রুখে দাঁড়াতে হবে স্বাধীনতাবিরোধীদের বিরুদ্ধে: তোফায়েল
অনলাইন ডেস্ক: ভোলা-১ আসনের আওয়ামী লীগ প্রার্থী বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, যারা ’৭১ সাল মাকে ছেলেহারা করেছে, বাবাকে পুত্রহারা করেছে, বোনকে স্বামীহারা করেছে, সেই স্বাধীনতাবিরোধীদের সঙ্গে যারা হাত মিলিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার চেতনা নিয়ে দেশবাসী যেন রুখে দাঁড়াতে হবে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর রক্তে গড়া দল আওয়ামী লীগকে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আবারও বিজয়ী করতে হবে। এটিই আমার বিজয় দিবসের প্রত্যাশা। রোববার (১৬ ডিসেম্বর) ভোলায় মহান বিজয় দিবসের প্রথম প্রহরে শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি বাংলাদেশ আজ সঠিক পথে এগিয়ে চলেছে। এখানে যতি কোনো ব্যত্যয় ঘটে তাহলে আবার ২০০১ সালের মতো বাংলাদেশ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যাবে। সেজন্য বাংলার মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে বিজয় করে শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করবে। পরে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল মমিন টুলু, পুলিশ সুপার মো. মোকতার হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
প্রচারে নামতে দেয়া হচ্ছে না আমাদের: ফখরুল
অনলাইন ডেস্ক: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও গ্রহণযোগ্য করার জন্য আমরা সুষ্ঠু পরিবেশ চেয়েছিলাম, যা এখনও পাইনি। অথচ ভোটের বাকি মাত্র দুই সপ্তাহ। আমাদের প্রার্থীদের এখনও গুলি করা হচ্ছে, প্রচারে নামতে দেয়া হচ্ছে না, কর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। তিনি বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ করার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড সৃষ্টির যে দাবি বিরোধী দল জানিয়ে আসছে সেটি এখনও তৈরি হয়নি। রোববার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান বিজয় দিবসে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো শেষে এসব কথা বলেন তিনি। উল্লেখ্য, গতকাল শনিবার নোয়াখালীতে বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন নির্বাচনী গণসংযোগ করতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। গ্রেফতার করা হয়েছে বিএনপির প্রার্থী খায়রুল কবির খোকন ও ফজলুল হক মিলনকে। এসব বিষয়ে ইঙ্গিত করে মির্জা ফখরুল বলেন, দেশ একদিকে বিজয় দিবস পালন করছে। অন্যদিকে দেশে চলছে অত্যাচার, অনাচার, অন্যায়। একটি জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে অগণতান্ত্রিক চর্চা অব্যাহত রাখা হয়েছে। বিরোধী শক্তি দমনে চলছে নানা তৎপরতা। তিনি বলেন, বিজয়ের ৪৭ বছরে এসে আজ গণতন্ত্র কারারুদ্ধ। দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য আমাদের আন্দোলন চলবে। এ সময় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহানসহ বিএনপির বিপুল নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
ছদ্মবেশি মুক্তিযোদ্ধারা বিএনপির নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ: কাদের
অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবাদুল কাদের বলেছেন, নীল নকশা অনুযায়ী ঐক্যফ্রন্ট নিজেরা নিজেদের ওপর হামলা চালিয়ে সরকারের ওপর দায় চাপাচ্ছে। তিনি রোববার সকালে ফেনীতে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে সাংবাদিকদের কাছে এ মন্তব্য করেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, সাম্প্রদায়িক অপশক্তির সাথে ছদ্মবেশী মুক্তিযোদ্ধারা বিএনপির নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। এ অশুভ অপশক্তিকে প্রতিহত করে, পরাজিত করে বিজয়ী হতে হবে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। শপথ নিতে হবে, মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমরা সুশাসনের পথে সব চ্যালেঞ্জকে অতিক্রম