বুধবার, ফেব্রুয়ারী ২০, ২০১৯
আক্রমণাত্মক কথা বলে ঐক্যফ্রন্ট-বিএনপি গৃহযুদ্ধের হুমকি দিচ্ছে: কাদের
অনলাইন ডেস্ক: জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট-বিএনপি নেতারা আক্রমণাত্মক কথা বলে গৃহযুদ্ধের হুমকি দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ বৃহস্পতিবার (২২ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর র;্যডিসন ব্লু হোটেলে আয়োজিত এক সেমিনার শেষে এ মন্তব্য করেন তিনি। ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপি নেতারা বিভিন্ন জায়গায় আক্রমণাত্মক মন্তব্য গৃহযুদ্ধের হুমকি দিচ্ছে। তারা বলছেন, নির্বাচনের দিন প্রতিটি কেন্দ্রে ৩শ থেকে ৫শ নেতা-কর্মী অবস্থান করবে। আমরাও যদি একইভাবে আমাদের নেতা-কর্মী কেন্দ্রে অবস্থান নিতে বলি, তাহলে কি গৃহযুদ্ধ হবে? সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপি নেতারা অবিরাম তারা অ্যাগ্রেসিভ (আক্রমণাত্নক) মুডে কথা-বার্তা বলছেন, অবিরাম তারা আক্রমণাত্নক ভাষায় কথা বলছেন। তারা গৃহযুদ্ধের হুমকি দিচ্ছেন। সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি-ঐক্যফ্রন্ট কেন্দ্র কেন্দ্রে ৩শ থেকে ৫শ লোক থাকার অর্থ কি? এখন আমরাও যদি ৩শ ৫ শ লোক কেন্দ্রে কেন্দ্রে রাখার ব্যবস্থা করি, তাহলে কি হবে? ভোট হবে? না গৃহযুদ্ধ হবে? ভোট হবে না সংঘাত হবে, ভোট হবে না ভায়োলেন্স হবে? আমি প্রশ্ন রাখতে চাই। অবিরামভাবে তারা অ্যাগ্রেসিভ ভাষায়, আক্রমণাত্নক ভাষায় কথা বলছে। নির্বাচন, গণতন্ত্র এসব তাদের ভাষায় নেই। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের এই নেতা আরো বলেন, আজকে দেশের জনগণ একটা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চায়। তারা অবাধ সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন চায়। বিএনপি নেতারা আক্রমণাত্নক ভাষা ব্যবহার করে নির্বাচনের সুন্দর পরিবেশটাকে নষ্ট করছেন। কেন তারা এমন করছেন? নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছে বিএনপি নেতাদের এমন অভিযোগের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতদুষ্ট আচারণ করছে কিনা সেটা ইসিকে জিজ্ঞেস করুন। তবে আমার দৃষ্টিতে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ আমি পাচ্ছি না। বরং আমরা কিছু অভিযোগ করেছি সে বিষয়ে তারা বলছে আরপিও কাভার করে না আমরা সেখানে আপত্তি করি নাই। কারণ আমাদের অনেক কিছুই ধৈর্য ধরতে হবে। আমাদের আচারণে টলারেন্সের পরিচয় দেব, ধর্য্যের পরিচয় দেব। কিন্তু বিএনপি-ঐক্যফ্রন্ট যেভাবে অ্যাগ্রেসিভ টোনে কথা বলছে, সেটা কিন্তু সংঘাতের উস্কানি দিচ্ছে। যেটা এ সুন্দর পরিবেশকে, নির্বাচনের পরিবেশকে বিঘ্নিত করবে, নষ্ট করবে। তারা কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাহারাদার নিয়োগ করার নামে গৃহযুদ্ধের হুমকি দিচ্ছে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ডা. কামাল হোসেনসহ ঐক্যফ্রন্টের অন্যান্য নেতাদের এক কানাকড়ি দাম নেই, বিএনপি তাদের ব্যবহার করছে বলেও মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।
বিএনপি নেতাদের ঢল নামবে আওয়ামী লীগে সবুজ সংকেত পেলে
অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সবুজ সংকেত দিলে বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মী আওয়ামী লীগে যোগ দিতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে বলে জানিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, যদি নেত্রীর ক্লিয়ারেন্স পাই বা নেত্রী একটু সবুজ সংকেত দিলেই, সারাদেশ থেকে বিএনপির বিপুল নেতাকর্মীর যে স্রোতধারা আওয়ামী লীগ অভিমুখে যাত্রা করবে, এই যাত্রা মির্জা ফখরুল ইসলাম সাহেব বন্ধ করতে পারবে না। বুধবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামী দিনে দল বদলের রাজনীতির কোনো চমক আছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হর্স