানুয়ারী,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনের আর মাত্র দুই সপ্তাহ বাকি। ভোটের সময় যতই ঘনিয়ে আসছে ততই প্রার্থীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে ভোররাত থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন প্রার্থীরা। দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। সশরীরে হাজির হওয়ার পাশাপাশি প্রচারণায় যুক্ত হয়েছে নতুন অনুষঙ্গ। অনেকে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাওয়ার পাশাপাশি অনলাইনে তাদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন তাদের বার্তা। প্রচারণার মাধ্যম হিসেবে তারা ব্যবহার করছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে মেয়র পদে ঢাকা উত্তরে ছয়জন এবং দক্ষিণে ছয়জন করে মোট ১২ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এসব প্রার্থীর মধ্যে চারজন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মতো দুটি বড় রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী। এই দুই দলের প্রার্থীর মধ্যেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আর প্রচারণায় এই দুই দলের মেয়র প্রার্থীদেরকেই বেশি দেখা যায়। বাকি আটজনের তেমন হাঁকডাক এখন পর্যন্ত সেভাবে নজরে আসেনি। ঢাকা উত্তরে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলামের প্রচারণা চলছে বেশ জোরেশোরে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সরাসরি প্রচার করা হচ্ছে তার গণসংযোগ ও নানা প্রচারণা কার্যক্রম। পাশাপাশি ফেসবুক ব্যবহার করেও শিক্ষিত ভোটারদের কাছে নিজের বার্তা পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা করছেন আতিকুল। আতিকুল ইসলাম নামের একটি ফেসবুক পেজে ৬ লাখ ২ হাজারের বেশি অনুসারী তাকে অনুসরণ করছেন। আর সেই ফেসবুক পেজে শোভা পাচ্ছে ভোটারদের কাছে আতিকুলের নানা প্রতিশ্রুতি, ঢাকাকে নিয়ে তার ভাবনার কথা। চাওয়া হচ্ছে ভোট। একই ধরনের প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন এই নির্বাচনে তার বিপরীতে অবস্থানকারী ধানের শীষের প্রার্থী তাবিথ আউয়াল। আতিকুলের তুলনায় ফেসবুকে তাবিথের অনুসারী বেশি। তাবিথ আউয়াল নামের ভেরিভাইড পেজটিতে অনুসারী ৭ লাখ ১২ হাজারের বেশি। গণসংযোগস্থল থেকে তা ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীদের কাছে তুলে ধরছেন এই প্রার্থী। এছাড়া বিভিন্ন সময় ঢাকা উত্তর সিটির জন্য তারা নানা ভাবনা ও পরিকল্পনা তুলে ধরছেন। তাবিথ নিজেই বিভিন্ন সময় দিচ্ছেন নানা ভিডিও বার্তা, চাওয়া হচ্ছে ভোট। ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ক্ষমতাসীন দলের মনোনয়নে লড়ছেন ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। প্রতীক বরাদ্দের দিন থেকেই প্রচারণায় নামেন এই প্রার্থী। তখন থেকে নিয়মিত ভোটারদের কাছে গিয়ে ভোট চাচ্ছেন এই প্রার্থী। ২ লাখ ৬ হাজারের বেশি অনুসারী রয়েছে তাপসের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে। এই পেজের মাধ্যমে তুলে ধরা হচ্ছে তার প্রচারণার নানা দিক। জানিয়ে দেয়া হচ্ছে পরবর্তী দিনের প্রচারণার সময় ও গণসংযোগস্থল। দক্ষিণ সিটিতে ধানের শীষ প্রতীকে তাপসের বিপরীতে রয়েছেন সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইশরাক হোসেন। তরুণ এই প্রার্থী গণসংযোগের মতো সমানতালে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। ভোটারদের কাছে নিজের বার্তা পৌঁছে দিতে তার নামের ফেসবুক পেইজটি একাধিকবার বুস্ট করা হয়েছে। ৪ লাখ ২৪ হাজারের বেশি মানুষ এই পেইজের মাধ্যমে ইশরাককে অনুসরণ করছেন। আর এর মাধ্যমেই তার বিভিন্ন পথসভা, গণসংযোগের ভিডিও চিত্র তুলে ধরা