গ্রেনেড হামলা তারেককে সাজা দেওয়ার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ
অনলাইন ডেস্ক: ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় ফরমায়েশি রায়ের প্রতিবাদে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন বিএনপি'র নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার (১১ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে বিএনপির জৈষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত মোড় থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে সিএমএম কোর্টের সামনে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে অংশ নেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট নিপূণ রায় চৌধুরীসহ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ, কেরানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। মিছিল শেষে বক্তারা অবিলম্বে এই ফরমায়েশি রায় প্রত্যাহারের দাবি জানান। আলোকিত বাংলাদেশ
রায়ে অখুশি নই- তবে সন্তুষ্টও নই: কাদের
অনলাইন ডেস্ক: ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার বিচার হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিলম্বিত এ রায়ে আমরা অখুশি নই। তবে পুরোপুরি সন্তুষ্টও নই। এই হামলার যে প্ল্যানার বা মাস্টারমাইন্ড, তার শাস্তি হওয়া উচিত ছিল সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড। আজ বুধবার রায়ের পর সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, মুফতি হান্নান স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বলে গেছেন, হামলায় তারেক রহমানের অনুমতি ছিল। তিনি আরও বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তখনকার সরকার আলামত নষ্ট করে দিয়েছে। খালেদা জিয়া তখন ক্ষমতায় ছিলেন। কিন্তু সরকার চালাচ্ছিল হাওয়া ভবন, বলেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, তখনকার সরকার এফবিআইকে তদন্ত করতে দেয়নি। স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডকেও আসতে দেয়নি। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন ও বাকি ১১ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়েছে।
রায় প্রত্যাখ্যান-দেশজুড়ে বিএনপির বিক্ষোভ
অনলাইন ডেস্ক: ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়কে প্রতিহিংসামূলক বলে প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএনপি। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার রায় প্রত্যাখ্যান করে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে রাজশাহী বিএনপি। রায়ের প্রতিক্রিয়ায় শফিকুল হক মিলন বলেন, এই রায় সাজানো। শহীদ জিয়ার পরিবারকে ধ্বংস করার চক্রান্তের অংশ হিসেবে এই রায় দেয়া হয়েছে। রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে চট্টগ্রাম আদালত ভবনে মিছিল ও সমাবেশ করেছে জাতীয়তাবাদী আইনজীবি ফোরাম। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবি ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেনসহ অন্যরা। রায়ের প্রতিবাদে বরিশালে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করেছে। এ সময় তারা ফরমায়েশি রায় প্রত্যাখ্যান করে শ্লোগান দিতে থাকে। এদিকে বরিশাল নগরীর স্টীমার ঘাট এলাকা থেকে রায়ের প্রতিবাদে মিছিল বের করার চেষ্টাকালে বরিশাল মহানগর যুবদলের সভাপতি আক্তারুজ্জামান শামিমসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ গ্রেনেড হামলা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ দলের নেতাদের সাজা দেওয়ার প্রতিবাদে রংপুর গ্রান্ডহোটেল মোড় এলাকায় জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে বিক্ষোভ করে বিএনপি। রায়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপি যুবদল স্বেচ্ছাসেবকদল ও ছাত্রদল। দুপুরে নগরীর রানীরবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে এ বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। রায় ঘোষণার পর জামালপুরে বিএনপি ও ছাত্রদল শহরে পৃথক পৃথক মিছিল করেছে। এ সময় পুলিশ ছাত্রদলের মিছিলকারীদের ধাওয়া করে । এর আগে পুলিশ শহর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাইন উদ্দিন বাবুল এবং বিএনপির নেতা আনিসুর রহমান বিপ্লবকে শহরের বোষপাড়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামালা মামলার রায় প্রত্যাখান করে নোয়াখালীতে বিএনপি আইনজীবী পরিষদের প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে। বক্তারা