আগামী ৩০ ডিসেম্বর ব্যালেটের মাধ্যমেই আওয়ামী লীগের পতন ঘটাতে হবে: ফখরুল
অনলাইন ডেস্ক: বিএনপির মহাসচিব ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আগামী ৩০ ডিসেম্বর হচ্ছে এই স্বৈরাচার সরকারের পতনের দিন। আপনরাই পারেন ব্যালটের মাধ্যমে ধানের শীষে একটি করে ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটাতে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও সদরে স্থানীয় সালন্দর ইউনিয়নের বরুনাগাঁও মাদ্রাসা মাঠে নির্বাচনী পথসভায় তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, এই সরকার আবারো ক্ষমতায় আসতে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করে যাচ্ছে। দুনীর্তি, নির্যাতন, নিপীড়ন গণতন্ত্র ধ্বংস করা দিন দিন চরম পর্যায়ে পৌছাচ্ছে। জাতির এই কঠিন সংকটে নির্বাচনই হচ্ছে একমাত্র পথ, যার মাধ্যমে আমরা অবস্থার পরিবর্তন আনতে পারি। তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ এখন জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। জনগণ আওয়ামী লীগের উপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। সে কারণে তারা এখন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বেছে নিয়েছে। একদিকে প্রশাসনকে ব্যবহার করে মিথ্যা মামলা দিয়ে হাজার হাজার বিএনপির নেতা কর্মীকে গ্রেফতার করছে, অপরদিকে তারাই হামলা ও ভাংচুর চালাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে ফখরুল বলেন, নির্বাচন কমিশনের যে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করার কথা ছিল, তা কোনোভাবে সম্ভব হচ্ছে না। নির্বাচন কমিশন যদি সুষ্ঠু নির্বাচন করতে চায় তাহলে এ সব বন্ধ করতে হবে। বিএনপির তৃনমূল নেতাকর্মীদের ধানের শীষে ভোট দিয়ে সরকার পতন করে দেশ মাতা খালেদা জিয়াকে মুক্ত আহবান জানান মির্জা ফখরুল। এ সময় জেলা বিএনপির সভাপতি তৈমুর রহমান, সহ-সভাপতি পয়গাম আলীসহ জেলা ও উপজেলার নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ঠাকুরগাঁওয়ে তিনদিন ধরে মির্জা ফখরুল নির্বাচনী পথসভা, জনসভা করছেন। পরে সালন্দর, রাজাগাঁও, রহিমানপুর, জামালপুর ইউনিয়নের ১৫ স্থানে পথসভায় বক্তব্য রাখবেন।
হানাহানি ও মারামারি করে আমি এমপি হতে চাই না: তোফায়েল
অনলাইন ডেস্ক: বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভোলা-১ আসনের আওয়ামী লীগ প্রার্থী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, হানাহানি ও মারামারি করে আমি এমপি হতে চাই না। আমি চাই আপনারা ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করুন। কাজ করতে মন্ত্রী হওয়া লাগে না, এমপি হলেই হয়। প্রয়োজনে আপনাদের জন্য জীবন উৎসর্গ করব। বৃহষ্পতিবার বিকেলে ভোলা সদর উপজেলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নে নির্বাচনী প্রচারণার সময় এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, আমি এ পর্যন্ত বেশিরভাগ নির্বাচনেই জিতেছি। শুধু ১৯৭৯ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে আমাকে জোর করে হারানো হয়েছে। অভিযোগ করে তিনি বলেন, ২০০১ সালের নির্বাচনের পর ভোলায় বিএনপির নেতারা আমার গাড়িতে বোমা মেরেছে। আমার উপর হামলা করে রক্তাক্ত করেছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপর নির্মম অত্যাচার করেছে। কিন্তু আমরা ক্ষমতায় আসার পর তার প্রতিশোধ নেইনি। এমনকি বিএনপির কোনো নেতা কাজের জন্য আসলে আমি করে দেই। তোফায়েল আরও বলেন, বাংলাদেশ এখন বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। আওয়ামী লীগ দেশে যে উন্নয়ন করেছে তা আর কোনো সরকার করেনি। আগামী নির্বাচনে আবার নৌকায় ভোট দিয়ে উন্নয়নের এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে হবে। পথ সভায় মন্ত্রীর হাতে ফুল দিয়ে বিএনপি ও বিজেপির শতাধিক নেতাকর্মী আওয়ামী লীগে যোগ দেন।