হচ্ছে। জানিয়ে দেয়া হচ্ছে পরবর্তী দিনের প্রচারণার স্থান ও সময়। মেয়র প্রার্থীদের মতোই একই পথে হাঁটছেন সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থীরা। পিছিয়ে নেই সংরক্ষিত ওয়ার্ডে নারী প্রার্থীরা। ইতিমধ্যে নিজ নামে ফেসবুক পেজ ছিল না, এমন প্রার্থীরা নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে পেজ খুলেছেন। আর এর মাধ্যমে ভোটারদের কাছে পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা করছেন ওয়ার্ডকে ঘিরে তাদের ভাবনা, প্রতিশ্রুতির কথা। চাইছেন ভোট।বিজনেস বাংলাদেশ
ছুটির দিনে নির্বাচনী প্রচারণায় জনতার ঢল
১৭জানুয়ারী,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ৩০ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রধান দুই রাজনৈতিক দল বিএনপি ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মাঝে নির্বাচনী উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিরামহীন গণসংযোগ ও প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন দুই সিটিতে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা। শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় মেয়র প্রার্থীদের প্রচারণায় বাড়তি উপস্থিতি ও আমেজ লক্ষ করা গেছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নুর তাপসের প্রচারণায় ছিলো সমর্থকদের ব্যাপক উপস্থিতি। বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেন আওয়ামী লীগ প্রার্থীর বিরুদ্ধে আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ আনলেও তাপস সেগুলো পাত্তা দিচ্ছেন না। এ বিষয়ে শুক্রবার গণসংযোগ চলানোর সময় তাপস বলেছেন, আমরা অত্যন্ত সুষ্ঠু ও উৎসব মুখর পরিবেশে গণসংযোগ ও নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছি। এখানে আচরণ বিধি লঙনের কোনো অবকাশ নেই। তিনি বলেন, সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে আমাদের নেতাকর্মী ও জনসাধারণের মাঝে উৎসব মুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। তারা (বিএনপি) অভিযোগ নিয়ে ব্যস্ত আর আমরা গণসংযোগ নিয়ে ব্যস্ত বলেও মন্তব্য করেন তাপস। এদিকে প্রচার-প্রচারণার অষ্টম দিনে শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর নাজিরা বাজারে ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নুর তাপস উপস্থিত হওয়ার আগেই নেতা-কর্মীদের ঢল নামে। সেখানে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, যুব মহিলা লীগসহ সহযোগি সংগঠনের নেতা-কর্মীদের উপস্থিতিতে রুপ নেয় গণজমায়েতের। জয় বাংলা, জিতবে এবার নৌকা, তাপস ভাইয়ের মার্কা নৌকা মার্কা ইত্যাদি নানা শ্লোগান দিতে থাকে উপস্থিত নেতা-কর্মীরা। দেখা যায়, তাপসের প্রচারণায় নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি আইনজীবী, পেশাজীবী, শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষের বাড়তি উপস্থিতি। তাকে এক নজর দেখতে সড়কে, বাসা-বাড়িতে, দোকানপাটে, অলিতে-গলিতে, বাসার ছাদে অবস্থান নিতে দেখা যায় লোকদের। হাত নেড়ে তাদের অভিবাদন গ্রহন ও তাদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নুর তাপস। কথা হলে পুরান ঢাকার বাসিন্দা জয়নাল জানান, এখানে একজন নিবেদিত মেয়র দরকার। যিনি পুরান ঢাকার স্বকিয়তা ও সম্প্রতি রক্ষা করে বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানে কাজ করবেন। তিনি বলেন, এখানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, অপ্রসস্থ রাস্তাঘাট, যানজট, নদী দখলসহ নানা সমস্যা রয়েছে। আমরা চাই মেয়র হিসেব যেই আসুক না কেন আধুনিক ঢাকার অংশ হতে তাকে এই কাজগুলো অবশ্যই করতে