বলেন, এ রায় সরকারের আজ্ঞাবহ রায়, এ রায়ে ন্যায় প্রতিফলন হয়নি। রায়ের পর সুনামগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএনপি। তবে সে মিছিলে বাধা দেয় পুলিশ। সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বিএনপি নেতারা অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই এমন রায় দেয়া হয়েছে। রায়ের প্রতিবাদে জয়পুরহাটে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা জেলা বিএনপি কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এ সময় পুলিশ মিছিলে বাধা দিলে তা পণ্ড হয়ে যায়। পরে বিএনপি’র কার্যালয়ের সামনে তারা বিক্ষোভ সমাবেশ করে। এসময় বক্তারা বলেন, তারেক রহমানকে রাজনীতি থেকে দুরে রাখার জন্য এই রায় দেওয়া হয়েছে।
যুক্তফ্রন্ট-জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া: ঐক্যমতে পৌছেছে বিএনপি: মওদুদ
অনলাইন ডেস্ক: দেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের দাবিতে বিএনপি-যুক্তফ্রন্ট-জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া ঐক্যমতে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। সোমবার (০৮ অক্টোবর) রাত পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর উত্তরায় জাসদ সভাপতি আ স ম আব্দুর রবের বাসায় বৈঠক চলাকালে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন। এর আগে রাত ৯টায় বৈঠকটি শুরু হয়। এ সময় মওদুদ আহমদ বলেন, ‌আমরা অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। তবে এখন সব বিষয় বলা যাবে না। তবে বিএনপি-যুক্তফ্রন্ট-জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া খুব শিগগিরই লক্ষ্য ও কর্মসূচি ঘোষণা করবে। বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ১১ অক্টোবর গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেনের বেইলি রোডের বাসায় আরেকটি বৈঠক করবে বিএনপি, যুক্তফ্রন্ট ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া। কামাল হোসেনের সঙ্গে বৈঠকের পর চূড়ান্ত কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। ইতোমধ্যে কর্মসূচির একটি গ্রাফ তৈরি করা হয়েছে। সূত্র জানায়, তিন দলীয় জোটের নাম কি হবে, সে বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে এখনও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। বৈঠকে বিএনপির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন- মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার মোস্তফা মহসীন মন্টু, আ ব ম মোস্তফা আমীন, সুলতান মোহাম্মদ মনসুর। যুক্তফ্রন্টের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন- জেএসডির আ স ম আব্দুর রব, মেজর (অব) মান্নান, আব্দুল মালেক রতন, এসএম আকরাম, শহীদুল্লাহ কায়সার, তানিয়া রব ও ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ।
স্ত্রী ও ভাইয়ের সঙ্গে কোন দ্বন্দ্ব নেই আমার : এরশাদ
অনলাইন ডেস্ক: জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, আমার স্ত্রী (রওশন এরশাদ) ও ছোট ভাইয়ের (জিএম কাদের) সাথে কোন দ্বন্দ্ব নেই। জাতীয় পার্টি এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। ক্ষমতায় যাওয়াই আমাদের লক্ষ্য। সোমবার (৮ অক্টোবর) সকালে দুই দিনের সফরে রংপুরে এসে নগরীর স্কাইভিউতে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে একথা জানান তিনি। সাবেক এই রাষ্ট্রপতি বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য সকল প্রস্তুতি শেষ করেছে তার দল। প্রার্থী তালিকাও চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী ২০ অক্টোবর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশ থেকে ৩০০ আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা হবে। এসময় এরশাদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) খালেদ আকতার, রংপুর জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক এসএম ফখরুজ্জামান জাহাঙ্গীর, মহানগরের সাধারণ সম্পাদক এস এম ইয়াসির, জেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজী আব্দুর রাজ্জাক, খতিবার রহমান, সহ সভাপতি অ্যাডভোকেট মোকাম্মেল হক চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্সি আব্দুল বারী, শামীম সিদ্দিকী, প্রচার সম্পাদক মমিনুল ইসলাম রিপন প্রমুখ। এরআগে সকালে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের হাতে ফুল দিয়ে জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টিতে শতাধিক নেতা-কর্মী নিয়ে যোগদান করেন ডা. রূপক।
