পাসপোর্ট জমা দিয়ে ট্রাভেল পারমিট নিয়েছেন তারেক রহমান আইন অনুযায়ী
লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যুক্তরাজ্যের আইন অনুযায়ী পাসপোর্ট জমা দিয়ে ট্রাভেল পারমিট নিয়েছেন বলে দাবি করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১১ টার দিকে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন। মির্জা ফখরুল বলেন, লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সেই দেশের আইন অনুযায়ী পাসপোর্ট জমা দিয়ে ট্রাভেল পারমিট নিয়েছেন। সরকারের লোকদের পক্ষ থেকে সামাজিক মাধ্যম ও গণমাধ্যমে তারেক রহমান বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রত্যাহার করেছেন মর্মে যে প্রচার চালাচ্ছে তা রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক। তিনি বলেন, তারেক রহমান সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সন্তান। তিনি একজন সম্মানিত নাগরিক। তার বিরুদ্ধে সরকার ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালাচ্ছে। এসব অপপ্রাচার বন্ধের জন্য আমরা আহ্বান জানাচ্ছি। ফখরুল বলেন, সরকারের লোকজনের এসব বক্তব্য-বিবৃতির কারণে তারেক রহমানের জীবন এখন নিরাপত্তাহীনতায় আছে।
রিজভীর মিছিল-সুয্যি মামা জাগার পরেই
আবারও শহর জেগে উঠার আগেই দলীয় কার্যালয় থেকে ঝটিকা মিছিল করে আবার কার্যালয়ে ঢুকে গেলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বৃহস্পতিবার রিজভী যখন মিছিল করেছেন, তখন ভোরের সূর্য উঠলেও অতটা দৃষ্টিগ্রাহ্য হয়নি। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী আজ সূর্য উঠেছে ভোর পাঁচটা ৩৪ মিনিটে। আর রিজভী মিছিল বের করেন ভোর পৌনে ছয়টায়। বিএনপি অফিসের কর্মচারী শামিমুর রহমান জানান, ভোরে রিজভীর নেতৃত্বে মিছিলটি নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয় থেকে কাকরাইল অভিমুখে কিছুদূর এগিয়ে যাওয়ার পর আবার ফিরে আসে। এতে যুবদল, স্বেছাসেবকদল ও ছাত্রদলের কয়েকজন কর্মী ছিলেন। জনা বিশেক কর্মী নিয়ে মিছিলটি যখন বের হয় তখন পুলিশ তো দূরের কথা নয়াপল্টন এলাকার দোকানপাটও খোলেনি। কাকডাকা ভোরে তেমন কোনো পথচারীদেরও দেখা মেলেনি। গত ১৭ মার্চ এবং তার এক সপ্তাহ আগেও সূর্য উঠার পর পর নয়াপল্টনে ঝটিকা মিছিল করেন রিজভী। দুই দিনই গোটা দশেক নেতা-কর্মী নিয়ে দলীয় কার্যালয়ের সামনে কিছুদূর অগ্রসর হয়েই ফিরে আসেন বিএনপি নেতা। বিএনপির কর্মসূচি থাকলে নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ে সকাল থেকেই থাকে পুলিশের কড়া পাহারা। প্রায়ই বিভিন্ন মামলার আসামি নেতা-কর্মীদেরকে গ্রেপ্তারও করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রিজভীও একাধিক মামলার আসামি। আর গ্রেপ্তার এড়াতে ২৯ জানুয়ারি থেকে তিনি দলীয় কার্যালয়ে অবস্থান করছেন। ৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচিতে রিজভী দলীয় কার্যালয়ের বারান্দা থেকে স্লোগান দিয়েছেন। মাঝে লিফফেট বিতরণের দিন তিনি সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য কার্যালয়ের নিচে নেমেছিলেন। কিন্তু পুলিশ দেখে আবার উঠেও পড়েন। ১০ মার্চ ভোরের সেই মিছিলের পর রুহুল কবির রিজভী ঢাকাটাইমসকে বলেন,আমার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আছে। তাই সকালেই কার্যালয় থেকে বেরিয়ে কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছি।
বিএনপি বনাম জামায়াত গাজীপুরে