হবে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ঢাকা দক্ষিনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ বলেন, আমাদের প্রচারণায় জনসাধারণের ব্যাপক উপস্থিতি প্রমাণ করে নৌকার পক্ষের প্রার্থীর জনপ্রিয়তা। আমাদের বিশ্বাস ঢাকাবাসি আগামী ৩০তারিখ নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে শেখ ফজলে নুর তাপসকে বিপুল ভোটে জয়ি করবে। মেয়র পদপ্রার্থী ফজলে নুর তাপস বলেন, উন্নয়নের জন্য আমরা যে রুপরেখা দিয়েছি ঢাকাবাসী তা স্বতঃস্ফূর্তভাবে গ্রহণ করেছে। আমরা আশা করছি আগামী ৩০ জানুয়ারি ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র এবং কাউন্সিলর পদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে নির্বাচিত করে আমাদেরকে আপনাদের সেবা করার সুযোগ দিবেন। ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, আমিই একমাত্র মেয়র প্রার্থী যে এই পুরান ঢাকা নিয়ে সুনির্দিষ্ট উন্নয়নের রুপরেখা দিয়েছি। আমরা নির্বাচিত হলে ঐতিহ্যের ঢাকা গড়বো। আমরা এর ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করতে চাই। পুরান ঢাকার সম্প্রীতি, ঐতিহ্য ও স্বকীয়তাকে আমরা পুনর্জীবিত করব।
আমরা প্রতি মুহূর্তে আন্দোলেনর মধ্যে আছি
১৭জানুয়ারী,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেছেন, অনেকেই বলছে এক যুগেরও বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থাকা বিএনপি আন্দোলন করতে পারছে না। আমি বলি বিএনপি একটি উদারপন্থী দল। এর কাছে কেউ বিপ্লব আশা করলে হবে না। এই দল তার নিজস্ব চরিত্র নিয়ে এগিয়ে যাবে। আমরা প্রতি মুহূর্তে আন্দোলেনর মধ্যে আছি। আমরা কোর্টে যাই, আলোচনা করি, নির্বাচনে যাই সবই আন্দোলনের অংশ। এই আন্দোলনগুলোকে একসঙ্গে করে আমরা বড় আন্দোলনের দিকে এগিয়ে যাব। শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ আয়োজিত নির্বাচনে আস্থাহীনতা, ইভিএমর ব্যবহার: বর্তমান প্রেক্ষাপট শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের অভিজ্ঞতা আছে যে ২০১৪ সালের নির্বাচনের সময় এবং ২০১৫ তে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমাদের যে ক্ষতি হয়েছে সেই ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে আমাদের এখনো অনেক বেগ পেতে হচ্ছে। বিএনপির বিভিন্ন মিছিল বা RAILLYতে জনসমাগম হলেও আন্দোলনে নামতে গেলে রাস্তায় লোক কম হচ্ছে কেন? এমন সমালোচনার জবাবে বিএনপির মহাসচিব বলেন, রাজনৈতিক কর্মী নির্যাতনের শিকার হলে, গুম হত্যার শিকার হলে তখন তার মধ্যে হতাশা কাজ করতে পারে। তাদের অনুপ্রাণিত করেই এগিয়ে যেতে হবে। রাজনৈতিক নেতাদের কাজ তাদের অনুপ্রাণিত করে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। পরিবেশ এবং ক্ষেত্র তৈরি হলে কর্মীরা উঠে আসে। ঢাকা সিটি করপোরেশনের নির্বাচনী প্রচারণার মিছিলে এখন অনেক বেশি মানুষ অংশ নিচ্ছে। এদেরকে সংহত করে আন্দোলনে নিয়ে যেতে পারলে তারা সফল হবেন। তিনি বলেন, ঢাকা সিটি নির্বাচনে জয়ী হওয়ার জন্যই অংশ নিয়েছি। জনগণকে এক করতে পারলে বিএনপি এই নির্বাচনে জয়ী হবে। নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ইভিএম একটা গজব। মানুষ যা তৈরি করে, তা নিজের জন্যই করে। ক্ষমতাসীনেরা নিজেদের জন্য নির্বাচন কমিশনকে ইভিএম আমদানি করিয়েছে। ২০১৮ সালের ভোটের নামে যে ডাকাতি হয়েছে তা পুনরায় করার সুযোগ নেই। তাই তারা ভিন্ন একটা পথ নিয়েছে। একটি মেশিন বের করেছে। তারা সমস্ত দায় মেশিনের ওপরে দেবে। তিনি বলেন, ২০১৮ সালে ছেড়ে দিলেও এবারের নির্বাচনে ছেড়ে দেয়া যাবে না। এবারে সিটি নির্বাচনেও ধানের শীষকে জিততে দেবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপিকে আরও শক্তভাবে মাঠে থাকতে হবে। বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক শওকত মাহমুদের সভাপতিত্বে বৈঠকে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক মো. আখতার হোসেন।