ট্রেডিং আছেই। ঘোড়া বদলের যে রাজনীতি, এটা গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে নতুন কোনও বিষয় নয়। নতুন কোনও দৃশ্যপটও নয়। কে কোন দিকে অবস্থান নেবে? অলরেডি তো হচ্ছেই। ড. কামাল হোসেন, সুলতান মনসুর, মাহমুদুর রহমান মান্না সবাই আওয়ামী লীগে ছিলেন, তারা ওপাশে গিয়েছেন (বিএনপির সঙ্গে জোট করেছেন)। সবার অধিকার আছে এদিক থেকে ওদিকে যাওয়া এবং আসার। আওয়ামী লীগ ও জোট শরিকদের মনোনয়ন চূড়ান্ত হয়েছে কিনা, জানতে চাইলে তিনি বলেন, আসন বণ্টন চূড়ান্ত হয়নি। অলরেডি আমরা মৌখিকভাবে ১৪ দল এবং জাতীয় পার্টি এ ব্যাপারে কথা বলেছি। মনোনয়ন কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বাকি আছে। কিছু প্রস্তুতি ও আনুষ্ঠানিক তালিকা তৈরি করা বাকি আছে। নির্বাচন কমিশনে বিএনপির অভিযোগ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, অভিযোগ আর নালিশ বিএনপির পুরনো অভ্যাস। নির্বাচনে জেতার শতভাগ গ্যারান্টি না দিলে, তারা এমন অভিযোগ করতেই থাকবে। এগুলো তাদের নাটক, তাদের পুরনো অভ্যাস। আরও নতুন নাটকের চমক আপনারা দেখতে পারবেন। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, উপ প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, উপ দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য এস এম কামাল হোসেন প্রমুখ।
নির্বাচনে কারচুপির নীলনকশা হচ্ছে : মির্জা ফখরুল
অনলাইন ডেস্ক: বর্তমান নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচন করতে চায় কিনা তার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার দুপুরে গুলশান কার্যালয়ে চট্টগ্রামের বিভাগের ৩৬ সংসদীয় আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার শেষে বিএনপি মহাসচিব সাংবাদিকদের কাছে এই প্রশ্ন তুলেন। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন আসলে সুষ্ঠু, অবাধ , নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে চায় কিনা সে ব্যাপারে আমাদের সন্দেহ দেখা দিয়েছে। তফসিল ঘোষণার পরেও পুলিশ একই ভাবে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করছে এবং হয়রানি করছে। একইভাবে জামিনের জন্য যারা যাচ্ছেন এবং যারা জামিন পেয়েছেন তাদের জামিনকে বিলম্বিত করা হচ্ছে এবং তাদেরকে জামিনে বের করছে না। তারা এ বিষয়ে কিছুই করছেন না, তারা তাদের কোনো দায়িত্ব পালন করছেন না। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, নির্বাচন কমিশন যদি একটা সমতল ভুমি তৈরি না করে, পুলিশের এই গ্রেফতার ও নির্যাতন বন্ধ না করে, বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার বন্ধ না করে তাহলে এই নির্বাচন জনগনের কাছে কখনোই গ্রহনযোগ্য হবে না। পুলিশের ভুমিকার সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা দেখেছি অতীতে সিটি করপোরেশন নির্বাচনগুলোতে পুলিশ যে ভুমিকা পালন করেছে তা ভীষণভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। আমরা আবারো খবর পাচ্ছি বিশ্বস্ত সূত্রগুলোতে যে, পুলিশকে দিয়ে আবারো নির্বাচনে কারচুপি করার নীলনকশা তৈরি করা হচেছ। তিনি বলেন, যে কর্মকর্তা পুলিশের সদর দফতরে বসে পরিকল্পনা করেছিলেন সেই একই পুলিশ কর্মকর্তা আবারো তিনি হেডকোয়াটারে বসে নীল নকসা তৈরি করছেন যে কিভাবে নির্বাচনকে সরকার ও আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়ে আসতে হবে এবং কারচুপি করা যাবে। আমরা ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে অবিলম্বে পুলিশ সদর দফতর থেকে বদলি করে দেয়া অথবা ক্লোজড করে দেয়ার জন্য আমরা আহবান জানাচ্ছি। তিনি বলেন, আমরা খুব স্পষ্ট করে বলতে চাই যে, নির্বাচন কমিশন যাদের ওপর দায়িত্ব বর্তিয়েছে এই নির্বাচনকে সুষ্ঠু অবাধ নিরপেক্ষ করবার জন্যে, নির্বাচনের জন্য একটা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করবার