জনগণ ভোটের মাধ্যমে এবারে পরিস্থিতি বদলে দেবে
অনলাইন ডেস্ক :বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জনগণ ভোটের মাধ্যমে এবারে পরিস্থিতি বদলে দেবে। ভোট যেন কেউ চুরি না করতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।শনিবার দুপুর ১টার দিকে ঠাকুরগাঁও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎকার শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।নির্বাচনে কর্মীদের জন্য শেষ বার্তা জানিয়ে ফখরুল বলেন, ‘আমি শুধু কর্মীদের জন্য একটি বার্তা দিতে চাই তা হলো- জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিতে যেতে হবে। ভোট পাহারা দিতে হবে এবং ভোট যেন কেউ চুরি না করতে পারে সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।নিজ দলের কমীদের আটকের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘গতকাল বিএনপির যাদের আটক করা হয়েছে তারা অনেক গুরুত্বপূর্ণ নেতা। আমি এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও এসপি সাহেবকে জানিয়েছি। এরপরও আমাদের সাধারণ ভোটারকে কেউ হতাশ করতে পারবে না।বিএনপিতে নির্বাচন নিয়ে কোনো বিরোধ আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ফখরুল বলেন, ‘আমাদের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই। এ গুলো সরকারের কূটচাল। একেবারে ভিত্তিহিন। এগুলো কোনোটাই সঠিক নয়। বিএনপি নির্বাচনে আছে, থাকবে।
সালমাকে সমর্থন দিল বিএনপি
অনলাইন ডেস্ক :ঢাকা-১ আসনে নিজ দলের প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল হয়ে যাওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমা ইসলামকে সমর্থন দিয়েছে বিএনপি।আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট প্রার্থী সালমান এফ রহমানের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সালমা।শুক্রবার দুপুরে বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।উচ্চ আদালতের নির্দেশে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপির ১৩ জন প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল হয়ে যায়। এর মধ্যে ঢাকা-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আবু আশফাকের প্রার্থিতাও বাতিল হয়।সালমা ইসলাম জাতীয় পার্টির নেত্রী। তিনি যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বাবুলের স্ত্রী। ২০১৪ সালের নির্বাচনে এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়াই করে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুল মান্নানকে পরাজিত করেন।এবারের নির্বাচনে ওই আসনে মহাজোটের হয়ে লড়তে চেয়েছিলেন সালমা ইসলাম। তবে তার দল জাতীয় পার্টি থেকে আসনটি না পাওয়ায় তিনি স্বতন্ত্র থেকে প্রার্থী হন। এবার বিএনপির সমর্থন পাওয়ায় অনেকটা সুবিধাজনক অবস্থানে চলে গেলেন বলে ধারণা স্থানীয় ভোটারদের।
এত গ্রেপ্তারের পরও বিএনপির মহাসমুদ্র থেকে পানি কমছে না:রিজভী
অনলাইন ডেস্ক :নির্বাচন সামনে রেখে জেলায় জেলায় বেপরোয়া গ্রেপ্তার অভিযানে বিএনপি নেতাকর্মীদের বাড়িছাড়া করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রহুল কবির রিজভী। বলেছেন, এত গ্রেপ্তারের পরও বিএনপির মহাসমুদ্র থেকে পানি কমছে না। প্রধানমন্ত্রী এবং সরকারের ভয় কাটছে না। আজ শুক্রবার নয়াপল্টনে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।বিএনপির এই নেতা বলেন, প্রতিদিন শত শত গ্রেপ্তার হচ্ছে, মামলা দিচ্ছে। প্রথমে পুলিশ ছিল, এখন র‌্যাব-বিজিবিকে লাগিয়ে দেয়া হয়েছে। তারপরও যেন অস্বস্তি কাটছে না সরকারের, আরো গ্রেপ্তার করো।আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আওয়ামী ক্যাডারদের গুন্ডামিতে গতকাল দেশের বিভিন্নস্থানে ধানের শীষের প্রার্থীদের মিছিলে বাধা দেয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং আওয়ামী সন্ত্রাসীরা বিএনপির নির্বাচনী এজেন্ট, কর্মী ও সমর্থকদের এলাকাছাড়া করেছে।আওয়ামী সন্ত্রাসীদের গ্রামে গ্রামে সশস্ত্র মহড়া চলছে, বলেন রিজভী।সারাদেশে ভীতিকর অবস্থা বিদ্যমান উল্লেখ করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, সেনাবাহিনীকে মাঠে নামিয়ে হাত-পা বেঁধে রেখেছেন সিইসি। তাদের স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেয়া হচ্ছে না।