বিএনপি আজ রাজনৈতিকভাবে দেওলিয়া: হানিফ
জনগণ বিএনপির চেহারা দেখেছে, তাদেরকে আর কখনও ক্ষমতায় দেখতে চায় না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। তিনি বলেন,বিএনপি আজ রাজনৈতিকভাবে দেওলিয়া হয়ে গেছে। তাই এখন পাগলের প্রলাপ বকছে। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ভোট নিয়ে তারা মিথ্যাচার করে সরকারের উপর দায় চাপাতে চাচ্ছে। আজ সোমবার সকালে কুষ্টিয়া শহরের পিটিআই রোডস্থ নিজ বাসভবনে দলীয় নেতা-কর্মিদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ সদরউদ্দিন খান উপস্থিত ছিলেন মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে সংসদসহ সব জায়গায় আলোচনা হয়েছে। এটা লুকানোর কি আছে। নির্বাচন আসলেই বিএনপির ভারত বিরোধী সেন্টিমেন্ট দিয়ে মানুষের সহানুভূতি পেতে চায়। বিএনপির সেদিন শেষ হয়ে গেছে। এরপর বেলা ১১টায় তিনি কুষ্টিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিতে কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে উপবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে যোগদেন। মাহবুব উল আলম হানিফ পরে দুপুর সাড়ে ৩টায় কুষ্টিয়া পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে জেলা আওয়ামী লীগের প্রয়াত সহ-সভাপতি জুলফিকার আলী আরজুর স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন। বিকেল ৪টায় তার কুষ্টিয়া স্টেডিয়ামে কৃতি খেলোয়াড়দের মাঝে পুরস্কার বিতরণ এবং বিকেল ৫টায় কুষ্টিয়া সদর উপজেলার পূর্বপাড়া সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এক উঠান বৈঠকে মিলিত হওয়ার কথা রয়েছে।
মানহানির মামলায় খালেদা-গয়েশ্বরের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন পিছিয়ে আগামী ১১ জুন ধার্য
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে মানহানির একটি মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়ে আগামী ১১ জুন ধার্য করেছেন আদালত। আজ সোমবার মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ব্যক্তিদের ও শহীদ বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে মানহানিকর মন্তব্যের মামলাটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল করেননি। এজন্য ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সাঈদ প্রতিবেদন দাখিলের নতুন এ তারিখ ঠিক করেন। এ নিয়ে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২৮ বার সময় নিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা। ২০১৬ সালের ৫ জানুয়ারি বাংলাদেশ জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এ বি সিদ্দিকী মানহানির অভিযোগে দায়ের করা মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেন,তিনি (বঙ্গবন্ধু) তো বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাননি। তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। আজকে বলা হয়, এত শহীদ হয়েছে, এটা নিয়েও অনেক বিতর্ক আছে। এদিকে ওই বছরের ২৫ ডিসেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাবে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও রিজভী আহমেদ শীর্ষক আলোচনা সভায় শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রসঙ্গে গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন,একাত্তরের ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত যারা পাকিস্তানের বেতন-ভাতা খেয়েছেন, তারা নির্বোধের মতো মারা গেলেন। আর আমাদের মতো নির্বোধরা শহীদ বুদ্ধিজীবী হিসেবে তাদের ফুল দেই। আবার না গেলে পাপ হয়। তারা (শহীদ বুদ্ধিজীবীরা) যদি বুদ্ধিমান হতেন তবে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিজ ঘরে থাকলেন কেন? পরের দিন বিভিন্ন জাতীয় পত্র-পত্রিকায় এসব বক্তব্য প্রকাশিত হয়। উক্ত বক্তব্য বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও শহীদ বৃদ্ধিজীবীদের নিয়ে কটাক্ষ করে, স্বাধীনতা যুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর অবদান এবং ভূমিকাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, যা মানহানিকর।