নির্বাচন আগানো বা পেছানো ইসির এখতিয়ার: কাদের
১৭জানুয়ারী,শুক্রবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নির্বাচন আগানো বা পেছানো ইসির এখতিয়ার বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সম্পাদক মন্ডলির মুলতবি বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে এ কথা বলেন তিনি। এসময় সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচন আগানো বা পেছানো ইসির এখতিয়ার। এ ব্যাপারে আমাদের সরকারের কোনো কিছু বলার বা করার ছিল না। এখানে সরকারকে দোষারোপ করা অযৌক্তিক। তিনি বলেন, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব সরস্বতী পূজা। এ ধর্মীয় উৎসবের প্রতি সম্মান দেখিয়ে তাদের সঙ্গে ইসি আলাপ-আলোচনা করে একটা সমাধান করতে পারে। ইভিএম প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুলের সমালোচনা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ইভিএম পদ্ধতি নিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যে মন্তব্য করেছেন তা বিভ্রান্তিকর। কারণ তিনি নিজেও ইভিএম পদ্ধতিতে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন বগুড়া সদর আসন থেকে। সর্বশেষ ইভিএমে বগুড়া জেলার দুপচাঁচিয়া পৌরসভায় যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, তাতে বিএনপির প্রার্থী বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছেন। এর চেয়ে প্রকৃষ্ট উদাহরণ আর কী হতে পারে? অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিএনপি নেতারা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ দলের নেতাদের বিরুদ্ধে যেভাবে কথা বলছেন, অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করছেন, যখন যা খুশি তাই বলছেন, তার পরেও সরকার তাদের গ্রেফতার করেনি, মামলা করেনি, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। কথা বলার বিষয়ে পৃথিবীর কোথাও এতো স্বাধীনতা নেই। তাহলে তাদের কণ্ঠরোধ করা হলো কীভাবে? হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এ বিষয়ে যে মন্তব্য করেছে তা অযৌক্তিক এবং মন গড়া। নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে যারা বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তাদের উদ্দেশ্যে ওবায়দুল কাদের বলেছেন, অবিলম্বে তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যথায় শৃঙ্খলা কমিটি তাদের চাপ প্রয়োগ করবে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের বিষয়ে।
বিএনপি সারা জীবন এনালগ থাকতে চায়
১৬জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার নিয়ে বিএনপির আপত্তির বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি সারা জীবন এনালগ থাকতে চায়। বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) রাজধানীর সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় কালে তিনি এ কথা বলেন। সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আচরণবিধির লঙ্ঘনে অভিযোগের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ইসির হাতে অনেক ক্ষমতা আছে, পুলিশ আছে। আচরণবিধি মানার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে আরও কঠোর হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। এখানে সরকারের কোনও প্রকার হস্তক্ষেপ নেই। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যারা নিয়ম মানবে না, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াই উচিত। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে নির্বাচনের তারিখ পেছানোর দাবিতে আন্দোলনরতদের আদালতের আদেশ মেনে আন্দোলন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমি আদালতের রায়কে সম্মান করতে চাই। তারিখের বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। তাই এই রায়কে নির্বাচন কমিশন ফলো করবে, এটাই স্বাভাবিক। সব কিছু মিলিয়ে আদালত যে নির্দেশ দিয়েছে, প্রত্যাশিত নির্বাচনের এই রায় মেনে নিয়ে, সবাই অংশ নেবে এটাই আমার বিশ্বাস। নির্বাচন কমিশন যখন শিডিউল ঘোষণা করেছে তখন পূজার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত ছিল কি না- জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, সেটা নিশ্চয়ই তাদের বিবেচনা করা উচিত ছিল। আর তাদের ঘোষণার ভেতর কোনো ফাঁক-ফোকর আছে কি না, সেটা দেখার বিষয় ছিল আদালতের। আদালত তো এখানে একটা নির্দেশ অলরেডি দিয়েছে। জাতীয় সংসদে ধর্ষকদের এনকাউন্টার বা ক্রসফায়ারে দেওয়ার দাবির বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের, জাতীয় সংসদে ধর্ষকদের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এ বিষয়টি অনলাইনে দেখেছি। আমি তখন সিঙ্গাপুর ছিলাম। যারা বক্তব্য রেখেছেন এনকাউন্টারের পক্ষে, আমার মনে হয় এটা তাদের ব্যক্তিগত মতামত। এটা সরকার বা আমাদের দলের কোনো বিষয় নয়। আমরা এনকাউন্টার বা ক্রসফায়ারকে তো সাপোর্ট করতে পারি না। কারণ এটা সংবিধানের আওতার বাইরে ও সংবিধান সম্মত নয়।-আলোকিত বাংলাদেশ
পূজার দিন নির্বাচন, দুঃখ প্রকাশ করলেন তাপস
১৫জানুয়ারী,বুধবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসছে ৩০ জানুয়ারি সরস্বতী পূজার দিনে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন ঢাকা দক্ষিণের মেয়রপ্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপস। আজ বুধবার দুপুরে পুরান ঢাকার পোস্তগোলা ও মীরহাজিরবাগ এলাকায় ষষ্ঠ দিনের নির্বাচনী প্রচারণাকালে আওয়ামী লীগ মনোনীত এ মেয়রপ্রার্থী দুঃখ প্রকাশ করেন। তাপস বলেন, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর প্রার্থী হিসেবে প্রচারণা শুরু করেছি। আসলে আমি দুঃখিত, এ বিষয়টি কেন বা কীভাবে হয়েছে। এটা আগে থেকে নির্ধারণ করা হয়নি। আমি যতদূর জেনেছি, ইলেকশন কমিশন আলোচনা করেছিল। পঞ্জিকা অনুযায়ী এটা হয়তো ভুল হয়ে গেছে। আওয়ামী লীগ মনোনীত এ মেয়রপ্রার্থী বলেন, তাদের (হিন্দু সম্প্রদায়) প্রতি আমার সমবেদনা ও সহমর্মিতা রয়েছে। তবে যেহেতু নির্বাচনের নির্ধারিত তারিখ রয়েছে, প্রার্থী হিসেবে আমাদের গণসংযোগ চালিয়ে যেতে হবে। আমি আশা করবো, সবাই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। তাপস আরও বলেন, আমরা যে উন্নয়নের রূপরেখা দিয়েছি তা ঢাকাবাসী সাদরে গ্রহণ করেছে। তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রচারণায় অংশ নিচ্ছে। আগামী ৩০ জানুয়ারি ঢাকাবাসী বিপুল ভোটে নৌকাকে বিজয়ী করবে। দায়িত্ব পাওয়ার প্রথম দিন থেকে ঢাকার উন্নয়নে কাজ করবো এবং একটি উন্নত ঢাকা উপহার দেব। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন বিষয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে তাপস বলন, কোনো ধরনের আচরণবিধি যেন লঙ্ঘন না হয় সেদিকে আমাদের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি নজর রাখছে। তবে সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে নেমে গেছে। এ কারণে জনগণের কিছুটা অসুবিধা হতে পারে। আমরা বিষয়টি আরও সচেতনভাবে দেখবো। বর্তমানে উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচনী আমেজ বিরাজ করছে এবং সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।