করব। পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য এটি জনগণের কাছে আমাদের ওয়াদা। দেশে সুশাসন থাকবে, আমরা বাংলাদেশকে মডেল দেশ গড়ব। তিনি বলেন, জনগণের সমর্থন না পেয়ে বিএনপি উসকানিমূলক কাজে জড়িয়ে পড়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুর রহমান বিকম, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য জাহানারা বেগম সুরমা, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এ্যাড. হাফেজ আহাম্মদ, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শুসেন চন্দ্রশীলসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী। ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, আমরা মঙ্গাকে যেভাবে জাদুঘরে পাঠিয়েছি, সেভাবেই দারিদ্র্য-বেকারত্বকে জাদুঘরে পাঠাব। সে লক্ষ্যেই ২০২৪ সালের টার্গেট পূরণ করব।
নষ্ট রাজনীতির প্রবর্তক ড. কামাল: ওবায়দুল কাদের
জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন বাংলাদেশের নষ্টর রাজনীতির প্রবক্তা বলে আখ্যায়িত করলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ড. কামাল তার স্বরূপ ঢাকতে পারেননি। তিনি প্রমাণ করলেন যে তিনি বাংলাদেশের নষ্ট রাজনীতির প্রবক্তা। ড. কামাল প্রমাণ করলেন মানুষের শক্তি যত কমে আসে, তার মুখের বিষ তত উগ্র হয়ে যায়। নিজের নির্বাচনী এলাকা নেয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ যাওয়ার পথে শনিবার দুপুরে ফেনীর দাগনভূইয়ায় যাত্রাবিরতির সময় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। সাংবাদিকদের খামোশ বলে ড. কামাল পুরনো পাকিস্তানি ভাষার ব্যবহার করেছেন বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, তিনি (কামাল) এত নিচে নেমে গেছেন, ভাবতেও অবাক লাগে। কাদের বলেন, সারা দেশে নৌকার জোয়ার দেখে ঐক্যফ্রন্টের নেতারা বেপরোয়া বাসচালকের মতো হয়ে পড়েছেন। তিনি আরও বলেন, মির্জা ফখরুল বা বিএনপির সঙ্গে শতকরা ১০ জন লোকও নেই। আর আওয়ামী লীগের সঙ্গে ৯০ শতাংশ লোক রয়েছে। নির্বাচনী সহিংসতার জন্য বিএনপিকে দায়ী করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির জন্য বিএনপিই দায়ী। তারা পল্টনে পুলিশের উপর হামলা করে এ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের উদ্বোধন করেছেন। তারা নিজেরা নিজেদের সঙ্গে গণ্ডগোল করে নিউজ তৈরি করতে চাইছে। তবে আমি চাই না, তারা (বিএনপি) নির্বাচন থেকে সড়ে দাঁড়াক, বলেন তিনি। নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে বিএনপির অভিযোগের ব্যাপারে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, এসব অভিযোগ অসহায়ের সংলাপ। এসসয় মন্ত্রী আরও বলেন, দাগনভুঞাঁ থেকে চৌধুরী হাট পর্যন্ত রাস্তা প্রশসস্তকরণের কাজটি দীর্ঘদিন পরে হলেও সুগম হয়েছে। ইতিমধ্যে রাস্তা প্রশস্তকরণে জায়াগার মালিকদের ক্ষতিপূরণ বাবদ সড়ক ও জনপদ বিভাগ ১০ কোটি টাকা দিয়েছে বলে জানান তিনি। এসময় উপস্থিত ছিলেন, দাগনভুঞাঁ উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা যুবলীগের সভাপতি দিদারুল কবির রতনসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী।
আন্তরিকভাবে দুঃখিত আমি: ড. কামাল
অনলাইন ডেস্ক: ঢাকার মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে জামায়াত নিয়ে প্রশ্ন করায় শুক্রবার (১৪ ডিসেম্বর) সাংবাদিকের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন। এ ঘটনার পর আজ শনিবার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দুঃখ প্রকাশ করেছেন তিনি। ১৪ ডিসেম্বর সাংবাদিকরা আগামী নির্বাচনে জামায়াত প্রশ্নে ঐক্যফন্টের অবস্থান জানতে চাইলে ড. কামাল হোসেন সাংবাদিকদের ভৎসনা করেন এবং অসম্মানের সঙ্গে উল্টো জিজ্ঞাসা করেন কতো টাকা পেয়েছো? কাদের টাকায় এসব বেহুদা প্রশ্ন করছো, তোমার নাম কী? দেখে নেবো, কোন টিভি/পত্রিকায় কাজ করো, চিনে রাখব। এসময় তিনি প্রশ্নকারী সাংবাদিকের নাম পরিচয় জানতে চাওয়ার পাশাপাশি তাকে খামোশ বলে ধমক দেন। প্রশ্নকারী সাংবাদিকদের চিনে