কেসিসি নির্বাচন প্রত্যাখান করবে বিএনপি ভোট ডাকাতি হলে
খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনে কোনো রকম অনিয়ম, কেন্দ্র দখল, ভোট চুরি ও ডাকাতি হয় তাহলে নির্বাচন প্রত্যাখান করবে বিএনপি।’ জাতীয় প্রেসক্লাবে রোববার দুপুরে এক প্রতিবাদ সভায় এসব কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবুর মুক্তির দাবিতে আলোচনা সভাটির আয়োজন করে শফিউল বারী মুক্তি পরিষদ। মওদুদ আহমদ বলেন, খুলনা নির্বাচনে যদি কোনো রকমের অনিয়ম হয়, কেন্দ্র দখল করে ভোট চুরি ও ডাকাতি করে নির্বাচন সম্পূর্ণ করা হয়, তাহলে সেই নির্বাচনকে আমরা প্রত্যাখান করবো। তিনি বলেন, আমাদের কাছে খবর আছে, ঢাকা এবং বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সাদা পোশাকে এজেন্ডদের পাঠানো হচ্ছে কেন্দ্র দখল করে ব্যালট ব্যাক্সে ভুয়া ব্যালট পেপার ঢুকানোর জন্য। গাজীপুর সিটি নির্বাচন প্রসঙ্গে মওদুদ বলেন, গাজীপুরে যে গণজোয়ার, এই গণজোয়ার আগামী সাধারণ নির্বাচনেও আসবে। আর আওয়ামী লীগ সেই গণজোয়ারে ভেসে যাবে। কেউ রক্ষা করতে পারবে না। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ প্রসঙ্গে সাবেক এই আইনমন্ত্রী বলেন, স্যাটেলাইট মহাকাশে পরিভ্রমণ করবে। এতে আমরা গর্বিত। কিন্তু আমরা জানতে চাই, এই প্রকল্পে কত অর্থ অপচয় ও দুর্নীতি হয়েছে? আমাদের দাবি, সরকারকে জানাতে হবে এই প্রকল্পে কত টাকা খরচ হয়েছে, কিভাবে খরচ হয়েছে, কাদের মাধ্যমে খরচ হয়েছে, কাদেরকে এই চুক্তি দেয়া হয়েছিল, কত টাকায় চুক্তি দেয়া হয়েছিল? উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এখন সময় এসেছে প্রতিবাদ জানানোর। এই প্রতিবাদ শুধু মানববন্ধন ও সেমিনারে সীমাবদ্ধ রাখলে হবে না। এখন ভয়-ভীতি ও শঙ্কাকে উপেক্ষা করে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধের নতুন পথ খোঁজে বের করতে হবে, সেটাও হবে। আর একটু অপেক্ষা করেন। আর মাসেক তিনেক ধৈর্য ধরেন। মুক্ত বেগম জিয়াকে নিয়ে বিএনপি নির্বাচন করে জয়লাভ করবে। দেশের মানুষ এখন সেই অপেক্ষায় আছে বলেও দাবি করেন দলটির এই সিনিয়র নেতা। আয়োজক সংগঠনের আহ্বায়ক মুহাম্মদ ফয়েজ উল্লাহ ফয়েজের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু প্রমুখ।
জাতীয় পার্টিই সরকার গঠন করবে নির্বাচন সুষ্ঠু হলে
আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু হলে জাতীয় পার্টিই সরকার গঠন করবে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার। শনিবার বিকেলে মিরপুর-২ ক্রিকেট স্টেডিয়ামের দক্ষিণ পাশে পল্লীবন্ধু এভিনিউতে কাফরুল থানা জাতীয় পার্টির সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, জেল, জুলুম, অত্যাচার সহ্য করে সকল পরিস্থিতি মোকাবেলা করে জাতীয় পার্টি চলছে। দেশের শান্তির জন্য, সুখের জন্য একমাত্র চিন্তা করে পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। এ ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য অনেক মানুষ এখন দলে দলে জাতীয় পার্টিতে যোগদান করছে। আধুনিক বাংলাদেশ গড়তে দেশের দায়িত্বশীল লোক এখন জাতীয় পার্টির পতাকাতলে সমবেত হচ্ছে। আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে নির্বাচনে জাতীয় পার্টি অংশগ্রহণ করে বিজয়ের মাধ্যমে সরকার গঠন করবে। ৯ বৎসরের সোনালী যুগ জনগণ ভুলে নাই। নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে বিজয় রথে ফিরে ইতিহাস সৃষ্টি করবে জাতীয় পার্টি। প্রমাণ করবে, সাধারণ মানুষের আশা আর ভালোবাসার প্রতীক হচ্ছে জাতীয় পার্টি। তাই আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের মানুষ তাকিয়ে আছে জাতীয় পার্টির দিকে। আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনের আগে দলকে আরো সুসংগঠিত করি। দলটির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও কাফরুল থানার সভাপতি আলহাজ্ব মো. শামসুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য এসএম ফয়সল চিশতি, মো. শফিকুল ইসলাম সেন্টু, ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম নুরু, আমানত হোসেন আমানত, যুগ্ম-মহাসচিব মোস্তাকুর রহমান মোস্তাক, সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান আহমেদ সেলিম, যুগ্ম-দফতর সম্পাদক এমএ রাজ্জাক খান, যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. সেলিমা খান, কাজী আবুল খায়ের, যুগ্ম-মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম পাঠান, দারুস সালাম থানা সভাপতি মো. হামিদ হাসান, শাহআলী থানার সভাপতি মো. মাহফুজ মোল্লা, শেরে বাংলা থানা সদস্য সচিব আশরাফুল হক শিবলী, আবুল হাশেম, মকবুল হোসেন প্রমুখ।