বিএনপি নাশকতা করছে না, বরং আওয়ামী লীগেই নাশকতাকারীদের ট্রেনিং সেন্টার বিদ্যমান অভিযোগ করে এ সরকারকে সন্ত্রাসের অভয়ারণ্য বলে মন্তব্য করেন রিজভী। তিনি আরো বলেন, বানোয়াট মামলা সাজিয়ে নির্বাচনের বছরখানেক আগেই সাজা দিয়ে দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে বন্দি করা হয়েছে। কারণ, রাষ্ট্রশক্তি সম্পূর্ণভাবে শেখ হাসিনার হাতের মুঠোয়। প্রশাসন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, আদালত কারো টুঁ শব্দ করার উপায় নেই। টুঁ শব্দ করলে পরিণতি কী হবে, তারও দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন শেখ হাসিনা। চলতি বছরের ৮ই নভেম্বর তফসিল ঘোষণার পর থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সারা দেশে বিএনপির ১০ হাজার ৩২৯ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন রুহুল কবির রিজভী। এ ছাড়া এ সময়ের মধ্যে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ৮৪৪টি গায়েবি ও মিথ্যা মামলা এবং দুই হাজার ৮৯৬টি হামলা চালানো হয়েছে, যাতে মোট আহতের সংখ্যা ১৩ হাজার ২৫২ ও মৃতের সংখ্যা নয়জন। কেবল গতকালই বিভিন্ন জেলায় ৩৮টি বানোয়াট মামলা দেওয়া হয়। গ্রেপ্তার করা হয় এক হাজার ১২৭ জন নেতাকর্মীকে। এ ছাড়া একজন খুনের শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেন রিজভী।
ভোট গণনা না করা পর্যন্ত পাহারা দিন :ড. কামাল
অনলাইন ডেস্ক :জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন ভোট বিপ্লবের ডাক দিয়েছেন। জনগণের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনারা সাহস করে নেমে পড়ুন, ভোটের বিপ্লব করুন। ১৬ ডিসেম্বর যে বিজয় হয়েছিল, ৩০ ডিসেম্বর তেমনই বিজয় হবে।বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর পুরানা পল্টনের জামান টাওয়ারে জরুরি বৈঠকে বসেন ড. কামাল হোসেন। এরপর এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ড. কামাল।তিনি বলেন, অনেকে ভয় পান। আমরা ভয় পেলে দেশ স্বাধীন করতে পারতাম না। ১৯৯০ সালে দেশ স্বৈরাচারমুক্ত করতে পারতাম না। অতএব, ভোট গণনা না করা পর্যন্ত পাহারা দিন। আমরা ১৬ কোটি মানুষ, কতজনকে গ্রেফতার করবে তারা।কামাল হোসেন বলেন, মাঠপর্যায় থেকে তিনি নিয়মিত অসংখ্য ফোনকল পাচ্ছেন। জনগণের বিপুল সাড়া পাচ্ছে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা।
শনিবার মধ্যরাত থেকে যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
অনলাইন ডেস্ক :একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে শনিবার মধ্যরাত ১২টা থেকে ভোটের দিন ৩০ ডিসেম্বর দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত সব ধরনের যানবাহন চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে আগামীকাল শুক্রবার মধ্যরাত ১২টা থেকে ১ জানুয়ারি মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত মোট চার দিন সারাদেশে মোটরসাইকেল চালানোয় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবে শুধু নির্বাচন কমিশন বিটে কর্মরত সাংবাদিকরা ইসির স্টিকার ব্যবহার করে বাইক চালাতে পারবেন। শনিবার মধ্যরাত থেকে বেবি টেক্সি, অটোরিকশা, ইজিবাইত, ট্যাক্সি ক্যাব, মাইক্রোবাস, জিপ, পিকআপ, কার, বাস ট্রাক, টেম্পোসহ স্থানীয় যন্ত্রচালিত যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইসি। জানা যায়, যান চলাচলের নিষেধাজ্ঞার সময় রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি সাপেক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনী এজেন্ট, দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষকদের (পরিচয়পত্র থাকতে হবে) ক্ষেত্রে শিথিলযোগ্য। তাছাড়া নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত সাংবাদিক (পরিচয়পত্র থাকতে হবে), নির্বাচনের কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, নির্বাচনের বৈধ পরিদর্শক ও কতিপয় জরুরি কাজ যেমন—অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস, ডাক, টেলিযোগাযোগ ইত্যাদির কাজে নিয়োজিত যানবাহন নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে। এছাড়া মহাসড়ক, বন্দর ও জরুরি প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে। আগামী ৩০ ডিসেম্বর সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ২৯৯টি আসনে টানা ভোটগ্রহণ চলবে। এক প্রার্থীর মৃত্যুজনিত কারণে গাইবান্ধা-৩ আসনে ভোটগ্রহণ পিছিয়ে ২৭ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে।
