বুধবার, ফেব্রুয়ারী ২০, ২০১৯
ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহারে জনগণের মৌলিক দাবিগুলোই রয়েছে: ফখরুল
অনলাইন ডেস্ক: ঐক্যফ্রন্টের ১৪টি প্রতিশ্রুতির ইশতেহার সাম্প্রতিককালের বৈপ্লবিক ইশতেহার বলে অভিহিত করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জনগণের যে মৌলিক দাবি-দাওয়াগুলো রয়েছে তা এ ইশতেহারের মাধ্যমে উঠে এসেছে। তিনি বলেন, মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষাগুলো এর মধ্যে এসেছে। এটি সাম্প্রতিককালের একটি বৈপ্লবিক ইশতেহার হিসেবে চিহ্নিত হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। সোমবার জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহার পাঠ শেষে মির্জা ফখরুল আরো বলেন, আজ জনগণের যে জাগরণ শুরু হয়েছে, জনগণ যেভাবে তাদের মূল দাবি রাষ্ট্রের মালিকানা, সেই মালিকানার জন্য জেগে উঠছে প্রতিকূলতা সত্ত্বেও। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতৃত্বে যেভাবে দেশ এগিয়ে চলেছে, আমরা বিশ্বাস করি বাংলাদেশের মানুষ তাদের অধিকারগুলো আদায় করবে এবং যে অপশক্তি রয়েছে, যারা স্বাধীনতার চেতনাকে ধ্বংস করে দিতে চায়, মানুষের অধিকারকে হরণ করতে চায় তাদের পরাজিত করবে।
বিদ্রোহী প্রার্থীরা মঙ্গলবারের মধ্যে সরে না দাঁড়ালে ব্যবস্থা
অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা আগামীকালের (মঙ্গলবার) মধ্যে সরে না দাঁড়ালে দলের বর্ধিত সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সোমবার সকালে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুরে দ্বিতীয় কাঁচপুর ও মেঘনায় দ্বিতীয় মেঘনা চার লেনের নতুন সেতুর কাজ পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। ওবায়দুল কাদের বলেন, এখন তো আর প্রত্যাহারের সুযোগ নেই, তবে প্রেস কনফারেন্স করে দলীয় প্রার্থীকে সমর্থন দিতে হবে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশে যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে তারা যে দলেরই হোক তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে নির্বাচন কমিশনকে আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের। এ সময় কাঁচপুরের সেতু নির্বাচনের আগেই ডিসেম্বর মাসে সবার জন্য খুলে দেওয়া হবে বলে জানান সেতুমন্ত্রী। এছাড়া মেঘনা-গোমতী সেতুর ফোর লেনের কাজ মে-জুন লাগাদ শেষ হয়ে যাবে।
নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন শমসের মবিন
অনলাইন ডেস্ক: সিলেট-৬ আসনে বিকল্পধারা মনোনীত প্রার্থী সাবেক পররাষ্ট্র সচিব শমসের মবিন চৌধুরী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। তিনি মহাজোট থেকে মনোনয়ন না পেয়ে বিকল্পধারার প্রার্থী হয়েছিলেন। দলের প্রতীক কুলা নিয়ে নির্বাচনী মাঠে ছিলেন তিনি। এ আসনে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের পাশাপাশি মহাজোটের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন জোটের শরিক বিকল্পধারার প্রেসিডিয়াম সদস্য শমসের মবিন চৌধুরী। এ নিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্রও দাখিল করেছিলেন। জোটের মনোনয়ন না পেয়ে তিনি বিকল্পধারার প্রার্থী হন। এরপর দলীয় প্রতীক কুলা নিয়ে তিনি নেমে পড়েন গণসংযোগে। গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারের অলি-গলি চষে বেড়ান তিনি তার কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে। এ দুই উপজেলায় করানো হয় মাইকিং। এদিকে তিনি নির্বাচনী মাঠে থাকার ফলে মহাজোট প্রার্থী শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ অনেকটা পড়তে হয়েছিল বেকায়দায়। এনিয়ে ১২ ডিসেম্বর যুগান্তরে কঠিন চ্যালেঞ্জে শমসের-নাহিদ শিরোনামে একটি সংবাদও প্রকাশিত হয়। অবশেষে নৌকা প্রার্থী নুরুল ইসলাম নাহিদকে সমর্থন দিয়ে তিনি রোববার তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। রোববার সন্ধ্যায় শমসের মবিন যুগান্তরকে বলেন, আমি মনোনয়ন প্রত্যাহারপত্র সোমবার নির্বাচন কমিশনে জমা দেব। দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালাম। তবে কী কারণে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিলেন-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা দলের সিদ্ধান্ত। তাই মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের নিদ্ধান্ত নিয়েছি। শমসের মবিনের এ ঘোষণার পর সিলেট-৬ আসনে শুরু হয়েছে নতুন মেরুকরণ।
ঐক্যবদ্ধ জনগণের বিজয় অনিবার্য: ড. কামাল
অনলাইন ডেস্ক: জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বাধীনতার মূল্যবোধ রক্ষা করতে হবে। রোববার (১৬ ডিসেম্বর) মহান বিজয় দিবসে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি। ড. কামাল বলেন, যারা রুগ্ন রাজনীতি করে, যারা লাঠিয়াল ব্যবহার করে, যারা কালো টাকা ব্যবহার করে, যারা জনগণকে মর্যাদা দেয় না, তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধ হয়ে আমরা অবশ্যই স্বাধীনতার মূল্যবোধ রক্ষা করব। ঐক্যবদ্ধ জনগণের বিজয় অনিবার্য। ড. কামাল আরো বলেন, আসুন আমরা ঐক্যকে সুসংহত করি। যে ঐক্যকে সামনে রেখে বিজয় অর্জন করেছিলাম, সেই শক্তিতে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। যেকোনো দিক থেকে এই ঐক্যের বিরুদ্ধে যারা লাগে, তাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকতে হবে। এ সময় ড. কামাল হোসেনের সঙ্গে ছিলেন বিএনপির নেতা নজরুল ইসলাম খান, ঐক্যফ্রন্টের শরিক জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব, গণফোরাম নেতা মোস্তাফা মহসীন মন্টু প্রমুখ।
রুখে দাঁড়াতে হবে স্বাধীনতাবিরোধীদের বিরুদ্ধে: তোফায়েল
অনলাইন ডেস্ক: ভোলা-১ আসনের আওয়ামী লীগ প্রার্থী বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, যারা ’৭১ সাল মাকে ছেলেহারা করেছে, বাবাকে পুত্রহারা করেছে, বোনকে স্বামীহারা করেছে, সেই স্বাধীনতাবিরোধীদের সঙ্গে যারা হাত মিলিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার চেতনা নিয়ে দেশবাসী যেন রুখে দাঁড়াতে হবে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর রক্তে গড়া দল আওয়ামী লীগকে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আবারও বিজয়ী করতে হবে। এটিই আমার বিজয় দিবসের প্রত্যাশা। রোববার (১৬ ডিসেম্বর) ভোলায় মহান বিজয় দিবসের প্রথম প্রহরে শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি বাংলাদেশ আজ সঠিক পথে এগিয়ে চলেছে। এখানে যতি কোনো ব্যত্যয় ঘটে তাহলে আবার ২০০১ সালের মতো বাংলাদেশ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যাবে। সেজন্য বাংলার মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে বিজয় করে শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করবে। পরে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল মমিন টুলু, পুলিশ সুপার মো. মোকতার হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
প্রচারে নামতে দেয়া হচ্ছে না আমাদের: ফখরুল
অনলাইন ডেস্ক: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও গ্রহণযোগ্য করার জন্য আমরা সুষ্ঠু পরিবেশ চেয়েছিলাম, যা এখনও পাইনি। অথচ ভোটের বাকি মাত্র দুই সপ্তাহ। আমাদের প্রার্থীদের এখনও গুলি করা হচ্ছে, প্রচারে নামতে দেয়া হচ্ছে না, কর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। তিনি বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ করার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড সৃষ্টির যে দাবি বিরোধী দল জানিয়ে আসছে সেটি এখনও তৈরি হয়নি। রোববার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান বিজয় দিবসে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো শেষে এসব কথা বলেন তিনি। উল্লেখ্য, গতকাল শনিবার নোয়াখালীতে বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন নির্বাচনী গণসংযোগ করতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। গ্রেফতার করা হয়েছে বিএনপির প্রার্থী খায়রুল কবির খোকন ও ফজলুল হক মিলনকে। এসব বিষয়ে ইঙ্গিত করে মির্জা ফখরুল বলেন, দেশ একদিকে বিজয় দিবস পালন করছে। অন্যদিকে দেশে চলছে অত্যাচার, অনাচার, অন্যায়। একটি জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে অগণতান্ত্রিক চর্চা অব্যাহত রাখা হয়েছে। বিরোধী শক্তি দমনে চলছে নানা তৎপরতা। তিনি বলেন, বিজয়ের ৪৭ বছরে এসে আজ গণতন্ত্র কারারুদ্ধ। দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য আমাদের আন্দোলন চলবে। এ সময় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহানসহ বিএনপির বিপুল নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
ছদ্মবেশি মুক্তিযোদ্ধারা বিএনপির নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ: কাদের
অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবাদুল কাদের বলেছেন, নীল নকশা অনুযায়ী ঐক্যফ্রন্ট নিজেরা নিজেদের ওপর হামলা চালিয়ে সরকারের ওপর দায় চাপাচ্ছে। তিনি রোববার সকালে ফেনীতে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে সাংবাদিকদের কাছে এ মন্তব্য করেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, সাম্প্রদায়িক অপশক্তির সাথে ছদ্মবেশী মুক্তিযোদ্ধারা বিএনপির নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। এ অশুভ অপশক্তিকে প্রতিহত করে, পরাজিত করে বিজয়ী হতে হবে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। শপথ নিতে হবে, মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমরা সুশাসনের পথে সব চ্যালেঞ্জকে অতিক্রম করব। পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য এটি জনগণের কাছে আমাদের ওয়াদা। দেশে সুশাসন থাকবে, আমরা বাংলাদেশকে মডেল দেশ গড়ব। তিনি বলেন, জনগণের সমর্থন না পেয়ে বিএনপি উসকানিমূলক কাজে জড়িয়ে পড়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুর রহমান বিকম, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য জাহানারা বেগম সুরমা, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এ্যাড. হাফেজ আহাম্মদ, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শুসেন চন্দ্রশীলসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী। ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, আমরা মঙ্গাকে যেভাবে জাদুঘরে পাঠিয়েছি, সেভাবেই দারিদ্র্য-বেকারত্বকে জাদুঘরে পাঠাব। সে লক্ষ্যেই ২০২৪ সালের টার্গেট পূরণ করব।
নষ্ট রাজনীতির প্রবর্তক ড. কামাল: ওবায়দুল কাদের
জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন বাংলাদেশের নষ্টর রাজনীতির প্রবক্তা বলে আখ্যায়িত করলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ড. কামাল তার স্বরূপ ঢাকতে পারেননি। তিনি প্রমাণ করলেন যে তিনি বাংলাদেশের নষ্ট রাজনীতির প্রবক্তা। ড. কামাল প্রমাণ করলেন মানুষের শক্তি যত কমে আসে, তার মুখের বিষ তত উগ্র হয়ে যায়। নিজের নির্বাচনী এলাকা নেয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ যাওয়ার পথে শনিবার দুপুরে ফেনীর দাগনভূইয়ায় যাত্রাবিরতির সময় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। সাংবাদিকদের খামোশ বলে ড. কামাল পুরনো পাকিস্তানি ভাষার ব্যবহার করেছেন বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, তিনি (কামাল) এত নিচে নেমে গেছেন, ভাবতেও অবাক লাগে। কাদের বলেন, সারা দেশে নৌকার জোয়ার দেখে ঐক্যফ্রন্টের নেতারা বেপরোয়া বাসচালকের মতো হয়ে পড়েছেন। তিনি আরও বলেন, মির্জা ফখরুল বা বিএনপির সঙ্গে শতকরা ১০ জন লোকও নেই। আর আওয়ামী লীগের সঙ্গে ৯০ শতাংশ লোক রয়েছে। নির্বাচনী সহিংসতার জন্য বিএনপিকে দায়ী করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির জন্য