খালেদা জিয়ার ভোট নিয়ে শুনানি আজ
অনলাইন ডেস্ক: নির্বাচনে তিনটি আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেতে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পৃথক রিট শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য বিচারপতি জে বি এম হাসানের নেতৃত্বাধীন একক বেঞ্চে আজ দুপুরে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। গতকাল বিকেলে প্রধান বিচারপতি এই বেঞ্চ ঠিক করে দিয়েছেন। খালেদা জিয়ার প্যানেল আইনজীবী এ কে এম এহসানুর রহমান আজ বৃহস্পতিবার সকালে এনটিভি অনলাইন বলেন, খালেদা জিয়ার রিট তিনটি শুনানির জন্য ১, ২ ও ৩ নম্বরে রাখা হয়েছে। দুপুর ২টায় এর ওপর শুনানি হতে। এর আগে গত মঙ্গলবার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র ফিরে পেতে কারাবন্দি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার করা রিটের বিভক্ত আদেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ। বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও মো. ইকবাল কবিরের দ্বৈত বেঞ্চ থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ভোটের ব্যাপারে এ বিভক্ত আদেশ আসে। পরে হাইকোর্টের দেওয়া দ্বৈত আদেশ বিস্তারিত লেখার জন্য নথি ফেরত পাঠানো হয়। দুপুরে বিস্তারিত লিখে আদেশ জমা দেওয়ার পর প্রধান বিচারপতি বিকেলে নতুন করে এ বিষয়ে শুনানির জন্য বেঞ্চ গঠন করে দেন। এর মধ্যে জ্যেষ্ঠ বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন যে রায় দিয়েছিল, তা স্থগিত ঘোষণা করেন এবং কেন এই আদেশ অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, সেই মর্মে রুল জারি করেন। পাশাপাশি খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে তাঁকে বৈধ প্রার্থী হিসেবে ঘোষণার আদেশ আসে বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতির কাছে থেকে। জ্যেষ্ঠ বিচারপতির আদেশের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন বেঞ্চের অপর বিচারপতি মো. ইকবাল কবির। তিনি খালেদা জিয়ার আদেশ খারিজ করে দেওয়ার মত দেন। এর ফলে খালেদা জিয়া ভোটে ফিরতে পারবেন কি না, তা আপাতত অমীমাংসিতই রয়ে যায়। নিয়ম অনুসারে, বিষয়টি প্রধান বিচারপতির কাছে যায়। প্রধান বিচারপতি এ বিষয়ে শুনানির জন্য তৃতীয় একটি বেঞ্চ গঠন করে দিলেন আজ। সেই বেঞ্চই এ ব্যাপারে চূড়ান্ত আদেশ দেবেন। খালেদা জিয়ার পক্ষে ফেনী-১, বগুড়া-৬ ও বগুড়া-৭ আসনে মনোনয়ন ফরম জমা দেওয়া হয়। রিটার্নিং কর্মকর্তারা তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করে দেন। এরপর গত ৫ ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার পক্ষে তাঁর আইনজীবীরা রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল আবেদন করেন। গত শনিবার শুনানির সময় সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা। তাঁরা তিনটি আসনেই খালেদা জিয়ার প্রার্থিতা অবৈধ ঘোষণা করেন। এর পরই সাবেক প্রধানমন্ত্রী ভোটের লড়াইয়ে ফিরতে শেষ আশ্রয়স্থল