জন্যে এর কোনোটাই তারা(ইসি) করছেন না। আমি আশা করবো নির্বাচন কমিশনের বোধদয় হবে, তারা জেগে উঠবে। সাংবিধানিকভাবে যে দায়িত্ব তাদের রয়েছে, ক্ষমতা তাদের রয়েছেন সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করে তারা তাদের কাজ করবে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার হওয়ার দাবি আছে কিনা প্রশ্ন করা হলে ফখরুল বলেন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার হচ্ছে না। এই বিষয়গুলো পুরোপুরি ভাবে একটা সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের বিপরীত অবস্থানে নিয়েছে। অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে নির্বাচন কমিশন নিজেই একটা অবস্থান নিয়ে নিয়েছেন যে তারা এই নির্বাচনকে সুষ্ঠু করবেন না। বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী তালিকার কবে চূড়ান্ত হবে প্রশ্ন করা হলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, শিগগিরই চূড়ান্ত হবে। গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম বিভাগের ফেনী- ১ ও ফেনী- ২ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের একসঙ্গে সাক্ষাৎকারের মধ্য দিয়ে তৃতীয় দিনের কাযর্ক্রম রু হয়ে শেষ হয় বেলা আড়াইটায়। বিকাল সাড়ে তিনটা থেকে শুরু হয়েছে সিলেট ও কুমিল্লা বিভাগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার। বিএনপির পার্লামেন্টারি বোর্ড এই সাক্ষাৎকার নিয়েছেন। স্কাইপে বন্ধ থাকায় অন্য ভিডিও কল অ্যাপের মাধ্যমে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান মনোনয়ন প্রত্যাশীদের এই সাক্ষাৎকারে যুক্ত হন। চট্টগ্রাম বিভাগে ৮ জেলার ৩৬ টি সংসদীয় আসন, কুমিল্লা বিভাগে ৩টি জেলার ২২টি আসন এবং সিলেট বিভাগে ৪টি জেলার ১৯টি আসনের জন্য প্রায় ছয় শতাধিক প্রার্থী এই সাক্ষাৎকারে অংশ নিয়েছেন। পার্লামেন্টারি বোর্ডে ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ স্থায়ী কমিটির খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, জমিরউদ্দিন সরকার, মাহবুবুর রহমান, রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বুধবার ময়মনসিংহ, ফরিদপুর এবং ঢাকা বিভাগের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে।
রফিকুল ইসলাম মিয়া গ্রেফতার
অনলাইন ডেস্ক: সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল না করার অভিযোগে দুদকের মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রাজধানীর ইস্কাটনের বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। বিএনপির চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এদিকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ বলছে, রফিকুল ইসলাম মিয়াকে সন্ধ্যায় ইস্কাটনের বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ডিবি উত্তরের এডিসি শাহজাহান সাজু সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। এর আগে দুপুরে দুদকের মামলায় তাকে তিন বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। ঢাকার ৬ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. শেখ গোলাম মাহাবুব এই রায় ঘোষণা করেন। কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। এ ছাড়াও রফিকুল ইসলাম মিয়া পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। রফিকুল ইসলাম মিয়া ঢাকা-১৬ আসন থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। এছাড়া বিএনপির মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যও তিনি। মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়,২০০১ সালের ৭ এপ্রিল সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সমস্যা ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে তার যাবতীয় সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল করার জন্য ৪৫ দিনের সময় দিয়ে একটি নোটিশ দেয় দুদক। ২০০১ সালের ১০ জুন তিনি দুদকের নোটিশটি গ্রহণ করেন। নোটিশ গ্রহণ করার পরও তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থাৎ ২০০১ সালের ২৫ জুলাই পর্যন্ত কোনো সম্পদের হিসাব দাখিল করেনি। হিসাব বিবরণী দাখিল না করায় ২০০৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর দুদকের অফিসার লিয়াকত হোসেন বাদী হয়ে রাজধানীর উত্তরা থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর রফিকুল ইসলাম মিয়ার বিরুদ্ধে দুদক তদন্ত শেষ করে ১৯৫৭ সালের দুর্নীতি দমন আইনের ৪(২) অভিযোগপত্র দাখিল করে। ২০১৭ সালের ১৪ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। বিভিন্ন সময় ৬ জন এ মামলায় সাক্ষ্য দেন।
নয়াপল্টনে গাড়ি ভাঙচুরকারীসহ গ্রেপ্তারকৃত ৬ যুবকের রিমান্ড মঞ্জুর
অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রির সময় পুলিশের সঙ্গে নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত ৬ যুবকের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা মহানগর হাকিম দেবব্রত বিশ্বাস এই আদেশ দেন। মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির পরিদর্শক কামরুল ইসলাম আসামিদের আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন জানান। রিমান্ডে যাওয়া অপর আসামিরা হলেন-শাহাজানপুর থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. সোহাগ ভূইয়া, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মো. আব্বাস আলী, ছাত্রদলের ঢাকা মহানগর উত্তরের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম রবিন, ছাত্রদলের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম সম্পাদক জাকির হোসেন উজ্জল ও ছাত্রদলের তিতুমীর কলেজ শাখার সহ-সভাপতি মো. মাহবুবুল আলম। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির পুলিশ পরিদর্শক মো. কামরুল ইসলাম আসামিদের আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহের জন্য বিএনপির নয়াপল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে গত ১৪ নভেম্বর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োজিত করা হয়। নির্বাচন কমিশন কর্তৃক জারিকৃত নির্বাচন আচরণবিধিতে ব্যান্ড পার্টি, ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে শোডাউন করার নিষেধাজ্ঞা সত্বেও বিএনপিনেত্রী আফরোজা আব্বাসের নেতৃত্বে একটি মিছিল ফকিরাপুলের দিক থেকে ব্যান্ড পার্টি, ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে শোডাউন করে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আসে। এরপর নবী উল্লাহ নবী দও কফিল উদ্দিনের নেতৃত্বে দুটি মিছিল শোডাউন করে একই দিকে আসতে থাকে এবং সর্বশেষ মির্জা আব্বাস ৮ থেকে ১০ হাজার জনের একটি মিছিল নিয়ে কার্যালয়ে আসেন। তারা নয়াপলন্টস্থ ভিআইপি রোড বন্ধ করে মিছিল ও শোডাউন করে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে। যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টি না করার জন্য তাদের রাস্তার এক লেন ছেড়ে দেওয়ার কথা বললে তারা ক্ষিপ্ত হয়। তাদের নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়টি বিএনপি অফিসে অবস্থানরত রুহুল কবির রিজভীসহ অন্য জ্যেষ্ঠ নেতাদের জানানো হয়। অফিসের মাইকের মাধ্যমে যানবাহন চলাচলের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করার বিষয়ে নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে ঘোষণা দিতে অনুরোধ করা হয়। বেলা ১২টা ৫৫মিনিটের দিকে মির্জা আব্বাসের নেতৃত্বে নয়াপল্টনস্থ ভিআইপি রোডে বে-নামীয় গাড়ির শোরুমের উত্তর পাশে রাস্তায় আসামিরা বিএনপির পার্টি অফিস থেকে লাঠি-সোটা নিয়ে পুলিশকে হত্যার উদ্দেশ্যে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। তারা কয়েকটি ককটেল বোমা নিক্ষেপ করে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে। এ সময় তারা ৬০ লাখ টাকার একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। রিমান্ড আবেদনে আরো বলা হয়, তাদের নিক্ষিপ্ত ইটের আঘাতে সহকারী পুলিশ কমিশনার মিশু বিশ্বাসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য মারাত্মক জখম হয়। আসামিদের মধ্যে হৃদয় থান হেলমেট পরে লাঠি দ্বারা পুলিশের ব্যবহৃত মিটসুবিসি গাড়ি ভাঙচুর করে এবং হোসেন আলী, সোহাগ ভূইয়া ও আব্বাস আলী তাদের পরিহিত শার্ট খুলে খালি গায়ে আনন্দ প্রকাশ করে এবং পুলিশকে উদ্দেশ্যে করে গালিগালাজ করে। তাই মামলার এজাহারনামীয় অন্যান্য পলাতক আসামিসহ ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারীসহ ইন্ধন ও মদদ দাতাদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহপূর্বক গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা প্রয়োজন। আসামি পক্ষে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা খান রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানিতে তিনি বলেন, ধানমন্ডিতে রাস্তা ব্লক করলে সমস্যা হয় না। যতো সমস্যা বিএনপি করলে। নির্বাচন কমিশনের দিক থেকে কোন নিষেধাজ্ঞা না থাকলেও পুলিশের উস্কানিতে সেদিন ওই ঘটনা ঘটে। সেদিন নির্বাচনে যারা নোমিনেশন জমা দিতে এসেছিল তাদের সমর্থকরা সেদিন পুলিশের ওই আচরণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ তৈরি করেছিল। তারা নিশ্চয়ই করেছে। শুধু পুলিশের মারবে খেয়ে যাবে, কিছু বলবে না তা তো হয়না। পুলিশ বলেছে এরা সনাক্তকৃত, তাহলে রিমান্ডের কি প্রয়োজন? রাষ্ট্রপক্ষে সালমা হাই টুনিসহ কয়েকজন আইনজীবী ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুরের প্রার্থনা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মঙ্গলবার মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার ও কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম বলেন, রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কার্যালয়ের সামনে দলটির নেতাদের নির্দেশে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়েছিলেন কর্মীরা। রাজনৈতিক ফায়দা লোটার জন্য এই হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উল্লেখ্য, মনোনয়নপত্র সংগ্রহের সময় গত ১৪ নভেম্বর দুপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে দলটির নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এ সময় পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যানসহ দুটি গাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। সংঘর্ষে পুলিশের পাঁচ কর্মকর্তা, দুজন আনসার সদস্যসহ ২৩ পুলিশ সদস্য আহত হন। ওই ঘটনায় ওইদিন রাতে পুলিশ বাদী হয়ে পল্টন থানায় পৃথক তিনটি মামলা করে।
বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম মিয়ার ৩ বছরের কারাদণ্ড
অনলাইন ডেস্ক :বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম মিয়াকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার ঢাকার ৬ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. শেখ গোলাম মাহাবুব এই আদেশ দেন। সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল না করার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় এর রায় দেওয়া হয়। এর আগে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০০১ সালে ৭ এপ্রিল তার বিরুদ্ধে নোটিশ জারি করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের নোটিশ ওই বছরের জুনের ১০ তারিখে রফিকুল ইসলাম মিয়া গ্রহণ করলেও কোনো জবাব দেননি। পরে ২০০৪ সালের ১৫ জানুয়ারি তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুদক। পরে ওই বছরের ৩০ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে চার্জশীট দেয়া হয় এবং ২০১৭ সালের ১৪ নভেম্বর বিচার শুরু হয়।