রাখার কথাও বলেছেন প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ। সংবাদপত্রে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বিষয়টিকে ব্যাখ্য করেছেন। এতে তিনি বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস বাংলাদেশের সকল নাগরিকের জীবনে অসামান্য তাৎপর্যপূর্ণ। আমি প্রত্যেক বছরের মতো এবারও শহীদ বুদ্ধজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে মিরপুর স্মৃতিসৌধে গিয়েছি। এই দিনে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিল, যার মধ্যে আমার অনেক ঘনিষ্ঠ বন্ধুরাও ছিলেন। ১৯৭২-৭৩ সালে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনায় স্বাধীনতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য প্রণীত আইনগুলোর সঙ্গে জড়িত থাকতে পারা আমার কাছে সর্বদাই আবেগ অনুভূতির বিষয়। আমি বিশ্বাস করি, সর্বস্তরের মানুষ শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শুধুই শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য যান। তিনি বলেন, ১৪ ডিসেম্বর শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে স্মৃতিসৌধের বেদিতে দাঁড়িয়ে আমি বলেছিলাম, আমরা কতো মেধাবী সন্তানদের হারিয়ে তবে স্বাধীনতা পেয়েছি। তখন হঠাৎ করে বেদিতেই আমার কাছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে জামায়াতের অবস্থানের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলো। আমি তাৎক্ষণিক সবিনয়ে বলি, আজকের এই দিনে, যেখানে আমাদের গভীর অনুভূতির বিষয়, এই বিষয়ে এখানে কোনো মন্তব্য করতে চাই না। পুনরায় একই প্রশ্ন তুললে আমি একই মনোভাব ব্যক্ত করি। কিন্তু তৃতীয়বার ভিড়ের মধ্যে থেকে কোথাও অনবরত দুই থেকে তিনবার আমি শুধু জামাত জামাত শুনতে পাই। তখন আমার খুবই খারাপ লেগেছিল। এ বিষয়ে আমি প্রশ্নকর্তাকে থামানোর চেষ্টা করেছিলাম। আমার বক্তব্য যদি কোনোভাবে কাউকে আহত বা বিব্রত করে থাকে, তাহলে আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।
ঐক্যফ্রন্ট নিজেদের দোষ সরকারের ওপর চাপাচ্ছে: নানক
অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, বিএনপি এবং জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নিজেদের মধ্যে কোন্দল থেকে হামলা-বিশৃঙ্খলা করছে এবং সে দোষ সরকারের ওপর চাপিয়ে সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করছে। শনিবার ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। ঐক্যফ্রন্টের এসব কার্যকলাপ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনী পরিবেশের অন্তরায় বলে মন্তব্য করেন নানক। তিনি বলেন, ভরাডুবি বুঝতে পেরে বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা চেষ্টা করছে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এখন জামায়াত ও স্বাধীনতা বিরোধীদের ফ্লাটফর্মে পরিণত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন নানক। তিনি বলেন, বিএনপি এবং জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নিজেদের মধ্যে কোন্দল থেকে হামলা-বিশৃঙ্খলা করছে এবং সেটা সরকারের ওপর দোষ চাপিয়ে সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করছে। এটা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনী পরিবেশের অন্তরায়।
মতিয়া চৌধুরীর নির্বাচনী প্রচার কেন্দ্র ভাঙচুর
অনলাইন ডেস্ক: শেরপুরের নকলায় কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরীর নির্বাচনী প্রচার কেন্দ্র ভাঙচুর করা হয়েছে। স্থানীয় বিএনপি কর্মীরা তার কার্যালয় ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ। এ সময় দুই পক্ষের নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। শুক্রবার রাতে উপজেলার টালকি ইউনিয়নের রামেরকান্দি ও নারায়নখোলা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ এ ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক খোরশেদ আলমসহ পাঁচ বিএনপি নেতাকে আটক করেছে। স্থানীয়রা জানায়, নকলার টালকি ইউনিয়নের