আ.লীগের ডা. ইউনুস জয়ী গাইবান্ধা-৩ আসনে
২৮ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্যাপুর) আসনের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ডা. ইউনুস আলী সরকার বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। নৌকা প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২১ হাজার ১৬৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির ব্যারিস্টার দিলারা খন্দকার পেয়েছেন ২৪ হাজার ৩৮৫ ভোট। আজ রোববার রাতে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মতিন এই ফল ঘোষণা করেন। আজ সকাল ৮টা থেকে চার লাখ ১১ হাজার ৮৫৪ জন ভোটারের এই সংসদীয় আসনের মোট ১৩২ কেন্দ্রে একযোগে ভোট শুরু হয়। সারাদিনের ভোটগ্রহণে দুই একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া কোথাও কোনো বড় ধরনের গোলযোগের ঘটনা ঘটেনি। নির্বাচনে মহাজোটভুক্ত আওয়ামী লীগ প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য ডা. ইউনুস আলী সরকার (নৌকা) ও জাতীয় পার্টির (এরশাদ) প্রার্থী দিলারা খন্দকারসহ (লাঙল) মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। অন্যরা হলেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ-ইনু) প্রার্থী এস এম খাদেমুল ইসলাম খুদি (মশাল), ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) মিজানুর রহমান তিতু (আম) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু জাফর মো. জাহিদ (সিংহ)। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) নেতা ডা. টি আই এম ফজলে রাব্বী চৌধুরীর মৃত্যুতে গত ২০ ডিসেম্বর এ আসনের একাদশ সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন। পরে তফসিল ঘোষণা করে আজকের দিনে ভোট গ্রহণের দিন ঠিক করে নির্বাচন কমিশন।
কিশোরগঞ্জে জাকিয়া,ঢাকা উত্তরে আতিক আ.লীগের প্রার্থী
২৭ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আতিকুল ইসলামকে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদের উপনির্বাচনের জন্য দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছে আওয়ামী লীগ। একই তারিখে অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদের কিশোরগঞ্জ-১ আসনের নির্বাচনে এই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের ছোট বোন সৈয়দ জাকিয়া নূর লিপিকেও এদিন দলের প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন দেওয়া হয়। শনিবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ড এবং সংসদীয় বোর্ডের যৌথ সভায় এই মনোনয়ন চুড়ান্ত করা হয়। সভায় আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ড ও সংসদীয় বোর্ডের সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করেন। বৈঠক শেষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেন, বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদে উপনির্বাচনে আতিকুল ইসলামকে এবং জাতীয় সংসদের কিশোরগঞ্জ-১ আসনের নির্বাচনে সৈয়দ জাকিয়া নূর লিপিকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। তিনি জানান, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদের উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতার জন্য ১০ জন এবং কিশোরগঞ্জ-১ সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য ৭ জন আগ্রহী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ড এদিনের বৈঠকে তিনটি পৌরসভায় নির্বাচনের জন্য ৩ জন মেয়র প্রার্থী এবং ২৯টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের জন্য ২৯ জন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়। বরগুণার আমতলী পৌরসভার জন্য মতিয়ার রহমান, পটুয়াখালী পৌরসভার জন্য পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কাজী আল আমিনকে এবং ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ পৌরসভার জন্য কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুল আলমকে প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়া হয়। গত ২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আনিসুল হকের মৃত্যুতে মেয়র পদটি শূন্য হয়। ২১ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব হেলাল উদ্দিন এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের নবগঠিত ৩৬টি ওয়ার্ড এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ১৮টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং সংরক্ষিত ওয়ার্দ কাউন্সিলর পদের নির্বাচনও একই দিনে অনুষ্ঠত হবে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ আগামী ৩০ জানুয়ারি এবং ২ ফেব্রুয়ারি মনোনয়নপত্র বাছাই অনুষ্ঠিত হবে। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি। কিশোরগঞ্জ-১ সংসদীয় আসনের নির্বাচন আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। গত ২২ জানুয়ারি এই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণাকালে নির্বাচন কমিশনের সচিব জানান, এই আসনের নির্বাচনের মনোনয়ন পত্র দাখিলের শেষ তারিখ আগামী ৩১ জানুয়ারি। ৩ ফেব্রুয়ারি মনোনয়ন বাছাই অনুষ্ঠিত হবে এবং ১০ ফেব্রুয়ারি মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহরের শেষ দিন। ইসি সচিব হেলাল উদ্দিন বলেন, এই আসনের নির্বাচনটি সাধারণ নির্বাচন হিসেবেই গণ্য হবে যেহেতু এই আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম শপথ গ্রহণের পূর্বেই ইন্তেকাল করেন। সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম গত ৩ জানুয়ারি ইন্তেকাল করেন। একইদিন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত অন্য সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হয়।
আওয়ামী লীগ ভেতর থেকে ভেঙে চুপসে গেছে: রিজভী
২৬ জানুয়ারী,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বিএনপি ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে যে বক্তব্য দিয়েছেন তার সমালোচনা করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ। তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগ তো ভেতর থেকে ভেঙে চুপসে গেছে। সেখানে নানাপন্থী এবং সিনিয়র-জুনিয়রের নানা ধারা। যে কারণে তারা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারেনি, পুলিশের ওপর নির্ভরশীল হয়ে রাতের আঁধারে জাল ভোট দিয়ে ব্যালটবাক্স পূর্ণ করতে হয়েছে। শনিবার সকালে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। রুহুল কবীর রিজভী বলেন, পুলিশি ক্ষমতা যখন থাকবে না তখন তো আওয়ামী লীগের বাতি জ্বালানোর লোকও খুঁজে পাওয়া যাবে না। বিএনপির মধ্যে কোনো বিভেদ নেই। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত সকল নেতাকর্মী ঐক্যবদ্ধ। এই ঐক্যে ফাটল ধরাতে পারেনি বলেই ওবায়দুল সাহেবের বুকে বড় জ্বালা। এ জন্য তিনি বিএনপির ছিদ্র খুঁজতে আর্তচিৎকার করছেন। ওবায়দুল কাদের সাহেবকে মনে রাখার জন্য বলবো- শকুনের দোয়ায় গরু মরে না। প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে যে ভোটের জন্য ধন্যবাদ দিয়েছেন এটা জনগণের সঙ্গে হাসি-তামাশা ছাড়া আর কিছুই না মন্তব্য করে রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তার তামাশার ভাষণে জনগণের সঙ্গে ঠাট্টা করেছেন। জনগণ জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণকে সম্পূর্ণরুপে প্রত্যাখ্যান করেছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন। তিনি তার ভাষণে যারা তাকে ভোট দিয়েছেন এবং যারা দেননি তাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। দেশের আসল মালিক জনগণের প্রকৃত ভোট দেয়ার অধিকার ও সাংবিধানিক দাবিকে উপহাস করার নতুন মাত্রা যোগ করলেন ২৯ ডিসেম্বর রাতের ভোটের প্রধানমন্ত্রী। এদিকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পদ থেকে তারেক রহমানকে সরে দাঁড়ানোর যে বক্তব্য দিয়েছেন সেটাকে দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেন রিজভী। রিজভী বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাথে গতকাল তার আত্মীয়স্বজনরা দেখা করতে গিয়েছিলেন। কারাগারে বেগম খালেদা জিয়ার বাস করার জায়গাটির কোনো পরিবর্তন হয়নি। অস্বাস্থ্যকর, স্যাঁতসেতে ও ধুলাবালিতে আকীর্ণ কক্ষটিতে তাকে বাস করতে বাধ্য করা হচ্ছে। বারবার এ বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও তারা ভ্রুক্ষেপহীন থেকেছে। তার অসুস্থতার কথা বিবেচনা না করে তাকে ঘনঘন আদালতে হাজির হতে বাধ্য করা হচ্ছে। আদালতে অপরিসর এবং বসার অনুপযোগী এমন একটি পরিবেশে তাকে নিয়ে আসা হয়। বারবার বেগম জিয়া এ নিয়ে প্রতিবাদ করলেও কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কর্ণপাত করেনি। এটাও ধারাবাহিক জুলুমের একটি অংশ। আমি দলের পক্ষ থেকে বেগম জিয়ার প্রতি সরকারের এ ধরনের ঘৃণ্য আচরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে দেশনেত্রীর সুচিকিৎসা নিশ্চিত ও নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। -আলোকিত বাংলাদেশ
নির্বাচনে আসার আহ্বান বিএনপি কে হানিফের