খুলনা সিটি করপোরেশনে না দিলেও গাজীপুরে মেয়র পদে প্রার্থী দিয়েছে বিএনপির শরিক জামায়াতে ইসলামী। তবে নিবন্ধন বাতিল হওয়ায় দলীয় প্রতীকে ভোট করা সম্ভব নয় বলে দলটির নেতা প্রার্থিতা জমা দিয়েছেন স্বতন্ত্র হিসেবে। জাতীয় পর্যায়ে দল দুটি সব জায়গায় একসঙ্গে লড়াই করলেও গাজীপুরে পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হওয়া আলোচনার খোরাক জুগিয়েছে গাজীপুরে। জামায়াতের এমন কাজে বিস্মিত হয়েছে বিএনপি। দলের কেন্দ্রীয় এবং গাজীপুরের নেতারা বলছেন, ২০ দলীয় জোটের সবশেষ বৈঠকে একসঙ্গে নির্বাচন করার বিষয়ে কথা হয়েছিল। তারপরও জামায়াত গাজীপুরে প্রার্থী দিয়ে অঙ্গীকার ভঙ্গ করেছে। গাজীপুরে জামায়াতের স্বতন্ত্র প্রার্থী বলছেন, তাকে ভোট থেকে সরে দাঁড়াতে হবে, এমন কোনো নির্দেশনা কেন্দ্র থেকে আসেনি। বরং তিনি মনে করেন বিএনপিই তাকে সমর্থন দিয়ে তাদের প্রার্থী প্রত্যাহার করে নেবে আগামী ডিসেম্বর বা জানুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে পাঁচ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দুই প্রধান দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির লড়াইয়ের দিকে দৃষ্টি থাকবে সারা দেশের। এর মধ্যে আগামী প্রথম পর্বে গাজীপুর ও খুলনায় ভোট হবে আগামী ১৫ মে। এর মধ্যে গাজীপুরে বিএনপি প্রার্থী করেছে হাসান উদ্দিন সরকারকে। তাকে মোকাবেলা করতে হবে আওয়ামী লীগের জাহাঙ্গীর আলমকে। খুলনায় বিএনপি প্রার্থী করেছে নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে। তিনি মোকাবেলা করবেন আওয়ামী লীগের তালুকদার আবদুল খালেককে। গাজীপুরে নিজেরা প্রার্থী না দিয়ে আওয়ামী লীগের জাহাঙ্গীর আলমকে সমর্থন দেয়ার কথা জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির স্থানীয় নেতারা। এই দিক দিয়ে কিছুটা হলেও বিএনপির জন্য বেকায়দা করে দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। এখানে হাসান উদ্দিন সরকারের একজন প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত নেতা সানাউল্লাহ। তিনি প্রার্থিতা জমা দিয়েছেন এবং সেটা বৈধও ঘোষণা হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী বিধায় তার পক্ষে এক শতাংশ ভোটারের সমর্থন আগেই জমা দিতে হয়েছে। সানাউল্লাহ ঢাকাটাইমসকে বলেন, জামায়াতের নিবন্ধন প্রক্রিয়া বাতিল হওয়ার কারণে দলীয়ভাবে নির্বাচন করতে পারিনি। রাজনৈতিক দল হিসেবে জনগণের প্রতিনিধিত্ব করার নিমিত্তে সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছি। জোটের প্রধান শরিক বিএনপিকে চ্যালেঞ্জ করার বিষয়ে জানতে চাইলে জামায়াত নেতা বলেন, আমরা জোটের মধ্যে আছি, আলাপ আলোচনা চলছে। সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে আমরা প্রত্যাশা করছি ২০ দল থেকে আমাদেরকে সমর্থন জানানো হবে। তবে বিএনপি নেতারা বলছেন, প্রার্থিতা প্রত্যাহারে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত সময় আছে। এর মধ্যে কেন্দ্রীয়ভাবে জামায়াতের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে সানাউল্লাহকে বসিয়ে দেয়ার বিষয়ে তারা আত্মবিশ্বাসী। গাজীপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী ছাইয়্যেদুল আলম বাবুল ঢাকাটাইমসকে বলেন,আমরা মনে করি ২০ দলীয় ঐক্যজোটের পক্ষ থেকেই আমাদের প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। জোটের অন্য যারা ফরম তুলেছেন তাদের বিষয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে যোগাযোগ হচ্ছে। আমরা আশা করি ২০ দলীয় জোট ঐক্যবদ্ধভাবেই ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবে। বিষয়টি খুব কঠিন বলে আমরা মনে করছি না। বিএনপি প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার বলেন,২০ দলীয় জোটের ঐক্য সময়ের ব্যাপার মাত্র। আশা করছি শিগগির অপর প্রার্থীরা বিএনপিকে সমর্থন দেবে। এর আগে উচ্চ আদালতের রায়ে আটকে যাওয়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও জামায়াত সেখানে প্রার্থী দিয়েছিল। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটের লড়াইয়ে নামতে প্রস্তুত ছিলেন সেলিম উদ্দিন। জামায়াতের সূত্র জানায়, ঢাকা উত্তরের পর গাজীপুরেও তাদের প্রার্থী দেয়ার উদ্দেশ্য বিএনপির ওপর চাপ সৃষ্টি। সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জামায়াত বিএনপির সমর্থন আশা করে। আর এই লক্ষ্য নিয়েই আগাচ্ছে তারা। ২০ দলের নেতারা জানান, জোটের সবশেষ বৈঠকে গাজীপুরে জামায়াতের মেয়র পদে প্রার্থী দেয়া নিয়ে চাপে ছিলেন বৈঠকে উপস্থিত জামায়াতের প্রতিনিধি আব্দুল হালিম। সেদিন বিএনপির পক্ষ থেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে তাদেরকে জানানোর কথা বললেও জামায়াত সিদ্ধান্ত জানায়নি এখনও। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ২০ দলের সমন্বয়ক নজরুল ইসলাম খান ঢাকাটাইমসকে বলেন,সিটি নির্বাচনে ২০ দলের জোটগত প্রার্থী দেওয়ার বিষয়ে জোটের বৈঠকেই সিদ্ধান্ত হয়েছে। তারপরেও জামায়াত স্বতন্ত্রভাবে গাজীপুরে প্রার্থী দিয়েছে। সেটি নিয়েও জোটের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। তারা আমাদের কাছে সময় চেয়েছে। এখন প্রয়োজনে আবারও তাদের কাছে বিষয়টি নিয়ে জানতে চাওয়া হবে। তবে এটি নিয়ে খুব বেশি সমস্যা হবে না। শেষ পর্যন্ত জামায়াতের প্রার্থী যদি থেকেই যায় তাহলে কী হবে- এমন প্রশ্নে বিএনপি নেতা বলেন,আলোচনা হচ্ছে। আশা করি সমস্যা থাকবে না। শেষ পর্যন্ত ২০ দলের প্রার্থী একজনই থাকবে আমরা আশা করি। জামায়াতের একজন নেতা ঢাকাটাইমসকে বলেন,গাজীপুরে মেয়র পদে প্রার্থিতা প্রত্যাহার বা বিএনপিকে সহযোগিতার বিষয়ে কোনো প্রস্তাব এখনও দেয়া হয়নি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে নজরুল ইসলাম খান বলেন,এ কথা সত্য নয়। জোটের বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। শরিকরা সবাই জোটের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করবেন সেটাও সিদ্ধান্ত হয়েছে। সুতরাং এমন কথা সঠিক না। বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ঢাকাটাইমসকে বলেন, এটা এক ধরনের কৌশল। তবে দেখবেন যথাসময়ে তাদের প্রার্থিতা শুধু প্রত্যাহার নয়, জামায়াতের প্রার্থী মঞ্চে এসে বক্তব্যও দেবেন।
মোকাবেলায় প্রস্তুত আ.লীগ-বিএনপি কোন্দল মিটিয়ে খুলনায়
খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রার্থিতা বাছাইয়ের আগে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপিতে ছিল কোন্দল আতঙ্ক। নিজ দলের নেতারাই হারের কারণ হয় কি না, এ নিয়ে ছিল নানা কথাবার্তা। তবে দুই দলের প্রার্থী বাছাইয়ে বুদ্ধিমত্তার কারণে দুই দলেই কোন্দল দূর হয়েছে। পরস্পরকে মোকাবেলার জন্য একাট্টা আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। আগামী ১৫ মে যে দুই মহানগরে ভোট হবে তার একটি খুলনা। সেদিন দক্ষিণের এই শহর আর ঢাকা লাগোয়া গাজীপুরের ভোট আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে জনতার মাঝে দুই প্রধান দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির অবস্থানের একটি পরীক্ষা হবে। আর এই পরীক্ষায় পাস করতে দুই দলই প্রস্তুতি নিচ্ছে ব্যাপক। ২০১৩ সালে দেশের পাঁচ মহানগর খুলনা, রাজশাহী, বরিশাল, সিলেট এবং গাজীপুরে জিতেছিলেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা। এবার ভোট হবে সরাসরি দলীয় প্রতীকে। খুলনায় তখন ২০০৮ সালের ভোটে বিজয়ী তালুকদার আবদুল খালেকের পরাজয়ের জন্য যেসব কারণ বিবেচনা করা হয় তার একটি ছিল