রামেরকান্দি বাজারে শুক্রবার রাতে বিএনপি প্রার্থী ফাহিম চৌধুরীর পক্ষে নির্বাচনী কার্যালয় খোলার প্রস্তুতি নেয় স্থনীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা। এতে বাধা দেয় ওই এলাকার আওয়ামী লীগ কর্মীরা। এ নিয়ে বিএনপি কর্মীরা আওয়ামী লীগ কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় উভয় পক্ষের ঘণ্টাব্যাপী ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে বিএনপি নেতা-কর্মীরা অতর্কিত মতিয়া চৌধুরীর নির্বাচনী প্রচার কেন্দ্রে হামলা চালায়। এসময় ওই কার্যালয়ে ঝুঁলিয়ে রাখা বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ছুঁড়ে ফেলে দেয়া হয়। প্রচার কেন্দ্রে ব্যবহƒত চেয়ার, টেবিল, মোটরসাইকেল ভাঙচুর এবং মতিয়া চৌধুরীর ছবি সম্বলিত নির্বাচনী পোস্টার ছিঁড়ে ফেলে বিএনপি কর্মীরা। এক পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে চলা সংঘর্ষ অন্যান্য এলাকাতেও ছড়িয়ে পড়ে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বেশ কয়েক রাউন্ড রাবার বুলেট ছুঁড়ে। তবে ওই ঘটনায় উভয়দল একে-অপরকে দায়ী করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে জানিয়ে আজ শনিবার সকালে নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী শাহনেওয়াজ বলেন, ওই ঘটনায় কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনা তদন্ত করে আইনানুগ পদক্ষেপ নেয়া হবে। ঢাকা টাইমস
ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনী রোডমার্চ শুরু টঙ্গী থেকে
অনলাইন ডেস্ক: টঙ্গী থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করতে যাচ্ছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। আজ শনিবার দুপুরে বেলা ২টায় টঙ্গীর শফিউদ্দিন সরকার একাডেমি মাঠে পথসভার মধ্য দিয়ে শুরু হবে কর্মসূচি। এরপর রোড মার্চ ময়মনসিংহ হয়ে শেরপুর পর্যন্ত যাবে। ব্যালটের মাধ্যমে সরকার বদলের আহ্বান জানানো হবে রোড মার্চে। এতে বেশ কয়েকটি পথসভাও করা হবে। শনিবার বেলা ২টায় টঙ্গীর শফিউদ্দিন সরকার একাডেমি মাঠে প্রথম পথসভাটি হবে। এরপরে গাজীপুর চৌরাস্তা, ময়মনসিংহের ভালুকা, ত্রিশাল, ময়মনসিংহ, ফুলপুর হয়ে শেরপুর এই পথসভা শেষ হবে। রোড মার্চে ড. কামাল হোসেন নেতৃত্ব দেবেন বলে জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অস্থায়ী অফিস পুরানা পল্টনে জোটের সমন্বয় কমিটির বৈঠকের পর এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন গণফোরাম নেতা জগলুল হায়দার।
সাংবাদিকদের খামোশ বলেন ড. কামাল
অনলাইন ডেস্ক :বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পরজাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, যারা লোভ-লালসা নিয়ে লুটপাট করছে, তাদের থেকে দেশকে অবশ্যই মুক্ত করব। তিনি বলেন, আমরা শোষণমুক্ত সমাজের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। আমরা ঐক্যবদ্ধ হব। স্বাধীনতার স্বপ্নকে সামনে রেখে কাজ করে যাব এবং সেই স্বপ্নকে আমরা বাস্তবে রূপান্তরিত অবশ্যই করব। বুদ্ধিজীবীদের আত্মদানকে মাথায় রেখেই আমরা ১৪ ডিসেম্বর পালন করব। এসময় জামায়াত প্রসঙ্গে সাংবাদিকরা তাকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, বেহুদা কথা বলো, কতো পয়সা পেয়েছো এই প্রশ্ন করতে? কার কাছ থেকে পয়সা পেয়েছো? পয়সা পেয়ে শহীদ মিনারে এসে শহীদদের অশ্রদ্ধা করো? শহীদদের কথা চিন্তা করো। চুপ করো, চুপ করো, খামোশ। তিনি ড. কামাল বলেন, স্বাধীনতার স্বপ্ন ও স্বাধীনতার আদর্শকে সামনে রেখে সেই স্বপ্নকে আমরা বাস্তবে রূপান্তরিত করবো। যারা লোভ লালসা নিয়ে লুটপাট করছে তাদের থেকে দেশকে ইনশাল্লাহ আমরা অবশ্যই মুক্ত করবো, আমরা জয়ী হবো। এদিকে, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেনের গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ (শুক্রবার) সকালে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বের হওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে।

রাজনীতি পাতার আরো খবর