হাইকোর্টে আসেন। গত রোববার বিকেলে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট দায়ের করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। দ্বৈত আদেশের এ রায়ের কপি মোট দুই পৃষ্ঠা। গত ৯ ডিসেম্বর ছিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময়। ১০ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে সারা দেশে আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু হয়েছে। আর ভোট গ্রহণ হবে ৩০ ডিসেম্বর।
কোথাও জমছে না বিএনপির ভাঙা হাট: ওবায়দুল কাদের
অনলাইন ডেস্ক: নেতিবাচক রাজনীতির জন্য বিএনপি সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি মিথ্যাচার করছে, তারা এখনও সহিংস রাজনীতি থেকে বেরুতে পারেনি। বুধবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে দলীয় সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের প্রচার সভায় বক্তব্য রাখেন তারা। ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির ভাঙা হাট কোথাও জমছে না। তারা বলছে গণজোয়ার, আমার কাছে বিষয়টি বড় হাস্যকর মনে হয়। এটা গণজোয়ার নয়, গণভাটা। নেতিবাচক রাজনীতির জন্য বিএনপি দিনে দিনে সংকুচিত হচ্ছে। পল্টনের সংঘর্ষ দিয়ে বিএনপি নির্বাচনের সহিংসতা শুরু করেছে। পল্টনে যে নারকীয় তাণ্ডব তা এখনো তারা চালাচ্ছে। তিনি বলেন, গত তিন-চার দিন আমি ঢাকায় ছিলাম না। নোয়াখালী, ফেনী কুমিল্লা ও আমার নির্বাচনী এলাকায় আমি গিয়েছি। নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার জন্য এবং স্কুটিনি পর্যন্ত আমি ছিলাম। আজ আমি ফিরেছি। আমি আপনাদের এইটুকু বলতে পারি শুধু শুধু যা সত্য নয় তা প্রচার করে লাভ নেই। কারণ যেটা বাস্তব সেটা সত্যি ৩০ তারিখ আমরা চাপা দিতে পারব না। যখন রেজাল্ট বের হবে তখনই বুঝতে পারবেন। তিনি আরও বলেন, আমি যা দেখেছি অভূতপূর্ব ও অচিন্তনীয়। ২০০৮ সালে নৌকার পক্ষে যেসব অঞ্চলে আমি গিয়েছি সেখানেও এমন জনস্রোত দেখিনি। এটা আসলে গণজোয়ার। এই যে মওদুদ আহমদ সাহেব এত বড় বড় কথা বললেন, আগের পাঁচ বছরের পৌনে চার বছরই তিনি এলাকায় যাননি। এখন নির্বাচন এসেছে তিনি যাচ্ছেন, যাবেন। প্রতিপক্ষ শক্তিশালী না হলে তো নির্বাচন জমবে না।
বিএনপি সারাদেশে সীমানহীন অত্যাচার করেছে: তোফায়েল আহমেদ
অনলাইন ডেস্ক: বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভোলা-১ আসনের আওয়ামী লীগ প্রার্থী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, বিএনপি একটি নিষ্ঠুর দল। ২০০১ সালে বিএনপি সারাদেশে সীমানহীন অত্যাচার করেছে যা অকল্পনীয়। তারা একবার ক্ষমতার স্বাদ পেলে এক লাখ মানুষ হত্যা করবে। মানুষ সেই অত্যাচার-নির্যাতন আর ধর্ষণের কথা ভোলেনি, ব্যালেটের মাধ্যমে তারা জবাব দিবে বাংলার মানুষ। বুধবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে শহরের গাজীপুর রোডস্থ নিজ বাসভবনে সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বে মর্যাদাশালী দেশ ও উন্নয়নের রোল মডেল। আওয়ামী লীগ দেশে যে উন্নয়ন হয়েছে তা আর কোন সরকার করেছি, বিএনপি কোন উন্নয়ন করেনি। আমরা দারিদ্র্যের সীমা কমিয়েছি। মন্ত্রী বলেন, যারা দেশকে পিছিয়ে নিতে চেয়েছিল তাদের নয়, দেশের মানুষ নৌকাকেই ভোট দিবে। এ সময় মন্ত্রী বিএনপির প্রার্থী দুই হাফিজের অত্যাচার-নির্যাতনের কথা উল্লেখ করে বলেন, তারা কোন উন্নয়ন করেনি, একটা কাজও দেখাতে পারবে না। এত নির্যাতন করেছে ভোটারদের কাছে