দলের ভেতরে বিরোধ। মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে দৃশ্যমান উন্নয়নের সঙ্গে ৬০ হাজারেরও বেশি ভোটে পরাজয় সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। ওই ভোটের আগে থেকেই জানা যাচ্ছিল স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী কয়েকজন নেতা খালেকের বিরোধিতা করছেন। আর ভোটের পরে দেখা যায়, আওয়ামী লীগের নেতাদের প্রভাবিত এলাকায় খালেক ভোট পেয়েছেন অনেক কম। পাঁচ বছর আগের এই অভিজ্ঞতার কারণেই খালেক এবার খুলনায় ভোটে লড়তে রাজি ছিলেন না। দলের মনোনয়ন ফরমও কেনেননি তিনি। আর ভোটে আগ্রহী নন জানিয়ে দেয়ার পর প্রার্থিতার দৌঁড়ে ছিলেন আওয়ামী লীগের পাঁচ জনেরও বেশি নেতা। এদের কাউকে মনোনয়ন দিলে পাঁচ বছর আগের মতোই পরিস্থিতি হয় কি না, এ নিয়ে তৈরি হয় শঙ্কা। একেক নেতা একেক বলয় তৈরি করলেও এবার খালেকের পক্ষে একাট্টা খুলনা আওয়ামী লীগ। তাকে মনোনয়ন দিতে সর্বসম্মত প্রস্তাব পাঠানো হয় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রে। আর শেখ হাসিনা তাকেই বেছে নেন। এরপর খালেক বাগেরহাট-৩ আসনের সংসদ সদস্যপদ ছেড়ে খুলনায় ভোটে দাঁড়িয়েছেন। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতা এস এম কামাল ঢাকাটাইমসকে বলেন, নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করবেন না, এমন নেতাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করার নির্দেশ রয়েছে। বর্তমানে খুলনার সকল নেতা-কর্মী ঐক্যবদ্ধ। এখন কোনো কোন্দল নেই। সকলে দলের প্রার্থীদের নির্বাচিত করার লক্ষ্যে একট্টা হয়ে মাঠে নেমেছেন। মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান বলেন,প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে খুলনা সিটি উপহার দিতে চাই। আমাদের মধ্যে কোন কোন্দল নেই। সকল ভেদাভেদ ভুলে নেতাকর্মীরা তালুকদার আব্দুল খালেককে বিজয়ী করতে মাঠে কাজ করছে। খালেকের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তাকে প্রার্থী হিসেবে বাছাই করাটা অনেকটাই ছিল চমকের মতোই। যদিও এবারও ২০১৩ সালে জয়ী মনিরুজ্জামান মনি প্রার্থী হচ্ছেন, এটাই ছিল অনুমিত। খুলনা জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতাদের মধ্যে গত সাত-আট বছর ধরেই কোন্দল ছিল প্রকাশ্যে। এক পক্ষের সঙ্গে অন্য পক্ষের মুখ দেখাদেখিই ছিল বন্ধ। ২০১৩ সালে এই নগরে বিএনপির সমর্থন না পেয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনা প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট হয়েছিলেন মনিরুজ্জামান মনির। এবার মনিকে মনোনয়ন দিলে মানবেন না ঘোষণা দিয়ে রেখেছিলেন মনা। তিনি আশা করেছিলেন, তার হাতেই উঠবে ধানের শীষ। তবে মনি দলের প্রতীক না পাওয়ায় মনা তার অপ্রাপ্তির বেদনা ভুলেছেন। খুলনায় নগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি একটি উপদলের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। তাদের প্রতিপক্ষ নগর বিএনপির সহ-সভাপতি শাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা ও কোষাধ্যক্ষ আরিফুর রহমান মিঠুর অনুসারীরা। এই দুই প্রতিপক্ষের মধ্যে কয়েক দফা সঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন, মিছিল-সমাবেশের মতো ঘটনা ঘটেছে খুলনায়। এবার ভোটে এর প্রভাব পড়ে কি না এ নিয়ে দুশ্চিন্তা ছিল বিএনপির মধ্যে। এই পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ এপ্রিল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান যুক্তরাজ্য থেকে মুঠোফানে কথা বলেন খুলনা জেলা ও মহানগরের কয়েকজন নেতার সঙ্গে। সেই থেকে বিএনপির নেতা-কর্মীরা কোন্দল ভুলে দলীয় প্রার্থীকে জেতাতে একসঙ্গে কাজ শুরু করেছেন। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমীর এজাজ খান বলেন, দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে কাজ না করা তো দূরের কথা, যদি কেউ নির্বাচনে প্রকাশ্যে দলের প্রার্থীর পক্ষে মাঠে না থাকে তাকে দল থেকে বহিষ্কারের নির্দেশ রয়েছে। জেলা বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনা বলেন, আমাদের মধ্যে কোন বিভেদ নেই। আমরা দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করে দেশনেত্রীকে (খালেদা জিয়া) আবার খুলনা সিটি উপহার দেব। আগামী ১৫ মের ভোটে খালেক ও মঞ্জু ছাড়াও ইসলামী আন্দোলনের মোজাম্মেল হক, সিপিবির মিজানুর রহমান এবং জাতীয় পার্টিও এস এম মুশফিকুর রহমানের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সুযোগ আছে। খুলনায় জোর প্রচার আছে জাতীয় পার্টি প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে আওয়ামী লীগকে সমর্থন দেবে।
পরবর্তী টার্গেট তারেক শেখ হাসিনার : রিজভী
খালেদা জিয়াকে জেলে নেয়ার পর এবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরবর্তী টার্গেট বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান বলে মন্তব্য করেছেন দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ। তারেক রহমানকে দেশে ফেরানোর ব্যাপারে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, দেশে তো আওয়ামী বিচার হচ্ছে এখানে হচ্ছে শেখ হাসিনার বিচার এটা তো প্রকৃত আইনের বিচার না। আইনের শাসনকে তারা কালো কাপর দিয়ে জুড়ে রেখেছে। তার যে মনের ক্ষোভ প্রতিহিংসা সেটার চরিত্রার্থ করার জন্যই তাকে (তারেক) টার্গেট করেছে। আরও একটি রোডম্যাপ তিনি করেছেন। এটাতে কোনো লাভ হবে না। পৃথিবীর সব দেশ তো শেখ হাসিনার দেশের মতো অগণতান্ত্রিক দেশ না, নিষ্ঠুর নির্দয়ের দেশ না। বুধবার (১৮ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়াকে কারাগারে কোনো চিকিৎসাই দেয়া হচ্ছে না অভিযোগ করে রুহুল কবির রিজভী বলেন,বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা নিয়ে বারবার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করলেও কারা কর্তৃপক্ষ কোনো উদ্যোগই গ্রহণ করছে না। বিএনপি এই নেতা বলেন, সরকারি মেডিকেল বোর্ড খালেদা জিয়াকে বেড দেওয়াসহ যেসব চিকিৎসার সুপারিশ করেছিল, তা এখন পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা হয়নি। কারাগারে খালেদা জিয়ার কোনো চিকিৎসাই হচ্ছে না। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের দ্বারা যেসব চিকিৎসাসেবা পেতেন, সে সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন। রিজভীর কথা, মনে হচ্ছে এর পেছনে সরকারি কোনো গভীর চক্রান্ত রয়েছে। রিজভী বলেন,খালেদা জিয়ার চিকিৎসা ও অসুস্থাকে আড়াল করতে সরকার নানা ফন্দিফিকির করছে। খালেদা জিয়াকে তার নিজস্ব চিকিৎসকদের দিয়ে চিকিৎসাসেবা প্রদান ও রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়ার জন্য আবারও দাবি জানান সাবেক এই ছাত্রনেতা। সংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,প্রধানমন্ত্রী তো চাইবেন তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ধ্বংস করতে। তিনি যেমন অন্যায়ভাবে খালেদা জিয়াকে কারারুদ্ধ রেখে জুলুম-নির্যাতন করছেন, চিকিৎসা করতে দিচ্ছেন না, শারীরিক ও মানুষিকভাবে হেনস্তা করছেন। এখন তার পরবর্তী টার্গেট হচ্ছে তারেক রহমান। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আবদুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব মজিবর রহমান সরোয়ার, সহসাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম, সহদপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেন প্রমুখ।