খালেদা জিয়ার জামিন ৪ জুন পর্যন্ত
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় অসুস্থতার কারণে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করা সম্ভব না হওয়ায় যুক্তিতর্ক পিছিয়ে আগামী ১৪ মে দিন ধার্য করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় বকশীবাজার কারা অধিদফতরের প্যারেড মাঠে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালত ৫-এর বিচারক ড. আক্তারুজ্জামান এ নতুন দিন ধার্য করেন। আজ মামলাটির যুক্তিতর্ক শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু আদালতে হাজির হননি ‘অসুস্থ’ খালেদা জিয়া, তাই পরবর্তী শুনানির জন্য ১৪ মে দিন ধার্য করা হয়। আদালত উভয়পক্ষের বক্তব্য শুনে যুক্তিতর্ক শুনানি পিছিয়ে এ নতুন দিন ধার্য করেন। দুদকের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট এ দুটি মামলারই প্রধান আসামি বিএনপির চেয়ারপারসন। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় মোট আসামি চারজন। আসামিদের মধ্যে জামিনে থাকা দুই আসামি জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও মনিরুল ইসলাম খান আত্মপক্ষ সমর্থন করে আদালতে লিখিত বক্তব্য জমা দিয়েছেন। হারিছ চৌধুরী মামলার শুরু থেকেই পলাতক। এ মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন ৩২ জন। এর আগে ২২ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় দুদকের পক্ষ থেকে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারির আবেদন করা হয়। দুদকের করা ওই আবেদনের ওপর ২৬ ফেব্রুয়ারি শুনানি হয়। শুনানি শেষে ১৩ মার্চ খালেদা জিয়াকে হাজিরের নির্দেশ দেন আদালত। এর পর ২৮ মার্চ ও ৫ এপ্রিল খালেদা জিয়াকে হাজিরের দিন ধার্য থাকলেও শারীরিক অসুস্থতার জন্য তাকে হাজির করা হয়নি বলে আদালতকে জানায় কারাকর্তৃপক্ষ। এর আগে চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারি এ মামলায় খালেদা জিয়াসহ সব আসামির সর্বোচ্চ সাজা অর্থাৎ সাত বছর কারাদণ্ড দাবি করে দুদক প্রসিকিউশন। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলাটি করে দুদক। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি খালেদা জিয়াসহ চারজনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। এর পর ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে আসামিদের বিচার শুরু হয়। খালেদা জিয়া ছাড়া মামলার অপর আসামিরা হলেন- তার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন সহকারী একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। মামলায় হারিছ চৌধুরী পলাতক। তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। আর অপর দুই আসামি জামিনে আছেন। প্রসঙ্গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও আর্থিক জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে তার বড় ছেলে তারেক রহমানসহ পাঁচ আসামিকে ১০ বছরের কারাদণ্ড ও প্রত্যেকের ২ কোটি ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা করে রায় ঘোষণা করেন আদালত।
আমি শতভাগ নিশ্চিত আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার বিষয়ে