যুক্তফ্রন্ট ও ঐক্য প্রক্রিয়া- ৫ দফা দাবিতে মাঠে নামবে বিএনপি
অনলাইন ডেস্ক: ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠায় পাঁচ দফা দাবিতে অভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামবে বিএনপি, যুক্তফ্রন্ট এবং জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া।এক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলামীকে বাইরে রেখেই পথ চলবে তারা। তবে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটে থাকবে জামায়াত। সেক্ষেত্রে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যে তাদের প্রকাশ্যে দেখা যাবে না। রোববার প্রথমবারের মতো বিএনপি, যুক্তফ্রন্ট ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার শীর্ষ নেতাদের আনুষ্ঠানিক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। রাত সোয়া ৯ টায় গুলশানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের বাসায় অনুষ্ঠিত হয় এ বৈঠক। বৈঠকে বিএনপির পক্ষে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, যুক্তফ্রন্টের পক্ষে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের- জেএসডি সভাপতি আসম আব্দুর রব, সহ-সভাপতি তানিয়া রব, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, বিকল্পধারা বাংলাদেশের মহাসচিব মেজর(অব.) মান্নান, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার পক্ষে অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, মোস্তফা মহসীন মন্টু, সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহম্মেদ ও আবম মোস্তফা আমীন অংশ নেন। এছাড়াও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী এ সময় ছিলেন। বৈঠক চলার মাঝপথে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের তিনি বলেন, দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্দলীয় সরকারের অধীনে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং গ্রহণযোগ্য ভোটের দাবিতে বিএনপি, যুক্তফ্রন্ট ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া এক সঙ্গে পথ চলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।অভিন্ন দাবিতে এক সঙ্গে কর্মসূচি পালন করবে তারা বলে জানান তিনি। জানতে চাইলে এ প্রসঙ্গে জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী শক্তিকে বাইরে রেখে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী দেশের সব অসাম্প্রদায়িক, গণতন্ত্রমনা ও প্রগতিশীল শক্তির সমন্বয়ে আমরা দেশে একটি বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই বৈঠক থেকে এ বিষয়টি আরও স্পষ্ট করা হল। সূত্র জানায়, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ পাঁচ দফা দাবিতে একমঞ্চে থেকে আগামী দিনে আন্দোলন করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয় বিএনপি, যুক্তফ্রন্ট ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া। তাদের অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে- নির্বাচনের আগে সংসদ ভেঙে দেয়া, প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার পদত্যাগ, নিরপেক্ষ সরকার গঠন, সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে নির্বাচনের আগে ও পরে মোতায়েন রাখা, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন ও ইভিএম ব্যবহার না করা, নিরাপদ সড়কের দাবি ও কোটা সংস্কার আন্দোলনে যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে তাদেরসহ সব রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি দেয়া। বৈঠক শেষে বিষয়টি নিশ্চিত করে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যে জামায়াতে ইসলামীর সম্পৃক্ত থাকাসম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে আ স ম আব্দুর রব বলেন, আমরা বিএনপির সঙ্গে ঐক্য করছি। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সব দল এখানে থাকতে পারবে। তবে বিএনপির সঙ্গে অন্য কেউ থাকবে কি-না তা আমরা বলতে পারব না। বাংলাদেশের জনগণ চায় আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে বর্তমান স্বৈরচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করি। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ পাঁচটি মৌলিক দাবিতে আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। এগুলোর ওপর ভিত্তি করে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলব। এই দাবিগুলো আদায় করে বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন করব। তিনি আরও বলেন, আমাদের দাবি- খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ সব রাজনৈতিক নেতাদের মুক্তি এবং কোটা সংস্কার, নিরাপদ সড়কের দাবিতে আদোলনকারীদের মুক্তি, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে আগামী নির্বাচন, সংসদ ভেঙে দেয়া, নিরপেক্ষ সরকার গঠন, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন ও নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে মোতায়েন করা।