গিয়ে তারা কোন জবার দিতে পারবে না। তারা ১০ বছরের এলাকায় আসেনি, কারো খোঁজ নেয়নি। মন্ত্রী বলেন, দেশের অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে চলছে, সেই নির্বাচনে জনগণ নৌকাকে ভোট দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে আবারো বিজয়ী করবে। মন্ত্রী বলেন, ভোলাতে আরো ১২শ মেগাওয়াট বিদ্যৎকেন্দ্র হবে, এখানে হবে শিল্পকারখানা। দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়ন হবে এবং সিঙ্গাপুরের আদলে হবে ভোলা। সংবাদ সম্মেলনে ভোলা সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোশারেফ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব এবং যুগ্ম সম্পাদক এনামুল হক উপস্থিত ছিলেন।
সন্ত্রাসী ও নাশকতামূলক কর্মকান্ড চালিয়ে নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করছে বিএনপি
অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, বিএনপি সন্ত্রাসী ও নাশকতামূলক কর্মকান্ড চালিয়ে নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করছে। বুধবার দুপুরে কুষ্টিয়া সদরের নিজ নির্বাচনী এলাকা আব্দালপুর ইউনিয়নে নির্বাচনী সমাবেশ ও লিফলেট বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, পরিস্কারভাবে বলতে চাই সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে নির্বাচন বানচাল করা যাবে না। যারা এই ধরনের কর্মকান্ডের সাথে জড়িত আছে তাদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর পদক্ষেপ নেবে। তিনি বলেন, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও পত্রপত্রিকায় খবর এসেছিল নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য তারেক রহমান লন্ডন থেকে হত্যার নীল নকশা করছে। তিনি মানুষ হত্যা করে নির্বাচন বানচাল করতে চায়। তারই আলামত হিসেবে মঙ্গলবার দেশের দুই জায়গায় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের দুই কর্মীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী জাকির হোসেনসহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থি ছিলেন।
নির্বাচন কমিশনকেও পুলিশ মানছে না :খোকন
অনলাইন ডেস্ক :নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) পুলিশ মানছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর আাগারগাঁওয়ে ইসি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, ‘আমি আশা করেছিলাম পুলিশ প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে ভূমিকা পালন করবে। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে দেখছি, পুলিশ প্রকাশ্যে মহড়া দিয়ে নৌকার পক্ষ হয়ে কাজ করছে। বিএনপি নেতাকর্মীদের গায়বি মামলায় গণগ্রেপ্তার করছে। এতে মনে হচ্ছে, নির্বাচন কমিশনকেও পুলিশ মানছে না।নোয়াখালীতে তার নির্বাচনী আসনে পুলিশ, প্রশাসন ও ইসি কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষ ভূমিকা করছে না বলেও অভিযোগ করেন খোকন।বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনকে বলেছি, নির্বাচনে বেআইনী ও আওয়ামী লীগের দলীয় কর্মীর মতো কাজ করছে সেসব পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে যেন ব্যবস্থা নেন। দলীয় আনুগত্য পুলিশ সদস্যদের বদলী, প্রত্যাহার, শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে নৌকায় ভোট দিন