২৬ জানুয়ারী,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ না করলে তা আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল-আলম হানিফ। শুক্রবার (২৫ জানুয়ারি) বিকালে নারায়ণগঞ্জ শহরের ডিআইটি চত্বরে মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। তিনি বলেন, নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ ছাড়া বিকল্প ব্যবস্থা নেই, নির্বাচনে অংশ না নিলে রাজনীতি থেকে ছিটকে যাওয়ার আশঙ্কা থেকে যাবে। আমি বলবো নির্বাচনে আসুন, অংশ নিন, জনগণের আস্থা অর্জন করার চেষ্টা করুন। মিথ্যাচার বন্ধ করুন।
দলের নামে উচ্ছৃঙ্খল,সন্ত্রাস-চাঁদাবাজের দায়িত্ব নেবে না আওয়ামী লীগ: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: দলের নামে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী ও উচ্ছৃঙ্খল কর্মকাণ্ড করলে তার দায়িত্ব আওয়ামী লীগ নেবে না বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। দিনাজপুরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বুধবার (২৩ জানুয়ারি) জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি। নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এই আওয়ামী লীগকে মানুষ ভোট দিয়েছে, কোন মালিকানা প্রতিষ্ঠার জন্য নয়। এখানে কোন মালিকানা থাকবে না। এখানে বাংলাদেশের মানুষকে সেবা করার জন্য আওয়ামী লীগকে অঙ্গীকারবদ্ধ হতে হবে। কোন ধরনের উচ্ছৃঙ্খলতা চাই না। দিনাজপুরে কোনো ধরনের মাস্তানতন্ত্র ও সন্ত্রাসতন্ত্র থাকবে না। এরকম কিছু করলে তার দায়িত্ব সরকার নেবে না।
দেশ আজ গভীর সংকটে পড়েছে :মির্জা ফখরুল
অনলাইন ডেস্ক :বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ৩০ ডিসেম্বর দেশে কোন নির্বাচনই হয়নি। এটা ছিল জাতির সাথে প্রহসন ও নিষ্ঠুর তামাশা। একটি দল ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য নির্বাচনী ব্যবস্থাকেই ধ্বংস করে দিয়েছে। বুধবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও থেকে সড়ক পথে ঢাকায় ফেরার পথে বগুড়া শহরতলীর একটি হোটেলে বগুড়া সদর আসনের নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের নামে জনগণের সাথে তামাশা করে আওয়ামী লীগ আজ গণশত্রুতে পরিণত হয়েছে। নির্বাচনের পর তারা জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। তাই আগামীতে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে, খালেদা জিয়ার মুক্তি, নেতাকর্মীদের মুক্তি, তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সংগঠনকে আরো শক্তিশালী করতে হবে। বৃহত্তর ঐক্যের মাধ্যমে লড়াই সংগ্রাম করে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে। মির্জা ফখরুল বলেন, দেশ আজ গভীর সংকটে পড়েছে। এর আগে দেশ এতটা সংকটে কখনো পড়েছে বলে মনে হয় না। এ অবস্থায় মানুষের মনে গণতন্ত্র ও নির্বাচনের প্রতি অনাস্থা সৃষ্টি হয়েছে। তাই মানুষ আজ বলছে, এদেশ আজ প্রজাতন্ত্র না একদলীয় শাসন ব্যবস্থায় চলছে। তিনি বলেন, এ সরকার ভালো কিছু বিশ্বাস করে না। তাই তারা নির্বাচন ব্যবস্থা কলংকিত করেছে। দেশের মানুষ ভোট দিতে পারেনি। তাই আমরা ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছি। এ নির্বাচন বাতিল করে নির্দলীয় সরকারের অধীনে আবারো নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে। তিনি আরো বলেন, এ সরকারের কারনে দেশে ভয়াবহ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। মানুষের মুখে হাসি নাই। আমার নিজ এলাকায় নির্বাচনের দিন প্রতিটি কেন্দ্রে কর্মীদের মারপিট করার পর এখন দোকানপাট দখল করা হচ্ছে। এ অবস্থার মধ্যেও আমাকে বগুড়া সদর আসনে বিপুলভোটে নির্বাচিত করার জন্য সকলকে ধন্যবাদ। আগামী দিনের আন্দোলন সংগ্রামে বগুড়া জেলাকেই নেতৃত্ব দিতে হবে। তাই সকল ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বগুড়া জেলা সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেনও উপস্থিত ছিলেন জেলা সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চাঁন, সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট একেএম মাহবুবর রহমান ও রেজাউল করিম বাদশা, সাবেক এমপি হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু ও গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, বিএনপি নেতা আলী আজগর হেনা, লাভলী রহমান, শহর সভাপতি মাহবুবর রহমান বকুল, সদর উপজেলা সভাপতি মাফতুন আহমেদ খান রুবেল, বিএনপি নেতা অধ্যাপক ডাক্তার মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, অধ্যাপক ডাক্তার শাহ মোঃ শাহজাহান আলী, মাহবুব আলম শাহীন, হামিদুল হক চৌধুরী হিরু, পরিমল চন্দ্র দাস, সহিদ উন নবী ছালাম, রফিকুল ইসলাম, শাহ মেহেদী হাসান হিমু, অ্যাডভোকেট সৈয়দ জহুরুল আলম, নাজমা আক্তার, শাহাবুল আলম পিপলু, ছামুছুল হক রোমান, মাহবুব হাসান লেমন প্রমুখ।
খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ
অনলাইন ডেস্ক :কুমিল্লার হত্যা মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নিষ্পত্তি করতে নিন্ম আদালতকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি জাফর আহমেদের ডিভিশন বেঞ্চ বুধবার এ আদেশ দেন। এর আগে খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানি রাষ্ট্রপক্ষের আবদনের প্রেক্ষিতে চারবার পেছানো হয়। নিন্ম আদালতের এ সময়ক্ষেপনের বিষয়টি তুলে ধরে হাইকোর্টে জামিন চান খালেদা জিয়া। আবেদনের পক্ষে এজে মোহাম্মদ আলী ও কায়সার কামাল শুনানি করেন। শুনানি শেষে হাইকোর্ট উপরোক্ত আদেশ দেয় বলে জানান কায়সার কামাল।
শারীরিক অবস্থার উন্নতি এরশাদের
অনলাইন ডেস্ক :সিঙ্গাপুরে চিকিত্সাধীন জাতীয় পার্টি (জাপা) চেয়ারম্যান ও একাদশ জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা এইচএম এরশাদকে নিয়ে সোমবার রাত থেকে গতকাল মঙ্গলবার প্রায় দিনভর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে গুজব ছড়িয়ে পড়ে। দুই-একটি অনলাইন নিউজপোর্টাল তার মৃত্যু সংবাদও প্রকাশ করে ফেলে। তবে সিঙ্গাপুরে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে চিকিত্সাধীন এরশাদের সঙ্গে থাকা তার একান্ত সচিব (পিএস) ও জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য মেজর (অব.) খালেদ আখতার টেলিফোনে ইত্তেফাককে বলেন, ‘গত শনিবার ঢাকা থেকে এরশাদ যে অবস্থায় সিঙ্গাপুরে গেছেন সেই তুলনায় এখন কিছুটা ভালো। প্রচণ্ড শারীরিক দুর্বলতার কারণে গত কিছুদিন ধরে তিনি একদমই হাঁটতে পারছিলেন না, তবে অবস্থার কিছুটা উন্নতি হওয়ায় মঙ্গলবার সকালে চিকিত্সকদের পরামর্শে তাকে ধরে ধরে কিছুক্ষণ হাঁটানো হয়েছে। সিঙ্গাপুরে হাসপাতালে এরশাদ আইসিইউতেও ভর্তি হননি। তিনি কেবিনে রয়েছেন; কিন্তু তাকে নিয়ে দেশে কেউ কেউ গুজব ছড়াচ্ছেন যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।’ মেজর খালেদ আরও বলেন, ‘জাপা চেয়ারম্যানের এখনকার সবচেয়ে বড় সমস্যা যকৃতের। এ কারণে তিনি পরিমাণমতো খেতে পারছেন না। ফলে শারীরিক দুর্বলতা কাটছে না। চিকিত্সকরা বলেছেন, একটু খাওয়া-দাওয়া করতে পারলেই এই দুর্বলতা কেটে যাবে।’ গতকাল বিকালে এরশাদের ছোট ভাই ও জাপার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের ইত্তেফাককে বলেন, আগের তুলনায় অবস্থা এখন অনেক ভালো। এদিকে, এরশাদের সুস্থতা কামনায় গতকাল রাজধানীর কাকরাইলে জাপার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয় যুবসংহতি মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে।
৪ ফেব্রুয়ারি নাইকো মামলার পরবর্তী শুনানি
অনলাইন ডেস্ক: বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নাইকো দুর্নীতি মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে। আজ সোমবার দুপুর ১২টার দিকে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থিত ঢাকার ৯ নম্বর বিশেষ জজ শেখ হাফিজুর রহমানের আদালতে কারাবন্দি খালেদা জিয়া হাজির হন। তারপরই শুরু হয় মামলার কার্যক্রম। শুনানি চলে টানা দুপুর ২টা পর্যন্ত। এ সময় মামলার অন্য আসামিরাও আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। আজকে মামলায় খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন আবদুর রেজাক খান, এ জে মোহাম্মদ আলী, ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান খান, মাসুদ আহমেদ তালুকদার। এ দিন এই মামলার আসামি সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদও শুনানিতে অংশ নেন। অপরদিকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন মোশাররফ হোসেন কাজল। এর আগে গত ১৩ জানুয়ারি মামলার শুনানি হয়। সেদিন আদালত আসামিদের সময় দিয়ে আজকের জন্য শুনানির দিন রাখেন। ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানায় কানাডার কোম্পানি নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের বিপুল আর্থিক ক্ষতিসাধন ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম নাইকো মামলাটি করেন। পরে ২০০৮ সালের ৫ মে এ মামলায় খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক এস এম সাহেদুর রহমান। অভিযোগপত্রে প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়। এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন—সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, সাবেক মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব সি এম ইউছুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান, ব্যবসায়ী গিয়াসউদ্দিন আল মামুন, ঢাকা ক্লাবের সাবেক সভাপতি সেলিম ভূঁইয়া ও নাইকোর দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।