ভোটের আগেই কাউন্সিলর নির্বাচিত আজাদ!
অনলাইন ডেস্ক: সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) নির্বাচনে ২০ নম্বর ওয়ার্ড থেকে নির্বাচিত সদ্য সাবেক কাউন্সিলর ও মহানগর আওয়ামী লীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পদক আজাদুর রহমান আজাদ মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। কিন্তু আওয়ামী লীগ থেকে বদর উদ্দিন আহমদ কামরানকে মনোনয়ন পত্র দেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত কাউন্সিলর পদেই মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয় তাকে। এবার নির্বাচনে করতে হচ্ছে না তাকে। বিনা বাধায় নির্বাচনী বৈতরণী পার হচ্ছেন কাউন্সিলর পদে আগেই হেট্রিক করা এই প্রার্থী। এখন শুধু রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষণার অপেক্ষায়। কাউন্সিলর আজাদের প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন আব্দুল গাফফার ও ছাত্রলীগ নেতা মিঠু তালুকদার। বাছাইয়ে গাফফারের মনোনয়নপত্র বাতিল হলেও বৈধতা পায় মিঠু তালুকদারের মনোনয়নপত্র। ফলে নির্বাচনী মাঠে একমাত্র প্রার্থী মিঠু তালুকদারকে মোকাবেলা করতে হতো আজাদকে। অবশেষে আওয়ামী লীগের নেতাদের হস্তক্ষেপ করেন। দুই প্রার্থীকে নিয়ে একসঙ্গে বসেন। এক পর্যায়ে মিঠু তালুকদার তার মনোনয়নপত্র তুলে নিতে প্রতিশ্রুতি দেন। এ বিষয়ে মিঠু তালুকদার বলেন, জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ নেতাদের সম্মান দিতে গিয়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করছেন তিনি। সোমবার (৯ জুলাই) নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেবেন। সিসিক নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা সাইদুর রহমান বলেন, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবরে আবেদন করেছেন ২০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী মিঠু তালুকদার। রোববার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেবেন তিনি। এতে করে ওই ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবেন একমাত্র প্রার্থী আজাদুর রহমান আজাদ। আলোকিত বাংলাদেশ
২১ জুলাই সোহরাওয়ার্দীতে আ. লীগের সর্ববৃহৎ সমাবেশ
আগামী ২১ জুলাই রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সাম্প্রতিককালের সর্ববৃহৎ সমাবেশ করবে আওয়ামী লীগ। শনিবার দুপুরে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলটির সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্যদের সঙ্গে সহযোগী, ভ্রাতৃপ্রতীম, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ, ঢাকার আশপাশের জেলাসমূহের নেতাদের সঙ্গে আয়োজিত যৌথসভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। ২১ জুলাই আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেয়া গণসংবর্ধনা সফল করতে এ যৌথসভার আয়োজন করা হয়। স্বল্পোন্নত দেশ থেকে ‍উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের প্রাথমিক স্বীকৃতিপত্র অর্জন, ভারতের নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডিলিট ডিগ্রি অর্জনসহ নানা কারণে শেখ হাসিনাকে সংবর্ধনা দিতে এই সমাবেশ করবে ক্ষমতাসীন দল। ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অর্জন ও উন্নয়নকে ঘিরে আমরা আগামী ২১ জুলাই ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আমাদের পার্টির সভাপতি শেখ হাসিনাকে গণসংবর্ধনা দেব। এর মধ্যে একটা হচ্ছে বাংলাদেশ আজকে উন্নয়নশীল দেশের বলিষ্ঠ যাত্রা শুরু করেছে। এ শুভযাত্রার যিনি অধিনায়ক, তার নেতৃত্বে বাংলাদেশে আজ এ উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কে আমন্ত্রণ জানানো হবে জানিয়ে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ আজ মহাকাশে, এটাও আমাদের একটা বড় অর্জন। এর কর্তৃত্ব নিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সঙ্গে তাঁর তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। আমরা এ অনুষ্ঠানে আসার জন্য আমন্ত্রণ করব। গণসংবর্ধনার সাজসজ্জা ও প্যান্ডেলের