আগামী ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে ব্যক্তি করমুক্ত আয়সীমা বাড়বে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। নতুন বাজেটে করপোরেট ট্যাক্স কমানো, মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা জাতীয়করণ, স্কুল বাসের ঘোষণাসহ আসছে বাজেটে সর্বাধিক গুরুত্ব পাবে মানবসম্পদ উন্নয়ন। এছাড়াও উদ্যোক্তা হতে বিনা জামানতে ঋণ নেওয়ার সুযোগ রাখা হচ্ছে বাজেটে। বুধবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অর্থনীতি বিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন-ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) প্রাক-বাজেট আলোচনায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। আলোচনায় অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, এনবিআর চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, ইআরএফের সভাপতি সাইফুল ইসলাম দিলালের নেতৃত্বে বর্তমান কমিটি এবং সাবেক সভাপতিরা উপস্থিত ছিলেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, এবারের বাজেটে করমুক্ত আয়সীমা কিছুটা বাড়ানো হবে। এছাড়া, বর্তমানে দেশে করপোরেট ট্যাক্স খুব বেশি। নতুন বাজেটে এটা কিছুটা কমানো হবে। নতুন অর্থবছরের বাজেটের আকার প্রায় ৪ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকার মতো হবে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও অবকাঠামোখাতে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ দেওয়া হবে। অগ্রাধিকার থাকবে মানবসম্পদ উন্নয়নে, সমান গুরুত্ব পাবে শিক্ষা ও স্যনিটেশনে। অর্থমন্ত্রী দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, প্রাথমিকে আমাদের দক্ষ শিক্ষক রয়েছে। উচ্চশিক্ষার অবস্থাও ভালো। তবে মাধ্যমিকে দুরবস্থা চলছে। আগামীতে আমরা ক্ষমতায় আসতে পারলে মাধ্যমিক পুরোটাই সরকারিকরণ করা হবে। এরই মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা জাতীয়করণ করা হয়েছে বলে জানান মুহিত। তবে, আগামী বাজেটে স্কুল বাস নামানোর বিষয়ে ঘোষণা থাকবে বলে জানান তিনি। তরুণ উদ্যোক্তা তৈরি করা প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, উদ্যোক্তা হতে বিনা জামানতে ঋণ নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করার বিষয়ে তিনি বলেন, ২০১৫ সাল থেকে হরতাল, নাশকতার মতো বিষয়গুলো বিতাড়িত হয়েছে। গত তিন বছরে বেসরকারি বিনিয়োগ বেড়েছে। এখন আমাদের মানবসম্পদের ওপর গুরুত্ব দিতে আগামী বাজেটের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। জেলা বাজেট নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এখন আর জেলা বাজেটের ওপর গুরুত্ব দিতে চাচ্ছি না। তিনি বলেন, আমার মনে হয় আগামীতে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার বিষয়ে আমি শতভাগ নিশ্চিত। তারপর আমরা কেন্দ্র থেকে জেলা পর্যায়ের বাজেট বাস্তবায়নের একটি দিক নির্দেশনা দেব। কালো টাকা এবং বিদেশে অর্থ পাচার নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বছরের যেকোনো সময়ে ২৫ শতাংশ কর দিয়ে যে কেউ অপ্রদর্শিত আয় বা কালো টাকা সাদা করতে পারে। আর বিদেশে অর্থ পাচার নিয়ে যেভাবে বলা হয়, আসলে তত টাকা পাচার হয় না। একটা সময় মালয়েশিয়া বা দুবাইতে পাচার হতো। এখন উভয় দেশের সরকারও চায় না অর্থ পাচার হয়ে আসুক। চলতি অর্থবছরের বাজেটকে নিজের শ্রেষ্ঠ বাজেট বলার পর এবারের বাজেট কেমন হবে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, এবারের বাজেট হবে শ্রেষ্ঠতম। চিনিশিল্প অর্থমন্ত্রী বলেন, পুরোপুরি আখের ওপর নির্ভরশীল নয়। এই শিল্পকে ট্যারিফ দিয়ে বাঁচিয়ে রাখতে হয়। অথচ বিদেশ থেকে আমদানি করলেই আমরা এই চিনি কম দামে পেতে পারি। কাজেই আমার মতে, চিনিশিল্প রাখা উচিত নয়। সঞ্চয়পত্রের সুদ হার পুনর্নিধারণ করা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটা সামাজিক নিরাপত্তার অংশ হিসেবে কাজ করে। তাই বাজারে যদি কেউ সুদ ১০ শতাংশ পায় তাহলে আমরা সঞ্চয়পত্রের সুদহার সাড়ে ১০ বা ১১ করে দেই। এখন পার্থক্যটা হয়ে গেছে সাত আর সাড়ে ১১ শতাংশ। এ সময় মন্ত্রীর পাশে বসে থাকা এনবিআর চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বর্তমানে ব্যাংক ঋণে সুদহার বেড়ে ১০ কাছাকছি হয়েছে জানালে অর্থমন্ত্রী বলেন, তাহলে তো সঞ্চয়পত্রের সুদ হার পুনর্নিধারণ করার প্রয়োজন হবে না। তিনি বলেন, বর্তমানে বৈষম্য বড়েছে। তবে একটা বড় অংশ দারিদ্রের হাত থেকে উত্তীর্ণ হয়েছে। এখন আমি যে কোনো মুহূর্তে অবসর নিতে প্রস্তুত। একান্ত তৃপ্তির সঙ্গে।
জরুরি সংবাদ সম্মেলন বিকালে বিএনপির