নির্বাচনের কোনো পরিবেশ নেই :মির্জা ফখরুল
অনলাইন ডেস্ক :নির্বাচনের কোনো পরিবেশ নেই। কয়েকদিন ধরে দেখছি আমাদের শীর্ষ নেতাদের ওপর হামলা করছে আওয়ামী লীগ। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা এসব কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার সকালে ঠাকুরগাঁও শহরের তাঁতীপাড়ার নিজ বাসভবনে তিনি এ কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচনে হারজিত থাকবেই। তবে শেষ পর্যন্ত আমরা লড়ে যাব। ঠাকুরগাঁওয়ে সিংগিয়া গ্রামে হিন্দুবাড়িতে যে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, জেলা ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে সেটি বিদ্যুতের র্শটসার্কিট থেকে হয়েছে। তবে শুরু থেকেই আওয়ামী লীগ বিএনপিকে দোষারোপ করছে। এ ব্যাপারে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান লিটনসহ ১৩ নেতাকর্মীর নামে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলাও দিয়েছে আওয়ামী লীগ। আজ ঢাকায় ফিরে সার্বিক বিষয় নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে আলোচনা হবে। সেখানেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানান ফখরুল
শেষ পর্যন্ত থাকতে চাই নির্বাচনে : ফখরুল
অনলাইন ডেস্ক: নির্বাচনের মাঠে পরিবেশ না থাকলেও শেষ পর্যন্ত থাকতে চান বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তবে এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে আজ বিকেলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সভায়। বৃহস্পতিবার সকালে নিজ নির্বাচনী এলাকা ঠাকুরগাঁওয়ে জেলা শহরের তাঁতীপাড়ার বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন বিএনপির মহাসচিব। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এখন নির্বাচনের কোনো পরিবেশই নেই। আমরা দেখলাম, কয়েক দিন ধরে শীর্ষ নেতাদের ওপর আক্রমণ হলো। আমরা দেখছি, সারা দেশে নির্বাচনের প্রার্থীদের ওপর হামলা হচ্ছে, আক্রমণ হচ্ছে। এবং সবচেয়ে দুঃখজনক ব্যাপার হচ্ছে, রাষ্ট্রের সম্পূর্ণ প্রশ্রয়ে এই কাজগুলো হচ্ছে। সরকার সব প্রতিষ্ঠানকে ভেঙে দিচ্ছে কী জন্য প্রশ্ন তোলেন বিএনপির মহাসচিব। তিনি বলেন, আজকে এই নির্বাচনে প্রমাণিত হয়ে গেল, নিরপেক্ষ নির্বাচন ছাড়া কোনো নির্বাচন কখনই সুষ্ঠু হতে পারে না। আমরা নির্বাচনে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত থাকতে চাই এমনটা উল্লেখ করে বিএনপির মহাসচিব আরো বলেন, এটা আমরা বলেছি বারবার। আমরা দেখাতে চাই যে, আওয়ামী লীগের অধীনে কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হতে পারে না। সেটা প্রমাণিত হচ্ছে। তবে এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে বিকেলে ঐক্যফ্রন্টের সভায়।
দেশে ফিরলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ
অনলাইন ডেস্ক: শারীরিক অবস্থা নিয়ে নানা আলোচনার মধ্যে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে যাওয়া জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ ভোটের তিন দিন আগে দেশে ফিরে আসলেন। গতকাল বুধবার রাতে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে করে হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান সাবেক এই রাষ্ট্রপতি। সিঙ্গাপুর থেকে ১৬ দিন পর দেশে ফিরলে তাঁকে জাতীয় পার্টির নেতারা স্বাগত জানান। জাতীয় পার্টির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিয়মিত মেডিকেল চেকআপ শেষে সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরেছেন পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ। তাঁর সঙ্গে জাতীয় পার্টির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু এবং ব্যক্তিগত সহকারী মঞ্জুরুল ইসলামও ফিরেছেন। গত ১০ ডিসেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গিয়েছিলেন এরশাদ। জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু পরে সাংবাদিকদের বলেন, এরশাদ সুস্থ আছেন। তাঁর শারীরিক অবস্থা ভালো। সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা হয়েছে। চিকিৎসকরা তাঁকে ছাড়পত্র দিয়েছেন। এক মাসের ওষুধ দেওয়া হয়েছে। এক মাস পর সিদ্ধান্ত হবে, আবার যেতে হবে কি না।

রাজনীতি পাতার আরো খবর