জন্য বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম ও নসরুল হামিদ বিপুকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তারা তাদের কাজ অনেকটাই এগিয়ে নিয়েছেন বলে জানান কাদের। যৌথসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রাজ্জাক, আবদুল মতিন খসরু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, এনামুল হক শামীম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, ত্রাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক আব্দুস সবুর, উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, উপ-দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, কার্যনির্বাহী সদস্য এসএম কামাল হোসেন, রিয়াজুল কবির কাওছার, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাত, ঢাকা উত্তররের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান প্রমুখ।
প্রশ্ন রিজভীর-ভারতীয় হাইকমিশন কোন দলের মুখপাত্র
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয়কে উদ্দেশ্য করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ঢাকাস্থ ভারতীয় হাই কমিশন বাংলাদেশের কোন দলের মুখপাত্র? বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘গতকাল একটি দৈনিক পত্রিকায় নয়াদিল্লির একটি উচ্চ পর্যায়ের সূত্র থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে যে, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আইনী পরামর্শক লর্ড কার্লাইলকে ভারতে ঢোকার অনুমতি না দিতে নয়াদিল্লিতে জোরালো সুপারিশ পাঠিয়েছে ঢাকাস্থ ভারতীয় হাই কমিশন। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয়ের নিকট আমাদের জিজ্ঞাসা, ঢাকাস্থ ভারতীয় হাই কমিশন এখন বাংলাদেশের কোন দলের মুখপাত্র? রোববার সকালে রাজধানীর নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন রিজভী। তিনি বলেন, ‘ঢাকাস্থ হাই কমিশনের জোরালো সুপারিশের কারণে লর্ড কার্লাইলের ভিসা দেয়া না হয় তাহলে এটা প্রমানিত হবে যে, বেগম জিয়াকে মিথ্যা মামলায় কারাদণ্ড দিতে হাই কমিশনের নেপথ্য ভূমিকা রয়েছে। ভারতীয় হাই কমিশনের এই ভূমিকা দুঃখজনক এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে আগ্রাসী হস্তক্ষেপ।’ বিএনপি ভারতের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করে, বিএনপি হচ্ছে চীন ও পাকিস্তানপন্থী- প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের এই বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে রিজভী বলেন, ‘এইচ টি ইমামের উদ্ভট বেহায়াপনায় বাংলাদেশীরা হতবাক ও স্তম্ভিত। জনবিচ্ছিন্ন আওয়ামী সরকারকে পুনরায় ক্ষমতায় রাখতে সেখানে বিভিন্ন নীতি নির্ধারকদের কাছে নতজানু হয়ে লেজ নাড়িয়ে ভারতীয় কৃপা আদায়ের জন্য এইচ টি ইমামের মতো আওয়ামী মন্ত্রী ও নেতারা এমন ন্যাক্কারজনক দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করছেন। যা বাংলাদেশে বিরল। এটি যেন মোড়লের কাছে নিজের বিশ্বস্ততা প্রমাণ করা!’ প্রধানমন্ত্রী ভারতকে সবকিছু দিয়েছেন—প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্য উল্লেখ করে বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এখন প্রতিদান চাননি। কিন্তু এখন প্রতিদান পেতে প্রধানমন্ত্রী একের পর এক প্রতিনিধি পাঠাচ্ছেন সেখানে। এরা বিবেক, আত্মমর্যাদা, জাতীয়তাবাদী অহংকার সবকিছু বিসর্জন দিয়ে লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে অপমানিত করে দিল্লীর দরবারে করুণা ভিক্ষা করছেন।’ শেখ মুজিবুর রহমানের রক্তাক্ত লাশ ডিঙিয়ে আওয়ামী লীগের মন্ত্রীসভায় শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেছিলেন এই এইচ টি ইমাম মন্তব্য করে রিজভী বলেন, ‘যখন যে হাওয়া বয়ে যায় সেই হাওয়ার সাথেই গা ভাসিয়ে দেন এই এইচ টি ইমাম সাহেবরা। ১৫ আগষ্টের মর্মস্পর্শী হত্যাকাণ্ডের যদি বিন্দুমাত্র বিচলিত ও মর্মাহত হতেন এইচ টি ইমাম তাহলে লাশ ডিঙ্গানো ওই মন্ত্রীসভার শপথ পাঠের অনুষ্ঠান পরিচালনা করতেন না। জাস্টিস বি এ সিদ্দিকী আমৃত্যু মুসলিম লীগ করেছেন, তারপরেও লক্ষ লক্ষ মানুষের হত্যাকান্ডের জন্য দায়ী টিক্কা খানের শপথ পড়াননি।’ সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জহিরুল হক শাহজাদা মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