বিএনপির ৩ নেতার বৈঠক ঐক্য প্রক্রিয়া নিয়ে
অনলাইন ডেস্ক: যুক্তফ্রন্টের সঙ্গে আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে বৈঠক করেছেন বিএনপির তিন নেতা। রোববার যুক্তফ্রন্টের সঙ্গে বিএনপির এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। শনিবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সন্ধা সাড়ে ৬টা থেকে দেড় ঘণ্টাব্যাপী এই বৈঠক হয়। বৈঠকে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর , স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ব্যারিষ্টার মওদুদ আহমদ অংশ নেন। সূত্র জানায়, যুক্তফ্রন্টের সঙ্গে বৈঠকে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যেকে শিগগিরই আনুষ্ঠানিক রূপ দিতে করণীয় বিষয়ে বিএনপি নেতারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেন। আলোচনায় নেতারা যুক্তফ্রন্টের পাঁচ দফা ও নয় লক্ষ্য এবং বিএনপির উত্থাপন করা সাত দফা এবং ১২ লক্ষ্য নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করেন। এর বাইরে সাংবিধানিক সংস্কারের মাধ্যমে ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে করণীয় এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আন্দোলনের বিষয়সহ নির্বাচনে এসব দলের চাওয়া-পাওয়া নিয়েও আলোচনা করেন বিএনপির তিন নেতা। এ ছাড়া বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের বিষয়ে চিকিৎসা শেষে দেশে ফেরা জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার আহ্বায়ক ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের সঙ্গে আলোচনা করার সিদ্ধান্ত নেন বিএনপি নেতারা।
জোয়ার আর আসবে না -দাঁতভাঙা জবাব দেবে জনগণই: ওবায়দুল কাদের
অনলাইন ডেস্ক: বিএনপির আন্দোলনের মরা গাঙে আর জোয়ার আসবে না বলে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচন ঠেকাতে আন্দোলনের নামে বিএনপি নাশকতার চেষ্টা করলে, জনগণ দাঁত ভাঙা জবাব দেবে। শনিবার রাজধানীর চকবাজারে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত গণসংযোগ কর্মসূচিতে এসব কথা বলেন তিনি। বিএনপি নেতাদের নীতিহীন আখ্যায়িত করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, তাদের আন্দোলনের মরা গাঙে আর জোয়ার আসবে না। আওয়ামী লীগ দেউলিয়া দল নয়। গঠনতন্ত্র সংশোধন করে বিএনপিই দেউলিয়া ও দুর্নীতিবাজদের দলে পরিণত হয়েছে। তাদের হাতে দেশ ও গণতন্ত্র নিরাপদ নয়। বিএনপি নেতারা তাদের নেতাকর্মীদের নামে মামলা ও নির্যাতনের যে অভিযোগ করেছে সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপির কোনো নেতার ওপর রাজপথে নির্যাতন হয়নি। বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে আওয়ামী লীগ নেতাদের ওপর যে মামলা-নির্যাতন করেছিল তা ভুলে যাওয়ার নয়। বিএনপিকে জনগণই প্রতিরোধ করবে- এমন দাবি করে সেতুমন্ত্রী বলেন, আন্দোলন নয়, আবারও বোমা সন্ত্রাসের প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। বিএনপির নাশকতা সহিংসতা কি নির্বাচন ঠেকাতে পারবে? আপনারা প্রতিরোধ করবেন? এইবার জনগণই সমুচিত জবাব দিয়ে দিবে, দাঁতভাঙা জবাব দিয়ে দিবে।
গায়েবি মামলার চ্যালেঞ্জ করলে সবাই বিপদে পড়বেন: ফখরুল
অনলাইন ডেস্ক: ২০০৯ সাল থেকে ২০১৮ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট মামলা ৯০ হাজার ৩৪০টি। আসামি ৩ লাখ ৬৫ হাজার। শুধু সেপ্টেম্বর মাসেই গায়েবি মামলা ৪ হাজার ১৮৯টি। নিহত ১৫ হাজার ১২ জন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে নিহত ৭৮২ জন। গুম ১ হাজার ২০৪ জন। ৪২৩ জনের এখনও কোনো খোঁজ নেই বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল আলমগীর। শনিবার (০৬ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। ফখরুল বলেন, ভবিষ্যতে এসব গায়েবি মামলার তদন্ত হলে চ্যালেঞ্জ করলে সবাই বিপদে পড়বেন। ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনছে তারা, যারা গায়েবি মামলা করছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন। আলোকিত বাংলাদেশ