অনলাইন ডেস্ক :দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আবারও নৌকা মার্কায় ভোট দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য এবং কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী। আজ মঙ্গলবার সকালে নালিতাবাড়ী উপজেলার কাকরকান্দি বাজার মাঠে আয়োজিত প্রথম র্নির্বাচনী সভা থেকে তিনি এই আহবান জানান। ‘আমি আপনাদের ভালোবাসার কাঙাল’ উল্লেখ করে মতিয়া চৌধুরী বলেন, জনগণের ভোটই একমাত্র আমার শক্তি। উপরে আল্লাহর রহমত আর আপনাদের দোয়ার বরকত- এ নিয়েই আমি এগুতে চাই। ভোটারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনাদের সবার মুখে হাসি ফোটাতে চাই এবং সেজন্যই আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকায় ভোট চাই। নৌকায় ভোট দিয়ে উন্নয়নের ধারা বজায় রাখুন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউল হোসেন মাস্টারের সভাপতিত্বে জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শহীদ উল্লাহসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের এক নির্বাচনী সভা ও শহরে উপজেলা জাতীয় পার্টি আয়োজিত
আগামী নির্বাচনে তরুণ আর নারীরাই হবে বিজয়ের কাণ্ডারী: কাদের
অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আগামী নির্বাচনে তরুণ আর নারীরাই হবে বিজয়ের কাণ্ডারী। মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সোমবার সন্ধ্যায় তার নির্বাচনী এলাকা কোম্পনীগঞ্জ উপজেলা বসুরহাট শেখ মুজিব কলেজ মাঠে পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। পরে তিনি কবিরহাট গোলচত্বরে এক পথসভায় বক্তব্য রাখেন। এরপর তিনি জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী একেবারে কম, বিদ্রোহী প্রার্থীর দুর্ভাবনা ও সংকটে ঐক্যফ্রন্ট। ঐক্যফ্রন্টের নিজেদের সৃষ্ট বিরোধ বাইরে ছড়িয়ে পড়েছে। গুলশানে দফায় দফায় বিএনপি অফিসে হামলা। মিজা ফখরুলের গাড়িতে হামলা। মনোনয়নবঞ্চিতরা বলছে, টাকা ফেরত দাও নইলে মনোনয়ন দাও। সেক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট স্বস্তিতে আছে। আমি আগেই বলেছিলাম তারা (ঐক্যফ্রন্ট) সংকটে পড়বে। তারা মনোনয়ন বাণিজ্য করেছে। তাই তারা বিদ্রোহী প্রার্থীদের থামাতে পারছে না। মন্ত্রী বলেছেন, বিএনপি একটা সন্ত্রাসী দল, এটাতো আমাদের কোনো বক্তব্য নয়, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার প্ল্যানার, মাস্টারমাইন্ড তারেক জিয়া, এটা প্রমাণ হয়ে গেছে। মামলার দণ্ড পেয়েছে। এখন দণ্ডিত পলাতক, সাজাপ্রাপ্ত আসামির নেতেৃত্বে যে দল চলছে, যে ঐক্যফ্রন্ট চলছে সে ঐক্যফ্রন্টের পক্ষে বাংলাদেশের জনগণ আজকে নেই। তিনি বলেন, জনগণ সাড়া দিচ্ছে না বলেই তারা এখন শুধু বিদেশিদের কাছে নালিশই করছে না, সর্বশেষ খবর, লন্ডনে বসে তারেক রহমান পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই'র সঙ্গে বৈঠক করছে। এ বৈঠকগুলো কেন? মির্জা ফখরুল পাকিস্তানি দূতাবাসে গিয়ে গোপন বৈঠক করছেন; এ বৈঠকের অর্থ কী? এর অর্থ হচ্ছে, নির্বাচন বানচাল করার ষড়যন্ত্র তারা করছে। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সুবর্ণচর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ খায়রুল আনম সেলিম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও একরামুল কিরম চৌধুরী এমপি, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহিন, নোয়াখালী পৌরসভা মেয়র সহিদ উল্লা খান সোহেলসহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

রাজনীতি পাতার আরো খবর