পাঁচ দিনের সফরে সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন এরশাদ
নিয়মিত মেডিকেল চেকআপের জন্য পাঁচ দিনের সফরে সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। গত ২৩ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের এসকিউ-৪৪৭ বিমানযোগে তিনি রওনা দেবেন। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রেস সেক্রেটারি সুনীল শুভরায়কে এ তথ্য জানান। আগামী ১৪ জুলাই সন্ধ্যা ৬টায় তার বাংলাদেশে ফিরে আসার কথা রয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি দেলোয়ার জালালী। সফরসঙ্গী হিসেবে সাবেক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে যাচ্ছেন পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমীন হাওলাদার এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য মেজর (অব) খালেদ আখতার ও প্রেসিডিয়াম সদস্য আলহাজ শফিকুল ইসলাম সেন্টু।
বিএনপি ছাড়া অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্ভব না
অনলাইন ডেস্ক :বিএনপির সঙ্গে সরকারকে সমঝোতায় আসতে বাধ্য করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যরিস্টার মওদুদ আহমদ।তিনি বলেন, বিএনপি ছাড়া অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্ভব না। তাই বিএনপির সঙ্গে সরকারের সমঝোতায় আসতে হবে। আর অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সেদিন হবে যেদিন বেগম খালেদা জিয়া মুক্ত হবে। শনিবার (৭ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার পরিষদ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করে মওদুদ বলেন, আমরা আগেই বলেছি এই নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করতে হবে। খুলনা এবং গাজীপুরের নির্বাচনের মাধ্যমে এই কমিশনের মুখোশ উন্মোচন হয়ে গেছে। আমরা বারবার বলছি আগামী নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিতে হবে। নির্বাচনের ৯০ দিন আগে সংসদ ভেঙে দিতে হবে এবং এই নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করতে হবে।কোটা সংস্কার আন্দোলনের সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক দল জড়িত নেই এমন দাবি করে মওদুদ বলেন, এটা একটা স্বতস্ফুর্ত সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন। ১০০ টা সরকারি চাকরির নিয়োগের মধ্যে ৫৬টি যদি কোটায় চলে যায় তাহলে থাকে কি? বাকি যে ৪৪ শতাংশ নিয়োগ পায় তার মধ্যে রাজনৈতিক প্রভাব খাটানো হয়। প্রধানমন্ত্রী ১১ এপ্রিল সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছেন কোটা পদ্ধতি বাতিল করা হবে। আমরা শুনে তার প্রশংসা করেছিলাম। কিন্তু ২৭ জুন তিনি আবার একই সংসদে দাঁড়িয়ে বললেন কোটা পদ্ধতি থাকবে। আমরা কিভাবে তার কথা বিশ্বাস করবো? প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানাই যে কথা বলেছেন তা রক্ষা করেন। এমনিতেই জনগণের অনেক বিশ্বাস আপনার ওপর থেকে চলে গেছে। গণবিস্ফোরনের মাধ্যমে এই অবৈধ সরকারের পতন ঘটাতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৪৬ বছর পরেও আমাদের চ্যালেঞ্জ এদেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা। এর চেয়ে দুর্ভাগ্যজনক একটা জাতির জন্য আর কি হতে পারে? তাহলে কি এটা একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র ? জাতি কি তাহলে ব্যর্থ হয়ে গেল? আজকে যে সংকট তা নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসবে ততই মজবুত হবে। আমাদের এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য সর্বদলীয় জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি করে গণবিস্ফোরণের মাধ্যমে এই সরকারের পতন ঘটাতে হবে। এর চেয়ে কোনও বিকল্প আর নেই। হয় শান্তিপূর্ণ সমঝোতায় আসতে বাধ্য করা হবে আর না হয় অতীতে যে ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে স্বৈরাচারের পতন ঘটানো হয়েছে তা করতে হবে।