তৃতীয় দিনের মতো বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ শুরু
অনলাইন ডেস্ক :তৃতীয় দিনের মতো ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ শুরু করেছে বিএনপি। আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে ফেনী-১ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের দিয়ে এ কার্যক্রম শুরু করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের নেতৃত্বে মনোনয়ন বোর্ডেও সদস্যরা। তবে অন্যদিন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সাক্ষৎকার গ্রহণ করলেও আজ গুলশান কার্যালয়ের ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় সেটি ব্যহত হচ্ছে। শুধু মনোনয়ন বোর্ডেও সদস্যরাই এ সাক্ষাৎকার গ্রহন করছেন। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির ও শামসুদ্দিন দিদার মানবজমিনকে বলেন, সকালে চেক করে দেখা গেছে এখনো ইন্টারনেট সংযোগ চালু হয়নি। তাই সাক্ষাৎকারে ভিডিও কনফারেন্সেরও কোনো সুযোগ নেই। এদিকে সাক্ষাৎকার গ্রহণকে কেন্দ্রে করে কার্যালয়ের সামনে নেতাকর্মীদের ভীড় লক্ষ করা গেছে সকাল থেকেই। প্রত্যেক নেতার সঙ্গেই তার কিছু অনুসারী নেতাকর্মী এসে কার্যালয়ের সামনে অপেক্ষা করছেন। তবে তারা কোনো শ্লোগান দিচ্ছেন না। অন্যদিনের মতো সাক্ষাৎকারকে ঘিরে বিএনপি কার্যালয় এলাকায় সতর্ক অবস্থানে ছিল পুলিশ। কার্যালয় এলাকায় প্রবেশের মূল রাস্তার দুই মোড়ে ডাইভারশন করা হয়েছে। গাড়িগুলোতে তল্লাশি চালিয়ে বিএনপির গুলশান কার্যালয়ের সামনের রাস্তায় প্রবেশ করানো হচ্ছে। জনসাধারণ চলাচলও সীমিত করা হয়েছে। তবে কার্যালয়ের সামনে কোনো পুলিশ মোতায়েন করা হয়নি। অন্যদিকে সাক্ষৎকার গ্রহণকে কেন্দ্র করে সিএসএফ সদস্যরা বেশ তৎপর রয়েছে। কার্যালয়ের ভেতরে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের ছাড়া কাউকে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। ফটো সাংবাদিকদেরও বেছে বেছে প্রবেশ করানো হচ্ছে। সকাল ১০ টা ১৫ থেকে দুপুর পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিভাগ এবং বেলা আড়াইটা থেকে রাত পর্যন্ত কুমিল্লা ও সিলেট বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হবে। পরদিন বুধবার সকাল ৯টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত ময়মনসিংহ বিভাগ ও বৃহত্তর ফরিদপুর এলাকা এবং বেলা আড়াইটা থেকে রাত পর্যন্ত ঢাকা বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হবে। এর আগে রোববার প্রথমদিনে রংপুর বিভাগে ৩৩ আসনে ১৫৮ জনের সাক্ষাৎকার নেয়া হয় এবং রাজশাহী বিভাগে ৩৯ আসনে ৩৬৮ জনের সাক্ষাৎকার নেয়া হয়। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে সংসদ সদস্য হতে চান ৪ হাজার ৫৮০ জন। ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য এরা সবাই দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম কিনেছেন। যাচাই-বাছাই শেষে বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে ৮ই ডিসেম্বর।
স্কাইপি ও ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়েছে সরকার :রিজভী
অনলাইন ডেস্ক :দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাথে তারেক রহমানের সাক্ষাৎকার রুখতেই গুলশান কার্যালয়ের স্কাইপি ও ইন্টারনেট যোগাযোগ সরকার বন্ধ করে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এই অভিযোগ করেন। নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন হয়। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের সচিব বললেন, বিএনপির মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কিছু করার নেই। তার এই বক্তব্যের পরপরই আমরা জানতে পারলাম বিটিআরসি স্কাইপি বন্ধ করে দিয়েছে। গুলশান অফিস থেকে আমাকে জানিয়েছে যে, সেখানে সকল ইন্টারনেট লাইন বন্ধ হয়ে গেছে, স্কাইপি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।