ফিরিয়ে আনা হবে তারেক রহমানকে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে আদালতের মুখোমুখি করার অঙ্গীকার করেছেন। মঙ্গলবার বিকেলে ওভারসিজ ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটে (ওডিআই) বাংলাদেশের উন্নয়ন গল্প: নীতি, অগ্রগতি ও সম্ভাবনা শীর্ষক অনুষ্ঠানে ভাষণ দেয়ার পর প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী বলেন,এ ব্যাপারে আমরা যুক্তরাজ্য সরকারের সঙ্গে কথা বলছি এবং অবশ্যই একদিন আমরা তাকে দেশে ফিরিয়ে আনবো। তাকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। তারেক রহমানকে আশ্রয় দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাজ্য সরকারেরও সমালোচনা করেন। তিনি বলেন,যুক্তরাজ্য একটি অবাধ স্বাধীনতার দেশ এবং এটি সত্যি যে, যেকোনো ব্যক্তি এখানে আশ্রয় নিতে এবং শরণার্থী হতে পারে। তবে তারেক রহমান অপরাধের কারণে আদালত কর্তৃক একজন দন্ডিত ব্যক্তি। আমি বুঝতে পারি না, একজন দন্ডিত ব্যক্তিকে কিভাবে যুক্তরাজ্য আশ্রয় দিয়েছে। রোহিঙ্গা ইস্যু প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, তাদের প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ মিয়ানমারের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ মিয়ানমারের প্রতি বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ দেখিয়ে আসছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মন্ত্রীরা উভয় দেশ সফর করেছেন। সংকটের সমাধান খুঁজে বের করতে আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিয়ানমারের সকল প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তিনি বলেন, মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে আগ্রহ দেখালেও বাস্তবে তারা কিছুই করেনি। তাই আমরা চাচ্ছি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এ ব্যাপারে মিয়ানমারের ওপর আরো চাপ সৃষ্টি করুক। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্ষা মৌসুমের আগমনে সেখানে দুর্ঘটনার আশংকা রয়েছে। তাই সরকার সকল ব্যবস্থা নিয়েছে এবং তাদেরকে একটি ভাল জায়গায় স্থানান্তরের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, যাতে তারা সেখানে ভালভাবে থাকতে পারে।
প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারেননি শেখ হাসিনা: এরশাদ
১০ টাকা কেজির চাল আর ঘরে ঘরে চাকরি দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এলে তিনি তার দেয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারেননি বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। তিনি বলেছেন,দেশের মানুষ ১০ টাকা কেজির চাল ৪০/৫০ টাকায় কিনছে আর বেকাররা চাকরিও পায়নি। সোমবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে নীলফামারীর জলঢাকা ডাকবাংলো মাঠে জাতীয় পার্টিতে যোগদান উপলক্ষে এক জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। এরশাদ বলেন,উন্নয়ন যতটুকু হয়েছে সব ঢাকায়, ঢাকার বাহিরে কোনো উন্নয়ন হয়নি। আমি তিস্তা ব্যারেজ করেছিলাম, তবে তিস্তা আজ ধু ধু বালুচর। তিস্তা নদীতে এখন গরু গাড়ি চরে। তিনি আরও বলেন,বর্তমান সরকারের সময় মানুষ অত্যাচার, খুন, গুম আর জুলুম ছাড়া কিছুই পায়নি। আগামীতে জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় আসলে দেশের মানুষ শান্তিতে থাকবে। জলঢাকা উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি শাহ্ আব্দুল কাদের বুলু চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মমিনুল ইসলাম মঞ্জুর সঞ্চালনায় এসময় আরো বক্তব্য দেন, দলের কো-চেয়ারম্যান জি.