দেশের উচ্চতম আদালতের আদেশকে অকার্যকর করার জন্য নিম্ন আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটকে ব্যবহার করা হচ্ছে এমন অভিযোগ করে মওদুদ বলেন, সম্পূর্ণ বানোয়াট মিথ্যা মামলার ওপর ভিত্তি করে খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজকে ৫ মাস হয়ে গেছে তিনি জেলে। আপিল বিভাগ হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছে। তারপরও আমরা তাকে মুক্ত করতে পারছিনা। দেশের উচ্চতম আদালতের আদেশকে অকার্যকর করতে নিম্ন আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটকে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই ম্যাজিস্ট্রেট নির্বাহী বিভাগের কাজ করছে। দেশের মানুষকে বোঝাতে হবে উচ্চতম আদালতের জামিন আদেশ কিভাবে ম্যাজিস্ট্রেট বিলম্ব করে। আজকে খালেদা জিয়ার ব্যপারে এরকম হলে সাধারণ মানুষের কি অবস্থা তাহলে চিন্তা করেন। কোথায় যাবে সাধারন মানুষ যদি আদালতে সুবিচার না পায়। আমরা চাই আইনি প্রক্রিয়ায় খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে নিয়ে আসতে কিন্তু রাজপথ ছাড়া আর কোনও উপায় থাকবে না। আয়োজক সংগঠনের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব আ স ম মোস্তফা কামালের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন-বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান,শামসুজ্জামান দুদু, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মাদ রহমাতুল্লাহ,খালেদা ইয়াসমিন,কৃষকদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক এস কে সাদী প্রমুখ।
রোববার ঢাকা মহানগরীর থানায় থানায় বিক্ষোভ কর্মসূচি
অনলাইন ডেস্ক :বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে ডাকা সমাবেশ করতে না দেওয়ার প্রতিবাদে আগামী রোববার ঢাকা মহানগরীর থানায় থানায় বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েছে দলটি। দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আজ শুক্রবার দুপুরে দলের নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। দলের পক্ষে ঘোষিত কর্মসূচি বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে পালনের জন্য অনুরোধ জানান তিনি। এ সময় আগামী নির্বাচন নিয়ে রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) নতুন রাষ্ট্রদূতকে বলেছেন, চলতি বছরের শেষের দিকে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু আমি তাঁর উদ্দেশে বলতে চাই, বর্তমানে দেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের কোনো পরিবেশ নেই। আর বিএনপির চেয়ারপারসনকে ছাড়া বিএনপি জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেবে না।
বিএনপির তিনশ আসনের তালিকা চূড়ান্ত করার খবর মিথ্যা বানোয়াট
অনলাইন ডেস্ক :বিএনপির তিনশ আসনের তালিকা চূড়ান্ত করার খবর মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ। তিনি বলেন, সরকারের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে এমন সংবাদ প্রচার করা হয়েছে। রিজভী আহমেদ জানান, খালেদা জিয়ার মুক্তি ও নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া কোন জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেবে না বিএনপি। অন্যদিকে, দলটির আরেক নেতা খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, খালেদা জিয়াকে তিলে তিলে নিঃশেষ করতেই জামিন স্থগিত করা হয়েছে। জাতীয় ঐক্য ছাড়া তার মুক্তি সম্ভব নয় বলেও তার দাবি। রাজধানীতে আলাদা আলোচনায় এসব কথা বলেন বিএনপি নেতারা।আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে, বিএনপি তিনশ আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে। একটি জাতীয় দৈনিকে এমন খবর প্রচারের প্রতিবাদ জানাতেই, নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মলেন। পত্রিকাটির সমালোচনা করে দলটির নেতা রিজভী আহমেদ বলেন, খালেদা জিয়ার অসুস্থতা থেকে জনদৃস্টি অন্যদিকে ফেরাতেই সরকার এমন খবর প্রচার করছে।তার বক্তব্য উঠে আসে কোটা আন্দোলন প্রসঙ্গ। সারাদেশে আন্দোলনকারিদের ওপর বর্বর আক্রমন চালানো হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন রিজভী।এদিকে, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক আলোচনায় যোগ দিয়ে আরেক নেতা খন্দকার মাহবুব হোসেন কথা বলেন, খালেদা জিয়ার জামিনের স্থগিতাদেশ নিয়ে। খালেদা জিয়ার মুক্তি ও জাতীয় নির্বাচন ইস্যুতে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করতে নেতাকর্মীদের আহ্বান জানান বিএনপি নেতারা।