বিএনপিই দায়ী। তারা পল্টনে পুলিশের উপর হামলা করে এ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের উদ্বোধন করেছেন। তারা নিজেরা নিজেদের সঙ্গে গণ্ডগোল করে নিউজ তৈরি করতে চাইছে। তবে আমি চাই না, তারা (বিএনপি) নির্বাচন থেকে সড়ে দাঁড়াক, বলেন তিনি। নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে বিএনপির অভিযোগের ব্যাপারে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, এসব অভিযোগ অসহায়ের সংলাপ। এসসয় মন্ত্রী আরও বলেন, দাগনভুঞাঁ থেকে চৌধুরী হাট পর্যন্ত রাস্তা প্রশসস্তকরণের কাজটি দীর্ঘদিন পরে হলেও সুগম হয়েছে। ইতিমধ্যে রাস্তা প্রশস্তকরণে জায়াগার মালিকদের ক্ষতিপূরণ বাবদ সড়ক ও জনপদ বিভাগ ১০ কোটি টাকা দিয়েছে বলে জানান তিনি। এসময় উপস্থিত ছিলেন, দাগনভুঞাঁ উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা যুবলীগের সভাপতি দিদারুল কবির রতনসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী।
আন্তরিকভাবে দুঃখিত আমি: ড. কামাল
অনলাইন ডেস্ক: ঢাকার মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে জামায়াত নিয়ে প্রশ্ন করায় শুক্রবার (১৪ ডিসেম্বর) সাংবাদিকের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন। এ ঘটনার পর আজ শনিবার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দুঃখ প্রকাশ করেছেন তিনি। ১৪ ডিসেম্বর সাংবাদিকরা আগামী নির্বাচনে জামায়াত প্রশ্নে ঐক্যফন্টের অবস্থান জানতে চাইলে ড. কামাল হোসেন সাংবাদিকদের ভৎসনা করেন এবং অসম্মানের সঙ্গে উল্টো জিজ্ঞাসা করেন কতো টাকা পেয়েছো? কাদের টাকায় এসব বেহুদা প্রশ্ন করছো, তোমার নাম কী? দেখে নেবো, কোন টিভি/পত্রিকায় কাজ করো, চিনে রাখব। এসময় তিনি প্রশ্নকারী সাংবাদিকের নাম পরিচয় জানতে চাওয়ার পাশাপাশি তাকে খামোশ বলে ধমক দেন। প্রশ্নকারী সাংবাদিকদের চিনে রাখার কথাও বলেছেন প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ। সংবাদপত্রে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বিষয়টিকে ব্যাখ্য করেছেন। এতে তিনি বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস বাংলাদেশের সকল নাগরিকের জীবনে অসামান্য তাৎপর্যপূর্ণ। আমি প্রত্যেক বছরের মতো এবারও শহীদ বুদ্ধজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে মিরপুর স্মৃতিসৌধে গিয়েছি। এই দিনে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিল, যার মধ্যে আমার অনেক ঘনিষ্ঠ বন্ধুরাও ছিলেন। ১৯৭২-৭৩ সালে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনায় স্বাধীনতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য প্রণীত আইনগুলোর সঙ্গে জড়িত থাকতে পারা আমার কাছে সর্বদাই আবেগ অনুভূতির বিষয়। আমি বিশ্বাস করি, সর্বস্তরের মানুষ শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শুধুই শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য যান। তিনি বলেন, ১৪ ডিসেম্বর শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে স্মৃতিসৌধের বেদিতে দাঁড়িয়ে আমি বলেছিলাম, আমরা কতো মেধাবী সন্তানদের হারিয়ে তবে স্বাধীনতা পেয়েছি। তখন হঠাৎ করে বেদিতেই আমার কাছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে জামায়াতের অবস্থানের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলো। আমি তাৎক্ষণিক সবিনয়ে বলি, আজকের এই দিনে, যেখানে আমাদের গভীর অনুভূতির বিষয়, এই বিষয়ে এখানে কোনো মন্তব্য করতে চাই না। পুনরায় একই প্রশ্ন তুললে আমি একই মনোভাব ব্যক্ত করি। কিন্তু তৃতীয়বার ভিড়ের মধ্যে থেকে কোথাও অনবরত দুই থেকে তিনবার আমি শুধু জামাত জামাত শুনতে পাই। তখন আমার খুবই খারাপ লেগেছিল। এ বিষয়ে আমি প্রশ্নকর্তাকে থামানোর চেষ্টা করেছিলাম। আমার বক্তব্য যদি কোনোভাবে কাউকে আহত বা বিব্রত করে থাকে, তাহলে আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

রাজনীতি পাতার আরো খবর