বুধবার, ফেব্রুয়ারী ২০, ২০১৯
নির্বাচন কমিশনকেও পুলিশ মানছে না :খোকন
অনলাইন ডেস্ক :নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) পুলিশ মানছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর আাগারগাঁওয়ে ইসি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, ‘আমি আশা করেছিলাম পুলিশ প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে ভূমিকা পালন করবে। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে দেখছি, পুলিশ প্রকাশ্যে মহড়া দিয়ে নৌকার পক্ষ হয়ে কাজ করছে। বিএনপি নেতাকর্মীদের গায়বি মামলায় গণগ্রেপ্তার করছে। এতে মনে হচ্ছে, নির্বাচন কমিশনকেও পুলিশ মানছে না।নোয়াখালীতে তার নির্বাচনী আসনে পুলিশ, প্রশাসন ও ইসি কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষ ভূমিকা করছে না বলেও অভিযোগ করেন খোকন।বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনকে বলেছি, নির্বাচনে বেআইনী ও আওয়ামী লীগের দলীয় কর্মীর মতো কাজ করছে সেসব পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে যেন ব্যবস্থা নেন। দলীয় আনুগত্য পুলিশ সদস্যদের বদলী, প্রত্যাহার, শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে নৌকায় ভোট দিন
অনলাইন ডেস্ক :দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আবারও নৌকা মার্কায় ভোট দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য এবং কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী। আজ মঙ্গলবার সকালে নালিতাবাড়ী উপজেলার কাকরকান্দি বাজার মাঠে আয়োজিত প্রথম র্নির্বাচনী সভা থেকে তিনি এই আহবান জানান। ‘আমি আপনাদের ভালোবাসার কাঙাল’ উল্লেখ করে মতিয়া চৌধুরী বলেন, জনগণের ভোটই একমাত্র আমার শক্তি। উপরে আল্লাহর রহমত আর আপনাদের দোয়ার বরকত- এ নিয়েই আমি এগুতে চাই। ভোটারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনাদের সবার মুখে হাসি ফোটাতে চাই এবং সেজন্যই আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকায় ভোট চাই। নৌকায় ভোট দিয়ে উন্নয়নের ধারা বজায় রাখুন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউল হোসেন মাস্টারের সভাপতিত্বে জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শহীদ উল্লাহসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের এক নির্বাচনী সভা ও শহরে উপজেলা জাতীয় পার্টি আয়োজিত
আগামী নির্বাচনে তরুণ আর নারীরাই হবে বিজয়ের কাণ্ডারী: কাদের
অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আগামী নির্বাচনে তরুণ আর নারীরাই হবে বিজয়ের কাণ্ডারী। মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সোমবার সন্ধ্যায় তার নির্বাচনী এলাকা কোম্পনীগঞ্জ উপজেলা বসুরহাট শেখ মুজিব কলেজ মাঠে পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। পরে তিনি কবিরহাট গোলচত্বরে এক পথসভায় বক্তব্য রাখেন। এরপর তিনি জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী একেবারে কম, বিদ্রোহী প্রার্থীর দুর্ভাবনা ও সংকটে ঐক্যফ্রন্ট। ঐক্যফ্রন্টের নিজেদের সৃষ্ট বিরোধ বাইরে ছড়িয়ে পড়েছে। গুলশানে দফায় দফায় বিএনপি অফিসে হামলা। মিজা ফখরুলের গাড়িতে হামলা। মনোনয়নবঞ্চিতরা বলছে, টাকা ফেরত দাও নইলে মনোনয়ন দাও। সেক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট স্বস্তিতে আছে। আমি আগেই বলেছিলাম তারা (ঐক্যফ্রন্ট) সংকটে পড়বে। তারা মনোনয়ন বাণিজ্য করেছে। তাই তারা বিদ্রোহী প্রার্থীদের থামাতে পারছে না। মন্ত্রী বলেছেন, বিএনপি একটা সন্ত্রাসী দল, এটাতো আমাদের কোনো বক্তব্য নয়, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার প্ল্যানার, মাস্টারমাইন্ড তারেক জিয়া, এটা প্রমাণ হয়ে গেছে। মামলার দণ্ড পেয়েছে। এখন দণ্ডিত পলাতক, সাজাপ্রাপ্ত আসামির নেতেৃত্বে যে দল চলছে, যে ঐক্যফ্রন্ট চলছে সে ঐক্যফ্রন্টের পক্ষে বাংলাদেশের জনগণ আজকে নেই। তিনি বলেন, জনগণ সাড়া দিচ্ছে না বলেই তারা এখন শুধু বিদেশিদের কাছে নালিশই করছে না, সর্বশেষ খবর, লন্ডনে বসে তারেক রহমান পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই'র সঙ্গে বৈঠক করছে। এ বৈঠকগুলো কেন? মির্জা ফখরুল পাকিস্তানি দূতাবাসে গিয়ে গোপন বৈঠক করছেন; এ বৈঠকের অর্থ কী? এর অর্থ হচ্ছে, নির্বাচন বানচাল করার ষড়যন্ত্র তারা করছে। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সুবর্ণচর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ খায়রুল আনম সেলিম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও একরামুল কিরম চৌধুরী এমপি, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহিন, নোয়াখালী পৌরসভা মেয়র সহিদ উল্লা খান সোহেলসহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আ.লীগকে কামাল,আপনারা ইনশাআল্লাহ হেরে যাচ্ছেন
অনলাইন ডেস্ক: ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ হেরে যাবে বলে মনে করেন গণফোরাম সভাপতি ও ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন। বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে আজ সোমবার বাংলাদেশ মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ পরিষদের আয়োজনে জাতীয় প্রেসক্লাবে রাজনীতি ও মানবাধিকার শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন। ড. কামাল বলেন, ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে আপনারা তো ইনশাআল্লাহ হেরে যাচ্ছেন। এরপর জনগণ আপনাদের কিভাবে দেখবে সেই কথাটাও একটু ভাবুন। আপনাদের নেতা-কর্মীদের জনগণকে মোবারকবাদ দেওয়ার সুযোগ করে দিন। তিনি আরও বলেন, কাজ দেখিয়ে, তথ্য দিয়ে মানুষের উদ্বিগ্নতা দূর করুন। এটা তো আপনাদের জন্য অনেক সহজ কাজ। প্রায় প্রতিটি সেক্টরেই সব ধরনের তথ্য আছে। মন্ত্রণালয়কে বললেই তারা সেটি প্রকাশের ব্যবস্থা করতে পারে, যা অন্য কারোর জন্য অনেক কষ্টসাধ্য ব্যাপার। এ সময় জনগণের ভোটাধিকার নিয়ে কামাল হোসেন বলেন, ভোটাধিকার না দেওয়ার শতভাগ ব্যর্থতা জনগণের নিজের। ক্ষমতার মালিক জনগণ, এটাতো কাগজ দেখিয়ে বলার কিছু নেই। নীরব-নিষ্ক্রিয় হলে চলবে না। দেশের মালিক ১৮ কোটি মানুষ। এর অর্ধেকও যদি একত্রে হয়ে মালিকানা নিজেরা ভোগ করতে চাই, তবে কেউ তা রুখতে পারবে না। ঐক্যফ্রন্টের প্রধান নেতা হিসেবে নির্বাচনী প্রচারণায় মাঠে নামার ব্যাপারে তিনি বলেন, আমাদের নেতা-কর্মীরা সব সময়ই মাঠে আছে। আমি নিজেও সব সময় কথা বলছি জনগণের সঙ্গে। আপনাদের মধ্য দিয়েও কথা হচ্ছে। নেতা-কর্মীদেরও বোঝাচ্ছি, আমরা আছি। আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সাবেক শিক্ষা মন্ত্রী শেখ শহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নুরুল হুদা মিলু চৌধুরী এবং নির্বাহী পরিচালক তালুকদার মনিরুজ্জামান মনিরসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।
নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন হিরো আলম
অনলাইন ডেস্ক: জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কর্তৃক প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে বগুড়া-৪ আসনের স্বতন্ত্র থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী আলোচিত আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ফলে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে তার আর কোনো বাধা থাকল না। সোমবার (১০ ডিসেম্বর) বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। মনোনয়ন পত্র বাতিলাদেশের বিরুদ্ধে গতকাল রোববার (৯ ডিসেম্বর) হাইকোর্টে রিট করেন বগুড়া-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিরো আলম। ওই রিটের আদেশে হাইকোর্ট নির্বাচন কমিশনকে হিরো আলমের মনোনয়নপত্র গ্রহণের নির্দেশ দেন। রোববার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করেন বলে হিরো আলমের আইনজীবী মো. কাউছার আলী। তিনি জানান, নির্বাচন কমিশন হিরো আলমের মনোনয়ন পত্র বাতিলের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। এর আগে নির্বাচন কমিশনে আপিলেও মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয় বগুড়া-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমের। বৃহস্পতিবার (৬ ডিসেম্বর) আপিল শুনানি শেষে হিরো আলমের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করে ইসি। তবে ইসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন হিরো আলম। ইসির এজলাস থেকে বের হয়ে হিরো আলম সাংবাদিকদের বলেন, মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ার পর আমি আপিল করেছিলাম সেটা নামঞ্জুর করা হয়েছে। আজকে এখানে যারা স্বতন্ত্র প্রার্থী তাদের সবাইকে বাদ দেয়া হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মনোনয়ন না দেয়ার কারণ আমি মনে করি, ষড়যন্ত্র। আর এসব কিছু রাজনৈতিক চালে চলছে। আমি এখন হাইকোর্টে আপিল করবো, আমি এর শেষ দেখে নেব। রাজনীতির মাঠ থেকে চলে যাওয়ার হিরো আলম আমি না। হিরো আলম বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। গত ২ ডিসেম্বর যাচাই-বাছাই করে রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিল। ১০ জনের স্বাক্ষরে গড়মিল থাকায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। এরপর মনোনয়ন ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেন হিরো আলম।
সঙ্গীতশিল্পী মনির খানের পদত্যাগ বিএনপি থেকে
অনলাইন ডেস্ক: ঝিনাইদহ-৩ (মহেশপুর-কোটচাঁদপুর) আসন থেকে মনোনয়ন পাননি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক সঙ্গীতশিল্পী মনির খান। এ কারণে দল থেকে পদত্যাগ করেছেন তিনি। রোববার বিকালে বিষয়টি তিনি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ-৩ (মহেশপুর-কোটচাঁদপুর) আসনে জামায়াতের সেক্রেটারি মতিয়ার রহমানকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিএনপি থেকে পদত্যাগ করেন মনির খান। দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিকবিষয়ক সহ-সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা এই শিল্পী ও নেতা বলেন, নিজেকে সব রকম স্বার্থের বাইরে রেখে রাজনীতিতে এসেছি আমি। দলের ক্রান্তিলগ্নে মাঠে থেকেছি। কাজ করেছি। কিন্তু দিনের পর দিন এতো অনিয়মের মধ্যে থাকা যায় না। তাই দল থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তিনি আরও বলেন, আমাকে মনোনয়ন দেয়া হলো। এলাকার নেতাকর্মীদের নিয়ে উৎসব আমেজে আমি নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে আসছিলাম। কিন্তু শেষ মুহূর্তে এসে আমাকে সরিয়ে দেয়া হলো। এটা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। অভিমান করে তিনি আরও বলেন, আমরা শিল্পীরা অনেক সমালোচনা মাথায় নিয়ে রাজনীতিতে আসি। দলের কাছে যদি এর সঠিক মূল্যায়ন না পাই তবে কেন থাকবো। আমি ভেবে চিন্তেই এই সিদ্ধান্তে নিয়েছি। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে আজ বিকেল ৫টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। সেখানে তিনি জানান, জানান, মনোনয়ন না পাওয়া ও দলীয় বিশৃঙ্খলাসহ নানা কারণে বিএনপি থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
বাধা নেই নির্বাচন করতে ইমরান এইচ সরকারের
অনলাইন ডেস্ক: গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র কুড়িগ্রাম-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকারের মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশন কর্তৃক বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে তা গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রোববার বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন। আদালতে ইমরানের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। এর আগে গত ৭ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানি শেষে ইমরান এইচ সরকারের মনোনয়নপত্র বাতিলে রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন কমিশন তাদের সিদ্ধান্তে বলেছিল, ইমরানের মনোনয়নপত্রে নির্দিষ্ট সংখ্যক জনসমর্থনের তথ্য জমা না দেওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেই আপিল করেছিলেন গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র। তবে সিদ্ধান্ত বদল হয়নি। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে বলা হয়, নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি আসনের মোট ভোটারের ন্যূনতম এক শতাংশ ভোটারের সমর্থন থাকতে হয়। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপ্রত্যাশী ইমরান এইচ সরকারের এ বিষয়ে ঘাটতি রয়েছে। তাই জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্রটি বাতিল বলে ঘোষণা করেন। পরে সেই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন ইমরান এইচ সরকার। আদালত ওই রিটের শুনানি নিয়ে এ বিষয়ে রুল জারি করেন। একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসার মনোনয়নপত্র বাতিলের যে আদেশ দিয়েছিলেন এবং নির্বাচন কমিশন আপিল আদেশের মাধ্যমে সেই বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছিলেন, তা স্থগিত করেন। পাশাপাশি রিটকারীর মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে তাকে প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করার সুযোগ দিতে আদালত নির্দেশ দেন। প্রসঙ্গত, কুড়িগ্রাম-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন ইমরান এইচ সরকার। রৌমারী, রাজীবপুর ও চিলমারী—এই তিন উপজেলা গঠিত কুড়িগ্রাম-৪ আসনে তিনি নির্বাচন করতে চান। ১০ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠান। আর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ৩০ ডিসেম্বর।
জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের ৩০টি আসন,উন্মুক্ত ১৩২
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আসন নিয়ে কয়েক দিনের দরকষাকষির পর শেষ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের ৩০টি আসন দেয়া হয়েছে। এর বাইরেও ১৩২টি আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা নির্বাচন করবেন বলে এসব আসন সবার জন্য উন্মুক্ত রেখেছে আওয়ামী লীগ। রোববার জাতীয় পার্টির মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা এসব তথ্যের সততা নিশ্চিত করেছেন। এর মধ্যে ঋন খেলাপের অভিযোগে প্রার্থিতা বাতিল হওয়া দলটির সদ্য বিদায়ী মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদারও রয়েছেন। তবে এই ৩০ টি আসনের মধ্যে দলটির সিনিয়র নেতাদের একজন জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুর কোনো আসন নেই। মহাজোট থেকে যে ৩০টি আসন পেলো জাতীয় পার্টি: নীলফামারী-৩ আসনে মেজর অব রানা মো: সোহেল, নীলফামারী-৪ আহসান আদেলুর রহমান, লালমনিরহাট-৩ গোলাম মোহাম্মদ কাদের, রংপুর-১ মশিউর রহমান রাঙ্গা, রংপুর-৩ এইচ এম এরশাদ, কুড়িগ্রাম -১একেএম মোস্তাফিজুর রহমান, কুড়িগ্রাম-২ পনির উদ্দিন আহমেদ, গাইবান্ধা-১ শামীম হায়দার পাটোয়ারী, বগুড়া-২ শরীফুল ইসলাম জিন্নাহ, বগুড়া-৩ নুরুল ইসলাম তালুকদার, বগুড়া-৬মো: নূরুল ইসলাম, বগুড়া-৭ আলতাফ আলী, বরিশাল-৩ গোলাম কিবরিয়া টিপু, বরিশাল-৬ নাসরিন জাহান রত্না, পিরোজপুর-৩ রুস্তম আলী ফরাজি, টাঙ্গাইল-৫ শফিউল্লাহ আল মুনির, ময়মনসিংহ-৪ রওশন এরশাদ, ময়মনসিংহ-৮ ফখরুল ইমাম, কিশোরগঞ্জ-৩ মুজিবুল হক চুন্নু, ঢাকা-৪ আবু হোসেন বাবলা, ঢাকা-৬ কাজী ফিরোজ রশীদ, নারায়নগঞ্জ-৩ লিয়াকত হোসেন খোকা, নারায়নগঞ্জ-৫ সেলিম ওসমান, সুনামগঞ্জ-৪ পীর ফজলুর রহমান মিজবাহ, সিলেট-২ ইয়াহহিয়া চৌধুরী, ব্রাক্ষ্মনবাড়িয়া-২ জিয়াউল হক মৃধা, ফেনী-৩ লে: জে: (অব) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, লক্ষ্মীপুর-২ মো: নোমান ও চট্রগ্রাম-৫ আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। এছাড়া পটুয়াখালী-১ রুহুল আমিন হাওলাদার। যদিও নির্বাচন কমিশন তার প্রার্থিতা বাতিল করেছে। তবে কমিশনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে তিনি আদালতে রিট করেছেন। ওদিকে এ তালিকায় নাম নেই পার্টির আরেক সিনিয়র নেতা জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুর।

রাজনীতি পাতার আরো খবর