কাউকে সরকার রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করতে দিচ্ছে না
অনলাইন ডেস্ক :বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, কাউকে সরকার সভা-সমাবেশ কিংবা রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করতে দিচ্ছে না। প্রতিবাদী কণ্ঠস্বরকে দমিয়ে রাখতে পুলিশ ও দলীয় ক্যাডারদের ব্যবহার করছেন তারা। বৃহস্পতিবার (৫ জুলাই) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। শিক্ষাঙ্গনগুলোতে এখন ছাত্রলীগ ও পুলিশের তাণ্ডবে বিভীষিকাময় অবস্থা বিরাজ করছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনকালে যেভাবে ছাত্রলীগ ও পুলিশের নির্যাতন ও নিপীড়ণের শিকার হচ্ছে, যেভাবে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শিক্ষক ও উদ্বিগ্ন অভিভাবকদের পুলিশি তাণ্ডবের শিকার হতে হয়েছে, যেভাবে শহীদ মিনারে ছাত্রলীগের হাতে ছাত্রীরা লাঞ্ছিত হয়েছে-ছাত্রলীগের এসব তাণ্ডব লগি-বৈঠারই পূনরাবৃত্তি বলে দেশবাসী মনে করে। প্রতিবাদী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বলছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এখন মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। অবৈধ ক্ষমতার বিবর্তনে ভয়াল প্রেতাত্মা হয়ে ভীষণ মূর্তি ধারণ করেছে। শেখ হাসিনার আগ্রাসী থাবায় সারাদেশই এখন বধ্যভূমি- এমন অভিযোগ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, গুম, খুন, অপহরণ, বিচার বহির্ভূত হত্যা, গ্রেপ্তার, নির্যাতন ও দলীয় সন্ত্রাসীদের তাণ্ডবই হলো এখন শেখ হাসিনার টিকে থাকার অবলম্বন। সম্প্রতি ছাত্রলীগ নেতাদেরকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সমালোচনা করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সেখানে তাদেরকে কী ছবক দিয়েছেন তা আল্লাহ মাবুদই জানেন। ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনে আন্দোলনরত সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের রক্তাক্ত করার বীরত্বে তাদেরকে একইভাবে আগামী নির্বাচনে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করতে নির্দেশ দিয়েছেন বলে মনে হয়। প্রধানমন্ত্রীর সাথে হামলাকারী ছাত্রলীগ নেতাদের উক্ত বৈঠক নতুন করে প্রতিবাদকারিদের রক্ত ঝরাতে তাদের আরও উৎসাহিত করবে বলেও অভিযোগ করেন রিজভী। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূইয়া, যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী, যুবদল নেতা গিয়াস উদ্দীন মামুন প্রমুখ।
মির্জা ফখরুল হাসপাতালে
অনলাইন ডেস্ক :অসুস্থ বোধ করায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ জুলাই) সকালে তাকে গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) মোহাম্মদ ইউনুস। ফখরুলের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, ‌‘মহাসচিব কিছুটা অসুস্থ বোধ করছিলেন। চেকআপের জন্য তাকে ইউনাউটেড হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। ওই হাসপাতালে ফখরুল হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মমিন-উজ-জামানের তত্ত্বাবধায়নে আছেন বলে জাহিদ হোসেন জানান। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আগে থেকেই বিভিন্ন ধরনের রোগে আক্রান্ত। তিনি কয়েকবার বিদেশে চিকিৎসা করিয়েছেন। সর্বশেষ গত ২ এপ্রিল বিএনপির মহাসচিব অসুস্থ হয়ে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। দুই দিন চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফেরেন।

রাজনীতি পাতার আরো খবর