এম কাদের, প্রেসিডিয়াম সদস্য মেজর (অব.) খালেদ আক্তার, স্থানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গা এমপি, রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তাফা, বিরোধী দলীয় হুইপ শওকত আলী চৌধুরী এমপি, গাইবান্ধা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, নীলফামারী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জাফর ইকবাল সিদ্দিকী, নীলফামারী জেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব এ.কে. এম সাজ্জাদ পারভেজসহ জেলা ও উপজেলা নেতৃবৃন্দ। এর আগে বিভিন্ন দলের শতাধিক কর্মী এরশাদের হাতে ফুলের তোড়া উপহার দিয়ে জাতীয় পার্টিতে যোগদান করেন।
শাহবাগ চত্বরে ২৪ এপ্রিল মুক্তিযোদ্ধা মহাসমাবেশ
জাতীয় অস্তিত্ব রক্ষা, স্বাধীনতা, স্বার্বভৌমত্ব ও স্থিতিশীলতার বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করার লক্ষ্যে আগামী ২৪ এপ্রিল (মঙ্গলবার) রাজধানীর শাহবাগে মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধারা। সোমবার (১৬ এপ্রিল) জাতীয় প্রেসক্লাবে মুক্তিযোদ্ধা মহাসমাবেশ বাস্তবায়ন পরিষদ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে একথা এ ঘোষণা দেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আবদুল আহাদ চৌধুরী। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, কোটা সংস্কারের নামে স্বাধীনতা বিরোধীদের এজেন্টরা ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। তারা আন্দোলনের নামে মুক্তিযুদ্ধ ও জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করেছে। আবদুল আহাদ চৌধুরী বলেন, স্বাধীনতা বিরোধীরা যে ষড়যন্ত্রের জাল বুনছে এমন পরিস্থিতিতে দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধারা চুপচাপ বসে থাকতে পারে না। স্বাধীনতাবিরোধীদের এই হীন চক্রান্তকে প্রতিহত করা এখন ঐতিহাসিকভাবে প্রয়োজন এবং তা সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে। সকল মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের সন্তানদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এই পরিস্থিতিতে কোনো দ্বিধা-দ্বন্দ্ব নয়, কোনো বিভাজন নয়, কোনো নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা নয়। সব মুক্তিযোদ্ধা, তাদের সন্তান এবং দেশপ্রেমিক জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই চক্রান্তকে প্রতিহত করতে হবে। আগামী ২৪ এপ্রিল ( মঙ্গলবার) দুপুর ২টায় শাহবাগ চত্বরে মুক্তিযোদ্ধা মহাসমাবেশে প্রিয় স্বাধীনতার বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করার লক্ষ্যে কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে তিনি জানান। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, মুক্তিযোদ্ধা মহাসমাবেশ বাস্তবায়ন পরিষদের সদস্যসচিব মো. মিনহাজুর রহমান, আবদুস সালাম মজুমদার, সেলিম চৌধুরী প্রমুখ। এদিকে শ্রমিক কর্মচারি পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদ এবং মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম সমন্বয় পরিষদ আহুত ৩০ এপ্রিল মহাসমাবেশ ও ২২ এপ্রিলের মুক্তিযোদ্ধা প্রতিনিধি সভা স্থগিত করা হয়েছে। সমন্বয় পরিষদের আহ্বায়ক ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান স্বাক্ষরিত পরিষদের সোমবার (১৬ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। তবে সমন্বয় পরিষদের ১৮ এপ্রিল (বুধবার) প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারক লিপি দেয়ার কর্মসূচি বহাল রয়েছে।