এর উদ্দেশ্য একটাই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যাতে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করতে না পারেন। আমি সরকারের এহেন ন্যাক্কারজনক সংকীর্ণ মানসিকতার নিন্দা ও ধিক্কার জানাই এবং অবিলম্বে স্কাইপি খুলে দেবার আহবান জানাচ্ছি। রিজভী অভিযোগ করে বলেন, সরকার আগামী নির্বাচনকে নিজেদের অনুকূলে নেয়ার জন্য ক্লান্তিহীনভাবে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করছে। বিএনপির নির্বাচনী প্রক্রিয়ার তৎপরতাকে বাধা প্রদান করার জন্য সরকার সব ধরনের শক্তি প্রয়োগ করে যাচ্ছে। স্কাইপি বন্ধ করার ঘটনা সরকারের নিম্নরুচির পরিচায়ক। স্কাইপি বন্ধ করার মাধ্যমে আবারো প্রমাণিত হলো নির্বাচনী মাঠ আওয়ামী জোটের একচেটিয়া দখলে থাকবে। তিনি বলেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের আওয়াজ ভেসে উঠলেই সরকার যে মূর্ছা যায় আর সেজন্য দুর থেকে ভেসে আসা শব্দকেও আটকানোর জন্য তারা উঠেপড়ে লাগে। সরকার কর্তৃক তারেক রহমানের আওয়াজকে বাধা দেয়ার অর্থই হচ্ছে গণতন্ত্রের গলাটিপে ধরা। রাজধানীতে যশোরের মনোনয়নপ্রত্যাশী আবু বকর, ছাত্র দলের আব্বাস, মো. হোসেন, আশরাফুল ইসলাম রবিন, জাকির হোসেন, মাহবুবুল আলম, খুলনার শাহিনুর আলমকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তুলে নিয়ে আটকের পর অস্বীকার করায় উদ্বেগ প্রকাশ করে অবিলম্বে তাদেরকে জনসমক্ষে হাজির করার দাবি জানিয়েছেন রিজভী। এছাড়া ঢাকা মহানগর দক্ষিনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ধানমন্ডি থানার সভাপতি শেখ রবিউল আলম রবিকে সাদা পোষাকে পুলিশ রাতে গ্রেফতার করায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং অবিলম্বে তার মুক্তির দাবি জানান তিনি।
বাজে ইলেকশন হলেও আমরা করব: ড. কামাল হোসেন
অনলাইন ডেস্ক: জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন বলেছেন, প্রতিযোগী নিজেই যদি আম্পায়ারিং করে তা হলে তো হলো না। তিনি বলেন, বাজে ইলেকশন হলেও আমরা করব। আজ সোমবার রাজধানীর বেইলি রোডে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ড. কামাল হোসেন। এর আগে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে তাঁর বাসভবনে যান ব্রিটিশ হাইকমিশনার অ্যালিসন ব্লেক। ড. কামাল জানান অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ এখনও তৈরি হয়নি এবং পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা পক্ষপাতমূলক। উভয়ে প্রায় এক ঘণ্টা কথা বলেন। পরে কোন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে জানতে চাইলে ড. কামাল হোসেন বলেন, দেশের সার্বিক পরিস্থিতি তিনি জানতে চেয়েছেন। বিশেষ করে জানতে চেয়েছেন, কী ধরনের নির্বাচন হতে যাচ্ছে। ড. কামাল হোসেন বলেন, ইলেকশন কোনোভাবেই বয়কট করা যাবে না। বাজে ইলেকশন হলেও আমরা করব।তিনি বলেন, বয়কট করে পাঁচ বছর চালিয়ে নিল এটা তো নজিরবিহীন। আমাদের ইতিহাসে এমন ঘটনা ঘটেনি। ড. কামাল বলেন, ব্রিটিশ হাইকমিশনারকে জানানো হয়েছে, ঐক্যফ্রন্ট নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন চায়। সেই লক্ষ্যে সাত দফা দাবিও সরকারকে দেওয়া হয়েছে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ এই নেতা বলেন, সরকার অনেকভাবে নিরপেক্ষ করা যায়, তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা ছাড়াও। এটা আমাদের সংলাপে বলেছি। তিনি আরো বলেন, পুলিশকে যেভাবে দলীয় বাহিনী হিসাবে করা হয়েছে এসব তো উদ্বেগের কারণ। ব্রিটিশ হাইকমিশনারের কাছে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে ১৫৪ জন বিনা ভোটে নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে জানিয়ে ড. কামাল বলেন, ৫ জানুয়ারির পর নির্বাচিত সরকার না থাকার কারণে দেশের অনেক ক্ষতি হয়েছে।

রাজনীতি পাতার আরো খবর