আসন্ন ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট ও আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে ব্যাংকিং খাতের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে বৃহস্পতিবার বিকালে সংবাদ সম্মেলন করবে বিএনপি। আজ বিকাল ৩টায় বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শাইরুল কবীর খান বলেন, আর্থিক খাত নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলন হবে। এতে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা থাকবেন। চেয়ারপারসন কার্যালয় সূত্র জানায়, আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে দেশের অর্থনৈতিক, প্রশাসনিক, সামাজিকসহ প্রতিটি খাতের অভ্যন্তরীণ চিত্র দেশবাসীর সামনে তুলে ধরতে চায় বিএনপি। সম্প্রতি দলের নীতিনির্ধারক ফোরাম ও জ্যেষ্ঠ নেতাদের কয়েকটি বৈঠকে আলোচনা-পর্যালোচনা করে এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে।
প্রভাব পড়বে ইফতারে খালেদার অনুপস্থিতিতে
বরাবরের মতো এতিম, ওলমা-মাশায়েখ, রাজনীতিক, পেশাজীবী ও কূটনীতিকদের নিয়ে এবারও রোজায় ইফতারের আয়োজন করবে বিএনপি। তবে এর ব্যাপকতা আগের মতো থাকছে না। দলীয় প্রধানের অনুপস্থিতিতে হাতেগোনা কয়েকটি ইফতার মাহফিল আয়োজন করতে পারে দলটি। এ বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেবেন দলের শীর্ষনেতারা। দলীয় সূত্র জানায়, ইফতার মাহফিল আয়োজন কম করার চিন্তা থাকলেও রমজানকে সাংগঠনিক মাস হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। রমজানে দলের সাংগঠনিক তৎপরতা আরও জোরদারের চেষ্টা করছে দলটি। পুরো রমজান মাসে ঘরোয়া রাজনীতিতে সক্রিয় থাকবেন দলটির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা। ইফতার মাহফিলের মাধ্যমে দলটি সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড চালাবে। একই সঙ্গে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য আন্দোলনের কর্মসূচিও থাকবে এ রমজানে। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান লন্ডনে। তার নির্দেশে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের নীতিনির্ধারণী ফোরামের সদস্যদের নিয়ে এ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছেন। পবিত্র রমজান মাসে দলীয় কর্মসূচি প্রসঙ্গে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ জাগো নিউজকে বলেন, ‘রমজান মাসকে ঘিরে দলের তৎপরতা আগে যেটা ছিল, সেটা খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে জাতীয় পর্যায়ের প্রোগ্রামে কিছুটা হলেও প্রভাব পড়বে। রমজান মাসে ইফতার-মাহফিলসহ খালেদা জিয়ার মুক্তির যে সংগ্রাম, সেই সংগ্রাম চলবে। একই সঙ্গে আগামী দিনের যে আন্দোলন সেই আন্দোলনের অংশ হিসেবে গণসংযোগও চলবে। ব্যাপকভাবে সারাদেশে বিএনপির নেতাকর্মীরা এ দায়িত্ব পালন করবেন বলে আমার ধারণা।’ দলটির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আউয়াল খান বলেন, ‘আমাদের দল তো অলরেডি রমজান মাসকে সাংগঠনিক মাস হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। প্রতিটা আসনভিত্তিক আমাদের কর্মকাণ্ড থাকবে, সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, ইফতার মাহফিল, কর্মীসভা এবং বিভিন্ন দোয়া-মাহফিলের মাধ্যমে কাজ চলবে। এছাড়া দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির ওপর নির্ভর করবে রমজান মাসে আমাদের কর্মসূচি কীভাবে হবে। ওই হিসেবেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ হবে।’ ধর্মীয় বিষয়গুলো নিয়ে বিএনপিতে সাধারণত সরব থাকে জাতীয়তাবাদী ওলামা দল। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা নেসারুল হক বলেন, ‘পার্টির যেটা সিদ্ধান্ত আমরা সেই অনুযায়ী কাজ করি। মাহে রমজান, কোরআন নাজিলের মাস, রহমতের মাস। এ মাসে আল্লাহর ইবাদত বন্দেগিও করবো, একই সঙ্গে দলের জন্য কাজও করবো।’ দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মে দলের যৌথসভায় বিভিন্ন বিষয়ে মতামত নেয়া হয়। সেখানে আলোচনা হয় সার্বিক বিষয়ে। বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে থাকায় কেন্দ্রীয়ভাবে তিনটি ইফতার মাহফিল আয়োজনের নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে। এতিম, ওলামা-মাশায়েখদের নিয়ে প্রথম ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। রাজনীতিক ও পেশাজীবীদের সম্মানে একত্রে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হবে। ঢাকায় নিযুক্ত বিদেশি কূটনীতিকদের সম্মানে বিএনপির ইফতার কর্মসূচিও থাকছে। এছাড়া পুরো রমজান মাসে ঘরোয়া রাজনীতিতে সক্রিয় থাকবেন বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা। ইফতার মাহফিলের মাধ্যমে সরকারবিরোধী হিসেবে পরিচিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়ন করতে চান তারা। এছাড়া যেসব নেতা গ্রেফতারের ভয়ে আত্মগোপনে রয়েছেন তাদেরও প্রকাশ্যে দেখা যেতে পারে। বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, ‘রমজানে দলের পক্ষ থেকে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হবে। তবে কয়টি ইফতার মাহফিল করা হবে তা চূড়ান্ত হয়নি।’ দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেন, ‘প্রতি বছরই দলীয় চেয়ারপারসনের উপস্থিতিতে এতিম, ওলামা-মাশায়েখ, কূটনীতিকসহ বিভিন্ন পেশাজীবী ও রাজনীতিবিদদের সঙ্গে ইফতারের আয়োজন করা হতো। এবার তিনি জালিম সরকারের কারাগারে বন্দী। তার অবর্তমানেও কিছু ইফতার মাহফিল হবে।’ তিনি বলেন, ‘রমজান মাসে সবাই রাজনীতিটাকে একটু দূরে রেখে ধর্ম-কর্ম করতে চান। ইফতার মাহফিলের মাধ্যমে আমাদের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড চলবে এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য আন্দোলনের কর্মসূচিও থাকবে।’ এ বিষয়ে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আমরা গত শুক্রবার (৪ মে) বসেছিলাম। সবার মতামত নেয়া হয়েছে। কী ধরনের কর্মসূচি দেয়া যায়, সে ব্যাপারে আমরা আবার বসে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব।
গাজীপুর সিটি নির্বাচন, আপিলের শুনানি বৃহস্পতিবার
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে হাইকোর্টের দেয়া স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের দুই মেয়রপ্রার্থীর আবেদন এবং নির্বাচন কমিশনের আপিলের শুনানি বৃহস্পতিবার একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে। বুধবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের চার সদস্যের বেঞ্চে এ দিন ধার্য করে দেন।এর আগে বিএনপির মেয়রপ্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার এবং আওয়ামী লীগের জাহাঙ্গীর আলম হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে যে আবেদন করেছেন, সোমবার তা শুনানির জন্য আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠিয়েছিলেন চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। সে অনুযায়ী, আবেদন দুটি বুধবার আপিল বিভাগে উঠলে নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী মো. ওবায়েদ রহমান মুস্তফা আদালতকে জানান, তারাও হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল ফাইল করেছেন। প্রধান বিচারপতি তখন তাকে বলেন, বাকি দুপক্ষ আগেই আবেদন করেছে, আপনারা কোথায় ছিলেন?জবাবে ওবায়েদ মুস্তফা বলেন, গতকাল ওকালতনামা পেয়েছি, আজ ফাইল করেছি। প্রধান বিচারপতি তখন শুনানি বুধবার হবে না (নট টুডে) বলে জানালে হাসান উদ্দিন সরকারের আইনজীবী মাহবুব উদ্দিন খোকন আদালতকে বলেন, ১৫ তারিখ নির্বাচন, শুনানি এখনই করা দরকার।বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন তখন বলেন, ১৫ তারিখ নির্বাচন, আগামীকাল শুনানি হলে কিছু হবে না। নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, ১৫ মে গাজীপুরে ভোট করতে সব প্রস্তুতি এগিয়ে নেয়া হচ্ছিল। সে অনুযায়ী প্রার্থীরাও প্রচারে ব্যস্ত ছিলেন। জমেও উঠেছিল প্রচার। কিন্তু সাভারের শিমুলিয়া ইউনিয়নের ছয়টি মৌজা গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনে অন্তর্ভুক্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবিএম আজহারুল ইসলাম সুরুজ একটি রিট আবেদন করলে হাইকোর্ট গত রোববার এ সিটির নির্বাচন তিন মাসের জন্য স্থগিত করে দেন।